Author Topic: Branding Bangladesh: time to go for an integrated policy  (Read 9303 times)

mahbub-web

  • Guest
Share box is in your website
« Reply #30 on: December 04, 2012, 11:52:16 AM »
ভাসমান শেয়ার বক্স তৈরি করুন আপনার সাইটের জন্য (ফেসবুক লাইক, টুঁইটার ও গুগল+ ১)


আমাদের এই (TutorialFor.Me) সাইটে শেয়ার করার জন্য বাম দিকে আমারা কয়েকটা শেয়ার বাটন দেখতে পায় যা ব্যবহারযোগ্য ও সুবিধা জনক।  অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেছেন যে এই শেয়ার বাটন গুলো কিভাবে করেছেন বা কোন প্লাগিন আছে? ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই আজকে আমি সেই সকল গ্রাহকদের জন্য এই টিউটোরিয়াল লেখা শুরু করলাম। যাতে করে সবাই নিজেদের ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে (অন্যান্য সাইটেও) ব্যবহার করতে পারেন।

শেয়ার বক্স-এ কি কি বাটন যুক্ত করবো?

শেয়ার বাটন এ আমারা চাইলে অনেক বাটন যুক্ত করতে পারি কিন্তু সেক্ষেত্রে দেখা যাবে সাইটের শেয়ার বক্সটি অনেক বড় ও স্ক্রিপ্ট গুলো লোড হতে বেশ সময় নিবে, সেই কারনেই সাইটও দেরিতে খুলবে। তাই আমারা বেশ কয়েকটা জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এর শেয়ার বাটন গুলো তৈরি করবো। যেমনঃ ফেসবুক, গুগল+ ও টুঁইটার।

শেয়ারিং কোড গুলো সংগ্রহঃ

ফেসবুক লাইক কোড
গুগল প্লাস +১ কোড
টুঁইটার টুইট কোড
উপরের লিংক গুলো থেকে আপনাকে শেয়ার বাটন তৈরি করার জন্য সকল কোড গুলো সংগ্রহ করতে হবে। তবে আমি সমস্যা নাই আমি নিচে আপনাদের জন্য কোডিং করেই দিয়েছি তাই সংগ্রহ না করলেও হবে, যদি আপনি উন্নত শেয়ার বাটন তৈরি করার চেস্টা করেন তাহলে উপরের লিংক গুলো আপনার জন্য প্রয়োজনীয়।

ভাসমান শেয়ার কোড লিখুনঃ

আমি উপরেই বলছি আমারা ৩টা (ফেসবুক, গুগল+ ও টুঁইটার) সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার শেয়ার বাটন গুলো আমাদের সাইটে ভাসমান আকারে যুক্ত করবো। তাই আমি সেই ভাবে ভাসমান শেয়ার বক্স এর জন্য নিচের কোড গুলো লিখেছি।

হেডারে জাভাস্ক্রিপ্ট যুক্তঃ
আপনার সাইটের থিম ফোল্ডার এর মধ্যে header.php ফাইল ওপেন করুন এবং সেই ফাইলের মাঝে খুজুন


Code: [Select]
</head>
এবং এর উপরে (আগে) নিচের কোডগুলো বসিয়ে দিন।

Code: [Select]
<script type="text/javascript" src="https://apis.google.com/js/plusone.js"></script><script type="text/javascript" src="http://platform.twitter.com/widgets.js"></script>
ভাসমান শেয়ার বক্স এর কোডঃ
আপনার থিম ফোল্ডার এর মধ্যে single.php ওপেন করুন এবং সেখানে


Code: [Select]
<?php the_content(); ?>
এই কোডটি খুজে বের করুন এবং তার পরে নিচের কোড গুলো কপি করে বসিয়ে দিন অথবা বসিয়ে দিন।

Code: [Select]
<!-- Float Sharing Box Starts -->
<div class='float-share'>

   <div class='fbfloat-share float-widget'>
    <iframe src="//www.facebook.com/plugins/like.php?href=<?php echo urlencode(get_permalink($post->ID)); ?>&send=false&layout=box_count&width=46&show_faces=true&action=like&colorscheme=light&font=arial&height=65"
scrolling="no" frameborder="0" style="border:none; overflow:hidden; width:46px; height:65px;" allowTransparency="true"></iframe>
   </div>

   <div class='gplfloat-share float-widget'>
<g:plusone size="tall" href="<?php the_permalink(); ?>"></g:plusone>
   </div>

   <div class='twfloat-share float-widget'>
    <a href="http://twitter.com/share" class="twitter-share-button" data-text='<?php the_permalink(); ?>' data-via="TutorialFor.Me" data-count="vertical" data-related="TutorialFor.Me:Tutorial Site">Tweet</a>
   </div>

</div>
<!-- Float Sharing Box End -->

স্টাইল করতে সিএসএস এর ব্যবহার

উপরের কাজ গুলো ধাপ গুলো ঠিক ভাবে অনুসরণ করতে পারলে আপনি আপনার সাইটের যেকোনো একটি পোস্ট ওপেন করে দেখুন দেখবেন আপনার পোস্ট এর সকল লেখার নিচে শেয়ার বাটন গুলো প্রদর্শিত হচ্ছে তবে এলো-মেলো ভাবে। তাই সেগুলো ঠিক করার জন্য এবার আমরা একটু সিএসএস এর ব্যবহার করবো। আমি নিচে সিএসএস কোড গুলো দিয়ে দিলাম সেই কোড গুলো কপি করে আপনার থিমের style.css ফাইলে যুক্ত করে দিন। এবং আপনার সাইট পুনরায় লোড করুন।


Code: [Select]
/* Floating Share Widget */
.float-share {
width : 80px;
padding : 10px 0;
padding-bottom : 0;
background : #ffffff;
border : 1px solid #d2d2d2;
border-radius : 8px;
text-align : center;
position : fixed;
top : 229px;
left : auto;
z-index : 15;
margin: 0 0px 0 -135px;
}
.float-widget {
margin-bottom : 10px;
}

ব্যাস হয়ে গেলো আপনার সাইটেও একটি ভাসমান শেয়ার ব্যবস্থা। আশা করি এই টিউটোরিয়াল টি দেখে আপনারা সহজ ভাবে আপনাদের সাইটে ভাসমান শেয়ার ব্যবস্থা যুক্ত করতে পারবেন।
« Last Edit: December 15, 2012, 09:44:49 AM by Badshah Mamun »

Offline Md. Khairul Bashar

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 201
  • Test
    • View Profile
Vision of Man & Woman
« Reply #31 on: December 04, 2012, 01:46:30 PM »
নারী ও পুরুষের চোখের দৃষ্টি নিয়ে আগেও অনেক গবেষণা হয়েছে। ওই সব গবেষণায় নির্দিষ্ট চিত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। এবার ব্যবহার করা হয়েছে কিছুটা ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি। গবেষণায় দেখা গেছে, উভয়ের দৃষ্টিতে ভিন্নতা রয়েছে।যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই গবেষণা চালান। এটি বিজ্ঞান সাময়িকী প্লস ওয়ান-এ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকেরা ১৯ থেকে ৪৭ বছর বয়স্ক ২৬ জন নারী ও ২৬ জন পুরুষের ওপর গবেষণা করেন। গবেষকেরা চলচ্চিত্র ও চিত্রকলা থেকে কিছু ছবি নারী-পুরুষকে আলাদাভাবে দেখতে দেন। কিছু ছবি নেওয়া হয় সাউন্ড অব মিউজিক, ইনসাইড ম্যান, ব্লু প্লানেট ইত্যাদি চলচ্চিত্র থেকে। আর নেওয়া হয় আঁকা কিছু ছবি। গবেষকেরা ছবির এক থেকে পাঁচটি স্থানকে গুরুত্ব দেন। এসব স্থানের মধ্যে রয়েছে: মুখমণ্ডল, চোখ, হাত ইত্যাদি।এখানেই দেখা গেল, নারী-পুরুষের দৃষ্টি এক জায়গায় পড়ছে না। নারীরা ছবির নিচের অংশের দিকে দৃষ্টি দিচ্ছেন। অন্যদিকে পুরুষেরা দিচ্ছেন ওপরের অংশে।

গবেষক দলের অন্যতম সদস্য ফেলিক্স মার্সার মস বলেন, ইউরোপের সংস্কৃতিতে সরাসরি চোখের দিকে তাকানোর অর্থ হুমকি বোঝায়। তাই হয়তো নারীরা সরাসরি চোখের দিকে তাকানোর ঝুঁকি নেননি, বরং তাঁরা পুরুষের ছবির নিচের অংশে তাকিয়েছিলেন।গবেষক মার্সারের মতে, এই গবেষণার ফলাফল দৃষ্টির পরিবর্তন নিয়ে ভবিষ্যতে আরও ভালো গবেষণায় সহায়তা করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যাঁরা চোখের ট্র্যাকিংয়ের কাজ করেন, তাঁরা এই নারী-পুরুষের দৃষ্টির পার্থক্য মাথায় রাখলে কাজটি সহজেই করতে পারবেন।


সূত্রঃ http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-12-03/news/310241
« Last Edit: December 10, 2012, 04:54:04 PM by Badshah Mamun »

Offline Md. Khairul Bashar

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 201
  • Test
    • View Profile
No more devate regarding Goal
« Reply #32 on: December 04, 2012, 03:20:40 PM »
ইন্টারনেটে ‘রাশিয়ান লাইন্সম্যান’ লিখে সার্চ দিলে মনে হতে পারে রাশিয়াতে বুঝি শুধু একজনই লাইন্সম্যান। গুগলের প্রথম কয়েক পাতায় শুধু তোফিক বাহরামভের নাম। ১৯৬৬ বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনালে দেওয়া একটি মাত্র সিদ্ধান্তই তাকে দুনিয়াজুড়ে পরিচিতি দিয়েছে। কিন্তু বাহরামভের ওই সিদ্ধান্তটি ছিল ভুল। ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ড-পশ্চিম জার্মানি ফাইনালের অতিরিক্ত সময়ে ইংলিশ স্ট্রাইকার জিওফ হার্স্টের একটি শট ক্রসবারে লেগে গোললাইনে পড়ে বেরিয়ে আসে। বিভ্রান্ত সুইস রেফারি গটফ্রিড ডিনস্ট বল গোললাইন পেরিয়েছে কি না, জানতে চাইলেন বাহরামভের কাছে। বাহরামভ হ্যাঁ বলাতেই গোলের সংকেত দিলেন রেফারি। ওই গোলটাই গড়ে দিল ব্যবধান। ২-২ সমতায় থাকা ম্যাচে ৩-২ গোলে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। পরে আরেকটি গোল করে বিশ্বকাপের ফাইনালের একমাত্র হ্যাটট্রিকটি পেয়ে যান হার্স্ট। আর ইংল্যান্ডও পেয়ে যায় আরাধ্য বিশ্বকাপটা।

তখন থেকেই যতবার গোলটি দেখানো হয়েছে টেলিভিশনে জার্মানরা অক্ষম ক্রোধে কেঁপেছে আর ইংলিশরা মেতেছে উল্লাসে। ৪৪ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ওয়েম্বলির সেই ভূতটা যেন ফিরে আসে আরেকটি জার্মানি-ইংল্যান্ড ম্যাচে। তবে এবার ঘটল উল্টো ঘটনা। যার শিকার এবার ইংল্যান্ড। ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের শট ক্রসবারে লেগে গোললাইনের ভেতরে পড়ে বেরিয়ে আসে। রেফারি এবার গোল দিলেন না। আর ম্যাচটা ইংল্যান্ড হেরে গেলে ৪-১ গোলে।আলোচিত এই দুই ঘটনার মাঝে অনেকবারই দাবি উঠেছে বল গোললাইন পেরিয়েছে কি না, সেটা বোঝার জন্য প্রযুক্তির আশ্রয় নেওয়া হোক। কিন্তু বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা বরাবরই প্রশ্নটা এড়িয়ে গেছে। ২০১০ বিশ্বকাপের পর অবশ্য নড়েচড়ে বসে সংস্থাটি। অনেক দিন না করার পর অবশেষে তারা সিদ্ধান্ত নেয় আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়ার। গত দুই বছরে অনেক যাচাই-বাছাই করার পর আপাতত দুটি প্রযুক্তি বেছে নিয়েছে ফিফা। যাদের চূড়ান্ত পরীক্ষা আগামী ৬ ডিসেম্বর থেকে জাপানে শুরু হতে যাওয়া ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে। ফিফার লক্ষ্য আগামী ব্রাজিল বিশ্বকাপের জন্য একটি নির্ভুল প্রযুক্তি বেছে নেওয়া।আর কাকতালীয়ভাবে এখানেও মুখোমুখি ইংরেজ ও জার্মানরা। জার্মানদের গোলরেফ ও ইংরেজদের হক-আই প্রযুক্তি লড়ছে নিজেকে বেশি নিখুঁত প্রমাণ করার জন্য। চৌম্বক তড়িৎক্ষেত্র ব্যবহার করা গোলরেফ প্রযুক্তি স্থাপন করা হবে ইয়োকোহামা স্টেডিয়ামে। অন্যদিকে ক্রিকেট ও টেনিসে ব্যবহার হওয়া ক্যামেরানির্ভর হক-আই প্রযুক্তি স্থাপন করা হবে টয়োটা স্টেডিয়ামে। গোলরেফের স্রষ্টা জার্মানির গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফ্রনহফার ইনস্টিটিউট অব ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট এবং হক-আই তৈরি করেছে ব্রিটেনের হক-আই ইনোভেশন।

হক-আই কাজ করবে ছয় থেকে আটটি ক্যামেরা নিয়ে। স্টেডিয়ামের ছাদে বসানো ক্যামেরাগুলোর সার্বক্ষণিক দৃষ্টি থাকবে বলের দিকে এবং বলের সঠিক অবস্থানের ত্রিমাত্রিক ছবি দেখাবে। টেনিসের লাইনকল ও ক্রিকেটে এলবিডব্লুর সিদ্ধান্তে অনেক দিন ধরেই ব্যবহূত হচ্ছে এটি। গোলরেফের কাজের পদ্ধতিটা পুরোপুরিই অন্যরকম। এটি পুরোপুরিই একটি তড়িৎ-চুম্বকীয় পদ্ধতি। গোল পোস্ট ও ম্যাচ বলের ভেতরে সেন্সর বসানো থাকবে। বল পুরোপুরি গোললাইন অতিক্রম করেছে কি না, সেটা চুম্বকক্ষেত্রের সামান্য হেরফের থেকেই বোঝা যাবে। আর দুই ক্ষেত্রেই রেফারির কবজিতে বিশেষ একটি ঘড়ি থাকবে যেটি মুহূর্তেই রেফারিকে সংকেত দেবে গোল হয়েছে কি না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ক্রিকেট ও টেনিসের মতো মোটেই সময় নষ্ট হবে না।ক্লাব বিশ্বকাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যালোচনা হবে আগামী জানুয়ারিতে। এরপর ফিফা কনফেডারেশনস কাপে পরীক্ষা করা হবে তৃতীয় আরেকটি প্রযুক্তির। এরপরই নেওয়া হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তবে খুবই ব্যয়বহুল হওয়ায় ফিফা ফুটবল লিগগুলোতে এখনই এটাকে বাধ্যতামূলক করছে না।


সূত্রঃ http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-12-03/news/310239
« Last Edit: December 10, 2012, 03:13:06 PM by Badshah Mamun »

Offline librarian

  • Jr. Member
  • **
  • Posts: 74
  • M.A. in ISLM (DU), M.Sc. in Math(CU), Ph.D (India)
    • View Profile
    • http://www.daffodilvarsity.edu.bd
How to be a great manager through strong leadrship
« Reply #33 on: December 04, 2012, 03:34:00 PM »
The following points help us to be a great leader through strong leadership:


1.  Develop trust and credibility.  When people trust we, they will be more inclined to follow us.  If they follow us, and we have all the pieces of the puzzle in place as described throughout this course, we will succeed.  A leader builds trust by considering the “good of all” when making decisions. Leaders do not abuse their power, but build trust by using it properly.  Trust fosters collaboration, which contributes to openly sharing information, which then creates a solid team who supports each other.  Trust is based on the respect and expectations of a leader who cares and acts with compassion in a most positive way.  With trust there is: 
Honesty, Integrity, Compassion, Fairness and Good relationships

 Incorporating these five traits will help guide us on the right path to strong leadership.

2. Share the vision with absolute clarity.  Leaders need to share the vision of what they want their department to achieve.  For example, a leader might share a vision like, “We will be a world class customer service organization that provides the benchmark for customer satisfaction.”  To get others to see and understand our vision, we need to motivate and inspire with the same enthusiasm and positivity we have inside us.
   
It is vital, however, that our team understands the vision, and is 100% clear on the objectives.  We are striving for a better and secure future, while eliminating the common work related fears.  People with a shared vision are more productive and have a greater sense of achievement.  Inspire them to follow the processes and procedures we will put in place to achieve the vision.
 
We also need to listen to what they are saying.  Doing all the talking does not let them participate in the vision quest with their ideas. 
 
A way to see the dream come true is by charting successes, as well as failures.  If the employees always know where they stand, they will know what part they played in achieving the vision.

3.  Be there to help them succeed - Coaching, mentoring, communicating, and listening.  Great interpersonal skills are vital for a successful leader. We don’t lead by hiding behind our desk.  Be out there and find the strengths and talents of our employees, and place them where they can shine.  They need to know how their strengths serve the objectives.  Show them the respect they deserve, and we have their interests at heart.
   
The bottom line is that they need to know that we will be there to help them succeed.  We can do this by:
 

  * Coaching.  Try and help them improve their skills to do their job better.  Give them feedback on their performance with
      observations and give good advice.  Use specific statements rather than general comments, whether good or bad.

   * Mentoring.  Help them understand what we are all about, guide them for a better chance of promotion, and have them
      learn about other aspects and functions of the business.

    *Communicating.  Clearly share our visions and goals, encourage individuals and groups, praise when praise is due, and
      take the time for one-on-one meetings.

   * Listening.  Let them share ideas, concerns, and know we are approachable and caring. 

 The most important aspect here is that we are always looking at ways to help develop our employees’ unique skills, both individually and as a group, for a better future including possible growth in the company.  This is a win for the company as well.  The company will gain more productive employees, not to mention us will look good in upper managements eyes.

4.  Make the decisions and be held accountable. With the skills developed throughout this course, we will mostly make the right decisions and guide our department into the right direction.  We need to:

    Sift the data for facts and relevance.
    Look closely at the issue at hand while never losing sight of the big picture.

    Talk to subject experts if needed.

    Don’t make a decision too quickly unless necessary.

    Think about the cost-benefit for both short-term and long-term.

    Once a decision is made, do not be wish-washy or unsure about ourself.  You will be seen as a person who can be easily
    persuaded with little confidence.

 We as a leader are expected to take some chances and we might make some risky decisions.  In saying that, as people expect to be held accountable in their job performance, they also expect us to be held accountable as their leader.  If we fail or deny any wrong doing on our part, or place blame on someone else, you will lose credibility and not be seen as an effective leader.

We also need to know when it is better to follow, rather than lead, by trusting our employees’ suggestions.  Leaders realize they can’t know all the answers, and earn respect when they seek advice of others when needed.   
If we make a decision that is obviously seen as showing favoritism, or just a lack of judgment, by promoting someone who has bad work ethics, no respect, or below average performance, we will not only lose respect, but also hurt team morale.
 
Being held accountable is also a positive thing, as we want to be known for the good things that we do.  The same goes for our employees as it makes them feel important and appreciated.  We do, however, need to allow people to sometimes fail or make mistakes during the process of achieving difficult goals.  We do, however, also need to confront them.  By using our management and leadership skills, people will admit their mistakes and accept accountability. Our skills as leader will also help and coach them to improve.  If we do not already have the nerve and confidence to confront people, we will eventually, as the contents of this course should lift our confidence and ego immensely.
 
Make sure our decisions are always ethically sound.  Do not ask or expect our team to get the results unethically or use a “no matter what it takes” approach.

5.  Keep it all under control and headed in the right direction.  The objective of every leader should come with the mindset of striving for “mission accomplished.”  We, as leader and manager, need to focus on what’s most important related to the vision and goals of the organization.  You need to eliminate chaos and be known as a person with authority who can make the right decisions.  We might have 5 projects going on at once, but focusing more on the least important when the most important is in need of help will destroy our vision and miss our goals.  Make sure we get our team to focus on the most important and critical tasks to achieve the goals related to our vision.  By delegating tasks to the right people, fulfillment of the vision will become more likely.
 
Everyone needs to have the same focus and direction we have.  A sense of community within the team, with a common goal, is key.  If we waver and change our mind and direction continually, we will lose trust.  Consistency is key to maintaining control and keep things going in the right direction.
 Above “five key points” are the core competencies to strong leadership. 
« Last Edit: December 04, 2012, 04:04:22 PM by librarian »
Dr. Md. Milan Khan

Offline Md. Khairul Bashar

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 201
  • Test
    • View Profile
কৃত্রিম মস্তিষ্ক!
« Reply #34 on: December 04, 2012, 05:08:41 PM »
সম্প্রতি কানাডার ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুবিদ ও সফটওয়্যার প্রকৌশলীরা মিলে কৃত্রিম মস্তিষ্ক তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। গবেষকেদের দাবি, মানুষের মস্তিষ্কের মতোই জটিল সমস্ত কাজ করতে পারবে এ কৃত্রিম মস্তিষ্ক। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস।গবেষকেরা এ কৃত্রিম মস্তিষ্কটির নাম দিয়েছেন সিমানটিক পয়েন্টার আর্কিটেকচার ইউনিফাইড নেটওয়ার্ক বা সংক্ষেপে ‘স্পুন’। এ মস্তিষ্কটিকে একটি সুপার কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। কৃত্রিম এ মস্তিষ্ক মানুষের মস্তিষ্কের মতোই অনেক বিষয় শিখতে পারে।

গবেষকেরা মস্তিষ্কের সঙ্গে ডিজিটাল চোখ ও রোবট বাহু যুক্ত করেছেন। চোখে দেখে মস্তিষ্কের যে অনুভূতি জাগবে রোবোটিক হাত ব্যবহার করে তা আঁঁকতে পারে এ রোবটটি। গবেষকেদের দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন এ রোবটটি সাধারণ বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষায় উতরে যেতে পারবে।গবেষকেরা জানিয়েছেন, মস্তিষ্কের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ২৫ লাখ কৃত্রিম নিউরন বা স্নায়ু, যা আটটি আলাদা আলাদা কাজ করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ছবি আঁঁকা, গুণতে পারে বা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো বিষয়টি।



সূত্রঃ http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-12-04/news/310648


Offline Shamsuddin

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 177
  • Test
    • View Profile
ধূমপান আইন সংশোধনের দাবি
« Reply #35 on: December 04, 2012, 07:01:27 PM »
ধূমপান আইন সংশোধনের দাবি





বাংলাদেশের তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের উপর একটি সমীক্ষার প্রাথমিক প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর বার কাউন্সিলের পক্ষে এ দাবি জানান বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার।

বার কাউন্সিলের মানবাধিকার ও আইনগত সহায়তা কমিটি পরিচালিত এই সমীক্ষায় নেতৃত্ব দেন আইনজীবী শাহদীন মালিক। এতে সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্টের ক্যাম্পেইন ফর ট্যোবাকো ফ্রি কিডস।

আইন সংশোধন ও বাস্তাবায়ন পথ, এই দুইভাগে সমীক্ষাটি করা হয়।

ধূমপান ও তামাক পণ্যের ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০০৫- এ অনেক ফাঁক রয়েছে দাবি করে সমীক্ষার প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই আইনে তামাক, তামাক পণ্য, পাবলিক প্লেস, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসব শব্দকে সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গিতে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়, ধূমপান ও তামাক পণ্যের ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০০৫ এর বর্তমান অবস্থাটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এফসিটিসি গাইডলাইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ওই নির্দেশিকা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই আইন ও নীতি সংশোধন করতে হবে।

বার কাউন্সিল সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বার কাউন্সিলের মানবাধিকার ও আইনগত সহায়তা কমিটির বার কাউন্সিলের মানবাধিকার ও আইনগত সহায়তা কমিটির চেয়ারম্যান জেড আই খান পান্না, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি জগলুল হায়দার আফ্রিক প্রমুখ।



Source: Internet

Offline Shamsuddin

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 177
  • Test
    • View Profile
Smoking and Die
« Reply #36 on: December 04, 2012, 07:11:25 PM »
'ধূমপানের কারণে এ বছর মৃত্যুবরণ করবে ৬০ লাখ মানুষ'



লন্ডন, জুন ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)- ধূমপানের কারণে চলতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬০ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করবে। আর এরমধ্যে পরোক্ষ ধূমপানের কারণে মারা যাবে প্রায় ৬ লাখ মানুষ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে।

এত মানুষের মৃত্যুর জন্য ডব্লিউএইচও বিশ্বের সরকারগুলোকে দায়ী করেছে। সংস্থাটি দাবি করছে, কোনো দেশের সরকারই জনগণকে ধূমপানবিমুখ করতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি। একই সাথে পরোক্ষ ধূমপান ঠেকাতেও কর্তৃপক্ষ যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

যদিও ধূমপান শুরু করার অনেক বছর পর এর স্বাস্থ্যগত ক্ষতির দিক প্রকাশ পেতে থাকে তারপরও ধূমপানজনিত রোগ ও এরফলে মৃত্যু এখন মহামারীর রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।

২০৩০ সাল নাগাদ ধূমপানের ফলে মৃতের সংখ্যা প্রতি বছরে ৮০ লাখে গিয়ে দাঁড়াবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

জাতিসংঘের এই সংস্থাটি বিশ্বের আরও বেশি সংখ্যক দেশের সরকারকে এর তামাক নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে তা প্রয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছে।

এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৭২টি দেশ ও ইউরোপিয় ইউনিয়ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার 'ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অব টোবাকো কন্ট্রোল' (এফসিটিসি) তে স্বাক্ষর করেছে।

ডব্লিউএইচও সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান অবস্থা চলতে থাকলে চলতি একবিংশ শতাব্দীতে তামাকের কারণে ১শ' কোটি মানুষের মৃত্যু হতে পারে যা বিগত শতাব্দীর দশগুণ।

বিংশ শতাব্দীতে তামাকজনিত কারণে দশ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

ডব্লিউএইচও ধূমপান নিরোধে কয়েকটি রাষ্ট্রের গৃহীত পদক্ষেপে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। এরমধ্যে উগান্ডা নিয়ম করেছে তামাকজাত দ্রব্যাদির প্যাকেটের আশিভাগ জুড়ে স্বাস্থ্য সতর্কতা নির্দেশ করার জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে।

গত মাসে চীন জনসমাগমের স্থানগুলো যেমন হোটেল, রেস্তোরাঁ, বার ইত্যাদিতে ধূমপান নিষিদ্ধ করেছে।

এ পদক্ষেপগুলোকে উৎসাহজনক বললেও ডব্লিউএইচও-এর মহাপরিচালক মার্গারেট চ্যান এগুলোকে যথেষ্ট বলে স্বীকৃতি দেননি। তিনি বলেছেন, "রাষ্ট্রগুলোকে ধূমপান নিরোধে প্রয়োজনীয় আইন জারি করতে হবে এবং সেগুলো কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে"।

ডব্লিউএইচও ধূমপানকে 'সভ্যতার ইতিহাসে জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি' বলে চিহ্নিত করেছে।

ধূমপানের কারণে ফুসফুসের ক্যান্সার হয়, এছাড়া অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত রোগেরও কারণ ঘটায় ধূমপান। বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী রোগ রক্তসংবহনজনিত রোগ (স্ট্রোক) ও হৃদরোগের প্রধান কারণ ধূমপান।

প্রসঙ্গত, ৩১ মে ছিল বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস।

Source Internet
« Last Edit: December 10, 2012, 03:07:07 PM by Badshah Mamun »

Offline Shamsuddin

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 177
  • Test
    • View Profile
Effect of Smoking
« Reply #37 on: December 04, 2012, 08:03:48 PM »
ধূমপান: মিনিটেই দেহের ক্ষতি


 ধূমপানের কারণে কয়েক বছর নয়, বরং কয়েক মিনিটেই শরীরের ক্ষতি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা এমনটাই বলেছেন।

'কেমিক্যাল রিসার্চ ইন টক্সিকোলোজি'তে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধূমপানের পর শরীরে 'পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন' (পিএএইচ)-এর মাত্রা বেড়ে যায়।

শরীরে পিএএইচ অন্য একটি রাসায়নিক উপাদানে রূপান্তরিত হয় যা ডিএনএ'র ক্ষতি করে এবং ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী।

এ পুরো প্রক্রিয়াটি সংঘটিত হতে ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে এবং প্রথম সিগারেট খাওয়ার পরেই এটা ঘটতে শুরু করে বলে গবেষণায় বলা হয়েছে।

'ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটা'র অধ্যাপক স্টিফেন হেচ বলেন, "এ গবেষণাটি অনন্য। খাবার ও বায়ু দুষণ ছাড়া কেবল ধূমপানের ওপর ভিত্তি করেই সিগারেট খাওয়ার পর মানুষের শরীরে পিএএইচ-এর যে রাসায়নিক রূপান্তর ঘটে তা প্রথমবারের মতো দেখানো হয়েছে এখানে।"

এ গবেষণাকে ধূপমান শুরু করতে আগ্রহী মানুষের জন্য সতর্কবার্তা বলে অভিহিত করেছেন ধূমপান বিরোধী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'অ্যাশ'র নীতি ও গবেষণা বিষয়ক পরিচালক মার্টিন ডকরেল।


Source: Internet
« Last Edit: December 10, 2012, 05:17:00 PM by Badshah Mamun »

Offline Shamsuddin

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 177
  • Test
    • View Profile
Indirect smoking and percentise of Die
« Reply #38 on: December 05, 2012, 10:24:41 AM »
Indirect smoking and percentise of Die


পরোক্ষ ধূমপানে বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ছয় লাখ মানুষ মারা যাচ্ছে। এর মধ্যে এক লাখ ৬৫ হাজারই শিশু।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) গবেষকরা শুক্রবার একথা জানিয়েছেন।

বিশ্বে পরোক্ষ ধূমপানের প্রভাব নিরুপণে প্রথমবারের মতো পরিচালিত গবেষণায় ডব্লিউএইচও'র গবেষকরা জানতে পেরেছেন, অন্যদের চেয়ে শিশুরাই এর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এর কারণে বছরে প্রায় এক লাখ ৬৫ হাজার শিশুর মৃত্যু হচ্ছে।

আনেত্তে প্রাস উসতুনের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, "এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ শিশুর মৃত্যু হচ্ছে আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায়।"

শিশুরা ঘরেই পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয় এবং এতে তাদের নানা ধরনের রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

গবেষণায় পাওয়া ফলাফলের ওপর ল্যাঞ্চেট জার্নালে মন্তব্য করতে গিয়ে সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিদার উইপফ্লি ও জনাথন স্যামেটা বলেন, ঘরের মধ্যে ধূমপান না করতে জনসচেতনতা বাড়াতে নীতি-নির্ধারকদের কাজ করা উচিত।

২০০৪ সালে ১৯২টি দেশের মানুষের মৃত্যুর ওপর গবেষণা চালিয়েছেন তারা।

তাদের পাওয়া তথ্যমতে, ২০০৪ সালে বিশ্বব্যাপী ৪০ শতাংশ শিশু, ৩৩ শতাংশ অধূমপায়ী পুরুষ ও ৩৫ শতাংশ অধূমপায়ী নারী পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়ে মারা গেছেন।


Source: Internet
« Last Edit: December 05, 2012, 05:59:21 PM by Badshah Mamun »

Offline arefin

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1173
  • Associate Professor, Dept. of ETE, FE
    • View Profile
Some etiquette of dua
« Reply #39 on: December 05, 2012, 10:49:31 AM »
দুআ করার কয়েকটি আদব
-------------------------------------
আল্লাহর কাছে অত্যন্ত বিনীতভাবে ধর্না দেয়া এবং নিজের দুর্বলতা, অসহায়ত্ব ও বিপদের কথা আল্লাহর কাছে প্রকাশ করা :
-----------------------------------------------------------------------------------------
আইউব আ. কিভাবে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছেন, আল্লাহ সে সম্পর্কে বলেন:

এবং স্মরণ কর আইউবের কথা, যখন সে তার প্রতিপালকের কাছে প্রার্থনা করে বলেছিল, আমি দুঃখ-কষ্টে পড়েছি, আর তুমি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।
(সুরা আম্বিয়া : ৮৩)

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যাকারিয়া আ. এর প্রার্থনা সম্পর্কে বলেন :

সে বলেছিল, হে আমার প্রভু! আমার অস্থি দুর্বল হয়েছে, বার্ধক্যে আমার মস্তক সাদা হয়ে গেছে। হে আমার প্রতিপালক! তোমার কাছে প্রার্থনা করে আমি কখনো ব্যর্থকাম হইনি। আমি আশংকা করি আমার পর আমার সগোত্রীয়দের সম্পর্কে ; আমার স্ত্রী বন্ধ্যা। সুতরাং তুমি তোমার নিকট হতে দান কর উত্তরাধিকার।
(মারইয়াম : ৪-৫)

ইবরাহীম আ. এর দুআ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন :

হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমি আমার কিছু বংশধরদেরকে ফসলহীন উপত্যকায় তোমার পবিত্র ঘরের নিকট বসতি স্থাপন করালাম, হে আমাদের রব, যাতে তারা সালাত কায়েম করে। সুতরাং কিছু মানুষের হৃদয় আপনি তাদের দিকে ঝুঁকিয়ে দিন এবং তাদেরকে রিয্‌ক প্রদান করুন ফল-ফলাদি থেকে, আশা করা যায় তারা শুকরিয়া আদায় করবে।’
(ইবরাহীম : ৩৭)

কুরআন কারীমে এ ধরনের বহু আয়াত আছে যাতে তুলে ধরা হয়েছে নবী রাসূলগণ কিভাবে কাতরতা ও বিনয়ের সঙ্গে নিজেদের করুণ অবস্থা আল্লাহর কাছে তুলে ধরেছেন। মুমিনদের কর্তব্য ঠিক এমনিভাবে আল্লাহর কাছে দুআ ও প্রার্থনা করা।


দুআয় আল্লাহর হামদ ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি দরূদ পেশ করা :
---------------------------------------------------------------------------------------------------
দুআর শুরুতে আল্লাহ তাআলার প্রশংসা করা ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি দরূদ পড়া দুআ কবুলের সহায়ক বলে হাদীসে এসেছে।

ফুযালা ইবনু উবাইদ রা. থেকে বর্ণিত যে, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দেখলেন এক ব্যক্তি দুআ করছে কিন্তু সে দুআতে আল্লাহর প্রশংসা ও রাসূলের প্রতি দরূদ পাঠ করেনি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে লক্ষ্য করে বললেন, সে তাড়াহুড়ো করেছে। অতঃপর সে আবার প্রার্থনা করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে অথবা অন্যকে বললেন, যখন তোমাদের কেউ দুআ করে তখন সে যেন আল্লাহ তাআলার প্রশংসা ও তার গুণগান দিয়ে দুআ শুরু করে। অতঃপর রাসূলের প্রতি দরূদ পাঠ করে। এরপর যা ইচ্ছা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে। (আবু দাউদ ও তিরমিজী)

আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ ও তাঁর মহৎ গুণাবলি দ্বারা দুআ করা :
----------------------------------------------------------------------
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন :
আল্লাহর রয়েছে সুন্দর সুন্দর নাম। অতএব তোমরা তাকে সে সকল নাম দিয়ে প্রার্থনা করবে। (আল-আরাফ : ১৮০)
আল্লাহ তাআলার সুন্দর নাম ও মহান গুণাবলির মাধ্যমে দুআ করার কথা আল-কুরআনে ও হাদীসে বহু স্থানে এসেছে। যেমন ইবনু আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত :

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে যখন তাহাজ্জুদ পড়তে দাঁড়াতেন তখন বলতেন, হে আল্লাহ আপনারই প্রশংসা, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীসমূহে ও তাতে যা কিছু আছে আপনি তার জ্যোতি। আপনারই প্রশংসা, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীসমূহে এবং তাতে যা কিছু আছে আপনি তার ধারক। আপনারই প্রশংসা, আপনি সত্য, আপনার ওয়াদা সত্য, আপনার কথা সত্য, আপনার সঙ্গে সাক্ষাত সত্য, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, কিয়ামত সত্য, নবীগণ সত্য, মুহাম্মদ সত্য। হে আল্লাহ! আপনার কাছেই আত্মসমর্পন করেছি। আপনার ওপরই নির্ভর করেছি। আপনার প্রতি ঈমান এনেছি। আপনার দিকে ফিরে এসেছি। আপনার জন্য বিবাদ করেছি। আপনাকেই বিচারক মেনেছি। অতএব আপনি আমার পূর্ব ও পরের গোপন ও প্রকাশ্যের পাপগুলো ক্ষমা করে দিন। আপনি শুরু আপনি শেষ। আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। (বুখারী ও মুসলিম)

এ হাদীসে দেখা গেল নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুআয় কিভাবে আল্লাহর গুণগান করছেন। আল্লাহর সুন্দর নামগুলো উল্লেখ করেছেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন শুনলেন এক ব্যক্তি সালাতে আত্তাহিয়্যাতুর বৈঠকে এ বলে দুআ করছে :
أللهم إني أسألك يا الله الأحد الصمد الذي لم يلد ولم يولد ولم يكن له كفوا أحد، أن تغفر لي ذنوبي إنك أنت الغفور الرحيم. فقال صلى الله عليه وسلم : "قد غفر له، قد غفر له. )رواه أبو داود والنسائي وأحمد وابن خزيمة وصححه الحاكم(
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি- আপনি তো এক; অদ্বিতীয়, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাকেও কেউ জন্ম দেয়নি। কেউ নেই তাঁর সমকক্ষ- আপনি আমার পাপগুলো ক্ষমা করুন। আপনি পরম ক্ষমাশীল ও দয়াময়।
এ প্রার্থনা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন : তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে! তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। (আবু দাউদ, নাসায়ী ও ইবনু খুযাইমা)
উল্লেখিত ব্যক্তি আল্লাহর সুন্দর নাম ও গুণাবলির মাধ্যমে দুআ করার কারণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুআ কবুলের সংবাদ দিলেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরেক ব্যক্তিকে দেখলেন সালাতে তাশাহহুদে সে এ বলে দুআ করছে :
اللهم إني أسألك بأن لك الحمد لا إله إلا أنت المنان بديع السماوات والأرض يا ذاالجلال والإكرام يا حي يا قيوم أسألك الجنة واعوذبك من النار. فقال النبي صلى الله عليه وسلم لأصحابه : تدرون بما دعا ؟ قالوا : الله ورسوله أعلم. قال : والذي نفسي بيده لقد دعا الله باسمه العظيم وفي رواية : الأعظم . الذي إذا دعي به أجاب، وإذا سئل به أعطى. )رواه أبو داود والنسائي وأحمد والبخاري في الأدب المفرد(
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি -এ কথার উসীলায় যে, সকল প্রশংসা আপনার, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আপনি দানশীল, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর স্রষ্টা, হে মহিমময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব ও সর্ব সত্তার ধারক!- আপনার কাছে জান্নাত চাচ্ছি এবং মুক্তি চাচ্ছি জাহান্নাম থেকে। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ প্রার্থনা শুনে তার সাহাবীদের বললেন: তোমরা কি জানো, সে কি দিয়ে দুআ করেছে? তারা বললেন, আল্লাহ ও তার রাসূল ভাল জানেন। তিনি বললেন: সে আল্লাহর মহান নাম দিয়ে দুআ করেছে। যে ব্যক্তি এ নামের মাধ্যমে দুআ করবে তার দুআ তিনি কবুল করবেন। (অন্য এক বর্ণনায় এসেছে যে ইসমে আজম দিয়ে দুআ করেছে) ।

বর্ণনায়: আবু দাউদ, নাসায়ী, আহমদ এবং বুখারী বর্ণনা করেছেন তার ‘আল-আদাব আল-মুফরাদ কিতাবে।

ইউনূছ আ. এর প্রার্থনা -যখন তিনি মাছের পেটে ছিলেন- তুমি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই তুমি পবিত্র, মহান! আমি তো সীমালংঘনকারী। যে কোনো মুসলিম এ কথা দিয়ে প্রার্থনা করবে তার প্রার্থনা আল্লাহ কবুল করবেন। (তিরমিজী)

« Last Edit: December 10, 2012, 04:56:04 PM by Badshah Mamun »
“Allahumma inni as'aluka 'Ilman naafi'an, wa rizqan tayyiban, wa 'amalan mutaqabbalan”

O Allah! I ask You for knowledge that is of benefit, a good provision and deeds that will be accepted. [Ibne Majah & Others]
.............................
Taslim Arefin
Assistant Professor
Dept. of ETE, FE
DIU

Offline arefin

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1173
  • Associate Professor, Dept. of ETE, FE
    • View Profile
ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১২
« Reply #40 on: December 05, 2012, 11:01:07 AM »
আগামী ৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তির আয়োজন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১২। এই আয়োজনকে নিয়ে প্রযুক্তি প্রিয় মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। প্রযুক্তিকে ভালোবাসে এমন মানুষ গুলো এখন অপেক্ষার প্রহর গুনছে। দেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজন তুলে ধরা হলো ।




থিম : সমৃদ্ধির জন্য জ্ঞান (Knowledge for prosperity)
স্থান : বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকা।
তারিখ ও সময় : ৬ থেকে ৮ ডিসেম্বর, ২০১২; প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা

আয়োজক
: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়,
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)
অ্যাক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম

সহযোগিতায় : BCS, BASIS, BACCO, ISPAB, AMTOB

পার্টনার : CTO Forum, Cloud Camp, BIJF, APC
মিডিয়া পার্টনার : ATN News, Ekattor TV

প্রবেশ মূল্য : বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা।
সেমিনার/ কর্মশালা/ সমাবেশ: ২৮ টি।

উল্লেখযোগ্য আয়োজন
: ফ্রিল্যান্সার সমাবেশ,ডিজিটাল উদ্যোক্তা সমাবেশ,জনগণের দোরগোড়ায় সেবা, ক্লাউড ক্যাম্প, নারীর ক্ষমতায়নে তথ্য প্রযুক্তি, প্রযুক্তি নির্ভর আনন্দময় শিক্ষা

সেমিনার/ কর্মশালার বক্তা : দেশী বিদেশী প্রায় ১৩০ জন।
প্রদর্শনকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা : ৬০টি বেসরকারি, ২৭টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও আন্তর্জাতিক ষ্টল।

অংশগ্রহণকারী উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান: Microsoft, Intel, Dell, GPIT, Teletalk, Samsung, Cisco, LEADS Coorporation Ltd, Datasoft, IBCS-PRIMEX software Ltd, EATL, Computer Source etc.

Expo Lounge : দেশীয় রোবট ও সফটওয়্যার প্রদর্শনী
: থ্রিজি এক্সপেরিয়েন্স জোন
: ইন্টারনেট সেন্টার ও হাইটেক এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অতিথি : কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু দৌহিত্র সজিব আহমেদ ওয়াজেদ জয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(আইসিটি) মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব নজরুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের(বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক ড. জ্ঞানেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

সমাপণী অনুষ্ঠানের অতিথি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানী বিষয়ক উপদেষ্টা ড: তৌফিক এলাহী চৌধুরী,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(আইসিটি) মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব নজরুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের(বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক ড. জ্ঞানেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

আয়োজন : তিন দিনের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের নানা আয়োজনে থাকছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের উপস্থাপনায় সেমিনার ও কর্মশালা। এটি সফল নাগরিক সেবা, প্রযুক্তি পণ্য ও সেবা এবং সাম্প্রতিক প্রযুক্তির ধারা নিয়ে প্রদর্শনী, মুক্ত পেশাজীবীদের সম্মেলন, কারিগরি উদ্যোক্তাদের সম্মেলন। এর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হলো ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের সম্মেলন, জনগণের দোড়গোড়ায় সেবার নানা দিক উদযাপন, নারীদের জন্য টেক ব্যাক দি টেক নামে একটি আয়োজন এবং শিশুদের জন্য চিলড্রেন’স ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড।

৬ ডিসেম্বর একটি সাধারণ সেমিনারে তুলে ধরা হবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বিভিন্ন দিক। ৭ ডিসেম্বর ক্লাউড ক্যাম্পে ওপেন স্টেক, বিগ ডেটা, ক্লাউড নিরাপত্তা, মোবাইল অ্যাপলিকেশন সম্পর্কে আলোচনা হবে।

অংশগ্রহনকারী দেশ ও প্রতিষ্ঠান : বিভিন্ন দেশের তথ্য প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিষ্ঠানের সদস্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সম্মলেনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সবচেয়ে বেশি স্পীকার আসছেন আমেরিকা থেকে। এছাড়া সিঙ্গাপুর, ইউকে, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, কোরিয়া, থাইল্যান্ড, এস্তোনিয়া, ভারতসহ একাধিক দেশ থেকে বিশেষজ্ঞরা আসছেন। আন্তর্জাতিক ফ্রিল্যান্সিং সাইট ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার ডট কম, ইল্যান্সসহ বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেসের শীর্ষ কর্মকর্তারা ও অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সরাছাড়াও দেশীয় মুক্তপেশাজীবিরা উপস্থিত থাকছেন।

উল্লেখযোগ্য বক্তা: ডেলের ওপেন স্ট্যাক প্রকল্পের স্থপতি জুড মালটিল, ক্লাউড নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ লেনি জেলসটার এবং ক্লাউড কম্পিউটার সেবাপ্রতিষ্ঠান ভার্চুস্ট্রিমের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রুভেন কোহেন।

গুজল ইনকর্পোরেটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আদিত্য ওয়াতাল, ন্যাশনাল বিজনেস ইনকিউবেশন অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক টম স্ট্রোডথবেক, স্পার্কলাইন অ্যানালাইটিক্সের প্রতিষ্ঠাতা ভিনোজ ভিজেয়কুমার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক কে. সিদ্দিক-ই রব্বানী।

ফ্রিল্যান্সার ডট কমের ভাইস প্রেসিডেন্ট (প্রকৌশল) ডেভিড হ্যারিসন, ইল্যান্স ডট কমের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেটিল ওলসেন ও ডিরেক্টর অব মার্কেটিং অ্যালেক্স ইয়োন, ওডেস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট (মার্কেট প্লেস অপারেশন) ম্যাট কুপার।


« Last Edit: December 05, 2012, 11:04:05 AM by arefin »
“Allahumma inni as'aluka 'Ilman naafi'an, wa rizqan tayyiban, wa 'amalan mutaqabbalan”

O Allah! I ask You for knowledge that is of benefit, a good provision and deeds that will be accepted. [Ibne Majah & Others]
.............................
Taslim Arefin
Assistant Professor
Dept. of ETE, FE
DIU

Offline Muhammad Siddiqur Rahman

  • Administrator
  • Jr. Member
  • *****
  • Posts: 99
    • View Profile
    • Web Profile
আসছে নতুন প্রজন্মের জিপিএস ৩
« Reply #41 on: December 05, 2012, 11:09:00 AM »
গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) বর্তমান পৃথিবীর যোগাযোগ ব্যবস্থার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু সিগন্যাল জ্যামিংয়ের মতো বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু ক্ষেত্রে এ প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতা হ্রাস পেয়েছে। এরই মধ্যে স্যাটেলাইট সিগন্যাল জ্যাম করে মার্কিন একটি ড্রোনের নিয়ন্ত্রণ দখল করার দাবি করেছে ইরান। সংবাদ সংস্থা ফক্স নিউজ সম্প্রতি এক খবরে জানিয়েছে, পুরনো ওই প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন প্রযুক্তির জিপিএস বানাতে পৃথকভাবে কাজ করছে মার্কিন, ব্রিটিশ ও চীনা বিভিন্ন প্রতিরক্ষাপণ্য প্রস্তুতকারী বিভিন্ন সংস্থা।

গত সপ্তাহে মার্কিন প্রতিরক্ষাপণ্য নির্মাতা লকহিড মার্টিন নির্মিত নতুন প্রজন্মের জিপিএস ৩-এর সফল পরীক্ষা করেছে। এর আওতায় পুরনো স্যাটেলাইটগুলোর বদলে জ্যাম করার অনুপযোগী একঝাঁক নতুন স্যাটেলাইট বসানো শুরু হবে ২০১৪ সাল থেকে।

অন্যদিকে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষাপণ্য প্রস্তুতকারী ‘বিএই’ স্যাটেলাইটের ওপর নির্ভর করার বদলে সবধরনের ব্যবহৃত সিগন্যালই এ কাজে লাগাবে। এসব সিগন্যালের মধ্যে রয়েছে টিভি, ওয়াই-ফাই, রেডিও ও মোবাইল ফোন। এমনকি সিগন্যাল জ্যামারকেও কাজে লাগানো হবে এ প্রযুক্তিতে। প্রায় ১২ হাজার মাইল দূর থেকে আসা স্যাটেলাইট সিগন্যালের বদলে স্থানীয়ভাবে পাওয়া সিগন্যাল নিখুঁত হবে বলে জানিয়েছে বিএই।

গতবছর ইউরোপিয়ান কমিশন জানায়, ইউরোপের জিডিপির ছয় থেকে সাত শতাংশ বা প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলার নির্ভর করছে জিপিএস নেভিগেশনের ওপর। রাশিয়ার প্রতিষ্ঠান ‘গ্লোনাস’, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ‘গ্যালিলিও’ ও চীনা প্রতিষ্ঠান ‘কম্পাস’ এ প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করছে। চীনা নেভিগেশন সিস্টেমটির লক্ষ্য ২০২০ সালের মধ্যে ৩৫টি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নেভিগেশন সেবা দেয়া।
« Last Edit: December 05, 2012, 07:05:04 PM by Badshah Mamun »
Muhammad Siddiqur Rahman
IT Officer
Daffodil International University
102/ 1 Shukrabad, Mirpur Road,Dhaka, Bangladesh
Mobile: +8801811458828, +8801833102811
http://www.siddiqur.com

Offline Mohammad Nazrul Islam

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 115
  • Test
    • View Profile
ছড়া
« Reply #42 on: December 05, 2012, 01:15:13 PM »
ছড়া
     -
বাঙ্গী বেন িশয়াল রাজা
সুেরর রাজা েকালা,
হািত হল বুকার রাজা
জািতর বুিঝ জুলা !!
কােলা িবড়াল নােমর নািম
ছাগেলর মুেখ দািড়,
বুডু দাদুর পা চেল না
েচলার-বাড়াবািড় !!
কাক সািজল ময়ুর েবেস
েনতা বেন হুদু,
মস্লা বািট-খােন খানান
রান্না কের কদু !!
সুেযাগ বুেঝ হুজুক মশাই
বেন েগেছ রাজা,
নন্দ বাবুর কপাল খারাপ
-- িচর েদাষী পঁজা !!

Offline nmoon

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 234
  • Test
    • View Profile
Sad news. This is really harmful for innocent people.

Offline nmoon

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 234
  • Test
    • View Profile
Fat man can be healthy and fited for work
« Reply #44 on: December 05, 2012, 04:21:29 PM »
ঢাকা, সেপ্টেম্বর ১০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- অতিরিক্ত ওজনের মানুষরাও সুস্থ ও কর্মক্ষম হতে পারে। এমনকি তাদের হার্টঅ্যাটাক বা ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিক ওজনের মানুষের সমান বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি হচ্ছে ‘সুষ্ঠ বিপাকক্রিয়া’। অর্থাৎ উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে কোলেস্টোরল ও শর্করার মাত্রা বেশি না থাকা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা।

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩ হাজারের বেশি নাগরিকের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকরা এ তথ্য পেয়েছেন বলে সোমবার জানিয়েছে বিবিসি। গবেষণার ফল প্রকাশ করেছে ‘ইউরোপিয়ান হেলথ’ জার্নাল।


যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলাইনার গবেষকরা দেখতে পান, গবেষণায় অংশ নেয়া এক তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ অতিরিক্ত ওজনের। এদের মধ্যে অর্ধেক অর্থাৎ ১৮ হাজার ৫০০ জন বিভিন্ন শারিরীক পরীক্ষার পর ‘সুষ্ঠ বিপাকক্রিয়াসম্পন্ন’ বলে প্রমাণিত হয়েছে।

এ দলের সদস্যদের মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চমাত্রার কোলেস্টোরল ও উচ্চ রক্তচাপ নেই। অতিরিক্ত ওজনের হলেও এরা অপেক্ষাকৃত বেশি কর্মক্ষম এবং অন্যদের তুলনায় বেশি ব্যায়াম করে থাকে।

এদের মধ্যে কোনো ধরনের হৃদরোগ বা ক্যান্সারে মৃত্যুর আশঙ্কা স্বাভাবিক ওজনের মানুষদের সমান। অপেক্ষাকৃত ‘কম সুষ্ঠু বিপাকক্রিয়াসম্পন্ন’দের তুলনায় এ আশঙ্কা অর্ধেক।

প্রধান গবেষক ও স্পেনের ইউনিভার্সিটি অব গ্রানাডার শিক্ষক ডা. ফ্রান্সিস ওর্তেগা বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ওজন থাকলেও যথেষ্ট পরিমাণ ব্যায়াম শরীরকে সুস্থ রাখে। এ গবেষণায় সুস্থ ও কর্মক্ষম শরীরের গুরুত্ব আবারো প্রমাণিত হলো।

ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের চিকিৎসক এমি টম্পসন বলেন, বেশিরভাগ হৃদরোগীর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ওজনকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়। তবে এ গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে আসলে ওজন নয়, বরং শরীরের কোন অংশে মেদ জমছে সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দেহের মধ্যবর্তী অংশে অর্থাৎ কোমর ও পেটে মেদ জমলে তা শরীরে ক্ষতিকর উপাদান সৃষ্টি করে এবং এতে হৃদরোগের আশঙ্কা বেড়ে যায় বলে জানান তিনি।
« Last Edit: December 05, 2012, 05:53:42 PM by Badshah Mamun »