Author Topic: আগামী বছর প্রবৃদ্ধি হবে ৬.২৫%: আইএমএফ  (Read 284 times)

Offline maruppharm

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1227
  • Test
    • View Profile
আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বেশ অনেকটা শান্ত হবে৷ অর্থনীতিতে দেশজ চাহিদাও জোরদার হবে৷ এসব ইতিবাচক প্রত্যাশার ওপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) মনে করছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ হবে৷
সম্প্রসারিত ঋণসুবিধা (ইসিএফ) কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে ১৪ কোটি নয় লাখ মার্কিন ডলার ছাড়ের অনুমোদনের বিষয়টি তুলে ধরে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রবৃদ্ধির এই পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে৷ এতে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত আইএমএফের সদর দপ্তরে নির্বাহী পর্ষদের সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
আইএমএফ ২০১২ সালের ১১ এপ্রিল ইসিএফ কর্মসূচির অধীনে বাংলাদেশের জন্য তিন বছর মেয়াদে মোট ৯৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার প্রদানের বিষয়টি অনুমোদন দেয়। সেই ধারাবাহিকতায় পঞ্চম কিস্তিতে এই ১৪ কোটি নয় লাখ ডলার ছাড় করা হচ্ছে৷ এর ফলে ইসিএফের আওতায় বাংলাদেশের মোট প্রাপ্তি হতে যাচ্ছে ৭০ কোটি ৪৩ লাখ ডলার৷
পর্ষদের সভায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো রাজনৈতিক অস্থির অবস্থা আবার মাথা চাড়া দেওয়া৷
আইএমএফ বলছে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে অস্থিতিশীলতায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়েছে৷ তার পরও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে, জিডিপির তুলনায় সরকারি ঋণ কমেছে ও মূল্যস্ফীিত কিছুটা সহনীয় হয়েছে৷
বাংলাদেশে জিডিপিতে করের অংশ বিশ্বের মধ্যে অন্যতম নিম্ন পর্যায়ে উল্লেখ করে আইএমএফ বলছে, উন্নয়ন ব্যয় মেটানোর জন্য রাজস্ব আদায় বাড়ানো যেমন জরুরি, তেমনি কর ছাড়ের জন্য চাপ রোধ করাও প্রয়োজন৷ এই অবস্থায় কর প্রশাসনে অধিকতর সংস্কার সাধন ও নতুন মূল্য সংযোজন কর আইন বাস্তবায়ন অন্যতম অগ্রাধিকার হবে বলে মনে করে আইএমএফ৷
বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপিতে করের অংশ হলো প্রায় ১১ শতাংশ৷ ভারতে এই হার ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ৷ তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ দেশের গড় কর-জিডিপির অনুপাত হলো ৩৯ শতাংশ৷ সাধারণত এই হার ২৫ শতাংশ বা তার বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত বলে মনে করা হয়৷
আইএমএফ আরও বলেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন জোরদার করতে হবে৷ বাংলাদেশ ব্যাংককেও আর্থিক নজরদারি বাড়াতে হবে৷ ব্যাংকঋণ ও পুঁজিবাজারে ব্যাংকের সংশ্লিষ্টতা বিষয়ে বিধিবিধান কঠোর করাকে স্বাগত জানিয়ে আইএমএফ বলেছে, আর্থিক সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হলো রাষ্ট্র মালিকানার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে শক্তিশালী করা৷
নতুন ব্যাংক কোম্পানি আইনে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের সীমা ক্রমান্বয়ে কমিয়ে ২০১৬ সালের মধ্যে পুঁজির ২৫ শতাংশে নিয়ে আসতে বলা হয়েছে৷
Md Al Faruk
Assistant Professor, Pharmacy