Author Topic: Telecommunication News  (Read 8186 times)

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
Telecommunication News
« on: October 11, 2010, 12:29:09 AM »
Here ill try to give you all the latest update of Telecommunication news that publish on our Daily Newspaper

Need to installed bangla fonts in your PC for viewing the news
« Last Edit: October 13, 2010, 12:20:39 PM by a.k.azad_cse »

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
চমক নিয়ে আসছে এয়ারটেল
« Reply #1 on: October 11, 2010, 12:37:11 AM »
চমক নিয়ে আসছে এয়ারটেল

এখন পর্যন্ত বিশ্বের কোথাও প্রচলিত হয়নি এমন নতুন সেবার চমক নিয়ে গ্রাহকদের মাঝে আসবে এয়ারটেল। তবে সেই সেবাটি কী, সে সম্পর্কে এয়ারটেলের ঢাকা অফিসের কোনো ধারণাই নেই। অপারেটরটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, টেলিযোগাযোগে বিশ্বের সর্বাধুনিক সেবার সমাহার নিয়ে ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে নিজেদের রিব্র্যান্ডিং করবে তারা।
বর্তমানে ওয়ারিদ নাম নিয়ে চলছে ৩৫ লাখ গ্রাহকের অপারেটরটি। এ বছরের শুরুতে ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ কিনে নেয় ভারতীয় কোম্পানি ভারতী এয়ারটেল।
এদিকে বাংলাদেশের এয়ারটেলের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসবেন এয়ারটেল মোবিলিটির প্রেসিডেন্ট অতুল বিন্দাল। এক দিনের সফরে তিনি বিনিয়োগ বোর্ড, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্যও চেষ্টা চলছে। ওই দিনই রাজধানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন তিনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওই মতবিনিময় সভায় হয়তো এয়ারটেলের প্রস্তুতির বিষয়ে ধারণা দেওয়া হবে। তবে 'ওয়ারিদ' নাম বদলে কবে 'এয়ারটেল' হবে সে বিষয়ে কোনো ঘোষণা তখন দেওয়া হচ্ছে না। মতবিনিময় সভায় এয়ারটেলের দিলি্লর শীর্ষ কর্মকর্তাও থাকবেন। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী বিভিন্ন কোম্পানির কর্মকর্তাদেরও দাওয়াত দেওয়া হয়েছে।

অপারেটরটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, রিব্র্যান্ডিংয়ের জন্য নতুন কিছু চিন্তা করছেন তারা। এ লক্ষ্যে ঢাকা থেকে এয়ারটেলের মূল কর্তৃপক্ষকে বেশকিছু সুপারিশও দেওয়া হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কোন প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হবে বা আদৌ এখান থেকে কোনো প্রস্তাব নেওয়া হবে কি-না সে সম্পর্কে ঢাকার কেউ কিছুই জানেন না। তাছাড়া আগে থেকে সিদ্ধান্ত নিলে সে খবর প্রতিদ্বন্দ্বী অপারেটরদের কাছে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেও ঢাকা থেকে সিদ্ধান্ত না নিয়ে বরং দিলি্ল থেকেই সিদ্ধান্ত আসছে। এমনকি ঢাকার কোনো কর্মকর্তার মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার অনুমোদন নেই। মিডিয়াতে কী বলা হবে সেটিও নির্ধারিত হচ্ছে দিলি্ল থেকেই।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অপারেটরটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, অন্য বড় কয়েকটি অপারেটর এয়ারটেলের রিব্র্যান্ডিং কীভাবে হবে সে বিষয়ে নজর রাখছে। খোঁজখবর করতে অন্য একটি অপারেটরের কর্মকর্তারা দিলি্ল সফর করে এসেছেন বলেও জানান তিনি। ওই কর্মকর্তা বলেন, এয়ারটেলের অভিষেককে যুদ্ধ হিসেবেও ঘোষণা করেছেন কেউ কেউ। সে লক্ষ্যে প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তারা। অন্যদিকে শীর্ষ একটি অপারেটরের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রস্তুতি সবসময় রাখতেই হয়। বাজারে বড় কোনো প্লেয়ার এলে তার জন্য নতুন চিন্তাভাবনা করতেই হয়। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তাছাড়া যখন কোনো অপারেটর সরকারের নানা আনুকূল্য নিয়ে বাজারে আসে তখন আরও বেশি প্রস্তুতি রাখতে হয়। প্রথম মোবাইল অপারেটর হিসেবে ওয়ারিদ সরকারের টেলিযোগাযোগ কোম্পানি বিটিসিএল এবং টেলিটকের সঙ্গে অবকাঠামো ভাগাভাগির চুক্তি করে। এর পরে আরও কয়েকটি অপারেটরের সঙ্গে অবকাঠামো ভাগাভাগির চুক্তি করেছেন তারা।

ওয়ারিদের অপর এক কর্মকর্তা বলেন, রিব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে নিজেদের নেটওয়ার্কের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা। সে কারণে নিজেদের বিটিএস (বেস ট্রানসিভার স্টেশন) বৃদ্ধির কার্যক্রম চলছে। এয়ারটেল দায়িত্ব নেওয়ার সময় অপারেটরটির বিটিএস সংখ্যা ছিল ১৮শ'। বর্তমানে তা আরও কিছু বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ডিসেম্বরের মধ্যে এ সংখ্যা অন্তত ৭ হাজার পর্যন্ত নিতে চান তারা। উন্নত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে এর কোনো বিকল্পই নেই। বর্তমানে গ্রামীণফোনের বিটিএস সংখ্যা ১২ হাজার। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বৃহত্তম অপারেটরটির বিটিএস সংখ্যা ৭ হাজারের কম নয়।


 2010-10-06  
« Last Edit: October 11, 2010, 12:44:39 AM by a.k.azad_cse »

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile

শাহিদ বাপ্পি:ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস বৃহস্পতিবার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল বাংলাদেশ কৌশলগত অগ্রাধিকারবিষয়ক ই-সেবায় নাগরিক সংযোগ-অভিগম্যতা শীর্ষক সংলাপে একথা বলেন। শীর্ষ নিউজ

তিনি আরো বলেন, এর ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। ইন্টারনেট সেবার উন্নয়নের জন্য পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় বিনিয়োগের উদ্যোগ নিতে হবে একইসঙ্গে সেবার মানও বাড়াতে হবে। ১০ বছরে টেলিফোন শিল্প সংস্থা প্রথমবারের মতো লাভ করেছে। সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. ফাহিম হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম।


  [ অন্যান্য খবর ]  2010-10-09
« Last Edit: October 11, 2010, 12:44:09 AM by a.k.azad_cse »

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
ব্যান্ডউইথ রফতানির ক্ষেত্রে বাজার খুঁজছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)। এরই মধ্যে তারা এ বিষয়ে পাশের দেশ নেপাল, ভুটান ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের আগ্রহের কথা জেনেছে। একই সঙ্গে বিশ্বখ্যাত তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানি মাইক্রোসফটও এ বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। যোগাযোগ করা হচ্ছে জনপ্রিয় দুটি যোগাযোগ মাধ্যম গুগল এবং ইয়াহুর সঙ্গে। তবে এর আগে দু'দফা দরপত্র আহ্বান করলেও উল্লেখযোগ্য সাড়া পায়নি বিএসসিসিএল।
বর্তমানে বিএসসিসিএলে ব্যান্ডউইথের পরিমাণ ৪৪ দশমিক ৬০ গিগাবাইটস। এর মধ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে ১৫ গিগাবাইট পার সেকেন্ড। বাকিটা অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে। এর ওপর আবার অল্পদিনের মধ্যে ব্যান্ডউইথের ক্ষমতা ১০৪ দশমিক ৬০ গিগাবাইটে উন্নীত হচ্ছে। ফলে বিপুল পরিমাণ ব্যান্ডউইথ অব্যবহৃত থাকবে। আবার ব্যান্ডউইথ হচ্ছে বিদ্যুতের মতো একটি শক্তি, যেটি কেবল ব্যবহার করা যায়; কোনো অবস্থাতেই এটি সঞ্চয় করা যায় না। ফলে ব্যবহার করতে না পারলে এ শক্তি আর কোনো কাজেই আসে না।
বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ আমদানির ক্ষেত্রে নেপাল এবং ভুটান আগ্রহ দেখালেও তাদের সাবমেরিন কেবলের কোনো সংযোগ নেই। সে কারণে তাদের কাছে ব্যান্ডউইথ রফতানি করতে হলে দেশ দুটির বাংলাদেশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপিত হতে হবে। বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়া উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা (সাসেক্স) ফোরাম গঠনের মাধ্যমে
এ সংযোগ
স্থাপনের কাজ চলছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশ দুটি বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ নেবে বলে বিএসসিসিএলকে জানিয়েছে।
অন্যদিকে থাইল্যান্ডের সাবমেরিন কেবলের সংযোগ থাকলেও তাদের আরও ব্যান্ডউইথ প্রয়োজন। ঢাকার রয়াল থাই দূতাবাসের সঙ্গে বিএসসিসিএলের আলোচনায় তারা এ বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। এছাড়া মাইক্রোসফট এরই মধ্যে ঢাকায় অফিস নিয়ে কাজ শুরু করেছে। বর্তমানে তারা ঢাকার একটি আইএসসি প্রতিষ্ঠান এবং সিঙ্গাপুর থেকে ব্যান্ডউইথ এনে কাজ করছে।


[ ]  2010-10-07

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
তারেক মোরতাজা
ভাবনাগুলো সত্য করতে প্রযুক্তি লাগে। আর মোবাইল ফোন এখন সবচেয়ে সহজলভ্য প্রযুক্তি। দেশের ৩৮ শতাংশের বেশি মানুষ এখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। এখন দেশে মোবাইল নম্বর পোর্টিবিলিটি (এমএনপি) চালু করার ভাবনা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)। এ জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।
এটি হলো এমন একটি সেবা যার মধ্য দিয়ে গ্রাহক তার নিজের নম্বর ঠিক রেখে যেকোনো অপারেটরে বিনামূল্যে যাওয়া-আসা করতে পারবেন। যেমন ধরুন আপনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি গ্রামীণফোন অপারেটরের। এটি আপনি বদলে বাংলালিংকে যেতে চাচ্ছেন। এ জন্য আপনাকে শুধু বদলাতে হবে ০১৭ নম্বরটি। এর বদলে আপনি বাংলালিংকে গেলে যুক্ত হবে ০১৯। এর পরের ডিজিটগুলো ঠিক থাকবে। এ সেবাকে বলা হয়ে থাকে নম্বর পোর্টিবিলিটি।
এভাবে অপারেটর থেকে অপারেটরে যেতে গ্রাহককে কোনো সংযোগ কিনতে হবে না। এ জন্য কোনো ফি দিতে হবে না। তবে তাকে নিবìধন করতে হবে। এ পদ্ধতিতে সরকারের নিরাপত্তাকর্মীরা সহজেই নম্বরটি মনিটর করার সুযোগ পাবেন। তাই বিটিআরসি এ বিষয়ে আগ্রহী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিটিআরসি’র একজন কর্মকর্তা জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সাথে বিশেষজ্ঞ শহীদ কলিমের বৈঠক হয়েছে। তিনি বিদেশী নাগরিক। বিটিআরসি কার্যালয়ে তিনি এ বিষয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন উপস্খাপন করেছেন।
বিশেষজ্ঞের বরাত দিয়ে বিটিআরসি’র ওই কর্মকর্তা জানান, ১৯৯৭ সালে প্রথমে সিঙ্গাপুরে এ পদ্ধতির প্রচলন হয়। বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান, জর্ডান, কাতারসহ বিশ্বের মোট ৪৫টি দেশে এমএনপি পদ্ধতি চালু রয়েছে।
শহীদ কলিম এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন বিটিআরসি’র কর্মকর্তাদের সাথে। তিনি পাকিস্তানের মোবাইল অপারেটর মোবিলিংকের কৌশলগত প্রকল্প বিভাগের পরিচালক।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ দেলওয়ার বলেছেন, ‘ওই বৈঠকে আমি ছিলাম না। তাই এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।’


  [ ]  2010-10-06

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
এয়ারটেলের চুক্তি

ওয়ারিদ টেলিকম রূপান্তরিত হচ্ছে এয়ারটেলে
শাহিদ বাপ্পি: রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের এয়ারটেলের প্রেসিডেন্ট অতুল বিন্দাল এ ষোষণা দেন। তিনি বলেন, দেশের মোবাইল ফোন গ্রাহকদের জন্য ওয়ারিদ ‘সারপ্রাইজ’ নিয়ে আসছে। দিনক্ষণ না জানালেও তিনি বলেন, এটাও টেলিফোন গ্রাহকদের জন্য ‘সারপ্রাইজ’। ফলে গ্রাহকদের জন্য সহনীয় খরচে বিশ্বমানের কথা বলা ও দ্রুতগতিতে তথ্য আদান-প্রদানের সেবা প্রদানে অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এ দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ভারতের মধ্যে রয়েছে নেটওয়ার্ক ডিজাইন, প্ল্যানিং, ইম্পি­মেন্টেশন এবং প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট। এছাড়াও অত্যাধুনিক বিজনেস অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবহার বাড়ানোসহ গ্রামাঞ্চলে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে মোবাইল সেবার সুবিধা দেয়া যাবে। এ অংশীদারিত্বের মাধ্যামে থ্রি-জি প্রযুক্তি ব্যবহার উপযোগী হয়ে ওঠবে।


  [ ]  2010-10-09

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
সুমন মুস্তাফিজ: এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই তারা দেশের ১৪০টি টাওয়ারের (বিটিএস) সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে। গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত এ টাওয়ারগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় এগুলো ডিজেল জেনারেটরে পরিচালিত হচ্ছে। সোলার প্যানেলে বিদ্যুতায়ন হলে টাওয়ারগুলো জ্বালানি হিসেবে বছরে প্রায় ১২ লাখ লিটার পরিবেশ দূষণকারী ডিজেল রক্ষা করবে। চলতি বছরেই প্রকল্পটি শুরু হওয়ার কথা জানিয়ে গ্রমীণফোনের এক কর্মকর্তা বলেন, কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতা হিসেবে এটা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে টেলিকম সেক্টরে সবুজায়নের শুভ সূচনা হবে।

মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব’র প্রেসিডেন্ট জাকিউল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি, জ্বালানি সংকট ও পরিবেশ দূষণের প্রেক্ষাপটে এটি নির্সন্দেহে ভালো পদক্ষেপ। এক্ষেত্রে তিনি সোলার এনার্জি কোম্পানিগুলোকে আরো সহজ ও সুলভে তাদের পণ্য সরবরাহের পরামর্শ দিয়েছেন।


[ অন্যান্য খবর ]  2010-10-09

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
বছরের শেষ দিকে বাস্তবায়ন কাজ শুরু
ফিরোজ মান্না ॥ বিটিসিএল টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক উন্নয়নের ৬২২ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। জাইকা ও সরকারের অর্থ সহযোগিতায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন কাজ শুরু হবে এ বছরের শেষ দিকে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে আইজিডবিস্নউ, আইসএঙ্ এবং আইআইজির ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করা হবে। একই সঙ্গে সারাদেশ অপটিক্যাল ফাইবারের আওতায় চলে আসবে। আইজিডবিস্নউ, আইসিএক্স ও আইআইজির ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করা হলে প্রতিদিন বৈধ পথে ৭ থেকে সাড়ে ৭ কোটি মিনিট কল আদান প্রদান হবে। তখন অনেকাংশে অবৈধ ভিওআইপি কমে যাবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য পরামর্শক নিয়োগ করার সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। পরামর্শকরা টেন্ডার ডকুমেন্ট তৈরি করবে। পরে টেন্ডার আহ্বান করা হবে। টেন্ডারে অংশ গ্রহণকারী কোম্পানিগুলোকে মূল্যায়ন করে কাজ দেয়া হবে। এই প্রকল্প বাসত্মবায়ন হলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।
প্রকল্পের পিডি অশোক কুমার জনকণ্ঠকে বলেন, টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয় ২০০৬ সালে। জাপানী দাতা প্রতিষ্ঠান জাইকা এই প্রকল্পের অর্থ সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দেয়। কিন্তু তখন তারা বিটিটিবিকে কোম্পানি করার শর্ত জুড়ে দিলে প্রকল্প বাসত্মবায়নের কাজ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। তত্ত্বাবধাযক সরকার বিটিটিবিকে কোম্পানি করার শর্ত জুড়ে দিলে প্রকল্প বাসত্মবায়নের কাজ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিটিটিবিকে ২০০৮ সালে ১ জুলাই বাংলাদেশ টেলি কমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডে (বিটিসিএল) সালে কোম্পানিতে রূপ দেয়। নামকরণ করা হয় বিটিসিএর। তখন প্রকল্পটি বাসত্মবায়নের কোন উদ্যোগ নেয়নি সরকার। ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ৰমতায় আসার পর প্রকল্পটি বাসত্মবায়নের জন্য উদ্যোগ নেয়। জাইকা এই প্রকল্পে ৫০৭ কোটি টাকা সহযোগিতা দিতে রাজি হয়। সরকার এই প্রকল্পে ১১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এ বছরের শেষের দিকে প্রকল্পটি বাসত্মবায়ন কাজ শুরম্ন হবে। সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি বাসত্মবায়ন হলে সরকারের হাতে নেয়া কর্মসূচী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজ দ্রম্নত এগিয়ে যাবে। তখন ইউনিয়ন পর্যায়ে ল্যান্ড টেলিফোন পেঁৗছে দেয়ার প্রকল্প বাসত্মবায়ন করা সহজ হবে। এ বছরের মধ্যে উপজেলা সদরের আশপাশের ইউনিয়নগুলোতে টেলিফোন এঙ্চেঞ্জ স্থাপন করার কথা রয়েছে। লাস্ট মাইল কানেটিভিটি প্রকল্পের আওতায় গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে টেলিফোন পেঁৗছে দেবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে গ্রাম পর্যায়ে টেলিপোন যোগাযোগের কোন বিকল্প নেই। পর্যায়ক্রমে দেশের সব ইউনিয়নে টেলিফোন এঙ্চেঞ্জ স্থাপন হলে গ্রামের মানুষ বিশ্ব নেটওয়ার্কের আওতায় চলে আসবে। দেশের মানুষের হাতে টেলিফোন পেঁৗছে দিতে না পারলে বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলানো যাবে না। বিশ্বায়নের এই যুগে একজন মানুষ যেন নেটওয়ার্কের বাইরে না থাকে। এজন্য বিদেশী বিনিয়োগকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। বিদেশী বিনিয়োগ হলে দেশের মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এতে মাথাপিছু জিডিপি বাড়বে।
বর্তমানে বৈধ পথে প্রতিদিন ৫ থেকে সাড়ে ৫ কোটি মিনিট আনত্মর্জাতিক কল আদান-প্রদান হচ্ছে। টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক প্রকল্প বাসত্মবায়ন হলে প্রতিদিন ৭ থেকে সাড়ে ৭ কোটি মিনিট বৈধ কল আদান প্রদানের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে অবৈধ ভিওআইপি (ভয়েজ ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) অনেক কমে যাবে। অবৈধ ভিওআইপি কমে গেলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পাবে। তবে ৭ থেকে সাড়ে ৭ কোটি মিনিট কল বৈধ পথে আনতে হলে আইজিডবিস্নউ (ইন্টারনেট গেটওয়ে), আইসিএঙ্ (ইন্টার কানেকশন এঙ্চেঞ্জ) আইআইজির (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) ধারণৰমতা বাড়াতে হবে। এই ৰমতা বাড়াতে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে। অবৈধ ভিওআইপি বন্ধ করার জন্য বিটিআরসির সব উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে বলে বিটিসিএলের পৰ থেকে বলা হয়েছে।
অবৈধ ভিওআইপি কল বন্ধ করতে সর্বোচ্চ পদৰেপ হিসেবে সরকার টেলিযোগাযোগের বিভিন্ন খাতে লাইসেন্স বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। এতেও পরিস্থিতির তেমন কোন উন্নতি হয়নি। ভিওআইপি একটি প্রযুক্তি এবং সেটিকে মোকাবেলা করতে হবে প্রযুক্তি দিয়ে লাইসেন্স বৃদ্ধি করে এর সমাধান হবে ইন্টারন্যাশনাল লং ডিস্টেন্স সার্ভিসেস (আইএলডিটিএস) নীতিমালা সংশোধন করা হয়েছে। নীতিমালার মাধ্যমে ভিওআইপি উন্মুক্ত করা হবে। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আই এলডিটিএস নীতিমালা ঘোষণা করে আগেই ভিওআইপি উন্মুক্ত করা হয়েছে। বর্তমান সরকার কেবল নীতিমালা সংশোধন করেছে। নতুন সরকার ৰমতায় আসার পর সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে বলা হয়েছে জরম্নরী অবস্থায় তিন ক্যাটাগরিতে মাত্র ৬টি লাইসেন্স দিয়ে কিছু লোককে মনোপলি ব্যবসা করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এ কারণে সংশোধিত নীতিমালায় লাইসেন্স সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) জিয়া আহামেদ জনকণ্ঠকে জানান, বিটিআরসির পৰ থেকে সব ধরনের লাইসেন্স দেয়ার গাইডলাইন তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখন মন্ত্রণালয় সিদ্ধানত্ম নেবে কবে নাগাদ লাইসেন্স দেয়া হবে। তবে দ্রম্নতই লাইসেন্সগুলো দেয়া হতে পারে। সাবমেরিন কেবল, আইআইজি, আইসিএঙ্ ও আইজিডবিস্নউসহ অনেক লাইসেন্সের গাইড লাইন মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া আছে। মন্ত্রণালয় যখন বলবে তখনই বিটিআরসি লাইসেন্স ইসু্য করবে। তিনি বলেন, এই প্রথম বিটিআরসি একটি চাটার্ট এ্যাকাউন্ট ফার্মকে নিয়োগ করা হয়েছে। এই ফার্মকে যখন তখন যে কোন অপাটরের হিসাব নিরীৰা করার জন্য পাঠানো হবে। এটা সফলভাবে করতে পারলে কোন অপারেটর রাজস্ব ফাঁকি দিতে পারবে না।


  [ ব্যবসা বাণিজ্য ]  2010-10-08

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
                                                                              
বাংলাদেশে মোবাইল নম্বর পোর্টাবিলিটি (এমএনপি) বা ফোন নম্বর পরিবর্তন না করেই যেকোনো অপারেটরে যুক্ত হওয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করতে মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন পাকিস্তান মোবিলিংকের অন্যতম শীর্ষ কর্মকর্তা শাহিদ কলিম। স্ট্র্যাটেজিক প্রজেক্টসের এই ডিরেক্টর সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে বাংলালিংক শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা ছাড়াও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলারিটি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়া আহমেদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।
বাংলাদেশে এমএনপির সম্ভাব্য প্রয়োগ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ধারণা বিনিময়ই ছিল তাঁর এই সফরের উদ্দেশ্য। টেলিকম সেক্টরে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শাহিদ কলিম ছয় বছর ধরে মোবিলিংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করছেন। কারিগরি বিভিন্ন বিষয়সহ এমার্জিং টেকনোলজির ওপর তাঁর রয়েছে প্রচুর অভিজ্ঞতা।
বাংলালিংক জানায়, এমএনপি হচ্ছে একটি বহুমুখী কার্যপ্রক্রিয়া, যা একজন গ্রাহককে সেরা সুবিধা দিয়ে থাকে। সাধারণত একজন গ্রাহকের এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে পরিবর্তিত হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে, ব্যক্তিগত ফোন নম্বরের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ক। তাই অনেক ক্ষেত্রে অপারেটর পরিবর্তন প্রয়োজনীয় হলেও প্রিয় ফোন নম্বরের সঙ্গে দীর্ঘসূত্রতার কারণে অপারেটর পরিবর্তন করা হয়ে ওঠে না। শাহিদ কলিম বিটিআরসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এমএনপির সুবিধাগুলো তুলে ধরে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত এ পদ্ধতিকে অবশ্য পালনীয় নীতিমালার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে আলোচনা করেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।


[ ]  2010-10-09 

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
Re: Telecommunication News
« Reply #9 on: October 11, 2010, 01:00:14 AM »
                                                                      


হোটেল ওয়েস্টিনে গতকাল বাংলাদেশ ওয়ারিদ টেলিকমের বিশ্বমানের নেটওয়ার্ক স্খাপনের জন্য এরিকসনের হুয়াউয়ের সাথে ভারতীয় এয়ারটেলের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় : নয়া দিগন্ত
বিশ্বের নেতৃস্খানীয় টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান ‘ভারতি এয়ারটেল’ বাংলাদেশজুড়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নেটওয়ার্ক স্খাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগেরই অংশ হিসেবে মোবাইল টেলিফোন কোম্পানিটি এরিকসন ও হুয়াউইর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের কথা ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশ সফরকারী এয়ারটেলে মোবাইল সার্ভিসের প্রেসিডেন্ট অতুল বিন্দাল গতকাল এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি মাসে ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ মালিকানা এই ভারতীয় এয়ারটেলই কিনে নেয়। আগামী ডিসেম্বর নাগাদ ওয়ারিদ নাম বদলিয়ে এয়ারটেল নামে এই কোম্পানিটি তাদের বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করবে বলে জানা গেছে।
চুক্তি সম্পাদনের বিষয়টি জানানোর জন্য গতকাল গুলশানের এক হোটেলে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে এরিকসন বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ম্যানেজার পার-হেনরিক নেলসন, হুয়াউইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাক্স ইয়াং ও ওয়ারিদ বাংলাদেশের ব্যবস্খাপনা পরিচালক ক্রিস টবি বক্তৃতা করেন।
বিন্দাল বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় এয়ারটেল বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নেটওয়ার্ক স্খাপন ও সহনীয় খরচে সেবা প্রদান করে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্খার উন্নতিতে অবদান রাখতে সক্ষম হবে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে আমাদের ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গির সাথে ব্যবসায়িক সহযোগিতার লক্ষ্য প্রায় এক। এরিকসন ও হুয়াউইর সাথে অংশীদারিত্বের জন্য আমরা আনন্দিত, কেননা এর ফলে আমরা বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য সহনীয় খরচে বিশ্বমানের কথা বলা ও দ্রুতগতিতে তথ্য আদান-প্রদানের সেবা প্রদান করতে সক্ষম হবো।
তিনি বলেন, আমরা মনে করি এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তা বাস্তবায়নে ভারতি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এক প্রশ্নে জবাবে বিন্দাল বলেন, বাংলাদেশে মোবাইল বাজার ‘ওভারহিটেড’ নয়, কারণ এখানে টেলি-ঘনত্ব এখন নিুপর্যায়ে রয়েছে। এ দেশের মানুষ এখনো বিশ্বমানের কথা বলা বা শোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাদের এই সুযোগ করে দেয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
ওয়ারিদ নাম পরিবর্তন করে কবে এয়ারটেল নিজ নামে এ দেশে তার কার্যক্রম শুরু করবে­ এ প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট কোনো উত্তর দেননি বিন্দাল। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শেয়ারবাজারে নিবìিধত হওয়ার কোনো পরিকল্পনা এয়ারটেলে এখন পর্যন্ত নেই।
এরিকসনের বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার পার-হেনরিক নেলসন বলেন, ভারতীয় এয়ারটেলের সাথে ১৫ বছরের ব্যবসায়িক সম্পর্ক এরিকসনের কাছে অনেক মূল্যবান। এবার বাংলাদেশে আমাদের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সেবার পরিধি গ্রামাঞ্চলে আরো বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেবো এবং যাদের অনেকের কাছে প্রথমবারের মতো মোবাইল সেবা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা হবে।
এরিকসন ও হুয়াউইর সাথে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে যে চুক্তি হয়েছে টাকার অঙ্কে তার পরিমাণ কত? জানতে চাইলে ওয়ারিদ বাংলাদেশের ব্যবস্খাপনা পরিচালক ক্রিস টবি সাংবাদিকদের বলেন, আপাতত এই চুক্তির আকার সম্পর্কে কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। জানা গেছে, এই চুক্তির মাধ্যমে আগামীতে এয়ারটেল (ওয়ারিদ) থ্রি-জি প্রযুক্তি ব্যবহারে উপযোগী হয়ে উঠবে নেটওয়ার্ক এবং এর ফলে ভবিষ্যতে তুলনামূলক কম সময়ে এই সেবার প্রচলন করা সম্ভব হবে। ভারতীয় এয়ারটেলের এশিয়া ও আফিন্সকাজুড়ে ১৯টি দেশে কার্যক্রম রয়েছে। ২০১০ আগস্ট পর্যন্ত এই টেলিফোন কোম্পানির মোট গ্রাহক সংখ্যা ছিল ১৮ কোটি ৮৯ লাখ।


 [ নগর মহানগর ]  2010-10-08

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
ওয়ারিদ বদলে এয়ারটেল
« Reply #10 on: October 11, 2010, 01:03:00 AM »

আগামী কিছু দিনের মধ্যে ওয়ারিদ টেলিকমের নাম বদল করে এয়ারটেল হচ্ছে। তার আগে সারা দেশে নেটওয়ার্ক আরো শক্তিশালী করা হবে। এই কাজ করবে ভারতী এয়ারটেল। আর এই নাম বদলের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে আসবেন এয়ারটেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বলিউডের ম্যাগা স্টার শাহরুখ খান। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজাধানীর ওয়েসটিন হোটেলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছে ভারতী এয়ারটেল কর্তৃপক্ষ।

সাংবাদিক সম্মেলনে এয়ারটেল মোবাইল সার্ভিসেসের প্রেসিডেন্ট অতুল বিন্দাল বলেন, দেশ সেরা অপারেটর হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই আট মাস আগে বাংলাদেশে এসেছেন তারা। সে লক্ষ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে। নিশ্চিত করা হচ্ছে নতুন সেবার বিষয়টিও। সেবার পরিধি বিস্তার করতে টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি সরবরাহকারী কোম্পানি এরিকসন এবং হুয়াউই’র সঙ্গেও চুক্তি করেছে এয়ারটেল। সংবাদিক সম্মেলনে চুক্তিপত্র বিনিময় হয়।

অনুষ্ঠানে অতুল বিন্দালসহ ওয়ারিদ টেলিকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস টোবিট, হেড অব দ্যা রিজিয়ন সাউথ ইস্ট এশিয়া অ্যান্ড ওসেনিয়া অরুণ বানসাল, এরিকসন বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ম্যানেজার পার-হেনরিক নেলসন, হুয়াউই টেকনোলজিস-এর আঞ্চলিক সিইও ম্যাক্স ইয়াং উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, অত্যাধুনিক নেটওয়ার্কের সাহায্যে ভারতী এখন সহজেই গ্রাহকদের পরিষ্কার কথা বলার সুবিধা এবং দ্রুত ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা দেবে।

ভারতীয় কোম্পানি এয়ারটেলের বর্তমানে নিজ দেশের বাইরে শ্রীলংকাসহ এশিয়া ও আফ্রিকার ১৯ দেশে কার্যক্রম রয়েছে। সব দেশ মিলে তাদের গ্রাহক প্রায় ১৯ কোটি। গত জানুয়ারিতে ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়ে বাংলাদেশে আসে এয়ারটেল।


[ রাজধানী ]  2010-10-08

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Telecommunication News
« Reply #11 on: October 11, 2010, 01:42:30 AM »
thank you nice information. I am Warid user. So, this post attract me than others. Anyway, One report says, Bangladesh wants to export bandwidth. Why doesn't B.D give us bandwidth at a cheaper rate? We get only 16-20 KB/s. Our govt. has a problem that is decision making.
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
Re: Telecommunication News
« Reply #12 on: October 11, 2010, 03:45:36 AM »
Yah bro when first time i saw that news i was shocked BSCCL want to export bandwidth.

But the really is there are many percentage  Bangladeshi people cannot get the bandwidth at present

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
বিটিসিএল টেলিফোন
« Reply #13 on: October 11, 2010, 10:19:14 AM »


  [ ]  2010-10-10

Offline a.k.azad_cse

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 123
    • View Profile
মোবাইলের জন্মচিহ্ন নকল হচ্ছে
« Reply #14 on: October 11, 2010, 10:20:50 AM »

এক গ্রাহকের নামে মোবাইল ফোনের শতাধিক সংযোগের ঘটনা ফাঁস হতে না হতেই ফের ‘কেলেঙ্কারি!’ এবার টানাটানি মোবাইল সেটের ‘এক ও অদ্বিতীয়’ পরিচিতি নাম্বার নিয়ে।
অর্থাৎ পনের অঙ্কের সেই ‘ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি (আইএমইআই) নাম্বার। বিশ্বের সব বৈধ মোবাইল সেটে যা থাকে, যেটি সংশ্লিষ্ট সেটের অপরিবর্তনীয় পরিচিতি। মোবাইল সেট কারখানায় তৈরির সময়েই ওই বিশেষ নাম্বারটি তার জন্য বরাদ্দ হয়। বলতে গেলে সেটা তার জন্মচিহ্ন। একই আইএমইআই নাম্বারে দুটো সেট থাকা কোনোমতেই সম্ভব নয়। ফলে মোবাইল চুরি গেলে ওই নাম্বারই তা খুঁজে পাওয়ার একমাত্র সূত্র। অন্তত এতদিন তাই জানা ছিল।
ধারণাটা হঠাৎ বদলে গেল কেন?
এটাই ‘কেলেঙ্কারি।’ দেখা যাচ্ছে, একই আইএমইআই নাম্বারে রয়েছে ১৭৮টি মোবাইল সেট! কলকাতায় বিভিন্ন মোবাইল-পরিসেবা সংস্থার বৈধ গ্রাহকদের হাতে সেগুলো ঘুরে বেড়াচ্ছে। নিয়মিত ব্যবহারও হচ্ছে। Ñ খবর আনন্দ বাজার পত্রিকার
ব্যাপারটা জানতে পেরে টেলিকম এনফোর্সমেন্ট রিসোর্স অ্যান্ড মনিটরিং সেলের কর্তাদের চক্ষু চড়কগাছ। সেলের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল অতনু ঘোষের কথায়, ‘ওই ১৭৮ জনের মধ্যে যে কারো মোবাইল যদি চুরি যায় এবং তিনি তার সেটের আইএমইআই নাম্বার পুলিশকে জানান, তাহলে তো বাকি ১৭৭ জনকে নিয়ে টানাটানি পড়ে যাবে! অথচ ওরা প্রত্যেকেই প্রকৃত গ্রাহক। পুলিশ চোর ধরবে কী করে?’


[ ]  2010-10-09