Author Topic: মানব জীবনে তাকওয়ার গুরুত্ব  (Read 488 times)

Offline momin

  • Newbie
  • *
  • Posts: 23
    • View Profile
তাকওয়া মানব জীবনের একটি মহৎ চারিত্রিক গুন। তাকওয়া মানুষকে ইহকালীন পরকালীন উভয় জীবনকেই সম্মান-মর্যাদা ও সফলতা দান করে।

আল্লাহ তায়ালার নিকট জবাবদিহি করার ভয়ে যাবতীয় অন্যায়, অত্যাচার ও পাপকাজ থেকে বিরত থাকাকে তাকওয়া বলা হয়।

অন্যকথায় সকল প্রকার পাপাচার থেকে নিজেকে রক্ষা করে কুরআান সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনা করাকে তাকওয়া বলা হয়। তাকওয়াবানদের মুত্তাকি বলা হয়।

তাকওয়া সম্পর্কে আল কুরআনে আল্লাহ তায়ালা যা বলেছেন:
"যে ব্যক্তি আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হওয়ার ভয় করবে ও কুপ্রবৃত্তি থেকে বেচে থাকবে, তার স্থান জান্নাত।" (সূরা আন-নাযিআত, আয়াত ৪০-৪১)

"নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সবচেয়ে সম্মানিত সেই ব্যক্তি যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী তাকওয়াবান।" (সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত ১৩)

"নিশ্চয়ই আল্লাহ মুত্তাকিদের ভালবাসেন।" (সূরা আত্ তাওবা, আয়াত ৪)

আল্লাহ তায়ালা আরও বলেন, "যে কেউ আল্লাহকে ভয় করে আল্লাহ তার পথ করে দেবেন এবং তাকে তার ধারনাতীত উৎস থেকে রিযিক দান করবেন।" (সূরা আত্-তালাক, আয়াত ২-৩)

"হে মুমিনগন! যদি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর তবে আল্লাহ তোমাদের ন্যায়-অন্যায় পার্থক্য করার শক্তি দেবেন, তোমাদের পাপ মোচন করবেন এবং ক্ষমা করবেন। আর আল্লাহ অতিশয় মংগলময়।" (সূরা আল-আনফাল,আয়াত ২৯)

"নিশ্চয়ই মুত্তাকিগনের জন্য রয়েছে সফলতা।" (সূরা আন্-নাবা, আয়াত ৩১)

মহান আল্লাহ্ পাকের উপরোক্ত বানীসমুহ থেকে তাকওয়ার গুরুত্ব অনুধাবন করা যায়। নৈতিক চরিত্র গঠনে তাকওয়ার কোন বিকল্প নেই। আসুন আমরা সকলে তাকওয়াবান হওয়ার মাধ্যমে ইহকাল ও পরকালের সফলতা লাভের চেষ্টা করি।

হে আল্লাহ তুমি আমাদের সকলকে তোমার তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমে তোমার সন্তুষ্টি লাভ করার তৌফিক দান কর। আমিন।।
« Last Edit: May 09, 2017, 09:49:55 AM by momin »