Author Topic: স্মার্টফোনের অ্যাপ  (Read 157 times)

Offline Md. Nurul Islam

  • Newbie
  • *
  • Posts: 21
  • Test
    • View Profile
স্মার্টফোনের অ্যাপ
« on: June 14, 2017, 09:57:00 AM »
স্মার্টফোনের ৭০ শতাংশ অ্যাপ গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য গুগল এবং ফেসবুকের মতো থার্ড পার্টি প্রতিষ্ঠানের কাছে পাচার করে থাকে বলে এক গবেষণায় বলা হয়েছে।

স্মার্টফোনে নতুন কোনো অ্যাপ ইনস্টল করা হলে ব্যক্তিগত তথ্যে ঢোকার আগে গ্রাহকের অনুমতি নেওয়া হয়। অ্যাপ ঠিকমতো কাজ করার জন্য গ্রাহকের কিছু তথ্য কাজে লাগে। তবে অ্যাপ যদি ব্যক্তিগত তথ্যে প্রবেশাধিকার পায় সেক্ষেত্রে এটি যেকোন ডেভেলপার বা থার্ড পার্টি প্রতিষ্ঠানকে এটি হস্তান্তর করে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে ঐসব থার্ড পার্টি প্রতিষ্ঠান বা ডেভেলপার আপনার গতিবিধি পর্যবেক্ষণের ক্ষমতা পায় বলে জানিয়েছে এক দল গবেষক।

গ্রাহকদের অগোচরে ঠিক কতটুকু তথ্য সংগ্রহ করার সম্ভাবনা আছে এবং এসব তথ্যে সংরক্ষণে গ্রাহকরা কীভাবে আরও সতর্ক হতে পারে সে ব্যাপারে গবেষণা করেছেন স্পেনের আইএমডিইএ নেটওয়ার্কস ইনস্টিটিউটের গবেষকরা। গবেষকরা বলেন, মানুষের স্মার্টফোন থেকে ঠিক কতোটা তথ্য সংগ্রহ ও হস্তান্তর করা হয় তা জানার জন্য আমরা একটি ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপ করি।

অ্যাপটির নাম লুমেন প্রাইভেসি মনিটর। এ অ্যাপটি সাধারণ অ্যাপ থেকে গ্রাহকের কতটুকু তথ্য পাচার হয় তা বিশ্লেষণ করতে পারে। তা ছাড়া কোন অ্যাপগুলো গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ করে রাখছে তাও বের করতে পারে অ্যাপটি। এ অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকরা ইনস্টলড অ্যাপ কতটুকু তথ্য সংগ্রহ করল এবং থার্ড পার্টিকে পাঠাচ্ছে তা দেখতে পারবেন। অ্যাপটি গ্রাহকের ডিভাইসে চলা সব অ্যাপে নজর রাখতে সক্ষম। তা ছাড়া অ্যাপগুলো ব্যক্তিগত তথ্য বাইরে পাঠাচ্ছে কিনা, কোন ধরনের ইন্টারনেট সাইটে তথ্য পাঠাচ্ছে, কোন নেটওয়ার্ক প্রটোকল ব্যবহার করছে তা বিশদে বের করতে পারে লুমেন নামের এ অ্যাপটি।

গবেষকরা ২০১৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে লুমেন অ্যাপ ব্যবহারকারী ১৬০০ মানুষের ৫০০০ অ্যাপ নিয়ে গবেষণা করেছেন। গবেষকরা জানান, ফেসবুক, গুগল এবং ইয়াহুর মতো প্লাটফর্মগুলোতে গ্রাহকের ব্যক্তিগত পাঠানো হয়ে থাকে। বিজ্ঞাপন পাঠানোর উদ্দেশে প্রায় ৫৯৮টি ইন্টারনেট সাইটে গ্রাহকের তথ্য পাঠানো হয় বলে জানায় গবেষকরা। গবেষণায় দেখা গেছে, ৭০ শতাংশ মোবাইল অ্যাপে অন্তত একজন পর্যবেক্ষক নজরদারি এবং তথ্যাদি পাঠিয়ে থাকেন। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ অ্যাপে ৫ অথবা তার বেশি পর্যবেক্ষক দেখা গেছে। গবেষকরা জানান, প্রতি চারজন পর্যবেক্ষকের একজন ডিভাইস সনাক্ত করার জন্য গ্রাহকের ফোন নম্বর অথবা ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর গ্রহণ এবং বাইরে পাচার করে থাকে।