Author Topic: Business News  (Read 12926 times)

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Business News
« on: July 12, 2011, 08:03:05 AM »
We all faculty members, administration officer, students and others are very busy with our daily work. Sometimes, we don't have the time to read newspaper or business news or magazine. So, we miss a huge number of news specially business news. As we are business students, we should always open our eyes, ears, and mouth. So, we have to read business news everyday and broad our knowledge. If we update in this section daily, we can make the collection of business news. Anyone can get help from this post.

I hope, if we find any important business related news, please publish here with date, name of the source and link.
We all try to update this section by business news.

N:B: Please try to avoid political news.

Thank you
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #1 on: July 12, 2011, 08:04:27 AM »
১৯ জুলাই থেকে অনলাইনে সিআইবি রিপোর্ট দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০১১

বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) অনলাইনে ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ১৯ জুলাই থেকে ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) রিপোর্ট দেওয়া শুরু করতে যাচ্ছে। এতে দ্রুত সেবা দেওয়া যাবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে ব্যয় কমবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান রাজধানীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সদর দপ্তরে এই অনলাইন সার্ভিসের উদ্বোধন করবেন। এর ফলে ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ক্রেডিট ইনফরমেশন আদান-প্রদান প্রক্রিয়ায় সময়ক্ষেপণ ও জটিলতার অবসান হবে।
১৯ জুলাই থেকে দেশের ৪৭টি ব্যাংক ও ২৯টি নন-ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের সবগুলোই অনলাইনে সিআইবি রিপোর্ট সংগ্রহ করতে সক্ষম হবে। ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও সিআইবির রিপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবে।
ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ব্যক্তি ঋণগ্রহিতা, মালিক ও জামিনদারের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সিআইবির কাজের পরিধি বিস্তৃত হয়েছে। বিদ্যমান আইনে কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা ঋণ সিআইবি রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত হয়। ঋণের ঝুঁকি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ হ্রাসের লক্ষ্যে কেন্দ ীয় ব্যাংক ১৯৯২ সালের ১৮ আগস্ট সিআইবি চালু করে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জনগণের দোরগোড়ায় ব্যাংকসেবা পেঁৗছে দিতে ইতিমধ্যে স্বয়ংক্রিয় কিয়ারিং হাউস, এমআই আরসি (ম্যাগনেটিক ইঙ্ক রিডেবল চেক) ও মোবাইল ব্যাংকিংসহ অনেক স্বয়ংক্রিয় সেবা চালু করে।
http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Politics&pub_no=579&cat_id=1&menu_id=24&news_type_id=1&index=7
« Last Edit: July 12, 2011, 08:13:35 AM by ashiqbest012 »
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #2 on: July 12, 2011, 08:12:01 AM »
What do we understand from the above news?

Bangladesh has 47 Bank and 29 Non-Banking Financial Institution.

and bla bla bla
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #3 on: July 12, 2011, 08:19:21 AM »
পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দ্বিমত এফবিসিসিআইয়ের
ঢাকা, ১২ জুলাই মঙ্গলবার, ২০১১

দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মজুদের তথ্য দিয়ে পাইকারি ব্যবসায়ী এবং বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের সরকারি কারখানাগুলোয় উৎপাদন কম হওয়ার পাশাপাশি পরিশোধনকারী ছয়টি কারখানার মধ্যে পাঁচটি গ্যাস-সংকটে বন্ধ থাকায় ওইগুলো সময়মতো চিনি সরবরাহ করতে পারছে না। তাই চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বাড়ছে। ভোজ্যতেলের মজুদ ও সরবরাহ চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না উল্লেখ করে তাঁরা সরকারিভাবে দুটি চিনি ও দুটি ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানা স্থাপনের সুপারিশ করেছেন।
তবে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি এ কে আজাদ বলেছেন, রমজান মাসে চাহিদার তুলনায় দেশে চিনি ও ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তিনি বলেন, পরিশোধনকারী মিলমালিকদের কাছে বর্তমানে এক লাখ ৩১ হাজার টন ভোজ্যতেল মজুদ রয়েছে। তা ছাড়া আরও তিন লাখ ৩৭ হাজার টন ভোজ্যতেল আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে, যা রমজান মাসের আগেই চলে আসবে।
এ কে আজাদ আরও বলেন, দেশে দুই লাখ ১৫ হাজার টন চিনিও মজুদ রয়েছে। আরও দুই লাখ টন চিনি আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে। এটিও রমজান মাসের আগেই দেশে চলে আসবে।
আসন্ন রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা ও পণ্যের গুণগতমান অক্ষুণ্ন রেখে সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এলাকাভিত্তিক ও বিশেষায়িত ব্যবসায়ী সমিতিগুলোর সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের এক মতবিনিময় সভায় গতকাল সোমবার এসব তথ্য ও মতভেদ উঠে আসে।
রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আসিফ ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি এ কে আজাদ বিশেষ অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত হতে পারেননি।
তবে রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার ব্যাপারে একমত হয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা। পাইকারি ব্যবসায়ীরা এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলে পণ্যের দাম বাড়ানো সম্ভব নয়। তবে ঘন ঘন হরতাল হলে পণ্যের দর সহনীয় পর্যায়ে রাখাও সম্ভব হবে না।
বৈঠকে ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ হরতাল বন্ধের বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনার বিষয়ে মধ্যস্থতা করার বিষয়ে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতিকে অনুরোধ করেন। এ বিষয়ে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, হরতাল বন্ধ রাজনৈতিক দলগুলোকেই করতে হবে। তিনি অবশ্য সরকার ও বিরোধী দলকে সংলাপে বসানোর বিষয়ে মধ্যস্থতার বিষয়টি নাকচ করে দেন। বলেন, অতীতে এফবিসিসিআইয়ের দুজন সভাপতি উদ্যোগ নিলেও তাঁরা ব্যর্থ হয়েছেন।
এ কে আজাদ বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সাংসদরা দেশের উন্নয়নের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের চেয়ে অনেক ভালো বোঝেন। তাঁরা আইন প্রণয়ন করেন। সুতরাং তাঁদের বোঝানোর ক্ষমতা তাঁর নেই।
তবে এ কে আজাদ জানান, ঘন ঘন হরতাল দেওয়া হলে ব্যবসায়ী সমাজ বিভিন্ন পেশাজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করবে এবং দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হরতাল বন্ধের জন্য জনমত গড়ে তোলা হবে।
ডিসিসিআইয়ের সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম বলেন, প্রতিবছর রমজান মাসের শুরুতে কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন কৌশলের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ে। তিনি আসন্ন রমজান মাসে কম মুনাফা করে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানান।
সভায় পাইকারি ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, খাদ্যপণ্য ও মসলাজাতীয় দ্রব্য আমদানিতে সুদের হার ১২ শতাংশ রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ মানা হয়নি। এর জবাবে এ কে আজাদ বলেন, তিন মাস আগেই এফবিসিসিআইতে অভিযোগ জানানোর জন্য বলা হলেও একটা অভিযোগও জমা পড়েনি।
আলোচনায় আরও অংশ নেন ডিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি রাশেদ মাকসুদ খান, সাবেক ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি এম এস সেকিল চৌধুরী, ডিসিসিআইয়ের পরিচালক নিয়াজ রহিম, মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা, বাংলাদেশ চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনোয়ার হাবিব, সহসভাপতি আবুল হাশেম, বাংলাদেশ ডাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলামসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-07-12/news/169601
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #4 on: July 12, 2011, 08:27:34 AM »
Spinners face double trouble
Tuesday, July 12, 2011




Demand for cotton in Bangladesh may decline this year for a reduction of consumption in the local markets. The distressed local spinners are saying there is no demand for the item.

Spinners produced yarn from high-priced, imported cotton, but now the price of cotton is on the decline. Businesspeople said they can hardly adjust the market price of yarn to imported cotton prices.

As a result, local markets are burdened by stockpiles of unsold yarn, they said.

Furthermore, the import of cotton may decline this year although the price of the fibre is declining worldwide because of a reduction in consumption by China, the largest cotton consuming country.

With the recent fall in global cotton prices, demand for the cheaper yarn from China and India has soared in the market, while local spinners have used expensive cotton for their spinning needs.

Local spinners are also unable to take advantage of low cotton prices, as they are yet to dispose of their previous stocks of yarn.

“The import of cotton was meant to be higher, as prices were falling, but for some reasons, it is not happening,” said A Matin Chowdhury, managing director of Malek Spinning Mills Ltd, a major cotton importer.

He said primarily, some new mills were supposed go into operations this year, but for an unavailability of gas connections, they could not. As a result, cotton imports might not increase.

After two years of giving no new gas connections, the government is now planning to resume the connections to the industrial units soon.

Moreover, the current price of local yarn declined to $4.20 a kilogram, dropping from a rate of nearly $7 a kilogram a few months ago. Yarn is being stockpiled as the local spinners cannot sell the item at low prices, he said.

Banks are also losing interest in financing cotton imports, as the financial institutions do not want to take on more risks, he said. “Banks do not want to take risks by financing the import of cotton as the old stocks of yarn are yet to be finished.”

“Cotton imports were on the rise as the export of readymade garments is increasing. This upward trend of cotton imports might not continue if demand for local yarn does not rise,” he said.

Industry people predict cotton imports to increase to 5.5 million bales in the year that started July 1, when the country usually imports 5 million bales a year. Cotton was selling at $1.17-$1.13 per pound on the New York Futures trade yesterday.

The commodity traded between $1.44 and $1.48 per pound at the New York Futures in mid May. Cotton prices started declining globally on prospects of higher yield next year, and a reduction in consumption by China, the industry people said.

The price of cotton hit historic highs in March this year -- $2.19 per pound on March 7 and $2.04 on March 25.

But the market calmed down by the end of the month with forecasts of better output next year, as cotton producing countries like the US, China, India, Pakistan and the Commonwealth of Independent States increased acreage for cotton cultivation this year.

The initial world cotton projections for 2011-12 show a sharp increase in production to a record 124.7 million bales, with India, China, and Pakistan accounting for 70 percent of the total output, said a report by the United States Department of Agriculture.

World trade is projected at 40 million bales, mainly reflecting higher import demand by China, the report said, adding that world ending stocks are projected to rise to nearly 48 million bales, a 13 percent increase from the beginning level.

Cotton importers and millers are now in a panic as they are unable to sell the yarn, said a senior official of DBL Group, an importer.

The official said many importers have already booked cotton at higher prices with the international cotton dealers, but the price of the fibre is now declining.

They are now in a dilemma as they cannot breach agreements with the dealers and as a result, the spinners have to import high-cost cotton, the official said. Again, the high-cost cotton will be used to spin yarn to sell to customers at lower prices, he said.

“I have already slashed my factory's production volumes as yarn stockpiles are increasing for a low demand,” said Shafiqul Islam Sarker, a director of Purbani Group.

If the normal trend continued, the import of cotton would have increased by 10-15 percent, but it will not happen as demand for yarn is declining in the local market, Sarker said.

“It is my forecast that the import of cotton will decline by 10-15 percent this year,” he said.

Mohammad Ayub, president of Bangladesh Cotton Association (BCA), said Bangladesh needs to increase the stock of cotton as the country is totally dependent on imports.

The country could not take advantage of the price fall because of low demand for the local yarn, he said. Many spinners are running their factories in under-capacity, he said.

The industry people said the total investment of Tk 30,000 crore in the spinning, weaving, dyeing, printing and finishing sub-sectors will be at stake if the government does not take immediate steps to help the sector.

Bangladesh produces eight lakh tonnes of yarn a year from raw cotton imported mainly from the US, India, Uzbekistan, Pakistan and some African countries.

http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=193831
« Last Edit: July 12, 2011, 08:34:22 AM by ashiqbest012 »
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline Md. Limon Hossain

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 399
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #5 on: July 12, 2011, 11:10:06 AM »
Hey Ashiq: It’s a good idea to get all business news in a single place. The source could be newspaper or any thing. We should also analysis the news.
« Last Edit: July 12, 2011, 11:18:23 AM by Md. Limon Hossain »
Md. Limon Hossain
Department of BBA
ID: 082-11-523
Cell: +8801717885679
E-mail: limon-hossain@diu.edu.bd And limon.hossain@yahoo.com
Daffodil International University

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #6 on: July 12, 2011, 07:29:03 PM »
@Dear Limon
Thank you...Anyway, It may possible someday I would not give the post in this section bcoz of my busy schedule, I hope you will carry this time. Not only that if you get any outstanding post plz share with our forum members.

thank you again...
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #7 on: July 13, 2011, 07:12:28 AM »
এডিপি বাস্তবায়নে ধীরগতির ২৫ কারণ

বুধবার | ১৩ জুলাই ২০১১

সময়মতো অর্থ ছাড় না করা, দাতাদের অনেক শর্ত আরোপসহ বিভিন্ন কারণে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অধীনে গৃহীত কোনো প্রকল্পই মেয়াদের মধ্যে শেষ হচ্ছে না। প্রায় সব প্রকল্পই দ্বিগুণ এমনকি তিনগুণ পর্যন্ত বেশি সময় নিচ্ছে। এতে একদিকে যেমন প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে, তেমনি অতিরিক্ত সময়ক্ষেপণের ফলে প্রকল্পের উপযোগিতা হারাচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হওয়ায় এসব প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে এ বিলম্বের ২৫টি কারণ চিহ্নিত করেছে পরিকল্পনা কমিশন। এসব সমস্যা দূর করার পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যথাসময়ে বাস্তবায়নে ১৪টি সুপারিশ করা হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। প্রতিবেদনটি খুব শিগগিরই পরিকল্পনামন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।
কমিশন সূত্রে জানা যায়, প্রকল্প প্রণয়ন বিলম্বের ১০ কারণের মধ্যে রয়েছে প্রকল্প অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা, অননুমোদিত অবস্থায় প্রকল্প চলমান থাকা, ঘন ঘন প্রকল্প পরিচালক বদলি করা, প্রকল্প প্রক্রিয়া সম্পৃক্ত বিভিন্ন দফতরের পরিকল্পনা কাঠামোর অভাব, দুর্বল মনিটরিং ব্যবস্থা। এছাড়াও রয়েছে প্রকল্প বাস্তবায়নে দক্ষ লোক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের অভাব, লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত না করা এবং ঋণের গুরুত্ব নির্বাচন যথাযথ না হওয়া, বাস্তবায়ন সমস্যা মোকাবেলায় প্রকল্প কর্তৃপক্ষের অক্ষমতা এবং প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে বিলম্ব এবং প্রকল্প নির্বাচন ও প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় প্রকল্প পরিচালক সম্পৃক্ত না থাকা।
প্রকল্প বাস্তবায়ন বিলম্বের ১৫টি কারণের মধ্যে রয়েছে, একনেক সভার সিদ্ধান্ত প্রাপ্তি ও প্রকল্প দলিল প্রস্তুতে সময়ক্ষেপণ, জমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসনে কালক্ষেপণ, ক্রয় কার্যক্রমে অহেতুক বিলম্ব, দরপত্র প্রক্রিয়াকরণ, পরামর্শক-ঠিকাদার নিয়োগে বিলম্ব, ঋণের চুক্তিপত্র করতে বিলম্ব, সরকারের ও প্রকল্প সাহায্যের অর্থ সময় মতো ছাড় না হওয়া, সংশোধিত প্রকল্পের অর্থ দাবি পুনর্ভরণে বিলম্ব, প্রশাসনিক ও আর্থিক নীতি পদ্ধতি প্রয়োগে জটিলতা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নকালে স্থানীয় লোকজনের অসহযোগিতা।
একই সঙ্গে প্রতিবেদনে প্রকল্পের বিলম্ব পরিহার করতে ১৪টি সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশগুলো হচ্ছে_ জমি অধিগ্রহণ নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া, প্রকল্প প্রস্তাবের সময়েই উপযুক্ত প্রকল্প পরিচালক নির্বাচন ও নিয়োগ দেওয়া, প্রকল্প প্রণয়নের সময় থেকেই পরিচালককে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত রাখা, প্রকল্প সমাপ্তির আগ পর্যন্ত কোনো পরিচালককে পরিবর্তন না করা, উপযুক্ত বা আগ্রহী নয় এমন কাউকে পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত না করা, যথাসম্ভব পূর্ণকালীন দায়িত্বে পরিচালক নিয়োগ দেওয়া, সমাপ্তির পর রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তরিত হবে এমন প্রকল্পের জনবল আগে থেকেই স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া। এছাড়া রয়েছে প্রকল্প পরিচালকের সহযোগী হিসেবে কাজ করতে বাজেটভুক্ত একটি দল গঠন করা। যারা পরিচালকের সাফল্য-ব্যর্থতার অংশীদার হবেন, প্রকল্প অনুমোদনের পর থেকে প্রকল্পের মেয়াদ গণনা করা, গৃহীত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন শেষ হওয়ার পর অন্য প্রকল্প গ্রহণ করা, প্রকল্প দলিল অনুযায়ী বছরভিত্তিক নির্দেশিত বরাদ্দ ছক অনুযায়ী বরাদ্দ প্রদান করা, বেশি বরাদ্দ পাওয়া দশ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা উইংয়ে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে এবং বাস্তবায়নকারী মন্ত্রণালয় ও সংস্থা পর্যায়ের পরিকল্পনা উইংগুলোকে শক্তিশালী করা যেতে পারে।

http://www.samakal.com.bd/details.php?news=48&action=main&menu_type=&option=single&news_id=172828&pub_no=751&type=
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #8 on: July 13, 2011, 07:15:06 AM »
পিই ১৫ ধরে এ মাসেই চূড়ান্ত হচ্ছে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি
বুধবার | ১৩ জুলাই ২০১১

কম্পানির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের অনুপাত (পি/ই) সর্বোচ্চ ১৫ ধরে এ মাসেই চূড়ান্ত হবে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধনী। এ সংশোধনের মাধ্যমেই প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি চূড়ান্ত হচ্ছে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই প্রস্তাব তৈরি করেছে।
এসইসির প্রস্তাবে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ও প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) বিবেচনায় নিয়ে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে লেনদেন শুরুর আগে কোনো কম্পানির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের অনুপাত (পি/ই) ১৫-এর বেশি হতে পারবে না। পাশাপাশি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য কম্পানির শেয়ারপ্রতি এনএভির পাঁচ গুণের নিচে থাকতে হবে।
পুনর্গঠনের আগে প্রণীত খসড়াকে ভিত্তি করে নবগঠিত কমিশন এ প্রস্তাব তৈরি করেছে। সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্ত করে বাজার সংশ্লিষ্টদের মতামত আহ্বান করবে এসইসি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এসইসির খসড়া অনুযায়ী নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে রোড শোর আয়োজনের কমপক্ষে পাঁচ দিন আগে কম্পানির খসড়া বিবরণীর (প্রসপেক্টাস) ছাপানো কপি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কাছে পাঠাতে হবে। তবে এতে কোনোভাবেই নির্দেশক মূল্যের কোনো প্রস্তাব করা যাবে না। কম্পানির আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনার জন্য আইসিএবি, আইসিএমএবি, দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। তবে এতে কম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি থাকতে পারবেন না।
কমিশনের প্রস্তাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রস্তাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মধ্য বরাদ্দ শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা (লকইন) ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। দর প্রস্তাব প্রক্রিয়ার সময়সীমা তিন দিনের পরিবর্তে দুদিন করার কথা বলা হয়েছে। দর প্রস্তাবের মাধ্যমে চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণের দুদিনের মধ্যে আইপিও বিবরণী (প্রসপেক্টাস) এসইসিতে জমা এবং ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরুর বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হবে। বর্তমানে দর প্রস্তাবের পর ২৫ দিনের মধ্যে আইপিওর টাকা জমা নিতে হয়। পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে গত ২২ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার প্রস্তাব করা হয়। এর ভিত্তিতে এসইসি বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়। পরে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারের লক্ষ্যে পাবলিক ইস্যু বিধিমালা, ২০০৬-এর প্রস্তাবিত সংশোধনের উদ্যোগ নেয় এসইসি। দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পুঁজিবাজারে নতুন কম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। প্রচলিত পদ্ধতির নির্ধারিত মূল্যের (ফিঙ্ড প্রাইস) পাশাপাশি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণের লক্ষ্যে ২০০৬ সালের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়। ২০০৯ সালের ৯ মার্চ বিধিমালা জারি করে এসইসি। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি চালুর হলেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি না থাকায় এটি প্রয়োগ করতে সময় লেগেছে এক বছর। ২০১০ সালের মার্চে এই পদ্ধতির প্রয়োগ শুরু হয়।


http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Tax&pub_no=580&cat_id=1&menu_id=24&news_type_id=1&index=3
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #9 on: July 13, 2011, 07:25:52 AM »
Credit may cool, inflation unlikely
Wednesday, July 13, 2011



In a bid to contain the inflationary pressure, the Bangladesh Bank has gradually tightened the monetary stance. The basic idea is to curb the excessive credit growth so that money supply could be brought down within the limit set in the half-yearly monetary policy statement.

The BB has actually moved more aggressively during the second half of the just concluded fiscal year (FY11). Over the year, the central bank has increased reserve requirements once and policy rates for four times.

The International Monetary Fund (IMF) and some economists of the country are not happy with these measures as they found these inappropriate. To maintain macroeconomic stability, more tightening is a must, they said. That means, further rate hike.

As the time for semi-annual monetary policy announcement is very close, pressure on the central bank to hike rate continued. In this regard, a strong argument is references of India and China. The central banks of these countries have aggressively been tightening money supply to contain inflation. Reserve Bank of India (RBI) has increased policy rates for the 10th time within a year and a quarter. Bank of China also did it five times.

Before aligning the local trend with that in India, one should, however, closely look at the inflationary movement in that country. On average, Indian inflation rate was roughly 9 percent up to May reflecting limited impact of monetary tightening. Even, the RBI governor in May publicly admitted that their 'calibrated policy steps failed to tame inflation.' He, however, added that lag-effect would be there and so inflation would come down. In a similar vain, a deputy governor of the RBI in June said they have 'no magic wand to tame inflation.'

Indian analysts argued that the impact of rate hike is not uniform. At the beginning, when inflation was very high, it came down because of high base effect. Inflation rate was 14.86 percent in April last year and came down to 11.25 percent in July. Between August, 2010 and April, 2011, inflation rate hovered between 9.9 percent and 8.8 percent. But during the period, repo and reverse repo rates have increased 200 and 150 basis points respectively. Thus, after July, 2010, the inflation rate in India is actually fluctuating irrespective of the changes (hikes) in rates. So, drawing the example of RBI's aggressive rate hike move can be a good example of a central bank's continuous fight against inflation. But, it cannot justify the compulsion of monetary tightening in Bangladesh to contain inflation.

In fact, during the last fiscal year, the BB has hiked repo and reverse repo rates by 225 basis points each. These four rounds of rate hike by the BB are similar to 10 rounds of hike of repo rate by the RBI in 15 months. At the same time, the RBI, however, increased reverse repo rate by 275 basis points.

By using repo, banks borrow funds from the central bank. On the other hand, central bank mops up liquidity from the banks through reverse repo rate. By increasing repo rate, the central bank makes the loanable fund costlier, while higher rate of reverse repo indicates lucrative rate of interest for the banks to park funds with the central bank.

It is true that credit inflow registered huge growth during the just concluded fiscal year. Against the central bank's annual target of 17.9 percent growth of domestic credit, the actual growth stood at 28.3 percent at the end of May, 2011. Both the government and private sector borrowing from the banking system registered 32.8 percent and 27.5 percent rise at the end of May this year. The targets of these two aggregates were 25.3 percent and 16 percent respectively.

Moreover, money supply (M2) recorded 22 percent growth in May against the target of 15.2 percent. These are really a concern for the monetary authority. But, this does not mean that high money supply is the only reason for current upward trend in inflation in Bangladesh. Such monetarist proposition is no more convincing, although money supply is definitely an important driver of inflation. June figure is not yet available.

In fact, a policy note, prepared by the policy analysis unit of the BB a few years back, categorically mentioned that 'the relationship between the growth rate of M2 and inflation is relatively weak in Bangladesh.' It also said that 'although Bangladesh Bank is able to influence the monetary aggregates using the policy tools, the tools are losing effectiveness in controlling inflation in view of the increasingly complex nature of price dynamics in the country.'

Again, the current inflation is mostly driven by food inflation as reflected in the CPI (Consumer Price Index). In May, point-to-point inflation stood at 10.20 percent, while food inflation stood at 13.16 percent. Food inflation reached a double-digit level in December and continued to rise. On the other hand, non-food inflation rate was kept below 5 percent during the period under review. One can, however, question the accuracy of inflation calculation as non-food expenditures like transport fare have also gone up significantly for the last couple of months.

Despite such limitation, policymakers have to rely on the existing CPI data. Now, move to tighten money supply is virtually a move to dampen demand as monetary policy is recognised as demand management policy. As inflation is mainly driven by food prices, does tightening monetary stance means that peoples' demand for food has increased significantly? Does the higher inflow of credit push the peoples' demand for food?

One can, however, also question the programmed or target level of different monetary aggregates like government borrowing and private credit. Does the central bank justify its low level of targets with real world scenario?

The BB designed the monetary programmes to accommodate growth and inflation rate as well as estimated income velocity of money. In the last fiscal year, 6.7 percent real GDP growth and 7.5 percent annual inflation rate were in the mind to set the credit growth limits.

A big problem, however, is that monetary authority is overridden by the fiscal policy. To finance budget deficit, the government has heavily borrowed from the banking system at the end of the fiscal year. Worrisome part is that a good portion of the government credit was directly borrowed from the central bank. That is, the BB has to print notes. This is highly inflationary and goes against the central bank's tight monetary stance.

Against the backdrop, it is clear that monetary tightening is unlikely to contain inflationary pressure in near future. Even there is some lag-effect, and supply side constraints could not be addressed by monetary policy. Rather, there may be some success in restraining credit growth. Some signs of restraint are already there. It is now to see, how monetary authority sets stance for the first half of the new fiscal year keeping all these scenarios in mind.

http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=193960
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline goodboy

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1133
  • "Find your ways, Built your inspiration."
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #10 on: July 13, 2011, 10:07:27 PM »
It's a great opportunity for us to have the latest business news for the first time in the forum atmosphere, which I think the most noble step for the students, Faculties.........& many more.!

We all should have the visit of this section as we are business students, and as it is the primary requirement for us to have updated with the current business world, we must try to contribute.

I'll try my best to share my findings in this post!!!
Thank you,,,ASHIQ BHAI!!
Md. Abul Hossain Shajib.
101-11-1375
Department of BBA, Sec:B.
25th Batch.
Daffodil International University.
Email: shajib_1375@diu.edu.bd
Admin Executive
creative.bd

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #11 on: July 14, 2011, 07:38:17 AM »
দুই অঙ্কের ঘরেই থাকছে মূল্যস্ফীতি


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০১১

অর্থবছর শুরু হয়েছিল এক অঙ্কের মূল্যস্ফীতি নিয়ে। শেষ হলো দুই অঙ্কের ঘর দিয়ে। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে অর্থাৎ আগের বছরের জুন মাসের তুলনায় গত জুন মাসে দেশে মূল্যস্ফীতি ছিল ১০.১৭ শতাংশ। মূলত খাদ্যের উচ্চমূল্যর কারণেই গ্রামে ও শহরে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে বলে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যে দেখা গেছে। তবে পরিবহনসহ খাদ্যবহির্ভূত অনেক ব্যয়ও বেড়েছে। মে মাসের (১০ দশমিক ২০) তুলনায় জুনের মূল্যস্ফীতি সামান্য কম হলেও সহসা যে খুব বেশি কমবে_এমন সম্ভাবনা দেখছেন না বিশ্লেষকরা। সে জন্য প্রান্তিক মানুষদের সুরক্ষা কর্মসূচি জোরদার করার পরামর্শ তাঁদের।
গত জুলাই মাসে যখন ২০১০-১১ অর্থবছর শুরু হলো, মূল্যস্ফীতির সাধারণ সূচক ছিল ২২৯-এর ঘরে। বছরের শেষ মাস অর্থাৎ গত জুনে সাধারণ সূচক দাঁড়াল ২৪৯-এ। গত জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ছিল ৭.২৬ শতাংশ। অক্টোবরে কিছুটা কমেছিল। পরের মাস থেকে বাড়তে বাড়তে মার্চ মাসে দুই অঙ্কের ঘরে পেঁৗছে গেল পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি। সেখান থেকে আর নামার নাম নেই।
বার্ষিক গড় হিসাবেও গত তিন বছরে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৬.৬৬ শতাংশ, ২০০৯-১০ সালে ৭.৩১ আর সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির গড় দাঁড়িয়েছে ৮.৮০-এ।
এবারের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত মূল্যস্ফীতিকে অর্থনীতির প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতিসহ নানা উদ্যোগ আয়োজনের কথা বলেছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ অনেক কঠিন। ভারত ও চীনও মূল্যস্ফীতি নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। বিশ্ববাজারে পণ্যের যখন উচ্চমূল্য থাকে, তখন মুদ্রা ও রাজস্ব নীতি দিয়ে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশের মূল্যস্ফীতি কম রাখা সম্ভব নয় বলেই তাঁদের বিশ্বাস।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, খাদ্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতির পাশাপাশি যানবাহন ও যোগাযোগসহ খাদ্যবহির্ভূত কিছু খাতেও ব্যয় বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। শহর থেকে গ্রামে মূল্যস্ফীতির প্রকোপ বেশি। জাতীয় পর্যায়ে জুন মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ১২.৫১ শতাংশ। গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার এখন ১৩.৫৩, আর শহরে ১০.২ শতাংশ। মে মাসে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি ছিল ১৩.১৬ শতাংশ। মাসিক ভিত্তিতে মে মাসের তুলনায় জুন মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেশি ছিল।
গ্রামাঞ্চলে মাসিক ভিত্তিতে মে মাসের চেয়ে জুনে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার ১.০৪ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্যে ১.০৬ এবং খাদ্য বহির্ভূত খাতে ০.৯৯ শতাংশ হারে মূল্যস্ফীতি হয়েছে। শহরাঞ্চলে মে মাসের তুলনায় জুনে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ১.২৬ শতাংশ হারে। খাদ্যে ১.৩৬ এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতে ১.১২ শতাংশ। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রীও বলেছেন, মূল্যস্ফীতিতে গ্রামীণ ও দরিদ্র জনগণের ওপর চাপ বেশি পড়ে।
এদিকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কম হলেও মাসিক ভিত্তিতে এই হার বেড়েছে। মে মাসের তুলনায় জুনে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে ১.১০ শতাংশ। খাদ্য খাতে ১.১৫ শতাংশ আর খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার ১.০৩ শতাংশ। জ্বালানি তেলের মূল্য পুনর্নির্ধারণের পর দুই মাস ধরে যানবাহন ও যোগাযোগ খাতের মূল্যস্ফীতি মে মাস থেকে জুনে বেড়েছে ২.৬৭ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তবে তা নিয়ন্ত্রণে সরকার খুব বেশি কিছু করতে পারবে বলে মনে করছেন না তাঁরা। তাঁরা বলেছেন, খাদ্যের উৎপাদন বাড়লেও মূল্যস্ফীতি কমবে না, যদি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি না ঘটে। এ ক্ষেত্রে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য সরকারকে সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার পরামর্শ দেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম।
কালের কণ্ঠকে গতকাল তিনি বলেন, বোরো ফসলের পরও খাদ্য মূল্যস্ফীতি খুব সামান্যই কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যের দাম বাড়ায় সরকার ইচ্ছে করলেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। কেবল আমাদের সরকার কেন, কোনো সরকারই নিজের একক প্রচেষ্টায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।
মির্জ্জা আজিজ বলেন, শহরের চেয়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতি বেশি। মূল্যস্ফীতিতে সব সময় দরিদ্ররাই বেশি ভোগে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের পাশাপাশি দরিদ্রদের জন্য প্রকল্প হাতে নিতে হবে, নিম্ন আয়ের মানুষের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।


http://www.kalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Antivirus&pub_no=581&cat_id=1&menu_id=24&news_type_id=1&index=1
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #12 on: July 14, 2011, 07:41:49 AM »
কম্পানি আইনের অর্ধেকই সংশোধন হচ্ছে
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০১১

শেয়ারবাজারে ধসের পর কম্পানি আইনে শেয়ার পুনরায় ক্রয়ের ধারা যোগ করার কথা ছিল। সে জন্য চার দফায় বৈঠক করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো কেবল শেয়ার পুনরায় ক্রয়ের ধারা সংযুক্ত নয়; পুরো কম্পানি আইনকেই যুগোপযোগী করার প্রস্তাব দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ছয়টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা বিদ্যমান কম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ৪০৪টি ধারার মধ্যে দুই শতাধিক ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ কাজ শেষ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. গোলাম হোসেনের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে গতকাল। এ আইনসহ ডাইরেক্ট সেল আইন-২০১১, বাণিজ্য সংগঠন আইন-২০১১ ও সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট-২০১১ জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে পাস করার জন্য উপস্থাপন করা হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গতকাল বুধবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খানের নেতৃত্বে একটি বৈঠক হয়েছে। কম্পানি আইন সংশোধনের জন্য বাণিজ্যসচিবের নেতৃত্বে ১২ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কর্মকর্তা ছাড়াও এফবিসিসিআই, ডিসিসিআই ও মেট্রোপলিটন চেম্বারের প্রতিনিধিও রাখা হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে কম্পানি আইনের সংশোধনী চূড়ান্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
বিদ্যমান কম্পানি আইন-১৯৯৪ মূলত ব্রিটিশ আমলে প্রণীত আইনেরই সংশোধিত রূপ। ভারতের কম্পানি আইনের উৎসও একই। পাকিস্তান ও বাংলাদেশে অবশ্য কয়েক দফায় মূল আইনটি সংশোধন করা হয়েছে। ভারতে কম্পানি আইনে শেয়ার পুনরায় ক্রয়সহ যুগোপযোগী বিভিন্ন ধারা সংযোজন করা হয়েছে। বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় বিভিন্ন সময় কম্পানি আইন-১৯৯৪ কে যুগোপযোগী করার দাবি জানিয়ে আসছে। তবে শেয়ারবাজারে ধস নামার পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি এ কে আজাদ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে দেখা করে শেয়ার পুনরায় ক্রয়ের বিধান করার অনুরোধ করেন। তাঁদের ওই দাবির প্রতি সমর্থন জানান অর্থমন্ত্রী। পরে কম্পানি আইনে শেয়ার পুনরায় ক্রয়ের ধারা যোগ করার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ করা হয়। তার পর থেকেই কম্পানি আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, কম্পানি আইন পর্যালোচনা ও সংশোধন করতে ২০১০ সালের ডিসেম্বর থেকে গত মে পর্যন্ত চার দফা বৈঠক করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রথম দুই বৈঠকে কম্পানি আইন-১৯৯৪ পর্যালোচনা করা হয়েছে। আর পরের বৈঠকগুলোয় আইনটি সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মতামত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে রেজিস্ট্রার, জয়েন্ট স্টক পরিদপ্তর, আইসিএসবি, আইসিএবি, আইসিএমএবি, এসইসি ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের মতামত পেয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এসব সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান বিদ্যমান আইনের ৪০৪টি ধারার মধ্যে দুই শতাধিক ধারা সংশোধন করার কথা বলেছে। তবে এখনো এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, ডিএসই ও সিপিডির প্রস্তাব চেয়েও পায়নি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
এদিকে বিশ্বব্যাংকের সহযোগী সংস্থা বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ক্লাইমেন্ট ফান্ড (বিআইসিএফ) নতুন কম্পানি আইনের খসড়া প্রণয়নের জন্য সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে মন্ত্রণালয় বিশ্বব্যাংকের ওই প্রস্তাব গ্রহণ করতে রাজি হয়নি বলে জানান সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।
এদিকে মাল্টিলেবেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে ডাইরেক্ট সেল আইন ২০১১-এর খসড়া এখন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে জনমতের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত মতামত নেওয়া হবে। এ ছাড়া আগামী ১ আগস্ট ট্যারিফ কমিশন এমএলএম ব্যবসাসংক্রান্ত একটি সেমিনারের আয়োজন করবে। ওই সেমিনারের সুপারিশ আমলে নেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া এমএলএম ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও একটি সভা করতে পারে মন্ত্রণালয়। তার পরই খসড়াটি চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র, মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদনের পর সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
এ ছাড়া কো-অপারেটিভ সোসাইটিসহ বিভিন্ন সংগঠন পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনতে সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের খসড়া চূড়ান্ত অবস্থায় রয়েছে। ইতিমধ্যে এ খসড়ার ওপর জনমতও নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। শিগগিরই তা মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। আর বাণিজ্য সংগঠন আইন ২০১১-এর খসড়া প্রায় চূড়ান্ত অবস্থায় রয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই আইনের খসড়াটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।


http://www.kalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Antivirus&pub_no=581&cat_id=1&menu_id=24&news_type_id=1&index=4
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #13 on: July 14, 2011, 07:54:34 AM »
Few gas connections amid a long queue
Thursday July 14 2011

The government has just started giving gas connections to new industries that were waiting for the last two years. This is otherwise considered a positive development against the backdrop of the country's slow pace of industrialisation.

A report published in a national daily this week suggested that the authorities were now giving gas connections to a limited number of new industries based in and around Dhaka city. This is being done following a decision taken last month at a meeting of a government committee headed by the prime minister's adviser on energy and power.

Only 40 such industries out of hundreds of applications filed two years back and beyond, will get the much-sought-after connections initially. Ban on providing connections to new industries became effective in 2009 following severe gas supply constraint.

It is now evident that hundreds of entrepreneurs had deposited money with the treasury a couple of years back for getting connections according to Titas' advice. But the government imposed restrictions on providing gas connections to industrial units as well as households soon after that. Since then they were waiting for the connections.

There are allegations of nepotism and favouritism about Titas in giving gas connections. According to the report, a number of entrepreneurs have been failing to get gas connections although their names were on the list of 40 approved ones.

By-passing them, Titas is reportedly giving connections to late comers through underhand deals. Most of the entrepreneurs have put millions of dollars in investment for the industries.

However, Titas said the industries that applied for gas connections in 2008 and installed pipelines have been included in the latest list. Some entrepreneurs have reportedly filed writ petitions against Titas for breach of commitment. They had made payments to Titas in 2009 for gas connections. If Titas accepts money, it is obligated to give connections, they contended.

While the gas supply crunch still lingers, thousands of new connection seekers have illegally obtained it bypassing the government restriction on the same since long. The situation reached such an extent that the housewives in the metropolis are struggling to cook daily meals, CNG fuelling stations are failing to supply adequate gas, and all types of industries are starving for gas supply.

Besides, low gas pressure is affecting electricity generation in power plants across the country. According to reports, such a scenario is visible in most of the places in Bangladesh. As a consequence, life-span of the gas-based power plants is also shrinking and their equipment are being damaged. Although the plants are set to generate electricity in their full capacity, the low gas pressure is holding back their operations.

Delay in implementation of the 30-inch diameter and Monohardi-Jamuna gas pipeline is also causing low gas pressure problem in Savar and its adjoining areas. The pipeline project work has long been stalled.

Gas supply crunch, along with low pressure, has been affecting the pace of industrial growth in the country. It has also led to the closure of several power plants and industries. Over the past decade, there have been no major efforts to explore and exploit the country's gas resource, in spite of the fact that the country's economy is predominantly gas-based. On the other hand, exploiting very low tariff of natural gas, there had been mushroom growth of medium and large gas and energy consuming industries in and around Dhaka and Chittagong cities. This unbalanced growth of gas demand over-stripped supply and overwhelmed the security of supply in the gas grid.

Bangladesh would not have faced any gas crisis now if successive governments paid proper attention to capacity building and modernising the companies under Petrobangla instead of becoming over-dependent on foreign oil companies to produce gas. International oil companies (IOCs) with fewer gas reserves are producing much higher volume of gas because they have installed bigger production wells. They have done so because they have detailed information about their gas fields. In contrast, the wells of the big national companies are old and much narrower. They never modernised their gas fields to increase production capacity, neither did they try to gather detailed information about the gas fields' health.

Present inadequate gas production is the result of unplanned development of gas resource over the years. Then again the market expanded injudiciously without considering production and transmission constraints. Successive governments failed to carry out regular on-stream pigging of major transmission pipelines causing impediment to capacity utilisation of transmission system. State-run gas companies moved to transport higher than designed capacity through saturated transmission system causing significant pressure drop over the entire gas system. Irrational gas connections were given without assessing supply capacity and finally, the government failed to set up gas pipeline compressors in time.

Energy experts believe Bangladesh's ongoing gas crisis can partly be solved by increasing production from its existing gas fields. But for that matter, the country needs to quickly install adequate pipelines. There is no denying that the gas crisis has been created due to insufficient investment in the past. In dealing with the crisis over the next few years, the country should make the most of the reserves of the known fields, and get more through the pressure-constrained infrastructure by installing compressors.

The situation thus demands that the government takes up short- and medium-term measures to boost gas production and its exploration. Extensive drive should be carried out to disconnect unauthorised gas connections. Adequate setting up of pipeline compressors is expected to ease the problem to some extent.


http://www.thefinancialexpress-bd.com/more.php?news_id=142791&date=2011-07-14
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #14 on: July 14, 2011, 08:00:12 AM »
সিএনজি স্টেশন রমজানে প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে
বৃহস্পতিবার | ১৪ জুলাই ২০১১

আসছে রমজানে আবারও দৈনিক ছয় ঘণ্টা করে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধিসহ আবাসিক সংযোগে গ্যাসের চাপ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গতকাল বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করার আগে মন্ত্রণালয় সিএনজি স্টেশন মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করবে। বর্তমানে প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা সিএনজি
স্টেশন বন্ধ থাকে। নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে রোজায় সিএনজি স্টেশন বন্ধের সময় দু'ঘণ্টা বেড়ে দুপুর ৩টায় বন্ধ হয়ে খুলবে রাত ৯টায়। এদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সিএনজি স্টেশন প্রতিদিন দু'ঘণ্টা বেশি বন্ধ রাখা হলেও ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকবে।
এ ঘাটতি মোকাবেলায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র বন্ধ রাখা হলে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। তা দিয়েই ঘাটতি মিটিয়ে ইফতার, তারাবি ও সেহরির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে বিদ্যুৎ বিভাগ আশা করছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এনামুল হকের সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীরবিক্রম, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন, বিদ্যুৎ সচিব আবুল কালাম আজাদ, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুর, পিডিবি চেয়ারম্যান এএসএম আলমগীর কবীরসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে জানতে চাইলে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান সমকালকে জানান, গত বছরের মতো এবারও রোজায় ছয় ঘণ্টা করে সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মালিকদের সঙ্গে আলোচনা হবে। প্রথম রোজা থেকে ২৭ রোজা পর্যন্ত নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। পরদিন অর্থাৎ ২৮ রোজা থেকে যথারীতি চার ঘণ্টা করে সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে। এর ফলে আবাসিক সংযোগে গ্যাসের চাপ বাড়লে গৃহিণীদের ইফতারি তৈরিতে সমস্যা হবে না। এছাড়া সাশ্রয়ী গ্যাস পেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতেও উৎপাদন বাড়বে।


http://www.samakal.com.bd/details.php?news=13&action=main&option=single&news_id=173184&pub_no=752
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806