Author Topic: ভারতবর্ষ ভ্রমণ (সিলেট থেকে মেঘালয় তারপর আসাম)  (Read 659 times)

Offline rumman

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1012
  • DIU is the best
    • View Profile

আগেই বলে নিচ্ছি যারা ধনীর দুলাল, যাদের ধৈর্য্য শক্তি কম তাদের জন্য এই লেখা নয়। আমার মতো যারা মধ্যবিত্ত কিন্তু ঘুরাঘুরি পছন্দ করেন তাদের এ লেখাটি সহায়তা করতে পারে বলে মনে করি। একদিন আমার বন্ধু শুভ সরোয়ার এসে অফার দিলো ”চলুন ভারত ঘুরে আসি।” যাবো যাবো করে যাওয়া হচ্ছিলো না। যাবার কথা ছিলো রাকিবুল, আরিফ, ধ্রুবরও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমি, তানভীর চৌধুরী পিয়েল, বাঁধন তালুকদার বাপ্পী আর পাপলু দে-আমরা চারজন মিলে শুরু করলাম ভারত ভ্রমণের পরিকল্পনা। আমার লেখায় আমরা যেসব জায়গায় গিয়েছি তার বর্ণনা এবং কোথায় কত খরচ হয়েছে তার হিসেবটাও দিবো।
বঙ্গদেশের অঙ্গে শুধু বৃষ্টি হয়, তুষারপাত হয় না। ইউরোপ আমেরিকায় গিয়ে বন্ধুরা বরফের সাথে ছবি আপলোড দিয়ে বলে আহ কি অপরূপ! তাই মনে খায়েশ জাগিলো যে করেই হোক বরফ দেখিবো। ভারতের কাশ্মিরে আর হিমাচলে বরফ আছে। কাশ্মিরে নাকি গোলাগুলি হয় সুতরাং মানালি যাইতে হইবে। গুগুলে সার্চ মারিয়া দেখিলাম ৪০/৫০ হাজার টাকা লাগিবে মানালি যাইতে। কিন্তু বিশ্বাস করুন মাত্র ১৬ হাজার রূপি (২০,০০০ টাকা) নিয়া ভারত গিয়েছি। ১২ দিন ১১ রাত ধরে ভারতের কয়েকটা অঙ্গরাজ্য ঘুরেছি, আরাম আয়েশ করে পেট ভরে খেয়েছি, স্টার মার্কা হোটেলে ঘুমিয়েছি, মানালির বরফও ছুঁয়েছি। ফাইনালি পকেটে কয়েক হাজার রূপি নিয়ে বাংলাদেশ ফেরত এসেছি। সেই অসাধ্য সাধনের গল্পটা বলবো এবার।

পাসপোর্ট: প্রথম বিদেশ ভ্রমণ হলেও পাসপোর্ট আগেই করা ছিলো আমার। সুতরাং এখানে কোন খরচ হয়নি। যাদের পাসপোর্ট হয়নি আজই পাসপোর্ট করে নিন। রেগুলার ফি ৩,৪৫০ টাকা (+১০ টাকা ভ্যাট) এবং জরুরি পাসপোর্ট করতে হলে তার ফি ৬,৯০০ টাকা (+১০ টাকা ভ্যাট)। রেগুলার ফিতে পাসপোর্ট পেতে সময় দেয়া থাকে আবেদনের দিন থেকে ২১ দিন (কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট পেতে বিলম্ব ও অন্যান্য কারণে পাসপোর্ট পেতে বর্তমানে কমপক্ষে ১ মাস অথবা বেশি সময় লাগে), জরুরিভিত্তিতে করতে চাইলে আবেদনের দিন থেকে ১০ দিন পর পাসপোর্ট প্রদানের তারিখ দেয়া হয় (কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট পেতে বিলম্ব ও অন্যান্য কারণে পাসপোর্ট পেতে বর্তমানে কমপক্ষে ১৫ কার্যদিবস লাগেই)।

ভিসা ও অন্যান্য কাগজ: দালাল ধরা ছাড়াও ভারতের ভিসা লাগানো যায়। কিন্তু সময় সাপেক্ষ ও স্কিলড পার্সন হতে হবে। আমার অফিসে খুব প্যারা যাচ্ছিলো। তাই সিলেটের এক লোককে ৭০০ টাকা দিয়েছি, তিনি সব করে দিয়েছেন। ভারতের ই-টোকেন চার্জ ৭০০ টাকা। আমার মতো সরকারী কর্মকর্তা হলে প্রতিষ্ঠান থেকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি), গভার্নমেন্ট অর্ডার (জিও), ছুটির অর্ডারসহ যাবতীয় কাগজ সংগ্রহ করে রাখুন। সিলেটের স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়াতে এপ্লাই করার ১৫ দিনের মাথায় আমি ভিসা পেয়েছি।

মানালি যাবার জন্য বাংলাদেশের সবাই প্রথমে যশোরের বেনাপোল দিয়ে কলকাতা যায়। তারপর দিল্লীর ট্রেন ধরে। দেশের যে অবস্থা, প্রতিদিন সড়ক পথে দশ পনেরজন মানুষ এক্সিডেন্ট করে মরে যাচ্ছে। আবার সিলেট থেকে যশোর যেতে একদিন, রাস্তা ও যান দুটোই খারাপ। রিস্ক নিতে মন চাইলো না। আমার বাড়ি হবিগঞ্জের মাধবপুর, পিয়েলের বাড়ি সিলেটের সদরে, বাপ্পীর বাড়ি সুনামগঞ্জের মধ্যনগর, পাপলুর বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা। অর্থাৎ সিলেট বিভাগের চার জেলার চারজন। আমাদের সিদ্ধান্ত আমরা মানালির জন্য ভারত ঢুকবো সিলেটের তামাবিল সীমান্ত দিয়ে। মানালির জন্য বাংলাদেশের প্রথম বোধহয় কেউ এরকম রুট পছন্দ করলো। স্থলপথে বিদেশ ভ্রমণের জন্য ট্যাক্স দিতে হয়। সোনালী ব্যাংক, জিন্দাবাজার শাখায় ৫০০ টাকা দিয়ে একটি ক্লিয়ারেন্স পেপার নিয়ে আসলাম।

মূদ্রা ও অন্যান্য কেনাকাটা: ভারতের মূদ্রার নাম রূপি। ওদের ১ রূপি আমাদের ১টাকা ২৪ পয়সা। মূদ্রানীতি অনুযায়ী সবমূদ্রা ডলারে কনভার্ট করতে হয়। মানে ডলার নিয়ে আপনাকে ভারত ঢুকতে হবে। রূপি বা টাকা নিয়ে আপনি ভারত ঢুকতে পারবেন না। ভারত ঢুকার জন্য অন্ত:ত দেরশ ডলার (১২,২২৫ টাকা) এনডর্স করতে হয়। পাবলিক পোস্টে ইল্যিগাল বুদ্ধি দেয়া ঠিক না। তবু অভিজ্ঞতাটা শেয়ার করি। আমরা চারজনের তিনজন টাকা থেকে রুপিতে কনভার্ট করি আর একজন ডলারে কনভার্ট করি। তবে চারজনই ২০০ টাকা দিয়ে আম্বরখানার সোনালি ব্যাংকের নিচতলার পরিচিত দোকান থেকে ডলার এনডর্সমেন্ট সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে নিয়েছি। ভারতীয় ইমিগ্রেশনের সময় ডলার দেখতে চায়। আমরা রূপি ব্যাগে লুকিয়ে রেখেছি আর এক বন্ধুর ডলার চারজনের পকেটে রেখে দিয়েছি। আগেই বলেছি আমাদের বাজেট ২০,০০০ টাকা, কনভার্ট করে হলো ১৬,০০০ রূপি। দেশে শপিং বলতে আমি দুটো জ্যাকেট, একটি ট্রাভেলিং ব্যাগ, কয়েকটা শর্টজ আর সেনিটাইজার কিনেছি। এক্ষেত্রে পরামর্শ যত কম কাপড় নিবেন তত সুবিধে। ব্যাগ ভাড়ি করলে ক্যারিতে বড় সমস্যা।

আরেকটা কথা দেশ ছাড়া আগে ভিসাসহ পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র ১০কপি করে জেরক্স/ফটোকপি করে নিবেন। এগুলো খুব প্রয়োজনীয়। চলুন বিদেশ যাবার আগে জনপ্রতি খরচাটা কত হলো দেখে নিই।

ভারতীয় ইটোকেন: ৭০০/=
ভিসা প্রসেসিং: ৭০০/=
ডলার এনডর্সমেন্ট: ২০০/=
স্থল পথে বিদেশ ভ্রমণ ট্যাক্স: ৫০০/=
মোট: ২১০০/=

১ম দিন: ৪ এপ্রিল ২০১৭ মঙ্গলবার। ৪ জন মিলে মঙ্গলযাত্রা। বুধবার দিন অমরনাথ এক্সপ্রেস নামক একটি ট্রেন গোয়াহাটি থেকে জম্মু কাশ্মির যায়। পাঞ্জাবের পাঠানকোট নেমে যাবো, সেখান থেকে মানালি-এই ছিলো প্রাইমারি প্ল্যান। তাই মঙ্গলবারে যাত্রা শুরু। সিলেট নগরীর সুবহানিঘাট থেকে তামাবিলের বাস যায়। আমাদের কাছের মানুষ মিজান ও নাহিদা সি অফ করতে খুব ভোরেই আমাদের সাথে বাসে উঠেছে। মাল সামাল সহ আমাদের আটটি সিট লেগেছে। বাসভাড়া ৮*৬০=৪৮০ টাকা। পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ ইমিগ্রেশন হয় তামাবিল-ডাউকি সিমান্তে। আমাদের আধা ঘন্টার ভেতরে সব কমপ্লিট হয়ে যায়। কিছু কাগজে সাইন করতে হয় ব্যাস। এক চাচা হেল্প করেছিলেন, চা পানি খাওয়ার জন্য পকেটে ১০০টাকা গুজে দিলাম। খরচ হলো ৫৮০ টাকা।
বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ভারতের মাটিতে প্রথম পা দিই। ভারতে ইমিগ্রেশন আরো সহজ। দুটো সাইন, একটা সিল আর ডলার দেখানো ব্যাস। ইমিগ্রেশন অফিসের পাশেই এক ট্যাক্সিওয়ালা ঘুরঘুর করছিলো। খাসিয়া ভদ্রলোকের নাম হারমান। আমরা শিলং হয়ে একেবারে গোয়াহাটি পর্যন্ত কন্ট্রাক্ট হলো। চাইলো ৪০০০ রূপি। অফ সিজন চলছে, আমাদের কিউট কিউট চেহারা আর মিউট মিউট কথা শুনে ৩৩০০ টাকায় রাজি হলেন। মেঘালয় রাজ্যের রাস্তা ধরে চললো আমাদের ট্যাক্সি। সিলেট থেকে যেমন উঁচু মেঘালয় দেখা যায়। মেঘালয় থেকেও নিচু সিলেট দেখা যায়। টানা বর্ষণে পানিতে ডুবে আছে আমার দেশ। বড্ড মায়া হয়। সাই করে ট্যাক্সি মেঘের উপর চলে যায়। কি সুন্দর অপরূপ সে দৃশ্য। ভোলার মতো নয়। সবুজ পাহাড়ের বুকে সাদা মেঘ, কালো মেঘ। আমরা আনন্দে ভাসছিলাম। মেঘ দেখার আবহাওয়া সেদিন অনুকূলে ছিলো। পুরো এলাকা যেন মেঘের ফ্যাক্টরি। এক জায়গায় এসে মনে হলো আমরা আসমানে ভাসতেছি। এটা আসলে লিখে প্রকাশ করা সম্ভব না। এমন দৃশ্য স্বপ্নেই দেখতাম। দুপুরের পর মেঘালয়ের রাজধানী শিলং এসে পৌঁছালাম। লোকে বলে প্রথম প্রেম, প্রথম চুমু, প্রথম সন্তান সবকিছুই সারাজীবন মনে থাকে। ভারতে আমার দেখা প্রথম শহর শিলং। সাজানো গোছানো পরিষ্কার একটা শহর। এ শহরের মানুষগুলোও কত ভালো। সুন্দর এ শহরটির কথা খুব মনে থাকবে।
শিলং শহরে ট্যাক্সি ড্রাইভার হারমান ভাই নিয়ে গেলেন এক বাঙালি মোবাইল দোকানে। জুনিয়র বন্ধু আকাশ খাসনবীস দেশে থাকতেই আমাকে একটা ভারতীয় সিম গিফট করেছিলো। এখানে এসে শুনলাম অই সিম চলবে না। তাই চারজন চারটি সিম কিনলাম। সাথে ইন্টারনেট ঢুকিয়ে নিলাম। ২১০০ টাকা খরচ হলো। সিমে এতো রূপি মারা খেলাম যে মন খারাপ হয়ে গেলো। কষ্টে দুপুরের খাবার পর্যন্ত খাইনি। ভাগ্যিস সকালে সামান্য খেয়ে এসেছিলাম। তিনটার দিকে হারমান ভাই আমাদের নতুন ট্যাক্সিতে উঠিয়ে দিলেন। নতুন ড্রাইভার আঠারো বছরের শ্রীধাম। বেশ আমুদে ছেলে শ্রীধাম। তার ট্যাক্সিতে চমৎকার সব গান চলে। দেশে আমি হিন্দী মুভি দেখতাম। শ্রীধামের সাথে কথা বলে হিন্দী বলার কনফিডেন্স আরো বেড়ে গেলো। কাম চলেগা। পরামর্শ দিবো ভারত ভ্রমণের সময় অন্ত:ত একজন যাতে হিন্দীটা ভালো মতন বলতে পারে। তাহলে খুব সুবিধা। যদিও ইংরেজি ও বাংলাটা কিন্তু সারা ভারতেই চলে। গোয়াহাটি যেতে রাস্তায় কিছু চিপস, কলা আর পানি কিনে নিলাম। ওদের ওয়াটার রিজার্ভেশন পদ্ধতিটা চমৎকার। বর্ষায় পানি জমায়, সারাবছর এ দিয়ে চলে। আবার পানি দিয়ে বিদ্যুতও উৎপন্ন করছে। পাহাড়ের বুকে বড় বড় ইন্ডাস্ট্রি।
যাই হোক রাত দশটায় আমরা পৌঁছালাম আসামের রাজধানী গোয়াহাটিতে। প্রথম দিনের দ্বিতীয় বিড়ম্বনা। গোয়াহাটিতে ফরেনারদের জন্য সস্তায় হোটেল নেই। আমি কখনো ”আমার বাংলাদেশী” পরিচয়টা লুকাতে রাজী না। বুক ফুলিয়ে আমি সকলের কাছে বলতে চাই, “আমরা বাংলাদেশ থেকে এসেছি।” এদিকে সারাদিনের পাহাড় ডিঙানো ক্লান্তি, পেটে ক্ষুধা, গোয়াহাটি ঘুরে ঘুরে আবার হোটেল পাইনা। কী যে বিপদ। আসামের মানুষ আবার আর্লি টু বেড আর্লি টু রাইজ। ভারি ভারি ব্যাগ নিয়ে পল্টনবাজারের এ মাথা থেকে ও মাথা। ফরেনারদের জন্য ৪০০০ রূপির কমে সস্তায় কোন হোটেল নেই। বরং রেল স্টেশনে যাই। জম্মুগামী পরদিন ট্রেনের টিকিট কেটে আসি। সেখানে গিয়ে শুনি টিকিট নেই। কাল সকাল আটটার ভেতর আসতে হবে। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। কী এক অনিশ্চয়তা! যা থাকে কপালে, আজ রাতে আমরা স্টেশনে ঘুমাবো। আমাদের সহযাত্রী বাপ্পী আবার অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তবু অটল সিদ্ধান্ত বাপ্পীকে ঘিরে আমরা তিন বান্দা সারারাত স্টেশনে বসে থাকবো।



পেটে কিছু দানাপানি দেয়া দরকার। স্টেশন ছাড়তেই এক রিকশাওয়ালা বাপ্পীকে বললো, “ভাইসাব হামারা পাস হোটেল আছে, চিপ রেট! যাওগি ক্যায়া?” বাপ্পী প্রায় চিৎকার বরে ডাকলো, “ফয়সাল ভাই, পিয়েল ভাই এদিকে আসেন।” এই ডাক যেন অন্ধকারে বিদ্যুতের ঝলকানী। শুধুমাত্র বাংলাদেশের সিলেট নয়, ভারতের আসাম, মেঘালয় এমনকি অরুণাচল প্রদেশে গত বারদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছিলো। ভেজা রাস্তায় আমরা দুটি রিকশায় উঠলাম। পাপলু ফিশফিশ করে কানে বললো, “আমরা কি হাইজাকারের কবলে পড়েছি?” ভয়টা আমারো ছিলো। সিদ্ধান্ত নিলাম মেইন রোড থেকে গলির ভেতর নিতে চাইলে রিকশাওয়ালার টুটি চেপে ধরবো। দুই বুড়ো রিকশাওয়ালাকে চারজন যুবক কাবু করতে সময় লাগবে না। পেন্টের বেল্ট আস্তে করে খুলে রাখলাম। অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। একটা থ্রিলিং ভাব চলে এসেছে। রিকশা থামলো একটা মাঝারি সাইজের হোটেলের সামনে, নাম “ড্রিমল্যান্ড”। অন্যান্য হোটেলের রিসিপশন নিচতলায় এটার দুতলায়। সন্দেহ আরো বাড়লো! বাংলাদেশ থেকে আসলেও, বাংলা কথা বললেও আমরা এখানে বিদেশী৷ মঙ্গোলিয়ান চেহারার হোটেল মালিক অল্প কথায় চার বাঙ্গাল বিদেশীকে কক্ষ দিতে রাজী হলেন। তিনি নিজেও বোধহয় লুকিয়ে ব্যবসাটা চালান। চারজনের জন্য দুটো বেড। এসি নেই, ঠান্ডা গোয়াহাটিতে চমৎকার রুম। ভাড়া মাত্র ১২০০ রূপি। রিকশাওয়ালারা চাইলো ৮০ রূপি, আমরা বাড়িয়ে দিলাম ১০০ রূপে। ধড়ে প্রাণ এলো, পেটে ক্ষিধে এলো। পাঠার মাংশ আর ভেজিটেবল দিয়ে ভাত খেলাম। হোটেলে ফেরার সময় এক বোতল রেড ওয়াইন। সারাদিনের ক্লান্তিতে ঘুমে চোখ বুজে আসছে। চলুন প্রথম দিনের হিসেবটা দেখে নিই।

ডাউকি টু গোয়াহাটি ট্যাক্সি: ৩০০০/-
সিম কেনা ও রিচার্জ: ২১০০/-
গাড়িতে নাস্তা: ৯৫/-
গোয়াহাটি রাতের খাবার ও ওয়াইন: ৭৬০/-
হোটেল ও রিকশা ভাড়া: ১৩০০/-
মোট: ৭৫৫৫/- (জনপ্রতি ১৮৯০/-)

 
Md. Abdur Rumman Khan
Senior Assistant Registrar

Offline Md. Neamat Ullah

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 167
    • View Profile
Effective information for Travels and Tourist habituated students who enjoy to travels attractive place in BD to Abroad.
Md. Neamat Ullah
Administrative Officer
Daffodil International University
Cell: 01811458868, 01675341465
E-mail: neamat@daffodilvarsity.edu.bd
neamat@daffodil.com.bd

Offline Nahian Fyrose Fahim

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 304
  • Test
    • View Profile
Nahian Fyrose Fahim
Lecturer ( Employee ID# 710001914)
Department of Pharmacy
Daffodil International University
Email: fyrose.ph@diu.edu.bd