Author Topic: বিষাক্ত মাশরুম চেনার উপায়  (Read 219 times)

Offline imran986

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 372
  • If you don't try, Allah will not help you too
    • View Profile
আধুনিক খাদ্যাভ্যাসে সবজি হিসেবে জনপ্রিয়তা পেলেও সব মাশরুম খাওয়ার যোগ্য নয়।


আমাদের দেশে সাধারণত কৌটাজাত মাশরুমের পাশাপাশি দেশীয়ভাবে প্রস্তুত প্যাকেটজাত মাশরুমও পাওয়া যায়। বাজার থেকে কেনার আগে এসব মাশরুম আসলেই খাওয়ার যোগ্য কিনা তা বোঝার জন্য রয়েছে কয়েকটি উপায়।

খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে বিষাক্ত মাশরুম চেনার কয়েকটি পন্থা এখানে দেওয়া হল।

পুরানো মাশরুম: বলার অপেক্ষাই রাখে না, পঁচা বা পুরানো মাশরুম কেউ কিনতে যাবে। তবে কিছু বিষয় দেখতে হবে যেমন- মাশরুম হতে হবে তাজা, মোটামুটি শক্ত এবং বিশেষ করে থাকবে আস্ত। কোনো পোকা কিংবা প্রাণীর কামড়ে দেওয়া মাশরুম কেনা যাবে না।

ছাতার মতো মাশরুম: মাশরুম কথাটা শুনলেই সবার মনে প্রথমেই ভেসে উঠে ব্যাঙের ছাতা হিসেবে পরিচিত মাশরুমের কথা। তবে এই মাশরুম খাওয়া যায় না, বিষাক্ত। ছাতার মতো আকৃতির পাশাপাশি এর কাণ্ডে থাকে একটি সাদা রিং। পৃথিবীর সবচাইতে বিষাক্ত মাশরুম সম্ভবত ‘আমানিটাস’ মাশরুম। এই মাশরুমগুলো পুরানো হলে বাদামি রং ধারণ করে।

মোরেল মাশরুম: এই মাশরুমের উপরের অংশটি হয় কুঁচকানো এবং লম্বাটে। তবে মাশরুম পুরানো হলে বা শুকিয়ে গেলেও উপরের অংশ কুঁচকে যায়। তাই আসল মোরেল মাশরুম চেনা একটু কঠিন। মাশরুমের উপরের অংশ যদি এলোমেলোভাবে চুপসে থাকে এবং তা দেখতে যদি আলগা টুপির মতো মনে হয় তবে ওই মাশরুম খাওয়া যাবে না।

আরও উপায়: মিষ্টি গন্ধযুক্ত মাশরুম, ‘জ্যাক ও’ ল্যানটার্ন’ বা কমলা রংয়ের মাশরুম এবং হালকা বাদামি রংয়ের মাশরুম খাওয়ার যোগ্য নয়।

বাজার থেকে খোলা মাশরুম কেনার জন্য কিংবা প্রকৃতি থেকে তা সংগ্রহের জন্য এবিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি। তাই অভিজ্ঞতা না থাকলে কৌটাজাত মাশরুম কেনাই নিরাপদ।

আর কৌটার মাশরুম কেনার সময় অবশ্যই মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিতে হবে। অনেক সময় কৌটাজাত মাশরুম সবটাই ব্যবহার করা হয়; বাড়তি মাশরুমগুলো ফ্রিজারে রেখে দেওয়া হয়।

তবে ফ্রিজে রাখা বাড়তি মাশরুমের গায়ে যদি পিচ্ছিল পানীয় ভাব দেখা দেয় এবং কালচে রং ধরা শুরু করে তবে অবশ্যই সেগুলো ফেলে দিতে হবে। এরকম দেখা দিলে সহজেই বুঝে নিতে হবে মাশরুমগুলো নষ্ট হতে শুরু করেছে।

https://bangla.bdnews24.com/lifestyle/article1499654.bdnews
...........................
Md. Emran Hossain
Coordination Officer
Department of Nutrition and Food Engineering (NFE)
Daffodil International University