অভিবাসীদের হাতে তৈরি যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেক প্রযুক্তি কোম্পানি

Author Topic: অভিবাসীদের হাতে তৈরি যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেক প্রযুক্তি কোম্পানি  (Read 90 times)

Offline nafees_research

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 308
  • Test
    • View Profile
অভিবাসীদের হাতে তৈরি যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেক প্রযুক্তি কোম্পানি

গোটা বিশ্বেই মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর আধিপত্য। এখন বাজারমূল্যের দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের আটটিই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক। তবে অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, অর্ধেকের বেশি মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল অভিবাসী বা অভিবাসীদের সন্তান দ্বারা। মার্কিন ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট এবং ওয়াল স্ট্রিট সিকিউরিটিজের সাবেক বিশ্লেষক মেরি মিকারের ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ-বিষয়ক এক বার্ষিক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। খবর সিএনবিসি।

বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে একমাত্র আইফোন দিয়ে বাজিমাত করছে প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপল। ই-কমার্স খাতে একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রেখেছে অ্যামাজন। বৈশ্বিক অনুসন্ধান সেবা খাতের শীর্ষ কোম্পানি গুগল। সামাজিক যোগাযোগ খাতে প্রভাব বিস্তার করে আছে ফেসবুক। এসব প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট কোনো একটি ক্যাটাগরিতে ব্যবসা সম্প্রসারণ করে চলছে, এমন নয়। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের পাশাপাশি ক্রমে নিত্যনতুন খাতে কার্যক্রম জোরদার করে যাচ্ছে। শীর্ষস্থানীয় এ চার মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত বাজারমূল্য এরই মধ্যে ৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে মজার বিষয় হলো— এ চারটি প্রতিষ্ঠানই প্রথম অথবা দ্বিতীয় প্রজন্মের অভিবাসী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

বাজারমূল্যে বিশ্বের সবচেয়ে দামি প্রতিষ্ঠান এখন অ্যাপল। ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াকের হাত ধরে এর যাত্রা হয়েছিল। স্টিভ জবসের বাবা আবদুলফাত্তাহ জান্দালি ছিলেন একজন সিরিয়ান অভিবাসী। প্রয়াত স্টিভ জবসের প্রকৃত নাম ছিল স্টিভেন পল জবস।

বাজারমূল্যে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ কোম্পানি এখন ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন। ১৯৯৪ সালের ৫ জুলাই জেফ বেজোসের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। জেফ বেজোস একজন কিউবান অভিবাসী।

বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতের এমন কোনো জায়গা নেই, যেখানে গুগলের বিচরণ নেই। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ছাড়াও অনুসন্ধান খাতে আধিপত্য বিস্তার করে আছে প্রতিষ্ঠানটি। গুগল প্রতিষ্ঠাতাদের একজন সের্গেই ব্রিন রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস শুরু করেন।

বৈশ্বিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রেখেছে ফেসবুক। সোস্যাল মিডিয়া জায়ান্টটির সহপ্রতিষ্ঠাতা এডুয়ার্ডো সেভেরিন ছিলেন ব্রাজিলের বংশোদ্ভূত। ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাকারবার্গের সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনার জেরে তিনি প্রতিষ্ঠানটির অংশীদারিত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন।

মার্কিন এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার কোম্পানি ওরাকল প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে দুই অভিবাসী উদ্যোক্তা ছিলেন। বিশ্বব্যাপী অনলাইন লেনদেন সেবাদাতা পেপাল প্রতিষ্ঠাতাদের পাঁচজনের মধ্যে চারজন ছিলেন অভিবাসী।

১৯৯৫ সালের পর সিলিকন ভ্যালি হয়ে ওঠে ইন্টারনেট অর্থনীতি ও উচ্চপ্রযুক্তির বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখান থেকেই কার্যক্রম শুরু করে অ্যাপল, গুগল, অ্যামাজন, ইবে, ইয়াহু ও মাইক্রোসফটের মতো অসংখ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম এখনো অভিবাসী কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভরশীল। এ কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাস নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল সিলিকন ভ্যালি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ নীতির কঠোর বিরোধিতা ছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত নিজ নিজ কর্মীদের অর্থ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানগুলো।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেয়ার পরপরই সাতটি দেশ থেকে ভ্রমণকারী আগমন ও শরণার্থী অভিবাসনের ওপর ১২০ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। এমন আদেশের ফলে সিলিকন ভ্যালির অভিবাসী প্রযুক্তি কর্মকর্তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। সে সময় অ্যাপল, গুগল ও মাইক্রোসফটের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত নিজ নিজ কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করে। এ নিয়ে কর্মীদের চিঠিও পাঠানো হয়েছিল। সে সময় ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিপক্ষে আইনি লড়াইয়ের খরচ নির্বাহের জন্য অর্থ সহায়তা দেয় প্রতিষ্ঠানগুলো।

মেরি মিকার মার্কিন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ক্লেইনার পারকিনস কফিল্ড অ্যান্ড বায়ার্সের অংশীদার এবং প্রযুক্তি খাতের এক বিখ্যাত বিনিয়োগকারী। গত বুধবার রিকোড আয়োজিত ‘কোড কনফারেন্সে’ তার ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ-বিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

Source: http://bonikbarta.net/bangla/news/2018-06-02/159695/%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF/
Nafees Imtiaz Islam
Deputy Director
Research Centre (Office of the Chairman, BoTs, DIU) and Institutional Quality Assurance Cell (IQAC)
​​Daffodil International University (DIU)
​​Telephone: 9138234-5 (Ext.: 387)
e-mail:nafees-research@daffodilvarsity.edu.bd
Web: www.daffodilvarsity.edu.bd