Author Topic: মিষ্টিকুমড়া, নাকি চালকুমড়া  (Read 19 times)

Offline farjana aovi

  • Jr. Member
  • **
  • Posts: 90
  • Test
    • View Profile
আমাদের দেশে দুই রকম কুমড়া পাওয়া যায়। একটি মিষ্টিকুমড়া আরেকটি চালকুমড়া। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মিষ্টি ও চালকুমড়ার উপস্থিতি আপনাকে রাখতে পারে অনেক অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে।
 
 


আমাদের দেশে দুই রকম কুমড়া পাওয়া যায়। একটি মিষ্টিকুমড়া আরেকটি চালকুমড়া। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মিষ্টি ও চালকুমড়ার উপস্থিতি আপনাকে রাখতে পারে অনেক অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে। পুষ্টিগুণে ভরপুর ও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী মিষ্টিকুমড়া ও চালকুমড়ার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ।

মিষ্টিকুমড়া

মিষ্টিকুমড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ার ফলে ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে।

মিষ্টিকুমড়া নিয়মিত খেলে হৃদ্‌রোগও প্রতিরোধ করা যায়।

প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকায় এর অভাবজনিত রোগ থেকে রক্ষা করে মিষ্টিকুমড়া। সবজিটি তাই চোখের জন্য খুবই ভালো। বয়সজনিত রোগ বিশেষ করে রেটিনার বিভিন্ন অসুখ প্রতিরোধে মিষ্টিকুমড়া বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

মিষ্টিকুমড়ায় রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন। বিটা-ক্যারোটিন থাকার কারণে শরীরের ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ প্রতিরোধে মিষ্টিকুমড়া ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন দূষণ, চাপ ও খাবারে যেসব রাসায়নিক ও ক্ষতিকর উপাদান থাকে, সেগুলোর কারণে ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ হতে শুরু করে। মিষ্টিকুমড়া ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ প্রতিরোধ করতে পারে।

এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে সর্দি-কাশি, ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

মিষ্টিকুমড়ার ভিটামিন এ ও সি চুল ও ত্বক ভালো রাখে। তাই চকচকে উজ্জ্বল চুল ও সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত মিষ্টিকুমড়া খেতে পারেন।

মিষ্টিকুমড়া সহজেই হজম হয়। হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে মিষ্টিকুমড়ার জুড়ি নেই।
 


আমাদের দেশে দুই রকম কুমড়া পাওয়া যায়। একটি মিষ্টিকুমড়া আরেকটি চালকুমড়া। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মিষ্টি ও চালকুমড়ার উপস্থিতি আপনাকে রাখতে পারে অনেক অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে। পুষ্টিগুণে ভরপুর ও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী মিষ্টিকুমড়া ও চালকুমড়ার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ।

মিষ্টিকুমড়া

মিষ্টিকুমড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ার ফলে ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে।

মিষ্টিকুমড়া নিয়মিত খেলে হৃদ্‌রোগও প্রতিরোধ করা যায়।

প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকায় এর অভাবজনিত রোগ থেকে রক্ষা করে মিষ্টিকুমড়া। সবজিটি তাই চোখের জন্য খুবই ভালো। বয়সজনিত রোগ বিশেষ করে রেটিনার বিভিন্ন অসুখ প্রতিরোধে মিষ্টিকুমড়া বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

মিষ্টিকুমড়ায় রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন। বিটা-ক্যারোটিন থাকার কারণে শরীরের ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ প্রতিরোধে মিষ্টিকুমড়া ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন দূষণ, চাপ ও খাবারে যেসব রাসায়নিক ও ক্ষতিকর উপাদান থাকে, সেগুলোর কারণে ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ হতে শুরু করে। মিষ্টিকুমড়া ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ প্রতিরোধ করতে পারে।

এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে সর্দি-কাশি, ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

মিষ্টিকুমড়ার ভিটামিন এ ও সি চুল ও ত্বক ভালো রাখে। তাই চকচকে উজ্জ্বল চুল ও সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত মিষ্টিকুমড়া খেতে পারেন।

মিষ্টিকুমড়া সহজেই হজম হয়। হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে মিষ্টিকুমড়ার জুড়ি নেই।

চালকুমড়া

চালকুমড়া একটি পুষ্টিকর সবজি। এতে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, মিনারেল, শর্করা ও ফাইবার রয়েছে। যক্ষ্মা, কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস্ট্রিকসহ বহু রোগের উপশম করে। অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এজেন্ট হিসেবে পেট ও অন্ত্রের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে। এটি আলসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

চালকুমড়া মস্তিষ্কের স্নায়ু ঠান্ডা রাখে। প্রতিদিন চালকুমড়ার রস খেলে যক্ষ্মা রোগের উপসর্গ কেটে যায়।

যাদের কাশের সঙ্গে রক্ত বের হয়, চালকুমড়ার রস খেলে ভালো হয়। চালকুমড়া শরীরের ওজন ও মেদ কমাতে অনেক উপকারী একটি সবজি। চালকুমড়া অধিক ক্যালরিযুক্ত খাবারের বিকল্প হিসেবেও খাওয়া যায়। চালকুমড়ার রস নিয়মিত চুল ও ত্বকে মাখলে চুল চকচকে হয় এবং ত্বক সুন্দর হয়। বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও চালকুমড়া সাহায্য করে।

Source: Prothom Alo
Farjana Islam Aovi
Lecturer
Department of Pharmacy
Faculty of Allied Health Science
Daffodil International University
Dhaka, Bangladesh
Cell:+08801743272709
Email: farjana.pharm@diu.edu.bd