Author Topic: খুঁজে খুঁজে মেধাবীদের পাশে দাঁড়ান তাঁরা  (Read 27 times)

Offline Md.Towhiduzzaman

  • Newbie
  • *
  • Posts: 39
  • Test
    • View Profile
সময়টা ২০১৬ সালের অক্টোবর মাস। নীলফামারী সরকারি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার আগে আগে এলেন তিন তরুণ। ক্লাস শেষে তিন তরুণের একজন শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে বললেন, তাঁরা একটি পরীক্ষা নেবেন। পরীক্ষায় প্রথম হলে তাঁকে বৃত্তি দেওয়া হবে। কোচিং করানো হবে। হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান উৎস চন্দ্র রায় লুফে নিলেন সেই চ্যালেঞ্জ। সবাইকে পেছনে ফেলে সেই পরীক্ষায় প্রথম হলেন তিনি। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর সেই তরুণেরা উৎসকে ঢাকা নিয়ে এলেন। কোচিংয়ে ভর্তি করালেন। নিয়মিত খোঁজখবর করলেন।

উৎসের স্বপ্ন তখন মেডিকেলে ভর্তি হওয়া। পরীক্ষার আগে শরীর খারাপ করল উৎসের। তিন তরুণের একজন বললেন, ‘উৎস, তোমার চিন্তা নেই। কষ্ট করে পরীক্ষাটা দাও। এমনিতেই টিকে যাবে তুমি।’ উৎস জোর পেলেন সেই কথায়। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলেন। ফলাফলের দিন উৎসের চোখ জলে ভরে গেল। এই জল কোনো কষ্টের নয়, আনন্দের। সারা দেশের মধ্যে মেধাতালিকায় ৯২তম হয়ে উৎস ভর্তির সুযোগ পেলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ। উৎসের কথায় তিন তরুণের পরিচয় জানতে উৎসাহ জাগে।

সেই তিন তরুণ কারা?: উৎস পরিচয় করিয়ে দিলেন সেই তিন তরুণের সঙ্গে। তাঁরা হলেন সাইফুর রহমান, এনায়েত হোসেন রাজিব আর নূর খান। তাঁরা একে অপরের বন্ধু।

সাইফুর চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়ালেখা শেষ করে দেশি-বিদেশি সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। নূর কানাডার মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে লেখাপড়া করেছেন। ঢাকায় তিনি রাইট ব্রেইন সলিউশন নামে একটি সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের মালিক। রাজীব জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষে দ্য ওয়েব ল্যাব নামের একটি সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান দিয়েছেন। তিনজনই ঢাকায় থাকেন।

তিনজনই আলাদা আলাদাভাবে গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার জন্য কাজ শুরুর কথা ভাবেন। এভাবে যখন তিনজনের ইচ্ছার বিষয়টি মিলে যায়, তখন তাঁরা একসঙ্গে কাজ শুরু করেন। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা থেকে খোঁজ নেন গরিব মেধাবীদের। তাঁদের তালিকা করে পরীক্ষা নিয়ে মেধার পরীক্ষায় যাঁরা পাস করেন, তাঁদের বৃত্তি দেওয়া শুরু করেন তাঁরা। প্রথম প্রথম নিজেদের বেতনের টাকা বাঁচিয়ে বৃত্তি দিতেন এই তরুণেরা। বছর বছর বৃত্তিপ্রত্যাশী বেড়ে যাওয়ায় বন্ধু-আত্মীয়দের কাছে হাত পাতা শুরু করেন তাঁরা। এভাবে একসময় ঘুড্ডি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে গরিব মেধাবীদের বৃত্তি দেওয়ার বিষয়টি প্রাতিষ্ঠানিকতা পায়।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ৯২তম হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ছেন উৎস চন্দ্র রায়।মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ৯২তম হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ছেন উৎস চন্দ্র রায়।
জীবন বদলে যাওয়া কজনের গল্প: ফিরে আসি ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হওয়া উৎস চন্দ্রের কথায়। তাঁর বাবা বাবু রায়ের নিজস্ব কোনো জমি নেই। কাজ করতেন অন্যের জমিতে। ছেলে কীভাবে পড়াশোনা করবেন, সে চিন্তা নয়, বাবু রায়কে চিন্তা করতে হতো প্রতিদিন কীভাবে সংসার চলবে তাঁর। এমনই সংসারের সন্তান বাবু এখন দেশসেরা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী। উৎস বলেন, ‘আমার জীবন বদলে দিয়েছেন সাইফুর, রাজীব ও নূর ভাই। দেশসেরা চিকিৎসক হয়ে আমার মতো সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়াতে চাই।’

উৎসের গল্পের মতোই নিজের গল্প বলা শুরু করলেন হৃদয় কুমার সাহা। তাঁর বাবা গোবিন্দ চন্দ্র সাহা তেমন কিছুই করেন না। টানাটানির সংসার তাঁদের। বাড়ি কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে। অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করার পর স্থানীয় এক সাংবাদিক তথ্য নেন হৃদয়ের। একদিন ঢাকা থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সেই সূত্রে ঢাকায় এসে একটি পরীক্ষা দেন হৃদয়। পরীক্ষার পর জানতে পারেন, তিনি বৃত্তি পাবেন। হৃদয়ের যেন বিশ্বাসই হতে চাইছিল না। ভূরুঙ্গামারী থেকে উচ্চমাধ্যমিকে পড়াশোনার খরচ পান তিনি। ২০১৫ সালে পরীক্ষা শেষ করে কোচিং করতে আসেন ঢাকায়। তিন তরুণের তত্ত্বাবধানে কোচিং করে ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক ইউনিটে ১৩৭তম হন। ভর্তি হন ফার্মেসি বিভাগে। হৃদয় বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো দিন ভর্তি হতে পারব, ভাবতেই পারতাম না। সেই আমি তিন তরুণের সহায়তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি। পেছনে ফিরে তাকালে শুরু তিন ভাইয়ের সহায়তার কথাই বারবার মনে পড়ে।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে এ বছর পড়াশোনা শেষ করেছেন রকিবুল ইসলাম। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার প্রত্যন্ত তালুক কররা গ্রামে বাড়ি তাঁর। এসএসসি পাস করার সময়ও বুয়েটের নাম জানতেন না তিনি। ২০১১ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পান রকিবুল। কিন্তু খুশির বদলে হতাশাই চেপে ধরল। বাবা ইকলাস মালিথা অসুস্থ। মা আর ছোট বোনকে নিয়ে অভাবের সংসার। আচমকা একটি ফোন তাঁকে স্বপ্ন দেখায়। তারপর চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে ভর্তি। বই কেনা, মাসের খরচ—সব ব্যবস্থা হয়। এইচএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পান। এরপর সোজা ঢাকায় রকিবুল। তাঁকে এত দূর টেনে আনেন তিন তরুণ।

রকিবুল বললেন, ‘রাজীব, নূর ও সাইফুর ভাই মিলে আমাদের জন্য যা করেছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। আমার মতো অনেকের জীবন বদলে গেছে তাঁদের স্পর্শে।’

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাকরিমা আক্তার। পড়ছেন কৃষি বিষয়ে। তিনি ২০১৭ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। বলছিলেন, ‘আমি যখন এসএসসি পাস করি জিপিএ–৫ নিয়ে, তখন থেকেই মনে বড় ধরনের একটা ভয় কাজ করত এইচএসসির পর কী করব বা কোথায় যাব, কোথায় পড়ব? কারণ, আমি বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিকেল সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। আমার এলাকার কেউ ও এসব বোঝে না। আমার পারিবারিক অবস্থাও ভালো নয়। এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে এলাম ঢাকায় কোচিং করতে এডুকেশন ফর অলের হয়ে বর্ণ কোচিংয়ে। তিন তরুণের সহায়তায় আমার জীবনের মোড় ঘুরে গেল। তাঁরা আমার পাশে না থাকলে হয়তো আজ লেখাপড়াই থেমে যেত। তাঁদের অবদান আমার জীবনে কতটুকু, তা আমি আসলেই ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। তাঁরা এতই মনপ্রাণ দিয়ে নিঃস্বার্থভাবে ঘুড্ডি ফাউন্ডেশনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, যা আমি চোখে না দেখলে কখনোই বিশ্বাস করতে পারতাম না। তাঁদের কথা মনে হলে বা তাঁদের কথা শুনলে মন থেকেই আপনা–আপনি তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা আসে। মনে হয়, এখনো এই রকম ভালো মানুষ পৃথিবীতে আছে কি আর কোথাও?’

তিন তরুণের ত্যাগের কথা শুনে গরিব মেধাবীদের পড়াতে এগিয়ে আসেন ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম মো. সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহ। তিনি এখন আইন বিভাগে পড়ছেন। তিনি বলেন, ‘তিন তরুণের গল্প শুনে আমি মুগ্ধ হই। তাই মেধাবীদের কিছু ক্লাস নিয়েছি। আগামী দিনেও আমার এই চেষ্টা অব্যহত রাখব। পড়াশোনা বাণিজ্যিকীকরণের এই সমাজব্যবস্থার ভেতরেও তাঁরা যে ত্যাগ স্বীকার করেন, তা অভাবনীয়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটে ১৩৭তম হয়ে ফার্মেসি বিভাগে পড়ছেন হৃদয় কুমার সাহা।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটে ১৩৭তম হয়ে ফার্মেসি বিভাগে পড়ছেন হৃদয় কুমার সাহা।
যেভাবে খুঁজে আনা হয় মেধাবীদের: ঘুড্ডির সদস্য সাইফুর রহমান বলেন, ‘মেধাবীদের খোঁজার ক্ষেত্রে দৈনিক পত্রিকাগুলোর সাংবাদিকেরাই আমাদের ভরসা। কারও খবর পেলে ওই এলাকার প্রথম আলোর সাংবাদিকদের কাছে আমরা তথ্য-সাহায্য চাই। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর স্কুলশিক্ষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমেও খোঁজ নিই। যারা কারও কাছ থেকে সাহায্য বা বৃত্তি পায় না, তাদেরই নিই আমরা। তবে একটা বাছাই পর্ব হয় ঢাকায়। সেখানে অভিভাবকেরাও আসেন। প্রাপ্ত ফলাফল ও সার্বিক দিক বিবেচনা করেই শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাছাইয়ের কাজটি করার সময় আমাদের মন খারাপ হয়। সামর্থ্য না থাকার কারণে অনেককে বাদ দিতে হয়।’

শুধু বৃত্তি দিয়ে দায় শেষ করে না ঘুড্ডি; শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খোঁজ রাখা হয়। শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফলাফল জানা হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সপ্তাহে দুই দিন ফোনে যোগাযোগ করা হয়। প্রতি মাসে চিঠি লিখে লেখাপড়ার অবস্থা জানানো বাধ্যতামূলক।

এ ছাড়া ভর্তি থেকে শুরু করে রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণ পর্যন্ত সরকারি সব ফি আলাদা দেওয়া হয়। তবে বছরের শুরুতে এককালীন দেওয়া হয় ভর্তি ও অন্যান্য খরচের জন্য।

বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের কে কোথায় পড়ছেন: বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় ২০০ জন পড়ছেন বাংলাদেশের সেরা সেরা বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে। বুয়েটে পড়ছেন পাঁচজন। অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন ২৭ জান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে পড়ছেন ৪৬ জন। ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে পড়ছেন ১২ জন। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ছেন ১৩ জন। এ ছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন আরও ৭০ জনের বেশি শিক্ষার্থী। এ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী তিন তরুণের শিক্ষা বৃত্তি পেয়েছেন। তাঁদের পেছনে এখন পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা।

যেভাবে বৃত্তি দেওয়ার কাজ চলছে: তিন তরুণ এই উদ্যোগ শুরু করেছিলেন পকেটের পয়সায়। পরে তাঁরা বন্ধু, আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছে হাত পাতেন। চালু করেন ফেসবুক পেজ। অনেকেই এগিয়ে আসতে থাকেন। কেউ একজন, কেউ দুজন, কেউবা তিনজন শিক্ষার্থীকে লেখাপড়ার খরচ দেওয়ার দায়িত্ব নেন। অনেকই আছেন, মাসের বেতন পেয়ে তার একটি অংশ পাঠিয়ে দেন তিন তরুণের কাছে। তাঁদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক দাতা নেই।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে এ বছর পড়াশোনা শেষ করেছেন রকিবুল ইসলাম ।বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে এ বছর পড়াশোনা শেষ করেছেন রকিবুল ইসলাম।
সাইফুর বলেন, দাতা যে শিক্ষার্থীকে সহায়তা করছেন, ওই শিক্ষার্থীর ফোন নম্বর তাঁকে দিয়ে দেওয়া হয়। তিনি নিজেই খোঁজখবর রাখতে পারেন। এভাবে চলার পর তাঁরা ঘুড্ডি ফাউন্ডেশন নামে একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন।

তিন তরুণ নিজেদের কার্যক্রমের হালনাগাদ তথ্য ফেসবুকে (www.facebook.com/EducationForAllBD) দিয়ে দেন। সাইফুর বললেন, ‘আমরা চাই না আমাদের কার্যক্রম নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠুক।’ আর্থের উৎস জোরদার করতে আড়াই বছর আগে তিন তরুণ ঢাকায় বর্ণ অ্যাডমিশন কেয়ার নামের একটি কোচিং সেন্টার খুলেছেন। সেখানে যাঁরা ভর্তি হন, তার লাভের একটা অংশ মেধাবীদের বৃত্তির পেছনে খরচ হয়। এই কোচিং সেন্টারের কাজ তত্ত্বাবধান করেন সাইফুর।

এবারও দেওয়া হবে বৃত্তি: সাইফুর জানান, ২০১৯ সালের জন্য আবেদনপত্র গ্রহণ চলছে। যাঁরা ২০১৯ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দেবেন, তাঁদের জন্য এই বৃত্তি। ২০১৯ সালে যে এইএসসি পরীক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় কোচিং করবেন, তাঁরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন নিচের ফরম্যাটে এসএমএস করে। এসএমএস পাঠাতে হবে ০১৭০৬১০০৬৩৮ অথবা ০১৭০৬১০০৬৩৯ নম্বরে।

নাম স্পেস কলেজের নাম স্পেস জেলা স্পেস বিভাগ (বিজ্ঞান/ মানবিক) স্পেস এসএসসির রোল স্পেস এসএসসির ফলাফল স্পেস মোবাইল নম্বর স্পেস পরিবারের পেশা। বৃত্তি পাওয়ার পরীক্ষা হবে দেশব্যাপী। ২০১৯ সালে ২৫০ জনকে কোচিং বৃত্তি দেওয়া হবে।