Author Topic: চলতি বছরেই বিশ্বের ৫১% মানুষ ইন্টারনেটের আওতায় : আইটিইউর প্রতিবেদন  (Read 184 times)

Offline nafees_research

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 280
  • Test
    • View Profile
আইটিইউর প্রতিবেদন : চলতি বছরেই বিশ্বের ৫১% মানুষ ইন্টারনেটের আওতায়
[/b][/size]

চলতি বছর শেষে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৫১ দশমিক ২ শতাংশ (৩৯০ কোটি মানুষ) ইন্টারনেট সেবার আওতায় আসবে। মোবাইল ইন্টারনেটের পরিসর বৃদ্ধি ও সাশ্রয়ী সেবার কারণে অনলাইন জনসংখ্যার এ অর্জন সম্ভব হতে যাচ্ছে। তবে বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সিংহভাগই হবে উন্নত দেশের নাগরিক। গত শুক্রবার জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে। খবর পিটিআই ও ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস।

আইটিইউর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৫ সালে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর ৫১ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সেবার আওতায় ছিল, যা চলতি বছর শেষে ৮০ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছবে। অন্যদিকে ২০০৫ সালে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর ৭ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সেবার আওতায় ছিল, যা চলতি বছর শেষে ৪৫ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছবে।

স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের মতো ইন্টারনেট-সংশ্লিষ্ট মোবাইল ডিভাইসের কারণে অনলাইন জনসংখ্যা বাড়ছে দ্রুত। তবে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়লেও উন্নয়নশীল ও স্বল্প উন্নত দেশগুলোয় প্রত্যাশা অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়ছে না। এখনো ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বিবেচনায় উন্নত দেশগুলোর তুলনায় বহুলাংশে পিছিয়ে রয়েছে উন্নয়নশীল ও স্বল্প উন্নত দেশগুলো।

বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় ইন্টারনেট ব্যবহারে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলো। ২০০৫ সালে আফ্রিকা অঞ্চলের

মাত্র ২ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সেবার আওতায় ছিল, যা চলতি বছর শেষে ২৪ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছবে। আফ্রিকা অঞ্চলের দরিদ্র ও অত্যন্ত নাজুক দেশগুলোর নাগরিকরা ইন্টারনেট ব্যবহারে এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

আইটিইউর মহাসচিব হাউলিন ঝাউ বলেন, বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সেবা সহজলভ্য হয়েছে। এর সুবাদে চলতি বছরই বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি ইন্টারনেটের আওতায় আসতে যাচ্ছে, যা বৈশ্বিক ইনফরমেশন সোসাইটির জন্য দারুণ অর্জন।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী এখনো অনেক মানুষ ডিজিটাল অর্থনীতির সুফল থেকে বঞ্চিত রয়ে গেছে। বিশেষ করে আফ্রিকা অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবার বাইরে থাকা মানুষদের বড় একটি অংশ নারী। এছাড়া উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বল্প শিক্ষিত, দরিদ্র ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারীদের মধ্যে এখনো ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ-সুবিধা পৌঁছায়নি।

২০২০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক জনসংখ্যার ৬০ শতাংশকে অনলাইনের আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে জাতিসংঘ। এক্ষেত্রে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে এখনো অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে সংস্থাটি।

আইটিইউর তথ্যমতে, চলতি বছর শেষে বৈশ্বিক ফিক্সড-ব্রডব্যান্ড সংযোগ ১১০ কোটিতে পৌঁছবে। এছাড়া ফিক্সড-টেলিফোন সংযোগ ৯৪ কোটি ২০ লাখে পৌঁছবে। ২০০৭ সালে সক্রিয় মোবাইল-ব্রডব্যান্ড সাবস্ক্রিপশন পেনিট্রেশনের হার ছিল প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৪, যা চলতি বছর শেষে ৬৯ দশমিক ৩-এ পৌঁছবে। অন্যদিকে ২০০৭ সালে সক্রিয় মোবাইল-ব্রডব্যান্ড সাবস্ক্রিপশন ছিল ২৬ কোটি ৮০ লাখ, যা চলতি বছর ৫৩০ কোটিতে পৌঁছবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোয় চলতি বছর শেষে মোবাইল-ব্রডব্যান্ড পেনিট্রেশনের হার প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৬১তে পৌঁছবে।

আইটিইউর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক জনসংখ্যার ৯৬ শতাংশই মোবাইল সেলুলার নেটওয়ার্ক কাভারেজের মধ্যে বসবাস করছে। এছাড়া ৯০ শতাংশ মানুষ এখন থ্রিজি কিংবা তার চেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। চলতি বছর শেষে বিশ্বের ৬০ শতাংশ বাসাবাড়িতে ইন্টারনেটে প্রবেশের সুবিধা থাকবে। ২০০৫ সালে বিশ্বের মাত্র ২০ শতাংশ বাসাবাড়িতে ইন্টারনেটে প্রবেশের সুবিধা ছিল।

বলা হচ্ছে, মানুষ এখন অনলাইনে যায়, এটি বলা ঠিক হবে না। চলতি বছর অসংখ্য মানুষ অনলাইনে থেকেছেন। বরং তৃতীয় ও চতুর্থ প্রজন্মের দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক সেবা থ্রিজি ও ফোরজির সম্প্রসারণের কারণে বিশ্বব্যাপী বিপুলসংখ্যক মানুষ নতুন করে ইন্টারনেটে যুক্ত হয়েছেন।

Source: http://bonikbarta.net/bangla/news/2018-12-10/179642/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%A8-:--%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A7%AB%E0%A7%A7--%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%93%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F/
Nafees Imtiaz Islam
Deputy Director
Research Centre (Office of the Chairman, BoTs, DIU) and Institutional Quality Assurance Cell (IQAC)
​​Daffodil International University (DIU)
​​Telephone: 9138234-5 (Ext.: 387)
e-mail:nafees-research@daffodilvarsity.edu.bd
Web: www.daffodilvarsity.edu.bd