Author Topic: শুভ জন্মদিন......আলভা এডিসন .  (Read 81 times)

Offline dulal.lib

  • Newbie
  • *
  • Posts: 9
  • Test
    • View Profile
বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক বিজ্ঞানী  টমাস আলভা এডিসনের কথা তো আমরা সবাই জানি। ১১ ফেব্রুয়ারি তার জন্মদিন।

১৮৪৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে, ওহিওর মিলানে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা স্যামুয়েল ও মা ন্যান্সি এডিসনের সবচেয়ে ছোট এবং সপ্তম সন্তান ছিলেন এডিসন। বাবা ছিলেন একজন নির্বাসিত রাজনৈতিক কর্মী আর মা  ছিলেন স্কুল শিক্ষক।
এই যে এত এত কিছুর আবিষ্কারক কিন্তু পড়ালেখায় খুব অমনোযোগী ছিলেন। এজন্যে স্কুল থেকে তাকে একটি চিঠি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং বলা হয় চিঠিটি যেন তিনি মায়ের হাতে দেন। শিশু এডিসন চিঠিটি সরাসরি মায়ের হাতেই দেন। চিঠিটি পড়ার পর এডিসনের মায়ের চোখ অশুসজল হয়ে উঠেছিল।এডিসন চিঠিটির সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি চিঠিটি জোরে পড়ে শোনান," your son is genius.This school is too small for him and doesn't have enough good teachers for training him. please teach him yourself."
অর্থাৎ,"আপনার ছেলে প্রতিভাধর। এই স্কুলটি তার জন্য খুব ছোট এবং তার প্রশিক্ষণের জন্য এখানে যথেষ্ট ভালো শিক্ষক নেই। তাকে নিজের মতো করে শিক্ষা দিন।"
এরপর ঘরেই মায়ের কাছে পড়া শুরু করেন তিনি। মাত্র ১১ বছর বয়সেই বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রচুর বই পড়ে ফেলেন এডিসন। ১৫ বছর বয়সে টেলিগ্রাফ অপারেটর হিসেবে কাজ শুরু করেন এডিসন। এরমধ্যেই টেলিগ্রাফ এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যের প্রযুক্তি নিয়ে প্রচুর গবেষণাও শুরু করেন।
১৮৬৬ সালে ১৯ বছর বয়সে কেন্টাকির লুইসভিলে চলে যান তিনি। সেখানে অ্যাসোসিয়েট প্রেসের হয়ে কাজ শুরু করেন। কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি তৈরির কাজে হাত দেন। শুরু হয় নতুন কিছু আবিষ্কারের পথে এগিয়ে চলা।
এডিসন তখন শতাব্দীর সেরা আবিষ্কারক। একদিন তিনি পুরনো জিনিসপত্র দেখছিলেন। ডেস্কের ড্রয়ারের কোণায় একটা ভাঁজ করা চিঠি পেলেন। চিঠিতে লেখা ছিল, "Your  son is addled. We won't let him come to School anymore." অর্থাৎ, "আপনার সন্তান মানসিকভাবে অসুস্থ। তাকে আমরা আর কোনোমতেই স্কুলে রাখতে পারছি না।"
এডিসন চিঠিটি পড়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। তখন তিনি তার ডায়েরিতে লিখেছিলেন "Thomas Alva Edison was an addled child that, by a hero mother, become the genius of the century." অর্থাৎ,"টমস আলভা এডিসন একজন স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন শিশু ছিলেন, একজন আদর্শবান মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি আজ শতাব্দীর সেরা মেধাবী।"
শুধুমাত্র একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি আর একজন মানুষের অনুপ্রেরণাই বদলে দিতে পারে কারও জীবনের গল্প। যেমনটা, শিশু এডিসনের মায়ের অনুপ্রেরণায় আজ তিনি একজন সফল আবিষ্কারক, একজন বিশ্ব সেরা উদ্ভাবক।