Author Topic: ফুসফুস ভালো রাখার চার উপায়  (Read 165 times)

Offline Mafruha Akter

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 303
    • View Profile
মপান করলে শরীর ৯০ ভাগ নিকোটিন শোষণ করে। ধূমপান ছাড়ার পরও এর প্রভাব অনেক দিন থেকে যায়। আবার ধুলাবালি, পরিবেশদূষণ ইত্যাদিও ফুসফুসকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে ফুসফুস অনেকটাই ভালো থাকে। ফুসফুস ভালো রাখার কিছু উপায়ের কথা জানিয়েছে ইউ আর গর্জিয়াস।

(i) অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় ফল: ফুসফুস ভালো রাখতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান। যেমন : লেবু, কমলা, মাল্টা ইত্যাদি। এসব খাবার বিপাক ক্ষমতা বাড়াবে এবং ক্ষত কমাতে কাজ করবে।

(ii) হলুদ চা: ফুসফুস ভালো রাখতে হলুদের চা পান করতে পারেন। এই চা তৈরিতে লাগবে চারশ গ্রাম কুচি করা পেঁয়াজ, ছোট একটি আদার টুকরো, দুই টেবিল চামচ হলুদ। দুই কাপ পরিমাণ ফুটন্ত পানিতে একে একে সব উপকরণ মেশান। কিছুক্ষণ সেদ্ধ করার পর চুলা থেকে নামিয়ে হালকা গরম থাকতে থাকতে পান করুন। দুদিনে একবার এই চা পান করতে পারেন। হলুদের মধ্যে রয়েছে কারকিউমিন। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ কমাতে কাজ করে। আর ধূমপান ছাড়ার কারণে যে বমি বমি ভাব হয়, সেটি কমাতে কাজ করে আদা।

(iii)পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান: পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা কিডনি ও লিভারের বর্জ্য পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।
(iv) নিয়মিত ব্যায়াম: এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে কাজ করে এবং ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে। কেবল ফুসফুস ভালো রাখতেই নয়, শরীরকে সুস্থ রাখতেও ব্যায়াম উপকারী।

আরও জানতে পড়ুন: টনসিলের ব্যথা কমাবে যে ৫ ঘরোয়া টোটকা

গলা ব্যথা কিংবা ঢোক গিলতে খুব কষ্ট হওয়ার মানেই হচ্ছে আপনি টনসিলে সংক্রমণে ভুগছেন। এ সমস্যা সাধারণত যে কোনো বয়সেই হয়ে থাকে। সাধারণত সর্দি-কাশির জন্য দায়ী ভাইরাসগুলোই টনসিলের এই সংক্রামণের জন্য দায়ী। তবে এ সংক্রমণ থেকে পরিত্রাণ পেতে ওষুধ-সিরাপের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি কার্যকর ঘরোয়া টোটকা।
চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক টনসিলের ব্যথা হলে তা নিরাময় করার কার্যকরী ঘরোয়া পাঁচ পদ্ধতি

(i)আদা চা: দেড় কাপ পানিতে এক চামচ আদার কুচি আর আন্দাজ মতো চা পাতা দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। দিনে অন্তত ৩-৪ বার এই পানীয়টি পান করুন। আদার অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল আর অ্যান্টি ইনফ্লামেন্টরি উপাদান সংক্রমণ ছড়াতে বাধা দেয়। এর সঙ্গে সঙ্গে গলার ব্যথা কমিয়ে দিতেও এটি খুবই কার্যকরী।

(ii)লবন পানি: গলা ব্যথা শুরু হলে যে কাজটি কম-বেশি আমরা প্রায় সকলেই করে থাকি তা হলো সামান্য উষ্ণ পানিতে লবন দিয়ে গার্গল করা। এটি টনসিলে সংক্রমণ রোধ করে ব্যথা কমাতে খুবই কার্যকরী। শুধু তাই নয়, উষ্ণ লবন পানি দিয়ে গার্গল করলে গলায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের আশঙ্কাও দূর করে দেয়।
(iii)লেবুর রস: এক গ্লাস সামান্য উষ্ণ পানিতে ১ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ মধু, আধা চামচ লবন ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি যত দিন গলা ব্যথা ভালো না হয়, তত দিন পর্যন্ত খেতে থাকুন। টনসিলের সমস্যা দূর করার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকরী।

(iv)সবুজ চা এবং মধু: এক কাপ গরম পানিতে আধা চামচ সবুজ চা পাতা আর এক চামচ মধু দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এ বার ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে ওই চা পান করুন। সবুজ চায়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা সব রকম ক্ষতিকর জীবাণুকে ধ্বংস করে। দিনে ৩ থেকে ৪ কাপ এই মধু-চা খেতে পারলে উপকার পাবেন।
(v)হলুদ দুধ: এক কাপ গরম দুধে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে নিন। ছাগলের দুধ টনসিলের ব্যথা দূর করতে বেশি কার্যকরী। ছাগলের দুধে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান আছে। তবে ছাগলের দুধ না পেলে গরুর দুধে হলুদ মিশিয়ে সামান্য গরম করে খেলেও উপকার পাওয়া যায়। হলুদ অ্যান্টি ইনফ্লামেন্টরি, অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ একটি উপাদান যা গলা ব্যথা দূর করে টনসিলের সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে থাকে।

আরও জানতে পড়ুন: গালাগাল স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ভালো?

আত্মীয় কিংবা বন্ধুবান্ধবের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যাদের মুখের ভাষা খুব খারাপ। কথায় কথায় গালাগালের সবই তারা বলে থাকেন। এই সব ‘মধুর বচন শুধু পরিবারের গুরুজন বা শিশুদের সামনে নয়, পাড়া-প্রতিবেশীদের সামনে মুখ ফসকে বেরিয়ে পড়লেই কেলেঙ্কারি। তবে যে যাই বলুন না কেন, মনোবিজ্ঞানী ও গবেষকরা এই অভ্যাসকেই সুস্থ থাকার সহজ উপায় হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।

মানসিক চাপ মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা, অবসাদ কমানোর ক্ষেত্রে গালাগালের অভ্যাস খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। একাধিক মার্কিন গবেষণায় এর প্রমাণ মিলেছে। এই ধারণার সঙ্গে একমত ব্রিটিশ গবেষক এবং মনোবিজ্ঞানীরাও। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক ও ফলিত ভাষাতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কিরিকুস অ্যান্টনিও জানান, গালাগাল আসলে মন থেকে রাগ, ক্ষোভ বের করে দিয়ে মানসিক চাপ কাটানোর একটি সহজ উপায়। তার মতে, যেসব মানুষ উত্তেজিত হলেও গালাগাল দিতে পারেন না বা দেন না, তাদের মধ্যে মানসিক অবসাদ, উচ্চ রক্তচাপ-সহ নানা স্নায়ুবিক সমস্যা দেখা যায়।

শুধু তাই নয়, কখনো এসব ব্যক্তিদের মধ্যে দ্বৈত ব্যক্তিত্বের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তুলনায় যারা সহজে গালাগাল দিয়ে ফেলেন, তারা অনেক বেশি সুস্থ থাকেন। তাই মার্কিন গবেষক এবং মনোবিজ্ঞানীদের মতে, মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ, অবসাদ, ক্ষোভ কাটাতে প্রয়োজনে একান্তে গালাগাল দেওয়া ভালো। তবে স্থান-কাল-পাত্র জ্ঞান থাকাটা অত্যন্ত জরুরি।

আরও জানতে পড়ুন: ঠাণ্ডা লাগার লক্ষণ এবং নিরাময়ের উপায়

প্রকৃতির বাতাসে ঠাণ্ডার পরিমাণ বাড়তে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ঠাণ্ডাজ্বর, সর্দি ও কাশির মতো ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা। নিয়মিত ওষুধ খেলেও এই ঠাণ্ডা নিরাময় হতে বেশ সময় লাগে। অনেক সময় নিরাময় হওয়ার কিছুদিন পরে দেখা যায় আবার ঠাণ্ডাজ্বর বা সর্দি হয়েছে। এমন সমস্যার বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে, যেগুলো দেখে আপনি বুঝবেন যে আপনার ঠাণ্ডা পুনরায় লাগতে শুরু করেছে। তবে তার নিরাময়ও আছে আপনার হাতের কাছেই
ক্লান্তি এবং ঘুম: আমরা সাধারণত শরীরের ছোটখাট সমস্যাগুলোকে খুব একটা গুরুত্ব দেই না। এটা আমাদের প্রথম ভুল। আমাদের সবার উচিত শরীরের ছোট বা বড় সব ধরনের সমস্যাগুলোকে সমানভাবে গুরুত্ব দেয়া। যেমন ঠাণ্ডা লাগলে শরীর অতিরিক্ত পরিমাণ ক্লান্তিভাব অনুভব করে এবং তা অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে হতে পারে। কার্নেগি মেলনের পরিচালিত একটি গবেষণা থেকে বলা হয়, একজন মানুষ প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমালে তা তার জন্য ঠিক আছে তবে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা দেখা দিলে ঘুমের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। তবে আপনি কত সময় ধরে ঘুমাচ্ছেন তার থেকে বড় ব্যাপার হলো আপনার ঘুম পরিপূর্ণ বা সাউন্ড স্লিপ হচ্ছে কি-না সেটা।

গুমোট নাক খুলতে তরল পান: নর্থ ক্যারোলিনার ডিউক ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিন অব ডুরহামের ক্লিনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাক্তার লাউসার বলেন, ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা মূলত শ্বাসযন্ত্রের একটি সমস্যা যা শুরু হয় নাক থেকে। ঠাণ্ডার ভাইরাসগুলো অনুষাঙ্গিক এলাকাতে আক্রমণ করে এবং শরীর এই ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ করতে থাকে তা বের করে দেয়ার জন্য। যার ফলে নাকে এক ধরনের শ্লেষ্মা তৈরি হয়। ডাক্তার লাউসার আরও বলেন, আপনি আপনার শরীরকে প্রচুর পানি পান করে সাহায্য করতে পারেন। এতে শরীর ভাইরাস রোধ করতে সক্ষম হবে।

মানসিক চাপ কমান: সারাদিনের কাজের চাপ আপনাকে দিনের শেষে খুবই ক্লান্ত করে দিতে পারে, যা আপনার অসুস্থতার কারণ হয়ে উঠতে পারে। ডাক্তাররা এখন মানসিক চাপের সঙ্গে অসুস্থতার সংযোগ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। তবে এটি পরিষ্কারভাবে বলা হয় যে, অনেক দিন ধরে মানসিক চাপের মধ্যে থাকাটা শারীরিক কার্যক্রমের জন্য ভালো নয়। নিউ ইংল্যান্ড অব মেডিসিনের এক যুগান্তকারী গবেষণাতে বলা হয়, যেসব মানুষ বেশি চাপের মধ্যে থাকে তারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত চাপে থাকলে শরীর তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারাতে শুরু করে এবং আপনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

ঠাণ্ডায় লবণ পানির ব্যবহার: এটা বলা হয়ে থাকে যে, অসুস্থতায় লবণ ব্যবহার করলে তা আরও খারাপ পর্যায়ে চলে যায় কিন্তু না, লবণ ইনফেকশন হওয়া রোধ করে। ডাক্তার লাউসার বলেন, ঠাণ্ডা লাগলে সাধারণত গলাব্যথা হয়, কথা বলতে বা খেতে বেশ অসুবিধা হয়। সেক্ষেত্রে লবণ পানি ব্যবহারের তুলনা হয় না। এটি গুমোট বাধা গলা, নাক পরিষ্কার করতে বেশ কাজ করে। জাপানের একটি গবেষণা থেকে দেখানো হয় যে, ঠাণ্ডা লাগলে নিয়মিত লবণ পানির কুলকচা করলে ঠাণ্ডা তাড়াতাড়ি নিরাময় হয়।

গরম পানি দিয়ে গোসল: ডাক্তার লাউসারের মতে, ঠাণ্ডার পুরো সময়টা হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করা ভালো। এতে করে ঠাণ্ডার প্রকোপটা শরীরে কম ভর করতে পারে। এছাড়া হালকা গরম পানি পান করাও ভালো। কারণ ঠাণ্ডা পানি পান, ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল এবং ঠাণ্ডা স্থানে থাকাটা আপনার ঠাণ্ডাজনিত সমস্যার জন্য ভালো নয়।

Collected.
Mafruha Akter
Sr. Library officer
Daffodil International University
(Uttara Campus)

Offline Anuz

  • Faculty
  • Hero Member
  • *
  • Posts: 1908
  • জীবনে আনন্দের সময় বড় কম, তাই সুযোগ পেলেই আনন্দ কর
    • View Profile
Nice to know.....
Anuz Kumar Chakrabarty
Assistant Professor
Department of General Educational Development
Faculty of Science and Information Technology
Daffodil International University

Offline Abdus Sattar

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 457
  • Only the brave teach.
    • View Profile
    • https://sites.google.com/diu.edu.bd/abdussattar/
Informative post.
Abdus Sattar
Assistant Professor
Department of CSE
Daffodil International University(DIU)
Mobile: 01818392800
Email: abdus.cse@diu.edu.bd
Personal Site: https://sites.google.com/diu.edu.bd/abdussattar/
Google Scholar: https://scholar.google.com/citations?user=DL9nSW4AAAAJ&hl=en