Author Topic: মহাকাশ যাত্রায় সৌর প্যানেল নিয়ে নতুন আশা  (Read 54 times)

Offline Mst. Eshita Khatun

  • Newbie
  • *
  • Posts: 48
    • View Profile
বিদ্যুতের জন্য সৌর প্যানেল এখন যদিও বেশ উন্নত, তবু এসব দিয়ে সুচারুভাবে পুরো কাজ সম্পন্ন করা যায় না। নতুন এক গবেষণা বলছে, ভিন্ন ধরনের সৌর প্যানেল ব্যবহার করে কম খরচে মহাকাশ যাত্রায় পাওয়া যাবে অনেক শক্তি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখনো অনেক কিছু করার আছে। এত দিন সেসব সৌর প্যানেল চলে আসছে, তার ভেতর মানসম্মত সোলার প্যানেলে সিলিকনের তৈরি সৌর কোষ ব্যবহার করা হয়। এই প্যানেল মাত্র ১৭-১৯ শতাংশ সৌর শক্তিকে বিদ্যুৎ–শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে।

এক গবেষণায় বলা হচ্ছে, সোলার প্যানেলের কর্মক্ষমতা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু এর ফলে আবার মাত্র এক ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে খরচ পড়বে ৩০০ ডলার! যেখানে সিলিকন কোষে এক ওয়াটের জন্য খরচ পড়ত মাত্র ১ ডলার। এ ধরনের সৌর প্যানেল মহাকাশ অভিযানে কাজে লাগানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

Eprothom Aloএই গবেষণাকেও আরও এক ধাপ সামনে নিয়ে গেল নতুন আরেক গবেষণা।

সম্প্রতি কর্মদক্ষতা ও ব্যয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি নতুন ধরনের সৌর প্যানেল পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। সুইস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির এই নতুন গবেষণায় গবেষকেরা নতুন এক বুদ্ধি বের করেছেন। তাঁরা সম্প্রতি এমন একটি ব্যবস্থা পরীক্ষা করেছেন, সেটাতে খরচ পড়বে সিলিকন প্যানেলের মতো, কিন্তু কর্মদক্ষতা হবে ২৯ শতাংশ! আবার তা বাসার ছাদ থেকে শুরু করে ব্যবহার করা যাবে মহাকাশেও।

গ্যালিয়াম আর্সেনাইড ও গ্যালিয়াম ইন্ডিয়াম ফসফাইডের সমন্বয়ে গঠিত এই সেলগুলো ব্যাপক পরিসরে সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। আগে মহাকাশে যে ধরনের সেল ব্যবহার করা হতো, সেগুলোর গঠন জটিল ও ব্যয়সাপেক্ষ। সে তুলনায় এই সেল হবে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়সাপেক্ষ। আকার কমে হয়ে যাবে অর্ধেক। এই প্যানেলের ওপর দিকে থাকবে একটি প্রতিরক্ষামূলক কাচের আবরণ। প্রতিটি সেলে বিকল্প লেন্সও থাকবে। এই সেলগুলোর ওপরেই সূর্যের আলো পড়বে। সর্বোচ্চ এক্সপোজারের জন্য প্যানেলের ওপর কয়েক মিলিমিটার দৈর্ঘ্যের যন্ত্র থাকবে। সূর্যের দিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এটিও দিক পরিবর্তন করবে। সর্বোচ্চসংখ্যক সূর্যরশ্মি থেকে শক্তি শোষণ করবে এই সৌর প্যানেল।

তবে এ ধরনের সেলের ক্ষেত্রে খরচটা এখনো সিলিকনের সেলের চেয়ে বেশি। ইনসোলাইটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লরেন কুলটের মতে, প্যানেলের খরচটা গুরুত্বপূর্ণ না। গুরুত্বপূর্ণ হলো এই প্যানেল যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, তার দাম। তিনি বলেন, যখন বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এই সোলার প্যানেল ব্যবহার করা হবে, তখন খরচটা আরও কমে আসবে। সিলিকন সেলের ক্ষেত্রে প্রতি ওয়াটে এক ডলার খরচ হচ্ছে। আর নতুন এই সেলের ক্ষেত্রে প্রতি ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য খরচটা আরও কমিয়ে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ সেন্টে আনা সম্ভব বলেও যোগ করেন তিনি।
Source: Prothom Alo
Mst. Eshita Khatun
Lecturer
Dept. of Computer Science & Engineering
Daffodil International University
102, Sukrabad, Mirpur Rd, Dhanmondi, Dhaka 1207, Bangladesh
eshita.cse@diu.edu.bd