Author Topic: রোজা রাখলে ক্যান্সারের জীবণুও মারা যায়.  (Read 91 times)

Offline deanoffice-fahs

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 150
  • Test
    • View Profile
আমি তো জানি আপনার ধর্মে বিশ্বাস নাই,তাহলে রোজা রাখছেন যে?’ ভদ্রলোক যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় ভার্জিনিয়া টেক থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন, জব করছেন একটা প্রাইভেট ফার্মের উঁচু পদে, তার সাথেই কথা হচ্ছিল ।

তোমরা যাকে রোজা বল, আমি তাকে বলি ‘অটোফেজি’। রোজার মাসে খাবার-দাবারের ঝামেলা, তাই এই মাসটা আমি অটোফেজি করি।

‘অটোফেজি! এটা আবার কি?

তুমি ‘অটোফেজি বোঝ না? তোমাদের রোজার উপর গবেষণা করে জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি ২০১৬ সালে ‘অটোফেজি আবিষ্কার করে নোবেল নিয়ে নিল! আর তুমি ‘অটোফেজি বোঝ না!

নড়েচড়ে বসলাম, একটু বুঝিয়ে বলেন তো?

অটোফেজি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ অটো ও ফাজেইন থেকে। বাংলায় এর অর্থ হচ্ছে আত্ম ভক্ষণ বা নিজেকে খেয়ে ফেলা।

কি সাংঘাতিক! বলেন কি ?

উপবাসের সময় আমাদের শরীরের সক্রিয় কোষ গুলো চুপচাপ বসে না থেকে সারা বছরে তৈরী হওয়া ক্ষতিকারক আর নিষ্ক্রিয় কোষগুলোকে খেয়ে ফেলে শরীরকে নিরাপদ আর পরিষ্কার করে দেয়। এটাই ‘অটোফেজি। ‘অটোফেজি আবিষ্কারের পর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মের বা ধর্ম মানে না অনেক স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ সারা বছরে বিভিন্ন সময়ে ‘অটোফেজি করে শরীরটাকে সুস্থ রাখে । জেনে অবাক হবে, অটোফেজি তে ক্যান্সারের জীবণুও মারা যায়!

কিছুটা সময় নিশ্চুপ হয়ে বসে রইলাম। আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতায় মনটা খুব নরম হয়ে গেল।

কি হলো চুপ হয়ে গেলে যে ?

আপনার কি মনে পড়ে আমাকে বলেছিলেন ‘তোমাকে অভুক্ত রেখে তোমার স্রষ্টা খুশি হয় কি করে ? সেদিনের আপনার এ কথার জবাব আজ পেয়ে গেছি। আমার আল্লাহ তাঁকে (আল্লাহকে) খুশী করার কথা বলে রোজার মাধ্যমে আমাকে সুস্থ রাখছেন।

কী অবাক করা বিষয়,

‘অটোফেজি আবিষ্কার হলো ২০১৬ তে, অন্য ধর্মাবলম্বীরা এখন ‘অটোফেজি করছে এর উপকারীতা জেনে। আর মুসলিমরা ‘অটোফেজি করে আসছে হাজার বছর ধরে কিছু না জেনে; শুধু বিশ্বাস করে ।

অনেক কিছুতেই হয়তো আপনি মানে খুঁজে পাননা কিন্তু এটাই সত্য যে ইসলামে অকল্যাণের কিছু নেই!

ওসুমি জাপানের ফুকুকায় জন্মগ্রহণ করেন। টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৭ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ও ১৯৭৪ সালে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটির রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল ফেলো ছিলেন।[১]

১৯৭৭ সালে সহযোগী গবেষক হিসেবে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসেন। ১৯৮৬ সালে প্রভাষক হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৮৮ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। ১৯৯৬ সালে ওকাজাকি সিটিতে অবস্থিত জাতীয় বেসিক বায়োলজি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরিত হন।

সেখানে তিনি অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত হেয়ামার গ্র্যাজুয়েট এডভান্সড স্টাডিজ বিশ্ববিদ্যালয়েও অধ্যাপকের দায়িত্বে ছিলেন। ২০১৪ সালে অবসর নেয়ার পরও ইনোভেটিভ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও টোকিও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে অধ্যাপকের দায়িত্ব চালিয়ে যান।


https://www.bdview24.com/2019/05/08/27252/?fbclid=IwAR3dba1xlg4H16wlHRw_MiInOVEflfYmLD8c-2_JjOCsLzJQDheq1Z77gL0
........................................
Al Mozammel
Administrative officer
Office of the Dean
Faculty of Allied Health Sciences
Daffodil International University