Author Topic: A Conversation between two....  (Read 1887 times)

Offline emranhossain

  • Jr. Member
  • **
  • Posts: 82
    • View Profile
A Conversation between two....
« on: September 06, 2009, 01:18:15 PM »
Disclaimer: I just received it from a friend of mine....and I don't claim the authorship of the interesting conversation between a Professor and his student......
Enjoy this....
...
 
 
An atheist professor of philosophy speaks to his class on the problem science has with God, The Almighty. He asks one of his new students to stand and.....

Prof : So you believe in God?
Student: Absolutely, sir.

Prof: Is God good?
Student: Sure.

Prof: Is God all-powerful?
Student: Yes.

Prof: My brother died of cancer even though he prayed to God to heal him. Most of us would attempt to help others who are ill. But God didn't. How is this God good then? Hmm?
Student is silent.

Prof: You can't answer, can you?
Let's start again, young fellow. Is God good?
Student: Yes.

Prof: Is Satan good?
Student: No.

Prof: Where does Satan come from?
Student: From...God...

Prof: That's right. Tell me son, is there evil in this world?
Student: Yes.

Prof: Evil is everywhere, isn't it? And God did make everything. Correct?
Student: Yes.

Prof: So who created evil?
Student does not answer.

Prof: Is there sickness? Immorality? Hatred? Ugliness? All these terrible things exist in the world, don't they?
Student: Yes, sir.

Prof: So, who created them?
Student has no answer.

Prof: Science says you have 5 senses you use to identify and observe the world around you. Tell me, son...Have you ever seen God?
Student: No, sir.

Prof: Tell us if you have ever heard your God?
Student: No, sir.

Prof: Have you ever felt your God, tasted your God, smelt your God? Have you ever had any sensory perception of God for that matter?
Student: No, sir. I'm afraid I haven't.

Prof: Yet you still believe in Him?
Student: Yes.

Prof: According to empirical, testable, demonstrable protocol, science says your GOD doesn't exist. What do you say to that, son?
Student: Nothing. I only have my faith.

Prof: Yes Faith. And that is the problem science has.

Now the student said can I ask something to you Professor.

Student: Professor, is there such a thing as heat?
Prof: Yes.

Student : And is there such a thing as cold?
Prof: Yes.

Student: No sir. There isn't.

(The lecture theatre becomes very quiet with this turn of events.)

Student: Sir, you can have lots of heat, even more heat, superheat, mega heat, white heat, a little heat or no heat. But we don't have anything called cold. We can hit 458 degrees below zero which is no heat, but we can't go any further after that. There is no such thing as cold. Cold is only a word we use to describe the absence of heat. We cannot measure cold. Heat is energy. Cold is not the opposite of heat, sir, just the absence of it.

(There is pin-drop silence in the lecture theatre.)

Student: What about darkness, Professor? Is there such a thing as darkness?
Prof: Yes. What is night if there isn't darkness?

Student: You're wrong again, sir. Darkness is the absence of something.
You can have low light, normal light, bright light, flashing light... But if you have no light constantly, you have nothing and its called darkness, isn't it? In reality, darkness isn't. If it were you would be able to make darkness darker, wouldn't you?
Prof: So what is the point you are making, young man?

Student: Sir, my point is your philosophical premise is flawed.
Prof: Flawed? Can you explain how?

Student: Sir, you are working on the premise of duality. You argue there is life and then there is death, a good God and a bad God. You are viewing the concept of God as something finite, something we can measure. Sir, science can't even explain a thought. It uses electricity and magnetism, but has never seen, much less fully understood either one. To view death as the opposite of life is to be ignorant of the fact that death cannot exist as a substantive thing. Death is not the opposite of life: just the absence of it. Now tell me, Professor. Do you teach your students that they evolved from a monkey?


Prof: If you are referring to the natural evolutionary process, yes, of course, I do.


Student: Have you ever observed evolution with your own eyes, sir?


(The Professor shakes his head with a smile, beginning to realize where the argument is going.)

Student: Since no one has ever observed the process of evolution at work and cannot even prove that this process is an on-going endeavor, are you not teaching your opinion, sir? Are you not a scientist but a preacher?

(The class is in uproar.)

Student: Is there anyone in the class who has ever seen the Professor's brain?


(The class breaks out into laughter.)

Student: Is there anyone here who has ever heard the Professor's brain, felt it, touched or smelt it? No one appears to have done so. So, according to the established rules of empirical, stable, demonstrable protocol, science says that you have no brain, sir. With all due respect, sir, how do we then trust your lectures, sir?

(The room is silent. The professor stares at the student, his face unfathomable.)

Prof: I guess you'll have to take them on faith, son.
Student: That is it sir... The link between man & god is FAITH. That is all that keeps things moving & alive. .


WANT TO KNOW WHO THAT STUDENT WAS?

This is a true story, and the student was none other than

DR. A.P.J. Abdul Kalam , President of India

Offline shibli

  • Faculty
  • Hero Member
  • *
  • Posts: 2768
  • God is only one without a second. [Upanisad 6:2]
    • View Profile
Re: A Conversation between two....
« Reply #1 on: September 06, 2009, 04:44:40 PM »
প্রশ্নঃ একই কোরআন অনুসরণ করা সত্ত্বেও মুসলমানদের মধ্যে বিভিন্ন ফেরকা ও মাজহাব কেন?
উত্তরঃ
১. মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে
এটা সত্য যে আজকের মুসলমানরা বিভিন্নভাবে বিভক্ত। কিন্তু ইসলাম সে বিভক্তিকে সমর্থন করে না। ইসলাম তার অনুসারীদের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাসী। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, “আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।” (আল কোরআন ৩:১০৩)

এই আয়াতে বর্ণিত আল্লাহর রজ্জু কি? এটা হচ্ছে পবিত্র কোরআন। পবিত্র কোরআনই হচ্ছে আল্লাহর রজ্জু, যাকে প্রত্যেক মুসলিমের শক্ত করে ধরে রাখা উচিত। এই আয়াতের ঐক্যের উপর দ্বিগুণ জোরালো ভাব প্রকাশ করা হয়েছে। “সকলকে শক্ত করে ধরে রাখো” এর সাথে এটাও বলা হয়েছে “তোমরা বিচ্ছিন্ন হয়ো না।”

কোরআনে আরও বলা হয়েছে, “হে ঈমানদারগণ, আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য  কর রাসূলের।” (আল কোরআন ৪:৫৯)

প্রত্যেক মুসলিম কোরআন ও বিশুদ্ধ হাদীসের অনুসরণ করবে এবং নিজেরা বিভক্ত হবে না।
২. ইসলামকে খণ্ড বিখণ্ড ও ভাগ করা নিষিদ্ধ
পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, “নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খণ্ড বিখণ্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই। তাদের ব্যাপার আল্লাহ তা'আলার নিকট সমর্থিত। অতঃপর তিনি বলে দেবেন যা কিছু তারা করে থাকে।” (আল কোরআন ৬:১৫৯)

এই আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, নিশ্চয়ই তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত, যারা ইসলামকে বিভক্ত করেছে। কিন্তু কেউ যখন একজন মুসলমানকে জিজ্ঞেস করে, “তুমি কে?” সাধারণত উত্তর দেয়া হয় যে, আমি সুন্নী বা শিয়া।” কেউ কেউ বলে আমি হানাফী, শাফী, মালেক বা হাম্বলী। কেউ বলে আমি দেওবন্দী বা বেরলবী।

৩. আমাদের নবী একজন মুসলমান ছিলেন
এ জাতীয় মুসলমানকে কেউ জিজ্ঞেস করতে পারে, আমাদের মহানবী কে ছিলেন? তিনি কি হানাফী, শাফী, মালেকী বা হাম্বলী ছিলেন, না, তিনি আল্লাহ প্রেরিত অন্যান্য সকল নবী রাসূলের মত একজন মুসলিম ছিলেন?

পবিত্র কোরআনের ৩ নং সূরার ৫২ নং আয়াতে আছে যে, ঈসা একজন মুসলিম ছিলেন। কোরআনের ৩ নং সূরার ৬৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে যে, “ইবরাহীম খৃষ্টান বা ইহুদী ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন মুসলিম।”

৪. কোরআন বলেছে, নিজেকে মুসলিম পরিচয় দাও
যদি কেউ কোন মুসলিমকে জিজ্ঞেস করে তুমি কে? তাহলে তার জবাব দেয়া উচিত “আমি একজন মুসলিম, হানাফী বা শাফী নই” সূরা হা-মিম সাজদার ৩৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে- যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয় সৎকর্ম করে এবং বলে আমি একজন আজ্ঞাবহ মুসলিম, তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার?” (আল কুরআন ৪১:৩৩)
কোরআন বলে, “বল আমি একজন আজ্ঞাবহ তথা আমি একজন মুসলিম।” মহানবী মোহাম্মদ (সাঃ) অমুসলিম রাজা বাদশাহদের কাছে ইসলাম গ্রহণের জন্য চিঠি পাঠিয়েছেন। এসব চিঠিতে তিনি কোরআনের সূরা আল ইমরানের ৬৪ নং আয়াতটি উল্লেখ করতেনঃ “বলে দাও যে, সাক্ষী থাক, আমরা তো অনুগত মুসলিম।” (আল কোরআন ৩:৬৪)

৫. ইসলামের বড় পন্ডিতদের শ্রদ্ধা করা উচিত
ইসলামের ৪ জন ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফেঈ, ইমাম আহমদ বিন হাম্বল ও ইমাম মালেক (রঃ) সহ ইসলামের সকল বড় বড় পন্ডিতদের সম্মান করা উচিত। তারা ইসলামের মহান পণ্ডিত ছিলেন এবং আল্লাহ তাদেরকে তাদের কর্মের জন্য পুরস্কৃত করুন। কেউ ইমাম আবু হানিফা বা ইমাম শাফেঈ সহ অন্যদের ইজতিহাদের সাথে ঐক্যমত পোষণ করলে তাকে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু কেউ যদি জিজ্ঞেস করে যে, তোমার পরিচয় কি? তখন উত্তর দেয়া উচিত, আমি মুসলিম।

কেউ বলতে পারে যে, সুনানে আবু দাউদের ৪৫৭৯ নং হাদীসে নবী করিম (সঃ) বলেছেন, ‘আমার উম্মাহ ৭৩ ভাগে বিভক্ত হবে।' এই হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নবী করিম (সাঃ) ৭৩টি শ্রেণীর আবির্ভাব সম্পর্কে পূর্বেই বলে গেছেন। তিনি কিন্তু মুসলমানদেরকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আদেশ দেননি। অন্যদিকে পবিত্র কোরআন আমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত না হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। যে ব্যক্তি পবিত্র কোরআন ও সহীহ হাদীসের শিক্ষা মেনে চলে এবং কোন দল সৃষ্টি না করে সে-ই সত্য পথে আছে।

তিরমিযির ১৭১ নং হাদীস অনুসারে মহানবী মোহাম্মদ (স) বলেছেন, “আমার উম্মত ৭৩টি শ্রেণীতে বিভক্ত হবে এবং তাদের সবাই দোযখে যাবে শুধুমাত্র এক শ্রেণী ব্যতিত। আল্লাহর নবীকে জিজ্ঞেস করা হল কোন শ্রেণী দোযখে যাবে না। উত্তরে তিনি বললেন, সেটি হচ্ছে আমার ও আমার সাহাবীদের অনুসারী।

পবিত্র কোরআনের কয়েকটি আয়াতে বলা হয়েছে “আল্লাহ ও তার রাসূলকে মেনে চলো” একজন সত্যিকারের মুসলিম শুধুমাত্র কোরআন ও হাদীস মেনে চলবে। কেউ কোন ইমামের মত বা মাজহাব অনুসরণ করতে পারে যদি তা কোরআন ও সহীহ হাদীসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। যদি কোরআন ও হাদীসের বিরোধী হয়, তখন সে মতের কোন দাম নেই, তিনি যে ইমামই হোক না কেন। শুধুমাত্র যদি মুসলমানরা কোরআন বুঝে পড়ে ও হাদীস মেনে চলে, তাহলে ইনশাআল্লাহ মুসলমানদের মধ্যে এসব ভেদাভেদ দূর হবে এবং মুসলিম উম্মাহ আবার ঐক্যবদ্ধ হবে।   (চলবে)
[/size]

« Last Edit: September 07, 2009, 02:30:34 PM by shibli »
Those who worship the natural elements enter darkness (Air, Water, Fire, etc.). Those who worship sambhuti sink deeper in darkness. [Yajurveda 40:9]; Sambhuti means created things, for example table, chair, idol, etc.