Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Zannatul Ferdaus

Pages: 1 [2] 3 4 ... 9
16
দেশীয় উদ্যোক্তা এবং দেশীয় প্রযুক্তিবিদদের তৈরি আন্তর্জাতিক মানের মোবাইল অ্যাপ নিয়ে আসছে ইনোভেডিয়াস প্রা. লি.। আগামী আগস্ট মাস থেকে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হতে যাচ্ছে মোবাইল অ্যাপ ইজিয়ার। যেটি স্মার্টফোনে ইনস্টল করে অতি সহজেই গাড়ি, বাইক কিংবা অ্যাম্বুলেন্স অন ডিমান্ড বুক করা যাবে। এছাড়াও প্রিরিজার্ভেশনের অপশন দিয়ে দূর যাত্রার জন্য গাড়ি বুকিং দিলে সময় মতো গাড়ি হাজির হয়ে যাবে দরজায়। আর গুগল প্লেস্টোর থেকে ইজিয়ার নামের এই অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাচ্ছে এবং শিগগিরই অ্যাপেল প্লেস্টোরেও পাওয়া যাবে।
 
ইজিয়ারের পরিচালক কামরুল হাসান ইমন বলেন, আমরা পুরোপুরি দেশীয় উদ্যোক্তা এবং সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিবিদের মেধা ব্যবহার হয়েছে। এখন শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে। সেপ্টেম্বর মাস থেকে ঢাকাতে এই অ্যাপভিত্তিক গাড়ি এবং বাইক শেয়ারিং সার্ভিসের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হবে। যা এই বছরেই পরের ধাপে চট্টগ্রাম ও সিলেটে শুরু করা হবে। আগামী দুই মাসে আমরা যত সম্ভব গাড়ি ও প্যাসেঞ্জারদের আগ্রহী করে তোলার চেষ্টা করব রেজিস্ট্রেশন করার জন্য। যারা প্রথমদিকের রেজিস্ট্রেশন করবেন তাদের সবার জন্যই কিছু ছাড় থাকবে পুরো বছর জুড়ে।
 
তিনি আরও বলেন, গুগল প্লেস্টোরে ezzyr দিয়ে সার্চ করলেই চলে আসবে দুইটি অ্যাপ- ezzyr driver শুধু যারা গাড়ি দিতে ইচ্ছুক এবং ezzyr শুধু প্যাসেঞ্জারদের জন্য। এছাড়াও www.ezzyr.com এ প্রবেশ করে কম্পিউটার থেকেও রেজিস্ট্রেশন করা যাবে সহজে। আর ঢাকা শহরে শুধুমাত্র গাড়ি ও বাইক চলন্ত অবস্থায় থাকলে ট্রাফিক জ্যাম অনেকাংশে কমে যাওয়া ছাড়াও যাদের গাড়ি নেই তারা পরিবার নিয়ে একটু আরামে যাতায়াত করতে পারবেন। এছাড়া দ্রুত বহনের জন্য বাইক সার্ভিসটিও ভালো সাড়া পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করছি।

17
প্রতিপাদ্য বিষয় -            ‘পরিবার পরিকল্পনা: জনগণের ক্ষমতায়ন, জাতির উন্নয়ন’। 


কেন ১১ জুলাই পালন করা হয়?

১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই বিশ্বের জনসংখ্যা ৫০০ কোটিতে উন্নীত হয়। এর ফলে ইউএনডিপি’র গভর্ন্যান্স কাউন্সিল প্রতিবছর দিনটিকে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত হয়। 

19
মাত্র দুই দিন হল, দুই বিলিয়ন লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়েছেন মার্ক জুকারবার্গ। সাফল্য উপভোগ করতে-না-করতেই মার্ক জুকারবার্গ ছকে ফেলেছেন নতুন প্ল্যান। হাতের মুঠোয় পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ জনতা, এবার ছুঁতে হবে বাকি দুই তৃতীয়াংশকে। মানে এবার লক্ষ্য চার বিলিয়ন!

স্বপ্নটা প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছেন তিনি। আইডিয়ার স্তর পেরিয়ে বাস্তবে উড়ছে তাঁর স্বপ্ন-উড়ান। নাম অ্যাকিলা। এই অ্যাকিলা বাস্তবিকই একটি প্রশস্ত উড়ান, যা কোনও পাইলটের সাহায্যে ওড়ে না। ইংরেজি ভাষায় যাকে বলে- আনম্যানড ফ্লাইট।

ধরুন, আপনার কাছে কোনও ইন্টারনেট পরিষেবা নেই, এমনকি সুদূর ভবিষ্যতে হওয়াও সম্ভব নয়। কেননা আপনি থাকেন প্রত্যন্ত গ্রামে, যেখানে এখনও ইলেকট্রিসিটি পৌঁছয়নি। কিংবা কেউ হয়তো গভীর অরণ্যের বাসিন্দা। কেউ বা আছেন সমুদ্র-পরিবেষ্টিত দ্বীপে। তাঁরা সবাই ফেসবুক সংযোগ করতে পারবেন এই অ্যাকিলার সাহায্যে! অবিশ্বাস্য হলেও সত্যির খুব কাছে চলে এসেছেন জুকারবার্গ।

অ্যাকিলার জ্বালানি সৌরশক্তি। তাই অতি অল্প খরচেই সম্ভবপর হবে এই অসাধ্যসাধন। সারা পৃথিবীর মানুষকে একই সুতোয় গাঁথার উদ্দেশ্য সফল হবে, কেউই আর বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকবেন না, এমনটাই আশা করেন তিনি। অতি সম্প্রতি সাহারা মরুভূমির বিস্তৃতিতে পরীক্ষামূলকভাবে ওড়ানো হল এই অ্যাকিলাকে। যাত্রাপথ জুড়ে অসংখ্য অজানা তথ্য সংগ্রহ করে এনেছে সে, যা আসলে ভবিষ্যৎদ্রষ্টা মার্কের ঠোঁটে হাসি ফুটিয়েছে।

হাসি ফুটতে চলেছে অনগ্রসর সব দেশের মানুষের মুখেও। ইন্টারনেট ছাড়াই যদি জনসংযোগ হয়, তাহলে অনেকের স্বপ্নই তো একসঙ্গে সফল হবে

অ্যাকিলা উড়ছে সাহারা মরুভূমির উপর দিয়ে।


20
বাংলাদেশে একটি নতুন দ্বীপের সন্ধান মিলেছে। দ্বীপটির নাম 'বঙ্গবন্ধু দ্বীপ'। প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট নতুন এই দ্বীপটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। খুলনার মংলা উপজেলার দুবলার চর থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত দ্বীপটি।

‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’টি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান হতে পারে। তবে এর জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও উদ্যোগ। তারপর দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যথাযথ প্রচারণা। 

সমুদ্রগামী জেলেরা এ দ্বীপটির আবিষ্কারক হলেও ঠিক কত সালে তারা প্রথম দ্বীপটি খুঁজে পেয়েছিলেন সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন তথ্য সূত্র ও জেলেদের কাছে থেকে জানা গেছে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস্য শিকারী ১৯৯২ সালে দু’জন জেলেকে নিয়ে কোন কারণে এ দ্বীপে অবতরণ করেন। পরবর্তীতে তিনি দ্বীপটির নামকরণ করেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’ এবং পরবর্তীতে তিনি সেখানে একটি সাইন বোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন। 

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে জেলেরা শুধু ট্রলার নিয়ে এ দ্বীপে গেলে ধীরে ধীরে জেলেদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু দ্বীপটি পরিচিতি পেতে থাকে। তবে জেলে সম্প্রদায়ের বাইরে দ্বীপটি সম্পর্কে তেমন একটা জানা-শোনা ছিলো না। এখন দ্বীপটি সম্পর্কে মানুষ জানতে পারছে। তিনি আরো জানান, বরগুনার পাথরঘাটা কিংবা তালতলীর চেয়ে মংলা থেকে দ্বীপটির অবস্থান অনেকটাই কাছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুলনার মংলা উপজেলার দুবলার চর থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের বুকে দ্বীপটি অবস্থিত। এ দ্বীপের বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটারের মতো। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই মিটার উঁচু দ্বীপটি । 

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের গবেষক অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম দু’জন সহকর্মীকে নিয়ে ২৯ সদস্যের একটি গবেষণা দল গঠন করে এ বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি দ্বীপটিতে যান এবং ১৬ দিন সেখানে অবস্থান করে গবেষণা চালান। তার দেয়া তথ্য মতে, গত ২৫ বছরে দ্বীপের স্থায়ী পরিধি ৭.৮৪ বর্গ কিলোমিটারে বর্ধিত ও বিস্তৃত হয়েছে। দ্বীপের চারপাশে প্রায় ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ নিরাপদ সাগর সৈকত রয়েছে। চোরাবালির অস্তিত্ব নেই। সৈকত লাগোয়া সাগরের পানি খুবই স্বচ্ছ। সহজেই নির্ভয়ে সাঁতার কাটা যায়। সৈকতে লাল কাঁকড়ার আবাস রয়েছে। রয়েছে জংগলও। তবে কোন সরীসৃপ নেই। হরিণসহ ৭০টি জীববৈচিত্র্যের সন্ধান পাওয়া গেছে। এ দ্বীপের আশপাশে ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত কোনো মানববসতি নেই।

অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম জানান, এতো সুন্দর দ্বীপটি সম্পর্কে দেশের খুব কমসংখ্যক মানুষই জানেন। দ্বীপের গবেষণা বিষয়ক কাগজপত্র সরকারের কাছে জমা দেয়া হচ্ছে। দ্বীপটিকে অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় মানুষের জন্য আকর্ষণীয় স্পট হিসেবে গড়ে তোলা যায়। প্রয়োজন শুধু সরকারী ও বেসরকারীভাবে উদ্যোগের।

বরগুনা ও পটুয়াখালী উপকূলের মানুষসহ সাগরে অবস্থানরত জেলেদের সাথে রেডিও সংযোগ স্থাপনে কাজ করছে এনএসএস নামের একটি স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক অ্যাড. শাহাবুদ্দিন পান্না জানিয়েছেন, সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সাথে মূল ভূখন্ডের যেমন নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা করা রয়েছে, তেমনি বঙ্গবন্ধু দ্বীপের সাথেও তালতলী বা কুয়াকাটার একটি নিরাপদ নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা করতে হবে। তবে সবার আগে প্রয়োজন সরকারীভাবে সরেজমিনে বিশদ অনুসন্ধান ও গবেষণা। বঙ্গবন্ধু দ্বীপ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করাসহ পর্যটনের অংশ করা গেলে কুয়াকাটা ও সোনাকাটার গুরুত্বও বেড়ে যাবে। 

21
ব্যাপক আলোচিত ও এক সময়ের সর্বাধিক বিক্রিত নকিয়া ব্র্যান্ডের নতুন মডেলের আরও একটি ফিচার ফোন বাজারে ছাড়তে যাচ্ছে ফিনল্যান্ডের নকিয়া ফোন বাজারজাতকারী ও প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এইচএমডি গ্লোবাল। এর আগে নকিয়ার বিলুপ্তপ্রায় ৩৩১০ মডেলের পুরনো ক্লাসিক ফোনটি প্রায় ১৭ বছর পর মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে নতুন মডেলে ফের বাজারে এসেছে। পুরনো এই ফোনটিকে নতুনরুপে দেখায় ফোনটিকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। তাতে নতুন করে আশা জোগাচ্ছে বাজারে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে ধীরে ধীরে পিছিয়ে যাওয়া এই প্রতিষ্ঠানটিকে।

চীনের টেনা নামের মোবাইল নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, খুব দ্রুতই টিএ-১০১৭ মডেলের নতুন এই ফিচার ফোনটি বাজারে আনবে এইচএমডি গ্লোবাল। ফোনটির নকশা দেখে প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটি সাধারণ ফিচার ফোন হবে। এই ফোনটিকে টেকসই ফোন হিসেবে বাজারে ছাড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে এইচএমডি। তবে ফোনটির দাম ও বাজারে আসার নির্দিষ্ট তারিখ এখনও জানা যায়নি।
 

22
বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত পৃথিবীকে ধ্বংসের কাছে নিয়ে যেতে পারে। জলবায়ুর পরিবর্তন এমনভাবে ঘটতে পারে যে পরিস্থিতি হবে অপরিবর্তনীয়। ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্ত পৃথিবীকে উত্তপ্ত গ্রহে পরিণত করবে বলে সতর্কও করে দিয়েছেন স্টিফেন হকিং।

স্টিফেন হকিংয়ের ৭৫ তম জন্মদিন পালন উপলক্ষে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিবিসির সঙ্গে আলাপ করেন তিনি। বিখ্যাত এই বিজ্ঞানী বলেন, ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্ত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। স্টিফেন হকিং বিবিসিকে বলেন, "আমরা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের এমন এক পর্যায়ে আছি যা আরেকটু বেশি হলে সেখান থেকে ফিরে আসা সম্ভব নয়। ট্রাম্পের এমন ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্ত পৃথিবীকে আরেকটি ভেনাসের রূপান্তরিত করতে পারে, যেখানে থাকবে দুইশো পঞ্চাশ ডিগ্রি তাপমাত্রা এবং সালফিউরিক এসিডের বৃষ্টিপাত।" জলবায়ু পরিবর্তনকে তিনি পৃথিবীতে বিদ্যমান 'সবচেয়ে বড় বিপদ' বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য তিনি পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলেন। তিনি বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের বড় বিপদগুলোর মধ্যে একটি এবং এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিলে আমরা ক্ষতি রোধ করতে পারি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রমাণ অস্বীকার করে এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বের হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প পরিবেশের ক্ষতি সাধনের মাধ্যমে আমাদের ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুন্দর পৃথিবীটাকে বিপজ্জনক করে তুলেছেন।"

এদিকে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আলোচকদের প্যানেল আইপিসিসিতে পৃথিবীতে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার ও এর সম্ভাব্য ঝুঁকি গুরুত্বের তুলে ধরা হয়েছে। আইপিসিসি লেখকদের মতে, "জলবায়ু পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট মাত্রাটি (অচলাবস্থান বা অপরিবর্তনীয় অবস্থার সর্বোচ্চ মান) নিশ্চিত করতে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কিন্তু পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমে বৃদ্ধি পেয়ে অচলাবস্থার দিকেই যাচ্ছে। যা মানুষ এবং প্রাকৃতিক কারণেই হচ্ছে।" আমরা কি কখনো আমাদের পরিবেশগত সমস্যা ও মানব সংঘাতের সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হতে পারবো? এমন প্রশ্নের উত্তরে স্টিফেন হকিং বলেন, "পৃথিবীতে আমাদের দিন হিসেবের। আমার মনে হয় বিবর্তন মানুষের মনের লোভ ও সহিংসতা জাগিয়ে তুলছে। মানব সংঘাত কমার কোনো লক্ষণ নেই। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রযুক্তির বিকাশ এবং মারাত্মক অস্ত্রগুলো মানুষের জন্য ধ্বংসাত্মক হতে পারে যেকোনো সময়। মানবজাতির বেঁচে থাকার সবচেয়ে ভালো উপায় হতে পারে মহাকাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে স্বাধীনভাবে উপনিবেশ স্থাপন।
 

23
Helpful  :)

24
ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হেনেছে। আবহাওয়ার পূর্বাবাসে গতকাল সোমবারও চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরগুলোতে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এদিকে ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘মোরা’ নিয়ে অনেকের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রীষ্মকালে প্রায়ই ঘূর্ণিঝড় হয়। কোথায় কখন কোন ঘূর্ণিঝড় হয়, তা নির্ধারণের জন্য ঝড়ের আগাম নামকরণ করা হয়। ১৯৪৫ সাল থেকে এ নামকরণ শুরু হয়। সাধারণত আঞ্চলিক পর্যায়ের নিয়ম অনুসরণ করে এসব ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়।

আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়টির ‘মোরা’ নামকরণ করা হয়েছে থাইল্যান্ডের প্রস্তাবের ভিত্তিতে। ‘মোরা’ থাই শব্দ, যার ইংরেজি অর্থ হলো ‘স্টার অব দ্য সি’। বাংলায় ‘সাগরের তারা’।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে থাইল্যান্ডে এসকাপ ও ডব্লিউএমওর ঘূর্ণিঝড় বিশেষজ্ঞ প্যানেলের বৈঠকে ছয়টি ঘূর্ণিঝড়ের নাম আগাম ঠিক করে রাখা হয়। প্রথম ঘূর্ণিঝড়টি গত ১৭ এপ্রিলে ভারত উপকূলে দুর্বল অবস্থায় আঘাত হানে। এর পরের ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয়েছিল মোরা। যা বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হেনেছে।

পর্যায়ক্রমে ঘূর্ণিঝড়গুলোর নাম রাখা হয়েছে- ওচি, সাগর, ম্যাকুনু ও ডায়ে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে ওডিশায় ঘূর্ণিঝড়ের পর ২০০০ সালে ওয়ার্ল্ড মেটিওরলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএমও) ও এসকাপ এক বৈঠকে উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে একমত হয়। এরপর ২০০৪ সালে প্রথম ‘অনিল’ ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়।

26
Genetic & Biotechnology / Re: Down syndrome
« on: May 18, 2017, 10:12:50 AM »
 ::)

27
Adult whale Lulu was one of UK’s last resident pod and had never produced a calf, probably because pollutants in her blubber had caused infertility.

One of the highest concentrations of toxic pollutants ever recorded in a marine mammal has been revealed in a Scottish killer whale that died in 2016.

The adult whale, known as Lulu, was a member of the UK’s last resident pod and a postmortem also showed she had never produced a calf. The pollutants, called PCBs, are known to cause infertility and these latest findings add to strong evidence that the pod is doomed to extinction.

The level of PCBs found in Lulu’s blubber were extreme at 950mg/kg, more than 100 times the 9mg/kg limit above which damage to the health of marine mammals is known to occur. A 2016 analysis showed the average concentration for killer whales in the north-east Atlantic was about 150mg/kg.


'Extraordinary' levels of pollutants found in 10km deep Mariana trench
 Read more
Lulu died after becoming tangled in ropes used to haul up creels, the netted cages used to catch lobsters and crabs. But Andrew Brownlow, head of the Scottish Marine Animal Stranding Scheme, said: “Given what is known about the toxic effects of PCBs, we have to consider that such a high-pollutant burden could have been affecting her health and reproductive fitness.”

Brownlow, also a veterinary pathologist at Scotland’s Rural College, said: “Lulu’s apparent infertility is an ominous finding – with no new animals being born, it is now looking increasingly likely that this small group will eventually go extinct. One of the factors in this groups apparent failure to reproduce could be their high burden of organic pollutants.”

The examination of Lulu found she was at least 20 years old, well above the age of sexual maturity, which ranges from six to 10 years old. However, analysis of the ovaries shows she never bore a calf. The entire pod may have been left barren, as no calf has ever been seen in the 23 years the group have been monitored.

PCBs were used for decades in electrical equipment but finally banned in the 1980s after the full toxic impacts on people and wildlife were revealed. PCBs, which cause cancers and suppress the immune system, are especially harmful to top predators because they accumulate in fat up the food chain. Killer whales can live for many decades, meaning they can end up with very high levels of PCBs.

 Tilikum and Granny are dead. Here’s why you should care about these killer whales
Patrick Barkham
Patrick Barkham  Read more
PCBs are extremely tough chemicals and do not break down in the environment. The decline in PCB levels in marine wildlife seen after the 1980s ban has now levelled off in some places, indicating that the toxic chemicals are still leaking into the oceans from inadequate waste storage sites.

“Once PCBs get into the marine environment, they are difficult if not impossible to remove,” said Brownlow. “There are still many PCB stockpiles in Europe, and it is absolutely essential that these toxic reserves do not reach the marine environment.”

Bottlenose dolphins in the north-east Atlantic have also shown both high PCB levels and low reproductive rates. Other PCBs hotspots around the world include the entire Mediterranean and the Black Sea, while specific populations suffering from PCB poisoning include belugas in Canada and polar bears across the Arctic.

In February, scientists discovered “extraordinary” amounts of PCBs had even reached the most remote and inaccessible place on the planet – the 10km deep Mariana trench in the Pacific Ocean.

28
আপনি কি জানেন লিকুইড পার্সোনালিটি কাকে বলে? আমিও জানতাম নাহ....যখন কোন মানুষ যে কোন মুহুর্তে যে কোন পরিবেশে যে কোন মানুষের সাথে খুব সুন্দরভাবে মিশে যেতে পারে তাদেরই বলা হয় লিকুইড পার্সোনালিটি সম্পন্ন মানুষ। দেখা গেলো আপনি অনেক বড় কেউ....কিন্তু আপনি এমন একটা জিনিস সম্পর্কে অজ্ঞ যেটা জানতে হলে আপনার চেয়ে এডুকেশন লেভেলে অনেক ছোট এমন একজন মানুষের কাছে আপনার ধরনা দিতে হবে। তখন যদি আপনি ইগো নিয়ে থাকেন......আপনার পার্সোনালিটি জনিত সমস্যা থেকে থাকে তাহলে আপনি কখনোই তার কাছ থেকে কোন কিছু শিখে নিতে পারবেন নাহ। যখন আপনি কোন কিছু শিখতে শুরু করবেন তখন আপনি পানির মত হয়ে যেতে থাকবেন.....পানিকে যেমন আপনি যেখানে ইচ্ছা সেখানে রাখতে পারেন এরকম হয়ে যেতে হবে আপনাকে। যখন আপনি শিখে গেলেন তখন আপনার আর পিছুটান থাকবে নাহ। তখন আপনার জায়গাটা অনেক বড় একটা জায়গায় চলে যাবে। আপনার ভেতরটা পরিপূর্ণ হবে...আর যদি আপনি পার্সোনালিটি নিয়ে থাকেন তাহলে আপনি জীবনে কিছু শিখতে পারবেন নাহ। আমি একটা উদাহরণ দেই সবসময়......যে গাছে ফল থাকে প্রচুর সে গাছ ফলের ভারে মাথা নত করে থাকে সবসময়......আর যে গাছে ফল থাকে নাহ সে গাছ সগৌরবে মাথা তুলে দাড়িয়ে থাকে.....কখনোই নিজেকে নিয়ে বড়াই না করে সব অবস্থার সাথে মানিয়ে চলবেন.....ঠান্ডা মাথায় সব কিছু নেবেন...দেখবেন আপনি অনেক বড় কিছু করতে পারবেন। আপনার দ্বারাই অনেক কিছু বড় করা সম্ভব।

Pages: 1 [2] 3 4 ... 9