Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - sanjida.dhaka

Pages: [1] 2 3 ... 12
1



ভেষজ গুণে গুণান্বিত তুলসী গাছ। আর এইজন্য তুলসী পাতাকে ভেষজের রানিও বলা হয়। প্রতিদিন তুলসীপাতা খাওয়ার করার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সহজলভ্য এই পাতাটি মাথাব্যথা থেকে শুরু করে ক্যানসারের মত রোগও প্রতিরোধ করে থাকে। প্রতিদিন একটি তুলসী পাতা দূরে রাখবে ৭ টি অসুখ থেকে। জেনে নিতে পারেন তুলসীপাতার গুনাগুণ।

১। মাথাব্যথা দূর করতে: মাথাব্যাথা খুব পরিচিত একটা রোগ। এটি যে কোন সময় যে কারও হতে পারে। এই ব্যাথা অল্প থেকে শুরু হলেও তীব্র হতে বেশি সময় লাগে না। তুলসীপাতা এই মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। এতে রয়েছে শক্তিশালী প্রাকৃতিক গুণাগুণ যা মাথাব্যাথা দূর করে থাকে। এমনকি মাইগ্রেন, সাইনাসের কারণে মাথাব্যথাও দূর হতে পারে কেবল প্রতিদিন একটি তুলসীপাতা খেলে।

২। ইনফেকশন বা সংক্রমণের চিকিৎসায়: দেহের ইনফেকশন দূর করে থাকে তুলসী পাতা। এতে ফাংজিসাইডাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা দেহের অভ্যন্তরীন ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে।

৩। কিডনির পাথর দূর করতে: তুলসীপাতা কিডনির পাথর সারাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে তুলসীপাতা খেলে এটি প্রাকৃতিকভাবে কিডনির পাথর দূর করে দিবে।

৪। ডায়াবেটিস রোধ করতে: তুলসী পাতাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, মিথাইল, ইউজিনল উপাদান আছে। এটি রক্তের সুগারের পরিমাণ কমিয়ে থাকে। আবার শরীরে প্রয়োজনীয় ইন্সুলিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে থাকে। যা ডায়াবেটিস রোধ করতে সাহায্য করে।

৫। কাশি দূর করতে: এটা সবাই জানে তুলসী পাতার রস কাশি দূর করে থাকে। সকালে এক গ্লাস জলের সঙ্গে তুলসীপাতা খেলেই কেল্লাফতে। এতে অ্যান্টিটুসিভ উপাদান যা কফ দূর করতে সাহায্য করবে। এক্সপেকটোরেন্ট উপাদান বুকের শ্লেষ্মাকে বের করে দেবে।

৬। ক্যানসার প্রতিরোধে: তুলসী পাতাতে অ্যান্টি অক্সিডেণ্ট উপাদান আছে৷ যা স্তন ক্যানসার এবং ওরাল ক্যানসার প্রতিরোধ করে। তুলসীপাতার রস রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে যা টিউমার হওয়া প্রতিরোধ করে থাকে।

৭। ফুসফুসের জন্য: তুলসীপাতার মধ্যে পলিফেনল উপাদান আছে৷ যা রক্তাধিক্যজনিত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। যা ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।




https://24newsbangla.com/sobujislam/11475/%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A7%AD%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%B0/



2




ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়ের অসুখ, পেশিতে ব্যথা, হাই প্রেশার হরমোনের সমস্যায় ভোগার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও কোমরে ব্যথা, সারাদিন ক্লান্তি বোধ এগুলিও লেগেই থাকে। ভিটামিন ডি সূর্যের আলো থেকে পাওয়া যায়।কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, ৫টি খাবার খেলেও ভিটামিন ডি দেহে তৈরি হয়।

শরীরে ভিটামিনের মাত্রা ঠিক না থাকলে সহজে রোগ বাসা বাঁধে। রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে যায় ভিটামিনের অভাবেই। সমস্ত ভিটামিনই খুব জরুরু। তার মধ্যে ভিটামিন ডি অন্যতম।

ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়ের অসুখ, পেশিতে ব্যথা, হাই প্রেশার হরমোনের সমস্যায় ভোগার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও কোমরে ব্যথা, সারাদিন ক্লান্তি বোধ এগুলিও লেগেই থাকে। ভিটামিন ডি সূর্যের আলো থেকে পাওয়া যায়।কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, ৫টি খাবার খেলেও ভিটামিন ডি দেহে তৈরি হয়।

    চিজ— ভিটামিন ডি শরীরের তৈরি করতে গেলে চিজ খান। এছাড়াও চিজ খেলে শরীরে ক্যালশিয়ামের মাত্রা বাড়ে।
    মাশরুম— খাওয়ার আগে অবশ্যই মাশরুম ভাল করে ধুয়ে রান্না করবেন। অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
    তেলযুক্ত মাছ বা সামুদ্রিক মাছ— মাছের তেলে ভিটামিন ডি থাকে। তাই যথেষ্ট পরিমাণে সামুদ্রিক মাছ খান।
    ডিমের কুসুম— ডিমেপ কুসুমেও ভিটামিন ডি থাকে।
    দুধ— গরুর দুধ ছাড়াও সয়া মিল্কেও ভিটামিন ডি থাকে।

তবে শরীরে আরও রোগ বাসা বেঁধে থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।




https://24newsbangla.com/sobujislam/11444/%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%A1%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC-%E0%A6%9A/


3



বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে স্মার্টফোন ইন্টারনেটের খরচ কমানো যায়। নিচে তেমনই কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো : 

ডেটা রেসট্রিকশন : অনেকেই জানেন না যে স্মার্টফোনটি যখন ব্যবহার করছেন না কিন্তু ডেটা অন করে রেখেছেন তখনও আপনার ডেটা খরচ হচ্ছে! হ্যাঁ ঠিক তাই। আপানার অ্যানড্রয়েড ফোনটির বেশির ভাগ অ্যাপস ই সার্ভিস সচল রাখার জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা ব্যবহার করে। যেমন হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, প্লে-স্টোর, গুগল অ্যাপস, মেসেঞ্জার ইত্যাদি। এই অ্যাপসগুলো আপনি অন্য কাজ করার সময়ও অকারণে ডেটা কাটতে থাকে। এর থেকে বাঁচতে আপনার সেটিংস অপশনে গিয়ে ডেটা ইউজেস>তারপর রেস্টিক্ট ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা অপশনে টিক দিয়ে দিন। আপনার নোটিফিকেশন বারে একটি বিস্ময়সূচক চিহ্ন দেখাবে। এর মানে অ্যাপগুলি আর ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা চুরি করতে পারবে না।

শুধু প্রয়োজনীয় অ্যাপস চালু রাখুন : যেহেতু স্মার্টফোন ইউজ করেন সেহেতু নিশ্চয়ই ইন্টারনেটভিত্তিক কোনো একটি বা একাধিক ইনস্টেন্ট মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন। এর মাঝে এমন একটি অ্যাপ থাকতে পারে যেটিকে সব সময় চালু রাখা দরকার। যদি ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা বন্ধ করে রাখেন তবে সবগুলি অ্যাপ একত্রে ব্যাকগ্রাউন্ডে বন্ধ হয়ে থাকবে। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে সেটিংস>ডেটা ইউজেস এ গিয়ে দেখতে পাবেন সবগুলি অ্যাপ দেখাচ্ছে। কোন অ্যাপ কি পরিমাণ ডেটা খরচ করছে সেটাও আপনি দেখতে পারবেন। এখন একটু সময় নিয়ে অ্যাপসগুলোতে ক্লিক করে ভেতরে প্রবেশ করুন এবং যে অ্যাপগুলো আপনার চালু রাখা দরকার সেগুলো বাদ দিয়ে বাকিগুলো রেস্টিক্টেড করে দিন।

ডেটা সেভিংস অ্যাপ ব্যবহার : কিছু কিছু অ্যাপস আছে যেগুলো অনেক লো ডেটা খরচ করে আপনাকে ব্রাউজিংয়ের সুযোগ দেয়। যেমন অপেরা মিনি, অপেরা নিউ, ইউসি ব্রাউজার–এ ডেটা সেভিংস মুড আছে। এই মুড ব্যবহার করে আপনি ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ব্রাউজিং খরচ বাঁচাতে পারেন। ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং এর ক্ষেত্রে সঠিক অ্যাপ নির্বাচন করুন। যেমন ভয়েস কলিংয়ের ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ–এ ডেটা খরচ খুবই কম হয়। তাই দেখেশুনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।

সিকিউরিটি অ্যাপ ব্যবহার : বিভিন্ন সিকিউরিটি অ্যাপস ব্যবহার করেও আপনি ডেটা খরচ কমাতে পারেন। এই অ্যাপগুলোর দ্বারা আপনি জানতে পারবেন কোন অ্যাপগুলি আপনার ডেটা চুরি করছে। সেটিংসের মাধ্যামে আপনার পারমিশন ছাড়া সেগুলো ডেটা ব্যাবহার করতে পারবে না। প্লে-স্টোরে সি এম সিকিউরিটি, ৩৬০ সিকিউরিটি ইত্যাদি বিভিন্ন অ্যাপ আছে। এই অ্যাপগুলোর দ্বারা ডেটা প্রটেকশন ছাড়াও ভাইরাস, হ্যাকিং থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।

ডেটা সেটিংস : আপনার ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সেটিংস রয়েছে যেগুলিকে ব্যবহার করা জরুরি। যেমন আপনার স্মার্টফোনটিকে ওয়াইফাই্ হটস্পট হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ওয়াইফাই-ভিত্তিক কিছু অ্যাপস যেমন শেয়ার ইট ব্যবহারের সময় আপনার অজান্তেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনেকসময় হটস্পট চালু হয়ে যায়। এর ফলে আপনার অজান্তে অন্য কেউ আপনার ডেটা ব্যবহারের সুযোগ পাবে। এমনকি ওয়াইফাই নেটোওয়ার্ক ব্যবহার করে আপনার স্মার্টফোনটি হ্যাক হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সবকিছু চেক করুন। হটস্পটে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। এবং অবশ্যই প্রয়োজন না থাকলে ব্যবহার শেষে আপনার ডেটা কানেকশন বন্ধ রাখুন।





http://www.bd-pratidin.com/tech-world/2018/06/11/337211


4
Fashion / Re: নখের সমস্যায় করণীয়
« on: June 11, 2018, 01:34:22 PM »
good post

5
helpful post

6
informative post

7
thanks for sharing

8
nice post

9



চুলে হালকা পাক ধরেছে? কিন্তু বয়সটা তো এখনও চুল পাকার মতো হয়নি! তা হলে উপায়? এখন তো নানা ধরনের হেয়ার কালার পাওয়া যায়। প্রয়োজনে ব্যবহার করতেই পারেন।

যারা হেয়ার কালার ব্যবহার করত চান না, তাদের কি পাকা চুল নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে বাকি জীবনটা! একেবারেই নয়। বাড়িতেই তৈরি করে নিন এক মিশ্রণ, যা নিয়মিত পান করলে পেতে পারেন উপকার। খবর এবেলা ।

সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক খবর অনুযায়ী, এই ‘মিরাকেল ড্রিঙ্ক’ দিনে তিন থেকে চার বার এক চা চামচ করে খাওয়ার আগে খেতে হবে, মাস তিনেকের জন্য। তা হলেই নাকি কেল্লা ফতে।

প্রতিবেদনেই বলা হয়েছে, কী ভাবে তৈরি করতে হবে চুল কালো রাখার সেই ‘মিরাকেল ড্রিঙ্ক’—

উপকরণঃ

৫টি পাতিলেবু , ৫টি রসুন কোয়া (ছাড়ানো), ১ কাপ মধু, ১ কাপ ফ্ল্যাক্স সিডের তেল।

পদ্ধতি
সব কিছু এক সঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে দিন। লেবুর ছাল না ছাড়ালেও অসুবিধা নেই। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে তা একটি কাচের জারে ঢেলে রাখুন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যারা এই মিশ্রণ ব্যবহার করেছেন, তারা উপকার পেয়েছেন। তাদের মতে, শুধু কালো চুলই নয়, মিশ্রণ খাওয়ার ফলে তাদের দৃষ্টিশক্তিও ভাল হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।





https://24newsbangla.com/m-islam/10745/%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A7%81/

10
good post

11
informative...

Pages: [1] 2 3 ... 12