Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - sanjida.dhaka

Pages: [1] 2 3 ... 6
1



বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মজে আছেন। সঙ্গে হয়তো গরম কিছু খাচ্ছিলেন, কিন্তু হঠাৎ করেই অসাবধানবশত গরমে জিহ্বা পুড়ে গেলো। আবার হয়তো গরম খাবার খাওয়ার সময় অনেকের সতর্কতাবশত জিহ্বা পুড়ে যায়। শুরু হয় জিহ্বায় প্রচুর জ্বালাপোড়া। এর জন্য রয়েছে কিছু ঘরোয়া টিপস। আসুন জেনে নিই জিহ্বা জ্বালাপোড়ায় থেকে স্বস্তি পেতে ঘরোয়া পদ্ধতি-

বরফ: পুড়ে যাওয়া জিহ্বা জ্বালাপোড়া কমাতে বরফের টুকরো লাগানো যেতে পারে। এ ছাড়া মুখের মধ্যে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে কয়েকবার কুলিকুচি করা যেতে পারে। এতে জ্বালাপোড়া কমবে। আপনি মুখে আরাম বোধ করবেন।
মধু: মধুতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও প্রদাহরোধী উপাদান, যা জ্বালাপোড়া ভাব ও প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি এটি পরবর্তী সময়ে মুখে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি প্রতিহত করবে।
দই: পুড়ে যাওয়া জিহ্বার জ্বালাপোড়া কমাতে মধু বেশ উপকারী।এ সময় ঠাণ্ডা জিনিস খাবেন। এটি দ্রুত শীতলতা প্রদান করে।
ঠাণ্ডা পানি মুখে দিয়ে কুলি: জিহ্বার জ্বালাপোড়া কমাতে ঠাণ্ডা পানি মুখে নিয়ে কুলি করুন। এটি কয়েকবার করতে হবে। দেখবেন আরাম পাবেন।
অ্যালোভেরা: এই উদ্ভিতটি ব্যথা কমাবে এবং জিহ্বার ভেতরে একটি ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা ভাব আনবে। অ্যালোভেরা জেল মুখের মধ্যে ২৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। দিনে কয়েকবার এটি করা যেতে পারে।





https://24newsbangla.com/sobujislam/22891/%E0%A6%B9%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A7%8E-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A7%9C%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%95/


2



আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠালের বিচি বা বীজ খেলে কী হতে পারে? গবেষণা বলছে, কাঁঠালের বিচি খেলে শরীরের কোনও ক্ষতি তো হয়ই না, উল্টে অনেক উপকার হয়। কাঁঠালের বিচিতে রয়েছে থিয়ামিন, রাইবোফ্লেবিন নামে দুটি উপাদান, যা দেহে এনার্জির ঘাটতি দূর করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, এই প্রকৃতিক উপাদানে জিঙ্ক, আয়রন, ক্যালসিয়াম, কপার, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম ত্বককে সুন্দর করে তোলার পাশাপাশি একাধিক রোগকে দূরে রেখে শরীরকে সার্বিকভাবে চাঙ্গা করে তুলতেও সাহায্য করে।

জেনে নিন বিস্তারিত …

কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমায় : কাঁঠালের বিচির ফাইবার শরীরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে কোষ্ঠ্যকাটিন্যের মতো রোগের প্রকোপ কমে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে কোলোনের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

প্রোটিনের ঘাটতি মেটে : নিয়মিত মাছ-মাংস খাওয়ার সুযোগ হয় না নাকি? দেহে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে নিয়মিত কাঁটালের বীজ খাওয়া শুরু করতে পারেন। কাঁঠালের বীজে যে পরিমাণে প্রোটিন থাকে, তা দেহের দৈনিক চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট।

সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে : বর্ষাকালে নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে কাঁঠালের বীজ আপনাকে দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে। এতে একাধিক অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এলিমেন্ট জীবাণুদের দূরে রাখার মধ্যে দিয়ে নানাবিধ ফুড-বন এবং ওয়াটার বন ডিজিজের প্রতিরোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় : পরিমাণ মতো কাঁঠালের বীজ নিয়ে প্রথমে কিছুটা সময় রোদে শুকিয়ে নিন। তারপর সেগুলি বেটে নিয়ে চটজলটি গুঁড়ো করে ফেলুন। এই গুঁড়ো পাউডারটি খেলে নিমেষে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা কমে যায়। সেই সঙ্গে কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা কমাতেও সাহায্য করে। এতে ডায়াটারি ফাইবার এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

স্ট্রেসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : অফিসে কাজের চাপ এমন বেড়েছে যে মাথা থেকে ধোঁয়া বেরতে শুরু করেছে? হাতের কাছে কাঁঠালের বীজ আছে কি? যদি না থাকে, তাহলে এক্ষুণি কিনে এনে খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন নিমেষে মানসিক চাপ কমে যাবে। কাঁঠালের বীজে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন এবং অন্যান্য উপকারি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস, যা মস্তিষ্কের কেমিকেল ব্যালেন্স ঠিক রাখার মধ্যে দিয়ে স্ট্রেস কমাতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে : কাঁঠালের বীজে ভিটামিন এ, দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি একাধিক চোখ সম্পর্কিত সমস্যাকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই বুড়ো বয়সে যদি চশমা ব্য়বহার করতে না চান, তাহলে আজ থেকেই কাঁঠালের বীজকে সঙ্গে রাখতে শুরু করুন।

ত্বকের বয়স কমে : খাতায় কলমে বয়স বাড়ালেও ত্বককে যদি আজীবন তরতাজা এবং সুন্দর রাখতে চান, তাহলে আজ থেকেই ব্যবহার শুরু করুন কাঁঠালের বীজের। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো বীজ নিয়ে প্রথমে গুঁড়ো করে নিন। তারপর সেটি অল্প পরিমাণ দুধের সঙ্গে মিশে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি প্রতিদিন মুখে লাগালে দারুন উপকার পাওয়া যায়। আর যদি হাতের কাছে মধু থেকে থাকে, তাহলে সেটিও এই পেস্টটি বানানোর সময় কাজে লাগাতে পারেন। দেখা গেছে পেস্টটির সঙ্গে মধু যোগ করলে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য আরও বৃদ্ধি পায়।

অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমে : কাঁঠালের বীজে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, যা খুব অল্প দিনেই রক্তাল্পতার মতো সমস্যা দূর করতে দারুণভাবে সাহায্য করে থাকে। আর কাঁঠালের বীজের দামও এমন কিছু নয়। বোল্ডস্কাই অবলম্বনে






https://24newsbangla.com/m-islam/16943/%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/




3





ত্বকের যত্নে লবণ- চিনি
স্বাদে নোনতা হলেও প্রতিটি খাবারের স্বাদ ঠিক রাখতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সঠিক মাত্রায় লবণ দেওয়া। আর চিনি শব্দটাই কেমন মিষ্টি-মিষ্টি, স্বাদটাও তাই।

স্বাদে বিপরীত হলেও মজার বিষয় হচ্ছে ত্বকের যত্নে দুটোই একই কাজ করে।

কীভাবে?
লবণ
ত্বক পরিষ্কার
‍বাড়ি ফিরে ত্বক পরিষ্কার করতে ১ টেবিল চামচ লবণ ও সমপরিমাণ পানি মিশিয়ে নিন। এবার এই পানি ত্বকে মেখে সঙ্গে সঙ্গেই পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

মরা কোষ
এক টেবিল চামচ লবণ ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে ত্বকে মাত্র ২ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এতে ত্বকের মরা কোষ দূর হবে।
ত্বক উজ্জ্বল, মসৃণ রাখতে ও বলিরেখা দূর করতেও লবণ ব্যবহার করতে পারেন।

এবার চিনির ব্যবহার জেনে নিন

ত্বক উজ্জ্বল ও ত্বকের মরা কোষ দূর করতে চিনির স্ক্রাবার উপকারী। ব্লাকহেডস দূর করতে, ত্বকের ব্রণ সারাতেও কার্যকর এটি। ১ চা চামচ চিনি ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। সপ্তাহে দু্ই দিন ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন হালকা করে, এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। যাদের লেবুর রসে ত্বকে অ্যালার্জি হয়, তারা চিনির সঙ্গে অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।

নিয়মিত লবণ-চিনির ব্যবহারেই খুব অল্প সময়েই পান কাঙ্ক্ষিত সুন্দর ত্বক।




http://www.banglanews24.com/lifestyle/news/bd/661794.details


4



স্বাস্থ্য রক্ষায় বা ওজন কমাতেই অনেকেই সকাল সকাল পাকা লেবুর রসের সাথে হালকা গরম পানি মিশিয়ে পান করে থাকেন। সকাল সকাল লেবু পানি পান করা যে ভালো, এটা অনেকেই জানেন। কিন্তু জানেন কি, আসলে কেন ভালো? যদি নিয়মিত রোজ সকালে এক কাপ লেবু পানি পান করেন, আপনাদের দেহ পাবে ২০টি জাদুকরী উপকারিতা। চলুন, জেনে নিই বিস্তারিত।

1.লেমন, অর্থাৎ পাকা লেবুতে থাকে ইলেকট্রোলাইটস ( যেমন পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি)। সকাল সকাল লেবু পানি আপনাকে হাইড্রেট করে, শরীরে যোগান দেয় এইসব প্রয়োজনীয়      উপাদানের।
2. হাড় জয়েনট ও মাসল পেইন কমায় দ্রুত।
3. লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড। সকাল সকাল উষ্ণ পানির সাথে পান করলে সেটা আপনার হজমতন্ত্রকে উন্নত করে সমস্যা রাখে দূরে।
4.অন্য যে কোন খাবারের চাইতে লেবু পানির ব্যবহারে লিভার অনেক বেশী দেহের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম তৈরি করতে পারে।
5.লেবু পানি টক্সিক উপাদান দূর করে লিভারকে পরিষ্কার রাখে।
6.পেট পরিষ্কার ও ভালো টয়লেট হতে সহায়তা করে।
7.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
8.আপনার নার্ভাস সিস্টেমে দারুণ কাজ করে। সকাল সকাল লেবুর পটাশিয়াম আপনার বিষণ্ণতা ও উৎকণ্ঠা দূর করতে সহায়ক।
9. লেবু পানি শরীরের রক্তবাহী ধমনী ও শিরাগুলোকে পরিষ্কার রাখে।
10.উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে।
11.শরীরের পি এইচ লেভেল উন্নত করে। পি এইচ লেভেল যত উন্নত, শরীর রোগের সাথে লড়াই করতে তত সক্ষম।
12.ইউরিক এসিড সমস্যা দূর করতে সহায়ক।
13.আপনার ত্বককে কর তোলে সুন্দর ও পরিষ্কার।
14.বুক জ্বলা পড়া দূর করে। যাদের এই সমস্যা আছে রোজ আধা কাপ পানির মাঝে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।
15.কিডনী ও প্যানক্রিয়াসের পাথর দূর করতে অসাধারণ কার্যকর।
16.ওজন দ্রুত কমাতে সহায়তা করে। লেবুতে থাকে পেকটিন ফাইবার যা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে।
17.গর্ভবতী নারীদের জন্য খুবই ভালো লেবু পানি। এটা শুধু নারীর শরীরই ভালো রাখে না। বরং গর্ভের শিশুর অনেক বেশী উপকার করে। লেবুর ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম শিশুর হাড়, মস্তিষ্ক ও দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে। মাকেও গরভকালে রোগ বালাই থেকে দূরে থাকে।
18দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। দাঁত ব্যথা কমায়।
19.ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
20.মেটাবলিজম বা হজমশক্তি বাড়ায়। এতে ওজন কমাতেও প্রভাব পড়ে।

কীভাবে পান করবেন?: সকালে খালি পেতে এক গ্লাস লেমন বা পাকা লেবুর রস মেশানো উষ্ণ পানি পান করুন। চাইলে সাথে যোগ করতে পারেন মধু। বড় লেবু হলে ১/২টি ও ছোট হলে একটি লেবুর রস মিশিয়ে নিন।



https://24newsbangla.com/sobujislam/16734/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%81-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF/

5


রান্নার তেল পরিশুদ্ধ করার ঘরোয়া পদ্ধতি
তেলে ভাঁজার পর তেলে তলানীতে অনেক সময় পোড়া অংশ পড়ে আবার অনেক সময় তেল কালচে হয়ে যায়। এই তেল সাধারণত আমরা ফেলে দেই। তবে একটু বুদ্ধি খাটালেই এই তেল আবার পরিশুদ্ধ করে ব্যবহার করতে পারবেন।
তেল ফিল্টার করতে হলে একটি পাত্রে তেল নিয়ে তা চুলার উপর বসিয়ে দিন। তারপর চুলা অন করে তাপ দেবেন। তেলটা গরম করতে হবে। মনে রাখতে হবে তেলের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস হতে হবে। এটা বুঝতে হলে তেলে একটি কাঠি দিয়ে দিন, বুদবুদ ওঠা শুরু করলে বুঝবেন তেল যথেষ্ট গরম হয়ে গিয়েছে। যথেষ্ট গরম হলে পাত্রটি চুলা থেকে নামিয়ে নিন।
তাপ দিলে তেলের ঘনত্ব কমে যায় তাই ফিল্টার করতে সুবিধা হয়। এই কারনেই তেলটা গরম করা হলো।
এবারে একটি বড় পাত্র নিয়ে নিন, এবং এর উপরে একটি বড় স্টিলের ছাকনি নিয়ে নিন। ছাকনির উপরে কিচেন টিস্যু দিয়ে দিন এক পরত। এই ছাকনি ও টিস্যু তেলের সাথে থাকে উচ্ছিষ্ট অংশ গুলো ফিল্টার করবে। মনে রাখবেন তেল যথেষ্ট গরম হলে দ্রুত ফিল্টার হয়ে যাবে। আর তেল ঠান্ডা হলে অনেক সময় লাগবে তেল ফিল্টার হতে। এবার ধীরে ধীরে তেলটা ঢালুন ছাকনির উপরে। প্রথমে দ্রুত পড়লেও ধীরে ধীরে তেল পড়ার গতি কমে যাবে। তাই ধর্য্য ধরে তেলটা ঢালতে থাকুন। দরকার হলে পুরো তেলটা ঢেলে ১ঘন্টা রেখে দিন। দেখবেন আস্তে আস্তে সকল তেল ফিল্টার হয়ে গিয়েছে।
তবে মনে রাখবেন যে তেল মাংস ভাঁজার কাজে ব্যবহার করেছেন সেই তেল, মাংস রান্না বা ফ্রেঞ্জ ফ্রাই ভাঁজার কাজে ব্যবহার করবেন। অন্য খাবারে ব্যবহার করলে চিকের স্বাদ চলে আসবে।






6



নতুন জুতো, ব্যাগ বা প্লাস্টিকের বোতলের ভেতর জিনিসটি অনেকেই দেখতে পান। ওপর থেকে স্পর্শ করলে মনে হতে পারে ভিতরে বুঝি লবন জাতীয় কিছু আছে। এর গায়ে লেখা থাকে সতর্কবার্তা। যেমন-খেয়ে ফেলবেন না, কিংবা শিশুদের থেকে দূরে রাখুন। 

যদি  থলিটি খুলে দেখেন, তাহলে দেখতে পাবেন ভেতরে রয়েছে কিছুটা স্বচ্ছ ছোট ছোট সাদা দানা, একে বলা হয় সিলিকা জেল। এই সিলিকা জেলের কাজ হল আর্দ্রতা শুষে নিয়ে নিজের মধ্যে ধারণ করে রাখা। এই ব্যাগটা ফেলা ঠিক না কারণ এই সিলিকা জেলের ব্যাগ কিন্তু নানা কাজে লাগতে পারে।  আমাদের আজিকের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো তেমন কিছু কাজের কথা-


১। পানি থেকে মোবাইল ফোন বাঁচাতে-

মোবাইল ফোন পানিতে পড়ে গেলে বা পানি লেগে গেলে প্রথমে মোবাইল ফোন থেকে সিমটি বের করে নিন। তারপর একটি বায়ুরোধী বাটিতে বেশকিছু সিলিকা জেল রাখুন। এর মধ্যে মোবাইল ফোনটি কয়েক দিন রেখে দিন। সিলিকা ব্যাগ মোবাইলের সব পানি শুষে নেবে। আর ফোনটিও নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।

২। কাগজ সংরক্ষণ-

কয়েকটি সিলিকা জেলের প্যাকেট কাগজপত্র রাখার স্থানে রেখে দিন। পোকামাকড় ও ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে সিলিকা ব্যাগ কাগজপত্রকে রক্ষা করবে।

৩।  ছবি সংরক্ষণ-

পুরনো ছবি অনেক সময় ফাংগাশ পড়ে স্যাঁতসেঁতে হয়ে যায়। ছবিগুলোর মধ্যে সিলিকা ব্যাগ রেখে দিন। দেখবেন ছবিগুলো আর স্যাঁতসেঁতে হবে না।

৪। কাপড় শুকনো রাখতে-

শীত শেষে শীতের কাপড় আলমারিতে তুলে রাখতে হয় পরের বছরের জন্য। যখন বের করা হয় তখন কাপড়ে এক ধরনের গন্ধ বের হয়। তাই শীতের কাপড় সংরক্ষণের সময় দুই থেকে তিনটি সিলিকা ব্যাগ রেখে দিন কাপড়ের ভাঁজে ভাঁজে। কাপড়ে কোনো গন্ধ থাকবে না।

৫। গহনার মান ধরে রাখতে-

বিভিন্ন ধরনের গহনা কিছুদিন ফেলে রাখলেই জৌলুস হারায়। তবে আপনি যদি এগুলো আবদ্ধ পাত্রে সিলিকা জেল দিয়ে রাখেন তাহলে দীর্ঘদিন ভালো থাকবে।



http://www.bd-pratidin.com/life/2018/06/24/340138



7



বিশ্বের প্রায় ২ কোটি মানুষ প্রতি বছর ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। বিশ্বের একাধিক গবেষণা এবং পরিসংখ্যানের রিপোর্ট অনুযায়ী, গোছলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে।

চিকিৎসকেরা বলছেন, গোসল করার সময় বেশ কিছু বিষয় আমাদের প্রত্যেককেই মাথায় রাখার প্রয়োজন। কারণ সঠিক নিয়ম মেনে গোসল না করলে হতে পারে মৃত্যুও। গোছলের সঠিক নিয়ম সম্পর্কে আসুন জেনে নেওয়া যাক আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে-

গোসল করার সময় প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজানো একদম উচিৎ নয়। কারণ, মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হয়ে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে খানিকটা সময় লাগে।

চিকিৎসকদের মতে, প্রথমেই মাথায় পানি ঢালেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই রক্ত সঞ্চালনের গতি বহুগুণ বেড়ে যায়। বেড়ে যায় স্ট্রোকের ঝুঁকিও। তাছাড়া মাত্রাতিরিক্ত রক্তচাপের ফলে মস্তিষ্কের ধমনী ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

প্রথমে পায়ের পাতা থেকে আস্তে আস্তে ওপর দিকে কাঁধ পর্যন্ত ভেজাতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে মুখ ভিজিয়ে তবেই মাথায় পানি দেওয়া উচিৎ। যাদের উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টরাল বা মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে আছে, তাদের অবশ্যই এই পদ্ধতি মেনে চলা উচিৎ।




http://www.bd-pratidin.com/life/2018/06/25/340190


8


অনেকসময় মাছ কিংবা সবজি কাটতে গিয়ে হাত কেটে যায়। এতে প্রচুর রক্ত বের হতে পারে যা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে থাকে। এমন সময় দ্রুত রক্তপাত বন্ধের প্রয়োজন পড়ে। তাই জেনে নিন সহজে ও ঘরোয়া উপায়ে রক্তপাত বন্ধের উপায়।

কফি পাউডার:
কফির গুঁড়ো রক্তপাত বন্ধ করতে বেশ কার্যকর। যে স্থানে রক্ত পড়ছে সেখানে খানিকটা কফির গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যে রক্তপাত বন্ধ হয়ে গেছে।

বরফ:
রক্তপাত বন্ধের সহজলভ্য একটি উপায় হল বরফ। কেটে যাওয়া স্থানে কয়েকটি বা একটি বরফের টুকরো চেপে ধরে রাখুন। কিছুক্ষণ পরেই দেখতে পাবেন রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেছে।

লবণ পানি:
লবণ পানি ভাল প্রাকৃতিক প্রতিষেধক । কিছু পানির মধ্যেএক চিমটি লবণ দিয়ে দিন। এবার কাঁটা হাতটি পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। প্রথমে একটু জ্বালাপোড়া করবে। কিন্তু কিছুক্ষণ পর রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে।

হলুদের গুঁড়ো:
হলুদ গুঁড়ো দিয়ে খুব সহজে রক্ত বন্ধ করা যায়। হলুদ হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। কাটা স্থানে কিছু পরিমাণ হলুদের গুঁড়ো লাগিয়ে নিন। দেখবেন রক্তপাত বন্ধ হয়ে গেছে।

টি ব্যাগ:
হাত বা পা কেটে গেলে সেই জায়গায় ব্যবহৃত টি ব্যাগ অথবা নতুন টি ব্যাগ ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণের মধ্যে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে।




9



আজকাল অনেকেই লিভারে চর্বি (ফ্যাটি লিভারে) রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। লিভারের এই রোগটি প্রাণ সংশয়ের কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিপাকপ্রক্রিয়ার অসামঞ্জস্য এবং ইনসুলিন অকার্যকারিতার জন্য লিভারের কোষগুলোতে অস্বাভাবিক চর্বি, বিশেষ করে ট্রাইগ্লিসারাইড জমে। এতে লিভারের ওজন হিসেবে ৫ থেকে ১০ শতাংশ চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে জীবনাচরণ ও খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব রয়েছে এ সমস্যার মূলে। অ্যালকোহল সেবনকারী এবং স্থূল ব্যক্তিদের মধ্যে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৭৫ শতাংশ। নারী-পুরুষ উভয়ই এতে আক্রান্ত হতে পারেন।

যখন এই চর্বিযুক্ত সেলগুলো লিভার টিসুদের বাধা দেয়, তখনই লিভার ধীরে ধীরে কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এমন কী এই ধরনের পরিস্থিত তৈরি হলে কোনও কোনও ক্ষেত্রে লিভার ফুলতেও শুরু করে। লিভারে মেদ জমা যদি ঠিক সময়ে আটকানো না যায় তাহলে তা থেকে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

লিভারে চর্বি জমার ঝুঁকি ও কারণগুলোকে কেবল প্রতিরোধের মাধ্যমেই প্রতিকার সম্ভব। কেননা রোগটির কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তবে আশাহত হবেন না। ঠিক সময়ে যদি চিকিৎসা শুরু করা যায় তাহলে লিভারের রোগ থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠা যায়।
তবে এমন কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা আছে যা অনুসরণ করলে লিভারের চর্বি গলে এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব।

লেবুর রস:
প্রতিদিন লেবু রস পানের অভ্যাস করুন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন- সি থাকে যা লিভারকে দূষণমুক্ত করতে সাহায্য করে।

গ্রিন-টি:
প্রতিদিন সকালে ও বিকালে এক কাপ করে গ্রিন-টি পান করুন। এটি লিভার ফাংশন ঠিক করতে সাহায়তা করে।

অ্যাপেল সিডার ভিনিগার:
এক কাপ গরম জলে কেয়েক ফোঁটা অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে প্রতিদিন খাবার আগে পান করুন। কয়েক মাস এটা খেলেই দেখবেন লিভারে জমে থাকা চর্বি সব গায়েব হয়ে গেছে।

আদা জল:
এক চা চামচ আদা গরম জলে মিশিয়ে দিনে দুবার পান করুন। এই পানীয় টানা ১৫ দিন খেলেই দেখবেন অনেক সুস্থ বোধ করছেন। কারণ এটি লিভারে চর্বি জমার প্রক্রিয়াটি প্রায় বন্ধ করে দেয়। ফলে লিভার আস্তে আস্তে ঠিক হতে শুরু করে।

আমলার রস:
আমলায় ভিটামিন-সি থাকায় এটি লিভারকে দূষণমুক্ত করে। তাই লিভারের অসুখে আক্রান্ত রোগী যদি টানা ২৫ দিন এই রস এক চামচ করে সকালে খান তাহলে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।




https://24newsbangla.com/main-admin/12421/%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%8b-2/

10



ভেষজ গুণে গুণান্বিত তুলসী গাছ। আর এইজন্য তুলসী পাতাকে ভেষজের রানিও বলা হয়। প্রতিদিন তুলসীপাতা খাওয়ার করার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সহজলভ্য এই পাতাটি মাথাব্যথা থেকে শুরু করে ক্যানসারের মত রোগও প্রতিরোধ করে থাকে। প্রতিদিন একটি তুলসী পাতা দূরে রাখবে ৭ টি অসুখ থেকে। জেনে নিতে পারেন তুলসীপাতার গুনাগুণ।

১। মাথাব্যথা দূর করতে: মাথাব্যাথা খুব পরিচিত একটা রোগ। এটি যে কোন সময় যে কারও হতে পারে। এই ব্যাথা অল্প থেকে শুরু হলেও তীব্র হতে বেশি সময় লাগে না। তুলসীপাতা এই মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। এতে রয়েছে শক্তিশালী প্রাকৃতিক গুণাগুণ যা মাথাব্যাথা দূর করে থাকে। এমনকি মাইগ্রেন, সাইনাসের কারণে মাথাব্যথাও দূর হতে পারে কেবল প্রতিদিন একটি তুলসীপাতা খেলে।

২। ইনফেকশন বা সংক্রমণের চিকিৎসায়: দেহের ইনফেকশন দূর করে থাকে তুলসী পাতা। এতে ফাংজিসাইডাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা দেহের অভ্যন্তরীন ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে।

৩। কিডনির পাথর দূর করতে: তুলসীপাতা কিডনির পাথর সারাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে তুলসীপাতা খেলে এটি প্রাকৃতিকভাবে কিডনির পাথর দূর করে দিবে।

৪। ডায়াবেটিস রোধ করতে: তুলসী পাতাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, মিথাইল, ইউজিনল উপাদান আছে। এটি রক্তের সুগারের পরিমাণ কমিয়ে থাকে। আবার শরীরে প্রয়োজনীয় ইন্সুলিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে থাকে। যা ডায়াবেটিস রোধ করতে সাহায্য করে।

৫। কাশি দূর করতে: এটা সবাই জানে তুলসী পাতার রস কাশি দূর করে থাকে। সকালে এক গ্লাস জলের সঙ্গে তুলসীপাতা খেলেই কেল্লাফতে। এতে অ্যান্টিটুসিভ উপাদান যা কফ দূর করতে সাহায্য করবে। এক্সপেকটোরেন্ট উপাদান বুকের শ্লেষ্মাকে বের করে দেবে।

৬। ক্যানসার প্রতিরোধে: তুলসী পাতাতে অ্যান্টি অক্সিডেণ্ট উপাদান আছে৷ যা স্তন ক্যানসার এবং ওরাল ক্যানসার প্রতিরোধ করে। তুলসীপাতার রস রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে যা টিউমার হওয়া প্রতিরোধ করে থাকে।

৭। ফুসফুসের জন্য: তুলসীপাতার মধ্যে পলিফেনল উপাদান আছে৷ যা রক্তাধিক্যজনিত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। যা ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।




https://24newsbangla.com/sobujislam/11475/%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A7%AD%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%B0/



11




ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়ের অসুখ, পেশিতে ব্যথা, হাই প্রেশার হরমোনের সমস্যায় ভোগার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও কোমরে ব্যথা, সারাদিন ক্লান্তি বোধ এগুলিও লেগেই থাকে। ভিটামিন ডি সূর্যের আলো থেকে পাওয়া যায়।কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, ৫টি খাবার খেলেও ভিটামিন ডি দেহে তৈরি হয়।

শরীরে ভিটামিনের মাত্রা ঠিক না থাকলে সহজে রোগ বাসা বাঁধে। রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে যায় ভিটামিনের অভাবেই। সমস্ত ভিটামিনই খুব জরুরু। তার মধ্যে ভিটামিন ডি অন্যতম।

ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়ের অসুখ, পেশিতে ব্যথা, হাই প্রেশার হরমোনের সমস্যায় ভোগার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও কোমরে ব্যথা, সারাদিন ক্লান্তি বোধ এগুলিও লেগেই থাকে। ভিটামিন ডি সূর্যের আলো থেকে পাওয়া যায়।কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, ৫টি খাবার খেলেও ভিটামিন ডি দেহে তৈরি হয়।

    চিজ— ভিটামিন ডি শরীরের তৈরি করতে গেলে চিজ খান। এছাড়াও চিজ খেলে শরীরে ক্যালশিয়ামের মাত্রা বাড়ে।
    মাশরুম— খাওয়ার আগে অবশ্যই মাশরুম ভাল করে ধুয়ে রান্না করবেন। অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
    তেলযুক্ত মাছ বা সামুদ্রিক মাছ— মাছের তেলে ভিটামিন ডি থাকে। তাই যথেষ্ট পরিমাণে সামুদ্রিক মাছ খান।
    ডিমের কুসুম— ডিমেপ কুসুমেও ভিটামিন ডি থাকে।
    দুধ— গরুর দুধ ছাড়াও সয়া মিল্কেও ভিটামিন ডি থাকে।

তবে শরীরে আরও রোগ বাসা বেঁধে থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।




https://24newsbangla.com/sobujislam/11444/%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%A1%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC-%E0%A6%9A/


12



বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে স্মার্টফোন ইন্টারনেটের খরচ কমানো যায়। নিচে তেমনই কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো : 

ডেটা রেসট্রিকশন : অনেকেই জানেন না যে স্মার্টফোনটি যখন ব্যবহার করছেন না কিন্তু ডেটা অন করে রেখেছেন তখনও আপনার ডেটা খরচ হচ্ছে! হ্যাঁ ঠিক তাই। আপানার অ্যানড্রয়েড ফোনটির বেশির ভাগ অ্যাপস ই সার্ভিস সচল রাখার জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা ব্যবহার করে। যেমন হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, প্লে-স্টোর, গুগল অ্যাপস, মেসেঞ্জার ইত্যাদি। এই অ্যাপসগুলো আপনি অন্য কাজ করার সময়ও অকারণে ডেটা কাটতে থাকে। এর থেকে বাঁচতে আপনার সেটিংস অপশনে গিয়ে ডেটা ইউজেস>তারপর রেস্টিক্ট ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা অপশনে টিক দিয়ে দিন। আপনার নোটিফিকেশন বারে একটি বিস্ময়সূচক চিহ্ন দেখাবে। এর মানে অ্যাপগুলি আর ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা চুরি করতে পারবে না।

শুধু প্রয়োজনীয় অ্যাপস চালু রাখুন : যেহেতু স্মার্টফোন ইউজ করেন সেহেতু নিশ্চয়ই ইন্টারনেটভিত্তিক কোনো একটি বা একাধিক ইনস্টেন্ট মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন। এর মাঝে এমন একটি অ্যাপ থাকতে পারে যেটিকে সব সময় চালু রাখা দরকার। যদি ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা বন্ধ করে রাখেন তবে সবগুলি অ্যাপ একত্রে ব্যাকগ্রাউন্ডে বন্ধ হয়ে থাকবে। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে সেটিংস>ডেটা ইউজেস এ গিয়ে দেখতে পাবেন সবগুলি অ্যাপ দেখাচ্ছে। কোন অ্যাপ কি পরিমাণ ডেটা খরচ করছে সেটাও আপনি দেখতে পারবেন। এখন একটু সময় নিয়ে অ্যাপসগুলোতে ক্লিক করে ভেতরে প্রবেশ করুন এবং যে অ্যাপগুলো আপনার চালু রাখা দরকার সেগুলো বাদ দিয়ে বাকিগুলো রেস্টিক্টেড করে দিন।

ডেটা সেভিংস অ্যাপ ব্যবহার : কিছু কিছু অ্যাপস আছে যেগুলো অনেক লো ডেটা খরচ করে আপনাকে ব্রাউজিংয়ের সুযোগ দেয়। যেমন অপেরা মিনি, অপেরা নিউ, ইউসি ব্রাউজার–এ ডেটা সেভিংস মুড আছে। এই মুড ব্যবহার করে আপনি ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ব্রাউজিং খরচ বাঁচাতে পারেন। ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং এর ক্ষেত্রে সঠিক অ্যাপ নির্বাচন করুন। যেমন ভয়েস কলিংয়ের ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ–এ ডেটা খরচ খুবই কম হয়। তাই দেখেশুনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।

সিকিউরিটি অ্যাপ ব্যবহার : বিভিন্ন সিকিউরিটি অ্যাপস ব্যবহার করেও আপনি ডেটা খরচ কমাতে পারেন। এই অ্যাপগুলোর দ্বারা আপনি জানতে পারবেন কোন অ্যাপগুলি আপনার ডেটা চুরি করছে। সেটিংসের মাধ্যামে আপনার পারমিশন ছাড়া সেগুলো ডেটা ব্যাবহার করতে পারবে না। প্লে-স্টোরে সি এম সিকিউরিটি, ৩৬০ সিকিউরিটি ইত্যাদি বিভিন্ন অ্যাপ আছে। এই অ্যাপগুলোর দ্বারা ডেটা প্রটেকশন ছাড়াও ভাইরাস, হ্যাকিং থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।

ডেটা সেটিংস : আপনার ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সেটিংস রয়েছে যেগুলিকে ব্যবহার করা জরুরি। যেমন আপনার স্মার্টফোনটিকে ওয়াইফাই্ হটস্পট হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ওয়াইফাই-ভিত্তিক কিছু অ্যাপস যেমন শেয়ার ইট ব্যবহারের সময় আপনার অজান্তেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনেকসময় হটস্পট চালু হয়ে যায়। এর ফলে আপনার অজান্তে অন্য কেউ আপনার ডেটা ব্যবহারের সুযোগ পাবে। এমনকি ওয়াইফাই নেটোওয়ার্ক ব্যবহার করে আপনার স্মার্টফোনটি হ্যাক হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সবকিছু চেক করুন। হটস্পটে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। এবং অবশ্যই প্রয়োজন না থাকলে ব্যবহার শেষে আপনার ডেটা কানেকশন বন্ধ রাখুন।





http://www.bd-pratidin.com/tech-world/2018/06/11/337211


13



চুলে হালকা পাক ধরেছে? কিন্তু বয়সটা তো এখনও চুল পাকার মতো হয়নি! তা হলে উপায়? এখন তো নানা ধরনের হেয়ার কালার পাওয়া যায়। প্রয়োজনে ব্যবহার করতেই পারেন।

যারা হেয়ার কালার ব্যবহার করত চান না, তাদের কি পাকা চুল নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে বাকি জীবনটা! একেবারেই নয়। বাড়িতেই তৈরি করে নিন এক মিশ্রণ, যা নিয়মিত পান করলে পেতে পারেন উপকার। খবর এবেলা ।

সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক খবর অনুযায়ী, এই ‘মিরাকেল ড্রিঙ্ক’ দিনে তিন থেকে চার বার এক চা চামচ করে খাওয়ার আগে খেতে হবে, মাস তিনেকের জন্য। তা হলেই নাকি কেল্লা ফতে।

প্রতিবেদনেই বলা হয়েছে, কী ভাবে তৈরি করতে হবে চুল কালো রাখার সেই ‘মিরাকেল ড্রিঙ্ক’—

উপকরণঃ

৫টি পাতিলেবু , ৫টি রসুন কোয়া (ছাড়ানো), ১ কাপ মধু, ১ কাপ ফ্ল্যাক্স সিডের তেল।

পদ্ধতি
সব কিছু এক সঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে দিন। লেবুর ছাল না ছাড়ালেও অসুবিধা নেই। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে তা একটি কাচের জারে ঢেলে রাখুন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যারা এই মিশ্রণ ব্যবহার করেছেন, তারা উপকার পেয়েছেন। তাদের মতে, শুধু কালো চুলই নয়, মিশ্রণ খাওয়ার ফলে তাদের দৃষ্টিশক্তিও ভাল হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।





https://24newsbangla.com/m-islam/10745/%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A7%81/

14




কোমরে ও ঘাড়ের ব্যাথার অন্যতম প্রধান কারণ দীর্ঘসময় ধরে চেয়ারে বসে কাজ করা। নিরবিচ্ছিন্নভাবে এভাবে বসে কাজ করার দারুণ দেখা দিতে পারে বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যা।

বিশেষজ্ঞদের মতে যারা কোমরের ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন, তাদের অধিকাংশই কর্পোরেট অফিসে দীর্ঘক্ষণ ডেস্কে বসে কাজ করেন।

আট ঘণ্টার অধিক সময় ধরে বসে কাজ করার ফলে যেসব স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেয় তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

হৃদরোগের সমস্যা: দীর্ঘসময় বসে কাজ করার ফলে উচ্চরক্তচাপে ও কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে।

ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা: পেশীর নড়াচড়া কম করার ফলে ইনসুলিন উৎপাদনে তারতম্য দেখা দেয় ফলে ডায়াবেটিসের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অলসতা বাড়িয়ে দেয়: পেশী শক্তিশালী ও সচল রাখার জন্য শরীরের নড়াচড়া অবশ্যক। দীর্ঘসময় বসে থাকার ফলে পেশীর কর্ম-উদ্দীপনা কমে গিয়ে অলসতা বাড়িয়ে দেয়।

স্ট্রেসের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়: নড়াচড়া করার ফলে শ্বাসক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। এতে মস্তিষ্কে অক্সিজেন বেশি মাত্রায় পৌঁছায় ও এনডর্ফিন নামক হরমোন ক্ষরণ বৃদ্ধি পায়। যা স্ট্রেস কমায়। কম নড়াচড়ার ফলে এই হরমোন কম নিঃসরণের কারণে মানসিক স্ট্রেস বৃদ্ধি পায়।

পিঠে ও মেরুদণ্ডে ব্যাথা: দীর্ঘক্ষণ বসে থাকায় মেরুদণ্ডের স্থিতিশিল অবস্থানের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ফলে ঘাড়ে, পিঠে ও মেরুদণ্ডের ব্যাথা হতে পারে।

কিছু নিয়ম মেনে চললে এই ধরনের সমস্যা কাটিয়ে সুস্থ থাকা যায়।

যোগব্যায়াম: যোগব্যায়াম পেশীর স্ট্রেস দূর করে শরীর সচল রাখতে সাহয্য করে।

হাঁটা: দীর্ঘক্ষণ কাজের মাঝখানে কিছু সময়ের জন্য হাঁটাচলা করুন।

নড়াচড়া করা: বসে থাকা অবস্থায় মাঝে মধ্যে হাত-পা নড়াচড়া করুন। এতে পেশীর রক্ত চলাচল বাড়বে। আর সঠিক মাত্রায় রক্ত চলাচল করলে পেশীর অবস্থা ভালো থাকে।

সঠিকভাবে বসা: যখন বসবেন তখন মেরুদণ্ড সোজা করে বসার চেষ্টা করুন।

ঘাড়ের ব্যায়াম: সোজা হয়ে বসে মাথা একপাশের ঘাড়ের দিকে আস্তে আস্তে নামিয়ে দিন, এরপরে অন্যপাশে একই ভাবে করুন।



http://www.banglanews24.com/health/news/bd/657907.details


15



স্বাস্থ্য আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। আমরা জানি, আমাদের ব্যস্ত জীবনে অনেক সময় ডায়েট মেনে চলা সম্ভব হয় না। আমরা আমাদের নিত্যদিনের খাবার খুব কমই শিডিউল অনুযায়ী খেয়ে থাকি। যার ফলে আমাদের শরীরে চর্বি ও ক্যালোরি জমে এবং শরীরের স্থূলতা বৃদ্ধি পায়।

স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনের ফলে কোলেস্টেরল এর সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হয়। যাইহোক, নিজের শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে কিছু মজাদার পানীয় খেয়ে দেখতে পারেন। এতে আপনি অবশ্যই উপকৃত হবেন। নীচে ঐ সকল পানীয়ের প্রস্তুতি বর্ণনা করা হল-

১. আদা ও শসার পানীয়:
# উপকরণ:

১. ৮ গ্লাস পানি
২. আদা থেত করা ১ চামচ
৩. ১টি তাজা শসা
৪. মাঝারি আকারের একটি লেবু
৫. ১২টি পুদিনা পাতা

# প্রস্তুতকরণ:
শসার খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরায় কেটে নিন। এবার লেবুকেও টুকরা করে কেটে রাখুন। এবার, পানি ও পাতার সাথে সকল উপকরণকে একসাথে মিশিয়ে রাতভর রেখে দিন। সকালে এর সাথে অল্প পরিমাণে পানি মিশিয়ে পান করুন। এভাবে চারদিন পর্যন্ত এই পানীয় পান করুন।

# উপকারিতা:
এই পানীয় পান করার ফলে আপনার শরীর থেকে অবাঞ্ছিত বিষক্রিয়াজনিত ব্যথা দূর করে। অনিদ্রা দূর করে, হজম উন্নত করে এবং কর্মশক্তি বৃদ্ধি করে। এছাড়াও, সারাদিন আপনাকে রিফ্রেশ রাখতে সাহায্য করে।

২. দারুচিনি এবং মধুর পানীয়:
# উপকরণ:

১. এক গ্লাস পানি
২. এক চা চামচ মধু
৩. আধা চামচ দারুচিনি গুঁড়া
৪. তাজা লেবু

# প্রস্তুতকরণ:
এক গ্লাস পানিতে মধু ও দারুচিনি যোগ করুন। পানি যেন গরম বা ঠাণ্ডা না হয়। স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি নিয়ে তাতে মধু ও দারুচিনি মিশিয়ে নিন। গরম পানিতে মেশালে এর পুষ্টি উপাদান হারিয়ে যাবে। এরপর লেবুর রস মিশিয়ে নিন।

# উপকারিতা:
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করতে হবে। এই পানীয় শরীরের ফ্যাট বার্ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। এতে সারাদিন ক্ষতিকর চর্বি শরীরে জমা হতে পারে না।

৩. তাজা উদ্ভিজ্জ রস:
# উপকরণ:

১. টমেটো
২. গাজর
৩. বীট-পালং
৪. আদা

# প্রস্তুতকরণ:
সবগুল সবজি একত্রে নিয়ে ব্লেন্ড করুন। আপনি আপনার পছন্দমত সবজিও ব্যবহার করতে পারেন। তবে লক্ষ্য রাখবেন, সবজিতে যেন বেশি ক্যালোরি না থাকে। এরপর এতে আদা মিশিয়ে নিন। ভাল ফলাফলের জন্য এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন।

# উপকারিতা:
এই গতিশীল উদ্ভিজ্জ রস ওজন কমানোর জন্য একটি উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি এবং ডায়েটারি ফাইবার আপনার শরীরের সরবরাহ করবে।

আপনার অবশ্যই মনে রাখা উচিৎ, এই পানীয় মাত্র চারদিনেই আপনার চর্বি কমাবে শুধুমাত্র তখনই, যখন আপনি একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট পালন করবেন। আপনার শরীরকে সক্রিয় রাখলে এবং খাদ্য তালিকা সঠিক রাখলেই আপনি আপনার শরীরের ওজনের পার্থক্য লক্ষ্য করতে পারবেন।



Source: https://www.bd24live.com/bangla/article/1528390547/168136/index.html




Pages: [1] 2 3 ... 6