Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - nafees_research

Pages: [1] 2 3 ... 10
1
Asia Cup success promises huge boost for Bangladesh women's cricket

Women's cricket in Bangladesh can expect a boost in popularity and monetary support after their historic and maiden Asia Cup title. They defeated six-time champions India in Kuala Lumpur on Sunday, having cruised past hosts Malaysia in the last league match a day earlier. The level of interest among fans shot up overnight after they beat Pakistan and India earlier in the week, with social media abuzz with the unprecedented run of success of the Bangladesh team.



The immediate impact on the team is an injection of confidence ahead of July's World T20 Qualifiers in Netherlands. While Bangladesh have defeated higher-ranked teams in the past, too, including South Africa, Pakistan and Sri Lanka across both limited-overs formats, their maiden victory over India, who had never lost an Asia Cup match before, and then beating them again in the final became a much bigger deal.

In a broader sense, more young girls are likely to take to cricket across Bangladesh after seeing a performance of such promise. The final was televised live in Bangladesh, which is also likely to inspire aspiring cricketers to take the field. In 1997, when Bangladesh qualified for the men's World Cup for the first time, cricket's popularity increased tremendously, but it was an all-male affair.

Even today, women's cricket is in the margins and only certain pockets in Bangladesh have training facilities and academies for female cricketers. The story of a local coach using a toilet as his office and for equipment storage to deal with lack of funds and support highlighted the challenges women's cricket faces currently.

Nizamuddin Chowdhury, the BCB chief executive, said that the Asia Cup performance has already had a big enough impact for the board to think differently about women's cricket, starting with separate sponsorship. "Team performance obviously has an impact on overall morale, popularity and sponsorship," Chowdhury told ESPNcricinfo. "Currently, the women's national team sponsorship is bundled with the men's senior team, but after this success we have to think separately. They now have their own value to attract sponsors.

"We have to think especially about the women's game in Bangladesh. We already have some talent-hunt programmes through domestic tournaments, but we should do more for their development."

About sixteen to 17 players in the national team are being paid BDT 10,000 to 30,000 (USD 120 to 360) per month for the last few years, since the salary structure came in place in 2012. For an ODI, they are paid USD 100 per game and USD 75 for a T20 international. The BCB is also likely to discuss the salary structure in its next board meeting on June 11.

Nazmul Abedeen, the women's team manager, said that the dream run in the Asia Cup will make the players more confident and focused, whether they are representing Bangladesh or playing in domestic competitions.

"The success will definitely change how current active players think about themselves," Abedeen said. "Their perception will change. They will be more confident. 'If they can do it, why not us?' is what [other players from Bangladesh] will think now. At the same time, it will boost the players' seriousness in training and competition."

After the Asia Cup, the Bangladesh players will have a short break before travelling to Ireland for three T20 internationals. Then it is on to the Netherlands for the World T20 Qualifiers.

Source: http://www.espncricinfo.com/story/_/id/23751479/asia-cup-success-promises-huge-boost-bangladesh-women-cricket


2
২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট : ই-কমার্সসহ ভার্চ্যুয়াল ব্যবসায় কর বসবে

দ্রুত বাড়ছে ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা। সরকার এ ধরনের ব্যবসায় কর বসাতে চাইছে। চলতি বছরের বাজেট অধিবেশনে ভার্চ্যুয়াল ব্যবসায় কর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান ইন্টারনেট বা সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে পণ্য বা সেবার ক্রয়-বিক্রয় বেড়েছে। এই পণ্য বা সেবার পরিসরকে আরও বাড়াতে ভার্চ্যুয়াল বিজনেস নামের আরেকটি সেবার সংজ্ঞা সৃষ্টি করা হয়েছে। এর ফলে অনলাইনভিত্তিক যেকোনো পণ্য বা সেবার ক্রয়-বিক্রয় বা হস্তান্তরকে এই সেবার অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে। ভার্চ্যুয়াল ব্যবসা সেবার ওপর ৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপের প্রস্তাব করেছেন তিনি।

ভার্চ্যুয়াল ব্যবসার যে সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হচ্ছে, তাতে ই-কমার্স খাত পড়বে। তাই এ খাতে কর আরোপের প্রস্তাবে ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

Source: http://www.prothomalo.com/technology/article/1504836/%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%87

3
২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট : একনজরে খাতওয়ারি বরাদ্দ

লেখচিত্রের মাধ্যমে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটে অর্থায়নের উৎস, সম্পদের ব্যবহার খাতভিত্তিক সম্পদ বিভাজন (ভর্তুকি, প্রণোদনা, পেনশনসহ), পরিচালন বাজেটে খাতওয়ারি বরাদ্দ বিভাজন, অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ, উন্নয়ন বাজেটে খাতওয়ারি বরাদ্দ বিভাজন তুলে ধরা হলো...











Source: http://www.prothomalo.com/economy/article/1504846/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6

4
বিকাশ অ্যাপের নিরাপত্তা দুর্বলতা

বিকাশ মোবাইল ওয়ালেট ব্যবহারকারী একজনের সেলফোনে ফোন আসে ১৬ মে দুপুরে। বিকাশ গ্রাহকসেবাকর্মী পরিচয় দিয়ে অন্য প্রান্ত থেকে বলা হয়, সেবার মান বৃদ্ধির কাজ চলছে— দয়া করে আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টের পিন নম্বরটি দিন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় নিজের পিন নম্বরটি গোপন করে চার ডিজিটের অন্য একটি পিন নম্বর দেন ওই গ্রাহক। এরপর ফোনটি কেটে দেন।

মিনিট তিনেক পর ওই গ্রাহকের ফোন নম্বর (মাস্কিং করা) থেকে আবার ফোন আসে। নিজের নম্বর থেকে ফোন আসায় গ্রাহকের সন্দেহ আরো বেড়ে যায়। দ্রুত সেলফোনটি বন্ধ করে দেন। চালু করেন ১৭ মে রাত ৪টায়। সঙ্গে সঙ্গে বেশ কয়েকটি ভেরিফিকেশন কোডের এসএমএস ভেসে ওঠে স্ক্রিনে। পরে বিকাশ অ্যাকাউন্ট চেক করে দেখেন তিন দফায় ১৫ হাজার ৪০০ টাকা উধাও।

পরদিন বিকাশের গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে যান ওই গ্রাহক। পুরো বিষয়টি খুলে বলার পর সেখান থেকে জানানো হয়, উচ্চপ্রযুক্তির মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে টাকা চুরি করে নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের (বিকাশ) কিছু করার নেই। বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা খোয়া যাওয়ার ঘটনায় পরে পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেন ওই গ্রাহক।

বিকাশ অ্যাপের নিরাপত্তা দুর্বলতার কারণে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরির আরো কিছু অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ। এসব অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বিষয়টি নিশ্চিত করে সিআইডির মুখপাত্র ও অর্গানাইজড ক্রাইমের বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, এ ধরনের বেশ কয়েকটি অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। সেগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুটি পদ্ধতিতে বিকাশ অ্যাপের নিরাপত্তা দুর্বলতা কাজে লাগাচ্ছে অপরাধীরা। সবচেয়ে বেশি প্রচলিত পদ্ধতিটি হচ্ছে— গ্রাহককে বিকাশ গ্রাহকসেবাকর্মী পরিচয় দিয়ে তার অ্যাকাউন্ট নম্বর ও নাম জেনে নেয়া। তারপর কৌশলে গ্রাহককে দিয়ে কিছু নম্বর চেপে সিমটি

ডাইভার্ট করিয়ে নেয়া। এক্ষেত্রে ইউএসএসডি মেনুর শর্টকোড ব্যবহার করা হয়। গ্রাহকও অনেক সময় এটি বুঝে উঠতে পারেন না। এরপর বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ভেরিফিকেশন কোডের আবেদন জানানো হয়। ফিরতি মেসেজে বিকাশ যে ভেরিফিকেশন কোডটি পাঠায়, সেটি চলে যায় সরাসরি অপরাধীদের হাতে। ওই ভেরিফিকেশন কোড দিয়েই অ্যাপে প্রবেশ করে পিন নম্বর পরিবর্তনের আবেদন জানায় অপরাধীরা। পরে তারা নতুন পিন নম্বর সৃষ্টি করে ওই অ্যাকাউন্টের টাকা সরিয়ে নেয়। এ পদ্ধতিতে সফল না হলে বিকল্প হিসেবে মাস্কিং ও ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে প্রবেশের সুযোগ নেয় অপরাধীরা।

তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, যে পদ্ধতিই অনুসরণ করা হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন তথ্য জানা অপরাধীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ওই গ্রাহক অ্যাপ ব্যবহার করছেন কিনা সেটাও জানা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে দুটি উপায়ে এ তথ্য পাওয়া সম্ভব। সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় সার্ভার হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে তাতে প্রবেশ করে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ কর্মীদের মাধ্যমেও এসব তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব। গ্রাহকের পিন নম্বর ও অ্যাকাউন্ট ব্যালান্সের তথ্য থাকার পরও যাচাইকরণ কোডটিও গুরুত্বপূর্ণ। এটি তারা সংগ্রহ করছে গ্রাহককে প্রলুব্ধ করে অথবা সিম ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে।

নতুন অ্যাপটির বিষয়ে বিকাশের একাধিক এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও এর নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কথা জানান। তারা বলছেন, অ্যাপটির মাধ্যমে লেনদেন সহজ হলেও নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। কারণ যেকোনো ডিভাইস থেকে অ্যাপটির অ্যাকসেস পাওয়া সম্ভব। ফলে অন্যের ফোন নম্বর ও পিন নম্বর জানা থাকলে যেকোনো ডিভাইস থেকেই অ্যাপটির মাধ্যমে লেনদেনও করা যায়।

তবে নিরাপত্তাজনিত সব ধরনের ঝুঁকি যাচাই-বাছাই করেই অ্যাপটি চালু করা হয়েছে বলে জানান বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, তার পরও এতে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কোনো ঝুঁকি থেকে থাকলে তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেবে বিকাশ।

বিকাশ অ্যাপে ভেরিফিকেশনের যে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, তাতে নিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকির আশঙ্কা আছে বলে মনে করেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, বিকাশের অ্যাপটির নিরাপত্তার বিষয়টি এখন পর্যন্ত এসএমএসভিত্তিক। সিম ও ডিভাইস শনাক্তকরণের কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি এতে। নিরাপত্তার এ ত্রুটির সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা সহজেই যেকোনো বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের তথ্য চুরি করে টাকা হাতিয়ে নিতে পারছেন।

এশিয়া-প্যাসিফিক নেটওয়ার্ক অপারেটর গ্রুপের (এপনিক) পলিসি সিগের কো-চেয়ার ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির বণিক বার্তাকে বলেন, সাধারণত ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপের মতো একবার ব্যবহারযোগ্য পাসওয়ার্ড (ওটিপি) ভিত্তিক বিভিন্ন অ্যাপ আর্থিক লেনদেনের জন্য ব্যবহার হয় না। তবে ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার জন্য প্রাথমিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে এগুলোয় ওটিপি রাখা হয়। আর্থিক লেনদেনের জন্য নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে সেভাবে ভাবতে হবে। সিম ক্লোন হয়ে গেলে এবং যদি সেটি চালু রাখা যায়, তবে খুব সহজেই অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা ভেঙে ফেলা সম্ভব। সিম ক্লোনিং একটা বাস্তবতা। ফলে এটি মেনে নিয়েই শুধু ওটিপির ওপর নির্ভর করলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। এক্ষেত্রে নানা ধরনের অথেনটিকেশন ও ভেরিফিকেশনের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে।

মোবাইল ওয়ালেটের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোনো কোনো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সেলফোন নম্বরের সঙ্গে অতিরিক্ত নম্বর যোগ করছে। এছাড়া সিমনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ফলে কোনো গ্রাহকের সিম রিপ্লেসমেন্টের ঘটনা ঘটলে তাত্ক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ওয়ালেট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। নির্দিষ্ট সময় পর গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে ওয়ালেটটি পুনরায় চালু করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ মে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের প্রথম অ্যাপ চালুর ঘোষণা দেয় বিকাশ। তবে গুগল প্লে স্টোরে এটি ২৫ এপ্রিল থেকে পাওয়া যায়। এর আগে থেকে প্রতিষ্ঠানটির ইউএসএসডিভিত্তিক লেনদেন ব্যবস্থা চালু ছিল। অ্যাপের ব্যবহার বাড়াতে এতে লেনদেনে কম চার্জ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অ্যাপে ক্যাশ আউট করলে হাজারে খরচ হবে ১৫ টাকা। আর অ্যাপের বাইরে লেনদেনে ক্যাশ আউটের খরচ ১৮ টাকা।

Source: http://bonikbarta.net/bangla/news/2018-06-06/160262/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B0--%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A6%BE/

5
মাশরাফি ও সাকিবদের হেড কোচ হলেন স্টিভ রোডস!

চান্দিকা হাথুরুসিংহে বিদায়ের পর টাইগারদের হেড কোচ নিয়ে চলছিলো নয় ছয়। অবশেষে সব নাটকের সমাপ্তি ঘটিয়ে মাশরাফি ও সাকিবদের প্রধান কোচ হিসাবে দায়িত্ব নিতে বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার ঢাকা আসছে সাবেক ইংলিশ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান স্টিভ রোডস।

কোচ নিয়োগের এই সংক্ষিপ্ত তালিকায় একজন করে অস্ট্রেলিয়ান, ইংলিশ ও দক্ষিণ আফ্রিকানের নাম আছে বলে জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান।

Source: http://www.bdmorning.com/sports/%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7/379126/

6
স্বচ্ছ মহাকাশের সন্ধান, বিজ্ঞানী দলে বাংলাদেশি

ফুল বা পুঁতি গেঁথে মালা হয়। এ ক্ষেত্রে সুতাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ছায়াপথের ক্ষেত্রে ডার্ক ম্যাটার বা কৃষ্ণ বস্তু তেমনই একটি উপাদান। বিজ্ঞানীদের এত দিনের ধারণা যেন বড় ধাক্কা খেল এবার। একদল মহাকাশবিজ্ঞানী বলছেন, তাঁরা কৃষ্ণ বস্তুহীন বা স্বচ্ছ মহাকাশের সন্ধান পেয়েছেন। এই বিজ্ঞানী দলের একজন সদস্য বাংলাদেশের লামিয়া আশরাফ মওলা।



গবেষক দলের সদস্য পিটার ভ্যান ডোকাম, অ্যালিসন মেরিট, জিয়েই ঝ্যাং, দেবোরাহ লোখর্স্ট, লামিয়া আশরাফ মওলা (নিচে বাঁয়ে), শ্যানি ডেনিয়েলি ও রবার্তো আব্রাহাম।

হাজার-কোটি নক্ষত্রসহ নানা মহাকাশীয় বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি ছায়াপথ। আমাদের সূর্য যে ছায়াপথের সদস্য, তার নাম মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা। এমন আরও অনেক ছায়াপথের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সব কটি ছায়াপথেরই একটি সাধারণ উপাদান কৃষ্ণ বস্তু। এত দিন বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, ছায়াপথ সৃষ্টিতে কৃষ্ণ বস্তুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। আজ পর্যন্ত এই উপাদান বিজ্ঞানীদের চোখে ধরা পড়েনি। অদৃশ্য বলেই তার নাম কৃষ্ণ বস্তু।

আকাশগঙ্গার মতো ছায়াপথগুলোয় সাধারণ মহাকাশীয় বস্তুর চেয়ে কৃষ্ণ বস্তুর পরিমাণ প্রায় ৩০ গুণ বেশি থাকে। অথচ ‘এনজিসি ১০৫২-ডিএফ২’ বা সংক্ষেপে ‘ডিএফ২’ নামের নতুন ছায়াপথে ৪০০ ভাগের ১ ভাগ কৃষ্ণ বস্তু রয়েছে। এতে নক্ষত্রের সংখ্যাও কম। সাধারণ ছায়াপথে নক্ষত্রের সংখ্যার তুলনায় তা ২০০ ভাগের ১ ভাগ। যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার গত বুধবার এ-সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রকাশ করেছে। এই গবেষক দলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও জার্মানির কয়েকজন বিজ্ঞানী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে লামিয়া মওলা যুক্তরাষ্ট্রের কানেটিকাটের নিউহ্যাভেনে অবস্থিত ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাকাশবিজ্ঞান বিভাগের পিএইচডি শিক্ষার্থী। গবেষণা নিবন্ধটির মূল লেখক ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পিটার ভ্যান ডোকামের অধীনেই তিনি পিএইচডি করছেন।

ঢাকার মেয়ে লামিয়া বাংলাদেশে এ-লেভেল পর্যন্ত পড়েছেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েলেসলি কলেজে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট করেন। তিনি ই-মেইলে প্রথম আলোকে বলেন, অধ্যাপক পিটার ভ্যান ডোকাম ও কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রবার্তো আব্রাহাম ড্রাগনফ্লাই নামে একটি দূরবীক্ষণ যন্ত্র তৈরি করেছেন, যা মহাকাশের কম উজ্জ্বল বস্তুও শনাক্ত করতে সক্ষম। এই গবেষক দলে লামিয়া যোগ দেন ২০১৫ সালে।

লামিয়া জানান, পিটার ভ্যান ডোকামের দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁরা আলট্রা-ডিফিউসিভ বা অতি-সম্প্রসারিত তবে কম উজ্জ্বল ছায়াপথগুলো (ইউডিজি) পর্যবেক্ষণ করছিলেন। ডিএফ ২ ছায়াপথ ওই সময় প্রথম তাঁদের চোখে ধরা দেয়।

পিটার ভ্যান ডোকাম জানিয়েছেন, সাধারণত ইউডিজিগুলোর আকার আকাশগঙ্গার মতো হলেও তাতে নক্ষত্রের পরিমাণ এত কম থাকে যে, চোখে পড়ে না বললেই চলে। এগুলো নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে ২০১৫ সালে মহাকাশে ‘ভুতুড়ে উজ্জ্বলতার’ সন্ধান পান তাঁরা। এই উজ্জ্বলতা ছড়িয়ে পড়ছে ডিএফ ২ থেকে। এই ছায়াপথের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এর নক্ষত্রগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে না থেকে জোট বেঁধে আবর্তিত হচ্ছে। নক্ষত্রের ওই জোটগুলোই পুরো ছায়াপথের ভর বহন করছে। অর্থাৎ সেখানে কৃষ্ণ বস্তুর ঠাঁই নেই বললেই চলে। আমাদের থেকে ৬ কোটি ৫০ লাখ আলোকবর্ষ দূরে ছায়াপথটির অবস্থান।

Source: http://www.prothomalo.com/technology/article/1460266/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B-%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%93-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87

7

সিআইপি কার্ড পেলেন ৩৫ অনাবাসী বাংলাদেশি

জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩৫ অনাবাসী বাংলাদেশিকে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) নির্বাচন করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে ২৯ জন বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী শাখায় এবং ছয়জন বিদেশে বাংলাদেশি পণ্য আমদানির জন্য এই সম্মাননা পেয়েছেন। ২০১৬ সালের জন্য এঁরা সিআইপি নির্বাচিত হন।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিআইপিদের কাছে সম্মাননা কার্ড তুলে দেওয়া হয়।
এঁদের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ১৩ জন, ওমান থেকে ছয়জন, যুক্তরাজ্য ও কাতার থেকে তিনজন করে এবং অস্ট্রেলিয়া, জাপান, সিঙ্গাপুর ও হংকং থেকে একজন করে সর্বাধিক বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী অনাবাসী বাংলাদেশি সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন।

বিদেশে বাংলাদেশি পণ্য আমদানিকারক অনাবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুজন এবং ওমান, রাশিয়া, কুয়েত ও কাতার থেকে একজন করে নির্বাচিত হয়েছেন।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বিদেশে কর্মী পাঠানো নির্বিঘ্ন করতে অসাধু প্রবাসীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘প্রবাসে যেসব বাংলাদেশি থাকেন, তাঁরাই বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন। কিন্তু আমি দুঃখের সঙ্গে বলতে চাই, কিছু প্রবাসী আছেন, যাঁরা অনৈতিক কাজ করেন। তাঁদের কারণেই আমাদের প্রবাসীরা সমস্যা পড়েন। তাঁদের চিহ্নিত করতে পারলেই সব পরিষ্কার হবে।’

সিআইপিদের উদ্দেশে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘আপনারা বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবেন। আর খেয়াল রাখবেন, কেউ যেন দেশের বদনাম করতে না পারে। দেশের অপপ্রচার যেন কেউ না করতে পারে। যাঁরা সিআইপি নির্বাচিত হলেন, তাঁদের অনেক দায়িত্ব বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ নিয়ে যেন বিদেশে কোনো অপপ্রচার না হয় এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুণ্ন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

শাহরিয়ার আলম আরও বলেন, ‘একটা সময় বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে গেলে আমাদের লোকজন হীনম্মন্যতায় ভুগতেন। কিন্তু এখন আর সেই দিন নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে এখন আর কেউ হীনম্মন্যতায় ভোগেন না।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসীরা আপনারা যেন বিনা মাশুলে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারেন, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি অর্থমন্ত্রীকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন। পুরোটা না হলেও যেন আংশিক ছাড় পাওয়া যায়, সে ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন তিনি।

সিআইপি কার্ড পেলেন যাঁরা
‘বাংলাদেশে বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী অনাবাসী বাংলাদেশি’ ক্যাটাগরিতে সিআইপি কার্ড পেয়েছেন দুবাইপ্রবাসী কুমিল্লার মোসাম্মাৎ জেসমিন আক্তার, সিলেটের মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান, কক্সবাজারের মোহাম্মদ ইসমাইল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মৌলভীবাজারের মোহাম্মদ হাশিম, কুমিল্লার আবুল কালাম, ঢাকার আবদুল গণি চৌধুরী।

আবুধাবিপ্রবাসী চট্টগ্রামের পাঁচলাইশের নুরুল আলম ও ঢাকার গুলশানের এ এইচ এম তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রামের রাউজানের মোরশেদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ফরিদ আহমেদ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহপ্রবাসী হবিগঞ্জের রাখাল কুমার গোপ সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন।

এ ছাড়া সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী শ্রেণিতে সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন ওমানপ্রবাসী চট্টগ্রামের আনোয়ারার মোহাম্মদ মোসাদ্দেক চৌধুরী, চট্টগ্রামের রাউজানের মোহাম্মদ আশরাফুর রহমান, মোহাম্মদ শামসুল আজিম ও মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী। এ ছাড়া ওমানপ্রবাসী চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার হাফেজ মোহাম্মদ ইদ্রিস, লক্ষ্মীপুর সদরের আবদুল জলিল।
যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মৌলভীবাজারের মোহাম্মদ আবদুল রহিম, ঢাকার গুলশানের মোহাম্মদ আদনান ইমাম, ঢাকার বনানীর মোহাম্মদ মহসীন আলম, সিঙ্গাপুরপ্রবাসী ঢাকার রামপুরার মো. সাজ্জাদ হোসেন, কাতারপ্রবাসী ঢাকার গুলশানের আহম্মদ আল জামান, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ আবু তালেব, পাবনার ঈশ্বরদীর আবদুল আজিজ খান, অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী ঢাকার ধানমন্ডির শহীদ হোসেন জাহাঙ্গীর, হংকংপ্রবাসী নোয়াখালীর সেনবাগের মো. আহমুদুর রহমান ও জাপানপ্রবাসী ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের কাজী সারওয়ার হাবিব সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন।

‘বিদেশে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিকারক অনাবাসী বাংলাদেশি’ শ্রেণিতে সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন চট্টগ্রামের হাটহাজারীর সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহপ্রবাসী মোহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রামের পাঁচলাইশের দুবাইপ্রবাসী নুরুল আলম, চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের ওমানপ্রবাসী এ এইচ বদর উদ্দিন, ঝিনাইদহের রাশিয়াপ্রবাসী মো. ফিরোজ উল আলম, চট্টগ্রামের হাটহাজারীর কুয়েতপ্রবাসী আবুল কাশেম ও চট্টগ্রামের চাটগাঁওয়ের কাতারপ্রবাসী মোহাম্মদ আবু তালেব।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আরও একটি শাখায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সিআইপি নির্বাচনের সুযোগ ছিল। কিন্তু শিল্পক্ষেত্রে সরাসরি বিনিয়োগ শাখায় কেউ আবেদন না করায় কাউকে সিআইপি সম্মাননা দেওয়া হয়নি।

তিনটি শাখার মধ্যে শিল্পক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী হিসেবে ২০ জন, বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী শাখায় ৫০ জন এবং বিদেশে বাংলাদেশি পণ্য আমদানিকারক শাখায় ২০ জনকে সিআইপি নির্বাচন করার সুযোগ রয়েছে।

Source: http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1503746/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A7%A9%E0%A7%AB-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF

8
কেমন হবে ই-পাসপোর্ট, মিলবে ডিসেম্বরে

যন্ত্রে অপাঠযোগ্য কাগুজে পাসপোর্টের দিন শেষ হয়েছে বেশ আগেই। যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্টের (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট-এমআরপি) ধারণাও শেষ প্রায়। কারণ, যুগ এখন ইলেকট্রনিক বা ই-পাসপোর্টের। এর মধ্যে বিশ্বের ১১৯টি দেশে চালু হয়ে গেছে এই পাসপোর্ট। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। আগামী ডিসেম্বর থেকে চালু হতে পারে ই-পাসপোর্ট।

সরকারের বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত প্রকল্প প্রস্তাব আগামী ৫ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করার কথা। এর আগে ১৫ মে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। এই প্রকল্পে সরকারিভাবে বাংলাদেশকে কারিগরি সহায়তা দেবে জার্মানি। জানা যায়, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার ই-পাসপোর্ট চালুর বিষয়টিকে নিজেদের রাজনৈতিক সাফল্য-ব্যর্থতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। সে জন্য তারা সংসদ নির্বাচনের আগেই ই-পাসপোর্ট চালু করতে চায়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রথম আলোকে বলেন, ই-পাসপোর্ট প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জার্মানির একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আগামী জুন-জুলাইয়ের মধ্যে চুক্তি সম্পাদন করা হবে। আশা করা যায়, ডিসেম্বরের মধ্যে ই-পাসপোর্ট চালু করা সম্ভব হবে। তবে সেটা পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাবে জার্মানির প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার পর। কারণ, কাজটা তারাই করবে। তারা যদি বলে ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করা সম্ভব হবে না, সে ক্ষেত্রে সময় এক-দু মাস বেশি লেগে যেতে পারে।

কেমন হবে ই-পাসপোর্ট
পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ই-পাসপোর্টে ৩৮ ধরনের নিরাপত্তা ফিচার থাকবে। বর্তমানে এমআরপি ডেটাবেইসে যেসব তথ্য আছে, তা ই-পাসপোর্টে স্থানান্তর করা হবে। পাসপোর্টের মেয়াদ হবে বয়সভেদে ৫ ও ১০ বছর। ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এমআরপি পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যাবে না। তবে কারও পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তাঁকে এমআরপির বদলে ই-পাসপোর্ট নিতে হবে।

বর্তমানে বই আকারে যে পাসপোর্ট আছে, ই-পাসপোর্টেও একই ধরনের বই থাকবে। তবে বর্তমানে পাসপোর্টের বইয়ের শুরুতে ব্যক্তির তথ্যসংবলিত যে দুটি পাতা আছে, ই-পাসপোর্টে তা থাকবে না। সেখানে থাকবে পালিমারের তৈরি একটি কার্ড। এই কার্ডের মধ্যে থাকবে একটি চিপ। সেই চিপে পাসপোর্টের বাহকের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।

ই-পাসপোর্টের সব তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষিত থাকবে ‘পাবলিক কি ডাইরেকটরি’তে (পিকেডি)। আন্তর্জাতিক এই তথ্যভান্ডার পরিচালনা করে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইসিএও)। ইন্টারপোলসহ বিশ্বের সব বিমান ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এই তথ্যভান্ডারে ঢুকে তথ্য যাচাই করতে পারে।

ই-পাসপোর্টের বাহক কোনো দেশের দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আবেদনকারীর তথ্যের সঙ্গে পিকেডিতে সংরক্ষিত তথ্য যাচাই করে নেবে এবং আবেদন গ্রহণ করে বইয়ের পাতায় ভিসা স্টিকার কিংবা বাতিল করে সিল দেবে। স্থল ও বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষও একই পদ্ধতিতে পিকেডিতে ঢুকে ই-পাসপোর্টের তথ্য যাচাই করবে।

পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, ই-পাসপোর্ট চালুর জন্য দেশের প্রতিটি বিমান ও স্থলবন্দরে চাহিদামোতাবেক ই-গেট স্থাপন করে স্বয়ংক্রিয় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি চালু করা হবে। যাঁদের হাতে ই-পাসপোর্ট থাকবে, তাঁদের এই গেট দিয়ে সীমান্ত পার হতে হবে। তবে যাঁদের হাতে এমআরপি পাসপোর্ট থাকবে, তাঁদের ইমিগ্রেশনের কাজ বিদ্যমান পদ্ধতিতে চলমান থাকবে।



ব্যয় ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা
বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর ও অন্যান্য সীমান্ত বন্দরে এই ব্যবস্থা এর মধ্যে চালু রয়েছে। বিশ্বের ১১৯টি দেশে ই-পাসপোর্ট চালু হয়েছে। এটি মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের চেয়ে বেশি নিরাপদ।

পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্র জানায়, শুরুতে ২০ লাখ পাসপোর্ট জার্মানি থেকে প্রিন্ট করিয়ে সরবরাহ করা হবে। এরপর আরও ২ কোটি ৮০ লাখ পাসপোর্ট বাংলাদেশে প্রিন্ট করা হবে। সে জন্য উত্তরায় কারখানা স্থাপন করা হবে। পরবর্তী সময়ে ওই কারখানায় থেকে ই–পাসপোর্ট ছাপানো অব্যাহত রাখা হবে।

এই প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। পুরো টাকাই বাংলাদেশ সরকার বহন করবে। বর্তমানের বই আকারের পাসপোর্টে সরকারের যে টাকা ব্যয় হয়, সেই অনুপাতে ই-পাসপোর্ট চালু হলে পাসপোর্টপ্রতি সরকারের প্রায় ৩ ডলার করে সাশ্রয় হবে বলে কর্মকর্তারা ধারণা করছেন।

প্রেক্ষাপট
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল পাসপোর্টসেবা সপ্তাহ উদ্বোধনের সময়ে ই-পাসপোর্ট চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরই অংশ হিসেবে সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (২০১৬-২০) আধুনিক ইমিগ্রেশন–ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য ই-পাসপোর্ট প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এরপর শেখ হাসিনার জার্মানি সফরের সময় ২০১৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট চালুর বিষয়ে জার্মানির সরকারি প্রতিষ্ঠান ভেরিডোস জেএমবিএইচের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়।

জানা যায়, প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত কারিগরি কমিটির মোট ছয়টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এসব সভার তিনটিতে বাংলাদেশে জার্মানির রাষ্ট্রদূত ও উপরাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি পরিকল্পনা বিভাগ থেকে ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত প্রকল্প প্রস্তাব দ্রুত একনেক সভায় উত্থাপনের অনুরোধ জানিয়ে তাগিদ দেওয়া হয়।

পাসপোর্টের বিবর্তন
মধ্যযুগে বিদেশি পর্যটক বা পরিব্রাজকেরা ইউরোপের দেশগুলোর কোনো শহর বা নগরে প্রবেশ করতে চাইলে নগর কর্তৃপক্ষ তাঁদের শনাক্ত করার জন্য গেটপাস দিত। আর পাসপোর্টের প্রথম ধারণা পাওয়া যায় ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম হেনরির সময়ে। তাঁর সময়ে ১৫৪০ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে আইন হয় এবং ট্রাভেল ডকুমেন্ট হিসেবে পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়। এরপর ১৭৯৪ সালে তারা সরকারি চাকুরেদের জন্য পাসপোর্ট ইস্যু করে।

পাসপোর্টের ইতিহাস থেকে জানা যায়, জাপানে নাগরিকদের জন্য প্রথম পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় ১৮৬৬ সালে। এরপর ১৮৯৮ সালে চীনে এবং ১৯০০ সালে অটোমান সাম্রাজ্যে পাসপোর্টের প্রচলন শুরু হয়।

তবে আন্তর্জাতিকভাবে আধুনিক পাসপোর্টের ধারণা শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২০ সালে। মূলত, দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে এর ওপর জোর দেয়। তখন প্যারিসে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের (লিগ অব ন্যাশনস) বৈঠকে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কাগজের তৈরি পাসপোর্ট এবং আনুষঙ্গিক অন্য নিয়মকানুন চালু করে। ১৯৮০ সালের পর আসে এমআরপির ধারণা। যদিও বাংলাদেশের এর যাত্রা শুরু হয়েছে অনেক পরে, ২০১০ সালে। তার আগেই ২০০৮ সাল থেকে উন্নত দেশগুলোতে ই-পাসপোর্ট চালু করে।

Source: http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1498986/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%87

9
The five biggest technology trends affecting FinTech today

Two years ago, I wrote an article on the 6 biggest trends in FinTech. Looking back, I’m happy to say that there has been significant progress in all the areas. A year after that, I wrote Everyone is Talking about APIs to discuss a trend that, at the time, was new to the industry. In a landscape where new technology arises, gets implemented and goes mainstream in a heartbeat, I wanted to cover five of the most impactful trends currently impacting the FinTech industry today:

1. Artificial Intelligence and Machine Learning

Discussions about artificial intelligence and machine learning have dominated the tech world for the past year. To IBM, we refer to it as cognitive computing and it emphasizes that artificial intelligence should augment human intelligence, not replace it. In finance, AI is helping detect and fight fraud before it can be detected by humans. Stacks of new compliance regulations are being fed into artificial intelligence systems like IBM Watson to help businesses stay on top of the ever-changing rules. Chatbots built with AI are able to help agents satisfy customer questions with accuracy and speed, or even satisfy customers with no human manpower at all. In wealth management, AI is helping with stress testing a market scenario and removing biases from investment decisions. We are just now beginning to scratch the surface learning what we can do with AI and machine learning, in and out of the FinTech industry.

2. APIs

The benefits of creating applications using APIs as building blocks are being recognized as the best way to keep up with tsunami of business and economic challenges facing the financial industry. FinTech startups have dominated the landscape by creating mobile apps that have challenged, and in some cases, surpassed the established banking industry. By using APIs, these small but dynamic businesses are able to innovate with agility and speed that larger established banks and financial institutions are unable duplicate. To keep pace, banks are now investing heavily to improve their ability to create innovative mobile apps, while participating in developer sandboxes and also the API economy. Banks could be positioned to regain dominance in this area due to the amount of data they’ve collected over the years and have barely touched.

3. Blockchain

Blockchain, or distributed ledger technology, is promising to bring trust and transparency to a world filled with uncertainty and the threat of fraud. Large financial players are collaborating in consortiums to rebuild infrastructure based on this new technology to replace legacy and incompatible systems. From trade finance platforms, to cross border payments and digital identification, eliminating inefficiencies created by lack of trust and transparency is a major selling point of implementing blockchain technology. By removing these intermediaries in business processes and creating innovative networks, blockchain is streamlining the exchange of value across ecosystems.

4. Human Digital Interfaces

Most of us have trouble going a day without one of our digital devices, so it’s natural to see mobile technology becoming more integrated into our daily lives. We’re already using our voice to make commands rather than touching our screen or typing. Passwords are being replaced by biometric finger, retinal, or face scans as security checks. Technology is gauging our emotional state based on our interactions with our devices. Gestures can be used to trigger an action. For the next few years, expect to see these interfaces showing up in more places and being perfected. I’m not sure if I’m ready for cyborg type integration with technology, but you can be sure that someone is already tinkering with those ideas.

5. Quantum Computing

Earlier this year I attended AI.Toronto where Vern Brownell from D-Wave spoke to a financial audience about what to expect in the future for the next level of computing: quantum computing. A traditional computer system is based on bits that are either 0’s or 1’s. Quantum computing uses qubits, essentially enabling a computer to go beyond simply two states to store an enormous amount of information while using less energy. Quantum computers will not replace traditional computers, but will be able to solve computationally difficult problems such as maximizing returns for investments based on a given risk profile. In addition to finding answers fast, consider the accuracy achievable in artificial intelligence or machine learning. It might even make technology look intuitive. Technology to detect fraud or money laundering is an area well suited for quantum computing.

FinTech is an industry that continues to be on the forefront of innovation. Technology that would take decades to design, test and implement by large financial institutions, are going from beta to real-world applications in a fraction of the time, by scrappy startups that are disrupting the financial industry in a big way. While security risks remain, the winners are us, as consumers who are seeing the benefit in conveniences and functionality in our banking and financial experiences, thanks to these trends in FinTech technology.

Source: https://www.ibm.com/blogs/insights-on-business/banking/5-biggest-technology-trends-affecting-fintech-today/

10
Top 5 IoT trends transforming business in 2018

What a year! 2017 brought us transformation and excitement in the Internet of Things (IoT) space. It’s been a true transformation. We’ve seen almost every industry invest in IoT, and leading industries are quickly moving to implement IoT solutions that drive the bottom line. Consumer products, like wearables and connected electronics, are certainly a large part of the market. But IDC estimates more than 80 percent of IoT spend through 2020 will be on B2B applications and use cases.

That’s why IoT will be one of the primary drivers of the digital transformation in 2018 and beyond. Using IoT, successful companies will create a self-learning environment. In turn, those will drive digital disruption in the physical world. New business models will emerge, along with changes in work processes, productivity improvements, cost containment and enhanced customer experiences.

With all this in mind, I want to share what I believe will be the top five IoT trends in 2018.

Trend #1 Digital Twin

In the Industrial Internet of Things (IIoT), businesses will need to rethink their tools if operations, supply chains and value propositions are to remain competitive. The IBM Institute of Business Value report, “Thinking out of the toolbox,” highlights the realization by executives that digital data holds the promise to eliminate guessing and start understanding operations.



A significant finding: More than half (54 percent) of the respondents prioritized digital for ‘Product quality monitoring and predicting failures.’ And 52 percent said ‘Manufacturing plant optimization.’

What is a Digital Twin?
A key tool to improve operations with digital data is the Digital Twin.

Digital Twins are a huge next step in the world of IoT. In brief, the digital twin is a virtual doppelganger of the real-world thing. (Read more about Digital Twins.) In a software-everywhere world, Digital Twin technology will help organizations bridge the divide between the physical and digital.

The Digital Twin serves as a looking glass into what’s happening within physical assets. They also give insight into changes required for the future. Leveraging your IoT investments, and IBM Watson, the Digital Twin visualizes the hidden insights and dependencies of usability, traceability and quality. And all of these will eventually be part of your operations revolution. Eventually, with sensors everywhere, operations and interactions could be customized for every client.

Ultimately, the Digital Twin accelerates the product development timeline at reduced costs. As the digital counterpart of a physical product, the Digital Twin allows product developers to create, test, build, monitor, maintain and service products in a virtual environment. In short, the Digital Twin empowers organizations to shift to an operations-centric view. Proactive and predictive maintenance enables front line personnel to act before costly delays or failures occur and keep product development.

Trend #2 Blockchain

In 2018, Blockchain will play a major role by enhancing security, making transactions more seamless and creating efficiencies in the supply chain. (If you’re not familiar with the term, check out the blockchain cheat sheet.)

I expect the coming year will be one in which we see companies start to leverage blockchain in three key ways:

Build trust.  Blockchain can help build trust between the people and parties that transact together. Watson IoT blockchain enables devices to participate in blockchain transactions as a trusted party. While Person A may not know device B and may not trust it implicitly, the indelible record of transactions and data from devices stored on the blockchain provide proof and command the necessary trust for businesses and people to cooperate.

Reduce costs. IoT and blockchain enable participants to reduce monetary and time commitment costs by ultimately removing the “middle man” from the process. Transactions and device data are now exhibited on a peer-to-peer basis, removing most legal or contractual costs.

Accelerate transactions. IoT and blockchain enable more transactions overall because it removes the middle man from the process. Organizations reduce the time needed for completing legal or contractual commitments through smart contracts.
Transforming your business with blockchain
Blockchain for IoT can transform the way business transactions are conducted globally by providing a trustworthy environment. These transactions are automated and encoded while enterprise-level privacy is preserved, offering security for all parties.

With IBM Watson IoT Blockchain, information from IoT devices is used in transactions. These blockchain-based solutions help organizations improve operational efficiency, transform customer experience, and adopt new business models. And it’s all done in a secure, private and decentralized manner. That means greater value for every participating organizations, a goal we should all strive for in 2018.

Trend #3 Security

As we rely on connected devices to make our lives better and easier in 2018, security is a must. All participants in the IoT ecosystem are responsible for the security of the devices, data and solutions. This means that device manufacturers, application developers, consumers, operators, integrators and enterprise businesses should all follow best practices.

IoT security requires a multi-layered approach. From a device point of view, it starts with design and development. Hardware, firmware/software and data must stay secure through the entire product lifecycle. It’s the same approach whether you’re a security analyst or operations person responsible for IoT solutions. IoT’s full potential will only be reached if security challenges are addressed. That requires a combination of interoperability, education and good design—and a proactive, not reactive approach to designing security features.

IBM’s approach to security
At IBM, we take security very seriously. We understand the intricacies of IoT. And we have the combined expertise from across our entire organization to explore the issues and provide best practices. Our thought leaders from IBM Research, Security and IoT joined forces on a comprehensive overview of IoT Security. Read our latest POV on cognitive security for the Internet of Things for the implications, best practices and standards of IoT security.

Trend #4 SaaS

Many IoT implementations still require on-prem implementations. But in 2018, there will be more (and very clear) instances where Software as a Service (SaaS) is a viable option. Next year, I believe we’ll see more companies choose the SaaS approach to quickly create and prove out a variety of IoT scenarios at lower investment levels.

How to benefit with SaaS
Here are three major benefits that SaaS brings to an IoT deployment and why I predict that it’s a trend to watch:

Organizations will realize benefits more quickly. Maybe you’re just getting started. You’re collecting and sifting through telemetry data to discover new insights. Or maybe you’re ready to unleash machine learning on heaps of data to predict future machine failures. Either way, SaaS gives you the option to be up and running in hours, not months or years.
There’s a lower cost of entry. A typical IoT solution is comprised of several components spanning many technologies. There is device-side firmware, multiple connectivity technologies, server-side logic, vast amounts of data, and machine learning. Do you have the budget to develop and manage all that infrastructure from day one of your IoT project? An IoT SaaS implementation makes it easier to start slowly and grow a solution over time.

There’s also Increased flexibility. Don’t limit your evaluation of the SaaS solution to your initial IoT needs. Given the uncertainty of how your business will leverage IoT, now is a great time for some experimentation. In the new year, take advantage of SaaS capabilities to push your IoT project further or to try multiple scenarios.

Trend #5 Cognitive Computing

Last on my trend list, but certainly not least, is Cognitive Computing. The Internet of Things is at the threshold of a tremendous opportunity. For over a decade we’ve connected things with unique IP addresses. But the commoditization of sensors, processors and memory now make it possible to makes everyday things more than just connected … they can be intelligent.

Beyond traditional IoT implementations, cognitive computing increases the amount of data to improve the learning environment. That, then, increases the possibilities of what can be done with edge analytics – making sensors capable of diagnosing and adapting to their environment without the need for human intervention.

Another huge advantage of cognitive IoT: the ability to combine multiple data streams that can identify patterns. With that, they give much more context than would otherwise be available.

Unlocking IoT value
Cognitive IoT, AI and machine learning enable enterprises to unlock IoT value. An exploding amount of IoT data requires a new approach to gather, analyze and understand it all. And that massive amount of sensor and device information can be used to enhance what’s already known. Plus, it can also uncover new insights capable of transforming industries.

While making sense out of dark data and edge data paves our way to revolutionary ideas and technologies, it requires a cognitive approach. One that can effectively handle increasingly large inputs while generating meaningful output. Programmable systems thrive on prescribed scenarios using predictable data. But their rigidity can limit their usefulness when addressing the ambiguity and uncertainty of IoT data. Cognitive systems, however, are not explicitly programmed. They learn from interactions with people and from experiences with their environment. And in doing so, they become able to keep pace with the complexity of the Internet of things, identifying data correlations that would otherwise go unnoticed.

Source: https://www.ibm.com/blogs/internet-of-things/top-5-iot-trends-in-2018/

11
Top 5 IoT trends transforming business in 2018
What a year! 2017 brought us transformation and excitement in the Internet of Things (IoT) space.

It’s been a true transformation. We’ve seen almost every industry invest in IoT, and leading industries are quickly moving to implement IoT solutions that drive the bottom line. Consumer products, like wearables and connected electronics, are certainly a large part of the market. But IDC estimates more than 80 percent of IoT spend through 2020 will be on B2B applications and use cases.

That’s why IoT will be one of the primary drivers of the digital transformation in 2018 and beyond. Using IoT, successful companies will create a self-learning environment. In turn, those will drive digital disruption in the physical world. New business models will emerge, along with changes in work processes, productivity improvements, cost containment and enhanced customer experiences.

With all this in mind, I want to share what I believe will be the top five IoT trends in 2018.

Trend #1 Digital Twin
In the Industrial Internet of Things (IIoT), businesses will need to rethink their tools if operations, supply chains and value propositions are to remain competitive. The IBM Institute of Business Value report, “Thinking out of the toolbox,” highlights the realization by executives that digital data holds the promise to eliminate guessing and start understanding operations.



A significant finding: More than half (54 percent) of the respondents prioritized digital for ‘Product quality monitoring and predicting failures.’ And 52 percent said ‘Manufacturing plant optimization.’

What is a Digital Twin?
A key tool to improve operations with digital data is the Digital Twin.

Digital Twins are a huge next step in the world of IoT. In brief, the digital twin is a virtual doppelganger of the real-world thing. (Read more about Digital Twins.) In a software-everywhere world, Digital Twin technology will help organizations bridge the divide between the physical and digital.

The Digital Twin serves as a looking glass into what’s happening within physical assets. They also give insight into changes required for the future. Leveraging your IoT investments, and IBM Watson, the Digital Twin visualizes the hidden insights and dependencies of usability, traceability and quality. And all of these will eventually be part of your operations revolution. Eventually, with sensors everywhere, operations and interactions could be customized for every client.

Ultimately, the Digital Twin accelerates the product development timeline at reduced costs. As the digital counterpart of a physical product, the Digital Twin allows product developers to create, test, build, monitor, maintain and service products in a virtual environment. In short, the Digital Twin empowers organizations to shift to an operations-centric view. Proactive and predictive maintenance enables front line personnel to act before costly delays or failures occur and keep product development.

Trend #2 Blockchain
In 2018, Blockchain will play a major role by enhancing security, making transactions more seamless and creating efficiencies in the supply chain. (If you’re not familiar with the term, check out the blockchain cheat sheet.)

I expect the coming year will be one in which we see companies start to leverage blockchain in three key ways:

Build trust.  Blockchain can help build trust between the people and parties that transact together. Watson IoT blockchain enables devices to participate in blockchain transactions as a trusted party. While Person A may not know device B and may not trust it implicitly, the indelible record of transactions and data from devices stored on the blockchain provide proof and command the necessary trust for businesses and people to cooperate.
Reduce costs. IoT and blockchain enable participants to reduce monetary and time commitment costs by ultimately removing the “middle man” from the process. Transactions and device data are now exhibited on a peer-to-peer basis, removing most legal or contractual costs.
Accelerate transactions. IoT and blockchain enable more transactions overall because it removes the middle man from the process. Organizations reduce the time needed for completing legal or contractual commitments through smart contracts.
Transforming your business with blockchain
Blockchain for IoT can transform the way business transactions are conducted globally by providing a trustworthy environment. These transactions are automated and encoded while enterprise-level privacy is preserved, offering security for all parties.

With IBM Watson IoT Blockchain, information from IoT devices is used in transactions. These blockchain-based solutions help organizations improve operational efficiency, transform customer experience, and adopt new business models. And it’s all done in a secure, private and decentralized manner. That means greater value for every participating organizations, a goal we should all strive for in 2018.

Trend #3 Security
As we rely on connected devices to make our lives better and easier in 2018, security is a must. All participants in the IoT ecosystem are responsible for the security of the devices, data and solutions. This means that device manufacturers, application developers, consumers, operators, integrators and enterprise businesses should all follow best practices.

IoT security requires a multi-layered approach. From a device point of view, it starts with design and development. Hardware, firmware/software and data must stay secure through the entire product lifecycle. It’s the same approach whether you’re a security analyst or operations person responsible for IoT solutions. IoT’s full potential will only be reached if security challenges are addressed. That requires a combination of interoperability, education and good design—and a proactive, not reactive approach to designing security features.

IBM’s approach to security
At IBM, we take security very seriously. We understand the intricacies of IoT. And we have the combined expertise from across our entire organization to explore the issues and provide best practices. Our thought leaders from IBM Research, Security and IoT joined forces on a comprehensive overview of IoT Security. Read our latest POV on cognitive security for the Internet of Things for the implications, best practices and standards of IoT security.

Trend #4 SaaS
Many IoT implementations still require on-prem implementations. But in 2018, there will be more (and very clear) instances where Software as a Service (SaaS) is a viable option. Next year, I believe we’ll see more companies choose the SaaS approach to quickly create and prove out a variety of IoT scenarios at lower investment levels.

How to benefit with SaaS
Here are three major benefits that SaaS brings to an IoT deployment and why I predict that it’s a trend to watch:

Organizations will realize benefits more quickly. Maybe you’re just getting started. You’re collecting and sifting through telemetry data to discover new insights. Or maybe you’re ready to unleash machine learning on heaps of data to predict future machine failures. Either way, SaaS gives you the option to be up and running in hours, not months or years.
There’s a lower cost of entry. A typical IoT solution is comprised of several components spanning many technologies. There is device-side firmware, multiple connectivity technologies, server-side logic, vast amounts of data, and machine learning. Do you have the budget to develop and manage all that infrastructure from day one of your IoT project? An IoT SaaS implementation makes it easier to start slowly and grow a solution over time.
There’s also Increased flexibility. Don’t limit your evaluation of the SaaS solution to your initial IoT needs. Given the uncertainty of how your business will leverage IoT, now is a great time for some experimentation. In the new year, take advantage of SaaS capabilities to push your IoT project further or to try multiple scenarios.
Trend #5 Cognitive Computing
Last on my trend list, but certainly not least, is Cognitive Computing. The Internet of Things is at the threshold of a tremendous opportunity. For over a decade we’ve connected things with unique IP addresses. But the commoditization of sensors, processors and memory now make it possible to makes everyday things more than just connected … they can be intelligent.

Beyond traditional IoT implementations, cognitive computing increases the amount of data to improve the learning environment. That, then, increases the possibilities of what can be done with edge analytics – making sensors capable of diagnosing and adapting to their environment without the need for human intervention.

Another huge advantage of cognitive IoT: the ability to combine multiple data streams that can identify patterns. With that, they give much more context than would otherwise be available.

Unlocking IoT value
Cognitive IoT, AI and machine learning enable enterprises to unlock IoT value. An exploding amount of IoT data requires a new approach to gather, analyze and understand it all. And that massive amount of sensor and device information can be used to enhance what’s already known. Plus, it can also uncover new insights capable of transforming industries.

While making sense out of dark data and edge data paves our way to revolutionary ideas and technologies, it requires a cognitive approach. One that can effectively handle increasingly large inputs while generating meaningful output. Programmable systems thrive on prescribed scenarios using predictable data. But their rigidity can limit their usefulness when addressing the ambiguity and uncertainty of IoT data. Cognitive systems, however, are not explicitly programmed. They learn from interactions with people and from experiences with their environment. And in doing so, they become able to keep pace with the complexity of the Internet of things, identifying data correlations that would otherwise go unnoticed.

Source: https://www.ibm.com/blogs/internet-of-things/top-5-iot-trends-in-2018/

12
এ বছরেই আসছে হলোগ্রাফিক স্মার্টফোন
এ বছরেই দেখা মিলবে প্রথম হলোগ্রাফিক স্মার্টফোনের। সম্প্রতি এটিঅ্যান্ডটি ও ভেরিজন ঘোষণা করেছে তারা এই বছরের শেষ দিকে হলোগ্রাফিক স্মার্টফোনটি বাজারে ছাড়বে। রেড হাইড্রোজেন ওয়ান নামের এই স্মার্টফোনটিই হতে যাচ্ছে ভিডিও ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রেড-এর তৈরি প্রথম ফোন।



এই অ্যান্ড্রয়েড ফোনটির আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো এতে একটি হলোগ্রাফিক পর্দা থাকবে যার মাধ্যমে বিশেষ ধরনের কোনও চশমা ছাড়াই থ্রিডি দেখা যাবে। স্মার্টফোনটির দুই পাশ এবং পেছন থেকেও থ্রিডি ইমেজ দেখা যাবে এবং হাতের ইশারা দিয়ে ফোনের স্ক্রিনটি পরিচালনা করা যাবে। এতে থ্রিডি ইমেজ ধারণ করার জন্য ক্যামেরাও থাকবে।
আগাম বুকিংয়ে অ্যালুমিনিয়াম বডির সেটের জন্য ১ হাজার ২৯৫ এবং টাইটানিয়াম বডির সেটের জন্য ১ হাজার ৫৯৫ ডলার খরচ করতে হবে ক্রেতাকে।
স্মার্টফোনটি মূলত ২০১৮ সালের প্রথম দিকেই বাজারে আসার কথা ছিল। কিন্তু ফোনটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তারিখটি পিছিয়ে দেয়।

Source: http://www.banglatribune.com/tech-and-gadget/news/329503/%E0%A6%8F-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%A8

13
নিপাহ ভাইরাস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

১৯৯৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মালয়েশিয়ায় নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রথম সনাক্ত করা হয়। এরপর ১৯৯৯ সালের মে মাসে সিঙ্গাপুরেও রোগটি সনাক্ত করা হয়। নিপাহ ভাইরাস হচ্ছে Paramyxoviridae গোত্রের অন্তর্ভূক্ত গণ Henipavirus এর অন্তর্গত। এটি একটি আরএনএ ভাইরাস। মালয়েশিয়ার সুঙ্গাই নিপাহ গ্রামে প্রথম সনাক্ত করা হয় বলে ভাইরাসটির নামকরণ করা হয় নিপাহ ভাইরাস। ভাইরাসটি ড. কো বিং চুয়া আবিষ্কার করেন।

প্রথম যখন সনাক্ত করা হয় তখন নিপাহ ভাইরাস দ্বারা প্রায় ৩০০ জন লোক আক্রান্ত হয়েছিল। যাদের মধ্যে ১০০ জন রোগী মারা গিয়েছিল। রোগের ভয়াবহতা এতটাই মারাত্মক ছিল যে, এই ভাইরাসের প্রদুর্ভাব ঠেকাতে সে সময় ১০ লক্ষ শূকরকে ইউথ্যানেশিয়া বা ব্যথামুক্ত মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছিল। সে সময় মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।

বাংলাদেশে ২০০১ সালে নিপাহ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল কুষ্টিয়া জেলায়। এরপর ২০০৩-২০০৫ সালেও এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল। ২০১৩ সালে প্রকাশিত রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের জরিপ থেকে জানা যায়, দেশের ১৩টি জেলায় এই রোগ সনাক্ত করা হয়েছিল। জেলাগুলো হচ্ছে গাইবান্ধা, ঝিনাইদহ, কুড়িগ্রাম, কুষ্টিয়া, মাগুরা, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নওগা, নাটোর, নীলফামারী, পাবনা, রাজবাড়ী, রাজশাহী। এসব জেলার ৮ মাস থেকে ৬০ বছর বয়সী মানুষ আক্রান্ত হয়েছিল। তবে এসব জেলা ছাড়াও এই রোগ আরও কয়েকটি জেলায় ছড়ানোরও কথা জানা যায়।

বাংলাদেশের ন্যায় ভারতেও নিপাহ ভাইরাস আক্রান্ত রোগী প্রথম সনাক্ত করা হয়েছিল ২০০১ সালে। তখন শিলিগুড়ি শহরে জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে মোট আক্রান্ত হয়েছিল ৬৫ জন। যার মধ্যে ৪৫ জন মৃত্যুবরণ করেছিল। এই ঘটনার ৬ বছর পর ২০০৭ সালে আবারও নদীয়ায় ৫ জন রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। আক্রান্তদের সকলেই মারা যায়।
বাংলাদেশে প্রায় প্রতিবছরই নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কথা কমবেশি শোনা যায়। তবে এ বছর নিপাহ ভাইরাস অনেকটাই আলোচনার বাইরে ছিল। কিন্তু গত কয়েকদিন থেকে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ কেরালায় নতুন করে এই রোগ দেখা দেওয়ায় আবারও ভারতের প্রায় সর্বত্রই সতর্কতা জারী করা হয়েছে। ফলে নতুন করে এই রোগ নিয়ে ভাবতে হচ্ছে বিশেষজ্ঞদের।

কোঝিকোড় জেলার পেরাম্বারায় একটি বাড়ি থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে বলে কেরালার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ধারণা করছে। ইতিমধ্যে এ বছর ভারতে ১২ জনের মৃত্যুর কথা জানা গেলেও নিশ্চিতভাবে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। এ সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশংঙ্কা করা হচ্ছে। মৃতদের মাঝে সর্বাধিক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী সেবিকা লিনি পুথুসারি। ‍যিনি কোঝিকোড়ের ‘পেরাম্বারা তালুক’ নামের একটি হাসপাতালে নিপাহ ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সেবা করছিলেন।

নিপাহ ভাইরাস এক ধরনের জুনোটিক ভাইরাস। জুনোটিক ভাইরাস হচ্ছে সেই সকল ভাইরাস যারা প্রাণীদেহ থেকে মানবদেহে রোগ ছড়াতে পারে। নিপাহ ভাইরাসের প্রাথমিক বাহক হচ্ছে বাদুড়। আর ইন্টারমিডিয়েট বা মধ্যবর্তী বাহক হচ্ছে শূকর। শূকর ছাড়াও কুকুর, বিড়াল, ছাগল, ঘোড়া এবং ভেড়াও মধ্যবর্তী বাহক হিসেবে কাজ করতে পারে বলে জানা যায়। এ সময় মধ্যবর্তী বাহকগুলোতে রোগের উপসর্গ দেখা যেতে পারে। আক্রান্ত প্রাণী থেকে নানাভাবে মানুষের মাঝে ভাইরাসটি বিস্তার লাভ করে থাকে। আবার অসুস্থ মানুষ থেকে মানুষেও এই ভাইরাস ছড়ায়।

মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে প্রথম যখন এই ভাইরাস আক্রান্ত রোগী হিসেবে যাদের সনাক্ত করা হয় তারা সকলেই শূকরের খামারে কাজ করছিলেন। সেসময় অসুস্থ শূকর থেকে সুস্থ মানুষগুলো রোগাক্রান্ত হয়েছিল। বাংলাদেশে প্রথম নিপাহ ভাইরাস ছড়িয়েছিল কাঁচা খেজুরের রস পান করার মাধ্যমে। আর ভারতে এ বছর রোগটি ছড়িয়েছে আংশিক বাদুড়ে খাওয়া আম থেকে।

সাধারণত বাদুড়ের লালা, মলমূত্র, শ্বাস-প্রশ্বাস ও সংস্পর্ষের মাধ্যমে এ রোগ বিস্তার লাভ করে থাকে। বাদুড় যখন খেজুর গাছে বাঁধা হাঁড়ি থেকে রস পান করে তখন ভাইরাস কাঁচা খেজুর রসে বংশবৃদ্ধি করে। পরবর্তীতে এই রস পান করার মাধ্যমে মানুষ নিপাহ ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। আবার আক্রান্ত মানুষ থেকে সুস্থ মানুষেও ভাইরাসটি রোগের সৃষ্টি করতে পারে।

নিপাহ ভাইরাস বাদুড়ে থাকার সময় বাদুড়ে কোনো প্রকার রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায় না। কিন্তু ভাইরাস মানবদেহ ও শূকরসহ অন্যান্য মধ্যবর্তী বাহকে প্রবেশ করলে ৭-১৪ দিনের মধ্যে নানারকম রোগ লক্ষণ প্রকাশ পেয়ে থাকে। নিপাহ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত মানুষের মাঝে যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় তা হচ্ছে –

১. ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সর্দি-জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

২. আক্রান্ত ব্যক্তি জ্বরে ভোগেন।

৩. গলা ব্যথা, মাথা ধরা শুরু হয়।

৪. রোগীর বমি হয় এবং মাংসপেশী ব্যথা করে।

৫. যদি সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে থাকে তবে শ্বাসযন্ত্রে মৃদু থেকে মারাত্মক প্রদাহ হয়। তখন মারাত্মক শ্বাসকষ্ট হয়। এভাবে নিউমোনিয়ার মতো লক্ষণ প্রকাশ পায়।

৬. রোগ সংক্রমণের মাত্রা আরো বৃদ্ধি পেলে মস্তিষ্কের কোষ ও কলায় প্রদাহ হয়। ফলে ঝিমুনি, মাথা ঘোরা, অসংলগ্ন কথাবার্তা এবং স্নায়ুবিক নানা প্রকার উপসর্গ প্রকাশ পায়।

৭. পরিশেষে এনসেফালাইটিস বা প্রদাহের কারণে রোগী ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে কোমায় গিয়ে মারা যেতে পারে।

সাধারণত যেকোনো রোগ থেকে বাঁচতে প্রতিরোধ ব্যবস্থা মেনেই চলাই হচ্ছে উত্তম পন্থা। এই রোগ প্রতিরোধের উপায়গুলো হলো।

১. আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকা। এমনকি মৃতদেহ কবর দেওয়া, গোসল করানো, সৎকার করা ও মৃত ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার সময়ও যথাযথ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

২. উন্নতমানের মাস্ক বা মুখোশ পরিধান করতে হয়।

৩. সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধৌত করতে হবে।

৪. আংশিক খাওয়া ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫. পাস্তুরিতকরণ ছাড়া ফলের জুস পান না করা।

৬. যথাযথ ব্যবস্থাপনা না নিয়ে প্রাণীদের ঘরের আশপাশে না যাওয়া।

৭. খেজুরের রস পান করার পূর্বে উত্তমরূপে ফুটিয়ে নিতে হবে। রস ফুটিয়ে ও খেজুর রসের গুড় খেতে কোনো সমস্যা নেই।

৮. খেজুর রস সংগ্রহের হাড়ি ও পাইপ খোলা না রেখে ঢেকে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

৯. ফলমূল খাওয়ার পূর্বে ভালভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

১০. আপনার এবং শিশুদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুন।

ADVERTISEMENT

 
১১. গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী যথাযথভাবে ঢেকে রাখতে হবে।

জুনোটিক ভাইরাস ও রোগগুলো প্রাণী থেকে মানুষে রোগ ছড়ায়। তাই এই রোগগুলো প্রতিরোধ ও নির্মূলে উন্নত বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও প্রাণী চিকিৎসক, প্রাণী বিশেষজ্ঞ, মানব চিকিৎসকদের একত্রে কাজ করতে হবে। আশার কথা হচ্ছে, বর্তমানে জুনোটিক রোগ প্রতিরোধ, মানব স্বাস্থ্য ও প্রাণী স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশেও ‘ওয়ান হেল্‌থ বাংলাদেশ’ যথাযথভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সঠিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনা মেনে চলার পরও যদি নিপাহ ভাইরাসের লক্ষণ প্রকাশ পায় তবে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। এই ভাইরাস প্রতিরোধে এখনও কোনো প্রকার টিকা ও ভালোমানের ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। তাই রোগের লক্ষণ দেখে সেই অনুসারে কিছু ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। এই ভাইরাসের আক্রমণে মৃত্যুহার শতকরা ৭০ ভাগেরও অধিক। তাছাড়াও যারা বেঁচে থাকেন তাদের নানাবিধ স্নায়ুবিক ও মানসিক সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী হতে পারে। সুতরাং ভারতের প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমাদেরও এখনই সচেতন হওয়া উচিত।

Source: https://roar.media/bangla/main/health/information-about-nipah-virus/

14
বিশ্বের সবচেয়ে হালকা উড়ুক্কু যন্ত্র



মাছির যন্ত্রণায় অনেকেই ত্যক্তবিরক্ত হয়ে থাকেন। মাছি মারা যে কত কঠিন, তা সবারই জানা। মাছির মতোই রোবট নিয়ে তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্রও। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিতেও রোবট মাছির কথা শুনেছেন। সত্যি কি এ ধরনের মাছি তৈরি করা সম্ভব?

গবেষকেরা অনেক দিন ধরেই মাছির মতো দ্রুতগতির খুদে ড্রোন তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ছোট আকারের যন্ত্রাংশ তৈরিতে এখন যেন প্রকৌশলীরা ঠিক ‘জাদু’ দেখাচ্ছেন। যন্ত্রকে যতটা ছোট ও উন্নত করা যায়, এর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। ড্রোন বা চালকবিহীন যানের কথাই ধরুন না কেন, এটি দিন দিন আরও ছোট ও বহু কাজের কাজি হয়ে উঠছে। সম্প্রতি এমনই এক খুদে রোবটিক যান বা ড্রোন তৈরি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। এ রোবটকে এতটাই হালকা করে তৈরি করেছেন যে এতে ব্যাটারির ব্যবহার করেননি তাঁরা। এর বদলে তারহীন উপায়ে এতে শক্তি জোগানোর প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন।

ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষকেরা মাছির মতো খুদে ওই ড্রোনের নাম দিয়েছেন ‘রোবোফ্লাই’। এটি তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সায়েয়ার ফুলারের নেতৃত্বে একদল গবেষক কাজ করেছেন। অস্ট্রেলিয়ান ব্রিসবেনে জুনে রোবোটিকস অ্যান্ড অটোমেশন নামের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ ড্রোন প্রদর্শন করবেন তাঁরা।

গবেষকেরা বলেন, ড্রোনটি তৈরিতে তাঁদের তিনটি প্রযুক্তিগত বাধা পেরোতে হয়েছে। একটি হচ্ছে প্রপেলার ও রোটর-সংক্রান্ত। সাধারণত ছোট আকারের ড্রোনের ক্ষেত্রে বাতাসের ঘনত্বের কারণে প্রচলিত প্রপেলার ও রোটর কার্যকর হয় না। দ্বিতীয় বাধাটি হলো ছোট ও পাতলা ড্রোনের ক্ষেত্রে এর সার্কিট ও মোটর হালকা করা। তৃতীয় বাধাটি হলো ড্রোনের ব্যাটারি হালকা-পাতলা করা।

ছোট আকারের এ ড্রোন তৈরির ক্ষেত্রে বড় বাধাগুলো দূর করতে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষকেরা কাজ করছিলেন। ২০১৩ সালের গবেষক ফুলার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করার সময় ৮০ মিলিগ্রাম ওজনের পোকার মতো একটি রোবট তৈরি করেছিলেন। সে রোবটে এক জোড়া পাখা বসিয়েছিলেন, যা মাছির মতোই মতো সেকেন্ডে ১২০ বার ওঠানামা করতে পারে। এ পদ্ধতি নতুন ড্রোনে জুড়ে দিয়েছেন তাঁরা।

এর বাইরে প্রচলিত মোটর ব্যবহারের পরিবর্তে গবেষকেরা পিজোইলেকট্রিক সিরামিক ব্যবহার করেছেন, যা বিদ্যুৎস্পর্শের মতোই সাড়া দিতে সক্ষম। এর পরের বাধাটি ছিল ড্রোনকে তারহীন করা। গবেষক ফুলার সার্কিট ব্যবহারের পরিবর্তে লেজার প্রযুক্তির সাহায্য নেন। এ ছাড়া ওই ড্রোনে আট মিলিগ্রাম ওজনের একটি সোলার সেল ব্যবহার করেন। এতে লেজার রশ্মি পড়লেই বিনা তারেই এতে শক্তি তৈরি হয়।

অবশ্য ড্রোনটির সমস্যাও হচ্ছে ওই লেজার। লেজারের আওতার বাইরে গেলেই এটি আর চলতে সক্ষম নয়। এ সমস্যা সমাধান করতেও কাজ করছেন গবেষকেরা। এ সমস্যা সমাধান হলেই উড়ে বেড়াতে পারবে রোবট মাছি।

এ মাছির কাজ কী হবে, তা জানতে নিশ্চয়ই কৌতূহল হচ্ছে? এ রোবট মাছিতে নানা রকম সেন্সর, যোগাযোগের যন্ত্রপাতি যুক্ত করে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা বা তাকে দিয়ে নানা কাজ করানো যাবে। গবেষকেরা বলছেন, ছোট এ ড্রোন প্রযুক্তি বিশ্বে হইচই ফেলে দিতে পারে।

Source: http://www.prothomalo.com/technology/article/1499846/বিশ্বের-সবচেয়ে-হালকা-উড়ুক্কু-যন্ত্র

15
২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ

চার দশক পিছিয়ে থাকার পর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে ভারতকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ মাথাপিছু আয়েও ভারতকে পেছনে ফেলবে।

২০১৬ সালসহ আগের তিন বছরে বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ডলারের হিসাবে বেড়েছে ৪০ শতাংশ। একই সময়ে ভারতের মাথাপিছু আয় বাড়ে ১৪ শতাংশ। এভাবে চলতে থাকলে ২০২০ সাল নাগাদ মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৩৫৫ মার্কিন ডলার। ভারতের একজন নাগরিক বর্তমানে একজন বাংলাদেশির চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি আয় করেন।

অথচ ২০১১ সালে বাংলাদেশিদের চেয়ে ৮৭ শতাংশ বেশি আয় ছিল ভারতীয়দের।

২০১৬ সালসহ আগের তিন বছরে চলতি মূল্যে ডলারের হিসাবে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ক্ষেত্রে সমন্বিত বার্ষিক
প্রবৃদ্ধি (সিএজিআর) ১২ দশমিক ৯ শতাংশ হারে বেড়েছে। এ ক্ষেত্রে ভারতের প্রবৃদ্ধির হার প্রায় অর্ধেক, ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। একই সময়ে পাকিস্তানের সিএজিআর ভারতের চেয়ে বেশি হলেও তা বাংলাদেশের চেয়ে কম ছিল। পাকিস্তানের সিএজিআর ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। আর চীনের অর্থনৈতিক প্রসারের বার্ষিক হার ৫ দশমিক ২ শতাংশ।

১৯৭০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ৪০ বছরে ভারত ছিল অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ দেশ। চলতি মূল্যে ডলারের হিসাবে ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৭ শতাংশ। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা ছিল ৭ দশমিক ৬ শতাংশ। আর পাকিস্তানে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ।

গড় আয়ুতেও ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। বর্তমানে বাংলাদেশে গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৫ বছর। ভারত ও পাকিস্তানে এই হিসাব যথাক্রমে ৬৮ দশমিক ৬ ও ৬৬ দশমিক ৫ বছর। শিশুমৃত্যুর হারও এই দুই দেশের তুলনায় বাংলাদেশে কম।

বাংলাদেশের এই অর্থনৈতিক সাফল্যের পেছনে চীনের রপ্তানির পরিমাণ কমে যাওয়ার বড় একটি ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বেইজিংয়ের নীতিনির্ধারকেরা এখন জাতীয় চাহিদা ও বিনিয়োগেই বেশি মনোযোগী। ২০১৬ সালে চীনের রপ্তানি কমে দাঁড়ায় ২ লাখ ২০ হাজার কোটি ডলার। অথচ তার তিন বছর আগে তাদের রপ্তানি ছিল ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি ডলার। চীনের রপ্তানি কমায় বৈশ্বিক বাজারে অন্যদের ভোগ্যপণ্য রপ্তানির সুযোগ বেড়ে যায়। ভারত এই সুযোগ নিতে না পারলেও বাংলাদেশ নিতে পেরেছে। ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারতের পুঁজি, বিনিয়োগ ও রপ্তানির পরিমাণ কমেছে এই সময়ে। এই তিন বছরে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৭ শতাংশ হারে।

Source: http://www.prothomalo.com/economy/article/1498616/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6

Pages: [1] 2 3 ... 10