Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - sanjida.dhaka

Pages: [1] 2 3 ... 13
3



স্যালাদ আমরা সকলেই কম বেশি খেয়ে থাকি। আর স্যালাদকে মুখোরোচক করতে অনেকসময় আমরা ব্যবহার করি লবণ,লেবু বা গোলমরিচ। তবে এতদিন আমারা অজান্তেই নিজেদের ভালো করে গেছি। স্বাদ পেতে এগুলোর মিশ্রনে আমরা যখন স্যলাদ খেয়ে থাকি তখন নানা ভাবে আমাদের শরীরের উপকারই হয়েছে।

আপনি কী জানেন এই তিনটির মিশ্রণ সারা বিশ্বে অনেকগুলো রোগের প্রতিষোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়? শুধুমাত্র এই তিনটি উপাদান কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া সারিয়ে তুলতে পারে নানা অসুখ। চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে সাহায্য করে এই উপাদান গুলো-

১। অনেকসময় ঠাণ্ডা লাগলে আমাদের অনেকেরই নাক বন্ধ হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে ইনহেলার ব্যবহার না করে ঘরোয়া এই টোটকা গুলি ব্যবহার করুন। গোল মরিচ গুঁরা, দারুচিনি, এলাচ এবং জিরা গুঁরা এক সাথে গুঁরা করে নিন। তারপর এই মিশ্রণটি ঘ্রানের সঙ্গে নিন। তারপর দেখুন কত সহজেই আপনার বন্ধ নাক পরিষ্কার হয়ে গেছে।

২। ঠাণ্ডার কারনে নাক বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি আমাদের গলাও ব্যথা হয়। ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১/২ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়া এবং ১ চা চামচ লবণ এক গ্লাস উষ্ণ পানিতে মিশিয়ে নিন। এবার এটি দিয়ে গারগেল করুন। দিনে দুইবার এটি করলেই তৎক্ষণাৎ ফল পাবেন।

৩। অনেক সময় শারীরিক বিভিন্ন কারনে মুখে ঘা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে ভয়ের কিছু নেই। এক টেবিল চামচ বিট লবণ এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে খাবার খাওয়ার পর এটি দিয়ে কুলকুচি করুন। এতে মুখের খারাপ ব্যাকটেরিয়া মরে যায় এবং সহজেই মুখের ঘা দূর করে।

৪। বেশি খাওয়া হয়ে গেলে বা নানা কারনে অনেক সময় শরীর অস্থির করে। বমি বমি ভাব আসে। এক্ষেত্রে গোল মরিচ বেশ কার্যকর। এছাড়া লেবুর গন্ধ বমি বমি ভাব দূর করতে সক্ষম। এক টেবিল চামচ লেবুর রস এবং এক চা চামচ গোল মরিচের গুঁড়া এক গ্লাস গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি ধীরে ধীরে পান করুন। এটি বমি বমি ভাব দূর করে দেবে।

৫। খাবার খাওয়ার ফলে অনেকসময় দাঁতে খাবার আটকে ব্যথা হয়ে থাকে। তবে দাঁতে ব্যথা খুবই মারাত্মক। যার হয় একমাত্র সেই জানে। এই দাঁতের ব্যথা দূর করতে ১/২ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়া এবং ১/২ চা চামচ লবঙ্গের তেল মিশিয়ে ব্যথা দাঁতে কিছুটা সময় রেখে দিন। এতে দ্রুত দাঁতের ব্যথা কমে আসবে।






http://www.bd-pratidin.com/life/2018/08/31/356803

5



বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মজে আছেন। সঙ্গে হয়তো গরম কিছু খাচ্ছিলেন, কিন্তু হঠাৎ করেই অসাবধানবশত গরমে জিহ্বা পুড়ে গেলো। আবার হয়তো গরম খাবার খাওয়ার সময় অনেকের সতর্কতাবশত জিহ্বা পুড়ে যায়। শুরু হয় জিহ্বায় প্রচুর জ্বালাপোড়া। এর জন্য রয়েছে কিছু ঘরোয়া টিপস। আসুন জেনে নিই জিহ্বা জ্বালাপোড়ায় থেকে স্বস্তি পেতে ঘরোয়া পদ্ধতি-

বরফ: পুড়ে যাওয়া জিহ্বা জ্বালাপোড়া কমাতে বরফের টুকরো লাগানো যেতে পারে। এ ছাড়া মুখের মধ্যে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে কয়েকবার কুলিকুচি করা যেতে পারে। এতে জ্বালাপোড়া কমবে। আপনি মুখে আরাম বোধ করবেন।
মধু: মধুতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও প্রদাহরোধী উপাদান, যা জ্বালাপোড়া ভাব ও প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি এটি পরবর্তী সময়ে মুখে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি প্রতিহত করবে।
দই: পুড়ে যাওয়া জিহ্বার জ্বালাপোড়া কমাতে মধু বেশ উপকারী।এ সময় ঠাণ্ডা জিনিস খাবেন। এটি দ্রুত শীতলতা প্রদান করে।
ঠাণ্ডা পানি মুখে দিয়ে কুলি: জিহ্বার জ্বালাপোড়া কমাতে ঠাণ্ডা পানি মুখে নিয়ে কুলি করুন। এটি কয়েকবার করতে হবে। দেখবেন আরাম পাবেন।
অ্যালোভেরা: এই উদ্ভিতটি ব্যথা কমাবে এবং জিহ্বার ভেতরে একটি ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা ভাব আনবে। অ্যালোভেরা জেল মুখের মধ্যে ২৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। দিনে কয়েকবার এটি করা যেতে পারে।





https://24newsbangla.com/sobujislam/22891/%E0%A6%B9%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A7%8E-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A7%9C%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%95/


9



আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠালের বিচি বা বীজ খেলে কী হতে পারে? গবেষণা বলছে, কাঁঠালের বিচি খেলে শরীরের কোনও ক্ষতি তো হয়ই না, উল্টে অনেক উপকার হয়। কাঁঠালের বিচিতে রয়েছে থিয়ামিন, রাইবোফ্লেবিন নামে দুটি উপাদান, যা দেহে এনার্জির ঘাটতি দূর করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, এই প্রকৃতিক উপাদানে জিঙ্ক, আয়রন, ক্যালসিয়াম, কপার, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম ত্বককে সুন্দর করে তোলার পাশাপাশি একাধিক রোগকে দূরে রেখে শরীরকে সার্বিকভাবে চাঙ্গা করে তুলতেও সাহায্য করে।

জেনে নিন বিস্তারিত …

কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমায় : কাঁঠালের বিচির ফাইবার শরীরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে কোষ্ঠ্যকাটিন্যের মতো রোগের প্রকোপ কমে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে কোলোনের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

প্রোটিনের ঘাটতি মেটে : নিয়মিত মাছ-মাংস খাওয়ার সুযোগ হয় না নাকি? দেহে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে নিয়মিত কাঁটালের বীজ খাওয়া শুরু করতে পারেন। কাঁঠালের বীজে যে পরিমাণে প্রোটিন থাকে, তা দেহের দৈনিক চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট।

সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে : বর্ষাকালে নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে কাঁঠালের বীজ আপনাকে দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে। এতে একাধিক অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এলিমেন্ট জীবাণুদের দূরে রাখার মধ্যে দিয়ে নানাবিধ ফুড-বন এবং ওয়াটার বন ডিজিজের প্রতিরোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় : পরিমাণ মতো কাঁঠালের বীজ নিয়ে প্রথমে কিছুটা সময় রোদে শুকিয়ে নিন। তারপর সেগুলি বেটে নিয়ে চটজলটি গুঁড়ো করে ফেলুন। এই গুঁড়ো পাউডারটি খেলে নিমেষে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা কমে যায়। সেই সঙ্গে কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা কমাতেও সাহায্য করে। এতে ডায়াটারি ফাইবার এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

স্ট্রেসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : অফিসে কাজের চাপ এমন বেড়েছে যে মাথা থেকে ধোঁয়া বেরতে শুরু করেছে? হাতের কাছে কাঁঠালের বীজ আছে কি? যদি না থাকে, তাহলে এক্ষুণি কিনে এনে খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন নিমেষে মানসিক চাপ কমে যাবে। কাঁঠালের বীজে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন এবং অন্যান্য উপকারি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস, যা মস্তিষ্কের কেমিকেল ব্যালেন্স ঠিক রাখার মধ্যে দিয়ে স্ট্রেস কমাতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে : কাঁঠালের বীজে ভিটামিন এ, দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি একাধিক চোখ সম্পর্কিত সমস্যাকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই বুড়ো বয়সে যদি চশমা ব্য়বহার করতে না চান, তাহলে আজ থেকেই কাঁঠালের বীজকে সঙ্গে রাখতে শুরু করুন।

ত্বকের বয়স কমে : খাতায় কলমে বয়স বাড়ালেও ত্বককে যদি আজীবন তরতাজা এবং সুন্দর রাখতে চান, তাহলে আজ থেকেই ব্যবহার শুরু করুন কাঁঠালের বীজের। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো বীজ নিয়ে প্রথমে গুঁড়ো করে নিন। তারপর সেটি অল্প পরিমাণ দুধের সঙ্গে মিশে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি প্রতিদিন মুখে লাগালে দারুন উপকার পাওয়া যায়। আর যদি হাতের কাছে মধু থেকে থাকে, তাহলে সেটিও এই পেস্টটি বানানোর সময় কাজে লাগাতে পারেন। দেখা গেছে পেস্টটির সঙ্গে মধু যোগ করলে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য আরও বৃদ্ধি পায়।

অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমে : কাঁঠালের বীজে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, যা খুব অল্প দিনেই রক্তাল্পতার মতো সমস্যা দূর করতে দারুণভাবে সাহায্য করে থাকে। আর কাঁঠালের বীজের দামও এমন কিছু নয়। বোল্ডস্কাই অবলম্বনে






https://24newsbangla.com/m-islam/16943/%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/




10





ত্বকের যত্নে লবণ- চিনি
স্বাদে নোনতা হলেও প্রতিটি খাবারের স্বাদ ঠিক রাখতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সঠিক মাত্রায় লবণ দেওয়া। আর চিনি শব্দটাই কেমন মিষ্টি-মিষ্টি, স্বাদটাও তাই।

স্বাদে বিপরীত হলেও মজার বিষয় হচ্ছে ত্বকের যত্নে দুটোই একই কাজ করে।

কীভাবে?
লবণ
ত্বক পরিষ্কার
‍বাড়ি ফিরে ত্বক পরিষ্কার করতে ১ টেবিল চামচ লবণ ও সমপরিমাণ পানি মিশিয়ে নিন। এবার এই পানি ত্বকে মেখে সঙ্গে সঙ্গেই পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

মরা কোষ
এক টেবিল চামচ লবণ ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে ত্বকে মাত্র ২ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এতে ত্বকের মরা কোষ দূর হবে।
ত্বক উজ্জ্বল, মসৃণ রাখতে ও বলিরেখা দূর করতেও লবণ ব্যবহার করতে পারেন।

এবার চিনির ব্যবহার জেনে নিন

ত্বক উজ্জ্বল ও ত্বকের মরা কোষ দূর করতে চিনির স্ক্রাবার উপকারী। ব্লাকহেডস দূর করতে, ত্বকের ব্রণ সারাতেও কার্যকর এটি। ১ চা চামচ চিনি ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। সপ্তাহে দু্ই দিন ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন হালকা করে, এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। যাদের লেবুর রসে ত্বকে অ্যালার্জি হয়, তারা চিনির সঙ্গে অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।

নিয়মিত লবণ-চিনির ব্যবহারেই খুব অল্প সময়েই পান কাঙ্ক্ষিত সুন্দর ত্বক।




http://www.banglanews24.com/lifestyle/news/bd/661794.details


11



স্বাস্থ্য রক্ষায় বা ওজন কমাতেই অনেকেই সকাল সকাল পাকা লেবুর রসের সাথে হালকা গরম পানি মিশিয়ে পান করে থাকেন। সকাল সকাল লেবু পানি পান করা যে ভালো, এটা অনেকেই জানেন। কিন্তু জানেন কি, আসলে কেন ভালো? যদি নিয়মিত রোজ সকালে এক কাপ লেবু পানি পান করেন, আপনাদের দেহ পাবে ২০টি জাদুকরী উপকারিতা। চলুন, জেনে নিই বিস্তারিত।

1.লেমন, অর্থাৎ পাকা লেবুতে থাকে ইলেকট্রোলাইটস ( যেমন পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি)। সকাল সকাল লেবু পানি আপনাকে হাইড্রেট করে, শরীরে যোগান দেয় এইসব প্রয়োজনীয়      উপাদানের।
2. হাড় জয়েনট ও মাসল পেইন কমায় দ্রুত।
3. লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড। সকাল সকাল উষ্ণ পানির সাথে পান করলে সেটা আপনার হজমতন্ত্রকে উন্নত করে সমস্যা রাখে দূরে।
4.অন্য যে কোন খাবারের চাইতে লেবু পানির ব্যবহারে লিভার অনেক বেশী দেহের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম তৈরি করতে পারে।
5.লেবু পানি টক্সিক উপাদান দূর করে লিভারকে পরিষ্কার রাখে।
6.পেট পরিষ্কার ও ভালো টয়লেট হতে সহায়তা করে।
7.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
8.আপনার নার্ভাস সিস্টেমে দারুণ কাজ করে। সকাল সকাল লেবুর পটাশিয়াম আপনার বিষণ্ণতা ও উৎকণ্ঠা দূর করতে সহায়ক।
9. লেবু পানি শরীরের রক্তবাহী ধমনী ও শিরাগুলোকে পরিষ্কার রাখে।
10.উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে।
11.শরীরের পি এইচ লেভেল উন্নত করে। পি এইচ লেভেল যত উন্নত, শরীর রোগের সাথে লড়াই করতে তত সক্ষম।
12.ইউরিক এসিড সমস্যা দূর করতে সহায়ক।
13.আপনার ত্বককে কর তোলে সুন্দর ও পরিষ্কার।
14.বুক জ্বলা পড়া দূর করে। যাদের এই সমস্যা আছে রোজ আধা কাপ পানির মাঝে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।
15.কিডনী ও প্যানক্রিয়াসের পাথর দূর করতে অসাধারণ কার্যকর।
16.ওজন দ্রুত কমাতে সহায়তা করে। লেবুতে থাকে পেকটিন ফাইবার যা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে।
17.গর্ভবতী নারীদের জন্য খুবই ভালো লেবু পানি। এটা শুধু নারীর শরীরই ভালো রাখে না। বরং গর্ভের শিশুর অনেক বেশী উপকার করে। লেবুর ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম শিশুর হাড়, মস্তিষ্ক ও দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে। মাকেও গরভকালে রোগ বালাই থেকে দূরে থাকে।
18দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। দাঁত ব্যথা কমায়।
19.ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
20.মেটাবলিজম বা হজমশক্তি বাড়ায়। এতে ওজন কমাতেও প্রভাব পড়ে।

কীভাবে পান করবেন?: সকালে খালি পেতে এক গ্লাস লেমন বা পাকা লেবুর রস মেশানো উষ্ণ পানি পান করুন। চাইলে সাথে যোগ করতে পারেন মধু। বড় লেবু হলে ১/২টি ও ছোট হলে একটি লেবুর রস মিশিয়ে নিন।



https://24newsbangla.com/sobujislam/16734/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%81-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF/

12


রান্নার তেল পরিশুদ্ধ করার ঘরোয়া পদ্ধতি
তেলে ভাঁজার পর তেলে তলানীতে অনেক সময় পোড়া অংশ পড়ে আবার অনেক সময় তেল কালচে হয়ে যায়। এই তেল সাধারণত আমরা ফেলে দেই। তবে একটু বুদ্ধি খাটালেই এই তেল আবার পরিশুদ্ধ করে ব্যবহার করতে পারবেন।
তেল ফিল্টার করতে হলে একটি পাত্রে তেল নিয়ে তা চুলার উপর বসিয়ে দিন। তারপর চুলা অন করে তাপ দেবেন। তেলটা গরম করতে হবে। মনে রাখতে হবে তেলের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস হতে হবে। এটা বুঝতে হলে তেলে একটি কাঠি দিয়ে দিন, বুদবুদ ওঠা শুরু করলে বুঝবেন তেল যথেষ্ট গরম হয়ে গিয়েছে। যথেষ্ট গরম হলে পাত্রটি চুলা থেকে নামিয়ে নিন।
তাপ দিলে তেলের ঘনত্ব কমে যায় তাই ফিল্টার করতে সুবিধা হয়। এই কারনেই তেলটা গরম করা হলো।
এবারে একটি বড় পাত্র নিয়ে নিন, এবং এর উপরে একটি বড় স্টিলের ছাকনি নিয়ে নিন। ছাকনির উপরে কিচেন টিস্যু দিয়ে দিন এক পরত। এই ছাকনি ও টিস্যু তেলের সাথে থাকে উচ্ছিষ্ট অংশ গুলো ফিল্টার করবে। মনে রাখবেন তেল যথেষ্ট গরম হলে দ্রুত ফিল্টার হয়ে যাবে। আর তেল ঠান্ডা হলে অনেক সময় লাগবে তেল ফিল্টার হতে। এবার ধীরে ধীরে তেলটা ঢালুন ছাকনির উপরে। প্রথমে দ্রুত পড়লেও ধীরে ধীরে তেল পড়ার গতি কমে যাবে। তাই ধর্য্য ধরে তেলটা ঢালতে থাকুন। দরকার হলে পুরো তেলটা ঢেলে ১ঘন্টা রেখে দিন। দেখবেন আস্তে আস্তে সকল তেল ফিল্টার হয়ে গিয়েছে।
তবে মনে রাখবেন যে তেল মাংস ভাঁজার কাজে ব্যবহার করেছেন সেই তেল, মাংস রান্না বা ফ্রেঞ্জ ফ্রাই ভাঁজার কাজে ব্যবহার করবেন। অন্য খাবারে ব্যবহার করলে চিকের স্বাদ চলে আসবে।






13



নতুন জুতো, ব্যাগ বা প্লাস্টিকের বোতলের ভেতর জিনিসটি অনেকেই দেখতে পান। ওপর থেকে স্পর্শ করলে মনে হতে পারে ভিতরে বুঝি লবন জাতীয় কিছু আছে। এর গায়ে লেখা থাকে সতর্কবার্তা। যেমন-খেয়ে ফেলবেন না, কিংবা শিশুদের থেকে দূরে রাখুন। 

যদি  থলিটি খুলে দেখেন, তাহলে দেখতে পাবেন ভেতরে রয়েছে কিছুটা স্বচ্ছ ছোট ছোট সাদা দানা, একে বলা হয় সিলিকা জেল। এই সিলিকা জেলের কাজ হল আর্দ্রতা শুষে নিয়ে নিজের মধ্যে ধারণ করে রাখা। এই ব্যাগটা ফেলা ঠিক না কারণ এই সিলিকা জেলের ব্যাগ কিন্তু নানা কাজে লাগতে পারে।  আমাদের আজিকের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো তেমন কিছু কাজের কথা-


১। পানি থেকে মোবাইল ফোন বাঁচাতে-

মোবাইল ফোন পানিতে পড়ে গেলে বা পানি লেগে গেলে প্রথমে মোবাইল ফোন থেকে সিমটি বের করে নিন। তারপর একটি বায়ুরোধী বাটিতে বেশকিছু সিলিকা জেল রাখুন। এর মধ্যে মোবাইল ফোনটি কয়েক দিন রেখে দিন। সিলিকা ব্যাগ মোবাইলের সব পানি শুষে নেবে। আর ফোনটিও নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।

২। কাগজ সংরক্ষণ-

কয়েকটি সিলিকা জেলের প্যাকেট কাগজপত্র রাখার স্থানে রেখে দিন। পোকামাকড় ও ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে সিলিকা ব্যাগ কাগজপত্রকে রক্ষা করবে।

৩।  ছবি সংরক্ষণ-

পুরনো ছবি অনেক সময় ফাংগাশ পড়ে স্যাঁতসেঁতে হয়ে যায়। ছবিগুলোর মধ্যে সিলিকা ব্যাগ রেখে দিন। দেখবেন ছবিগুলো আর স্যাঁতসেঁতে হবে না।

৪। কাপড় শুকনো রাখতে-

শীত শেষে শীতের কাপড় আলমারিতে তুলে রাখতে হয় পরের বছরের জন্য। যখন বের করা হয় তখন কাপড়ে এক ধরনের গন্ধ বের হয়। তাই শীতের কাপড় সংরক্ষণের সময় দুই থেকে তিনটি সিলিকা ব্যাগ রেখে দিন কাপড়ের ভাঁজে ভাঁজে। কাপড়ে কোনো গন্ধ থাকবে না।

৫। গহনার মান ধরে রাখতে-

বিভিন্ন ধরনের গহনা কিছুদিন ফেলে রাখলেই জৌলুস হারায়। তবে আপনি যদি এগুলো আবদ্ধ পাত্রে সিলিকা জেল দিয়ে রাখেন তাহলে দীর্ঘদিন ভালো থাকবে।



http://www.bd-pratidin.com/life/2018/06/24/340138



15



বিশ্বের প্রায় ২ কোটি মানুষ প্রতি বছর ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। বিশ্বের একাধিক গবেষণা এবং পরিসংখ্যানের রিপোর্ট অনুযায়ী, গোছলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে।

চিকিৎসকেরা বলছেন, গোসল করার সময় বেশ কিছু বিষয় আমাদের প্রত্যেককেই মাথায় রাখার প্রয়োজন। কারণ সঠিক নিয়ম মেনে গোসল না করলে হতে পারে মৃত্যুও। গোছলের সঠিক নিয়ম সম্পর্কে আসুন জেনে নেওয়া যাক আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে-

গোসল করার সময় প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজানো একদম উচিৎ নয়। কারণ, মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হয়ে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে খানিকটা সময় লাগে।

চিকিৎসকদের মতে, প্রথমেই মাথায় পানি ঢালেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই রক্ত সঞ্চালনের গতি বহুগুণ বেড়ে যায়। বেড়ে যায় স্ট্রোকের ঝুঁকিও। তাছাড়া মাত্রাতিরিক্ত রক্তচাপের ফলে মস্তিষ্কের ধমনী ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

প্রথমে পায়ের পাতা থেকে আস্তে আস্তে ওপর দিকে কাঁধ পর্যন্ত ভেজাতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে মুখ ভিজিয়ে তবেই মাথায় পানি দেওয়া উচিৎ। যাদের উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টরাল বা মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে আছে, তাদের অবশ্যই এই পদ্ধতি মেনে চলা উচিৎ।




http://www.bd-pratidin.com/life/2018/06/25/340190


Pages: [1] 2 3 ... 13