Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Anuz

Pages: [1] 2 3 ... 91
1
Informative one...........

3
সংখ্যা নিয়ে গণিতের অনেক ধরনের সমস্যার সমাধান আমরা আগে করেছি। সে রকম একটি ধাঁধা দেখুন। দুটি সংখ্যার যোগফল ১৪ ও গুণফল ৪৮। বলুন তো সংখ্যা দুটি কত? এর সহজ সমাধানের জন্য আমরা প্রথমে দেখব, যোগফল ১৪ হয়, এমন সম্ভাব্য সংখ্যা দুটি কত হতে পারে। যেহেতু যোগফল জোড় সংখ্যা, তাই সংখ্যা দুটিও জোড় সংখ্যা হবে। হতে পারে (২ + ১২), (৪ + ১০) অথবা (৬ + ৮)। এদের মধ্যে একমাত্র (৬ + ৮) = ১৪ আমাদের সমস্যার সমাধান হতে পারে, কারণ ৬ × ৮ = ৪৮। সুতরাং সংখ্যা দুটি ৬ ও ৮। অন্যভাবে, বীজগণিত ব্যবহার করেও আমরা উত্তর বের করতে পারে। সে ক্ষেত্রে সূত্রটি হবে, যদি একটি সংখ্যা ক হয়, অপরটি হবে (১৪-ক)। এদের গুণফল ক × (১৪-ক) = ৪৮। এই সমীকরণ থেকে আমরা পাই, (ক২ - ১৪ক + ৪৮) = ০। অথবা (ক-৬) (ক-৮) = ০। সুতরাং, ক = ৬ অথবা ৮। তাহলে অপর সংখ্যাটি ৮ অথবা ৬। এক কথায় বলতে পারি, সংখ্যা দুটি ৬ ও ৮।

আরেকটি মজার ধাঁধা দেখুন। দুই অঙ্কের একটি সংখ্যার অঙ্কগুলোর যোগফল ৬ এবং সংখ্যাটির সঙ্গে ১৮ যোগ করলে মূল সংখ্যার অঙ্ক দুটি উল্টিয়ে যায়। বলুন তো সংখ্যাটি কত? এ সমস্যার সমাধানের জন্য আমাদের যুক্তির পদ্ধতিটি হবে এ রকম: যেহেতু অঙ্ক দুটির যোগফল ৬, তাই সম্ভাব্য সংখ্যাগুলো হতে পারে ৬০, ৫১, ৪২ বা ৩৩ (অথবা এর বিপরীত ১৫ বা ২৪), কারণ এই সংখ্যাগুলোর প্রতিটির অঙ্ক দুটির যোগফল ৬। এবার আমরা সহজেই বুঝতে পারছি যে সংখ্যাটি ৬০ হতে পারে না, কারণ (৬০-০৬) = ৫৪, ১৮ নয়। একই ধরনের হিসাব করে দেখা যায়, ৩৩ বা ৫১-ও হতে পারে না। কিন্তু ৪২ হতে পারে, কারণ (৪২-২৪) = ১৮। সুতরাং সংখ্যাটি ২৪, যার অঙ্ক দুটির যোগফল ৬ এবং (২৪ + ১৮) = ৪২, যার অঙ্ক দুটি মূল সংখ্যা ২৪–এর অঙ্ক দুটির বিপরীত অবস্থানে রয়েছে।

4
Common Forum/Request/Suggestions / Re: অপচয়
« on: April 16, 2018, 09:02:58 AM »
Ekei bole Khajnar chaite bajna beshi......... :)

7
ঢাকার রাস্তায় গাড়ি নষ্ট হলে অনেকেই বেকায়দায় পড়েন। গাড়ি সারাতে মিস্ত্রির খোঁজ করেন আশপাশে। সহজে মিস্ত্রির খোঁজ ও ‘অন স্পট’ সেবা দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন রাজধানীর তিন তরুণ উদ্যোক্তা। তাঁরা শুরু করেছেন ‘ডাবল এস’ বা ‘স্ট্রিট-স্কিপারস’ নামের একটি উদ্যোগ।

ওই তিন উদ্যোক্তা হলেন মীর জোবায়ের হোসেন, শানী-উল মাহমুদ চৌধুরী ও সাদ্দাম হোসেন। তাঁদের এ উদ্যোগের মাধ্যমে ঢাকার রাস্তায় যান্ত্রিক সমস্যায় পড়লে সহজে মিস্ত্রি খোঁজা যাবে। উদ্যোগটি ইতিমধ্যে পরীক্ষা করে দেখেছেন তাঁরা। এ সেবা পেতে অগ্রিম বা বার্ষিক কোনো ফি নেই। মোবাইলে ‘ডাবল এস’ অ্যাপ ডাউনলোড করে বা প্রয়োজনে ফোন করে এ সেবা পাওয়া যাবে।

8
Alumni / Re: Shuvo Noboborsho 1425
« on: April 16, 2018, 08:53:52 AM »
Same to You.......... :)

9
Good In-formations.............

10
লা লিগায় দারুণ এক রেকর্ডের হাতছানিতে মাঠে নামতে যাচ্ছে বার্সেলোনা। লেগানেসের বিপক্ষে হার এড়াতে পারলেই স্পেনের শীর্ষ লিগে টানা সর্বোচ্চ সংখ্যক ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ডে ভাগ বসাবে কাতালান ক্লাবটি।

কাম্প নউয়ে শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১টায় লেগানেসের মুখোমুখি হবে এরনেস্তো ভালভেরদের দল। চলতি লা লিগায় এখন পর্যন্ত অপরাজিত থাকা বার্সেলোনা গত শনিবার সেভিয়ার মাঠে হারতে বসেছিল। লুইস সুয়ারেস ও লিওনেল মেসির দুই গোলে শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষের দল। এতে লিগে তাদের টানা অপরাজিত থাকার ম্যাচের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৭টি। লা লিগায় সবচেয়ে বেশি ৩৮ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ডটি রিয়াল সোসিয়েদাদের। ১৯৭৯ ও ১৯৮০ সালের মধ্যে এই নজির গড়েছিল তারা। লেগানেসের বিপক্ষে না হারলেই এই রেকর্ডে সোসিয়েদাদের পাশে নাম উঠবে বার্সেলোনার। পরের শনিবার ভালেন্সিয়ার বিপক্ষে ড্র করলে বা জিতলে রেকর্ডটি নিজেদের করে নেবে কাম্প নউয়ের ক্লাবটি।

12
পাঁচ ধরনের ডায়াবেটিস হচ্ছে:

ক্লাস্টার-১: এটি মূলত টাইপ ১ ডায়াবেটিসের মতো। যা তীব্র মাত্রার অটো ইমিউন ডায়াবেটিস। তরুণ বয়সীরা এতে আক্রান্ত হয় এবং দেহে পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপাদন হয় না।

ক্লাস্টার ২: এক্ষেত্রেও দেহে ইনসুলিনের তীব্র অভাব দেখা দেয়। এটিও অনেকটা টাইপ-১ ডায়াবেটিসের মতো। রোগী তরুণ, স্বাস্থ্যবান হওয়ার পরও ইনসুলিন উৎপাদনে ঘাটতি থাকে। যদিও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার দুর্বলতা এর জন্য দায়ী নয়।

ক্লাস্টার ৩: এ ধরনের ডায়াবেটিস হয় মাত্রাতিরিক্ত ওজনের কারণে। এদের দেহে ইনসুলিন তৈরি হলেও তা কাজ করে না।

ক্লাস্টার ৪:  এ ধরনের ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ওজন দায়ী। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত ওজন হওয়ার পরও এ ধরনের ডায়াবেটিস রোগীদের শারিরীক কর্মক্ষমতা স্বাভাবিক থাকে।

ক্লাস্টার ৫: বয়সের কারণে এ ধরনের ডায়াবেটিস হয়। সব ধরনের ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে এ ধরনের ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের বয়স বেশি হয় এবং এদের ক্ষেত্রে রোগের প্রকোপ হয় অনেক কম।

13
বেশ কিছু কেস স্টাডিতে দেখা গেছে যারা চা পানের আগে জল খান না, তাদের শারীরের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে একাধিক রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। এমনকী বেশ কিছু জটিল রোগের প্রকোপও বৃদ্ধি পায়। তাই তো চা পানের আগে জল না খেলে বিপদ। আসলে জল না খেয়ে চা বা কফি পান করলে শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যেতে শুরু করে। ফলে গ্যাস-অম্বল, বদ-হজম সহ একাধিক পেটের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। শুধু তাই নয়, আলসারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। তাই সাবধান! তবে এখানেই শেষ নয়, চা বা কফির মতো পানীয় খাওয়ার আগে এক গ্লাস জল না খেলে দেখা দেয় আরও বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা। যেমন ধরুন...

১. স্টামাক আলসারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ে: যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে চা বা কফির মতো পানীয় খাওয়ার আগে যদি জল খেয়ে পেটকে ঠান্ডা করা না হয়, তাহলে শরীরের অন্দরে অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যার প্রভাবে স্টামাক আলসারের মতো রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। আর এমন রোগে আক্রান্ত হলে দৈনন্দিন জীবন যে অনেকাংশেই ব্যাহত হয়, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

২. হজম ক্ষমতার মারাত্মক ক্ষতি হয়: খাবার খাওয়ার পর পরই স্টমাক থেকে অ্যাসিডের ক্ষরণ শুরু হয়ে যায়। এই অ্যাসিড, খাবার যাতে ঠিক মতো হজম হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। বারে বারে চা খাওয়া শুরু করলে কোনও কারণ ছাড়াই স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে এক সময়ে গিয়ে হজমে সহায়ক এই অ্যাসিডের ক্ষমতা এতটাই কমে যায় যে কথায় কথায় বদ-হজম হওয়ার মতো শারীরিক অসুবিধা হতে শুরু করে। তবে কেউ যদি জল খাওয়ার পর চা পান করেন, তাহলে ক্ষতির মাত্রা কম হয়। সেই সঙ্গে কমে বদ-হজমের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে।

৩. দেহের অন্দরে জলের ঘাটতি দেখা দেয়: চা এবং কফিতে ক্যাফিনের মাত্রা খুব বেশি থাকে। আর ক্যাফিনে এমন একটি উপাদান থাকে যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্রা ইউরিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে চা বা কফি পান করলেই বারে বারে প্রস্রাব চাপতে শুরু করে। আর তত শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়। শরীর থেকে বেশি মাত্রায় জল বেরিয়ে গলে একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। সেই কারণেই তো চা খাওয়ার আগে মনে করে এক গ্লাস জল খাওয়া পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

৪. ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়:
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে চা বা কফির মতো পানীয় খালি পেটে খেলে শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যার প্রভাব ত্বকের উপরও পরে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের সৌন্দর্য কমতে শুরু করে। কিন্তু এই ধরনের পানীয় খাওয়ার আগে যদি অল্প করে জল খেয়ে নেওয়া যায়, তাহলে দেহের অন্দরে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা কমে। ফলে ত্বকের স্বাস্থ্য়ের অবনতি ঘটার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৫. দাঁতের ক্ষতি হয়: যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে, চা এবং কফি হল প্রকৃতিতে অ্যাসিডিক। ফলে এমন জিনিস বারে বারে খেলে শরীরের পাশাপাশি মুখ গহ্বরের অন্দরের অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে ধীরে ধীরে দাঁতের উপরিঅংশ অর্থাৎ এনামেলে ক্ষয় ধরে। আর এক সময়ে গিয়ে ক্ষয় এতটাই বেড়ে যায় যে দাঁতের চিহ্নই মুছে যায়। তখন আর কিছুই করার থাকে না। এক্ষেত্রে জল পানের পর চা খেলে এই ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা চোখে পরার মতো কমে যায়। এবার বুঝতে পারছেন তো চা বা কপি খাওয়ার আগে জল খাওয়ার পরামর্শ কেনও দেওয়া হয়ে থাকে।

৬. শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়: চায়ের পি এইচ লেভেল হল "৬"। অর্থাৎ সহজ ভাষায় এই পানীয়টি হল অ্যাসিডিক। আর অ্যাসিডের ক্ষতি করার ক্ষমতা কমাতে পারে একমাত্র জল। তাই তো জল পানের পর চা খেতে বলা হয়। এমনটা করলে চায়ের অ্যাসিডিক এলিমেন্ট জলে মিশে যায়। ফলে শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আর কোনও আশঙ্কাই থাকে না। আর যদি জল না খেয়ে চা খাওয়া হয়, তাহলে শরীরের অন্দরে হাইড্রোক্লরিক অ্যাসিডের মাত্রা খুব বেড়ে যায়। ফলে অ্যাসিডিটি এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

14
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত গান গাইলে শরীর এবং মস্তিষ্কের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ছোট-বড় অনেক রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ফলে আয়ু বাড়ে চোখে পরার মতো। সেই সঙ্গে স্ট্রেস লেভেল কমতে থাকার কারণে মন আনন্দে ভরে ওঠে। তাই তো বিখ্যাত আমেরিকান সিঙ্গার রেবা ম্যাকেনটায়ার একবার কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, "মন খারাপ থাকলেই আমি গান গাই, নিজের মনে মনেই গাই। কারণ এমনটা করলে আমার দুখি হৃদয় আলোর সন্ধান পায়। ফলে দুঃখ কখন সুখে বদলে যায়, তা বুঝে উঠতেই পারি না।" রেবার বক্তব্য যে কতটা ঠিক, তা একাধিক স্টাডিতেও প্রমাণিত হয়ে গেছে। এই বিষয়ক পরীক্ষা চালাকালীন দেখা গেছে মনে মনে গান গাইতে থাকলে শরীরের অন্দরের শক্তি বাড়তে থাকে। ফলে মেলে অনেক উপকার। যেমন ধরুন...

১. ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: শুনে হয়তো অবাক হচ্ছেন। কিন্তু একথা ঠিক যে নিয়মিত গান গাইলে বাস্তবিকই ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। আসলে গান গাওয়ার সময় সারা শরীরে এবং ত্বকের অন্দরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে ত্বকের বয়স কমতে সময় লাগে না। আর বলিকরেখা যখন মিলিয়ে যেতে শুরু করে তখন ত্বকের সৌন্দর্য বাড়তে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, গান গাওয়ার সময় মুখের পেশির সচলতাও বৃদ্ধি পায়। এই কারণেই ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে চোখে পরার মতো।

২. মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: গান গাওয়ার সময় ব্রেনে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিভাবেই মনোযোগ এবং স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে, সেই সঙ্গে বুদ্ধির বিকাশ ঘটতেও সময় লাগে না।

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
ইউনিভার্সিটি অব ফ্রাঙ্কফুর্টের গবষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে গান গাওয়ার সময়, তা জোরে হোক কী আস্তে, শরীরের অন্দরে "ইমিউনোগ্লোবিউলিন-এ" নামক একটি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। যে কারণে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৪. পারকিনসন রোগের চিকিৎসা কাজে আসে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে পারকিনসন রোগে ভুগতে থাকা রোগীরা যদি নিয়মিত অল্প-বিস্তর গান গেয়ে থাকেন, তাহলে শরীররে অনেক উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে রোগের প্রকোপ কিছুটা হলেও কমে। শুধু তাই নয়, কথা বলার ক্ষমতাও বাড়তে থাকে। ফলে দৈনন্দিন জীবনের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না।

৫. গান গাওয়া এক ধরনের শরীরচর্চা: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত গান করলে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে ভোকাল কর্ডের শক্তি বাড়ে। প্রসঙ্গত, বতর্মান সময়ে আমাদের দেশে প্রতিটি মেট্রোপলিটন শহরে যে হারে বায়ু দূষণের মাত্রা বাড়ছে,, তাতে আরও বেশি করে ফুসফুসের খেয়াল রাখার প্রয়োজন বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাথরুম সিঙ্গারদের যে পোয়া বারো, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

৬. স্ট্রেস এবং মানসিক অবসাদ কমায়:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে গান গাওয়ার সময় মস্তিষ্কের অন্দরে এন্ডোরফিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে মানসিক চাপ তো কমেই, সেই সঙ্গে মন খুশিতে ভরে ওটে। তাই এবার থেকে যখনই মন কারাপ করবে, তখনই দু কোলি গান গেয়ে নেবেন, দেখবেন সঙ্গে সঙ্গে উপকার মিলবে।

৭. একাকিত্ব দূর করে:
গান গাইতে জানলে পাড়ার সংস্কৃতিক অনুষ্টানে গানের সুযোগ এসেই যায়। ফলে লোকজনের সঙ্গে মেলামেশা বাড়তে থাকে। বাড়ে বন্ধুর সংখ্যাও। ফলে স্বাভাবিকভাবেই একাকিত্ব দূর হয়। প্রসঙ্গত, আপনি যদি বেসুরো বাথরুম সিঙ্গারও হন, তাতেও কোনও ক্ষতি নেই। দেখলেন তো গান গাইলে কত উফপকার পাওয়া যায়। তাই ভুলেও গান গাওয়া বন্ধ করবেন না যেন! প্রয়োজন শুধু বাথরুমে নয়, কাজের ফাঁকে অফিসেও মাঝে মাঝে একটু গান গেয়ে নেবেন। দেখবেন শরীর এবং মন একেবারে চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

৮. অনিদ্রা দূর করে: স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণে রাতে ঘুম আসছে না? তাহলে তো মশাই প্রতিদিন শোয়ার আগে পছন্দের যে কোন একটা গান গাইতেই হবে! এমনটা করলে থ্রোট মাসালের কর্মক্ষমতা বাড়বে। সেই সঙ্গে প্যালেট মাসালের শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই নাক ডাকা কমতে শুরু করবে, সেই সঙ্গে অনিদ্রার প্রকোপও যে হ্রাস পাবে, সে কথা হলফ করে বলা যেতে পারে।

Pages: [1] 2 3 ... 91