Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Anuz

Pages: [1] 2 3 ... 33
1
সংখ্যা নিয়ে গণিতের অনেক ধরনের সমস্যার সমাধান আমরা আগে করেছি। সে রকম একটি ধাঁধা দেখুন। দুটি সংখ্যার যোগফল ১৪ ও গুণফল ৪৮। বলুন তো সংখ্যা দুটি কত? এর সহজ সমাধানের জন্য আমরা প্রথমে দেখব, যোগফল ১৪ হয়, এমন সম্ভাব্য সংখ্যা দুটি কত হতে পারে। যেহেতু যোগফল জোড় সংখ্যা, তাই সংখ্যা দুটিও জোড় সংখ্যা হবে। হতে পারে (২ + ১২), (৪ + ১০) অথবা (৬ + ৮)। এদের মধ্যে একমাত্র (৬ + ৮) = ১৪ আমাদের সমস্যার সমাধান হতে পারে, কারণ ৬ × ৮ = ৪৮। সুতরাং সংখ্যা দুটি ৬ ও ৮। অন্যভাবে, বীজগণিত ব্যবহার করেও আমরা উত্তর বের করতে পারে। সে ক্ষেত্রে সূত্রটি হবে, যদি একটি সংখ্যা ক হয়, অপরটি হবে (১৪-ক)। এদের গুণফল ক × (১৪-ক) = ৪৮। এই সমীকরণ থেকে আমরা পাই, (ক২ - ১৪ক + ৪৮) = ০। অথবা (ক-৬) (ক-৮) = ০। সুতরাং, ক = ৬ অথবা ৮। তাহলে অপর সংখ্যাটি ৮ অথবা ৬। এক কথায় বলতে পারি, সংখ্যা দুটি ৬ ও ৮।

আরেকটি মজার ধাঁধা দেখুন। দুই অঙ্কের একটি সংখ্যার অঙ্কগুলোর যোগফল ৬ এবং সংখ্যাটির সঙ্গে ১৮ যোগ করলে মূল সংখ্যার অঙ্ক দুটি উল্টিয়ে যায়। বলুন তো সংখ্যাটি কত? এ সমস্যার সমাধানের জন্য আমাদের যুক্তির পদ্ধতিটি হবে এ রকম: যেহেতু অঙ্ক দুটির যোগফল ৬, তাই সম্ভাব্য সংখ্যাগুলো হতে পারে ৬০, ৫১, ৪২ বা ৩৩ (অথবা এর বিপরীত ১৫ বা ২৪), কারণ এই সংখ্যাগুলোর প্রতিটির অঙ্ক দুটির যোগফল ৬। এবার আমরা সহজেই বুঝতে পারছি যে সংখ্যাটি ৬০ হতে পারে না, কারণ (৬০-০৬) = ৫৪, ১৮ নয়। একই ধরনের হিসাব করে দেখা যায়, ৩৩ বা ৫১-ও হতে পারে না। কিন্তু ৪২ হতে পারে, কারণ (৪২-২৪) = ১৮। সুতরাং সংখ্যাটি ২৪, যার অঙ্ক দুটির যোগফল ৬ এবং (২৪ + ১৮) = ৪২, যার অঙ্ক দুটি মূল সংখ্যা ২৪–এর অঙ্ক দুটির বিপরীত অবস্থানে রয়েছে।

2
ঢাকার রাস্তায় গাড়ি নষ্ট হলে অনেকেই বেকায়দায় পড়েন। গাড়ি সারাতে মিস্ত্রির খোঁজ করেন আশপাশে। সহজে মিস্ত্রির খোঁজ ও ‘অন স্পট’ সেবা দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন রাজধানীর তিন তরুণ উদ্যোক্তা। তাঁরা শুরু করেছেন ‘ডাবল এস’ বা ‘স্ট্রিট-স্কিপারস’ নামের একটি উদ্যোগ।

ওই তিন উদ্যোক্তা হলেন মীর জোবায়ের হোসেন, শানী-উল মাহমুদ চৌধুরী ও সাদ্দাম হোসেন। তাঁদের এ উদ্যোগের মাধ্যমে ঢাকার রাস্তায় যান্ত্রিক সমস্যায় পড়লে সহজে মিস্ত্রি খোঁজা যাবে। উদ্যোগটি ইতিমধ্যে পরীক্ষা করে দেখেছেন তাঁরা। এ সেবা পেতে অগ্রিম বা বার্ষিক কোনো ফি নেই। মোবাইলে ‘ডাবল এস’ অ্যাপ ডাউনলোড করে বা প্রয়োজনে ফোন করে এ সেবা পাওয়া যাবে।

3
লা লিগায় দারুণ এক রেকর্ডের হাতছানিতে মাঠে নামতে যাচ্ছে বার্সেলোনা। লেগানেসের বিপক্ষে হার এড়াতে পারলেই স্পেনের শীর্ষ লিগে টানা সর্বোচ্চ সংখ্যক ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ডে ভাগ বসাবে কাতালান ক্লাবটি।

কাম্প নউয়ে শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১টায় লেগানেসের মুখোমুখি হবে এরনেস্তো ভালভেরদের দল। চলতি লা লিগায় এখন পর্যন্ত অপরাজিত থাকা বার্সেলোনা গত শনিবার সেভিয়ার মাঠে হারতে বসেছিল। লুইস সুয়ারেস ও লিওনেল মেসির দুই গোলে শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষের দল। এতে লিগে তাদের টানা অপরাজিত থাকার ম্যাচের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৭টি। লা লিগায় সবচেয়ে বেশি ৩৮ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ডটি রিয়াল সোসিয়েদাদের। ১৯৭৯ ও ১৯৮০ সালের মধ্যে এই নজির গড়েছিল তারা। লেগানেসের বিপক্ষে না হারলেই এই রেকর্ডে সোসিয়েদাদের পাশে নাম উঠবে বার্সেলোনার। পরের শনিবার ভালেন্সিয়ার বিপক্ষে ড্র করলে বা জিতলে রেকর্ডটি নিজেদের করে নেবে কাম্প নউয়ের ক্লাবটি।

4
বেশ কিছু কেস স্টাডিতে দেখা গেছে যারা চা পানের আগে জল খান না, তাদের শারীরের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে একাধিক রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। এমনকী বেশ কিছু জটিল রোগের প্রকোপও বৃদ্ধি পায়। তাই তো চা পানের আগে জল না খেলে বিপদ। আসলে জল না খেয়ে চা বা কফি পান করলে শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যেতে শুরু করে। ফলে গ্যাস-অম্বল, বদ-হজম সহ একাধিক পেটের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। শুধু তাই নয়, আলসারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। তাই সাবধান! তবে এখানেই শেষ নয়, চা বা কফির মতো পানীয় খাওয়ার আগে এক গ্লাস জল না খেলে দেখা দেয় আরও বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা। যেমন ধরুন...

১. স্টামাক আলসারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ে: যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে চা বা কফির মতো পানীয় খাওয়ার আগে যদি জল খেয়ে পেটকে ঠান্ডা করা না হয়, তাহলে শরীরের অন্দরে অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যার প্রভাবে স্টামাক আলসারের মতো রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। আর এমন রোগে আক্রান্ত হলে দৈনন্দিন জীবন যে অনেকাংশেই ব্যাহত হয়, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

২. হজম ক্ষমতার মারাত্মক ক্ষতি হয়: খাবার খাওয়ার পর পরই স্টমাক থেকে অ্যাসিডের ক্ষরণ শুরু হয়ে যায়। এই অ্যাসিড, খাবার যাতে ঠিক মতো হজম হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। বারে বারে চা খাওয়া শুরু করলে কোনও কারণ ছাড়াই স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে এক সময়ে গিয়ে হজমে সহায়ক এই অ্যাসিডের ক্ষমতা এতটাই কমে যায় যে কথায় কথায় বদ-হজম হওয়ার মতো শারীরিক অসুবিধা হতে শুরু করে। তবে কেউ যদি জল খাওয়ার পর চা পান করেন, তাহলে ক্ষতির মাত্রা কম হয়। সেই সঙ্গে কমে বদ-হজমের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে।

৩. দেহের অন্দরে জলের ঘাটতি দেখা দেয়: চা এবং কফিতে ক্যাফিনের মাত্রা খুব বেশি থাকে। আর ক্যাফিনে এমন একটি উপাদান থাকে যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্রা ইউরিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে চা বা কফি পান করলেই বারে বারে প্রস্রাব চাপতে শুরু করে। আর তত শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়। শরীর থেকে বেশি মাত্রায় জল বেরিয়ে গলে একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। সেই কারণেই তো চা খাওয়ার আগে মনে করে এক গ্লাস জল খাওয়া পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

৪. ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়:
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে চা বা কফির মতো পানীয় খালি পেটে খেলে শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যার প্রভাব ত্বকের উপরও পরে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের সৌন্দর্য কমতে শুরু করে। কিন্তু এই ধরনের পানীয় খাওয়ার আগে যদি অল্প করে জল খেয়ে নেওয়া যায়, তাহলে দেহের অন্দরে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা কমে। ফলে ত্বকের স্বাস্থ্য়ের অবনতি ঘটার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৫. দাঁতের ক্ষতি হয়: যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে, চা এবং কফি হল প্রকৃতিতে অ্যাসিডিক। ফলে এমন জিনিস বারে বারে খেলে শরীরের পাশাপাশি মুখ গহ্বরের অন্দরের অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে ধীরে ধীরে দাঁতের উপরিঅংশ অর্থাৎ এনামেলে ক্ষয় ধরে। আর এক সময়ে গিয়ে ক্ষয় এতটাই বেড়ে যায় যে দাঁতের চিহ্নই মুছে যায়। তখন আর কিছুই করার থাকে না। এক্ষেত্রে জল পানের পর চা খেলে এই ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা চোখে পরার মতো কমে যায়। এবার বুঝতে পারছেন তো চা বা কপি খাওয়ার আগে জল খাওয়ার পরামর্শ কেনও দেওয়া হয়ে থাকে।

৬. শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়: চায়ের পি এইচ লেভেল হল "৬"। অর্থাৎ সহজ ভাষায় এই পানীয়টি হল অ্যাসিডিক। আর অ্যাসিডের ক্ষতি করার ক্ষমতা কমাতে পারে একমাত্র জল। তাই তো জল পানের পর চা খেতে বলা হয়। এমনটা করলে চায়ের অ্যাসিডিক এলিমেন্ট জলে মিশে যায়। ফলে শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আর কোনও আশঙ্কাই থাকে না। আর যদি জল না খেয়ে চা খাওয়া হয়, তাহলে শরীরের অন্দরে হাইড্রোক্লরিক অ্যাসিডের মাত্রা খুব বেড়ে যায়। ফলে অ্যাসিডিটি এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

5
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত গান গাইলে শরীর এবং মস্তিষ্কের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ছোট-বড় অনেক রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ফলে আয়ু বাড়ে চোখে পরার মতো। সেই সঙ্গে স্ট্রেস লেভেল কমতে থাকার কারণে মন আনন্দে ভরে ওঠে। তাই তো বিখ্যাত আমেরিকান সিঙ্গার রেবা ম্যাকেনটায়ার একবার কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, "মন খারাপ থাকলেই আমি গান গাই, নিজের মনে মনেই গাই। কারণ এমনটা করলে আমার দুখি হৃদয় আলোর সন্ধান পায়। ফলে দুঃখ কখন সুখে বদলে যায়, তা বুঝে উঠতেই পারি না।" রেবার বক্তব্য যে কতটা ঠিক, তা একাধিক স্টাডিতেও প্রমাণিত হয়ে গেছে। এই বিষয়ক পরীক্ষা চালাকালীন দেখা গেছে মনে মনে গান গাইতে থাকলে শরীরের অন্দরের শক্তি বাড়তে থাকে। ফলে মেলে অনেক উপকার। যেমন ধরুন...

১. ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: শুনে হয়তো অবাক হচ্ছেন। কিন্তু একথা ঠিক যে নিয়মিত গান গাইলে বাস্তবিকই ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। আসলে গান গাওয়ার সময় সারা শরীরে এবং ত্বকের অন্দরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে ত্বকের বয়স কমতে সময় লাগে না। আর বলিকরেখা যখন মিলিয়ে যেতে শুরু করে তখন ত্বকের সৌন্দর্য বাড়তে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, গান গাওয়ার সময় মুখের পেশির সচলতাও বৃদ্ধি পায়। এই কারণেই ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে চোখে পরার মতো।

২. মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: গান গাওয়ার সময় ব্রেনে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিভাবেই মনোযোগ এবং স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে, সেই সঙ্গে বুদ্ধির বিকাশ ঘটতেও সময় লাগে না।

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
ইউনিভার্সিটি অব ফ্রাঙ্কফুর্টের গবষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে গান গাওয়ার সময়, তা জোরে হোক কী আস্তে, শরীরের অন্দরে "ইমিউনোগ্লোবিউলিন-এ" নামক একটি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। যে কারণে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৪. পারকিনসন রোগের চিকিৎসা কাজে আসে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে পারকিনসন রোগে ভুগতে থাকা রোগীরা যদি নিয়মিত অল্প-বিস্তর গান গেয়ে থাকেন, তাহলে শরীররে অনেক উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে রোগের প্রকোপ কিছুটা হলেও কমে। শুধু তাই নয়, কথা বলার ক্ষমতাও বাড়তে থাকে। ফলে দৈনন্দিন জীবনের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না।

৫. গান গাওয়া এক ধরনের শরীরচর্চা: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত গান করলে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে ভোকাল কর্ডের শক্তি বাড়ে। প্রসঙ্গত, বতর্মান সময়ে আমাদের দেশে প্রতিটি মেট্রোপলিটন শহরে যে হারে বায়ু দূষণের মাত্রা বাড়ছে,, তাতে আরও বেশি করে ফুসফুসের খেয়াল রাখার প্রয়োজন বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাথরুম সিঙ্গারদের যে পোয়া বারো, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

৬. স্ট্রেস এবং মানসিক অবসাদ কমায়:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে গান গাওয়ার সময় মস্তিষ্কের অন্দরে এন্ডোরফিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে মানসিক চাপ তো কমেই, সেই সঙ্গে মন খুশিতে ভরে ওটে। তাই এবার থেকে যখনই মন কারাপ করবে, তখনই দু কোলি গান গেয়ে নেবেন, দেখবেন সঙ্গে সঙ্গে উপকার মিলবে।

৭. একাকিত্ব দূর করে:
গান গাইতে জানলে পাড়ার সংস্কৃতিক অনুষ্টানে গানের সুযোগ এসেই যায়। ফলে লোকজনের সঙ্গে মেলামেশা বাড়তে থাকে। বাড়ে বন্ধুর সংখ্যাও। ফলে স্বাভাবিকভাবেই একাকিত্ব দূর হয়। প্রসঙ্গত, আপনি যদি বেসুরো বাথরুম সিঙ্গারও হন, তাতেও কোনও ক্ষতি নেই। দেখলেন তো গান গাইলে কত উফপকার পাওয়া যায়। তাই ভুলেও গান গাওয়া বন্ধ করবেন না যেন! প্রয়োজন শুধু বাথরুমে নয়, কাজের ফাঁকে অফিসেও মাঝে মাঝে একটু গান গেয়ে নেবেন। দেখবেন শরীর এবং মন একেবারে চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

৮. অনিদ্রা দূর করে: স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণে রাতে ঘুম আসছে না? তাহলে তো মশাই প্রতিদিন শোয়ার আগে পছন্দের যে কোন একটা গান গাইতেই হবে! এমনটা করলে থ্রোট মাসালের কর্মক্ষমতা বাড়বে। সেই সঙ্গে প্যালেট মাসালের শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই নাক ডাকা কমতে শুরু করবে, সেই সঙ্গে অনিদ্রার প্রকোপও যে হ্রাস পাবে, সে কথা হলফ করে বলা যেতে পারে।

6
সুস্থভাবে বাঁচতে হলে শরীরে সঠিক পরিমাণে আয়রনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু নানা কারণেই ঘাটতি হতে পারে আয়রনের। শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে অনেক ধরনেরই শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। চিকিৎসকরা আয়রনের ঘাটতির কথা বোঝাতে বেশ কয়েকটি লক্ষণের কথা উল্লেখ করেন। চলুন জেনে নেই লক্ষণগুলি-

#বেশি পরিমাণে চুল পড়লে বুঝবেন শরীরে আয়রনের সমস্যা রয়েছে।

#আয়রনের ঘাটতি হলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। ক্লান্তি দেখা দেয়।

#আয়রনের অভাবে নখ নরম হয়ে যায়।

#শরীরে আয়রন কমে গেলে জিভ ফুলে ওঠে।

#মাঝে মধ্যে মাথা ধরা দেখা যায় আয়রনের ঘাটতির ফলে।

#আয়রন কমে গেলে নিঃশ্বাসেরও সমস্যা সৃষ্টি হয়।

#হৃদস্পন্দন বেড়ে যায় আয়রনের পরিমাণের অভাবে।

#বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন সর্দিকাশি, জ্বর ঘনঘন হলে বুঝবেন শরীরে আয়রনের প্রভাব কমে গিয়েছে।

#হাতের তালু বা আঙুল কিংবা পায়ের পাতা হঠাৎ ঠান্ডা হয়ে যায় দেহে আয়রনের ঘাটতি থাকলে।

7
টাটকা খাবার শরীরের জন্য ভালো। তাই বলে এটা ভাববেন না যে টাটকা খাওয়া মানেই কাঁচা খাওয়া। এটা ভেবে কোনো খাবার কাঁচা খেয়ে ফেললে পেটে গন্ডগোল হতে পারে। পাশাপাশি আক্রান্ত হতে পারেন বিষক্রিয়ায়। সুপরিচিত অনেক খাবারই আছে যেগুলো কাঁচা না খাওয়া ভালো। আজ জেনে নিন সে খাবারগুলোর কথা।

আলু
কাঁচা আলু খেলে পেটে বদহজম হতে পারে। কারণ আলুতে থাকা স্টার্চ হজমের ক্ষমতা রোধ করে। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো- আলুকে শুষ্ক স্থানে রাখলে এতে সোলেইন নামক একটি বিষাক্ত টক্সিন তৈরি হয়, যেটার মাধ্যমে ফুড পয়জনিং হতে পারে।

কাসাভা
কাসাভার শেকড় ও পাতা কাঁচা খেলে এর মধ্যে থাকা সায়ানোজেনিক গ্লাইকোসাইডস থেকে সায়ানাইড নামক বিষ নিঃসরণ হয়, যেটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

মাশরুম
মাশরুমে কারসিনোজেনিক যৌগ বিদ্যমান থাকায় তা কাঁচা খেলে শরীরে টক্সিনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই সেদ্ধ করে খাওয়াটাই শরীরের পক্ষে নিরাপদ।

অ্যালমন্ডস
অ্যালমন্ডসে সায়ানাইড রয়েছে, যা প্রদাহ ও ক্যানসারের জন্য দায়ী। তাই এসব রোগ থেকে বাঁচতে খাবারটি কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে তারপর খান।

কাজুবাদাম
কাজুবাদামে ইউরুশিওল টক্সিন থাকে যা ত্বকে অ্যালার্জি ছাড়াও পেটে ব্যথার জন্য দায়ী। এজন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে কাঁচা কাজুবাদাম না খেয়ে অল্প ভেজে খান।

দুধ
কাঁচা দুধে ব্রুসেল্লা ও লিস্টেরিয়া নামক উপাদান রয়েছে। এর কারণে দুধ কাঁচা খেলে ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা, এমনকি বমিও হতে পারে। কাজেই ভালো করে ফুটিয়ে নেওয়ার পরেই দুধ পান করুন।

ডিম
গবেষণায় দেখা গেছে, কাঁচা ডিম শরীরের পক্ষে নিরাপদ নয়। এর মধ্যে থাকা সলমোনেল্লা শরীরে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়িয়ে তোলে। তাই ডিম সেদ্ধ করে খাওয়াই স্বাস্থ্যের পক্ষে সবচেয়ে নিরাপদ।

টমেটো
পুষ্টিবিদদের মতে, টমেটো কাঁচা খাওয়া ঠিক নয়। কারণ, এর মধ্যে থাকা গ্লাইকো-অ্যালকালয়েডস নামে উপাদান রয়েছে যা ঘামে দুর্গন্ধ সৃষ্টির জন্য দায়ী। তাই ঝুঁকি এড়াতে হালকা আঁচে পুড়িয়ে বা একটু ভাপ দিয়ে খান।

8
ই-মেল অ্যাড্রেস বাংলায় তৈরী করা যাবে। এমনই সুযোগ করে দিচ্ছে মাইক্রোসফট। বাংলাসহ ১৫টি ভাষায় পাওয়া যাবে এই সুবিধা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এই সুযোগ দিচ্ছে মাইক্রোসফট। জানা গেছে, অফিস ৩৬৫, আইটলুক ২০১৬, আউটলুক ডট কম, এক্সচেঞ্জ অনলাইন ও এক্সচেঞ্জ অনলাইন প্রোটেকশন-এর ক্ষেত্রে এই সুবিধা কার্যকরী হবে। যে ১৫টি ভাষায় এ সুবিধা পাওয়া যাবে সেগুলো হলো-হিন্দি, বোরো, ডোগ্রি, কোঙ্কনি, মৈথিলি, মারাঠি, নেপালি, সিন্ধি, বাংলা, গুজরাতি, মণিপুরি, পাঞ্জাবি, তামিল, তেলুগু ও উর্দু। ইন্টারনেটে ওইসব ভাষার ব্যবহারকারীরা তাদের কম্পিউটার থেকে আউটলুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আঞ্চলিক ভাষায় ই-মেল খুলতে পারবেন। আউটলুকের মাধ্যমে আঞ্চলিক ভাষায় ই-মেল পাঠানো বা রিসিভ করাও যাবে।

মাইক্রোসফট ইন্ডিয়া'র মিতুল প্যাটেল জানান, যোগাযোগ আরও আধুনিক করতে ১৫টি আঞ্চলিক ভাষায় ই-মেলের কথা ভাবা হয়েছিল। সেটিই এখন প্রয়োগ করা হয়েছে। কোম্পানির সাপোর্ট সিস্টেম 'ই-মেল অ্যাড্রেস ইন্টারন্যাশনালাইজেশন (ইএআই)'-র আওতায় কাজ চলবে। যে ভাষাগুলি ইউনিকোড সাপোর্ট করে, এক্ষেত্রে সেগুলো কার্যকরী হবে। মাইক্রোসফট এড ব্রাউজার, বিং সার্চ, বিং ট্রান্সলেটর ওয়েবসাইট, মাইক্রোসফট অফিস ৩৬৫-এর ওয়ার্ড, এক্সেস, পাওয়ার পয়েন্ট, আউটলুক ও স্কাইপে-তে এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

9
ফেসবুকের মেসেঞ্জারে গ্রুপ ভিডিও কল আরও সহজ করছে কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি মেসেঞ্জার অ্যাপে নতুন একটি ফিচার যুক্ত করার কথা জানিয়েছে ফেসবুক, যাতে ভিডিও কলের সময় অন্যদের সহজেই যুক্ত করা যাবে। এর আগে গ্রাহক কোনো একটি কলে থাকাকালীন অন্য কোনো গ্রাহক কল করলে তাকে ওই কলে যুক্ত করা যেত না। কলটি কেটে অন্য গ্রাহককে কল করতে হতো। আর গ্রুপ কল করতে হলে ভিন্ন গ্রুপ খুলে সেখান থেকে কল করতে হতো।

মেসেঞ্জারের নতুন ফিচারের কারণে এবার কলে থাকাকালে তা না কেটেই অন্য কলারকে সংযুক্ত করা যাবে। কলের মধ্যে থাকাকালে পর্দা থেকে ‘অ্যাড পারসন’ অপশন থেকে অন্য গ্রাহককে কলে সংযুক্ত করা যাবে। কল শেষ হলে ওই কলের গ্রাহকদের নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি গ্রুপ তৈরি হবে। সেখান থেকে পরে গ্রুপ চ্যাটও করতে পারবেন গ্রাহক। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস দুই সংস্করণেই নতুন ফিচারটি এনেছে ফেসবুক। ভিডিও কলে ছয়জন পর্যন্ত যুক্ত করতে পারবেন গ্রাহক। আর অডিও কলের ক্ষেত্রে ৫০ জন পর্যন্ত যোগ করা যাবে।

10
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আগামী ডিসেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিক অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও তিনি অবসরের কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি, আগামী বাজেট প্রস্তুতির জন্য ‘আগামী অর্থমন্ত্রী’ কে সম্পৃক্ত করার অনুরোধ করেছেন। ২০১৮ – ২০১৯ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ণের কাজ অর্থমন্ত্রনালয় শুরু করেছে। আগামী মাস থেকেই বিভিন্ন গ্রুপের মতামত নেওয়া হবে। মুহিতের অবসরে কে হচ্ছেন আগামী অর্থমন্ত্রী?

বিভিন্ন ব্যবসায়িক চেম্বার, বিভিন্ন ব্যবসায়িক গ্রুপ এবং পেশাজীবীদের মতামত নেওয়া শুরু হয় মার্চ থেকেই। অর্থমন্ত্রীই এই বাজেট সংলাপে নেতৃত্ব দেন। অর্থমন্ত্রী চাইছেন, জুনে যে বাজেট হবে, সেই বাজেট তিনি এগিয়ে নিয়ে যাবেন না। কাজেই ভবিষ্যতের অর্থমন্ত্রীকে এই প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করতে চান অর্থমন্ত্রী। সূত্রমতে অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, বিভিন্ন দেশেই মিনিস্টার ওয়েটিং বা শ্যাডো মিনিস্টার থাকে। অর্থমন্ত্রনালয়েও এখন ছায়া মন্ত্রী নির্বাচন করা জরুরি। প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে এব্যাপারে শিগগিরই জানাবেন বলে জানিয়েছেন। সূত্রমতে, সরকারের মধ্যে বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী আগামী অর্থমন্ত্রী নিয়ে ভাবছেন বলে জানা গেছে। এ তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন ড. ফরাস উদ্দিন আহমেদ।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ইস্যু নিয়ে কথা বলেন বলে জানা গেছে। এছাড়া বাংলাদেশ বাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানও শেখ হাসিনার পছন্দের তালিকায় রয়েছেন বলে একটি সূত্র মনে করছে। তবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় তিনি পিছিয়ে। সরকারের একটি সূত্র বলছে, বর্তমান অর্থ প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নানও প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনায় আছে। তবে শেষ পর্যন্ত কে হবেন ভবিষ্যতের অর্থমন্ত্রী তা প্রধানমন্ত্রীই ঠিক করবেন। আর এটা স্পষ্ট হবে, আগামী বাজেট প্রক্রিয়ার সাথে সাথেই।

11
রক্তচাপ সমস্যায় একবার ভুগতে শুরু করলে, তা সারা জীবন পিছু ছাড়ে না। তাই বাধ্য হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শে চলতে হয়।
এবারে জেনে নিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার চারটি সহজ উপায়

১. শরীরচর্চা
নিয়মিত শরীরচর্চা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। শরীরচর্চার সময়-সুযোগ না পেলেও, নিয়মিত হাঁটুন। এছাড়া যোগব্যায়াম করলেও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

২. ঘুম
ঘুম কম হলেও রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই দিনে অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমনোর চেষ্টা করুন। পর্যাপ্ত ঘুম হরমোন ও নার্ভাস সিস্টেম স্বাভাবিক রাখে।

৩. লবন
লবন বা সোডিয়াম খাওয়ার পরিমাণ কমান। তাহলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণ
শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই উচ্চতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

12
আইসিসি ওয়ানডে বোলারদের র‌্যাঙ্কিয়ের শীর্ষে উঠেছেন এ সময়ের আলোচিত আফগান লেগ স্পিনার রশিদ খান। ওয়ানডে বোলারদের চূড়ায় ওঠা সর্বকনিষ্ঠ (কম বয়সী) বোলার তিনি। তিনি শুধু বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়েই নয়, সেরা অলরাউন্ডারদের মধ্যেও একজন। মঙ্গলবার আইসিসির র‌্যাঙ্কিং প্রকাশের দিন রশিদের বয়স ১৯ বছর ১৫৩ দিন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত সিরিজে ৫ ম্যাচে ১৬ উইকেট শিকার আর ধারাবাহিক সাফল্যে রশিদ এক লাফে এগিয়েছেন ৮ ধাপ। ক্যারিয়ার সেরা ৭৮৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে উঠেছেন শীর্ষে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকেই সাড়া জাগানো এই লেগ স্পিনার ৩৭ ওয়ানডে খেলে নিয়েছেন ৮৬ উইকেট। এবার দ্রুততম একশ উইকেটের রেকর্ডের পথে আছেন তিনি। তবে এ চূড়ায় রশিদ একা নন। যৌথভাবে তার শীর্ষে রয়েছেন জাসপ্রিত বুমরাহ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজে ৮ উইকেট নিয়ে ভারতীয় এই পেসার এগিয়েছেন দুই ধাপ। ৭৮৭ রেটিং পয়েন্ট তার ক্যারিয়ারেও সেরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজে ১৬ উইকেট নিয়ে যুজবেন্দ্র চেহেল এগিয়েছেন ২১ ধাপ। উঠেছেন ৮ নম্বরে। একই সিরিজে ১৭ উইকেট নেওয়া চায়নাম্যান বোলার কুলদীপ যাদব এগিয়েছেন ৪৭ ধাপ। উঠেছেন ১৫ নম্বরে। ভারত সিরিজে ব্যর্থতায় ৫ ধাপ পিছিয়ে ৬ সম্বরে নেমেছেন আগের শীর্ষ বোলার ইমরান তাহির। রশিদের স্বদেশি অফ স্পিনার মোহাম্মদ নবি ৭ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ১১ নম্বরে। রশিদ শুধু বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়েই নয়, এখন তিনি সেরা অলরাউন্ডারদের মধ্যেও একজন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে করেছেন ঝড়ো ৪৩ রান। ব্যাট হাতে তিনি দলের হয়ে প্রায়ই অবদান রাখেন। ১১ ধাপ এগিয়ে অলরাউন্ডারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে এখন তিনি চার নম্বরে। এদিকে অলরাউন্ডারদের শীর্ষ তিনে কোনো পরিবর্তন নেই। আগের মতোই এক, দুই ও তিনে যথাক্রমে রয়েছেন সাকিব আল হাসান, মোহাম্মদ হাফিজ ও মোহাম্মদ নবি।

13
এবার থেকে নাম্বার না জানিয়েই হোয়্যাটসঅ্যাপে করা যাবে চ্যাট। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। তবে তার জন্য আপনাকে ইনস্টল করতে হবে একটি অ্যাপ। যা পাওয়া যাবে গুগল স্টোরেই।  অ্যাপটির নাম ‘‌প্রাইমো’‌। এই অ্যাপ ইনস্টল করলে আপনার চ্যাটের উল্টোদিকে যিনি থাকবেন, তিনি দেখতে পাবেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‌‘‌ভার্চুয়াল’‌ নাম্বার। অ্যাপ ইনস্টল হলে সেই অ্যাপে একটা অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। তারপরে নিজের ফোন নম্বর নিয়ে সাইন আপ করুতে হবে। এরপর আপনার কাছে আসবে ৬ সংখ্যার ভেরিফিকেশন কোড। সেই কোড দেওয়ার পর সম্পূর্ণ হবে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া।

এরপর নাম, ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিতে হবে। পাসওয়ার্ড দেওয়ার পরে এরপর আসবে ৬ সংখ্যার ভেরিফিকেশন কোড।সেই কোড দেওয়ার পর সম্পূর্ণ হবে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া। এরপর ঢুকতে হবে  প্রাইমো ইউএস ফোন নাম্বারে। বাছতে হবে বিনামূল্যের ট্রায়াল ও প্রিমিয়াম। ট্রায়াল অপশনে গেলে একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফোন নম্বর পাওয়া যাবে। সেই নাম্বার দিয়ে হোয়্যাটসঅ্যাপ করা যাবে।

14
আনুষ্ঠানিক কোনো ডকুমেন্ট পাঠাতে হলে পিডিএফ ফাইল ব‍্যবহার করতে হয়। কাজের প্রয়োজনে কখনো কখনো পিডিএফ ফাইলটি সম্পাদনেরও প্রয়োজন পরে। অনেক পিডিএফ পড়ার সফটওয়‍্যারের ফ্রি সংস্করণে পিডিএফ ফাইল এডিট (সম্পাদন) করা যায় না। আর আপনার কম্পিউটার যদি কোনো পিডিএফ রিডার ইন্সটল করা না থাকে তাহলে কিছুটা বিপাকেই পরতে হয়। নতুন করে সফটওয়‍্যার ইন্সটলের ঝামেলা তো আছেই। গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করে সহজেই পিডিএফ ফাইল সম্পাদন করে নেওয়া যায়। জেনে নিন কিভাবে কাজটি করতে হবে? প্রথমে যে পিডিএফ ফাইলটি সম্পাদন করতে চান গুগল ড্রাইভে গিয়ে তা আপলোড করতে হবে। ফাইলটি আপলোড হলে, গুগল ড্রাইভ থেকে ফাইলের উপর মাউস রেখে রাইট ক্লিক করতে হবে। এরপর 'open with' অপশনে ক্লিক করে 'google docs' এ ক্লিক করতে হবে। কিছু সময়ের পরে পিডিএফ ফাইলটির গুগল ডক চালু হবে। সেখান থেকে প্রয়োজন মতো সম্পাদন করা যাবে। সম্পাদন শেষে ফাইলটি পিডিএফ অথবা ডক ফরম‍্যাটে সংরক্ষণ করা যাবে। এভাবে গুগল ড্রাইভের মাধ‍্যমে পিডিএফ ফাইল এডিট করা যায়। তবে এই প্রক্রিয়ায় কোনো ছবি সম্বলিত টেক্সট পিডিএফ ফাইল সম্পদন করা যাবে না।

15
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) গ্রাহকদের ফোরজি সেবা দেয়ার দিবে। মোবাইল অপারেটরদের কাছে সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় লাইসেন্স হস্তান্তর করবে। এরপর অপারেটরগুলো ফোরজি নেটওয়ার্ক চালুর ঘোষণা দেবে। ইতোমধ্যে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক লাইসেন্স পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফোরজি চালুর ঘোষণা দিয়েছে। মোবাইল ফোনে ফোরজি নেটওয়ার্ক সুবিধা পেতে চাইলে প্রথমেই আপনার সিমটি ফোরজি কি না সেটা জানতে হবে। যদি ফোরজি সিম না হয় তবে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে গিয়ে থ্রিজি সিম পরিবর্তন করে আনতে হবে। চাইলে ঘরে বসেইও সিম পরিবর্তন করতে পারবেন।

ফোরজি সুবিধা পেতে হলে কেবলমাত্র ফোরজি সিম হলেই হবে না। এজন্য চাই ফোরজি নেটওয়ার্ক এনাবল হ্যান্ডসেট। গ্রামীণফোন গতকাল ফোরজি এনাবল দুইটি হ্যান্ডসেট এনেছে। একটির মূল্য ৪৪৪৪ টাকা। বাজারে এটিই সবচেয়ে কম দামের ফোরজি ফোন। দেশের টেলিকম অপারেটরগুলো গত কয়েকমাস ধরে ফোরজি এনাবল সিম বিক্রি করে আসছে। তাই আপনার সিমটি ফোরজি কি না তা ঘরে বসেই পরখ করে দেখার সুযোগ রয়েছে:

আপনি যদি গ্রামীণফোনের গ্রাহক হন তবে মোবাইল ফোনে ডায়াল করুন *১২১*৩২৩২#। ফিরতি বার্তায় গ্রামীণফোন জানিয়ে দেবে আপনার সিমটি ফোরজি এনাবল কি না।

রবি গ্রাহকরা *১২৩*৪৪# ডায়াল করে ফোরজি সিমের তথ্য পাবেন। এছাড়াও বাংলালিংকের গ্রাহকেরা মোবাইল ফোন থেকে 4G লিখে ৫০০০ নম্বরে এসএমএস করলেই জানতে পারবেন সিম সম্পর্কিত তথ্য।

যদি টেলিটক গ্রাহকদের ঘরে বসে ফোরজি সিমের তথ্য জানার সুযোগ নেই। তারা এখনো এই ধরনের সেবা চালু করেনি।

Pages: [1] 2 3 ... 33