Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Anuz

Pages: [1] 2 3 ... 32
1
প্রাচীন কাল থেকেই ঔষধ হিসেবে মধু ব্যবহার হয়ে আসছে। নানা রোগের নিরাময় এবং কাটাছেঁড়া দ্রুত সারিয়ে তোলার কাজেও ব্যবহার হতো মধু। তাই প্রতিদিন খানিকটা মধু খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো একটি কাজ।
রোজ সকাল বেলা এক গ্লাস মধুপানি আপনার দিনটিকে মধুরতা দিয়ে শুরু করবে। শুধু তাই নয়। এই একগ্লাস মধু পানি আপনার শরীর ও স্বাস্থ্যের ওপর ফেলবে দারুণ চমৎকার প্রভাব। জানতে চান সেই অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক।
ওজন কমাতে সাহায্য করে
প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করার অভ্যাস করলে দ্রুত ওজন কমে। মধু হচ্ছে প্রাকৃতিক চিনি যা আমাদের দেহে এনার্জির সরবরাহ করে এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। এতে করে মুটিয়ে যাওয়ার ভয় কম থাকে। এছাড়াও মধু পানি জমে থাকা চর্বি দূর করতে সহায়তা করে থাকে।
অ্যাসিডিটির হাত থেকে রক্ষা করে
প্রতিদিন ১ গ্লাস মধু পানি পান করলে অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। মধুর অ্যান্টিসেপ্টিক গুণ পাকস্থলীর মিউকাসের নিঃসরণ ঘটায় যা জ্বালাপোড়া মুক্ত করে। এছাড়াও মধু পানি আমাদের কোলন ও ইনফিউসকে হাইড্রেট রাখতে সহায়তা করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
প্রতিদিন ১ গ্লাস মধু পানি খাওয়ার অভ্যাস দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মধুর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান দেহকে ভেতর থেকে সবল করে তোলে এবং যেকোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে দেহকে তৈরি করে।
অ্যালার্জিমুক্ত থাকতে সহায়তা করে
প্রতিদিন ১ গ্লাস মধু পানি অ্যালার্জির সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। প্রতিদিন সকালবেলা এক গ্লাস মধু পানি পানের ফলে দেহের পোলেন অংশগুলো যেসকল স্থানে অ্যালার্জির সংক্রমণ বেশি হয় সেসকল স্থানে একধরণের প্রতিরক্ষা পর্দার সৃষ্টি হয় যা সংবেদনশীলতা কমায় ও অ্যালার্জির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়।
পেটে গ্যাসের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে
গ্যাসের সমস্যা হলে একধরণের অস্বস্তি কাজ করতে থাকে যা দূর করতে পারে মধু পানি এক নিমেষেই। গ্যাসের সমস্যা শুরু হলে ১ চামচ মধু ১ গ্লাস পানিতে মিশিয়ে পান করে ফেলুন। এটি পেট ঠাণ্ডা করবে এবং গ্যাসের সমস্যা দূর করবে।
দুর্বলতা কাটিয়ে দেহে তাৎক্ষণিক এনার্জি সরবরাহ করে
যদি দুর্বলতা অনুভব করে থাকেন তাহলে অনেক সময় তা দেহে সুগারের মাত্রা কমে গেলে অনুভূত হয়। অনেকে এই সময় এনার্জি ড্রিংক নামক বিষ পান করে থাকেন। এর পরিবর্তে যদি ১ গ্লাস মধু পানি পান করে ফেলেন তবে আপনি তাৎক্ষণিকভাবে এনার্জি পাবেন, দুর্বলতা কেটে যাবে এবং দেহ থাকবে সুস্থ।
হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে
এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে পান করলে এটি দেহে ভালো কলেস্টোরলের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে এবং কার্ডিওভাস্কুলার সমস্যা থেকে দূরে থাকতে সহায়তা করে।

2
ফুড পয়জনিং খুব প্রচলিত সমস্যা। কোনো খাবার খাওয়ার পর বারবার বমি, পাতলা পায়খানা, জ্বর, পেট ব্যথা ইত্যাদি হওয়া ফুড পয়জনিংয়ের লক্ষণ। গরমের সময় অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত হন। জীবাণুযুক্ত খাবার, অস্বাস্থ্যকর খাবার, ময়লাযুক্ত থালাবাসনে খাবার খাওয়া এগুলো ফুড পয়জনিং তৈরি করতে পারে।
ফুড পয়জনিং হয়ে অবস্থা যদি বেশি খারাপ হয়, তাহলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। তবে তার আগে পালন করতে পারেন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে পদ্ধতিগুলোর কথা।

আদা
এক কাপ আদার চা দুপুরের খাবার অথবা রাতের খাবারের পর  পান করুন। এটি বুক জ্বালাপোড়া, বমি ইত্যাদি সমস্যা প্রতিরোধ করবে।
আদার চা বানাতে এক চামচ আদা কুচি এক কাপ পানিতে ফুটান। এর মধ্যে সামান্য চিনি দিন। এরপর পান করুন।
এ ছাড়া এক চা চামচ মধুর মধ্যে কয়েক ফোঁটা আদার রস দিন। ব্যথা ও প্রদাহ দূর করতে দিনে কয়েকবার এটি খেতে পারেন।

রসুন
রসুন ফুড পয়জনিংয়ের সঙ্গে চমৎকারভাবে লড়াই করে। এটি ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা কমায়।
রসুনের জুস খেতে পারেন।
একটি রসুনের কোয়া ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান। পানি পান করুন।
রসুনের তেল ও সয়াবিন তেল একসঙ্গে মিশিয়ে পেটে ঘষতে পারেন।

লেবু :
লেবুর মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী, অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। লেবু ফুড পয়জনিং তৈরিকারী ব্যাকটেরিয়াগুলোর সঙ্গে লড়াই করে।
এক চামচ লেবুর রসের মধ্যে এক চিমটি চিনি মেশান। দিনে দু-তিনবার এভাবে খান।
এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারেন। এটিও ফুড পয়জনিং কমতে সাহায্য করবে

3
নাস্তায় প্রায়ই খাওয়া হয় যে ফলটি তা হল কলা। সাধারণত বেশিরভাগ মানুষ সদ্যপাকা কলা খেতে পছন্দ করেন। কলা অতিরিক্ত পেকে গেলে এর চামড়ায় কালো ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। আর এই দাগের কারণে বেশির ভাগ সময় অতিরিক্ত পাকা কলা ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি, এই অতিরিক্ত পাকা কলার রয়েছে অনেকগুলো স্বাস্থ্যগুণ?
১। পুষ্টির পরিমাণ
প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, ভিটামিন বি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ ফল হল কলা। কলা যখন অতিরিক্ত পেকে যায় এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যায়। শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২। বুক জ্বালাপোড়া রোধ
কলাতে প্রাকৃতিক অ্যান্টি অ্যাসিড রয়েছে যা বুক জ্বালাপোড়া রোধ করে। বুক জ্বালাপোড়া করলে একটি কলা খান দেখবেন অনেকখানি কমে গেছে।
৩। রক্তচাপ
কলা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে সোডিয়ামের পরিমাণ কম এবং পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি হওয়ায় এটি স্টোক, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা হ্রাস করে থাকে।
৪। হজমশক্তিতে বৃদ্ধিতে
অতিরিক্ত পাকা কলায় ফাইবারের পরিমাণ কমে যায়, যার কারণে এটি সহজে হজম হতে পারে।
৫। ক্যান্সার প্রতিরোধে
২০০৯ সালে জাপানিজ এক গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত পাকা কলাতে টিউমার নেক্রোসিস ফ্যাক্টর রয়েছে যা শরীরের ক্যান্সারের কোষ ভেঙ্গে দেয়। এটি ক্যান্সার নিরাময় করে না তবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে।
৬। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে
কলাতে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার রয়েছে যা প্রাকৃতিকভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে থাকে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে পাকা কলা খাওয়ার অভ্যাস করুন।
৭। রক্তস্বল্পতা দূর করতে
কলায় আয়রন রক্ত কোষকে উজ্জীবিত করে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে থাকে। যা রক্ত স্বল্পতা দূর করে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন একটি পাকা কলা।

4
Cricket / A Fantastic Innings From Soumya becomes valueless
« on: October 28, 2017, 02:12:50 PM »
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে রান পাননি। অস্ট্রেলিয়া সিরিজেও খুঁজে পাননি ছন্দ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট-ওয়ানডেতেও তাঁর ব্যাট কথা বলেনি। সৌম্য সরকার নিজেকে খুঁজে পেলেন আজ ব্লুমফন্টেইনে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে। কিন্তু বিফলে গেছে তাঁর চেষ্টা। ৩১ বলে ৪৭ রানের দারুণ ইনিংসটা তাই সৌম্যর কাছে মূল্যহীন!

তাঁর ব্যাটে চড়েই ৯ ওভারে বাংলাদেশ করতে পেরেছে ২ উইকেটে ৯২। ওভার প্রতি ১০-এর ওপর রান তোলা বাংলাদেশের জন্য বাকি পথটা পাড়ি দেওয়া কঠিন কিছু ছিল না। কিন্তু ৯.১ ওভারে সৌম্য আউট হতেই ফিকে হতে শুরু করে জয়ের আশা। দক্ষিণ আফ্রিকাকে বাংলাদেশ যা একটু জবাব দিয়েছে বাঁহাতি ওপেনারের ইনিংসে ভর করেই। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা হেরে যাওয়ায় নিজের ইনিংস নিয়ে অতৃপ্তি থেকে গেছে সৌম্যর, ‘ইনিংসটা যদি লম্বা করতে পারতাম, দল যদি জিতত তখন এটা নিয়ে বলতে পারতাম। আমি শেষ করতে পারিনি, দল জেতেনি। এই ইনিংসের মূল্য নেই।’
প্রথম ৯ ওভার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করা বাংলাদেশ কেন ইনিংসের বাকি পথটা একই ছন্দে এগোতে পারেনি, সেটির ব্যাখ্যায় সৌম্য বললেন, ‘শেষ ১০ ওভারে ৩ থেকে ৬ নম্বরের (ব্যাটসম্যান) কেউ যদি বড় রান করতে পারত, তাহলে আমাদের জন্য সহজ হতো। তখন একজন সেট ব্যাটসম্যান থাকত। অনেক কিছু হতে পারত।’
পুরো দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে এই একটা ম্যাচে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে লড়াইয়ের ছাপ দেখা গেছে। পরশু পচেফস্ট্রুমে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে নামার আগে যেটি আত্মবিশ্বাসী করছে সৌম্যকে, ‘আজ প্রায় ২০০-এর কাছাকাছি রান করেছে ওরা। আমরাও ১৭৫ করেছি। অবশ্যই আমাদের সামর্থ্য আছে। মাঝে যদি একটা ব্যাটসম্যান ভালো করত, আমরা সহজেই জিতে যেতাম। এখান থেকে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে যে আমরা ২০০ করতে পারি।’

5
আধুনিক সভ্যতাকে বলা হয় জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক সভ্যতা। কারণ মাটির নিচের খনি থেকে তোলা জীবাশ্ম জ্বালানি- পেট্রল, ডিজেল, গ্যাস, কয়লা ছাড়া যে আধুনিকতার কোনো ইঞ্জিনই চলবে না। বিদ্যুৎ বা শক্তি উৎপাদনও করা যাবে না। এর মধ্যে সবচেয়ে দামি জ্বালানির একটি পেট্রল। অথচ সেই পেট্রলই কিনা কিছু দেশে পানির চেয়েও কম দামে পাওয়া যায়।
সৌদি আরব: সৌদি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি খনিজ তেল উৎপাদনকারী এবং সবচেয়ে বেশি পেট্রল রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে খ্যাত। সৌদি আরবে প্রতি লিটার পেট্রল বিক্রি হয় মাত্র ৭.৮৯ টাকায়।

লিবিয়া: বিশ্বের নবম বৃহত্তম পেট্রল উৎপাদক দেশ লিবিয়া। দেশটিকে এক লিটার পেট্রল পাওয়া যায় ৯.০৪ টাকায়।

ভেনেজুয়েলা: দেশটিতে এখন মাত্র ০.০৩১ মার্কিন ডলারে ২.৫৫ টাকায় এক লিটার পেট্রল পাওয়া যায়। দেশটির অর্থনীতির ৫০% নির্ভর পেট্রল বেচার টাকার ওপর।

তুর্কমেনিস্তান: মানুষরা প্রতিমাসে জনপ্রতি ১২০ লিটার পেট্রল বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু দেশটিতে পেট্রলের দাম নির্ধারিত নয়। ১২০ লিটারের বেশি দরকার হলে প্রতি লিটারে ১২ টাকা করে দিতে হয়।

বাহরাইন: পঞ্চম বৃহত্তম তেল উৎপাদক দেশ এটি। এখানে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ১২.৯৮ টাকা।

কুয়েত: বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম তেলের রিজার্ভ রয়েছে এদেশে। প্রায় ১০ হাজার ৪০০ কোটি ব্যারেল তেল মজুদ আছে দেশটিতে। প্রতি লিটার পেট্রলের গড় মূল্য ১৪.০৫ টাকা। আর খুচরা মূল্য ১২.৪১ টাকা।

কাতার: তেল উৎপাদনের দিক থেকে সপ্তম বৃহত্তম দেশ কাতার। দেশটির আয়ের প্রধান উৎসও তেল। ১৫০০ কোটি ব্যারেল তেলের মজুদ আছে দেশটিতে। প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ১৪.৯৬ টাকা।

মিশর: দেশটির সুয়েজ খাল দিয়ে প্রতিদিন ১০০ কোটি লিটার পেট্রল পারস্য উপসাগর থেকে ইউরোপের দিকে যায়। প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ১৯.০৬ টাকা। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের কারণে পেট্রলের দাম ওঠা-নামা করে।

ওমান: দেশটি প্রতিদিন ৬ লাখ ব্যারেল পেট্রল উৎপাদন করে। প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ১৯.৯৭ টাকা।

আলজেরিয়া: আফ্রিকার বৃহত্তম তেল উৎপাদক এবং বিশ্বের ১০ম বৃহত্তম তেল উৎপাদক। প্রতিদিন ১২ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে দেশটি। দেশটির আয়ের ৬০% আসে তেল থেকে। প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ২০.০৫ টাকা।

আর বাংলাদেশে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৭০ টাকা।

6
কত বছর একটি গাড়ি আপনি ব্যবহার করতে চান? ১০ বছর ২০ বছর ৩০বছর? কিন্তু তা যদি ১০০ বছর হয় তাহলে কেমন হবে? এমনই এক মজবুত গাড়ি তৈরি করেছে জার্মান নির্মাতা পার্টিসান।

শুধু ১০০ বছর টিকবে এমন দাবি নয়, রীতিমতো ১০০ বছরের ওয়্যারান্টিতে বিক্রি হচ্ছে এই গাড়ি। সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন মেটাতে যাবতীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে গাড়িটিতে।

নির্মাতারা বলছেন, এ গাড়ির ভেতরে এমন কোনো হালকা যন্ত্রপাতি নেই যা সহজে ভেঙে যাবে বা নষ্ট হবে। আর তাই যে কোনো পরিবেশে এ গাড়ি অনায়াসেই ১০০ বছর টিকে থাকবে।

অবশ্য দীর্ঘ ১০০ বছরে গাড়ির টায়ার ও সিটসহ হালকা কয়েকটি যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ বা পাল্টানো প্রয়োজন হতে পারে। তবে মূল গাড়িটি যে ১০০ বছর টিকবে সে ব্যাপারে নির্মাতারা আশাবাদী।

যুদ্ধক্ষেত্রে গাড়িটি যেন বোমার আঘাতে নষ্ট না হয় সেজন্য বাড়তি মজবুত করে তোলা হয়েছে। এছাড়া মাইন প্রতিরোধে গাড়িটির নিচে ভি শেপের বিশেষ ধাতব পাত লাগানোর ব্যবস্থা রয়েছে।

ক্রেতার পছন্দমতো গাড়িটির ইঞ্জিন বিভিন্ন ধরনের নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে ফিয়াটের ২.৮ লিটারের ইঞ্জিন আদর্শ বলে মনে করছেন নির্মাতারা।
তবে বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনও নেওয়া সম্ভব। আর এর বড় জ্বালানি ট্যাংক গাড়িটিকে তেল নিয়ে ১০০০ মাইল পর্যন্ত চালাতে সক্ষম। গাড়িটির মূল্য ধরা হয়েছে ৪৪ হাজার ডলার।

7
জাম্বুরা, কমলা ইত্যাদি লেবুজাতীয় ফল নিয়মিত খেলে ‘মেলানোমা’ নামক এক ধরনের ত্বক ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে, জানা গেছে নতুন এক গবেষণায়।গবেষকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক লাখেরও বেশি মানুষের খাদ্যাভ্যাস পর্যবেক্ষণ করে দেখেন, যারা দৈনিক ১.৬ বার লেবুজাতীয় ফল বা ফলের জুস খান তাদের মেলানোমায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সপ্তাহে দুইবারেরও কম লেবুজাতীয় ফল গ্রহণকারীদের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বেশি। তবে জাম্বুরা ও কমলা খাওয়ার সঙ্গে অন্য ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। রোড আইল্যান্ডের রাজধানী প্রভিডেন্সের ব্রাউন ইউনিভার্সিটির সাওউয়েই উ বলেন, “যদিও আমাদের গবেষণায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জাম্বুরা ও কমলা মেলানোমার ঝুঁকি বাড়ায়, তবে বিষয়টি নিশ্চিত করতে আমাদের আরও গবেষণা প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, “এখনই আমরা লেবুজাতীয় ফল খাওয়া কমানোর উপদেশ দিচ্ছি না। তবে যারা প্রচুর লেবুজাতীয় ফল খান তাদের দীর্ঘসময় রোদে পোড়া এড়িয়ে চলার চেষ্টা করা উচিৎ।” গবেষকদের মতে, মেলানোমা এবং লেবুজাতীয় ফলের মধ্যকার সম্ভাব্য সম্পর্কটি হতে পারে এই ধরনের ফলে প্রচুর পরিমাণে থাকা ‘ফিউরোকুমারিন্স’ নামক উপাদান। পূর্ববর্তী গবেষণায় দেখা গেছে, ফিউরোকুমারিন্স ত্বককে সূর্যের আলোর প্রতি আরও বেশি সংবেদনশীল করে তোলে, এমনকি মেলানোমায় আক্রান্তকারী অতিবেগুনি রশ্মির প্রতিও। যুক্তরাষ্ট্রের এক লাখ পুরুষ ও মহিলাকে ২৬ বছর ধরে পর্যবেক্ষণ করে এই গবেষণা করা হয়। এর মধ্যে ১ হাজার ৮শ’ ৪০ জনের মেলানোমা ধরা পড়ে। লেবু বা টকজাতীয় ফল (আস্ত জাম্বুরা, আস্ত কমলা এবং এগুলোর রস) খাওয়ার সঙ্গে নারী পুরুষ উভয়েরই মেলানোমায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। বিশেষত, জাম্বুরার সঙ্গে এই সম্পর্ক সবচেয়ে শক্তিশালী, এরপরেই আছে কমলার জুস। অনলাইনে জার্নাল অফ ক্লিনিকাল অনকোলজিতে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়।

8
Fruit / খোসাতেও পুষ্টি
« on: October 10, 2017, 07:37:30 AM »
ফল আর সবজির ভিতরের অংশই নয়, বাইরের আবরণও উপকারী। তাই কিছু ফল ও সবজি খোসাসহ খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে পুষ্টিবিদরা বলেন, “ফলের পরিপূর্ণ পুষ্টি পেতে চাইলে কিছু ফলের রসালো অংশের পাশাপাশি খোসাও খেতে হবে।” এমনই কিছু ফলের নাম উল্লেখ করা হয়, যেগুলো খোসাসহ খাওয়া বেশ উপকারী।

আপেল: আপেলের আঁশ ৫০ শতাংশ রয়েছে এর খোসায়। তাছাড়া এই ফলের আরও কিছু ভিটামিন, যেমন এ, সি এবং কে জমে থাকে খোসাতে। তাছাড়া আপেলে রয়েছে ‘কোরসেটিন’ নামক একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। যা বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় আপেলের খোসাতেই। এই উপাদান মস্তিষ্ক এবং ফুসফুস সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

আলু: আলু রান্না করার আগে স্বাভাবিকভাবেই খোসা ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। তবে আলুর খোসাতেও রয়েছে ভরপুর পুষ্টিগুণ। ভিটামিন সি, বি সিক্স, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রন পাওয়া যায় আলুর খোসায়। মিষ্টি আলু খাওয়ার সময় খোসাসহ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। কারণ মিষ্টি আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ। যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে, কোষ গঠন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

কিউইস: কিউই ফলের খোসা খাওয়া সম্ভব নয় মনে হলেও, মূলত এই ফলের খোসা পাকস্থলী সহজেই হজম করে ফেলতে পারে। আর কিউইর খোসায়ও রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণের পুষ্টি উপাদান। কিউই-এ থাকা ভিটামিন সি এবং ফ্ল্যাভানয়েডসের অনেকটাই পাওয়া যায় কিউইর খোসায়।

শসা: শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আর এর খোসাতেও রয়েছে অনেক পুষ্টিকর উপাদান। রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, পটাসিয়াম এবং ডায়েট্রি ফাইবার। আর খোসায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তারুণ্য ধরে রাখতেও সাহায্য করে।

গাজর: গাজরের খোসায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন এ, সি এবং বি সিক্স রয়েছে। তাই খোসাসহ গাজর খাওয়া ভালো। বিশেষজ্ঞরা জানান, গাজরের খোসায় রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস। এই উপাদান ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

বেগুন: ঘন বেগুনি রংয়ের খোসায় পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ কম নয়। রয়েছে নাসুনিন নামক একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সারের কোষ বিস্তার রোধ করতে সাহায্য করে। তাছাড়া বেগুনের খোসায় রয়েছে প্রচুর ফাইবার যা শরীরের জন্য উপকারী।

9
Fruit / Fruits Containing Less Natural Sugar
« on: October 10, 2017, 07:33:52 AM »
অ্যাভোকাডো: আমাদের দেশে ফলটি তুলনামূলক দুর্লভ। তবে চিনির মাত্রা অত্যন্ত কম এই ফলে। একটি আস্ত অ্যাভোকাডোতে মাত্র আধা গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি থাকে। তাই বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে আস্ত একটি অ্যাভোকাডো খেলে ওজন কিংবা ডায়বটিস নিয়ন্ত্রণের পথে অন্তরায় হবে না। তবে চিনির মাত্রা কম হলেও এতে ক্যালরির মাত্রা বেশি। তাই একে প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত করা যাবে না।

পেয়ারা: একটি পেয়ারায় প্রায় ৫ গ্রাম চিনি থাকে, আঁশ থাকে ৩ গ্রাম। যা এক বাটি বাদামি চালের ভাত কিংবা এক টুকরা ‘হোল-গ্রেইন’ পাউরুটির চেয়ে বেশি না। আর খোসাসহ খেলে আরও বেশি আঁশ মিলবে।

ফুটি: মাঝারি আকারের এই ফলে প্রায় ৫ গ্রাম চিনি ও ২৩ গ্রাম ক্যালরি পেটে যাবে।

পেঁপে: ছোট আকারের পেঁপের অর্ধেকটায় প্রায় ৬ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি মিলবে। তাই একবারে অর্ধেক পেঁপে খাওয়াই যথেষ্ট। স্বাদ বাড়াতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস কিংবা এক চিমটি লবণ মাখিয়ে নিতে পারেন।

স্ট্রবেরি: এক কাপ স্ট্রবেরিতে মিলবে প্রায় ৭ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি। সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে নিশ্চিন্তে খেতে পারেন ফলটি।

10
Fruit / How Much Natural Sugar in Each of the Fruit
« on: October 10, 2017, 07:30:11 AM »
ফল স্বাস্থ্যকর খাবার, পুষ্টিগুণে ভরপুর। থাকে প্রাকৃতিক চিনি বা শর্করা। শুধু ফল খেয়ে মুটিয়ে যাওয়া হয়ত সম্ভব নয়, তবে কিছু ফল পরিমাণ মতো না খেলে তা মুটিয়ে যাওয়ায় সহায়ক হতে পারে। পুষ্টিবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, কিছু ফলে যেমন শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে তেমনি কিছু ফলে কম। তাই স্বাস্থ্যসচেতনতার অংশ হিসেবে চিনিজাতীয় খাবার খাওয়া কমিয়ে ফল খাওয়ার পরিমাণ বাড়ানোর আগে জেনে নিন কোন ফলে চিনির পরিমাণ বেশি:

আম: একটি আমে গড়ে ৪৫ গ্রাম শর্করা থাকে। তাই যারা ওজন কমাতে চাইছেন কিংবা ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছেন তাদের কখনও একটি পুরো আম একবারে খাওয়া উচিত হবে না। ফালি করে কেটে কয়েক টুকরা খেয়ে বাকিটা পরে খেতে পারেন।

আঙুর: এক কাপ আঙুরে প্রায় ২৩ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি থাকে। আর খুব অল্পসময়েই এক কাপ আঙুর খেয়ে ফেলা যায়। চিনির মাত্রা কমাতে ফলটি সময় নিয়ে খেতে হবে। এজন্য আঙুর দুভাগ করে কেটে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। ঠাণ্ডা অবস্থায় খেতে স্বাভাবিকের চাইতে বেশি সময় লাগবে।

চেরি: এক কাপ চেরিফলে চিনি থাকে প্রায় ১৮ গ্রাম। আর বাটি ভরা চেরিফল নিয়ে টেলিভিশনের সামনে বসলে কতগুলো খাওয়া হল তার কোনো হিসাব থাকে না। তাই ফলটি নাস্তায় হিসেবে খাওয়ার আগে পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

নাসপাতি: মাঝারি আকারের একটি নাসপাতিতে ১৭ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি ধারণ করে। তাই পুরো ফল একবারে খাওয়া ঠিক হবে না। কয়েক টুকরা নিয়ে সালাদ কিংবা দইয়ে মিশিয়ে খেতে পারেন।

তরমুজ: মাঝারি আকারের এক ফালি তরমুজে প্রায় ১৭ গ্রাম চিনি থাকে। আর পানিতে ভরপুর এই থাকে ‘ইলেক্ট্রোলাইটস’ নামক বিশেষ খনিজ উপাদান যা শরীরকে করে তরতাজা। তাই তরমুজ খাওয়ার পরিমাণটা দুএক ফালির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকাই ভালো।

কলা: ১৪ গ্রাম চিনি থাকে মাঝারি আকারের একটি কলায়। ফলটি পুষ্টিকর হলেও ১৪ গ্রাম চিনি বেশ উচ্চমাত্রার। তাই কলা অর্ধেক করে কেটে সিরিয়ালের মিশিয়ে কিংবা স্যান্ডউইচ বানিয়ে খেতে পারেন।

11
বিশ্বজুড়ে ১৬০ কোটি মুসলমান রোজার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার কাছে নিজেদের নিবেদন করেন। তাঁদের এ আত্মনিবেদনের পেছনে থাকে না কোনো ইহলৌকিক চাওয়া। আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টিই কেবল চেয়ে থাকেন মুমিনরা। আল্লাহ তাআলাও মুমিনদের এ ভালোবাসাকে কবুল করে নিয়ে জান্নাতি প্রতিদান দিয়ে তাঁদের জীবনকে কানায় কানায় পূর্ণ করে দেন। মুসলিমরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ’সিয়াম’। খ্রিস্টানরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ’ফাস্টিং’। হিন্দু বা বৌদ্ধরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ’উপবাস’। বিপ্লবীরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ’অনশন’। আর, মেডিক্যাল সাইন্সে রোজা রাখকে বলা হয় ’অটোফেজি’।তবে মুসলিমদের রোজা রাখার ধরনের সাথে অন্যদের কিছু পার্থক্য আছে। খুব বেশি দিন হয়নি, মেডিক্যাল সাইন্স ’অটোফেজি’র সাথে পরিচিত হয়েছে। ২০১৬ সালে নোবেল কমিটি জাপানের ডাক্তার ’ওশিনরি ওসুমি’-কে অটোফেজি আবিষ্কারের জন্যে পুরষ্কার দেয়। এরপর থেকে আধুনিক মানুষেরা ব্যাপকভাবে রোজা রাখতে শুরু করে।

Autophagy কি? আসুন জেনে নিই। Autophagy শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ। Auto অর্থ নিজে নিজে, এবং Phagy অর্থ খাওয়া। সুতরাং, অটোফেজি মানে নিজে নিজেকে খাওয়া। না, মেডিক্যাল সাইন্স নিজের গোস্ত নিজেকে খেতে বলে না। শরীরের কোষগুলো বাহির থেকে কোনো খাবার না পেয়ে নিজেই যখন নিজের অসুস্থ কোষগুলো খেতে শুরু করে, তখন মেডিক্যাল সাইন্সের ভাষায় তাকে অটোফেজি বলা হয়। আরেকটু সহজভাবে বলি। আমাদের ঘরে যেমন ডাস্টবিন থাকে, অথবা আমাদের কম্পিউটারে যেমন রিসাইকেল বিন থাকে, তেমনি আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মাঝেও একটি করে ডাস্টবিন আছে। সারা বছর শরীরের কোষগুলো খুব ব্যস্ত থাকার কারণে, ডাস্টবিন পরিষ্কার করার সময় পায় না। ফলে কোষগুলোতে অনেক আবর্জনা ও ময়লা জমে যায়। শরীরের কোষগুলো যদি নিয়মিত তাদের ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে না পারে, তাহলে কোষগুলো একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রোগের উৎপন্ন করে। ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের মত অনেক বড় বড় রোগের শুরু হয় এখান থেকেই।

মানুষ যখন খালি পেটে থাকে, তখন শরীরের কোষগুলো অনেকটা বেকার হয়ে পড়ে। কিন্তু তারা তো আর আমাদের মত অলস হয়ে বসে থাকে না, তাই প্রতিটি কোষ তার ভিতরের আবর্জনা ও ময়লাগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করে। কোষগুলোর আমাদের মত আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই বলে তারা নিজের আবর্জনা নিজেই খেয়ে ফেলে। মেডিক্যাল সাইন্সে এই পদ্ধতিকে বলা হয় অটোফেজি।  শুধুমাত্রএ জিনিসটা আবিষ্কার করেই জাপানের ওশিনরি ওসুমি ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কারটা নিয়ে গেল। জানা গেছে, প্রোফেসর ওশিনরি নিজেও সপ্তাহে দুটি করে রোজা রাখেন।

12
এবারে বাংলাদেশের দুটি বেসরকারি সংগঠন শান্তিতে নোবেলের অংশীদার হয়েছে। আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ প্রচারাভিযানের (আইসিএএন) অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশি সংস্থা বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র (সিবিএস) ও ফিজিশিয়ান ফর সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটির নাম রয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করা বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) একটি জোট হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেয় দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার ওয়েপনস (আইসিএএন)।

আইসিএএনের ওয়েবসাইটে নিজেদের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেছে, বিশ্বের ১০১টি দেশের ৪৬৮টি সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান নিয়ে এ জোট গঠন করা হয়েছে। এর সব কটি সংগঠন মিলেই পরমাণু অস্ত্রবিরোধী প্রচারাভিযান চালায়। শত শত এনজিওর এই জোট প্রায় ১০ বছর ধরে শতাধিক দেশে কাজ করছে। জেনেভাভিত্তিক এই গোষ্ঠী অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম কাজ শুরু করে। ২০০৭ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ভিয়েনায় কাজ শুরু করে। বাংলাদেশি সংগঠন দুটির মধ্যে সিবিসি ২০১৪ সাল থেকে আইসিএএনের সদস্য ও ফিজিশিয়ান ফর সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি ২০০৬ থেকে ওই জোটের সদস্য হিসেবে কাজ করছে। বাংলাদেশে পরমাণু অস্ত্রের ক্ষতিকারক দিক নিয়ে এই দুটি সংগঠন নানা ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। পরমাণু অস্ত্র ও আণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষতিকারক দিক নিয়ে বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র নামের ওই ট্রাস্টি সংগঠনটি কাজ করছে। সংগীতশিল্পী ও অ্যাকটিভিস্ট অরূপ রাহীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি ২০১২ সাল থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। পরমাণু অস্ত্রের ক্ষতিকারক দিক নিয়ে তারা সেমিনার, প্রচার ও পুস্তিকা প্রকাশ করে আসছে। রাজধানীর ধানমন্ডিতে সংগঠনটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।

ফিজিশিয়ান ফর সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটির প্রেসিডেন্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল হাসান খান বলেন, ‘আমাদের মূল কাজ পরমাণু অস্ত্রের ক্ষতিকারক দিক নিয়ে মানুষকে সচেতন করা। এ ছাড়া তারা রোগী ও চিকিৎসক সম্পর্ক, জনস্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে নিয়মিত সভা ও সেমিনার করেন।’ এ ব্যাপারে অরূপ রাহী বলেন, নোবেল পুরস্কার কোনো অবিসংবাদী পুরস্কার নয়। কিন্তু শান্তির পক্ষে, পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার জন্য আইসিএএনের নোবেল প্রাপ্তি বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার বৈশ্বিক আন্দোলনে যে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে—এতে কোনো সন্দেহ নেই।

13
Jokes / মজার গল্প: ০৫
« on: October 07, 2017, 11:35:54 AM »
বাঁদর ও শেয়াল

একদিন জন্তুরা সকলে মিলে বাঁদরকে তাদের নেতা নির্বাচন করল।

শেয়াল বাঁদরের কাছে এসে বলল, “তুমি এখন আমাদের প্রধান, আমি তোমার সেবা করতে চাই। এই বনের মধ্যে এক জায়গায় আমি গুপ্তধনের সন্ধান পেয়েছি, চল আমি তোমাকে দেখাব।”

বাঁদর খুব খুশি হয়ে শেয়ালের সঙ্গে চলল। শেয়াল বাঁদরকে এক ফাঁদের কাছে এনে বলল, “এই সেই জায়গা। তুলে নাও সব, তোমার আগে আমি কিছু নিতে চাই না।”

বাঁদর যেই না ঐ ফাঁদে তার থাবা ঢুকিয়েছে অমনি সে ধরা পড়ে গেল। তখন শেয়াল ছুটে অন্য জন্তুদের কাছে গেল এবং বাঁদরকে দেখিয়ে বলল, “দেখো তোমরা, এমন নেতা নির্বাচন করেছ যে কিনা ফাঁদে ধরা পড়ে এমনই তার বুদ্ধি।”

14
Jokes / মজার গল্প: ০৪
« on: October 07, 2017, 11:35:12 AM »
বেড়াল ও শেয়াল

এক বেড়াল শেয়ালকে বলছিল কীভাবে কুকুরদের কাছ থেকে আত্মরক্ষা করা যায়।

“আমি কুকুরদের মোটেই ভয় পাই না।” বলল বেড়াল, “কেননা আমার একটা কৌশল জানা আছে।”

আর শেয়াল বলল, “মাত্র একটা কৌশলের সাহায্যে কীভাবে তুমি কুকুরদের হাত এড়াও? আমার জানা আছে এমন সাতাত্তরটি কৌশল।”

যখন তারা কথাবার্তা বলছিল সেই সময় একদল শিকারি তাদের কুকুর নিয়ে সেই পথে যাচ্ছিল। বেড়াল তার জানা একটিমাত্র উপায়ই ব্যবহার করল। সে একটি গাছে চড়ে বসল আর কুকুরেরা তার নাগাল পেল না। আর শেয়াল তার জানা সবগুলো উপায়কেই কাজে লাগাতে চেষ্টা করল কিন্তু কোনোটাই তার কাজে এল না এবং কুকুরেরা তাকে ধরে ফেলল।

15
Jokes / মজার গল্প: ০৩
« on: October 07, 2017, 11:34:06 AM »
ঈগল ও শেয়াল

এক ঈগল এক শেয়ালছানা ধরে নিয়ে চলল। শেয়াল মা গভীর দুঃখে অনেক কাকুতিমিনতি করল।

কিন্তু ঈগল তা শুনল না। সে ভাবল, “অনেক উঁচুতে পাইন গাছে আমার বাসা। শেয়াল আমার কী আর ক্ষতি করতে পারবে? সে আমার নাগালই পাবে না।”

এই ভেবে ছানাটিকে নিয়ে চলল। শেয়াল মা দৌড়ে গেল মাঠে, লোকের কাছ থেকে আগুন নিয়ে পাইন গাছে বয়ে আনল। সে সবে গাছে আগুন লাগাতে যাচ্ছে। এমন সময় ঈগল ক্ষমা চেয়ে তাকে তার বাচ্চা ফেরত দিল।

Pages: [1] 2 3 ... 32