Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - mushfiq.swe

Pages: [1] 2 3 ... 7
1
Please have a Look on the following topics (of this section)! Important for this month!!
http://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/board,644.0.html

You are requested to give your valuable opinion in this poll and reply/comment in the posts!

2
অর্থ,বিত্ত, বৈভব, প্রাচুর্য কাকে না টানে। আমাদের পৃথিবীর ৮০ ভাগ মানুষ এই সব অর্থ-বৈভব, প্রাচুর্যের সম্পূর্ণ ব্যবহার কিংবা দেখার সুযোগ পায় না। বাকি ২০ শতাংশ মানুষ পৃথিবীর এই সব সম্পদ, প্রাচুর্য আর বৈভব উপভোগ করে। তাই তো এই সব মানুষদের ধরা হয় সেরাদের সেরা কিংবা এ্লিট। তাই তো হাজার বছর ধরে আমরা সাধারণ মানুষের জানতে চেয়েছি কিভাবে এই এলিট মানুষগুলো বেঁচে থাকে, কি খায় তারা প্রতিদিন, তাদের পরিধেয় পোশাক কী? সেই ১৪ শতকের আফ্রিকায় বসবাস করা মান্সা মুসা (৪০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নিয়ে সর্বকালের সেরা ধনী ব্যক্তি হিসাবে চিহ্নিত) থেকে শুরু করে এখনকার সময়ের বিল গেটস কিংবা ক্ষুদে বিলিনিয়ার মার্ক জুকারবার্গ সবার জীবন-যাপন আমাদের কল্পনার অধ্যায়। অনেক দিন ধরে মাইক্রোসফটের প্রধান বিল গেটস এই চেয়ার দখল করে রাখার পর ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর জেফ বেজোস দখল করে নেন সেই মুকুট।


পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি জেফ বেজোস
জেফ বেজোস–অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও এর দৈনিক আয় ৬.৪৪ বিলিয়ন ডলার। এই মুকুটধারী ব্যক্তি কিন্তু এখনো রাতের খাবারের পর থালা-বাসন ধোয়ার কাজ নিজেই করেন। এই সময়ের টেক এবং বিজনেস জায়ান্টের এক একটা দিন এমবিএ ক্লাসের পাঠ্যের মধ্যে আসে। তাই আমরাও জানতে চেয়েছি এই মুঘলের সাথে। নিচে জেনে তার ৩টি অজানা তথ্য   

জেফ বেজোস– বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। ২০১৮ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১১০ বিলিয়ন ডলার।
জেফ বেজস খুবই কর্মঠ একজন মানুষ কিন্তু তার দৈনিক কাজের ধাঁচ দেখলে মনে হয় না তিনি একজন কাজ পিয়াসী মানুষ বরং তিনি একজন সংসারী মানুষ।   
তার দৈনিক কাজের তালিকায় নিজের এবং পরিবারের জন্য সময় তিনি রাখেন এবং রাতের খাবারের পর থালা বাসন ধোয়ার দায়িত্ব তাঁর।
ব্লমবার্গের তথ্য মতে, অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও এর বর্তমান সম্পদের পরিমাণ ১১০ বিলিয়ন ইউ এস ডলার। অনলাইন রিটেইল শপ অ্যামাজন ছাড়াও ওয়াশিংটন পোস্ট এবং ব্ল ওরিজিন নামক অ্যারোস্পেস কোম্পানির মালিক তিনি। এরকম সম্পদের মালিক এবং এই টেক মুঘলের দিন কিভাবে কাটে? তাই আসুন আমাদের সাথে জেফ বেজোস এর একটি দিনের জীবন যাপনের সাথে আমরা পরিচিত হই।

১. জেফ বেজোস পরিমিত ঘুম এবং বিশ্রামে বিশ্বাসী। তিনি প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠেন কোনো রকম অ্যালার্ম ছাড়াই।


এই বৈভব সম্রাট কিন্তু খুবই শরীর সচেতন
২. ভদ্রলোক খুবই স্বাস্থ্য সচেতন তাই সকালের নাস্তার বিষয়ে তিনি খুবই সজাগ। তাই তার দিন শুরু হয় পরিবারের সাথে পুষ্টিকর নাস্তা দিয়ে। পরিবারে তার স্ত্রী উপন্যাসিক ম্যাকেঞ্জী বেজোস এবং চার সন্তানের একসাথে নাস্তা করাটা অলিখিত নিয়মের মাঝেই পড়ে।


উপন্যাসিক স্ত্রীর সাথে জেফ বেজোস
৩. ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি যতই কর্মঠ হোন না কেন পরিবারের প্রাধান্য তার কাছে সবার আগে। তাই স্ত্রী এবং চার সন্তানের সাথে ভালো ভাবে সময় কাটানোর জন্য বেজোস কখনই সকালে মিটিং রাখেন না তার দৈনিক রুটিনে।


পরিবারের প্রতি তাঁর দায়িত্ব সবার আগে
৪. জেফ বেজোস পুরোপুরি নিজের চেষ্টায় গড়ে তুলেছেন অ্যামাজনের এই সাম্রাজ্য। তাই এক অর্থে তিনি একাই নাবিক এবং তার আচরণে এর মিল খুঁজে পাবেন। তিনি মিটিং এর মানুষ নন, তাই নিয়মিত মিটিং রুমে তার দেখা পাওয়া যায় না। এমনকি অ্যামাজন এর ইনভেস্টরদের সাথে তিনি বছরে মাত্র একবার বসেন তাও কয়েক ঘন্টার মিটিং মাত্র!


অল্প সময়ে কাজ আদায়ে তার জুড়ি নেই
৫. জেফ বেজোস সব সময় দুই পিজ্জা নিয়ম মেনে মিটিং ডাকেন। দুই পিজ্জা নিয়মের মূল বিষয়টা হচ্ছে মিটিং এ অংশগ্রহণ করবে সীমিত সংখ্যক লোক। দুই পিজ্জা যাতে মিটিং এর সবাই খেতে পারে এটাই মূল ভাবনা। বলা হয়ে থাকে বেজোস কখনোই তার মিটিং এ অতিরিক্ত লোক ডাকেন না।


দুই পিজ্জা থিওরিতে মিটিং ডাকেন জেফ বেজোস
৬ . জেফ বেজোস তার অফিসের দৈনিক কাজের মাঝে মাঝে হঠাত হয়ে বোমা পড়েন! অর্থাৎ কাজ আদায়ের জন্য তিনি নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। আজকাল শোনা যায় রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনি একজন পুরোদস্তুর একজন এক্সিকিউটিভ নিয়োগ দিয়েছেন।


কাজ আদায়ে জেফ বেজোস খুবই পটু
৭. জেফ বেজোসের দৈনিক জীবনযাপনে মিতব্যয়িতা খুব চোখে পড়ে। অ্যামাজন অফিসে তাই নিয়মিত ফ্রি খাবার কিংবা ফ্রি সুযোগ সুবিধা খুব কমই চোখে পড়বে।


অ্যামাজনের কনফারেন্সে জেফ বেজোস
৮. টেক মুঘলের খাদ্যাভাস সত্যিকারের আমাদের দেশের মোঘল রাজাদের মতোই। তিনি নিয়মিত চেষ্টা করেন নতুন নতুন ধরনের খাবার খেতে। ভট কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ম্যাট রুটলেজ এর সাথে একবার মিটিং এর সময় সকালের নাস্তায় জেফ নাকি অর্ডার করেছিলেন অক্টোপাস সাথে আলু, বেকন, সবুজ আদার ইয়োগার্ট এবং ডিম। ম্যাট এর ভাষায়, “আমি যখন মেন্যুর দিকে লক্ষ্য করলাম সত্যি অবাক হয়েছিলাম, মিস্টার জেফ বেজোস, সত্যি আপনাকে বোঝা বড় কঠিন!” উত্তরে হেসে বেজোস এর উত্তর “সকালের নাস্তায় এই অক্টোপাস আমার চাই!”


মুঘল সম্রাটদের মতোন খাওয়াতে তাঁর চাই বিচিত্রতা
৯. খাবার প্রীতি এই টেক মুঘলের পুরনো কিছু নয়। তাই জেফ বেজোসকে মাঝে মাঝেই অ্যামাজন সদর দফতরের আশে পাশে ভ্রাম্যমাণ খাবারের ট্রাকে পাওয়া যায়। একবার তো তিনি এক সাক্ষাৎকারে এরকম বেশ কিছু ফুডকার্টের কথা বলেছিলেন। ২০১৪ তে বিজনেস ইনসাইডার এর এডিটর এবং চিফ হেনরিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেশ কিছু ফুড কার্টের কথা বলেন, সেখানে তিনি নিয়মিত যান এবং এক কথায় প্রচণ্ড ভিড় সেখানে থাকে, তবুও আমি সেখানে যাই খেতে।


ভোজন রসিক এবং শরীরের ব্যাপারেও তিনি সচেতন
১০. জেফ বেজোসের বাড়িতে প্রাতরাশের পর একটি অলিখিত নিয়ম আছে তা হচ্ছে, তিনি থালা বাসন নিজে হাতে ধুয়ে ফেলেন। তিনি বলেন,”আমি বিশ্বাস করি আমার করা সবচেয়ে পছন্দের কাজ এই নিজে হাতে থালা বাসন ধোয়া !”


সংসারী মানুষ জেফ বেজোস
১১. আজকাল জেফ বেজোসের ছবি দেখলে মনে হতে পারে এত কাজের মধ্যে তিনি ব্যায়াম করেন কখন? সত্য বলতে তার ব্যায়ামের নিয়ম বা রুটিনের কোনো নিয়ম খুঁজে পাওয়া যায় নি। তবে তিনি যেহেতু সকাল বেলার পাখি, তাই ধারণা করা যেতেই পারে ভোরে তিনি ব্যায়াম করেন। তা না হলে সদ্য অ্যামাজন কনফারেন্সে তার পেশীবহুল শরীর দেখে হলিউডের ভেন ডিজেলের সাথে তুলনা করেছেন অনেকেই।


এতটাই নিজের যত্ন নেন যে এখন নিয়মিত ব্যায়াম করেন
১২. অ্যামাজন এখন আর শুধু রিটেইল জায়ান্ট নয় বরং বেশ কিছু ছোট খাট কোম্পানির মূল প্রতিষ্ঠান। তারই অংশ হিসাবে অ্যামাজন মিডিয়া জগতেও পা রেখেছে এবং সেখানেও বেশ ভালো অবস্থানে উঠে এসেছে। তাইতো অ্যামাজন থেকে বেশি কিছু দর্শকপ্রিয় টিভি সিরিজ ইতোমধ্যে চলছে মিডিয়ায়। বেশ কিছু জনপ্রিয় টিভি সিরিজ যেমন ‘দ্য ম্যান ইন দ্য হাই ক্যাসেল’ এবং ‘ট্রান্সপ্যারেন্ট’ বের হয়েছে অ্যামাজনের ব্যানারে। তার পছন্দের টিভি সিরিজের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বেশ বুদ্ধি দিয়ে পাশ কাটান। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে ২০১৬ সালে প্রচারিত সিনেমা ‘স্টার ট্রেক বিয়ন্ড’ এ সবাইকে অবাক করে দেন সিনেমার এক দৃশ্যে হঠাত অভিনয় করে।


টিভি সিরিজের পর্দায় এই বিলিনিয়ার
১৩. চলচ্চিত্রের কল্পনার অ্যাডভেঞ্চারের জগত থেকে তিনি বাস্তবের অ্যাডভেঞ্চারে বিশ্বাসী। অনেকে একে জেফ বেজসের আরেকটি শখ বলেও বিশ্বাস করেন। তার বাস্তবের অ্যাডভেঞ্চার হচ্ছে সাবমেরিন দিয়ে সাগরের নিচে নাসার রকেট খুঁজে বেড়ানো। বাচ্চাদের সাথে নিতে তিনি ভোলেন না এই অ্যাডভেঞ্চারে!

১৪. দিন শেষে জেফ বেজোস সঠিক পরিমাণে বিশ্রাম এবং সুন্দর জীবনে বিশ্বাস করেন। তার নিয়মিত রুটিনে ৮ ঘণ্টার ঘুম বাধ্যতামূলক।

Image Source: Getty Images

4
"a cryptojacking program has recently been found in a popular Chrome extension"
-which one? Please name the Chrome extension.

5
Software Engineering / Re: E-Learning/Distance Learning System Survey
« on: March 19, 2018, 01:22:16 PM »
Assalamu 'Alaikum.
Sir, have you got enough response for your research work?
I thought your research is not survey based!

6
Hadith / হাদীস শরীফে - পর্দা
« on: November 28, 2017, 11:49:29 PM »
পর্দা বিষয়ক কিছু হাদিস
১. আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
নারী হল সতর তথা আবৃত থাকার বস্ত্ত। নিশ্চয়ই সে যখন ঘর থেকে  বের হয় তখন শয়তান তাকে মনোযোগ দিয়ে দেখতে থাকে। আর সে যখন গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করে তখন সে আল্লাহ তাআলার সবচেয়ে বেশি নিকটে থাকে।-আলমুজামুল আওসাত, তবারানী
এই হাদীস দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া উচিত নয়।
২. আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
ইহরাম গ্রহণকারী নারী যেন নেকাব ও হাতমোজা পরিধান না করে। (সহীহ বুখারী ৪/৬৩, হাদীস : ১৮৩৮)
কাযী আবু বকর ইবনে আরাবী বলেন, নারীর জন্য বোরকা দ্বারা মুখমন্ডল আবৃত রাখা ফরয। তবে হজ্বের সময়টুকু এর ব্যতিক্রম। কেননা, এই সময় তারা ওড়নাটা চেহারার উপর ঝুলিয়ে দিবে, চেহারার সাথে মিলিয়ে রাখবে না। পরপুরুষ থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখবে এবং পুরুষরাও তাদের থেকে দূরে থাকবে। (আরিযাতুল আহওয়াযী ৪/৫৬)
৩. আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
যে ব্যক্তি অহঙ্কারবশত কাপড় ঝুলিয়ে রাখে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তার দিকে (রহমতের দৃষ্টিতে) তাকাবেন না। তখন উম্মুল মুমিনীন উম্মে সালামা রা. জিজ্ঞাসা করলেন, তাহলে মহিলারা তাদের কাপড়ের ঝুল  কীভাবে রাখবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এক বিঘত ঝুলিয়ে রাখবে। উম্মে সালামা বললেন, এতে তো তাদের পা অনাবৃত থাকবে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাহলে এক হাত ঝুলিয়ে রাখবে, এর বেশি নয়। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ৪১১৭; জামে তিরমিযী ৪/২২৩; সুনানে নাসাঈ ৮/২০৯; মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক ১১/৮২
ইমাম তিরমিযী বলেন, এই হাদীসে নারীর জন্য কাপড় ঝুলিয়ে রাখার অবকাশ দেওয়া হয়েছে। কারণ এটিই তাদের জন্য অধিক আবৃতকারী।
৪. ওকবা ইবনে আমের জুহানী রা.-এর সূত্রে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-তোমরা নারীদের নিকট যাওয়া থেকে বিরত থাক। এক আনসারী সাহাবী আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! স্বামী পক্ষীয় আত্মীয় সম্পর্কে আপনি কী বলেন? তিনি বললে, সে তো মৃত্যু। -সহীহ বুখারী ৯/২৪২; সহীহ মুসলিম, হাদীস : ২১৭২; জামে তিরমিযী, হাদীস : ১১৭১; মুসনাদে আহমাদ ৪/১৪৯, ১৫৩
এই হাদীসে বেগানা নারী-পুরুষের একান্ত অবস্থানকে নিষেধ করা হয়েছে এবং এ প্রসঙ্গে স্বামী পক্ষীয় আত্মীয়-স্বজন যেমন দেবর-ভাসুর ইত্যাদির সাথে অধিক সাবধানতা অবলম্বনকে অপরিহার্য করা হয়েছে।
৫. হযরত আয়েশা রা. ইফ্কের দীর্ঘ হাদীসে বলেছেন-আমি আমার স্থানে বসে ছিলাম একসময় আমার চোখ দুটি নিদ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ল এবং আমি ঘুমিয়ে পড়লাম। সফওয়ান ইবনে মুয়াত্তাল আসসুলামী ছিল বাহিনীর পিছনে আগমনকারী। সে যখন আমার অবস্থানস্থলের নিকট পৌছল তখন একজন ঘুমন্ত মানুষের আকৃতি দেখতে পেল। এরপর সে আমার নিকট এলে আমাকে চিনে ফেলল। কারণ পর্দা বিধান অবতীর্ণ হওয়ার আগে সে আমাকে দেখেছিল। সে তখন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন বলে ওঠে, যার দরুণ আমি ঘুম থেকে জেগে উঠি এবং ওড়না দিয়ে নিজেকে আবৃত করে ফেলি।
অন্য রেওয়ায়েতে আছে, আমি ওড়না দিয়ে আমার চেহারা ঢেকে ফেলি।-সহীহ বুখারী ৫/৩২০; সহীহ মুসলিম, হাদীস : ২৭৭০; জামে তিরমিযী, হাদীস : ৩১৭৯
৬.  উম্মুল মুমিনীন উম্মে সালামা রা. বলেন, আমি একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ছিলাম। উম্মুল মুমিনীন মায়মুনা রা.ও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এমন সময় আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম উপস্থিত হলেন। এটি ছিল পর্দা বিধানের পরের ঘটনা। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা তার সামনে থেকে সরে যাও। আমরা বললাম, তিনি তো অন্ধ, আমাদেরকে দেখছেন না?! তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরাও কি অন্ধ? তোমরা কি তাকে দেখছ না?-সুনানে আবু দাউদ ৪/৩৬১, হাদীস : ৪১১২; জামে তিরমিযী ৫/১০২, হাদীস : ২৭৭৯; মুসনাদে আহমাদ ৬/২৯৬; শরহুল মুসলিম, নববী ১০/৯৭; ফাতহুল বারী ৯/২৪৮
৭. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. বলেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ইহরাম অবস্থায় ছিলাম তখন আমাদের পাশ দিয়ে অনেক কাফেলা অতিক্রম করত। তারা যখন আমাদের সামনাসামনি চলে আসত তখন আমাদের সকলেই চেহারার ওপর ওড়না টেনে দিতাম। তারা চলে গেলে আবার তা সরিয়ে নিতাম।-মুসনাদে আহমাদ ৬/৩০; ইবনে মাজাহ,
হাদীস: ২৯৩৫
এই হাদীস থেকে বোঝা যায়, পরপুরুষের সামনে চেহারা ঢেকে রাখা আবশ্যক।
৮. আসমা বিনতে আবু বকর রা. বলেন, আমরা পুরুষদের সামনে মুখমন্ডল আবৃত করে রাখতাম। ...-মুসতাদরাকে হাকেম ১/৪৫৪
এই হাদীস থেকে বোঝা যায়, সাহাবা-যুগের সাধারণ মহিলারাও গায়র মাহরাম পুরুষ থেকে নিজেদের চেহারা আবৃত করতেন। কারণ আসমা বিনতে আবি বকর রা. এখানে বহুবচন ব্যবহার করেছেন। যা প্রমাণ করে উম্মুল মুমিনগণ ছাড়া অন্য নারীরাও তাদের মুখমন্ডল আবৃত রাখতেন।
৯. ফাতিমা বিনতে মুনযির রাহ. বলেন, আমরা আসমা বিনতে আবু বকর রা.-এর সাথে ইহরাম অবস্থায় থাকাকালে আমাদের মুখমন্ডল ঢেকে রাখতাম।-মুয়াত্তা, ইমাম মালেক ১/৩২৮; মুসতাদরাকে হাকেম ১/৪৫৪
হযরত ওমর রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-যখনই কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে একান্তে সাক্ষাত করে তখন তাদের তৃতীয়জন হয় শয়তান।-জামে তিরমিযী
উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. বলেন, একজন মহিলা পর্দার পিছন থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে একটি কাগজ দিতে চাইল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাত গুটিয়ে নিলেন (কাগজটি নিলেন না এবং) বললেন, আমি জানি না, এটা কি পুরুষের হাত না নারীর। মহিলা আরজ করলেন, ‘নারীর হাত।’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘তুমি যদি নারী হতে তাহলে নিশ্চয়ই নখে মেহেদী থাকত।’-সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসায়ী
এই হাদীস থেকে বোঝা যায়, পীর-মুর্শিদ ও উস্তাদের সাথেও পর্দা করা অপরিহার্য।
হযরত উমাইমা বিনতে রুকাইকা রা. থেকে বাইয়াত সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ হাদীসে আছে যে, নারীগণ বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল আমাদের প্রতি আমাদের নিজেদের চেয়েও মেহেরবান। সুতরাং আপনার হাত মোবারক দিন, আমরা বাইয়াত হই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি নারীদের সাথে হাত মিলাই না। (যা মুখে বলেছি তা মেনে চলাই তোমাদের জন্য অপরিহার্য)।-মুয়াত্তা মালিক
উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. বলেন, আল্লাহর কসম! বাইয়াতের সময় তাঁর (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর) হাত কখনো কোনো নারীর হাত স্পর্শ করেনি। তিনি শুধু মুখে বলতেন, তোমাকে বাইয়াত করলাম।-সহীহ বুখারী ২/১০৭১
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
দুই শ্রেণীর দোযখী এখনও আমি দেখিনি। (কারণ তারা এখন নেই, ভবিষ্যতে আত্মপ্রকাশ করবে) এক শ্রেণী হচ্ছে ঐ সকল মানুষ, যাদের হাতে ষাঁড়ের লেজের মতো চাবুক থাকবে, যা দিয়ে তারা মানুষকে প্রহার করবে। (দ্বিতীয় শ্রেণী হচ্ছে) ঐ সকল নারী, যারা হবে পোশাক পরিহিতা, নগ্ন, আকৃষ্ট ও আকৃষ্টকারী; তাদের মাথা হবে উটের হেলানো কুঁজের ন্যায়। এরা জান্নাতে যাবে না এবং জান্নাতের খুশবুও পাবে না অথচ জান্নাতের খুশবু তো এত এত দূর থেকে পাওয়া যাবে।-মুসলিম ২/২০৫, হাদীস : ২১২৮
এই হাদীসে বেপর্দা নারীদের প্রতি কঠিন হুঁশিয়ারি শোনানো হয়েছে। সুতরাং তাদের মৃত্যুর আগেই তাওবা করে পর্দার বিধানের দিকে ফিরে আসা কর্তব্য।
উপরের আলোচনা থেকে জানা গেল যে, হাদীস শরীফে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্দার বিধান দেওয়া হয়েছে। এই বিধান মেনে চলা সকল ঈমানদার নারী-পুরুষের জন্য অপরিহার্য।


http://www.alkawsar.com/topic/14?page=1

7
Quran / কুরআন শরীফে - পর্দার আয়াত
« on: November 28, 2017, 11:42:45 PM »
কুরআন শরীফে - পর্দার আয়াত সমূহ
নারী-পুরুষ উভয়ের পবিত্রতা রক্ষার অতি সহজ ও কার্যকর উপায় হল ইসলামের পর্দা বা হিজাব বিধান। এই বিধানের অনুসরণের মাধ্যমেই হৃদয়-মনের পবিত্রতা অর্জন করা সম্ভব। পর্দার এই সুফল স্বয়ং আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন। ইরশাদ হয়েছে-
ذلكم اطهر لقلوبكم وقلوبهن
  এই বিধান তোমাদের ও তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ। (সূরা আহযাব (৩৩) : ৫৩)

পর্দা একটি কুরআনী বিধান। কুরআন মজীদের অনেকগুলো আয়াত পর্দা সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। পর্দা ইসলামের ঐসকল বিধানের অন্যতম, যেগুলোর বিভিন্ন দিক বিস্তারিতভাবে কুরআন মজীদে আছে। তেমনি হাদীস শরীফেও এর আরো দিক পরিষ্কারভাবে বর্ণিত হয়েছে। তো পর্দার বিধান হচ্ছে ইসলামের একটি অটল ও অকাট্য বিধান।
 সুতরাং কোনো ঈমানদারের পক্ষে এই বিধানকে হালকা মনে করার সুযোগ নেই। এখানে কয়েকটি আয়াত সংক্ষিপ্ত আলোচনাসহ তুলে ধরা হল।

এক.
يا ايها النبى قل لازواجك وبناتك ونساء المؤمنين ...
  হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীগণকে, কন্যাগণকে ও মুমিনদের নারীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়। এতে তাদের চেনা সহজ হবে। ফলে তাদের উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা আহযাব : ৫৯)
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন, আল্লাহ তাআলা মুমিন নারীদেরকে আদেশ করেছেন যখন তারা কোনো প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হবে তখন যেন মাথার উপর থেকে ওড়না/চাদর টেনে স্বীয় মুখমন্ডল আবৃত করে। আর (চলাফেরার সুবিধার্থে) শুধু এক চোখ খোলা রাখে।-ফাতহুল বারী ৮/৫৪, ৭৬, ১১৪
ইবনে সীরিন বলেন, আমি (বিখ্যাত তাবেয়ী) আবীদা (সালমানী রাহ.)কে উক্ত আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, কাপড় দ্বারা মাথা ও চেহারা আবৃত করবে এবং এক চোখ খোলা রাখবে।

দুই.
واذا سألتموهن فسئلوهن من وراء حجاب ...
তোমরা তাঁদের (নবী পত্নীদের) নিকট কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাও। এই বিধান তোমাদের ও তাদের হৃদয়ের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ। তোমাদের কারো জন্য আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেওয়া সংগত নয় এবং তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পত্নীদেরকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য কখনো বৈধ নয়। আল্লাহর দৃষ্টিতে এটা ঘোরতর অপরাধ। (সূরা আহযাব (৩৩) : ৫৩)

এই আয়াত থেকেও বোঝা যায়, নারীর দেহের কোনো অংশই পর্দা-বিধানের বাইরে নয়। উম্মুল মুমিনীনগণের আমলও তা প্রমাণ করে।
এই আয়াতে যখন পর্দার বিধানকে সাহাবায়ে কেরাম ও উম্মুল মুমিনীনদের জন্যও অধিকতর পবিত্রতার উপায় বলা হয়েছে তখন উম্মতের আর কে আছে যে এই বিধানের বাইরে থাকতে পারে?

তিন.
قل للمؤمنت يغضنن من ابصارهن ويحفظن فروجهن ولا يبدين زينتهن الا ما ظهر منها
তরজমা : (হে নবী!) মুমিন নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে ও তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে। তারা যেন সাধারণত যা প্রকাশ থাকে তা ছাড়া নিজেদের আভরণ প্রদর্শন না করে। (সূরা নূর : ৩১)

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত আছে যে, ‘সাধারণত যা প্রকাশিত’ অর্থ হচ্ছে কাপড়।-তাফসীরে তাবারী ১৮/১১৯
এই ব্যাখ্যা অনুসারে প্রতীয়মান হয় যে, গায়রে মাহরাম পুরুষের সামনে নারীর মুখমন্ডলসহ পূর্ণ দেহ আবৃত রাখা অপরিহার্য।

চার.
وليضربن بخمرهن على جيوبهن
তরজমা : তারা যেন গ্রীবা ও বক্ষদেশ মাথার কাপড় দ্বারা আবৃত করে। ... (সূরা নূর : ৩১)

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. বলেন,
يرحم الله نساء المهاجرات الأول، لما أنزل الله : وليضربن بخمرهن على جيوبهن شققن مورطهن فاختمرن بها.
অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা প্রথম শ্রেণীর মুহাজির নারীদের প্রতি দয়া করুন। আল্লাহ তাআলা যখন
وليضربن بخمرهن على جيوبهن
আয়াত নাযিল করলেন তখন তারা নিজেদের চাদর ছিঁড়ে তা দ্বারা নিজেদেরকে আবৃত করেছিলেন।-সহীহ বুখারী ২/৭০০
উপরোক্ত হাদীসের ব্যাখ্যায় হাফেয ইবনে হাজার আসকালানী রাহ. বলেন-‘ফাখতামারনা’ অর্থ তারা মুখমন্ডল আবৃত করেছেন।-ফাতহুল বারী ৮/৩৪৭
আল্লামা আইনী রাহ. বলেন-‘ফাখতামারনা বিহা’ অর্থাৎ যে চাদর তারা ছিঁড়ে ফেলেছিলেন তা দিয়ে নিজেদের মুখমন্ডল আবৃত করলেন। (উমদাতুল কারী ১৯/৯২)
আল্লামা শানকীতী রাহ. বলেন, এই হাদীস থেকে বোঝা যায়, উপরোক্ত মহিলা সাহাবীগণ বুঝতে পেরেছিলেন যে, এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে মুখমন্ডল আবৃত করারও আদেশ করেছেন। তাই তারা আল্লাহ তাআলার আদেশ পালনার্থে নিজেদের চাদর ছিঁড়ে তা দিয়ে মুখমন্ডল আবৃত করেছেন।

পাঁচ.
ولا يضربن بارجلهن ليعلم ما يخفين من زينتهن وتوبوا الى الله جميعا ايه المؤمنون لعلهم تفلحون
(তরজমা) তারা যেন তাদের গোপন আভরণ প্রকাশের উদ্দেশ্যে সজোরে পদক্ষেপ না করে। হে মুমিনগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। (সূরা নূর :  ৩১)

এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, পরপুরুষকে আকৃষ্ট করে এমন সব কাজ থেকে বিরত থাকা ঈমানদার নারীর কর্তব্য। কারণ পরপুরুষকে নুপুরের আওয়াজ শোনানোর উদ্দেশ্যে সজোরে পদবিক্ষেপ যখন নিষেধ করা হয়েছে তখন যে সকল কাজ, ভঙ্গি ও আচরণ এর চেয়েও বেশি আকৃষ্ট করে তা নিষিদ্ধ হওয়া তো সহজেই বোঝা যায়। মুসলিম নারীদের জন্য এটি আল্লাহ রাববুল আলামীনের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।


http://www.alkawsar.com/topic/14?page=1

8
Please have a Look on the following topics (of this section)! Important for this month!!
http://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/board,644.0.html

9
Thank you & good to see authentic information.
It would be even better if you share the information source.
Example of an authentic islamic magazine : http://alkawsar.com/

You can also read my post on this topic:
http://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/topic,45686.0.html
http://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/topic,45684.0.html
http://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/topic,45683.0.html

10
Russia / Re: Russian Govt Scholarships for International Students
« on: November 28, 2017, 07:08:50 PM »
Important information & inspiring too. Thanks for sharing.

11
Important information & interesting story. Thanks for sharing.

12
Important information & inspiring story. Thanks for sharing.

13
Replying with smile on your own post? :O  :o

14
Important information & inspiring too. Thanks for sharing.

15
Important information & inspiring too. Thanks for sharing.

Pages: [1] 2 3 ... 7