Recent Posts

Pages: [1] 2 3 ... 10
1
Permanent Campus of DIU / Push and pull system of motivation.
« Last post by Reza. on Yesterday at 10:23:37 PM »
আমার পর্যবেক্ষণ মতে সব থেকে সহজ কাজ হল নিজে কাজ করা। আর সব থেকে কঠিন কাজ হল অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া।
আমরা যদি আমাদের দেশের কর্পোরেট কালচারের দিকে মনোযোগ দেই দেখতে পাব যে অধিকাংশ অফিসে ম্যানেজমেন্ট এমপ্লয়িদের দিয়ে কাজ করানোর জন্য চাপ দিয়ে থাকেন। অনেক সময় চাকুরী হারানোর ভয়ে এমপ্লয়িরা নিরলস কাজ করে চলেন। এইক্ষেত্রে তাদের চাকুরীর অনিশ্চয়তা তাদের মনে ক্ষোভ তৈরি করে। তাই অনেকেই ভাল সুযোগ পেলেই চাকুরী চেঞ্জ করেন। এইটাকে আমরা কাজ আদায়ের পুশ সিস্টেম বলতে পারি। যেখানে কাজ আদায়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই কম মেধার ও অনুপযুক্ত কর্মীরাই এই রকম কর্মক্ষেত্রে অনেক দিন কাজ করেন, কেননা অন্য জায়গায় কাজ করার সক্ষমতা বা সুযোগ তাদের হয় না। তারা মেধার যোগ্যতায় এর থেকে ভাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে না। তাদের কাজ করতে হয় বিভিন্ন রকম হেয় ও অপমানকর কমেন্টস শুনে শুনে।
পুশ সিস্টেমের পরিণাম হল অসুখী পরিবেশ ও অসুখী কর্মী বাহিনী।
আরেকটি হল পুল সিস্টেম। যেখানে কর্মীরা কাজ করার জন্য অনুপ্রেরণা পায়। অনেক ক্ষেত্রেই কাজের প্রশংসা তাদের কাজে আরো অনুপ্রেরণা জোগায়।
তবে পুশ বা পুল যে সিস্টেমই হোক - এর ফলাফল নির্ভর করে ম্যানেজমেন্ট ও কর্মীদের মৌলিক গুণাবলীর উপর। তার হাতে যে টুলটি আছে সেটি তিনি কি উদ্দেশ্যে ও কিভাবে প্রয়োগ করতেছেন তার উপর। এক জন ডাক্তার ছুরি চালিয়ে অপারেশনের মাধ্যমে রুগিকে সুস্থ করে তুলতেছেন - আবার ওই একই ছুরি দিয়ে ছিনতাইকারী ছিনতাই করে।
তবে কর্মীরা যদি মানবিক গুনাবলিতে উন্নত থাকেন তবে পুল সিস্টেম বা কাজে প্রশংসা বা উৎসাহ দিলে ভাল ফল পাওয়া যায়। পুশ সিস্টেম এই ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ ঘটাবে। অনেক ভাল কর্মী পুশ সিস্টেমের কারণে তখন  চাকুরী পরিবর্তন করবেন বা করতে চাইবেন।
অপরদিকে কর্মী বাহিনী যদি কাজে মোটিভেটেড না থাকে তবে পুশ সিস্টেম অর্গানাইজেশনের টিকে থাকাকে নিশ্চিত করে। এর বেশী কিছু নয়।
পরিশেষে বলা যায় - একই অফিসে কেউ কাজে মোটিভেটেড থাকেন আবার কেউ কেউ থাকেন না। আবার কেউ কোন কোন কাজে মোটিভেটেড থাকেন না যদিও বেশীর ভাগ কাজ তিনি অনেক নিরলস ভাবে করেন।
এই রকম ক্ষেত্রে পুশ ও পুল সিস্টেমের যৌথ ভাবে সমন্বয় করলে তা বাস্তবে ভাল ফল আনবে।
একমাত্র কাজের প্রশংসা ও অনুপ্রেরণাই মোটিভেটেড কর্মীদের কাজের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে। এর বিপরীত চিত্র হল অসুখী কর্ম পরিবেশ ও অসুখী কর্মী বাহিনী।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে ২৯ - ০৫ - ২০১৭ )
2
Textile Engineering / Push and pull system of motivation.
« Last post by Reza. on Yesterday at 10:22:45 PM »
আমার পর্যবেক্ষণ মতে সব থেকে সহজ কাজ হল নিজে কাজ করা। আর সব থেকে কঠিন কাজ হল অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া।
আমরা যদি আমাদের দেশের কর্পোরেট কালচারের দিকে মনোযোগ দেই দেখতে পাব যে অধিকাংশ অফিসে ম্যানেজমেন্ট এমপ্লয়িদের দিয়ে কাজ করানোর জন্য চাপ দিয়ে থাকেন। অনেক সময় চাকুরী হারানোর ভয়ে এমপ্লয়িরা নিরলস কাজ করে চলেন। এইক্ষেত্রে তাদের চাকুরীর অনিশ্চয়তা তাদের মনে ক্ষোভ তৈরি করে। তাই অনেকেই ভাল সুযোগ পেলেই চাকুরী চেঞ্জ করেন। এইটাকে আমরা কাজ আদায়ের পুশ সিস্টেম বলতে পারি। যেখানে কাজ আদায়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই কম মেধার ও অনুপযুক্ত কর্মীরাই এই রকম কর্মক্ষেত্রে অনেক দিন কাজ করেন, কেননা অন্য জায়গায় কাজ করার সক্ষমতা বা সুযোগ তাদের হয় না। তারা মেধার যোগ্যতায় এর থেকে ভাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে না। তাদের কাজ করতে হয় বিভিন্ন রকম হেয় ও অপমানকর কমেন্টস শুনে শুনে।
পুশ সিস্টেমের পরিণাম হল অসুখী পরিবেশ ও অসুখী কর্মী বাহিনী।
আরেকটি হল পুল সিস্টেম। যেখানে কর্মীরা কাজ করার জন্য অনুপ্রেরণা পায়। অনেক ক্ষেত্রেই কাজের প্রশংসা তাদের কাজে আরো অনুপ্রেরণা জোগায়।
তবে পুশ বা পুল যে সিস্টেমই হোক - এর ফলাফল নির্ভর করে ম্যানেজমেন্ট ও কর্মীদের মৌলিক গুণাবলীর উপর। তার হাতে যে টুলটি আছে সেটি তিনি কি উদ্দেশ্যে ও কিভাবে প্রয়োগ করতেছেন তার উপর। এক জন ডাক্তার ছুরি চালিয়ে অপারেশনের মাধ্যমে রুগিকে সুস্থ করে তুলতেছেন - আবার ওই একই ছুরি দিয়ে ছিনতাইকারী ছিনতাই করে।
তবে কর্মীরা যদি মানবিক গুনাবলিতে উন্নত থাকেন তবে পুল সিস্টেম বা কাজে প্রশংসা বা উৎসাহ দিলে ভাল ফল পাওয়া যায়। পুশ সিস্টেম এই ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ ঘটাবে। অনেক ভাল কর্মী পুশ সিস্টেমের কারণে তখন  চাকুরী পরিবর্তন করবেন বা করতে চাইবেন।
অপরদিকে কর্মী বাহিনী যদি কাজে মোটিভেটেড না থাকে তবে পুশ সিস্টেম অর্গানাইজেশনের টিকে থাকাকে নিশ্চিত করে। এর বেশী কিছু নয়।
পরিশেষে বলা যায় - একই অফিসে কেউ কাজে মোটিভেটেড থাকেন আবার কেউ কেউ থাকেন না। আবার কেউ কোন কোন কাজে মোটিভেটেড থাকেন না যদিও বেশীর ভাগ কাজ তিনি অনেক নিরলস ভাবে করেন।
এই রকম ক্ষেত্রে পুশ ও পুল সিস্টেমের যৌথ ভাবে সমন্বয় করলে তা বাস্তবে ভাল ফল আনবে।
একমাত্র কাজের প্রশংসা ও অনুপ্রেরণাই মোটিভেটেড কর্মীদের কাজের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে। এর বিপরীত চিত্র হল অসুখী কর্ম পরিবেশ ও অসুখী কর্মী বাহিনী।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে ২৯ - ০৫ - ২০১৭ )
3
English / Re: Weirdest words in English
« Last post by shamshoque on Yesterday at 04:29:51 PM »
How about "Weirdo?"
4
Evening Program (FSIT) / Re: DIU BUS Service
« Last post by obayed on Yesterday at 04:12:13 PM »
Welcome :)
5
#লালঃ
যাদের পছন্দের রঙ লাল,তারা বহির্মূর্খী এবং খুব আশাবাদী হয়।তারা সবসময় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে চান।তারা উচ্চাকাংখী হয় এবং জীবনের লক্ষ্যে পৌছাতে কখনো পিছপা হয়না।এরা খুব ধৈর্য্যশীল হয়।তবে এরা সহজেই রেগে যায়।

#নীলঃ
যাদের পছন্দের রঙ নীল তারা খুব বিশ্বাসযোগ্য হয়।এরা ততো আবেগপ্রবণ হয়না।এরা কিছু বলার আগে বা কিছু করারা আগে ভেবে চিন্তেই করে।এদের প্রতিদিনের জীবনে শান্তি এবং ভারসাম্য থাকা জরুরী।এরা খুব বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সামাজিক হয়ে থাকে।এরা এদের প্রিয় মানুষদের সান্নিধ্য অনেক পছন্দ করে।এরা অনেক আত্নবিশ্বাসী হয়।এরা এদের দূর্বল জায়গাগুলো লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করে। নিজের উপর তেমন যত্নবান নয়।এরা খুব জ্ঞানতৃষ্ণার্ত হয় এবং এরা কোনো বিষয়ে আগ্রহী হলে সে বিষয়ে অনেক জ্ঞান অর্জন করে থাকে।তবে তারা খুব ছোটো খাটো বিষয়েই চিন্তিত হয়ে পড়ে।

#সবুজঃ
যাদের পছন্দের রঙ সবুজ তারা খুব বাস্তববাদী হয়।তারা নিজেদের ওপর নিজেরা নিয়ন্ত্রণ সহজে হারায় না এবং এরা খুব দয়ালু ও উদার প্রকৃতির হয়।এরা খুব নীতিবান হয়ে থাকে এবং তারা সবসময় সঠিক কাজ করতে চায়।এরা ভালো বন্ধু এবং পার্টনার হয়ে থাকে।এরা তর্কে জিততে পছন্দ করে।তবে এরা জীবনে রিস্ক নিতে চায়না এবং তেমন কর্মঠ হয় না।

#কালোঃ
যাদের পছন্দের রঙ কালো , মর্যাদা এবং ক্ষমতা তাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ । তারা
সাধারণত স্বাধীন এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ । কম আবেগপ্রবন এবং সবসময় নিজেদেরকে সম্ভ্রান্ত
এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে । তারা মানুষের থেকে কিছুটা দুরত্ব বজায় রাখে এবং চারপাশের নেগাটিভিটি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখে । নিজের চিন্তা ভাবনা কারো সাথে শেয়ার করে না , কাজের ক্ষেত্রে খুবই সুশৃঙ্খল এবং শেষ বিন্দু পর্যন্ত সুক্ষভাবে সম্পন্ন করে । কালো ড্রেসের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে রাখতেই তাদের স্বাচ্ছন্দ্য।

#সাদাঃ
যাদের সাদা রঙ পছন্দ তারা সাধারণত খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করেন
এরা খুব দূরদর্শীসম্পন্ন মানুষ।এরা খুব পজিটিভ এবং আশাবাদী মানুষ।তারা বিচক্ষণ হয়ে থাকে।এরা নিজেদের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে এবং এরা খুব আত্নবিশ্বাসী হয়।এরা খুব জটিল প্রকৃতির হয়ে থাকে।এরা কিছুটা লাজুক প্রকৃতির হয়ে থাকে।

#কমলা
কমলা রঙটি উচ্ছলতা ও আনন্দ প্রকাশ করে। আপনি যদি কমলা রঙটি পছন্দ করেন তাহলে আপনি বেশ হাসিখুশি ধরণের একজন মানুষ। আপনি সব সময় বর্তমানকে বেশি গুরুত্ব দেন। এবং সব সময় হাসিখুশি থাকতে বেশি পছন্দ করেন। আপনি আপনার নিজের মতো চলতে বেশি ভালোবাসেন এবং নিজের জীবনটাকে অনেক বেশি উপভোগ করে কাটাতে চান।তবে কমলা রঙ যারা পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি ড্যাম কেয়ার ধরণের হয়ে থাকেন।অনেক সময় তারা নিজের মতামত অন্যের ওপর চাপিয়ে দিয়ে থাকেন।

#হলুদ
হলুদ হচ্ছে আনন্দ, ইচ্ছা এবং কল্পনাশক্তির রঙ। যারা এই রঙটি পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়, আত্মনির্ভরশীল হয়ে থাকেন। অনেক বেশি সোজাসাপ্টা কথার মানুষ হন তারা। তারা মানুষকে অনেক মানসিক সাপোর্ট দিয়ে থাকেন।তবে হলুদ রঙটি যারা পছন্দ করেন তারা বেশখানিকটা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে থাকেন।

#বেগুনী
যারা বেগুনী, ল্যাভেন্ডার, পার্পল ধরনের রঙ পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি ক্যারিয়ার মনোযোগী হয়ে থাকেন, তারা সব সময় চেষ্টা করেন সব কিছুর পারফেক্ট অবস্থানে থাকার জন্য। তারা অনেক বেশি আকর্ষণীয় এবং আর্টিস্টিক মনোভাবের হয়ে থাকেন। অনেক বেশি আবেগি হওয়ার কারণে অনেক কষ্ট পান তারা। তারা খুব সহজে মানুষ বিশ্বাস করেন, মানুষ চিনতে পারেন না এবং ভুল পথে পা বাড়ান। যারা বেগুনী রঙ পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি রাগি ও অভিমানী ধরণের মানুষ হন।

#গোলাপি
গোলাপি, ম্যাজেন্টা পছন্দের মানুষজন অনেক বেশি পরনির্ভরশীল হয়ে থাকেন। তারা সব সময় ভালোবাসা খুঁজে থাকেন। তারা অনেক বেশি ভদ্র এবং নম্র স্বভাবের হয়ে থাকেন। তারা মানুষকে খুব বেশি ভালোবেসে থাকেন। তারা সব সময় চান সবার নজরে পড়তে।এবং এর জন্য তারা অনেক ভুল কাজও করে থাকেন।

#সোনালি_ধূসর
সোনালি, ধূসর আধ্যাত্মিকতা এবং অতিমানবিকতা প্রকাশ করেন। এই ধরণের রঙ পছন্দের মানুষজন বেশ ঠাণ্ডা মাথার মানুষ হয়ে থাকেন। বেশ দার্শনিক স্বভাবের অধিকারী হন এরা। তাদের সকল চিন্তা থাকে পরিবেশের অনুকূলে। তারা অনেক কম কথার মানুষ হন এবং গম্ভির থাকতে বেশি ভালোবাসেন।তাদের অনেক গম্ভীর স্বভাবের হয়ে থাকেন। এবং প্রয়োজনের সময়ও চুপ থাকা তাদের বড় একটি বদঅভ্যাস।

#সোনালি_বাদামী
সোনালি, বাদামী রঙ আভিজাত্য এবং ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে। এই ধরণের মানুষজন বেশ আকর্ষণীয় হয়ে থাকেন। তাদের কথা বলা থেকে শুরু করে ব্যক্তিত্ব সবই বেশ আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। তারা খুব জনপ্রিয় থাকেন। তারা একই সাথে সাধারণ এবং আভিজাত্য প্রকাশে সক্ষম হয়ে থাকেন। যে কারো সাথে ভালো করে মিশে যেতে পারেন।এরা নিজেদের ব্যক্তিত্ব ভালো ও খারাপ দুটো কাজেই ব্যবহার করতে পারেন।

© Dream Psychology
6
তারাবীহ নামাযের গুরুত্ব ও ফযীলত



তারাবী আরবী শব্দ, যা তারবিহাতুন শব্দের বহুবচন। যার অর্থ হলো, আরাম, প্রশান্তি অর্জন ও বিরতী দেওয়া। রমজান মাসে এশার নামাযের পর বিতর নামাযের পূর্বে (অন্য মাসের) অতিরিক্ত যেই সুন্নত নামায পড়া হয় তাকে তারাবীর নামায বলা হয়।  এই নামায কে কিয়ামে রমজানও বলা হয়।

পবিত্র রমজান মাস কল্যাণ  ও বরকতের মাস। রমজানের দিনে রোযা রাখাকে আল্লাহ তাআলা ফরজ করেছেন আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র মুখ নিঃসৃত বাণী রাতের “কিয়াম” যাকে কিয়ামে রমযান বা তারাবী বলে, সুন্নত বানিয়েছেন। 

এ প্রসঙ্গে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: من قام رمضان ايمانا و احتسابا غفرله ماتقدم من ذنبه

অর্থাৎ যে ব্যক্তি ঈমানী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে পরকালীন প্রতিদান কামনায় রমযান মাসের রাতে কিয়াম করবে (তারাবী পড়বে ইমাম নববী রহ: মুসলিমের ব্যাখ্যাগ্রন্থে লিখেছেন) তার অতীত জীবনের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (বুখরী শরীফ ও মুসলিম)

তবে বিভিন্ন জনমতের কারণে তারাবীর নামাযকে সুন্নতে মুয়াক্কাদাই রাখা হয়েছে, ফরজ করা হয়নি, কিন্তু এতে সন্দেহ নেই যে রমযানের উপকারিতা ও খায়ের বরকত পূর্ণরূপে লাভ করতে হলে তারাবী নামায পড়া জরুরী। 

তারাবী নামায পড়ার দ্বারা রমযান ও কুরআনের হক আদায় হবে, রোযার উদ্দেশ্য তাকওয়া হাসিলে সাহায্য পাওয়া যাবে,আল্লাহ তাআলার বিশেষ রহমত ও মাগফিরাত, সর্বোপরি আল্লাহ তাআলার নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জন করা যাবে। তাই আল্লাহ তাআলার প্রিয় বান্দাদের জন্য উচিৎ তারাবীর প্রতি উদগ্রীব হওয়া ।
7
আগামী জুলাই থেকে ব্যাংকে টাকা জমা রাখলে সরকার দ্বিগুণ কর কাটবে। ব্যাংক থেকে নিজের টাকা তুললেও দ্বিগুণ কর দিতে হবে। আবার ব্যাংক থেকে কেউ ঋণ নিতে গেলেও ঋণের সেই অর্থ থেকে দ্বিগুণ কর দিয়ে আসতে হবে সরকারকে। ‘আবগারি শুল্ক’ নামে এসব অর্থ কাটা হবে টাকা জমা দেওয়া ও তোলার সময়। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এমন বিধান রাখার প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন আবগারি শুল্কমুক্ত রাখা আছে। এনবিআরের প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী অর্থবছরেও (২০১৭-১৮) তা বহাল থাকছে। অর্থাৎ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন করলে কোনো কর দিতে হবে না। ২০ হাজার এক টাকা থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত জমা ও ঋণের ওপর চলতি বাজেটে ১৫০ টাকা আবগারি শুল্ক নিচ্ছে এনবিআর। আগামী বাজেটে তা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হচ্ছে। এক লাখ এক টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জমা ও ঋণের ওপর চলতি বাজেটে আবগারি শুল্ক ধরা আছে ৫০০ টাকা। আগামী অর্থবছরে তা বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করা হচ্ছে। ১০ লাখ এক টাকা থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের ওপর চলতি অর্থবছরে ১৫০০ টাকা নিচ্ছে সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে তিন হাজার টাকা নেওয়া হবে।

এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনে চলতি অর্থবছরে সাত হাজার ৫০০ টাকা আবগারি শুল্ক আদায় করা হচ্ছে। এনবিআর সূত্র মতে, আগামী অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকা আরোপ করা হচ্ছে। একইভাবে পাঁচ কোটি এক টাকা থেকে আরো বেশি পরিমাণ অর্থ লেনদেনের ওপর বর্তমান আবগারি শুল্ক ১৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে আগামী অর্থবছরে ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করার প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এনবিআর সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের বাজেটের জন্য এনবিআরের চূড়ান্ত করা শুল্ক প্রস্তাবে এরই মধ্যে সই করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান। এতে ২০ হাজার টাকার ওপরে লেনদেনের ক্ষেত্রে আবগারি শুল্ক দ্বিগুণ করার প্রস্তাব রয়েছে। ওই প্রস্তাব অনুযায়ী দেশের বাইরে যাতায়াতের জন্য বিমানে উঠতে গেলেও দ্বিগুণ আবগারি শুল্ক দিতে হবে প্রত্যেক ফ্লাইটে। চলতি অর্থবছরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ও কানেকটিং ফ্লাইটের প্রতি সিটে প্রত্যেকবারের ক্ষেত্রে এক হাজার ৫০০ টাকা ও এক হাজার টাকা করে আবগারি শুল্ক আরোপ করা আছে। নতুন অর্থবছরে এই শুল্ক বাড়িয়ে তিন হাজার ও দুই হাজার টাকা করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশ থেকে বিড়ি উধাও করে দেওয়ার যে কথা আগে বলেছিলেন, নতুন বাজেটে তা পুরোপুরি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন। বিড়ির ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর পাশাপাশি বিড়ির সর্বনিম্ন যে মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া হচ্ছে, তাতে এক টাকার নিচে কেউ একটি বিড়িও কিনতে পারবে না। ফিল্টারবিহীন হাতে তৈরি বিড়ির ২৫টি প্যাকেট কিনলে প্রতিটি এক টাকার সামান্য কমে যাওয়া যাবে। আটটি ও ১২টির প্যাকেট কিনলে এবং ফিল্টারযুক্ত হাতে তৈরি বিড়ি কিনলে প্রতিটির জন্য এক টাকা করে খরচ করতে হবে ধূমপায়ীকে। কম দামের সিগারেটে দেশি কম্পানিগুলোর স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে। দেশীয় কম্পানির সর্বনিম্ন মূল্যের ১০ শালাকা সিগারেটের প্যাকেটের মূল্য হবে সর্বনিম্ন ২৭ টাকা, আন্তর্জাতিক কম্পানির ক্ষেত্রে এটি ৩৫ টাকা। তবে আন্তর্জাতিক কম্পানিগুলোর দামি সিগারেটের ওপর শুল্ক বাড়ানো হচ্ছে না। একইভাবে অপরিবর্তিত থাকছে গুল ও জর্দার ওপর আরোপিত সম্পূরক শুল্কও।

এনবিআর সূত্র মতে, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল ও তিন চাকার অটোরিকশার মধ্যে কোনো কোনোটির ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হচ্ছে। কমানোও হচ্ছে কোথাও কোথাও। মাইক্রোবাসের ওপর সম্পূরক শুল্ক কমানো হচ্ছে। এতে মাইক্রোবাসের দাম কমতে পারে। তবে ১০০০ সিসি এবং ২১০০ থেকে ২৭৫০ সিসির প্রাইভেট কারের ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়ছে, ফলে এগুলোর দাম বাড়বে। বাড়বে বিভিন্ন ধরনের অযান্ত্রিক বাইসাইকেল এবং ডেলিভারির কাজে ব্যবহূত ট্রাইসাইকেলের দামও। তবে উচ্চবিত্ত মানুষের ব্যবহার করা জিপ গাড়ির শুল্ক হারে কোনো পরিবর্তন আসছে না। ফলে এগুলোর দামও অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সম্পূরক শুল্ক কমছে বলে চার স্ট্রোকবিশিষ্ট সম্পূর্ণ তৈরি মোটরসাইকেল, চার স্ট্রোকবিশিষ্ট বিযুক্ত মোটরসাইকেলের আমদানি ব্যয়ও কমবে। ফলে এগুলোর দামও কমতে পারে।

নতুন ভ্যাট আইনে ভ্যাট ব্যবস্থা ডিজিটালাইজেশন করা হচ্ছে। ফলে আমদানি পর্যায়ে ব্যবসায়ীদের যে উেস ভ্যাট দিতে হয় তা থেকে পাওয়ার আশা ছিল তাদের। তবে সে পথে হাঁটছে না এনবিআর। বরং বিভিন্ন পণ্য আমদানির ওপর বর্তমান ১.৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত থাকা উেস ভ্যাট নতুন অর্থবছরে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে এনবিআর। এতে আমদানিকারকদের খরচ বাড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা। এআইটি হিসেবে আমদানিকারকদের কেবল বাড়তি অর্থই ব্যয় করতে হবে না, তা সমন্বয়ের জন্যই বাড়তি সময় অপেক্ষা করতে হবে। বিদ্যমান ভ্যাট আইনে উেস ভ্যাট সমন্বয় করার বিধান রয়েছে ওই অর্থবছরের মধ্যেই।

অর্থাৎ যে অর্থবছরে কোনো আমদানিকারকের কাছ থেকে উেস ভ্যাট নেওয়া হবে, ওই অর্থবছরেই তা সমন্বয় করতে হবে। ভ্যাট আইন সংশোধন করে সমন্বয়ের সময়সীমা ওই অর্থবছর ছাড়াও আরো দুই বছরের জন্য বাড়ানো হচ্ছে। অর্থাৎ সমন্বয় ছাড়াই আমদানিকারকের দেওয়া উেস ভ্যাট প্রায় তিন বছর থাকবে এনবিআরের কাছে।
8
সুন্দর লেখা
9
বিল্ডিং এর ছাদে ছাদে বাগান করা বাধ্যতামুলক করা উচিত...।
Pages: [1] 2 3 ... 10