Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - faruque

Pages: [1] 2 3 ... 43
1
ইসলামের দৃষ্টিতে ভালোবাসা দিবস



১৪ ফেব্রুয়ারি! বর্তমান বিশ্বে এ দিনকে ভ্যালেন্টাইন ডে (বিশ্ব ভালোবাসা দিবস) নামে উদ্যাপন করা হয়। ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে এ দিবস অত্যন্ত আড়ম্বর, জাঁকজমকপূর্ণ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়। এর সূচনা মধ্যযুগে হলেও নব্বই দশকের শুরু থেকে বিশ্বব্যাপী এর প্রসার ঘটে। আশির দশকেও বাংলাদেশের মানুষ এ দিবসটির সঙ্গে ছিল অনেকটা অপরিচিত। তবে নব্বইয়ের দশক থেকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সহযোগিতায় ও মিডিয়ার কল্যাণে এ দেশের যুবসমাজের মাঝে তা ছড়িয়ে পড়ে। ভালোবাসা দিবসের উৎস নিয়ে নানা মত প্রচলিত আছে। এ সম্পর্কে যদ্দুর জানা যায়, লুপারকালিয়া নামে প্রাচীন রোমে এক উৎসব ছিল, যা ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি অবধি হতো। যে উৎসবে নারী-পুরুষ সমানতালে মদ পান করত এবং লটারির মাধ্যমে সঙ্গী বেছে নিয়ে তার সঙ্গে একান্তে মিলিত হতো। অতঃপর রোমানরা যখন তাদের প্রাচীন ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্মে ধাবিত হচ্ছিল, তখন তারা প্রাচীন দেবীর নামে লুপারকালিয়া উৎসবকে মেনে নিতে পারছিল না। আবার উৎসবটি খুব জনপ্রিয় ছিল বলে ছেড়েও দিতে পারছিল না। অবশেষে উৎসবটিকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামে উৎসর্গ করে উদযাপন করত। বিখ্যাত ইতিহাসবিদ নোয়েল লেন্সকি বলেছেন, লুপারকালিয়া উৎসবে পুরুষরা দেবী লুপারকাসের নামে একটি ছাগল আর একটি কুকুর বলি দিত। তারপর মৃত ছাগল বা কুকুরের চামড়া দিয়ে উৎসবে অংশগ্রহণকারী মেয়েদের বেদম প্রহার করত। তাদের বিশ্বাস, এ প্রহারের কারণে মেয়েদের প্রজননক্ষমতা বাড়ে।

ভালোবাসা দিবসের সূচনা ইতিহাস সম্পর্কে আরও যা জানা যায়, ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস বিবাহিত পুরুষদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বন্ধ করে দেন এবং আইন জারি করেন, তার সাম্রাজ্যে কেউ বিয়ে করতে পারবে না। কারণ বিবাহিত সেনারা স্ত্রী-সন্তানদের মায়াজালে আবদ্ধ হয়ে যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যুর ঝুঁকি নিতে চাইত না। কিন্তু রোমান এক ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন সম্রাটের ন্যায়ভ্রষ্ট নিয়মের প্রতিবাদ করেন এবং বিয়ে করেন। এ খবর সম্রাট ক্লডিয়াসের কাছে পৌঁছলে তিনি সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে গ্রেফতার করে মৃত্যুদণ্ড দেন। আর সে মৃত্যুদণ্ডটি কার্যকর হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এ দিবসকে ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। আবার কারও কারও মতে, ভ্যালেন্টাইন ছিলেন একজন খ্রিস্টান পাদরি ও চিকিৎসক। সে সময় রোমানরা ছিল দেব-দেবীর অনুসারী। ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস খ্রিস্টধর্ম প্রচারের অভিযোগে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। বন্দী অবস্থাতেই ভ্যালেন্টাইন জেলারের অন্ধ মেয়ের চোখের চিকিৎসা করেন। ফলে মেয়েটি তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিন ভ্যালেন্টাইন মেয়েটিকে লিখে যান, Love From your valentine. আর এ ঐতিহাসিক দিনটি ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি।

প্রেম-ভালোবাসা, মায়া-মমতা ও ভক্তি-শ্রদ্ধা মানুষের স্বভাবজাত বিষয়। এসব মানবিক গুণ আছে বলেই এখনো টিকে আছে এ নশ্বর পৃথিবী। আল্লাহতায়ালা নিজেই ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহর কুদরতের মধ্যে অন্যতম একটি নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকে তোমাদের স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাকো এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও অনুগ্রহ সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে।’ (সূরা আর রুম : ২১)।

ভালোবাসা হলো খোদায়ি অনুভূতি, আত্মার তৃপ্তি ও মনের প্রশান্তি। আল্লাহতায়ালা আমাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা শিক্ষা দিয়েছেন, যা কোনো বিশেষ দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও উত্তম চরিত্রমাধুর্য দ্বারা আমাদের প্রিয় নবী (সা.) জয় করে নিয়েছেন শত কোটি মানুষের হৃদয়; বিশ্বময় ছড়িয়ে দিয়েছেন ইসলামের বিকিরণ। প্রতিটি ভালোবাসা হতে হবে আবেগ, বিবেক ও স্রষ্টার সম্মতির সমন্বয়। কিন্তু যে ভালোবাসার পরিচালক হয় শুধু আবেগ বা কুপ্রবৃত্তি, সে ভালোবাসা মানুষের ইহকাল-পরকাল উভয়কে ধ্বংস করে দেয়। ধ্বংস করে মানুষের মনুষ্যত্ব, জাগরিত করে পশুত্বের হিংস্র বৈশিষ্ট্য। দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমান বিশ্বে ভালোবাসা দিবসের নামে উৎপত্তি হচ্ছে নানান অপসংস্কৃতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ছড়িয়ে পড়ছে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা। ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আগ্রাসন; যা ইসলামের নীতি ও আদর্শবহির্ভূত। যে কোনো দিবস উদ্যাপনে সুস্থ ও সুন্দরভাবে আবেগ-অনুভূতি প্রকাশে সচেষ্ট হওয়া ইসলামের শাশ্বত নীতি। আজ পবিত্র ও সত্যিকার ভালোবাসার অভাবে সর্বত্র বৃদ্ধি পাচ্ছে হিংসা-বিদ্বেষ, ছড়িয়ে পড়ছে গুম, খুন ও ধর্ষণের মতো অসংখ্য অপরাধ। তাই মহান স্রষ্টার সমীপে এই মিনতি যে, সমাজ থেকে চিরতরে নির্মূল হোক সব ধরনের অশ্লীলতা, বেলেল্লাপনা ও অপসংস্কৃতি। জয় হোক পবিত্র, অকৃত্রিম ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার।

লেখক : খতিব, মাসজিদুল কোরআন জামে মসজিদ, কাজলা (ভাঙ্গা প্রেস) যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।

2
সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা



কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপোযগী ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে।

এছাড়াও ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক উপকার। উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ছোলার কিছু চমকপ্রদ গুণাগুণ হল-

ডাল হিসেবে : ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে : অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আঁশ, পটাসিয়াম, ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন বি-৬ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। এর ডাল আঁশসমৃদ্ধ যা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ৪০৬৯ মিলিগ্রাম ছোলা খায়, হৃদরোগ থেকে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৯% কমে যায়।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে : আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে, যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্ট ভাল রাখতেও সাহায্য করে।

রক্ত চলাচল : অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় ।

ক্যান্সার রোধে : কোরিয়ান গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন। এছাড়া ফলিক এসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে এ্যজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়। আর তাই নিয়মিত ছোলা খান এবং সুস্থ থাকুন।

রমজানে : রমজান মাসে ইফতারের সময় জনপ্রিয় খাবার হলো ছোলা। আমাদের দেশে ছোলার ডাল নানাভাবে খাওয়া হয়। দেহকে করে দৃঢ়, শক্তিশালী, হাড়কে করে মজবুত, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এর ভূমিকা অপরিহার্য। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম।

কোলেস্টেরল : ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়। খাবারের আঁশ হজম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। তাই পায়খানার পরিমাণ বাড়ে এবং পায়খানা নরম থাকে।

ডায়াবেটিসে উপকারী : ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়া আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম। এর সবই শরীরের উপকারে আসে।

রক্তের চর্বি কমায় : ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়।

অস্থির ভাব দূর করে : ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।

রোগ প্রতিরোধ করে : কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

জ্বালাপোড়া দূর করে : সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া কমায়।

মেরুদণ্ডের ব্যথা দূর করে : এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়। ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী। তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই হজমশক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শক্তি।

3

দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮ কোটি



চলতি বছরের নভেম্বর মাস শেষে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আট কোটি পার হয়েছে। এর মধ্যে ৭ কোটি ৪৭ লাখ ৩৬ হাজার মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। আজ বুধবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ওয়েবসাইটে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর তথ্য হালানাগাদ করা হয়েছে।

বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর মাসের শেষে দেশে কার্যকর ইন্টারনেট সংযোগ ৮ কোটি ১ লাখ ৬৬ হাজার হয়েছে। এর মধ্যে আইএসপিদের সংযোগসংখ্যা ৫৩ লাখ ৪২ হাজার। ওয়াইম্যাক্সের সংযোগ ৮৮ হাজার।

তিন মাসের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাঁকে সক্রিয় ব্যবহারকারী হিসেবে গণ্য করা হয় বলে বিটিআরসির ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত অক্টোবর মাসের হিসাবে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৭ কোটি ৯৭ লাখ ৮৯ হাজার।

নভেম্বর মাসের হিসাবে দেশে সক্রিয় মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৪ কোটি ৩১ লাখ ৬ হাজারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের ৬ কোটি ৪৯ লাখ ৫৯ হাজার, রবি আজিয়াটার ৪ কোটি ১৩ লাখ ৯৭ হাজার, বাংলালিংকের ৩ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার, টেলিটকের ৪৪ লাখ ১৯ হাজার গ্রাহক দাঁড়িয়েছে।

4
যে পদ্ধতিতে নেটের গতি বাড়বে ১০০ গুণ!



সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা এমন একটি নতুন হার্ডওয়্যার তৈরি করেছেন যা আপনাকে সব সময় হাইস্পিড ইন্টারনেট সরবরাহ করবে। গবেষকদের দেওয়া তথ্য মতে, নতুন এই প্রযুক্তিটি সত্যিকার অর্থেই কম দামে সুপার-ফাস্ট ইন্টারনেট পরিষেবা দেবে। যা দিয়ে ইউজারদের প্রতি সেকেন্ড ১০ হাজারের বেশি মেগা হারে ডাটা আদান প্রদান করতে সক্ষম হবেন।

মার্কিন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সিজার আর্কিলিন্স বলেন, ২০২৫ সাল নাগাদ অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ চাহিদা মেটানোর জন্য আরও ১০০ গুণ বেশি দ্রুত গতির ইন্টারনেটের প্রয়োজন হবে। আল্ট্রা হাই-ডেফিনিশন ভিডিও, অনলাইন গেমিং ও ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি)-এর মতো পরিষেবাগুলির ক্ষেত্র বৃদ্ধির ফলেই এই দ্রুত গতির ইন্টারনেটের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেবে।

এই গবেষণাটির আর্কিলিন্স আরও বলেন, স্মার্ট ডিভাইসের মাধ্যমে নতুন পরিষেবাগুলি সক্ষম করার জন্য ৫-জির প্রতিশ্রুতির সঙ্গে মোবাইল ডিভাইসের সংখ্যা ভবিষ্যত বৃদ্ধি পাবে। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা অপটিক্যাল একসেস নেটওয়ার্কগুলোতে ব্যবহারযোগ্য একটি সহজ রিসিভার গড়ে তুলেছেন। এই রিসিভার গ্রাহকদের সঙ্গে ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে।

যদিও এই নতুন প্রযুক্তি ইতিমধ্যে অত্যন্ত সংবেদনশীল হার্ডওয়্যার হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে যা সুসঙ্গত রিসিভার হিসেবে পরিচিত, তবে এটি বিভিন্ন দেশ এবং শহরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা মূল নেটওয়ার্কগুলোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এই পদ্ধতিতে আপস্ট্রিম ও ডাউনস্ট্রিম উভয় ডাটার জন্য একই অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার মাধ্যমে অতিরিক্ত খরচ সাশ্রয় করার সুবিধা রয়েছে।

5
আখেরাতের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে




দুনিয়ার জীবনের জন্য প্রতিটি মানুষকে আখেরাতের জীবনে হিসাব দিতে হবে। দুনিয়ার জীবনে তারা আখেরাতের জীবনের জন্য যে সঞ্চয় করবেন তার ভিত্তিতে তারা জান্নাতের দ্বারা পুরস্কৃত হবেন। দুনিয়ার জীবনে যারা সে সঞ্চয় অর্থাৎ ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি বিধানে ব্যর্থ হবেন তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। হজরত আসমা (রা.) বলেন, আমি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে শুনেছি, কিয়ামতের দিন সব মানুষ এক স্থানে জমা হবে এবং ফেরেশতারা যে কোনো আওয়াজই দেবেন সবাই তা শুনতে পাবে। ওই সময় ঘোষণা করা হবে কোথায় ওইসব লোক, যারা সুখ-দুঃখ সর্বাবস্থায় আল্লাহতায়ালার প্রশংসা করত, তা শুনে একদল উঠবে এবং বিনাহিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আবার ঘোষণা করা হবে কোথায় ওইসব লোক যারা সারা রাত জেগে থেকে আরামের বিছানা ত্যাগ করে ইবাদত-বন্দেগীতে মশগুল থাকত, অতঃপর এক জামাত উঠবে এবং বিনাহিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আবার ঘোষণা করা হবে কোথায় ওইসব লোক, যাদের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বেচাকেনা অবস্থায় আল্লাহ স্মরণ হতে গাফেল করত না। অতঃপর এক জামাত উঠবে এবং বিনাহিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। অন্য হাদিসে এ ঘটনার সঙ্গে এও বর্ণিত হয়েছে যে, তখন ঘোষণা করা হবে, আজ হাশরবাসী দেখতে পাবে যে সম্মানিত লোক কারা? আরও ঘোষণা করা হবে কোথায় ওইসব লোক, যাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যস্ততা আল্লাহর জিকির ও নামাজ থেকে বাধা দিত না। যখন এসব লোক বিনাহিসাবে মুক্তি পেয়ে যাবে তখন জাহান্নাম থেকে একটি লম্বা গর্দান বের হয়ে লোকদের ডিঙিয়ে চলে আসবে। তার দুটি উজ্জ্বল চক্ষু থাকবে এবং তার ভাষা খুবই স্পষ্ট হবে।

সে বলবে, আমি ওইসব লোকের ওপর নিযুক্ত হয়েছি, যারা অহংকারী ও বদমেজাজি এবং সমবেত লোকদের মধ্য থেকে তাদের এমনভাবে বেছে নেবে যেভাবে পশুপক্ষী তাদের খাদ্য বেছে নেয়। তাদের বেছে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে। অতঃপর এরূপ দ্বিতীয়বার বের হয়ে বলবে, এবার আমি ওইসব লোকের ওপর নিযুক্ত হয়েছি, যারা আল্লাহ ও তার রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে কষ্ট দিয়েছে। তাদেরও দল হতে বেছে নিয়ে যাবে। অতঃপর তৃতীয়বার বের হয়ে আসবে এবং এবার ছবি অঙ্কনকারীদের বেছে নিয়ে যাবে। এই প্রকারের লোক ময়দান থেকে পৃথক হওয়ার পর হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হবে। (শু’আবুল ইমান [বায়হাকী] ৩/১৬৯ হা. ৩২৪৪, ৩২৪৫, তাম্বীহুল গাফেলীন ২৩৫)।    কিয়ামতের দিন বা আখিরাতের জীবনে জান্নাত লাভ করতে চাইলে বা জাহান্নাম থেকে রেহাই পেতে চাইলে দুনিয়ার জীবনে তাকওয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি বিধানে ব্রতী হতে হবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সে তাওফিক দান করুন।

6
কিয়ামতে সুন্দর চরিত্রের অধিকারীরা হবেন রসুল (সা.)-এর প্রিয়



রসুল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সুন্দরতম চরিত্রের অধিকারী। এ ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন সত্যিকার অর্থেই অতুলনীয়। বিধর্মীরাও তাঁর সুন্দর চরিত্র ও মানবিক গুণাবলির প্রশংসা করেছেন। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন তোমাদের মধ্যে সেই হবে আমার অতি প্রিয় ও সর্বাপেক্ষা নিকটে উপবেশনকারী, তোমাদের মধ্যে যে সুন্দরতম চরিত্রের অধিকারী। আর সেই হবে আমার কাছে অপ্রিয় ও সবচেয়ে দূরে অবস্থানকারী, যে বেশি বেশি ও বড় বড় কথার মাধ্যমে অহংকার করে। ’

শান্তিপূর্ণ সমাজ ও দেশ গঠনে ভালো মানুষের প্রয়োজন। সুন্দর চরিত্রের অধিকারী ভালো মানুষ সমাজ থেকে অশান্তি দূর করতে পারেন। পৃথিবীতে তারা গড়ে তুলতে পারেন সৌহার্দ্যের পরিবেশ। যে কারণে রসুল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের সুন্দর চরিত্রের প্রতি তার পছন্দের কথা বলেছেন।

উপরোক্ত হাদিসে প্রমাণিত হয়, অহংকারী ও বাক্যবাগীশরা আমাদের সমাজের মানুষের কাছে প্রিয় নয়, তেমনি আল্লাহর রসুলের কাছেও অপ্রিয়। নিজেকে রসুল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় উম্মত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে অহংকার ও বড় বড় কথা বলার কুঅভ্যাস ছাড়তে হবে।

শুধু অহংকারী হওয়া থেকে দূরে থাকা নয়, অপচয় ও ভোগ-বিলাসিতা থেকেও দূরে থাকতে হবে। ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সোনা অথবা রুপার পাত্রে বা সোনা-রুপামিশ্রিত পাত্রে পান করে, সে নিজের পেটে জাহান্নামের আগুন ঢালে। (দারু কুতনি থেকে মিশকাতে)।

উপরোক্ত হাদিসে স্পষ্ট করা হয়েছে, সহজ-সরল জীবনযাপনই মুমিনদের কাম্য হওয়া উচিত। অপচয় ও ভোগ-বিলাসের মাধ্যমে জাহান্নামকে আমন্ত্রণ করা কারোরই উচিত নয়। আল কোরআনের সূরা আশ শামসের ৯ ও ১০ নম্বর আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘সে-ই সফলকাম হবে যে নিজেকে পবিত্র করবে এবং সে-ই ব্যর্থ হবে যে নিজেকে কলুষাচ্ছন্ন করবে। ’ উপরোক্ত দুটি আয়াতে স্পষ্ট করা হয়েছে আল্লাহর কৃপা লাভ করতে হলে নিজেকে পবিত্র করতে হবে, সব ধরনের কলুষতামুক্ত হতে হবে। নিজের আত্মাকে অন্ধকার থেকে বের করে আনতে হবে। আল্লাহর কাছে নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নিজেকে সংশোধন করতে হবে।

আমরা যদি নিজেদের জীবনকে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শের আলোকে আলোকিত করতে চাই, যদি আমাদের ব্যক্তি, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে শান্তি চাই তবে আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নিজেদের শুদ্ধ করতে হবে। নিজেদের বিবেক ও বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে কোনটি ভালো কোনটি মন্দ তা উপলব্ধি করতে হবে। আল্লাহ আমাদের সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথের অনুগামী হওয়ার, তাঁর প্রতি অনুগতশীল হওয়ার তৌফিক দান করুন।

7
ছোট্ট পদক্ষেপে হয়ে উঠুন একজন দারুণ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষ!

ব্যক্তিত্ব কেন এবং কী কারণে দরকারা? এই প্রশ্নে সকলেই উত্তর দেবেন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ বেশি আকর্ষণীয়। হ্যাঁ, অবশ্যই। একজন ভালো ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ শুধুমাত্র আকর্ষণীয় নন, এর পাশাপাশি অনুকরণীয়। কিন্তু সকলে তো একই রকম ব্যক্তিত্ব নিয়ে পৃথিবীতে আসেন না। কিংবা সকলের মনমানসিকতাও এক থাকে না। তাহলে ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পায় কিভাবে? ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পায় আচার- আচরণে, ভাষার প্রয়োগে, অন্য একটি মানুষের সাথে ব্যবহার।

যে কোনো পুরুষ চান তার ব্যক্তিত্ব আরও আকর্ষণীয় হোক, আরও সুন্দর হোক। কিন্তু এর জন্য কাজ করতে হবে পুরুষদের নিজেদেরই। নিজেদের কিছু ভ্রান্তিগুলো কাটিয়ে উঠতে পারলেই একজন পুরুষমানুষ হিসেবে আপনার ব্যক্তিত্ব আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।

পুরুষের পরিচয় তার মার্জিত আচরণে

আচার আচরণ অনেক কিছু প্রকাশ করার ক্ষমতা রাখে। একজন পুরুষ মানুষের ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে তার আচরণ। মার্জিত আচরণ যে কারো কাছে আকর্ষণীয়। সমাজে নিজের চাইতে নিচু অবস্থানের মানুষ বলে কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করা ব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষের লক্ষণ নয়। একজন মানুষ তিনি যেই হোক না কেন, তিনি যাই করুন না কেন একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষ হলে তার প্রতি আপনার আচরণ মার্জিত হবে।

সম্মান দিতে শিখুন সকলকে

মানুষকে তার প্রাপ্য সম্মান দেয়ার মানে এই নয় যে আপনি ছোট হয়ে যাচ্ছেন। একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষ মানুষ হিসেবে সকলকে সম্মান দিতে শিখুন। নিজের আশেপাশের সকলকে সম্মান করুন একজন মানুষ হিসাবে। রিক্সাচালক, রেস্টুরেন্টে কর্মরত বয় বা ওয়েটার এরা সবাই মানুষ। শুধুমাত্র নিজের প্রেমিকার সামনে ভালো সেজে নয়, মন থেকে সব সময় সর্বশ্রেণীর মানুষকে সম্মান দেয়া একজন ভালো ব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষের লক্ষণ। একই সাথে কেবল প্রেমিকাকে নয়, সম্মান দিন পৃথিবীর সকল নারীকে।

সম্পর্কে থাকুন দায়িত্ববান

পুরুষের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে খেলা করার প্রবনতা একটু বেশিই দেখা যায়। যে ছেলে সম্পর্ক নিয়ে বেশি খেলা করেন, তারা নিজের বন্ধুমহলে হিরো হিসেবে থাকেন। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে আপনি মোটেও নায়কোচিত কেউ নন। আবার সম্পর্কের ব্যাপারে দায়িত্ববান থাকলে নিজের বন্ধুমহলে অনেকেই খোঁচা খেয়ে থাকেন। কিন্তু আপনি নিজেকে একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষ মানুষ হিসেবে দেখতে চাইলে কারো কথায় কান দেবেন না। নিজের মনোমানসিকতাকে কাজে লাগান। মনে রাখবেন যে পুরুষ অনেক সম্পর্ক নিয়ে খেলেন তিনি নন বরং যে পুরুষ নিষ্ঠার সাথে ১ টি সম্পর্কে দায়িত্ববান থাকেন তিনিই ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ।

বর্জন করুন অশালীন ভাষা

পুরুষের জন্য জনসম্মুখে অশালীন ভাষা ব্যবহার করা কোনো ঘটনাই নয়। অনেক পুরুষ মানুষকে যে কোনো জায়গায়, যে কারো সামনে কিংবা যে কোনো পরিস্থিতিতে অশালীন ভাষা ব্যবহার করতে দেখা যায় যা একেবারেই উচিৎ নয়। একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষ হিসেবে এই সকল অশালীন ভাষা বর্জন করুন। হতে পারে আপনার সাথে একজনের অনেক বড় ঝগড়া হয়েছে কিন্তু তা বলে আপনি তার সাথে অকথ্য ভাষায় কথা বলবেন তা নয়। ব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষ হতে হলে বর্জন করুন অশালীন ভাষা।

নিজেকে গড়ে তুলুন কর্মক্ষেত্রে সফল একজন

একজন সফল মানুষকে বরাবরই ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ হিসেবে ধরে নেয়া হয়। আসল কথা হলো আপনি যখন নিজের কর্মক্ষেত্রে বেশ সফলতার সাথে কাজ করে নিজেকে সফল হিসেবে পাবেন, তখন আপনার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যাবে। আর আত্মবিশ্বাসের সাথে ব্যক্তিত্বের সম্পর্ক বেশ পুরোনো। আত্মবিশ্বাস একজন মানুষকে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ হতে সাহায্য করে।

পোশাক পরুন নিজের জীবনের সাথে মিলিয়ে

পোশাকের মাধ্যমে আপনি নিজেকে অনেক ভালো ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন। শুধুমাত্র নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে নিজের জীবনের সাথে তাল মিলিয়ে পড়ুন পোশাক। আপনার নিজের ব্যক্তিত্বের সাথে যায় এবং আপনার পারিপার্শ্বিক সব কিছুর সাথে মিল রেখে পোশাকের মাধ্যমেই নিজেকে উপস্থাপন করুন একজন ব্যক্তিত্বপূর্ণ পুরুষ হিসেবে।

কারো অন্ধ অনুকরণ করবেন না

আপনার ব্যক্তিত্ব, আচার আচরণ, সামাজিক অবস্থান অন্য একজন মানুষের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ধরণের। আপনি অন্য একজনকে অনুসরণ করে কখনোই নিজেকে একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন না। অন্য একজনকে অন্ধভাবে অনুকরণ করে আপনি নিজেকে একজন হাসির পাত্র হিসেবেও পরিচিতি দিতে পারেন। নিজের বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগান। ভালো এবং খারাপের মধ্যে পার্থক্য করতে শিখুন। নিজেকে নিজের মত করেি উপস্থাপন করুন। এতেই আপনি হয়ে উঠবেন একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষ।

8
Islam / আত্মশুদ্ধির আলোচনা
« on: November 16, 2017, 09:55:09 AM »
আত্মশুদ্ধির আলোচনা



প্রশান্ত আত্মা ছাড়া আল্লাহর কাছে কোনো আমলই গ্রহণযোগ্য নয়। সুস্থ কলব ছাড়া সেদিন কোনো কিছুই কাজে আসবে না।

তাই কলবের সুস্থতা অর্জন এবং তা বজায় রাখার সাধনায় ব্রতী হতে হবে আমাদের। মাটির এই দেহের সুস্থতার জন্য কত চেষ্টা-প্রচেষ্টা আমাদের। কিছু হলেই ডাক্তারখানায়, হাসপাতালে ছোটাছুটি করি। এই টেস্ট, সেই টেস্ট করে ওষুধের পর ওষুধ খাই সুস্থ হওয়ার জন্য। আচ্ছা ভাই, আমরা কি কখনো আত্মার কথা ভেবেছি? আমাদের কলব কতটুকু সুস্থ আছে তলিয়ে দেখেছি? অসুস্থ কলব সুস্থ করার কোনো পদক্ষেপ নিয়েছি কি আমরা? কোরআনের বৈজ্ঞানিক মেশিনে এক্স-রে করে দেখেছি কি আমাদের হৃদয়ে কত ময়লা জমেছে? কখনো কি শরণাপন্ন হয়েছি কোনো আত্মার চিকিৎসকের কাছে? ‘ওয়ালা তুখযিনা ইয়াওমা ইউবআসুন। ইয়াওমা লা ইয়ানফাও মালু ওয়ালা বানুন। ইল্লা মান আতাল্লাহি বিকালবিন সালিম। ওগো পরওয়ার দেগার আমার! কেয়ামতের দিন তুমি আমাকে অপমানিত কর না। যেদিন সম্পদ ও সন্তান, প্রাচুর্য ও প্রতিপত্তি কোনো কিছুই উপকারে আসবে না।

একমাত্র উপকারে আসবে প্রশান্ত আত্মা-সুস্থ কলব। যে ব্যক্তি সুস্থ কলব নিয়ে তোমার সামনে দাঁড়াবে শুধু সেই মুক্তি পাবে’ (সূরা শোয়ারা : ৮৭৮-৮৯)।
মুসলিম মিল্লাতের পিতা সাইয়েদেনা ইবরাহিম (আ.) কেঁদে কেঁদে এ দোয়াই করেছেন জীবনভর। শুধু তাই নয়, জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সুস্থ কলবওয়ালা হওয়ার জন্য, কলবের সুস্থতা বজায় রাখার জন্য নিরন্তন প্রচেষ্টা করেছেন। যে প্রচেষ্টার নাম ‘জিহাদে আকবার’ দিয়েছেন আমাদের পেয়ারা নবী (সা.)। একবার তিনি (সা.) জিহাদ থেকে ফিরে সৈনিকদের বলছেন, ‘আমার সাহাবিরা শোন! এতক্ষণ আমরা ছোট জিহাদে ছিলাম। এখন আমাদের বড় জিহাদে নামতে হবে। এটা হলো নফসের সঙ্গে লড়াই করে কলবের সুস্থতা বজায় রাখার লড়াই। জেনে রাখ, এটাই জিহাদে আকবর বা বড় জিহাদ। ’

কলব সুস্থ করার দুটি পদ্ধতি রয়েছে। আল্লামা ইয়ার খান (রহ.) তার ‘দালায়েলুস সুলুক’ গ্রন্থে সংক্ষেপে এ দুটি পদ্ধতি বাতলে দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, শরীরের মতো কলবও অসুস্থ হয়। কলবের অসুস্থতা হলো কুফরি চিন্তা-ভাবনা করা, মিথ্যা কথা বলা, হিংসা করা, বিদ্বেষভাব, অহংকার, রিয়া, আত্মগরিমা ইত্যাদি। এসব ধ্বংসাত্মক রোগ থেকে নিজেকে বাঁচাতে হলে একজন আত্মার চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। একমাত্র আধ্যাত্মিক চিকিৎসকই পারবেন আত্মার এসব ব্যাধি সারিয়ে তুলে আপনাকে কলবে সালিম তথা সুস্থ কলবওয়ালা মানুষ হিসেবে আল্লাহর সামনে দাঁড় করাতে।

অসুস্থ কলবকে সুস্থ করার পর দুটি গুরুত্বপূর্ণ করণীয় আছে। এ কলব যেন ফের রোগাক্রান্ত না হয় এবং ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে না পড়ে। এ জন্য প্রয়োজন কলবকে শক্তিশালী করে তোলা। আর শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজন সুষম খাদ্য। কলবের জন্য সুষম খাদ্য একটিই। আল্লাহ বলেন, ‘আলা বিজিকরিল্লাহি তাতমাইন্নুল কুলুব। মনোযোগ দিয়ে শোন! একমাত্র আল্লাহর জিকিরেই কলবের প্রশান্তি ও সুস্থতা রয়েছে। ’ কলবের সুস্থতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, সুস্থ কলব ছাড়া আখেরাতে আল্লাহর কাছে আর কিছুই পেশ করা যাবে না। দ্বিতীয়ত, দুনিয়ার জীবনে সুন্দরভাবে বাঁচার জন্য, সুখী মানুষ হতে হলে সুস্থ কলবের অধিকারী হতে হবে। বিখ্যাত হাদিস গ্রন্থ মিশকাতুল মাসাবি থেকে বর্ণিত হয়েছে, রসুল (সা.) বলেছেন, ‘মানবদেহে একটি মাংসের টুকরো আছে। এটি সুস্থ থাকলে তার শরীর-মন সব সুস্থ থাকবে। আর এটি অসুস্থ হয়ে গেলে সবই অসুস্থ অসুন্দর হয়ে যাবে। সুন্দর জীবন অসুন্দরের থাবায় মলিন হয়ে পড়বে। ’ এরপর রসুল (সা.) ওই মাংসের টুকরোটির পরিচয় দিয়ে বলেন, ‘আলা ওয়াহিয়াল কলব। জেনে রাখো! সেটা হলো কলব। ’

এ হাদিসে বলা হয়েছে, কলব তথা আত্মা পরিশুদ্ধ থাকলে সব সুন্দর হয়ে ওঠে। তাই তো আল্লাহতায়ালা সুন্দর কলবগুলোকেই তাকওয়ার জন্য, জান্নাতের জন্য নির্বাচন করেন। আল্লাহ বলেন, ‘উলা ইকাল্লাজি নামতাহানাল্লাহু কুলুবুহুম লিত্তাকওয়া। সুস্থ আত্মাওয়ালাদের কলবই আল্লাহতায়ালা তাকওয়ার জন্য নির্বাচন করেন। ’ আর যাদের আত্মা অসুস্থ, কুৎসিত রোগে আক্রান্ত, তাদের কলবের ব্যাপারে আল্লাহতায়ালা বলছেন, ‘বাল রানা আলা কুলুবিহিম—যেন তাদের কলবে-আত্মায় মরীচিকা পড়েছে। ’ ‘লাহুম কুলুবুললা ইয়াফকহুনা বিহা—তাদের কলব দিয়ে তারা কিছুই বোঝে না। ’ একপর্যায় এ ধরনের কলবওয়ালা তাদের নিষ্ঠুরতা ও গাফিলতির কারণে জাহান্নামের উপযুক্ত হয়ে পড়ে।    আমরা দেখছি কত সুন্দর-পরিপাটি হয়ে ওমুক সাহেব হেঁটে যাচ্ছেন আসলে সে তো এক কলব-মরা মানুষ। তার ব্যাপারেই আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘খাতামাল্লাহু আলা কুলুবিহিম, ওয়ালা সাময়িহিম, ওয়ালা আবসারিম, গিশাওয়াহ। এ ধরনের মানুষের অন্তরে মোহর মেরে দিয়েছি। ফলে তারা শুনেও শোনে না, দেখেও দেখে না। ওয়ালাহুম আজাবুন আজিম। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আজাব। ’

হে আমার দরদি পাঠক ভাই-বোন! চোখ বন্ধ করে একটু ভাবুন, আমাদের আত্মা জীবিত না মৃত? সুস্থ না অসুস্থ? এ আত্মা নিয়ে কি দাঁড়াতে পারব আল্লাহর সামনে? মনে রাখবেন, সেদিন কিন্তু সম্পদের বাহাদুরি, আমলের জারিজুড়ি কোনো কিছুই কাজে আসবে না। ‘ইল্লা মান আতাল্লাহি বি কালবিন সালিম—শুধুমাত্র সুস্থ ও প্রশান্ত আত্মা সেদিন আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর খোশ নসিব অর্জন করবে। হে আল্লাহ আমাদের পরিশুদ্ধ হওয়ার তৌফিক দিন।

9
যেভাবে অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করবেন



স্মার্টফোন দীর্ঘদিন ব্যবহারে স্লো হয়ে যায়। এছাড়া আরো নানা সমস্যা হয়।

এসব সমস্যা এড়িয়ে চলতে অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করা উচিত। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করা যায়।
১. প্রথমেই আপনার মোবাইল ফোন মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা (ছবি, গান, ভিডিও, অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য) ব্যাকআপ করে রাখুন। কারণ, আপডেট হওয়ার সময় আপনার ফোনের ডাটা ডিলিট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

২. তারপর Settings ওপেন করুন।

৩. নিচে স্ক্রল করে About Phone এ ক্লিক করুন।

৪. Software Updates এ ক্লিক করুন।

৫. Update/ Check for Updates এ ক্লিক করুন। এটি আপনার মোবাইল এর জন্য কোন আপডেট আছে কিনা তা চেক করবে।

আপডেট আছে কিনা তা নির্ভর করবে আপনার মোবাইল ফোনের উপর। নতুন আপডেট সব মোবাইল এর জন্য থাকে না।
যদি কোন আপডেট থাকে তাহলে তা ডাউনলোড হওয়া শুরু হবে। বড় সাইজের আপডেট এর জন্য আপনার ফোন টিকে Wi-Fi এ কানেক্ট করে রাখুন যাতে আপনার মেগাবাইট শেষ হয়ে যাওয়ার ভয় না থাকে। 
৬. আপডেট যখন ডাউনলোড হওয়া শেষ হবে, তখন সেই আপডেট টি ইন্সটল হওয়ার জন্য মোবাইল ফোন টি রিস্টার্ট হবে এবং সম্পূর্ণ আপডেট প্রক্রিয়াটি শেষ হতে বেশ কিছুক্ষন সময় লাগতে পারে। আপডেট চলাকালিন সময়ে মোবাইল ফোনটি চার্জার এ কানেক্ট করে রাখবেন যাতে মোবাইল এর চার্জ শেষ হয়ে না যায়। 

10
 

শটকাট ভাইরাস থেকে মুক্তি মিলবে সহজেই



অনেক সময় দেখা যায় কোন কারণ ছাড়াই কম্পিউটার শর্টকাট ফাইল-ফোল্ডারে ভরে গেছে। এবং সেগুলোকে বারবার ডিলিট করার পরও এ থেকে মুক্তি মিলছে না। এবং অনেক ফাইল-ফোল্ডার হারিয়েও যাচ্ছে। এ ধরনের সমস্যায় কমবেশি প্রায় সবাই পড়ছেন। এটি কোনো ভাইরাস নয়। এ হলো VBS Script (ভিজুয়াল বেসিক স্ক্রিপ্ট)। এ যন্ত্রণা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারেন। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

CMD ব্যবহার করে
১. ওপেন CMD (Command Prompt – DOS)
২. নিচের কমান্ডটি হুবহু লিখুন
attrib -h -s -r -a /s /d Name_drive:*.*
এবার Name_drive লেখাটিতে যে ড্রাইভটি আপনি শর্টকাট ভাইরাসমুক্ত করতে চান সেটি লিখুন। যেমন: C ড্রাইভ ভাইরাসমুক্ত করতে চাইলে লিখুন attrib -h -s -r -a /s /d c:*.*
৩. এন্টার বাটন চাপুন
৪. এবার দেখবেন শর্টকাট ভাইরাস ফাইল ও ফোল্ডারগুলো স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এবার ওই ফাইল ও ফোল্ডারগুলো ডিলিট করে দিন।

.bat ব্যবহার করে
Bat ফাইল হলো নোটপ্যাডে লেখা একটি একজেকিউটেবল ফাইল। এতে ডাবল ক্লিক করলেই চালু হয়ে যায়।
১. নোটপ্যাড ওপেন করুন।
২. নিচের কোডটি হুবহু কপি-পেস্ট করুন

@echo off
attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.*
attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.*
attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.*
@echo complete.

৩. এবার Name_Drive এর জায়গায় ভাইরাস আক্রান্ত ড্রাইভের নাম লিখুন। যদি তিনটির বেশি ড্রাইভ আক্রান্ত হয় তাহলে কমান্ডটি শুধু কপি-পেস্ট করলেই চলবে।
৪. removevirus.bat এই নাম দিয়ে ফাইলটি সেভ করুন।
৫. এবার ফাইলটি বন্ধ করে ডাবল ক্লিক করে রান করুন।
৬. এবার দেখবেন আপনার শর্টকাট ভাইরাস ফাইল-ফোল্ডারগুলো সব স্বাভাবিক হয়ে গেছে। এখন সব ডিলিট করে দিন।

এছাড়া নিচের কৌশলও নিতে পারেন:

আক্রান্ত পেনড্রাইভ থেকে বাঁচতে
১. RUN এ যান।
২. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন।
৩. Stop script after specified number of seconds: এ --- দিয়ে APPLY করুন। এবার কারো পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাস আর আপনার কম্পিউটারে ঢুকবে না।

আক্রান্ত কম্পিউটার ভাইরাসমুক্ত করতে
১. কী বোর্ডের CTRL+SHIFT+ESC চাপুন।
২. PROCESS ট্যাবে যান।
৩. এখানে wscript.exe ফাইলটি সিলেক্ট করুন।
৪. End Process এ ক্লিক করুন।
৫. এবার আপনার কম্পিউটারের C:/ ড্রাইভে যান।
৬. সার্চ বক্সে wscript লিখে সার্চ করুন।
৭. wscript নামের সব ফাইলগুলো SHIFT+DELETE দিন।
৮. যেই ফাইলগুলো ডিলিট হচ্ছে না ওইগুলো স্কিপ করে দিন।
৯. এখন RUN এ যান।
১০. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন।
১১. Stop script after specified number of seconds: এ --- দিয়ে APPLY করুন।

ব্যাস, আপনার কম্পিউটার শর্টকাট ভাইরাসমুক্ত। এবার পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাসও আর আপনার কম্পিউটারে ঢুকবে না।

সূত্র: ইন্টারনেট

11
আল্লাহর গোসা ও দয়ার ছায়া দুনিয়ায় পড়ে


হজরত আদম আলাইহিসসালাম হঠাৎ একদিন আরশের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলেন সেখানে লেখা আছে— আশহাদু আল্লা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ। এ পৃথিবীটা দুটি অবস্থার ওপর নির্ভর করে মুসলমানদের এটা বিশ্বাস করতে হবে।


১. আল্লাহর গোসা। ২. আল্লাহর দয়া। দুনিয়াতে যা কিছু নয়, তা হয়তো আল্লাহর গোসার বহিঃপ্রকাশ নয়তো আল্লাহর দয়ার বহিঃপ্রকাশ। এর জন্য মাধ্যম হয় অন্য কিছু। যেমন আমি কথা বলি, মাইক তার মাধ্যম। রাগে কথা বলি মাইকে রাগ প্রকাশ পায়। আনন্দের স্বরে কথা বলি তাহলে মাইকে আনন্দের সুর প্রকাশ পায়। সারা পৃথিবীর মধ্যে যা হচ্ছে শান্তির বলেন আর অশান্তির বলেন, মূলত এগুলো আল্লাহর দু-অবস্থার বহিঃপ্রকাশ। তারই ক্রিয়া হচ্ছে কখনো সূর্যের তাপের মাধ্যমে, কখনো সয়লাবের মাধ্যমে, তুফানের মাধ্যমে, কখনো অগ্নিশিখার মাধ্যমে। আবার কখনো দেখা যায় সকালে ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে, ফলে দিলের মধ্যে শান্তি লাগে।

আসলে এগুলো আল্লাহপাকের দয়ার বহিঃপ্রকাশ। ঠাণ্ডায় শেষ রাতে ঘুম আসে, গরমের দিনেও শান্তি লাগে। কেন? আমরা চিন্তা করি না। আমাদের দেশের যত গুনাহগার চুরি করে, ডাকাতি করে, মদ পান করে, সে সময় সংখ্যায় কমে যায়। জানোয়ার পশু ঘুমিয়ে থাকে। মানবরূপী পশুরাও নিষ্ক্রিয় হয়ে ঘুমিয়ে থাকে, তখন জাগে কারা? আল্লাহপাক বলেন— ওবিল আসহারিহুম ইয়াসতাগফিরুল ‘রাতের শেষ প্রহরে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করে। ’ তখন কালিমায়ে তাইয়্যেবা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ পড়ে, কোরআন তেলাওয়াতে অভ্যস্ত, তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত, আল্লাহর প্রেমিক তারা শেষ রাতে ঘুমায় না। সে সময় তাদের চোখে অশ্রু ঝরে, তারা হাত তুলে রাখে আল্লাহর দরবারে, কেউ নতশির হয়ে থাকে আল্লাহর দরবারে। কেউ নামাজ পড়ে, কেউ কোরআন তেলাওয়াত করে। আল্লাহপাক দেখেন যে, সারা পৃথিবীর মানুষগুলো ঘুমিয়ে আছে। আর আমার এ বান্দাগুলো গাত্রোত্থান করে আমার কাছে ভিক্ষুকের মতো হাত উঠিয়ে রেখেছে। এ সময় আল্লাহপাক শান্তি বর্ষণ করেন। ফলে মানুষ ফজরের আগে আরামে ঘুমায়। আল্লাহপাক প্রিয় বান্দাদের বলেন— তোমরা আমার জন্য রাতে জাগ্রত যখন রইলে, কাঁদলে, তবে ফজরের নামাজও পড়ে নাও। তাহলে আমি ধরে নেব যে, তোমরা সারা রাত কেঁদেছো।

বলছিলাম যে, আমরা আসলে চিন্তা করি না আল্লাহপাক বলেন, রাহমাতি সাবিকাত গাজাবি— প্রতিযোগিতায় আমার রাগ পরাজিত হয়েছে এবং রহমত বিজয়ী হয়েছে। মনে রেখ হে দুনিয়ার মানুষ! তোমাদের শাস্তি যা হয় এটা আসলে আমার রাগের বহিঃপ্রকাশ। মাধ্যম ইয়াহুদি-খ্রিস্টান হয়, সাপ-বিচ্ছুর হয়, বাঘ-ভাল্লুক হয়, বোমা হয়। মূল পরিচালনায় আমার অসন্তুষ্টি। তাই যদি তুমি নতশির হতে পার, ইস্তিগফার পড়তে পার, অনুতপ্ত হও, তাহলে তুমি কামিয়াব হবে। এ জন্য আমি এখানে লিখে রেখেছি রাহমাতি সাবিকাত গাজাবি।

আমার গোসার সামনে যখন দয়া শুরু হয়ে যায়। তখন গোসা নির্বাপিত হয়ে যায়। আর গোসা নির্বাপিত করার তরিকা হলো, তুমি নতশির হও। আমিত্ব ভাব বর্জন কর। একে অপরকে গ্রাস করার মনোভাব বর্জন কর। শান্তিপ্রিয় হও। আদম (আ.) কে যে শান্তির বাণী দিয়েছিলাম সেটা চালু কর।    আল্লাহপাক আমাদের তাওফিক দান করুন।    আমিন। 

লেখক : খতিব, গুলশান সেন্ট্রাল জামে মসজিদ, ঢাকা।

 

 

 

12




চে থাকার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কত কিছুই তো খেয়ে থাকি। আবার কত বিচিত্র অভ্যাস গড়ে তুলি। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখি, যা খাচ্ছি বা যা করছি তা কতটা উপকারে আসে আমাদের? কিছু অভ্যাস আছে যেগুলোর কারণে আমাদের বেঁচে থাকার প্রধান অঙ্গ হৃদপিণ্ড ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

 

আসুন জেনে নেওয়া যাক, কী সেই অভ্যাসগুলো যেগুলো আপনার হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ধ্বংস করছে।


 

১. নাকডাকা


নাকডাকা হতে পারে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো মারাত্মক কোনো রোগের লক্ষণ। এর লক্ষণ হলো ঘুমের সময় শ্বাসকষ্ট। এর ফলে রক্তচাপ অনেক উচ্চহারে বেড়ে যেতে পারে। আর রক্তচাপ বাড়লে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ে। সুতরাং নাকডাকার আশু সমাধান করুন।

 

২. অতিভোজন


ওজন বাড়াটা হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় ঝুঁকি। ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া যাবে না। আর মিষ্টি পানীয়ের বদলে পানি পান করতে হবে।

 

৩. লাল মাংস খাওয়া


লাল মাংসে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে। আর প্রক্রিয়াজাতকৃত মাংস হলে হৃদরোগের ঝুঁকি এবং মলাশয় ক্যান্সারের ঝুঁকি আরো বাড়ে।

 

৪. সারাদিন বসে থাকা/টিভি দেখা


ঘণ্টার পর ঘণ্টা টানা বসে থাকলে তা আপনার হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। যদিও আপনি ব্যায়াম করছেন। কারণ দীর্ঘক্ষণ নড়াচড়া না করার ফলে রক্তে চর্বি এবং সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। সুতরাং একটানা বেশিক্ষণ বসে থাকবেন না।

 

৫. আতিথ্য ত্যাগ করা এবং অবসাদের চিকিৎসা না করানো


মানসিক চাপ, শত্রুতার অনুভূতি বা অবসাদগ্রস্ততা আপনার হৃৎপিণ্ডের ক্ষতি করছে। মানসিক চাপ অবদমন করলে তা আপনার দেহের জন্য মারত্মক ক্ষতি বয়ে আনতে পারে এবং হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ধ্বংস করতে পরে। এর জন্য সামাজিক মেলামেশা বাড়াতে হবে।

 

৬. দাঁতের মাড়ি পরিষ্কার না করা


গবেষণায় দেখা গেছে, দাঁতের মাড়ির রোগের সঙ্গে হার্টের রোগের একটা শক্তিশালী সম্পর্ক আছে। মাড়ি পরিষ্কার না করলে দাঁতের গোড়ায় ব্যাকটেরিয়ার আস্তরণ জমা হয়ে দেহে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। যা আপনার হার্টের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সুতরাং নিয়মিত দাঁতের মাড়ি পরিষ্কার করুন।

 

৭. মদপান


বেশি বেশি মদপান করলে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। রক্তে চর্বির পরিমাণ বাড়ে। ফলে হার্ট অ্যাটাক বা হার্ট ফেইলিওর এর ঝুঁকিও বাড়ে। এছাড়া মদে থাকা অতিরিক্ত ক্যালরি ওজন বাড়ায়। যার ফলেও হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। ফলে আজই মদপান ত্যাগ করুন।

 

 

 

হার্ট অ্যাটাকের যে ৬টি লক্ষণ আপনার এখনই জানা দরকার!

যখন অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহের অভাবে হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশির একটা অংশ মরে যায় তখনই হার্ট অ্যাটাকের মতো ঘটনা ঘটে। আর রক্তের শিরা-উপশিরায় রক্ত জমাট বাঁধার ফলে বা কোলেস্টেরল প্লাক জমার ফলে হৃৎপিণ্ডে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহের অভাব দেখা দেয়।

প্রথমবার হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তদের ৯০ শতাংশই মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যান। কিন্তু বাকি ১০ শতাংশ বাঁচতে পারেন না হাসপাতালে যেতে দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে।

সুতরাং হার্ট অ্যাটাকের এই সাধারণ ৬টি লক্ষণ জেনে রাখুন। আর সেগুলো দেখা দেওয়া মাত্রই হাসপাতালে দৌড়ে যান এবং অকাল মৃত্যুর হাত থেকে জীবন রক্ষা করুন।

১. বুকে তীব্র ব্যথা
হার্ট অ্যাটাকের আগে বুকের মাঝখানে হঠাৎ করেই তীব্র ব্যথা দেখা দেয়। আর এই ব্যথা খুবই তীব্র এবং মোচড়ানোধর্মী ব্যথা। মনে হবে যেন কেউ আপনার বুকে নিষ্পেষণ করে হৃৎপিণ্ড থেকে প্রাণটি বের করে নিয়ে আসছে। অনেক সময় এই ব্যথা কিছুক্ষণ থাকার পর পুনরায় রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসলে চলে যায়। কিন্তু যদি রক্ত চলাচল স্বাভাবিক না হয় তাহলে সেই ব্যথা বাহু, পিঠ, ঘাড় এবং মাথায়ও ছড়িয়ে পড়ে।

২. চোয়ালে বা দাঁতে ব্যথা
হার্ট অ্যাটাকের আগে আগে এই লক্ষণটি নারীদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়। এর সঙ্গে বুকে ব্যথা থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে।

৩. তীব্র শ্বাসকষ্ট
এটি হার্ট অ্যাটাকের আরেকটি সাধারণ লক্ষণ। পানিতে ডুবে গেলে যেমন শ্বাসকষ্ট হয় তেমনই তীব্র শ্বাসকষ্ট হয় হার্ট অ্যাটাকের আগে। বুকে ব্যথা শুরু হওয়ার আগে বা বুকের ব্যথার পাশাপাশি এই লক্ষণটি দেখা দিতে পারে।

৪. অতিরিক্ত ঘাম ঝরা
অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার আগে সাধারণত লোকের শরীর থেকে অঝোরে হিম ঘাম ঝরতে থাকে। কিন্তু এর সঙ্গে অন্যান্য লক্ষণগুলোও থাকবে তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ট অ্যাটাক হতে যাচ্ছে।

৫. বমিভাব এবং বমি
বুকের ব্যথা অনেক সময় পাকস্থলির ওপরের অংশেও ছড়িয়ে পড়ে এবং গ্যাস্ট্রিক ব্যথার সৃষ্টি হয়। যা থেকে হৃৎপিণ্ডে তীব্র প্রদাহ তৈরি হয়। ফলে বদহজম এবং বমির অনুভূতি হয় এবং হার্ট অ্যাটাকের সময় বমিও হয়।

৬. বাহুতে ব্যথা
হার্ট অ্যাটাকের আগে অনেক সময় বাম বাহু, কাঁধ, পিঠ এবং কখনো কখনো দেহের পুরো বাম পাশে তীব্র ব্যথা অনুভূত হতে পারে। তবে সব সময় বাম পাশেই এমন ব্যথা হবে এমন কোনো কথা নেই। দেহের অন্যদিকেও ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ব্যথা।

এই লক্ষণগুলো দেখা দিলেই দেরি না করেই হাসপাতালে বা ডাক্তারের কাছে চলে যাবেন। কারণ যত দেরি করবেন তত আপনার অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়বে।

 

 


সামুদ্রিক মাছের যত গুণ

সামুদ্রিক মাছ অনেকেরই প্রিয় খাবার। তবে স্বাদের চেয়েও বড় বিষয় হলো, উপকারিতার দিক দিয়ে এর গুরুত্ব। নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ খেলে বেশ কিছু সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায়। যেমন-

১. রোগ প্রতিরোধ
মানুষের দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা মিটিয়ে নানা রোগ থেকে রক্ষা করতে সক্ষম সামুদ্রিক এসব মাছ। এতে জিংক ও আয়োডিন আছে। জিংক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আয়োডিন গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধ করে।

২. সহজে হজমযোগ্য আমিষ
সামুদ্রিক মাছের আমিষ সহজে পরিপাকযোগ্য। এ ছাড়া দেহের বৃদ্ধি ও ক্ষয়রোধে সাহায্য করে। এটি ভিটামিন বি-এর উৎকৃষ্ট উৎস।

৩. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট
এ ছাড়া এসব মাছে প্রচুর সিলেনিয়াম রয়েছে, যা দেহে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
স্যামন, ম্যাকরেল মাছ থেকে ভিটামিন-এ ও ডি পাওয়া যায়।

৪. হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী
সামুদ্রিক মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। এই ফ্যাটি এসিড হৃদরোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

৫. কোলস্টেরল নিয়ন্ত্রণ
এ ধরনের মাছ রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। সামুদ্রিক মাছের আমিষ ও তেল দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

৬. ডায়াবেটিস রোগীদের উপকার
ডায়াবেটিস রোগীরা খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ রাখতে পারেন। এতে তাদের এ রোগ নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হবে।

৭. গর্ভবতী নারী ও শিশু
যেসব নারী তাদের গর্ভকালীন সপ্তাহে অন্তত ৩৪০ গ্রাম সামুদ্রিক খাবার খান তাদের সন্তান বুদ্ধিদীপ্ত হয়ে জন্মগ্রহণ করে। সামুদ্রিক মাছের নানাবিধ পুষ্টিগুণের কারণেই এমনটা হয়।

13
স্মার্টফোনের মেমরি শেষ! যেভাবে স্টোরেজ বাড়াবেন



স্মার্টফোন শুধুমাত্র ফোন করার জন্যই নয়, গান শোনা, বই পড়া, সিনেমা দেখা ইত্যাদির জন্যই মূলত ব্যবহার করা হয়। কিন্তু স্মার্টফোনের সীমিত মেমরি স্টোরেজের জন্য তা সব সময়ে সম্ভব হয় না।

আবার আইওএস-এ মাইক্রোএসডি কার্ডও সাপোর্ট করে না। কিন্তু সব সমস্যারই সমধান হয়। তাই জেনে নিন কীভাবে আপনার স্মার্টফোনের স্টোরেজ বাড়াবেন। 

অ্যানড্রয়েড ফোনে কীভাবে মেমরি ফাঁকা করবেন?

আপনি যখনই অ্যানড্রয়েড ফোনের অ্যাপ নিয়ে কাজ করেন, তখনই আপনার ফোনে কিছু টেম্পোরারি ফাইল জমা হতে থাকে। একে বলে ক্যাশে ফাইল। যাতে দ্বিতীয়বার অ্যাপটি ব্যবহার করার সময়ে আর অ্যাপটি খুলতে দেরি না হয় তাই এই ফাইলগুলি জমা থাকে ফোনে। তাই সময়মতো এই ক্যাশে ফোল্ডার খালি করুন। এর জন্য ফোনের সেটিংস-এ যেতে হবে। সেখানে স্টোরেজে গিয়ে ক্যাশেড ডেটায় যেতে হবে। সেখানে ক্লিয়ার ডেটা সিলেক্ট করতে হবে। 

আপনার ফোনে অ্যানড্রয়েড ওরিও ভার্শনটি থাকলে, স্মার্ট স্টোরেজটি ইনস্টল করে নিন। যে সমস্ত ছবি গুগল ড্রাইভে সেভ হয়ে যাচ্ছে, সেই গুলি ৩০ দিন পর এই ফিচারটির মাধ্যমে নিজে থেকেই ডিলিট হয়ে যাবে। 

কী ভাবে অ্যাক্টিভেট করবেন স্মার্ট স্টোরেজ? সেটিংস-এ যান। সেখান থেকে স্টোরেজে গিয়ে স্মার্ট স্টোরেজ অ্যাক্টিভেট করে নিন। 

আইওএস-এ কী ভাবে স্টোরেজ বাঁচাবেন?

সেটিংস-এ যান। সেখান থেকে জেনারেল-এ গিয়ে স্টোরেজ অপসন-এ ক্লিক করুন। সেখানে দু’টি অপশন থাকে— ‘অফলোড আনইউজড অ্যাপ’ এবং ‘রিভিউ লার্জ অ্যাটাচমেন্টস’। ‘অফলোড আনইউজড অ্যাপ’-এ গিয়ে স্টোরেজ ফাইল ডিলিট করা যেতে পারে।   

14
Islam / মহররম মাস ও আশুরার ফজিলত
« on: September 26, 2017, 10:06:31 AM »
মহররম মাস ও আশুরার ফজিলত



মানব জাতির ইতিহাসে মহররম বিশেষত আশুরার ফজিলত অপরিসীম। এই পবিত্র মাসের ১০ তারিখে মহান আল্লাহ পৃথিবী সৃষ্টি করেন।


দুনিয়ার প্রথম মানব-মানবী হজরত আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.) শয়তানের ধোঁকায় পড়ে তাঁরা নিষিদ্ধ গন্দম ফল খেয়ে আল্লাহর দেওয়া কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হন। তাঁদের জান্নাত থেকে পৃথিবীতে নিক্ষেপ করা হয়।
আল্লাহর নির্দেশ ভঙ্গের অপরাধের ক্ষমা পেতে দিনের পর দিন আহাজারি করেন হজরত আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)। মহররমের ১০ তারিখে আল্লাহ তাদের ক্ষমা করেন। মহররম ও এ মাসের ১০ তারিখ অর্থাৎ আশুরা ইসলামের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে উঠেছে কারবালার প্রান্তরে বিপথগামী শাসক ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়ার লেলিয়ে দেওয়া বাহিনীর হাতে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৌহিত্র ইমাম হোসাইনের শাহাদাত বরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে।

আদি পিতা হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সঙ্গেও মহররম তথা আশুরার সম্পর্ক রয়েছে। মূর্তি-পূজারী রাজা নমরুদ আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের জন্য হজরত ইব্রাহিম (আ.)-কে অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত করেন। আল্লাহর নবীকে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করতে চেয়েছিল রাজা নমরুদ। কিন্তু আল্লাহ আশুরার ১০ তারিখে তাঁর প্রিয় নবী ও বান্দাকে রক্ষা করেন আগুন থেকে। রাজা নমরুদের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়ে যায়।

হজরত নূহ (আ.)-এর নবুয়তের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে ১০ মহররমের স্মৃতি। এ তারিখে মহাপ্লাবন থেকে মুক্তি পায় হজরত নূহ-এর আমলের মানুষ। নূহ (আ.)-এর কিস্তি এই পবিত্র দিনে মাটি স্পর্শ করে। মাটিতে মানুষ আবার আবাদ শুরু করার সুযোগ পায়। হজরত সুলাইমান (আ.) মহররম মাসের ১০ তারিখে তাঁর রাজত্ব ফিরে পান। ফেরাউনের দম্ভ চূর্ণ হয় মহররম মাসের ১০ তারিখে। ফেরাউন মুসা (আ.) ও তাঁর অনুসারীদের মিসর ত্যাগের অনুমতি দিলেও তার বাহিনীকে মুসা (আ.)-এর পেছনে লেলিয়ে দেন। তারা ধাওয়া করে হজরত মুসা (আ.) এবং তাঁর অনুসারীদের।

আল্লাহ তাঁর নবীর দোয়া কবুল করে সে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেন। সাগরের মাঝে রাস্তা সৃষ্টি হয় আল্লাহর কুদরতে। সে রাস্তা দিয়ে এগিয়ে যান হজরত মুসা (আ.) ও তাঁর অনুসারীরা। ফেরাউন বাহিনী তাদের পিছু নিলে সাগরের পানি তাদের গ্রাস করে। রসুল (সা.)-এর নাতি ইমাম হোসাইন কারবালার প্রান্তরে শহীদ হয়ে মানুষের হৃদয়ে আদর্শবাদিতার যে পতাকা উড্ডীন করেন তা চিরঅম্লান থাকবে।

ইয়াজিদের মনগড়া শাসন ব্যবস্থার বিরোধিতা করে তিনি মুসলিম জাতির জন্য কেয়ামত পর্যন্ত এক জ্বলন্ত উদাহরণ রেখে গেছেন। তার ওই আত্মত্যাগের ফলে এ কথাই প্রমাণিত হয়েছে যে, ইয়াজিদের শাসন ব্যবস্থা প্রিয় নবীজীর আদর্শের অনুকূলে ছিল না। তিনি তার মোকাবিলা না করলে ইয়াজিদের শাসন ব্যবস্থার পক্ষে সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীগণের ইজমা ছিল বলে প্রমাণিত হতো। পবিত্র আশুরার দিনে রসুলে কারীম (সা.)-এর এ মহান দৌহিত্রের শাহাদাত যুগে যুগে মুসলিম জাতিকে দীনের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ ও কোরবানির প্রেরণা জোগায়। মহররমকে কেন্দ্র করে অনেকে অবাঞ্ছিত কর্মকাণ্ডের আশ্রয় নেন। এটি মোটেও উচিত নয়।

লেখক : ইসলামী গবেষক।

15
গুগল ড্রাইভে ফাইল খোঁজার সহজ উপায়!



অনলাইনে ফাইল সংরক্ষণের জন্য বেশ জনপ্রিয় সেবা গুগল ড্রাইভ। একজন ব্যবহারকারী বিনামূল্যে ১৫ গিগাবাইট জায়গা পেয়ে থাকেন এতে।

এ ড্রাইভে ছবি,ভিডিও, ডকুমেন্ট, অডিও, ছবিসহ সব ধরনের ফাইল সংরক্ষণ করে রাখা যায়।
এতে অনেক ফাইল রাখলে সহজেই প্রয়োজনীয় ফাইল পেতে অনেক সময় বেগ পেতে হয়। তবে সার্চ টুল ব্যবহার করলে সহজেই তা খুঁজে পাওয়া যায়। কিভাবে সার্চ অপশন ব্যবহার করে আরও সহজে গুগল ড্রাইভ থেকে কোনো ফাইল খুঁজে পাওয়া যাবে তা এ টিউটোরিয়ালে তুলে ধরা হলো।

প্রথমে গুগল ড্রাইভে ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। তারপর উপর ‘search drive’-এ যে ফাইল প্রয়োজন বা খুঁজে পেতে হবে তা নামটি লিখতে হবে।

এরপর এ বক্সের ডান পাশে থাকা অ্যারো চিহ্নে ক্লিক করতে হবে। তাহলে নতুন একটি অপশন প্রদর্শিত হবে। সেখান থেকে যে ফাইলটি সার্চ করতে হবে- সেটি কি ধরনের, কবে ফাইল রাখা হয়েছিলো কিংবা ফাইলটি কার সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছিলো ইত্যাদি তথ্যগুলো দিয়ে নিচে থাকা সার্চ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

তাহলে মুর্হূতের মধ্যে আরও কম সময়ে প্রয়োজনীয় ফাইলটি খুঁজে পাওয়া যাবে গুগল ড্রাইভে।

Pages: [1] 2 3 ... 43