Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - faruque

Pages: [1] 2 3 ... 42
1
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখবেন যেভাবে



বর্তমান এই প্রযুক্তি নির্ভর যুগে ফেসবুক ব্যবহার করেন না এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। কিন্তু আপনার ফেসবুক কতটা নিরাপদ? সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন প্রায় ৬ লাখ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হচ্ছে।

ফলে বিপদে পড়ছেন অনেকেই।
তবে এ সমস্যা সমাধানের উপায় আছে। একটু সতর্কতার সাথে ফেসবুক ব্যবহার করলেই হ্যাকারদের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই কীভাবে।

বিনামূল্যে নোটিফিকেশন সুবিধা
ব্যবহারকারীদের বিনামূল্যে টেক্সট মেসেজ নোটিফিকেশন সুবিধা প্রদান করছে ফেসবুক। যখন কোনো কম্পিউটার অথবা মোবাইল থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে ঢোকা হবে তখন টেক্সট মেসেজ নোটিফিকেশন আপনার কাছে যাবে। এরপর বুঝতে পারবেন কে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করছে।

দ্বিস্তর ভেরিফিকেশন
বিপদের হাত থেকে কিছুটা নিরাপদ রাখতে ফেসবুক 'টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন' সুবিধা চালু করেছে। এটি ব্যবহার করলে প্রতিবার নতুন ডিভাইস/ব্রাউজারে আপনার কাঙ্ক্ষিত সেবায় (উদাহরণস্বরূপ ফেসবুকে) সাইন-ইন করার সময় ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড ইনপুট করার পরেও সেখানে আরেকটি পিন কোড দিতে হবে। এই কোডটি মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে আসে। এগুলোকে সিকিউরিটি কোডও বলা হয়, যা প্রতিবারই সার্ভার থেকে পাঠানো হয়।

ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড এবং সেলফোন নম্বর
দ্বিস্তর ভেরিফিকেশন সক্রিয় থাকা যে কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে চাইলে কমপক্ষে তিনটি বিষয় দখলে থাকতে হবে। সেগুলো হচ্ছে ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড এবং যে মোবাইল নম্বরে সেবাটি রেজিস্ট্রেশন করা আছে। ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড নিয়ে নিলেও একই সময়ে আপনার মোবাইল ফোনটি হ্যাকারের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই ফেসবুকে সাইন-ইন করার সময় সিস্টেম যখন মোবাইলে এসএমএসে আসা পিন চাইবে তখন সেটি তাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব হবে না। আর এই যাত্রায় আপনার অ্যাকাউন্টটিও হ্যাকিংয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে। লগইন অ্যাপ্রুভাল চালু করতে চাইলে প্রথমে আপনার ফেসবুকে সাইন-ইন করুন।

এরপর ফেসবুক Account Settings > Security সেকশনে থাকা Login Approvals-এর Require me to enter a security code each time an unrecognized computer or device tries to access my account-এ চেক মার্ক করুন। এবার Next ক্লিক করে মোবাইলে SMS এ প্রাপ্ত কোড লিখে Next চাপুন এবং Save বাটনে ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপনে সতর্কতা
বিজ্ঞাপনে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে উল্লেখ করে কিছু লিখতে পারবেন না। মনে করুন, আপনি শার্ট বিক্রি করেন। বিজ্ঞাপনে এই 'শার্টটি ভালো' বলার সুযোগ থাকলেও 'শার্টটি ভালো গ্রেগ' লেখার সুযোগ নেই।

এছাড়াও কোনো লিঙ্কে ক্লিক করলে কোনো শপিং ওয়েবসাইট বা বিজ্ঞাপনের পাতায় পৌঁছে যেতে পারেন। আপনাকে সেখানে নিয়ে ফেলতে পারলে তাতেও সাইবার দুর্বৃত্তদের যথেষ্ট লাভ। কারণ কোনো বিজ্ঞাপন প্রদর্শন বা ওয়েবসাইটে ক্লিক বাড়াতে পারলেই প্রতি ক্লিকের জন্য অর্থ পায় তারা। সঙ্গে বহু ক্ষেত্রে সেই ওয়েবপেজের হাতে চলে আসতে পারে আপনার গোপন নথিও।

তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ ব্যবহারে সতর্কতা
ফেসবুকে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ্লিকেশনের অভাব নেই। কিন্তু হ্যাকাররা অ্যাপসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর আইডির নিয়ন্ত্রণ কব্জা করে থাকে। অনেক অ্যাপ কোনো নির্দিষ্ট সময়ে এগুলো ব্যবহার করে থাকি কিন্তু ব্যবহার শেষে সেগুলো মুছে ফেলতে কিংবা নিষ্ক্রিয় করতে ভুলে যাই। তৃতীয় পক্ষের অ্যাপটি কতটুকু নিরাপদ তা ব্যবহারের আগে ভালো করে যাচাই করে নিন।

এন্টিভাইরাস ব্যবহার
আপনার পিসির জন্য কিলগার অথবা রিমোট অ্যাকসেস ট্রোজান [RAT] খুবই বিপজ্জনক। এগুলোর হাত থেকে বাঁচার জন্য সঠিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন।

ফেসবুকের মেইল থেকে সতর্ক
ফেসবুক থেকে কোন মেইল এলে সতর্ক থাকুন। ইনবক্সে ঢুকেই যদি মেলে থাকা লিঙ্কে ক্লিক করে বসেন, বিপদে পড়বেন। কারণ ওই মেইল হয়তো ফেসবুক থেকে আসেইনি। ইদানীং কিছু অত্যাধুনিক কৌশল কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা ওঁত পেতে রয়েছে আপনার সর্বস্ব হাতানোর জন্য। নেটওয়ার্কিং সাইটে আপনার গতিবিধির উপর সর্বক্ষণ নজর রাখছে তারা। ফেসবুক প্রোফাইলে আপনার উপস্থিতি কিছুদিন টের না পেলেই একটি বিশেষ ধরনের মেইল ও তার সঙ্গে লিঙ্ক পাঠাচ্ছে আপনার ওই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত মেইল আইডিতে। সেই মেইলে লেখা থাকছে, ‘আপনি বেশ কিছুদিন ফেসবুকে ছিলেন না। আপনার মেসেজগুলো শিগগিরই ডিলিট হতে চলেছে। এর সঙ্গেই আপনাকে দুটো অপশন দেওয়া হবে। 'ভিউ মেসেজ' এবং 'গো টু ফেসবুক'। এর কোন একটিতে ক্লিক করলেই আপনার যাবতীয় তথ্য চলে যেতে পারে হ্যাকারদের হাতে।

একাধিক অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ
একই ব্যবহারকারীর একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা আগেও নিষিদ্ধ ছিল। তবে খুব একটা কড়াকড়ি ছিল না। এখন এ বিষয়ে ফেসবুক খুব কঠোর নিয়ম মেনে চলছে। ফলে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।

ছবি পোস্টে সতর্কতা
ফেসবুক ছবির ব্যাপারে ভীষণ সেনসেটিভ। ফেসবুকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যার মাতৃদুগ্ধ পান করানোর ছবিকেও নগ্নতা বলে গণ্য করে। লরেন ফেরারি নামের এক ব্যবহারকারী ফেসবুকে তার পাঁচ বছরের শিশুর ছবি দিয়েছিলেন, যেখানে সে নার্সের ভূমিকায় অভিনয় করছে। এমন নিরীহ ছবি পোস্ট করাও এখন অনেক ঝামেলার। গত বছরের নভেম্বরে প্যারিস হামলার পরে জেসন ম্যানফর্ড নামের এক ব্যবহারকারীর ফেসবুক প্রোফাইল ছবি বেশ কয়েকবার সরিয়ে ফেলা হয়। কারণ, তার সে ছবিতে নানা রঙে বেশ কয়েকটি বাক্য লেখা ছিল।

ফেসবুক ব্যবহারের নীতিমালায় উল্লেখ আছে, আপনি এমন কোনো বিষয়বস্তু পোস্ট করতে পারবেন না, যাতে ভয়ভীতি, ঘৃণা কিংবা অপ্রীতিকর কিছু প্রকাশ পায়। এমন কোনো ছবি পোস্ট করতে পারবেন না, যা দৃশ্যমান সহিংসতা কিংবা নগ্নতা প্রকাশ করে। ফেসবুকের এই নিয়ম এমনিতে ঠিকঠাক মনে হলেও অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন, তারা অনেক ব্যক্তিগত কথাও লিখতে পারছেন না। স্বাধীন মত প্রকাশেও বাধা তৈরি করছে বলে অভিযোগ অনেকের।

2
বন্ধ হচ্ছে গুগল ড্রাইভ অ্যাপের ডেস্কটপ সংস্করণ



গ্রাহকদের জন্য ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ ও প্রবেশাধিকার সহজ করতে কাজ করছে মার্কিন সার্চ জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান গুগল। আর এ জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে হবে সিস্টেমে এবং পুরনো কিছু সেবাকেও বিদায় জানাতে হবে।

এরই অংশ হিসেবে ২০১৮ সালের মার্চ থেকে ম্যাক ও উইন্ডোজ প্লাটফর্মের জন্য গুগল ড্রাইভ অ্যাপ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে তারা।
এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে গ্রাহকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। কারণ গুগল ড্রাইভের বিকল্প হিসেবে এরই মধ্যে তাদের দুটি সেবা চালু রয়েছে। এর একটি হলো ব্যাকআপ অ্যান্ড সিঙ্ক, গ্রাহকরা এটি গুগল ড্রাইভের বিকল্প হিসেবে সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন। এর মাধ্যমে গুগল ফটোসে ছবি ও ফাইল সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা।

পাশাপাশি তথ্য সংরক্ষণের জন্য ড্রাইভ ফাইল স্ট্রিম সেবাটিও ব্যবহার করতে পারবে গুগল ড্রাইভ ব্যবহারকারীরা। এন্টারপ্রাইজ গ্রাহকদের জন্য এটি চলতি বছরের মার্চে চালু করা হয়েছিল।

বিডি প্রতিদিন/ ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭/ ইমরান জাহান

3
আমাদের সেরা ইউনিভার্সিটিগুলোর শিক্ষক-কর্মকর্তারা কি করে?

ব্রিটিশ পত্র-পত্রিকা গুলো যেদিন মহা আনন্দে খবর প্রকাশ করেছে- ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড এবং ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি এবার ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং এ পুরো পৃথিবীর বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর মাঝে প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে, সেই দিন আমরা বাংলাদেশিরা ব্যস্ত ছিলাম টেলিভিশনে মাহফুজুর রহমানের গান নিয়ে!

আমি অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পর্যন্ত এই নিয়ে হাসাহাসি এবং সমালোচনা করছে!

তাদের এই হাসাহাসি কিংবা সমালোচনা নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই। তবে আপনাদের জানিয়ে রাখি, পৃথিবীর বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর ওই র‌্যাংকিং এ বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝে স্থান করে নিতে পারেনি।

গত কয়েক বছর ধরেই ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক এবং কর্মকর্তারা ক্রমাগত নিজেদের সমালোচনা করে গেছেন। এর কারণ হচ্ছে অ্যামেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় গুলো তাদের ছাপিয়ে প্রথম দ্বিতীয় স্থান করে নিচ্ছিলো। অক্সফোর্ড এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় তাদের নিজেদের নিয়ে সমালোচনা করার ফলাফল হচ্ছে- তারা এখন পৃথিবীর সেরাদের তালিকায় এক এবং দুই নাম্বারে আছে।

আর আমাদের সেরা ইউনিভার্সিটি গুলোর শিক্ষক, কর্মকর্তা'রা কি করে?

তারা ব্যস্ত কিভাবে নিজেদের জাহির করা যায় সেটা নিয়ে!- "আমি'ই সেরা, দেশের অন্য কোথাও আবার পড়াশুনা হয় নাকি!"; এই হচ্ছে আমাদের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর মনোভাব! অথচ পৃথিবীর বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর র‌্যাংকিং এ ১২ লাখ জনসংখ্যার এস্তনিয়ার দুটো বিশ্ববিদ্যালয় সেরা ৬০০ এর মাঝে স্থান পাচ্ছে (যার একটাতে আমি নিজেই এখন পড়াচ্ছি)। শুধু তাই না, আফ্রিকার অতি দরিদ্র দেশ গুলোর বিশ্ববিদ্যালয় গুলোও স্থান পায়। আর ১৬ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়কে সেখানে হারিকেন দিয়েও খুঁজে পাওয়া যায় না!

তবে অন্যের সমালোচনা করতে আমাদের জুড়ি মেলা ভার! আমরা কবে বুঝতে শিখবো পৃথিবীর সভ্য এবং উন্নত দেশ গুলো সভ্য এবং উন্নত হয়েছে অন্যের সমাচলোনা করে নয়, বরং নিজেদের সমালোচনা করে।

4
যেভাবে স্প্যামের শিকার হচ্ছেন হোয়াট্‌সঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা



বিশ্বের জনপ্রিয় চ্যাট অ্যাপ হোয়াট্‌সঅ্যাপের ভিতরে লুকিয়ে রয়েছে স্প্যামের হাতছানি। ক্লিক করলেই অগোচরে ঢুকে যেতে পারে অযথা অ্যাডওয়্যার।

রেডিট সোশ্যাল মিডিয়ায় ইউএগজিট নামে এক ইউজার মেসেজ করে জানান, হোয়াট্‌সঅ্যাপে কাস্টমাইজড অপশন পরিবর্তন করতে গিয়ে, একটি মেসেজ পান। তাতে বলা হয়েছে, হোয়াট্‌সঅ্যাপে আপনার পছন্দমতো রং পরিবর্তন করুন। আর সেখানেই রয়েছে বিপদ। হোয়াট্‌সঅ্যাপের রং পরিবর্তন করতে গেলে ১২ জন বন্ধুকে শেয়ার করতে হবে ওই মেসেজ। 

এর পরের স্টেপে বলা হচ্ছে, ডেস্কটপেই পরিবর্তন করা যাবে হোয়াট্‌সঅ্যাপের রং। ডেস্কটপে গুগল ক্রোম ব্রাউজারে হোয়াট্‌সঅ্যাপ খুলতে গেলে ব্ল্যাকহোয়াটস নামে একটি এক্সটেনশন ইন্সটল করার নোটিফিকেশন আসবে। টেক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এ ধরনের নোটিফিকেশন আদতে একটি স্প্যাম।

হোয়াট্‌সঅ্যাপে এমন স্প্যাম নতুন নয়। এর আগেও একাধিক বার স্প্যামের শিকার হয়েছেন হোয়াট্‌সঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা। চলতি বছরেই হোয়াট্‌সঅ্যাপে ঘুরতে থাকে একটি মেসেজ। সেটি হল  “হোয়াট্‌সঅ্যাপ ব্যবহারে টাকা লাগবে। ” যদি দশ জনকে এই মেসেজ ফরোয়ার্ড করা যায়, তা হলে ফ্রি হয়ে যাবে।

5
ছোট্ট একটি ভুলেই হ্যাক হতে পারে আপনার স্মার্টফোন



কর্মব্যস্ত দিনের মাঝে স্মার্টফোনটি চার্জে দিতে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই। অনেক সময় কম্পিউটারে বসে কাজ করছেন, হঠাৎ খেয়াল করলেন আপনার স্মার্টফোনটির চার্জ একেবারেই নেই।

এমন সময় আমরা যা করি, ডেটা কেবল ফোনের সঙ্গে যুক্ত কম্পিউটারের সঙ্গে লাগিয়ে ফোনটিকে চার্জে বসিয়ে দেই। কিন্তু কখনও ভেবেছেন কি, এমন করার ফলে আপনার ফোনটি হ্যাক হয়ে যেতে পারে!
সম্প্রতি এমনটাই দাবি করছে ক্যাসপার্সকি ল্যাব। বিশ্বখ্যাত অ্যান্টি ভাইরাস প্রস্তুতকারী সংস্থার গবেষক অ্যালেক্সি কোমারভ সতর্ক করে বলছেন, 'আপনার ডিভাইস আইডি ট্র্যাক করে নিঃশব্দে তাতে অ্যাডওয়্যার কিংবা র‌্যানসামওয়্যার ঢুকিয়ে দেওয়া হতে পারে। '

কম্পিউটারের মাধ্যমে ফোন চার্জে বসালে কী কী তথ্য় চুরি হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে ক্যাসপার্সকি জানিয়েছে, ফোনের নাম, নির্মাতা, সিরিয়াল নম্বর, অপারেটিং সিস্টেম সংক্রান্ত তথ্য, ফাইল সিস্টেম, ইলেকট্রনিক চিপ আইডি সবকিছুই চলে যেতে পারে হ্যাকারদের দখলে।

তবে এ বিপদ এড়ানোর উপায় আছে। এর কিছু সাবধান দিয়েছেন গবেষকরা। 

১. ইউএসবি চার্জিং পয়েন্ট ও কম্পিউটার কেনার সময় একমাত্র বিশ্বস্ত কোম্পানিরই কিনুন। 
২. মোবাইল ফোনকে সব সময় পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত রাখুন। কিংবা ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিকগনিশনের মতো ব্যবস্থা থাকলে তো কথাই নেই। 
৩. ফোনে সব সময় অ্যান্টি ভাইরাস ইনস্টল করে রাখুন। 

বিডি-প্রতিদিন/২৫ আগস্ট, ২০১৭/ওয়াসিফ

6
হজ ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দেয় : মক্কা গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম



পবিত্র শহর মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের খতিব ও ইমাম বলেছেন, হজ যাত্রীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হলো মুসলিম উম্মার প্রতি একতা ও সব ধরনের মতবিরোধ পরিত্যাগ করা।

সারা বিশ্ব থেকে হজের উদ্দেশ্যে এবার প্রায় দেড় মিলিয়নেরও বেশি মানুষ সৌদির পবিত্র শহর মক্কায় গিয়েছেন।

 শুক্রবার মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে খুতবা পাঠের সময় ইমাম শেইখ সালে আল তালিব তাদের জীবনের বেশিরভাগ সময় সর্বশক্তিমান আল্লাহর আরাধনা ও ধর্মীয় পবিত্র স্থান রক্ষায় ব্যয় করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, 'মুসলিমদের মধ্যে যে কোনো ধরনের বিভাজন ও সংঘাত তাদের জাহিলিয়ার অন্ধকার দিনগুলোতে (ইসলাম অবতীর্ণ হওয়ার পূর্ব সময়) টেনে নিয়ে যাবে। ' সূত্র : সৌদি গেজেট

7
ওয়াইফাই স্পিড কয়েক গুণ বাড়ানোর ৫টি উপায়!




তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় ইন্টারনেট এখন প্রায় নিত্যপ্রয়োজনীয়। অফিস হোক বা বাড়ি, সোশ্যাল মিডিয়া বা মেইল চেক করা, সব ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের প্রয়োজন।

তাই বাড়িতে এখন ওয়াইফাই রাউটার বসানোর চাহিদা বাড়ছে। কারণ, এক দিকে যেমন একাধিক ডিভাইস এক সঙ্গে কানেক্ট করা যায়, তেমন ঘরের যে কোনও প্রান্তে বসে ইন্টারনেট সার্ফিং করা যায়। 
তবে রাউটার বসালেও বেশ কিছু কারণে ইন্টারনেটের স্পিড ভালো মেলে না। এই ৫টি বিষয় মাথায় রাখলে সহজেই ওয়াই-ফাই স্পিড অনেকটা বাড়িয়ে নেওয়া যায়। দেখুন সেই ৫টি উপায় কী কী...

১. রাউটার বাড়ির মাঝখানে রাখুন:

সাধারণত কানেকশন নেওয়ার সময় তারের পরিমাণ কম রাখার জন্য জানালার পাশে ঘরের এক কোনে রাউটার রেখে দেওয়াই দস্তুর। সবচেয়ে ভালো কভারেজ পেতে রাউটারকে বাড়ির মাঝের ঘরে রাখুন। মনে রাখবেন, ওয়াই-ফাই ওমনি-ডাইরেকশনালি ছড়ায়। অর্থাৎ, চোঙ থেকে আওয়াজ যে ভাবে বার হয় অনেকটা সে রকমই রাউটারকে কেন্দ্র করে সিগনাল ছড়াতে থাকে। তাই এক কোনও রাখলে অর্ধেক সিগনাল বাড়ির বাইরে চলে যাবে। ফলে স্পিড এমনিতেই কম পাবেন।

২. চোখের উচ্চতায় রাখুন:

মাটি থেকে ৫ ফুট উচ্চতায় রাউটারটি বসালে সিগনাল সবচেয়ে ভালো মেলে। মোটামোটি নিজের চোখের উচ্চতায় রাউটার রাখুন। সিগনালে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এমন কোনও ডিভাইসের সঙ্গে রাউটার রাখবেন না। যেমন, কর্ডলেস ফোনের বেস, অন্য কোনও রাউটার, প্রিন্টার, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি।

৩.  কম ডিভাইস কানেক্ট করুন:
 
বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠান বা পার্টি রয়ছে। বন্ধুবান্ধব-আত্মীয়রা সকলেই আসছেন। ঠিক করলেন, বাড়ির ওয়াই-ফাই সকলের ব্যবহারের জন্য কানেক্ট করে দেবেন। সেই সঙ্গে নিজেও টুকটাক কাজ করে নেবেন। মনে রাখবেন এক সঙ্গে বেশি জিভাইস কানেক্ট করলে ওয়াই-ফাই স্পিড অত্যন্ত কমে যাবে। এখন বেশ কিছু রাউটারে ডিভাইস ব্লক করার অপশন রয়েছে। যদি দেখেন কোনও নির্দিষ্ট ডিভাইস বেশি ব্যান্ডউইডথ টেনে নিচ্ছে, তাকে ব্লক করুন। শুধুমাত্র ইন্টারনেট সার্ফ করার জন্য ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে বলুন। যদি কেউ কিছু ডাউনলোড করতে চান, তাঁকে অপেক্ষা করতে বলুন বা নিষেধ করুন।

৪. রিপিটার কানেক্ট করুন:

ওয়াই-ফাই স্পিড বেশ কিছুটা বাড়িয়ে দেবে রিপিটার। বাজারে এবং অনলাইন শপিং সাইটে বহু রিপিটার পেয়ে যাবেন। দাম মোটামোটি ১০০০ টাকা থেকে শুরু। কনফিগার করাও খুব সহজ। বাড়িতে যদি পুরনো কোনও ভালো রাউটার থাকে সেটাও রিপিটার হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এর জন্য সেটিং পেজে গিয়ে কনফিগার করতে হবে।

৫. USB রাউটার ব্যবহার করুন:

রাউটার কেনার আগে দেখে নিন তাতে USB পোর্ট আছে কিনা। চেষ্টা করুন USB পোর্টযুক্ত রাউটার কিনতে। কারণ USB পোর্ট থাকলে তাতে এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভ কানেক্ট করতে পারেন। এটা নেটওয়র্ক স্টোরেজের মতো কাজ করতে সমস্ত কানেক্টেড ডিভাইজের জন্য। অথবা প্রিন্টারও কানেক্ট করতে পারেন। এতে কোনও একটি ডিভাইসের সঙ্গে কানেক্ট করার প্রয়োজন পড়বে না। নেটওয়র্কে থাকা যে কোনও ডিভাইস থেকে প্রিন্ট দেওয়া যাবে। সাধারণত দেখা যায়, এ ধরনের রাউটার বেশ শক্তিশালী হয়। তাতে সিগনালও বেশ ভালো পাওয়া যায়।

8
সহজ ৫টি নিয়মে দূর করুন অফিসের দুশ্চিন্তা



আমরা নিজের বাড়ির থেকে বেশি সময় অফিসেই থাকি। আর অফিসে থাকা মানেই অল্প বিস্তর দুশ্চিন্তা। যা কিনা ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে বিরক্তির জন্ম দেয়। এমনকী, এই টেনশনের ফলে গুরুতর মানসিক রোগেরও সমস্যা হতে পারে। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে দেখে নিন, পাঁচ নিয়মের কথা যার সাহায্যে আপনি খুব সহজেই দূর করতে পারবেন অফিসের দুশ্চিন্তা-

১। অযথা কাজ নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে বরং পরিকল্পনা করে কাজ করুন। দরকার পড়লে প্রতিদিন একটা ডায়েরিতে লিখে রাখুন কী কী কাজ করতে হবে। এবার অফিসে গিয়ে সেইভাবেই কাজ শুরু করুন। সেই সঙ্গে জেনে রাখুন, কাজ শেষ বলে কিছু হয় না। কাজ বাড়তেই থাকে, আর তার মধ্যেই আপনাকে সব গুছিয়ে নিতে হবে। 

২। কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিন। দেখবেন এতে কাজে মন বসবে।

৩। কখনই লাঞ্চ ডেক্সে বসে করবেন না। বরং ক্যাফেটেরিয়া বা ক্যান্টিনে গিয়েই প্রতিদিনের খাবার খান। এতে দুশ্চিন্তা কমবে। আর খেতে খেতে কলিগের সঙ্গে কাজের গল্প একদম নয়।

৪। নিজেকে সময় দিন। চেষ্টা করুন ওই সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে।

৫। সপ্তাহে একবার কাছের কোন জায়গা থেকে ঘুরে আসুন। প্রিয় মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান। দেখবেন জীবন থেকে স্ট্রেশ দূর হবে। সম্ভব হলে হালকা ব্যায়ামও করতে পারেন।

9
পুরো কম্পিউটারের ব্যাক আপ এখন নতুন গুগল ড্রাইভে



দেরিতে হলেও ব্যাক আপ ও সিংক অ্যাপ চালু করেছে গুগল। এর ফলে আপনি পুরো কম্পিউটার সিস্টেম গুগল ড্রাইভে সংরক্ষণ করতে পারবেন। ২৮ জুন থেকে এ সিস্টেমটি চালু করা হয়েছে। 

এ অ্যাপের মাধ্যমে আপনি যে কোনো ছবি, ভিডিও এবং প্রয়োজনীয় নথি একই ফরম্যাটে গুগল ক্লাউডে রাখতে পারবেন। এতে ক্রাশ হওয়া কিংবা অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনায় ভয় থেকে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন। অ্যাপটি ম্যাক বুক ও পিসিতে ব্যবহার করা যাচ্ছে। ফলে এখন থেকে পুরনো গুগল ড্রাইভ বা গুগল ফটো আপলোডারের প্রয়োজন হচ্ছে না। 

ফাইল রাখার জন্য আপাতত ১৫ গিগাবাইট ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন। আরও জায়গার দরকার হলে ব্যবহারকারীকে সেটি কিনে নিতে হবে।  সূত্র : সি নেট


10
মাউসের ব্যবহার দেখেই মিথ্যুক চিনবে কম্পিউটার



কম্পিউটারে মাউসের ব্যবহারের ধরণ দেখেই চেনা যাবে মিথ্যুক। হ্যাঁ মাউস ঘোরানোর ধরন দেখেই বুঝা যাবে কম্পিউটারে করা কোনো প্রশ্নের উত্তরে কেউ মিথ্যা নাকি সত্যি বলছে।

সংবাদ মাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ইতালির পাভোদা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের এ গবেষণায় ব্যবহার করেছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা( আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স)। যা ভবিষ্যতে অনলাইনে ভুয়া রিভিউ ও জাল ইন্সুরেন্স শনাক্ত করতে সহায়তা করবে।

গবেষণাটি করতে গিয়ে অ্যালগোরিদম সিস্টেমে কিছু নমুনা উত্তর দেওয়া হয়। সেই নমুনার ভিত্তিতেই মাউস নাড়াচাড়ার ধরন বুঝেই কম্পিউটার সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের কাজটি করবে।

গবেষণার জন্য ৬০ শিক্ষার্থীকে কম্পিউটারে কিছু প্রশ্ন করতে বলা হয়। উত্তরে কোনও কোনও শিক্ষার্থীকে পরিচয় গোপন করতে বলা হয়। 

যেখানে দেখা গেছে, যারা নিজেদের সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিয়েছে তারা মাউস নাড়িয়ে সরাসরি উত্তরে ক্লিক করেছেন। আর যাদেরকে নিজের সম্পর্কে ভুয়া তথ্য দিতে বলা হয়েছে তারা মাউস নাড়ানোর আগে অনেক্ষণ সময় নিয়েছেন। উত্তরও দিয়েছেন ঘুরিয়ে।

গবেষণা দলটির নেতৃত্বে থাকা অধ্যাপক গিউসেপি সারতোরি জানান, ‌আমাদের মানুষের মস্তিষ্ক এমনভাবে গঠিত যাতে সত্য কথাটিই সবার প্রথমে মনে পরে। কিন্তু যখন মিথ্যা কথা বলি তখন মস্তিষ্ক প্রতিক্রিয়া করতে সময় নেয়। কারণ তখন সত্য কথাটি গোপন করে মিথ্যা উত্তর সাজাতে ব্যস্ত থাকি। ’গবেষণাটি সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে অনলাইন জার্নাল প্লাস ওয়ানে।

11
এটিএম পিন ৪ সংখ্যা হওয়ার 'অদ্ভুত' কারণ



বর্তমানে টাকা তোলার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো 'অটোমেটেড টেলারিং মেশিন' বা এটিএম বুথ। এর ব্যবহার শুরু হওয়া অর্ধ শতাব্দী পেরিয়ে গেছে। যেকোন সময় টাকা তোলার সুবিধার জন্য দ্রুতই এটি মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। কিন্তু একটা প্রশ্ন আমাদের সকলের মনেই থাকে, এটিএম পিন কেন শুধুমাত্র ৪ সংখ্যারই হয়? কিংবা কেন ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা আরো অন্যান্য পাসওয়ার্ডের মতো নানা শর্ত আরোপ করা থাকে না?

এ ব্যাপারে জানা যায়, স্কটিশ বৈজ্ঞানিক জন অ্যাড্রিয়ান শেফার্ড-ব্যারন এই মেশিন তৈরির ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন। মূলত তাকেই এটিএমের উদ্ভাবক বলা হয়। যদিও তিনি প্রথমে ৬ সংখ্যার পিনেরই সুপারিশ করেছিলেন, তবে বাধ সাধেন তার স্ত্রী ক্যারোলিন।

আর এর কারণটাও মজার! তার স্ত্রী ৪ সংখ্যার চেয়ে বেশি সংখ্যাবিশিষ্ট কোনো নম্বর মনে রাখতে পারতেন না। তাই স্বামীর সুপারিশ শুনে তিনি পত্রপাঠ তা খারিজ করে দেন। আর তাতেই অ্যাড্রিয়ান ৪ সংখ্যার পাসওয়ার্ডে সিলমোহর দেন। 

12
কর্মক্ষেত্রের জন্য সহায়ক কিছু অ্যাপস



তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে গতি পেয়েছে মানুষে প্রত্যেকটি কাজ। প্রতিনিয়ত সহজ থেকে সহজতর উপায়ের দিকেই ঝুকছে মানুষ। বেড়েছে নানা ধরনের প্রযুক্তি পণ্য, অ্যাপস ও সফটওয়্যারের ব্যবহারও। আর কর্মক্ষেত্রেও ব্যবহার বেড়েছে নানা ধরনের সফটওয়্যার অ্যাপসের। 

সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বা কাজের সুবিধার ক্ষেত্রে সহায়ক এমনই চারটি অ্যাপ নিয়ে থাকছে আজকের আয়োজন।

১. ওয়ান পাসওয়ার্ড:

প্রতিটি অ্যাকাউন্টের নিশ্চিত করবে ওয়ান পাসওয়ার্ড। অ্যাকাউন্ট খোলার পর ওয়ান পাসওয়ার্ডে প্রবেশ করতে ফিঙ্গারপ্রিন্টের প্রয়োজন হবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পরিচয়পত্র, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড সেভ করা যাবে।

২. স্লাক:

এটি একটি ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিং অ্যাপ। যা ব্যবহার করে সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা, ফাইল শেয়ারিং কাজের তথ্য সংগ্রহ করা যাবে। যে বিষয়গুলো নিয়ে এখানে আলোচনা করা হবে সে বিষয়গুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে (প্রজেক্ট, টিম, লোকেশন) ভাগ করে রাখা যাবে। এটা দিয়ে গোপনীয় তথ্যগুলো টিম মেম্বারদের কাছে পাঠানো যাবে। স্লাক থেকে যেকোনো তথ্য খুঁজতে সার্চ অপশনও ব্যবহার করা যায়।

৩. অ্যাসেমব্লা:

যারা সফটওয়্যার ডেভেলপ করেন তাদের জন্য অ্যাসেমব্লা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি আইওএস অ্যাপ। প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অ্যাপটি ডেভেলপাররা ব্যবহার করেন মূলত কোড আর টাস্কের মধ্যে সমন্বয় ঘটাতে। এতে টাস্কের অগ্রগতি, ক্লায়েন্ট ও টার্গেট সম্পর্কিত তথ্য সেভ করার সুবিধা রয়েছে। আইফোন কিংবা আইপ্যাড থেকেই টাস্কের টিকিট তৈরি ও আপডেট করা যাবে।

৪. ইনভিশন:

ডেভেলপাররা এখানে ডিজাইন আপলোড করে সেটির রিভিউ সম্পর্কে জানতে পারেন। ইন্সট্যান্ট ফিডব্যাক পাওয়ার কারণে অ্যাপ ডিজাইনিংয়ের ত্রুটিগুলো এখানে সহজেই ধরা পড়ে।

13
যে ১০টি তথ্য ফেসবুকে না রাখাই নিরাপদ!



বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। ২০০ কোটি ব্যবহারকারীর এক বিশাল সাম্রাজ্য এটি। আর সেখানে নিজ নিজ এ্যাকাউন্টগুলো নিরাপদ রাখতে কিছু পন্থা অবশ্যই মেনে চলতে হয়, জানতে হয় কোন বিষয়গুলো বন্ধুদের জানাবেন, আর কোনগুলো জানাবেন না। নিচে এমন ১০টি বিষয় তুলে ধরা হলো যা আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে না রাখাই নিরাপদ-

১. ফোন নাম্বার:

ফেসবুকে নিজের ফোন নাম্বারের তথ্য না রাখাই উত্তম। কারণ এর মাধ্যমে হয়তো কখনো আপনি দুই-একজন শুভাকাঙ্খীর ফোন পেতে পারেন। তবে কখনো আবার উত্তক্ত্যকারীদের পাল্লায়ও পড়তে পারেন।

২. জন্মদিন:

আপনার জন্মদিনের তারিখ বা এর সাথে নাম, ঠিকানা হতে পারে আপনার গোপনীয়তা রক্ষার খাতিরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার মাধ্যমে হ্যাকাররা আরও সহজে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ব্যক্তিগত বিবরণ হস্তগত করে নিতে পারেন।

৩. অধিক সংখ্যক বন্ধু :

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক রবিন ডানবারের তত্ত্ব অনুযায়ী একজন মানুষ প্রায় ১৫০ জনের সাথে গভীর বন্ধুত্ব রক্ষা করতে পারে। ৩ হাজার ৩৭৫ জন ফেসবুক ব্যবহারকারীকে পরীক্ষা করে ডানবার দেখান যে, ৪.১ জন হন আস্থাভাজন এবং ১৩.৬ জন মানসিক সঙ্কটের সময় সহমর্মিতা দেখায়। তাই নিষ্ক্রিয় বন্ধুদের ছাটাই করা সামাজিক মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর মিথষ্ক্রিয়ার জন্য উপযোগী।

৪. আপনার সন্তান বা পরিবারের ছোট সদস্যদের ছবি শেয়ার করা:

অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইন্সিটিউটের পরিচালক ভিক্টোরিয়া নাশ এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্থাপন করেন, যেটি অনেকেই সমর্থন করে, একজন শিশু তার সম্পর্কে  কিরূপ তথ্য পরবর্তী  সময়ে অনলাইনে দেখতে চাইতে পারে? আগের প্রজন্ম এটা বিবেচনা করার প্রয়োজনই মনে করে না কিন্তু ইন্টারনেট এবং সামাজিক মাধ্যমের বিকাশ এই প্রশ্নটির গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে।

৫.রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস:

নতুন রিলেশন উদযাপন কারতে চাইলেও তা ফেসবুকে করা ঠিক নয়। কারণ সম্পর্ক ভেঙ্গেও যেতে পারে এবং পরবতীতে ‘ইন এ রিলেশনশিপ’ থেকে ‘সিঙ্গেল’ স্ট্যাটাসে যাওয়াটা আরও বিব্রতকর নয়কি?

৬. লোকেশন সার্ভিস:

শুধুমাত্র এন্ড্রোয়েড বা আইফোনেই লোকেশন সার্ভিসটি রয়েছে। ২০১৫ সালে টেকক্রাঞ্চ জানায় যে, শুধুমাত্র মোবাইল দিয়ে ফেসবুকে প্রবেশ করে ৫০ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী। অর্থাৎ এদের মধ্যে একই সংখ্যক অনলাইনে তাদের লোকেশন প্রকাশ করে দেয়।  এবং যে কেউ যারা তোমার ক্ষতি করতে চায় বা না চাইলেও জানতে পারে তুমি কোথায় আছো।

৭. ব্যবস্থাপক:

এই বিষয়টা সমাজের উচ্চস্থানীয়দের জন্যই প্রযোজ্য।  ফেসবুক একটি সামাজিক মাধ্যম এবং কিছু ক্ষেত্রে আলাপচারিতা হালকাও হতে পারে। কিন্তু কোম্পানির সিইও তোমার ওয়ালে প্রবেশ করতে পারে, তোমার প্রতিটি স্ট্যাটাস আপডেটেও তার প্রবেশাধিকার রয়েছে। তুমি তোমার কিছু আপডেট থেকে সিইওকে বাদ দিতে পারো কিন্তু তাতেও ঝামেলা কতটা কমাবে?

৮. অবস্থান সম্পর্কে ট্যাগ নয়:

মানুষ অনেক সময়ই ভুলে যায় তাদের বাসায় অবস্থানের ট্যাগ করাটা আসলে তার ঠিকানা সবাইকে দিয়ে দেওয়ার মতোই।

৯. কখন এবং কোথায় ছুটিতে যাচ্ছি:

একটি ফাইন্যানন্সিয়াল ওয়েবসাইট দিস ইস মানি জানায়, যেসব ভ্রমণকারীরা ছুটি কাটানোর সময় চুরির শিকার হয় এবং তারা যদি তাদের ছুটির পরিকল্পনা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে, তাহলে তাদের ইন্সুরেন্স দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না।

১০. ক্রেডিট কার্ড বিবরণ: এটা কখনোই ভালো চিন্তা নয়। এতে আপনা ফতুর হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

14
ইসলাম আত্মনিগ্রহে বিশ্বাস করে না




ইসলাম আত্মনিগ্রহে বিশ্বাস করে না। বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি এমন মতবাদকে ইসলাম প্রত্যাখ্যান করেছে। ইবাদতের নামে নিজের সাধ্যের চেয়ে বেশি কিছু করতে হবে এমন ধারণাকেও উৎসাহিত করা হয়নি পবিত্র কোরআন এবং রসুল (সা.)-এর হাদিসে। জীবনযাপন এবং ইবাদত সর্বক্ষেত্রে স্বাভাবিকতা বজায় রাখাই ইসলামের শিক্ষা।
মুসাফির বা পথিক যেমন অবিরত পথ অতিক্রম করে, অনুকূল সময়ে সফর করে, অবশিষ্ট সময়ে নিজেও বিশ্রাম নেয় এবং নিজের বাহনকেও বিশ্রামের সুযোগ দেয়, দীনের পথের পথিকের অবস্থাও তেমন হওয়া উচিত। নিজেকে সামর্থ্যের অতিরিক্ত কঠোরতার মধ্যে নিক্ষেপ করা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তরিকার প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে নফল ইবাদতে কড়াকড়ি করা ইত্যাদি কারণে দীনের মধ্যে বাড়াবাড়ির পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়। হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : নিজের মর্যাদাহানি করা মুমিন ব্যক্তির জন্য শোভা পায় না। সাহাবিগণ বললেন, মুমিন ব্যক্তি কেমন করে নিজের মর্যাদাহানি করতে পারে?  তিনি বলেন, নিজেকে সামর্থ্যের অতিরিক্ত পরীক্ষার সম্মুখীন করা (তিরমিযি থেকে মিশকাতে, বাব জামিউদ-দুআ)।

 উপরোক্ত হাদিসে স্পষ্ট হয় যে মানুষ সুষ্ঠু এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করুক আল্লাহ এবং তার রসুল (সা.) তেমনটিই চেয়েছেন। এক্ষেত্রে বাড়াবাড়ির কোনো অবকাশ নেই। শরীর ও মনকে কষ্ট দিয়ে নয় বরং স্বাভাবিকতা বজায় রেখে সব কিছু করতে হবে। কেউ দেহ মনকে কষ্ট দিলে সওয়াব বেশি মিলবে ভাবলে তা ভুল করা হবে। কারণ আল্লাহ পরম দয়ালুময় সত্তা, তিনি চান না তার বান্দা কষ্ট পাক। আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন এই ভাবনায় আত্মনিগ্রহের পথ বেছে নেওয়া কোনোভাবেই পবিত্র কোরআন কিংবা হাদিসে রসুল (সা.) নির্দেশমতো পথ নয়। এ পথ পরিহার করাই উত্তম। আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বৃদ্ধ ব্যক্তিকে তার দুই ছেলের কাঁধে ভর দিয়ে পা হেঁচড়ে যেতে দেখলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন : এই ব্যক্তির কী হয়েছে? লোকেরা বলল, সে পদব্রজ আল্লাহর ঘর (কাবা) জিয়ারত করতে যাওয়ার মানত করেছে। তিনি বলেন : এই ব্যক্তিকে শাস্তির মধ্যে নিক্ষেপ করা থেকে মহান আল্লাহ মুক্ত। তিনি তাকে বাহনে চড়ে যেতে নির্দেশ দিলেন (বুখারি, মুসলিম, তিরমিযি, ইবনে মাজা, নাসাঈ, মুসনাদে আহমাদ (দারিমি)। কোনো কোনো লোক মনে করে, মানুষ নিজেকে যত বেশি কষ্ট ও কঠোরতার মধ্যে নিক্ষেপ করবে আল্লাহ তার প্রতি তত বেশি সন্তুষ্ট হবেন। উল্লিখিত হাদিসে এই ভ্রান্ত ধারণা সংশোধন করা হয়েছে। আমাদের উচিত হবে অযথা শরীর ও মনকে কষ্ট দেওয়ার পথ থেকে বিরত থাকা। কোনো ক্ষেত্রে স্বাভাবিকতার পথ পরিহার করে বাড়াবাড়ির আশ্রয় না নেওয়া। আল্লাহ আমাদের সর্বক্ষেত্রে সহজ সরল পথে থাকার তওফিক দান করুন। আমিন।



15

হৃদয়খেকো ‘রিয়া’র সর্বনাশী ফাঁদ!


শিরোনাম দেখে অনেকে হয়তো মনে করতে পারেন, রিয়া একটি মেয়ের নাম। মেয়েটি হয়তো খুবই সুন্দরী, চপল এবং ধড়িবাজ প্রকৃতির প্রতারক। সে তার ভুবনমোহিনী রূপের মায়াজালে দুর্বল চিত্তের পুরুষের হৃদয়ে ভয়ানক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং সময়-সুযোগ বুঝে মস্ত বড় সর্বনাশ ঘটায়। ফাঁদে পড়া পুরুষটির হৃদয় ভেঙে চুরমার করে দিয়ে নিরাপদে দ্রুত কেটে পড়ে। আপনি হয়তো এ কথাও ভাবতে পারেন, রিয়ার মতো মেয়েদের কারণে যুগ-যুগান্তরে, কাল-কালান্তরে এবং দেশ-দেশান্তরে যুদ্ধ-বিগ্রহ, ফ্যাতনা-ফ্যাসাদ এবং দ্বন্দ্ব-ফ্যাসাদ সৃষ্টি হয়ে মানব সভ্যতাকে বারবার পেছনে ঠেলে দিয়েছে। রিয়া সম্পর্কে আপনার ভাবনা যাই হোক না কেন সে ব্যাপারে আমি মাথা ঘামাব না। আমি বরং আপনাকে এমন এক রিয়ার সর্বনাশী কুকীর্তির কিছু নমুনা জানাব যা কিনা আপনার কল্পনার রিয়ার তুলনায় লক্ষ-কোটি গুণ বেশি বিধ্বংসী ক্ষমতা নিয়ে মানুষের আত্মা বা হৃদয় খেয়ে ফেলে। দুনিয়া ও আখিরাতে মানুষের জীবন-জীবিকা, মানসম্মান, পদ-পদবি এবং জৌলুসকে বরবাদ করে দেয়। আরবি শব্দ রিয়ার আদি উৎস ‘রা’ ‘আ’ যার অর্থ লোক দেখানো বা লোকজনকে দেখানোর জন্য উপরে তুলে ধরা। ইসলামী পরিভাষায় রিয়াকে বলা হয় গুপ্ত শিরক বা ছোট শিরক। আপনারা শিরক বা অংশীদারিত্বের ভয়াবহ পরিণাম সম্পর্কে খুব ভালোভাবেই জানেন। আল্লাহ কখনো শিরক বরদাস্ত করেন না এবং সাধারণ ইবাদত-বন্দেগিতে শিরককারীর গুনাহ মোচন হয় না। আল্লাহকে বাদ দিয়ে যদি আমরা তার অন্যান্য সৃষ্টিকুলের দিকে তাকাই তবে লক্ষ্য করব যে, কোনো প্রাণীই কিছু কিছু সম্পর্কের অংশীদারিত্ব বরদাস্ত করে না।

স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা-সন্তান ইত্যাদি সম্পর্কের বাইরে দাতা-গ্রহীতা, নিয়োগকর্তা, কর্মচারী, শাসক-প্রজা, বিচারক-বিচারপ্রার্থী, আশ্রয়দাতা-আশ্রয়প্রার্থী সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রথম পক্ষ কোনো দিন তার মর্যাদার সঙ্গে অন্য কারও অংশীদারিত্ব বরদাস্ত করে না। শিরক বা অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিরককারী যে পরিমাণ অপমান দ্বারা আল্লাহকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে তা অন্য কোনো গুনাহের দ্বারা একেবারেই অসম্ভব। রিয়ার তিনটি সাধারণ স্তর রয়েছে। প্রথম স্তরে মানুষ তার সৎ কর্ম, কোনো বিষয়ের ওপর গভীর পাণ্ডিত্য অথবা ভালো মানুষী চরিত্রের বৈশিষ্ট্য এমনভাবে জাহির করতে থাকে যাতে লোকজনের মনে লোকটি সম্পর্কে এক ধরনের সম্ভ্রম ও মর্যাদা তৈরি হয়ে যায়। রিয়াকারীর যাবতীয় কৌশল কেবল মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য হয়ে থাকে। তারা চায় লোকজন বেশি বেশি তার সম্পর্কে জানুক এবং ভক্তি শ্রদ্ধায় গদগদ হয়ে তার কদম মুবারকে ঝাঁপিয়ে পড়ুক। দ্বিতীয় স্তরে, রিয়াকারী মানুষের জন্য নানারকম ফাঁদ তৈরি করে। নিজের সততা, জ্ঞান, ক্ষমতা, বুদ্ধিসত্তা এবং পরোপকারী মনোভাবকে নিঃস্বার্থ প্রমাণ করার জন্য সে নানা কৌশল ও ফন্দিফিকির শুরু করে। মানুষ তাকে দাতা হাতেম তাঈ, মহাজ্ঞানী লোকমান বা ওলিকুল শিরোমনি ভেবে তোয়াজ-তদবির সহকারে তার কাছে আনুগত্য প্রকাশ করুক এবং মাথানত করুক এমন মনোবাসনা নিয়ে সে লোক দেখানো ভালো কর্ম, ভালো আচরণ এবং ইবাদত বন্দেগি করতে থাকে।

 নিজের অজান্তে তার কর্ম আল্লাহকে বাদ দিয়ে মানুষ যেন তাকে তোয়াজ করে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। তৃতীয় স্তরে রিয়াকারী ধর্মের লেবাসে অতিমানব আখ্যা পাওয়ার জন্য লোক দেখানো ইবাদত বন্দেগি শুরু করে। অতিরিক্ত নামাজ-কালাম, তসবিহ-তাহলিল, জিকির-আসকার, তাহজুদ-গুজার ইত্যাদি কর্মের মাধ্যমে সে মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে মহান আল্লাহর সঙ্গে গুপ্ত শিরকে জড়িয়ে পড়ে। ফলে রিয়াকারীর তাবৎ আমল বরবাদ হয়ে যায়। দুনিয়াতে তার ভণ্ডামি জারিজুরি এক সময় প্রকাশ হয়ে পড়ে। তাছাড়া রিয়াকারী প্রকাশ্যে যত বড় সুনাম ও সুখ্যাতির অধিকারী হোন না কেন— তার নিজ ভুবনে তিনি সর্বদা জাহান্নামের কীট হিসেবে শাস্তিভোগ করতে থাকে। তার অন্তর, চোখ, শ্রবণশক্তি, ঘ্রাণশক্তি এবং অনুভূতিতে সব সময় জাহান্নামের অতৃপ্তির আগুন দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। অন্যদিকে, তার মৃত্যুর পর তার স্থান যে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তর সিজ্জিনে হবে তার ঘোষণাও পবিত্র কোরআনে আল্লাহ অনেক আগেই দিয়ে রেখেছেন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রিয়া থেকে রক্ষা করুন। আমিন।

Pages: [1] 2 3 ... 42