Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - bbasujon

Pages: [1] 2 3 ... 87
1


দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বর্ণপদক পেয়ে মাস্টার্স পাস করেছেন আমার বোন। দারুণ ফলের পরও ভালো একটি চাকরির জন্য তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে বছর তিনেক। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সেমিস্টার থেকেই স্বাবলম্বী 'এই আমি' নিজের পড়াশোনার খরচ চালাচ্ছি। পরিবারকেও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছি। একজন উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের কর্মসংস্থান নিজেই করতে পেরেছি।

নিজের উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার কথা এভাবেই বলছিলেন আত্মপ্রত্যয়ী তিশা ফারহানা। ছোট বেলা থেকে নিজেই কিছু করতে চেয়েছেন। সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভর্তি হয়েছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) এন্টারপ্রেনিউরশিপ বিভাগে। এখন তিনি দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। পড়ালেখার পাশাপাশি 'ক্রাফটিক্স' নামের এক উদ্যোগ গড়ে তোলার কাজ করছেন। গৃহিণী মাকে সঙ্গে নিয়ে পাট দিয়ে তৈরি বিভিন্ন রকমের কারুপণ্য তৈরি করছেন। অফিস সাজানোর এসব পণ্যের বড় ক্রেতা বিভিন্ন কোম্পানি। তিশার মতো তরুণ উদ্যোক্তাদের স্বপ্ন সফল করতে ডিআইইউতে ২০১৫ সালে চালু করা হয়েছে এন্টারপ্রেনিউরশিপ নামের এ বিভাগ। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এটাই প্রথম। 'চাকরি খুঁজব না, চাকরি দেব'_ এমন লক্ষ্য নিয়েই এখানে পড়তে আসেন শিক্ষার্থীরা, যারা স্বপ্ন বুনে চলেন উদ্যোক্তা হওয়ার।

বিভাগটির প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এখন অষ্টম সেমিস্টারে পড়ছেন। তাদের অনেকেই পড়ালেখার পাশাপাশি ছোট পরিসরে নিজেরাই কিছু করতে শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে খাবারের দোকানের ব্যবসা শুরু করেছেন মো. তানজুমুল ইসলাম তারেক। কিছুদিন আগে মাত্র ভর্তি হয়েছেন। জটিল রোগ ইমোফ্লিয়ায় আক্রান্ত এ তরুণ এরই মধ্যে হাত লাগিয়েছেন এক উদ্যোগে। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে লড়াই করলেও আশাহত হননি। ভরসা রেখেছেন নিজের ওপর। তিনি সমকালকে জানান, পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি খাবারের দোকান চালান তিনি। যৌথ উদ্যোগের এ দোকান চালাতে বিনিয়োগসহ সব সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিভাগে বিদেশি শিক্ষার্থীও রয়েছেন। সোমালিয়া থেকে পড়তে এসেছেন আহমেদ ইব্রাহিম। তিনি সমকালকে জানান, তাদের পারিবারিক ব্যবসা আছে। সেটির পরিসর বৃদ্ধির পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সূত্র ধরেই এখানে পড়তে আসা।

বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মারুফ রেজা এ বিভাগ চালু সম্পর্কে বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করে এ বিভাগ খোলা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য উদ্যোক্তা তৈরি করা। পাঠ্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রচলিত ধারার শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে শিক্ষার্থীদের সপ্তম সেমিস্টার থেকেই নিজেদের ব্যবসা পরিচালনা করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান সমকালকে বলেন, একজন উদ্যোক্তা নিজের সৃজনশীলতার মধ্য দিয়ে যে কোনো জায়গায় ভালো কাজ করতে পারবে। এ বিভাগের মাধ্যমে উদ্যমী তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এন্টারপ্রেনিউরশিপ বিভাগ 'আর ইউ দ্য নেক্সট স্টার্টআপ' শীর্ষক এক কর্মসূচির আওতায় পাঁচ বছরে ৫০০ উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এ বছর কর্মসূচির তৃতীয় মৌসুম চলছে। এর আওতায় যোগ্য ও উদ্যমী তরুণ-তরুণীদের পূর্ণাঙ্গ বৃত্তিসহ এ বিভাগে চার বছরের স্নাতক কোর্স করার সুযোগ দেওয়া হয়। উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী এইচএসসি পাস শিক্ষার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।


Source: http://www.samakal.com/todays-print-edition/tp-taka-ana-pai/article/1709865/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A6%AC-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC

2
By Murray Newlands

Over the past three years I have been teaching Entrepreneurship at the Academy of Art in San Francisco. I see 100 new students come through my class each year, and almost all of them ask me if getting a degree is worth it.

The answer is that it really depends on you. Today, you can get both an undergraduate and graduate degree in entrepreneurship from an accredited university. In fact, these types of specialized business programs are becoming more and more common, and there are even more specializations available within traditional MBA programs.

But there’s a big difference between a business degree and an entrepreneurship degree — just like there’s a big difference between being a business owner or manager and being an entrepreneur. So what do these programs really look like, and are they worth it?


Expanding Your Options

Let's look at two of your options. At the University of Houston’s Bauer College of Business, the Entrepreneurship program involves traditional classroom learning with apprenticeships and real-world experience. The titles of the courses include Entrepreneurship Overview, Intrapreneurship, Entrepreneurial Revenues, Entrepreneurial Costs & Budgets, Entrepreneur Capital, Entrepreneur Strategy & Perspectives, and Entrepreneurship Business Plan & Perspective.

At Babson College’s Entrepreneurship Center, students also combine class curriculum with internships and other means of getting involved with real-world entrepreneurial ventures. As an undergraduate, your entire first year is spent in the Foundations of Management and Entrepreneurship track. Electives are focused on topics like marketing, information tech, operations management and the like. There is also a graduate program, which requires a complementary capstone course and courses like Managing Talent: Your Own and Others.

These are just a couple of U.S. universities offering degrees in entrepreneurship and unfortunately (just like an entrepreneurial venture) there’s no guarantee they’re “worth it” or not. It’s the same with any other degree. The entire experience is what you make of it and what you want to get out of it. They may fit you better or worse than another candidate.

In terms of cost, it varies greatly between University of Houston’s in-state, $9,000 per-year tuition and Babson’s $40,000 yearly price tag. Only you can decide what you're willing to pay. Some colleges in the U.S. run as much as $60,000+ a year.

DIY: The Entrepreneurial Way


How many successful entrepreneurs would recommend a bachelor’s degree followed by a graduate degree in entrepreneurship? No survey has been conducted to my knowledge, but it probably wouldn’t be an overwhelming majority. After all, entrepreneurs are time-driven risk takers and might not see the best ROI in taking such a costly and relatively time-consuming approach. This doesn’t mean a college degree is useless for entrepreneurs, but it might mean that it shouldn’t be the sole foundation for your dreams.

It’s too early to tell just how successful the newer programs will be, though some (like Babson) have been around for nearly 20 years. Just like any other educational program, only you can decide if it’s ultimately a good investment for your life.

So if you're asking yourself whether a degree in entrepreneurship is worth it, you need to dig deep within yourself to determine what you want. If you're looking to become an entrepreneur, this might just be the best way for you to learn every aspect of a business and really understand what it's like to be a startup founder. It's not easy, but to some it's more than worth the cost.


Murray Newlands is the founder of Influence People, a marketing agency helping entrepreneurs from around the globe to succeed online.


Source: https://www.forbes.com/sites/theyec/2015/04/20/is-a-degree-in-entrepreneurship-worth-it/2/#6aa31bfe407b


3
Department of Entrepreneurship / Are You the Next Startup? - Season 3
« on: August 12, 2017, 12:19:17 AM »
A new initiative to create Entrepreneurs by the Department of Entrepreneurship of Daffodil International University

Date: 10 August 2017

During the last decade, the development in social-economy of our country is mention worthy. In the meantime, Bangladesh has raised from medium income country to high income country. We are working on making the country into high income country within 2021. We will face many challenges in the road of the journey. One of the main challenges is to create new employment. In experts’ opinion, National Growth has been increased but the employment has not increased with the same rate. For this reason, some economists described our country as “Jobless Economy”. All of you know that every year more than 2 million young enter into job market. In the country, around 40% young is unemployed. In recent survey it has been shown that the unemployment rate in SSC is 7%, in HSC the rate is 13.6% but after graduation, the rate has been increased to 16.4%. In other words, the more degree a person has, the more chance is to be unemployed. In this circumstance, there is no alternation to create new entrepreneurs. By keeping this mind, the Department of Entrepreneurship of Daffodil International University has taken various initiatives. To its continuation, from 18 December 2016, the “Are You the Next Startup?” project has taken into consideration. Under this project, we will provide every possible assistance to the worthy and capable young children until they become a successful entrepreneur. A total number of 500 (30% females) new entrepreneurs will be created in the next five years (2017-2021).

 “Are You the Next Startup?” is a national level talent hunt program introduced to find out potential startups and entrepreneurs of Bangladesh. It will hunt, groom, design, organize, and manage new enterprises or business ideas till the ultimate success of each winner.

This project work will be led by four (4) years graduating courses of the participants in the Department of Entrepreneurship of Daffodil International University, where the winners will be facilitated by scholarship facilities from the renowned Entrepreneurs or Business Icons in Bangladesh. With guidance from top professors in Daffodil International University, along with insights from current start-ups and investors, new start-ups will develop an entrepreneurial mindset and enhance the skills to develop a new enterprise with potential for growth and funding.


Motto of the Event:


To foster the national economy of our country by creating new entrepreneurs.


Objectives of the Event:
1.   To create new entrepreneurs for 21st century
2.   To help the entrepreneurs to start their startups/ business
3.   To add values in the entrepreneurial skills of the participants
4.   To contribute in the national economy through the new entrepreneurs
5.   To assemble the family members of pioneer business icons in this project
6.   Finally to help the entrepreneurs completing their graduation from Daffodil International University


Special Features of the Event:

The Department of Entrepreneurship of Daffodil International University are providing 100% scholarship (around 8 lac per person) to the new young entrepreneurs.  The scholarships are named after the renowned persons of our country. The top 20 students are getting the scholarship facility.

The scholarship will be given to the participants in these ways:
The top 40% winner will get 100% scholarships= 8 participants
The next 30% winners will get 75% scholarships= 6 participants
The last 30% winners will get 50% scholarships= 6 participants

The winners will get theoretical and practical knowledge as well as experience which will transform them into successful entrepreneurs within four years of their graduation. In addition, each and every students under this project will earn minimum BDT 10,000 in a month from 2nd year of their graduating period.


“Are You the Next Startup?”- Season 01

You will be glad to know that, in the first season, we got more crowd than the expectations. There were online application procedure, Ice breaking session, Grooming and Boost Camp and final selection procedure for selecting the top participants. In the first season, the Top 5 students were selected from one week competitions among the around 300 students. Two students among them got 100% scholarship and other two got 75% scholarship. Now they are studying with scholarship at the Department of Entrepreneurship.




“Are You the Next Startup?”- Season 02

The same procedures were maintained in the second season too. From the beginning of the seasons this program got some renowned persons in the path of its journey. The scholarships are providing after their names.
In this season, the top 10 students were selected for scholarship. Among them four (4) students got 100% scholarship, Four (4) got 75% and 50% scholarship was given to two (2) students.

“Are You the Next Startup?”- Season 03

To the continuation of the success of the project, we are going to start “Are You the Next Startup?” for the 3rd time from September, 2017. We are officially announcing of this journey from this conference.

Dear Journalists, We hope that “Are You the Next Startup?”- Season 03 will left the previous two successes behind. Hopefully, we will find top 20 new young confident entrepreneurs this time. The top 20 students will be given full free scholarship.

Selection Process:

Open online Application                             : 10 August 2017
Close on-line Application                            : 31 August 2017
Online pre-selection round (open)            : 6 September 2017
Online pre-selection round (close)            : 7September 2017
Disclose selected participants’ Names      : 9 September 2017
Inform selected participants                       : 10-11 September 2017
Ice breaking session                                      : 16 September 2017
Qualifier & Boot camp                                  :  17-19 September 2017
Finalists Selection Round                             : 20 September 2017
Offering Scholarship and Admission          : 23-25 September 2017
Class/ Activities start                                    : 16 September 2017

Registration link: http://next-startup.net/

4
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-৪৫) আগ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে এমন ধারণাই বদ্ধমূল ছিল যে, মেধাবীরা মূলত যুক্ত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা এবং নানা বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও উদ্ভাবনামূলক কাজের সঙ্গে। রাষ্ট্রকাঠামোর ধরন ও অর্থনীতির বিকাশের স্তর বিবেচনায় ওই সময়ের প্রেক্ষাপটে ধারণাটি একেবারে অমূলক ছিল না। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পৃথিবীতে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণমূলক চরিত্র বদলে গিয়ে ক্রমে তা জনপ্রয়োজন ও জনদাবির অনুগামী হয়ে উঠতে বাধ্য হলে এবং একই ধারাবাহিকতায় অর্থনীতির বিকাশে ব্যক্তিখাতের ভূমিকা বৃদ্ধি পেতে থাকলে সমাজে মেধাবী মানুষের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রটিও ধীরে ধীরে পাল্টে যেতে থাকে। দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক যে নতুন চিন্তা ও জ্ঞান সৃষ্টি করছেন বা গবেষক যে নতুন আবিষ্কার বা উদ্ভাবনার জন্ম দিচ্ছেন, সেসবের প্রায়োগিক দিকটি নিশ্চিতে আরেক দল মেধাবী মানুষকে এগিয়ে আসতে হচ্ছে। রাষ্ট্র ও অর্থনীতির বিকাশমান প্রক্রিয়ায় সর্বশেষ পর্যায়ে যুক্ত শেষোক্ত ওই মেধাবী গোষ্ঠীটিই হচ্ছে একুশ শতকের উদ্যোক্তা শ্রেণী, যাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির আইসিটি খাতের উদ্যোক্তারা যেমন রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন বাংলাদেশের ভৈরবের পাদুকা কারখানার খুদে উদ্যোক্তারাও।

এখন কথা হচ্ছে, এ উদ্যোক্তারা কীভাবে গড়ে উঠবেন? এরা কি কেবল আপন সামর্থ্যের ওপর ভর করেই এগোবেন, নাকি রাষ্ট্র ও সমাজও এদের সাহায্য করবে? এক্ষেত্রে সরল জবাব হচ্ছে— নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও উদ্ভাবনার জন্য রাষ্ট্র ও সমাজ একজন শিক্ষক বা গবেষককে যেমন সহায়তা করে, তেমনি সহায়তা একজন উদ্যোক্তারও প্রাপ্য। তবে সৃজনশীল শিক্ষক বা গবেষক যেমন ওই সহায়তার জন্য বসে থাকেন না, তেমনি সহায়তার অপেক্ষায় বসে থাকেন না একজন উদ্যোক্তাও। তবে শিক্ষক বা গবেষক সহায়তার অপেক্ষায় বসে থাকলে রাষ্ট্র বা সমাজের ক্ষতি হলেও আপাতভাবে তার নিজের কোনো ক্ষতি নেই। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে উদ্যোক্তার জন্য ক্ষতির বিষয়টি অনিবার্য। আর সে কারণেই উদ্যোক্তার ঝুঁকির পরিমাণ আর সবার চেয়ে খানিকটা বেশিই শুধু নয়, কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা অপূরণীয়ও।

এ অবস্থায় একজন উদ্যোক্তা কীভাবে যাত্রা শুরু করবেন, কীভাবে এগোবেন, কীভাবে ঝুঁকি মোকাবেলা করে টিকে থাকবেন এবং সর্বোপরি কীভাবে নিজের সে উদ্যোগ দ্বারা আপন স্বার্থকে অতিক্রম করে গিয়ে রাষ্ট্র, সমাজ তথা সাধারণ মানুষের স্বার্থকে সমুন্নত করে তুলতে পারবেন, সেসব বিষয়ে এরই মধ্যে শিক্ষায়তনিক চিন্তা-ভাবনা শুরু হয়েছে, যার আনুষ্ঠানিক নাম হচ্ছে ‘উদ্যোক্তাবৃত্তি’। তবে উদ্যোক্তাবৃত্তির বিষয়টি যতটা শিক্ষায়তনিক, তার চেয়ে অনেক বেশি বাস্তব অভিজ্ঞতানির্ভর। আর উদ্যোক্তার বিষয়ে সেই বাস্তব অভিজ্ঞতানির্ভর ধারণাগুলোকেই সম্প্রতি তুলে ধরেছেন মো. সবুর খান তার অ্যা জার্নি টুয়ার্ডস অন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ গ্রন্থে। গ্রন্থটি একদিকে যেমন বাস্তব অভিজ্ঞতার অনুলিখন, অন্যদিকে তেমনি নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আগ্রহীদের জন্য এক ধরনের পাঠনির্দেশিকাও।

উদ্যোক্তাবৃত্তিকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে স্বতন্ত্র বিষয় হিসেবে পঠন-পাঠনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে খুবই সাম্প্রতিক। এটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে তো নেই-ই, কোনো কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও সবে চালু হয়েছে পূর্ণাঙ্গ স্নাতক কর্মসূচির আওতাধীন একটি কোর্স হিসেবে মাত্র। জানামতে, উদ্যোক্তাবৃত্তির ওপর এখন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ স্নাতক কর্মসূচি চালু করেছে একটি মাত্র বিশ্ববিদ্যালয়। আর এক্ষেত্রে গবেষণা ও শিক্ষায়তনিক চর্চার স্বল্পতার কারণে খুব স্বাভাবিকভাবেই বই-পুস্তক ও অন্যান্য প্রকাশনার সংখ্যাও খুবই সীমিত। এরূপ পরিস্থিতিতে সবুর খান অ্যা জার্নি টুয়ার্ডস অন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ লিখে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উদ্যোক্তাবৃত্তি-সংক্রান্ত শিক্ষায়তনিক চাহিদার প্রায় শূন্য জায়গাটিতে আলোকপাত করে একটি অনেক বড় দায়িত্বই পালন করলেন বৈকি!
উদ্যোক্তাবৃত্তির মতো পেশাগত বিষয়ে তাত্ত্বিকরা যখন গ্রন্থ লেখেন, তখন তারা তাদের উপস্থাপিত বক্তব্যকে গ্রহণযোগ্যতা দানের জন্য নানা প্রামাণ্য গ্রন্থের উদ্ধৃতি ও উদাহরণে সেটিকে আকীর্ণ করে তোলেন। কিন্তু এ গ্রন্থে লেখককে সে উদ্ধৃতি ও উদাহরণের একেবারেই আশ্রয় নিতে হয়নি। কারণ এতে উপস্থাপিত সব বক্তব্য তার নিজের অভিজ্ঞতারই প্রত্যক্ষ বিবরণ। ফলে উদ্যোক্তাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে কিংবা এ বিষয়ে সাধারণভাবে জানতে আগ্রহী যেকোনো পাঠকের জন্যই এটি হবে একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ। এটি পড়ে উদ্যোক্তাবৃত্তির ইতিহাস যেমন জানা যাবে, তেমনি চিন্তা করা সম্ভব হবে ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হতে চাইলে তার জন্য কী কী করণীয়। আর বিদ্যমান উদ্যোক্তারা নিজ নিজ শিল্প বা ব্যবসাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে লেখকের অভিজ্ঞতার সঙ্গে নিজেদের অভিজ্ঞতাকে মিলিয়ে দেখতে পারেন এবং অনুমান করি, সেরূপ অনেকেই এ গ্রন্থ থেকে নিজেদের ব্যবসায়ের জন্য নানা ধরনের সূত্র, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা খুঁজে পাবেন।

নতুন প্রজন্মের শিক্ষিত তরুণদের অনেকেই এখন চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরা চাকরিদাতা হতে চান; অর্থাত্ নিজেদেরকে তারা উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আগ্রহী। কিন্তু এক্ষেত্রে কীভাবে একটি নতুন শিল্প বা ব্যবসা শুরু করা যাবে, কোথায় বিনিয়োগ করলে তা নিরাপদ ও লাভজনক হবে, বিনিয়োগ করতে হলে তার জন্য কী কী বিষয় আবশ্যিকভাবে প্রতিপালনীয়, কীভাবে-কোত্থেকে পুঁজির সংস্থান হবে, কোথায়-কীভাবে বাজার অনুসন্ধান করতে হবে, সে বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে কী করতে হবে ইত্যাদি বিষয় তাদের অনেকের কাছেই স্পষ্ট নয়। অ্যা জার্নি টুয়ার্ডস অন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ গ্রন্থটি উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী এরূপ শিক্ষিত তরুণদের জন্য একটি বাস্তবভিত্তিক নির্দেশনা হিসেবে কাজে আসবে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের উদ্যোক্তা উন্নয়নসংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যও এটি একটি মূল্যবান রেফারেন্স গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

একটি নতুন শিল্প বা ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে একজন উদ্যোক্তার জন্য পুঁজিই মূল সম্পদ নয়। তার আসল সম্পদ হচ্ছে, নেতৃত্বসুলভ গুণাবলি, উচ্চতর স্বপ্নের প্রতি আকাঙ্ক্ষা, সময়কে সর্বোত্তমভাবে ব্যবহারের সামর্থ্য, সমস্যার মুখে বিচলিত না হয়ে তা ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবেলার মানসিকতা, অন্যের কাছ থেকে শেখার মনোবৃত্তি ইত্যাদি। আর এ সব বিষয়ই জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে আলোচ্য পুস্তকে লেখক অত্যন্ত সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় সাবলীল ভঙ্গিতে তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির ক্ষেত্রে এ গ্রন্থ থেকে শুধু সম্ভাব্য তরুণরা নয়, উদ্যোক্তা উন্নয়নের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি ও বেসরকারি খাতের বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা এবং ব্যাংক ও আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোও ব্যাপকভাবে উপকৃত হতে পারবে বলে আশা করা যায়। আর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের যে প্রশিক্ষকরা বিভিন্ন তাত্ত্বিক গ্রন্থ বা ইন্টারনেটে পাওয়া টেক্সটের সাহায্য নিয়ে এত দিন পর্যন্ত উদ্যোক্তা উন্নয়নের কলাকৌশল বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণার্থীদের ধারণাকে স্পষ্ট ও সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন, উল্লিখিত এ বইটিকে তারা হাতের কাছের তৈরি রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন।

লেখক বইটিতে উল্লেখ করেছেন যে, বিশ্বে যিনি সফল হন বা যিনি তা হন না, তাদের উভয়ের জন্যই দিনের পরিধি ২৪ ঘণ্টা। এ ২৪ ঘণ্টা সময়কে যিনি যত সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করতে পারবেন, তিনিই হবেন সবচেয়ে সফল উদ্যোক্তা। বিষয়টি অবশ্য শুধু উদ্যোক্তাবৃত্তির ক্ষেত্রেই নয়, জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। আর সেজন্যই আলোচ্য গ্রন্থটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন-সংক্রান্ত হলেও জীবনের অন্য নানা ক্ষেত্রেও এতে উল্লিখিত অভিজ্ঞতাভিত্তিক ধারণাগুলোকে নানাভাবে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। আর সে ধারণাগুলোকেও তিনি এমন হাতে-কলমে ব্যবহারের উপযোগী করে উপস্থাপন করেছেন যে, যেকোনো ব্যবহারকারীর জন্যই তা হবে অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যময়। উদাহরণস্বরূপ, আগ্রহী উদ্যোক্তাদের জন্য গ্রন্থের পরিশিষ্ট অংশে তিনি ইন্টারনেটের ১৬টি ব্যবসায়িক লিংক, ৩২টি উদ্বুদ্ধকরণ লিংক ও ৩৬টি অনুপ্রেরণামূলক চলচ্চিত্রের উল্লেখ করেছেন। এ লিংক ও চলচ্চিত্রগুলো শুধু উদ্যোক্তাদের জন্য নয়, অন্যান্য সাধারণ পাঠকের জন্যও আগ্রহ ও অনুসরণের বিশেষ উপকরণ হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (জিইডিআই) কর্তৃক প্রকাশিত ‘বৈশ্বিক উদ্যোক্তা সূচক ২০১৬’ প্রতিবেদনে বিশ্বের ১৩২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চিহ্নিত হয়েছে ১২৫তম স্থানে। তো, যে দেশের শিক্ষিত তরুণদের একটি বড় অংশই এখন চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী, সে দেশ উদ্যোক্তা উন্নয়নের ক্ষেত্রে এতটা পিছিয়ে থাকবে— এটি কিছুতেই কাম্য হতে পারে না। তবে এজন্য দায়ী বিভিন্ন কারণের মধ্যে একটি বড় কারণ বোধহয় এই যে, কৃষি থেকে সবে শিল্প ও ব্যবসায় রূপান্তরমান এ দেশে তরুণরা উদ্যোক্তাবৃত্তির কাজটি কীভাবে শুরু করবেন, সে বিষয়ে তাদের সামনে সুনির্দিষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা নেই। ধারণা করি, মো. সবুর খানের গ্রন্থটি উদ্যোক্তা উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিরাজমান সে শূন্যতা পূরণে অনেকখানিই সহায়ক হবে। আর নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য দিকনির্দেশনামূলক এ গ্রন্থে লেখক যে অত্যন্ত আস্থার সঙ্গেই উল্লেখ করেছেন, উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হতে হলে প্রতিটি সমস্যাকেই একেকটি সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে, বস্তুত সেটাই হতে পারে উদ্যোক্তা উন্নয়নের পথে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার মূলমন্ত্র।


লেখক: পরিচালক, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিডিসি); প্রকল্প পরিচালক, ইনোভেশন অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার (আইআইসি)
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি




Source: http://bonikbarta.net/bangla/news/2017-06-10/120358/%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF:-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97--/

5


A businessman walks on the defined path, but an entrepreneur believes in making his own path, which becomes a guideline for other businessmen. Most of the people have a misconception that the terms businessman and entrepreneur, carry the same meaning, due to which they use them interchangeably.

A businessman is a person who runs the business, undertaking an unoriginal business idea.  On the contrary, an entrepreneur is someone who first initiates a product or business idea and thus the leader of that in the market.

In the long run, an entrepreneur becomes a businessman, but there is a difference. Even the terms will sound same for a layman, but there is a fine line amidst the two, in the sense that an entrepreneur is always a market leader whereas a businessman is a market player. In this article, we will help you learn the difference between businessman and entrepreneur.




Read more: http://keydifferences.com/difference-between-businessman-and-entrepreneur.html#ixzz4jIHi78St

6
<a href="http://www.youtube.com/watch?v=FDnY0_eAwWc" target="_blank">http://www.youtube.com/watch?v=FDnY0_eAwWc</a>

7
You’ve read the book; you’ve got your idea. It’s important to build your life around good habits. Developing good habits is pretty difficult in the beginning. But with the spending of time, the work which seems to us difficult becomes easy. When we try to daily routine work definitely achieves great success as well.

You’ll never know how many good ideas you have until you start writing them all down. Carrying a notebook and writing down your ideas. To read over your notes and then transfer your best thoughts to the computer and work them out as needed. As an entrepreneur, you’re going to be organizing people. You’ll have the freedom to pick your own team. Talk to the laziest person in your group what they’re good at. I promise you they’ll be glad to contribute. Charity is good. It’s good for the community, most importantly connects you with other good people.

If you can do something that takes about few minutes every day, then you can do more important stuff every day too. Making your bed seems like a useless chore/task, but it’s more about respecting what’s yours and the space that you live in. If you can manage that, I’m sure you can manage something much, much more awesome.

Source: http://blog.sujon.info/

8


কাষ্টমারের অসন্তোষ আপনাকে শেখাবে কি ভাবে আপনার পণ্যকে ডেভেলপ করতে পারবেন, যদি আপনি কাষ্টমারের অভিযোগ সঠিক ভাবে হেন্ডেল করতে পারেন। উদ্যোক্তা হিসেবে অভিযোগকে গিফ্ট সরূপ নিতে হবে।

যখন অাপনার কাষ্টমার অসন্তোষ্ট হবে তখন সে দুটি কাজ করতে পারে: (১) সরাসরি আপনার পণ্য ত্যাগ করবে (২) আপনার সাথে কথা বলবে– আর তখনি আপনাকে সুযোগটা নিতে হবে, কোথায় আপনার পণ্যের ভুল আছে । অন্যথায় একটি অভিযোগ আপনার কম্পানির নেগেটিভ মাকেটিং হতে পাবে।

প্রায় সব সময়ই দেখা যায়, এই অভিযোগ গুলো যথাযথ ভাবে মাথায় রেখে পণ্যের মান বুদ্ধি করলে, কাষ্টমার রিলেশনশিপ আরো মজবুত হয়। এ ক্ষেত্রে আপনি সুযোগ পাবেন কতটা আন্তরিক আপনি কাষ্টমারদের প্রতি যেটা তারা ( কাষ্টমার) আশা করে।

অভিযোগটি বেষ্ট ফিডব্যাক হিসেবে কাজ করবে, কিভাবে আপনার পণ্যেকে ইমপ্রুভ করতে পারবেন এবং কি ভাবে ভালো সার্ভিস দেয়া যায়।


Source: http://blog.sujon.info/

9
এস এম মুকুল, বিশেষ প্রতিবেদক, জনতার নিউজ২৪ ডটকম: মেধার লালন ছাড়া মেধার বিকাশ সম্ভব নয়।  কেননা মানুষের সৃষ্টির সবকিছুর মূলে রয়েছে মেধা। মেধাসম্পদ বা ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি বলার কারণ হলো, অন্য সম্পদের মতো মেধাসম্পদেরও মালিকানা আছে। একে বিক্রয়, হস্তান্তর ও দান করা যায়। বর্তমানে আন্তর্জাতিকভাবে মেধাসম্পদ হিসেবে স্বীকৃত বিষয়গুলো দুই ধরনের_ ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোপার্টি ও কপিরাইট। ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোপার্টির অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো সাধারণত আবিষ্কারের প্যাটেন্ট, ট্রেডমার্কস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য। আর কপিরাইটে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো প্রধানত সাহিত্যকর্ম। যেমন উপন্যাস, কবিতা, নাটক বা অন্য কোনো লিখিত বই। এ ছাড়া চলচ্চিত্র, গানও এর অন্তর্ভুক্ত। একই সঙ্গে শৈল্পিক কোনো কাজ, যেমন_ অঙ্কন, চিত্রকলা, ছবি, স্থাপত্য নকশাও রয়েছে। বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা চলচ্চিত্রকে হাইলাইট করে এ বছরের থিম করেছে :মুভিজ- অ্যা গ্লোবাল প্যাশন।

মেধা লালনের মাধ্যমেও দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব। পৃথিবীর সীমিত সম্পদ হলেও মেধাসম্পদের সম্ভাবনা ও প্রয়োগ ক্ষেত্র অসীম। এজন্য নতুন প্রজন্ম তথা তরুণদের মধ্যে সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী কাজের স্পৃহা জাগিয়ে তোলা এবং মেধাসম্পদ লালন ও চর্চার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।  অামাদের বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনসম্পদে পরিণত করতে হলে মেধার সঠিক লালন করতে হবে।

২৬ এপ্রিল ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন-এর অনুপ্রেরণায় বিশ্বের ১৯৪টি দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস উদযাপিত হয়। কোনো জাতি সাহিত্য, দর্শন ও শিল্পকর্মে যতটা উন্নত, জ্ঞান ও প্রযুক্তিতেও ততটাই সমৃদ্ধ হয়ে থাকে। শিল্পোন্নত বিশ্বের উন্নয়নের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, শিল্পের বিকাশ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে মেধাসম্পদ সৃজন, আত্মীকরণ, সংরক্ষণ, লালন ও তার যথাযথ ব্যবহারে ভূমিকা রয়েছে।

বাংলাদেশে সব ক্ষেত্রে মেধার সংকট লক্ষণীয়। অথচ আমরা মেধাহীন জাতি নই। মূল সমস্যা মেধা বিকাশে সুযোগের অভাব। বিগত কয়েক বছরে দেশের শিক্ষার হারের অভাবনীয় বৃদ্ধি ঘটেছে। কিন্তু শিক্ষার সেই হারের সঙ্গে মেধার বিকাশ, সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটেনি।
আমাদের দেশে এ মেধাসম্পদের গুরুত্ব তেমন চোখে পড়ার মতো নয়। আমরা শুধু বইয়ের কপিরাইট নিবন্ধনের কথাই শুনি। যদিও সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর। আর সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে কপিরাইট অফিস। রয়েছে প্রতিটির জন্য আলাদা আইন। এসব আইন কতটা কার্যকর, তা দেখা দরকার। অথচ অন্যরা কিন্তু এগুলোতে অনেক এগিয়ে। বিশেষ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্যাটেন্ট নিবন্ধনের কাজটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়। আমাদের দেশে সেটা ম্যানুয়ালি হলেও সম্প্রতি তা স্বয়ংক্রিয় করা হয়েছে। এতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোপার্টির অন্তর্গত বিষয়গুলো সহজে নিবন্ধন করা যাবে। এই প্যাটেন্ট নিবন্ধন জরুরি।

দেশে ১০টি শিক্ষা বোর্ড থেকে বছরে গড়ে ১৪ লাখ শিক্ষার্থী  অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। মাত্র ৭০-৮০ হাজার শিক্ষার্থী নিজেদের মেধা, অভিভাবকের অর্থনৈতিক প্রতিপত্তির জোরে দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়। বছরে ১২-১৩ লাখ তরুণ থাকে দিকনির্দেশনাহীন। তাদের মেধা বিকাশের ব্যর্থতায় আমাদের সমাজে প্রায় প্রতিটি স্তরে তরুণদের জীবনে হতাশা, রাগ, ক্ষোভ, অসন্তোষ, অবিশ্বাস ও অস্থিরতার মতো নেতিবাচক আবেগ-অনুভূতির সৃষ্টি হচ্ছে। সামাজিক অস্থিরতা হতাশা দূর করে কর্মসংস্থানভিত্তিক ডিপ্লোমা শিক্ষা চালুর পদক্ষেপ হোক বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবসের অঙ্গীকার।

উন্নত দেশগুলো অভিবাসীদের জন্য অভিবাসন নিয়ম সহজ করে মেধাবীদের বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে। জার্মানি দক্ষ জনশক্তির জন্য ভিসার নিয়ম সহজ করে দিচ্ছে। ফ্রান্সে পড়তে যাওয়া ছাত্রদের কাজের সময় ৭ থেকে ২০ শতাংশ বাড়িয়েছে। মেধাবী ছাত্রদের জন্য অনেক বিষয় সম্পূর্ণ ইংরেজিতে করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ব্রিটেন মেধাবী অভিবাসীদের জন্য কাজের অনুমতি তথা ওয়ার্ক পারমিট দিচ্ছে। কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া দীর্ঘদিন চিন্তাভাবনা করে এমন একটি নম্বর পদ্ধতি বের করেছে যাতে শুধু দক্ষ ও মেধাবী জনশক্তিই অভিবাসী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, যেটির প্রথম ধাপ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা থেকে শুরু করে পরবর্তী কাজের সুযোগ এবং পরিশেষে স্থায়ী অভিবাসনের সুযোগ দিচ্ছে। বাইরের মেধাবী জনশক্তি আনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে উচ্চাকাক্সক্ষী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সিঙ্গাপুর।
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা বিশেষ করে উচ্চশিক্ষাব্যবস্থা মেধাবী জনশক্তি খুঁজে বের করার জন্য উপযুক্ত নয়।  আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পারছে না কোনো মেধাবীকে বাইরে থেকে দেশে নিয়ে আসতে। ফলে শুধু ‘বেন-ড্রেন’ হচ্ছে, যা একমুখী। শুধু রফতানি কিন্তু কোনো আমদানি নেই। ফলে আমদানি-রফতানি ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে।

বাংলাদেশ একটি স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে এর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মেধাসম্পদ আহরণ, লালন ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা অবশ্যই দরকার। দেশপ্রেমী রাজনীতি ও মেধার দক্ষতা আর সততার সংযোগ না হলে একটি দেশের উন্নয়ন গতিধারা এগিয়ে  নেয়া সম্ভব না।

আমাদের মেধাসম্পদ আমাদেরই রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। মেধার মূল্যায়ন, মেধাবী মানুষের মূল্যায়নের মাধ্যমে আমরা আরও এগিয়ে যেতে চাই। আমাদের মধ্যে প্রতিভাবান মানুষের অভাব নেই। অনেককে হয়তো আমরা আবিষ্কার করতে পারছি না। যাদের আমরা পাচ্ছি তাদের হয়তো প্রত্যেককে সেভাবে সৃজনশীল কর্মে উৎসাহিত করতে পারছি না। আবার অনেকের সৃষ্টিকর্মেরও তেমন গুরুত্ব দিচ্ছি না। কিংবা গুরুত্ব দিলেও তার যথাযথ মর্যাদা দিচ্ছি না। এদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

10


1. Have a plan.

For every event you attend, make a commitment to yourself to connect with a specific number of people. Three to five people is realistic. Make sure the contacts are “new” and not people you’ve met before. This will help get you out of your “comfort zone” and you won’t spend your entire evening chatting up old friends.

2. Dress the part.

Fifty-five percent of a good impression is based on how you look. If you want to be perceived as a professional you need to dress like one. Make sure your clothes are neat, fit well and appropriate to the time of day and event.

3. Be professional.

Advertisement

Remember to say hello and pronounce your name clearly and distinctly. Make sure your business cards are clean and not tattered. Shake hands firmly and make good eye contact with everyone you meet. Say the person’s name when you say goodbye and tell the person how much you enjoyed meeting them and hope to see them again.

4. Make the ask.

Don’t rely on other people to remember and reach out to you. It’s your job to ask people for their business card and to maintain contact.

5. Stay in touch.

The biggest mistake people make in networking is not keeping in touch with the contacts they make. Find reasons to reach out and connect.

Perhaps send a link to an interesting news story related to the individual’s industry. Or, if you’ve identified a common interest such as a love of modern art or music, let them know about an opening or event.

It’s not necessary to make plans to meet at the event. Just reaching out is enough to help strengthen your connection and forge their sense of who you are.

6. Be visible.

Take a leadership role in your community and industry organization to build visibility. Join the Chamber of Commerce or, if possible, a more industry-specific organization such as the local chapter of the Public Relations Society of America.

Offer to speak at events and offer advice as an “industry expert.” This will position you as a trusted resource and someone to turn to for answers.

While networking generally begins with a quick introduction, the actual benefits can take longer to cultivate. It’s all about give-and-take and it may take a year or two but if you are diligent, eventually the phone will ring and there’s no telling what kind of opportunity will be on the line.

11
I have come to realize that, for me at least, the quest for 'authenticity' is really a new spin on an age-old quest to find meaning and do the right thing. It's a journey not a destination; a process not an answer.
– Hugh Mason
Some time ago, I heard a young woman say, "I am enough." I was struck and intrigued by the expression, and so I set out to research it. It originated with Carl Rogers, the psychotherapist, who was asked how he did what he did so successfully. His response was, "Before a session with a client, I let myself know that 'I am enough.' Not perfect – because perfect wouldn't be enough. But I am human, and there is nothing that this client can say or do or feel that I cannot feel in myself. I can be with them. I am enough."

This echoes the serenity of mind, the calm spirit that characterizes a 'Mensch' – in other words, a person of integrity, a quality that is defined in the dictionary as 'a state of being complete or undivided.' Leaders such as these are the epitome of authenticity. They come from the standpoint of being enough, of seeing themselves as complete human beings, providing a unique contribution to the world by giving their own brand of wisdom, ingenuity, perceptiveness, fairness, and fierce loyalty to their organizations, and to those they lead.

Authentic leaders are also promise-keepers. This applies to even the smallest of promises. Years ago, I met the CEO of a Fortune 500 organization. I noticed something about him. He carried with him a small, black notebook into which he noted down any promise he made. No matter how junior the person was to whom he spoke, he made the same effort to note down his promises to that person, so that he could follow through. We can rely on the word of such a person.

Transparent communication is a by-product of authentic leaders' lucid thinking and uncompromising ethic. Such leaders say a great deal with a few words, and there is no communication gap between their internal vision of the world and its outward expression. There is directness in their language. This transparency in communication is the holy grail of leadership, especially today – with a reported four million blogs in the blogosphere – where a lack of transparency can be particularly detrimental to an organization.

Conformity smoothes our day's journey at work. Blind conformity, however, has its downsides. It saps creativity, for one. It removes all sense of individuality. If you are a leader who demands conformity, I encourage you to think how this might erode your constituents' authenticity as they are pressured to conform. I once worked for a leader in a technology company, who adopted, as part of the company values, the notion of 'intelligent disobedience.' The concept comes from Seeing Eye dogs. While dogs must learn to obey the commands of the blind person, they must also know when they need to disobey commands that can put the owner in harm's way, such as when a car is approaching. Intelligent disobedience is not about being difficult and disobeying for disobedience sake. Rather, it is about being given the authority to use your judgment – for example, when a decision no longer applies, or when a rule interferes with the wellbeing of the customer.

https://www.mindtools.com/pages/article/newLDR_53.htm

12
Entrepreneurship Development / Humility
« on: April 13, 2017, 06:54:13 AM »
Many years ago, one of my university professors mentioned that "windowsill" was voted the most beautiful word in the English language. Being an armchair linguist, this factoid naturally stayed with me.

Words have enormous power. They can make us erupt into laughter or bring tears to our eyes. They can influence, inspire, manipulate and shock. They can build and destroy.

Some words have different effects on different people. One such word is humility. It is one of those words that are seldom in neutral gear. Some, like me, love the word and all it stands for. Some almost fear it and interpret it synonymously with lack of self-confidence or timidity.

The dictionary defines humility as modesty, lacking pretence, not believing that you are superior to others. An ancillary definition includes: "Having a lowly opinion of oneself, meekness". The word "humility" first struck me in the context of leadership when Jim Collins mentioned it in his seminal work Good to Great: Why Some Companies Make the Leap... and Others Don't. In this book, Collins examined companies that went from good to great by sustaining 15-year cumulative stock returns at or below the general stock market, and after a transition point, cumulative returns at least three times the market over the next 15 years.

Among the many characteristics that distinguished these companies from others is that they all had a Level 5 leader Add to My Personal Learning Plan. Level 5 leaders direct their ego away from themselves to the larger goal of leading their company to greatness. These leaders are a complex, paradoxical mix of intense professional will and extreme personal humility. They will create superb results but shun public adulation, and are never boastful. They are described as modest. An example of such a leader who epitomized humility is David Packard, the co-founder of Hewlett-Packard, who, in Jim Collins' words, defined himself as a HP man first and a CEO second. He was a man of the people, practicing management by walking around. Shunning all manner of publicity, Packard is quoted as saying: "You shouldn't gloat about anything you've done; you ought to keep going and find something better to do."

Another great leader is Patrick Daniel, CEO of North American energy and pipeline company Enbridge, who espouses two leadership attributes: determination to create results and humility, shifting the focus away from himself and continually recognizing the contributions of others. "I have learned through the lives of great leaders," he said, "that greatness comes from humility and being at times, self-effacing."

https://www.mindtools.com/pages/article/newLDR_69.htm

13
Entrepreneurship Development / What's Empathy Got to Do With It ?
« on: April 13, 2017, 06:53:30 AM »
A few weeks ago, I came across a bumper sticker that said: "I am not good at empathy. Will you settle for sarcasm?" The humor in the bumper sticker led me to think of the slight unease or self-conscious discomfort that many people feel when a term such as "empathy" is introduced in a business environment. Notions of "touchy-feely," spring to mind.

While empathy is a right brain activity, it is far from being a touchy-feely topic. At its core, empathy is the oil that keeps relationships running smoothly. The fact that empathy is an important component of effective relationships has been proven: In studies by Dr Antonio Damasio (outlined in his book: "Descartes' Error: Emotion, Reason, and the Human Brain"), medical patients who had damage to part of the brain associated with empathy showed significant deficits in relationship skills, even though their reasoning and learning abilities remained intact.

Indeed, empathy is valued currency. It allows us to create bonds of trust, it gives us insights into what others may be feeling or thinking; it helps us understand how or why others are reacting to situations, it sharpens our...

https://www.mindtools.com/pages/article/newLDR_75.htm

14
Entrepreneurship Development / Optimism
« on: April 13, 2017, 06:51:59 AM »
Among the topics that young people study before they enter the workforce is calculus, the mathematics of change and motion. While training in calculus is undoubtedly valuable, I believe that training in optimism is also important.

Just as it is good discipline to solve problems like the velocity of a car at a certain moment in time, it is also crucial to figure out what drives people to give us the very best that they have to offer. Ironically, Leibniz, one of the inventors of calculus, is also known for his philosophy of optimism. He was considered to be an inveterate optimist, asserting that we live "in the best of all possible worlds". Optimism is an emotional competence that can help boost productivity, enhance employee morale, overcome conflict and have a positive impact on the bottom line.

In writing about optimism, you face the danger of being seen as advocating a "Pollyanna" or quixotic approach. The truth is, however, optimism has been proven to be a powerful tool that will pay dividends for your personal life and give you a competitive advantage professionally in your career. There is a lot to be gained, indeed, in cultivating an optimistic outlook.

Take leadership, for example. Nowhere is optimism more important than in leading organizations. Highly effective leaders have a transforming effect on their constituents: they have the gift of being able to convince others that they have the ability to achieve levels of performance beyond those they thought possible. They are able to paint an optimistic and attainable view of the future for their followers: They move others from being stuck with "how things are done around here" and help them see "how things could be done better".

In The Leadership Advantage, an essay from the Drucker Foundation's Leader to Leader Guide, Warren Bennis tells us that optimism is one of the key things people need from their leaders in order to achieve positive results. Every "exemplary leader that I have met," writes Bennis, "has what seems to be an unwarranted degree of optimism – and that helps generate the energy and commitment necessary to achieve results."

https://www.mindtools.com/pages/article/newLDR_72.htm

15
Entrepreneurship Development / The Agile Leader: Adaptability
« on: April 13, 2017, 06:50:45 AM »
There is a well-known Chinese proverb that says that the wise adapt themselves to circumstances, as water molds itself to the pitcher. Perhaps at no other time in recent history has adaptability been more important than it is now. Adaptability – the ability to change (or be changed) to fit new circumstances – is a crucial skill for leaders, and an important competency in emotional intelligence.

A 2008 study conducted by the Economist Intelligence Unit, entitled Growing Global Executive Talent, showed that the top three leadership qualities that will be important over the years ahead include: the ability to motivate staff (35 percent); the ability to work well across cultures (34 percent); and the ability to facilitate change (32 percent). The least important were technical expertise (11 percent) and "bringing in the numbers" (10 percent).

As a leader, it is therefore crucial to make a concerted effort to understand people of different cultures, and cultural adaptability has become a leadership imperative. As an example, a leader I am currently working with has 22 different cultures represented in his team!

An example of a leader who epitomizes this prized quality is Robert McDonald, chief operating officer of the Procter & Gamble Company, who has spent much of the past two decades in various overseas postings. In a recent interview, he said:...

https://www.mindtools.com/pages/article/newLDR_49.htm

Pages: [1] 2 3 ... 87