Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Anuz

Pages: [1] 2 3 ... 37
1
পুরুষেরা তাদের সব কিছুই নিয়ে বেশি উদাসীন থাকেন। দেহের যেকোনো সমস্যাকে সাধারণ সমস্যা মনে করে পাত্তাই দিতে চান না। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, এই সাধারণ সমস্যাগুলোই একদিন হয়ে যেতে পারে, মরণ ব্যধি ক্যান্সার।
আবার অনেক সমস্য ক্যান্সার শরীরে বাসা বাঁধার পরে যখন মারাত্মক আকার ধারণ করে তখন ছোট ছোট উপসর্গ দিয়ে সেটা জানান দেয়। তাই দেহের কোনো অর্থাৎ যেকোনো পরিবর্তনকে অবহেলা করলে চলবে না। আসুন তাহলে আজ জেনে নিন, আপনিও কি আছেন এমন ঝুঁকিতে।

যৌনাঙ্গে পরিবর্তন:
নারীদের যেমন নিজেদের স্তনে পরিবর্তন দেখা গেলে স্তন ক্যান্সারের জন্য টেস্ট করাতে হয়, তেমনি পুরুষেরও যৌনাঙ্গ বিশেষ করে অন্ডকোষে কোনোরকম পরিবর্তন দেখা গেলে অতিসত্বর ডাক্তারকে জানাতে হবে। অণ্ডকোষের আকার আকৃতিতে পরিবর্তন, স্ফীতি, ওজনে ভারী হয়ে যাওয়া বা এতে কোনো পিন্ড স্রিস্তি হওয়া হতে পারে অণ্ডকোষের ক্যান্সারের লক্ষণ।

ত্বকে দৃশ্যমান পরিবর্তন: ত্বকের ক্যান্সারের দিকে বেশিরভাগ মানুষই লক্ষ্য করেন না। ত্বকে নতুন কোনো তিল, আঁচিল অথবা কালো দাগ ত্বকের ক্যান্সারের পুর্বাভাস দেয়। আপনি যদি দেখেন এগুলো আগের চাইতে আকারে বড় হচ্ছে বা ছড়িয়ে পরছে তবে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

মুত্রত্যাগে সমস্যা: অনেক দিন ধরে মুত্রত্যাগের সময়ে ব্যাথা, মুত্রের সাথে রক্ত যাওয়া, শুক্রাণুর সাথে রক্ত যাওয়া এগুলো হতে পারে প্রস্টেট ক্যান্সারের লক্ষণ।

মুখে ক্ষত অথবা ব্যাথা:
মুখে ব্যাথা হলে তা ঠিক করা ডেন্টিস্টের কাজ। কিন্তু আপনি যদি দেখেন এমন কোনো ক্ষত বা ব্যাথা যা দীর্ঘদিন ধরে আছে, সারছে না কোনোভাবেই, তাহলে আপনি ডাক্তারকে জানাবেন অবশ্যই। যারা ধূমপান করেন তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি নিঃসন্দেহেই বেশি।

মলের সাথে রক্ত:
মলের সাথে রক্ত গেলে তা পাইলস বা এ ধরণের রোগ হতে পারে তা সত্যি। কিন্তু এটা কোলোন ক্যান্সারেরও লক্ষণ হতে পারে। আগে এটা বয়স্ক মানুষের মাঝে বেশি দেখা যেত কিন্তু এখন তা কম বয়সীদের মাঝেও দেখা যায় তাই সাবধান থাকা জরুরি।

পেটে ব্যাথা অথবা বমি ভাব:
সাধারণ বদহজমের সমস্যা নিয়ে মাথা ঘামানোর মতো কিছুই নেই। কিন্তু ঘন ঘন পেট ব্যাথা, পেটের পেশিতে টান পড়া এবং সব সময় বমি বমি লাগাটা মোটেও স্বাভাবিক নয়। এটা হতে পারে লিউকেমিয়া অথবা ইসোফ্যাগাল, লিভার, প্যানক্রিয়াটিক অথবা কলোরেকটাল ক্যান্সারের লক্ষণ।

ঘন ঘন জ্বর বা ইনফেকশন: সাধারণত আপনার স্বাস্থ্য ভালোই। কিন্তু সম্প্রতি ঘন ঘন জ্বর হচ্ছে আপনার, ফ্লু-এর মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে, ইনফেকশন হচ্ছে সহজে। তবে তা হতে পারে লিউকেমিয়ার লক্ষণ। কারন এটি শরীরের রগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেঙে দেয়।

ঢোক গিলতে কষ্ট হওয়া: গলা খুসখুস করা এবং ঢোক গিলতে কষ্ট হওয়া একদিকে যেমন গলা এবং পাকস্থলীর ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে, তেমনি হতে পারে লাং ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ের উপসর্গ।

শরীরে কালশিটে পড়া: ছোটখাটো ব্যাথা পেলেই সহজে ত্বকে কালশিটে পড়ে যাওয়া, এমনকি কোনো কারণ ছাড়াই শরীরের এখানে ওখানে অযথাই কালশিটে পড়াটা হতে পারে লিউকেমিয়ার আরেকটি লক্ষণ।

অপ্রত্যাশিত ওজন কমা:
ওজন কমানোটাকে অনেকেই স্বাগত জানান। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই দ্রুত অনেকটা ওজন ঝরে জাওয়াটা মোটেই ভালো নয়। এটা বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।

অকারণ ক্লান্তি: ক্লান্তি সবার মাঝেই দেখা যায়। বিশেষ করে সপ্তাহের শেষের দিনটা তো সবারই কাটে ঘুমে ঘুমে। কিন্তু মাসখানেক ধরে প্রতিদিনই ক্লান্ত লাগছে, অথবা সহজেই হাঁফ ধরে যাচ্ছে, তবে ডাক্তার দেখাতেই হবে। এটা হতেপারে লিম্ফোমা বা লিউকেমিয়ার লক্ষণ।

প্রচণ্ড মাথাব্যাথা: মাইগ্রেনের সমস্যা বা তেমন মাথাব্যাথা সমস্যা নেই। কিন্তু হঠাৎ করেই প্রচণ্ড মাথাব্যাথায় ভুগছেন কিছুদিন ধরেই, তবে তা ব্রেইন টিউমারের লক্ষণ হতে পারে।

2
চা তো আমরা সবাই খাই। কেউ লাল চা, তো কেউ দুধ। কিন্তু হলুদের গুঁড়ো দিয়ে চা, ব্যাপারটা একটু অন্য রমক হয়ে গেল না। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নানা চায়ে অল্প হলুদ মেশালে অথবা গরম জলে হলুদ গুঁড়ো দিয়ে খেলে শরীরের ভিতর এমন পরিবর্তন হতে শুরু করে যে কোনও রোগই আক্রমণ করার সাহসই পায় না। নিয়মিত হলুদ মেশানো চা খেলে যে যে উপকারগুলি পাওয়া যায়, সেগুলো জেনে নিন-

১। ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুসারে হলুদে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ, শরীরে যাতে ক্যান্সার সেল জন্ম নিতে না পারে সেদিকে খেয়াল করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সার রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। এবার নিশ্চয় বুঝতে পরেছেন হলুদ চা খাওয়া কতটা প্রয়োজন।

২। স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে
হলুদে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানদের শরীরে থেকে বের করে দেয়। ফলে ব্রেন সেল ড্যামেজের আশঙ্কা কমে। অন্যদিকে কার্কিউমিন মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশের ক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে বুদ্ধির জোরও বাড়তে থাকে।

৩। হার্ট ভাল রাখে
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত হলুদ দিয়ে বানানো চা খেলে হার্টে রক্ত সরবরাহকারি আর্টারিদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার বা হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। স্ট্রোকের মতো মরণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমাতেও হলুদ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪। খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে হলুদে উপস্থিত কার্কিউমিন রক্তে জমতে থাকা এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে স্বাভাবিভাবেই হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। আসলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা যত কমতে শুরু করে, তত হার্টের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। সেই সঙ্গে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

৫। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
একাধিক পুষ্টিকর উপাদানে সমৃদ্ধ হলুদ দিয়ে বানানো চা খেলে শরীরের ভিতর বেশ কিছু পরিবর্তন হতে থাকে, যার প্রভাবে ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে রোগমুক্ত জীবন পাওয়ার স্বপ্ন একেবারে হাতের মুঠোয় চলে আসে।

কীভাবে বানাবেন হলুদ চা

১। এক/দুই কাপ পানি।
২। এক/দুই চা চামচ হলুদ গুঁড়ো।
৩। এক/দুই চামচ আদা গুঁড়ো।
৪। সামান্য দারুচিনি গুঁড়ো।
৫। স্বাদ বাড়াতে মধু।

3
দুধ ও আনারস একসঙ্গে খাবেন না। এ কথাটি আমরা সব সময় শুনে থাকি। দুধ-আনারস একসঙ্গে খেলে নাকি হতে পারে বিপত্তি। তবে কথাটি কি সত্যি। কী বিপত্তি হতে পারে, তা কি আপনার জানা আছে। আনারসে রয়েছে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম,পটাশিয়াম ও ফসফরাস। আর দুধকে আমরা সুষম খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করি। তবে আনারস আর দুধ একসঙ্গে খেলে মানুষ বিষক্রিয়া হয়ে মারা যায়-এ রকম একটি ধারণা প্রচলিত আছে। জানা আছে, দুধ-আনারস একসঙ্গে খেলে কি সমস্যা হয়? এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন, ঢামেক টেলিমেডিসিন বিভাগের কো-অর্ডিনেটর সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ যায়েদ হোসেন।

আসুন জেনে নেই দুধ আনারস একসঙ্গে খেলে কী হয়?

দুধ-আনারসে বিষক্রিয়া: আনারস ও দুধ একসঙ্গে খেলে বিষক্রিয়া হয়ে কেউ মারা যায় এই ধারণা ভুল। এগুলো একধরনের ফুড ট্যাবু বা খাদ্য কুসংস্কার। দুধ আর আনারস একসঙ্গে খেলে কেউ মারা যায় না। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।

বদ হজম, পেট ফাঁপা, পেট খারাপ: আনারস ও দুধ একসঙ্গে খেলে বিষক্রিয়া হয় না। আনারস একটি অ্যাসিডিক এবং টকজাতীয় ফল। দুধের মধ্যে যে কোনো টকজাতীয় জিনিস দিলে দুধ ছানা হয়ে যেতে পারে বা ফেটে যেতে পারে। হতে পারে বদহজম, পেট ফাঁপা, পেট খারাপ।, তবে বিষক্রিয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

গ্যাসট্রিকের সমস্যা: দুধ ও আনারস খেলে বিষক্রিয়া সমস্যা নেই। তবে যাদের গ্যাসট্রিকের সমস্যা রয়েছে, খালি পেটে আনারস খেলে তাদের এই সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই খালি পেঠে আনারস ও টকজাতীয় কোনো খাবার খাবেন না।

কুসংস্কার: এমন কখনো দেখিনি যে দুধ-আনারস একসঙ্গে খেয়ে মানুষ মারা গেছে। এটা একটা কুসংস্কার। ডেজার্ট, কাস্টার্ড বা স্মুদিতে আনারস-দুধ একত্রে মিশিয়ে খাই। এ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হয় না।এটি এটি সম্পূর্ণ কুসংস্কার।

খাদ্যের সমন্বয়: পাইনঅ্যাপেল কাস্টার্ড, ডেজার্ট, পাইনঅ্যাপেল স্মুদি, পাইনঅ্যাপেল মিল্ক সেক, পাইনঅ্যাপেল সালাদ, পাইনঅ্যাপেল ইয়োগার্ট ইত্যাদি ফলগুলো আমরা একসঙ্গে খাই। এই ফলগুলোর মধ্যে খাদ্যের সঠিক সমন্বয় থাকে। তাই কোনো সমস্যা হয় না।অন্যদিকে এক গ্লাস দুধ খেলেন, পাশাপাশি আনারস খেয়ে নিলেন তাহলে সঠিক খাদ্যের সমন্বয় হয় না। এ ক্ষেত্রে সঠিক সমন্বয় না হওয়ার ফলে পাতলা পায়খানা, বদ হজম, অ্যাসিডিটিসহ বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।

দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিরতি: দুধ-আনারস একসঙ্গে না খেয়ে দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিরতি দেয়া যেতে পারে। কারণ একসঙ্গে খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে খাদ্যে বিষক্রিয়া হওয়ার কোনো কারণ নেই।

4
দাঁতের ব্যথা নিয়ে অবহেলা করে থাকেন অনেকে। কিন্তু দাঁতের বিষয়ে অবশ্যই যত্নশীল হওয়া উচিত। দাঁতের ব্যথা সাংঘাতিক বিষয়। যার হয়েছে সেই কেবল বুঝে এর যন্ত্রণা কত ভয়াবহ।তাই দাঁতের যত্নে বছরে একবার ডেন্টিস্টের কাছে যান।
দাঁতের ব্যথা হলেই আমরা ডেন্টিস্টের কাছে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দেই। কিন্তু আপনি জানেন কি দাঁতের ব্যথা হলে ঘরোয়া উপায়ে আপনি তার চিকিৎসা করাতে পারেন। এর জন্য ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

আসুন জেনে নেই দাঁতের ব্যথা নিরাময়ের ঘরোয়া উপায়-

লবণ জল
একেবারে সাধারণ এবং প্রচলিত এই প্রক্রিয়া সত্যিই কার্যকরী এক গ্লাস গরম পানিতে আরও বেশি লবণ গুলে কুলাকুচি করুন যতক্ষণ সম্ভব দন্ত ব্যথার কারণে যদি কোনো জীবাণু থেকে থাকে তবে তা দূর করা। এছাড়াও মৃগী রক্ত চলাচল ভালো করে দেয় এবং সাময়িকভাবে দন্ত ব্যথা কম আসে।

লবঙ্গ
যে দাঁতটা ব্যথা করছে, তার উপরে বা পাশে (যেখানে ব্যথা) একটি লবঙ্গ রাখুন। মাড়ি ও দাঁত মাঝে মাঝে বা দুই চোয়ালের মাঝে এই চাপটি চাপাতে থাকুন যতক্ষণ না ব্যথা চলে যায়। লবঙ্গের তেল ব্যবহার করতে পারেন তবে দুই-এক ফোঁটার বেশী নয়। লং গুঁড়ো সঙ্গে জল বা অলিভ ওয়েল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে পারেন।

আদা
এক টুকরা আদা কাটা নিন এবং যে দাঁত ব্যথা করছে সে দন্ত দ্বারা চিবাতে থাকুন যদি চিবাতে বেশি ব্যথা লাগে তাহলে অন্য পাশের দাঁত দিয়ে চিবিয়ে যে রস এবং আদা পেস্ট তৈরি করা হবে যে আক্রান্ত ডাম্প সঙ্গে নিয়ে যান। জিহবা সঙ্গে একটু চেপে রাখুন দাঁতের কাছাকাছি। কিছুক্ষণের মধ্যে ব্যথা কমে যায়।

রসুন
এক কোয়া রসুন থেঁতো করে এবং ডান্ট্রকে আটকানো রাখুন রসুনের সঙ্গে অল্প লবণও মিশিয়ে লাগাতে পারেন।

পেঁয়াজ
টাটকা এবং রসালো এক টুকরা পেঁয়াজ কাটা নিয়ে এটি আক্রান্ত দাঁতের উপরে চেপে রাখুন। পেঁয়াজ রসটা উপকারে আসবে।

মরিচ
হ্যাঁ, মরিচ শুকনো মরিচ গুঁড়ো সঙ্গে পেস্ট তৈরি করে ডেন্টাল উপর নির্ভর করে আপনার মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা উপাদানটি আপনার ড্যাশটি বন্ধ করে দেবে। গোলমরিচ গুঁড়োও ব্যবহার করতে পারেন।

বেকিং সোডা
একটি কটন বাড একটু পানিতে ভিজিয়ে নিন। এর মাথায় অনেকটা বেকিং সোডা লাগাইয়া আক্রান্ত ড্যানি উপরে প্রয়োগ করুন। আরেকটি উপায় বেকিং সোডা ব্যবহার করা যায়। এক চামচ বেকিং সোডা এক গ্লাস গরম পানিতে ভঙ্গি দিয়ে কুল্কুচি তৈরি করে ফেলুন।

মনে রাখবেন- আপনার দাঁত ব্যথা হচ্ছে তার মানে নিশ্চয়ই দাঁতের ভেতরে কোনো সমস্যা আছে এবং অবশ্যই ডেন্টিস্টের সাহায্য ছাড়াই সে সমস্যার থেকে মুক্ত হতে পারে। ঘরোয়া এই প্রতিকারগুলো আপনি কিছু সময় থেকে ব্যথা থেকে মুক্ত করা হয়। তবে ডাক্তার দেখান ভুলে যাবেন না বিশেষ করে যখন মাড়ি ফুলে যায় তবে বুঝতে হবে ইনফেকশন হয়ে গেছে এবং দ্রুত ডেন্টিস্টের সঙ্গে দেখা করুন।

5
হাতের কাছে ইনহেলার নেই আর তখন যদি হয় শ্বাসকষ্টের সমস্যা তাহলে তো বড় বিপাকের কথা। হঠাৎ করে হাঁপানির কারণে দম বন্ধ হওয়ায় কী করবেন কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না। সব সময় ইনহেলারের ওপর নির্ভর করলে কিন্তু হবে না। তবে কি আছে অন্য কোনো কৌশল। হ্যাঁ, তাই জরুরি মুহূর্তে ইনহেলার ছাড়া হাঁপানি থেকে বাঁচতে পারবেন আপনি।

হাঁপানি কি?
হাঁপানি একটি শ্বাসকষ্টজনিত রোগ। হাঁপানির অর্থ হলো বা হাঁ-করে শ্বাস নেয়া। হাঁপানি বলতে আমরা বুঝি শ্বাসনালিতে বায়ু চলাচলে বাধা সৃষ্টির জন্য হয় শ্বাসকষ্ট। সারা বিশ্বের প্রায় ১৫ কোটিরও বেশি মানুষ অ্যাজমা বা হাঁপানিতে আক্রান্ত হন। বাংলাদেশে প্রতি বছর ৫০ হাজার লোক এই রোগে আক্রান্ত হয়। মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী চিকিৎসা লাভ করে।

যাদের অ্যাজমা আছে তাদের সঙ্গে সাধারণত ইনহেলার থাকে। তবে কোনো কারণে হাতের কাছে ইনহেলার না থাকলে কী করণীয়? আসুন জেনে নেই ইনহেলার ছাড়া কীভাবে হাঁপানি থেকে রক্ষা করতে পারেন।

সোজা হয়ে বসুন
ঘরে যদি ইনহেলার না থাকে আর যদি শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়েই থাকে তবে সোজা হয়ে বসুন। এ সময় লম্বা শ্বাস নিন। আস্তে আস্তে দেখবেন কষ্ট অনেকটা কম মনে হচ্ছে।

লম্বা এবং গভীরভাবে দম নিন
হাঁসফাঁস যেন না ধরে সে জন্য লম্বা এবং গভীরভাবে দম নিন। তবে খুব বেশি চাপ নিয়ে দম নেবেন না। আস্তে আস্তে দম নিন। দেখবেন শারীরিকভাবে আপনি ভালো বোধ করবেন।

আতঙ্কিত হবেন না
হাঁপানি সমস্যা হলে যে বিষয়টি হয় সেটি হলো আপনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ সময় বুকের মাংসপেশি আরও শক্ত হয়ে গিয়ে পরিস্থিতি জটিল করে তুলতে পারে। তাই মোটেই আতঙ্কিত হবেন না। দুশ্চিন্তা করবেন না।

ধুলাবালি এবং রাসায়নিক বাষ্প
ধুলাবালি এবং রাসায়নিক বাষ্প থেকে প্রচুর পরিমাণে এলার্জির সমস্যা দেখা দেয়। এলার্জির সমস্যা হলে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। তাই সব ধরনের ধোঁয়া, ধুলাবালি এবং রাসায়নিক বাষ্প থেকে নিজেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে আনুন।

ক্যাফেইনযুক্ত গরম পানীয়

শ্বাসকষ্টের সমস্যা হলে ক্যাফেইনযুক্ত গরম পানীয় পান করুন। এতে শ্বাসনালি খুলবে। তাতেও কাজ না হলে অ্যাম্বুলেন্স ডাকুন। ফোন দিন ৯৯৯ নম্বরে।

ইনহেলার থাকলে
সোজা হয়ে বসে তা গ্রহণ করুন। চার মিনিট অপেক্ষা করুন। সমস্যা দূর না হলে আরেকবার ইনহেলার ব্যবহার করুন। দম ফুরানো ভাব না সারলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

6
মিষ্টি না খেলে জীবনের স্বাদটাই যে ফিকে হয়ে যায়, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তাই তো বন্ধু চিনিকে বাদ দিয়ে বেঁচে থাকাটা বাস্তবিকই সম্ভব নয়! তবে এই কঠিন কাজটি যদি একবার করে উঠতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুন উপকার পাবেন। আসলে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে চিনির সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করলে শরীরের কর্মক্ষমতা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে বেশ কিছু জটিল রোগও ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। শুধু তাই নয়, মেলে আরও বেশ কিছু উপকারও। যেমন ধরুন...

১. মন আনন্দে ভরে ওঠে:
একেবারেই ঠিক শুনেছেন! আমাদের মন মেজাজ কেমন থাকবে, তা অনেকাংশেই চিনি খাওয়ার পরিমাণের উপর নির্ভর করে থাকে। বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে বেশি মাত্রায় চিনি খাওয়া শুরু করলে অ্যাংজাইটি লেভেল বাড়তে শুরু করে। শুধু তাই নয়, এমন কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায় যে তার প্রভাবে মন খারাপ এবং মানসিক অবসাদের মতো সমস্যাও দেখা দেয়। তাই তো বন্ধু, খুশি মনে যদি বাঁচতে চান, তাহলে চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন!
২. এনার্জির ঘাটতি দূর হয়:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে চিনি খাওয়া ছেড়ে দিলে শরীরের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে তার প্রভাবে শরীরের ক্ষমতা একদিকে যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি এনার্জির ঘাটতিও দূর হতে শুরু করে। ফলে ক্লান্তি ভাব দূরে পালাতে সময় লাগে না।
৩. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বেশি মাত্রায় চিনি খাওয়া শুরু করলে রক্তেও চিনির মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে "গ্লাইকেশন" নামে এক ধরনের প্রতিক্রিয়া হতে শুরু করে শরীরের অন্দরে, যার প্রভাবে ত্বকে বলিরেখা ফুটে উঠতে শুরু করে। সেই সঙ্গে স্কিনের ঔজ্জ্বল্যও হ্রাস পায়। সেই কারণেই তো ত্বকের বয়স কমাতে আর্টিফিসিয়াল সুগার খেতে মানা করেন চিকিৎসকেরা।
৪. টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মতো রোগ দূরে থাকে:
সত্যিই কি চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে? এতদিন পর্যন্ত মনে করা হত, চিনি খেলেই যে ডায়াবেটিস হবে, এমনটা নয়। কিন্তু এই ধরণা বদলেছে। কারণ ২০১৪ সালে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির তত্ত্বাবধানে হওয়া একটি গবেষণায় দেখা গেছে খাবারে চিনির মাত্রা যত বেশ হবে, তত ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়বে। আসলে মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি খেলে শরীরে ভিসেরাল ফ্যাটের পরিমাণ বাড়তে শুরু করে, যা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মতো রোগকে শরীরের অন্দরে বাসা করে দেওয়ার পথকে প্রশস্ত করে।
৫. ওজন কমতে শুরু করে:
পেটের চারিদিকে, বিশেষত লিভার, প্যানক্রিয়াস এবং ইন্টেস্টাইনকে ঘিরে চর্বির স্থর পুরু হতে থাকলে কিন্তু বিপদ! কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ভুঁড়ি যত বারতে থাকে, তত টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে হার্টের স্বাস্থ্যেরও অবনতি ঘটে। তাই তো মধ্যপ্রদেশে যাতে কোনওভাবে মেদ না জমে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর এমনটা তখনই সম্ভব হবে, যখন চিনি খাওয়া কমাবেন। কারণ চিনির সঙ্গে পেটের মেদ বৃদ্ধির সরাসরি যোগ রয়েছে।
৬. মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:
চিনি কেবল দাঁতের ক্ষয় করে না, মস্তিষ্কেরও মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বেশি মাত্রায় চিনি খেলে মস্তিষ্কের কগনিটিভ ফাংশন কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে স্মৃতিশক্তিও হ্রাস পায়। সেই কারণেই চিনি খাওয়ার বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে। না হলে কিন্তু বেজায় বিপদ!
৭. হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে:
২০১৪ সালে এই বিষয়ক হওয়া একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছিল যারা বেশি মাত্রায় চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খান, তাদের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়। তাই হার্টকে বাঁটাতে যতটা সম্ভব কম চিনি খাওয়া উচিত। প্রসঙ্গত, চিকিৎসেকদের মতে দিনে ৬-৭ চামচ চিনি খাওয়া শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক নয়। কিন্তু তার বেশি হলেই কিন্তু বিপদ!

7
ভাত ছাড়া বাঙালির খাদ্য তালিকা অসম্পূর্ণ থেকে যায়৷ সব মানুষই এর উপর নির্ভরশীল৷ আর সেই ভাতেই নাকি সমস্যা৷ ভাতের মধ্যেই লুকিয়ে এই ক্ষতিকারক উপাদানটি৷ ভাত নারীদের মেনোপজকে সময়সীমাকে তরান্বিত করে৷ গবেষণায় উঠে এল এমনই তথ্য৷ ইতিমধ্যেই ওজন বাড়ানোর জন্য ভাতকে দায়ী করেছেন অনেকে৷ শুধুমাত্র ভাত নয়, কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ যে কোনও উপাদানই থাকছে সেই তালিকায়৷ বাদ যায়নি পাস্তাও৷ জার্নাল অফ এপিডেমিওলজি অ্যাণ্ড কমিউনিটি হেলথ গবেষণার ফলটি প্রকাশ করে৷ বিষয়টি নিয়ে এক গবেষক মন্তব্য করেন, আর্লি মেনোপজের অনেক কারণ থাকতে পারে৷ তার মধ্যে জেনেটিক কারণ হতে পারে অন্যতম৷ এবার গবেষকরা আলোকপাত করছেন অন্য দিকে৷ বিষয়টি ডায়েট৷ চার বছর পর একই মহিলাদের ওপর আবার একটি ফলো-আপ সার্ভে করা হয়৷ মেনোপজ শুরু হওয়ার স্বাভাবিক সময় ধরা হয় ৫১ কে৷

কিন্তু খাদ্যতালিকায় অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটের সংযোজন মেনোপজকে তরাণ্বিত (১ বছর) করতে পারে৷ অন্য এক গবেষক জানান, সঠিক সময়ের পূর্বে মেনোপজ একাধিক শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে৷ হাড়ের ক্ষয়জনিত রোগ দেখা দিতে পারে৷ অন্য দিকে নির্দিষ্ট সময়ের পরে মেনোপজ ক্যান্সারের ঝুঁকিকে বাড়ায়৷ একটি সঠিক খাদ্য তালিকা বহু রোগ মুক্তির কারণ হতে পারে বলে জানাচ্ছেন একদল বিশেষজ্ঞ৷ তারা বেশি পরিমানে কড়াইশুঁটি, গ্রিন বীনসহ ওমোগা ৩ সমৃদ্ধ খাবার পরামর্শ দিচ্ছেন৷

8
জাম গ্রীষ্মলীন ফল। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এর নাম বিভিন্নরকম। ব্ল্যাকবেরী, জাম্বুল, কালা জামুন, রাজামান, নেরেদু জামালিসহ আরও অনেক নামে একে ডাকা হয়। তবে যে নামেই ডাকা হোক না কেন জামের পুষ্টিগুণের শেষ নেই। জাম নানা রোগের প্রতিষেধক হিসেকে কাজ করে। বিশেষ করে ডায়বেটিস দূর করতে দারুণ কাজ করে এটি। প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় জাম ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়। জামে থাকা পটাশিয়াম হৃদরোগ সারাতে বেশ উপকারী। প্রতি ১০০ গ্রাম জামে থাকে ৫৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। এটি উচ্চ রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।

জামের আরেকটা গুণ হলো, এটি কোষ্টকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও জামের জুড়ি নেই। এতে থাকা ভিটামিন ও নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। জামে থাকা পুষ্টি উপাদানের মধ্যে লবণ, চিনি, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, খনিজ এবং ভিটামিন সি উল্লেখযোগ্য। ত্বক উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে জাম। কারণ এতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রাকৃতিকভাবেই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। জামে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ইত্যাদি থাকায় এটি হাড়ের সুরক্ষা করে। সেই সঙ্গে দাঁতের স্বাস্থ্যও রক্ষা করে। রক্তে লোহিতকণিকার পরিমাণ বাড়াতে জাম বেশ কার্যকরী। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ থাকে। দিনে ১০০ গ্রাম জাম খেলে রক্তে প্রয়োজনীয় লোহিতকণিকার সেল তৈরি হয়। এছাড়া ক্ষুধামন্দা দূর করতে, দীর্ঘমেয়াদি কাশি সারাতেও জাম বেশ কার্যকরী।

9
শচীন টেন্ডুলকার প্যাডজোড়া তুলে রেখেছেন। ক্রিকেটভক্তদের কৌতূহল টেন্ডুলকার লেখা আরও একজনকে কবে দেখতে পাওয়া যাবে ক্রিকেট মাঠে। তা নিয়ে জল্পনা চলছে ক্রিকেট মহলে। নিজেকে এখন তৈরি করার কাজে ব্যস্ত শচীন পুত্র। এর মধ্যে পিতা শচীন টেন্ডুলকার পুত্র অর্জুনের ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য করে বসলেন। শচীনের সেই মন্তব্য শুনে ক্রিকেটপ্রেমীদের মাথা শ্রদ্ধায় অবনত হতেই পারে। তাদেরকে নিয়ে যেতে পারে শচীনের ফেলে আসা দিনে। যেভাবে তিনি গোটা বিশ্ব হাতের মুঠোয় নিয়ে ফেলেছিলেন, ঠিক সেভাবেই ছেলেকে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

অজুর্নের মতো বয়সে শচীন ক্রিকেট সাধনায় মগ্ন থাকতেন। তার শয়নে, স্বপনে, জাগরণে ছিল শুধু ক্রিকেট। পরিশ্রমের যে কোনও বিকল্প হয় না তা জানেন তিনি। নিজে ক্রিকেট সাধনায় ডুবেছিলেন বলেই পুত্র অর্জুনের জন্যও একই পরামর্শ তার। নামের পিছনে না ছুটে ছেলেকে পরিশ্রম করার মন্ত্র দিচ্ছেন বিখ্যাত বাবা। ক্রিকেটের পিছনে ঘাম ঝরালে তবেই সাফল্য এসে ধরা দেবে অর্জুনের কাছে। একথাই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন শচীন। শচীন নিজেও কাউকে নকল করতেন না। গুরু রমাকান্ত আচরেকরের কথা মন দিয়ে শুনতেন। তিনি যা বলতেন তা অক্ষরে অক্ষরে মনে চলার চেষ্টা করতেন। ক্রিকেট সাধনার জিনিস। সেই সাধনাই নিরন্তর করে যেতেন শচীন। নিজে যেভাবে বড় হয়েছেন, সেই রাস্তাতেই এগিয়ে যাক ছেলে, এমনটাই চাইছেন ‘মাস্টার ব্লাস্টার’। সাফল্যের যে কোনও শর্ট কাট হয় না। পরিশ্রম, পরিশ্রম আর পরিশ্রমই একমাত্র মূলমন্ত্র। 

10
প্রতি দুই বছর অন্তর মিনি-ওয়ার্ল্ড কাপ আয়োজনের প্রস্তাব করেছেন ফিফা সভাপতি গিয়ান্নি ইনফানতিনো। প্রথাগত মূল বিশ্বকাপের মাঝে আটটি দল নিয়ে এই বিশ্বকাপ আয়োজন করার একটি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি। টুর্নামেন্টটির নাম হতে পারে ‘ফাইনাল ৮’। প্রস্তাবিত আঞ্চলিক ন্যাশনাল লীগ প্রতিযোগিতার আদলেই এই টুর্নামেন্টটি আয়োজিত হবে। ১২ বছরের পরিকল্পনায় আন্তর্জাতিক ফুটবলকে ঢেলে সাজানোর অংশ হিসেবে এই প্রতিযোগিতায় প্রায় ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হবে বলে ফিফা বিশ্বাস করে। ইতোমধ্যেই ফিফা সভাপতি ইনফানতিনো ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮টি দলের অংশগ্রহণের প্রস্তাব করেছেন। নতুন টুর্নামেন্টটি ২০২১ সাল থেকে প্রতি দুই বছর পরপর অক্টোবর অথবা নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।

ইনফানতিনো বলেন, নতুন টুর্নামেন্টে ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে অনেক প্রতিষ্ঠানই আগ্রহ জানিয়েছে। এটি মূলত ক্লাব বিশ্বকাপের একটি নতুন সংষ্করণ। কনফেডারেশন কাপ প্রতি বিশ্বকাপের ঠিক বছরখানেক আগে চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়। নতুন টুর্নামেন্টটি চালু হলে কনফেডারেশন কাপ বাতিল করা হবে। যদিও প্রতি অঞ্চলের জন্য ঠিক কতটা স্লট বরাদ্দ থাকবে সে ব্যপারে সুস্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত দেয়া হয়নি। ইনফানতিনোর এই পরিকল্পনা অনুমোদনের জন্য ফিফার ডিসিশন মেকিং কাউন্সিলের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। বর্তমানে চালু থাকা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট যেমন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপ, কোপা আমেরিকা, আফ্রিকান নেশন্স কাপ কিংবা বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই নতুন প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা হবে।

11
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের পেজে কোনো পোস্ট দেয়া বা শেয়ার করা যাচ্ছে না। বুধবার দুপুর দেড়টা থেকে হঠাৎই পোস্ট দেয়ার অপশন তুলে দেয়া হয়েছে। পোস্ট দেয়ার কোনো অপশনই রাখা হয়নি। ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার নিয়ে বেশ সমালোচনার মুখে রয়েছে ফেসবুক। সমালোচনার মধ্যেই গতকাল (মঙ্গলবার) থেকে ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক এফএইট ডেভেলপার কনফারেন্স শুরু করেছেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্ক। সেখানে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার আর ঘটবে না। সেটি ঠেকাতে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া ফেসবুক পেজে অ্যাডাল্ট কনটেন্ট, ধর্মীয় উস্কানিমূলক পোস্টসহ বিভিন্ন পোস্ট এখন ঠেকানো সম্ভব।

মার্ক জাকারবার্ক আরও বলেন, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা এখন থেকে জানতে পারবেন তৃতীয় পক্ষের কোনো ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ তাদের প্রোফাইলের তথ্য সংগ্রহ করছে কি-না। প্রয়োজনে নিজেদের তথ্য মুছে দিতে পারবেন। ধারণা করা হচ্ছে, গ্রাহকদের নিরাপত্তার বিষয়ে ফেসবুকের এ কঠোর মনোভাব থেকে ফেসবুক পেজের পোস্ট অপশন বন্ধ করা হয়েছে। তবে এটি কেবল বাংলাদেশেই নাকি সারা বিশ্বেই তা জানা যায়নি। এছাড়া এটা কত সময়ের জন্য তাও বলা হয়নি। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ থেকে এখনও এ বিষয়ে কোনো কিছু জানানো হয়নি।

12
মার্টফোনের পর এবার দেশে তৈরি ফিচার ফোন বাজারে ছাড়লো ওয়ালটন। ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত প্রথম ফিচার ফোনের মডেল ‘ওলভিও এমএম১৭’। দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ সমৃদ্ধ এই ফোনে ফেসবুক, ইন্টারনেট ব্রাউজিংসহ ভিডিও দেখা বা গান শোনা যাবে নিশ্চিন্তে।

দেশের সব ওয়ালটন প্লাজা, ব্র্যান্ড এবং রিটেইল আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে নতুন এই মোবাইল ফোন। যার দাম মাত্র ৯৯৯ টাকা। আকর্ষণীয় ডিজাইনের ফোনটি মিলছে বেশ কয়েকটি ভিন্ন রঙে। ওয়ালটনের সেল্যুলার ফোন বিপণন বিভাগের প্রধান আসিফুর রহমান খান জানান, গত বছরের ৫ অক্টোবর দেশের প্রথম মোবাইল ফোন উৎপাদন কারখানা চালু করে ওয়ালটন। গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ওই কারখানা থেকে ইতোমধ্যেই ৬ মডেলের স্মার্টফোন বাজারে ছাড়া হয়েছে। এবার প্রথমবারের মতো দেশে তৈরি ফিচার ফোন ছাড়লো ওয়ালটন। ডুয়াল সিমের ফোনটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ২.৪ ইঞ্চির উজ্জ্বল রেজ্যুলেশনের পর্দা। গ্রাহকের পছন্দমতো গান, ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণে ফোনটি ৩২ গিগাবাইট পর্যন্ত মেমোরি কার্ড সাপোর্ট করবে। নতুন এই ফোনে ব্যবহৃত হয়েছে ১৮০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার লি-আয়ন ব্যাটারি। যা দেবে দীর্ঘ সময় পাওয়ার ব্যাকআপ। অনেক সময় ধরে কথা বলা, টর্চলাইট ব্যবহার, ইন্টারনেট ও ফেসবুক ব্রাউজিং, ভিডিও দেখা বা গান শোনা যাবে নিশ্চিন্তে। রয়েছে পাওয়ার সেভিং মোড।

কল বা মেসেজ নোটিফিকেশনে ব্যবহার করা যাবে টর্চ বা কি-প্যাড লাইট। বিরক্তিকর ও অনাকাক্সিক্ষত নাম্বার থেকে কল আসা বন্ধ করতে রয়েছে ব্লাকলিস্টের সুবিধা। জিপিআরএস সমৃদ্ধ ফোনটিতে রয়েছে বিল্ট-ইন ফেসবুক। ব্লুটুথ থাকায় ফাইল আদান-প্রদান করা যাবে সহজেই। এতে আছে অটোমেটিক কল রেকর্ডিংয়ের সুবিধাও। ফোনটির অন্যান্য ফিচারের মধ্যে আছে ডিজিটাল ক্যামেরা, এমপিথ্রি, এমপি ফোর ও থ্রিজিপি প্লেয়ার। রয়েছে রেকর্ডিংসহ এফএম রেডিও, সাউন্ড ও ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সুবিধা। বাংলাদেশে তৈরি এই ফোনে ক্রেতারা পাবেন বিশেষ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা। কেনার ৩০ দিনের মধ্যে যেকোনো ধরনের ত্রুটিতে সাথে সাথে ফোনটি পাল্টে ক্রেতাকে নতুন আরেকটি ফোন দেয়া হবে। এছাড়াও, ১০১ দিনের মধ্যে প্রায়োরিটি বেসিসে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ক্রেতা বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন। তাছাড়া, এক বছরের রেগুলার ওয়ারেন্টি তো থাকছেই।

আরো জানতে: www.waltonbd.com

13
ঝড়বৃষ্টির সময় বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে নয়টি পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর-

১. পাকা বাড়ির নীচে আশ্রয় নিন। ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু জায়গায় না থাকাই ভালো। এ অবস্থায় সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনও দালানের নীচে আশ্রয় নিতে পারেন।

২. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকুন। উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এ সব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না। ফাঁকা জায়গায় কোনও যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

৩. জানালা থেকে দূরে থাকুন। বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতর থাকুন।

৪. ধাতব বস্তু এড়িয়ে চলুন। বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে আহত হন।

৫. টিভি-ফ্রিজ থেকে সাবধান। বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও ধরবেন না। বজ্রপাতের আভাষ পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন। অব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্লাগ আগেই খুলে রাখুন।

৬. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব বাড়িতে ফেরার চেষ্টা করুন। যদি প্রচণ্ড বজ্রপাত ও বৃষ্টির সম্মুখীন হন তবে গাড়ি কোনো পাকা ছাউনির নীচে নিয়ে যান। এ সময় গাড়ির কাঁচে হাত দেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

৭. ঝড়-বৃষ্টির সময় রাস্তায় জল জমা আশ্চর্য নয়। তবে বজ্রপাত অব্যাহত থাকলে সে সময় রাস্তায় বের না হওয়াই মঙ্গল। একে তো বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। উপরন্তু কাছাকাছি কোথাও বাজ পড়লে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যায়।

৮. বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। যদি একান্ত বেরোতেই হয় পা ঢাকা জুতো পড়ে বের হোন। রবারের গাম্বুট এ ক্ষেত্রে সব থেকে ভালো কাজ করবে।

৯. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় চলাচলের সময় আশেপাশে খেয়াল রাখুন। যে দিকে বাজ পড়ার প্রবণতা বেশি সে দিক বর্জন করুন। কেউ আহত হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বজ্রপাত প্রতিরোধের এখন পর্যন্ত কোনো উপায় আবিষ্কার না হলেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার মাধ্যমে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। অনুশীলনের মাধ্যমে এই অভ্যাসগুলো রপ্ত করার মাধ্যমে বিপদ কমিয়ে দিন।

14
স্নায়ুযুদ্ধের পর দুই মেরুর বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সামরিক ব্যয় হয়েছে গেল ২০১৭ সালে। ওই বছর বিশ্বে অস্ত্রের কেনাকাটা হয়েছে ১ হাজার ৭৩৯ বিলিয়ন ডলারের। ১৯৯৯ থেকে ২০১১ এই ১২ বছরে সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা লক্ষ করা গেলেও ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ব্যয় কম ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই ২০১৭ থেকে ব্যয় বাড়ানো শুরু করে দেশগুলো। সুইডেনভিত্তিক সংস্থা স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিচার্স ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) সিপ্রি এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলেছে। বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রতিরক্ষাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০১৭ বিশ্বে সামরিক ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি মার্কিন ডলার, যা আগের বছর অর্থাৎ ২০১৬ সালের তুলনায় ১ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। আর দেশভিত্তিক ব্যয়ে শীর্ষে যথারীতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরপরই চীন। তৃতীয় স্থানের দেশটি কিছুটা চমক জাগানো। নানা সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাওয়া সৌদি আরব আছে যুক্তরাষ্ট্র আর চীনের পরে।

এসআইপিআরআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের সামরিক ব্যয়ের ৩৫ শতাংশই করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ। গত বছর তাদের ব্যয় ছিল ৬১ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। তালিকায় দ্বিতীয় থেকে অষ্টম স্থান পর্যন্ত দেশগুলোর সম্মিলিত ব্যয়ের চেয়েও বেশি ব্যয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র একাই। গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এ বছরও উল্লেখযোগ্য হারে সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধিতে সেরা চীন। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীন গত বছর ব্যয় করেছে ২২ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার। এসআইপিআরআইয়ের মতে, ২০০৮ সালে চীন বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের ১৩ শতাংশ করত। কিন্তু ২০১৭ সালে দেশটি এ খাতে ব্যয় দ্বিগুণ করেছে। সামরিক ব্যয়ের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে থাকা নামটি একটু চমক জাগানিয়াই। কারণ রাশিয়াকে হটিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের দেশ সৌদি আরব। গত বছর দেশটি অস্ত্র কিনতে ব্যয় করেছে ৬ হাজার ৯৪০ কোটি মার্কিন ডলার।

রাশিয়ার সামরিক ব্যয় গত বছর কমিয়েছে। এ কমানোর হার ২০ শতাংশ। গত বছর পুতিনের রাশিয়া ব্যয় করেছে ৬ হাজার ৬৩০ কোটি মার্কিন ডলার। বলা হচ্ছে, রাশিয়ার ওপর নানা নিষেধাজ্ঞা থাকায় দেশটির ব্যয় সামরিক খাতে কমেছে।
রাশিয়ার পরের দেশগুলো হলো ভারত, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়া। ভারত ২০১৭ সালে সামরিক খাতে ব্যয় করেছে ৬ হাজার ৩৯০ কোটি মার্কিন ডলার। ফ্রান্স এ খাতে ব্যয় করেছে ৫ হাজার ৭৮০ কোটি মার্কিন ডলার। ব্রিটেন সামরিক খাতে ব্যয় করেছে ৪ হাজার ৭৭২ কোটি মার্কিন ডলার। জাপানের সামরিক খাতে ব্যয় করেছে ৪ হাজার ৫৪০ কোটি মার্কিন ডলার। ৪ হাজার ৪৪৩ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে জার্মানি আর সেরা দশের শেষ স্থানে থাকা দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যয় এ খাতে ৩ হাজার ৯৯২ কোটি মার্কিন ডলার। ১১ থেকে ১৫ নম্বরের দেশগুলো হলো ব্রাজিল, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও তুরস্ক। সামরিক খাতের ব্যয়ের ভিত্তিতে ২০১৭ সালের শীর্ষ ১৫টি দেশ ২০১৬ সালেও শীর্ষ ১৫ তে ছিল।
সূত্র: প্রথম আলো

15
প্রযুক্তির যত উন্নতি হচ্ছে মানুষের সাথে যোগাযোগ তথা লেনদেন ততই সহজলভ্য হচ্ছে। প্রযুক্তি মানুষের কাজ গুলোকে আরো সহজ করে দিয়েছে। মানুষ ঘরে বসেই প্রায় সকল সুবিধা ভোগ করতে পারছে। তেমনি টাকা পয়সা লেনদেনকে আরো সহজলভ্য করে দিয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং ও এটিএম সেবা। যার মাধ্যমে মানুষ সহজেই টাকা পয়সার লেনদেন করতে পারছে। নিয়মিতই নতুন নোট বাজারে আসে। এর জন্য তৈরি করা হয নানা রকম নিরাপত্তা বলয়। আর তাই এর ফাঁকফোকর দিয়েই বের হচ্ছে নকল নোট। কখনও তা এটিএম কাউন্টার থেকে। হাতে নোট নিয়ে অনেকেরই নকল বলে মনে হয়। পরে ভাল করে পরীক্ষা করে তা সত্যি বলেও প্রমাণিত হয়। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে ঠিক কি করণীয়? ব্যাংকে যদি নকল নোট লেনদেন হয়, তবে হাতেনাতে ধরা পড়ার সম্ভাবনা আছে। যদি অফিসাররা ধরতে পারেন যে কেউ নকল নোট জমা দিতে এসেছেন, তবে তা কখনওই অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছাবে না। সেই নোট গ্রাহককে ফেরতও দেওয়া হবে না। বরং নকল নোট বাজেয়াপ্ত করে ক্যাশিয়ার ও গ্রাহককে দিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হবে।

কিন্তু এটিএম-এ যদি নকল নোট হাতে আসে, তখন কী করা যায়? কেননা সেই মুহূর্তে কেউ এর সাক্ষী থাকে না। এটিএম-এ নকল নোট রুখতে বিভিন্ন ধাপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাই নকল নোট না আসাই উচিত। তাও যদি আসে তবে বিপাকে পড়তে হয় গ্রাহককে। কেননা বিদেশে এটিএম রিসিপ্টে কারেন্সির নম্বর উল্লেখ থাকে, কিন্তু বাংলাদেশে শুধু কত টাকা তোলা হচ্ছে তার অ্যামাউন্টই উল্লেখ থাকে। এই পরিস্থিতিতে হাতে নকল নোট এলে একজন গ্রাহক কী করবেন?

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এরকম সন্দেহ হলে প্রথমেই নোটটি সিসিটিভি-র সামনে ধরা উচিত। যাতে স্পষ্ট বোঝা যায় যে নোটটি এটিএম-থেকেই পাওয়া গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে এটিএম-এ যে নিরাপত্তারক্ষী আছেন তার কাছে নোটের ডিটেলস দিয়ে অভিযোগ দায়ের করে রাখা শ্রেয়। এতে নোটটি এটিএম থেকে কোন সময়ে বেরিয়েছে, তা স্পষ্ট হবে। সেই সঙ্গে যে ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট আছে সেখানেও সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগ জানিয়ে রাখতে হবে। প্রয়োজন হলে রিজার্ভ ব্যাংকেও। পাশাপাশি পুলিশের কাছেও অভিযোগ দায়ের করতে হবে। তদন্ত চলাকালীন এই সিসিটিভি ফুটেজই প্রমাণ করবে নোটটি এটিএম থেকে বেরিয়েছে। প্রমাণ দেবে নিরাপত্তারক্ষীর কাছে জমা হওয়া অভিযোগও। একই সঙ্গে ব্যাংকও জানাবে যে গ্রাহক, এই অসুবিধার কথা জানিয়েছেন।এই প্রমাণগুলিই গ্রাহকের টাকা ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। সাধারণ কোনও বড় অ্যামাউন্টের টাকার মধ্যে নকল নোট চলে এলে মাথায় হাত পড়ে গ্রাহকের। এ নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই সন্দেহ হলে আগাম সাবধানতা অবলম্বন করাই বাঞ্ছনীয়।

Pages: [1] 2 3 ... 37