Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Topics - Shamim Ansary

Pages: [1] 2 3 ... 89

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে সবার মনে অসম্ভব অস্বস্তির সৃষ্টি হয়। যা খুবই পীড়াদায়ক। তাই গলায় আটকা মাছের কাঁটা নামানোর উপায় সম্পর্কে আমাদের জ্ঞাত থাকা দরকার।
গলায় আটকে যাওয়া কাঁটা নামানোর ৮টি সহজ উপায়…
আসুন জেনে নিই গলা থেকে মাছের কাঁটা সহজে নামানোর ৮টি উপায়ঃ
গলায় আটকা কাঁটা নামানোর আধুনিক পদ্ধতি হচ্ছে কোকাকোলা। গলায় কাঁটা আটকার সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস কোক পান করলে তা নরম হয়ে নেমে যায়।
১. সাদা ভাতঃ
গলায় আটকা মাছের কাঁটা সাদা ভাত খেয়ে খুব সহজে নামানো যায়। এ জন্য আপনাকে ভাতকে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিতে হবে। তারপর পানি দিয়ে গিলে ফেলতে হবে। এতে সহজে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নেমে যাবে। মনে রাখবেন, শুধু ভাত খেলে কিন্তু কাঁটা নামবে না।
২. হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাঃ
গলায় আটকা মাছের কাঁটা নামানোর সর্বাধিক কার্যকরী চিকিৎসা হচ্ছে হোমিওপ্যাথি। এ জন্য আপনাকে নিকটস্থ ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
৩. পানি পান করুনঃ
গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে পানি পান করুন। পারলে হালকা গরম পানির সঙ্গে সামান্য পরিমাণ লবণ মিশিয়ে পান করুন। এতে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নরম হয়ে নেমে যায়।
৪. কলা খানঃ
গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে দেরি না করে পারলে চটজলদি একটি কলা খান। কলা খেতে খেতে কখন যে কাঁটা নেমে যাবে তা আপনি টেরও পাবেন না।
৫. লেবু খানঃ
গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে এক টুকরা লেবু নিন। তাতে একটু লবণ মাখিয়ে চুষে চুষে এর রস খান। দেখবেন কাঁটা নরম হয়ে নিমিষেই নেমে গেছে।
৬. অলিভ ওয়েল খানঃ
গলায় কাঁটা বিঁধেছে? তাহলে মোটেই দেরি না করে একটু অলিভ অয়েল খান। এতে কাঁটা পিছলে গলা থেকে নেমে যাবে।
৭. ভিনেগার খানঃ
পানির সঙ্গে সামান্য পরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে পান করলে গলায় আটকা মাছের কাঁটা খুব সহজে নেমে যায়। এটি ঠিক লেবুর মতো কাজ করে।
৮. কোকাকোলা পান করুনঃ
গলায় আটকা কাঁটা নামানোর আধুনিক পদ্ধতি হচ্ছে কোকাকোলা। গলায় কাঁটা আটকার সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস কোক পান করলে তা নরম হয়ে নেমে যায়। এ ছাড়া শুকনো মুড়ি খেলেও এর কার্যকরী সমাধান পাওয়া যায়।

Source: Internet

ICT / ICT exporters get 10pc cash incentive
« on: February 12, 2018, 10:21:33 AM »
The government has granted 10 percent cash incentive to the ICT industry against their exports – a move that could be a game-changer for the country's export scenario.

Bangladesh Bank issued a circular to this effect on Thursday, and the incentive will be retrospectively effective from July 2017.

The measure meets a long-time demand of the entire information communication technology sector of Bangladesh.

Industry people said this would help attain the target of export earnings of $5 billion from the ICT sector by 2021.

Mustafa Jabbar, minister of telecom and ICT, called the development a great achievement for the digital industry as a whole. He said it would help increase the export earnings from the technology-related industry.

“I am quite sure exporters will feel encouraged to export more and we will find more and more companies which will start exporting their products,” he said.

The minister said the incentive would boost Bangladesh's IT industry's competitiveness further.

Previously, the government had given cash benefit to exporters in the garments and food sector and they have utilized the support and got the industries to flourish.

Today, Bangladesh is the second largest garment exporter in the world and the labor-intensive sector accounts for more than 80 percent of the country's export earnings.

According to the circular, ITES products such as digital content development and management, both 2D and 3D animations, geographic information services, IT support and software maintenance services, website services, graphics design, search engine optimization, and web listing will get 10 percent cash back on export earnings.

Other beneficiaries include exporters of shipping document conversion, imaging and archiving, software or application customization, website development, website hosting, software test lab services, robotics process outsourcing, and cybersecurity services. Software, mobile device manufacturers, laptop, and other gadgets assemblers will receive the benefit even if they add only 20 percent value to their products. For software and other IT-enabled services, the value addition has to be at least 30 percent.

The entire device-related manufacturing segment with artificial intelligence, internet modem, display devices and other accessories are also eligible.

However, companies that are located inside export processing zones, economic zones or hi-tech parks will not be entitled to the benefit, according to the notice.

Exporters can calculate the benefit even if they have already shipped their products and services. To avail the benefit, they will have to file an application within 60 days of the issuance of the notice.

The incentive came after repeated demand from the Bangladesh Association of Software and Information Services (BASIS) in the last couple of years. The association, however, called for 20 to 40 percent cash incentive.

Syed Almas Kabir, president of the BASIS, said thanks to the incentive, export would definitely get a boost and new players will feel interested to export.

“Besides, exporters who are not bringing in their export earnings to the country at all or bringing it using alternative ways will change their mind. I think this will change the whole game,” said Kabir.

According to the Export Promotion Bureau, export earnings from the ICT sector stood at about $250 million in 2016-17. Industry people, however, said this figure would be more than $800 million.

The central bank has made trade bodies liable in this regard in order to ward off fraudulent activities. The BASIS will verify export documents for the ICT and e-commerce sectors, said Kabir.

If any official of the trade body is found guilty of any wrong declaration, he or she will face punishment, according to the circular. “We will try our best to perform well so that we can demand more incentives next year,” Kabir added.

In case of any wrong declaration and unlawful payment, the central bank will also hold the exporter's bank liable and deduct the amount from its account with the BB.

Rashad Kabir, managing director of Dream71, said 10 percent is definitely a big amount of money and this single decision can change the whole scenario of export trends.

He said even today Bangladesh is little known as a digital product importing country. “But thanks to the incentive, the situation will start changing. After a couple of years, the whole world will know us as a technology products and services exporting nation,” said Kabir. Dream71 exports application and games and other digital solutions to nine countries.

The circular also declared business process outsourcing and related activity as an ITES. Digital data analytics, data entry, data processing, call centre service, and overseas medical transcription have been included in the list.

E-commerce and online shopping, which are getting huge popularity, were included. Though the total market for online shopping is about Tk 1,500 crore, there are few exports using technology.

Welcoming the move, Md Abdul Wahed Tomal, general secretary of the e-Commerce Association of Bangladesh, said people would now be more enthusiastic to carry out cross-border e-commerce business following the circular.


Pharmacy / Future Trend of Bangladeshi Pharmaceutical Industries
« on: February 03, 2018, 10:26:45 AM »
বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের ভবিষ্যৎ

আবু তাহের খান

কুইন্টিলস আইএমএস হোল্ডিংয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৬  সালে বিশ্বব্যাপী ওষুধ বিক্রির পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে বাংলাদেশে ওষুধ বিক্রির পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বিশ্ববাজারের মোট ওষুধ বিক্রির ১ শতাংশেরও কম
(০.৬৫ শতাংশ)। অন্যদিকে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার তুলনায় বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ২ দশমিক ২৭ শতাংশ। এ পরিসংখ্যান থেকে সহজেই প্রতীয়মান হয় যে, যে পরিমাণ ওষুধ বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে, তা বিশ্বের এ-সংক্রান্ত বিক্রির তুলনায় অনেক পশ্চাত্বর্তী। অর্থাৎ বাংলাদেশে ওষুধ উৎপাদন ও চিকিৎসা খাতে অর্থ ব্যয়ের পরিমাণ দুই-ই অনেক কম। আপাতদৃষ্টে এ পরিস্থিতিকে হতাশাজনক বলে মনে হলেও এখানেই নিহিত বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প এবং চিকিৎসা খাতের উন্নয়ন ও বিকাশের অন্তর্গত সম্ভাবনা।

বাংলাদেশে চিকিৎসা খাতে অর্থ ব্যয়ের পরিমাণ অনেক কম— এ কথার মানে হচ্ছে, সামর্থ্যের অভাবে বাংলাদেশের মানুষ এ খাতে আরো বেশি অর্থ ব্যয় করতে পারছে না। পাশাপাশি শিক্ষা সচেতনতার অভাবে এ খাতে কম অর্থ ব্যয় হচ্ছে। আশার কথা যে, এ দুই ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি ক্রমে সামনের দিকে এগোচ্ছে, যা বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের বিকাশের সম্ভাবনাকেই তুলে ধরে। অর্থাৎ বাংলাদেশের মানুষের আয় ও সঞ্চয় দুই-ই যেহেতু বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার মানে তাদের অর্থ ব্যয়ের সামর্থ্য বাড়ছে। আর এ সামর্থ্য বৃদ্ধির ফলে অন্যান্য পণ্য ক্রয়ের পাশাপাশি সামনের দিনগুলোয় মানুষ ওষুধ ক্রয়ের জন্যও বাড়তি অর্থ ব্যয় করবে বলে আশা করা যায়। এতে ওষুধের চাহিদা বাড়বে এবং সে সূত্র ধরে বাড়বে উৎপাদনও। অন্যদিকে শিক্ষা সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে চিকিৎসা খাতে অর্থ ব্যয়ের ব্যাপারে মানুষের আগ্রহ বাড়বে এবং সেটিও ওষুধের চাহিদা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। মোট কথা, আসন্ন দিনগুলোয় বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজের অভ্যন্তরীণ বিকাশের ধারা দেশের ওষুধ শিল্পকে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত ও ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করা যায়।

এবার আসা যাক ওষুধের আন্তর্জাতিক বাজার ও উৎপাদন পরিস্থিতির বিষয়ে। বিশ্বে চিকিৎসা সুবিধা ও চিকিৎসার জন্য অর্থ ব্যয়ের প্রবণতা যে হারে বাড়ছে, তাতে ধারণা করা যায় যে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গড় হারের তুলনায় সেটি অনেক দূর এগিয়ে থাকবে। আইএমএফের করা হিসাব অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩ দশমিক ১ শতাংশ। অন্যদিকে এ সময়ে বিশ্ববাজারে ওষুধ বিক্রি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১১ দশমিক ১১ শতাংশ। এ সময়ে বাংলাদেশে অর্থনীতির গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৭ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং এর বিপরীতে ওষুধ শিল্প খাতে উৎপাদন প্রবৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ১২ শতাংশ। অর্থাৎ ওষুধের অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক চাহিদা ও উৎপাদনের প্রবণতা পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় বাজারেই নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশী ওষুধের ব্যাপক বাজার চাহিদা ও সুবিধা রয়েছে।

এখন কথা হচ্ছে, এ সুবিধাকে কীভাবে কাজে লাগানো যাবে? এর মধ্যে একটি সুবিধার কথা অনেকেই জানেন। ট্রিপস (Trade Related Aspects of Intellectual Property Right- TRIPS) চুক্তির আওতায় ওষুধ রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অনুন্নত দেশের জন্য প্রযোজ্য শুল্ক রেয়াত সুবিধা প্রদানের মেয়াদ ২০৩২ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বস্তুত, এ সুবিধার আওতাতেই বাংলাদেশের ৩০টি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এখন ১১৩টি দেশে ওষুধ রফতানি করে চলেছে। এক্ষেত্রে দেশের সংখ্যা উৎসাহব্যঞ্জক হলেও এর মধ্যে অনেক দেশেই রফতানির পরিমাণ এখনো অত্যন্ত নগণ্য। কোম্পানিগুলোর উচিত হবে রফতানির পরিমাণ বৃদ্ধিতে উদ্যোগী হওয়া। অন্যদিকে বাংলাদেশে বর্তমানে উৎপাদনরত ওষুধ কারখানার সংখ্যা প্রায় ১৫০। তার মধ্যে মোট উৎপাদনের ৮৫ শতাংশ আসে মাত্র ২০টি কারখানা থেকে। এ অবস্থায় ছোট পরিসরের ১৩০টি কারখানার উৎপাদন ক্ষমতার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার কীভাবে নিশ্চিত করা যায় কিংবা তাদের উৎপাদন ক্ষমতা আরো বাড়ানো যায় কিনা, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা যেতে পারে। পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান চাহিদা, বিশেষত আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা বিবেচনা করে বড় কারখানাগুলো তাদের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির ব্যাপারে উদ্যোগী হতে পারে।

অনেক দিন ধরেই আলোচনা হচ্ছে যে, রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশকে পোশাক খাতের ওপর মূল নির্ভরতা কমিয়ে অন্যান্য খাত থেকেও রফতানি বৃদ্ধির প্রতি মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। অধিকাংশের মত হচ্ছে, পোশাক খাতের বাইরে ওষুধই হতে পারে বাংলাদেশে নিকট ভবিষ্যতের বৃহত্তম রফতানি খাত। পোশাক খাতের আরো একটি বহুল আলোচিত প্রসঙ্গ এই যে, এর কাঁচামাল (বস্ত্র ও অন্যান্য) আমদানির হিসাব বাদ দিলে এ খাতে মূল্য সংযোজন বা এ খাত থেকে প্রকৃত রফতানি আয়ের পরিমাণ খুবই কম। সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ওষুধ শিল্প খাতের অনুরূপ ঘটনার পুনরাবৃত্তি পরিহারের একটি সুযোগ এখন বাংলাদেশের সামনে রয়েছে এবং সেটি হচ্ছে যে, ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনের জন্য সম্প্রতি একটি এপিআই (অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডেন্টস) শিল্প পার্ক স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু এটি যাতে দ্রুত উৎপাদনে যায়, সে ব্যাপারে আনুষঙ্গিক তত্পরতা আরো জোরদার হওয়া প্রয়োজন। তবে ঘটনা হচ্ছে, এপিআই শিল্প পার্কে স্থাপিতব্য সব কারখানা উৎপাদনে যাওয়ার পরও বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতার হিসাবেই আরো ৫০ শতাংশ কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে। ফলে এপিআই শিল্প পার্কে স্থাপিতব্য কারখানাগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা যতটা বাড়িয়ে করা যাবে, উৎপাদনের জন্য কাঁচামালের আমদানি নির্ভরতাও ততটাই হ্রাস পাবে।

এবার ওষুধ কারখানাগুলোর পরিচালন বিষয়ে খানিকটা আলোকপাত করা যেতে পারে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সরল প্রযুক্তির শিল্পেও বহুসংখ্যক বিদেশী কাজ করা সত্ত্বেও আশার কথা যে, দেশের ওষুধ শিল্প-কারখানাগুলো এখনো স্থানীয় জনবলের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করেই পরিচালিত হচ্ছে এবং এটি নিঃসন্দেহে একটি গৌরবের বিষয়। তবে নিকট ভবিষ্যতের অধিকতর প্রযুক্তিঘন ও অতি উন্নত মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদনের অপরিহার্যের কথা চিন্তা করে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ফার্মেসিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের আওতাধীন পাঠ্যক্রমকে যতটা সম্ভব আধুনিক চাহিদার সঙ্গে ঢেলে সাজানোর ব্যাপারে উদ্যোগী হবে বলেই আশা রাখি।

বাংলাদেশ থেকে এখন রোগীরা চিকিৎসার জন্য বিদেশে যায়। কিন্তু দেশের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা পদ্ধতি ও ব্যবস্থাপনাকে সিঙ্গাপুরের মতো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে তোলা গেলে বিদেশীরাও এখানে চিকিৎসা নিতে আসবে। আর সে বিষয়টি বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান ওষুধ শিল্প খাতকে ব্যাপকভাবে সহায়তা করতে পারে। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করা গেলে তা শুধু হাসপাতালগুলোকেই বর্ধিত আয়ের সংস্থান করে দেবে না, এ সুবাদে বাংলাদেশে ওষুধের অভ্যন্তরীণ বাজারও ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ হবে বলে আশা করা যায়।

সব মিলিয়ে বলা যায় যে, বাংলাদেশের অর্থনীতি তথা শিল্প খাতের নিকট ভবিষ্যতের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত হচ্ছে ওষুধ শিল্প, যার রফতানি সম্ভাবনা বর্তমানের তৈরি পোশাক শিল্পকে অচিরেই ছাড়িয়ে যেতে সক্ষম হবে বলে আশা করা যায়। তবে সে যাত্রায় শুধু আয় ও মুনাফা বৃদ্ধিকে মূল বিবেচনায় না রেখে এটিকে একটি আন্তর্জাতিক মানের খাত হিসেবে গড়ে তোলার ব্যাপারে সচেষ্ট হওয়া প্রয়োজন, যেখানে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, ওষুধের গুণগত মান, কার্যপরিবেশের সুরক্ষা ও সন্তোষজনক শিল্প-সম্পর্ক পরিস্থিতি বিরাজমান থাকবে।

লেখক: পরিচালক (সিডিসি)

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি


Employability Skills / Fundamental Skills
« on: October 31, 2017, 09:57:01 AM »

The skills needed as a basis for further development

You will be better prepared to progress in the world of work when you can:

    read and understand information presented in a variety of forms (e.g., words, graphs, charts, diagrams)
    write and speak so others pay attention and understand
    listen and ask questions to understand and appreciate the points of view of others
    share information using a range of information and communications technologies (e.g., voice, e-mail, computers)
    use relevant scientific, technological, and mathematical knowledge and skills to explain or clarify ideas


    locate, gather, and organize information using appropriate technology and information systems
    access, analyze, and apply knowledge and skills from various disciplines (e.g., the arts, languages, science, technology, mathematics, social sciences, and the humanities)


    decide what needs to be measured or calculated
    observe and record data using appropriate methods, tools, and technology
    make estimates and verify calculations


    assess situations and identify problems
    seek different points of view and evaluate them based on facts
    recognize the human, interpersonal, technical, scientific, and mathematical dimensions of a problem
    identify the root cause of a problem
    be creative and innovative in exploring possible solutions
    readily use science, technology, and mathematics as ways to think, gain, and share knowledge, solve problems, and make decisions
    evaluate solutions to make recommendations or decisions
    implement solutions
    check to see if a solution works, and act on opportunities for improvement


Teamwork Skills / Teamwork Skills
« on: October 31, 2017, 09:54:13 AM »
The skills and attributes needed to contribute productively

You will be better prepared to add value to the outcomes of a task, project, or team when you can:

    understand and work within the dynamics of a group
    ensure that a team’s purpose and objectives are clear
    be flexible: respect, and be open to and supportive of the thoughts, opinions, and contributions of others in a group
    recognize and respect people’s diversity, individual differences, and perspectives
    accept and provide feedback in a constructive and considerate manner
    contribute to a team by sharing information and expertise
    lead or support when appropriate, motivating a group for high performance
    understand the role of conflict in a group to reach solutions
    manage and resolve conflict when appropriate


    plan, design, or carry out a project or task from start to finish with well-defined objectives and outcomes
    develop a plan, seek feedback, test, revise, and implement
    work to agreed-upon quality standards and specifications
    select and use appropriate tools and technology for a task or project
    adapt to changing requirements and information
    continuously monitor the success of a project or task and identify ways to improve


Personal Management Skills / Personal Management Skills
« on: October 31, 2017, 09:53:20 AM »
The personal skills, attitudes, and behaviours that drive one’s potential for growth

You will be able to offer yourself greater possibilities for achievement when you can:

    feel good about yourself and be confident
    deal with people, problems, and situations with honesty, integrity, and personal ethics
    recognize your own and other people’s good efforts
    take care of your personal health
    show interest, initiative, and effort


    set goals and priorities balancing work and personal life
    plan and manage time, money, and other resources to achieve goals
    assess, weigh, and manage risk
    be accountable for your actions and the actions of your group
    be socially responsible and contribute to your community


    work independently or as part of a team
    carry out multiple tasks or projects
    be innovative and resourceful: identify and suggest alternative ways to achieve goals and get the job done
    be open and respond constructively to change
    learn from your mistakes and accept feedback
    cope with uncertainty


    be willing to continuously learn and grow
    assess personal strengths and areas for development
    set your own learning goals
    identify and access learning sources and opportunities
    plan for and achieve your learning goals


    be aware of personal and group health and safety practices and procedures, and act in accordance with them


বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি কতটুকু?

ড. কুদরাত-ই-খুদা বাবু

দেশের মানুষকে প্রতিবছর ভাগ্যদেবীর যেসব প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়ে নানা সমস্যায় জর্জরিত হতে হয়, বন্যা তার অন্যতম। বিগত বছরগুলোর মতো চলতি বছরও দেশের উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চলসহ ২১টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক আকারে দেখা দিয়েছে। পানির ঢল, ব্যাপক নদীভাঙন আর প্রবল বন্যায় গৃহহীন, সহায়-সম্বলহীন হয়ে পড়েছে অসংখ্য মানুষ। বন্যার কারণে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে রাস্তায়, স্কুল-কলেজে নির্ঘুম ও দুশ্চিন্তাযুক্ত মনে রাত পার করছে অসহায় ওই মানুষগুলো। প্রতি মুহূর্তে তারা ভোগ করছে নিদারুণ ও অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট আর যন্ত্রণা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছর বন্যা বিপর্যয়ে এ পর্যন্ত ১১৭ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর সরকারের ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে বলা হয়েছে, দেশের ২১ জেলায় ৩২ লাখ ৮৭ হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারের এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে অবশ্য বন্যার ভয়াবহতার মাত্রা সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া সম্ভব হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বন্যাকবলিত এ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ওই বিপুল জনগোষ্ঠীকে প্রয়োজনীয় ত্রাণ, সাহায্য-সহযোগিতা ইত্যাদি সঠিকভাবে দেওয়া হচ্ছে কি না? পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে বন্যার্ত মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করার চেষ্টা করা হচ্ছে বটে; কিন্তু তা চাহিদার তুলনায় সামান্য। বন্যাকবলিত জেলাগুলোর শহর ও উপজেলা পর্যায়ে বা যাতায়াত করা সহজ—এমন এলাকাগুলোতে কিছু ত্রাণ তত্পরতা থাকলেও বন্যাকবলিত অনেক জেলায়, বিশেষ করে যেসব জেলায় দুর্গম চরাঞ্চল রয়েছে, সেখানে ত্রাণ নিয়ে তেমন কেউ যাচ্ছে না বলে পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে। উত্তরাঞ্চলে এমন অনেক চর রয়েছে, যেখানকার লোকজন স্বাভাবিক শুষ্ক মৌসুমেই অভাব-অনটনের মধ্যে থাকে।

তারা এখন কতটা ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে পড়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় এই যে বন্যার গত পাঁচ দিনে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ত্রাণ যায়নি এমন খবরও পাওয়া গেছে। আর বন্যাকবলিত এসব জেলার অনেক মানুষই যে এখন ডায়রিয়া, চর্মরোগসহ নানা রোগে আক্রান্ত সে কথা বলাই বাহুল্য। এবারের ভয়াবহ বন্যায় জনজীবন যেভাবে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে, যত টাকার সম্পদ বিনষ্ট হয়েছে, তা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঘটেনি বলে জানা যায়। বন্যার প্রভাবে কিছু কিছু এলাকার চিত্র এমন দাঁড়িয়েছে যে যেসব জায়গায় এই কিছুদিন আগেও যেখানে লোকালয় ছিল; কিন্তু বন্যার কারণে আজ সেখানে লোকালয় বলে কিছু নেই। বন্যায় বসতবাড়ি ডুবে যাওয়ার কারণে অনেক মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বাঁধ বা উঁচু স্থানে।

এবারের বন্যায় বন্যাকবলিত জেলাগুলোর বেশির ভাগ স্থানের নলকূপ ডুবে যাওয়ায় খাবার পানির তীব্র সংকটও দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে পানিবাহিত নানা রোগ-ব্যাধি। এটা খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয় যে বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে বন্যা ও বন্যাপরবর্তী সময় নানা ধরনের রোগ-বালাই দেখা যায়। এর মধ্যে পানিবাহিত রোগের প্রভাবই বেশি দেখা যায়। বন্যার সময় ময়লা-আবর্জনা, মানুষ ও পশু-পাখির মলমূত্র এবং পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা একত্র হয়ে এসব উৎস থেকে জীবাণু বন্যার পানিতে মিশে যায় এবং তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে বন্যায় সংক্রামক ব্যাধির বিস্তার বেড়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত মানুষ যেন পানিবাহিত রোগ থেকে সহজেই রক্ষা পেতে পারে সে জন্য সরকারি-বেসকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে অবশ্যই সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে। আর এসব মানুষ যেন নিত্যপ্রয়োজনীয় সব কাজেই নিরাপদ পানি ব্যবহার করে তা জানাতে হবে। এর পাশাপাশি এও জানাতে হবে যে তারা যেন বন্যার পানি বা বন্যায় তলিয়ে যাওয়া নলকূপ, কুয়া বা অন্য কোনো উেসর পানি জীবাণু দ্বারা দূষিত থাকায় কোনো অবস্থায়ই এসব পানি দিয়ে হাত-মুখ না ধোয়, কুলি না করে বা পান করা থেকে বিরত থাকে। বন্যার পানিতে গোসল করা, কাপড়চোপড় ধোয়া, থালাবাসন পরিষ্কার করা থেকে যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। বন্যার পানি ফুটিয়ে পান করার ব্যাপারেও বন্যায় আক্রান্তদের আগ্রহী করে তুলতে হবে। তবে পানিফোটানোর জন্য জ্বালানির সংকট থাকলে বা ফোটানো সম্ভব না হলে ক্লোরিনের মাধ্যমে পানি বিশুদ্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে।

চলতি বছর দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলসহ ২১টি জেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে এক প্রকার বাধ্য হয়েছে। দেখা গেছে, উত্তরাঞ্চলের পানি কমতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে মধ্যাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, প্রতিবছর দেশে বন্যা হলেও বন্যা মোকাবেলায় সরকারসহ জনগণের পক্ষ থেকে কেন পর্যাপ্ত প্রস্তুতি থাকে না? কেন বন্যা প্রতিরোধ করার জন্য উপযুক্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় না? এ ক্ষেত্রে সমস্যা কী কী কিংবা সমস্যা কোথায়? আবার সরকার, বিভিন্ন সংস্থা, সংগঠনসহ সবার পক্ষ থেকে বন্যা মোকাবেলায় চলতি বছর বন্যাকবলিত মানুষের জন্য উল্লেখযোগ্য তেমন কী করা হয়েছে? সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবছরই বন্যার সময় বলতে শোনা যায় যে পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ রয়েছে; বন্যায় আক্রান্ত এলাকায় ত্রাণের অভাব নেই ইত্যাদি। এক হিসাবে দেখা গেছে, প্রতিবছর দেশের বন্যাকবলিত জেলায় যে পরিমাণ আশ্রয়কেন্দ্র থাকা প্রয়োজন, সেই তুলনায় আশ্রয়কেন্দ্র নেই। ফলে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে স্থান পাওয়া মানুষের সংখ্যা নগণ্য। অসংখ্য মানুষ তখন এক প্রকার বাধ্য হয়েই খোলা আকাশের নিচে দিনাতিপাত করে, যা মানবিকতা বিপর্যয়ের ভয়াবহ রূপ। এসব মানুষের জন্য শুধু চালই যথেষ্ট নয়। বিশুদ্ধ খাবার পানি, শিশুখাদ্য, ওরস্যালাইনসহ জরুরি ওষুধ-পথ্যেরও প্রয়োজন এসব মানুষের। পাশাপাশি সরকারি ত্রাণসামগ্রী সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করাও জরুরি। বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে বন্যাত্রাণের যে সংস্কৃতি কিছুকাল আগেও ছিল। বন্যাদুর্গত মানুষগুলোর প্রতি সাহায্য-সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া আমার, আপনারসহ সবার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। কারণ ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য’। তবে এ কথা সবারই স্মরণ রাখা প্রয়োজন, বন্যাকবলিত হওয়ার পর বন্যার্তদের সাহায্য-সহযোগিতা করার চেয়ে বন্যা যেকোনো মূল্যে প্রতিরোধ করার ব্যবস্থা করা উত্তম। কারণ ‘Prevention is better than cure’। আগামী দিনগুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে যেন বন্যায় আক্রান্ত জেলাগুলোর বিভিন্ন জায়গা চিহ্নিত করে সঠিক উপায়ে বাঁধ ও বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়, নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোয় জিও টিউব (বালুর বড় বড় বস্তা) ফেলার ব্যবস্থা করা, নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করাসহ এমন সব কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় যেন সহজেই বন্যা মোকাবেলা করা যায়। আর এসব কিছু সম্ভব হলে অর্থাৎ বন্যা মোকাবেলা করার সব প্রস্তুতি পর্যাপ্ত হলে এবং শেষ পর্যন্ত এর সঠিক বাস্তবায়ন ঘটলে নিশ্চয় দেশের জনগণকে তখন আর বন্যার ফলে চরম মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হবে না।

লেখক : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক


« on: August 03, 2017, 10:02:11 AM »
রসুল স. বলেছেন, হে  আল্লাহ! আপনি সেই ব্যক্তিকে সজীব ও আলোকোজ্জ্বল করে রাখুন (এই পৃথিবী এবং পরবর্তী পৃথিবীতে), যে আমার কথা শুনে তা স্মৃতিতে ধরে রাখলো; তারপর পূর্ণ হেফাজত করে এমন লোকের কাছে পৌঁছে দিলো, যে তা শোনেনি। তিরমিজী

Please download PDF version of the book
সংকলন ও সম্পাদনা: আবু সুফিয়ান

QR Code of the book:
upload image free google

Person / Be the Change maker -- Mark Elliot Zuckerberg
« on: June 04, 2017, 12:48:26 PM »
যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান ছিল গত ২৫ মে। ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মধ্যে ছাতা মাথায় কিংবা বর্ষাতি গায়ে দাঁড়িয়ে হার্ভার্ডের বিদায়ী শিক্ষার্থীরা শুনেছেন অনবদ্য এক বক্তৃতা। বক্তার নাম—মার্ক জাকারবার্গ। হ্যাঁ, সেই মার্ক জাকারবার্গ, যিনি হার্ভার্ড থেকে স্নাতক সম্পন্ন করতে পারেননি। নাম লিখিয়েছেন ‘ড্রপ আউট’-এর খাতায়। আজ তিনিই বিশ্বের সবচেয়ে ধনীদের মধ্যে অন্যতম। তিনি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

আজ তোমাদের সঙ্গে থাকতে পেরে ভীষণ সম্মানিত বোধ করছি। কারণটা অকপটেই বলি, তোমরা যা অর্জন করেছ, আমি তা পারিনি। আজ যদি বক্তৃতাটা শেষ করতে পারি, সম্ভবত এই প্রথম হার্ভার্ডে কোনো কিছুর শেষ দেখা হবে (হাসি)।

২০১৭ সালের স্নাতক, অভিনন্দন!
আজ সমাবর্তন বক্তা হিসেবে আমি বেমানান—এ জন্য নয় যে আমি ড্রপ আউট হয়েছিলাম। কারণ, তোমরা আর আমি প্রায় একই প্রজন্মের প্রতিনিধি। এক দশকেরও কম সময়ের ব্যবধানে আমরা এই প্রাঙ্গণে হেঁটেছি। একই লেকচার পড়েছি। আমাদের প্রজন্ম আর আমাদের পৃথিবী থেকে আমি যা শিখেছি, সেটাই আজ বলব।
গত কয়েক দিনে পুরোনো দিনের কিছু চমৎকার স্মৃতি মনে পড়ে গেল।
তুমি হার্ভার্ডে ভর্তির সুযোগ পেয়েছ—এ খবরটা যখন জানলে, ঠিক সে মুহূর্তটা কার কার মনে আছে? আমার মনে আছে। আমি ‘সিভিলাইজেশন’ নামে একটা ভিডিও গেম খেলছিলাম। সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে নিচে নেমেছিলাম বাবাকে খবরটা দেওয়ার জন্য। সত্যি বলছি, সেদিনই মা-বাবা আমাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি গর্বিত হয়েছিলেন। যদিও দর্শকসারিতে বসা আমার মা দুদিকে মাথা নাড়ছেন...(হাসি)!
হার্ভার্ডে প্রথম লেকচার—কার কার মনে আছে? আমার ছিল ‘কম্পিউটার সায়েন্স ওয়ান টু ওয়ান’। হ্যারি লুইসের সেই অভাবনীয় ক্লাস! আমি ক্লাসে এসেছিলাম দেরি করে। তাড়াহুড়ায় উল্টো টিশার্ট পরে চলে এসেছিলাম। কেন কেউ আমার সঙ্গে কথা বলছে না, ঠিক বুঝতে পারছিলাম না। তবে হ্যাঁ, একজন কথা বলেছিল—কে এক্স জিন। সেদিন ক্লাসে আমরা একসঙ্গে ‘প্রবলেম সেট’ সমাধান করেছি। কে এক্স জিন এখন ফেসবুকের বড় একটা অংশের দেখভাল করে। অতএব ২০১৭ সালের স্নাতকেরা বুঝতেই পারছ, কেন মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা উচিত!
হার্ভার্ডে আমার সবচেয়ে মধুর স্মৃতি হলো প্রিসিলার সঙ্গে দেখা হওয়ার মুহূর্তটি। ফেসম্যাশ নামের প্র্যাংক ওয়েবসাইট তখন মাত্রই চালু করেছি। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিভাগ জানাল, তারা আমার সঙ্গে ‘দেখা করতে’ চায়। সবাই ধরেই নিল, আমাকে নিশ্চিত বের করে দেওয়া হবে। এমনকি আমার ব্যাগ-পত্র গোছানোতে সাহায্য করতে মা-বাবা চলে এলেন। বন্ধুরা আমার জন্য একটা বিদায়ী অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করে ফেলল। আর দেখ, কী ভাগ্য—সেই অনুষ্ঠানেই এক বন্ধুর সঙ্গে হাজির হলো প্রিসিলা! পোফহো বেলটাওয়ারের প্রসাধনকক্ষের সামনে আমাদের দুজনের দেখা। সেদিন প্রিসিলাকে আমি যা বলেছিলাম, সেটা নিশ্চয়ই অবিস্মরণীয় প্রেমের বাণীগুলোর মধ্যে স্থান পেতে পারে। আমি বলেছিলাম, ‘আগামী তিন দিনের মধ্যে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হবে। অতএব, তোমার আর আমার খুব শিগগিরই একসঙ্গে বসা দরকার!’
আজ তোমরা যারা স্নাতক ডিগ্রি নিচ্ছ, এই বুদ্ধিটা তোমরাও কাজে লাগাতে পারো। প্রিয়জনকে বল, ‘আজই আমাকে বের করে দেবে; অতএব...(হাসি)।
শেষ পর্যন্ত হার্ভার্ড থেকে আমাকে বের করে দেওয়া হয়নি, আমি নিজেই বেরিয়ে গিয়েছিলাম। তত দিনে প্রিসিলা আর আমি একসঙ্গে সময় কাটাতে শুরু করেছি। ফেসবুক নিয়ে যে সিনেমাটি তৈরি হয়েছে, সেটি দেখলে মনে হয় ফেসবুক গড়ে ওঠার পেছনে ফেসম্যাশের একটা বড় অবদান ছিল। সত্যি বলতে কি, অবদানটা ততটা গুরুত্বপূর্ণও নয়। তবে হ্যাঁ, ফেসম্যাশ না থাকলে হয়তো প্রিসিলার সঙ্গে আমার দেখা হতো না। সে আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ। সেই বিবেচনায় ক্যাম্পাসে থাকাকালীন ফেসম্যাশ আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।
এই ক্যাম্পাসেই আমরা সারা জীবনের জন্য কিছু বন্ধু পেয়েছি। কেউ কেউ পেয়েছি জীবনসঙ্গীও। তাই এ জায়গাটার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। ধন্যবাদ হার্ভার্ড।
আজ আমি জীবনের লক্ষ্য নিয়ে কথা বলতে চাই। গৎবাঁধা সমাবর্তন বক্তৃতার মতো আমি বলব না, তোমার জীবনের লক্ষ্যটা খোঁজো। আমরা একুশ শতকের তরুণ। জীবনের লক্ষ্য খোঁজার কাজটি আমাদের সহজাতভাবেই করার কথা। আমি বরং বলব, শুধু তোমার জীবনের লক্ষ্য খোঁজাই যথেষ্ট নয়। আমাদের প্রজন্মের চ্যালেঞ্জ হলো—এমন এক পৃথিবী তৈরি করা, যেখানে সবাই নিজের জীবনের লক্ষ্য নিয়ে ভাবে। জন এফ কেনেডির একটা গল্প আমার খুব প্রিয়। তিনি একবার নাসা স্পেস সেন্টারে গিয়েছিলেন। সেখানে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ঝাড়ু দিতে দেখে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি কী করছ?’ লোকটা জবাব দিলেন, ‘মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আমি একজন মানুষকে চাঁদে যেতে সাহায্য করছি।’
তোমার লক্ষ্যটা হয়তো আমার গণ্ডির চেয়েও বড়, তুমি হয়তো তোমার চেয়েও বড় একটা কিছুর অংশ। লক্ষ্যই মানুষকে সত্যিকার সুখের সন্ধান দেয়।
তোমরা এমন এক সময়ে স্নাতক সম্পন্ন করছ, যখন লক্ষ্য ব্যাপারটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের মা-বাবা যখন স্নাতক করেছেন; তখন কর্মস্থল, গির্জা কিংবা সমাজ তাঁদের লক্ষ্য ঠিক করে দিত। কিন্তু এখন প্রযুক্তি মানুষের অনেক কাজের জায়গা দখল করে নিয়েছে। সমাজের ভূমিকা কমে যাচ্ছে। এমন অনেকেই আছেন, যাঁদের সঙ্গে তাঁদের সম্প্রদায়ের যোগাযোগ কম। তাঁরা হতাশ এবং এই শূন্যতা পূরণের চেষ্টায় ব্যস্ত।
আমি অনেক জায়গায় ঘুরেছি। কিশোর অপরাধী আর মাদকাসক্ত মানুষের সঙ্গেও কথা বলেছি। তারা আমাকে বলেছে, স্কুলের সময়টুকুর পর একটা কিছু করার থাকলে হয়তো তাঁদের জীবনটা আজ এমন হতো না। আমি কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা জানেন—তাঁদের প্রয়োজন ফুরিয়ে আসছে; তাঁরা তাঁদের অবস্থান খুঁজছেন।
শুধু নতুন নতুন কাজের সুযোগই নয়, মানুষের সামনে নতুন নতুন লক্ষ্য দাঁড় করাতে হবে। একটা অগ্রসরমাণ সমাজ পেতে হলে আমাদের প্রজন্মের সামনে এটাই চ্যালেঞ্জ।
কার্কল্যান্ড হাউজের ছোট্ট ঘরটিতে যেদিন ফেসবুকের যাত্রা শুরু হলো, সেই রাতের কথা আমার মনে পড়ে। হার্ভার্ডের বাসিন্দাদের একসঙ্গে সংযুক্ত করতে পেরে আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত ছিলাম। বন্ধু কে এক্সকে বলছিলাম, দেখো—একদিন কেউ একজন সারা পৃথিবীর মানুষকে সংযুক্ত করবে। ব্যাপারটা হলো, আমাদের মাথায় কখনো আসেনি যে এই কেউ একজনটা তো আমিও হতে পারি। আমরা ছিলাম কলেজপড়ুয়া বাচ্চা ছেলে। এত বিশাল কিছু সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণাই ছিল না। বরং আমাদের চারপাশে বড় বড় প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ছিল। আমার স্রেফ মনে হয়েছিল, একদিন কেউ না কেউ করবে। কিন্তু একটি বিষয় আমি নিশ্চিতভাবে জানতাম, প্রতিটি মানুষ অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত হতে চায়। অতএব, দিনের পর দিন আমরা শুধু কাজ করে গেছি।
জানি তোমাদের অনেকেরই এমন কিছু গল্প আছে। তোমরা জানো, পৃথিবীতে একটা পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। তোমরা জানো, কেউ না কেউ সেই পরিবর্তনটা আনবে। সেই একজনটা কেন তুমি নও? (সংক্ষেপিত)
ইংরেজি থেকে অনুবাদ: মো. সাইফুল্লাহ
সূত্র: নিউজ ডট হার্ভার্ড ডট এডু


Mr. Nizhum Rahman, Lecturer, Department of General Education Development of Daffodil International University received Prime Minister Gold Medal Award 2013-2014 for his outstanding performance in B.Sc. results in 2013. Prime Minister Sheikh Hasina handed over the Gold Medal and Certificate in a program held on March 22, 2017 at Gano Bhabon as the chief guest. Education Minister Nurul Islam Nahid MP, was also present in the program. Professor Abdul Mannan, Chairman, University Grants Commission of Bangladesh presided over the program.

University Grants Commission of Bangladesh has awarded Prime Minister Gold Medal Award 2013-2014 among 233 students who are top in their faculty among 34 universities. Finally, 56 students who are top in their universities got a chance to receive their medal from Prime Minister of Bangladesh.

Pages: [1] 2 3 ... 89