Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Nahian Fyrose Fahim

Pages: [1] 2 3 ... 17
1
Pharmacy / Re: Poisonous plant in Bangladesh
« on: May 20, 2018, 10:34:44 AM »
Nice sharing. Thank you

3
Good News Indeed  :)

<a href="http://www.youtube.com/v/OTmpoqkBMa4" target="_blank" class="new_win">http://www.youtube.com/v/OTmpoqkBMa4</a>

7
Scientists are saying that they will make it possible. Lets see madam .  :)

8

ওষুধ তৈরি এখন বেশ বড় শিল্প। মোটা অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন হয়, গবেষণা থেকে অনুমিত ফল না পেলে ক্ষতির পরিমাণটাও বড়ই হয়। স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ হয়ে পড়ে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এ জন্যই বিজ্ঞানীরা চাইছেন দ্রুততম সময়ে কার্যকর ওষুধ তৈরি করতে।
এ লক্ষ্যে কোমর বেঁধে নেমেছে গ্ল্যাক্সো-স্মিথক্লাইন (জিএসকে), জনসন অ্যান্ড জনসনের মতো বড় কোম্পানিগুলো। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ে ওষুধ তৈরি করতে চাইছে তারা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ওষুধ আবিষ্কারক কোম্পানি এক্সাইনশিয়ার প্রধান, অধ্যাপক অ্যান্ড্রু হপকিন্স সম্প্রতি জিএসকের সঙ্গে ৩৩ মিলিয়ন পাউন্ডের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। তিনি মনে করেন, এই ‘যৌথ প্রচেষ্টা’র মাধ্যমে এক-চতুর্থাংশ সময়ে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব।
মানুষ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যৌথ প্রচেষ্টার নাম দেওয়া হয়েছে ‘সেন্টর দল’। গ্রিক উপকথায় সেন্টরকে দেখানো হয়েছে এক জাদুকরী প্রাণী হিসেবে, যার অর্ধেক শরীর মানুষের, বাকি অর্ধেক ঘোড়ার। অধ্যাপক হপকিন্সের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিজ্ঞানকে সেন্টরদের মতো শক্তিশালী করবে। ওষুধ আবিষ্কারের খরচ অর্ধেকে নেমে আসতে পারে।

বিজ্ঞানীরা প্রায়ই রোগকে ‘টার্গেট’ এবং অণু-পরমাণুকে ‘অস্ত্র’ হিসেবে সম্বোধন করেন। একেকটি টার্গেটে বেশ কিছু সম্ভাবনাময় অস্ত্রের ব্যবহার করে কাঙ্ক্ষিত ওষুধ তৈরি করা হতো। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় সময় লাগত বেশি, সাফল্যের হারও ভালো ছিল না।
পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান আর্নেস্ট অ্যান্ড ইয়ংয়ের কর্মকর্তা পামেলা স্পেন্স মনে করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ‘এই প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজলভ্য করা যাবে। কোনটি কাজ করতে পারে আর কোনটি করবে না, তা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুপারকম্পিউটারের মাধ্যমে জানা যাবে। একবার সম্ভাবনাময় পরমাণুগুলো খুঁজে পাওয়া গেলে গবেষণার খরচ ও অপচয় কমিয়ে আনা সম্ভব। সেগুলো নিয়ে তখন নিবিড় গবেষণা চালানো যাবে। এভাবে সাফল্যের হারও বাড়বে কয়েক গুণ।’



প্রফেসর হপকিন্স বলেন, ‘আমরা অনিশ্চয়তাটিকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছি না, কিন্তু এটা খুবই বড় এবং ঝামেলাপূর্ণ কাজ...একেকটি ওষুধ তৈরি করতে হয়তো প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের কয়েক পয়সা খরচ হয়। কিন্তু সেই ওষুধ আবিষ্কার করাটা ভীষণ খরচের ব্যাপার।’

এই আবিষ্কারের ক্ষেত্রটায় কাজ করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আশা করা হচ্ছে, ‘টার্গেট’ থেকে ওষুধ তৈরি পর্যন্ত মাঝের প্রক্রিয়াটায় প্রায় ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়, সময় লাগে প্রায় ৫ বছর। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করলে খরচটা ৩৩ শতাংশে নামিয়ে আনা যাবে। সময়ও লাগবে এক বছর।

Source : http://www.prothomalo.com

9
Nutrition and Food Engineering / Top 15 Foods To Boost Brain Power
« on: April 23, 2018, 11:53:22 AM »
<a href="http://www.youtube.com/v/kNsR3xB7t7c" target="_blank" class="new_win">http://www.youtube.com/v/kNsR3xB7t7c</a>

10
A Good CV/Resume / Re: How to make an effective video CV
« on: April 16, 2018, 05:13:51 PM »
Nice sharing.. Thank you

11
Nice sharing

12
আসুন আর একবার ভাবী। লিখাটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৬ সালে দৈনিক ভোরের কাগজে। এখন ২০১৮ ... আমাদের সমাজে বৃদ্ধ দের প্রতি অবহেলা বাড়ছে দিন দিন... আবার ঈদ  আসছে ...

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে নাড়ির টানে বাড়ি ছুটছেন অসংখ্য মানুষ। আবার অনেকে ব্যস্ত রয়েছেন কেনাকাটা আর পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়ে। বাবা-মা, ভাইবোন, স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করবেন সবাই। কিন্তু অনেকেই আছেন যারা তাদের পরিবারের সদস্যদের ছেড়ে দূরে একা ঈদ করবেন, কেমন কাটবে তাদের ঈদ? বলছি বৃদ্ধাশ্রমে থাকা অসহায় সেই বৃদ্ধ বাবা-মায়েদের কথা। আর কদিন পরেই ঈদুল ফিতর। তবুও দীর্ঘ দিন ধরে বৃদ্ধাশ্রমে ঈদ পালন করেছেন অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত বাবা-মা। বৃদ্ধাশ্রমে থাকা বৃদ্ধদের সন্তানরা বেশির ভাগই প্রতিষ্ঠিত। এর পরও তাদের ঈদ করতে হয় বৃদ্ধাশ্রমে। আর এই বিশেষ দিনটিতে হতাশা আর শূন্যতা নিয়ে সন্তানের স্মৃতি হাতড়ে বেড়ান বৃদ্ধাশ্রমে থাকা এসব মানুষ।

বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানদের চরম অবহেলা-অবজ্ঞার চিত্র ধরা পড়ে বৃদ্ধাশ্রমে। অসংখ্য সন্তান বৃদ্ধ বাবা-মাকে পরিবারের পরিত্যক্ত বস্তু ভেবে পাঠিয়ে দেন বৃদ্ধাশ্রমে। সমাজের নিম্নবিত্ত পরিবার ছাড়িয়ে উচ্চবিত্ত পরিবারের প্রবীণ মায়েরা রয়েছেন এসব বৃদ্ধাশ্রমে। কেমন রয়েছেন তারা তা জানার জন্য তা জানতে গিয়েছিলাম গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত প্রবীণ হিতৈষী ও জরা বিজ্ঞান সংঘে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রতিষ্ঠানের একটি অংশ প্রবীণ নিবাস। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, সংসার বিচ্ছিন্ন লোকচক্ষুর আড়ালে পরবাসে থাকা বাবা-মায়েদের। নিষ্প্রাণ, বোধশূন্য, গতানুগতিক জীবনযাত্রার বাইরে থাকা ওইসব বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা হয়। কেমন আছেন তারা জানতে চাইলে অনেকেরই চোখে পানি এসে যায়। কেউ বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন, ভাষা খুঁজে পান না। আবার কেউ সমাজে প্রতিষ্ঠিত সন্তানের মানহানি হয় কিংবা ছেলের রক্তচক্ষু দেখতে হয় সেই ভয়েও গণমাধ্যমে কথা বলতে চাননি।

প্রায় প্রতিদিনিই বুকের ভেতর পাথর চাপা কষ্ট, হতাশা ও শূন্যতা নিয়ে প্রিয়জনের পথ চেয়ে বসে থাকেন প্রবীণ নিবাসের বৃদ্ধরা। কথা হয় ৬৮ বছর বয়স্ক আশরাফ দেওয়ান নামক এক বৃদ্ধের সঙ্গে। ঈদ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পরে তিনি বলেন, ঈদ আর আমাদের জন্য নয়। ঈদের খুশি বিগত ১০ বছর আগেই ভুলে গেছি। এখন জীবনের শেষ সময়টুকু থাকতে চাই এভাবেই।

এ সময় তিনি আক্ষেপ করে বলেন, অনেক কষ্টে গড়া নিজের সুখের ঘরে তার স্থানটিই শূন্য। ছেলেমেয়ে থাকা সত্ত্বেও আজ আমি এই পৃথিবীতে নিঃসঙ্গ জীবনের বাসিন্দা। তবে এটাই কি আমার সারা জীবনের কষ্টের উপহার। যে সন্তানকে নিজে না খেয়ে লালন-পালন করে বড় করে তুলেছি, সেই সন্তানই আজ অচেনা মানুষ।

এ সময় তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আগে ঈদে সবাই বাসায় আসত। আমাকে সালাম করত। আমি সালামি দিতাম কিন্তু এখন কেউ আসে না বলতেই অঝরে কাঁদতে শুরু করেন।

সন্তানের প্রতি নিজের অভিমানের কথা এভাবেই বলছিলেন প্রবীণ নিবাসে বসবাসকারী সাবেক স্কুলশিক্ষক রনি সিকদার (৬৪) (ছদ্মনাম)। স্ত্রী মারা গেছেন ১০ বছর আগে। একমাত্র ছেলে ডাক্তার। থাকেন জার্মানিতে। সন্তানের অবহেলা আর নিজের একাকিত্বের কছে হার মেনে অবশেষে ঠাঁই নিয়েছেন প্রবীণ নিবাসে।

তার সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে তিনি জানান, জীবনে অনেক আপনজনকে চিরদিনের জন্য হারিয়েছি। খুব একটা কষ্ট হয়নি। কারণ তারা চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেছে। কিন্তু ছেলে থাকার পরও মনে হচ্ছে সে নাই। এখানে (বৃদ্ধাশ্রম) থাকাটা কষ্টের। চাকরি থেকে অবসর নেয়ার পর ভেবেছিলাম জীবনের শেষ সময়টুকু ছেলে, ছেলের বউ আর নাতি-নাতনিদের সঙ্গে কাটাব। কিন্তু আমাকে তাদের সহ্যই হয় না। সে কারণেই সে আমাকে এখানে রেখে গেছে। মাসে মাসে এখানকার খরচ পাঠিয়ে দেয়। এক বছর হলো তাকে আমি দেখি না। আল্লাহ যেন তাকে ভালো রাখে সেই দোয়াই করি সর্বদাই। ঈদ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মৃত্যুর আগে একবার ঈদ করার ইচ্ছে আছে সন্তান, নাতি-নাতনিদের সঙ্গে। জানি না করতে পারব কিনা, বলতেই কেঁদে দেন তিনি। তার কান্না দেখে আর কোনো প্রশ্ন করার ইচ্ছে হলো না।

প্রাচীন চীনে পৃথিবীর প্রথম বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। খ্রিস্টপূর্ব ২২০০ শতকে শান রাজবংশ ঘরছাড়া অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে বৃদ্ধাশ্রম তৈরি করেছিল। শান রাজবংশ বিভিন্ন পরিবার থেকে বিতাড়িত বৃদ্ধদের জন্য আলাদা এই আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করে ইতিহাসে আলাদা জায়গাই দখল করে নিয়েছিল। পৃথিবীর প্রথম প্রতিষ্ঠিত সেই বৃদ্ধাশ্রমে ছিল বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের আরাম-আয়েশের সব রকম ব্যবস্থাই। ছিল খাদ্য ও বিনোদন ব্যবস্থা। ইতিহাসবিদরা এই বৃদ্ধাশ্রমকে প্রাচীন চীনে গড়ে ওঠা সভ্যতারই অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত করেছেন। বৃদ্ধাশ্রম বৃদ্ধ নারী-পুরুষের আবাসস্থল। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে বিজ্ঞানের অভাবনীয় সাফল্য, চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রভূত উন্নতি সমগ্র বিশ্বে জীবন প্রত্যাশার মান বৃদ্ধি করে জনমিতিক ক্ষেত্রে এক বিরাট পরিবর্তন এনেছে। এর ফলে সমগ্র বিশ্বে বৃদ্ধ নর-নারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের নর-নারীর গড় আয়ুও বৃদ্ধি পেয়েছে। একবিংশ শতাব্দীকে কেউ কেউ বার্ধক্যের যুগ বলেও উল্লেখ করেছেন। তবে বার্ধক্যের মোকাবেলা করা বিশ্ব সমাজের জন্য এক বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়।

প্রবীণ নিবাস থেকে আসার আগে কথা হয় আরেক বৃদ্ধা ফাতেমা খাতুনের (ছদ্মনাম) সঙ্গে। তার এক ছেলে, দুই মেয়ে। মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন আর ছেলে গার্মেন্টসে চাকরি করে। তিনি প্রায় তিন বছর ধরে প্রবীণ নিবাসে রয়েছেন। অঝোরে চোখের পানি ছেড়ে একমাত্র পুত্রসন্তানের বাড়ি থেকে নিজের বিতাড়িত হওয়ার বর্ণনা দেন। তার কাছে বিস্তারিত জানার সময় মনে হয়েছে যেন আল্লার আরশ কাঁপছে। ছেলেবেলায় সন্তানদের একমাত্র আশ্রয়স্থল পিতা-মাতা অথচ বৃদ্ধ বয়সে পিতা-মাতার আশ্রয়স্থল সন্তানরা কেন হয় না? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি কেঁদে ফেলেন। তিনি ছেলের প্রতি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আমার এখানে থাকতে ইচ্ছে করে না। এর পরও কেন সে এখান থেকে আমাকে নিয়ে যায় না। আমার এখানে থাকতে মন চায় না। আমি এখানে মরতে চাই না।এদিকে প্রবীণ হিতৈষী সংঘের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এ এস এম আতীকুর রহমান বলেন, প্রবীণদের জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা, বাসস্থান, খাদ্য, চিকিৎসাসহ সব ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। এখানে যারা থাকেন যদিও তারা পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকেন, এর পরও এখানে পরিবারের মতোই থাকেন। অন্যদিকে আবার ঈদের দিনে তাদের অনেকেই মনে করেন একা থাকতে চান। তিনি আরো জানান, এখানে যারা আছেন, তারা উচ্চশিক্ষিত ও কর্মজীবনে তারা অনেক দিন কাজ করেছেন। আমি লক্ষ করেছি, অনেকে একা থাকতে পছন্দ করেন। অনেকের আত্মীয়স্বজন থাকলেও তারা ঈদের দিন দেখা করতে আসেন না। এটাও অনেকটাই বাস্তব।

এদিকে প্রবীণ নিবাসের কর্তৃপক্ষ তাদের জন্য রেখেছেন দুদিনব্যাপী বাড়তি আয়োজন। কিন্তু যতই আয়োজন থাকুক, ফেলে আসা দিনে সন্তানদের নিয়ে কাটানো ঈদের আনন্দস্মৃতি তাড়া করে বেড়ায় এই হতভাগা মা-বাবাদের। কথা হয় এই প্রবীণ হাসপাতালের ডাক্তার মো. আমানুল্লার সঙ্গে তিনি জানান, এখানে প্রবীণরা এক সঙ্গে থাকার ফলে তাদের কষ্টটা অনেকাংশেই দূর হচ্ছে। একই সঙ্গে তারা এখানে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। তাদের চিকিৎসার জন্য এখানে হাসপাতাল রয়েছে। প্রায় ২৫ জন চিকিৎসক তিন সিফটে এখানে দায়িত্ব পালন করেন। এখানে সব ধরনের চিকিৎসাসেবা দেয়া হয় তাদের। তিনি আরো জানান, বৃদ্ধরা তাদের একাকিত্ব দূর করার জন্য বৃদ্ধাশ্রমে থাকেন। কারণ তাদের সন্তানরা তাদের সময় দিতে পারেন না। তারা কাজকর্মে ব্যস্ত থাকেন। এ সময় তাদের মধ্যে নানা রকম সমস্য দেখা দেয়। তাই তাদের বেশির ভাগই এখানে ভালো থাকার জন্য আসেন।বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের তথ্যমতে, বাংলাদেশে বর্তমানে ১ কোটি ৩০ লাখের মতো প্রবীণ রয়েছেন। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭ শতাংশ প্রবীণ এবং বাংলাদেশের প্রবীণদের ৭৮ শতাংশ বিধবা। রাজধানীর আগারগাঁও প্রবীণ হাসপাতাল নিবাসে (বৃদ্ধাশ্রমে) ৪৫ জন নারী রয়েছেন। আরো বাড়ছে বলে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে। গাজীপুরের হোতাপাড়ার মনিপুর এলাকায় মুকুলের বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ২০০ মানুষ থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। বর্তমানে বসবাসরত এই কেন্দ্রে প্রায় এক-তৃতীয়াংশই নারী। সাভার বৃদ্ধাশ্রম এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের বৃদ্ধাশ্রমেও বাড়ছে বৃদ্ধ মায়েদের মুখ।

ঈদের দিনটাও তাদের কাছে অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক কাটে। বিশেষ দিনগুলোতে একবুক শূন্যতা নিয়ে সন্তানের স্মৃতি হাতড়ে বেড়ান তারা। বুকের ভেতর পাথর চেপে, হতাশা নিয়ে এমনি করে পথের দিকে প্রতিদিনই চেয়ে থাকেন তারা, কারো জন্য প্রতীক্ষা, ঈদের দিনটিতে হয়তো কোনো প্রিয়জনের পথ চেয়ে একটু বেশি প্রত্যাশা। কারো কারো প্রিয়জন আসেন, কেউ কেউ একাই কাটিয়ে দেন। আবার কারো ১২ বছরেও খোঁজ তো দূরের কথা ফোনালাপ পর্যন্ত হয় না। এ রকম এক খুশির দিনে বৃদ্ধাশ্রমে থাকা মানুষগুলোর কষ্টের সীমা থাকে না। এটাই মনে হয় জীবনের এক কঠিন বাস্তবতা। তবুও সেই বাস্তবতা মেনে নিয়ে জীবনের বাকি সময়গুলো ভালো থাকতে চান এখানকার প্রবীণরা।

--আফিফ ফারুকী অভি

Source: http://www.bhorerkagoj.net/print-edition/2016/07/05/96712.php

13

1. Almonds

Almonds consist of protein that helps repair brain cells, thus improving cognitive functions including memory. Zinc, in almonds, helps in reducing the effects of free radicals that are known to destroy body cells and cause disease. Almonds are rich in vitamin E that helps slow down the ageing process of brain cells. Omega-3 fatty acids help strengthen the neuron function.

2. Dates

Dates are rich in antioxidants and phytonutrients that help protect the brain from oxidative stress which is responsible for damaging brain cells and further cause memory lapse.

3. Walnuts

Many studies have pronounced walnut as one of the healthiest nuts for brain health. Eating walnuts improves cognitive functions such as memory, concentration and information processing speed.

Source: https://www.ndtv.com

14
Turmeric


Curcumin is an extract of turmeric that has been shown to break down amyloid-beta plaques (a hallmark of Alzheimer's disease) in lab-based (in vitro) studies.

Turmeric is not easily absorbed and there is no real evidence that supports turmeric being used as a treatment for Alzheimer's disease, but the specific effects by curcumin on amyloid-beta plaques could be a useful target for future investigations into potential treatments.

Can curcumin break up amyloid-beta plaques?

There is a lot of research into the potential role of turmeric as a treatment for Alzheimer's disease, along with some anecdotal evidence about its benefits. Much research is centred around curcumin, a chemical found in turmeric, which has been shown to have anti-oxidant, anti-inflammatory and anti-amyloid properties.

Though research has shown that curcumin could prevent the formation, and even break up the amyloid-beta plaques associated with Alzheimer's disease, similar results have not been found in clinical studies, and the way that curcumin could work within the brain is unclear.

Another chemical in turmeric that has been studied in the lab is turmerone. In animal studies tumerone has been shown to stimulate stem cells to make new brain cells, something that could in theory help with neurodegenerative conditions like Alzheimer's disease. However, these experiments are in their infancy and we do not yet know whether turmerone would have the same effect on stem cells in people. We also don't yet understand whether stimulating the production of new brain cells is a useful approach for people with dementia.

Turmeric in diets

Though there is a significantly lower rate of Alzheimer's disease amongst Asian populations that have diets high in turmeric, it seems unlikely that turmeric itself is responsible for this. The limited clinical trials conducted do not support the findings of the in vitro (lab-based) studies.

Turmeric and curcumin are not easily absorbed into the body and tend to be broken down quickly, so are not readily available to be used in biological processes. This means the levels of turmeric you would need to consume to match the levels cells were exposed to in test tube experiments would be exceptionally high. It also makes developing drugs based on turmeric activity very difficult, though the evidence suggesting that turmeric may be beneficial when in the brain will make it a target for future research.

Turmeric is currently unlikely to prevent or relieve Alzheimer's disease, but could be a potential chemical for the future research into development of treatments


Source:https://www.alzheimers.org.uk/info/20010/risk_factors_and_prevention/147/turmeric

Pages: [1] 2 3 ... 17