Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - yousuf miah

Pages: [1] 2 3 ... 11
1
মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ অডিও-ভিডিও কলের পাশাপাশি এবার গ্রুপ অডিও-ভিডিও কল সুবিধা চালু করেছে।

বছরের শেষ নাগাদ ফিচারটি চালুর কথা থাকলেও গতকাল থেকে ফিচারটি উন্মুক্ত করেছে মেসেজিং অ্যাপটি।

এর আগে মে মাসে নিজেদের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে হোয়াটসঅ্যাপে এ সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছিল ফেসবুক। এ জন্য নির্দিষ্টসংখ্যক ব্যবহারকারীদের ওপর ফিচারটির কার্যকারিতা পরীক্ষাও করছিল তারা। নতুন এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিকভাবে একসঙ্গে চারজনের সঙ্গে ভিডিও কল করা যাবে। এ জন্য বাড়তি কোনো ঝামেলাও পোহাতে হবে না। গ্রুপ কল করার জন্য প্রথমে একজনকে ফোন দিতে হবে। এরপর অ্যাপটির ডান দিকের ওপরে থাকা ‘অ্যাড পার্টিসিপেন্ট’ বাটনে ক্লিক করে বন্ধুদের নাম নির্বাচন করলেই সবার সঙ্গে ভিডিও কল করা যাবে।

পর্যায়ক্রমে সব আইওএস এবং অ্যানড্রয়েড ব্যবহারকারীই এ সুবিধা পাবে, জানিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। এত দিন অ্যাপটি কাজে লাগিয়ে বার্তা বিনিময়ের পাশাপাশি একজনের সঙ্গে অডিও ও ভিডিও কল করা যেত।

বিডি-প্রতিদিন/

2
Body Fitness / Long term insomnia may be a serious illness!
« on: June 20, 2018, 10:33:17 AM »
রাতে কিছুতেই ঘুম আসছে না। এদিকে দিনের বেলায় ক্লান্তি, ঘুম ঘুম ভাব আর অস্বাভাবিক জড়তায় কিছুতেই কাজ করতে পারছেন না। এ রকম অবস্থা দিনের পর দিন চলতে থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কারণ অনিদ্রার সমস্যা শরীরের আরও অনেক অসুখের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। কম ঘুমালে শরীরের ঠিক কী কী সমস্যা হতে পারে আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন-

১। ঘুম কম হলে অনেককেই হ্যালুসিনেশনের সমস্যায় ভুগতে হতে পারে।

২। ঘুম কম হলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও কমতে শুরু করে।

৩। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে হার্টের নানা রোগের সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।

৪। ঘুম কম হলে বাড়তে পারে মানসিক অবসাদও।

৫। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে হতে পারে মারাত্মক হজমের সমস্যা।

৬। দিনের পর দিন অনিদ্রার সমস্যা ডায়বেটিসের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

৭। দিনের পর দিন পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে কোষ্ঠকাঠিন্য বা অর্শরোগের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।

 

বিডি প্রতিদিন


3
Internet / Autoplay video ads are coming in messenger
« on: June 20, 2018, 10:29:11 AM »
মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের জন্য বিরক্তি সৃষ্টিকারী বিজ্ঞাপন আসতে যাচ্ছে। মেসেঞ্জারে ব্যক্তিগত বার্তা চালাচালি করার সময় স্বয়ংক্রিয় চালু হয় এমন ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখাবে ফেসবুক। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট রিকোডের এক খবরে বলা হয়েছে, ভিডিও বিজ্ঞাপন বিক্রি করার নতুন একটি জায়গা খুঁজে পেয়েছে ফেসবুক। মেসেঞ্জারের ভেতরে কারও কাছ থেকে পাওয়া বার্তার পরই এ বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। অর্থাৎ চ্যাট করার সময় বিজ্ঞাপন দেখতে হবে ব্যবহারকারীকে। অর্থাৎ বিজ্ঞাপনমুক্ত চ্যাট করার দিন শেষ!

মেসেঞ্জারের ভেতর প্রথম বিজ্ঞাপন দেখানো শুরু হয় ১৮ মাস আগে। ওই সময় ‘স্ট্যাটিক’ বিজ্ঞাপন দেখানো হতো। অর্থাৎ তখন ভিডিও বিজ্ঞাপন চালু করেনি ফেসবুক। কিন্তু এখন ভিডিও বিজ্ঞাপন চালু করলে ফেসবুকের লাভ বেশি। কারণ, ভিডিও বিজ্ঞাপন থেকে ফেসবুক বেশি আয় করে এবং এতে খরচ বেশি।

এর আগে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছিল, ফেসবুকের ভেতর বিজ্ঞাপন দেখানোর আর কোনো জায়গা নেই তাদের। এরপর থেকে মেসেঞ্জার ও মার্কেটপ্লেসে বিজ্ঞাপন দেখাতে শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি।

মেসেঞ্জারের ভেতর অটোপ্লে বিজ্ঞাপন দেখানো শুরু হলে ব্যবহারকারীদের কাছে বিরক্তিকর মনে হতে পারে। এ বিষয়ে মেসেঞ্জারের বিজ্ঞাপন বিভাগের পরিচালক স্টেফানোস লুকাকোস বলেন, মানুষের বিরক্তির কারণ সম্পর্কে তাঁরা অবগত। ব্যবহারকারীর আচরণ পর্যবেক্ষণ করবেন তাঁরা। মানুষ এসব বিজ্ঞাপন দেখতে অভ্যস্ত হন, নাকি মেসেঞ্জার বন্ধ করে দেন, সেটা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

স্টেফানো বলেন, ‘আমাদের কাছে প্রধান গুরুত্ব হচ্ছে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা। মেসেঞ্জারের ভেতর অটোপ্লে ভিডিও বিজ্ঞাপন কাজ করবে কি না আমরা এখনে জানি না। যখন সাধারণ বিজ্ঞাপন দেখানো হয়েছে, তখন খুব বেশি পরিবর্তন চোখে পড়েনি। তবে ভিডিও একটু আলাদা হতে পারে। তবে খুব বেশি পার্থক্য হয়তো হবে না।’

অনলাইন ডেস্ক: প্রথম আলো

4
Pain / Most workers are suffering from waist-neck pain
« on: June 09, 2018, 10:13:44 AM »
কোমরে ও ঘাড়ের ব্যাথার অন্যতম প্রধান কারণ দীর্ঘসময় ধরে চেয়ারে বসে কাজ করা। নিরবিচ্ছিন্নভাবে এভাবে বসে কাজ করার দারুণ দেখা দিতে পারে বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যা।

বিশেষজ্ঞদের মতে যারা কোমরের ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন, তাদের অধিকাংশই কর্পোরেট অফিসে দীর্ঘক্ষণ ডেস্কে বসে কাজ করেন।

আট ঘণ্টার অধিক সময় ধরে বসে কাজ করার ফলে যেসব স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেয় তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

হৃদরোগের সমস্যা: দীর্ঘসময় বসে কাজ করার ফলে উচ্চরক্তচাপে ও কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে।

ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা: পেশীর নড়াচড়া কম করার ফলে ইনসুলিন উৎপাদনে তারতম্য দেখা দেয় ফলে ডায়াবেটিসের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অলসতা বাড়িয়ে দেয়: পেশী শক্তিশালী ও সচল রাখার জন্য শরীরের নড়াচড়া অবশ্যক। দীর্ঘসময় বসে থাকার ফলে পেশীর কর্ম-উদ্দীপনা কমে গিয়ে অলসতা বাড়িয়ে দেয়।

স্ট্রেসের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়: নড়াচড়া করার ফলে শ্বাসক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। এতে মস্তিষ্কে অক্সিজেন বেশি মাত্রায় পৌঁছায় ও এনডর্ফিন নামক হরমোন ক্ষরণ বৃদ্ধি পায়। যা স্ট্রেস কমায়। কম নড়াচড়ার ফলে এই হরমোন কম নিঃসরণের কারণে মানসিক স্ট্রেস বৃদ্ধি পায়।

পিঠে ও মেরুদণ্ডে ব্যাথা: দীর্ঘক্ষণ বসে থাকায় মেরুদণ্ডের স্থিতিশিল অবস্থানের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ফলে ঘাড়ে, পিঠে ও মেরুদণ্ডের ব্যাথা হতে পারে।

কিছু নিয়ম মেনে চললে এই ধরনের সমস্যা কাটিয়ে সুস্থ থাকা যায়।

যোগব্যায়াম: যোগব্যায়াম পেশীর স্ট্রেস দূর করে শরীর সচল রাখতে সাহয্য করে।

হাঁটা: দীর্ঘক্ষণ কাজের মাঝখানে কিছু সময়ের জন্য হাঁটাচলা করুন।

নড়াচড়া করা: বসে থাকা অবস্থায় মাঝে মধ্যে হাত-পা নড়াচড়া করুন। এতে পেশীর রক্ত চলাচল বাড়বে। আর সঠিক মাত্রায় রক্ত চলাচল করলে পেশীর অবস্থা ভালো থাকে।

সঠিকভাবে বসা: যখন বসবেন তখন মেরুদণ্ড সোজা করে বসার চেষ্টা করুন।

ঘাড়ের ব্যায়াম: সোজা হয়ে বসে মাথা একপাশের ঘাড়ের দিকে আস্তে আস্তে নামিয়ে দিন, এরপরে অন্যপাশে একই ভাবে করুন।



বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

5


হাদিসে পাকে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেছেন, ‘রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মেশ্ক আম্বরের চেয়েও প্রিয়।’ এ গন্ধ মানে মেসওয়াক না করার কারণে মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে প্রিয় নয়।

এ হাদিসের আলোকে অনেকেই ভুল করে থাকেন, আর তাহলো- যেহেতু রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে অনেক প্রিয়, তাই রোজা অবস্থায় মেসওয়াক করা যাবে না। মেসওয়াক করলে আল্লাহর কাছে প্রিয় গন্ধ দূর হয়ে যাবে। আর রোজাদার সে ফজিলত থেকে বঞ্চিত হবে। আসলে বিষয়টি এমন নয়।

রবং মেসওয়াক করা সুন্নাত, এটা রোজা রাখা অবস্থায় সকাল, দুপুর, বিকালসহ সব নামাজের ওয়াক্তে আদায় করাই সুন্নাত। আর সব অবস্থায়ই রোজাদারের মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর কাছে সর্বঅধিক প্রিয়। তাই বলে মেসওয়াক না করার ফলে রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে প্রিয় নয়। এ ব্যাপারে রোজাদারের সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।

ব্রাশ-পেস্ট
রোজা অবস্থায় ব্রাশ-পেস্টের মাসআলা আলাদা। সাধারণত মানুষ ব্রাশের সঙ্গে পেস্ট ব্যবহার করে থাকে। যেমনটি মেসওয়াকের সঙ্গে ব্যবহার করা হয় না।

মনে রাখতে হবে
রোজা অবস্থায় পেস্ট, গুল, মাজন বা কয়লা ইত্যাদি দিয়ে দাঁত পরিস্কার করা নিষিদ্ধ। কারণ এগুলো গলার ভেতরে চলে গেলে রোজাই নষ্ট হয়ে যাবে। আর যদি ভেতরে চলে না-ও যায়, তবুও রোজা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

যদি কেউ শুধু পেস্ট ছাড়া শুধু ব্রাশ করতে চায়; তবে তা করতে পারবে। তবে উত্তম হলো মেসওয়াক করা। তাতে মেসওয়াক করার সুন্নাতও আদায় হবে আবার রোজা নষ্ট হওয়ার ক্ষতি থেকেও বেঁচে থাকা যাবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রোজা অবস্থায় ব্রাশ ও পেস্টের ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি মেসওয়াক করে সুন্নাতের সাওয়াব লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

 ধর্ম ডেস্ক: jagobd

6
ICT / How many satellites of a country at a glance
« on: May 13, 2018, 09:56:22 AM »
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কাজ সফল ভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে। বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

তবে বর্তমানে কক্ষপথে দু্ই হাজার দুইশোটির বেশি স্যাটেলাইট রয়েছে। জানা যায়, ১৯৫৭ সালে প্রথম মহাকাশে স্পুটনিক-১ নামে স্যাটেলাইট প্রেরণ করে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। এরপর অনেক দেশ তাদের অনুসরণ করে মহাকাশে স্যাটেলাইট প্রেরণ করেছে।

স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ও এর গতিবিধি নিয়ে কাজ করে এন২ওয়াইও.কম ওয়েবসাইটের তথ্য মতে, সাবেক সোভিয়েত রাশিয়া ভূক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত স্যাটেলাইট সংখ্যা ১৫০৪টি, যুক্তরাষ্ট্রের ১৬১৬টি, চীনের ২৯৮টি, জাপানের ১৭২টি, ভারতের ৮৮টি, ফ্রান্সের ৬৮টি, ব্রিটেনের ৪২টি, দক্ষিণ কোরিয়ার ২৪টি, স্পেনের ২৩টি, তুরস্কের ১৪টি, সৌদি আরবের ১৩টি, পাকিস্তানের ৩টি।

এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অনেকগুলো স্যাটেলাইট বর্তমানে কক্ষপথে অবস্থান করছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করা হয়। আর্থ স্টেশন থেকে ৩৫ হাজার ৭৮৬ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে স্যাটেলাইটটির কক্ষপথে যেতে সময় লাগবে ৮-১১ দিন। আর পুরোপুরি কাজের জন্য প্রস্তুত হবে ৩ মাসের মধ্যে।

অনলাইন ডেস্ক

7
Body Fitness / Food that increases the digestive power
« on: May 13, 2018, 09:48:48 AM »
হজমশক্তি কমে গেলে দেহে পুষ্টির অভাবে বাসা বাঁধা শুরু করে নানা ধরণের রোগ। এমনকি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে ওজনও। তাই আমাদের দেহের পরিপাকযন্ত্র সুস্থ রাখা এবং হজমশক্তি ঠিক রাখার জন্য আমাদের সচেষ্ট হতে হবে।

এমন কিছু খাবার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখার চেষ্টা করুন যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে দেহ সুস্থ রাখবে-

আদা হজমের শক্তি বৃদ্ধি করতে অনেক প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে। আদা দেহের টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। আদায় রয়েছে ‘জিনজারোলস’ যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পরিপাকক্রিয়া দ্রুত করে। সকালে এক কাপ আদা চা এবং রান্নায় আদার ব্যবহার কিংবা কাঁচা আদা খাওয়া পরিপাকযন্ত্র সুস্থ রাখে।

রসুন দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। রসুনের অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান যেকোন ধরণের ঠাণ্ডা কাশি, ভাইরাল ইনফেকশন দূর করার সাথে সাথে আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধিতেও কাজ করে। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি কাঁচা রসুন দেহের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী।

দারুচিনিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাংগানিজ যা দেহের ফ্যাটি এসিড হজম করতে সাহায্য করে। এবং এটি আমাদের রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। রান্নায় দারুচিনি ব্যবহার আমাদের দেহের পরিপাকযন্ত্র এবং হজমশক্তি বৃদ্ধির জন্য অনেক কার্যকরী।

বিডি-প্রতিদিন/

8
Hypertension / Stay calm for yourself
« on: May 10, 2018, 10:00:42 AM »

 


মন ভালো রাখতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা িদন, হাসিখুশি থাকুন। মডেল: সোনিয়া ও কুমকুম হাসান, ছবি: অধুনামন ভালো রাখতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা িদন, হাসিখুশি থাকুন। মডেল: সোনিয়া ও কুমকুম হাসান, ছবি: অধুনানানা কারণে মানুষের মন খারাপ হয়। তখন মন খারাপের প্রভাব সবকিছুতে পড়ে। অশান্তিময় হয়ে যায় চারদিক। অনেক সময় এই খারাপ লাগা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাই নিজের জন্য ভালো থাকুন। কীভাবে শান্ত থাকবেন এবং নিজে ভালো থাকার ১০টি কারণ তুলে ধরা হলো।

শান্ত থাকুন
অনেকেই আছেন মুহূর্তে অশান্ত হয়ে যান। অল্পতেই পরিস্থিতি খারাপ করে ফেলেন। সামান্য বিষয় নিয়েই অস্থির হয়ে যান। যেকোনো পরিস্থিতিতে শান্ত হওয়ার উপায় হলো কিছু সময় আপনায় ইন্দ্রিয়গুলো বন্ধ করে রাখুন। এরপর নতুনভাবে শুরু করুন। এর ফলে আপনার মস্তিষ্ক স্বয়ংক্রিয় হয়ে নতুনভাবে কাজ করবে।

গান শুনুন
নিজের মনকে শান্ত রাখার জন্য গান হলো সবচেয়ে বড় উপকরণ। গান শুনে নিজের মনকে ভালো রাখতে পারেন। গান মানুষের মনের ওপর অনেক বড় প্রভাব ফেলে। আপনি যখন অশান্ত থাকেন, তখন একটুখানি সময় বের করে আপনার প্রিয় শিল্পীর গান শুনতে পারেন। দেখবেন জাদুর মতো কাজ করবে।

দীর্ঘভাবে শ্বাস ফেলুন
যখন আপনি চাপ অনুভব করেন বা কোনো কিছু নিয়ে উদ্বিগ্ন হন, তখন আপনার শ্বাসপ্রশ্বাস বেড়ে যায়। সে সময় আপনি কয়েকটি দীর্ঘশ্বাস নিলে খুব তাড়াতাড়ি শান্ত বোধ করবেন। দীর্ঘশ্বাস নেওয়ার জন্য আপনার বুকের ওপর এক হাত রাখুন এবং অপরটি আপনার পেটের নিচে রাখুন। বড় শ্বাস ফেলার জন্য আপনার শরীরকে ব্যবহার করুন। ধীরে ধীরে আপনার নাকের মাধ্যমে শ্বাস নিন।

ব্যায়াম করুন
নিজেকে শান্ত রাখার জন্য ব্যায়াম করতে পারেন। যখন আপনি কোনো কাজ বা বিষয় নিয়ে ঝামেলায় থাকেন, তখন ব্যায়াম করতে পারেন। এর ফলে আপনার পেশিগুলো আরও ভালোভাবে কাজ করবে। ব্যায়াম করার জন্য আপনি একটা শান্ত জায়গা খুঁজে বের করুন। সেটা কাজের জায়গার আশপাশেও হতে পারে। অল্প সময়ের শারীরিক এ কসরতটুকু আপনাকে আরও বেশি শান্ত রাখতে সাহায্য করবে।

অ্যারোমাথেরাপির সাহায্য নিন
অ্যারোমাথেরাপি আপনাকে শান্ত করতে সাহায্য করতে পারে। চাপের জন্য চন্দন তেল বা এ ধরনের তেল ব্যবহার করতে পারেন। আপনি এই তেল ব্যবহার করে ম্যাসেজ বা পা ঘষতে পারেন। চাইলে আপনি গরম পানিতে গোসল করতে পারেন।

কথা বলুন
কেউ যদি আপনার সঙ্গে কোনো একটি বিষয় নিয়ে কথা বলতে চান, তখন আপনি তাঁর সঙ্গে কথা বলুন। কথাগুলো সময় নিয়ে শুনুন। আপনি যে বিষয় নিয়ে ঝামেলার মধ্যে আছেন, সে বিষয়গুলো তিনি অনেক সুন্দরভাবে সমাধান করেছেন।
পরিকল্পনা করে কাজ করুন
যেকোনো কাজে আগে থেকে পরিকল্পনা করে করলে সেই কাজের সমাপ্তি খুব ভালো হয়। সুন্দরভাবে কাজটি শেষ করলে নিজেও শান্তি অনুভব করবেন।

নির্দিষ্ট একটা লক্ষ্য ঠিক করুন
বেশির ভাগ মানুষের অনেক লক্ষ্য থাকে এবং সেগুলো ঠিক করে কাজ করা শুরু করেন। আপনি একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করুন। এরপর সে অনুযায়ী কাজটি সম্পন্ন করুন। ওই কাজ শেষ হওয়ার পর নতুন আরেকটি লক্ষ্য ঠিক করুন এবং সফলতার দিকে এগিয়ে যান।

নমনীয় হোন
আমরা যতটা যত্নসহকারে পরিকল্পনা করি, সে অনুযায়ী কাজ করি না। সব সময় নিজের ইচ্ছাকে সবকিছুর ওপর রাখার চেষ্টা করি। সবাইকে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা আমাদের মধ্যে থাকে না। এর ফলে অন্যের কোনো কিছু আমরা সহজে মেনে নিতে পারি না। যেকোনো কিছুতেই ভালো করার জন্য নমনীয় হোন। অন্যের কথা মন দিয়ে শুনুন এবং নিজেকে শান্ত রাখুন।

ইতিবাচক চিন্তা করুন
সব সময় ইতিবাচক থাকুন। ইতিবাচক চিন্তা করুন। দেখবেন আপনি আগের চেয়ে অনেক বেশি ভালো থাকবেন।

সূত্র: উইকি হাউ ও ফাস্ট কোম্পানি

9
বৃষ্টির পানি নিজে ভিজলে ক্ষতি নেই, কিন্তু, স্মার্টফোনে যদি পানি ঢুকে যায়! তাহলে…। এমন পরিস্থিতি থেকে নিজের স্মার্টফোনটাকে রক্ষা করতে এই কাজগুলো আপনি করে দেখতে পারেন।

১) বর্ষা আসার আগেই ফোনে থাকা সমস্ত তথ্য ‘ক্লাউড স্টোরেজ’-এ সেভ করে রাখুন। বর্ষায় কোনওভাবে ফোনে পানি ঢুকলে বেঁচে যেতে পারে আপনার মোবাইলে থাকা তথ্য। আর ভিজে হাতে টাচ স্ক্রিনে হাত দেবেন না। এতে পানি সোক করে ভিতরে চলে যেতে পারে এবং ‘টাচ স্ক্রিন’ কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে।

২) ফোন ভিজে যাওয়ার আগে বা ভিজে গেল সবার প্রথমে সুইচ-অফ করে দিন। এতে ফোনের ভিতরের যন্ত্রগুলি কাজ করা বন্ধ করে দেবে। ফলে, ফোনে পানি ঢুকলেও কিছুটা হলে রক্ষা পেতে পারে আপনার মোবাইলের ভিতরের যন্ত্রাংশ। এই কাজগুলি করলে মোবাইল নষ্ট না হয়ে যাওয়ারও আশা রাখতে পারেন। পারলে মোবাইল ফোনের ব্যাটারিও খুলে নিন।

৩) মানিব্যাগে সিলিকা জেল রাখুন। সিলিকা জেল যে কোনও জিনিসকে শুকনো রাখতে সাহায্য করে। জিনিসে ময়শ্চার পড়তে দেয় না। এর সঙ্গে জিপ লক করা ছোট প্লাস্টিকের পাউচ রাখুন। বৃষ্টিতে ভেজার উপক্রম হলে, প্লাস্টিকের এই পাউচে সিলিকা জেলের প্যাকেট রেখে মোবাইল ফোনটি ভরে দিন এবং জিপ লক করুন। কোনওভাবে পাউচে পানি ঢুকলেও সিলিকা জেল আপনার স্মার্টফোন শুকনো রাখতে সাহায্য করবে।

৪) বাজারে গেলে যে পলিব্যাগ পান, সেরকম একটা সঙ্গে রাখুন। বৃষ্টির মধ্যে আপনার স্মার্টফোনের রক্ষাকবচ হতে পারে এই পলিব্যাগ।

৫) এছাড়াও বাজার থেকে ওয়াটার-প্রুফ মোবাইল ফোনের পাউচ কভার কিনে নিন। বৃষ্টিতে আপনার স্মার্টফোনটিকে এই কভারের মধ্যে ভরে দিন। মোবাইল খারাপ হয়ে যাওয়ার দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যাবে।

৬) বৃষ্টির মধ্যেও মোবাইল ফোনে কথা বলতে হবে। কিন্তু, কানে ফোন রাখলে ভিজে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ব্লুটুথ-ইয়ারফোন ব্যবহার করতে পারেন।

৭) ভিজে থাকা স্মার্টফোনকে চার্জ দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। আগে মোবাইল ফোনটিকে ভাল করে মুছে নিন। পারলে খোলা হাওয়ায় ১ ঘণ্টা ফেলে রাখুন। এরপর ফের একবার মুছে নিয়ে ফোন চার্জে বসাতে পারেন। ফোন মোছার সময় ব্যাটারিও মুছে নিন।

বিডি-প্রতিদিন

10
Brain / Detecting effective medicines to solve migraine
« on: April 22, 2018, 10:51:49 AM »
মাইগ্রেন বা দীর্ঘ সময়ের মাথা ব্যথার চিকিৎসায় নতুন এক ওষুধ আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা। কয়েক দশকে এই প্রথম মাইগ্রেনের কার্যকরী ওষুধ আসছে বলে বলা হচ্ছে।

গবেষকরা বলছেন, মাইগ্রেন বা দীর্ঘ সময়ের মাথা ব্যথা সারাতে অন্য সব ওষুধ বা চিকিৎসা যখন ব্যর্থ হবে, তখন এই নতুন ওষুধ কাজ করবে। নতুন এ ওষুধটি হচ্ছে ইনজেকশন। যা মাসে একবার নেয়া যাবে।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস অল্প সময়ের মধ্যে মাইগ্রেন রোগীদের কাছে এ ওষুধ নিয়ে যাবে। যদি এর দাম সামর্থের মধ্যে বা একটা যৌক্তিক পর্যায়ে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রে এক চিকিৎসা বিষয়ক সম্মেলনে নতুন এ ওষুধের বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। গবেষকরা বলেছেন, এ ওষুধ গুরুতর মাইগ্রেন আক্রান্ত এক তৃতীয়াংশ মানুষকে সাহায্য করবে।

নতুন এ ওষুধ কিভাবে কাজ করবে?

একজন মাইগ্রেন রোগী মাসে যতবার আক্রান্ত হন, নতুন ওষুধ ব্যবহারে আক্রান্তের সেই হার অর্ধেকে নেমে আসবে। এরেনুম্যাব নামের এ ইনজেকশন মাইগ্রেনের অন্যান্য ওষুধ থেকে ভিন্নভাবে কাজ করবে। এটি উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রেও মাইগ্রেনের জন্য ব্যবহার করা যাবে।

গবেষকরা বলছেন, এখন নতুন এ ওষুধ একটা বড় পরিবর্তন আনবে, মানুষকে স্বস্তি দেবে। সূত্র : বিবিসি

11
লেবুতে যে পরিমাণ ভিটামিন থাকে তার চেয়ে প্রায় ৫-১০ গুণ বেশি থাকে লেবুর খোসায়। ১০০ গ্রাম লেবুর খোসায় থাকে প্রায় ১৩৪ এমজি ক্যালসিয়াম, ১৬০ এমজি পটাশিয়াম, ১২৯ এমজি ভিটামিন সি এবং ১০.৬ গ্রাম ফাইবার। ফলে চিকিৎসকরা লেবুর খোসা খেতে উৎসাহিত করে থাকেন। আসুন জেনে নেই নিয়মিত এটি খেলে কী কী উপকার হয়?

রক্ত সরবরাহের উন্নতি
লেবুর খোসা খেলে সারা শরীরে রক্ত সরবারহ বাড়তে শুরু করে। ফলে দেহের প্রতিটি কোণায় অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে সব ধরনের রোগই দূর হয়।
লিভার ফাংশনে উন্নতি
নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে, লিভারের ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে।
স্ট্রেস কমে
লেবুর খোসায় উপস্থিত সাইট্রাস বায়ো-ফ্লেভোনয়েড শরীরের ভেতরে প্রবেশ করার পর অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে মন, মস্তিষ্ক এবং শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

হাড় শক্ত হয়
প্রচুর ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম থাকায় ধীরে ধীরে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনফ্লেমেটরি পলিআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং রিউমাটয়েড আথ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

ওজন কমে
পেকটিন প্রচুর মাত্রায় থাকায় ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। কারণ এ উপাদান শরীরে থাকা অতিরিক্ত চর্বিকে ঝরিয়ে ফেলতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

ত্বকের সৌন্দর্য
লেবুর খোসায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের নিচে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বের করে দেয়। ফলে বকের বয়স কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখা কমে ত্বক টানটান হয়ে ওঠে।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
লেবুর খোসায় সয়ালভেসস্ট্রল কিউ ৪০ এবং লিমোনেন্স নামে দুটি উপাদান ক্যান্সার সেলের ধ্বংসে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া ব্যাকটেরিয়াল এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশেনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়।

হজম শক্তি বাড়ে
লেবুর খোসায় থাকা ফাইবার যে কোনো খাবার হজম করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া বদহজম থেকে গ্যাস-অম্বল, যে কোনো ধরনের হজম সংক্রান্ত সমস্যায় এটি দারুণ উপকারে আসে।

মুখ গহ্বরে উন্নতি
নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে এর ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক অ্যাসিড মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, জিঞ্জিভাইটিসসহ একাধিক রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে।

হার্টের উন্নতি
লেবুর খোসার পলিফেনল উপাদান শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। অন্যদিকে লেবুর পটাশিয়াম ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

এসইউ/এমএস

12
Namaj/Salat / Laxness in prayer is the reason of terrible sins
« on: April 17, 2018, 10:30:31 AM »
ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ নামাজ। ঈমানের পর নামাজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআনে কারিমে ৮৩ বার নামাজের আলোচনা এসেছে।

নামাজ ফরজ হওয়া প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে নবী! আমার বান্দাদের মধ্যে যারা মুমিন তাদের বলুন, নামাজ কায়েম করতে।’ -সূরা ইবরাহিম: ৩১

তাছাড়া নামাজের ব্যাপারে যারা উদাসীন থাকে তাদের ব্যাপারে শাস্তির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘দুর্ভোগ সেসব নামাজির জন্য নিজেদের নামাজের ব্যাপারে যারা থাকে গাফেল।’ -সূরা মাউন: ৪-৫

রোজ হাশরে নামাজের মাধ্যমেই হিসাব-নিকাশ শুরু হবে। যার নামাজ সঠিক হবে তার অন্য আমল সঠিক বলে বিবেচিত হবে। আর যার নামাজ অসুন্দর হবে তার অন্যান্য আমল অসুন্দর বলে গণ্য হবে।

ইচ্ছাকৃতভাবে যে ব্যক্তি একেবারে নামাজ ছেড়ে দেবে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে কাফের হয়ে যাবে। এ মর্মে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘বান্দা ও কুফরের মধ্যে একমাত্র পার্থক্য হলো- নামাজ ত্যাগ করা।’ –সহিহ মুসলিম

যে ব্যক্তি নামাজের ব্যাপারে অলসতা করবে, চাই সে অলসতা যথাসময়ে আদায় না করার মাধ্যমে হোক বা ঘুমের মাধ্যমে হোক কিংবা শরিয়তসম্মত পদ্ধতিতে নামাজ আদায়ে ত্রুটির মাধ্যমে হোক, সে কাফের না হলেও তার ব্যাপারে কঠিন শাস্তির কথা বলা হয়েছে হাদিসে।

হজরত উবাদা ইবনে সামির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাতটি অসিয়ত করেন, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি কাজ হলো- তোমরা আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করো না। যদিও তোমাকে টুকরা টুকরা করে ফেলা হয় বা অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করা হয় আর ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ত্যাগ করো না। কেননা যে ইচ্ছা করে নামাজ ছেড়ে দেয় সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়।

আল্লাহতায়ালা নামাজের উপকার সম্পর্কে ইরশাদ করেন, এবং নামাজের পাবন্দি করো দিনের দুপ্রান্তে ও রাতের কিছু অংশে। নিঃসন্দেহে সৎ কাজসমূহ অসৎ কাজসমূহকে মিটিয়ে দেয়। -সূরা হূদ: ১১৪

নামাজের ব্যাপক কল্যাণসমূহের উল্লেখযোগ্য একটি হলো- নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা কোরআনে কারিমে ইরশাদ করেন, নামাজের পাবন্দি করো। নিশ্চয় নামাজ অশ্লীল ওমন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। -সূরা আনকাবুত: ৪৫

সূরা বাইয়্যিনাতে আম্বিয়ায়ে কেরামের দাওয়াতের দ্বিতীয় ধাপ স্বরূপ নামাজকে উল্লেখ করা হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘তাদের এছাড়া কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহতায়ালার ইবাদত করবে এবং নামাজ কায়েম করবে।’ -সূরা বাইয়্যিনাহ: ৫

যে ব্যক্তি ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ নামাজকে সব শর্তসহ খুশু-খুজুর সঙ্গে নবীর তরিকায় আদায় করবে তার এই নামাজ তাকে সব ধরনের অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখবে।

আল্লাহতায়ালা প্রত্যেক মুসলমানকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নবীর তরিকামতে পড়ার তওফিক দান করুন। আমিন।

 ইসলাম ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

13
চায়ের ক্ষেত্রে আপনি নিশ্চয়ই বেহিসাবী। কাজের ফাঁকে সুযোগ পেলেই এক কাপ চা খেয়ে ফেলেন। আপনি ভাবেন এই চা আপনার চাঙ্গা থাকার মূলমন্ত্র। কিন্তু দিনভর কাপের পর কাপ চা আপনার সর্বনাশ ডেকে আনছে।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত চা পান আমাদের শরীরের হাঁড় দুর্বল করে দেয়। এই সমস্যা সবথেকে বেশি হয় যারা টি-ব্যাগ ব্যবহার করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টি ব্যাগে অতিরিক্ত ফ্লুরাইড থাকে। যা আমাদের দাঁত ও হাঁড়ের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত ফ্লুরাইড শরীরে গেলে তা দাঁতের সর্বনাশ ডেকে আনে। দাঁতের উপরের অংশে বিশেষ ক্ষতি করে।

তবে গুড়া বা পাতা চা থেকেও কিন্তু এই সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। বিশেষ করে সস্তার চা পাতা থেকে এই সমস্যা হতে পারে। কারণ এতে বেশি পরিমাণে ফ্লুরাইড থাকে। কখনও কখনও তা ছ’গুণ পর্যন্ত বেশি মাত্রা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরনো চা পাতাকেই কম দামে বিক্রি করা হয়। তাতে মিনারেলের পরিমাণও বেশি হয়। যা ধীরে ধীরে আমাদের হাঁড় দুর্বল করতে শুরু করে।

তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন অতিরিক্ত চা না পান করতে। বিশেষ করে টি-ব্যাগ ব্যবহার ও সস্তার চা কেনার সময় আরও বেশি সচেতন হওয়া দরকার। কেন না বেশি ফ্লুরাইড শরীরে প্রবেশ করলে স্কেলিটাল ফ্লুওরোসিস পর্যন্ত হতে পারে। এটি এক ধরনের হাঁড়ের অসুখ। যা ক্রমেই আপনাকে কাবু করে ফেলবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) বলছে আমাদের শরীরে ছয় মিলিগ্রাম অবধি ফ্লুরাইড দরকার। এর থেকে বেশি মাত্রায় ফ্লুরাইড শরীরে গেলে স্কেলিটাল ফ্লুওরোসিস হওয়ার সম্ভাবনা বাড়তে থাকে। হিসাব করে দেখা গেছে দিনে চার কাপ চা শরীরের জন্য ঠিকঠাক। কিন্তু এর বেশি হলে তা বড় ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে আমাদের।

বিডি প্রতিদিন.....

14
রজব মাস ইসলামের ইতিহাসে একটি গৌরবান্বিত মাস। এই মাসের ২৭ তারিখের রাতে শবে মেরাজে আল্লাহর দিদার লাভ করেন রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

আল্লাহর অসীম কুদরত শবে মেরাজের এই রাত নানা কারণে তাৎপর্যপূর্ণ। পুণ্য এই রাতে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহান আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের সৌভাগ্য লাভ করেন। নবুয়তের দ্বাদশ সালের রজব মাসের এক শুভ রাতে কাবা শরিফের হাতিম থেকে বোরাকযোগে ঊর্ধ্বাকাশে গমন এবং আল্লাহর দিদার ও সান্নিধ্য লাভ করেন। এই পুণ্য রাতে মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হয়। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসংখ্য মোজেজার মধ্যে পবিত্র মেরাজ অন্যতম। মেরাজ শব্দের অর্থ ঊর্ধ্বেগমন। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মক্কা শরিফ হতে বায়তুল মোকাদ্দাস এবং বায়তুল মোকাদ্দাস হতে ঊর্ধ্বাকাশে গমন, সপ্ত আকাশ ভ্রমণ, নবীগণের সঙ্গে সাক্ষাৎ, বেহেশত-দোজখ দর্শন এবং সিদরাতুল মোনতাহা পর্যন্ত গমন, সিদরাতুল মোনতাহা থেকে রফরফের মাধ্যমে আরশে আজিমে গমন, সেখান থেকে লা-মাকান ভ্রমণ এবং আল্লাহর দিদার ও সান্নিধ্য লাভ এবং সেখান থেকে পুনরায় মক্কায় আগমন এই বিস্ময়কর সফর বা ভ্রমণকেই এক কথায় মেরাজ বলা হয়। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মেরাজ ছিল বাস্তব, শারীরিক ও আধ্যাত্মিক ঘটনা। মেরাজের কথা পবিত্র কোরআনের সূরা বনি ইসরাইলের প্রথম আয়াতে ইরশাদ করা হয়েছে, ‘পরম পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা তিনি, যিনি স্বীয় বান্দাকে রাত্রিবেলায় ভ্রমণ করিয়েছিলেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত যার চারদিকে আমি পর্যাপ্ত বরকত দান করেছি। যাতে আমি তাঁকে কিছু নিদর্শন দেখিয়ে দিই। নিশ্চয় তিনি পরম শ্রবণকারী ও দর্শনশীল।’  ও সূরা নজমের প্রথম থেকে ১৭ নম্বর আয়াতে মিরাজের বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসেও মেরাজ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কার কাবা গৃহ থেকে বায়তুল মোকাদ্দাস, সেখান থেকে সপ্ত আকাশ পাড়ি দিয়ে সিদরাতুল মোনতাহা, তার ওপরে ৩৬ হাজার বছরের পথ পাড়ি দিয়ে আরশে গমন করেন এবং সেখান থেকে ৭০ হাজার নূরের পর্দা অতিক্রম করে একেবারে দিদারে এলাহিতে পৌঁছেন। সেখানে আল্লাহর সঙ্গে কথা বলে পুনরায় মক্কায় উপস্থিত হয়েছিলেন। এটি সম্ভব হয়েছিল আল্লাহর কুদরতে। অতীতেও আল্লাহ অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। যেমন, বিশ্বাসীদের আদিপিতা হজরত ইব্রাহিম (আ.)-কে আল্লাহতায়ালা নমরুদের অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা করেন এবং অগ্নিকাণ্ডের মধ্যে বেহেশতি পরিবেশ সৃষ্টি করে তাকে জীবিত রাখেন। মাছের পেটের ভিতর জীবিত রেখেছিলেন হজরত ইউনুস (আ.)-কে। ফেরাউনের হাত থেকে বাঁচাতে হজরত মুসা (আ.)-এর জন্য নীলদরিয়ায় রাস্তা করে দিয়েছেন। হজরত ঈসা (আ.)-কে আল্লাহতায়ালা আকাশে নিয়ে গিয়েছেন এবং তাঁকে আবার এ পৃথিবীতে পাঠাবেন। মেরাজের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখা দিয়ে তাঁকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি উম্মতে মোহাম্মদিদেরও বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন। শবে মেরাজের পবিত্র রাতে বেশি বেশি করে ইবাদত-বন্দেগি করা উচিত। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সে তাওফিক দান করুন। আমিন।

bd protidin....

15
Quran / What is the use of Qur'anic verses in mobile ringtone?
« on: February 28, 2018, 10:03:17 AM »
মোবাইল ফোনে কোরআনের আয়াতকে রিংটোন বা কলার টিউন করা হলে তা হারাম বলে মানা হবে৷ সৌদি আরবের মুফতিরা এটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন৷ সৌদি মুফতিদের দেওয়া এই ফতোয়ার দেওবন্দী মুফতি-একরমও এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে বলেছে কোরআনের আয়াতকে যদি মোবাইলে রিংটোন বা কলার টিউন হিসেবে ব্যবহার করেন তাহলে, সেটিকে হারাম বলে মানা হবে৷

সৌদি কাউন্সিল বা মুফতির জারি করা এই ফতোয়া কারণ কি সেটাও বলে দেওয়া হয়েছে৷ মুফতি-একরম থেকে জানানো হয়েছে মোবাইলে কোরাআনের আয়াতকে রিংটোন বা কলার টিউন করাটাকে হারাম বলার কারণ ফোন আসলে কলার টিউন বা রিংটোন যখন বাজতে থাকে সেটিকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে তাঁরা ফোন রিসিভ করে নেন৷ ফলে আয়াত পুরো শোনা হয়না৷

মুফতি-একরাম মোতাবিক কোরআন পুরো শুনতে হবে৷ কারণ কোরআনের আয়াত যদি পুরো না শুনে মাঝপথে তা বন্ধ করে ফোন রিসিভ করা হয় তাহলে আয়াত অসম্পূর্ণ থেকে যায়৷ এটা করা অপরাধ৷ কারণ আয়াত অসম্পূর্ণ থাকার ফলে তার অর্থ পাল্টে যায়৷ যা ইসলামে অপরাধ বলে মানা হয়৷ এই জন্যই কোরআনের আয়াতকে মোবাইল কলার টিউন বা রিংটোন করা যাবেনা৷ যে করবে তাকে অপরাধী হিসেবে ধরা হবে৷ এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে দেওবন্দী আলিম মুফতি আতহার কাসমি বলেছেন, মোবাইলে কলার টিউন বা রিংটোন হিসেবে কোরআনের আয়াত, নাত-এ-পাক এবং আজান ব্যবহার করা অবৈধ৷ তিনি সৌদি মুফতিদের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে বলেছেন, প্রায়ই পকেটে রাখা মোবাইল সেই ব্যক্তির সঙ্গে শৌচাগারেও চলে যায়৷ এবং সেখানে এই কলারটিউন বেজে ওঠা বা তা শোনা বৈধ নয়৷

তিনি আরও বলেন “সৌদি আরব থেকে কোরআনের আয়াতকে মোবাইলের রিংটোন বা কলার টিউন করা হারাম বলে যে ফতোয়া জারি হয়েছে আমরা তার পূর্ণ সমর্থন করছি৷ এর কারণ আছে৷ কোরআন কারিমকে দূষিত জায়গায় পড়া যায়না৷যেমন কোরআন যদি শৌচাগারে থাকা কোনও ব্যক্তির মোবাইলের রিংটোনে বেজে ওঠে সেক্ষেত্রে সেটি কোরআনকে অপমান করা হল বলে ধরা হবে৷ এই কারণেই এটিকে হারাম বলা হয়েছে৷”

সূত্র:  টোয়েন্টিফোর সেভেন



/font]

Pages: [1] 2 3 ... 11