Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Reza.

Pages: [1] 2 3 ... 36
1
Textile Engineering / Re: Lost stories hidden in the river.
« on: October 13, 2018, 11:36:37 PM »
Thank you.

2
Textile Engineering / Re: Importance of expression.
« on: October 13, 2018, 11:36:06 PM »
Thank you.

3
Textile Engineering / Re: Lost stories hidden in the river.
« on: October 10, 2018, 09:30:09 PM »
ফেরি গুলো আগে আরিচা - নগরবাড়ি রুটে চলতো। ব্রীজ তৈরি হওয়ায় সেইগুলো এখন আর সেখানে কাজে লাগে না। তাই ফেরি গুলোকে এখন দৌলদিয়া পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে দেখা যায়।

4
Permanent Campus of DIU / Re: Lost stories hidden in the river.
« on: October 10, 2018, 09:29:41 PM »
ফেরি গুলো আগে আরিচা - নগরবাড়ি রুটে চলতো। ব্রীজ তৈরি হওয়ায় সেইগুলো এখন আর সেখানে কাজে লাগে না। তাই ফেরি গুলোকে এখন দৌলদিয়া পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে দেখা যায়।

5
Textile Engineering / Re: Lost stories hidden in the river.
« on: October 07, 2018, 11:51:54 PM »
Thank you.

6
Permanent Campus of DIU / Re: Lost stories hidden in the river.
« on: October 07, 2018, 01:30:59 PM »
Thank you for your appreciations.

7
Permanent Campus of DIU / Lost stories hidden in the river.
« on: October 07, 2018, 03:39:58 AM »
মনে পড়ল ১৯৮৬ সালের কথা। বাবার সাথে গিয়েছিলাম পাবনা ক্যাডেট কলেজে। উঠেছিলাম শাহ মখদুম ফেরিটিতে। সেইসময় আরিচা - নগরবাড়ি নদী রুটে তখন চলত শাহ মখদুম, শাহ আলী, খান জাহান আলী এই ফেরি গুলো। ছুটিতে আসা ও ছুটি শেষে ফিরে যাওয়ার সময় দেখা হত ফেরি গুলোর সাথে।
১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত এই ফেরিগুলোর কোন একটা ফেরিতে চড়ে পার হতাম আরিচা - নগরবাড়ি নদীপথ।
আমাদের ১১ টার সময়ের বাসে উঠতে হত ঢাকার গাবতলী থেকে। এর পর দুপুর ১ টার দিকে আরিচা ঘাটে পৌছুতাম। আরিচা থেকে নগরবাড়ি
নদীপথ পার হতাম। ৩ - ৪ ঘন্টা কাটতো নদীতে। এর পর এক ঘন্টা লাগতো নগরবাড়ি থেকে কলেজে পৌছুতে।
যমুনা ব্রিজ তৈরি হওয়ার পর পাবনা সিরাজগঞ্জ সহ উত্তর বঙ্গের বাসগুলোর আর ফেরি পার হওয়া লাগে না। ব্রিজ দিয়েই পার হয় সব বাস।
আজকে দৌলদিয়া ফেরি ঘাটে সেই সময়ের ফেরি গুলো দেখে মনে পড়লো অনেক স্মৃতি। দেখলাম ফেরিগুলোর সেই একই নাম আছে। শাহ মখদুম, খান জাহান আলি। বাস ফেরিতে উঠার পর দেখলাম কোথা দিয়ে একেবারে উপরের তলায় যাওয়া যায় তা এখনও মুখস্থ আছে। কোথায় খাবারের ক্যান্টিন, কোথায় চালকেরা থাকে, একেবারে উপরে নামাজের জায়গা, লাইফ জ্যাকেটের স্তুপ সব স্পস্ট হয়ে আছে স্মৃতিতে। সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে মিলিয়ে দেখতেছিলাম। সেই সব হুবুহু একই রকম আছে। ছুটি শেষে এই ফেরিতেই বাসা ছেড়ে আসায় দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে দেখতাম নদী আর নদী তীরের দৃশ্য। আবার ছুটির শুরুতে সেই কোন ভোরে আমরা বাসে করে এসে উঠতাম এই ফেরি গুলোতেই। ভোর সকালের যমুনা নদী দেখতাম। এক দঙ্গল বন্ধুবান্ধবের ভীরে ফেরির সময় গুলো কেটে যেত একসাথে। কখনো বাড়ি ছেড়ে আসার বেদনায়। কখনো বা আবার সবার সাথে দেখা হওয়ার আনন্দে। এই ফেরি গুলোতে আমাদের কত যে অজস্র স্মৃতি জড়িয়ে আছে তা শুধু আমরাই জানি।
মনে পড়ল বাবার কথা আর আমাদের সবার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের কথা। বাবা মারা গেছেন ২১ বছর আগে। ফেরিতে মাঝ নদীতে কেন যেন মনে মনে বলে উঠলাম - সারাজীবন তাদের কথা মেনে চলার চেষ্টা করেছি। আর বাকিটা জীবনও কাটাবো এই একইভাবে। যদিও এর মাঝেই অনেক নেগেটিভ অভিজ্ঞতা হয়েছে। হয়তো আরও হবে। তার পরও।
তারাই আমাকে শিখিয়েছেন - যার যার অন্যায় কাজের প্রশ্নের উত্তর তাকেই দিতে হবে। আর কাওকে নয়।

8
Textile Engineering / Lost stories hidden in the river.
« on: October 07, 2018, 03:38:48 AM »
মনে পড়ল ১৯৮৬ সালের কথা। বাবার সাথে গিয়েছিলাম পাবনা ক্যাডেট কলেজে। উঠেছিলাম শাহ মখদুম ফেরিটিতে। সেইসময় আরিচা - নগরবাড়ি নদী রুটে তখন চলত শাহ মখদুম, শাহ আলী, খান জাহান আলী এই ফেরি গুলো। ছুটিতে আসা ও ছুটি শেষে ফিরে যাওয়ার সময় দেখা হত ফেরি গুলোর সাথে।
১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত এই ফেরিগুলোর কোন একটা ফেরিতে চড়ে পার হতাম আরিচা - নগরবাড়ি নদীপথ।
আমাদের ১১ টার সময়ের বাসে উঠতে হত ঢাকার গাবতলী থেকে। এর পর দুপুর ১ টার দিকে আরিচা ঘাটে পৌছুতাম। আরিচা থেকে নগরবাড়ি
নদীপথ পার হতাম। ৩ - ৪ ঘন্টা কাটতো নদীতে। এর পর এক ঘন্টা লাগতো নগরবাড়ি থেকে কলেজে পৌছুতে।
যমুনা ব্রিজ তৈরি হওয়ার পর পাবনা সিরাজগঞ্জ সহ উত্তর বঙ্গের বাসগুলোর আর ফেরি পার হওয়া লাগে না। ব্রিজ দিয়েই পার হয় সব বাস।
আজকে দৌলদিয়া ফেরি ঘাটে সেই সময়ের ফেরি গুলো দেখে মনে পড়লো অনেক স্মৃতি। দেখলাম ফেরিগুলোর সেই একই নাম আছে। শাহ মখদুম, খান জাহান আলি। বাস ফেরিতে উঠার পর দেখলাম কোথা দিয়ে একেবারে উপরের তলায় যাওয়া যায় তা এখনও মুখস্থ আছে। কোথায় খাবারের ক্যান্টিন, কোথায় চালকেরা থাকে, একেবারে উপরে নামাজের জায়গা, লাইফ জ্যাকেটের স্তুপ সব স্পস্ট হয়ে আছে স্মৃতিতে। সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে মিলিয়ে দেখতেছিলাম। সেই সব হুবুহু একই রকম আছে। ছুটি শেষে এই ফেরিতেই বাসা ছেড়ে আসায় দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে দেখতাম নদী আর নদী তীরের দৃশ্য। আবার ছুটির শুরুতে সেই কোন ভোরে আমরা বাসে করে এসে উঠতাম এই ফেরি গুলোতেই। ভোর সকালের যমুনা নদী দেখতাম। এক দঙ্গল বন্ধুবান্ধবের ভীরে ফেরির সময় গুলো কেটে যেত একসাথে। কখনো বাড়ি ছেড়ে আসার বেদনায়। কখনো বা আবার সবার সাথে দেখা হওয়ার আনন্দে। এই ফেরি গুলোতে আমাদের কত যে অজস্র স্মৃতি জড়িয়ে আছে তা শুধু আমরাই জানি।
মনে পড়ল বাবার কথা আর আমাদের সবার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের কথা। বাবা মারা গেছেন ২১ বছর আগে। ফেরিতে মাঝ নদীতে কেন যেন মনে মনে বলে উঠলাম - সারাজীবন তাদের কথা মেনে চলার চেষ্টা করেছি। আর বাকিটা জীবনও কাটাবো এই একইভাবে। যদিও এর মাঝেই অনেক নেগেটিভ অভিজ্ঞতা হয়েছে। হয়তো আরও হবে। তার পরও।
তারাই আমাকে শিখিয়েছেন - যার যার অন্যায় কাজের প্রশ্নের উত্তর তাকেই দিতে হবে। আর কাওকে নয়।

9
Permanent Campus of DIU / Re: Importance of expression.
« on: October 04, 2018, 05:31:59 PM »
Thank you for your comment.

10
Textile Engineering / Re: Importance of expression.
« on: October 03, 2018, 12:44:58 PM »
Thank you for your appreciation.

11
Textile Engineering / Re: Importance of expression.
« on: October 02, 2018, 10:08:31 PM »
Thank you.

12
Textile Engineering / Re: Migration of industry.
« on: October 02, 2018, 10:08:00 PM »
Thank you for your comment.

13
Textile Engineering / Re: Importance of expression.
« on: October 02, 2018, 12:47:43 AM »
Thank you.

14
Permanent Campus of DIU / Importance of expression.
« on: September 30, 2018, 11:28:05 PM »
ছোটবেলায় অনেকেই থাকে অস্থির চিত্তের। হড়বড় করে কথা বলে যায় মুহূর্তের মধ্যে। আবার কেউ থাকে যাকে অনেক প্রশ্ন করে পেটের কথা বের করতে হয়। ইনফরমেশন মানুষের জীবিকাকে কত প্রখর ভাবে প্রভাবিত করে তা আমরা সবাই জানি। আন্ডার গ্রাজুয়েট পর্যন্ত আমরা আসলে বিভিন্ন বিষয়ের পরিচিতি মূলক তথ্য জানতে পারি। আর আমাদের রেজাল্ট নির্ভর করে কে কত সার্থক ভাবে এই তথ্য গুলো প্রকাশ করতে পারি - তার উপর। কখনো পরীক্ষার খাতায় লিখে - কখনোবা মৌখিক ভাবে।
 
আমাদের জীবনে বিভিন্ন জন নিজেকে কিভাবে প্রকাশ করে - তাই নিয়ে ভাবতেছিলাম।
 
কেউ কেউ থাকে বাকপটু। তারা অনর্গল কথা বলতে পারে। খেলাধুলা, রাজনীতি, মুভি এমন কোন জিনিষ নাই যা তারা জানেনা। যদিও এদেরকে অনেকেই চাপাবাজ বলেন। এদের সাথেই আবার অনেককে দেখা যায় যারা আসলে চাপাবাজদের থেকে বেশী জানেন - কিন্তু একেবারেই কথা বলতে জানেন না। কেউ থাকে বেশী মানুষ থাকলে ভড়কে যান। কেউ কেউ বেশী মানুষের মাঝেই কথা বলার জোশ খুঁজে পান। কেউ থাকে সব কিছুই খুব মজা করে বলতে পারেন। আবার কেউ কেউ থাকেন কিভাবে জানি সব কথাই একই টপিকে নিয়ে যান। কখনো পুরানো দিনে। কখনো বা বিদেশে। কখনো বা কোন আদর্শের কথায় তারা ঘুরে চলেন।
আমি দেখেছি অনেকেকেই কিছু জিজ্ঞেস করার সাথে সাথে উত্তর দিতে পারেন। সব কিছুর খুটিনাটি তারা জানেন। কিন্তু যা বলতেছেন তাই যদি লিখতে বলা হয় - তারা আর তা পারেন না। আবার উত্তর জানা আছে কিন্তু ভাষার অভাবে অনেকেই পরীক্ষার খাতায় লিখতে পারেন না। বিশেষতঃ যদি বাংলা ছাড়া অন্য কোন ভাষায় উত্তর দিতে হয়।
শ্রমজীবী মানুষ ছাড়া আর সব মানুষকেই জীবিকার জন্য ভাষার সাহায্য নিতে হয়। কখনো মুখের কথায়, কখনো ফাইলে কখনোবা ইমেইলে। (তবে শ্রমজীবীদের জন্যও মুখের ভাষা দরকার পড়ে।)
যারা মুখের ভাষায় বেশী কথা বলেন - তারা খুব তাড়াতাড়ি বুঝে ফেলেন কোনটার পর কি বলতে হবে - কিভাবে বলতে হবে। লেখার সময়ও এই জিনিসটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আগে ভাল খবরটা দিবেন না খারাপ খবর দিবেন তা নিয়ে অনেক সময়ই মনে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।
মানুষ সব থেকে বেশী চিন্তা করে নিজেকে প্রকাশ করে অফিসে নিজের বসের সামনে। ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের সাথে আর রাজনীতিবিদেরা মিডিয়ার সামনে সব থেকে ভেবে কথা বলে। বিচার করতে গেলে সঠিক ভাষার প্রয়োগ করতে হয়। যা কিনা ঠিক মত করা না গেলে অনেক কঠিন অবস্থা তৈরি করে।
কথা দিয়েই বন্ধুত্ব শুরু হয় আবার কথা দিয়েই তৈরি হয় শত্রুতা। বোবার কোন শত্রু নাই এইটা অনেক পুরাতন কথা।
কেউ সারাজীবন কাটায় নিজের কথা সঠিক ভাবে প্রকাশ করতে। কেউ সব কিছুর মাঝে ধোঁয়াশা তৈরি করে সার্থকতা খুঁজে। নিজেকে প্রকাশ করতে পারে না তাই কেউ সারাজীবন দুর্ভোগ পোহায়। আবার কেউ পরিস্কার জিনিষ ঘোলা করে জীবিকা নির্বাহ করে।
নিজেকে প্রকাশ করার সাথে প্রতিটা মানুষের ব্যক্তিত্ব জড়িত। যে যেভাবে নিজেকে প্রকাশ করে তার মাধ্যমেই তার পরিচয় স্থাপিত হয়ে যায়। হাতের লেখার সাথে মানুষের মনের কাঠামোর যেমন যোগাযোগ আছে ঠিক তেমনি মানুষের বাচন ভঙ্গি ও শব্দ চয়নের মাঝেও একেক জনের ব্যক্ততিত্তের ছাপ স্পস্ট ভাবে ফুটে উঠে।

15
Textile Engineering / Importance of expression.
« on: September 30, 2018, 11:26:56 PM »

ছোটবেলায় অনেকেই থাকে অস্থির চিত্তের। হড়বড় করে কথা বলে যায় মুহূর্তের মধ্যে। আবার কেউ থাকে যাকে অনেক প্রশ্ন করে পেটের কথা বের করতে হয়। ইনফরমেশন মানুষের জীবিকাকে কত প্রখর ভাবে প্রভাবিত করে তা আমরা সবাই জানি। আন্ডার গ্রাজুয়েট পর্যন্ত আমরা আসলে বিভিন্ন বিষয়ের পরিচিতি মূলক তথ্য জানতে পারি। আর আমাদের রেজাল্ট নির্ভর করে কে কত সার্থক ভাবে এই তথ্য গুলো প্রকাশ করতে পারি - তার উপর। কখনো পরীক্ষার খাতায় লিখে - কখনোবা মৌখিক ভাবে।
 
আমাদের জীবনে বিভিন্ন জন নিজেকে কিভাবে প্রকাশ করে - তাই নিয়ে ভাবতেছিলাম।
 
কেউ কেউ থাকে বাকপটু। তারা অনর্গল কথা বলতে পারে। খেলাধুলা, রাজনীতি, মুভি এমন কোন জিনিষ নাই যা তারা জানেনা। যদিও এদেরকে অনেকেই চাপাবাজ বলেন। এদের সাথেই আবার অনেককে দেখা যায় যারা আসলে চাপাবাজদের থেকে বেশী জানেন - কিন্তু একেবারেই কথা বলতে জানেন না। কেউ থাকে বেশী মানুষ থাকলে ভড়কে যান। কেউ কেউ বেশী মানুষের মাঝেই কথা বলার জোশ খুঁজে পান। কেউ থাকে সব কিছুই খুব মজা করে বলতে পারেন। আবার কেউ কেউ থাকেন কিভাবে জানি সব কথাই একই টপিকে নিয়ে যান। কখনো পুরানো দিনে। কখনো বা বিদেশে। কখনো বা কোন আদর্শের কথায় তারা ঘুরে চলেন।
আমি দেখেছি অনেকেকেই কিছু জিজ্ঞেস করার সাথে সাথে উত্তর দিতে পারেন। সব কিছুর খুটিনাটি তারা জানেন। কিন্তু যা বলতেছেন তাই যদি লিখতে বলা হয় - তারা আর তা পারেন না। আবার উত্তর জানা আছে কিন্তু ভাষার অভাবে অনেকেই পরীক্ষার খাতায় লিখতে পারেন না। বিশেষতঃ যদি বাংলা ছাড়া অন্য কোন ভাষায় উত্তর দিতে হয়।
শ্রমজীবী মানুষ ছাড়া আর সব মানুষকেই জীবিকার জন্য ভাষার সাহায্য নিতে হয়। কখনো মুখের কথায়, কখনো ফাইলে কখনোবা ইমেইলে। (তবে শ্রমজীবীদের জন্যও মুখের ভাষা দরকার পড়ে।)
যারা মুখের ভাষায় বেশী কথা বলেন - তারা খুব তাড়াতাড়ি বুঝে ফেলেন কোনটার পর কি বলতে হবে - কিভাবে বলতে হবে। লেখার সময়ও এই জিনিসটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আগে ভাল খবরটা দিবেন না খারাপ খবর দিবেন তা নিয়ে অনেক সময়ই মনে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।
মানুষ সব থেকে বেশী চিন্তা করে নিজেকে প্রকাশ করে অফিসে নিজের বসের সামনে। ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের সাথে আর রাজনীতিবিদেরা মিডিয়ার সামনে সব থেকে ভেবে কথা বলে। বিচার করতে গেলে সঠিক ভাষার প্রয়োগ করতে হয়। যা কিনা ঠিক মত করা না গেলে অনেক কঠিন অবস্থা তৈরি করে।
কথা দিয়েই বন্ধুত্ব শুরু হয় আবার কথা দিয়েই তৈরি হয় শত্রুতা। বোবার কোন শত্রু নাই এইটা অনেক পুরাতন কথা।
কেউ সারাজীবন কাটায় নিজের কথা সঠিক ভাবে প্রকাশ করতে। কেউ সব কিছুর মাঝে ধোঁয়াশা তৈরি করে সার্থকতা খুঁজে। নিজেকে প্রকাশ করতে পারে না তাই কেউ সারাজীবন দুর্ভোগ পোহায়। আবার কেউ পরিস্কার জিনিষ ঘোলা করে জীবিকা নির্বাহ করে।
নিজেকে প্রকাশ করার সাথে প্রতিটা মানুষের ব্যক্তিত্ব জড়িত। যে যেভাবে নিজেকে প্রকাশ করে তার মাধ্যমেই তার পরিচয় স্থাপিত হয়ে যায়। হাতের লেখার সাথে মানুষের মনের কাঠামোর যেমন যোগাযোগ আছে ঠিক তেমনি মানুষের বাচন ভঙ্গি ও শব্দ চয়নের মাঝেও একেক জনের ব্যক্ততিত্তের ছাপ স্পস্ট ভাবে ফুটে উঠে।

Pages: [1] 2 3 ... 36