Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Reza.

Pages: [1] 2 3 ... 41
1
Faculty Forum / Generally there are 3 types of student in a class.
« on: December 10, 2018, 12:24:23 AM »
আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী একটি ক্লাসে সাধারণতঃ তিন ধরণের ছাত্র বা স্টুডেন্ট থাকে।
১. সিন্সেয়ার স্টুডেন্ট ২. সাধারণ স্টুডেন্ট ৩. আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট।

১. সিন্সেয়ার স্টুডেন্টঃ  এরা পরাশুনায় অনেক মনযোগী। ক্লাসে নিয়মিত ভাবে উপস্থিত থাকে। এদের ক্লাস করার ও পড়াশুনার একটি নির্দিষ্ট প্রাত্যাহিক রুটিন থাকে। এদের জীবন অভ্যাস ঝামেলাবিহীন। এরা শিখতে চায়। কখনো যদি ক্লাস মিস করে তাহলে এরা কিছু জিনিস ক্লাস লেকচার শীট অথবা বই পড়েই শিখতে পারে। টিচার যদি নিয়মিত ক্লাস নেয় তাহলেই তা এদের শেখার জন্য যথেষ্ট। পরীক্ষায় যতটুকুই সিলেবাস দেয়া হোক না কেন এরা তার পূর্ণ প্রেপারেশন নিতে পারে। প্রতি ক্লাসে ৫ - ৬ জন এই শ্রেণীর স্টুডেন্ট পাওয়া যায়।

৩. আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টঃ এদের জীবন যাপন পদ্ধতি ঝামেলা পূর্ণ। এদের কোন প্রাত্যাহিক রুটিন নাই। পড়াশুনা ছাড়া এরা সব কিছুতেই এরা আগ্রহী থাকে। এদের জীবন যাপনে প্রায় সময়ই ঝামেলা যোগ হয়। এরা বিশেষতঃ সকালের ক্লাস করতে পারে না। গভীর রাত পর্যন্ত এরা জেগে থাকে ও পড়াশুনা ছাড়া অন্য কোন ঝামেলার কাজে সময় নষ্ট করে। এরাই ক্লাসে কম সিলেবাসে পরীক্ষা দিতে চায়। এর ফলে সহজেই এদেরকে চিহ্নিত করা যায়। এদেরকে একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত জীবন যাপনে অভ্যস্থ করা গেলেই এদের পড়াশুনা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসে। আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এরা অনেক ট্যালেন্টেড হয়ে থাকে। তবে একেবারেই পড়াশুনা করতে চায় না। এদেরকে একবার যদি পরাশুনায় আগ্রহী করে তোলা যায় তাহলে এরা খুব ভাল ফলাফল করতে পারে। প্রতি ক্লাসে ২ - ৩ জন এই শ্রেণীর স্টুডেন্ট পাওয়া যায়।

২. সাধারণ স্টুডেন্টঃ এরা সিন্সেয়ার ও আউট অফ ট্র্যাক এই দুই রকমের স্টুডেন্টদের মধ্যে মধ্যম মানের হয়ে থাকে। এরা কখনো বা সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের ফলো করে আবার কখনো বা আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টদের দ্বারা প্রভাবিত হয়। ক্লাসের অধিকাংশ স্টুডেন্ট সাধারণ মানের হয়।

বিভিন্ন শ্রেণীর স্টুডেন্টদের সার্থক ভাবে শেখাতে হলে কিছু স্ট্রাটেজী নেয়া যেতে পারে। পড়ানোর সময় ডিটেইলস ভাবে পড়ালে ও কুইজের সিলেবাস ঠিক করার সময় সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের কথা খেয়াল রেখে ও প্রশ্ন করার সময় মধ্যম মানের স্টুডেন্টদের দিকে খেয়াল রেখে চললে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। এছাড়া তাদেরকে গ্রুপ স্টাডির জন্য উৎসাহিত করতে হবে। এছাড়াও একজন করে সিন্সিয়ার স্টুডেন্টকে প্রতি স্টাডি গ্রুপে অন্তরভুক্ত করে দিলে তাদের পরাশুনা ভাল হয়। ক্লাসের বাইরে গ্রুপ স্টাডির সময় একজন আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট এর পড়া শেখার দায়িত্ব এক জন সিন্সেয়ার স্টুডেন্টকে দিলে পড়া শেখানো সহজ হয়। তবে সব থেকে চ্যালিঞ্জিং হল আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট কে স্বাভাবিক ও প্রাত্যাহিক জীবনে অভ্যস্থ করে তোলা। তারা যদি স্বাভাবিক প্রাত্যাহিক রুটিন ফলো করতে শিখে তাহলে তারা নিজে থেকেই
পড়াশুনায় ভাল ফলাফল করতে পারে। এদেরকে যদি সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের মোটিভেশনটা কি - এইটা বোঝানো যায় - তাহলেও অনেক সময় ভাল পরিবর্তন দেখা যায়। তবে সব সময় মনে রাখতে হবে যে ঢালাও ভাবে গ্রেড দিয়ে পাস করালে আঊট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টদের অপকারই করা হয়। এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়।

2
Departments / Generally there are 3 types of student in a class.
« on: December 10, 2018, 12:23:43 AM »
আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী একটি ক্লাসে সাধারণতঃ তিন ধরণের ছাত্র বা স্টুডেন্ট থাকে।
১. সিন্সেয়ার স্টুডেন্ট ২. সাধারণ স্টুডেন্ট ৩. আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট।

১. সিন্সেয়ার স্টুডেন্টঃ  এরা পরাশুনায় অনেক মনযোগী। ক্লাসে নিয়মিত ভাবে উপস্থিত থাকে। এদের ক্লাস করার ও পড়াশুনার একটি নির্দিষ্ট প্রাত্যাহিক রুটিন থাকে। এদের জীবন অভ্যাস ঝামেলাবিহীন। এরা শিখতে চায়। কখনো যদি ক্লাস মিস করে তাহলে এরা কিছু জিনিস ক্লাস লেকচার শীট অথবা বই পড়েই শিখতে পারে। টিচার যদি নিয়মিত ক্লাস নেয় তাহলেই তা এদের শেখার জন্য যথেষ্ট। পরীক্ষায় যতটুকুই সিলেবাস দেয়া হোক না কেন এরা তার পূর্ণ প্রেপারেশন নিতে পারে। প্রতি ক্লাসে ৫ - ৬ জন এই শ্রেণীর স্টুডেন্ট পাওয়া যায়।

৩. আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টঃ এদের জীবন যাপন পদ্ধতি ঝামেলা পূর্ণ। এদের কোন প্রাত্যাহিক রুটিন নাই। পড়াশুনা ছাড়া এরা সব কিছুতেই এরা আগ্রহী থাকে। এদের জীবন যাপনে প্রায় সময়ই ঝামেলা যোগ হয়। এরা বিশেষতঃ সকালের ক্লাস করতে পারে না। গভীর রাত পর্যন্ত এরা জেগে থাকে ও পড়াশুনা ছাড়া অন্য কোন ঝামেলার কাজে সময় নষ্ট করে। এরাই ক্লাসে কম সিলেবাসে পরীক্ষা দিতে চায়। এর ফলে সহজেই এদেরকে চিহ্নিত করা যায়। এদেরকে একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত জীবন যাপনে অভ্যস্থ করা গেলেই এদের পড়াশুনা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসে। আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এরা অনেক ট্যালেন্টেড হয়ে থাকে। তবে একেবারেই পড়াশুনা করতে চায় না। এদেরকে একবার যদি পরাশুনায় আগ্রহী করে তোলা যায় তাহলে এরা খুব ভাল ফলাফল করতে পারে। প্রতি ক্লাসে ২ - ৩ জন এই শ্রেণীর স্টুডেন্ট পাওয়া যায়।

২. সাধারণ স্টুডেন্টঃ এরা সিন্সেয়ার ও আউট অফ ট্র্যাক এই দুই রকমের স্টুডেন্টদের মধ্যে মধ্যম মানের হয়ে থাকে। এরা কখনো বা সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের ফলো করে আবার কখনো বা আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টদের দ্বারা প্রভাবিত হয়। ক্লাসের অধিকাংশ স্টুডেন্ট সাধারণ মানের হয়।

বিভিন্ন শ্রেণীর স্টুডেন্টদের সার্থক ভাবে শেখাতে হলে কিছু স্ট্রাটেজী নেয়া যেতে পারে। পড়ানোর সময় ডিটেইলস ভাবে পড়ালে ও কুইজের সিলেবাস ঠিক করার সময় সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের কথা খেয়াল রেখে ও প্রশ্ন করার সময় মধ্যম মানের স্টুডেন্টদের দিকে খেয়াল রেখে চললে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। এছাড়া তাদেরকে গ্রুপ স্টাডির জন্য উৎসাহিত করতে হবে। এছাড়াও একজন করে সিন্সিয়ার স্টুডেন্টকে প্রতি স্টাডি গ্রুপে অন্তরভুক্ত করে দিলে তাদের পরাশুনা ভাল হয়। ক্লাসের বাইরে গ্রুপ স্টাডির সময় একজন আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট এর পড়া শেখার দায়িত্ব এক জন সিন্সেয়ার স্টুডেন্টকে দিলে পড়া শেখানো সহজ হয়। তবে সব থেকে চ্যালিঞ্জিং হল আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট কে স্বাভাবিক ও প্রাত্যাহিক জীবনে অভ্যস্থ করে তোলা। তারা যদি স্বাভাবিক প্রাত্যাহিক রুটিন ফলো করতে শিখে তাহলে তারা নিজে থেকেই
পড়াশুনায় ভাল ফলাফল করতে পারে। এদেরকে যদি সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের মোটিভেশনটা কি - এইটা বোঝানো যায় - তাহলেও অনেক সময় ভাল পরিবর্তন দেখা যায়। তবে সব সময় মনে রাখতে হবে যে ঢালাও ভাবে গ্রেড দিয়ে পাস করালে আঊট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টদের অপকারই করা হয়। এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়।

3
Thank you for your comment.

4
Permanent Campus of DIU / Human and Mathematics.
« on: December 07, 2018, 01:08:17 AM »
আমরা আমাদের চিন্তা ভাবনা গুলো কত নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারি তাই নিয়ে ভাবতেছিলাম। লেখার মাধ্যমে অনেক কিছুই প্রকাশ করা যায়। এখানে ইন্সটুমেন্টের সাহায্য সব থেকে কম দরকার পড়ে। কলম ও কাগজ হলেই যথেষ্ট।
আবার ছবির মাধ্যমেও অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব। কেউ কেউ কবিতা বা গানের মাধ্যমেও অনেক সুক্ষ জিনিষ প্রকাশ করেন। সিনেমা বা মুভি অর্থাৎ ভিডিওর মাধ্যমেও অনেক শক্তিশালীভাবে অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব।
পুরোপুরি নিখুঁত ভাবে কিভাবে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করা যায় - দক্ষতা সেখানেই।
আমাদের মনে কত কিছু আসে। আমরা কিভাবে সেগুলোকে নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারি? বিশেষত লেখার মাধ্যমে?
গাছের রঙ সবুজ। আবার পরনের কাপড়ের রঙও সবুজ হতে পারে। আমরা জানি যে নীল ও হলুদ রঙ এক সাথে মিশালে সবুজ রঙ হয়।
গাছ হয়তো নীলাভ সবুজ আর জামাটা হয়তো হলদেটে সবুজ।
লেখার মাধ্যমে এই সবুজের পার্থক্য বুঝাতে গেলে অংক চলে আসে। এই ক্ষেত্রে লিখতে হবে ৭০% নীল ও ৩০% হলুদ মিশালে যে রঙ হবে সেই রকম নীলাভ সবুজ। অথবা ৪০% নীল ও ৬০% হলুদ মিশালে যে সবুজ হবে সেই রকম হলদেটে সবুজ।
হয়তো কোন সবুজের মধ্যে লালচে আভা আছে। কোনটা হয়তো হাল্কা কোনটা গাঢ় রঙের। তাই যতই অংকের সাহায্যে লিখতে চাই না কেন বর্ণনা বৃহৎ থেকে বৃহত্তর হয়ে চলবে।
কতটুকু মন খারাপ কতটুকু মন ভাল এইটা কিভাবে অংক দিয়ে বোঝানো যাবে?
আমরা চাই সব কিছু নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই অঙ্কের সাহায্য নিতে হবে।
মানুষ সব সময়ই আবেগপ্রবন হয়। আবার সে সব কিছু নিখুঁত হোক তাই চায়। কিন্তু অংক একটি আবেগহীন বিষয়। কিন্তু এইটা দিয়ে নিখুঁত হিসেব সম্ভব। তাই মানুষ অংক পছন্দ না করলেও অংক মানুষের সাথে মিশে আছে প্রতি সূক্ষ্মতায়।

5
Textile Engineering / Human and Mathematics.
« on: December 07, 2018, 01:04:18 AM »
আমরা আমাদের চিন্তা ভাবনা গুলো কত নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারি তাই নিয়ে ভাবতেছিলাম। লেখার মাধ্যমে অনেক কিছুই প্রকাশ করা যায়। এখানে ইন্সটুমেন্টের সাহায্য সব থেকে কম দরকার পড়ে। কলম ও কাগজ হলেই যথেষ্ট।
আবার ছবির মাধ্যমেও অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব। কেউ কেউ কবিতা বা গানের মাধ্যমেও অনেক সুক্ষ জিনিষ প্রকাশ করেন। সিনেমা বা মুভি অর্থাৎ ভিডিওর মাধ্যমেও অনেক শক্তিশালীভাবে অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব।
পুরোপুরি নিখুঁত ভাবে কিভাবে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করা যায় - দক্ষতা সেখানেই।
আমাদের মনে কত কিছু আসে। আমরা কিভাবে সেগুলোকে নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারি? বিশেষত লেখার মাধ্যমে?
গাছের রঙ সবুজ। আবার পরনের কাপড়ের রঙও সবুজ হতে পারে। আমরা জানি যে নীল ও হলুদ রঙ এক সাথে মিশালে সবুজ রঙ হয়।
গাছ হয়তো নীলাভ সবুজ আর জামাটা হয়তো হলদেটে সবুজ।
লেখার মাধ্যমে এই সবুজের পার্থক্য বুঝাতে গেলে অংক চলে আসে। এই ক্ষেত্রে লিখতে হবে ৭০% নীল ও ৩০% হলুদ মিশালে যে রঙ হবে সেই রকম নীলাভ সবুজ। অথবা ৪০% নীল ও ৬০% হলুদ মিশালে যে সবুজ হবে সেই রকম হলদেটে সবুজ।
হয়তো কোন সবুজের মধ্যে লালচে আভা আছে। কোনটা হয়তো হাল্কা কোনটা গাঢ় রঙের। তাই যতই অংকের সাহায্যে লিখতে চাই না কেন বর্ণনা বৃহৎ থেকে বৃহত্তর হয়ে চলবে।
কতটুকু মন খারাপ কতটুকু মন ভাল এইটা কিভাবে অংক দিয়ে বোঝানো যাবে?
আমরা চাই সব কিছু নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই অঙ্কের সাহায্য নিতে হবে।
মানুষ সব সময়ই আবেগপ্রবন হয়। আবার সে সব কিছু নিখুঁত হোক তাই চায়। কিন্তু অংক একটি আবেগহীন বিষয়। কিন্তু এইটা দিয়ে নিখুঁত হিসেব সম্ভব। তাই মানুষ অংক পছন্দ না করলেও অংক মানুষের সাথে মিশে আছে প্রতি সূক্ষ্মতায়।


6
আমার পর্যবেক্ষণ মতে ১। টিচারের ক্লাস নেওয়া ২। পরীক্ষার প্রশ্ন ৩। পরীক্ষার ইনভিজিলেশন ও ৪। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন কেমন হয় তার উপর একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান নির্ভর করে।

এরসাথে ইঞ্জিনিয়ারিং সাব্জেক্ট হলে সাথে ল্যাব ফ্যাসিলিটিও এর সাথে যোগ করতে হবে। কেননা এই বিষয় গুলোর তত্ত্বীয় অংশ তারা ল্যাব ক্লাসের মাধ্যমে পুরোপুরি ক্লিয়ার হতে পারে।

১. ক্লাস যত ভাল ভাবে নেওয়া হবে ছাত্র ছাত্রীরা তত ভাল ভাবে শিখতে পারবে। তবে সব সময়ই খেয়াল রাখতে হবে যে স্টুডেন্টরা যেন তাদের ইমাজিনেশন বা কল্পনা শক্তি কাজে লাগাতে পারে। এর জন্য তাদের প্রাত্যহিক জীবনের বা আশেপাশের সহজ উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। সার্থক ভাবে ক্লাস নিলে শিক্ষার্থীরা অনেক ভাল ভাবে শিখতে পারে। এছাড়াও একটি বিষয়ে নিয়মিত ক্লাস করলে শিক্ষার্থীর ওই বিষয়ের প্রায় ৫০% শেখা হয়ে যায়। যা ভাল ভাবে শেখা ও ভাল পরীক্ষা নিশ্চিত করতে পারে। (নিয়মিত ক্লাস এটেন্ড করলে শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনের ঝামেলাও অনেক কমে যায়।)

২. পরীক্ষার প্রশ্ন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষার প্রশ্ন বুঝে এর সঠিক উত্তর দেওয়াও পরীক্ষার একটি অংশ। তাই পরীক্ষার প্রশ্নে ভুল না থাকলে পরীক্ষার্থীকে প্রশ্ন বুঝিয়ে দেওয়া কখনোই উচিৎ নয়। এই প্রসঙ্গে বলা যায় পরীক্ষার আগে কোন সাজেশন দিলে বা সিলেবাস কমিয়ে দিলে শিক্ষার্থীর শেখার পরিমাণ অনেক কমে যায়। তাই পুরো সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হয় কিনা এইটা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।

৩. পরীক্ষার সময় ইনভিজিলেশনের গুরুত্ব ব্যাখ্যার অপেক্ষা রাখে না। তবে অসুদপায়ের জন্য যথেষ্ট ও উপযুক্ত শাস্তির নিয়ম থাকা পরীক্ষার পরিবেশ ভাল রাখতে সাহায্য করে। আমরা সেই সব প্রতিষ্ঠানেরই সমালোচনা করি যাদের পরীক্ষা পদ্ধতি যথোপযুক্ত নয়।

৪. পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। ঢালাও ভাবে নাম্বার দিয়ে গেলে অনেক বড় সমস্যা তৈরি হয়। যে সব ছাত্র ছাত্রী কষ্ট করে অনেক পড়ে পরীক্ষা দেয় ঢালাও গ্রেডের কারণে তারা পরের সেমিস্টারেই পড়া বাদ দিয়ে দেয়। কেননা তাদের মনে তখন কাজ করে যে না পড়লেও তো একই গ্রেড পাওয়া যায়। অপরপক্ষে যারা কম ক্লাস করে ও কম পড়াশুনা করে অযাজিত গ্রেড পায় তারাই পরে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে হাস্যরস তৈরি করে যে - ক্লাস না করে ও পড়াশুনা না করেও তারা পরীক্ষায় পাস করে এসেছে। শিক্ষক তথা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাজই হল ভাল কাজের জন্য উৎসাহ দেওয়া ও মন্দ কাজে নিরুৎসাহিত করা। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা এই গুণগত ব্যাপারটিই নিশ্চিত করে।

এর বাইরে যে সব বিষয়ে ব্যাবহারিক বিষয় আছে সে গুলোতে যথোপযুক্ত ল্যাব ফ্যাসিলিটি থাকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।     

7
Faculty Forum / Re: Basics to ensure quality.
« on: December 06, 2018, 12:57:02 AM »
Thank you for your repeated feedback.

8
Thank you for your comment.

9
Thank you for your comment.

10
Thank you for your comments.

11
আমাদের বাসার নীচতলা তখন খালি ছিল। পুরো বিল্ডিঙয়ে মানুষ বলতে আমরা চারজন। এর মধ্যে দুইজন হল আমার ছেলেমেয়ে। আর দিনের বেলা একজন রান্নাবান্না করে দিয়ে যেত। নিচতলা খালি তাই আমি তিন চারটা হুইসেল বা বাশি কিনে সব রুমে ঝুলিয়ে রেখেছিলাম। যাতে চোর টোর আসলে তাড়ানো যায়।
এক রাতে প্রায় দুইটার সময় কিছুতে ক্রমাগতঃ বাড়ি দেয়ার আওয়াজ পেলাম। বারান্দায় বের হয়ে নীচে তাকাতেই দেখলাম এক চোর খুব মনোযোগ দিয়ে আমাদের পানির মিটারের ঢাকনার তালায় ইট দিয়ে বাড়ি দিয়ে চলেছে। দরজা খোলার আওয়াজও তার কোন ব্যাঘাত ঘটাতে পারেনি। যাই হোক আপনাদের ভাবি চোর চোর বলে চিৎকার দেয় আর আমি হুইসেল বাজাই। তাতে চোর খুব আশ্চর্য হয়ে উপরে তাকালো। তার চোখে মুখে যে আশ্চর্য ফুটে উঠেছিল তাতে লেখা ছিল,"এই বাসাতে মানুষ আছে?"
যাই হোক সে দ্রুত ওয়াল টপকিয়ে পই পই করে দৌড় দিল। (এখনও মাঝে মাঝে ভাবি যে সে যদি না পালিয়ে যেত - তাহলেই বা কি করতে পারতাম?)
পরের দিন ডিসিশন হল কুকুর পুষতে হবে। প্রথমে পরিচিত একজন একটি জার্মান শেফার্ডের বাচ্চা দিয়েছিল। বয়স ৩ - ৪ মাস। বয়সে বাচ্চা হলেও পুরাই বড় দেশী কুকুরের সমান বড় ছিল সেটা। তার নাম রাখা হল পিক্সসি। কিছুদিন রাখার পর ভাবলাম জার্মান শেফার্ড বড় হলে বিশাল হয়ে যায়। তখন তাকে বেধে রাখাই কঠিন হবে। আবার অপরিচিত মানুষদের প্রতি এরা অনেক হিংস্র হয়। এইবার ডিসিশন হল জার্মান শেফার্ডকে বিদায় দিতে হবে। তার জায়গায় পাহারাদার হিসেবে দেশী কুকুর আনতে হবে। এর মাঝেই জার্মান শেফার্ডকে টিকা দেয়া হয়ে গেছে। তার বেল্ট চেন খাবার সব কিছু অনেক খোঁজাখুজি করে জোগার করতে হয়েছে।
বলে রাখা ভাল আমাদের বাসার কেউ কুকুর সহ্য করতে পারে না। এমনকি আমিও না। তাই পরিচিত ও আসে পাশের সবাইকে বলা হল জার্মান শেফার্ড কেউ নিবে কিনা?
যাই হোক একজন সেই রামপুরা থেকে রাত ১০ টার সময় আমাদের বাসায় আসলো জার্মান শেফার্ডের খবর নিতে। আমাদের তখন কুকুরের জ্বালায় ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। কুকুরটি তেমন কোন ঝামেলা না করলেও আমাদের কুকুর ভীতি বা ঘৃণা থেকেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে লোকটির কথায় আশ্চর্য হলাম। সে আমাকে বলল," আপনি কুকুরটির দাম ১৪ হাজার চেয়েছেন। তবে যদি ১০ হাজারে দেন তাহলে আমি খুব খুশি হব।" বিনয়ে একেবারে বিগলিত হয়ে গেলেন তিনি। (আমরা একেবারে ফ্রি দেয়ার কথা ভেবেছিলাম। তাকে যে কুকুরের কথা বলেছিল সে কেন যেন টাকার কথা বলেছিল।)
আমি তাকে হিন্টস দেয়ার জন্য বেশ কয়েকবার বললাম টাকার কথা আপনাকে চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু সেই লোকটি জার্মান শেফার্ডের মোহে এমনই বিগলিত যে আমার হিন্টস টিন্টস একেবারে আমলেই নিলেন না। টিপ টিপ বৃষ্টি পরতেছিল। রাত তখন ১১ টা বাজে। তিনি আমার কাছ থেকে ছাতা ধার করে এ টি এম বুথে রওনা দিলেন টাকা উঠিয়ে আনতে। আমিও আর ভেঙ্গে বললাম না। বিজনেসের স্টুডেন্ট না হলেও বুঝতে পারতেছিলাম একেবারে ফ্রি এর কথা বললে তিনি কুকুরের সুস্থতা নিয়ে সন্দেহ করবেন। আর হয়তো কুকুরটি নিবেন না। যাই হোক একটু পরে সেই রাতেই এসে পুরো টাকা আমাকে গুনে দিয়ে খুব খুশি মনে পিক্সসিকে নিয়ে আগালেন। পিক্সসিও আর গেটের বাইরে যাবে না। পরিশেষে তিনি সি এন জি তে পিক্সসিকে প্রায় কোলে নিয়ে রামপুরাতে রওনা দিলেন।
এইবার আরেক বিপদ। কুকুর বিক্রির টাকা আমি এখন কি করবো !!
অনেক ভেবে আলাদা রেখে দিলাম। অফিসের কলিগেরা কুকুর বিক্রির কথা শুনে ট্রিট চাইলো। সেখানে কিছু টাকা খরচ করলাম। সোর্স ওই একই টাকা। দেশী কুকুর আনার পর আবার তার টিকা বেল্ট চেন কেনা হল। তার পরও দেখি বেশ কিছু টাকা থেকে গেল। এর পর দেশী কুকুরের খাবার কিনতে থাকলাম ওই টাকা দিয়ে। দেশী কুকুরটাকে খুব ভাল খাওয়ানোর পরও বেশ কিছু দিন লেগেছিল পুরো টাকা শেষ হতে।

12
আমাদের বাসার নীচতলা তখন খালি ছিল। পুরো বিল্ডিঙয়ে মানুষ বলতে আমরা চারজন। এর মধ্যে দুইজন হল আমার ছেলেমেয়ে। আর দিনের বেলা একজন রান্নাবান্না করে দিয়ে যেত। নিচতলা খালি তাই আমি তিন চারটা হুইসেল বা বাশি কিনে সব রুমে ঝুলিয়ে রেখেছিলাম। যাতে চোর টোর আসলে তাড়ানো যায়।
এক রাতে প্রায় দুইটার সময় কিছুতে ক্রমাগতঃ বাড়ি দেয়ার আওয়াজ পেলাম। বারান্দায় বের হয়ে নীচে তাকাতেই দেখলাম এক চোর খুব মনোযোগ দিয়ে আমাদের পানির মিটারের ঢাকনার তালায় ইট দিয়ে বাড়ি দিয়ে চলেছে। দরজা খোলার আওয়াজও তার কোন ব্যাঘাত ঘটাতে পারেনি। যাই হোক আপনাদের ভাবি চোর চোর বলে চিৎকার দেয় আর আমি হুইসেল বাজাই। তাতে চোর খুব আশ্চর্য হয়ে উপরে তাকালো। তার চোখে মুখে যে আশ্চর্য ফুটে উঠেছিল তাতে লেখা ছিল,"এই বাসাতে মানুষ আছে?"
যাই হোক সে দ্রুত ওয়াল টপকিয়ে পই পই করে দৌড় দিল। (এখনও মাঝে মাঝে ভাবি যে সে যদি না পালিয়ে যেত - তাহলেই বা কি করতে পারতাম?)
পরের দিন ডিসিশন হল কুকুর পুষতে হবে। প্রথমে পরিচিত একজন একটি জার্মান শেফার্ডের বাচ্চা দিয়েছিল। বয়স ৩ - ৪ মাস। বয়সে বাচ্চা হলেও পুরাই বড় দেশী কুকুরের সমান বড় ছিল সেটা। তার নাম রাখা হল পিক্সসি। কিছুদিন রাখার পর ভাবলাম জার্মান শেফার্ড বড় হলে বিশাল হয়ে যায়। তখন তাকে বেধে রাখাই কঠিন হবে। আবার অপরিচিত মানুষদের প্রতি এরা অনেক হিংস্র হয়। এইবার ডিসিশন হল জার্মান শেফার্ডকে বিদায় দিতে হবে। তার জায়গায় পাহারাদার হিসেবে দেশী কুকুর আনতে হবে। এর মাঝেই জার্মান শেফার্ডকে টিকা দেয়া হয়ে গেছে। তার বেল্ট চেন খাবার সব কিছু অনেক খোঁজাখুজি করে জোগার করতে হয়েছে।
বলে রাখা ভাল আমাদের বাসার কেউ কুকুর সহ্য করতে পারে না। এমনকি আমিও না। তাই পরিচিত ও আসে পাশের সবাইকে বলা হল জার্মান শেফার্ড কেউ নিবে কিনা?
যাই হোক একজন সেই রামপুরা থেকে রাত ১০ টার সময় আমাদের বাসায় আসলো জার্মান শেফার্ডের খবর নিতে। আমাদের তখন কুকুরের জ্বালায় ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। কুকুরটি তেমন কোন ঝামেলা না করলেও আমাদের কুকুর ভীতি বা ঘৃণা থেকেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে লোকটির কথায় আশ্চর্য হলাম। সে আমাকে বলল," আপনি কুকুরটির দাম ১৪ হাজার চেয়েছেন। তবে যদি ১০ হাজারে দেন তাহলে আমি খুব খুশি হব।" বিনয়ে একেবারে বিগলিত হয়ে গেলেন তিনি। (আমরা একেবারে ফ্রি দেয়ার কথা ভেবেছিলাম। তাকে যে কুকুরের কথা বলেছিল সে কেন যেন টাকার কথা বলেছিল।)
আমি তাকে হিন্টস দেয়ার জন্য বেশ কয়েকবার বললাম টাকার কথা আপনাকে চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু সেই লোকটি জার্মান শেফার্ডের মোহে এমনই বিগলিত যে আমার হিন্টস টিন্টস একেবারে আমলেই নিলেন না। টিপ টিপ বৃষ্টি পরতেছিল। রাত তখন ১১ টা বাজে। তিনি আমার কাছ থেকে ছাতা ধার করে এ টি এম বুথে রওনা দিলেন টাকা উঠিয়ে আনতে। আমিও আর ভেঙ্গে বললাম না। বিজনেসের স্টুডেন্ট না হলেও বুঝতে পারতেছিলাম একেবারে ফ্রি এর কথা বললে তিনি কুকুরের সুস্থতা নিয়ে সন্দেহ করবেন। আর হয়তো কুকুরটি নিবেন না। যাই হোক একটু পরে সেই রাতেই এসে পুরো টাকা আমাকে গুনে দিয়ে খুব খুশি মনে পিক্সসিকে নিয়ে আগালেন। পিক্সসিও আর গেটের বাইরে যাবে না। পরিশেষে তিনি সি এন জি তে পিক্সসিকে প্রায় কোলে নিয়ে রামপুরাতে রওনা দিলেন।
এইবার আরেক বিপদ। কুকুর বিক্রির টাকা আমি এখন কি করবো !!
অনেক ভেবে আলাদা রেখে দিলাম। অফিসের কলিগেরা কুকুর বিক্রির কথা শুনে ট্রিট চাইলো। সেখানে কিছু টাকা খরচ করলাম। সোর্স ওই একই টাকা। দেশী কুকুর আনার পর আবার তার টিকা বেল্ট চেন কেনা হল। তার পরও দেখি বেশ কিছু টাকা থেকে গেল। এর পর দেশী কুকুরের খাবার কিনতে থাকলাম ওই টাকা দিয়ে। দেশী কুকুরটাকে খুব ভাল খাওয়ানোর পরও বেশ কিছু দিন লেগেছিল পুরো টাকা শেষ হতে।

14
Textile Engineering / Re: Patience is required to wait in a line.
« on: November 24, 2018, 12:34:22 PM »
According to my opinions we are the most luckiest generation among the three.

15
Textile Engineering / Re: Perishable essentials.
« on: November 24, 2018, 12:33:22 PM »
Thank you for your comment.

Pages: [1] 2 3 ... 41