Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Reza.

Pages: [1] 2 3 ... 43
1
Textile Engineering / Re: Expression of our thoughts.
« on: February 07, 2019, 11:19:22 PM »
Thank you.

2
Textile Engineering / Re: Memory can reward or can punish.
« on: February 07, 2019, 11:18:07 PM »
Thank you for your appreciation.

3
Permanent Campus of DIU / Expression of our thoughts.
« on: February 05, 2019, 01:08:50 AM »
মানুষের মন। কত কিছু যে ভেবে চলে। মনের সব ভাবনা গুলো সে কথার সাহায্যে প্রকাশ করে চলে। কখনো বা লিখে চলে। মনের ভাবনা গুলোয় অনেক সময়ই আবেগ জড়িত থাকে। রাগ, অভিমান, কৌতুক, ভাললাগা মন্দলাগা থাকে। কেউ কেউ মনের ভাব গুলোকে খুব নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারে। আবার কারো অনেক আবেগ থাকা শর্তেও সেগুলো প্রকাশের কোন দক্ষতা নেই। এবং এইখানেই ট্র্যাজেডির শুরু হয়। অন্য মানুষের কোন ক্ষমতা নাই অন্যের অপ্রাকাশিত কথা বুঝে নেয়ার। অনেক ক্ষেত্রেই মিথ্যা কথা বা প্রতিশ্রুতি ডিটেক্ট করাও সম্ভব হয় না। আমরা প্রায় সব সময়ই নিজের মনের কথা গুলো সেন্সর করে প্রকাশ করি। মানুষের বয়স যত বাড়ে তার সেন্সর করার হারও তত বাড়ে। টেলিপ্যাথি বলে একটি শব্দ গল্পের বইয়ে পড়েছিলাম। যার সাহায্যে অন্যের মনের সাথে কথা বলা যায়। এর জন্য মুখের ভাষার কোন প্রয়োজন পড়ে না। সে যেই ভাষাভাষীই হোন না কেন - তার মনের সাথে টেলিপ্যাথির মাধ্যমে কথা বলা সম্ভব।
অনেক সময় আমাদের মনের সাথে মুখের ডাইরেক্ট কানেকশন হয়ে যায়। যা ভাবতেছি তাই হয়তো বিড়বিড় করে মুখে বলে চলি। কেউ কেউ যা লিখতেছেন তাই মুখে বলে চলেন। কেউ কেউ ঘুমের মধ্যেও কথা বলেন।
আমাদের এই যুগ হল নিজেকে প্রকাশ করার যুগ। কে কত ভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে পারেন তার উপরই তার জনপ্রিয়তা, পশার। সে তত বিখ্যাত। কবিতার যুগ শেষ। এখন হল মোটিভেশনাল স্পিকারের যুগ। কবি লিখতেন ছন্দের মাধ্যমে মনের কথা। আর লিখতেন মনের অবাধ্যতার কথা। আর মটিভেশনাল স্পিকার বলেন মনকে কন্ট্রোলের উপায়। কোন কোন ক্ষেত্রে মনে হয় কবিরাই সহজ ও সত্য কথা বলে গেছেন।
যতক্ষণ আমরা বেঁচে থাকি - আমাদের মন ভেবে চলে। তার অতি নগণ্য অংশই আমরা প্রকাশ করতে পারি বা করি। আবার যতটুকু কথায় প্রকাশ করি তার অতি অল্প অংশই লিখিত আকারে থাকে। আমাদের মন সমুদ্রের সমান ভেবে থাকে। আর আমরা প্রকাশ করতে পারি মাত্র চায়ের চামচ সমান। তার মাঝে নির্ভেজাল সত্য প্রকাশ থাকে কয়েক ফোঁটা মাত্র।

4
Textile Engineering / Expression of our thoughts.
« on: February 05, 2019, 01:06:43 AM »
মানুষের মন। কত কিছু যে ভেবে চলে। মনের সব ভাবনা গুলো সে কথার সাহায্যে প্রকাশ করে চলে। কখনো বা লিখে চলে। মনের ভাবনা গুলোয় অনেক সময়ই আবেগ জড়িত থাকে। রাগ, অভিমান, কৌতুক, ভাললাগা মন্দলাগা থাকে। কেউ কেউ মনের ভাব গুলোকে খুব নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারে। আবার কারো অনেক আবেগ থাকা শর্তেও সেগুলো প্রকাশের কোন দক্ষতা নেই। এবং এইখানেই ট্র্যাজেডির শুরু হয়। অন্য মানুষের কোন ক্ষমতা নাই অন্যের অপ্রাকাশিত কথা বুঝে নেয়ার। অনেক ক্ষেত্রেই মিথ্যা কথা বা প্রতিশ্রুতি ডিটেক্ট করাও সম্ভব হয় না। আমরা প্রায় সব সময়ই নিজের মনের কথা গুলো সেন্সর করে প্রকাশ করি। মানুষের বয়স যত বাড়ে তার সেন্সর করার হারও তত বাড়ে। টেলিপ্যাথি বলে একটি শব্দ গল্পের বইয়ে পড়েছিলাম। যার সাহায্যে অন্যের মনের সাথে কথা বলা যায়। এর জন্য মুখের ভাষার কোন প্রয়োজন পড়ে না। সে যেই ভাষাভাষীই হোন না কেন - তার মনের সাথে টেলিপ্যাথির মাধ্যমে কথা বলা সম্ভব।
অনেক সময় আমাদের মনের সাথে মুখের ডাইরেক্ট কানেকশন হয়ে যায়। যা ভাবতেছি তাই হয়তো বিড়বিড় করে মুখে বলে চলি। কেউ কেউ যা লিখতেছেন তাই মুখে বলে চলেন। কেউ কেউ ঘুমের মধ্যেও কথা বলেন।
আমাদের এই যুগ হল নিজেকে প্রকাশ করার যুগ। কে কত ভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে পারেন তার উপরই তার জনপ্রিয়তা, পশার। সে তত বিখ্যাত। কবিতার যুগ শেষ। এখন হল মোটিভেশনাল স্পিকারের যুগ। কবি লিখতেন ছন্দের মাধ্যমে মনের কথা। আর লিখতেন মনের অবাধ্যতার কথা। আর মটিভেশনাল স্পিকার বলেন মনকে কন্ট্রোলের উপায়। কোন কোন ক্ষেত্রে মনে হয় কবিরাই সহজ
ও সত্য কথা বলে গেছেন।
যতক্ষণ আমরা বেঁচে থাকি - আমাদের মন ভেবে চলে। তার অতি নগণ্য অংশই আমরা প্রকাশ করতে পারি বা করি। আবার যতটুকু কথায় প্রকাশ করি তার অতি অল্প অংশই লিখিত আকারে থাকে। আমাদের মন সমুদ্রের সমান ভেবে থাকে। আর আমরা প্রকাশ করতে পারি মাত্র চায়ের চামচ সমান। তার মাঝে নির্ভেজাল সত্য প্রকাশ থাকে কয়েক ফোঁটা মাত্র।

5
Textile Engineering / Helpless and humble people.
« on: January 28, 2019, 01:18:08 AM »
বিনয়ী কাকে বলে? আমরা কেউ কি রাস্তার ভিক্ষুকের থেকে বিনয়ী?
সারাদিন সে মাথা নিচু করে হাত পেতে দাড়িয়ে থাকে। যে যাই দেক - সে তা গ্রহন করে। হোক তা কয়েক পয়সা।
তার থেকে বিনয়ী কে আর আছে? সারাদিন রাস্তা বা ওভারব্রিজের ধূলায় বসে থাকে।
আমাদের দিকে দেখি। চেয়ার ছাড়া মাটিতেও বসতে পারি না। চেয়ারের সারিতে কে আগে বসলো কে পরে এইটাই মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাড়ায়। চেয়ারেরও রকম ফের আছে।
ভিক্ষুকের চোখে পৃথিবীটা কেমন দেখতে মনে হয়? সব মানুষের মাঝে নিজের অবস্থান সব থেকে নিচুতে - এইটা কিভাবে সহ্য করে যায়? ছোটবড় সবার করুণার পাত্র হতে কেমন লাগে? সারাদিনই তার অবসর কিন্তু স্থির সময় নাই কোন। খাবারের ব্যপারে তাদের কোন বাছ বিচার করতে কখনো দেখি নাই। সব রকম খাবারই তাদের কাছে মুখরোচক মনে হয়।
বিকলাঙ্গ ভিক্ষুখদের কেউ হয়তো ওভারব্রিজে বা ফুটপাথে রেখে গেছে। সেখানে এক সময় উত্তপ্ত রোদ পড়ে। সে বিকলাঙ্গ তাই সে রোদ থেকে সরে যেতে পারে না। সেখানে বসেই সে অপেক্ষা করে কখন কেউ আসবে তাকে ছায়াতে সরিয়ে নিয়ে যাবে।
কিংবা হঠাৎ বৃষ্টিতে সবাই যখন দৌড়ে শেডের নীচে যেতে থাকে - সে তখন অসহায় ভাবে ভিজে চলে। তার চোখের জল বেশী ঘন না বৃষ্টির জল - তা কে বলবে?
অসহায় মানুষের ব্যবহার আমাদের সবাইকে আপ্লূত করে তোলে। অহংকারি মানুষেরা যেখানে ঘৃণার পাত্র - সেখানে বিনয়ী মানুষের ব্যবহার সবারই ভাল লাগে।
মানুষের কাছে আরেকজন মানুষ একেবারে নিরুপায় না হলে সরাসরি অনুগ্রহ বা করুনা চায় না। এই সব গরীব দুঃখী ও অসহায় মানুষদের প্রতি আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি বদলানো দরকার। কিভাবে এক জন মানুষ হয়ে আমরা আরেকজন মানুষের অসহায় অবস্থা সহ্য করে যাই?
বিকলাঙ্গ ও অন্ধ মানুষেরা এমনিতেই অসহায় হয়ে জীবন কাটায়। তার উপরে তাদের যদি আর্থিক অনটন থাকে তবে তা চরম কষ্টদায়ক ব্যাপার হয়ে দাড়ায়।

6
Permanent Campus of DIU / Helpless and humble people.
« on: January 28, 2019, 01:17:20 AM »
বিনয়ী কাকে বলে? আমরা কেউ কি রাস্তার ভিক্ষুকের থেকে বিনয়ী?
সারাদিন সে মাথা নিচু করে হাত পেতে দাড়িয়ে থাকে। যে যাই দেক - সে তা গ্রহন করে। হোক তা কয়েক পয়সা।
তার থেকে বিনয়ী কে আর আছে? সারাদিন রাস্তা বা ওভারব্রিজের ধূলায় বসে থাকে।
আমাদের দিকে দেখি। চেয়ার ছাড়া মাটিতেও বসতে পারি না। চেয়ারের সারিতে কে আগে বসলো কে পরে এইটাই মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাড়ায়। চেয়ারেরও রকম ফের আছে।
ভিক্ষুকের চোখে পৃথিবীটা কেমন দেখতে মনে হয়? সব মানুষের মাঝে নিজের অবস্থান সব থেকে নিচুতে - এইটা কিভাবে সহ্য করে যায়? ছোটবড় সবার করুণার পাত্র হতে কেমন লাগে? সারাদিনই তার অবসর কিন্তু স্থির সময় নাই কোন। খাবারের ব্যপারে তাদের কোন বাছ বিচার করতে কখনো দেখি নাই। সব রকম খাবারই তাদের কাছে মুখরোচক মনে হয়।
বিকলাঙ্গ ভিক্ষুখদের কেউ হয়তো ওভারব্রিজে বা ফুটপাথে রেখে গেছে। সেখানে এক সময় উত্তপ্ত রোদ পড়ে। সে বিকলাঙ্গ তাই সে রোদ থেকে সরে যেতে পারে না। সেখানে বসেই সে অপেক্ষা করে কখন কেউ আসবে তাকে ছায়াতে সরিয়ে নিয়ে যাবে।
কিংবা হঠাৎ বৃষ্টিতে সবাই যখন দৌড়ে শেডের নীচে যেতে থাকে - সে তখন অসহায় ভাবে ভিজে চলে। তার চোখের জল বেশী ঘন না বৃষ্টির জল - তা কে বলবে?
অসহায় মানুষের ব্যবহার আমাদের সবাইকে আপ্লূত করে তোলে। অহংকারি মানুষেরা যেখানে ঘৃণার পাত্র - সেখানে বিনয়ী মানুষের ব্যবহার সবারই ভাল লাগে।
মানুষের কাছে আরেকজন মানুষ একেবারে নিরুপায় না হলে সরাসরি অনুগ্রহ বা করুনা চায় না। এই সব গরীব দুঃখী ও অসহায় মানুষদের প্রতি আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি বদলানো দরকার। কিভাবে এক জন মানুষ হয়ে আমরা আরেকজন মানুষের অসহায় অবস্থা সহ্য করে যাই?
বিকলাঙ্গ ও অন্ধ মানুষেরা এমনিতেই অসহায় হয়ে জীবন কাটায়। তার উপরে তাদের যদি আর্থিক অনটন থাকে তবে তা চরম কষ্টদায়ক ব্যাপার হয়ে দাড়ায়।

7
Permanent Campus of DIU / Wastage of precious minds.
« on: January 28, 2019, 12:35:52 AM »
মানুষ কত দ্রুত চিন্তা করতে পারে? লেখা কি সম্ভব - সে যত দ্রুত একেকটা জিনিস চিন্তা করে যাচ্ছে - তা। কত দ্রুত মনের টপিক চেঞ্জ হয়।
দ্রুততা বলতে কি বোঝায়? এই হয়তো সে ভাবতেছিল নিজের ছোটবেলার কথা। এর পরই তার মনে আসলো আজকের বন্ধুর কথা। কিংবা গতকাল অফিসের কথা ভাবতে ভাবতে সে চলে গেল দেশের বাড়ীর ঈদের কথায়। মন মুহূর্তের মধ্যে পার হয়ে যায় সময় ও স্থান।
প্লেন গাড়ী দ্রুত থেকে দ্রুততর হয়েছে। কিন্তু কখনোই অতীতে যেতে পারেনি।
প্লাস্টিকের ডিম চাল মাছ সম্ভব। প্লাস্টিকের রোবট সম্ভব। রোবট হয়তো দ্রুত উত্তর দিতে পারে কিন্তু তার কি মন থাকে? সে কি কবিতা লিখতে পারে? কিংবা রাতের আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ দেখে কি মুগ্ধ হয়ে কিছুক্ষণ দাড়িয়ে দেখে?
একজন হয়তো শান্তিতে আছে - আছে আনন্দে। কিন্তু তার হয়তো আর্থিক অবস্থা ভাল নয়। আমাদের যত মাপকাঠি তা কেবল টাকা পরিমাপের। আমাদের প্রচলিত সংজ্ঞা অনুযায়ী - সে ব্যর্থ - তার জীবন ব্যর্থ। আর যে মানুষ ম্যান ম্যাটেরিয়াল মেশিন আর মানির সমতা এনেছে - সেই সফল।
আমি ভাবি - কি দরকার আমাদের এই বিলাসী জীবনের? যার সময় নাই নিজের ভাল লাগা জিনিসের ও মানুষের জন্য। যে বলতে পারে না - থামো যথেষ্ট হয়েছে - আর আমার কিছু দরকার নাই। আমি চাই স্তব্ধ সময়। যেখানে হুড়াহুড়ি নাই। নাই অপরকে পিছনে ফেলার হর্স রেস।
আমি দেখতে চাই আকাশ ভরা তারা। সবার মাঝে বসে গল্প করতে চাই।
কিন্তু বলা হয় না। আমাদের এই সব থেকে মূল্যবান মনটাকে কস্টে ফেলে আমরা হারিয়ে যাই কর্মযুদ্ধে। হিসেব করে চলি আনা পাই পর্যন্ত। আমাদের জানা নাই আমাদের মনের ক্ষমতা। আমরা সব পরাজিত মানুষেরা অবিরাম ছুটে চলি শস্তা টাকার পিছনে।

8
Textile Engineering / Wastage of precious minds.
« on: January 28, 2019, 12:35:06 AM »
মানুষ কত দ্রুত চিন্তা করতে পারে? লেখা কি সম্ভব - সে যত দ্রুত একেকটা জিনিস চিন্তা করে যাচ্ছে - তা। কত দ্রুত মনের টপিক চেঞ্জ হয়।
দ্রুততা বলতে কি বোঝায়? এই হয়তো সে ভাবতেছিল নিজের ছোটবেলার কথা। এর পরই তার মনে আসলো আজকের বন্ধুর কথা। কিংবা গতকাল অফিসের কথা ভাবতে ভাবতে সে চলে গেল দেশের বাড়ীর ঈদের কথায়। মন মুহূর্তের মধ্যে পার হয়ে যায় সময় ও স্থান।
প্লেন গাড়ী দ্রুত থেকে দ্রুততর হয়েছে। কিন্তু কখনোই অতীতে যেতে পারেনি।
প্লাস্টিকের ডিম চাল মাছ সম্ভব। প্লাস্টিকের রোবট সম্ভব। রোবট হয়তো দ্রুত উত্তর দিতে পারে কিন্তু তার কি মন থাকে? সে কি কবিতা লিখতে পারে? কিংবা রাতের আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ দেখে কি মুগ্ধ হয়ে কিছুক্ষণ দাড়িয়ে দেখে?
একজন হয়তো শান্তিতে আছে - আছে আনন্দে। কিন্তু তার হয়তো আর্থিক অবস্থা ভাল নয়। আমাদের যত মাপকাঠি তা কেবল টাকা পরিমাপের। আমাদের প্রচলিত সংজ্ঞা অনুযায়ী - সে ব্যর্থ - তার জীবন ব্যর্থ। আর যে মানুষ ম্যান ম্যাটেরিয়াল মেশিন আর মানির সমতা এনেছে - সেই সফল।
আমি ভাবি - কি দরকার আমাদের এই বিলাসী জীবনের? যার সময় নাই নিজের ভাল লাগা জিনিসের ও মানুষের জন্য। যে বলতে পারে না - থামো যথেষ্ট হয়েছে - আর আমার কিছু দরকার নাই। আমি চাই স্তব্ধ সময়। যেখানে হুড়াহুড়ি নাই। নাই অপরকে পিছনে ফেলার হর্স রেস।
আমি দেখতে চাই আকাশ ভরা তারা। সবার মাঝে বসে গল্প করতে চাই।
কিন্তু বলা হয় না। আমাদের এই সব থেকে মূল্যবান মনটাকে কস্টে ফেলে আমরা হারিয়ে যাই কর্মযুদ্ধে। হিসেব করে চলি আনা পাই পর্যন্ত। আমাদের জানা নাই আমাদের মনের ক্ষমতা। আমরা সব পরাজিত মানুষেরা অবিরাম ছুটে চলি শস্তা টাকার পিছনে।

9
Textile Engineering / Re: Memory can reward or can punish.
« on: January 13, 2019, 11:32:23 PM »
Thank you.

10
Thank you for your feedback.

11
তারা ছিল অনেক দরিদ্র। খাবার জুটতো অনেক কম। তাই তারা খাবার রান্নার সময় তরকারীর খোসা গুলো সিদ্ধ করতো। খাওয়া শুরু করার আগে তারা সেই তরকারীর খোসার সিদ্ধ পানি খেয়ে নিত। যাতে ক্ষুধা কমে যায় ও আসল খাবার কম খেতে হয়।
চীনারা আগে অনেক দরিদ্র ছিল। তখন তাদের খাবারের ট্র্যাডিশন ছিল আসল খাবার শুরু করার আগে স্যুপ খাওয়া। এখন আমরা চাইনিজ খাবার খাওয়ার আগে যে স্যুপ খাই - তার এই পিছনের আসল কারণটা পেয়েছিলাম একটি বইয়ে। সেটাই উপরের বর্ণনায় আছে।
এখনকার চীন বা চায়নার সাথে কত পার্থক্য। তারা এখন পৃথিবীর অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক। সব কিছুর এতো বেশী প্রডাকশন করে যে আগের অনেক মূল্যবান সামগ্রী আমরা এখন ভ্যান গাড়িতে বিক্রি হতে দেখি। আমাদের দেশের দরিদ্র শ্রেণীর মানুষদের দেখি। তারা যেসব শ্রম-নির্ভর কাজ করে তা অন্য শ্রেণীর মানুষেরা মারা গেলও করবে না বা পারবেও না। এদের কখনো টেনশন করতে দেখি নাই। নিজেকে যদি ভাবি যে আজকে কাজ না পেলে না খেয়ে থাকতে হবে। তাহলে আমাদের অবস্থা কি হবে? তাদের মত প্রান্তিক জীবন যাপন আমাদের করতে হয় না। বাড়ি গাড়ী ব্যাংক ব্যালেন্স সব কিছু থাকার পরও আমরা শান্তিতে খেতেও পারি না - ঘুমাতেও পারি না। তারা কত শান্তিতে তাদের খাবার গুলো খায় আর কি নিশ্চিন্তে ঘুমায়। তারা না থাকলে আমাদের দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে যেত।
আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশ থেকে ইমিগ্রান্ট নেয় উন্নত দেশ গুলো। ইমিগ্রান্ট্রাই সচল রাখে তাদের অর্থনীতি।
আমার মতে আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলোতে সুশাসন বিরাজ করলে বেশীর ভাগ মানুষ দেশ ত্যাগ করতেন না। তাহলে উন্নত বিশ্বের দেশ গুলো সাধারণ কাজ করার মানুষ পেত না। তাদের অর্থনীতি ধসে পড়ত। তাই তৃতীয় বিশ্বের অশান্তির পিছনে তাদের ভূমিকা থাকা অসম্ভব কিছু নয়।

12
চীনারা ছিল অনেক দরিদ্র। খাবার জুটতো অনেক কম। তাই তারা খাবার রান্নার সময় তরকারীর খোসা গুলো সিদ্ধ করতো। খাওয়া শুরু করার আগে তারা সেই তরকারীর খোসার সিদ্ধ পানি খেয়ে নিত। যাতে ক্ষুধা কমে যায় ও আসল খাবার কম খেতে হয়।
চীনারা আগে অনেক দরিদ্র ছিল। তখন তাদের খাবারের ট্র্যাডিশন ছিল আসল খাবার শুরু করার আগে স্যুপ খাওয়া। এখন আমরা চাইনিজ খাবার খাওয়ার আগে যে স্যুপ খাই - তার এই পিছনের আসল কারণটা পেয়েছিলাম একটি বইয়ে। সেটাই উপরের বর্ণনায় আছে।
এখনকার চীন বা চায়নার সাথে কত পার্থক্য। তারা এখন পৃথিবীর অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক। সব কিছুর এতো বেশী প্রডাকশন করে যে আগের অনেক মূল্যবান সামগ্রী আমরা এখন ভ্যান গাড়িতে বিক্রি হতে দেখি। আমাদের দেশের দরিদ্র শ্রেণীর মানুষদের দেখি। তারা যেসব শ্রম-নির্ভর কাজ করে তা অন্য শ্রেণীর মানুষেরা মারা গেলও করবে না বা পারবেও না। এদের কখনো টেনশন করতে দেখি নাই। নিজেকে যদি ভাবি যে আজকে কাজ না পেলে না খেয়ে থাকতে হবে। তাহলে আমাদের অবস্থা কি হবে? তাদের মত প্রান্তিক জীবন যাপন আমাদের করতে হয় না। বাড়ি গাড়ী ব্যাংক ব্যালেন্স সব কিছু থাকার পরও আমরা শান্তিতে খেতেও পারি না - ঘুমাতেও পারি না। তারা কত শান্তিতে তাদের খাবার গুলো খায় আর কি নিশ্চিন্তে ঘুমায়। তারা না থাকলে আমাদের দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে যেত।
আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশ থেকে ইমিগ্রান্ট নেয় উন্নত দেশ গুলো। ইমিগ্রান্ট্রাই সচল রাখে তাদের অর্থনীতি।
আমার মতে আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলোতে সুশাসন বিরাজ করলে বেশীর ভাগ মানুষ দেশ ত্যাগ করতেন না। তাহলে উন্নত বিশ্বের দেশ গুলো সাধারণ কাজ করার মানুষ পেত না। তাদের অর্থনীতি ধসে পড়ত। তাই তৃতীয় বিশ্বের অশান্তির পিছনে তাদের ভূমিকা থাকা অসম্ভব কিছু নয়।

13
Faculty Forum / Re: Unwritten and unknown stories of life.
« on: January 05, 2019, 05:03:43 PM »
Thank you.

14
Faculty Forum / Re: Generally there are 3 types of student in a class.
« on: January 05, 2019, 05:03:18 PM »
Thank you for your feedback.

15
Thank you for your feedback.

Pages: [1] 2 3 ... 43