Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Forman

Pages: [1]
1
এখন অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং বা ঘরে বসে করা যায়, এমন কাজ খোঁজেন। গুগল তাদের সার্চ ফিচারে এমন সুবিধা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। গুগলে চাকরি খোঁজার সুবিধা যুক্ত করার বছরখানেক পরে চাকরি খোঁজার ফিচারে নতুন এ সুবিধা যুক্ত করছে গুগল।

গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়োগদাতা ও চাকরি দেওয়ার প্ল্যাটফর্মগুলোকে সাহায্য করার পাশাপাশি আরও বেশি চাকরিপ্রার্থীকে যুক্ত করতে উন্নত চাকরি খোঁজার সুবিধা যুক্ত করছে গুগল। এতে যুক্তরাষ্ট্রে আরও বেশি ঘরে বসে বা দূরে বসে কাজ করার সুবিধা পাওয়া যাবে।

যাঁরা ঘরে বসে কাজ খোঁজেন, তাঁদের জন্য এই ফাংশন দারুণ কাজে দেবে। গুগলের ক্লাউড পণ্য ব্যবস্থাপক জেনিফার সু গত বুধবার এক ব্লগ পোস্টে এ তথ্য জানান।

গুগল তাদের সাইটে ১০০টি ভাষার চাকরি খোঁজার সুবিধা যুক্ত করেছে।

গুগল কর্তৃপক্ষ বলছে, এখন গুগল সার্চ ব্যবহারকারীরা ঘরে বসে কাজ করার সুবিধা আছে, এমন কাজ খুঁজছেন বেশি। তাঁদের কথা ভেবেই নতুন সুবিধা আনা হচ্ছে।

Source: Prothom Alo

2
আপনার অনলাইন অ্যাকাউন্ট ও তথ্য সুরক্ষার জন্য পাসওয়ার্ড খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই এখনো সহজে অনুমানযোগ্য ও সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন। এ কারণে তাঁর অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। সাইবার দুর্বৃত্তরা নানা কৌশলে সহজ পাসওয়ার্ড হ্যাক করে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং ব্ল্যাকমেল করতে পারে।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের সাইবার সার্ভে নামের একটি প্রতিষ্ঠান এক লাখ সহজ পাসওয়ার্ড বিশ্লেষণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির গবেষকেরা বলেছেন, মানুষ এখনো শক্ত ও জটিল পাসওয়ার্ডের গুরুত্ব বোঝে না।

সাইবার সার্ভের গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের ২ কোটি ৩২ লাখ হ্যাকের শিকার ভুক্তভোগী তাঁদের অ্যাকাউন্টে পাসওয়ার্ড হিসেবে (123456) সংখ্যাটি ব্যবহার করেছেন। এটিই এখন সবচেয়ে বেশি হ্যাক হওয়া সহজ পাসওয়ার্ড।

যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তাকেন্দ্রের পক্ষ থেকে সহজে অনুমানযোগ্য ও হ্যাকের ঝুঁকিতে থাকা কিছু পাসওয়ার্ডের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। জনসাধারণকে জানানোর উদ্দেশ্যে ও পাসওয়ার্ডের গুরুত্ব তুলে ধরার অংশ হিসেবে তারা এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

গবেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে, যাঁরা সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন, তাঁরা দ্রুত তা বদলে অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন মিলিয়ে জটিল পাসওয়ার্ড তৈরি করতে পারেন। হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি থাকায় সহজ পাসওয়ার্ডের তালিকায় থাকা কোনো পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না।

দেখে নিন সহজে হ্যাক হয়, এমন কতগুলো পাসওয়ার্ড

123456, 123456789, qwerty, Password, 1111111, Ashley, Michael, Daniel, Andrew, Joshua, Justin, Jessica, Jennifer, Anthony, Charlie

Source: Prothom Alo

3
বর্তমান সময়ে গুগল অ্যাডসেন্সের সঙ্গে কম বেশি সবাই পরিচিত। মূলত অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে এই গুগল অ্যাডসেন্স।

অ্যাডসেন্সের নিয়মকানুন এবং গাইডলাইন সঠিকভাবে অনুসরণ করলে সহজেই অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভড করে সঠিকভাবে বিজ্ঞাপন শো করিয়ে টাকা উপার্জন করা সম্ভব।

দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন করতে সক্ষম হলেও আয় বৃদ্ধি করতে পারে না অনেকেই। গুগল অ্যাডসেন্স আয় বৃদ্ধি না হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে এর সঠিক ব্যবহার করতে না পারা।

আজকের আয়োজনে গুগল অ্যাডসেন্স কী? কীভাবে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় বৃদ্ধি করা যায়।

গুগল অ্যাডসেন্স

গুগল অ্যাডসেন্স হচ্ছে গুগল পরিচালিত একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন। এটি মূলত একটি লাভ-অংশীদারি প্রকল্প যার মাধ্যমে গুগল ও তার ব্যবহারকারী তাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগের মালিক কিছু শর্তসাপেক্ষে তার সাইটে গুগল নির্ধারিত বিজ্ঞাপন দেখানোর বা স্থাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

আর গুগল অ্যাডসেন্স বর্তমান সময়ের অত্যন্ত কার্যকরী ও বিশ্বের বৃহত্তম অনলাইন অ্যাডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক যার মাধ্যমে বিশ্বের বড়-বড় ব্লগার ও ওয়েব মাস্টাররা তাদের ব্লগ/ওয়েবসাইট মনিটাইজ করে টাকা আয় করে থাকেন। গুগল তাদের বার্ষিক আয়ের বড় একটি অংশ গুগল অ্যাডসেন্স থেকে করে থাকে।

কীভাবে গুগল অ্যাডসেন্স কাজ করে

প্রথমে আপনাকে গুগল অ্যাডসেন্সের পাবলিশার হতে হবে এবং আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেলে অ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে।

কেউ যদি সেই বিজ্ঞাপন দেখে ক্লিক করে তাহলে আপনে প্রতি ক্লিকের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পাবেন। এ ছাড়া শুধু মাত্র আপনার ব্লগ/সাইটের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্যও আপনি অল্পকিছু পরিমাণ টাকা পাবেন।

আর এই বিজ্ঞাপনগুলো গুগল তাদের আরেকটি প্রোগ্রাম গুগল অ্যাডওয়ার্ডসের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে থাকে।

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় বৃদ্ধির কৌশল

গুগল অ্যাডসেন্সের পলিসি সঠিকভাবে অনুসরণ

অনেকেই এ বিষয়টি নিয়ে তেমন একটা ভাবেন না। হয়তো মনে করেন এটি ব্লগের ক্ষেত্রে তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না। গুগল অ্যাডসেন্সের গাইডলাইন অনুসরণ না করে কোনো কিছু করলে আয় বৃদ্ধির হওয়ার পরিবর্তে যে কোনো সময় আপনার গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট ব্যান হতে পারে। গুগল অ্যাডসেন্সের প্রধান কয়েকটি বর্জনীয় বিষয় তুলে ধরলাম।

* নিজের ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক না করা। * Paid Traffic বা Clicking ব্যবহার না করা। * IP Address পরিবর্তন বা গোপন করে বিজ্ঞাপনে ক্লিক না করা। * অন্যকে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে উৎসাহিত না করা।

সঠিক জায়গায় বিজ্ঞাপন কোড বসান

গুগল অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপনের কোডগুলো এমন জায়গায় বসাতে হবে যাতে করে ভিজিটররা খুব সহজে অ্যাড-টি দেখতে পায়। আর এই পদ্ধতিটাই ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক হওয়ার অধিক সম্ভাবনা তৈরি করবে Google Adsense সবসময় কনটেন্ট Related বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে, কাজেই যখন পাঠক সহজে বিজ্ঞাপন দেখতে পাবে তখন ওই জিনিসটা তার প্রয়োজন পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে সে তার প্রয়োজনে অবশ্যই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে। তবে ব্লগের কনটেন্ট Area-এর ভেতরে অধিক পরিমাণে বিজ্ঞাপন বসানো থেকে বিরত থাকবেন।

ব্লগের লোডিং স্পিড বৃদ্ধি করা

একটি দ্রুতগতির ব্লগ ভিজিটর এবং বিজ্ঞাপন ক্লিক দুটিই বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে। ব্লগ যদি খুব ধীরগতির হয় তাহলে কোনোভাবেই ভিজিটর এবং পেজ ভিউ পাওয়া যায় না। কারণ ব্লগ যদি লোড নিতে বেশি সময় নেয় তাহলে ভিজিটররা বিরক্ত বোধ করবে এবং আপনার ব্লগ থেকে বেরিয়ে যাবে।

অন্যান্য বিজ্ঞাপন বাদ দেয়া

গুগল অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপন থেকে আয় বৃদ্ধি করতে চাইলে অবশ্যই অ্যাডসেন্স থেকে কম গুরুত্ব বহন করে এমন সব বিজ্ঞাপন পরিহার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ব্লগের Load Time অনেকাংশেই বৃদ্ধি পাবে।

অধিকন্তু গুগল অ্যাডসেন্স তাদের বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি অন্য ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পছন্দ করে না। গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করার আগে আপনি যদি অন্য কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করেন তাহলে অবশ্যই সেটি জবসড়াব করবেন। তা না হলে কোনোভাবে Adsense টিম আপনার আবেদন অনুমোদন করবে না।

অরিজিনাল ও কোয়ালিটি কন্টেন্ট লেখা

অ্যাডসেন্স থেকে ভালো আয় করার প্রথম শর্তই হচ্ছে ভিজিটরের চাহিদা মাফিক অরিজিনাল এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন কন্টেন্ট নিয়মিত ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা।

সে জন্য অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যেন সাইটে কপি-পেস্ট কন্টেন্ট না দেয়া হয়। কোয়ালিটিসম্পন্ন কন্টেন্টে হাইপেয়িং বিজ্ঞাপনদাতাদের এডস আসে, যারা ক্লিকের জন্য বেশ ভালো সিপিসি দিতে আগ্রহী থাকে। বুঝতেই পারছেন অরিজিনাল এবং কোয়ালিটিসম্পন্ন পোস্ট লিখার গুরুত্ব কেমন।

সুতরাং অ্যাডসেন্স রেভিনিউ বৃদ্ধি করতে চাহিদা মাফিক কপি-পেস্টবিহীন কোয়ালিটি কন্টেন্ট পোস্ট করা উচিত।

নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ করা

ব্লগে প্রচুর পরিমাণে নিত্যনতুন ইউনিক ভিজিটর পেতে অবশ্যই নিয়মিত নতুন নতুন আর্টিকেল পোস্ট করতে হবে। SEO অনুসরণ করে ব্লগে ভালোমানের কনটেন্ট শেয়ার করলেই ভিজিটর ও আয় দুটিই বাড়তে থাকবে।

তবে মনে রাখতে হবে বেশি কনটেন্ট শেয়ার করতে গিয়ে কপি কনটেন্ট শেয়ার না হয়ে যায়। এতে করে আয় বৃদ্ধি হওয়ার পরিবর্তে Adsense অ্যাকাউন্ট হারাতে পারে।

Source: Jugantor.com

4
ফেসবুকে নানা রকম গ্রুপ রয়েছে। এসব গ্রুপে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নানা পোস্ট দেন এর সদস্যরা। তাঁরা ফেসবুককে জমিয়ে রাখেন। এখন এসব গ্রুপ যাঁরা চালান, তাঁদের খুশি করতে চাইছে ফেসবুক। গ্রুপ অ্যাডমিনদের আরও বেশি অর্থ আয় করার সুযোগ করে দিচ্ছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন গ্রুপ ও ব্র্যান্ডকে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচি হাতে নেওয়ার কথা বলেছে ফেসবুক। এতে গ্রুপ অ্যাডমিনরা বিভিন্ন ব্র্যান্ডকে প্রচার করার সুযোগ পাবেন এবং অর্থ আয় করতে পারবেন।

গত বছরের জুন মাসে ফেসবুকের গ্রুপ যাঁরা চালান, তাঁদের জন্য গ্রুপের সদস্য হতে গেলে সাবসক্রিপশন মডেল চালু করে ফেসবুক। এর মাধ্যমে গ্রুপ অ্যাডমিনরা প্রচলিত গ্রুপের বাইরে সাবসক্রিপশনভিত্তিক বিশেষ গ্রুপ তৈরি করতে পারেন।

গত বৃহস্পতিবার মেনলো পার্কে আয়োজিত ফেসবুক কমিউনিটিজ সম্মেলনে গ্রুপ অ্যাডমিনদের জন্য নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দেয় ফেসবুক। এতে সাবসক্রিপশন গ্রুপকে আরও সহযোগীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগের কথা বলা হয়। এর ফলে যে বিষয়ের গ্রুপ, সে ধরনের ব্র্যান্ডগুলোকে সহযোগী হিসেবে নেওয়া যাবে। গ্রুপে পোস্ট দেওয়ার জন্য নতুন ফরম্যাটিং টুল আনা হচ্ছে। এ ছাড়া কেউ গ্রুপের নিয়ম ভাঙলে তাঁকে জানানো, গ্রুপ পোস্ট ফিল্টার করা, সদস্য হওয়ার অনুরোধ অনুসন্ধানগুলো সহজ করা হচ্ছে।

এর আগে গ্রুপকে গুরুত্ব দিয়ে ফেসবুক বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ফেসবুক গ্রুপে নিষ্ক্রিয় সদস্যদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে অনেক গ্রুপে সদস্য কমে গেছে। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সোশ্যাল মিডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেসবুক তাদের নতুন নীতিমালায় গ্রুপের নিষ্ক্রিয় সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। হালনাগাদ ওই নীতিমালায় ফেসবুক ‘কিকড আউট’ শব্দ ব্যবহার করেছে।

এ নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো বন্ধু চাইলে কাউকে আর সরাসরি কোনো গ্রুপে যুক্ত করতে পারবেন না। এর বদলে বন্ধুদের গ্রুপে সদস্য হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে পারবেন। যতক্ষণ পর্যন্ত ওই বন্ধু সে আমন্ত্রণ রক্ষা করবেন এবং গ্রুপে যুক্ত হবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁকে ওই গ্রুপের সদস্য হিসেবে ধরা হবে না। তাঁকে সম্ভাব্য গ্রুপ সদস্য হিসেবে ‘ইনভাইটেড’ তালিকায় রাখা হবে।

এর আগে যাঁদের বন্ধুরা ফেসবুকের কোনো গ্রুপে যুক্ত করেছেন কিন্তু তিনি সে গ্রুপে যাননি এবং নিউজ ফিডে পোস্ট দেখেছেন, তাঁদেরও গ্রুপ থেকে বাদ দেওয়া হবে এবং ইনভাইটেড তালিকায় যুক্ত হবে।

গ্রুপ অ্যাডমিনদের সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের ফটো শেয়ারিং অ্যাপ ইনস্টাগ্রামে ব্যবহারকারীদের জন্য বিভিন্ন অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে দান করার ফিচার আসবে। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজের মধ্যে থাকবে ডোনেশন স্টিকার। ফেসবুকে ইতিমধ্যে এ ধরনের সুবিধা রয়েছে। গত নভেম্বরে ফেসবুক ঘোষণা দিয়েছে, অলাভজনক নানা প্রতিষ্ঠানের জন্য তাদের ফিচার ব্যবহার করে ১০০ কোটি ডলার অর্থ তুলতে পেরেছে ফেসবুক।

Source: Prothom Alo

5
Freelancing / সহজে লোগো বানানো
« on: April 01, 2019, 11:24:50 AM »
ছোট-বড় সব প্রতিষ্ঠানের একটি অপরিহার্য অংশ লোগো। লোগো প্রতিষ্ঠানের পরিচয় বহন করে। লোগো তৈরির অনেক উপায় আছে। যেমন অ্যাডোবি ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার করে, অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ইত্যাদি। তবে কোন মাধ্যমে অথবা কীভাবে লোগো ব্যবহৃত হবে, তার ওপর নির্ভর করে লোগো তৈরি করা উচিত। যদি ব্যক্তিগতভাবে ফেসবুক বা ইউটিউবের জন্য লোগোর প্রয়োজন হয়, তাহলে অনলাইনে বিনা মূল্যে লোগো তৈরি করে নেওয়া যায়। আর যদি বাণিজ্যিকভাবে ব্যানার, পোস্টার, বিলবোর্ড বা বড় কাজের জন্য লোগো লাগে, তবে অবশ্যই ভেক্টর লোগো তৈরি করতে হবে অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটরে।

অনলাইনে বিনা মূল্যের প্রোগ্রাম দিয়ে লোগো তৈরি করলে লোগোর রেজল্যুশন ভালো হয় না। ফলে লোগো বড় করলে তা ফেটে যায়। তা ছাড়া অনলাইনে বিনা মূল্যে লোগো তৈরি করলে তা অন্যের লোগোর সঙ্গে মিলে যেতে পারে। অন্যদিকে অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটরে ভেক্টর লোগো তৈরি করলে তা বড় করলেও কোনো সমস্যা হয় না এবং নিজের মনের মতো বিভিন্ন শেপ তৈরি করে স্বতন্ত্র লোগো তৈরি করা যায়।

লোগো তৈরির আগে চারটি বিষয় মাথায় রাখা উচিত।

১. কী ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য লোগো তৈরি করা হচ্ছে

২. কী ধরনের শেপ ব্যবহার করলে লোগোটি অর্থবহ হবে

৩. কী রং ভালো ফুটবে

৪. টেক্সটের ফন্ট কেমন হওয়া উচিত

অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটরে লোগো তৈরি
অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটরে লোগো তৈরি করতে অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর খুলে ফাইল মেনু থেকে নিউয়ে ক্লিক করে নতুন প্রজেক্ট তৈরি করুন। বাম পাশে থাকা বিভিন্ন টুল অপশনের সঙ্গে পরিচিত হোন। উচ্চতা ও প্রস্থ নির্ধারণ করে আয়তাকার, বর্গাকার, বৃত্তাকার বা পছন্দমতো বিভিন্ন আকৃতি (শেপ) তৈরি করুন। বিভিন্ন আকৃতি কেটে বা জোড়া লাগিয়ে নিজের পছন্দ ও প্রয়োজনমতো আকৃতি তৈরি করুন। একাধিক আকৃতির অ্যালাইনমেন্ট ঠিক করার জন্য উইন্ডো মেনু থেকে অ্যালাইন অপশনটি নির্বাচন করলে একটি বক্স আসবে। সেখান থেকে প্রয়োজনমতো আকৃতি অ্যালাইন করে নিন।

অনুরূপভাবে, ওপরে-নিচে থাকা একাধিক আকৃতির বিভিন্ন অংশ জোড়া লাগাতে বা আলাদা করতে উইন্ডো মেনু থেকে পাথফাইন্ডার অপশনটি নির্বাচন করলে একটি বক্স আসবে। সেখান থেকে প্রয়োজনমতো শেপগুলো জোড়া লাগিয়ে বা আলাদা করে নিন। প্রয়োজনমতো বিভিন্ন শেপ গ্রুপ ও আনগ্রুপ করে নিন। শেপের ফিল কালার ব্যবহার না করে স্ট্রোক ব্যবহার করেও ডিজাইন করা যায়। গ্রেডিয়েন্টও ব্যবহার করা যায়।

চাইলে freepik.com, freevector.com-সহ অন্যান্য ওয়েবসাইট থেকে ফ্রি ভেক্টর নিয়ে কাজ করা যায়। টাইপ টুল ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় টেক্সট লিখে পছন্দমতো ফন্ট ও রং নির্বাচন করে নিন। কাস্টমাইজ করতে অন্য টুলগুলো ব্যবহার করতে পারেন। কাজ শেষে ফাইল মেনুতে গিয়ে সেভ করে নিন।

অনলাইনে লোগো তৈরি
অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লোগো তৈরি করা যায়। সে ক্ষেত্রে নাম ও ক্যাটাগরি নির্বাচন করে দিলে বিভিন্ন সাজেশন দেখানো হয়। সেখান থেকে পছন্দমতো লোগো নির্বাচন করে রং, ফন্ট ও আকার পরিবর্তন করে নেওয়া যায়। logomakr. com, freelogodesign. org-সহ আরও অনেক ওয়েবসাইট থেকে লোগো তৈরি করা যায়। ফ্রি সার্ভিসের জন্য কম সুবিধা আর পেইড সার্ভিসের জন্য বেশি সুবিধা পাওয়া যায়।

Source: Prothom Alo

6
ইন্টারনেট (Internet) কী

ইন্টারনেট হলো বিভিন্ন নেটওয়ার্কের একটি সমন্বিত সংযোগ। এই সংযোগগুলো পরিচালিত হয় কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম- নীতির মাধ্যমে, যাকে বলা হয় প্রোটকলস (Protocols)। এই নিয়মগুলোই সব নেটওয়ার্কের মধ্যে সহজভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে যাচ্ছে। তবে এ সবকিছুই নির্ভর করে রাউটার, নেটয়ার্ক এক্সেস পয়েন্ট (Network Access Points (NAP) এবং কম্পিউটার সিস্টেমের ওপর। এর সঙ্গে নেটওয়ার্ক সিগন্যাল পাঠানোর জন্য প্রয়োজন কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট, হাজার হাজার মাইল বিস্তৃত কেবল এবং সহস্র ওয়্যারলেস রাউটার। এত কিছুর সমন্বয়ে যে বৈশ্বিক সিস্টেম গঠিত হয়েছে, তা কোনো কিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারেনি, অতিক্রম করে চলেছে দেশের পর দেশ, সাগর, মহাসাগর এবং পাহাড়-পর্বত।

কোনো দেশের সীমানা আটকে রাখতে পারেনি এই চলমান প্রযুক্তির আশীর্বাদকে। দিনের পর দিন এটি সংযুক্ত করছে শত শত নেটওয়ার্ক। এটি যেন অনেকটা সেই নোকিয়া ফোনের সাপের গেমটার মতো, খাবার খাচ্ছে আর বড় হচ্ছে। বলতে গেলে বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশেই এখন ইন্টারনেট সংযোগ আছে। বর্তমান বিশ্বের সবাই এখন একটি নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত হয়ে গেছে। এখন প্রশ্ন হলো, এই বিশাল নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করছে কে?
অনেক ছোট ছোট সিস্টেম মিলে যে দৈত্যাকার ইন্টারনেট তৈরি করেছে, তাকে আমরা একটা বিশেষ সত্তা বলতেই পারি। এখন এই সত্তার স্বত্ব কার হবে? এটি কি একজন নিয়ন্ত্রণ করে, নাকি অনেকেই বা বিশেষ কোনো গোষ্ঠী? এটা কি সত্যিই কোনো বিশেষ একজনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব?

ইন্টারনেটের সত্যিকারের মালিক কে?

যে ফিজিক্যাল নেটওয়ার্ক বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে ইন্টারনেট ট্রাফিক পরিবহন করে, তাকে বলা হয় ইন্টারনেটের মেরুদণ্ড (Internet Backbone)। আগেকার দিনের ইন্টারনেট সিস্টেমে ARPANET ইন্টারনেটের মেরুদণ্ড বা Backbone হিসাবে কাজ করেছে। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানি, যারা রাউটার এবং ক্যাবল যোগানের মাধ্যমে ইন্টারনেটের মেরুদণ্ড হিসাবে কাজ করছে। এই কোম্পানিগুলোকেই বলা হয় ইন্টারনেট সেবাদাতা বা আইএসপি (Internet Service Provider)।
এখন কোনো দেশ বা যদি কেউ নিজের প্রয়োজনে ইন্টারনেট এক্সেস পেতে চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই এই আইএসপির সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। বিশ্বের যেসব আইএসপি বা ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিখ্যাত তারা হলো—ইউইউনেট (UUNET), লেভেল ৩ (Level 3), ভেরাইজন (Verizon), এটিঅ্যান্ডটি (AT&T), কোয়েস্ট (Qwest), স্প্রিন্ট (Sprint), আইবিএম (IBM) ইত্যাদি।

বড় বড় আইএসপিগুলো থেকে আবার ছোট ছোট আইএসপি সৃষ্টি হয়েছে। যারা আমাদের সেবা দিয়ে থাকে। এখানে মনে রাখা প্রয়োজন, যে সিস্টেম আমাদের কম্পিউটার টু কম্পিউটার ডাটা এক্সচেঞ্জ করে থাকে, তাকে বলা হয় Internet Exchange Points (IXP)। বিভিন্ন কোম্পানি এবং অলাভজনক কিছু প্রতিষ্ঠান এটা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

এখন কথা হলো, প্রত্যেকটা আলাদা আলাদা আইএসপির আলাদা ইন্টারনেট থাকে। এখন আপনি এককভাবে যদি কোনো কম্পিউটার দিয়ে সেই ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত হন, তাহলে সেই ইন্টারনেটের মালিক আপনিও। মানে হলো, আপনি নিজেও ইন্টারনেটের একটা অংশের মালিক। কারণ পুরো ইন্টারনেটের কোনো মালিকানা হয় না। যদিও অনেক প্রতিষ্ঠান বা দেশের সরকার নিজেদের ইন্টারনেট ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে, যাকে বলা হয় লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN (Local Area Network)। যা হোক, মোদ্দা কথা হলো, আপনি এবং আমি আমরা সবাই একেকজন একেকটা ইন্টারনেট অংশের মালিক।

ইন্টারনেট ব্যবস্থাটা চলে কিছু নিয়মের ওপর, যাকে আমরা প্রটোকলস (Protocols) বলি। সেই প্রটোকলগুলো মেনেই একটি কম্পিউটার ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের সাহায্যে অন্য কম্পিউটারে তথ্য প্রদান করে। প্রটোকল না মেনে কোনো কম্পিউটার তথ্য প্রদান করতে পারে না। এখন যদি কোনো প্রটোকল না থাকে, তাহলে আপনাকে আগে নিশ্চয়তা দিতে হবে যে আপনি অন্য কম্পিউটারে যে তথ্য প্রদান করছেন, তার জন্য আপনাদের বোঝাপড়া আছে এবং আপনার পাঠানো তথ্য সঠিক গন্তব্যেই পৌঁছাতে পারবে।

ইন্টারনেটের যে হারে উন্নয়ন হচ্ছে, তাতে বিংশ শতাব্দীর প্রটোকলের সঙ্গে একবিংশ শতাব্দীর প্রটোকল বা আগের বছরের সঙ্গে পরের বছরের প্রটোকল একই রকম থাকবে—এটা ভাবা বোকামি। ইন্টারনেটের উন্নতির সঙ্গে এই প্রটোকলগুলোরও উন্নতি প্রয়োজন। তার মানে দাঁড়াল, কাউকে না কাউকে এই নিয়মগুলো, মানে প্রটোকল পরিবর্তন করতে হবে। পুরো ইন্টারনেট কাঠামো এবং প্রটোকল ঠিক করে দেওয়ার জন্য রয়েছে অনেকগুলো সংগঠন, যারা নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

এবার সংগঠনগুলো সম্পর্কে জানা যাক।

দি ইন্টারনেট সোসাইটি: একটি অলাভজনক সংগঠন, যারা ইন্টারনেট স্ট্যান্ডার্ড এবং পলিসি নির্ধারণ ও উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

দি ইন্টারনেট ইঞ্জিনিয়ারিং টাস্ক ফোর্স (IETF): এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন, যাদের রয়েছে ওপেন মেম্বারশিপ পলিসি এবং এরা বিভিন্ন গ্রুপভিত্তিক কাজ করে থাকে। ইন্টারনেটের বিভিন্ন বিষয়কে এরা আলাদা আলাদা ভাগ করে প্রত্যেক ভাগের জন্য দক্ষ জনশক্তিকে কাজে লাগায় এ সংগঠনটি। বর্তমান ইন্টারনেটের এই স্থিতিশীলতা এই সংগঠনের অনবদ্য অবদান।

দি ইন্টারনেট আর্কিটেকচার বোর্ড (IAB): এরা সাধারণত ইন্টারনেট প্রটোকল প্রণয়ন এবং স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণে কাজ করে থাকে।

দি ইন্টারনেট করপোরেশন ফর অ্যাসাইন্ড নেমস অ্যান্ড নাম্বারস (ICANN): এ সংগঠনটি ব্যক্তিগত কিন্তু অলাভজনক একটি প্রতিষ্ঠান, যাদের কাজ হলো এটা নিশ্চিত করা যে, প্রত্যেকটা ডোমেইন নেইম সিস্টেমের (Domain Name System (DNS) সঙ্গে সঠিক আইপি অ্যাড্রেসটি লিঙ্ক করা আছে কি না।

 এই সংগঠনগুলো ইন্টারনেটের জন্য সবকিছু করলেও এরা কখনো ইন্টারনেটের মালিকানা দাবি করতে পারে না। আসল কথা হলো, কেন্দ্রীয়ভাবে ইন্টারনেটের কোনো মালিকানা নেই। অনেকেই এর উন্নয়নে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত কেউ এটার মালিকানা দাবি করতে পারেনি।

Pages: [1]