Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - aklima.ph

Pages: [1] 2 3 4
1
Thank you for the information.

2
Thank you for your the information.

6
মশা ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠায় রাজধানীতে দুই সিটি করপোরেশন যে ওষুধ ছিটাচ্ছে, তা কোনো কাজে আসছে না।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা মশা নিয়ে গবেষণা চালিয়ে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) এই পতঙ্গের ওষুধ প্রতিরোধের সক্ষমতার প্রমাণ পেয়েছে।

গত মে মাসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, আইইডিসিআরের একটি সভায় দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।

ইউএস সিডিসির অর্থায়নে পরিচালিত এই গবেষণায় ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে এডিস এজিপ্টি ও কিউলেক্স মশার ডিম সংগ্রহ করে আইসিডিডিআর,বির গবেষণাগারে বড় করা হয়।

আইসিডিডিআর,বির গবেষক ড. মোহাম্মদ শফিউল আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,  এসব মশা বড় করার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা করে দেখেন তারা।

ডব্লিউএইচওর প্রটোকল অনুযায়ী, নির্ধারিত মাত্রার ওষুধ দেওয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় পর মশার মৃত্যুর হার ৯০ শতাংশের কম হলে সেটি ওষুধ প্রতিরোধী হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়।

“কিন্তু আমরা দেখেছি, বেশিরভাগ জায়গার মশার মরার হার শূন্য শতাংশ। আবার দ্বিগুণ মাত্রায় ওষুধ দিলেও শতভাগ মশা মরছে না,” বলেন ড. শফিউল।

মশার ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার বিষয়টি স্বীকার করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যালেরিয়া অ্যান্ড এডিস ট্রান্সমিটেড ডিজিজেজ’র উপ কর্মসূচি ব্যবস্থাপক ডা. এম এম আক্তারুজ্জামানও। 

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, কিউলেক্স মশা নিয়ে তারাও একটি গবেষণা করে দেখেছেন, মশার ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে।

“আমরা কিছু জটিলতা দেখেছি। মশা মারতে তিন ধরনের ওষুধ ব্যবহার করে। এরমধ্যে একটিতে মশার রেজিস্টেন্স তৈরি হয়েছে। বিষয়টি আমরা সিটি করপোরেশনকে জানিয়েছি।“

মশার লার্ভা দমনে এখনও ওষুধ কার্যকর বলে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা জানিয়েছেন মশার লার্ভা দমনে এখনও ওষুধ কার্যকর বলে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা জানিয়েছেন
পূর্ণ বয়স্ক মশা মারতে না পারলেও ওষুধে মশার শুককীট বা লার্ভা দমন হচ্ছে বলে জানান ডা. আক্তারুজ্জামান।

রাজধানীর মশা মারতে দুই সিটি করপোরেশন বিদায়ী অর্থ বছরে ৪৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা খরচ করার পরও কমছে না মশা। ফলে বর্ষা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে শুরু করেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।

গত পহেলা জানুয়ারি থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত এক হাজার ৮৭ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা। এরমধ্যে দুজন মারা গেছেন।

ডেঙ্গুর প্রকোপের জন্য দুই সিটি করপোরেশনকেই দায়ী করছে নগরবাসী। তাদের অভিযোগ, নগর কর্তৃপক্ষ ঠিকমতো মশার ওষুধ ছিটায় না।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানা যায়, তারা পূর্ণ বয়স্ক মশা নিধনে প্রতি এক লিটার কেরোসিনের সঙ্গে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ পারমেথ্রিন, শূন্য দশমিক দুই শতাংশ টেট্রামেথ্রিন এবং শূন্য দশমিক এক শতাংশ এস-বায়োঅ্যালাথ্রিন মিশিয়ে ফগার মেশিন দিয়ে ছড়িয়ে দেন।

১০ লিটার পানিতে ৫ মিলিলিটার টেমিফস নামে একটি ওষুধ মিশিয়ে তা মশার লার্ভার প্রজননস্থলে ছিটানো হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) পূর্ণ বয়স্ক মশা মারতে এক লিটার কেরোসিনের সঙ্গে শূন্য দশমিক দুই শতাংশ পারমেথ্রিন, শূন্য দশমিক দুই শতাংশ টেট্রামেথ্রিন এবং শূন্য দশমিক দুই শতাংশ অ্যালেথ্রিন মেশায়।

গত ১০ বছর ধরে মশা নিধনে এই ওষুধ ব্যবহার করে আসছে দুই সিটি করপোরেশন। নোকন লিমিটেড থেকে মশার ওষুধ সংগ্রহ করে ডিএনসিসি। আর ডিএসসিসিকে মশা মারার ওষুধ সরবরাহ করে নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড।

গবেষণার ফলাফল দেখে পূর্ণ বয়স্ক মশা নিধনের জন্য ওষুধ পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছে আইসিডিডিআর,বি। মশা মারতে পারমেথ্রিনের পরিবর্তে ম্যালাথিয়ন ও ডেল্টামেথ্রিন ব্যবহার করতে বলেছে তারা।

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডা. আক্তারুজ্জামান বলছেন, এখনই ওষুধ পাল্টে ফেলা যাবে না। এজন্য সময় লাগবে।

এডিস প্রজাতির এডিস ইজিপ্টি এবং এডিস এলবোপিকটাস মশা থেকেই চিকুনগুনিয়া রোগের সংক্রমণ ঘটে এডিস প্রজাতির এডিস ইজিপ্টি এবং এডিস এলবোপিকটাস মশা থেকেই চিকুনগুনিয়া রোগের সংক্রমণ ঘটে
দীর্ঘদিন ব্যবহারের কারণে মশার ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে ‘অবগত আছেন’ বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানালেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

তারপরও ওষুধ না পাল্টানোর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এজন্য অনেকগুলো প্রক্রিয়া শেষ করে আসতে হয়।

“আমরাও চেষ্টা করছি এখানে কিছু পরিবর্তন আনা যায় কি না। অন্য কিছু ব্যবহার করে যদি বেশি সুফল পাই তাহলে আনতে সমস্যা নেই। তবে আমরা যাই করি না কেন, তার প্রেসক্রিপশন আনতে হবে ডব্লিউএইচও থেকে।

“এখানে স্বাস্থ্য, পরিবেশগত অনেক ব্যাপার থাকে। এজন্য প্রেসক্রিপশনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ কম। কাল (বৃহস্পতিবার) আমাদের একটা সেমিনার আছে এ বিষয়ে। সেখানে বিশেষজ্ঞদের মতামত আমরা চাইব। দেখি তারা কী বলেন।”

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুনও বলেন, ওষুধ পরিবর্তনের চিন্তা করছেন তারা।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা এই ওষুধ কেনার আগে নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা করি। সেই টেস্টে কিন্তু আমরা ওষুধের কার্যকারিতা কখনোই কম পাই নাই।

“তারপরও যেহেতু অভিযোগ আছে, অনেকদিন ব্যবহারের কারণে রেজিস্টেন্স ডেভেলপ করেছে। আইসিডিডিআরবির কাছে আমরা ডকুমেন্ট চেয়েছি। এটা যদি প্রমাণিত হয় ওষুধে কাজ হচ্ছে না আর বাজারে যদি অল্টারনেটিভ থাকে, তাহলে আমাদের কোনো সমস্যা নাই।”

Source: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

8
Pharmacy / ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে
« on: June 27, 2019, 11:47:26 AM »
বর্ষা মৌসুমে মশার উপদ্রব তো আছেই। তাই ডেঙ্গু থেকে বাঁচার প্রস্তুতি নিন।

ডেঙ্গুর জন্য দায়ী মশা ‘এইডিস ইজেপ্টাই’, যার একটি কামড়ই ডেঙ্গু সংক্রমণের জন্য যথেষ্ট। আর বর্ষা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সবস্থানেই মশার উপদ্রব শুরু হয়ে গেছে।

ডেঙ্গুর উপসর্গ হল জ্বর, পেশি ব্যথা, শরীর ব্যথা, দুর্বলতা ইত্যাদি। সব মিলিয়ে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ নয়। তবে রোগ থেকে বাঁচার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে পারেন।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হল এই পদক্ষেপগুলো।

আবৃত থাকা: হাত আর পা মশার জন্য সবচাইতে সহজ লক্ষ্য। তাই ঘরে বাইরে যেখানেই থাকুন, চেষ্টা করতে হবে যথাসম্ভব কাপড়ে আবৃত থাকা। ফুল প্যান্ট, ফুলহাতা শার্ট, জুতা ইত্যাদি দিয়ে শরীর ঢেকে রাখতে হবে। ঢিলেঢালা কাপড় পরাই হবে সবচাইতে আরামদায়ক।

বদ্ধ পানি অপসারণ: মশার বংশবিস্তারের আদর্শ স্থান হল জমে থাকা পানি। বৃষ্টির দিনে জলাবদ্ধতা বাড়ে, ফলে মশার বংশবিস্তারের স্থানও বাড়ে। তাই মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে অবশ্য করণীয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হল যেসব জায়গায় পানি জমে থাকতে পারে সেগুলো পরিষ্কার করে ফেলা। পাশাপাশি গাছে বেশি পানি দেওয়া যাবে না।

মশা দুরে রাখা গাছ: মশা তাড়ানোর একটি কার্যকর এবং স্বাস্থ্যকর উপায় হল মশা দূরে রাখে এমন গাছ ঘরের আশপাশে রোপন করা। তুলসি, সিট্রোনেলা, লেমনগ্রাস ইত্যাদি একাজে কার্যকর।

ঘরোয়া সমাধান: মশা দূরে রাখার নিরাপদ উপায় হল ঘরোয়া উপাদান, যা প্রায় সবার রান্নাঘরেই আছে। মৃদু কর্পূর, সরিষার তেলের সঙ্গে মেশানো ক্যারোম সিড বা আজওয়াই ইত্যাদি মশা তাড়াতে কাজে আসে। নিমের ও ল্যাভেন্ডার তেল, ইউক্যালিপ্টাস অয়েল ইত্যাদিও উপকারী।

ময়লা রাখার পাত্র: যেকোনো ময়লা রাখার পাত্র প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে। আর ব্যবহারের সময় তা ঢেকে রাখতে হবে। জীবাণু ভরা ময়লার পাত্র মশা টানে। এছাড়াও ঘরের কোণা, ছায়াবৃত স্থান, বাগান ইত্যাদিও নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।

মশা তাড়ানোর ওষুধ: মশা তাড়ানোর স্প্রে, মলম ইত্যাদি ব্যবহারে জোর দিতে হবে। ঘরে কিংবা বাইরে সবখানেই এগুলো ব্যবহার করা উচিত। বিশেষ করে, শিশুদের ক্ষেত্রে এগুলো অবশ্যই ব্যবহার করা উচিত।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলার মাধ্যমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশারী হলে সব ধরনের রোগ দূরে থাকবে। এজন্য খাবারের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ‘সাপ্লিমেন্ট’ও গ্রহণ করা যেতে পারে।

দরজা-জানালা বন্ধ: দিনের শেষে এবং রাতেই মশার উপদ্রব বেশি হয়। তাই এই সময় ঘরের দরজা জানালা বন্ধ রাখলে মশা ঢুকতে পারবে কম। পাশাপাশি জানালা ও দরজার ‘মসকিউটো নেট’ লাগানো যেতে পারে।

দিনের বেলাও ঘরে মশা ঢুকতে পারে। তাই জানালায় নেটের পাল্লা ব্যবহার করতে হবে।
Source: bangla.bdnews24.com

9
পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ঢাকার স্কুলপড়ুয়া শিশুদের ৯৫ শতাংশের দেহে উচ্চ মাত্রার ‍নিকোটিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে একটি গবেষণার বরাত দিয়ে জানিয়েছে তামাকবিরোধী সংগঠন প্রগতির জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা)।

বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবসের আগের দিন বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে পরোক্ষ ধূমপানের কারণে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরেছে তারা।

প্রজ্ঞার বিবৃতিতে বলা হয়, “তামাক ব্যবহারের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার মানুষ মারা যায়। বাংলাদেশে শিশু যক্ষ্মা রোগী উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৭ সালে এই হার বেড়ে ৪.৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০১৩ সালে ছিল মাত্র ২.৮ শতাংশ।

“সাম্প্রতিক এক গবেষণায় রাজধানী ঢাকার প্রাথমিক স্কুলে পড়া ৯৫ শতাংশ শিশুর দেহে উচ্চমাত্রার নিকোটিন পাওয়া গেছে, যার মূল কারণ পরোক্ষ ধূমপান।”

গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে ২০১৭ অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখনও তিন কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করে।

গবেষণার তথ্য তুলে ধরে প্রজ্ঞার বিবৃতিতে বলা হয়, “কর্মক্ষেত্রে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয় ৮১ লাখ মানুষ। এমনকি বাড়িতেই পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে ৪ কোটি ৮ লাখ মানুষ এবং এক্ষেত্রে নারীরা আক্রান্ত হচ্ছে অনেক বেশি। “

বিবৃতিতে বলা হয়, তামাক ব্যবহারের ফলে প্রতি বছর বিশ্বে ৮০ লাখেরও বেশি মানুষ মারা যায় । আর পরোক্ষ ধূমপানের কারণে মারা যায় ১০ লাখ মানুষ, যার বড় একটি অংশ শিশু।

“ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্র সংক্রান্ত অসুস্থতা বিশ্বব্যাপী অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এবং গোটা বিশ্বে মৃত্যুর ৫টি শীর্ষস্থানীয় কারণের মধ্যে ২টিই ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্র সংক্রান্ত জটিলতা।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগ।

ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্র জটিলতার সঙ্গে তামাক সেবনের সম্পর্ক বিষয়ে জনসাধারণ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ব্যাপক পরিসরে সচেতনতা তৈরিতে এ বছর বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে ‘টোবাকো অ্যান্ড লাং হেলথ’।

এই প্রতিপাদ্য অনুসরণ করে বাংলাদেশে বিশ্ব তামাক দিবসের স্লোগান করা হয়েছে,  ‘তামাকে হয় ফুসফুস ক্ষয়, সুস্বাস্থ্য কাম্য তামাক নয়’।

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসকে সামনে রেখে ফুসফুসের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকপণ্যের দাম বাড়িয়ে ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার আহ্বান জানিয়েছে প্রজ্ঞা।

এ বিষয়ে প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কার্যকর কর ও মূল্য পদক্ষেপের অভাবে বাংলাদেশে তামাকপণ্যের দাম অত্যন্ত কম। ফলে দেশের তরুণ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠী খুব সহজেই তামাক ব্যবহার শুরু করতে পারে।

“স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্যই আসন্ন বাজেটে কার্যকর কর আরোপের মাধ্যমে তামাকপণ্যের দাম জনগণ, বিশেষ করে তরুণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ক্রয় ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যেতে হবে।”

গৃহস্থালি, কর্মস্থল, গণপরিবহনসহ সব ধরনের পাবলিক প্লেসে পরোক্ষ ধূমপানের প্রকোপ কমানো না গেলে ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্র সংক্রান্ত জটিলতা এবং মৃত্যু হ্রাস করা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন তিনি।

“এক্ষেত্রে সকল পাবলিক প্লেস থেকে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান বিলুপ্ত করাসহ বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে এফসিটিসি আর্টিক্যাল ৫.৩ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তামাক কোম্পানির আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে,” বলেন জুবায়ের।

১৯৮৭ সাল থেকে প্রতিবছর ৩১ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং এর সহযোগী সংস্থাগুলো তামাকের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তুলে ধরে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ণের লক্ষ্যে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালন করে আসছে।
Source: https://bangla.bdnews24.com/health/article1627918.bdnews

15
Pharmaceutical Microbiology / Gram staining process
« on: March 27, 2019, 01:42:07 PM »

Pages: [1] 2 3 4