Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - dulal.lib

Pages: [1]
1
পয়লা বৈশাখে চারুকলা ইনস্টিটিউটের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ হয়েছে এক নতুন মাত্রা। এখন এটি বিশ্ব সংস্কৃতির অংশ। জাতিসংঘের সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর মঙ্গল শোভাযাত্রাকে তাদের ‘রিপ্রেজেনটেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। ইউনেসকোর স্বীকৃতি লাভের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ বছর সারা দেশেই বৈশাখী উৎসবে মঙ্গল শোভাযাত্রা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই চারুকলার শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা চিত্রশিল্পীদের নিজস্ব প্রয়াসে এ শোভাযাত্রা হয়ে উঠেছে বিশ্বের ঐতিহ্য। আমাদের সংস্কৃতিকে করে তুলেছে ঋদ্ধ।

যেভাবে শুরু মঙ্গল শোভাযাত্রা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শিল্পী আবুল বারক আলভী বলেন, এই মঙ্গল শোভাযাত্রা ১৯৮৯ সাল থেকে নিয়মিত হয়ে আসছে। তবে ১৯৮৫ সালে যশোরে এটি প্রথম বের হয়, সেখানেও চারুকলার শিক্ষার্থীরা এতে জড়িত ছিলেন। চারুকলা অনুষদের ডিন ও শোভাযাত্রা শুরুর অন্যতম উদ্যোক্তা নিসার হোসেন ১৯৮৯ সালেই এখানে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তিনি জানান, ১৯৮৫-৮৬ সালের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রার উদ্যোক্তা। তিনি জানান, এরা ১৯৮৮ সালের বন্যায় কিছু কাজ করেছিল। সেই সময় তাদের চারুশিল্পী সংসদ সহায়তা করেছিল। শিক্ষকেরা পেছনে ছিলেন, কিন্তু সব কাজ হয়েছে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে। শুরুর সেই ঘটনার স্মৃতিচারণা করছিলেন নিসার হোসেন, ‘ওই সময় এরশাদবিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে। ওই সময় সবাইকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার চেষ্টা করেছিল সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। সবার প্রচেষ্টায় তখন এটি বৃহত্তর প্রচেষ্টা হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হলো। সেখানে দুটি বিষয় প্রাধান্য পেল। একটি হচ্ছে, আমাদের যে ঐতিহ্য আছে, সেটি তুলে ধরা। যেখানে ধর্মনিরপেক্ষতার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, একই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থাকার কারণে সেটি একটি ভিন্ন মাত্রা পেল।’চারুকলার এ শোভাযাত্রাকে শোভিত করার জন্য যে উপাদানগুলো লাগে, সেগুলো শুরু থেকেই নেওয়া হয় দেশের লোকশিল্পের নানা ধরনের খেলনা থেকে। এর বাইরে ঘোড়া, নকশিপাখা, ফুল, প্রজাপতি, মানুষ, প্রকৃতি এগুলো শোভাযাত্রায় স্থান পেতে থাকে। নিসার হোসেনের মতে, ইউনেসকোর স্বীকৃতি দেওয়ার মূল কারণ যে এটা শুধু একটা সম্প্রদায় বিশেষের নয়, এটা গোটা দেশের মানুষের, সারা পৃথিবীর মানুষের। এখানে মানবতার বিরাট একটা ব্যাপার আছে।

ইউনেসকোর স্বীকৃতি

ইউনেসকো মঙ্গল শোভাযাত্রাকে মূল্যায়ন করেছে অন্যায় ও অকল্যাণের বিরুদ্ধে সত্য, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের মানুষের সাহসী সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে। ধর্মবর্ণজাতিলিঙ্গ-নির্বিশেষে দেশের সব মানুষের একই চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের বিষয়টিও ইউনেসকোর এই স্বীকৃতি লাভের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। ইউনেসকো ২০০৩ সালে সারা বিশ্বের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’, অর্থাৎ মনোগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যগুলো সংরক্ষণের জন্য একটি সমঝোতা চুক্তি অনুমোদন করে। এর আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মনোগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়। পয়লা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রার মতো ঐতিহ্যবাহী মনোগত সাংস্কৃতিক উপাদান বিশ্বের নানা প্রান্তের নানা জাতিগোষ্ঠীর ভেতরেই রয়েছে। চুক্তিতে সই করা দেশগুলো ইউনেসকোর স্বীকৃতির জন্য আবেদন করলে সংস্থাটি যাচাই-বাছাই করে সেই বিষয়গুলো বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। ইউনেসকোর এ স্বীকৃতির ফলে ওই সাংস্কৃতিক উপাদান ওই দেশের নিজস্ব বলে বিশ্ব দরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ এই স্বীকৃতির ফলে মেনে নেওয়া হয় ওই বিশেষ সাংস্কৃতিক উপাদানের জন্মস্থান হলো নির্দিষ্ট দেশটি।
নিয়ম অনুসারে, চুক্তিতে সই করা দেশগুলো প্রতিবছর একটি সাংস্কৃতিক উপাদানের স্বীকৃতির জন্য ইউনেসকোর কাছে আবেদন করতে পারে। ২০১৪ সালে বাংলাদেশ পয়লা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রার স্বীকৃতি চেয়ে ইউনেসকোতে আবেদন করে। স্বীকৃতি দেওয়ার মূল কাজটি করে ‘ইন্টার গভর্নমেন্টাল কমিটি ফর দ্য সেফগার্ডিং অব দ্য ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’। কয়েক ধাপ পর্যালোচনার পর গত বছরের ৩০ নভেম্বর ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় অনুষ্ঠিত কমিটির একাদশ সম্মেলনে মঙ্গল শোভাযাত্রাকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্বের মনোগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উপাদান হিসেবে অভিষিক্ত হলো।

2
১. ফ্রাঁসোয়াস বেটাকোর মেয়ার:
তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় পাঁচ হাজার কোটি ডলার। ফোর্বস ম্যাগাজিনের হিসেব অনুসারে তিনি বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকার ১৫ নম্বরে। ফরাসী কসমেটিক কোম্পানি ল'রিয়েলের উত্তরাধিকারী তিনি। তিনি এবং তার পরিবার এই কোম্পানির ৩৩ শতাংশের মালিক। তার বয়স এখন ৬৫। সব সম্পদ তিনি পেয়েছেন তার মায়ের কাছ থেকে। তার মা ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ৯৪ বছর বয়সে মারা গেছেন। এনিয়ে তারা দীর্ঘ বিরোধেও জড়িয়েছিলেন। মিজ বেটাকোর-মেয়ার একটি আইনি মামলা করেছিলেন যেখানে তিনি অভিযোগ করেছিলেন তার মাকে আশেপাশের কিছু ব্যক্তি ব্যবহার করছে। কিন্তু মায়ের মৃত্যুর আগে তাদের মধ্যে সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল। তিনি একজন শিক্ষাবিদও। গ্রিক দেবতা এবং ইহুদি-খৃস্টান সম্পর্কের ওপরে তার কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

২. এলিস ওয়ালটন:
তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি ডলার। বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তার অবস্থান ১৭ নম্বরে। তার বয়স এখন ৬৯। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ সুপারমার্কেট ওয়ালমার্টের প্রতিষ্ঠাতা স্যাম ওয়ালটনের একমাত্র কন্যা তিনি। তিনি তার দুই ভাই থেকে একেবারেই আলাদা ধরনের মানুষ ছিলেন। পরিবারের ব্যবসা থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছিলেন নিজেকে। তিনি চিত্রকলার ওপর জোর দেন এবং ক্রিস্টাল ব্রিজেস মিউজিয়াম অফ আমেরিকান আর্টের চেয়ারম্যান হন।

৩. ম্যাকেঞ্জি বেজোস:
তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি ডলার। এটা শুধু আমাজনের যতটুকু মালিকানা তিনি পাবেন তার আর্থিক মূল্য। মোট সম্পদের পরিমাণ এর চেয়েও আরো বেশি হবে। কতো বেশি সেটা জানতে আগামী ফোর্বস ম্যাগাজিনের দিকে চোখ রাখতে হবে। তার বয়স ৪৮। আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসকে তিনি বিয়ে করেন ১৯৯৩ সালে। একটি হেজ ফান্ড কোম্পানিতে কাজ করার সময় তাদের পরিচয় হয়েছিল। তাদের চারটি সন্তান রয়েছে। আমাজনে যারা প্রথম চাকরি শুরু করেন তাদের একজন ছিলেন ম্যাকেঞ্জি। তিনি যোগ দিয়েছিলেন একজন অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে। তিনি দুটো বহুল আলোচিত ফিকশন বই লিখেছেন। লেখক টনি মরিসনের কাছে লেখালেখির বিষয়ে প্রশিক্ষণও নিয়েছেন তিনি। টনি মরিসন বলেছেন, তিনি তার সেরা শিক্ষার্থীদের একজন। মিস বেজোস একটি এন্টি-বুলিং সংস্থাও গড়ে তুলেছেন। নাম বাইস্ট্যান্ডার রেভ্যুলুশন। এই সংস্থা থেকে.

৪. জ্যাকুলিন মার্স:
তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় দুই হাজার চারশো কোটি ডলার। বিশ্বের ধনী মানুষের তালিকায় তিনি আছেন ৩৩ নম্বরে।
তার বয়স ৭৯। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কনফেকশনার মার্সের এক তৃতীয়াংশের মালিক তিনি। তার দাদা/নানা ফ্র্যাঙ্ক ১৯১১ সালে এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
পরিবারের এই ব্যবসায় তিনি কাজ করেছেন প্রায় ২০ বছর। ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি বোর্ডের সদস্যও ছিলেন। বর্তমানে তিনি পরিচিত অত্যন্ত দানশীল এক ব্যক্তি হিসেবে। ওয়াশিংটন ন্যাশনাল অপেরা, ন্যাশনাল আর্কাইভসহ আরো কিছু সংস্থার বোর্ড সদস্য তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে পোষা প্রাণীর জন্যে যারা খাবার তৈরি করে তাদের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ এই মার্স কোম্পানি।

৫. ইয়ান হুইয়ান:
তার মোট সম্পদের পরিমাণ দুই হাজার দুশো কোটি ডলারেরও বেশি। চীনের সবচেয়ে ধনী মহিলা তিনি। আর বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তিনি ৪২ নম্বরে।
তার বয়স এখন ৩৭। চীনে বাড়ি ঘরের ব্যবসা করে এরকম একটি প্রতিষ্ঠান কান্ট্রি গার্ডেন হোল্ডিংসের বেশিরভাগ অংশেরই মালিক তিনি। চীনে প্রপার্টি নির্মাণের যে ধুম লেগেছে তার পেছনে বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে এই কোম্পানির। এই কোম্পানির ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে, সারা বিশ্বে যতোগুলো ডেভেলপার কোম্পানি আছে তার মধ্যে ২০১৬ সালের কান্ট্রি গার্ডেন ছিল তিন নম্বরে। ইয়ান হুইয়ান ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছেন। কোম্পানিতে তার ৫৭% শেয়ারের বেশিরভাগই তিনি তার পিতার কাছ থেকে পেয়েছেন।

৬. সুজান ক্লাটেন:
তার সম্পদের পরিমাণ দুই হাজার একশো কোটি ডলার। আর সারা বিশ্বে ধনীদের তালিকায় তিনি ৪৬ নম্বরে। তার বয়স ৫৬। জার্মান এই নারীর রয়েছে ফার্মাসিউটিক্যালস ও গাড়ির ব্যবসা। রাসায়নিক কোম্পানি আলটানা এ জি-র ৫০% তিনি পেয়েছেন উত্তরাধিকার সূত্রে, তার পিতামাতা মারা যাওয়ার পর। বিএমডাব্লিউ গাড়ির ৫০ শতাংশেরও মালিকানা তার ও তার এক ভাই এর। পরে আটলান্টার একক মালিক হন তিনি। আরো কিছু কোম্পানিরও শেয়ার কিনে নেন তিনি। সেগুলোর মধ্যে বায়ু শক্তি থেকে শুরু করে গ্রাফাইট উৎপাদনকারী কোম্পানিও রয়েছে।

৭. লরা পাওয়েল জবস:
তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় এক হাজার ন'শো কোটি ডলার। এবং সারা বিশ্বের ধনীদের মধ্যে তিনি ৫৪তম। তিনি সফটওয়্যার কোম্পানি অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের স্ত্রী। স্বামী মারা যাওয়ার পর অ্যাপল ও ডিজনির দুই হাজার কোটি ডলারের সম্পদের মালিক হন তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে। তার বয়স ৫৫। পরে তিনি তার কিছু অর্থ সাংবাদিকতার পেছনে বিনিয়োগ করেন। আটলান্টিক ম্যাগাজিনের একটি বড় অংশ কিনে নেন তিনি। এছাড়াও তিনি অলাভজনক প্রকাশনা মাদার জোন্স এবং প্রোপাবলিকাতেও অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। অভিবাসন ও শিক্ষা সংস্কারের মতো কিছু বিষয়েও বিনিয়োগ করেছেন তিনি। গড়ে তুলেছেন কিছু প্রতিষ্ঠান।

3
Technology News / এলো গুগল ক্রোম ৭২
« on: February 11, 2019, 07:26:49 PM »
ক্রোম ব্রাউজারের নতুন আপডেট উন্মুক্ত করেছে গুগল। ত্রুটি সারানোর পাশাপাশি বেশ কিছু নতুন ফিচার যোগ হয়েছে ক্রোম ৭২ সংস্করণে।

এক্সাটার্নাল স্টোরেজ সমর্থন আনা হয়েছে নতুন সংস্করণের অ্যান্ডয়েড অ্যাপে। ফলে ক্রোম ব্রাউজারে থেকে মাইক্রোএসডি কার্ড ও ইউএসবি ড্রাইভে ডেটা আদান প্রদান করা যাবে। এ ছাড়া ক্রোম সাইটগুলোর জন্য যোগ হয়েছে পিকচার-ইন-পিকচার মোড।
আইএএনএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্যাবলেট মোডে টাচস্ক্রিন ডিভাইসগুলোর জন্য আগের চেয়ে বেশি সহায়ক করা হয়েছে ক্রোম ৭২। আর অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য যোগ করা হয়েছে অ্যাপ শর্টকাট।
গুগলের পক্ষ থেকে এক ব্লগ পোস্টে বলা হয়, “গ্রাহক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে কিছুক্ষণ চেপে ধরে রেখে বা রাইট-ক্লিক করে অ্যাপ শর্টকাট বের করতে পারবেন।”
নতুন আপডেটের মাধ্যমে আরও বেশি ক্রোমবুক ডিভাইসে আনা হয়েছে গুগল অ্যাসিস্টেন্ট ও অ্যান্ড্রয়েড ৯ পাই।
ক্রোম ৭২-এর নতুন ফিচার তালিকায় যোগ হয়েছে গুগল ড্রাইভ ব্যাকআপ ফিচারও। এর ফলে মাই ড্রাইভ বা মাই কম্পিউটার মেনু অপশনে গুগল ড্রাইভের ব্যাকআপ ফাইল দেখতে পারবেন গ্রাহক।
সামনের কয়েক সপ্তাহ ধরে আপডেটটি বিভিন্ন ডিভাইসের জন্য আনা হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

4
বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক বিজ্ঞানী  টমাস আলভা এডিসনের কথা তো আমরা সবাই জানি। ১১ ফেব্রুয়ারি তার জন্মদিন।

১৮৪৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে, ওহিওর মিলানে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা স্যামুয়েল ও মা ন্যান্সি এডিসনের সবচেয়ে ছোট এবং সপ্তম সন্তান ছিলেন এডিসন। বাবা ছিলেন একজন নির্বাসিত রাজনৈতিক কর্মী আর মা  ছিলেন স্কুল শিক্ষক।
এই যে এত এত কিছুর আবিষ্কারক কিন্তু পড়ালেখায় খুব অমনোযোগী ছিলেন। এজন্যে স্কুল থেকে তাকে একটি চিঠি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং বলা হয় চিঠিটি যেন তিনি মায়ের হাতে দেন। শিশু এডিসন চিঠিটি সরাসরি মায়ের হাতেই দেন। চিঠিটি পড়ার পর এডিসনের মায়ের চোখ অশুসজল হয়ে উঠেছিল।এডিসন চিঠিটির সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি চিঠিটি জোরে পড়ে শোনান," your son is genius.This school is too small for him and doesn't have enough good teachers for training him. please teach him yourself."
অর্থাৎ,"আপনার ছেলে প্রতিভাধর। এই স্কুলটি তার জন্য খুব ছোট এবং তার প্রশিক্ষণের জন্য এখানে যথেষ্ট ভালো শিক্ষক নেই। তাকে নিজের মতো করে শিক্ষা দিন।"
এরপর ঘরেই মায়ের কাছে পড়া শুরু করেন তিনি। মাত্র ১১ বছর বয়সেই বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রচুর বই পড়ে ফেলেন এডিসন। ১৫ বছর বয়সে টেলিগ্রাফ অপারেটর হিসেবে কাজ শুরু করেন এডিসন। এরমধ্যেই টেলিগ্রাফ এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যের প্রযুক্তি নিয়ে প্রচুর গবেষণাও শুরু করেন।
১৮৬৬ সালে ১৯ বছর বয়সে কেন্টাকির লুইসভিলে চলে যান তিনি। সেখানে অ্যাসোসিয়েট প্রেসের হয়ে কাজ শুরু করেন। কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি তৈরির কাজে হাত দেন। শুরু হয় নতুন কিছু আবিষ্কারের পথে এগিয়ে চলা।
এডিসন তখন শতাব্দীর সেরা আবিষ্কারক। একদিন তিনি পুরনো জিনিসপত্র দেখছিলেন। ডেস্কের ড্রয়ারের কোণায় একটা ভাঁজ করা চিঠি পেলেন। চিঠিতে লেখা ছিল, "Your  son is addled. We won't let him come to School anymore." অর্থাৎ, "আপনার সন্তান মানসিকভাবে অসুস্থ। তাকে আমরা আর কোনোমতেই স্কুলে রাখতে পারছি না।"
এডিসন চিঠিটি পড়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। তখন তিনি তার ডায়েরিতে লিখেছিলেন "Thomas Alva Edison was an addled child that, by a hero mother, become the genius of the century." অর্থাৎ,"টমস আলভা এডিসন একজন স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন শিশু ছিলেন, একজন আদর্শবান মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি আজ শতাব্দীর সেরা মেধাবী।"
শুধুমাত্র একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি আর একজন মানুষের অনুপ্রেরণাই বদলে দিতে পারে কারও জীবনের গল্প। যেমনটা, শিশু এডিসনের মায়ের অনুপ্রেরণায় আজ তিনি একজন সফল আবিষ্কারক, একজন বিশ্ব সেরা উদ্ভাবক।

5
Story, Article & Poetry / আয়না আবিষ্কার
« on: June 26, 2018, 05:20:45 PM »
জাপানি রূপকথায় আছে, একদিন ভোরবেলায় সূর্যদেবতা নাকি কোনো কারণে খুব রেগে যান। রেগে গিয়ে তিনি নিজেকে এক গুহার মধ্যে লুকিয়ে ফেলেন। আর তখুনি সারা পৃথিবীতে অন্ধকার নেমে এলো।
পৃথিবীর সমস্ত উদ্ভিদ, প্রাণী সূর্যের রাগ ভাঙাবার জন্য নানান চেষ্টা করতে লাগল। কিন্তু কিছুতেই কোনো ফল হল না। অবশেষে কোনো উপায় না দেখে গুহার সামনে একটা চকচকে রূপোর আয়না ধরা হলো। রুপোর আয়নায় নিজের রাগী-রাগী বিচ্ছিরি মুখখানা দেখে সূর্যদেব নিজেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না এটা সত্যিই তার মুখ কিনা।

ভালোভাবে নিজেকে দেখার জন্য আস্তে-আস্তে গুহার ভেতর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন সূর্যদেব। আর যেই-না তিনি বাইরে এসেছেন অমনি গুহার মুখ সবাই মিলে পাথর দিয়ে বন্ধ করে দিলো। সূর্যদেব আর ভেতরে ঢুকতে পারেন না। সেই থেকে সূর্য জাপানের আকাশে আজও রয়েছেন।

আয়না নিয়ে এরকম অনেক গল্পকথা ছড়িয়ে আছে দেশে দেশে। ইংরেজ কবি ও লেখক জিওফ্রে চসারের ‘দ্য ক্যান্টারবেরি টেলস’ গল্পমালায় আছে টারটারির রাজা কাম্বুস্কানের এমন একটা আয়না ছিল, সেই আয়না দেখে তিনি আগে থেকেই বলে দিতে পারতেন ভবিষ্যতে কী ঘটবে।

‘রেনার্ড দ্য ফক্স’ রূপকথা সিরিজের প্রধান চরিত্র ‘রেনার্ড’ নামের শেয়ালটির কাছেও এমন একধরনের আয়না ছিল। এটা দিয়ে তিনি এক মাইল দূরের জিনিস দেখতে পেতেন। আইরিশ সাহিত্যিক অলিভার গোল্ডস্মিথ তার গল্পে এক আশ্চর্য চীনা আয়নার কথা উল্লেখ করেছেন। এ আয়নার সাহায্যে যে কোনো মানুষের মন ও সেই মুহূর্তে সে কী ভাবছে তা বলে দেওয়া যায়।

আবার শোনা যায়, জাপানিরা দুস্কৃতকারীদের অপরাধের হদিশ পাওয়ার জন্য যখন জিজ্ঞাসাবাদ করতো তখন তাদের মুখের সামনে আয়না ধরতো। সত্যি কথা বা মিথ্যে কথা বলার সময় মুখের যে পরিবর্তন হতো তা তারা আয়নার মাধ্যমে বুঝতে চেষ্টা করত।

নিজের মুখটা কীরকম দেখতে তা জানাই যেতো না যদি আয়নার আবিষ্কার না হতো। পানির মধ্যে নিজের ছায়া দেখে মানুষ প্রথম জানতে পারে সে কীরকম দেখতে। তারপর নানা চিন্তা-ভাবনা করতে করতে তারা একদিন আয়না আবিষ্কার করে ফেলে।

জার্মান রসায়নবিদ জাস্টিস ভন লাইবিগ ১৮৩৫ সালে স্বচ্ছ কাঁচের এক পাশে টিন ও পারদের প্রলেপ দেওয়ার একটি কৌশল আবিস্কার করেন। এই কৌশলটিই ছিলো আয়না আবিষ্কারের মূল বিষয়। পরে আরও বড় পরিসরে এবং বাণিজ্যিকভাবে আয়না উৎপাদনের জন্য এ পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আজকের আধুনিক আয়নার রূপ আমরা দেখতে পাই।

পৃথিবীর সবচেয়ে যে পুরনো আয়নাটি সেটি পাওয়া যায় আনাতোলিয়ার ধ্বংসাবশেষ থেকে, এ জায়গাটি বর্তমান তুরস্কে। মিশর, মেসোপটেমিয়ার (বর্তমান ইরাক) পর চীন দেশেও আদি আয়নার উৎস খুঁজে পাওয়া যায়।

অবশ্য উৎপত্তির শুরুতে আয়নার আদল বর্তমানের মতো ছিল না। স্বচ্ছ কাঁচের আয়নার ধারণা এসেছে আরও অনেক পরে। কাঁচের বদলে তামা, ব্রোঞ্জ, সোনা ও রূপার চকচকে পৃষ্ঠকেই আয়না হিসেবে ব্যবহারের চল ছিল।

আয়নার ভেতর আলো প্রবেশ করলে আলোর চরিত্রে কী কী ধরনের পরিবর্তন আসে তা প্রাচীন গ্রিক গণিতজ্ঞ ইউক্লিড সূত্রাকারে লিখে রাখেন। শোনা যায়, আর্কিমিডিস নাকি এ সূত্রের ওপর ভিত্তি করেই অবতল আয়না তৈরি করেন।

রোমান রণতরী যখন সিরাকাস আক্রমণের জন্য এগিয়ে আসছিল তখন তিনি আয়নার ওপর সূর্যের আলো কেন্দ্রীভূত করে কোনো অস্ত্রের সাহায্য ছাড়াই সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেন। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে টলেমি ফারাসে লাইটহাউসের মাথায় একটা বিশাল আয়না লাগান যাতে শত্রুপক্ষের জাহাজকে এক মাইল দূর থেকে চেনা যায়।

১৬৬৮ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটন টেলিস্কোপ তৈরি করেন। পৃথিবীর সব থেকে বড় ও নিখুঁত আয়না লাগানো আছে ক্যালিফোর্নিয়ার পালামোর পাহাড়ের মাথায় ২০০ ইঞ্চি হেল টেলিস্কোপের মধ্যে। এর ওজন প্রায় সাড়ে চোদ্দ টন। আর সূক্ষ্মতা হলো দশ লাখ ভাগের এক ভাগ।এ টেলিস্কোপের মাধ্যমে অগণিত আরোকবর্ষ দূরে যেসব মহাজাগতিক বস্তু রয়েছে তা জ্যোতিবিজ্ঞানীরা খুব সহজেই দেখতে পান। 

তথ্যসূত্র:

১. লাইভসাইন্স ডটকম

২. কিশোর আনন্দ, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র

৩. মিররহিস্ট্রি ডটকম

6

বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রাজশাহী মহানগরের কেন্দ্রস্থল হেতেম খাঁ-তে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর। প্রত্নতত্ত্ব সংগ্রহের দিক থেকে এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সংগ্রহশালা। বরেন্দ্র জাদুঘর প্রতিষ্ঠায় নাটোরের দিঘাপাতিয়া রাজপরিবারের জমিদার শরৎ কুমার রায়, আইনজীবী অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় এবং রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল এর শিক্ষক রামপ্রসাদ চন্দ্রের উল্লেখযোগ্য আবদান রয়েছে।[৪] ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে তারা বাংলার ঐতিহ্য ও নিদর্শন সংগ্রহ ও সংরক্ষণের জন্য বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতি গঠন করেন। ঐ বছরে তারা রাজশাহীর বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালিয়ে ৩২টি দুষ্প্রাপ্য নিদর্শন সংগ্রহ করেন। এই নিদর্শনগুলো সংরক্ষণ করার জন্য শরৎ কুমার রায়ের দান করা জমিতে জাদুঘরটির নিজস্ব ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। নির্মাণ শেষ হয় ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে। একই বছরের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন।

লর্ড কারমাইকেল স্থাপিত ভিত্তিফলক
১৯১১ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা জাদুঘর অকস্মাৎ এতে সংরক্ষিত সকল নিদর্শন দাবি করে বসে। তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেলের প্রচেষ্টায় ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে ১৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে জারীকৃত একটি সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বরেন্দ্র জাদুঘরকে এর নিদর্শন সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ব্যপারে স্বাধীকার প্রদান করা হয়।

১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে জাদুঘর কর্তৃপক্ষের সাথে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের খনন কাজ শুরু করে। পরবর্তিতে বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতির একক প্রচেষ্টায় পাহাড়পুর থেকে ২৫৬টি নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের পরে জাদুঘরটির অস্তিত্ত্ব নিয়ে সংকট দেখা দেয়। ১৯৪৯ থেকে ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ পযর্ন্ত জাদুঘর ভবনটির অর্ধেকাংশ মেডিকেল স্কুল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে জাদুঘরটি বন্ধ হবার উপক্রম হলে ঐ বছরের ১০ অক্টোবর তারিখে এর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধিগ্রহণ করে।[৫] জাদুঘরটির পরিদর্শকদের মধ্যে রয়েছেন মহাত্মা গান্ধী, নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু প্রমুখ সহ আনেক বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ।

নিদর্শনসমূহ:

বরেন্দ্র জাদুঘরের সংগ্রহ সংখ্যা ৯ হাজারেরও অধিক। এখানে হাজার বছর আগের সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে। মহেনজোদারো সভ্যতা থেকে সংগৃহীত প্রত্নতত্ত, পাথরের মূর্তি, খিষ্ট্রীয় একাদশ শতকে নির্মিত বুদ্ধ মূর্তি, ভৈরবের মাথা, গঙ্গা মূর্তি সহ অসংখ্য মূর্তি এই জাদুঘরের অমূল্য সংগ্রহের অন্তর্ভুত। মোঘল আমলের রৌপ্র মুদ্রা, গুপ্ত সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের গোলাকার স্বর্ণমুদ্রা, সম্রাট শাহজাহানের গোলাকার রৌপ্য মুদ্রা বিশেষ ভাবে উল্যেখয়োগ্য। এখানে প্রায় ৫০০০ পুঁথি রয়েছে যার মধ্যে ৩৬৪৬টি সংস্কৃত আর বাকিগুলো বাংলায় রচিত। পাল যুগ থেকে মুসলিম যুগ পযর্ন্ত সময় পরিধিতে অঙ্কিত চিত্রকর্ম, নূরজাহানের পিতা ইমাদ উদ দৌলার অঙ্কিত চিত্র এখানে রয়েছে।

সংগ্রহ:

এই জাদুঘরে ১২ সহস্র গ্রন্থ সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থশালা রয়েছে। জাদুঘরটিকে ৭টি প্রদর্শনকোষ্ঠে ভাগ করা হয়েছে।

প্রথম প্রদর্শনকোষ্ঠে নওগাঁর পাহাড়পুর থেকে উদ্ধারকৃত ২৫৬টি ঐতিহাসিক সামগ্রী রয়েছে।
দ্বিতীয় প্রদর্শনকোষ্ঠে আছে হিন্দু ও বৌদ্ধদের তৈরী কাঠ ও পাথরের নানা ভাস্কর।
তৃতীয় ও চতুর্থ প্রদর্শনকোষ্ঠে রয়েছে বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তি।
পঞ্চম প্রদর্শনকোষ্ঠে আছে বৌদ্ধ মূর্তি।
ষষ্ঠ প্রদর্শনকোষ্ঠে রয়েছে বিভিন্ন ভাষায় লিখিত পাথরের খণ্ড।
সপ্তম প্রদর্শনকোষ্ঠে সংরক্ষিত আছে বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নিদর্শনসমূহ।

7
একটা দলের জার্সি এমনকি মোজা দেখতে কেমন হবে সেটা ঠিক করতেই একটি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মাসের পর মাস সময় খরচ করে। কারণ একটা নকশায় শুধু সেই দেশের জাতীয় রঙ ব্যবহার করলেই হয় না, জাতীয় দলের জার্সির ক্ষেত্রে ভাবতে হয় অনেক কিছু।
জার্সিতে কোনো দেশ তাদের পতাকার রঙ ব্যবহার করে, আবার কোনো কোনো দেশ তাদের জার্সিতে এমন রঙ চায় যেটা তাদের ইতিহাস, রাজনীতি এমনকি ভৌগলিক তাৎপর্য বহন করে। অথচ আজ থেকে প্রায় একশ বছর আগেও ফুটবল খেলায় জার্সি নাম্বর বলে কোনো কিছু ছিল না।

১৯২৮ সালে ফুটবল ইতিহাসে সর্বপ্রথম জার্সি নম্বরের প্রচলন শুরু করে আর্সেনাল ও চেলসি। তখন এ দুই দল ছিল আলাদা ডিভিশনে। আর্সেনাল খেলত ‘টপ ডিভিশনে’ আর তাদের খেলা ছিল ‘শেফিল্ড ওয়েডনেসডের’ সঙ্গে। এ ম্যাচে আর্সেনাল ২-৩ গোলে হেরেছিলো। আর সেকেন্ড ডিভিশনে থাকা চেলসি ঘরের মাঠে ‘সোয়ান্সি টাউনকে’ ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে তাদের জার্সি ইতিহাসের প্রথম দিন স্বরণীয় করে রেখেছে।

আবার অনেক দেশের জার্সি রঙের রয়েছে মজার গল্প। যেমন- ব্রাজিলের হলুদ জার্সিতে সুন্দর ফুটবল খেলেছেন অনেক ফুটবল কিংবদন্তি। পেলে-গারিঞ্চা থেকে জিকো-সক্রেতিস হয়ে বর্তমানের নেইমার খেলেন হলুদ জার্সিতে।

১৯৭০ সালের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের অধিনায়ক কার্লোস আলবের্তোর কথায় এ জার্সির গুরুত্বটা বোঝা যায় স্পষ্ট করে, ‘ব্রাজিলিয়ানদের কাছে এ হলুদ জার্সি হলো পবিত্র। যখন আমরা এটি গায়ে দিই, অবশ্যই গর্ব অনুভব করি। তবে একই সঙ্গে তা দায়িত্ববোধও নিয়ে আসে। এটা সবাইকে অনুপ্রাণিত করে এবং রোমাঞ্চে ভাসিয়ে দেয়।’

কিন্তু এ হলুদ জার্সিটা ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সি হল কীভাবে? এমন সময়ও কি ছিল, যখন অন্য রঙের জার্সি চড়ত তাদের গায়ে? এ প্রশ্নের উত্তর জানা নেই অনেক সমর্থকের। কিন্তু যখন জানবেন তারা, ১৯৫০-এ উরুগুয়ের কাছে সেই হারের প্রতিক্রিয়ায় এ ‘পবিত্র’ জার্সির জন্ম তখন আর অবাক হবেন না। এ হলুদ জার্সির আগের গল্পটা প্রতিটি ব্রাজিলিয়ানের জন্য আক্ষেপের।

১৯৫০ সাল। মারাকানায় দুই লাখ মানুষ সাক্ষী হতে চেয়েছিলেন বিশ্বকাপ জয়ের। উরগুয়ের বিপক্ষে সেই ম্যাচে জয় নয়, ন্যূনতম ড্র পারত ব্রাজিলকে প্রথম বিশ্বকাপ এনে দিতে। কিন্তু আলসিদেস ঘিঘিয়ার সেই গোলে ব্রাজিলিয়ানদের স্বপ্ন ভেঙে যায়, তখন ব্রাজিলের জার্সি ছিল সাদা। সেই সাদা জার্সিতে ছিলো না দেশের কোনো ছাপ। ব্রাজিলিয়ানদের ‘মারাকানাজ্জো’ দুঃখে এ জার্সি হলো বলির পাঁঠা, তারা ভেবে নিলো এ জার্সিটাই ‘অপয়া’!

১৯৫৩ সাল। পত্রিকায় খবর বেরোলো ডিজাইনারদের কাছ থেকে ব্রাজিলের জার্সির ডিজাইন নেওয়া হবে। ডিজাইন নানা রঙের হলে চলবে না। থাকতে হবে দেশের ছাপ। নিজেদের জাতীয় পতাকার মতো। আর ডিজাইনগুলোর মধ্যে সেরা জার্সি পরেই ১৯৫৪ বিশ্বকাপের মাঠে নামবে ব্রাজিল দল। ৪০১টি ডিজাইন জমা পড়েছিল, সেখান থেকে সবার চোখে পরে আলদের গার্সিয়া শিলের হলুদ জার্সিটাই। বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী এ জার্সির গৌরব ব্রাজিলের খেলোয়াড় থেকে ভক্ত- সবার কাছেই অন্যরকম।

প্রথমে দুই দলের খেলোয়াড়দের আলাদা করার জন্য নির্ধারিত জার্সি পরা বাধ্যতমূলক করা হয়। শুরুতে এটি সফল এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত মনে হলেও আলাদা করে কোনো খেলোয়াড়কে চিনতে না পারা বড় একটা সমস্যা হয়ে দেখা দেয়। দলের সবার জার্সি একরকম হওয়ার কারণে কোনো খেলোয়াড়কে নির্দিষ্ট করে চেনা সম্ভব হচ্ছিলো না। শুধু দর্শক নয়, খেলা পরিচালনাকারী রেফারি, কোচ সবার জন্যই ব্যাপারটা কষ্টের। সেই সমস্যার সমাধানের জন্যই শুরু হয় জার্সিতে নাম্বার ব্যবহার করার নিয়ম।

জার্সিতে নাম্বার ব্যবহারের প্রথম প্রচলন ঘটে ১৮৮৭ সালে ১৭ জুলাই কুইন্সল্যান্ড-নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার রাগবি ম্যাচের মধ্য দিয়ে। এরই ধারাবাহিকতায় জার্সিতে নাম্বারের ব্যবহার শুরু হয় ফুটবল-ক্রিকেটসহ অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক খেলাগুলোতে।

ফুটবলে জার্সি নাম্বার প্রথম ব্যবহার হয় ১৯১১ সালে। বর্তমান বিশ্বে অন্যতম জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। ফুটবলে জার্সি নাম্বার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জার্সি নাম্বার দেখে বলে দেওয়া যায় কোন খেলোয়াড় কোন পজিশনে খেলে থাকেন। ফুটবলে ১ নাম্বার জার্সি গোলকিপারের জন্য, ২ থেকে ৬ নাম্বার জার্সি রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের জন্য এবং ৭ থেকে ১১ পর্যন্ত মধ্যমাঠ ও আক্রমণভাগের খেলোয়াড়েরা ব্যবহার করেন।

১৯১১ সালে যখন ফুটবল জার্সিতে নাম্বার ব্যবহার শুরু করা হয় তখন ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারীরা সিদ্ধান্ত নেন ১ থেকে ১১ নাম্বার পর্যন্ত জার্সি পরা খেলোয়াড়ারা ম্যাচের মূল একাদশে থাকবে এবং বদলি যারা নামবে তাদের জার্সি নাম্বার ১১ এর বেশি হবে। তখন সেরা একাদশ সাজাতে গিয়ে প্রতি ম্যাচেই খেলোয়ারদের জার্সি নাম্বার বদলাতে দেখা যাচ্ছিলো।

পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপে ফিফা এ নিয়মে পরিবর্তন আনে। ১ থেকে ১১ নাম্বার জার্সি পরিহিতরা প্রথম একাদশে ম্যাচ শুরু করবেন আর বাকিদের জন্য বরাদ্দ থাকবে ১২ থেকে ২২ পর্যন্ত। এ নিয়ম অপরিবর্তত থেকে যায় অনেকদিন।  ১৯৯৩ সালে ইংল্যান্ড ফুটবল নিয়ন্ত্রকরা ১ থেকে ১১ নাম্বার জার্সিতে ম্যাচের মূল একাদশ সাজানোর বাধ্যবাধকতা তুলে দেন। ১৯৯৩-১৯৯৪ সালের প্রিমিয়ার লিগে এ নিয়মের  প্রথম ব্যবহার শুরু করে। পরবর্তীতে ইউরোপের অন্য লিগগুলো এ নিয়ম অনুসরণ করা শুরু করে।

ফুটবলে ৭, ৯, ১০, ১১ এগুলো আক্রমণভাগের সেরা খেলোয়ারদের জার্সি নাম্বার বলে বিবেচনা করা হয়। ইতিহাসে তাই ম্যারাডোনার জার্সি নাম্বার ছিলো ১০, পাওলো মালদিনির ৬ এবং পেলের ১০। তবে এর কিছু ব্যতিক্রমও রয়েছে। যেমন ইংলিশ খেলোয়াড় জেভিড বেকহাম ২৩ নাম্বার জার্সিটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। আবার বিভিন্ন ক্লাবে জার্সি নাম্বারের গুরুত্বও আলাদা।

তথ্যসূত্র:

১. দ্য গার্ডিয়ান, যুক্তরাজ্য

২. হিস্টোরিক্যালকিটস ডটসিও ডটইউকে

8
Library and Information Science Education Problems  in Bangladesh

There are many problems in the LIS education system in Bangladesh. The major problems are as follows:
•   Lack of infrastructural facilities: The majority of the institutes, which are offering postgraduate diploma, have no adequate classroom, lab for practicing cataloguing and classification, and even the department of ISLM of Dhaka University has no sufficient classroom. 
•   Inadequacy of reading materials: Sufficient books, classification and cataloguing tools are not available in all the library and information science institutes in Bangladesh. The two public universities don’t subscribe any journals, which are most important for the students as well the researchers.
•   Inadequate full time faculty member/teacher: Specially, the library and information science institutes are running the postgraduate diploma course with the part time faculty member. All of them have very few full time teachers. So the students are not getting required assistance or academic support from the part time faculty members.
•   Lack of faculty members obtained PhD from the first world countries: There are ten PhD holders on library and information Science in the dept. of ISLM in Dhaka University. Only one of them obtained from U.K, two from Japan and the rest of them are from Indian sub-continent.  There is only three PhD. degree holder faculty members in LIS dept. in Rajshahi University.
•   Lack of attractive job facilities and social status for the library professional: The library and information professionals in Bangladesh are not having attractive and suitable job and the people of the country are not eager to show due respect to the librarians or information professionals and even the Government of Bangladesh is not also sincere to provide proper facilities to the information professionals. So brilliant students are not got themselves into the LIS profession.
•    Big gap between the Academician and the professionals: There is no means/ways of getting together all academicians and professionals in Bangladesh at one time in a year. So the sharing and exchanging of information and experience is totally absent in Bangladesh between the Academician and the professionals.
•   Lack of career development facilities: As there is a scarcity of continuing education and training programme, so the LIS professionals are lagging behind regarding their knowledge and other necessary skills. Moreover, the organizations or institutes where they are doing job are not providing any facilities to enhance their professional skills.
•   Absence of national policies: There is no govt. policy for LIS education system and LIS professionals in Bangladesh. So this has led to loose or decrease the professional dignity of the LIS professionals.


9
Library of DIU / Five Laws of Library Science
« on: May 30, 2018, 01:02:15 AM »
Five Laws of Library Science
Dr. Shiyali Ramamitra Ranganathan formulated in 1928, the five laws of Library Science. These were published in a book in 1931. The five laws of Library Science are as follows.
1.   Books are for use.
2.   Every reader his or her book.
3.   Every book its reader.
4.   Save the time of the reader.
5.   Library is a growing organism.
1.   Books are for use
In this case the term ‘book’ should be interpreted broadly to stand for document Recognition of  this law helps in removing restriction on the use of book i.e. making library services free for universal. The aim of library is to ensure maximum use of its reading materials. The first law is to be achieved through the following factors.
a) Services, usages and accessibility:
The greatness of a library is determined not by the richness of its collection but by its services, usages and accessibility. A few book kept in constant and extensive use is more valuable than thousand of book kept in palatial building. The library schedule must be convenient to the readers. The large library should open their door to the readers on holidays for sometimes.
b)   Publicity: The librarian should give fair publicity about the services offered by his/her library. He/ She should always publicize new addition to the library so as to inform his /her clientele to what new materials has been acquired. Latest arrival should be displayed.
c) Building : The library building should be attracting. Exterior should be inviting and interior should be well organized and decorated such a way so that it could fascinate the readers or users. There should be proper lighting and ventilation, illustration on the wall, colored wall, neat and clean environment, soundless room encourages the readers to study or read more and more times.
d) Equipment: The library equipments should be neat and attractive. The bookracks should not be so high. The reading room should be attractive and the chairs and tables should be suitable for continuous reading.
e) Open access: Access to the library shelf should be unrestricted so that the readers can go to the shelves and pick out the book most suitable.
f) Cooperation of library staff: Staff should be congenial towards the readers and should always be ready to help the readers.
2. Every reader his or her book
The second law emphasizes in greater detail the implication of first law as viewed from the side of readers. The service library should amplify the users demand and enhance the utility of book usage. The librarian should extend the book usage through superfluous books. The second law is to be achieved by the following factors:
a)   Books for all: Books should be for every type of readers irrespectively of age, sex, race, caste, religion, etc.
b)   Book selection: The second law not only emphasizes selection of books for the normal people but also for the physical handicapped one. Book selection has also to take care for neo-literate.
c)   Inter-library loan: The entire book resources of a country can be made available through the inter-library co-operation.
d)   Catalogue or analytical entries: Books of composite and complex nature should be explained fully to readers by catalogue or subject analytical entries.
e)   Open access: In open access books should be kept in open shelves so that the user could easily handle the book whenever he needs it.
3. Every book its reader
The third law ‘Every book its reader’ points out that ultimately the book is meant for reader and not for filing stack room. If relates to the finding out for every book in the library. Books cannot reach the hands of the readers by their own accord so it is the duty of the librarian to bring the readers into contained with the books. The third law is to be achieved by the following factors:
a)   Proper cataloguing : Proper cataloguing can also help in the use of the books. A classified catalogue with analytical entries for all the hidden subjects in a book will. ....
b)   .....
c)   Publicity: The librarian should take care to draw the attention of the readers to those valuable books which lie unused and uncared for long period. Besides he must give proper publicity to new arrivals of books. This could be done by inserting a notification in the press or by periodical circulars, notices and display, etc.
d)   Open access: Open access of bookshelves can also help a lot in this respect.
4. Save the time of the reader
Books should be made available to the readers without delay. This is the law which really pats to test the efficiency of the library. The methods of classification, cataloguing , issuing of books, proper shelving of books etc. all play an important role in saving the time of the reader. This law is to be achieved by the following factors:
a)   Classification: Books should be classified as quickly as possible after accessioning so that the books go to the shelves without any time lag. Effort should be made to make a book available to the renders within a week of its arrival.
b)   Cataloguing: This catalogue should be done systematically so that the readers can pick out what he wants fly classified catalogue will be found more useful than a dictionary catalogue, practically in special and academic libraries. But dictionary catalogue is more useful in public library.
c)   Charging methods: The method of issuing books and receiving them when returned should be such a way that reader does not have to spend much time at the charging or discharging counter. Network method or Browne method can be widely used in the libraries.
d)   Shelving: The book should be so arranged on the shelves that not only can they be found out easily but the reader interested in a particular subject should be able to find them together.
e)   Open access: Open access saves not only the time of the reader but saves librarians also a lot of work.

Library is a growing organism
 Library is an ever expanding. The growth is of three kinds and they are as follows:
a)   Growth in  size
b)   Growth in the number of reader
c)   Growth in the staff
a) Growth in the size: Every library grows in size with the acquisition of new materials. A newly started library has to grow in size rapidly because to serve its clientele. Unlimited growth creates many problems. The most serious being the finding of adequate space and staff. Effort should therefore be made to control the unlimited growth in size by continuously weeding out old and no longer wanted books.
b) Growth in staff: With the growth in size and growth in membership there has to be corresponding  growth in the staff. Efficiency of the library service can be maintained only if there is adequate staff.
Conclusion
The librarian who would like to flourish his career and to be a successful librarian must keep the five laws of Library Science in his mind. And the librarian who wants to maintain his library service fully must have to apply these laws in his/her library. These five laws may be considered as the main motto of library science.


Pages: [1]