Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Muntachir Razzaque

Pages: [1] 2
1
Positive Bangladesh / Smart Home will turn off fire
« on: April 02, 2019, 01:17:38 PM »


স্মার্ট যন্ত্র, স্মার্ট হোম—ধীরে ধীরে এই ধারণাগুলো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিশ্বে। আমাদের দেশে এগুলো নতুনই বলা যায়। তবে অগ্নিকাণ্ডের মতো ভয়াবহ দুর্ঘটনা এড়াতে, আগুন দ্রুত শনাক্ত করতে এবং নিয়ন্ত্রণে আনার ক্ষেত্রে স্মার্ট যন্ত্র বা স্মার্ট প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

উঁচু ভবন বা বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়েই অনেকে ভাবেন, পুরো নিরাপত্তা দেওয়া হলো। কিন্তু অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনা এড়ানো বা আগুন নেভানোর আধুনিক ব্যবস্থার দিকে নজর না দিলে ভয়াবহ ক্ষতি ও জীবনহানির মতো ঘটনা ঘটে যায়। আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে দূরে থেকেও বাড়ি বা অফিসের অবস্থা জানা যায় এখন। কিছু স্মার্ট যন্ত্র অগ্নিকাণ্ড থেকে শুরু করে নানা দুর্ঘটনায় নিরাপত্তা দিতে পারে সহজেই। স্মার্ট হোম ধারণা এখন বিশ্বব্যাপীই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। স্মার্ট হোম তখনই হয়ে উঠবে যখন দালানে স্মার্ট যন্ত্র ব্যবহার করা হবে। যেগুলো ধোঁয়া, আগুন শনাক্ত করতে পারবে, নির্দিষ্ট জায়গা বা মানুষের কাছে তথ্য পাঠাতে পারবে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে আগুন নেভাতেও পারবে।

যথাযথ নকশা ও স্মার্ট যন্ত্র জরুরি
সুউচ্চ ভবন তৈরির নকশা অনুমোদন নেওয়ার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো, সেখানে ভবন নিরাপত্তার সব নীতিমালা মেনে চলা হয়েছে তা নিশ্চিত করা। এমনকি নির্মাণের পরেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদন সাপেক্ষে ভবনে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো, এই সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান থেকে অসৎ উপায়ে অনুমোদন নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সুরক্ষা নীতিমালা না মেনেও নতুন ভবন তৈরি সম্ভব হচ্ছে। বলছিলেন শামস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর মো. শামসুজ্জোহা। তাঁর প্রতিষ্ঠান এ দেশে ভবনে আগুন শনাক্তকরণ এবং সুরক্ষাব্যবস্থা সংবলিত ডিজাইন তৈরি ও নির্মাণের কাজ করে যাচ্ছে।
নীতিমালা মেনে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে কি না, তা আরও কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। সামান্য উদাসীনতা বা অবহেলার কারণে বহু মানুষের জীবনহানিসহ অনেক ক্ষতি হতে পারে। অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনায় সতর্কসংকেত পেতে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আগুন নেভানোর জন্য এখন অনেক ধরনের স্মার্ট যন্ত্র বা প্রযুক্তিগত সমাধান পাওয়া যায়। এই যুগে এসব যন্ত্রের সহায়তা নেওয়া উচিত বলে জানালেন মো. শামসুজ্জোহা। তিনি বলেন, ‘বাড়ি বা ভবন নির্মাণের সময় এসব প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা মাথায় রাখলে বাড়ি যেমন স্মার্ট হয়ে ওঠে, তেমনি নিরাপত্তাও বেড়ে যায়।’



শনাক্ত এবং আগুন থেকে সুরক্ষায় স্মার্ট যন্ত্র স্মার্ট স্মোক ডিটেকটর
ধোঁয়া শনাক্ত করার আধুনিক যন্ত্রগুলো বাড়ির কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা বা স্মার্ট হোম হাবের সঙ্গে যুক্ত করা যায়। ফলে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা চিহ্নিত করা গেলে সঙ্গে সঙ্গে তা মোবাইল ফোনের অ্যাপ
ও এসএমএসের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সতর্ক হতে পরামর্শ দেয়। সাম্প্রতিক যন্ত্রগুলো কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস শনাক্ত করতে পারে। ফলে অন্যান্য ধোঁয়ার সঙ্গে পার্থক্য বুঝতে সহজ হয়। কখনো আবার স্মার্ট হোমের সঙ্গে যুক্ত এই যন্ত্র ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও ধারণ করা শুরু করতে পারে।

স্মার্ট ফায়ার ডিটেকটর
ঘরের তাপমাত্রা যখন নির্দিষ্ট মাত্রা অতিক্রম করে বা তাপমাত্রা বাড়ার হার অস্বাভাবিক হয়, তবে এই স্মার্ট ফায়ার ডিটেকটর সতর্কসংকেত বাজাতে থাকে। ক্ষেত্র বিশেষে এই যন্ত্রগুলো তাপমাত্রার সঙ্গে সঙ্গে ধোঁয়া ও বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাসের উপস্থিতি চিহ্নিত করতে পারে।

এই স্মার্ট যন্ত্র কেবল যে আগুন শনাক্ত করছে এমনই নয়, বরং কিছু কিছু যন্ত্র আগুন নেভানোর ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় করতে পারে। ভবনের বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবস্থাপনার সুযোগ থাকলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন দুর্যোগের সময় মূল সংযোগ বন্ধ করে আপৎকালীন বিকল্প ব্যবস্থা চালু করতে পারে।

স্মার্ট ব্যাটারি
আগে থেকে সক্রিয় স্মোক ডিটেকটরগুলো যদি কেন্দ্রীয় স্মার্ট হাবের সঙ্গে যুক্ত না থাকে, তবে স্মার্ট ব্যাটারি ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্যাটারির সঙ্গে বাড়তি কিছু সরঞ্জাম যুক্ত থাকে, যা ওয়াই–ফাই বা মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন বার্তা বা নোটিফিকেশন পাঠাতে পারে।

স্মার্ট স্টোভটপ আগুন নির্বাপণ প্রযুক্তি
বাড়িতে আগুন লাগার একটা উৎস হলো রান্নাঘরের চুলা। স্মার্ট স্টোভটপের সঙ্গে যুক্ত মোশন সেন্সর সার্বক্ষণিক খেয়াল রাখে, চুলার সামনে কেউ আছে কি না। চুলার সামনে থেকে চলে যাওয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই যন্ত্র চুলা বন্ধ করতে শুরু করবে। একই সঙ্গে বিপদের সংকেত পাঠাবে নির্দিষ্ট যন্ত্রে।
স্মার্ট হাব



যে ধরনের স্মার্ট যন্ত্রই যুক্ত করা হোক না কেন, তা অন্য সব যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে। স্মার্ট হাবের সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে যুক্ত থাকলে সেখান থেকে মোবাইল অ্যাপ ও এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা সম্ভব হবে।
আধুনিক যন্ত্রগুলো এখন গুগল হোম এবং আমাজন অ্যালেক্সার সঙ্গে কাজ করার উপযোগী করে তৈরি করা হয়। পাশাপাশি স্মার্ট হাব ব্যবস্থার অংশ হিসেবেও আগুন শনাক্ত করার যন্ত্র পাওয়া যায়। নেস্ট প্রোটেক্ট হলো এখন বাজারে থাকা সর্বোচ্চ মানের স্মোক ডিটেকটর। বিভিন্ন ধরনের সেন্সর সংযুক্ত এই যন্ত্র সব ধরনের আগুন ও ধোঁয়া চিহ্নিত করতে পারে।



ফার্স্ট অ্যালার্ট হলো স্মার্ট স্মোক অ্যালার্মের মতো যন্ত্রও জনপ্রিয় ও কার্যকর। আর সাধারণ স্মোক ডিটেকটরগুলোর সঙ্গে স্মার্ট বৈশিষ্ট্য যুক্ত করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে লিও স্মাট অ্যালার্ট এবং রুস্ট স্মার্ট ব্যাটারি। এই যন্ত্রাংশগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে মোবাইলের অ্যাপে আগুনসংক্রান্ত সতর্ক বার্তা পাঠাতে এবং স্মার্ট হাবের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
আগুন শনাক্তকরণ এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা ভবনের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি অংশ। কারণ, এটি ত্রুটিপূর্ণ হলে মানুষের জীবনহানির আশঙ্কা থাকে। পরিবার বা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের এই বিষয়ে উদাসীনতা দেখানোর অর্থ হলো, তাঁরা আপনার জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে একেবারেই ভাবছেন না। তবে সচেতন হতে হবে প্রত্যেককেই। কোনো ক্ষতি হয়ে যাওয়ার পরে অন্য কাউকে দোষ দেওয়া থেকে আগেই সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

কোথায় পাবেন?
অগ্নিকাণ্ড ঠেকাতে বা নিয়ন্ত্রণের জন্য যেসব স্মার্ট যন্ত্র রয়েছে, সেগুলোর ব্যবহার দেশেও দেখা যায়। আপনার ভবন নির্মাণে জড়িত আবাসন বা নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান বা পরামর্শক প্রকৌশলী, অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রপাতি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে বললে তারা এসব স্মার্ট যন্ত্রে এনে দেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে। এ ছাড়া এসব যন্ত্র অনলাইনে অামাজন ডটকমে পাওয়া যায়।

Source: https://bit.ly/2Wy8u38

2
Travel / Visit / Tour / Kutubdia on the seashore of Bengal.
« on: May 08, 2018, 09:43:32 AM »
সাগরের বুকে কুতুবদিয়া

উত্তর, পশ্চিম ও দক্ষিণ—তিন দিকে বঙ্গোপসাগর আর পূর্বে কুতুবদিয়া চ্যানেল। মধ্যিখানে প্রায় ২১৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে সাগরের বুকে ভেসে থাকা একটি দ্বীপ—কুতুবদিয়া।

কুতুবদিয়া কক্সবাজার জেলায়। এখানে গেলে দেখা মিলবে, বাংলাদেশের একমাত্র উইন্ড মিলের। বায়ু থেকে তৈরি হয় বিদ্যুৎ। জায়গাটা দেখার লোভ সামলাতে পারলাম না। চেপে বসলাম ঢাকা-কক্সবাজারের বাসে।

চকরিয়ার বড়ইতলী মোড়ে নামলাম। বাজার থেকে ডানের রাস্তা মগনাম ঘাটের দিকে গেছে। সিএনজি অটোরিকশায় করে প্রায় ৩০ মিনিটে চলে গেলাম ঘাটে। মগনামা ঘাট থেকেই দেখা যায় দূরের আবছা কুতুবদিয়া। ঘাট থেকে দ্বীপে যাওয়ার জন্য কিছুক্ষণ পরপর ইঞ্জিন নৌকা আর স্পিডবোট রয়েছে। উঠে বসলাম ইঞ্জিন নৌকায়, কুতুবদিয়া চ্যানেল পাড়ি দিয়ে বড়ঘোপ ঘাটে যেতে সময় লাগল প্রায় ৩০ মিনিট।


দেশের একমাত্র উইন্ডমিল কুতুবদিয়ায়

১৯১৭ সালে কুতুবদিয়া থানা গঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়। যাতায়াতব্যবস্থা ভালো। রাস্তা পাকা। চলাচলের জন্য আছে ব্যাটারি রিকশা, টেম্পো এমনকি ফোর হুইল গাড়িও। সব রকম দোকানপাটও রয়েছে। পানি একটু বেশি লবণাক্ত এখানে। তাই ইতিউতি অসংখ্য লবণের ঘের।

বড়ঘোপ বাজারে ‘সমুদ্র বিলাস’—এই একটাই ভালো হোটেল। যার একদম পাশেই সাগর। ঘাট থেকে রাসরি হোটেলে যাওয়ার জন্য রিকশা পাওয়া যায়। বাজারে বেশ কয়েকটা খাবার হোটেল আছে। দুপুরে খাওয়া ও বিশ্রামপর্ব শেষে চলে গেলাম সাগরপাড়ে।

তেমন পরিচিতি না থাকার কারণেই স্থানীয় লোকজন ছাড়া তেমন পর্যটক চোখে পড়ে না। পাশেই অসাধারণ ঝাউবন। ঝাউবনের ভেতরটা মন ভালো করে দেওয়া পরিবেশ। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ ঘুরে রাওনা দিলাম উইন্ড মিলের দিকে। সাগরের সঙ্গেই দাঁড়িয়ে আছে বিশাল এক-একটা পাখা। ইংরেজি L অক্ষরের মতো অনেক জায়গা নিয়ে বসানো পাখাগুলো। এর একটা অংশ একদম সাগরের পাড় ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে। উইন্ড মিল পশ্চিম দিকে হওয়ার কারণে সাগরে সূর্যাস্তের দৃশ্যটা ছিল দারুণ।


কুতুবদিয়ার প্রকৃতি

কুতুবদিয়ায় আরও আছে বাতিঘর। প্রথম বাতিঘরটি বানানো হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে। সেটি সাগরে ডুবে যাওয়ার পর নতুন করে বানানো হয়েছে আরেকটি। দেখতে মোবাইল ফোনের টাওয়ারের মতন। দূর থেকেই দেখতে হয়—‘জনসাধারণের প্রবেশ নিষেধ’। বড়ঘোপ বাজার থেকে রিকশায় যেতে সময় লাগে প্রায় ৪০ মিনিট। এ ছাড়া ঘুরে আসতে পারবেন কুতুব আউলিয়ার মাজার কুতুবাগ। পুরো দ্বীপটাকে ব্যাটারিচালিত রিকশা দিয়ে ঘুরে দেখা যায়। সময় লাগবে প্রায় আড়াই ঘণ্টার মতন। তবে ঘোরাঘুরির পর্বটা সন্ধ্যার আগেই শেষ করা ভালো। বিদ্যুৎ বলতে দিনের বেলায় সৌর আর রাতে জেনারেটর। এলাকার মানুষের ব্যবসা মূলত লবণ আর শুঁটকি ঘিরে। কম দামে ভালো শুঁটকি পাওয়া যায় এখানে।

রাতে থাকার ইচ্ছা না থাকলে সন্ধ্যার মধ্যেই ঘাটে পৌঁছাতে হবে। শেষ ট্রলার সন্ধ্যা সাতটায় ছাড়ে। সাগর এখন শান্ত। তবে ঝড়-বৃষ্টির সময় উত্তাল সাগরে কুতুবদিয়া যাওয়াটা একটু ঝুঁকিপূর্ণ।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

যেভাবে যাবেন


ঢাকা-কক্সবাজারের বাসে করে গিয়ে চকরিয়ার বুড়াইতলী মোড়ে নামতে হবে। সেখান থেকে মগনামা ঘাট (সিএনজি রিজার্ভ ২৫০ টাকা, ভাগাভাগি করেও যাওয়া যায়),

ইঞ্জিন নৌকায় ২০ টাকা

জনপ্রতি ভাড়ায় কুতুবদিয়া। দ্বীপে ব্যাটারি রিকশায় দরদাম করে ওঠা ভালো। টেম্পো

আছে আরও কম খরচে ঘুরে দেখার জন্য। ফিরে আসার একই রাস্তা।

এ ছাড়া বড়ঘোপ বাজার থেকে প্রতিদিন সকালে বড় ট্রলারে গভীর সমুদ্র দিয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত যাওয়া যায়, সময় লাগে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা।


Source link: http://www.prothomalo.com/life-style/article/1480341/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE

3
Technology News / Mobile will run without Battery in Future
« on: July 12, 2017, 12:39:49 PM »

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের উদ্ভাবিত ব্যাটারিহীন মুঠোফোনের নমুনা

ভবিষ্যতের মুঠোফোনগুলোতে হয়তো চার্জ দেওয়ার প্রয়োজনই পড়বে না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এমন একটি ফোন উদ্ভাবন করেছেন, যেটি চালাতে ব্যাটারি লাগবে না। ফোনটির নমুনাও (প্রোটোটাইপ) তৈরি করেছেন তাঁরা।

ব্যাটারি ছাড়া ফোনটি চলবে কীভাবে? ফোনের আশপাশে বেতার তরঙ্গ বা আলোক শক্তি দিয়েই চলবে এটি—এমনটাই বলছেন গবেষকেরা। আর সেই শক্তিও লাগবে খুব সামান্য পরিমাণে।

ব্যাটারি ছাড়া মুঠোফোন তৈরি-সংক্রান্ত একটি গবেষণা নিবন্ধ ‘প্রসিডিংস অব দ্য অ্যাসোসিয়েশন ফর কম্পিউটিং মেশিনারি অন ইন্টারঅ্যাক্টিভ, মোবাইল, ওয়্যারেবল অ্যান্ড ইউবিকুইশাস টেকনোলজিস’ সাময়িকীতে ১ জুলাই প্রকাশিত হয়েছে।

এই মুঠোফোনের জন্য প্রয়োজন মাত্র সাড়ে তিন মাইক্রোওয়াট শক্তি। এ জন্যই ফোনটিতে যুক্ত করা হয়েছে চালের একটি শস্যদানার সমান সোলার সেল। তবে ফোনটিতে সংকেত গ্রহণ ও প্রেরণের জন্য একটি বেস স্টেশন থাকতে হবে। আলোক শক্তি ব্যবহার করে বেস স্টেশন থেকে ৫০ ফুট দূরত্বে এবং বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে বেস স্টেশন থেকে ৩১ ফুট দূরত্বে সংকেত পাঠানো যাবে।

ফোনটি তৈরিতে একটি সার্কিট বোর্ড, কয়েকটি ক্যাপাসিটিভ টাচ বাটন এবং অন্যান্য কিছু উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। ফোনটির নকশায় থাকছে একটি ইয়ারফোন যুক্ত করার জায়গা এবং বিস্ময়করভাবে এত অল্প পরিমাণ শক্তিতে একই সঙ্গে সিগন্যাল আদান-প্রদানের জন্য কাস্টম বেস স্টেশন।

গবেষকেরা ফোনটির এই কাঠামোতেই মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে স্কাইপিতে কল করতে এবং কল ধরতে সফল হয়েছেন। তবে বিজ্ঞানীরা এই ফোনটিকে আরও উন্নত করতে চান। যাতে একটি ই-ইংক পর্দা যুক্ত করে ভিডিও প্রদর্শনে সক্ষম করা যায় এবং কথাবার্তাকে আরও নিরাপদ করা যায়।

ফোনটি শব্দ প্রেরণ করতে মাইক্রোফোন থেকে উৎপন্ন হওয়া কম্পন ব্যবহার করে তা সংকেত বদ্ধ করে বেতার তরঙ্গ তৈরি করে। শব্দ গ্রহণ করার জন্য ফোনের স্পিকারের কম্পন ব্যবহার করে ওই বেতার তরঙ্গকে শব্দে পরিণত করে। এই শব্দ পাঠানো এবং শোনা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি বোতাম যুক্ত করা হয়েছে।

এই গবেষণাপত্রের একজন সহলেখক ভ্যাসমি টল বলেন, ‘আমরা যে বেস স্টেশন তৈরি করেছি, সেটি এখনো প্রাথমিক অবস্থায় রয়েছে। এটিই ব্যাটারি ছাড়া মুঠোফোন সবার জন্য আনতে পারবে। ভবিষ্যতে এ রকম ফোনের নেটওয়ার্ক সব জায়গায় ছড়িয়ে দিতে প্রতিটি ঘরে বেস স্টেশনে ওয়াই-ফাই রাউটার যুক্ত করতে হবে।’

মারিফুল হাসান, সূত্র: ম্যাশেবল
Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/1247686/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A0%E0%A7%8B%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%A8

4
Facebook / Your facebook accounts will not have hacked
« on: March 14, 2017, 04:52:43 PM »
প্রথমে ফেসবুকে ঢুকে ওপরে ডান পাশের অ্যারোতে ক্লিক করে Settings-এ আবার ক্লিক করুন (সরাসরি www.facebook.com/settings)। এখন বাঁ দিক থেকে Security-এ ক্লিক করুন। Login Approvals-এর ডান পাশ থেকে edit-এ ক্লিক করুন। তারপর Require a security code to access my account from unknown browsers বক্সে টিক চিহ্ন দিন। টিক চিহ্ন দেওয়ার সময় নতুন একটি বার্তা এলে Get Started-এ ক্লিক করুন। আবারও নতুন বার্তা এলে Continue-এ ক্লিক করুন। আপনার ফেসবুকে মোবাইল ফোন নম্বর যোগ করা না থাকলে এখন যোগ করুন। আর করা থাকলে আপনার মোবাইল নম্বরে একটি কোড নম্বর যাবে সেটি কোড বক্সে লিখে Continue-এ আবার করুন। পুনরায় পাসওয়ার্ড লিখতে বললে পাসওয়ার্ড লিখে Submit-এ ক্লিক করুন। তারপর Close-এ ক্লিক করুন।

এখন Login Alerts-এর ডান পাশ থেকে edit-এ ক্লিক করে Get notifications এবং E-mail login alerts to E-mail address-এ ক্লিক করে Save Changes-এ ক্লিক করুন। এখন থেকে প্রতিবার আপনার কম্পিউটার ছাড়া অন্য কারও কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করতে চাইলে আপনার মোবাইল ফোনে একটি কোড নম্বর আসবে। এই নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue করলেই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ঢোকা যাবে। তাই আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চুরি হয়ে গেলেও কেউ আপনার ফেসবুকে লগ-ইন করতে পারবে না মোবাইল ফোনের কোড নম্বর না জানার কারণে।

Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/1053563/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A1-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE

5
ফেসবুককে যতটা পছন্দ করেন তার চেয়েও বেশি সময় কাটানো হয় এখানে। কিন্তু অধিকাংশ ব্যবহারকারীরাই এর সেটিংস সম্পর্কে বেশি ধারণা রাখেন না। ফলে তাদের প্রোফাইলগুলো অনিরাপদ থেকে যায়। এখানে ফেসবুকে সর্বোচ্চ নিরাপদ করতে নিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।

১. লগ ইন অ্যালার্ট ব্যবহার করুন : কেউ যদি আপনার ফেসবুক আইডিতে লগ ইন করার চেষ্টা করেন, তবে আপনাকে জানান দেবে ফেসবুক। এর জন্য ফেসবুকে লগ ইন করে সেটিংস মেনুতে যান। সিকিউরিটিতে ক্লিক করে লগইন অ্যালার্টস-এ গিয়ে এডিট করুন। গেট নোটিফিকেশনস এবং ইমেইল লগ ইন অ্যালার্ট চালু করুন। এটি সেভ করুন। কেউ আপনার অগোচরে অ্যাকাউন্টে ঢুকতে চাইলে তার তথ্য দেবে ফেসবুক। প্রতিবারই লগইন করলে অ্যালার্ট পাবেন। এ ছাড়া নির্দিষ্ট যন্ত্র থেকে লগইন করার বিষয়টিও ঠিক করে রাখতে পারবেন। নতুন কোনো ব্রাউজার থেকে নতুন যন্ত্রের লগইন করার সময় ফেসবুক এটাকে মনে রাখবে কিনা তা জানতে চাইবে। করতে চাইলে সেব ব্রাউজার করতে হবে।

২. রিকোয়েস্ট লগইন অ্যাপ্রোভালস : নিজের অ্যাকাউন্টে কিভাবে লগইন করবেন তাও নজরদারি করে ফেসবুক। কয়েকটি পদক্ষেপ নিলেই আগের অব্যবহৃত কোনো যন্ত্র থেকে কেউ আপনার অ্যাকাউন্টেল লগইন করলে তা দেখবে ফেসবুক। সিকিউরিটি সেটিংস-এ গিয়ে 'রিকোয়ার এ সিকিউরিটি কোড টু অ্যাকসেস মাই অ্যাকাউন্ট ফ্রম আননোন ব্রাউজারস' লেখা বক্সে ক্লিক করুন। একটি সিকিউরিটি কোড পাওয়ার জন্য লিখিত নির্দেশনা অনসরণ করুন এবং পাসওয়ার্ড পুনরায় দিন। রিকোয়েস্টটি নিশ্চিতকরণের পর একটি বক্স পপ আপ হবে যাতে প্রক্রিয়াটি সম্পন্নের বিষয়ে তথ্য দেওয়া থাকবে। এখানে 'নো থ্যাঙ্কস, রিকোয়ার এ কোড রাইট অ্যাওয়ে' লেখা বক্সে ক্লিক করতে হবে।

৩. বাড়তি কোড হাতে রাখুন : লগইন অ্যাপ্রোভালস চালু করলে নতুন স্থান থেকে লগ করার সময় নিরাপত্তা কোড চাইবে। এটা টেক্সটের মাধ্যমে বা কোড ডেনারেটর শাখা থেকে তা উদ্ধার করতে হবে। যদি ফোন বা ট্যাবে প্রবেশ করতে না পারেন, তারপরও লগইন করতে কোড লাগবে আপনার। এর জন্য ফেসবুক ১০টি এলোমেলো কোড দেবে আপনাকে। এসব কোডের যে তালিকা দেখাবে তা প্রিন্ট করে রেখে দিন।

৪. কোথায় লগইন এবং লগ আউট করেছিলেন তা খেয়াল রাখুন : যদি অন্য কোনো যন্ত্র থেকে ফেসবুকে প্রবেশ করেন এবং লগ আউট করতে ভুলে যান, তবে যে কেউ আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দেখতে পারেন। নিজের ব্রাউজার থেকে ফেসবুক সিকিউরিটি সেটিংস-এ 'হোয়ার ইউ আর লগড ইন'-এ যান। আপনার সাম্প্রতিক লগইন তালিকাটি দেখুন।

৫. ট্রাস্টেড অ্যান্ড লিগেসি কন্ট্যাক্টস অ্যাড করুন : যদি কারো জন্য ফোন ও ইমেইলে অ্যাকসেস না পান তবে সিকিউরিটি কোডের দরকার নেই। ফেসবুকের কাছের বন্ধুদের কাছ থেকে লগইন কোড সংগ্রহ করতে পারবেন। যদি দুজন দুজনের বিশ্বস্ত হয়ে থাকেন, তবে দারুণ মিলবে। লিগেসি কন্ট্যাক্টস পৃথক বিষয়। কারো অবর্তমানে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দেখাশোনা করতে বৈধ অনুমতি লাগবে। লিগেসি কন্ট্যাক্টটি টাইমলাইনে পিন করে রাখা যাবে। এতে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট বা প্রোফাইলের ছবি আপডেট হয়ে যাবে। এমনকি একটি সময়ের পর অ্যাকাউন্টটি মুছেও ফেলা যাবে। এসব কাজ সিকিউরিটি সেটিংস-এর ট্রাস্টেড কন্ট্যাক্টস অ্যান্ড লিগেসি কন্ট্যাক্টস-এর অধীনে সম্পন্ন করা সম্ভব। সূত্র : ফক্স নিউজ

- See more at: http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2016/07/24/384914#sthash.ouQGxH1l.dpuf

6
Fever / Safe your child from Dengue Fever
« on: July 20, 2016, 10:49:35 AM »
ভরা বর্ষা, চারদিকে ডেঙ্গু জ্বর হচ্ছে। ছোটরাও কিন্তু এতে আক্রান্ত হয়। শিশুদের ডেঙ্গুর লক্ষণ সাধারণ ভাইরাস জ্বরের মতোই। স্কুলগামী একটু বড় শিশুরা পেশি, হাড়, পিঠ ও চোখের কোটরে ব্যথার কথা বলতে পারে। সঙ্গে বমি, ডায়রিয়া, পেটব্যথাও থাকতে পারে। ডেঙ্গু হলেই যে লাল দানা বা র্যা শ হবে, তা নয়। আবার রক্তক্ষরণ হবেই, তা-ও নয়।
ডেঙ্গু ভাইরাস রক্তনালিতে পরিবর্তন ঘটিয়ে জলীয় অংশ বের করে দেয়, ফলে রোগী পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হয়। বয়স্কদের তুলনায় শিশুরা পানিশূন্য হয় দ্রুত। তাই শিশুদের জটিলতার আশঙ্কাও বেশি। এ কারণে শিশুর তরল খাবারের দিকে গুরুত্ব দিন। একটু পরপর বুকের দুধ, পানি, ডাবের পানি, স্যালাইন, জুস, লেবুর শরবত ইত্যাদি দেবেন। রুচি কমে যায় বলে এমন খাবার দিন, যা অল্প খেলেও পুষ্টি পায়। যেমন-খিচুড়ি। জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল সিরাপ, বড়ি বা সাপোজিটরি—যেকোনো কিছু ব্যবহার করা যায়। তবে এসপিরিন দেওয়া যাবে না। অ্যান্টিবায়োটিকও অপ্রয়োজনীয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুকে মশারির ভেতর রেখে যথেষ্ট বিশ্রামে রাখুন। স্কুলে যাওয়া ৫-৭ দিনের জন্য বন্ধ রাখুন। বেশি খেলাধুলাও নয়। বেশির ভাগ ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা বাড়িতেই সম্ভব। প্রয়োজনে কখনো স্যালাইন দিতে হতে পারে। তবে প্লাটিলেট দিতে হবে, তা নয়।
এ সময় গরম থাকলেও স্কুলে, কোচিংয়ে বা বাড়িতে ফুলপ্যান্ট পরাবেন। দিন-রাত দুবেলাই ঘুমন্ত শিশুকে মশারির মধ্যে রাখুন। মশা তাড়াতে ছোট শিশুর ঘরে কয়েল না জ্বালানোই ভালো। এতে শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা হতে পারে। বরং স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু ব্যবহারের পর কিছুক্ষণ শিশুকে ওই ঘরে যেতে দেবেন না।

Source : http://www.prothom-alo.com/life-style/article/919813/%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%81-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A6-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8



ডা. আবু সাঈদ
শিশু বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ

7
IT Forum / New antivirus arrival on market
« on: June 28, 2016, 11:33:17 AM »
বাংলাদেশি বহুজাতিক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান রিভ সিস্টেমস অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার বাজারে ছাড়ছে। রিভ অ্যান্টিভাইরাস নামের এই সফটওয়্যার বাজারজাত করছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান টেক রিপাবলিক। এরই মধ্যে পরিবেশক হিসেবে রিভ টেক রিপাবলিককে নিয়োগ দিয়েছে। ২০ জুন থেকে ইন্টারনেটে www.reveantivirus.com ঠিকানার ওয়েবসাইটে এই সফটওয়্যার পাওয়া যাবে। পাশাপাশি কম্পিউটার পণ্যের দোকান থেকে এটি সক্রিয় করা যাবে।
রিভ অ্যান্টিভাইরাসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জিত চ্যাটার্জি বলেন, বর্তমান সময়ে কম-বেশি সবার একাধিক যন্ত্র রয়েছে। তাই রিভ অ্যান্টিভাইরাসও দিচ্ছে প্রতিটি প্যাকেজে ন্যূনতম দুটি করে লাইসেন্স। অ্যান্টিভাইরাস, ইন্টারনেট সিকিউরিটি এবং টোটাল সিকিউরিটি—এই তিন ধরনের প্যাকেজে এটি পাওয়া যাবে। এর রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস ও উইন্ডোজ মোবাইল সংস্করণ।
বিজ্ঞপ্তি

Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/884023/%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AD-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8

8
Children / keep children worms free
« on: February 24, 2016, 03:38:59 PM »
২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর ২০১১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্যকৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। আমাদের শিশুরা যা খায় তার এক-তৃতীয়াংশ কৃমি খেয়ে ফেলে। কৃমির আক্রমণে বাংলাদেশে শিশুরা রক্তশূন্যতা, অ্যালার্জিসহ বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়, তাদের বেড়ে ওঠা ও সুস্বাস্থ্য ব্যাহত হয়। নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির অভাব, অপরিচ্ছন্নতা, খাওয়ার আগে হাত না পরিষ্কার করা ও খালি পায়ে হাঁটা কৃমির প্রকোপের মূল কারণ। কৃমি থেকে শিশুদের মুক্ত করতে চাইলে—
 শিশুদের খাওয়ার আগে ভালো করে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
 স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার করুন।
 পায়খানা ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে হাত ধুয়েফেলুন ও শিশুদেরও তা করতে শেখান।
 কাঁচা ফলমূল, সালাদ বিশুদ্ধ পানিতে ধুয়ে খান।
 নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান নিশ্চিত করুন।
 জুতা ব্যবহার করুন।
এর পাশাপাশি প্রতি ছয় মাস পর পর দুই থেকে ১২ বছর বয়সী সব শিশুকে কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে। পরিবারের সব সদস্যকেই কৃমিনাশক ওষুধ সেবন করা উচিত।
সরকারের কৃমি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের আওতায় ২৫-৩১ অক্টোবর সবপ্রাথমিক বিদ্যালয়ে (মাদ্রাসা, মক্তবসহ) পাঁচ থেকে ১২ বছর বয়সীছাত্রছাত্রীদের একসঙ্গে কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানো হবে। আপনার শিশুটিকেও এই কার্যক্রমের আওতায় এনে তাকে কৃমিমুক্ত রাখুন ও শিশুর নীরোগ সুন্দর জীবন নিশ্চিত করুন।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, অক্টোবর ২৬, ২০১১

9
Pain / Reduce wrist pain
« on: April 07, 2015, 11:59:37 AM »
আজকাল অনেকেই কব্জিতে ব্যথা নিয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন। বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনীতে ব্যথা বেশি অনুভূত হয়। কখনও কখনও বৃদ্ধাঙ্গুলের পাশ দিয়ে উপরের দিকে ব্যথা হয়। রাতে হাত অবশ হয়ে আসে। অস্থিরতায় ঘুম ভেঙে যায়।
কব্জি বা বৃদ্ধাঙ্গুলির ব্যথা অনেক কারণে হতে পারে, ডিকোয়ারভ্যান টেনো-সাইনোভাইটিস এর মধ্যে অন্যতম। আমাদের কব্জি থেকে বৃদ্ধাঙ্গুলির দিকে যে টেনডন থাকে এই টেনডনে যখন প্রদাহ হয় তখন একে ডিকোয়ারভান টেনো-সাইনোভাইটিস বলে। সাধারণত মধ্যবয়স্ক মহিলারা এই সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হয়।
এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন-
* আঘাতজনিত কারণ
* হাত দিয়ে ভারি কিছু উঠানো
* রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস
* একটানা লেখালেখি করা,
* দা, কোদাল বা কুড়াল দিয়ে কাটাকাটি করা,
* ড্রিল মেশিন ব্যবহার করা ইত্যাদি।
লক্ষণ
* আক্রান্ত রোগী হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল নাড়াতে পারেন না
* কাপড়-চোপড় চিপতে ব্যথা পান
* হাত দিয়ে ভারি কিছু উঠাতে পারেন না
* বুড়ো আঙ্গুলের গোড়ায় মাংসপেশি অনেক সময় শুকিয়ে যায়
* আঙুল বেশ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং কাজ করলে ব্যথা বাড়ে
* ব্যথা অনেক সময় কব্জি থেকে উপরের দিকে উঠতে থাকে।
রোগ নির্ণয়
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ক্লিনিক্যালি এই রোগটি নির্ণয় করতে পারেন তবুও কিছু কিছু ক্ষেত্রে কব্জির এক্স-রে ও রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন পড়ে।
চিকিৎসা
ওষুধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা জরুরি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইনজেকশন দেয়ারও প্রয়োজন পড়ে।
সতর্কতা
এ সময় পর্যাপ্ত বিশ্রাম গ্রহণ করতে হবে। হাতের কব্জির ওপর চাপ পড়ে এমন কাজ পরিহার করতে হবে, পাশাপাশি কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়, যেমন-
* হাত দিয়ে ভারি কিছু উঠাবেন না
* কাপড়-চোপড় চিপবেন না
* টিউবওয়েল চাপবেন না
* একটানা বেশিক্ষণ লেখালেখি করবেন না
* দা, কোদাল বা কুড়াল দিয়ে কাটাকাটি করবেন না
* ড্রিল মেশিন ব্যবহার করবেন না
* কাজ করার সময় রিস্ট-ব্যান্ড ব্যবহার করবেন।
ডা. এম. ইয়াছিন আলী
বাত, ব্যথা, প্যারালাইসিস ও ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ
চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালটেন্ট
ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল, ধানমণ্ডি, ঢাকা -

See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2015/04/04/244701#sthash.CexAIvb6.dpuf

10
General Knowledge / 14 ways to get rid of thunderstorms
« on: April 07, 2015, 10:33:41 AM »
এ মৌসুমে দেশে বজ্রপাতের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। আর বজ্রপাতের কারণে এ সময় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ লেখায় দেওয়া হলো কয়েকটি উপায়, যা বজ্রপাত থেকে বাঁচতে সহায়ক হবে। এক নিবন্ধে বিষয়টি জানিয়েছে উইকিহাউ।
১. দালান বা পাকা ভবনের নিচে আশ্রয় নিন
ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু স্থানে থাকা যাবে না। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো একটি পাকা দালানের নিচে আশ্রয় নিতে পারলে।
২. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুৎ লাইন থেকে দূরে থাকুন
কোথাও বজ্রপাত হলে উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এসব স্থানে আশ্রয় নেবেন না। খোলা স্থানে বিচ্ছিন্ন একটি যাত্রী ছাউনি, তালগাছ বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।
৩. জানালা থেকে দূরে থাকুন
বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতর থাকুন।
৪. ধাতব বস্তু স্পর্শ করবেন না
বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলো স্পর্শ করেও বহু মানুষ আহত হয়।
৫. বিদ্যুৎচালিত যন্ত্র থেকে সাবধান
বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও ধরবেন না। বজ্রপাতের আভাষ পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ  বিচ্ছিন্ন করুন। অব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্লাগ আগেই খুলে রাখুন।
৬. গাড়ির ভেতর থাকলে...
বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতরে থাকলে সম্ভব হলে গাড়িটি নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন। গাড়ির ভেতরের ধাতব বস্তু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। গাড়ির কাচেও হাত দেবেন না।
৭. খোলা ও উঁচু জায়গা থেকে সাবধান
এমন কোনো স্থানে যাবেন না, যে স্থানে আপনিই উঁচু। বজ্রপাতের সময় ধানক্ষেত বা বড় মাঠে থাকলে তাড়াতাড়ি নিচু হয়ে যান। বাড়ির ছাদ কিংবা উঁচু কোনো স্থানে থাকলে দ্রুত সেখান থেকে নেমে যান।
৮. পানি থেকে সরুন
বজ্রপাতের সময় আপনি যদি ছোট কোনো পুকুরে সাঁতার কাটেন বা জলাবদ্ধ স্থানে থাকেন তাহলে সেখান থেকে সরে পড়ুন। পানি খুব ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী।
৯. পরস্পর দূরে থাকুন
কয়েকজন মিলে খোলা কোনো স্থানে থাকাকালীন যদি বজ্রপাত শুরু হয় তাহলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে সরে যান। কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।
১০. নিচু হয়ে বসুন
যদি বজ্রপাত হওয়ার উপক্রম হয় তাহলে কানে আঙুল দিয়ে নিচু হয়ে বসুন। চোখ বন্ধ রাখুন। কিন্তু মাটিয়ে শুয়ে পড়বেন না। মাটিতে শুয়ে পড়লে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।
১১. বজ্রপাতের আগ মুহূর্তের লক্ষণ জানুন
আপনার উপরে বা আশপাশে বজ্রপাত হওয়ার আগের মুহূর্তে কয়েকটি লক্ষণে তা বোঝা যেতে পারে। যেমন বিদ্যুতের প্রভাবে আপনার চুল খাড়া হয়ে যাবে, ত্বক শিরশির করবে বা বিদ্যুৎ অনুভূত হবে। এ সময় আশপাশের ধাতব পদার্থ কাঁপতে পারে। অনেকেই এ পরিস্থিতিতে ‘ক্রি ক্রি’ শব্দ পাওয়ার কথা জানান। আপনি যদি এমন পরিস্থিতি অনুভব করতে পারেন তাহলে দ্রুত বজ্রপাত হওয়ার প্রস্তুতি নিন।
১২. রবারের বুট পরুন
বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। এ সময় বিদ্যুৎ অপরিবাহী রাবারের জুতা সবচেয়ে নিরাপদ।
১৩. বাড়ি সুরক্ষিত করুন
আপনার বাড়িকে বজ্রপাত থেকে নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। এজন্য আর্থিং সংযুক্ত রড বাড়িতে স্থাপন করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিতে হবে। ভুলভাবে স্থাপিত রড বজ্রপাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে।
১৪. বজ্রপাতে আহত হলে
বজ্রপাতের সময় আশপাশের মানুষের খবর রাখুন। কেউ আহত হলে বৈদ্যুতিক শকে আহতদের মতো করেই চিকিৎসা করতে হবে। প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসককে ডাকতে হবে বা হাসপাতালে নিতে হবে। একই সঙ্গে এ সময় বজ্রাহত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃৎস্পন্দন ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এ বিষয়ে প্রাথমিক চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ নিয়ে রাখুন।

- See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2015/04/06/207399#sthash.2HaJkZco.dpuf

11
Health Tips / The meal will eliminate mouth odor
« on: April 06, 2015, 12:28:24 PM »
মুখের দুর্গন্ধ অনেক বিব্রতকর একটি সমস্যা। অনেকেই এই সমস্যায় পড়ে থাকেন। মুখে দুর্গন্ধ হলেই যে তিনি দাঁত ব্রাশ করেন না, তা কিন্তু নয়। অনেককেই নিয়মিত দাঁত ব্রাশ ও ফ্লস করার পরও মুখের দুর্গন্ধের সমস্যায় ভুগতে হয়। কারণ মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ ব্যাকটেরিয়া।

দাঁত ব্রাশ ও ফ্লস করার পরও যদি মুখে ব্যাকটেরিয়া রয়ে যায় বা নতুন করে ব্যাকটেরিয়া জন্মায় তাহলেই মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। কিন্তু মুখের দুর্গন্ধের এই বিরক্তিকর সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন কিছু খাবারের মাধ্যমে। জেনে নিন মুখের দুর্গন্ধ দূরকারী কিছু খাবার।

* চিজ ও দই : চিজ এবং দই মুখের ভেতরের খাবারের কারণে উৎপন্ন হওয়া অ্যাসিড দূর করতে সহায়তা করে, তাই খাবার পর ১ টুকরো চিজ বা এক বাটি দই খেয়ে নিলে মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন সহজেই।

* কাঁচা ফল ও সবজি : কাঁচা ফল ও সবজি যেমন আপেল, গাজর ইত্যাদি মুখের ভেতরের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। এ ছাড়াও কাঁচা ফল ও সবজি দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাদ্যকণা দূর করে দাঁত পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে। এতে করে মুখের দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

* পানি : মুখের ভেতরটা যখন শুকিয়ে যায় তখন ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হতে থাকে, যা মুখের দুর্গন্ধ হওয়ার জন্য দায়ী। সে কারণে মুখের ভেতরটা হাইড্রেট রাখা অনেক বেশি জরুরি। আর তাই পানি খাওয়ার বিকল্প নেই। ঘন ঘন পানি খান। এতে করে স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে এবং মুখ দুর্গন্ধ হওয়া থেকে মুক্তি পাবেন।

* চিনি ছাড়া ক্যান্ডি ও চুইংগাম : যে কোনো ধরনের খাদ্য যা মুখের ভেতরে সালিভার প্রবাহ ঘটায় তা মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সহায়ক। চিনি ছাড়া ক্যান্ডি ও চুইংগাম খেলে মুখের ভেতরের সালিভার প্রবাহ বাড়ে। এতে করে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না। ফলে মুখ দুর্গন্ধ হয় না।

* লবন : লবনের রয়েছে মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার ক্ষমতা। তাই যখন মনে হবে মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা হচ্ছে, তখনই সামান্য লবন গরম পানি দিয়ে কুলকুচো করে নিন। মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে নিমেষেই।
- See more at: http://www.bhorerkagoj.net/online/2015/04/02/62913.php

12
IT Forum / Quick ways to charge the smartphone
« on: April 06, 2015, 12:21:02 PM »
দৈনন্দিন জীবনে স্মার্টফোন খুব দরকারি একটি গ্যাজেট। আর প্রায়শই হঠাৎ এর চার্জ শেষ হয়ে যায় এবং দ্রুত চার্জ করার দরকার পড়ে। দ্রুত চার্জ করার সহজ কিছু টিপস এখানে দেয়া হল-
সংক্ষিত সময়ে মোবাইলে দ্রুত চার্জ দেয়ার জন্য চার্জারের সঙ্গে আপনার মোবাইল ফোনটিকে যুক্ত করার আগে কোনো অ্যাপস চালু থাকলে তা বন্ধ করে দিন।
আপনার মোবাইল ফোনটিকে এয়ার প্লেন মোডে নিয়ে যান।
ফোনের পাওয়ার বন্ধ করে দিয়ে চার্জ দিলেও একই রকম সুবিধা পেতে পারেন।
দ্রুত চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কতখানি চার্জ হচ্ছে তা বারবার না দেখা। ব্যাকলিট ও ডিসপ্লে যথেষ্ট পরিমাণ চার্জ নেয়। তাই বারবার কতখানি চার্জ হচ্ছে তা দেখতে গেলে ডিসপ্লেতে চার্জ নষ্ট হবে।

- See more at: http://www.bhorerkagoj.net/online/2015/04/04/63533.php

13
IT Forum / Increase your pendrive speed
« on: April 02, 2015, 10:16:07 AM »
পেনড্রাইভ বা ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ব্যবহার করে নিমেষেই এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য স্থানান্তর করা যায়। বেশি ব্যবহারে পেনড্রাইভের গতি কমতে থাকে।

যে কারণে গতি কমে
 পেনড্রাইভ যত ব্যবহার করা হবে আর পুরোনো হবে, এর গতি তত কমতে থাকে।
 কোন ধরনের ফাইল পাঠানো হচ্ছে সেটার বিবেচনায় গতি কমে। আবার গান, ভিডিও বা ডকুমেন্টস ফাইল দ্রুত যায়। কিন্তু এক ফোল্ডারে ছোট ছোট অনেক ফাইল থাকলে বা অ্যাপ্লিকেশন ফাইল ধীরে যায়।
 আবার কম্পিউটারের ইউএসবি পোর্ট ও পেনড্রাইভের সংস্করণের ওপর নির্ভর করে এর গতি।

যেভাবে গতি বাড়বে
ফাইল সিস্টেম পরিবর্তন: উইন্ডোজ এক্সপির পরবর্তী সব অপারেটিং সিস্টেমে ফাইল স্থানান্তরের জন্য NTFS ফাইল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। আপনার ব্যবহৃত পেনড্রাইভের ফাইল সিস্টেম যদি আগের এফএটি ঘরানার হয়ে থাকে, তাহলে তথ্য স্থানান্তরে সেটি ধীরগতির হবে।
গতি বাড়াতে ইউএসবি পোর্টে পেনড্রাইভে লাগিয়ে নিন। এবার পেনড্রাইভে রাইট ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File system থেকে NTFS নির্বাচন করুন। Format option-এর Quick Format-এ থাকা টিক চিহ্ন তুলে দিন। Start-এ ক্লিক করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এভাবে পেনড্রাইভ ফরম্যাট করতে সময় বেশি নিতে পারে।
ডিস্কে সমস্যা: কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের মতো পেনড্রাইভের ডিস্কে সমস্যা থাকলে তথ্য স্থানান্তরে ঝামেলা হতে পারে। যদি ডিস্কের সমস্যাকে স্ক্যান করে নেওয়া যায়, তবে তথ্য স্থানান্তর দ্রুত হবে। এ জন্য পেনড্রাইভে ডান ক্লিক করে Properties থেকে Tools ট্যাবে ক্লিক করুন। Check now বোতামে ক্লিক করুন। Automatically fix file system errors এবং Scan for and attempt recovery of bad sectors তে টিক চিহ্ন দিয়ে Start চাপুন। এই কাজটি সম্পন্ন হতেও সময় বেশি নেবে।
ফরম্যাট: পেনড্রাইভের তথ্য স্থানান্তর দ্রুত করার জন্য অনেক ব্যবহারকারীই প্রতিবার ব্যবহারের আগে ফরম্যাট করে নেন। এটি বেশ কাজের। তবে অনেক প্রযুক্তিবিদের মতে ঘন ঘন ফরম্যাট করলে পেনড্রাইভ তার কর্মক্ষমতা হারাতে পারে।

Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/492100/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A8

14
আমরা সবাই যদি এই ছোট্ট সাধারণ শনাক্তকরণ উপায়টা শিখে ফেলি, তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো।

একটি সত্যি গল্প দিয়ে শুরু করা যাক-

একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হিল বেধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন অ্যাম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না। সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিষ্কার করে তিনি প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিল, তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টার সময় তিনি মারা গেলেন।

মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো, তিনি অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক শনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন। স্ট্রোক করে সবাই যে মৃত্যুবরণ করেন, তা নয়। অনেকেরই ঠাঁই হয় বিছানায়; সাহায্যহীন, ভরসাহীন- মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটা মিনিট সময় নিয়ে কষ্ট করে এই লেখাটি একটু পড়ে ফেলুন।

একজন মস্তিষ্কবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে নেওয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মেডিক্যাল কেয়ারে নেওয়া যায়।

স্ট্রোককে চিনুন...সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R...পড়ুন এবং জানুন

মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ শনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর মস্তিষ্কে যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।


সহজ উপায়ে স্ট্রোক শনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ

S – Smile রোগীকে হাসতে বলুন।

T – Talk রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।

R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুই হাত ওপরে তুলতে বলুন।


এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)

শনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহ্বা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

একজন খ্যাতনামা হৃদবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি আমরা প্রত্যেকে এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে সাহায্য করতে পারবো।

সুতরাং, আপনি শিখলেন, আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান।

Source: http://kalerkantho.com/culture/2013/09/29/7165

15
বিভিন্ন ব্লাড গ্রুপের বৈশিষ্ট্য

”O+” এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা স্বচ্ছ দৃষ্টি সম্পন্ন, গভীর মনোযোগী, উচ্চাকাঙ্খী, স্বাস্থ্যবান, বাকপটু, বাস্তববাদী, রোমান্টিক এবং অত্যান্ত বুদ্ধিমান হয়ে থাকে।

”O-” এই গ্রুপের মানুষেরা সাধারণত অন্যের মতামতকে গ্রাহ্য করে না। সমাজে মর্যাদা বাড়াতে আগ্রহী, বড়লোকের সঙ্গপ্রিয় এবং বড় বেশি বাচাল।

”A+” এই ব্লাডগ্রুপের মানুষেরা গোছগাছ প্রিয়, দক্ষ চাকুরে এবং খুঁতখুঁতে স্বভাবের হয়ে থাকে। এরা আত্নকেন্দ্রিক, সুবিচারক, শান্ত, নিয়মতান্ত্রিক, বিশস্ত, নিয়মানুবর্তী ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন।

”A-” এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা খুব খুঁতখুঁতে স্বভাবের এবং কিছুটা অমনোযোগী। কিন্তু অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে বেশি মনোযোগী। এদের অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার প্রবণতা বেশি। এদের আছে নিজেকে লুকানোর অভ্যাস এবং একঘেয়েমি জীবন।

”B+” এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা স্বাধীনচেতা, মেধাবী, নমনীয়, মনোযোগী, স্বাস্থ্যবান, সরল, দক্ষ, পরিকল্পনাবাদী, বাস্তববাদী, আবেগপ্রবণ এবং খুব বেশি রোমান্টিক হয়ে থাকে।

”B-” এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা অসংযমী, অপরিনামদর্শী, দায়িত্বহীন, অলস, স্বার্থপর, অগোছালো, অবিবেচক এবং স্বার্থান্বেষী হয়ে থাকে।

”AB+” এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা সাধারণত সুবিবেচক, বুদ্ধি সম্পন্ন, হিসেবী, পরিকল্পনাবাদী, সৎ কৌশলী সংবেদনশীল, নিরেট এবং খুব চমৎকার সাংগঠনিক হয়ে থাকে।

”AB-” এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা দুর্বোধ্য, ক্ষমতাহীন, অন্যকে আঘাত করার প্রবণতা বেশি, এনার্জি স্বল্পতা, খুববেশি রক্ষনশীল ও বড় বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকেন।

Source: http://www.newsevent24.com/2013/09/19/%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A1-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87/

Pages: [1] 2