Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - najim

Pages: [1] 2 3 ... 7
1


এসি দুর্ঘটনা এড়াতে যেসব তথ্য জেনে রাখা প্রয়োজন


এসি দুর্ঘটনা এড়াতে যেসব তথ্য জেনে রাখা প্রয়োজন
৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
শেয়ার করুন ফেসবুক শেয়ার করুন Messenger শেয়ার করুন টুইটার শেয়ার করুন ইমেইল শেয়ার করুন
ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image caption
গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে এসি বিক্রির সংখ্যা অনেক বেড়েছে
শীত শেষে গরম শুরুর সময় এসি চালু করার আগে আগে টেকনিশিয়ান ডেকে এসে মেরামতের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা ইলোরা চৌধুরী। সেটাই তাদের বড় একটি দুর্ঘটনা থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে।

''টেকনিশিয়ান চালু করেই দেখেন, ঘড়ঘড় শব্দ হচ্ছে। তিনি সেটা খুলে মেরামতের পর দেখতে পান, যন্ত্রটি জ্যাম হয়ে আছে। তিনি আমাদের জানালেন, এভাবে খানিকক্ষণ চললেই এসিটি বিস্ফোরিত হতে পারতো।'' বলছেন মিসেস চৌধুরী।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে এয়ার কন্ডিশনার বা এসির ব্যবহার বাড়ছে, তেমনি প্রায়ই এসি বিস্ফোরণের ঘটনার কথাও শোনা যাচ্ছে।

দমকল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা ও গাজীপুর মিলিয়ে ২০১৯ সালেই অন্তত পাঁচটি এসি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। যার মধ্যে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন অন্তত ২২জন।

কেন ঘটছে এসি দুর্ঘটনা?
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক অলোক কুমার মজুমদার বিবিসি বাংলাকে বলছেন, এসি দুর্ঘটনার পেছনে তিন চারটি কারণ রয়েছে।

''অনেকে রুমের লোড অনুপাতে এসি ব্যবহার করেন না। ফলে এসিটি অনেকক্ষণ ধরে চলতে হয়, সেই সঙ্গে অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। নিম্নমানের এসি কিনলে সেগুলোর ভেতরে ফ্যান, তারের, বিদ্যুতের ব্যবস্থাগুলো ঠিক থাকে না। ফলে সেখানেও কারিগরি ক্রুটি দেখা যায়, যা অনেক সময় আগুনের সূত্রপাত করতে পারে।''

তিনি বলছেন, ''এসি দুর্ঘটনার আরেকটি বড় কারণ রক্ষণাবেক্ষণের অভাব। ফলে কারিগরি ক্রুটির কারণে এসিতে আগুন ধরে যেতে পারে বা এসির গ্যাসে আগুন লেগে সেটি ঘরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।''

অনেক সময় উইন্ডো এসির সামনে জানালা বা দরজার পর্দা চলে এলে বাতাস চলাচলে বাধাগ্রস্ত হয়। সেটিও এসিকে গরম করে তুলতে পারে বলে তিনি জানান।

আরো পড়ুন:
ভারতে সরকার কেন এসি-র তাপমাত্রাও বেঁধে দিচ্ছে

তীব্র গরমের মধ্যে ঢাকার এসি-র বাজার খালি

আপনার বিদ্যুৎ বিল কি খুব বেশি? কমানোর ৭টি উপায়

বিদ্যুৎ থেকে বাসা বাড়িতে আগুন লাগছে কেন?

ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image caption
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসি কেনার সময় ভালো করে যাচাইবাছাই করে দেখা উচিত
নিম্নমানের গ্যাস আর প্রতিযোগিতার বাজার
ঢাকার গুলশানে একটি এসি সরবরাহ এবং সার্ভিসিংয়ের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন দুলাল দাস। তিনি বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, ''বর্তমানের এসিগুলোয় যে গ্যাস ব্যবহার করা হয়, সেই গ্যাসে সহজে আগুন ধরে যায়। ফলে কোন কারণে সেটি লিক হয়ে জমে থাকলে, সেখানে বৈদ্যুতিক কারণে আগুনের স্ফুলিঙ্গ তৈরি হলে বা ম্যাচের কাঠি জ্বালানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে।''

তিনি জানান, দশবছর আগের তুলনায় বর্তমানে বাংলাদেশে এসির ব্যবহারের প্রবণতা অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমের কারণে এই বছরে অনেক বেশি এসি বিক্রি হয়েছে।

'' প্রতিযোগিতার বাজারের কারণে অনেকে চীন থেকে অত্যন্ত কম মূল্যে কিন্তু নিম্নমানের জিনিস দিয়ে তৈরি এসি এনে বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি করছে। এমনকি অনেকে এসব এসির গায়ে নামী ব্রান্ডের স্টিকার লাগিয়ে বিক্রি করছে। এসব এসির গুণগত মান খারাপ হওয়ায় সহজেই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারে"।

দুলাল দাস বলছেন, দামী এই যন্ত্রটি কেনার আগে বিশেষ সতর্ক হওয়া উচিত, যাতে নকল কিনে ঠকতে না হয়। এজন্য ব্র্যান্ডগুলোর নিজস্ব শোরুম থেকে কেনাই ভালো বলে তিনি পরামর্শ দেন।

এসি দুর্ঘটনার যেসব সম্ভাব্য কারণ জানা যাচ্ছে:
অনেক পুরনো বা নিম্নমানের এসির ব্যবহার
রুমের আকার অনুযায়ী সঠিক ক্ষমতার এসি ব্যবহার না করা
কম্প্রেসরের ভেতরে ময়লা আটকে জ্যাম তৈরি হওয়া
এসি থেকে গ্যাস লিক হওয়া এবং সেটি রুমে বা এসির ভেতরে জমে থাকা
দীর্ঘক্ষণ টানা এসি চালানো, যার ফলে এসির প্রেশার বেড়ে যায় এবং সেটিকে গরম করে তোলে
এসির ভেতরের বা বাইরের বৈদ্যুতিক তার নড়বড়ে হয়ে থাকা, যা শর্টসার্কিটের তৈরি করতে পারে
বৈদ্যুতিক হাই ভোল্টেজের কারণে ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ওপর চাপ তৈরি হওয়া
অনেকদিন এসির সার্ভিসিং না করানো
বজ্রপাত বা বৃষ্টির সময়ে এসি চালানো ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ ভালো আর্থিং ব্যবস্থা না থাকলে এটিও এসির দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।

ছবির কপিরাইটEPA
Image caption
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসি স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি, যা বাংলাদেশে ততটা গুরুত্ব দেয়া হয় না।
যেভাবে দুর্ঘটনা এড়ানো যেতে পারে:
বুয়েটের অধ্যাপক অলোক কুমার মজুমদার বলছেন, অন্য যেকোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রের মতো এসিরও বিশেষ যত্ন নেয়ার দরকার আছে। তাহলে একদিকে যন্ত্রটি যেমন ভালো থাকবে, তেমনি দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে।

'' ''আমাদের দেশে এসির রক্ষণাবেক্ষণে খুব অবহেলা করা হয়। কিন্তু মনে রাখা দরকার, এই যন্ত্রটি কিন্তু বাসার অন্যসব যন্ত্রের মতো নয়। এটির জন্য রক্ষণাবেক্ষণ খুবই জরুরি। প্রতিমাসে ফিল্টার পরিষ্কার রাখা, বছরে একবার অন্তত পুরো যন্ত্রটির সার্ভিসিং করানো, আউটডোর ইউনিট পরিষ্কার রাখতে হবে।'

এসি সার্ভিসিং এক্সপার্ট দুলাল দাস বলছেন, ''বছরে অন্তত একবার পেশাদার টেকনিশিয়ানের সাহায্যে এসির সার্ভিসিং করানো উচিত। বিশেষ করে শীতের সময় দীর্ঘ কয়েকমাস বন্ধ থাকার পরে গরমের আগে আবার চালু করার আগে অবশ্যই সার্ভিসিং করে নেয়া উচিত।''

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসি দুর্ঘটনা এড়াতে কয়েকটি বিষয়ের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া উচিত।

পেশাদারদের মাধ্যমে নিয়মিত সার্ভিসিং করানো
রুমের আকার অনুযায়ী সঠিক মাত্রার এসি নির্ধারণ
নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডের এসি কেনা
দীর্ঘসময় একটানা এসি না চালিয়ে মাঝে মাঝে বিরতি দেয়া
বৈদ্যুতিক সংযোগ, সকেট, ফিল্টার নিয়মিতভাবে পরীক্ষা করা।
হাই ভোল্টেজ এড়াতে বাড়িতে সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা।
বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় এসির ব্যবহার বন্ধ রাখা। এছাড়া বাড়ির ছাড়ে বজ্র নিরোধক ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে।
এসি এক্সপার্ট দুলাল দাস বলছেন, একনাগাড়ে আট ঘণ্টার বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। এছাড়া আউটডোর মেশিন এমন স্থানে বসাতে হবে, যেন পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে।

https://www.bbc.com/bengali/news-49636126?ocid=socialflow_facebook&fbclid=IwAR3e-Is8ec4WpY8jG0Rt5IKQI-xgy7faShUM5aW8ula47jlW0XjouEq_xKE

2



ভাত খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন


ভাত খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
শামছুন্নাহার নাহিদ
২৯ আগস্ট ২০১৯, ০৮:২৫
আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০১৯, ০৮:২৫
 

সব ধরনের তরকারি দিয়ে পরিমিত ভাত খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। ছবি: প্রথম আলো
সব ধরনের তরকারি দিয়ে পরিমিত ভাত খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। ছবি: প্রথম আলো
ইদানীং দেখা যাচ্ছে, অনেকে ওজন কমানোর জন্য খাদ্যতালিকা থেকে ভাত, দুধ, ডিম ইত্যাদি খাবার বাদ দিয়ে দিচ্ছেন। বিশেষ করে টিন এজ বা অল্প বয়সী ছেলেমেয়েরা। ভাতের পরিবর্তে তারা জাংক বা ফাস্ট ফুডের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে, যা ভাতের তুলনায় আরও বেশি ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার।

ক্যালরির হিসেবে যদি আমরা দেখি তাহলে দেখা যাবে, ১ কাপ ভাত থেকে ১৫০ ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। অন্যদিকে ১ কাপ পোলাও থেকে ৩০০ এবং ১ কাপ বিরিয়ানি থেকে ৫০০ ক্যালরি পাওয়া যায়। একইভাবে রুটির পরিবর্তে পরোটা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, লুচি-পুরি, শর্মা ইত্যাদি বেশি ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার।

আমাদের মনে রাখতে হবে, ওজন বাড়ার পেছনে মূলত পরিমাণে বেশি খাবার খাওয়া, বেশি ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এবং ক্যালরি খরচ না করা অর্থাৎ শারীরিক পরিশ্রম না করা দায়ী। প্রতিদিন যদি কেউ ১০০ ক্যালরি বেশি খাবার খায়, তাহলে তাকে ২০-২৫ মিনিট দ্রুত হাঁটতে হবে। এতে শরীরে ক্যালরি জমার ঝুঁকি কম থাকবে। নইলে বছর শেষে ৪-৫ কেজি ওজন বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।


অনেকেই বলতে পারেন, স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভাত বাদ দিলে ক্ষতি কী? ক্ষতি আছে। নিয়ম হলো, শরীরের শক্তি চাহিদার অর্ধেক আসতে হবে শর্করাজাতীয় খাবার থেকে। আর আমাদের দেশসহ বিশ্বের অনেক দেশের স্বাভাবিক বা সহজ শর্করার উৎস ভাত। শর্করা না খেয়ে আপনি প্রোটিন বা অন্যান্য যে খাবারই খান না কেন, তা সঠিকভাবে শরীরে কাজ করবে না। যদি স্নেহজাতীয় বা সোজা কথায় তেলজাতীয় খাবার খান, তাহলে লিভার, রক্ত ও শরীরে চর্বির পরিমাণ বাড়তে থাকবে। শর্করা জাতীয় খাবার না খেলে আপনার শরীরের ওজন সাময়িকভাবে কিছু কমবে ঠিকই, কিন্তু পাশাপাশি শারীরিক দুর্বলতা, কাজের ক্ষমতা কমে যাওয়া, আলস্য ও ঘুম ঘুম ভাব বাড়তে থাকবে, যা দীর্ঘ মেয়াদে আপনার শরীরের জন্য খারাপ ফল বয়ে আনবে। সে কারণে ওজন কমানোর জন্য ভাত খাওয়া বাদ দেওয়াটা কোনো ফল বয়ে আনবে না।

পরিমাণমতো পারিবারিক খাবার খেয়েও আপনি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন বা কমাতেও পারেন। সকালে রুটি বা মুড়ি, সঙ্গে ডিম, সবজি ইত্যাদি খান। দুপুরে ভাত, সঙ্গে শাকসবজি, মাছ, ডাল বা এ রকম স্বাভাবিক খাবার খান। রাতে রুটি বা ভাত খান পরিমাণমতো। সঙ্গে যেকোনো শাকসবজি, মাছ, ডাল, লেবু, সালাদ ইত্যাদি খান। বয়স, পরিশ্রম করার ধরন এবং শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করবে খাবারের পরিমাণ। তবে সারা দিনের খাবারকে তিন বেলায় না খেয়ে একই খাবার আপনি ৬ ভাগে ভাগ করে খেতে পারেন। বেশি খেয়ে ফেললে শারীরিক পরিশ্রম করুন।

বাংলাদেশের প্রধান খাবার ভাত। ‘ডাল-ভাত’ খাওয়া বাঙালির অভ্যাস। ডাল-ভাতের সঙ্গে বিভিন্ন সবজি, মাছ খাচ্ছি আমরা শত শত বছর ধরে। এটি আমাদের সঙ্গে মানিয়ে গেছে সুন্দরভাবে। কাজেই পারিবারিক এসব খাবার নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। শুধু পরিশ্রমের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। আর পরিমিত খাবার খান।

লেখক: প্রধান পুষ্টিবিদ ও বিভাগীয় প্রধান, পুষ্টি বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল।


https://www.prothomalo.com/life-style/article/1611604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%93%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8?utm_source=pushengage&utm_medium=pushnotification&utm_campaign=pushengage




3



নতুন মেসেজিং অ্যাপ আনছে ফেসবুক



নতুন মেসেজিং অ্যাপ আনছে ফেসবুক
মানুষ এখন যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা রকম মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করছে। ফেসবুকের মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপের মতো অ্যাপ্লিকেশনগুলো এখন দারুণ জনপ্রিয়। এরপরও আরেকটি পৃথক বার্তা আদান–প্রদান করার সেবা তৈরিতে হাত দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। নতুন এই অ্যাপ্লিকেশনের নাম হতে পারে ‘থ্রেডস’। যাঁরা বন্ধুদের সঙ্গে বেশি তথ্য শেয়ার করতে চান, অ্যাপ্লিকেশনটি মূলত তাঁদের লক্ষ্য করেই তৈরি। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

দ্য ভার্জের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যাপটি ইনস্টাগ্রামের সঙ্গী হিসেবে চালু করতে চাইছে ফেসবুক। অ্যাপটিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবস্থান, গতি, ব্যাটারির চার্জ প্রভৃতি তথ্য শেয়ার হয়ে যাবে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগের অন্যান্য কনটেন্ট, যেমন: ছবি ও টেক্সট শেয়ার করা যাবে। অ্যাপটি শুধু ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মাঝে ব্যবহারের জন্যই চালু করছে। এখন অ্যাপটি পরীক্ষামূলক অবস্থায় রয়েছে।


অ্যাপটি কবে নাগাদ চালু হবে, এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

চলতি বছরের শুরুর দিকে ডাইরেক্ট নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছিল ফেসবুক। এ অ্যাপটি মূলত স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপের আদলে তৈরি ছিল। অ্যাপটি ২০১৭ সালে চিলি, ইসরায়েল, ইতালি, পর্তুগাল, তুরস্ক ও উরুগুয়েতে পরীক্ষা চালানো হয়েছে। তবে বৈশ্বিক পর্যায়ে তা চালু করার আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়।

গত জানুয়ারি মাসে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইনস্টাগ্রাম সেবা একীভূত করার পরিকল্পনার কথা জানায় ফেসবুক। এতে অ্যাপ পরিবর্তন না করেও ব্যবহারকারী এসব সেবাতে বার্তা পাঠাতে পারবেন। অ্যাপগুলো আলাদা থাকলেও একটি মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।



https://www.prothomalo.com/technology/article/1611297/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%82-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95

6



মার্কিন মুলুকের বাসসেবায় বাংলা
কবীর হোসাইন
২৫ মে ২০১৯, ১২:৫৩
আপডেট: ২৫ মে ২০১৯, ১২:৫৫
প্রিন্ট সংস্করণ

https://www.prothomalo.com/we-are/article/1595835/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE


  ১

বাংলা সংযোজিত একটি স্মার্ট কিওস্কের সামনে শফিউল আজম। ছবি: সংগৃহীত
বাংলা সংযোজিত একটি স্মার্ট কিওস্কের সামনে শফিউল আজম। ছবি: সংগৃহীত
‘২০১৮ সালের জুলাই মাসের কথা। আটলান্টায় গিয়েছিলাম ফোবানার (দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা) একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। স্ট্রিট কারের টিকিট কাটব বলে আটলান্টার সেন্টেনিয়াল অলিম্পিক পার্ক স্টেশনে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। ছুটির দিন থাকায় ভিড়ও ছিল অনেক। এমন সময় দেখলাম, আমার সামনে দু–তিনটি বাঙালি পরিবার বারবার চেষ্টা করেও টিকিট কাটতে ব্যর্থ হয়ে অসহায়ভাবে ফিরে যাচ্ছে। আমি তাদের ডেকে নিয়ে সবাইকে টিকিট কেটে দিলাম। তখন থেকেই ব্যাপারটি ঘুরপাক খাচ্ছিল মাথার ভেতর।’ সুদূর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস সিটিতে বসে মুঠোফোনে কথাগুলো বলছিলেন বাংলাদেশি তরুণ শফিউল আজম।

বাঙালি পরিবারের যে বিব্রতকর অভিজ্ঞতার কথা শোনাচ্ছিলেন শফিউল আজম, তাতে বোঝা যাচ্ছিল, অনেক বাঙালিকেই হয়তো এমন জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। বিশেষত যাঁরা নতুন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন কিংবা নিতান্তই দর্শনার্থী, ইংরেজি ভাষায় ঠিক ততটা অভ্যস্ত নন, তাঁরা রীতিমতো অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে পড়ে যান। বাসের টিকিট কাটা, গন্তব্য নির্বাচন প্রভৃতি দৈনন্দিন চলাচলেই বেশি ঝামেলায় পড়তে হয়।


বাংলাভাষীদের জন্য ভাষাগত এই জটিলতাটি কীভাবে দূর করা যায়, তার একটি সুষ্ঠু সমাধান বের করেন তিনি। সমাধান আর কিছুই নয়, শহরের বিভিন্ন স্থানে বসানো ডিজিটাল পর্দা বা ‘ইন্টারেকটিভ স্মার্ট কিওস্ক’–এ অন্যান্য ভাষার পাশাপাশি বাংলা ভাষাকেও যুক্ত করে দেওয়া।

কিন্তু কীভাবে করবেন? কর্তৃপক্ষকে গুরুত্বটি বোঝাবেন কী বলে? না, এত কিছু ভাবতে হয়নি শফিউল আজমকে। মাতৃভূমির মানুষদের প্রতি তীব্র মমতা এবং মাতৃভাষার প্রতি সহজাত দায়বদ্ধতাটি যখন টের পেয়েছেন নিজের ভেতর, তখন কাজটি কঠিন হওয়ার কথা নয়। তা ছাড়া ক্যানসাস সিটির বাস র​্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচজন প্রকল্প ব্যবস্থাপকের তিনিও যে একজন। নিজের দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠা দিয়ে কর্তৃপক্ষের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পেরেছেন এত দিনে। সুতরাং ব্যাপারটি তাদের বোঝাতে পারবেন বলেই বিশ্বাস ছিল তাঁর।

হ্যাঁ, বোঝাতে পেরেছেন শফিউল আজম। ক্যানসাস সিটিতে প্রায় ছয় হাজার বাঙালির বসবাস। স্মার্ট কিওস্কগুলোতে বাংলা ভাষা যুক্ত হলে এর পূর্ণ সেবা পাবেন তাঁরা। আর ‘বাস র​্যাপিড ট্রানজিট’ (বিআরটি) প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যই তো সাধারণ মানুষের যাতায়াতে সার্বিক সেবা নিশ্চিত করা। যুক্তরাষ্ট্রের মিজৌরি অঙ্গরাজ্যের ক্যানসাস সিটির ৪৬টি স্থানে স্থাপিত হচ্ছে এই ইন্টারেকটিভ স্মার্ট কিওস্ক। ইতিমধ্যে ডাউন টাউনের দুটি স্থানে স্থাপিত হয়েছে। স্প্যানিশ, ফরাসি, চীনা, জাপানি, আরবি প্রভৃতির পাশাপাশি প্রথমবারের মতো সগৌরবে বাংলাও শোভা পাচ্ছে কিওস্কের স্বচ্ছ পর্দায়। বাংলাদেশের ময়মনসিংহের সন্তান শফিউল আজমের মাতৃভূমি ও মাতৃভাষার প্রতি মমত্ববোধের ফলেই সম্ভব হয়েছে এটি।

শফিউল আজম বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ২০১৪ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য পাড়ি জমিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যানসাসে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যাতায়াতব্যবস্থার অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কীভাবে সেবাটি মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়া যায়, গবেষণা করেছেন এ বিষয় নিয়ে। ২০১৬ সালে স্নাতকোত্তর অধ্যয়নের সময় কাজের সুযোগ পান ‘ক্যানসাস সিটি এরিয়া ট্রান্সপোর্টেশন অথরিটিতে, যা পরিচিত ‘রাইডকেসি’ নামে। এর কিছুদিন পরেই ‘বাস র​্যাপিড ট্রানজিট’ প্রকল্পে যোগদান করেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে। যে প্রকল্পেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ইন্টারেকটিভ স্মার্ট কিওস্ক।

যেকোনো জায়গায় যাতায়াত, কোনো অনুষ্ঠানস্থল, কনফারেন্স কিংবা বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে তথ্য, সব ধরনের যানবাহনের টিকিট কাটা; প্রভৃতি যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য এখন থেকে বাংলায় লেখা থাকবে কিওস্কে। কারও কোনো ধরনের সহায়তা ছাড়াই একজন বাংলাভাষী স্বাধীনভাবে একাকী এই সেবা ব্যবহার করে ঘুরে বেড়াতে পারবেন শহরের সর্বত্র। ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বের অষ্টম স্থানে আছে বাংলা ভাষা। রীতিমতো রক্ত দিয়ে কেনা এই ভাষা। বাংলাদেশিদের সেই আত্মত্যাগের মহিমা সমগ্র পৃথিবীর মানুষ জানে। অথচ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভাষাটির ব্যবহার ছিল না! শফিউল আজম বিস্ময় প্রকাশ করেন। ক্যানসাস সিটির মাধ্যমে শুরু। অনুরোধ-উপরোধে নয়; শিগগিরই সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রের সব কিওস্কে বাংলা ভাষা যুক্ত হবে স্বমহিমায়, সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

 

7


কার্ল মার্ক্সঃ কতটা সত্যি হয়েছে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী
 05 মে 2018


Image caption কার্ল মার্ক্স 'পুঁজি' বা 'দাস ক্যাপিটাল' এর প্রথম ভল্যুম ১৮৬৭ সালে লেখা শুরু করেন

কার্ল মার্ক্স বেঁচে থাকলে আজ তাঁর বয়স হতো দুশো বছর। উনিশ শতকের এই দার্শনিক সমাজ এবং পুঁজিবাদ সম্পর্কে যে বিখ্যাত ভবিষ্যদ্বাণীগুলো করেছিলেন, সেগুলো কতটা সঠিক প্রমাণিত হয়েছে?

তিনি এবং ফ্রিডরিক এঙ্গেলস মিলে যে কমিউনিস্ট ইশতেহার লিখেছিলেন, সেটিরও বয়স প্রায় ১৭০ বছর।

সমাজ এবং পুঁজিবাদ সম্পর্কে নিজের বিখ্যাত তত্ত্বের জন্য মার্ক্সের খ্যাতি দুনিয়া জোড়া।

কিন্তু তার ভবিষ্যদ্বাণীগুলো কি সব সঠিক প্রমাণিত হয়েছে?

১. 'কাল্পনিক চাহিদা' তত্ত্ব
মার্ক্স বলেছিলেন পুঁজিবাদ এমন সব জিনিস তৈরি করবে, যা মানুষের দরকার নেই, কিন্তু তারপরেও সে বস্তুর চাহিদা তৈরি হবে। একেই তিনি 'কাল্পনিক চাহিদা' বলে নাম দিয়েছিলেন।

যেমন ধরা যাক, ফ্যাশন। চলতি হাওয়ার সাথে তাল মিলিয়ে কাপড়-চোপড় পরতে গিয়ে আমরা এমন সব কাপড়-চোপড় ফেলে দিচ্ছি যেগুলো আসলে এখনো ব্যবহার করা যায়।

অথবা স্মার্টফোনের কথাই ধরা যাক । যে স্মার্টফোনটি আপনার হাতে আছে, তার তুলনায় বাজারে আসা নতুনটির তফাৎ খুব সামান্যই। তারপরও ফোন কোম্পানিগুলো বিরামহীন নতুন মডেল উদ্ভাবন করে বাজারে ছাড়ছে এবং সর্বশেষ মডেলের ফোনটির জন্য রীতিমত প্রতিযোগিতা চলছে ভোক্তাদের মধ্যে।

২. 'উত্থান এবং পতন' তত্ত্ব
পুঁজিবাদের প্রকৃতিই হচ্ছে এটি 'অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি' আর 'মন্দা'র মধ্যে ঘুরপাক খায়। সেই অর্থে ২০০৮ সালে বিশ্ব জুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী মতই হয়েছে।

Image copyright রয়টার্স পুঁজিবাদের পতন সম্পর্কে মার্ক্স আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন
Image caption পুঁজিবাদের পতন সম্পর্কে মার্ক্স আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন
তিনি বলেছিলেন, লাভের জন্য পুঁজিবাদের যে তীব্র ক্ষুধা, সেজন্য বিশ্বে মানুষের যা প্রয়োজন তার চেয়ে উৎপাদন অনেক বেশি হবে।

এবং শ্রমিকের মজুরি এতই কমবে যে তারা নিজেদের উৎপাদন করা পণ্য কিনতে পারবে না।

আর মানুষ পণ্য না কিনলে পুঁজিবাদীরা মুনাফা করবে কিভাবে? যে কারণে পুরো ব্যবস্থা ব্যর্থ হতে শুরু করবে।

৩. 'একাধিপত্য'
সাধারণ অর্থে পুঁজিবাদের বাজারে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করার কথা। যেমন পাড়ার মাংস ও মাছ বিক্রেতার মত ছোট ব্যবসা পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে।

কিন্তু মার্ক্স বলেছেন, কোম্পানিগুলো এত বড় হতে থাকবে যে তারা নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের ক্রমে গ্রাস করে নেবে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তাদের একাধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

মনে করে দেখুন তো, বড় সুপার মার্কেট চেইন রেখে কে কবে পাড়ার ছোট দোকানটিতে ঢুকেছেন?

৪. 'মধ্যবিত্তের সংকোচন'
কার্ল মার্ক্স বলেছেন, পুঁজিবাদের ধরণ অনুযায়ী মুনাফার জন্য বড় ব্যবসায়ীরা কর্মীদের বেতন ও সুবিধাদি কমিয়ে দেয়।

Image copyright এএফপি/গেটি মার্ক্সের জন্ম শহর জার্মানির ট্রিয়ারে এই ভাস্কর্যটি উন্মোচন হবার কথা
Image caption মার্ক্সের জন্ম শহর জার্মানির ট্রিয়ারে এই ভাস্কর্যটি উন্মোচন হবার কথা
এতে মধ্যবিত্ত ক্রমে গরীব হতে থাকে। এর ফলে একটি বড় অংকের নগদ অর্থ অল্প কিছু মানুষের হাতে জমতে থাকে।

আজকের পৃথিবীতে তিন শো সত্তুর কোটি মানুষের যা সম্পদ, তার চেয়ে বেশি সম্পদ আছে মাত্র ৪২ জন ধনী মানুষের হাতে।

চীন, ভারত আর যুক্তরাষ্ট্রের সম্মিলিত জনসংখ্যা তিন শো সত্তুর কোটি।

৫. বিপ্লব?
কার্ল মার্ক্সের সবচেয়ে বড় তত্ত্ব ছিল পুঁজিবাদ নিজেই নিজের ধ্বংস ডেকে আনবে।

কিভাবে?

তিনি বলছেন, যখন সবাই বুঝতে পারবে যে এই পদ্ধতিতে গলদ আছে, তখন তারা নিজেরাই বিদ্রোহ করে বিপ্লব ঘটাবে।

কিন্তু সেটি এখনো বাস্তবে ঘটেনি। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে কম্যুনিস্ট আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিপ্লবের অনেক নজির আছে।

এসব বিপ্লব যে ব্যর্থ হয়েছে সেজন্যে কেউ কেউ দুর্নীতিকে দায়ী করে থাকেন।

তবে অন্যরা বলেন মার্ক্সের তত্ত্বই আসলে ভুল।

Copyright © 2018 বিবিসি. অন্যান্য ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী নয়.

10
ডেস্কটপ হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন যে স্মার্টফোন


আপনি যদি একটি ডিভাইস থেকেই স্মার্টফোন ও ডেস্কটপ চালাতে চান এইচপি এলিট এক্স৩ স্মার্টফোনটি কিনতে পারেন। বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিউলেট প্যাকার্ড উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমচালিত স্মার্টফোনটি বাজারে এনেছে। এতে মাউস, কিবোর্ড সবই যোগ করা যাবে। এটা থাকা মানেই পকেটে একটি উইন্ডোজ ১০ কম্পিউটার থাকা।


http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2016/11/19/430985

11

ফেসবুকের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত খবরে ভুলের ছড়াছড়ি : গবেষণা


http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2016/11/14/428911

13


দুঃসাহসী অভিযাত্রীর চোখে বাংলাদেশ


http://www.prothom-alo.com/we-are/article/891082/দুঃসাহসী-অভিযাত্রীর-চোখে-বাংলাদে

14
Children / Important post about EYE CARE of children
« on: May 22, 2016, 02:54:00 PM »


Important post about EYE CARE of children



http://epaper.prothom-alo.com/view/dhaka/2016-05-20/1

15


কেন খাবেন কমলা রঙের খাবার?


কেন খাবেন কমলা রঙের খাবার?
২৭ ডিসেম্বর,২০১৫


http://www.rtnn.net/bangla//newsdetail/detail/10/18/129683#.Vn-5a_l97IU

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: স্বাস্থ্য বিষয়ক কথা হলেই এসে যায় শাক-সবজি আর ফলমূলের কথা। আজকাল আবার পুষ্টিবিদরা বলে থাকেন রঙিন ফলমূল খাওয়ার কথা। এই ছবিঘর থেকে জেনে নিন কমলা রঙের সবজি ও ফলমূল কেন খাবেন।


মিষ্টি কুমড়া
পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এবং সুন্দর রং ও আকৃতির এই সবজিতে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’ ‘ই’ আর ‘সি’। অথচ কমলা রঙের এই সবজিতে কিন্তু ক্যালোরির পরিমাণ খুব কম। মিষ্টি কুমড়া উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। এছাড়া মিষ্টি কুমড়োর বিচি প্রোস্টেট ক্যানসার মোকাবিলাতেও সহায়ক।



সবার প্রিয় কমলালেবু
নামেই যার পরিচয়, অর্থাৎ কমলালেবুতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন। আর তা শুধু কমলার রস নয়, কমলার ভেতরের সাদা অংশটিতেও থাকে যথেষ্ট আঁশ, যা খুবই উপকারী। কমলালেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসিড, যা দাঁতকে ঝকঝকে ও উজ্জ্বল করে। তাছাড়া ওজন কমাতে ও সুন্দর থাকতেও কমলালেবুর মধ্যে থাকা ভিটামিন ‘সি’-র জুড়ি নেই।


গাজর
সহজলভ্য কমলা রঙের গাজরে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ‘কে’, ‘সি’, প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন ও পটাসিয়াম। গাজরের বিটা ক্যারোটিন ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। গাজর কাঁচা এবং রান্না করে খাওয়া যায়। জার্মানিতে গাজরের সালাদ বেশ জনপ্রিয়। 


অ্যাপ্রিকট
মিষ্টি কমলা রঙের অ্যাপ্রিকট ফলে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন। আরো আছে ভিটামিন ‘ই’, ‘বি’, পটাশিয়াম, মিনারেল ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন ইত্যাদি, যা শরীরে শক্তি জোগায়। শুধু তাই নয়, এতে থাকা ক্যারোটিন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় ও টিউমার সৃষ্টিতে বাধা দেয়। পাঁকা অ্যাপ্রিকট শুষ্ক ত্বক নরম করতে ‘ফেসমাস্ক’ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।


পেঁপে
অত্যন্ত সহজলভ্য একটি ফল পেঁপে, যা সবজি হিসেবে কাঁচা অবস্থায় খাওয়া যায় এবং ফল হিসেবে পাঁকা খাওয়া হয়। মিষ্টি কমলা রঙের পাঁকা পেপে খেলে মুখে রুচি বাড়ে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। পেঁপে প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। পেঁপের পুষ্টিগুণের কারণে এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।


আম
আম যে নানা রং ও স্বাদের হয় – সেটা বোধহয় কোনো বাঙালিকে বলার প্রয়োজন নেই। আমে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল, বিটা ক্যারোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রনসহ নানা প্রয়োজনীয় উপাদান। আমে থাকা আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা ছাড়াও হৃদপিণ্ডের রোগ প্রতিরোধেও সহায়তা করে।


স্যামন মাছ
কমলা রঙের সুন্দর এই সামুদ্রিক মাছে বেশি পরিমাণে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা আলৎসহাইমা রোগের হাত থেকে মস্তিষ্ককে দূরে রাখতে সহায়তা করে।


টমেটো
টমেটো হয়ে থাকে নানা রঙের। রসালো টকটকে টমেটোতে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেল। ক্যালোরি কম থাকার কারণে স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে টমেটো খুবই প্রিয়। এছাড়া টমেটোতে থাকা লাইকোপেন ক্যানসার প্রতিরোধেও সাহায্য করে থাকে।

সূত্র: ডয়চে ভেলে


http://www.rtnn.net/bangla//newsdetail/detail/10/18/129683#.Vn-5a_l97IU

Pages: [1] 2 3 ... 7