Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - chhanda

Pages: [1] 2 3 ... 16
1
অনেকের দাঁতেই কমবেশি হলুদ বা বাদামি খনিজ পদার্থের আবরণ দেখা যায়। একে টার্টার বলা হয়। আমরা যাকে দাঁতে পাথর হিসেবে চিনি।

নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এই টার্টার ক্রমশ বাড়তে থাকে। যা দাঁতের পিরিওডোনটাইটিসের কারণ।

পিরিওডোনটাইটিস কী

পিরিওডোনটাইটিস হলে দাঁতের মাড়ির টিস্যুতে প্রদাহ হয়। ফলে মাড়ি সংকোচিত হয়ে অকালে দাঁত পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এ সমস্যা এড়াতে প্রয়োজন নিয়মিত দাঁতে জমা টার্টার পরিষ্কার করা। টার্টার দূর করার প্রথম সমাধান হলো ডেন্টিস্ট। তবে আপনি চাইলে বাড়িতে বসেও এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

টার্টার পরিষ্কার করতে যা লাগবে
* বেকিং সোডা

* ডেন্টাল পিক

* লবণ

* হাইড্রোজেন পেরোক্সাইড

* পানি

* টুথব্রাশ

* কাপ

* অ্যান্টিসেপটিক মাউথ ওয়াশ

টার্টার দূর করতে সবচেয়ে সহজলভ্য ও কার্যকরী উপাদান হচ্ছে বেকিং সোডা। আসুন এবার জেনে নিই টার্টার দূর করার পদ্ধতি।

প্রথম ধাপ

কাপে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে ১/২ চা চামচ লবণ মেশান। এবার গরম পানিতে টুথব্রাশ ভিজিয়ে বেকিং সোডা ও লবণের মিশ্রণ দিয়ে পাঁচ মিনিট ধরে দাঁত ব্রাশ করুন। সবশেষে কুলকুচি করে নিন।

দ্বিতীয় ধাপ

এক কাপ হাইড্রোজেন পেরোক্সাইডের সঙ্গে ১/২ কাপ হালকা গরম পানি মেশান। এই পানি মুখে নিয়ে এক মিনিট রাখুন। এরপর ১/২ কাপ পানি দিয়ে কুলকুচি করে ফেলুন।

তৃতীয় ধাপ

ডেন্টাল পিক দিয়ে দাঁতের হলুদ টার্টার ধীরে ধীরে ঘষে তুলুন। মাড়ির ক্ষতি এড়াতে ডেন্টাল পিক ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন।

চতুর্থ ধাপ

অ্যান্টিসেপটিক মাউথ ওয়াশ দিয়ে কুলকুচি করুন।

চকচকে সাদা দাঁতের জন্য আরও কয়েকটি টিপস-

স্ট্রবেরি ও টমেটো

ভিটামিন সি-তে পরিপূর্ণ বলে স্ট্রবেরি ও টমেটো দাঁতের জন্য ভালো। টার্টার পরিষ্কার করতে স্ট্রবেরি বা টমেটো দাঁতে ঘষে পাঁচ মিনিট রাখুন।

এতে টার্টার নরম হবে। এবার বেকিং সোডা মেশানো হালকা গরম পানি দিয়ে কুলি করে ফেলুন। স্ট্রবেরি বা টমেটো ছাড়াও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ক্যাপসিকাম, লেবু, পেঁপে ও কমলালেবু ব্যবহার করা যাবে।

পনির

খাওয়ার আগে পনির খেয়ে নিতে পারেন। পনির খাবারের এসিডকে নিষ্ক্রিয় করে দেয় যা টার্টার তৈরির মূল উপাদান।

জেনে নিন-

১. দাঁত পরিষ্কারের জন্য নরম ব্রাশ ব্যবহার করুন। দাঁত ব্রাশের সময় ওপর-নিচ ব্রাশ করুন। খেয়াল রাখুন মাড়ি ও দাঁতের মধ্যবর্তী অংশ যেন পরিষ্কার হয়।

২. ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করুন।

৩. মরিচ জাতীয় খাবার লালা নিঃসরণে সাহায্য করে। যা প্রাকৃতিকভাবে মুখ পরিষ্কার করে।

৪. ব্যাকটেরিয়া দূর করতে রাতে শোয়ার আগে কমলার খোসা দাঁতে ঘষে নিন। সকালবেলা ব্রাশ করে ফেলুন।

2
বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের শরীরে নানা পরিবর্তন আসে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল মেনস্ট্রুয়েশন। সেই সঙ্গে রয়েছে ব্রেস্ট ডেভলপমেন্ট। কিন্তু বয়ঃসন্ধি অর্থাত্‍‌ শরীরে যে পরিবর্তনগুলি ১৩ বছর বা তার পর থেকে আসার কথা সেই সব পরিবর্তনগুলি যদি তার বহু আগে চলে আসে, তখন সেগুলোর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটা বেশ কষ্টকর হয়ে ওঠে একটি বাচ্চা মেয়ের পক্ষে। আর আশ্চর্যের ব্যাপার হল বহু ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে শহুরে মেয়েদের রজঃস্রাব এখন ৮ থেকে ৯ বছর বয়সেই হয়ে যাচ্ছে।

অকাল বয়ঃসন্ধিকে প্রিকশাস পিউবার্টি বলে। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা সমস্যা। শারীরিক অস্বস্তি ছাড়াও প্রিকশাস পিউবার্টির জন্যে মেয়েদের মধ্যে অনেক সময়েই মানসিক কিছু সমস্যাও দেখা দেয়। এর প্রধান কারণ হল, শারীরিক এই সব পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গেলে মানসিকভাবে যতটা পরিণত হওয়া উচিত তা এত কম বয়সে হওয়াটা সম্ভব নয়।

কিন্তু শহরের মেয়েদের মধ্যে হঠাত্‍‌ করে এমন পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে কেন?

ভারতের মথুরার নয়াতি মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের অবস্টেট্রিক্স অ্যান্ড গাইনিকোলজি বিভাগের প্রধান ডা. বর্না বেনুগোপাল রাও এর মতে জীবনযাপনের ধরন, পরিবেশ দূষণ এবং অন্য বেশ কয়েকটি কারণ এই অকাল পিউবার্টির জন্যে দায়ী। তারই মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলি হল…

১. বাচ্চাদের মধ্যে ওবিসিটির মাত্রা বেড়ে যাওয়া। এর জন্যে দায়ী খাবারের অভ্যেস এবং বদলে যাওয়া জীবনযাপন।

২. কৃত্রিম হরমোন এবং অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া পোলট্রির খাবার যেমন মাংস, ডিম। জেনিটিকালি ইঞ্জিনিয়ার করা শাকসবজি এবং শস্য।

৩. প্লাস্টিকে সিন্থেটিক রাসায়নিক বিসফেনল এর উপস্থিতি।

৪. পেস্টেসাইড

৫. ছোট থেকেই খুব স্ট্রেসের মধ্যে জীবন কাটানো, বাড়ির পরিবেশ সুস্থ স্বাভাবিক না হওয়া।

৬. প্রেগনেন্সি এবং প্রেগনেন্সি পরবর্তী সময়ে যে সব মায়েরা অত্যধিক ডায়েট করে থাকেন তাদের ইউটেরাসের ফাইটোইসট্রোজেন এক্সপোজার বেশি হয়, যা ভ্রূণের ক্ষতি করে।

৭. এখন বেশির ভাগ সময়ই সাধারণ যে পানি সরবরাহ করা হয় তার মধ্যে ফ্লুরাইড মেশানো হয়। এই ফ্লুরাইড শরীরে মেলাটনিনের সঞ্চলন কমিয়ে দেয় যার ফলে অকাল পিউবার্টি হয়।

মুক্তির উপায়

১. সন্তানকে মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।

২. অর্গানিক খাবার এবং অর্গানিক মাংস খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন।

৩. তাজা খাবার খান। প্রসেসড এবং প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।

৪. প্লাস্টিক পাত্রের বদলে কাচের পাত্রে খাবার রাখুন।

৫. যে সব দুধ এবং অন্যান্য ডেয়ারি প্রডাক্টে জেনিটিকালি ইঞ্জিনিয়ারড রিকম্বিন্যান্ট বোভাইন গ্রোথ হরমোন থাকে সেই সব খাবার এড়িয়ে চলুন।

Hope this article will be very helpful for the mother of Girls like me .

3
চুল পড়ে যাচ্ছে! মহা টেনশনে আছেন তাই না? দুশ্চিন্তাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে যত্ন নিন চুলের। আর এই শীতের মৌসুমে কীভাবে চুলপড়া ঠেকাবেন? জেনে নিন সেই কৌশল। জানাচ্ছেন শামীমা সীমা।


এই শীতের সময়ে চুলের অধিক যত্ন নেয়া প্রয়োজন। এক্সপার্টদের মতে, ক্ষতিগ্রস্থ রুক্ষ-শুস্ক চুলের জন্যে নারিকেল অথবা কলা দিয়ে ঘরে তৈরি মাস্ক সবচেয়ে বেশি কাজ করে।

জেনে নিন চুল পড়া রোধে এই কার্যকরী মাস্কগুলো কিভাবে ঘরেই তৈরি করে ব্যবহার করতে পারবেন।

নারিকেল ক্রিমের মাস্ক –

এই মাস্কটি রুক্ষ ও জমাট বাঁধা চুলের জন্য সবচেয়ে ভাল কাজ করে। এর ময়েস্চারাইজিং উপাদানগুলো চুল Hair নরম করে উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ঢেউখেলানো চুল পেতে খুব সহজেই এই মাস্কটি ঘরেই তৈরি করে ফেলুন।

উপাদানঃ
* নারিকেল তেল
* অলিভ ওয়েল

প্রণালি:
দুটি উপাদান একসাথে মিশিয়ে মাস্কের মত তৈরি করে আপনার চুলের গোড়ায় লাগান। লাগানোর পর আপনার চুলগুলো শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে এক ঘন্টার বেশি সময় ঢেকে রাখুন। আপনার চুলের সাথে মানানসই হারবাল শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। চাইলে কন্ডিশনারও ব্যবহার করুন। তারপর দেখুন জাদু! এই মাস্কটি আপনার চুল শুধু নরম আর উজ্জ্বলই করবে না, এটি চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে।

কলা – মধুর মাস্ক –

এই মাস্কটি আপনার ক্ষতিগ্রস্থ ও দুর্বল চুলকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলে। কলা একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা আপনার চুলের গোড়া শক্ত করে। এটি চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছায় এবং শক্ত চুল গজাতে Hair grown সাহায্য করে। কলায় প্রচুর পরিমানে আয়রন ও ভিটামিন আছে যেগুলো এই মাস্কের মাধ্যম আপনার চুলে পুষ্টি জোগাবে।

উপাদানঃ
* একটি কলা
* এক চামচ মধু

প্রণালি:
একটি পাকা কলা খুব ভালোভাবে চটকে নিন। এর মধ্যে এক চামচ মধু মেশান। কলা ও মধুর এই প্যাকটি খুব ভালোভাবে মিশিয়ে আপনার চুলের গোড়া থেকে শুরু করে পুরো চুলেই লাগান। মাস্কটি আপনার চুলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রাখুন, তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পরের বার ব্যবহার করার জন্য আপনি এই মাস্কটি ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন।

4
শীতকালটি অন্য সব ঋতু থেকে আলাদা। এ সময় চুলের রূক্ষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও রয়েছে কয়েকটি অযাচিত ঝামেলা, যা থেকে চুলকে রক্ষার জন্য বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়। এ লেখায় রয়েছে শীতকালে চুলের যত্নে কয়েকটি টিপস।

১. ভালো মানের একটি শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। তবে অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহারও এড়িয়ে চলতে হবে। প্রতিদিন নয় বরং কয়েক দিন পর পর শ্যাম্পু করুন (সপ্তাহে দুই দিন)। তবে চুল ধুলোবালির কারণে যদি অতিরিক্ত ময়লা হয়ে যায় তখন প্রয়োজনের ভিত্তিতে শ্যাম্পু দিয়ে ধোয়ার কাজটি করতে হবে। আর এজন্য কনকনে ঠাণ্ডা কিংবা গরম পানি নয়, বরং কুসুম গরম (দেহের তাপমাত্রার) পানি ব্যবহার করুন।

২. চুলের যত্নে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিবার চুল ধোয়ার পর সুবিধামতো একটি কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এটি চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াবে ও চুল ভেঙে যাওয়া রোধ করবে।

৩. সপ্তাহে একবার করে হেয়ার ট্রিটমেন্ট মাস্ক ব্যবহার করুন। এতে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

৪. হেয়ারড্রায়ার ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করলেও তা যেন বাড়তি গরম ও বাড়তি শুষ্ক না হয় সেদিকে লক্ষ রাখুন।

৫. ভেজা চুল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হবেন না। ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় চুলের ক্ষতি হতে পারে।

৬. আপনি যদি চুলের কালিং কিংবা স্ট্রেইটনার ব্যবহার করেন তাহলে চুলের ক্ষতি এড়াতে প্রয়োজনীয় কন্ডিশনার ও স্প্রে ব্যবহার করুন।

৭. কৃত্রিম তেল নয়, নারিকেলের মতো প্রাকৃতিক তেল ব্যবহার করুন। চুলের ময়েশ্চার ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে তেল। সপ্তাহে একবার হট অয়েল ট্রিটমেন্ট করতে পারেন।

৮. নিয়মিত চুলের ডগা ছেটে চুল ফেটে যাওয়া রোধ করুন। এক্ষেত্রে প্রতি ছয় থেকে আট সপ্তাহ পর পর এ কাজটি করতে পারেন।

৯. শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে প্রয়োজনে স্কার্ফ ব্যবহার করুন।

১০. শীতের শুষ্ক বাতাসে বাইরে ঘোরাঘুরি করলে চুল বেঁধে রাখুন। এ সময় চুল ছেড়ে রাখলে তা রুক্ষ হয়ে যেতে পারে।

5
স্বাস্থ্য রক্ষায় বা ওজন কমাতেই অনেকেই সকাল সকাল পাকা লেবুর রসের সাথে হালকা গরম পানি মিশিয়ে পান করে থাকেন। সকাল সকাল লেবু পানি পান করা যে ভালো, এটা অনেকেই জানেন। কিন্তু জানেন কি, আসলে কেন ভালো? যদি নিয়মিত রোজ সকালে এক কাপ লেবু পানি পান করেন, আপনাদের দেহ পাবে ২০টি জাদুকরী উপকারিতা। চলুন, জেনে নিই বিস্তারিত।

১) লেমন, অর্থাৎ পাকা লেবুতে থাকে ইলেকট্রোলাইটস ( যেমন পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি)। সকাল সকাল লেবু পানি আপনাকে হাইড্রেট করে, শরীরে যোগান দেয় এইসব প্রয়োজনীয় উপাদানের।

২) হাড় জয়েনট ও মাসল পেইন কমায় দ্রুত।

৩) লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড। সকাল সকাল উষ্ণ পানির সাথে পান করলে সেটা আপনার হজমতন্ত্রকে উন্নত করে সমস্যা রাখে দূরে।

৪) অন্য যে কোন খাবারের চাইতে লেবু পানির ব্যবহারে লিভার অনেক বেশী দেহের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম তৈরি করতে পারে।

৫) লেবু পানি টক্সিক উপাদান দূর করে লিভারকে পরিষ্কার রাখে।

৬) পেট পরিষ্কার ও ভালো টয়লেট হতে সহায়তা করে।

৭) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৮) আপনার নার্ভাস সিস্টেমে দারুণ কাজ করে। সকাল সকাল লেবুর পটাশিয়াম আপনার বিষণ্ণতা ও উৎকণ্ঠা দূর করতে সহায়ক।

৯) লেবু পানি শরীরের রক্তবাহী ধমনী ও শিরাগুলোকে পরিষ্কার রাখে।

১০) উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে।

১১) শরীরের পি এইচ লেভেল উন্নত করে। পি এইচ লেভেল যত উন্নত, শরীর রোগের সাথে লড়াই করতে তত সক্ষম।

১২) ইউরিক এসিড সমস্যা দূর করতে সহায়ক।

১৩) আপনার ত্বককে কর তোলে সুন্দর ও পরিষ্কার।

১৪) বুক জ্বলা পড়া দূর করে। যাদের এই সমস্যা আছে রোজ আধা কাপ পানির মাঝে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।

১৫) কিডনী ও প্যানক্রিয়াসের পাথর দূর করতে অসাধারণ কার্যকর।

১৬) ওজন দ্রুত কমাতে সহায়তা করে। লেবুতে থাকে পেকটিন ফাইবার যা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে।

১৭) গর্ভবতী নারীদের জন্য খুবই ভালো লেবু পানি। এটা শুধু নারীর শরীরই ভালো রাখে না। বরং গর্ভের শিশুর অনেক বেশী উপকার করে। লেবুর ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম শিশুর হাড়, মস্তিষ্ক ও দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে। মাকেও গরভকালে রোগ বালাই থেকে দূরে থাকে।

১৮) দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। দাঁত ব্যথা কমায়।

১৯) ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

২০) মেটাবলিজম বা হজমশক্তি বাড়ায়। এতে ওজন কমাতেও প্রভাব পড়ে।

কীভাবে পান করবেন?

সকালে খালি পেতে এক গ্লাস লেমন বা পাকা লেবুর রস মেশানো উষ্ণ পানি পান করুন। চাইলে সাথে যোগ করতে পারেন মধু। বড় লেবু হলে ১/২টি ও ছোট হলে একটি লেবুর রস মিশিয়ে নিন।

6
খাবারের উপাদান বা পরিমাণ না পাল্টে কেবল নির্দিষ্ট সময় মেনে খাওয়ার অভ্যাস করলে স্বাস্থ্যের বড় ধরনের কয়েকটা উপকারিতা পাওয়া যায়। এসবের মধ্যে রয়েছে ওজন কমানো, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি।
যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী একাধিক গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন, প্রতিদিন ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পরপর খাওয়ার অভ্যাস কঠোরভাবে মেনে চললে বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় একধরনের পরিবর্তন আসে। আর ব্যাপারটা ঘটে একেবারে জিনগত পর্যায়ে। ফলে তখন ক্যালরি ঝরানোর চেষ্টা না করেই রক্তে শর্করার মাত্রা এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে উপকারিতা পাওয়া যায়। আর এ প্রক্রিয়ায় ক্যানসার, হৃদ্রোগ, স্মৃতিভ্রংশ (ডিমেনশিয়া) এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি হ্রাসের সুযোগ রয়েছে।
খাবারের সময় নিয়ন্ত্রণ এবং রক্তে শর্করার মাত্রা সীমিত রাখার সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য সর্বশেষ এক গবেষণায় অন্তত ২ হাজার ২০০ নারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যাঁদের গড় বয়স ৪৭ বছর। গড়ে তাঁদের প্রত্যেকের শারীরিক ওজনের ভারসাম্য সূচক (বিএমআই) ২৮। অর্থাৎ, তাঁরা স্থূলকায়। তাঁদের রক্তের নমুনা এবং খাওয়ার সময়সূচির তথ্য নেওয়া হয়।
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের অভাবকে ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়। খাওয়ার আগে ও পরে রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি মাত্রায় ওঠানামা করলে বোঝা জায়, রোগীর শরীর ইনসুলিনের প্রতি খুবই সংবেদনশীল। খাবার থেকে ক্যালরি গ্রহণ করার জন্য এই ইনসুলিন নামের হরমোনটিই শরীরের বিভিন্ন কোষে সংকেত পাঠায়, যার মানে রক্ত থেকে কোষে শর্করা সরবরাহের জন্য অগ্ন্যাশয় থেকে আরও বেশি ইনসুলিন নিঃসরণ প্রয়োজন। কিন্তু সমস্যা হলো, বাড়তি ইনসুলিন রক্তের শর্করার মাত্রাকে প্রভাবিত করার পাশাপাশি কোষের বৃদ্ধি বাড়িয়ে দেয়। ফলে ক্যানসার কোষ তৈরি হতে পারে। আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীর বেশি বেশি ইনসুলিনের চাহিদা পূরণ করতে পারে না। পরিণামে রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনক মাত্রায় বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস দেখা দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ওই গবেষক দলের সদস্য এবং সান ডিয়েগোতে অবস্থিত ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ক্যাথরিন ম্যারিনাক বলেন, যেসব নারী রাতে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকেন, তাঁদের রক্তে শর্করার পরিমাণ তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত থাকে। এ ক্ষেত্রে তাঁরা কতটুকু ক্যালরি গ্রহণ করছেন, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।
অবশ্য এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। শিকাগোর নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা খতিয়ে দেখছেন, খাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ করার ফলে মানুষের শরীরের ওজনে কী কী পরিবর্তন হয় এবং ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমার কী কী ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ভবিষ্যৎ গবেষণায় তাঁরা এ ব্যাপারে আরও সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। দুই বেলা খাওয়ার মধ্যে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টার বিরতি নেওয়া মোটেও অসম্ভব নয়। তাই শরীরের উপকারিতার জন্য এ রকম উপবাসে ক্ষতি নেই।

7
কঠোর ডায়েট ও ব্যায়ামের মাধ্যমে নিজের ওজন কমিয়ে আনার কাজটি অনেকেই করতে পারেন। কিন্তু সমস্যা হয় তখনই যখন এই ওজন কমিয়ে আনার পর তা ধরে রাখতে হয়। অনেকেই এই কাজটি একেবারেই পারেন না। বিশেষ উদ্দেশ্যে ওজন কমিয়ে এনে পড়ে ব্যায়াম ডায়েট ছেড়ে দিয়ে আনার মোটা হতে থাকেন। কারণ এই কঠোর ব্যায়াম এবং ডায়েট দীর্ঘসময় ধরে চালিয়ে যাওয়া আসলেই দুঃসাধ্য একটি ব্যাপার। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললে খুব কঠিন ডায়েট এবং ব্যায়াম ছাড়াই চিরকাল স্লিম থাকতে পারবেন বেশ সহজেই। জানতে চান কীভাবে? চলুন শিখে নেয়া যাক কিছু গোপন উপায়।
১) অল্প অল্প খাবার খাবেন

খুব কঠিন ডায়েট করার প্রয়োজন নেই। ৩ বেলার পরিবর্তে ৫-৬ বেলা অল্প করে খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। ৩ বেলায় যা খেতেন সেটাই ভাগ করে ৫-৬ বেলাতে নিয়ে আসুন। একবারে বেশি খেলে খাবার হজম হতে দেরি হয় যার কারণে দেহে মেদ জমে। ৫-৬ বার খাবার খেলে একবারে কম খাওয়া হবে, মেদও জমবে না।
২) ছোটো প্লেটে খাবার খান

খাবার খাওয়ার সাথে এবং পেট ভরার সাথে আমাদের চোখের দেখার একটি বিষয়ের যোগাযোগ রয়েছে। বড় একটি প্লেটে অল্প খাবার তুলে খেলে দ্বিতীয়বার খাবার খাওয়ার ইচ্ছা রয়ে যায়, মনে হতে থাকে পেট ভরেনি। গবেষণায় দেখা যায় ছোটো প্লেটে অল্প করে খাবার তুললে এই সমস্যাটি একেবারেই হয় না। খাবারও কমই খাওয়া হয়।
৩) পানীয়ের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন

পানি বাদে অন্যান্য যতো পানীয় পান করছেন তার সবগুলোর ব্যাপারে সর্তক থাকুন। কারণ পানীয়ের বাড়তি চিনিটাই আপনার জন্য ক্ষতিকর তা সে সফটড্রিংকসই হোক বা ফলের জুসই হোক না কেন। অল্প করে চুমুক দিয়ে পান করুন। একবারে পান করে ফেললে হিসাব থাকে না আপনি কতোটা পান করছেন এবং এর ফলাফল দেখা যায় শরীরে।
৪) ঘরে আনুন রেস্টুরেন্টের পরিবেশ

অবাক হচ্ছেন? কিন্তু অবাক হলেও সত্যি যে রেস্টুরেন্টের মতো পরিবেশ আপনাকে কম খেতে বাধ্য করবে। গবেষণায় দেখা যায়, ঘরেই আলো কমিয়ে একটু মিউজিক লাগিয়ে খেতে বসলে মানুষ অন্যান্য সময়ের তুলনায় কম খাবার খেয়ে থাকেন। এতে করে ওজনটা থাকে নিয়ন্ত্রনেই।
৫) নিজের কাজ নিজে করুন

ব্যায়াম ছেড়ে দিচ্ছেন ভালো কথা কিন্তু স্লিম হওয়ার ব্যাপারটা ধরে রাখতে চাইলে নিজের কাজ নিজে করার অভ্যাস তৈরি করে ফেলুন। যেমন, বাজার করা, ঘরের কাজ করা, এটা সেটা আনতে যাওয়া অর্থাৎ যেসকল কাজে একটু শারীরিক পরিশ্রম বেশি হয়। এতে কাজের কাজও হবে এবং স্লিম থাকাও যাবে।

8

ঘাড় ও গলার ত্বকের যত্ন

মুখ ও হাত-পায়ের যত্নে কত কিছুই না করছেন। কিন্তু সাজগোজের পর দেখলেন মুখের ত্বকের উজ্জ্বলতার সঙ্গে ঠিক যেন মিলছে আপনার গলা ও ঘাড়ের ত্বকের রং। কারণ, মুখের ত্বকের মতো যত্ন নেওয়া হয় না ঘাড় ও গলার ত্বকের। হয়তো সেই মুহূর্তে মেকআপের প্রলেপ দিয়ে দূর করলেন ত্বকের নিষ্প্রাণ ভাবটুকু। কিন্তু সব সময়ই যদি এমন অবহেলা চলে তাহলে তা শুধু ত্বককে নিষ্প্রাণ করেই দেবে না, চর্মরোগের কারণও হতে পারে বলে জানালেন বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভের রূপবিশেষজ্ঞ শারমীন কচি। সাধারণত শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় গলা ও ঘাড়ের ত্বকে খুব দ্রুত ময়লা জমে। এর কারণ হিসেবে শারমীন কচি বললেন, বাইরের ধুলা বালি ত আছেই এ ছাড়াও প্রতিদিন আঁচড়ানোর ফলে চুলের ময়লাগুলোও ঘাড়ের ত্বকে পড়ে। আর তাই গোসলের সময় ঘাড় ও গলার ত্বক ভালো করে পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত বলে জানালেন তিনি। জেনে নিন তাঁর পরামর্শ।

গোসলের আগে
রোজ সকালে গোসলের আগে গলা, ঘাড় আর পিঠে সূর্যমুখী বা তিসির তেল ম্যাসাজ করে নিতে পারেন। এরপর একটা ভেজা পাতলা কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষে ত্বক পরিষ্কার করে নিন। এ ছাড়াও ত্বকের মৃতকোষ তুলতে একরকম স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে এক দিন পাকা কলার সঙ্গে চিনি মিশিয়ে নিন। এবার চিনিটা যতক্ষণ পর্যন্ত না গলে যাচ্ছে ততক্ষণ ভালো করে পিঠ ও ঘাড়ে ম্যাসাজ করতে থাকুন। তবে এই মিশ্রণটি গলার ত্বকে ব্যবহার না করাই ভালো। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত তাঁরা চিনির সঙ্গে পরিমাণমতো মসুর ডাল বাটা, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস আর টমেটোর রস মিশিয়ে একইভাবে ব্যবহার করতে পারেন। আধা কাপ টমেটো বাটার সাথে ১ টেবিল চামচ ভিনেগার মিশিয়ে লাগালে উজ্জ্বল হবে গলার ত্বক।

দাগ দূর করতে
দীর্ঘদিনের অযত্ন আর অবহেলায় যাঁদের ঘাড় ও পিঠে কালো দাগ পড়েছে তাঁদের জন্য সপ্তাহে এক দিন ঘরোয়া উপায়ে রূপচর্চার পরামর্শ দিলেন শারমীন কচি। শুষ্ক ত্বকের জন্য ৩ টেবিল চামচ চালের গুঁড়ার সঙ্গে ২ টেবিল চামচ টকদই, ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, কমলালেবুর খোসা এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার হাত দুটো ভিজিয়ে নিয়ে ১০ মিনিট ভালো করে ম্যাসাজ করে নিন। তৈলাক্ত ত্বকের দাগ দূর করতে দুধের মধ্যে ভিজিয়ে রাখা মসুর ডাল ভালো করে বেটে নিন। এবার এর সঙ্গে কাঁচা হলুদ আর টমেটোর রস মিশিয়ে দাগের ওপর হাত দিয়ে ম্যাসাজ করে নিন।

র‌্যাশ উঠছে?
গরমের এই সময়টায় অনেকের ঘাড়ে ও পিঠে ঘামাচি আর র্যাশ দেখা যায়। র‌্যাশ হলে নিমপাতা দিয়ে ফুটানো আধা কাপ পানির সঙ্গে আধা কাপ লেবুর রস এবং তিন টেবিল চামচ বেসন মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর গোসল করে নিন। এ ছাড়াও শঙ্খ গুঁড়ার সঙ্গে সামান্য মুলতানি মাটি মিশিয়ে র্যাশের ওপর লাগালে উপকার পাবেন। এদিকে যাঁদের পিঠে ঘামাচি ওঠার সমস্যা আছে, তাঁরা প্রতিদিন নিমপাতা দিয়ে ফুটানো পানিতে গোসল করে নিন। নিমপাতা দিয়ে জ্বাল দেওয়া পানি বরফ জমিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। বাইরে থেকে ফিরে এই বরফের টুকরো ঘাড় ও পিঠের ত্বকে ঘষে নিন, উপকার পাবেন।

9

গরমে শিশুর খাদ্য যেমন হওয়া উচিত

এই গরমে যে কোনো খাবারে অরুচি আসতেই পারে। তার উপর অসুখ তো আছেই। তাই এই সময় শিশুকে কী খাওয়ানো উচিত তা নিয়ে বাবা-মায়ের চিন্তা থেকেই যায়।

গরমে শিশুর সঠিক খাবার বাংলাদেশ গার্হস্থ্যঅর্থনীতি কলেজের ‘শিশু বিকাশ ও সামাজিক সম্পর্ক’ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুমানা বাসার বলেন, “গরমে শিশুর খাদ্য হওয়া উচিত সহজপাচ্য ও স্বাস্থ্যসম্মত।”

তিনি আরও বলেন, “সহজপাচ্য বলতে সহজে হজম হয় এমন খাবার বোঝায়। গরমে শিশুর খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি থাকা জরুরি। পানি সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে ফলমূল থাকা আবশ্যক।”

জন্মের পর থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত শিশুকাল ধরা হয়। এই সময়েই শিশু সবচেয়ে দ্রুত বড় হয়। তাই প্রতি একক ওজনের জন্য পুষ্টির চাহিদাও বাড়তে থাকে।

এই সকল চাহিদা পূরনের জন্য দেহ গঠনকারী খাদ্য উপাদান যেমন- প্রোটিন, আয়োডিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ইত্যাদি সঠিক পরিমাণে শিশুর খাবারের তালিকায় থাকা জরুরি।

শিশুকালের বিভিন্ন পর্যায়ে শিশুদের জন্য বিভিন্ন রকমের খাবার দেওয়া প্রয়োজন।

এই প্রসঙ্গে রুমানা বাসার বলেন, “জন্ম থেকে ছয় মাস— শিশু মায়ের দুধ পান করে থাকে। তাই এই সময়ে মাকে সহজপাচ্য ও পানি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে যাতে শিশু পর্যাপ্ত পানি পায়। মায়ের পুষ্টি নিশ্চিত করা গেলে শিশুর চাহিদাও পূরণ হবে।”

তিনি আরও জানান, সুস্থ শিশুর ওজন ছয় মাসে তার জন্মের সময়ের ওজনের দ্বিগুন ও এক বছরের মধ্যে তিনগুন হয় এবং তার উচ্চতা বাড়ে নয় থেকে ১০ ইঞ্চি। এই সময়ে শিশু মায়ের দুধের পাশাপাশি বাইরের খাবার খেতে দিতে হবে।

বিশেষ করে এই গরমে পুরানো ও বেশি মসলাযুক্ত খাবার শিশুকে দেওয়া যাবে না। দিনে এক থেকে দুইবার যেকোনো ফলের জুস খেতে দিতে হবে। তাছাড়া অবশ্যই দিনে একটি ডিম ও একগ্লাস দুধ খাওয়াতে হবে। শিশুকে মৌসুমি ফল যেমন- আম, তরমুজ, পেঁপে, কলা ইত্যাদি দিতে হবে। এতে করে শিশু গরমে প্রয়োজনীয় ফাইবার, পানি, ক্যালরি, আয়রন, ভিটামিন ইত্যাদি উপাদান পাবে ।

দুই বছর থেকে পাঁচবছর— এই বয়সে শিশুরা বেশি দুরন্ত ও চঞ্চল প্রকৃতির হয়ে থাকে। এই সময় তাদের শরীর থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। তাই প্রতিদিনের খাবারের পাশাপাশি বারবার তাদের ফলের রস, স্যালাইন ও গ্লুকোজ দিতে হবে।

দুধ ও ডিমের পাশাপাশি ফল খেতে দিতে হবে। এছাড়া তাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি রাখতে হবে।

প্রতিদিন একই ধরনের খাবার খেলে একঘেয়েমি আসতে পারে আর এতে শিশুর খাওয়ায় অরুচিও আসতে পারে। তাই প্রতিদিনের খাবারের বৈচিত্র্য আনা প্রয়োজন।

এজন্য সবজিকাটা ও রান্নার পদ্ধতিতে বৈচিত্র্য আনা যেতে পারে। এই বয়সি শিশুদের ‘ফিঙ্গার ফুড’ যেমন- গাজরের টুকরা, মটরশুঁটি, গোল করে কাটা আলু ইত্যাদি খেতে দিতে হবে। এতে করে শিশুর হাতে তুলে খাওয়ার অভ্যাস হবে ও খাওয়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে।

গরমে শিশুর সঠিক যত্নের জন্য তাকে নিয়মিত গোসল, খাওয়া ও ঘুমানো প্রতিটি কাজ করতে হবে নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী। যতটা সম্ভব শিশুদের ভাজাপোড়া ও তেল চর্বিজাতীয় খাবার কম খাওয়াতে হবে।

10

নীল ছাড়াই সাদা কাপড়কে সবসময় ধবধবে সাদা রাখুন ছোট্ট ১টি কৌশলে

সাদা কাপড়কে সাদা রাখার জন্য নীল জিনিসটা আমরা কমবেশি সকলেই ব্যবহার করি। একটু কমবেশি হয়ে গেলেই ছোপ ছোপ দাগ হয়ে যায় নীলের। আবার যতই যত্ন করে নীল ব্যবহার করুন না কেন দীর্ঘদিন কিছুতেই সাদা রাখা যায় না সাদা কাপড়, কীভাবে কেন লালচে হয়েই পড়ে! আজ জেনে নিন একটি দারুণ কৌশল। ছোট্ট এই উপায়টি সাদা কাপড়কে দীর্ঘদিন রাখবে ধবধবে সাদা আর রঙিন কাপড়কেও রাখবে উজ্জ্বল। সাথে দূর করবে কাপড়ের যে কোন বাজে গন্ধও!

কী লাগবে?

লাগবে তিনটি সাধারণ উপাদান, তবে এই তিনটির যে কোন একটি ব্যবহার করলেই হবে, সেটা আপনার সুবিধা। ১টি বড় বালতি ভরা কাপড়ের জন্য লাগবে-

১/২ কাপ বেকিং সোডা
অথবা,
১/২ কাপ লেবুর রস
অথবা,
১/২ কাপ ভিনেগার

কীভাবে ব্যবহার করবেন?

কাপড় ধোয়ার সময়েই এই উপাদান গুলো ব্যবহার করতে হবে। তিনটি উপাদান ব্যবহারের আছে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল। জেনে রাখুন তিনটিই।

-যদি বেকিং সোডা ব্যবহার করেন, তাহলে কাপড় ডিটারজেন্ট দিয়ে ভজিয়ে রাখার সময়েই বেকিং সোডা দিয়ে দেবেন। এক বড় বালতি ভরা কাপড়ে ১/২ কাপ বেকিং সোডা যথেষ্ট। বেকিং সোডা আপনার গুঁড়ো সাবানের শক্তি বাড়ায় এবং যে কোন কাপড়কেই করে তোলে উজ্জ্বল।

-লেবুর রস বা ভিনেগার ব্যবহার করলে সেটা পানির সাথে মিশিয়ে নিন। কাপড় কেচে ধুয়ে ফেলার পর, অর্থাৎ কাপড় থেকে সাবান ভালো করে ধুয়ে যাবার পর এই লেবু বা ভিনেগার মেশানো পানিতে ভিজিয়ে রাখুন কাপড়। ১৫/২০ পর চিপে শুকিয়ে নিন।

নিয়মিত এই পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করলে আপনার সাদা কাপড়গুলো কখনোই লালচে হবে না আর লালচে হয়ে যাওয়া কাপড়গুলোও অনেকটা ধবধবে হয়ে উঠবে।

11

জীবনের ভীষণ খারাপ মুহূর্তে যে ৬টি পরামর্শ কাজে আসবে আপনার

এই জীবনে সুসময়ের চাইতে বেশী হয়তো দুঃসময়টাই বেশী দেখতে হয় আমাদের। একটা না একটা বিপদ যেন লেগেই থাকে সর্বদা। মোকাবেলা করতে করতে আমরা ক্লান্ত হয়ে যাই, ভেঙে পড়ি, হেরেও যাই কখনো কখনো। যদি আপনার অবস্থাও এমন হয়ে থাকে, তবে এই ফিচারটি আপনার জন্যই। জীবনের ভীষণ দুঃসময়ে এই ৬টি পরামর্শ আপনার পথ চলাকে কিছুটা হলেও সহজ করবে, নতুন বিপদের হাত থেকে বাঁচাবে।

১) একটা জিনিস মনে রাখবেন সর্বদা, সব সমস্যারই সমাধান আছে। আমরা হয়তো এই মুহূর্তে দেখতে পাচ্ছি না। কিন্তু একটু ঠাণ্ডা মাথায় আবেগ একপাশে সরিয়ে রেখে ভাবলে অবশ্যই একটা সমাধান বের হবে। হবেই। চাই কেবল একটু সময়।

২) বিপদের দিনে হুট করে কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না। হুট করে সিদ্ধান্ত নেয়ার অর্থ নিজেকে আরও একটি বিপদে ফেলা। যাই করবেন ও বলবেন, সবই খুব ঠাণ্ডা মাথায় ভেবেচিন্তে।

৩) বিপদের দিনে আমরা সবাই অধৈর্য হয়ে পড়ি, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। চেষ্টা করবেন যতটা সম্ভব ঠাণ্ডা মাথায় থাকতে, যতটা সম্ভব মেজান নিয়ন্ত্রণে রেখে কারো সাথে খারাপ ব্যবহার না করতে। অযথা আরও একটি বিপদ বাড়িয়ে লাভ নেই।

৪) ভেঙে পড়বেন না। একটি জিনিস নিশ্চিত জানবেন যে আমরা নিজেদের অবস্থা যতটা খারাপ মনে করি, অবস্থা আসলে ততটা খারাপ নয়। আপনি নিশ্চয়ই এই বিপদ থেকে বের হয়ে আসবে। আস্থা রাখুন।

৫) বিপদে কারো সাহায্য আশা করবেন না। কারো ওপরে নির্ভর করেও থাকবেন না। যা করার, নিজেই করুন। নিজের ওপরেই আস্থা রাখুন। মনে রাখবেন, বিপদে কেউ আপন না। কেউ যদি পাশে দাঁড়ায় ভালো, না দাঁড়ালে নিজেই চলার প্রস্তুতি নিন।

৬) কাউকে চট করে বিশ্বাসও করতে যাবেন না। বিপদ একলা আসে না, আটঘাট বেঁধে আসে। অযথা অন্ধ বিশ্বাস করে নতুন বিপদ ডেকে আনার মানে নেই।

12
জেনে নিন এলভেরার জাদুকরি রহস্য

আমরা অনেকেই শখ করে বাড়ির ছাদে বা বারান্দায় বিভিন্ন ফুল ফল বা ভেষজ উদ্ভিদ লাগিয়ে থাকি। এর মধ্যে ” অ্যালভেরা” বা ঘৃতকুমারী গাছ থাকবেই। কিন্তু আমরা কি জানি যে এই ছোট্ট গাছটির নানা ইতিহাস ও আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কত উপকার করে? মানব দেহের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সকল ক্ষেত্রেই অ্যালভেরার রয়েছে জাদুকরী গুনাগুণ। আসুন অজ্ঞতায় না থেকে জেনে নিই।

মিশরীয় লোককাহিনী থেকে জানা যায়, সৌন্দর্যবর্ধন করে যে প্রকৃতিকন্যা তার লাতিন নাম অ্যালোভেরা ওরফে ঘৃতকুমারী। আর এটাই হলো মিশরের টলেমি রাজবংশের সম্রাজ্ঞী, কূটনীতিক ও পরে সীজার পত্নী ক্লিওপেট্রার ত্বকের সৌন্দর্যের গোপন রহস্য। স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্যে অ্যালোভেরার ব্যবহার আজকের নয়। প্রাচীন কালেও রানী ক্লিওপেট্রা, সম্রাট আলেকজান্ডার, বাদশাহ সোলায়মান, নেপোলিয়ন এবং ক্রিস্টোফার কলম্বাসের মত বিখ্যাত মানুষেরা অ্যালোভেরা ব্যবহার করতেন। ঘৃতকুমারী গাছটা দেখতে অনেকটাই কাঁটাওয়ালা ফণীমনসা বা ক্যাকটাসের মতো। অ্যালোভেরা ক্যাক্টাসের মত দেখতে হলেও, ক্যাক্টাস নয়। এর পাতাগুলো বর্শা আকৃতির লম্বা, পুরু ও মাংসল। তরুটির রং সবুজ যার মাঝে রয়েছে রহস্যময় গুণ যার গুণকীর্তন করে কোটি ডলার কামিয়ে নিচ্ছে পাশ্চাত্য, প্রাচ্য দেশীয় তরু থেকে।

গোটা বিশ্ব জুড়ে এই গাছের জুস বা রস ক্যাপসুল বা জেলের আকারে বিক্রি হচ্ছে। এই জেলের ভেতরে আছে বিশটি অ্যামিনো অ্যাসিড যা থেকে বিজ্ঞানীরা বলেন প্রাণের সৃষ্টি। এই ২০ অ্যামিনো অ্যাসিডের আটটি দেহের মাঝে তৈরি হয় না। এটা বাইরে থেকে খাদ্যের আকারে গ্রহণ করতে হয়। এটা আসে ঘৃতকুমারী থেকে।

মেছতা দূর করার আরেকটি উপাদান হলো এলোভেরা বা ঘৃতকুমারী পাতার জেল। এই জেলের রয়েছে ত্বকের যাবতীয় সমস্যা দূর করার ক্ষমতা। আক্রান্ত স্খানে আঙুলের ডগার সাহায্যে ধীরে ধীরে জেল ঘষে লাগাতে হবে এবং সারা রাত লাগিয়ে রাখতে হবে। এভাবে কয়েক সপ্তাহ লাগালে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে। এ ছাড়া অ্যালোভেরা জেলের সাথে ভিটামিন ই এবং প্রিমরোজ অয়েল মিশ্রিত করে লাগালে এক সপ্তাহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যাবে। একই সাথে জেলের শরবত খেলে ভালো হবে।

অ্যালভেরাতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই, ফলিক এসিড, বি ১, বি ২, বি ৩, বি ১২। প্রায় ২০ রকমের মিনারেলস যেমন ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক, সোডিয়াম, আয়রন পটাসিয়াম, কপার ইত্যাদি। মানবদেহের জন্য ২২টি অ্যামিনো এসিড প্রয়োজন আর এর মধ্যে ৮ টি উপাদান থাকা অনস্বীকার্য। প্রধান ৮ টি উপাদানসহ আনুমানিক ২০ টি অ্যামিনো এসিড অ্যালভেরায় বিদ্যমান।

মানবদেহের টিস্যু নিষ্প্রাণ হয়ে গেলে, ত্বকে ফুসকুড়ি উঠলে এলভেরার জেল খুবিই উপকারী। যাদের এলার্জির সমস্যা তীব্র তারা ১ মাস নিয়মিত অ্যালভেরার শরবত খেয়ে দেখুন, জাদুকরী ফল পাবেন।

নতুন চুল গজানোর জন্য অ্যালভেরার রস নারিকেল তেলের সাথে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসেজ করে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন, সপ্তাহে ২ বার করে ২ মাস। পরিবর্তন নিজেই লক্ষ করতে পারবেন। এ ছাড়াও অ্যালভেরার রস চুল কে কন্ডিশনিং করে মোলায়েম হতে সাহায্য করে যা অনেকদিন স্থায়ী থাকে। খুশকি দূর করতে এটি প্রহরীর মত কাজ করে। এটি রক্তের কলেস্টরেল দূর করতে সাহায্য করে।

13
 যাদের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় একটু বেশি তাদের সাধারণভাবেই একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকে নিজেদের ওজন কমিয়ে নিয়ে আসার। সে কারণে প্রয়োজন অনুযায়ী যা করার তা করতে অনেকেই প্রস্তুত হয়ে যান। কিন্তু সমস্যা হয় তখনই যখন অনেকদিন ধরে একই নিয়ম মেনে চলতে হয়। একই ডায়েট একইভাবে ব্যায়াম করতে করতে বিরক্ত হয়ে শেষে হাল ছেড়ে দেন অনেকেই। আলসেমি এসে যায়। এইধরনের আলসেমি দূর করার তো কোনো উপায় জানা নেই। তবে অলস ব্যক্তিদের জন্য সব চাইতে সহজ পদ্ধতিতে ঝটপট ওজন কমানোর গোপন উপায়গুলো বলে দিচ্ছি। তেমন কিছুই করতে হবে না। শুধু একটু কষ্ট করে বানিয়ে নিতে হবে ২ টি পানীয়। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক উপায়গুলো।

পানীয়-১

উপকরণঃ
– ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো
– ১ চা চামচ লেবুর রস
– ২ চা চামচ মধু
– ১ কাপ/ ২৩৭ মিলি লিটার পানি

পদ্ধতি ও ব্যবহারবিধিঃ
– প্রথমে পানি ফুটিয়ে নিন।
– এরপর একটি গ্লাসে দারুচিনি গুঁড়ো রেখে ফুটন্ত পানি তাতে ঢেলে দিন। এরপর গ্লাসে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রেখে দিন।
– পানি পানের যোগ্য গরম হলে অর্থাৎ কিছুটা ঠাণ্ডা হয়ে এলে এতে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে দিন। ফুটন্ত গরম পানিতে মধু মেশাবেন না। এতে মধুর গুণ নষ্ট হয়।
– এরপর এই পানীয়ের অর্ধেকটা পরিমাণ রাতে ঘুমানোর আগে পান করে বাকি অর্ধেকটা ফ্রিজে রেখে দিন।
– সকালে উঠে খালি পেতে বাকি অর্ধেকটা পান করে নিন। সকালে নতুন করে পানীয়টি গরম করার প্রয়োজন নেই।
– এভাবে নিয়মিত এই পানীয়টি পান করতে থাকুন। ব্যস, দেখবেন ওজন কমা শুরু করবে।
পানীয়-২

উপকরণঃ
– ১ টি মাঝারি আকারের আপেল
– ৪৮৮ গ্রাম গাজর
– ১ ইঞ্চি পরিমাণে আদা
– ১ টি গোটা লেবুর রস

পদ্ধতি ও ব্যবহারবিধিঃ
– আপেল, গাজর ও আদা কুচি করে ব্লেন্ড করে নিন।
– এরপর এতে মেশান লেবুর রস।
– দিনে ১ গ্লাস করে পান করুন এই পানীয়টি।
– কিছুদিনের মধ্যেই ফলাফল পেয়ে যাবেন।

কেন কমবে ওজনঃ

অনেকেই ভাবতে পারেন পানীয় দুটি পান করলে ওজন কিভাবে কমবে? এরও ব্যাখ্যা রয়েছে। মধু একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা মেদ ক্ষয় করতে বিশেষভাবে সহায়ক। এছাড়াও মধু এবং দারুচিনি মিশিয়ে যখন এই পানীয় পান করবেন তখন এই পানীয়টি আপনার পরিপাক ক্রিয়া দ্রুততর করবে। এতে করে আপনার ওজন কমতে থাকবে। একই ব্যাপার ঘটে আপেল ও গাজরের জুসের ক্ষেত্রে। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড মেদ কমাতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী। আপেল ও গাজর হজমক্রিয়া উন্নত করে। এতে করে ওজন কমে।

14


স্কুল কলেজের গণ্ডি পার হয়ে ইউনিভার্সিটি ভর্তি, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে উন্নিত হওয়া। ২০ বছর বয়সের থেকেই ছেলে মেয়েরা নিজেদের গড়ে তোলার ব্যাপারটি বুঝতে শিখে থাকে। ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে গড়ে নেওয়ার এটিই মোক্ষম সময়। এই সময়ে কিছু বিষয় হয়তো হাতে কলমে শিখিয়ে দেয়া হবে তাদেরকে। কিন্তু জীবনের বেশ কিছু শিক্ষা শিখে নিতে হবে নিজে থেকেই। সফলতা, উন্নতি এবং সঠিকভাবে জীবন যাপনের জন্য নিজেকে গড়ে নেওয়ার দীক্ষা কেউ শিখিয়ে দিতে পারে না। বুঝে নিতে হয় নিজ থেকেই।

১) জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময় আবার পুনরায় ফিরে পাওয়া সম্ভব নয় একেবারেই। সুতরাং সময়গুলোকে গুরুত্ব দিলে পরবর্তীতে তা নিয়ে আর আফসোস থাকবে না।

২) সৌজন্যতাবোধ তখনই বেঁচে থাকবে যদি আপনি তা অন্য কারো প্রতি প্রদর্শন করেন।

৩) প্রেম-ভালোবাসা শুধুমাত্র সময় কাটানোর কোনো বিষয় নয়। এটি জীবনের বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার।

৪) আপনি নিজের জীবন এবং পৃথিবীটাকে যেভাবে দেখেন অন্য কারো পক্ষে তা দেখা বা ভাবা সম্ভব নয়। সুতরাং অন্য কারো কাছ থেকে নিজের মতো করে ভাবার আশা করবেন না।

৫) কোনো ব্যাপারে আশার হাল শক্ত করে ধরে রাখলে সে ব্যাপারটিতে সফলতা আসবেই।

৬) অনেক সময় একটি ভুল সিদ্ধান্তের কারণেও সঠিক পথে পরিচালিত হওয়া সম্ভব হয়।

৭) মানুষের চাহিদা থাকবেই এবং সময়ের সাথে সাথে তা বেড়েই চলবে। সব চাহিদা পূরণ হওয়া সম্ভব নয় একেবারেই।

৮) স্বাস্থ্যটাকেই সব চাইতে গুরুত্ব দেয়া উচিত। নতুবা যৌবনেই বার্ধক্য ভর করতে পারে।

৯) জীবন যাপন এবং ধারণের জন্য পানি ব্যতীত অন্যান্য সকল পানীয় না পান করলেও চলবে। বিশেষ করে মদ ও এনার্জি ড্রিংকসগুলো বাদ দিলে জীবনটা ভালোই যাবে।

১০) জীবনটা অনেক বেশি সুন্দর হবে যদি বর্তমানের সকল দিকে নজর দেয়া সম্ভব হয়। এতে করে ভবিষ্যতটাও আপনাআপনিই সঠিক হয়ে আসবে।

১১) যদি জীবনে সফলতা আনতে চান তবে অবশ্যই গণ্ডির বাইরে চিন্তা করা উচিত এবং সে হিসেবে নিজেকে তৈরি করে নেয়া উচিত।

১২) মানুষ পিছু কথা বলবেই এবং হিংসা বা নিন্দা করে চলবেই। তাই বোলে দমে থাকা বা নিজেকে গুটিয়ে নেয়ার কোনো অর্থ হয় না। এভাবেই এগিয়ে যেতে হবে জীবনে।

সূত্র: প্রিয় লাইফ

15
ফর্সা, কোমল ও দাগহীন ত্বক সকলেরই কাম্য। মুখের ত্বকে ব্রণ, মেছতা কিংবা অন্য কোনো কিছুর দাগ থাকলে স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাস কমে আসে। সেকারণে দাগহীন কোমল ত্বক পেতে অনেকে ত্বক বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও অনেকে অনেক ধরণের কাজ করে থাকেন। কিন্তু দাগহীন ফর্সা কোমল ত্বক পেতে এতো কিছু করার সত্যিই কোনো প্রয়োজন নেই। প্রকৃতিতেই রয়েছে অনেক কিছুর সমাধান। প্রাকৃতিক উপায়ে খুব সহজেই পেতে পারেন মনের মতো দাগহীন ফর্সা কোমল ত্বক। আর এতে সময়ও ব্যয় হবে খুব কম।

যা যা লাগবেঃ

– ২ টেবিল চামচ বেসন
– ১ চিমটি হলুদ গুঁড়ো
– পরিমাণমতো দুধ
– তৈলাক্ত ত্বক হলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস
– সামান্য মধু

পদ্ধতিঃ

– প্রথমে ত্বক বেশ ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। ফেশওয়াস ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক পরিষ্কার থাকতে হবে।
– এরপর একটি বাটিতে সবকটি উপকরণ (মধু বাদে) ভালো করে মিশিয়ে ঘন পেস্টের মতো তৈরি করে নিতে হবে। এবং পুরো মুখে, ঘাড়ে ও গলায় ভালো করে লাগিয়ে নিন।
– ২০ মিনিট মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। এরপর শুকিয়ে গেলে আলতো ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন।
– পানি দিয়ে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। ত্বক যেনো ভালো করে পরিষ্কার হয়ে যায়। এতে করে হলুদের হলদেটে ভাবও দূর হয়ে যাবে।
– এরপর আঙুলের ডগায় সামান্য মধু লাগিয়ে পুরো মুখে গোল গোল করে ঘুরিয়ে ম্যাসেজ করতে থাকুন। প্রায় ১০ মিনিট ম্যাসেজের পর হালকা গরম পানি দিয়ে ত্বক ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
– ত্বক ভালো করে ধোয়ার পর পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে মুখ শুকিয়ে নিন। এরপর প্রায় ৪/৫ ঘণ্টা ত্বকে কোনো ধরণের প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।
– সপ্তাহে মাত্র ২/১ দিন এভাবে মাত্র ৩০ মিনিট ব্যয়ে ত্বক হয়ে উঠবে দাগহীন, ফর্সা ও কোমল। ভালো ফল পেতে রাতে করুন এই ত্বকের যত্ন।

সূত্র: প্রিয় লাইফ

Pages: [1] 2 3 ... 16