Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - deanoffice-fahs

Pages: [1] 2 3 ... 5
1


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হোসেনের ল্যাব-টেস্ট মোতাবেক ব্রয়লার মুরগির মাংসে ২০০০ মাইক্রোগ্রাম, কলিজায়-৬১২ মাইক্রোগ্রাম, এবং মগজে- ৪০০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যান্সার সৃষ্টকারী বিষাক্ত ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে।

WHO-এর গাইডলাইন অনুসারে মানুষের শরীরে ক্রোমিয়ামের সহনশীয় মাত্রা ২৬-৩৫ মাইক্রোগ্রাম।

ফার্মের মুরগির ডিমেও আছে সহনীয় মাত্রার চেয়ে ৬-৭ গুণ বেশি ক্রোমিয়াম। এর কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে মুরগী ও মাছের ফিড তৈরিতে ক্রোমিয়াম মিশ্রিত টেনারির বর্জ্য ব্যবহার হয় যা পুরান ঢাকার টেনারিগুলো থেকে আসে। হাইকোর্টের একটি নিষেধাজ্ঞাও আছে এই ক্রোমিয়াম মেশানো নিয়ে।

চাষের মাছগুলোতে আছে উচ্চমাত্রার নাইট্রোফোরন ও আর্সেনিক। ক্রোমিয়াম, নাইট্রোফোরন ও আর্সেনিক ১ম সারির ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বিষাক্ত ক্যামিক্যাল। আর্সেনিক দিয়ে তো ইঁদুর মারার বিষ বানানো হয়।

এখন বলুন, সাধারণ মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন যোগান দেবে কোন খাবারটি?

গত সপ্তাহে মলা-ঢেলা মাছ কিনলাম ৪৫০ টাকা কেজি দরে। নদী ও সামুদ্রিক মাছের দাম আকাশচুম্বী! সহজলভ্য তেলাপিয়া, পাংগাস ও অন্যান্য মাছের শরীর নাইট্রোফোরন, ক্রোমিয়াম ও আর্সেনিকে ঠাসা, কারণ এই মাছগুলো ক্ষতিকর মাত্রার আর্সেনিকযুক্ত সেচের পানিতে চাষ হয় ও চাষে টেনারির বর্জ্য দিয়ে প্রস্তুত ফিড ব্যবহার করা হয়।

কোরবানির পশুর চামড়ার পশম পুড়তে ব্যবহৃত হয় ক্রোমিয়াম ও নাইট্রোফোরনযুক্ত ক্যামিক্যাল। চামড়া প্রসেজের পর উপজাত হিসেবে প্রাপ্ত হাজার-হাজার টন বর্জ্য পোল্ট্রি ও মাছের ফিড বানাতে ব্যবহার করা হয়।

কার্বো-হাইড্রেটের পরেই শরীরের জন্য বেশি দরকার আমিষ। সাধারণ মানুষ কোথা থেকে পাবে নির্মল আমিষ?

এসব খাবার বর্জন কতটা টেকসই সমাধান হতেপারে?

কেবল বোবা কান্নায় বুকটা ভার হয়ে থাকে!

এ দেশের ঘরে ঘরে এখন ক্যান্সার ও কিডনি রোগী। হঠাৎ করেই মারা যাচ্ছে অল্প বয়সী তরুণ-তরুণী!

কেউ কি বলতে পারেন, বিশ্বের কোন দেশে অসাধু ব্যবসায়ীরা এমন ধরনের নৈরাজ্য করার সুযোগ পায়? কোন দেশের শিক্ষিত সচেতন সমাজ এ ধরনের নৈরাজ্য বছরের পর বছর সহ্য করে যায়?

কেন অসাধু ব্যবসায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা হয় না? আমরা চাই দুষ্কৃতকারীদের শাস্তি হোক।মানুষ চাষ করা মাছ-মাংস খেতে নিশ্চিন্তে আমিষের অভাব পূরণ করার সুযোগ পাক।

https://bdview24.blog/%E0%A6%AD%E0%A7%9F%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A6%BE/

2
আমরা অনেকেই জানিনা যে, ভাত রান্নার পরে যে পানিটুকু আমরা ফেলে দেই তা খুবই পুষ্টিকর। ভাত যখন রান্না করা হয় তখন এর অধিকাংশ পুষ্টি উপাদান পানিতে চলে যায়, তাই এই মাড় ফেলে দেয়া উচিৎ নয়। ভাতের মাড়ের স্বাস্থ্য উপকারিতার পাশাপাশি সৌন্দর্য চর্চায় ও প্রচুর অবদান রাখতে পারে।

জাপানিজ মহিলাদের সৌন্দর্যের গোপন রহস্যের মুল উপাদান হচ্ছে ভাতের মাড়। তাদের নিখুঁত ও উজ্জ্বল ত্বক আমাদের সকলেরই আরাধ্য। শুষ্ক, তৈলাক্ত বা স্বাভাবিক যে কোন ধরণের ত্বকেই ভাতের মাড় ব্যবহার করা যায়। আসুন আজ আমরা যেনে নেই স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যে ভাতের মাড়ের উপকারিতা ও প্রয়োগ পদ্ধতি গুলো।

স্বাস্থ্য উপকারিতা:

১। এনার্জি বৃদ্ধি করে

ভাতের মাড় এনার্জি লেভেল বাড়ায়। এতে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট আছে যা শক্তির চমৎকার উৎস। আমাদের শরীর কার্বোহাইড্রেট ভেঙ্গে এনার্জি উৎপন্ন করতে পারে। সকালে এক গ্লাস ভাতের মাড় খেলে আপনি এনার্জি কমের কারণে দুর্বলতা বা মাথা ঘুরানো ভাব অনুভব করবেন না। ঠিক যেমন আমাদের দেশের কৃষক সারাদিন হার ভাঙ্গা পরিশ্রম করেও ক্লান্ত হন না কারণ তাঁরা সকালে ভাতের মার খেয়ে থাকেন।

২। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে

ভাতের মাড়ে প্রচুর ফাইবার থাকে। এছাড়াও স্টার্চ পাকস্থলির উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করে পেটের বর্জ্য নিষ্কাশনকে সহজতর করে।

৩। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে

ভাতের মাড় শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্রীষ্মের তাপদাহ প্রতিরোধ করার জন্য ভাতের মাড় পান করার পরামর্শ দেয়া হয়।

৪। ভাইরাস ইনফেকশন প্রতিকারে

জ্বরে শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে এবং বমি বন্ধ করতে ভাতের মাড় কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পুষ্টির ঘাটতি পূরণে এবং নিরাময় প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে ভাতের মাড়।
এছাড়াও ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা দূর করে, এক্সিমা ভালো করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, আলঝেইমার্স প্রতিরোধ করে। ভাতের মাড়ে ‘অরিজানল’ থাকে যা সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ভাতের মাড় পান করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে ৮টি গুরুত্ব পূর্ণ অ্যামাইনো এসিড আছে যা পেশীর পুনর্গঠনে সহায়তা করে।

সৌন্দর্যচর্চায় ভাতের মাড়ের উপকারিতা:

১। নিখুঁত চেহারা

আপনার মুখ ধুয়ে একটি সুতি কাপড়ের টুকরা মাড়ে ভিজিয়ে সারা মুখে লাগান। ভাতের মাড় চমৎকার স্কিন টোনার হিসেবে কাজ করে। মাড়ে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যাকে ‘ইনসিটল’ বলে প্রচুর পরিমাণে থাকে যা কোষের বৃদ্ধিকে প্রমোট করে, এজিং প্রসেসকে ধীর করে এবং রক্ত প্রবাহকে উদ্দীপিত করে যার ফলে ত্বক মসৃণ ও দীপ্তিময় হয়। এছাড়াও ভাতের মাড়ে ময়েশ্চারাইজিং, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও আলট্রা ভায়োলেট রে শোষণকারী উপাদান আছে। মাড় স্কিনে উৎপন্ন কপারকে আবদ্ধ করে যার ফলে মেলানিনের গঠন এবং এইজ স্পট বাঁধাপ্রাপ্ত হয়।

২। হেয়ার মাস্ক হিসেবে

লম্বা, সিল্কি ও চকচকে উজ্জ্বল চুলের জন্য ভাতের মাড় চমৎকার ভাবে কাজ করে।আপনার চুলে ও মাথার তালুতে ভালো করে মাড় লাগান, ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন তারপর শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
এছাড়া শ্যাম্পু করার পরে মাড় লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন তারপর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। মাড়ের প্রোটিন চুলকে শক্তিশালী করে ও মসৃণ করে।
সতর্কতা: গরম মাড় ব্যবহার করবেন না, এতে ত্বকে র‍্যাশ হতে পারে এবং পুরে যেতে পারে।


http://www.medicaladvicebd.com/details/5801

3
২০০৪ সালে নিপা ভাইরাস থাবা বসায় বাংলাদেশে। সেবার ৩৩ জনের মৃত্যু হয় এর প্রভাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুসারে, এখনও পর্যন্ত নিপার প্রভাবে ৪৭৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৫২ জনের।

নিপা বা নিভ প্রধানত বাদুর জাতীয় পশুর থেকেই ছড়ায়। নিপা অপেক্ষাকৃত নতুন ভাইরাস যা অতি সহজেই বাদুর জাতীয় তৃণভোজী প্রাণীর থেকে মানুষের দেহে প্রবেশ করে। শুধুমাত্র বাদুর নয়, নিপা শুয়োরের বর্জ থেকেও ছড়ায়।

১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ার নিপাতে প্রথম এই ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেয়। সেখানে বাড়ির পোষ্য কুকুর, বেড়াল, ঘোড়া, ছাগলের দেহে এই ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ওই অঞ্চলে প্রতিটি বাড়িতেই শুয়োর প্রতিপালন হয়।

গবেষণার পর দেখা যায়, সেই শুয়োরদের থেকেই নিপার প্রভাব ছড়িয়েছে পোষ্যদের দেহে। এরপর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

চিকিৎসকদের মতে, নিপা ভাইসারের আক্রমণে মৃত্যুর আশঙ্কা শতকরা ৭০ শতাংশ। সাধারণভাবে প্রথমে জ্বর এবং মাথা যন্ত্রণা ও ঝিমুনিই এই রোগের লক্ষণ। পরবর্তী পর্যায়ে জ্বর বাড়ে ও সেই সঙ্গে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেন রোগী। এরপর ধীরে ধীরে কোমাতে চলে যায় সে। আর এরপর মৃত্যু অনিবার্য।

এখনও পর্যন্ত এই রোগের চিকিৎসা বা প্রতিষেধক বাজারে আসেনি। ফলে, এর প্রকোপ সেভাবে আটকানো সম্ভব হয় না। তবে, এই নিয়ে বিস্তর গবেষণা শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে।


বিডি প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত তাফসীর

http://www.bd-pratidin.com/health-tips/2018/05/23/332325

4
প্রাকৃতিক শক্তির দিক থেকে লবঙ্গের কোনো বিকল্প নেই বললেই চলে।  বেশ কিছু আধুনিক গবেষণাতেও এই কথাটি প্রমাণিত হয়েছে।  শুধু তাই নয়, একথাও প্রমাণিত হয়েছে যে এই প্রকৃতিক উপাদানটি ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবেও কাজ করে।

লবঙ্গে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন কে, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম।  এই সবকটি উপাদানই নানাভাবে শরীরে কাজে লেগে থাকে।  বেশ কিছু আধুনিক গবেষণাতে দেখা গেছে, প্রাকৃতিক শক্তির দিক থেকে লবঙ্গের কোনো বিকল্প নেই।

১. অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজে পরিপূর্ণ:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে উপস্থিত একাধিক অ্যান্টি-অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ যেকোনো ধরনের জীবাণুকে মেরে ফেলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো সংক্রমণের থেকে দূরে থাকতে অনেকেই নিয়মিত লবঙ্গ খেয়ে থাকেন।

২. লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ায়:
লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের মধ্যে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শুধু লিভার নয়, শরীরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৩. দাঁতের ব্যাথা নিমেষে কমে:
লবঙ্গতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু বিক্রিয়া করে যে নিমেষে দাঁতের যন্ত্রণা কমে যায়। তাই তো এবার থেকে দাঁতে অস্বস্তি বা মাড়ি ফোলার মতো ঘটনা ঘটলে কয়েকটা লবঙ্গ চা খেয়ে নেবেন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৪. ত্বকের সংক্রমণ সারাতে কাজে আসে:
এবার থেকে কোনো ধরনের ত্বকের সংক্রমণ হলেই চোখ বুজে ক্ষতস্থানে লবঙ্গের রস বা এই প্রকৃতিক উপাদানটি দিয়ে বানানো চা লাগাতে ভুলবেন না। এমনটা করলে দেখবেন কষ্ট কমতে একেবারে সময়ই লাগবে না।  আসলে লবঙ্গে উপস্থিত ভোলাটাইল অয়েল শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে জীবাণুদেরও মেরে ফেলে।  ফলে সংক্রমণজনিত কষ্ট কমতে একেবারেই সময় লাগে না।

৫. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
লাঞ্চ বা ডিনারের আগে লবঙ্গ দিয়ে বানানো এক কাপ গরম গরম চা খেলে হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে পেটের দিকে রক্ত প্রবাহেরও উন্নতি ঘটে। ফলে খাবার হজম হতে সময় লাগে না। তাই যাদের কম ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার খেলেও বদ-হজম হয়, তারা লবঙ্গ চা পান করে একবার দেখতে পারেন।

৬. জ্বরের প্রকোপ কমায়:
লবঙ্গে থাকা ভিটামিন কে এবং ই, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে শরীরে উপস্থিত ভাইরাসেরা সব মারা পরে। ফলে ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না।  প্রসঙ্গত, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার হয়ে যাওয়ার পর সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়।

সূত্র: বোল্ডস্কাই
http://www.bd-pratidin.com/life/2018/05/14/330066

5
হজমশক্তি কমে গেলে দেহে পুষ্টির অভাবে বাসা বাঁধা শুরু করে নানা ধরণের রোগ। এমনকি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে ওজনও। তাই আমাদের দেহের পরিপাকযন্ত্র সুস্থ রাখা এবং হজমশক্তি ঠিক রাখার জন্য আমাদের সচেষ্ট হতে হবে।

এমন কিছু খাবার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখার চেষ্টা করুন যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে দেহ সুস্থ রাখবে-

আদা হজমের শক্তি বৃদ্ধি করতে অনেক প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে। আদা দেহের টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। আদায় রয়েছে ‘জিনজারোলস’ যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পরিপাকক্রিয়া দ্রুত করে। সকালে এক কাপ আদা চা এবং রান্নায় আদার ব্যবহার কিংবা কাঁচা আদা খাওয়া পরিপাকযন্ত্র সুস্থ রাখে।

রসুন দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। রসুনের অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান যেকোন ধরণের ঠাণ্ডা কাশি, ভাইরাল ইনফেকশন দূর করার সাথে সাথে আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধিতেও কাজ করে। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি কাঁচা রসুন দেহের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী।

দারুচিনিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাংগানিজ যা দেহের ফ্যাটি এসিড হজম করতে সাহায্য করে। এবং এটি আমাদের রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। রান্নায় দারুচিনি ব্যবহার আমাদের দেহের পরিপাকযন্ত্র এবং হজমশক্তি বৃদ্ধির জন্য অনেক কার্যকরী।

http://www.bd-pratidin.com/life/2018/05/13/329794

6
খাবার খাওয়ার পর তা অন্ত্রে রাসায়নিক রূপান্তরের ফলে সৃষ্টি হয় কিছু উপাদান, যা দীর্ঘকাল ধরে শরীরে থাকার জন্য পরিণত হয় বিষাক্ত উপাদানে। তবে এটা দূর করাও সম্ভব।

শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য শরীর বিষমুক্ত রাখা একান্ত প্রয়োজন। নিয়মিত সহজলভ্য কিছু খাবার গ্রহণের মাধ্যমে আমরা আমাদের শরীর থেকে এই বিষাক্ত উপাদানগুলো দূর করতে পারি।

তিতা খাবারঃ

তিতা খাবার আমাদের শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিরতার পানি অথবা করলা কিংবা নিমপাতার রসের জুড়ি নেই।

তাজা ফলঃ

তাজা ফলে আছে ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার ও কম ক্যালোরি যা শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদানগুলো নির্মূলে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে চোখ ও ত্বককে উজ্বল করে এবং হজম শক্তি বাড়ায়।

গ্রীন টি:

শরীর থেকে বিষাক্ত জৈব রাসায়নিক নির্মূলে গ্রিন-টি’র কোনো বিকল্প নেই। তরল এই খাবার আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এটি শুধু চা নয়, একে ওজন কমানোর ঔষুধও বলা চলে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

রসুনঃ

আমরা সবাই জানি হৃৎপিণ্ডের সুস্থতার জন্য সবচেয়ে উপকারী খাদ্য রসুন। এতে রয়েছে এলিসিন নামক রাসায়নিক উপদান যা রক্তে শ্বেত রক্তকণিকা উৎপাদন ও টক্সিন নির্মূলে সাহায্য করে। রস‍ুন কাচা খাওয়া সবচেয়ে উপকারী ।

লেবু:

লেবুতে আছে একগুচ্ছ ডিটক্স ডাইট যা টক্সিন নামক বিশেষ প্রকার জৈব, যা বিষ নির্মূলে সহায়তা করে। এছাড়া লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা দাঁত ও ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। তাছাড়া লেবুর ক্ষারীয় প্রভাব আপনার শরীরে অম্লতার ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে। প্রতিদিন এক ফালি লেবুর সাথে গরম পানি আপনার শরীর থেকে বিষ নির্মূল করবে ।


http://www.medicaladvicebd.com/details/6094

7
বর্তমানে টাকা সংগ্রহের ক্ষেত্রে জনপ্রিয় একটি মাধ্যম এটিএম। কিন্তু এটিএম-এ যদি নকল নোট হাতে আসে, তখন কি করবেন? কেননা সেই মুহূর্তে কেউ এর সাক্ষী থাকে না।

এটিএম-এ নকল নোট রোধ করতে বিভিন্ন ধাপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাও যদি আসে তখন গ্রাহককে বিপাকে পড়তে হয়। কেননা বিদেশে এটিএম রিসিপ্টে কারেন্সির নম্বর উল্লেখ থাকে, কিন্তু বাংলাদেশে শুধু কত টাকা তোলা হচ্ছে তার অ্যামাউন্টই উল্লেখ থাকে।

এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এরকম সন্দেহ হলে প্রথমেই নোটটি সিসিটিভি-র সামনে ধরা উচিত। যাতে স্পষ্ট বোঝা যায় যে নোটটি এটিএম-থেকেই পাওয়া গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে এটিএম-এ যে নিরাপত্তারক্ষী আছেন তার কাছে নোটের ডিটেলস দিয়ে অভিযোগ দায়ের করে রাখা শ্রেয়। এতে নোটটি এটিএম থেকে কোন সময়ে বেরিয়েছে, তা স্পষ্ট হবে।

পাশাপাশি যে ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট আছে সেখানেও সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগ জানিয়ে রাখতে হবে। প্রয়োজন হলে রিজার্ভ ব্যাংকেও। এছাড়া পুলিশের কাছেও অভিযোগ দায়ের করতে হবে।

তদন্ত চলাকালীন সিসিটিভি ফুটেজই প্রমাণ করবে নোটটি এটিএম থেকে বেরিয়েছে। প্রমাণ দেবে নিরাপত্তারক্ষীর কাছে জমা হওয়া অভিযোগও। একই সঙ্গে ব্যাংকও জানাবে যে গ্রাহক, এই অসুবিধার কথা জানিয়েছেন।

বিডি প্রতিদিন/ ১০ মে ২০১৮/ওয়াসিফ
http://www.bd-pratidin.com/life/2018/05/10/329074

8
গরমকালে আমা, লিচু, তরমুজ, কাঁঠালের মতো নানারকমের সুস্বাদু ফল পাওয়া যায়। এই ফলগুলির মধ্যে সব থেকে বেশি চাহিদা অবশ্য ফলের রাজা আমের। কাঁচা আমের টক থেকে পাকা আমের সরবত সবই যেন অমৃত এই গরমে।

তবে শুধু আমই নয়, আমের আঁটি বা বীজেও রয়েছে নানা উপকারিতা। এমনই জানাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা। দেখে নিন কী কী উপকার পাবেন আমের আঁটি থেকে-

১। খুশকির সমস্যায় আমের আঁটি খুব উপকারী। আমের আঁটি শুকিয়ে গুঁড়ো করে তা স্ক্যাল্পে লাগাতে পারেন। অথবা জলের সঙ্গে মাথায় ঘষুন। এতে খুশকি কমে।

২। আম খেলে ব্লাড সুগার বেড়ে যায়। কিন্তু আমের বীজ খেলে তার প্রতিক্রিয়া পুরো ভিন্ন হয়। আমের বীজ খেলে ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৩। ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকলে আমের বীজের নির্যাস খেতে পারেন। ফ্যাট বার্ন ররতে আমের বীজ অত্যন্ত কার্যকরী।

৪। ডায়েরিয়া হলে আমের বীজ শুকিয়ে গুঁড়ো করে, তা পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

৫। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও আমের বীজ খুবই কার্যকরী।

http://www.bd-pratidin.com/health-tips/2018/04/28/326040

9
চুল পড়া এখন অনেকের নিত্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যা থেকে উত্তরণে আমরা কত কিছুই না ব্যবহার করে থাকি। অনেকেই ঝরে পড়া চুল নতুন করে গজানোর আশায় বিভিন্ন কোম্পানির উর্ভরজাত পণ্য বা ওষুধ ব্যবহার করেন। চুল না থাকা সত্ত্বেও মাথার পরিপূর্ণ সৌন্দর্য ধরে রাখতে কেউ কেউ নকল চুলও ব্যবহার করেন।

যাহোক, চুল পড়া ঠেকাতে পেয়ারা পাতা বেশ কার্যকরী বলে জানিয়েছেন একদল বিজ্ঞানী। চুল পড়া রোধে পেয়ারা পাতার ব্যবহার সবচেয়ে কার্যকরী এবং প্রাকৃতিক উপায় বলে বর্ণনা করেছেন তারা।

গবেষকদের দাবি, পেয়ারা পাতা নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মাথার চুলের ঝরে পড়া রোধ হয় এবং চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। পেয়ারা পাতায় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন বি যা স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য খুবই উপকারী।

পেয়ারা পাতা অবশ্যই মাথার চুল ঝরে পড়া রোধ করবে। সেইসঙ্গে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। এটি চুলের সংযুক্তিস্থল অর্থাৎ গ্রন্থিকোষ ও শিখড়কে অনেক শক্ত করে।

ব্যবহারের বিধিমালা : কয়েকটি পেয়ারা পাতা পরিষ্কার পানিতে ২০ মিনিট সিদ্ধ করার পর এর সঙ্গে ঠাণ্ডা পানির মিশ্রণ দিতে হবে। এরপর তা মাথার খুলিতে দিয়ে এক ঘণ্টা পর মাথা পরিষ্কার করতে হবে। এই পদ্ধতিতে ভালো ফল পাওয়ার জন্য রাতে ঘুমানোর আগে করাই সবচেয়ে ভালো।


http://www.bd-pratidin.com/life/2018/04/19/323592

10
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের নানা পরিবর্তন আসে। এর মধ্যে একটি হলো বিস্মৃতি। আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত হয়ে স্মৃতি হারিয়ে ফেলেছেন, এমন মানুষ কম নন। বিস্মৃতি ছাড়াও এতে বৃদ্ধিবৃত্তির অবনতি, উদাসীনতা, কথা বলতে সমস্যা, কথা জড়িয়ে আসা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। বিস্মৃতির এই রোগের জন্য মস্তিষ্কের বিশেষ ধরনের প্রোটিনকে দায়ী করা হলেও ইদানীং বলা হচ্ছে, কিছু খাদ্যাভ্যাস এই রোগ প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

সিলিকন ও কোলিনযুক্ত খাবার এ ধরনের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে বলে প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। খাবার প্রক্রিয়াজাত ও রান্না করার সময় সিলিকন নষ্ট হয়ে যায়। সিলিকনকে সরাসরি মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়ানো হচ্ছে ইদানীং। গরুর মগজ, কলিজা, লেটুস পাতা, পেঁয়াজ, গাঢ় সবুজ সবজি, দুধ, নারকেল ইত্যাদি খাওয়া ভালো। ময়দার চেয়ে আটায় সিলিকন বেশি।

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। ভিটামিন বি১২, ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, বিটা ক্যারোটিন ও ফলিক অ্যাসিড খেতে হবে পর্যাপ্ত। কোলিন নামের অ্যামিনো অ্যাসিড আছে শিম, বরবটি ও বীজ জাতীয় খাবারে, যা মস্তিষ্কে এসিটাইল কোলিন নামের গুরুত্বপূর্ণ নিউরোট্রান্সমিটার তৈরিতে সহায়ক। এ ছাড়া বলা হয় ওমেগা ৩ ফ্যাট বিস্মৃতির ঝুঁকি প্রায় ২৫ শতাংশ কমাতে পারে। এই ফ্যাট আছে মাছ, বাদাম ও জলপাই তেলে। দারুচিনি, হলুদ, পেঁয়াজ, ধনেপাতার মতো মসলা নিয়মিত খেলে মস্তিষ্কে অ্যামাইলয়েড প্রোটিন কম জমে ও প্রদাহ কম হয় বলে প্রাচ্যের লোকেদের পাশ্চাত্যের তুলনায় আলঝেইমার রোগ কম হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। বেদানা, আনার, আপেল, জাম্বুরা ইত্যাদিও মস্তিষ্কে প্রদাহবিরোধী।
আখতারুন নাহার, পুষ্টিবিদ

https://www.ebanglahealth.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a7%82/

11
একটানা বসে থাকা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। অফিসে বা বাড়িতে বসে কাজ করাটাই হয়তো আপনার জীবনপদ্ধতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবুও এর মাঝে একটু হাঁটাচলা করা প্রয়োজন।

একটানা বসে থাকার ফলে মুটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। ডায়াবেটিস ও হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ে। আবার একটানা একই ভঙ্গিতে বসে থাকার ফলে ঘাড় বা পিঠে ব্যথাও হতে পারে। অথচ আজকের শিশুরাও আধুনিক প্রযুক্তিপণ্য হাতে নিয়ে বসে বসেই পার করে দিচ্ছে শৈশব।

গবেষণায় দেখা গেছে, যিনি প্রতিদিন একটানা বসে থাকেন, নিয়মিত ব্যায়াম করলেও তিনি বসে থাকার ফলে সৃষ্টি হওয়া সমস্যাগুলোর ঝুঁকি এড়াতে পারেন না। তাই ছুটির দিনগুলোতে শিশুকে বাইরে নিয়ে যান। দৌড়ঝাঁপ করে খেলুন ওর সঙ্গে। শিশুর স্কুলে খেলার সুযোগ রয়েছে কি না, খোঁজ নিন। বাইরে খেলতে উৎসাহ দিন।

অফিসে কাজের পরিবেশ ও নিয়মকানুন হয়তো বদলে ফেলতে পারবেন না। পরিবর্তন আনুন নিজের মাঝে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে একটু সময়ের জন্য হলেও চেয়ার ছেড়ে উঠুন। হাত ও পায়ের বিভিন্ন জয়েন্ট বা অস্থিসন্ধি নাড়ান।
অফিসে ডেস্কে কাজের মাঝে দুই মিনিট সময় পেলে হয়তো ইন্টারনেট ব্রাউজ করেন আপনি কিংবা মুঠোফোনটা হাতে নিয়ে থাকেন। এটা না করে বরং দুই মিনিটের এই খুদে বিরতিতেই চেয়ার ছেড়ে একটু হেঁটে আসুন। সহকর্মীর ডেস্কে গিয়ে কুশল বিনিময় করে আসুন। কিংবা জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়ান। বসে হালকা ব্যায়ামও করতে পারেন।

বাড়িতেও একই নিয়ম মেনে চলুন। কম্পিউটারে বা টেবিলে বসে কাজ করার সময় মাঝে মাঝে সামান্য বিরতি নিয়ে হাঁটাচলা করুন। টেলিভিশন দেখার অভ্যাস কমিয়ে আনুন। কম্পিউটার, মুঠোফোনসহ সব ধরনের ডিজিটাল ডিভাইসের ওপর নির্ভরশীলতা কমান। বাড়ির বারান্দা কিংবা ছাদে একটু সময় কাটান।

ডা. রাফিয়া আলম, স্কয়ার হাসপাতাল
সোর্স – প্রথম আলো।

https://www.ebanglahealth.com/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%a8%e0%a7%9f/

12
অনেকেরই নাকে পলিপ হয়। নাকে পলিপ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেটা অস্ত্রোপচার করিয়ে ফেলতে হবে।

অনেকেই নাকের মধ্যে মাংসপিণ্ডের মতো দেখায় সেটাকে পলিপ বলে ভুল করেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এগুলো পলিপ নয়। নাকের ভেতর এ ধরনের মাংসপিণ্ড স্বাভাবিক ব্যাপার। একটু ঠান্ডা লাগলে বা সর্দি থাকলে নাকের মধ্যে এই মাংসপিণ্ডগুলো ফুলে আবির্ভূত হয়। সর্দি চলে গেলে সেগুলোও চলে যায়।

আর নাকের পলিপ নির্ণয় করবেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। এ ক্ষেত্রে রোগী নাকবন্ধ, সর্দি ইত্যাদি দীর্ঘমেয়াদি উপসর্গ নিয়ে আসে।

পলিপ অস্ত্রোপচার করার পর আবার হতে পারে। তবে অস্ত্রোপচারই সবচেয়ে ভালো নিরাময় পদ্ধতি।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, হলিফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ

https://www.ntvbd.com/health/184709/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AA-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8.

13
Public Health / টাইফয়েডের নতুন টিকা
« on: March 08, 2018, 12:56:28 PM »
টাইফয়েড এমন এক জ্বর, যার নাম শুনলেই অনেকের জ্বর এসে যায়। এই জ্বর প্রতিরোধ ও নিরাময়ে মানুষের চেষ্টার শেষ নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) টাইফয়েডের একটি নতুন টিকা সুপারিশ করেছে, যে টিকা প্রায় ৯০ শতাংশ কার্যকর। অর্থাৎ, এই টিকা গ্রহণকারী প্রতি ১০ জনের মধ্যে নয়জনই টাইফয়েড জ্বরের হাত থেকে বাঁচতে পারবেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই টিকা টাইফয়েড জ্বর মোকাবিলায় ‘বিরাট প্রভাব’ ফেলবে। প্রতিবছর ২ কোটি ২০ লাখ লোক টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে মারা যায় ২ লাখ ২০ হাজার।

টাইফয়েড সংক্রমণের উচ্চ মাত্রার ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা। নতুন এই টিকার গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এটি শিশুদের দেওয়া যায়। বর্তমানে টাইফয়েডের দুটি টিকা অনুমোদিত রয়েছে। এই টিকা দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের দেওয়া যায় না। কিন্তু নতুন টিকাটি ছয় মাস বয়সী শিশুদের দেওয়া যায়। এই টিকা ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে টাইফয়েড নির্মূলে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
টাইফয়েড জ্বরের কারণ সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যকটেরিয়ায় সংক্রমিত ব্যক্তি দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, মাথাব্যথা, বমিভাব, ক্ষুধামন্দা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগে। টাইফয়েডে আক্রান্ত ১০০ জনের মধ্যে একজন মারাত্মক জটিলতায় পড়ে। এই সালমোনেলা টাইফি ব্যকটেরিয়া অত্যন্ত সংক্রামক এবং দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে—এমন অঞ্চলে বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া ও সাব-সাহারান আফ্রিকায় সচারচর এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

সংক্রমণ ঠেকাতে টাইফয়েডের দুটি টিকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনোটিই দুই বছরের শিশুদের দেওয়ার অনুমোদন নেই।

নতুন টিকাটি তৈরি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অব এক্সপার্টস অন ইম্যুনাইজেশন (এসএজিই)। এসএজিইর চেয়ারম্যান প্রফেসর আলজান্দ্রো ক্রেভিয়েতো বলেন, ‘এই প্রথমবারের মতো আমি মনে করি, আমরা খুবই কার্যকর টিকা পেয়েছি।’

ক্রেভিয়েতো বলেন, এই টিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, টাইফয়েডের ‘বিপুলসংখ্যক’ জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে ওঠায় বর্তমানে এই রোগের প্রচলিত চিকিৎসা ‘শেষ সীমায়’ পৌঁছে গেছে।

এই টিকার ‘ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল’ চালায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। পরে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন গত মাসে প্রকাশিত চিকিৎসা সাময়িকী ল্যানসেটে। ‘চ্যালেঞ্জপূর্ণ এই পরীক্ষায়’ ১১২ জনকে টিকা দেওয়া হয় এবং পরে তাঁদের শরীরে টাইফয়েডের জীবাণু সংক্রমিত করা হয়। এতে দেখা যায় টিকাটি ৮৭ শতাংশ কার্যকর।

পরীক্ষাটি পরিচালনকারী প্রফেসর অ্যন্ড্রিউ পোলার্ড বিবিসিকে বলেন, ‘টাইফয়েড প্রতিরোধে এই টিকা বিরাট প্রভাব ফেলবে।’

সূত্র – প্রথম আলো।
Tags: অ্যান্টিবায়োটিক

https://www.ebanglahealth.com/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be/

14
এটা বলে দেওয়ার অপেক্ষা রাখে না যে, দুধ নিঃসন্দেহে একটি সুপারফুড। সমস্ত বয়সের মানুষের জন্য দুধ উপকারী। দুধে এমন কিছু উপদান থাকে, যা শরীরের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।

সম্প্রতি ফুড সায়েন্স এবং নিউট্রিশন জার্নালে একটি তথ্য প্রকাশ হয়েছে, যে সমস্ত গরু শুধুমাত্র ঘাস খায়, সেই গরুর দুধ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। ঘাস খাওয়া গরুর দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ওমেগা থ্রি, যা হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

আমাদের শরীরের উপকারের জন্য ওমেগা সিক্স এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড খুবই প্রয়োজনীয় দুটি উপাদান। তবে, প্রচুর পরিমাণে ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড এবং খুব কম পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণ করলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। পাশাপাশি ওবেসিটি এবং ডায়াবিটিসের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

তাই গবেষকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, শুধুমাত্র ঘাস খায় এমন গরুর দুধ খেতে। কারণ একমাত্র ঘাস খাওয়া গরুর দুধেই রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এবং এই দুধ আমাদের শরীরে ওমেগা সিক্স এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে। এর ফলে হৃদরোগ সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।


বিডি প্রতিদিন/ আব্দুল্লাহ সিফাত তাফসীর
http://www.bd-pratidin.com/health-tips/2018/03/03/311125

15
Looking for the path toward a healthier you? It's not hard to find. The journey begins with some simple tweaks to your lifestyle. The right diet, exercise, and stress-relief plan all play a big role.
Follow a Heart-Healthy Diet

There's an easy recipe if your goal is to keep away problems like heart disease and strokes.

    Eat more fruits and veggies.
    Choose whole grains. Try brown rice instead of white. Switch to whole wheat pasta.
    Choose lean proteins like poultry, fish, beans, and legumes.
    Cut down on processed foods, sugar, salt, and saturated fat.

When eating healthy, flexibility often works best, says Joyce Meng, MD, assistant professor at the Pat and Jim Calhoun Cardiology Center at UConn Health. If you like to follow a strict diet plan, go for it. If not, it's OK. "Find what works for you."

Tricia Montgomery, 52, the founder of K9 Fit Club, knows first-hand how the right diet and lifestyle can help. For her, choosing healthy foods and planning small, frequent meals works well. "I don't deny myself anything," she says. "I still have dessert -- key lime pie, yum! -- and I love frozen gummy bears, but moderation is key."

https://www.webmd.com/balance/features/health-tips-heart-mind-body#1

Pages: [1] 2 3 ... 5