Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - sadiur Rahman

Pages: [1] 2 3 ... 10
1
পেনড্রাইভ তো এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় ডিভাইসগুলোর মধ্যে অন্যতম। ডাটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য এবং সবচেয়ে হালকা মাধ্যম হলো পেনড্রাইভ। ব্যবহারকারী কী ধরনের কাজ করবে, তার ওপর ভিত্তি করে পেনড্রাইভের মেমরি সাইজ ঠিক করা উচিত। যদি আপনার কাজকর্ম অনেক বেশি ডাটা নিয়ে হয়ে থাকে, তবে আপনার জন্য বাজারে রয়েছে ৩২ থেকে ৫১২ গিগাবাইট পর্যন্ত পেনড্রাইভ। ডাটা ট্রান্সফার স্পিড একটি অন্যতম জরুরি বিষয়। বাজারে এখন সর্বত্র ইউএসবি ৩.০ জেনারেশনের পেনড্রাইভ পাওয়া যায়। যার দাম একটু বেশি এবং সর্বনিম্ন ৩০ মেগাবাইট থেকে সর্বোচ্চ ৪.৮ গিগাবাইট পার সেকেন্ড স্পিডে ডাটা আদান-প্রদান করতে পারে। কিন্তু ইউএসবি ৩.০ জেনারেশন পেনড্রাইভ সমর্থন করে এমন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপগুলোতেই শুধু এটি ডাটা আদান-প্রদানে এমন স্পিড দেবে, অন্যথায় তা বাজারের সাধারণ অর্থাৎ ইউএসবি ২.০ সংস্করণের মতো কাজ করবে। কেনার আগে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে, ব্যবহারকারী যে অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে, সেই অপারেটিং সিস্টেমে ওই পেনড্রাইভের সংস্করণটি সমর্থন করবে কি না। সাধারণত সব পেনড্রাইভই উইন্ডোজ এক্সপি থেকে উইন্ডোজ ১০ সব উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সংস্করণগুলোতে সমর্থন করে। তবে আপনি যদি লিনাক্স কিংবা আইওএস ইউজার হন, সে ক্ষেত্রে আগে নিশ্চিত হয়ে তারপর কিনবেন। অনেকেই ব্র্যান্ডের পেনড্রাইভ খুঁজে থাকেন। বাজারে ট্র্যান্সসেন্ড, এ-ডাটা, অ্যাপাচার, এইচপি ব্র্যান্ডের পেনড্রাইভ সবচেয়ে বেশি চলছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে চায়নিজ ব্র্যান্ডের নিম্নমানের পেনড্রাইভগুলো ঠিকমতো ডাটা স্টোর করে রাখতে পারে না এবং ডাটা ট্রান্সফার হয় অনেক ধীরে ধীরে। এ ক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি দেখে পছন্দের ব্র্যান্ডের মধ্যে বেছে নিতে পারেন আপনার পেনড্রাইভটি।

বাজারে সাধারণত ৮ গিগাবাইটের পেনড্রাইভ ৫০০-৬৫০ টাকার মধ্যে পাবেন। ১৬ গিগাবাইটের পেনড্রাইভের দাম পড়বে ১০০০-১২৫০ টাকার মধ্যে। যাঁরা একটু বেশি ডাটা ধারণে সক্ষম পেনড্রাইভ খুঁজছেন, তাঁরা ১৬০০-২০০০ টাকায় ৩২ গিগাবাইটের পেনড্রাইভ পেয়ে যাবেন। একটি বিষয় জেনে রাখতে হবে, যত দামি বা ভালো ব্র্যান্ডের পেনড্রাইভই হোক না কেন, নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত ব্যবহারের পর সব পেনড্রাইভেরই ডাটা ট্রান্সফার রেট ধীরগতির হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে ভালো স্পিড পেতে আরেকটি পেনড্রাইভ কিনে নেওয়াই উত্তম।

সুত্র ঃ http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2019/04/20/760762

2
সিনেমা বা টিভির স্ক্রিপট বা চিত্রনাট্য নিয়ে আলোচনা বা লেখার শখ আমাদের অনেকেরই আছে, অনেকেরই মাথায় হয়ত অনেক নিত্যনতুন আইডিয়া অথবা গল্পের ধারনা আসছে প্রতিনিয়ত কিন্তু কিভাবে সেই গল্পটিকে চিত্রনাট্যে রুপান্তর করতে হবে সেই সমন্ধে আমাদের ধারনা খুব একটা পরিষ্কার নয়। এসো দেখে নেওয়া যাক ১০টি ধাপে একটি পেশাগত চিত্রনাট্য লেখার কয়েকটি সহজ পদ্ধতিঃ

১। প্রথমে বুঝতে হবে চিত্রনাট্য ঠিক কাকে বলে? স্ক্রিপ্ট বা চিত্রনাট্য হল তোমার গল্পের এমন একটি আকার বা পরিকল্পনা যাতে তোমার গল্পের সম্পূর্ন বর্ননা থাকবে অর্থাৎ অডিও, ক্যামেরা, ডায়লগ এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সম্বন্ধে একটি সু-স্পষ্ট ধারনা থাকবে যাতে কিনা তুমি না থাকলেও তোমার লেখাটি দেখে কেউ তোমার কাজটি করতে পারবে যাতে তোমার ভিশন সম্বন্ধে সু-স্পষ্ট নির্দেশ থাকবে। তবে এটিও ঠিক কোন একটি সিনেমা বা ধারাবাহিকের চিত্রনাট্য কারো একার লেখার ফসল নয়, এটি বহুবার পরিচালক ও প্রযোজকের দ্বারা পরিবর্তিত ও পুনলিখিত হয়।

২। নিজের পছন্দের সিনেমা আথবা ধারাবাহিকের চিত্রনাট্য পড়ার অভ্যেস করতে হবে। সেটা অনলাইন থেকে নেওয়া হোক বা কোন বই থেকে পড়ে বুঝতে হবে কি করে একটি পেশাগত চিত্রনাট্য লেখা হয় এবং তার ফরম্যাটটি ঠিক কিরকম।

৩। নিজের আইডিয়া অথবা কনসেপ্ট সমন্ধে একটি পরিষ্কার ধারনা থাকতে হবে। মনেমনে তোমার আইডিয়ার একটি আউটলাইন তৈরী করে নিতে হবে অর্থাৎ তুমি কি লিখবে?, কিরকম চরিত্র সেখানে তুমি রাখবে?, প্রতিটা সম্পকের সমীকরন কিরকম হবে?, তোমার চরিত্র গুলি কিভাবে কথাবার্তা চালাবে? এবং কেন? তোমার এই গল্পের মাধ্যমে কি তুমি তোমার দর্শকে কি কোন মেসেজ দিতে চাইছ? চাইলে সেটি কি? দরকার হলে একটি নোট লিখে রাখা যেতে পারে।

৪। স্ক্রিপ্টের সম্ভাব্য দৈঘ্য মাথায় রেখে স্ক্রিপ্ট লিখতে বসতে হবে। সাধারনত একটি ২ ঘন্টার স্ক্রিপ্টের দৈঘ্য ১২০ পৃষ্ঠা হয়। আর যদি সেটি সেলটেক্স, ফাইনাল ড্রাফটের মত সফটওয়ারে লেখা হয় তবে সেক্ষেত্রে একটি পেজের দৈর্ঘ্য এক মিনিট হিসেবে ধরা হয়। তবে আরো একটি বিষয়ও মাথায় রাখা ভাল যে সাধারন ভাবে দুই থেকে আড়াই ঘন্টার চিত্রনাট্যই সবচেয়ে বেশি গ্রহন যোগ্য হয়। এর থেকে বেশী হলে সেটিকে চিত্রনাট্য হিসেবে না লিখে নভেল হিসেবে লেখাই ভাল।

৫। সাধারনত তিনটি অ্যাক্ট-এ একটি চিত্রনাট্য লেখা হয়। এই তিনটি অ্যাক্ট কে মূল চিত্রনাট্যের তিনটি খুটি হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটি অ্যাক্ট প্রতিটির থেকে স্বতন্ত্র হয়। তিনটি অ্যাক্ট মিলিয়ে একটি চিত্রনাট্য সম্পূর্ন হয়।

অ্যাক্ট – ১

এখানে মূলত গল্পের মূল সেটআপ টি তৈরি করা হয়, মূল চরিত্র গুলির সাথে পরিচয় ঘটানো হয় পাঠকের। গল্পের প্রটাগনিষ্ট এর আবির্ভাব ও এখানেই হয় এবং তার উদ্দেশ্য ঠিক করা হয়। এর পর শুরু হয় অ্যাক্ট ২। অ্যাক্ট ১ সাধারন গল্পের ক্ষেত্রে ৩০ পৃষ্ঠা আর কমেডির ক্ষেত্রে ২৪ পৃষ্ঠার হয়।

অ্যাক্ট – ২

এটি গল্পের মূল অংশ এখানে প্রটাগনিষ্ট সমস্ত বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে সমস্যার সমাধানের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে যাবে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তার কাজের দ্বারা পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত রাখবে। এই অ্যাক্টটি ড্রামার ক্ষেত্রে সধারনত ৬০ পৃষ্টার এবং কমেডির ক্ষেত্রে ৪৮ পৃষ্টার হয়ে থাকে।

অ্যাক্ট – ৩

তৃতীয় অ্যাক্টে গল্প উপসঙ্ঘারের দিকে এগোয়। গল্পের টুইস্ট এই ভাগেই সাধারনত তৈরি হয়ে থাকে কারন গল্পের বিষয়-বস্তু দ্বিতীয় ভাগেই যথারীতি পরিষ্কার হয়ে গেছে। এই ভাগে গল্প দ্রুততার সঙ্গে এগোয় সমস্যার মূল সমাধানের দিকে। এটি সাধারন ড্রামার ক্ষেত্রে ৩০, এবং কমেডির ক্ষেত্রে ২৪ পৃষ্ঠার হয়।

৬। সিকোয়েন্স বা ক্রম সাজানো। এইটি মূল গল্পের অংশ হলেও গল্পের থেকে এটি পৃথক অর্থাৎ গল্পের বিষয় সম্বন্ধীয় নাও হতে পারে। অনেক সময় একটি সম্পূর্ন পৃথক বিষয় এবং পৃথক টেনশনের এটি জন্ম দিতে পারে। একটি আদর্শ সিকোয়েন্স সাধারনত ১০-১২ পৃষ্ঠার হয়ে থাকে।

৭। সিন লেখা। অনেকগুলি সিকুয়েন্স মিলে একটি সিন তৈরি হয়। সিন লোকেশনে শ্যুট করা হয়ে থাকে। এক এক-একটি সিন গল্পকে ধিরে ধিরে এগিয়ে নিয়ে যায়।

যদি কোন সিন শ্যুট করার অনুপযোগী বলে মনে করা হয় তবে সেটিকে স্ক্রীপ্ট থেকে বাদ দেওয়াই ভাল।

৮। ডায়লগ লেখা। একবার সিন এর ধারনা তৈরি করে নিলে তারপরে যেটি সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সেটি হল ডায়লগ। এটিই একটি চিত্রনাট্যের সবচেয়ে শক্ত কাজ। ডায়লগই প্রতিটি চরিত্রের চারিত্রিক বৈশিষ্ট গুলি ফুটিয়ে তোলে। এটি সবসময় বাস্তবধর্মী নাও হতে পারে কারন আমাদের বাস্তব কথপকথন গুলো খুবই সরল ও সাদামাটা গোছের হয়। তাই সিনেমাকে বাস্তবধর্মী করতে গেলে যে খুব সাদামাটা ডায়লগ চরিত্রের মুখে বসাতে হবে এমনটা ভাবার কোন কারন নেই।

ডায়লগ লেখা হয়ে গেলে একাই জোরে জোরে আওড়ানো যেতে পারে এতে বোঝা যাবে সময় বিশেষে চরিত্রের মুখে ডায়লগটি মানাচ্ছে কিনা, বা সব চরিত্রের ডায়লগ একই প্রকৃতির হচ্ছে কিনা।

৯। লেখার কাজটি শেষ হলে বন্ধু অথবা কলিগদের সাথে কাজটি নিয়ে আলোচনা করা। বিভিন্ন ধরনের মানুষের চিন্তা ভাবনা বিভিন্ন প্রকার হয়, তাই একই প্রকার চিন্তাধারার মানুষদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সেটি ভিন্নমত পোষণকারী ব্যাক্তিদের সাথে আলোচনা করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রশংসা ও কড়া থেকে কড়া সমালোচনা সমান ভাবে গ্রহন করতে হবে কারন এক্ষেত্রে কড়া থেকে কড়া সমালোচনা কাজটিকে আরো সমৃদ্ধ করবে তাই শুধুমাত্র মিথ্যা প্রশংসায় সন্তুষ্ট থাকলে চলবে না।

১০। নিজের লেখা বা কাজটিকে যতবার সম্ভব রিভাইস করা। এই কাজটি একটু শক্ত কারন প্রথম প্রথম রিভাইস এর সময় নিজের খামতি গুলো বেশী বেশি করে ধরা পরবে। এবং প্রতিবারই কিছু না কিছু নতুন আইডিয়া মাথায় আসবে তাই যতটা সম্ভব কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূণ আইডিয়া গুলো রেখে বাকীগুলো মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলাই ভাল।

কিছু এক্সট্রা টিপসঃ …………।
স্ক্রিপ্ট লেখার জণ্য সেলটেকস বা ফাইনাল ড্রাফটেরমত কিছু সফটওয়্যার ব্যাবহার করা যেতে পারে। কারন এগুলিতে স্ক্রিপ্টের সঠীক ফরম্যাট ফলো করা থাকে। আর তাছাড়া স্ক্রীপট হাতে ও লেখা যেতে পারে তবে সেক্ষেত্রে ফাইনাল কপি ওয়ার্ড-এ কুরিয়ার ফ্রন্টে, ফ্রন্ট ১২ য় টাইপ করে নিলে ভাল হয়।

সংগৃহীত (সুত্র)ঃ https://abcfindings.wordpress.com/2014/07/24/

3
২০০৯ সালের জুলাইয়ে বাজারে এসেছিল উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেম। উইন্ডোজের আপডেট ভার্সন আসার পরও এখনো অধিকাংশই উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার করছেন।

সম্প্রতি মাইক্রোসফ্টের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, ২০২০ থেকে উইন্ডোজ ৭ -এর জন্য প্রয়োজনীয় সাপোর্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে। উইন্ডোজ ৭-এর গ্রাহকদের উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল করার জন্য নোটিফিকেশনও পাঠানো হচ্ছে।

মাইক্রোসফ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২০-র ১৪ জানুয়ারি বন্ধ হয়ে যাবে উইন্ডোজ ৭। মার্চের ১৪ থেকে এই অপারেটিং সিস্টেমের সমস্ত আপডেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। তাই ২০২০-র মার্চের আগেই কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেম। ইতিমধ্যেই ৮০ কোটি গ্রাহক নিজেদের কম্পিউটারে উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করছেন। উইন্ডোজ ৭ উঠে গেলে উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা মাইক্রোসফ্ট কর্তৃপক্ষের।

Source:  http://www.bd-pratidin.com/tech-world/2019/03/27/411604

4
যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হেনেছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় (হারিকেন) ‘ফ্লোরেন্স’। আর সে ঘূর্ণিঝড়বিষয়ক খবর সম্প্রচারকে কেন্দ্র করে দেশটির আবহাওয়াভিত্তিক টেলিভিশন মাধ্যম ‘দ্য ওয়েদার চ্যানেল’ উদ্ভাবন করেছে নতুন প্রযুক্তির আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর উপস্থাপনা। এরই মধ্যে সে উপস্থাপনাশৈলী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষের কাছে।

ওই সব আবহাওয়া প্রতিবেদনে ব্যবহার করা হচ্ছে ‘ইমার্সিভ মিক্সড টেকনোলজি’ নামে নতুন গ্রাফিক প্রযুক্তি, যাতে করে কৃত্রিমভাবে আসন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের এক ধরনের বাস্তব ও বিশ্বাসযোগ্য প্রেক্ষাপটের অভিজ্ঞতা দেওয়া যায় দর্শককে। দর্শক নিজের চোখে দেখবেন, বিশেষ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হানলে আসলে কী ধরনের বাস্তবতা তৈরি হবে। তার কাছে তুলে ধরা হবে বিশেষ ধরনের বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রতিরূপ।

এর আগ পর্যন্ত আবহাওয়া প্রতিবেদনগুলোতে কেবল কিছু তথ্য, পরিসংখ্যান দিয়ে পরিস্থিতি বোঝানো হতো, যা দর্শককে কল্পনা করে নিতে হতো। কিন্তু নতুন উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তিতে দর্শক আর কল্পনা করবেন না, নিজের চোখে দেখবেন আসন্ন দুর্যোগ পরিস্থিতি।

 ওয়েদার চ্যানেলের নতুন প্রযুক্তির একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, এক আবহাওয়া সংবাদ উপস্থাপিকা কৃত্রিমভাবে বানানো একটি রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন, আর তাঁর শরীরের অনুপাতে বিভিন্ন উচ্চতায় বন্যার পানি ওঠানামা করছে। তিন ফুট উচ্চতার ঘূর্ণিঝড়ের পানি তার কোমর পর্যন্ত উঠে আসছে, আর দেখানো হচ্ছে ওই অবস্থায় কী বাস্তবতা তৈরি হতে পারে। ওই উচ্চতার পানি মানুষকে ফেলে দিয়ে ভাসিয়ে নিতেও পারে কিংবা গাড়ি ভাসিয়ে নিতে পারে, স্রোতের তোড়ে ভেসে আসা গাড়ি বা অন্য কিছু মানুষকে আঘাত করতে পারে, সবকিছু চিত্রিত করে দেখানো হচ্ছে। এর পর প্রতিবেদনচিত্রে উপস্থাপিকাকে ঘিরে পানির উচ্চতা ৬ ফুটে বৃদ্ধি পায়, যখন মানুষের মাথা ডুবে যাবে পানির নিচে; তখন কী পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে তা দেখতে পায় দর্শক। এরপর ৯ ফুট উচ্চতায় উঠে যায় পানি, সে সময়কালীন পরিস্থিতিও কৃত্রিমভাবে দেখানো হয় দর্শককে।

আরেকটি আবহাওয়া প্রতিবেদনে দেখানো হয়, কীভাবে টর্নেডো জনপদে আঘাত হানবে, সে পরিস্থিতি।

প্রতিবেদনগুলোতে বাস্তব জগতের উপস্থাপক ও গ্রাফিক পদ্ধতির কৃত্রিম জগৎ মিলিয়ে একটি নতুন আবহ নির্মাণ করে দেখানো হয়। একে বলা হচ্ছে ‘ইমার্সিভ মিক্সড টেকনোলজি’।

আবহাওয়ার খবর প্রচারের ক্ষেত্রে নতুন এই প্রযুক্তিই হবে আগামী দিনের রীতি, এমনই ধারণা করছেন ওয়েদার চ্যানেলের কর্মকর্তারা।

কানাডাভিত্তিক রেডিও স্টেশন সিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওয়েদার গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পটস বলেন, ‘আগে নানাভাবে তথ্য ব্যবহার করে আবহাওয়া সতর্কতা দেওয়া হতো। কিন্তু আমরা চেয়েছি সেটির চেয়ে আরো শক্তিশালী কিছু প্রায়োগিক পদ্ধতি, যাতে দর্শক তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতির ভয়াবহতা অনুভব করতে পারেন। এতে দর্শক জরুরি অবস্থাটি বুঝতে পারবে আরো বেশি।’

এ ধরনের প্রতিবেদন সংবাদের আবেদন কমিয়ে সেটাকে বিনোদনে পরিণত করে ফেলতে পারে কি না, সে বিষয়ে জানতে চাইলে মাইক বলেন, ‘আমার মনে হয় সব সময়ই সংবাদ আর বিনোদনের একটি ভেদরেখা আছে। আমরা সেটি রক্ষা করব।’ এটি সে মাত্রার বিনোদন নয় বলে দাবি করেন মাইক।

সময় আর নিত্যনতুন প্রযুক্তির ফলে গণমাধ্যমের রূপ দিন দিন বদলে যাচ্ছে। আগামীতে এই প্রযুক্তিতে আবহাওয়া প্রতিবেদন পরিবেশন করা হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মাইক পটস।

Source : https://www.ntvbd.com/tech/215523

5
মানুষের কথোপকথন বা পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার গোপন রহস্য আসলে কী - তা কখনোই মানুষের কাছে পরিষ্কার হয়নি।

কথোপকথনকে আরও ধারালো ও উন্নত করতে পারলে সবদিকেই সফল হওয়া যায়।

ব্রিটিশ লেখক মাইকেল রোজেন, মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগের মান উন্নয়ন থেকে শুরু করে কীভাবে কথোপকথনকে আরও ভাল করে তোলা যায় সেটা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছেন।

নিজ বাড়ি থেকে শুরু করে অফিসের বোর্ডরুম কিংবা বৈশ্বিক পরিসরে যেকোনো ধরণের সমস্যার সমস্যার সমাধান বা দ্বন্দ্বের অবসানে একটি কার্যকর কথোপকথনের কোন বিকল্প নেই।

সম্প্রতি প্রকাশিত 'দ্য টকিং রেভোলিউশন' বইটির লেখক এডি কানফোর-দুমা এবং পিটার অসবর্নের সাথে রোজেন মিলে - কথোপকথন কীভাবে ভাল করে তুলতে হয় তার সাতটি উপায় বের করেছেন।

১. আগে নিজে বোঝার চেষ্টা করুন
২. আপনি যে বুঝতে পেরেছেন সেটা প্রকাশ করুন
৩. সৃজনশীল সমাধানে পৌঁছাতে সহযোগিতা করা
৪. অভ্যাসে বিরতি নিন
৫. সমালোচনার জন্য শুনবেন না
৬. অনুশীলন নিখুঁত করে তোলে
৭. যোগাযোগের জন্য আপনি কোন মাধ্যমটি চান সেটা বেছে নিন

 For Details Source :  https://www.bbc.com/bengali/news-47714540

6
ফটোগ্রাফি অনেকেরই শখের বিষয়। তবে এখন অনেকেই শুধু শখের বসে নয়, কাজ করছেন পেশাদার ফটোগ্রাফার হিসেবে। আর এজন্য দরকার একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা।

শুরুর দিকে অনেকেই বাজেট স্বল্পতার কারণে পছন্দের ক্যামেরাটি কিনতে পারেন না। তাই বাজেটের সঙ্গে মিলিয়ে ভালো ছবি তোলা যায় এমন ক্যামেরাই নতুন ফটোগ্রাফারদের পছন্দ। এ রকমই ১০টি ক্যামেরার খবর জানিয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট টেক রাডার ডটকম।


Link :
https://www.ntvbd.com/tech/68423/

7
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বড় ধরনের হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে। এর পাঁচ কোটি ইউজারের (ব্যবহারকারী) অ্যাকাউন্টের তথ্য বেহাত করে নিয়েছে দুর্বৃত্ত হ্যাকাররা। এমন পরিস্থিতিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ব্যবহারকারীদের সতর্ক করতে তিনটি করণীয় বাতলে দিয়েছে।

শুক্রবার ফেসবুক জানিয়েছে, আক্রান্ত পাঁচ কোটি অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বাড়তি আরো চার কোটি অ্যাকাউন্টে সতর্কতাস্বরূপ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেউ যদি তাঁর অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কায় থাকে তবে তাদের জন্য তিনটি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

লগইন ডিভাইস চেক করুন

কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে অনুপ্রবেশ করেছে কি না তা বোঝার সবচেয়ে মোক্ষম উপায় হচ্ছে লগইন ডিভাইসগুলো দেখা। কোন কোন পিসি, ট্যাব অথবা মোবাইল থেকে আপনি লগইন করেছেন তা এখানে গেলে দেখতে পাবেন, অপরিচিত কোনো ডিভাইস দেখলে রিমুভ বাটনে ক্লিক করে দিতে হবে।

আপনার অ্যাকাউন্টের সেটিংস অপশনে গিয়ে ‘সিকিউরিটি অ্যান্ড লগইন’ পাতায় ক্লিক করলে যেসব ডিভাইস থেকে আপনি ফেসবুকে প্রবেশ করেছিলেন সেগুলোর তালিকা আসবে। দিন-তারিখসহ অনেক ক্ষেত্রে লোকেশনও দেখাবে। সেখানে যদি কোনো অপরিচিত ডিভাইস দেখতে পান যেটি দিয়ে আপনি ফেসবুকে প্রবেশ করেননি সেটি ‘রিমুভ’‌ বা লগআউট‌ করে দিন।

পাসওয়ার্ড বদলে নিতে পারেন

ফেসবুক বলছে, তারা আক্রান্ত অ্যাকাউন্টগুলোকে ঝুঁকিমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। অতএব কারো পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের বাধ্যবাধকতা নেই। তবে কেউ যদি দুর্বল পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখেন অথবা দেখে থাকেন অপরিচিত কোনো ডিভাইস থেকে কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে তাহলে বদলে নিতে পারেন পাসওয়ার্ডটি। একটু জটিল ধরনের পাসওয়ার্ড দিয়ে দিন। দিতে পারেন প্রিয় কোনো বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ। তবে পাসওয়ার্ড জটিল করতে সংখ্যা এবং ছোট হাতের বড় হাতের হরফ মিলিয়ে পাসওয়ার্ডটি দিতে পারেন।

লাস্টপাসের মতো পাসওয়ার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। তাতে জটিল ভিন্ন ভিন্ন জটিল পাসওয়ার্ড হলে তা মনে রাখতে সমস্যা হয়, এজন্য অ্যাপ ব্যবহার ভালো উপায় হতে পারে।

‘টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন‌’ চালু করে রাখুন

অন্যান্য অনেক সাইটের মতো ফেসবুকেরও রয়েছে দুই স্তরের তথ্য যাচাইয়ের পর প্রবেশের পদ্ধতি। এতে শুধু পাসওয়ার্ডে কাজ হবে না, পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর আপনার মোবাইল ফোনে একটি বার্তায় ফেসবুক সঙ্গে সঙ্গে একটি কোড পাঠাবে, ওই কোডটি দিতে পারলেই আপনি ফেসবুকে প্রবেশ করতে পারবেন। আপনার ফোন যেহেতু আপনার কাছে, অন্য কারো ক্ষেত্রে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশর সুযোগ থাকছে না।

Source : https://www.ntvbd.com/tech/217623

8
প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মাদ মুস্তফা (সা.) এর পছন্দের ১২টি খাবার ও তার গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো।
এসব খাবার প্রিয়নবী (সা.) আহার করতেন। দেড় হাজার বছর পর আজকের বিজ্ঞান গবেষণা করে দেখেছে নবীজী (সা.) এর বিভিন্ন খাবারের গুণাগুণ ও উপাদান অত্যন্ত যথাযথ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নবীজী (সা.) এর খাবারের মধ্যে রয়েছে বার্লি, খেজুর, ডুমুর, আঙ্গুর, মধু, তরমুজ, দুধ, মাশরুম, অলিভ অয়েল, ডালিম-বেদানা, ভিনেগার ও পানি। এসব খাবারের গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো।

(১) বার্লি (জাউ) : এটা জ্বরের জন্য এবং পেটের পীড়ায় উপকারী।

(২) খেজুর : খেজুরের গুণাগুণ ও খাদ্যশক্তি অপরিসীম। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীল সতেজ রাখে। প্রিয়নবী (সা:) বলতেন, যে বাড়িতে খেজুর নেই সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই। এমনকি প্রিয়নবী (সা.) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

(৩) ডুমুর : ডুমুর অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজগুণসম্পন্ন যাদের পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী খাবার।

(৪) আঙ্গুর : প্রিয়নবী (সা.) আঙ্গুর খেতে অত্যন্ত ভালো বাসতেন। আঙ্গুরের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। এই খাবারের উচ্চ খাদ্য শক্তির কারণে এটা থেকে আমরা তাৎক্ষণিক এনার্জি পাই এবং এটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আঙ্গুর কিডনির জন্য উপকারী এবং বাওয়েল মুভমেন্টে সহায়ক। যাদের আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম আছে তারা খেতে পারেন।

(৫) মধু : মধুর নানা পুষ্টিগুণ ও ভেষজ গুণ রয়েছে। মধুকে বলা হয় খাবার, পানীয় ও ওষুধের সেরা। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে মধু পান করা ডায়রিয়ার জন্য ভালো। খাবারে অরুচি, পাকস্থলীর সমস্যা, হেয়ার কন্ডিশনার ও মাউথ ওয়াশ হিসেবে উপকারী।

(৬) তরমুজ : সব ধরনের তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। প্রিয়নবী (সা.) তরমুজ আহারকে গুরুত্ব দিতেন। যেসব গর্ভবর্তী মায়েরা তরমুজ আহার করেন তাদের সন্তান প্রসব সহজ হয়। তরমুজের পুষ্টি, খাদ্য ও ভেষজগুণ এখন সর্বজনবিদিত ও বৈজ্ঞানিক সত্য।

(৭) দুধ : দুধের খাদ্যগুণ, পুষ্টিগুণ ও ভেষজগুণ বর্ণনাতীত। আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে বিজ্ঞান যখন অন্ধকারে তখন প্রিয়নবী (সা.) দুধ সম্পর্কে বলেন, দুধ হার্টের জন্য ভালো। দুধ পানে মেরুদণ্ড- সবল হয়, মস্তিষ্ক সুগঠিত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। আজকের বিজ্ঞানিরাও দুধকে আদর্শ খাবার হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং এর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি অস্থিগঠনে সহায়ক।

(৮) মাশরুম : আজ বিশ্ব জুড়ে মাশরুম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার এবং মাশরুম নিয়ে চলছে নানা গবেষণা। অথচ দেড় হাজার বছর আগে প্রিয়নবী (সা.) জানতেন মাশরুম চোখের জন্য ভালো। এটা বার্থ কন্ট্রোলে সহায়ক ও মাশরুমের ভেষজগুণের কারণে এটা নার্ভ শক্ত করে এবং শরীরের প্যারালাইসিস বা অকেজো হওয়ার প্রক্রিয়া রোধ করে।

(৯) জলপাই তেল : অলিভ অয়েলের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ অনেক। গবেষণায় দেখা গেছে অলিভ অয়েল ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী এবং বয়স ধরে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক বা বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে। এছাড়া অলিভ অয়েল পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময়ে সহায়ক।

(১০) ডালিম-বেদানা : বেদানার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণের পাশাপাশি এটার ধর্মীয় একটি দিক আছে। প্রিয়নবী (সা.) বলেছেন, এটা আহারকারীদের শয়তান ও মন্দ চিন্তা থেকে বিরত রাখে।

(১১) ভিনেগার : ভিনেগারের ভেষজ গুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। প্রিয়নবী (সা.) অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ভিনেগার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আজকের এই মর্ডান ও বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সাফল্যের যুগে বিশ্বের বড় বড় নামি-দামি রেস্টুরেন্টে বিশেষ করে এলিট ইটালিয়ান রেস্টুরেন্টে অভিল অয়েল ও ভিনেগার এক সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়।

(১২) খাবার পানি : পানির অপর নাম জীবন। পানির ভেষজগুণ অপরিসীম। প্রিয়নবী (সা:) পানিকে পৃথিবীর সেরা ড্রিংক বা পানীয় হিসাবে উল্লেখ করেছেন। সৌন্দর্য চর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আজ প্রচুর পানি পান করতে বলেন।

Source: https://www.daily-bangladesh.com/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%A1%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%C2%A0/86423?fbclid=IwAR1rIaKYHkiSo-WszRbId-w3JDuPkNur7j0vW6ifxYYuGrOHM3OQ2bXyTs4
ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

9
ছবি তোলার জন্য ডিএসএলআর বা ডিজিটাল সিঙ্গেল লেন্স রিফ্লেক্স ক্যামেরাই আমাদের কাছে সুপরিচিত ছিল। তবে কিছুদিন থেকেই মিররলেস ক্যামেরার চাহিদা আর জনপ্রিয়তা ডিএসএলআরকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে এবার আসছে অ্যান্ড্রয়েডচালিত আরও উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরা। এতে ব্যবহার করা যাবে ক্যাননের সব ধরনের লেন্স।

এ ক্যামেরা তৈরি করেছে চীনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইয়ংনুয়ো। ইয়ংনুয়ো তাদের ওয়াইএন৪৫০ মডেলের স্মার্টফোনের মাপের ক্যামেরাটির ছবি সম্প্রতি সবার সামনে উন্মোচন করেছে। এতে করে ক্যামেরাটির স্পেসিফিকেশনগুলো সম্পর্কেও কিছুটা ধারণা পাওয়া গেছে।

এই ক্যামেরাটিতে রয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেল ফোর থার্ড সেন্সর। এর মাধ্যমে ছবির প্রকৃত রূপই পাওয়া যাবে। ইয়ংনুয়ো ওয়াইএন৪৫০ ক্যামেরায় ৩০ এফপিএস  ফোরকে ভিডিও করা যাবে। সেলফি তোলার জন্য থাকছে ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা। থ্রিজি ও ফোরজি নেটওয়ার্কও ব্যবহার করা যাবে। এতে ওয়াইফাইও কাজ করবে।

সুত্র ঃ https://www.banglainsider.com/ict/29218/%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0

10
Teaching & Research Forum / Training of Teachers for 21st Century
« on: August 18, 2018, 09:44:05 AM »
Considering unemployed educated population in the country, Daffodil International University is very keen to develop syllabus and faculty members to move forward with objective to create 21st century competent graduates. A five-day long training for the teachers organized by Department of General Educational Development (GED) of Daffodil international University (DIU) ended on August 14, 2018 at Banquet Hall of the university.

Eighty (80) teachers from the department of GED and English participated in the training session. Honorable Vice Chancellor of DIU, Prof. Yousuf Mahbubul Islam, PhD handed over the certificates to the participants at the closing session.

The training session was designed focusing on the need of the teachers to develop themselves as better educator for today and tomorrow through developing their self-esteem, productive skill, research knowledge and use of technology in teaching with diversified cognitive skills. Teachers were disconnected from their mobile phones to connect with each other during the session.

After identifying the need of the teachers the organizers invited their internal resource persons such as Professor Dr. S.M. Mahbub Ul Haque Majumder, Dean, FSIT and Pro-VC, DIU, Professor Dr. Ahmad Ismail Mustafa, Dean, FAHS, Professor A. M.M. Hamidur Rahman, Dean, FHSS, Mr. Mohammed Shamsul Hoque, Associate Professor, English, IT Experts Mr. Khondker Mohammad Shah-Al-Mamun and Mr. Umam Mustain and some other faculty members of the university. 

The total duration of the training was 20 hours. The training covered the following training sessions: 1. Fundamentals of teaching, 2. Use of technology in teaching, 3. Self-esteem development and productive skills in teaching and 4. Research and development in teaching.

The training sessions were ended on a successful note and is considered to be an effective program.

For More Details :
Source: http://news.daffodilvarsity.edu.bd/1423-training-of-teachers-for-21st-century.html

12
আজকাল মানুষের সুখ-দুঃখের সার্বক্ষণিক সঙ্গী স্মার্টফোন। যতক্ষণ না স্মার্টফোনের চার্জ শেষ হচ্ছে বা আপনার চার্জ শেষ হচ্ছে, অর্থাৎ আপনার ক্লান্ত লাগছে বা ঘুম পাচ্ছে, ততক্ষণ আপনি স্মার্টফোন ব্যবহার করতেই থাকেন। অথচ এই অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যাবহার আপনার মস্তিষ্ক, মন ও শরীরের ক্ষতি করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে স্মার্টফোন থেকে সর্বদা নীল রঙের আলো নির্গত হয়। এ কারণে ঝলমলে রোদের মাঝেও স্মার্টফোনের কার্যক্রমকে পরিষ্কারভাবে দেখতে পান আপনি। এই ধরনের আলো আপনার অন্যান্য ডিভাইস, যেমন—ল্যাপটপ, টিভি, এসব গেজেট থেকেও নির্গত হয়।

মূলত সূর্যের আলোর অনুকরণে স্মার্টফোনের এই আলো তৈরি করা হয়েছে। আর আপনার মস্তিষ্ক এমনভাবে তৈরি হয়েছে, যা সূর্যের আলো যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণ মেলাটোনিন নামক এক ধরনের হরমোন নিঃসরণ করতে থাকবে, এতে আপনার ঘুম আসা বাধাগ্রস্ত হবে। যেহেতু সূর্যের আলো এবং স্মার্টফোনের আলো একই ধরনের হয়, রাতে যখন আপনি স্মার্টফোন চালান তখন এই আলো আপনার মস্তিষ্ককে বিভ্রান্ত করে তোলে। মস্তিষ্ক দিন ভেবে নিয়ে মেলাটোনিন নিঃসৃত করতে থাকে, ফলে আপনি রাতে ভালোভাবে ঘুমাতে পারেন না।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, ঘুমানোর দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে যেকোনো ধরনের বৈদ্যুতিক ডিভাইস ব্যবহার বন্ধ করা উচিত। মস্তিষ্কের পাইনিল গ্ল্যান্ড থেকে মেলাটোনিন নির্গত হয়। নীল আলো অনিদ্রার প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর বিশেষজ্ঞরা এর জন্য দায়ী করেছেন আলোকসংবেদনশীলতাকে, যার নাম মেলানোপসিন। এই মেলানোপসিন রেটিনার স্নায়ুর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য যে কোষ, সেটার মধ্যে পাওয়া যায়, যা নীল আলো পেলেই সক্রিয় হয়ে ওঠে।

চলুন স্বাস্থ্যবিষয়ক সাময়িকী বোল্ড স্কাইয়ের সৌজন্যে দেখে আসি কীভাবে স্মার্টফোন আমাদের মন, মস্তিষ্ক ও শরীরের ক্ষতি করছে।

১. স্মার্টফোনের সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে কিশোর-কিশোরীদের ওপর। এ ক্ষেত্রে তারা প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে অনেকখানি সংবেদনশীল। কারণ, স্মার্টফোনের কারণে কিশোর-কিশোরীদের বেশি রাত জাগা হয়। ফলে কিশোর বয়সে তাদের প্রাকৃতিক সারকাডিয়ান রিদম (কিশোর বয়সের শারীরবৃত্তিক বৃদ্ধি) ব্যাহত হয়।

২. বাসায় লাগানো ওয়াই-ফাই এবং হাতে থাকা স্মার্টফোনের তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

৩. ঘুমানোর আগে স্মার্টফোনের ব্যবহার কমিয়ে আনা এবং ঘুমানোর আগে টিভি, ল্যাপটপ ও স্মার্টফোন জাতীয় সব ধরনের ডিভাইস বন্ধ করে ঘুমানো জরুরি।

৪. এ ছাড়া আপনি ইন্টারনেট থেকে ফ্লাক্স ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এতে করে আপনার ইলেকট্রনিক ডিভাইসের পর্দাগুলো রাত ও দিনে সমন্বয় করে নিতে পারবে। এতে আপনার ইলেকট্রনিক ডিভাইসের আলোটি আপনার ওপর কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না।

৫. স্মার্টফোনের আলো স্বাভাবিক ঘুমের চক্রকে ব্যাহত করে। ফলে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো এবং সকালে ঘুম থেকে দ্রুত ওঠা আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।

৬. রাতের বেলায় অতিরিক্ত আলোর প্রভাবে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। এটি বুক এবং প্রস্টেট (মূত্রস্থলির গ্রিবাসংলগ্ন গ্রন্থিবিশেষ) ক্যানসারের অন্যতম কারণ।

৭. স্বাভাবিক ঘুমের প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাতের ফলে পরের দিন সকালে একাগ্রতা ও মনোযোগ অনেকখানি হ্রাস পায়।

Source: https://www.ntvbd.com/tech/121769/

13
খুব পছন্দ করে একটি শার্ট কিনেছেন। কিন্তু দ্বিতীয় দিন পরতেই দেখলেন, শার্টটির একটি বোতাম খুলে গেছে। অনেক দোকানে খোঁজাখুঁজি করেও পেলেন না কাঙ্ক্ষিত বোতামটি। কেমন হবে, যদি ঘরে বসে নিজেই তৈরি করতে পারেন নতুন একটি বোতাম?

থ্রিডি প্রিন্টার নামক যন্ত্রটি আপনাকে এই কাজে সাহায্য করতে পারে। আপনার কাজ হচ্ছে শুধু প্রয়োজনীয় বস্তুটির নকশা এঁকে প্রিন্ট দেওয়া। নকশা অনুযায়ী বস্তুটি তৈরির কাজে লেগে পরবে থ্রিডি প্রিন্টার।   

প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ডিজিটাল ট্রেন্ড তাদের একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে,সান দিয়েগো ইনোভেশন সেন্টারের একটি দল‘কুবিবট’ নামের নতুন একটি থ্রিডি প্রিন্টার উদ্ভাবন করেছে। যেটি আকৃতিতে ছোট, ব্যবহারে সহজ এবং দামেও কম। অন্যান্য থ্রিডি প্রিন্টার কেনা অনেক ব্যয়বহুল। সেখানে ‘কুবিবট’-এর দাম ধরা হয়েছে ১৪৯ মার্কিন ডলার।

প্রিন্টারটি তৈরিতে সময় লেগেছে আড়াই বছর। ‘কুবিবট’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা আরিয়া নূরজার বলেছেন, “যদি আপনি সাধারণ প্রিন্টার ব্যবহার করতে পারেন, ‘কুবিবট’-ও ব্যবহার করতে পারবেন।” আকৃতিতে ছোট হওয়ায় একটি ল্যাপটপ রাখার মতো জায়গায় প্রিন্টারটি খুব সহজেই রাখা যাবে। সাধারণত থ্রিডি প্রিন্টার প্ল্যাস্টিক জাতীয় উপাদান গলিয়ে কম্পিউটারের নির্দেশনা অনুসরণ করে আকৃতি দেয়। শুধু কম্পিউটারে নয় স্মার্টফোনের অ্যাপ থেকেও কাজ করা যাবে প্রিন্টারটিতে।

দাম কম হলে বড় কাজের পাশাপাশি ছোট কাজেও ব্যবহার করা যাবে থ্রিডি প্রিন্টার। আগামী বছরের শুরু থেকে বিক্রি শুরু হবে ‘কুবিবট’।

Source : https://www.ntvbd.com/tech/159465/

14
Eyes / চোখের পলক কেন ফেলি?
« on: June 26, 2018, 10:36:58 AM »
গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুম থেকে জাগার পর থেকে ফের ঘুমাতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত পুরো সময় অধিকাংশ মানুষ প্রতি মিনিটে ১০ থেকে ২৫ বার চোখের পলক ফেলে। অর্থাৎ ঘণ্টায় চোখের পলক ফেলে ১,২০০ বার। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না, চোখ খোলা বা বন্ধ থাকলে কি হয়!
চোখের মণি পরিষ্কার এবং চোখের আদ্রতা ধরে রাখতে আমরা পলক ফেলি। এর বাইরেও কিছু শারীরিক এবং মানসিক বিষয় খুঁজে বের করেছেন গবেষকরা।

দৃষ্টি সুনির্দিষ্ট করতে
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার একটি গবেষণায় উঠে এসেছে কোনো বিষয়ের প্রতি মনোযোগ ধরে রাখতে আমরা চোখের পলক ফেলি। এতে আমাদের দৃষ্টি সুনির্দিষ্ট হয়। “আমাদের চোখের পেশিগুলো তেমন সতর্ক নয়। ক্রমাগতভাবে আমাদের চোখ বাইরে থেকে তথ্য নিয়ে মস্তিষ্কে পাঠায়। পলক ফেললে কোনো বিষয়ের প্রতি আমাদের মনোযোগ নির্দিষ্ট হয়” বলেন প্রধান গবেষক গেরিট মস।
তিনি আরও বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে চোখের পলক ফেলার আগে এবং পরে আমাদের দৃষ্টিতে পার্থক্য হয়। একই সঙ্গে কোনো বিষয়ের প্রতি আমাদের মনোযোগ নির্দিষ্ট হয়।

তথ্য সমন্বয় করতে
একটু পেছনের কথা, গত বছরের আগস্ট মাসে জার্মানির এক বিজ্ঞানী সম্পূর্ণ নতুন একটি বিষয় আবিষ্কার করেন- আমাদের চোখের নড়াচড়ায় মস্তিষ্ক তথ্য সমন্বয় করে। বিষয়টি এতোদিন সম্পূর্ণ অজানা ছিলো আমাদের কাছে।

পরিবর্তন লক্ষ্য করতে
চোখের পলক ফেলার পরই আমরা নতুন বিষয় লক্ষ্য করি। পলক ফেললে আমাদের স্নায়ুতে নতুন সংকেত যায়। এভাবে আমাদের সামনে থাকা বিষয়গুলোর মধ্যে নতুন কিছু লক্ষ্য করি আমরা, যা হয়তো সামনে থাকার পরও লক্ষ্য করা হয়নি।

সুত্র ঃ http://www.banglanews24.com/health/news/bd/548942.details

15
কম্পিউটারে গেম খেলার প্রতি নেশাকে এই প্রথম একটি মানসিক রোগ হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে যাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

১১তম ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজেস বা আইসিডি-তে এটিকে 'গেমিং ডিজঅর্ডার' হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ সংক্রান্ত খসড়া দলিলে এই গেমিং আসক্তিকে বর্ণনা করা হয়েছে এমন এক ধরণের আচরণ হিসেবে, যা জীবনের আর সব কিছুর আকর্ষণ থেকে একজনকে দূরে সরিয়ে নেয়।বিশ্বের কিছু দেশে গেমিং আসক্তিকে ইতোমধ্যে একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্ণিত করা হয়েছে।যুক্তরাজ্য সহ কিছু দেশে তো ইতোমধ্যে এর চিকিৎসার জন্য প্রাইভেট এডিকশন ক্লিনিক পর্যন্ত রয়েছে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৯২ সালে সর্বশেষ ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজেস বা আইসিডি তৈরি করেছিল। নতুন গাইডলাইনটি প্রকাশিত হবে এ বছরই।এই গাইডে বিভিন্ন রোগের কোড, লক্ষণ এবং উপসর্গ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকে। চিকিৎসক এবং গবেষকরা এটির সঙ্গে মিলিয়ে রোগ নির্ণয়ের করার চেষ্টা করেন।গেমিং আসক্তিকে কখন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করা হবে, তার বিস্তারিত থাকছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই গাইডলাইনে।
শিশুরা বেশি আসক্ত হয়ে পড়লে চিকিৎসার কথা বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এতে বলা হয়েছে, ১২ মাস সময় ধরে অস্বাভাবিক গেমিং আসক্তি বা আচরণ দেখা গেলে তা নির্ণয়ের পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে যদি অস্বাভাবিক আচরণের মাত্র অনেক বেশি তীব্র হয়, তখন ১২ মাস নয়, তার আগেই ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।

যেসব লক্ষণের কথা এতে উল্লেখ করা হয়েছে:

•গেমিং নিয়ে নিজের ও্রপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা ( বিশেষ করে কত ঘন ঘন, কতটা তীব্র এবং কত দীর্ঘ সময় ধরে গেমিং করছে, সে বিষয়ে)

•গেমিং-কেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়া

•নেতিবাচক প্রভাব সত্ত্বেও গেমিং অব্যাহত রাখা বা আরও বেশি গেমিং করা

লন্ডনের নাইটিংগেল হাসপাতালের টেকনোলজি এডিকশন স্পেশালিস্ট ড: রিচার্ড গ্রাহাম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।

"এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ফলে আরও বিশেষায়িত চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হবে। এতে করে এ ধরণের গেমিং আসক্তিকে লোকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে নেবে।"

তবে যারা গেমিং আসক্তিকে একটি মানসিক ব্যাধি হিসেবে দেখার বিপক্ষে, তাদের প্রতিও তিনি সহানুভূতিশীল।গেমিং এর নেশা ঠেকাতে অনেক দেশে আইন করতে হয়েছে তিনি স্বীকার করছেন যে অনেক বাবা-মা এ নিয়ে বিভ্রান্ত হতে পারেন। কেবল গেমিং এ উৎসাহী বলে সন্তানদের তারা 'অসুস্থ' বলে ভাবতে পারেন।

ড: রিচার্ড গ্রাহাম জানান, বছরে তিনি ডিজিটাল আসক্তির প্রায় ৫০টির মতো কেস দেখেন। এই আসক্তির কারণে এদের ঘুম, খাওয়া-দাওয়া, সামাজিক মেলা-মেশা এবং শিক্ষার ওপর কি প্রভাব পড়ে, সেটার ওপর ভিত্তি করে আসক্তির সমস্যার মাত্রা বোঝার চেষ্টা করা হয়।রোগী দেখার সময় একটা জিনিসকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। এই গেমিং আসক্তি 'নিউরোলজিক্যাল সিস্টেম'কে কতটা প্রভাবিত করছে। এটি চিন্তার ক্ষমতা বা নিবিষ্ট থাকার ক্ষমতার ওপর কি প্রভাব ফেলছে।বিশ্বের অনেক দেশই গেমিং এর আসক্তি নিয়ে চিন্তিত। দক্ষিণ কোরিয়ায় তো সরকার এমন আইন করেছে যাতে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুরা মধ্যরাত হতে ভোর ছটা পর্যন্ত অনলাইন গেম খেলতেই না পারে।জাপানে কেউ যদি একটি নির্দিষ্ট সময়ের বেশি গেম খেলে তাকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। চীনে সেখানকার সবচেয়ে বড় ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান টেনসেন্ট শিশুরা কতক্ষণ গেম খেলতে পারে তার সময় বেঁধে দিয়েছে।অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এক সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হচ্ছে, শিশুরা যদিও প্রচুর সময় স্ক্রীনের দিকে তাকিয়ে কাটায়, কিন্তু তারা তাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে এই ডিজিটাল জগতকে ভালোই খাপ খাইয়ে নিতে পারে।গবেষণায় দেখা গেছে, মেয়েদের তুলনায় ছেলেরাই ভিডিও গেম খেলায় বেশি সময় দেয়।

গবেষণক কিলিয়ান মুলান বলেন, "মানুষের ধারণা শিশুরা দিন-রাত চব্বিশ ঘন্টা স্ক্রীনের সামনে বসে থাকছে, আর কিছু করছে না। আসলে তা নয়। আমাদের গবেষণায় আমরা দেখছি, তারা প্রযুক্তিকে নানা কাজে ব্যবহার করছে। এমনকি স্কুলের হোমওয়ার্ক করার জন্যও তারা প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।"

"আমরা বড়রা যেভাবে করি, অনেকটা সেভাবে শিশুরাও আসলে তাদের ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারটা সারাদিন ধরেই অন্য অনেক কিছুর ফাঁকে ফাঁকে করছে, একবারে নয়।"

Source :
https://www.bbc.com/bengali/news-44521942?ocid=socialflow_facebook

Pages: [1] 2 3 ... 10