Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - sadiur Rahman

Pages: [1] 2 3 ... 9
1
ছবি তোলার জন্য ডিএসএলআর বা ডিজিটাল সিঙ্গেল লেন্স রিফ্লেক্স ক্যামেরাই আমাদের কাছে সুপরিচিত ছিল। তবে কিছুদিন থেকেই মিররলেস ক্যামেরার চাহিদা আর জনপ্রিয়তা ডিএসএলআরকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে এবার আসছে অ্যান্ড্রয়েডচালিত আরও উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরা। এতে ব্যবহার করা যাবে ক্যাননের সব ধরনের লেন্স।

এ ক্যামেরা তৈরি করেছে চীনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইয়ংনুয়ো। ইয়ংনুয়ো তাদের ওয়াইএন৪৫০ মডেলের স্মার্টফোনের মাপের ক্যামেরাটির ছবি সম্প্রতি সবার সামনে উন্মোচন করেছে। এতে করে ক্যামেরাটির স্পেসিফিকেশনগুলো সম্পর্কেও কিছুটা ধারণা পাওয়া গেছে।

এই ক্যামেরাটিতে রয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেল ফোর থার্ড সেন্সর। এর মাধ্যমে ছবির প্রকৃত রূপই পাওয়া যাবে। ইয়ংনুয়ো ওয়াইএন৪৫০ ক্যামেরায় ৩০ এফপিএস  ফোরকে ভিডিও করা যাবে। সেলফি তোলার জন্য থাকছে ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা। থ্রিজি ও ফোরজি নেটওয়ার্কও ব্যবহার করা যাবে। এতে ওয়াইফাইও কাজ করবে।

সুত্র ঃ https://www.banglainsider.com/ict/29218/%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0

2
Teaching & Research Forum / Training of Teachers for 21st Century
« on: August 18, 2018, 09:44:05 AM »
Considering unemployed educated population in the country, Daffodil International University is very keen to develop syllabus and faculty members to move forward with objective to create 21st century competent graduates. A five-day long training for the teachers organized by Department of General Educational Development (GED) of Daffodil international University (DIU) ended on August 14, 2018 at Banquet Hall of the university.

Eighty (80) teachers from the department of GED and English participated in the training session. Honorable Vice Chancellor of DIU, Prof. Yousuf Mahbubul Islam, PhD handed over the certificates to the participants at the closing session.

The training session was designed focusing on the need of the teachers to develop themselves as better educator for today and tomorrow through developing their self-esteem, productive skill, research knowledge and use of technology in teaching with diversified cognitive skills. Teachers were disconnected from their mobile phones to connect with each other during the session.

After identifying the need of the teachers the organizers invited their internal resource persons such as Professor Dr. S.M. Mahbub Ul Haque Majumder, Dean, FSIT and Pro-VC, DIU, Professor Dr. Ahmad Ismail Mustafa, Dean, FAHS, Professor A. M.M. Hamidur Rahman, Dean, FHSS, Mr. Mohammed Shamsul Hoque, Associate Professor, English, IT Experts Mr. Khondker Mohammad Shah-Al-Mamun and Mr. Umam Mustain and some other faculty members of the university. 

The total duration of the training was 20 hours. The training covered the following training sessions: 1. Fundamentals of teaching, 2. Use of technology in teaching, 3. Self-esteem development and productive skills in teaching and 4. Research and development in teaching.

The training sessions were ended on a successful note and is considered to be an effective program.

For More Details :
Source: http://news.daffodilvarsity.edu.bd/1423-training-of-teachers-for-21st-century.html

4
আজকাল মানুষের সুখ-দুঃখের সার্বক্ষণিক সঙ্গী স্মার্টফোন। যতক্ষণ না স্মার্টফোনের চার্জ শেষ হচ্ছে বা আপনার চার্জ শেষ হচ্ছে, অর্থাৎ আপনার ক্লান্ত লাগছে বা ঘুম পাচ্ছে, ততক্ষণ আপনি স্মার্টফোন ব্যবহার করতেই থাকেন। অথচ এই অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যাবহার আপনার মস্তিষ্ক, মন ও শরীরের ক্ষতি করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে স্মার্টফোন থেকে সর্বদা নীল রঙের আলো নির্গত হয়। এ কারণে ঝলমলে রোদের মাঝেও স্মার্টফোনের কার্যক্রমকে পরিষ্কারভাবে দেখতে পান আপনি। এই ধরনের আলো আপনার অন্যান্য ডিভাইস, যেমন—ল্যাপটপ, টিভি, এসব গেজেট থেকেও নির্গত হয়।

মূলত সূর্যের আলোর অনুকরণে স্মার্টফোনের এই আলো তৈরি করা হয়েছে। আর আপনার মস্তিষ্ক এমনভাবে তৈরি হয়েছে, যা সূর্যের আলো যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণ মেলাটোনিন নামক এক ধরনের হরমোন নিঃসরণ করতে থাকবে, এতে আপনার ঘুম আসা বাধাগ্রস্ত হবে। যেহেতু সূর্যের আলো এবং স্মার্টফোনের আলো একই ধরনের হয়, রাতে যখন আপনি স্মার্টফোন চালান তখন এই আলো আপনার মস্তিষ্ককে বিভ্রান্ত করে তোলে। মস্তিষ্ক দিন ভেবে নিয়ে মেলাটোনিন নিঃসৃত করতে থাকে, ফলে আপনি রাতে ভালোভাবে ঘুমাতে পারেন না।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, ঘুমানোর দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে যেকোনো ধরনের বৈদ্যুতিক ডিভাইস ব্যবহার বন্ধ করা উচিত। মস্তিষ্কের পাইনিল গ্ল্যান্ড থেকে মেলাটোনিন নির্গত হয়। নীল আলো অনিদ্রার প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর বিশেষজ্ঞরা এর জন্য দায়ী করেছেন আলোকসংবেদনশীলতাকে, যার নাম মেলানোপসিন। এই মেলানোপসিন রেটিনার স্নায়ুর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য যে কোষ, সেটার মধ্যে পাওয়া যায়, যা নীল আলো পেলেই সক্রিয় হয়ে ওঠে।

চলুন স্বাস্থ্যবিষয়ক সাময়িকী বোল্ড স্কাইয়ের সৌজন্যে দেখে আসি কীভাবে স্মার্টফোন আমাদের মন, মস্তিষ্ক ও শরীরের ক্ষতি করছে।

১. স্মার্টফোনের সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে কিশোর-কিশোরীদের ওপর। এ ক্ষেত্রে তারা প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে অনেকখানি সংবেদনশীল। কারণ, স্মার্টফোনের কারণে কিশোর-কিশোরীদের বেশি রাত জাগা হয়। ফলে কিশোর বয়সে তাদের প্রাকৃতিক সারকাডিয়ান রিদম (কিশোর বয়সের শারীরবৃত্তিক বৃদ্ধি) ব্যাহত হয়।

২. বাসায় লাগানো ওয়াই-ফাই এবং হাতে থাকা স্মার্টফোনের তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

৩. ঘুমানোর আগে স্মার্টফোনের ব্যবহার কমিয়ে আনা এবং ঘুমানোর আগে টিভি, ল্যাপটপ ও স্মার্টফোন জাতীয় সব ধরনের ডিভাইস বন্ধ করে ঘুমানো জরুরি।

৪. এ ছাড়া আপনি ইন্টারনেট থেকে ফ্লাক্স ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এতে করে আপনার ইলেকট্রনিক ডিভাইসের পর্দাগুলো রাত ও দিনে সমন্বয় করে নিতে পারবে। এতে আপনার ইলেকট্রনিক ডিভাইসের আলোটি আপনার ওপর কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না।

৫. স্মার্টফোনের আলো স্বাভাবিক ঘুমের চক্রকে ব্যাহত করে। ফলে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো এবং সকালে ঘুম থেকে দ্রুত ওঠা আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।

৬. রাতের বেলায় অতিরিক্ত আলোর প্রভাবে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। এটি বুক এবং প্রস্টেট (মূত্রস্থলির গ্রিবাসংলগ্ন গ্রন্থিবিশেষ) ক্যানসারের অন্যতম কারণ।

৭. স্বাভাবিক ঘুমের প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাতের ফলে পরের দিন সকালে একাগ্রতা ও মনোযোগ অনেকখানি হ্রাস পায়।

Source: https://www.ntvbd.com/tech/121769/

5
খুব পছন্দ করে একটি শার্ট কিনেছেন। কিন্তু দ্বিতীয় দিন পরতেই দেখলেন, শার্টটির একটি বোতাম খুলে গেছে। অনেক দোকানে খোঁজাখুঁজি করেও পেলেন না কাঙ্ক্ষিত বোতামটি। কেমন হবে, যদি ঘরে বসে নিজেই তৈরি করতে পারেন নতুন একটি বোতাম?

থ্রিডি প্রিন্টার নামক যন্ত্রটি আপনাকে এই কাজে সাহায্য করতে পারে। আপনার কাজ হচ্ছে শুধু প্রয়োজনীয় বস্তুটির নকশা এঁকে প্রিন্ট দেওয়া। নকশা অনুযায়ী বস্তুটি তৈরির কাজে লেগে পরবে থ্রিডি প্রিন্টার।   

প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ডিজিটাল ট্রেন্ড তাদের একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে,সান দিয়েগো ইনোভেশন সেন্টারের একটি দল‘কুবিবট’ নামের নতুন একটি থ্রিডি প্রিন্টার উদ্ভাবন করেছে। যেটি আকৃতিতে ছোট, ব্যবহারে সহজ এবং দামেও কম। অন্যান্য থ্রিডি প্রিন্টার কেনা অনেক ব্যয়বহুল। সেখানে ‘কুবিবট’-এর দাম ধরা হয়েছে ১৪৯ মার্কিন ডলার।

প্রিন্টারটি তৈরিতে সময় লেগেছে আড়াই বছর। ‘কুবিবট’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা আরিয়া নূরজার বলেছেন, “যদি আপনি সাধারণ প্রিন্টার ব্যবহার করতে পারেন, ‘কুবিবট’-ও ব্যবহার করতে পারবেন।” আকৃতিতে ছোট হওয়ায় একটি ল্যাপটপ রাখার মতো জায়গায় প্রিন্টারটি খুব সহজেই রাখা যাবে। সাধারণত থ্রিডি প্রিন্টার প্ল্যাস্টিক জাতীয় উপাদান গলিয়ে কম্পিউটারের নির্দেশনা অনুসরণ করে আকৃতি দেয়। শুধু কম্পিউটারে নয় স্মার্টফোনের অ্যাপ থেকেও কাজ করা যাবে প্রিন্টারটিতে।

দাম কম হলে বড় কাজের পাশাপাশি ছোট কাজেও ব্যবহার করা যাবে থ্রিডি প্রিন্টার। আগামী বছরের শুরু থেকে বিক্রি শুরু হবে ‘কুবিবট’।

Source : https://www.ntvbd.com/tech/159465/

6
Eyes / চোখের পলক কেন ফেলি?
« on: June 26, 2018, 10:36:58 AM »
গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুম থেকে জাগার পর থেকে ফের ঘুমাতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত পুরো সময় অধিকাংশ মানুষ প্রতি মিনিটে ১০ থেকে ২৫ বার চোখের পলক ফেলে। অর্থাৎ ঘণ্টায় চোখের পলক ফেলে ১,২০০ বার। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না, চোখ খোলা বা বন্ধ থাকলে কি হয়!
চোখের মণি পরিষ্কার এবং চোখের আদ্রতা ধরে রাখতে আমরা পলক ফেলি। এর বাইরেও কিছু শারীরিক এবং মানসিক বিষয় খুঁজে বের করেছেন গবেষকরা।

দৃষ্টি সুনির্দিষ্ট করতে
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার একটি গবেষণায় উঠে এসেছে কোনো বিষয়ের প্রতি মনোযোগ ধরে রাখতে আমরা চোখের পলক ফেলি। এতে আমাদের দৃষ্টি সুনির্দিষ্ট হয়। “আমাদের চোখের পেশিগুলো তেমন সতর্ক নয়। ক্রমাগতভাবে আমাদের চোখ বাইরে থেকে তথ্য নিয়ে মস্তিষ্কে পাঠায়। পলক ফেললে কোনো বিষয়ের প্রতি আমাদের মনোযোগ নির্দিষ্ট হয়” বলেন প্রধান গবেষক গেরিট মস।
তিনি আরও বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে চোখের পলক ফেলার আগে এবং পরে আমাদের দৃষ্টিতে পার্থক্য হয়। একই সঙ্গে কোনো বিষয়ের প্রতি আমাদের মনোযোগ নির্দিষ্ট হয়।

তথ্য সমন্বয় করতে
একটু পেছনের কথা, গত বছরের আগস্ট মাসে জার্মানির এক বিজ্ঞানী সম্পূর্ণ নতুন একটি বিষয় আবিষ্কার করেন- আমাদের চোখের নড়াচড়ায় মস্তিষ্ক তথ্য সমন্বয় করে। বিষয়টি এতোদিন সম্পূর্ণ অজানা ছিলো আমাদের কাছে।

পরিবর্তন লক্ষ্য করতে
চোখের পলক ফেলার পরই আমরা নতুন বিষয় লক্ষ্য করি। পলক ফেললে আমাদের স্নায়ুতে নতুন সংকেত যায়। এভাবে আমাদের সামনে থাকা বিষয়গুলোর মধ্যে নতুন কিছু লক্ষ্য করি আমরা, যা হয়তো সামনে থাকার পরও লক্ষ্য করা হয়নি।

সুত্র ঃ http://www.banglanews24.com/health/news/bd/548942.details

7
কম্পিউটারে গেম খেলার প্রতি নেশাকে এই প্রথম একটি মানসিক রোগ হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে যাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

১১তম ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজেস বা আইসিডি-তে এটিকে 'গেমিং ডিজঅর্ডার' হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ সংক্রান্ত খসড়া দলিলে এই গেমিং আসক্তিকে বর্ণনা করা হয়েছে এমন এক ধরণের আচরণ হিসেবে, যা জীবনের আর সব কিছুর আকর্ষণ থেকে একজনকে দূরে সরিয়ে নেয়।বিশ্বের কিছু দেশে গেমিং আসক্তিকে ইতোমধ্যে একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্ণিত করা হয়েছে।যুক্তরাজ্য সহ কিছু দেশে তো ইতোমধ্যে এর চিকিৎসার জন্য প্রাইভেট এডিকশন ক্লিনিক পর্যন্ত রয়েছে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৯২ সালে সর্বশেষ ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজেস বা আইসিডি তৈরি করেছিল। নতুন গাইডলাইনটি প্রকাশিত হবে এ বছরই।এই গাইডে বিভিন্ন রোগের কোড, লক্ষণ এবং উপসর্গ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকে। চিকিৎসক এবং গবেষকরা এটির সঙ্গে মিলিয়ে রোগ নির্ণয়ের করার চেষ্টা করেন।গেমিং আসক্তিকে কখন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করা হবে, তার বিস্তারিত থাকছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই গাইডলাইনে।
শিশুরা বেশি আসক্ত হয়ে পড়লে চিকিৎসার কথা বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এতে বলা হয়েছে, ১২ মাস সময় ধরে অস্বাভাবিক গেমিং আসক্তি বা আচরণ দেখা গেলে তা নির্ণয়ের পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে যদি অস্বাভাবিক আচরণের মাত্র অনেক বেশি তীব্র হয়, তখন ১২ মাস নয়, তার আগেই ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।

যেসব লক্ষণের কথা এতে উল্লেখ করা হয়েছে:

•গেমিং নিয়ে নিজের ও্রপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা ( বিশেষ করে কত ঘন ঘন, কতটা তীব্র এবং কত দীর্ঘ সময় ধরে গেমিং করছে, সে বিষয়ে)

•গেমিং-কেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়া

•নেতিবাচক প্রভাব সত্ত্বেও গেমিং অব্যাহত রাখা বা আরও বেশি গেমিং করা

লন্ডনের নাইটিংগেল হাসপাতালের টেকনোলজি এডিকশন স্পেশালিস্ট ড: রিচার্ড গ্রাহাম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।

"এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ফলে আরও বিশেষায়িত চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হবে। এতে করে এ ধরণের গেমিং আসক্তিকে লোকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে নেবে।"

তবে যারা গেমিং আসক্তিকে একটি মানসিক ব্যাধি হিসেবে দেখার বিপক্ষে, তাদের প্রতিও তিনি সহানুভূতিশীল।গেমিং এর নেশা ঠেকাতে অনেক দেশে আইন করতে হয়েছে তিনি স্বীকার করছেন যে অনেক বাবা-মা এ নিয়ে বিভ্রান্ত হতে পারেন। কেবল গেমিং এ উৎসাহী বলে সন্তানদের তারা 'অসুস্থ' বলে ভাবতে পারেন।

ড: রিচার্ড গ্রাহাম জানান, বছরে তিনি ডিজিটাল আসক্তির প্রায় ৫০টির মতো কেস দেখেন। এই আসক্তির কারণে এদের ঘুম, খাওয়া-দাওয়া, সামাজিক মেলা-মেশা এবং শিক্ষার ওপর কি প্রভাব পড়ে, সেটার ওপর ভিত্তি করে আসক্তির সমস্যার মাত্রা বোঝার চেষ্টা করা হয়।রোগী দেখার সময় একটা জিনিসকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। এই গেমিং আসক্তি 'নিউরোলজিক্যাল সিস্টেম'কে কতটা প্রভাবিত করছে। এটি চিন্তার ক্ষমতা বা নিবিষ্ট থাকার ক্ষমতার ওপর কি প্রভাব ফেলছে।বিশ্বের অনেক দেশই গেমিং এর আসক্তি নিয়ে চিন্তিত। দক্ষিণ কোরিয়ায় তো সরকার এমন আইন করেছে যাতে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুরা মধ্যরাত হতে ভোর ছটা পর্যন্ত অনলাইন গেম খেলতেই না পারে।জাপানে কেউ যদি একটি নির্দিষ্ট সময়ের বেশি গেম খেলে তাকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। চীনে সেখানকার সবচেয়ে বড় ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান টেনসেন্ট শিশুরা কতক্ষণ গেম খেলতে পারে তার সময় বেঁধে দিয়েছে।অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এক সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হচ্ছে, শিশুরা যদিও প্রচুর সময় স্ক্রীনের দিকে তাকিয়ে কাটায়, কিন্তু তারা তাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে এই ডিজিটাল জগতকে ভালোই খাপ খাইয়ে নিতে পারে।গবেষণায় দেখা গেছে, মেয়েদের তুলনায় ছেলেরাই ভিডিও গেম খেলায় বেশি সময় দেয়।

গবেষণক কিলিয়ান মুলান বলেন, "মানুষের ধারণা শিশুরা দিন-রাত চব্বিশ ঘন্টা স্ক্রীনের সামনে বসে থাকছে, আর কিছু করছে না। আসলে তা নয়। আমাদের গবেষণায় আমরা দেখছি, তারা প্রযুক্তিকে নানা কাজে ব্যবহার করছে। এমনকি স্কুলের হোমওয়ার্ক করার জন্যও তারা প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।"

"আমরা বড়রা যেভাবে করি, অনেকটা সেভাবে শিশুরাও আসলে তাদের ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারটা সারাদিন ধরেই অন্য অনেক কিছুর ফাঁকে ফাঁকে করছে, একবারে নয়।"

Source :
https://www.bbc.com/bengali/news-44521942?ocid=socialflow_facebook

8
নতুন এক ধরনের হেডসেট (হেডফোনের মতো পরিধেয়) উদ্ভাবিত হয়েছে, যার মাধ্যমে মনের কথা ‘শোনা’ যাবে। তবে এজন্য যারা হেডসেটটি পরে থাকবে তারাই কেবল পরস্পরের মধ্যে যোগাযোগ করতে পারবে।

গবেষকরা বলছেন, অলটারইগো (AlterEgo) নামের এই হেডসেটটি পরে কেউ মনে মনে কথা বললেই হলো, উচ্চস্বরে কথা বলার প্রয়োজন নেই।

এই আবিষ্কারের নেতৃত্ব দিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অর্ণব কাপুর। তিনি বলেন, ‘আমাদের চিন্তা ছিল : আমরা এমন কোনো কম্পিউটিং প্ল্যাটফরম করতে পারি কি না, যা আরো বেশি অন্তর্মুখী, কোনো উপায়ে যা মানুষ ও মেশিনের মেলবন্ধন ঘটাবে এবং যা আমাদের নিজেদের বোধশক্তির অন্তর্গত বিস্তার মনে হতে পারে?’ যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বা এমআইটির মিডিয়া ল্যাবে এ সিস্টেম উন্নয়নে কাজ করেন অর্ণব।

অর্ণব এই হেডসেটটিকে ইনটেলিজেন্স-অগমেন্টেশন (জ্ঞান-উদ্দীপন) বা এআই যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করেছেন। সম্প্রতি জাপানের টোকিওতে অ্যাসোসিয়েশন ফর কম্পিউটিং মেশিনারি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ বিষয়ে উপস্থাপনা করেন। যন্ত্রটি চোয়াল ও থুতনি বরাবর পরতে হবে এবং এই সাদা প্লাস্টিক ডিভাইসটির নিচে চারটি ইলেকট্রোড (বিদ্যুৎ পরিবাহী সেল) থাকবে, যেগুলো ত্বক ও স্নায়ুবিকপেশির (নিউরোমাসকুলার) সংকেত পাবে। এর ফলে একজন ব্যক্তি মনে মনে কী বললেন তা বুঝতে পারবে যন্ত্রটি। কেউ যখন বলে ওঠে তার মাথায় অনেক কথা আছে, এই যন্ত্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষ শব্দের সঙ্গে বিশেষ সংকেত মিল খুঁজে পাবে, এরপর সেসব কথা কম্পিউটারে বেরিয়ে আসবে।

এমআইটির মিডিয়া আর্টস ও সায়েন্সেসের প্রফেসর প্যাটি মায়েস বলেন, ‘আমরা আসলে সেলফোন, ডিজিটাল যন্ত্রপাতি ছাড়া চলতে পারি না। একইসঙ্গে এসব যন্ত্রের ব্যবহার অত্যন্ত ঝামেলার। প্রয়োজনীয় কিছু খুঁজতে আমাকে ফোন বের করে পাসকোড দিতে হবে এবং একটি অ্যাপ খুলে সেটাতে কিওয়ার্ড টাইপ করতে হবে। পুরো বিষয়টা আমার মনোযোগ অন্য দিকে নিয়ে যায়।’

মায়েস, তাঁর ছাত্র অর্ণবসহ অন্যরা স্মার্টফোনের জ্ঞান ও সেবার কিছু ফ্যাক্টর, ইন্টারফেস নিয়ে কাজ করছেন, যাতে দৈনন্দিন জীবনে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা আর থাকবে না।

অল্টারইগো যন্ত্রটি দিয়ে ১০ জনের ওপর নিরীক্ষা চালানো হয় এবং এর মধ্যে ৯২ শতাংশ নিখুঁত করে এটি। আর প্রত্যেক ব্যক্তিকে বুঝতে তার ১৫ মিনিট করে সময় লাগে। গুগলের কণ্ঠ রূপান্তর যন্ত্র ৯৫ শতাংশ সঠিক কাজ করে। তবে অর্ণব বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যন্ত্রটির উন্নয়ন হবে।

(কথা) শনাক্ত প্রক্রিয়ার উন্নতির জন্য তথ্য সংগ্রহ এবং কত সংখ্যক শব্দ অল্টারইগো বুঝতে পারবে তা নিয়ে অর্ণব ও তাঁর দল বর্তমানে কাজ করছে।

কণ্ঠ রূপান্তরকারী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যন্ত্র যেমন গুগলের অ্যাসিস্ট্যান্ট, অ্যামাজনের অ্যালেক্সা অথবা অ্যাপলের সিরির সঙ্গে সমন্বয় করাই অল্টারইগোর মূল লক্ষ্য। মানুষ এসব যন্ত্রের সঙ্গে কোনো কথা না বলেই বা নিশ্চুপ থেকেই নতুন আবিষ্কৃত যন্ত্রটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে।

জর্জিয়া টেকের কম্পিউটিং প্রফেসর থাড স্টার্নার বলেন, ‘যেখানে সাধারণত পারতেন না এমন পরিবেশে কণ্ঠের মাধ্যমে যোগাযোগের ব্যাপারটা দুর্দান্ত, তাই না?’ তিনি বলেন, ‘যেখানে উচ্চস্বরে শব্দ হয় সেই পরিবেশের কথা ভাবতে পারেন, যেমন বিমানবাহী রণতরীর উড়োজাহাজ উড্ডয়নের ডেক, বিদ্যুৎকেন্দ্র বা ছাপাখানা।’

Source: https://www.ntvbd.com/tech/189549/%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0

9
Multimedia Section / Color Theory Basics
« on: March 19, 2018, 10:38:38 AM »
প্রতিদিন ড্রয়িং,অ্যানিমেশন অথবা যে কোনও ধরনের ডিজাইন রিলেটেড কাজ করতে গেলে আমাদের কালার এর কথা চলে আসে।
তাই বেসিক অফ কালার নিএ একটি ভিডিও লিঙ্ক শেয়ার করলাম।

লিঙ্কঃ
https://www.youtube.com/watch?v=L1CK9bE3H_s

10
হাত-মুখ ধুতে গিয়ে অসাবধানতাবশত আপনার মোবাইলটি বালতির পানিতে বা কখনো বেসিনে পড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। আবার বৃষ্টিতে কিংবা অন্য কোনভাবে মোবাইলটা একেবারে ভিজে যেতে পারে। এক্ষেত্রে যা করতে হবে আর যে কাজ অবশ্যই করবেন না তা জেনে নিন-

যা করবেন না
* কোনো সুইচ চাপবেন না। এতে করে পানি আরো বেশি পরিমাণে ঢুকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে শর্টসার্কিট হবে। হয়তো বেঁচে যেতো মোবাইলটা। কিন্তু স্রেফ একটা সুইট চাপার কারণে নষ্ট হয়ে যাবে। তাই কোনো সুইচ বা পোর্টে খোঁচাখুঁচি করবেন না কোনভাবেই।

* পানিতে পড়া মোবাইল নিয়ে নির্মাতার ওয়ারেন্টির সুবিধার অপেক্ষায় থাকবেন না। কারণ, পানিতে পড়ার ওয়ারেন্ট ওরা দেবে না। নির্মাতারা কেবল নির্মাণত্রুটি পেলেই সেবা দেবে। আর যদি সেখানে নিয়েই যান, তবে ঘটনা লুকানোর চেষ্টা করবেন না। এতে করে আপনি উপকার পেলেও পেতে পারেন।

* হেয়ারড্রায়ার দিয়ে ফোন শুকাবেন না। এতে করে স্পর্শকাতর ইলেকট্রনিক অংশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর ভুল করে পানি শুকানোর জন্যে গরম কোনো যন্ত্রের মধ্যেও রাখবেন না। ওভেন বা রেডিয়েটরে তো রাখবেন না।


যা করবেন
* ফোনে পানি ঢুকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এর ব্যাটারি সংযোগ বন্ধ করতে হবে। প্রথমে চেষ্টা করুণ ফোনটি সুইচড অফ করতে। না হলে সরাসরি ব্যাটারি খুলে ফেলুন। অহেতুক অন্যান্য বাটন চেপে কোন কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে যাবেন না। কারণ পানিতে পড়লেও ফোন বন্ধ হয় না। ফলে ভিতরে শর্ট সার্কিট হয়ে যায়। যাবতীয় ডেটা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সার্কিট জ্বলে যেতে পারে। তাই প্রথম কাজই এটার ব্যাটারি সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া।

* বন্ধ করার পর একটি শুকনো কাপড়ে মোবাইলটি ভালোমতো মুছে ফেলুন। এবার একটি টিস্যু বা পেপার তোয়ালেতে মুড়ে রেখে দিন। এতে বাড়তি পানি শুষে নেবে ওগুলো। কোনো অ্যাক্সেসরিজ লাগানো থাকলে তা খুলে ফেলুন। সিমকার্ড বের করে নিন। মেমোরি কার্ডও বের করে নিন। এবার বিভিন্ন কোণ থেকে মোবাইলটা ঝাঁকাতে থাকুন। এতে করে ভেতরে কোনো পানি থাকলে বের হয়ে আসবে।

* এবার আসল কাজ। বাড়িতে যেখানে চাল রেখেছেন সেখানে মোবাইলটি রেখে দিন। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো এয়ারটাইট বাক্সে চাল নিয়ে তারমধ্যে মোবাইলটি রাখতে পারলে। চালের ভেতরে স্মার্টফোনটি ডুবিয়ে দিন। চাল কিন্তু আর্দ্রতা দারুণভাবে শুষে নিতে পারে। এতে অবশ্য চালের গুঁড়া লেগে যাবে। কিন্তু মোবাইল বাঁচবে। এভাবে ২৪-৪৮ ঘণ্টা মোবাইলটি রেখে দিতে হবে।

*  কড়া সূর্যালোকেও মোবাইলটি রেখে দিতে পারে। এতে করে পানি শুকিয়ে যাবে। তবে এটা করতে গেলে মোবাইলে ব্যাক কাভার এবং ব্যাটারি সব খুলে নেবে। রোদ্রে মোবাইলটাকে যতটা খোলামেলা রাখা যায় সেভাবেই রাখবেন।  আশা করা যায়, মোবাইলটা ভালো হয়ে যাবে। খুব বড় দুর্ঘটনা না ঘটে গেলে অন্তত মোবাইলটা আবারো চালু হবে।

Source : http://www.bd-pratidin.com/tech-world/2018/03/01/310641

12
অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারে মানুষের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ছে
২০৫০ সালের মধ্যে কেড়ে নেবে কোটি প্রাণ :বিশেষজ্ঞদের অভিমত
Details /Source :
http://www.ittefaq.com.bd/life-style/2017/11/13/135661.html

13
Present yourself / Interview Skills
« on: November 14, 2017, 04:56:31 PM »

14
Public Health / শরীর ব্যথা !!
« on: August 01, 2017, 11:11:27 AM »
শরীর ব্যথা হচ্ছে বিভিন্ন রোগের একটি সাধারণ উপসর্গ। বেশ পরিচিত রোগ ফ্লু শরীরে ব্যথার উদ্রেক করতে পারে। প্রতিদিনকার কার্যপ্রণালীর কারনেও শরীর ব্যথা হতে পারে, বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে হাঁটলে, দাঁড়ালে বা অনুশীলন করলে।

শরীর ব্যথায় গুরুতর অবস্থা এড়াতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে যেন ভুল না হয়। শরীর ব্যথার বিভিন্ন কারণ বা রোগ সম্পর্কে জ্ঞান আপনার স্বাস্থ্য সচেতনতার পরিচয় বহন করে। আজ শরীর ব্যথার ১২টি রোগ সম্পর্কে আলোকপাত করা হল।

১. উদ্বেগ

উদ্বেগে থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ে। এর ফলে শরীর সংক্রমণ বা ব্যাধির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে না। উদ্বেগের কারণে শরীরে প্রদাহ ও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। ফলে শরীরে ব্যথা অনুভূত হয়। যদি মনে করেন উদ্বেগের কারণে আপনার শরীর ব্যথা করছে, তাহলে জীবনযাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন আনুন। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন-

* প্রতিদিন কিছুক্ষণের জন্য মেডিটেশন করুন। শ্বাসক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব দিন এবং উদ্বেগ সৃষ্টিকারী ব্যক্তি বা ঘটনাসমূহ মন থেকে তাড়িয়ে দিন।

* হাঁটুন কিংবা উদ্বেগপূর্ণ পরিবেশ ত্যাগ করুন।

* উদ্বেগের কথা বিশ্বস্ত কাউকে বলুন যাতে উদ্বেগের কারণ স্পষ্ট হয়।

* উদ্বেগের কারণে ঘুম ব্যাহত হলে ঘুমানোর আগে উদ্বেগ শিথিলকরণ পদ্ধতি মেনে চলুন।

২. ডিহাইড্রেশন

শরীরকে স্বাভাবিক ও সুস্থ রাখতে পানি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি ছাড়া শরীর গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া (যেমন- শ্বাসক্রিয়া, পরিপাকক্রিয়া ইত্যাদি) সম্পন্ন করতে পারে না। ঠান্ডা কিংবা গরমে যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান না করলে ডিহাইড্রেটেড হয়ে যাবেন। প্রতিদিন ৮ আউন্স গ্লাস পানি পান করা উচিত। এর চেয়েও বেশি পান করুন যদি আপনি শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকেন ও ঘামেন।

ডায়রিয়ার কারণে ডিহাইড্রেটেড হয়ে থাকলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। অতিরিক্ত ইলেক্ট্রোলাইটযুক্ত পানি বা তরল পান আপনাকে হাইড্রেটেড রাখবে ও ইলেক্ট্রোলাইট ডায়রিয়াকে দূর করবে। শরীর পানি ধরে রাখতে না পারলে বা অতিমাত্রায় ডিহাইড্রেটেড এড়াতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

৩. ঘুমের অভাব

পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে আপনার সার্বিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়বে। র‍্যাপিড আই মুভমেন্টসহ প্রতিরাতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। শরীরের টিস্যু ও কোষের যথাযথ ঘুম দরকার যাতে তারা সুস্থ থাকে। ব্রেইনকে সতেজ ও সতর্ক রাখতে ঘুমের বিকল্প নেই। ঘুম ছাড়া শরীর বিশ্রাম নিতে পারে না এবং প্রয়োজনীয় শক্তি ও প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন হতে পারে না। এ কারণে শরীরে ব্যথা হয়।

প্রতিরাতে পর্যাপ্ত ঘুমের সূচি অনুসরণ করার চেষ্টা করুন। শরীরের ছন্দ বা তাল বজায় রাখতে কিংবা ২৪ ঘণ্টার প্রাকৃতিক চক্র (সার্কাডিয়ান রিদম) ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন রয়েছে।

রিল্যাক্স হতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিচের বিষয়গুলো মেনে চলতে পারেন-

* গরম চা কিংবা অন্যান্য গরম তরল পান করুন।

* মেডিটেশন করুন।

* গান শুনুন।

* রুমের হোয়াইট নয়েজ (যেমন- ফ্যানের শব্দ) শুনুন।

৪. ঠান্ডা বা ফ্লু

ঠান্ডা ও ফ্লু উভয়েই ভাইরাল বা ভাইরাসঘটিত ইনফেকশন যা প্রদাহ সৃষ্টি করে। এসব ইনফেকশন শরীরকে আক্রমণ করে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এদেরকে হটানোর চেষ্টা করে। প্রদাহ, বিশেষ করে গলা, বুক ও ফুসফুসের প্রদাহ বেদনাদায়ক হতে পারে। শরীরের অন্যান্য অংশেও ব্যথা হতে পারে, কারণ শরীর ইনফেকশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে।

আরাম পেতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। গলা ব্যথা কমাতে উষ্ণ লবণ পানি দিয়ে কুলকুচা করুন। এতে ঠান্ডাজনিত রোগ বা ফ্লু দ্রুত সেরে যাবে। ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ (যা কিনতে প্রেসক্রিপশন লাগে না) সিউডোফেড্রাইন ও ইবুপ্রোফেন উপসর্গ ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে যদি ঠান্ডা বা ফ্লু থাকে কিংবা খেতে না পারলে, পান করতে না পারলে বা শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা হলে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের কাছে যান।

৫. অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা

শরীরে লোহিত রক্তকণিকার অভাব হলে অ্যানিমিয়া বা রক্তাস্বল্পতা হয়। অ্যানিমিয়া হলে দেহের টিস্যু পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না। অ্যানিমিয়ার কারণে শরীরের অনেক অঙ্গ বিবশ হয়ে যেতে পারে, কারণ সুস্থ থাকার জন্য বা ক্রিয়া সুসম্পন্ন হওয়ার জন্য যথেষ্ট অক্সিজেন তারা পায় না।

বিভিন্ন কারণে অ্যানিমিয়া হয়ে থাকে। পর্যাপ্ত লৌহ, ফোলেট বা ভিটামিন বি-১২ এর অভাবে অ্যানিমিয়া হয়। এসবের ঘাটতি পূরণে সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। সাপ্লিমেন্টে কাজ না হলে পরীক্ষা ও রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের দ্বারস্থ হোন।

৬. ভিটামিন ডি ঘাটতি

শরীরে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি হলে হাইপোক্যাসিমিয়া (রক্তে ক্যালসিয়ামের অভাব হওয়া) হয়ে থাকে। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ (যেমন- কিডনি, পেশি ইত্যাদি) যথাযথভাবে কাজ করার জন্য ক্যালসিয়ামের ওপর নির্ভর করে। হাড়ের সুস্থতার জন্যও ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন রয়েছে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি এর অভাবে ক্যালসিয়াম শোষিত হয় না যার ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ও হাড়ে ব্যথা হয়।

৭. মনোনিউক্লিওসিস

মনোনিউক্লিওসিস মনো নামে বেশ পরিচিত। মুখের লালার মাধ্যমে এটি ছড়ায়। তাই একে চুম্বন রোগও বলে। এটি একপ্রকার ইনফেকশন যা এপস্টেইন-বার নামক ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। এটি খুব ছোঁয়াচে। এর সবচেয়ে কমন উপসর্গ হচ্ছে শরীর ব্যথা।

৮. নিউমোনিয়া বা ফুসফুস প্রদাহ

নিউমোনিয়া বা ফুসফুস প্রদাহ হল ফুসফুসের ইনফেকশন। ফুসফুসে ইনফেকশন হলে পুরো শ্বসন প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। নিউমোনিয়া হলে শ্বাসকষ্ট হয় এবং অতিরিক্ত ঘাম বের হয়। ভালোমত শ্বাস নিতে না পারলে লোহিত রক্তকণিকা ও টিস্যুকে সুস্থ রাখার জন্য শরীর যথেষ্ট অক্সিজেন পায় না। এ রোগ সারা শরীরে ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।

৯. ফাইব্রোমায়ালজিয়া

ফাইব্রোমায়ালজিয়া হলে পুরো শরীর বা শরীরের বিভিন্ন অংশ (যেমন- পেশি, হাড় ইত্যাদি) ক্লান্ত বা অবসাদগ্রস্ত, ব্যথাক্লিষ্ট ও সংবেদনশীল হতে পারে। এ রোগের কারণ এখনও অজ্ঞাত। তবে চাপপূর্ণ ঘটনা, যেমন- শারীরিক আঘাত বা অসুস্থতা, সার্জারি এবং ইনফেকশনের কারণে এটি হতে পারে।

১০. ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রোম বা দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি

ক্রনিক ফ্যাটিক সিনড্রোম হলে আপনি ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে যাবেন। বিশ্রাম বা ঘুমের তারতম্যের ওপর এটি নির্ভর করে না। তাই বেশি বিশ্রাম বা ঘুমিয়েও ক্লান্তি ও দুর্বলতা দূর করা যায় না। এ রোগ শরীরকে অবসাদগ্রস্ত রাখে বলে পেশি ও জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে।

১১. আর্থ্রাইটিস বা সন্ধিপ্রদাহ


শরীরের জয়েন্ট বা সন্ধির প্রদাহকে আর্থ্রাইটিস বা সন্ধিপ্রদাহ বলে। এ রোগের ফলে জয়েন্টে ব্যথা হয় ও চলাচল সীমিত হয়ে যায়। নিম্নলিখিত কারণে এ রোগ হতে পারে-

* জয়েন্টের তরুণাস্থি বিকল হলে (অস্টিওআর্থ্রাইটিস)

* জয়েন্টে ইনফেকশন হলে

* অটোইমিউন অবস্থা যা জয়েন্টের আস্তরণকে ক্ষয় করে (রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস)।

১২. লুপাস

শরীরের নিজস্ব রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা দ্বারা শরীরের টিস্যু আক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াকে লুপাস বলে। এর ফলে দেহের যেকোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। এ রোগের একটি সাধারণ উপসর্গ হচ্ছে শরীর ব্যথা।

http://www.risingbd.com/prescription-news/234382

15
সামাজিক মাধ্যম তরুণদের মাঝে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিচ্ছে জানিয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে ডিচ দ্য লেবেল নামের একটি সংস্থা।

বুলিং বা আপত্তিকর মন্তব্য বিরোধী এই সংস্থাটি ১২ থেকে ২০ বছর বয়সী ১০ হাজার কিশোর-তরুণের মধ্যে এই গবেষণা চালায়।

গবেষণায় দেখা যায়, ৪০ শতাংশ তরুণ তাদের পোস্টে কাঙ্খিত লাইক না পেলে সেটাকে খুব নেতিবাচকভাবে নেয়। আরও আশঙ্কার বিষয় হলো, ৩৫ শতাংশ তরুণের আত্মবিশ্বাস নির্ভর করে তাদের ফলোয়ারের সংখ্যার ওপর।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, বুলিং বা নেতিবাচক-আপত্তিকর মন্তব্য করা মহামারী হয়ে দেখা দিয়েছে। ৭০ শতাংশ তরুণ স্বীকার করেছেন তারা অন্যের প্রতি আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। ১৭ শতাংশ তরুণ ফেসবুক-ইন্সটাগ্রামে আপত্তিকর মন্তব্যের শিকার হয়েছেন।

প্রায় ৫০ শতাংশ তরুণই নিজের জীবনের কোনো খারাপ দিক সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরে না। উল্টো নিজেদের একটি সুবিধাজনক পরাবাস্তব ও কাটছাট করা সাজানো চরিত্রকে উপস্থাপন করে।

ডিচ দ্য লেবেলের প্রধান নির্বাহী লিয়াম হেকেট বলেন,‘সামাজিক মাধ্যমে নিজের বানানো ব্যক্তিত্ব প্রকাশের একটি ধারা চলছে। এখানে ব্যক্তির বাস্তব ব্যক্তিত্ব অনেকটাই অনুপস্থিত।’
আপত্তিকর মন্তব্যের এই নব্যনেতিবাচক পরিস্থিতি সামলাতে কিশোরদের সচেতন করতে জোর দিয়েছেন ব্রিটেনের শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা অ্যান লংফিল্ড।

তার মতে এখনই স্কুল পর্যায়ে বাধ্যতামূলক ডিজিটাল সিটিজেনশিপ নামের বিশেষ কোর্স চালু করা উচিৎ।

http://www.channelionline.com/তরুণদের-উদ্বেগ-হতাশা-বৃদ/

Pages: [1] 2 3 ... 9