Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Reza.

Pages: [1] 2 3 ... 23
1
Permanent Campus of DIU / Psychological play.
« on: September 14, 2019, 10:50:25 PM »
ছোটবেলায় পরীক্ষা শেষে টিচার যখন খাতা নিতে আসতেন অনেকেই টিচার আর এক মিনিট আর এক মিনিট বলে সময় চাইতো। খাতায় লিখতেই থাকতো। টিচার যতই বলতেন - তারা খাতা দিতে দেরী করতো।
আমাদের কোন কোন টিচার তাই বলতেন তোমাদের খাতা আর নেবো না। তখন আমাদের বন্ধুরা টিচারের পিছনে বারান্দায় দৌড়িয়ে দৌড়িয়ে খাতা জমা দিতে যেত।
মানুষ মাত্রই তার সাইকোলজি দিয়ে চালিত হয়। কেউ হয়তো অনেক কম কথা বলে। তাকেই যদি বলা হয় এক ঘণ্টা কথা বলতে পারবে না। তাহলে সেই স্বল্পভাষীর অবস্থা আমরা কল্পনা করতে পারি। আবার যে সারাক্ষণ কথা বলে তাকে একঘণ্টা টানা কথা বলার পানিশমেন্ট দিলে তার সারাজীবনের শিক্ষা হয়ে যাবে।
মানুষের মনের মূলনীতি হল - যেটি করতে বলা হচ্ছে সেটি না করা। আর নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি তার দূর্বার আকর্ষণ। তার কাছে কিছু চাইলে আপনি পাবেন না। কিন্তু প্রত্যাখ্যান করলে সে সেটি মেনে নিতে পারেনা।
আপনি কারো প্রশংসা করে দেখুন - সে বিনয়ের সাথে তার নিজের দোষ ত্রুটি স্বীকার করে যাবে। আবার তার দোষ ত্রুটির উল্লেখ করলে সে তার নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে চলবে।
আমরা অর্থনীতিতে কি পড়ি?
মানুষ টাকা পেলে কি করে? গরীব মানুষ টাকা পেলে কি করে। বড়লোকেরা টাকা পেলে কি করে। কিংবা সরকার কিভাবে অর্থনীতিকে কন্ট্রোল করতে পারে সেই জিনিষ গুলোই অর্থনীতিতে আলোচনা করা হয়।
অর্থনীতির পুরোটাই টাকার সাথে মানুষের মনের রিয়াকশন অর্থাৎ মানুষের সাইকোলজি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেই মানুষ কখনো গরীব - কখনো বড়লোক। কখনো সে ক্ষুধারথ কখনো বা সে পেট পুরে খেয়েছে।
মানুষের সাইকোলজি নিয়ে খেলা করে ব্যবসায়ীরা আর রাজনীতিবিদেরা। মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে এদের জীবন চলে। জনগণের সাইকোলজি নিয়ে অনেক পড়াশুনা ও বই পত্র আছে। তাদেরকে কন্ট্রোলের জন্যও অনেক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ আছে।
মনে রাখতে হবে সাইকোলজি সহ মানুষই দুষ্টদের প্রেরণা। মানুষ শান্তি চাইলে তারা অশান্তি বাড়ায়। এক গ্রুপের মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে অন্য গ্রুপের মানুষকে তারা শোষণ ও নির্যাতন চালায়। এরা রসায়ন বিষয়ে পড়া প্রভাবক বা ক্যাটালিস্টের ভূমিকায় থাকে।
আমার মতে দুষ্ট মানুষকে দিন রাত সারাদিন অতিরঞ্জিত প্রশংসা বাক্য শোনানো উচিৎ। আর সমালোচনা করা একেবারে বাদ দিলেই সে তার বাকি জীবনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে।

2
Textile Engineering / Psychological play.
« on: September 14, 2019, 10:48:55 PM »
ছোটবেলায় পরীক্ষা শেষে টিচার যখন খাতা নিতে আসতেন অনেকেই টিচার আর এক মিনিট আর এক মিনিট বলে সময় চাইতো। খাতায় লিখতেই থাকতো। টিচার যতই বলতেন - তারা খাতা দিতে দেরী করতো।
আমাদের কোন কোন টিচার তাই বলতেন তোমাদের খাতা আর নেবো না। তখন আমাদের বন্ধুরা টিচারের পিছনে বারান্দায় দৌড়িয়ে দৌড়িয়ে খাতা জমা দিতে যেত।
মানুষ মাত্রই তার সাইকোলজি দিয়ে চালিত হয়। কেউ হয়তো অনেক কম কথা বলে। তাকেই যদি বলা হয় এক ঘণ্টা কথা বলতে পারবে না। তাহলে সেই স্বল্পভাষীর অবস্থা আমরা কল্পনা করতে পারি। আবার যে সারাক্ষণ কথা বলে তাকে একঘণ্টা টানা কথা বলার পানিশমেন্ট দিলে তার সারাজীবনের শিক্ষা হয়ে যাবে।
মানুষের মনের মূলনীতি হল - যেটি করতে বলা হচ্ছে সেটি না করা। আর নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি তার দূর্বার আকর্ষণ। তার কাছে কিছু চাইলে আপনি পাবেন না। কিন্তু প্রত্যাখ্যান করলে সে সেটি মেনে নিতে পারেনা।
আপনি কারো প্রশংসা করে দেখুন - সে বিনয়ের সাথে তার নিজের দোষ ত্রুটি স্বীকার করে যাবে। আবার তার দোষ ত্রুটির উল্লেখ করলে সে তার নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে চলবে।
আমরা অর্থনীতিতে কি পড়ি?
মানুষ টাকা পেলে কি করে? গরীব মানুষ টাকা পেলে কি করে। বড়লোকেরা টাকা পেলে কি করে। কিংবা সরকার কিভাবে অর্থনীতিকে কন্ট্রোল করতে পারে সেই জিনিষ গুলোই অর্থনীতিতে আলোচনা করা হয়।
অর্থনীতির পুরোটাই টাকার সাথে মানুষের মনের রিয়াকশন অর্থাৎ মানুষের সাইকোলজি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেই মানুষ কখনো গরীব - কখনো বড়লোক। কখনো সে ক্ষুধারথ কখনো বা সে পেট পুরে খেয়েছে।
মানুষের সাইকোলজি নিয়ে খেলা করে ব্যবসায়ীরা আর রাজনীতিবিদেরা। মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে এদের জীবন চলে। জনগণের সাইকোলজি নিয়ে অনেক পড়াশুনা ও বই পত্র আছে। তাদেরকে কন্ট্রোলের জন্যও অনেক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ আছে।
মনে রাখতে হবে সাইকোলজি সহ মানুষই দুষ্টদের প্রেরণা। মানুষ শান্তি চাইলে তারা অশান্তি বাড়ায়। এক গ্রুপের মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে অন্য গ্রুপের মানুষকে তারা শোষণ ও নির্যাতন চালায়। এরা রসায়ন বিষয়ে পড়া প্রভাবক বা ক্যাটালিস্টের ভূমিকায় থাকে।
আমার মতে দুষ্ট মানুষকে দিন রাত সারাদিন অতিরঞ্জিত প্রশংসা বাক্য শোনানো উচিৎ। আর সমালোচনা করা একেবারে বাদ দিলেই সে তার বাকি জীবনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে।

3
Textile Engineering / Teen age - best part of life.
« on: September 02, 2019, 12:08:29 AM »
১২ - ১৩ বছরের পঞ্চাশটি ছেলে। সবাই ভালো ছাত্র। এক সাথে তাদের রাখা হল কলেজে। এদের মধ্যে কেউ হয়তো আগে রাতে মাকে ছাড়া কখনো ঘুমায়নি। সে এখন জানালার পাশের বেডে একা ঘুমিয়ে থাকে। একাএকাই গভীর রাতে সেই লম্বা বারান্দার আরেক মাথায় বাথরুমে যায়। কেউ ছিল বাসায় কোনদিন মাছ খায়নি। সেও এখন ডাইনিঙয়ে কাঁটাচামচ দিয়ে বেছে বেছে ভাত দিয়ে মাছ খেয়ে চলে। এদের মাঝে কারো কারো মাথায় আসে যে ইস্‌ সে যদি আরেকটু খারাপ ছাত্র হত তাহলে আর বাসা ছেড়ে আসতে হত না। আবার কেউ খুব সিরিয়াস। ভোর সকালে উঠে পিটির জন্য রেডি হয়ে থাকে।
একেক জেলার পঞ্চাশটি পরিবারের পঞ্চাশটি সন্তান। পঞ্চাশ রকমের মনমানুশিকতা। এক সাথে থাকে। পড়াশুনা করে খেলা ধুলা করে আর হোস্টেলে ঘুমায়। সবাই তাদের বাসাকে আর পরিবারের সদস্যদেরকে মিস করে। কেউ গুনে চলে কবে প্যারেন্টস ডে? কেউ বা গুনে চলে কবে ছুটি শুরু হবে? কবে বাসায় যেতে পারবে। এক সাথে পানিশমেন্ট খায় আর দিন গুনে চলে।
বাড়ন্ত দেহ সাথে সকালের পিটি আর বিকালের গেমস। সারাক্ষণই তাদের ক্ষুধা আর ঘুম লাগে। তাদের সারাক্ষণই মনে হয় বাসার কথা। বাসার প্রিয়জনের কথা। তাদের সব থেকে বড় আশা হল সকালে পিটির সময় যেন বৃষ্টি হয়। আর তারা পিটির সময় যেন ঘুমাতে পারে। একসাথে গল্প করা আর পড়াশুনা করা। তাদের একটি অপেক্ষার ক্ষণ হল সেই বিখ্যাত বৃহস্পতিবার। যেই দিন তাদের রাতে স্পেশাল ডিনার হয়। আর টিভি দেখতে পারে।
এইভাবে কেটে গেল ছয়টি বছর। সেই ছয়টি বছর। যেটি আগে খুব স্লো ভাবে যাচ্ছে বলে মনে হত। তারা এখন সব উচ্ছল তরুণ যুবা।
কি আশ্চর্য!! এখন তাদের কাছে কলেজটি কত মহনীয় জায়গা মনে হয়। বাসার প্রিয়জনেরা যেমন আপন ঠিক তেমন আপন তাদের এই কলেজের বন্ধুরা। সব কিছুর থেকে এখন সেই সব বন্ধুদের সান্নিধ্য সব থেকে ভালো লাগে। ভালো লাগে বন্ধুদের সাথে সেই ছয়টি বছরের স্মৃতি রোমন্থন করতে।

4
Permanent Campus of DIU / Teen age - best part of life.
« on: September 02, 2019, 12:07:35 AM »
১২ - ১৩ বছরের পঞ্চাশটি ছেলে। সবাই ভালো ছাত্র। এক সাথে তাদের রাখা হল কলেজে। এদের মধ্যে কেউ হয়তো আগে রাতে মাকে ছাড়া কখনো ঘুমায়নি। সে এখন জানালার পাশের বেডে একা ঘুমিয়ে থাকে। একাএকাই গভীর রাতে সেই লম্বা বারান্দার আরেক মাথায় বাথরুমে যায়। কেউ ছিল বাসায় কোনদিন মাছ খায়নি। সেও এখন ডাইনিঙয়ে কাঁটাচামচ দিয়ে বেছে বেছে ভাত দিয়ে মাছ খেয়ে চলে। এদের মাঝে কারো কারো মাথায় আসে যে ইস্‌ সে যদি আরেকটু খারাপ ছাত্র হত তাহলে আর বাসা ছেড়ে আসতে হত না। আবার কেউ খুব সিরিয়াস। ভোর সকালে উঠে পিটির জন্য রেডি হয়ে থাকে।
একেক জেলার পঞ্চাশটি পরিবারের পঞ্চাশটি সন্তান। পঞ্চাশ রকমের মনমানুশিকতা। এক সাথে থাকে। পড়াশুনা করে খেলা ধুলা করে আর হোস্টেলে ঘুমায়। সবাই তাদের বাসাকে আর পরিবারের সদস্যদেরকে মিস করে। কেউ গুনে চলে কবে প্যারেন্টস ডে? কেউ বা গুনে চলে কবে ছুটি শুরু হবে? কবে বাসায় যেতে পারবে। এক সাথে পানিশমেন্ট খায় আর দিন গুনে চলে।
বাড়ন্ত দেহ সাথে সকালের পিটি আর বিকালের গেমস। সারাক্ষণই তাদের ক্ষুধা আর ঘুম লাগে। তাদের সারাক্ষণই মনে হয় বাসার কথা। বাসার প্রিয়জনের কথা। তাদের সব থেকে বড় আশা হল সকালে পিটির সময় যেন বৃষ্টি হয়। আর তারা পিটির সময় যেন ঘুমাতে পারে। একসাথে গল্প করা আর পড়াশুনা করা। তাদের একটি অপেক্ষার ক্ষণ হল সেই বিখ্যাত বৃহস্পতিবার। যেই দিন তাদের রাতে স্পেশাল ডিনার হয়। আর টিভি দেখতে পারে।
এইভাবে কেটে গেল ছয়টি বছর। সেই ছয়টি বছর। যেটি আগে খুব স্লো ভাবে যাচ্ছে বলে মনে হত। তারা এখন সব উচ্ছল তরুণ যুবা।
কি আশ্চর্য!! এখন তাদের কাছে কলেজটি কত মহনীয় জায়গা মনে হয়। বাসার প্রিয়জনেরা যেমন আপন ঠিক তেমন আপন তাদের এই কলেজের বন্ধুরা। সব কিছুর থেকে এখন সেই সব বন্ধুদের সান্নিধ্য সব থেকে ভালো লাগে। ভালো লাগে বন্ধুদের সাথে সেই ছয়টি বছরের স্মৃতি রোমন্থন করতে।

5
Permanent Campus of DIU / Don't forget to remember.
« on: August 22, 2019, 09:57:05 PM »
তার জন্ম ব্রিটিশ পিরিয়ডে। ছোটবেলাতেই তার অন্য সব ভাই বোন মারা যায়। ছোটবেলা থেকেই তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন। পড়ালেখা করে সরকারী চাকুরী শুরু করেছিলেন সেই ব্রিটিশ সময়েই। ছেলেমেয়েদের মানুষ করেছেন। তারা সবাই প্রতিষ্ঠিত যার যার সেক্টরে। রিটায়ারের পরে নিজের গ্রামে থাকা শুরু করেন। যমুনা নদীর ভাঙ্গনে গ্রামের পর গ্রাম উজার হয়ে যায়। তার পরও তার মাতৃভূমির প্রতি মায়া কমেনি। বাঁধের পাশে ঘর তুলে বাস করেছেন কিছুদিন। হয়তো তার গ্রামটি ভাংবে না। নদীর ভাঙ্গন হয়তো বন্ধ হবে। পরে তার গ্রাম ভেঙ্গে গেলে শহরের পাশে বাড়ি তৈরি করে বসবাস করেন। কারো সাথে কখনো কোন শত্রুতা হয়নি। সবার ভাল চেয়েছেন - মঙ্গল চেয়েছেন। সবাইকে নামাজের কথা আর ইসলামের কথা মনে করে দিয়েছেন। তার কাছের মানুষেরা ভাবতো, তার একেবারে বৈষয়িক জ্ঞান নাই।
এক রাতে তার মৃত্যু হল। ঢাকা থেকে তার কাছের মানুষেরা সবাই এলো। বাড়ি ভর্তি সেই মফস্বল শহরের মানুষজন। বেশীর ভাগেরই দাড়ি টুপি আছে। এছাড়াও অন্য সব পোশাকের মানুষেরাও আছে। সেই শহরের কেউ বাদ পড়েনি। কাছের মানুষদের কাজ কিছুই করতে হল না। কি আশ্চর্য বিষয়। তাকে যখন জানাজার পর দাফনের জন্য নেয়া হচ্ছিল - মানুষের মিছিল যেন পিছনে চলেছে। হেটে রিক্সায় বা টিলারে করে। সেই শান্ত স্বভাবের সহজ সরল জীবনযাপনকারির এতো হিতকাঙ্খি - এতো আপনজন। মনে হল সেই তো কোটিপতি ব্যবসায়ী বা ক্ষমতাবান রাজনীতিবিদদের থেকে বেশী ভাগ্যবান। অল্প অল্প করে কত সহস্র মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। আসলেই মানুষের মৃত্যুদিনেই বোঝা যায় কে কেমন ছিলেন। যার জন্য যত মানুষ মন থেকে দোয়া করে - সে তত বেশী ভাগ্যবান।

6
Textile Engineering / Don't forget to remember.
« on: August 22, 2019, 09:56:20 PM »
তার জন্ম ব্রিটিশ পিরিয়ডে। ছোটবেলাতেই তার অন্য সব ভাই বোন মারা যায়। ছোটবেলা থেকেই তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন। পড়ালেখা করে সরকারী চাকুরী শুরু করেছিলেন সেই ব্রিটিশ সময়েই। ছেলেমেয়েদের মানুষ করেছেন। তারা সবাই প্রতিষ্ঠিত যার যার সেক্টরে। রিটায়ারের পরে নিজের গ্রামে থাকা শুরু করেন। যমুনা নদীর ভাঙ্গনে গ্রামের পর গ্রাম উজার হয়ে যায়। তার পরও তার মাতৃভূমির প্রতি মায়া কমেনি। বাঁধের পাশে ঘর তুলে বাস করেছেন কিছুদিন। হয়তো তার গ্রামটি ভাংবে না। নদীর ভাঙ্গন হয়তো বন্ধ হবে। পরে তার গ্রাম ভেঙ্গে গেলে শহরের পাশে বাড়ি তৈরি করে বসবাস করেন। কারো সাথে কখনো কোন শত্রুতা হয়নি। সবার ভাল চেয়েছেন - মঙ্গল চেয়েছেন। সবাইকে নামাজের কথা আর ইসলামের কথা মনে করে দিয়েছেন। তার কাছের মানুষেরা ভাবতো, তার একেবারে বৈষয়িক জ্ঞান নাই।
এক রাতে তার মৃত্যু হল। ঢাকা থেকে তার কাছের মানুষেরা সবাই এলো। বাড়ি ভর্তি সেই মফস্বল শহরের মানুষজন। বেশীর ভাগেরই দাড়ি টুপি আছে। এছাড়াও অন্য সব পোশাকের মানুষেরাও আছে। সেই শহরের কেউ বাদ পড়েনি। কাছের মানুষদের কাজ কিছুই করতে হল না। কি আশ্চর্য বিষয়। তাকে যখন জানাজার পর দাফনের জন্য নেয়া হচ্ছিল - মানুষের মিছিল যেন পিছনে চলেছে। হেটে রিক্সায় বা টিলারে করে। সেই শান্ত স্বভাবের সহজ সরল জীবনযাপনকারির এতো হিতকাঙ্খি - এতো আপনজন। মনে হল সেই তো কোটিপতি ব্যবসায়ী বা ক্ষমতাবান রাজনীতিবিদদের থেকে বেশী ভাগ্যবান। অল্প অল্প করে কত সহস্র মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। আসলেই মানুষের মৃত্যুদিনেই বোঝা যায় কে কেমন ছিলেন। যার জন্য যত মানুষ মন থেকে দোয়া করে - সে তত বেশী ভাগ্যবান।

7
Textile Engineering / Taking apart a car to know how it works.
« on: July 28, 2019, 02:19:34 AM »
স্টুডেন্ট লাইফ সহ জীবনের বড় একটা অংশ টেক্সটাইল পড়ে আর পড়িয়ে কাটলো। স্টুডেন্ট লাইফে অ্যাপারেল টেক্সটাইল, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল আর হোম ফারনিশিং এই তিন ক্যাটাগরীর টেক্সটাইলের প্রতি চোখ খুলে গেল। বর্তমানে পড়তেছি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কিছু সাবজেক্ট। মনে হচ্ছে - তাইতো কত কিছুই তো জানিনা।
ভেবে দেখলাম আমার পড়ার ও জানার অপেক্ষায় কিছু বসে থাকে না। আমি যা জানি তার বহু আগে থেকেই টেক্সটাইল ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ের প্রয়োগ হয়ে আসতেছে। আমি না জানলেও এর প্রয়োগ হত।
ভাবতেছি মানুষ কি শুধু কি হইতেছে এইটাই কি শুধু জানার চেষ্টা করে না? আমাদের হার্ট রক্ত পাম্প করে - এইটা মানুষ জানার আগে থেকেই হার্ট রক্ত পাম্প করে চলেছে। কেউ এখনও না জানলেও তার হার্ট রক্ত পাম্প করা বাদ দেয় না। আমাদের হার্ট, লিভার, ফুস্ফুস সারাজীবন কাজ করে চলে।
আর প্রায় সব ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ে আমরা এই পৃথিবীর বিভিন্ন বস্তুর গুনগত ব্যাপারগুলো জেনে তার প্রয়োগ করি। লোহা বা আয়রনের শক্তি কত - তা আমরা পরীক্ষা করে জানি। আমরা নতুন কিছুই করতেছি না। যা আছে তাই কেবল জেনে নিতেছি। আর সেই জানাটাকেই বিভিন্ন ভাবে প্রয়োগ করতেছি।
চিকিৎসা বিদ্যা, ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ের সব শাখা, কেবল মাত্র যে বস্তুগুলো আছে - সেইগুলো নিয়েই জানার ব্যাপার।
কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে - আমরা জানি বা না জানি সব কিছুর বৈশিষ্ট্য ও গুণগত মান একই থাকতো। আমরা জানার আগে থেকেই আলোর গতি সেকেন্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল। এই গতি আমরা আবিস্কার করে নির্ধারণ করি নাই।
আমরা ভাবি আমরা কত কিছু করতেছি। সব কাজ করে দুনিয়া উল্টায় ফেলতেছি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমাদের এই জানা জিনিসের ভ্রান্ত প্রয়োগই পৃথিবীর জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে - এইটা কি আমরা ভাবি না?
মহান আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন ও আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

8
Permanent Campus of DIU / Taking apart a car to know how it works.
« on: July 28, 2019, 02:13:56 AM »
স্টুডেন্ট লাইফ সহ জীবনের বড় একটা অংশ টেক্সটাইল পড়ে আর পড়িয়ে কাটলো। স্টুডেন্ট লাইফে অ্যাপারেল টেক্সটাইল, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল আর হোম ফারনিশিং এই তিন ক্যাটাগরীর টেক্সটাইলের প্রতি চোখ খুলে গেল। বর্তমানে পড়তেছি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কিছু সাবজেক্ট। মনে হচ্ছে - তাইতো কত কিছুই তো জানিনা।
ভেবে দেখলাম আমার পড়ার ও জানার অপেক্ষায় কিছু বসে থাকে না। আমি যা জানি তার বহু আগে থেকেই টেক্সটাইল ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ের প্রয়োগ হয়ে আসতেছে। আমি না জানলেও এর প্রয়োগ হত।
ভাবতেছি মানুষ কি শুধু কি হইতেছে এইটাই কি শুধু জানার চেষ্টা করে না? আমাদের হার্ট রক্ত পাম্প করে - এইটা মানুষ জানার আগে থেকেই হার্ট রক্ত পাম্প করে চলেছে। কেউ এখনও না জানলেও তার হার্ট রক্ত পাম্প করা বাদ দেয় না। আমাদের হার্ট, লিভার, ফুস্ফুস সারাজীবন কাজ করে চলে।
আর প্রায় সব ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ে আমরা এই পৃথিবীর বিভিন্ন বস্তুর গুনগত ব্যাপারগুলো জেনে তার প্রয়োগ করি। লোহা বা আয়রনের শক্তি কত - তা আমরা পরীক্ষা করে জানি। আমরা নতুন কিছুই করতেছি না। যা আছে তাই কেবল জেনে নিতেছি। আর সেই জানাটাকেই বিভিন্ন ভাবে প্রয়োগ করতেছি।
চিকিৎসা বিদ্যা, ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ের সব শাখা, কেবল মাত্র যে বস্তুগুলো আছে - সেইগুলো নিয়েই জানার ব্যাপার।
কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে - আমরা জানি বা না জানি সব কিছুর বৈশিষ্ট্য ও গুণগত মান একই থাকতো। আমরা জানার আগে থেকেই আলোর গতি সেকেন্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল। এই গতি আমরা আবিস্কার করে নির্ধারণ করি নাই।
আমরা ভাবি আমরা কত কিছু করতেছি। সব কাজ করে দুনিয়া উল্টায় ফেলতেছি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমাদের এই জানা জিনিসের ভ্রান্ত প্রয়োগই পৃথিবীর জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে - এইটা কি আমরা ভাবি না?
মহান আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন ও আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

9
স্তব্ধ সময়। যখন কাজ গুলো পড়ে থাকে একাএকা।
শূণ্য পানে কি এক হাহাকার। মনে হয় নিভে যাক প্রদীপ শিখা। অন্ধকারে ভরে যাক আলোকোজ্জ্বল ঘর। তার মাঝে খুঁজে ফিরি সেই সময়। আর সেই মানুষগুলোকে। কত আলো ছিল চারিদিকে। আর সেই নীল আকাশ। সবুজ ঘাসের ভীরে আর সেই ঘন জঙ্গলে হারিয়ে যাওয়া। তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে কি এক হাহাকার।
কোথায় সেই মানুষগুলো? একেক করে তারা হারিয়ে যায়। বলা হয়নি বিদায়ের কথা। বলা হয়নি কত ভালবাসি তোমায়।
চারিদিকে শুধু বিদায়ের সুর। মনে হয় থেমে যাক সময়। আলো নিভে যাক। শুনে চলি বাতাসের কান্না গুলো। ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে অনুভব হয় বলা হয়নি তাকে। বলা হয়নি কত অনুভব করি তোমায়।
আনন্দের গান আর শোনা হয়নি। ভেঙ্গে গেছে সুর। আলো নিভে গেছে। কোথায় হারিয়ে গেল আনন্দের সেই সময়?
সোনালি রোদে মাঠের ঘাসে স্ফটিকের মত জলের ধারা। তার মাঝে ছুটে চলে শিশুটি। কিংবা ঘুমিয়ে থাকে যখন শোনা যায় শ্বাসের শব্দ। অলস দুপুরে বারান্দায় একাকী ঘুরে বেড়ায়। মনে পড়ে তাকে। খেলা ফেলে ছুটে চলে ঊর্ধ্বশ্বাসে।
যে ছিল পাশে পাশে। ভোর সকালে স্কুলে যাওয়ার সময়। নিশ্চিন্তে থাকে। মাথার উপরে আছে বটবৃক্ষের ছায়া।
চলে গেছে তারা। একাকী। নাকি তাকে একা ফেলে চলে গেছে সবাই? এক দুই তিন ...। সংখ্যায় গননা করলে তারাই তো বেশী। বেড়ে চলে সংখ্যা। বেড়ে চলে শ্বাসের শব্দ। পাতা ঝরে চলে অজস্র।
ঘরে একাকী বসে থাকে। এটাই কি তার ঘর? নাকি অন্য কোথায়? সে জানে সে ঘরে চলেছে। কোথায় সে জানেনা। শুধু এইটুকুই নিশ্চিত জানে যেতে হবে ঘরে। যেখানে অপেক্ষায় তারা আছে।
সেই ছোট ঘর। মনে হয় বিশাল তার জানালা। দখিনা বাতাসে উড়ে যায় পাতা গুলো। উজ্জ্বল আলোতে ভরপুর। তারা অপেক্ষায় আছে কখন সে আসবে। কখন ছুটি হবে। কখন সূর্য ডুবে সন্ধ্যা হবে? কখন ভাংবে তার খেলা।
(দুঃসহ প্রতীক্ষার প্রহর।)

10
স্তব্ধ সময়। যখন কাজ গুলো পড়ে থাকে একাএকা।
শূণ্য পানে কি এক হাহাকার। মনে হয় নিভে যাক প্রদীপ শিখা। অন্ধকারে ভরে যাক আলোকোজ্জ্বল ঘর। তার মাঝে খুঁজে ফিরি সেই সময়। আর সেই মানুষগুলোকে। কত আলো ছিল চারিদিকে। আর সেই নীল আকাশ। সবুজ ঘাসের ভীরে আর সেই ঘন জঙ্গলে হারিয়ে যাওয়া। তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে কি এক হাহাকার।
কোথায় সেই মানুষগুলো? একেক করে তারা হারিয়ে যায়। বলা হয়নি বিদায়ের কথা। বলা হয়নি কত ভালবাসি তোমায়।
চারিদিকে শুধু বিদায়ের সুর। মনে হয় থেমে যাক সময়। আলো নিভে যাক। শুনে চলি বাতাসের কান্না গুলো। ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে অনুভব হয় বলা হয়নি তাকে। বলা হয়নি কত অনুভব করি তোমায়।
আনন্দের গান আর শোনা হয়নি। ভেঙ্গে গেছে সুর। আলো নিভে গেছে। কোথায় হারিয়ে গেল আনন্দের সেই সময়?
সোনালি রোদে মাঠের ঘাসে স্ফটিকের মত জলের ধারা। তার মাঝে ছুটে চলে শিশুটি। কিংবা ঘুমিয়ে থাকে যখন শোনা যায় শ্বাসের শব্দ। অলস দুপুরে বারান্দায় একাকী ঘুরে বেড়ায়। মনে পড়ে তাকে। খেলা ফেলে ছুটে চলে ঊর্ধ্বশ্বাসে।
যে ছিল পাশে পাশে। ভোর সকালে স্কুলে যাওয়ার সময়। নিশ্চিন্তে থাকে। মাথার উপরে আছে বটবৃক্ষের ছায়া।
চলে গেছে তারা। একাকী। নাকি তাকে একা ফেলে চলে গেছে সবাই? এক দুই তিন ...। সংখ্যায় গননা করলে তারাই তো বেশী। বেড়ে চলে সংখ্যা। বেড়ে চলে শ্বাসের শব্দ। পাতা ঝরে চলে অজস্র।
ঘরে একাকী বসে থাকে। এটাই কি তার ঘর? নাকি অন্য কোথায়? সে জানে সে ঘরে চলেছে। কোথায় সে জানেনা। শুধু এইটুকুই নিশ্চিত জানে যেতে হবে ঘরে। যেখানে অপেক্ষায় তারা আছে।
সেই ছোট ঘর। মনে হয় বিশাল তার জানালা। দখিনা বাতাসে উড়ে যায় পাতা গুলো। উজ্জ্বল আলোতে ভরপুর। তারা অপেক্ষায় আছে কখন সে আসবে। কখন ছুটি হবে। কখন সূর্য ডুবে সন্ধ্যা হবে? কখন ভাংবে তার খেলা।
(দুঃসহ প্রতীক্ষার প্রহর।)

11
আমাদের সহ আমার চারপাশের বাবা মায়েদের দেখি আর ভাবতেছি। একটি ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো ও তাদের ভাল ভাবে যেন পড়াশোনা হয় তার জন্য় তাদের কত আপ্রান চেষ্টা। ছোট ছোট ছেলে মেয়েদেরও কত অমানুষিক কষ্ট করতে হয় তাদের নিজেদের শিক্ষার জন্য।
যখন দেখি মায়েদের সারাদিনের অন্যতম কাজ হচ্ছে সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া ও আনা। তাদের লেখাপড়ার খবর নেয়া। তাদের পড়ানো। এইটাই একজনের ফুল টাইম জবের সমান। সন্তানকে স্কুলে দিয়ে স্কুল ছুটি হওয়া পর্যন্ত স্কুলের বাইরে গার্জিয়ানরা বসে থাকে। কি ঝড় কি বৃষ্টি কি শৈত্যপ্রবাহ!! শুধু স্কুল হলে কথা ছিল। স্কুলের পরে কোচিঙয়ের জন্য ও রাত আটটা নয়টা পর্যন্ত তারা কোচিঙয়ের সামনের রাস্তায় অপেক্ষা করে চলে। ফুটপাথে বসে থাকে। সন্তানদেরও দিন শুরু হয় ভোর সকালে আর শেষ হয় রাত আটটা নয়টায়। তারা খেলার সময় পায় না। দুপুরের বিরতি তো কবেই শেষ হয়ে গেছে।
কাউকে কাউকে দেখি সন্তানকে অনেক দামি স্কুলে ভর্তি করিয়ে হিমশিম খান। কিন্তু সব কষ্টই স্বীকার করে যান শুধু সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ চিন্তা করে।
আমাদের দেশে সন্তানের পরীক্ষার থেকে বাবা মায়ের পরীক্ষাই বেশী হয়।
আমাদের দেশের ঘরে ঘরে উকি দিলে এই একই চিত্র পাওয়া যাবে। তাদের সন্তানেরাও তাদের সাধ্য মত চেষ্টা করে যায় ভাল ফলাফল লাভের জন্য।
প্রতি বছর যে কোন পাবলিক পরীক্ষার ফল বের হলে পেপারে আসে কত পরিবারের কত হাসি কান্নার গল্প।
ভাবতেছি শিক্ষা মানে কি এই ধরনের কষ্ট? বাবা মা সহ পুরো পরিবার শিক্ষা লাভ করে চলা? এতে কি সহস্র কর্ম ঘন্টা নষ্ট হয় না? সামাজিক ব্যালেন্স নষ্ট হয় না?
আমরা জ্যামে বসে থাকি - কখন জ্যাম কাটবে? স্কুলে বসে থাকি কখন ছুটি হবে?
এই অস্বাভাবিক ঘটনা গুলোই আমাদের কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার। আমরা সময়ই পাই না এইগুলো নিয়ে ভাবার।
সন্তানের কথা বাবা মা ভাবে। কিন্তু বাবা মাদের ভোগান্তি নিয়ে কাদের ভাবার কথা? তবে এই ক্ষেত্রে সব বাবা মায়েরাই এতিম বলে মনে হয়।

12
আমাদের সহ আমার চারপাশের বাবা মায়েদের দেখি আর ভাবতেছি। একটি ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো ও তাদের ভাল ভাবে যেন পড়াশোনা হয় তার জন্য় তাদের কত আপ্রান চেষ্টা। ছোট ছোট ছেলে মেয়েদেরও কত অমানুষিক কষ্ট করতে হয় তাদের নিজেদের শিক্ষার জন্য।
যখন দেখি মায়েদের সারাদিনের অন্যতম কাজ হচ্ছে সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া ও আনা। তাদের লেখাপড়ার খবর নেয়া। তাদের পড়ানো। এইটাই একজনের ফুল টাইম জবের সমান। সন্তানকে স্কুলে দিয়ে স্কুল ছুটি হওয়া পর্যন্ত স্কুলের বাইরে গার্জিয়ানরা বসে থাকে। কি ঝড় কি বৃষ্টি কি শৈত্যপ্রবাহ!! শুধু স্কুল হলে কথা ছিল। স্কুলের পরে কোচিঙয়ের জন্য ও রাত আটটা নয়টা পর্যন্ত তারা কোচিঙয়ের সামনের রাস্তায় অপেক্ষা করে চলে। ফুটপাথে বসে থাকে। সন্তানদেরও দিন শুরু হয় ভোর সকালে আর শেষ হয় রাত আটটা নয়টায়। তারা খেলার সময় পায় না। দুপুরের বিরতি তো কবেই শেষ হয়ে গেছে।
কাউকে কাউকে দেখি সন্তানকে অনেক দামি স্কুলে ভর্তি করিয়ে হিমশিম খান। কিন্তু সব কষ্টই স্বীকার করে যান শুধু সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ চিন্তা করে।
আমাদের দেশে সন্তানের পরীক্ষার থেকে বাবা মায়ের পরীক্ষাই বেশী হয়।
আমাদের দেশের ঘরে ঘরে উকি দিলে এই একই চিত্র পাওয়া যাবে। তাদের সন্তানেরাও তাদের সাধ্য মত চেষ্টা করে যায় ভাল ফলাফল লাভের জন্য।
প্রতি বছর যে কোন পাবলিক পরীক্ষার ফল বের হলে পেপারে আসে কত পরিবারের কত হাসি কান্নার গল্প।
ভাবতেছি শিক্ষা মানে কি এই ধরনের কষ্ট? বাবা মা সহ পুরো পরিবার শিক্ষা লাভ করে চলা? এতে কি সহস্র কর্ম ঘন্টা নষ্ট হয় না? সামাজিক ব্যালেন্স নষ্ট হয় না?
আমরা জ্যামে বসে থাকি - কখন জ্যাম কাটবে? স্কুলে বসে থাকি কখন ছুটি হবে?
এই অস্বাভাবিক ঘটনা গুলোই আমাদের কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার। আমরা সময়ই পাই না এইগুলো নিয়ে ভাবার।
সন্তানের কথা বাবা মা ভাবে। কিন্তু বাবা মাদের ভোগান্তি নিয়ে কাদের ভাবার কথা? তবে এই ক্ষেত্রে সব বাবা মায়েরাই এতিম বলে মনে হয়।

13
Textile Engineering / Where does the melodies come from?
« on: July 15, 2019, 11:46:37 PM »
https://www.youtube.com/watch?v=LXrJdOD5syo

সাধারণ লেখা, ছড়া - কবিতা আর গান।
গানের আসল আকর্ষণ হল তার সুর। কবিতার হল ছন্দ। লেখার আকর্ষণ হল সঠিক শব্দ চয়ন।
এই তিনটার মধ্যে সব থেকে সহজ হল সাধারণ লেখা। এর পর কবিতা ও ছড়া। সব থেকে কঠিন হল গান বা সঙ্গীত। নিজের মনের ভাবনা গুলোকে শুধু ছন্দের মাধ্যমে প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয়। এর সাথে যোগ করতে হবে সুর।
নিজের ভাবনা গুলোকে লেখার সাহায্যে প্রকাশ করা হল। এর পর সেই অনুভুতিগুলোকে ছন্দের মাধ্যমে কবিতায় পরিনত করা হল। পরিশেষে সেই ছন্দের সাথে সুর মিলিয়ে হল গান।
গানের কথা গুলো যদি সুর ছাড়া কবিতার মত পড়ে যাওয়া হয় তাহলে তার আকর্ষণ অনেক কমে যায়। আবার কবিতা ছন্দ ছাড়া পড়ে গেলে তা আরও আকর্ষণ হারায়।
আমাদের এই গানের সুর ও ছন্দের কি প্রয়োজন তাই ভাবতেছিলাম। সুর ও ছন্দ ছাড়া কথা গুলোই শোনাই কি যথেষ্ট নয়?
সুরের মাঝে কি জাদু আছে? সেই একই কথা গুলো তো আমরা জানতে পারি গানের কথা গুলো পড়লে।
কিছু সুর থাকে মন ভোলানো। কিছু সুর মনে কষ্ট জাগায়। কিছু সুর শুনে মন আনন্দে নেচে উঠে। মানুষ মাত্রই গানের সুর শুনে প্রভাবিত হয়। গানের কথা হয়তো ভিন্ন ভাষায় - কিন্তু সুরের মাঝে নাই কোন সীমান্তের পরিসীমা। ভাষা সেই একই গিটার, কি বোর্ড আর ড্রামের। ছোট শিশুও আনন্দে দুলে উঠে। কোন গানে হয়তো শান্ত ভাবে ঘুমিয়ে পড়ে।
হিন্দি ছায়াছবির প্রথম ও প্রধান আকর্ষণ হল তার গান। যে ছবির গান যত হিট সেই ছবিও তত হিট। আমার জানা মতে হিন্দি গানের পিছনেই সব থেকে বেশী বাজেট তারা বরাদ্দ করে।
সেই দুর্বোধ্য সুরের পিছনে আমাদের কত সময় ও অর্থ বরাদ্দ। আমরা কি জানি সুর গুলো কোথায় থাকে আর কোথা থেকে আসে? কেন এই গানের সুর আমাদের মনকে মোহনিয় করে তোলে। কেন তার এই সম্মোহন শক্তি? ছোটবেলায় আমাদের লেখা পড়তে শিখতে হয়। যে পড়তে পারে না তার কাছে লেখা কিছু আকিবুকি ছাড়া আর কিছু নয়। কিন্তু কানে শুনতে পারে এমন সবাই সুরের ভাষা বুঝতে পারে। আলাদা ভাবে সুরের ভাষা শিখতে হয় না।

14
Permanent Campus of DIU / Where does the melodies come from?
« on: July 15, 2019, 11:45:11 PM »
https://www.youtube.com/watch?v=LXrJdOD5syo

সাধারণ লেখা, ছড়া - কবিতা আর গান।
গানের আসল আকর্ষণ হল তার সুর। কবিতার হল ছন্দ। লেখার আকর্ষণ হল সঠিক শব্দ চয়ন।
এই তিনটার মধ্যে সব থেকে সহজ হল সাধারণ লেখা। এর পর কবিতা ও ছড়া। সব থেকে কঠিন হল গান বা সঙ্গীত। নিজের মনের ভাবনা গুলোকে শুধু ছন্দের মাধ্যমে প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয়। এর সাথে যোগ করতে হবে সুর।
নিজের ভাবনা গুলোকে লেখার সাহায্যে প্রকাশ করা হল। এর পর সেই অনুভুতিগুলোকে ছন্দের মাধ্যমে কবিতায় পরিনত করা হল। পরিশেষে সেই ছন্দের সাথে সুর মিলিয়ে হল গান।
গানের কথা গুলো যদি সুর ছাড়া কবিতার মত পড়ে যাওয়া হয় তাহলে তার আকর্ষণ অনেক কমে যায়। আবার কবিতা ছন্দ ছাড়া পড়ে গেলে তা আরও আকর্ষণ হারায়।
আমাদের এই গানের সুর ও ছন্দের কি প্রয়োজন তাই ভাবতেছিলাম। সুর ও ছন্দ ছাড়া কথা গুলোই শোনাই কি যথেষ্ট নয়?
সুরের মাঝে কি জাদু আছে? সেই একই কথা গুলো তো আমরা জানতে পারি গানের কথা গুলো পড়লে।
কিছু সুর থাকে মন ভোলানো। কিছু সুর মনে কষ্ট জাগায়। কিছু সুর শুনে মন আনন্দে নেচে উঠে। মানুষ মাত্রই গানের সুর শুনে প্রভাবিত হয়। গানের কথা হয়তো ভিন্ন ভাষায় - কিন্তু সুরের মাঝে নাই কোন সীমান্তের পরিসীমা। ভাষা সেই একই গিটার, কি বোর্ড আর ড্রামের। ছোট শিশুও আনন্দে দুলে উঠে। কোন গানে হয়তো শান্ত ভাবে ঘুমিয়ে পড়ে।
হিন্দি ছায়াছবির প্রথম ও প্রধান আকর্ষণ হল তার গান। যে ছবির গান যত হিট সেই ছবিও তত হিট। আমার জানা মতে হিন্দি গানের পিছনেই সব থেকে বেশী বাজেট তারা বরাদ্দ করে।
সেই দুর্বোধ্য সুরের পিছনে আমাদের কত সময় ও অর্থ বরাদ্দ। আমরা কি জানি সুর গুলো কোথায় থাকে আর কোথা থেকে আসে? কেন এই গানের সুর আমাদের মনকে মোহনিয় করে তোলে। কেন তার এই সম্মোহন শক্তি? ছোটবেলায় আমাদের লেখা পড়তে শিখতে হয়। যে পড়তে পারে না তার কাছে লেখা কিছু আকিবুকি ছাড়া আর কিছু নয়। কিন্তু কানে শুনতে পারে এমন সবাই সুরের ভাষা বুঝতে পারে। আলাদা ভাবে সুরের ভাষা শিখতে হয় না।

15
Permanent Campus of DIU / Excess of anything is bad.
« on: July 15, 2019, 01:47:28 AM »
ভাবতেছিলাম ফেসবুকে কেন বসা হয়?
১. ফেসবুকে কিছুক্ষণ থাকলে আলাদা ভাবে পেপার পড়ার দরকার পড়ে না।
২. কেউ কেউ ফেসবুক নিজেদের ছবি / সেলফি পোষ্ট করার জন্য ব্যবহার করেন।
৩. যে কোন খেলার সময় অনলাইন আপডেট পাওয়া যায় সাথে সাথেই।
৪. নিজের পছন্দের মতবাদ শেয়ার করার কেউ কেউ জন্য ফেসবুক ব্যবহার করেন।
৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাসের অনেক তথ্য ফেসবুক গ্রুপে পাওয়া যায়।
৬. বন্ধু বান্ধব আত্মীয় স্বজনের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে অনেকেই ফেসবুককে দেখেন।
৭. কখনো কখনো কেউ কেউ নিজের পণ্য কাছের মানুষের কাছে বিক্রয়ের জন্য ফেসবুক ব্যবহার করেন।
৮. ফেসবুকের মাধ্যমে বন্ধুদের কাছ থেকে জরুরী সাহায্য পাওয়া যায়।
৯. দরকারি ফাইল বা তথ্য ফেসবুকে শেয়ার করা যায়।
ভাবলে দেখা যাবে ফেসবুক ব্যবহারের আরও অনেক কারণ হয়তো আছে।
দরকারি ছাড়াও অদরকারি অনেক কারণও পাওয়া যেতে পারে। অনেক গুলোই হয়তো ব্যক্তি, সমাজ বা দেশের জন্য ক্ষতিকর।
ডিনামাইট আবিস্কারের কারণ ছিল পাহাড় ভেঙ্গে সমতল পথ বা জমি তৈরি করা। কিন্তু ডিনামাইট যুদ্ধে ব্যবহারের ফলে মানবজাতি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
যে ছুরি ডাক্তার ব্যবহার করে অপারেশনের মাধ্যমে রুগীকে সুস্থ্য করে তোলেন ঠিক সেই ছুরি দিয়েই হত্যাকারী হত্যা করে।
তবে মাথা ব্যথা হলে যেমন মাথা কেটে বাদ দেয়া হয় না। তেমন সব জিনিসের দোষ গুণ সবই থাকে। সতঃসিদ্ধ সিদ্ধান্ত হল অতিরিক্ত সব কিছুই ক্ষতিকর।

Pages: [1] 2 3 ... 23