Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Umme Salma Panna

Pages: [1] 2
1
Daffodil Institute of Social Science (DISS) has observed ‘International Day of Art of Giving-2018’ on May 17, 2018 at 71 Milonayoton of Daffodil International University in the capital based on the theme “ feed with Love” . T o mark the day DISS distributed food packets among more than one thousand underprivileged destitute children and their family at three spots of Daffodil premises at Dhanmondi, Ashulia and Chandpur campuses. On this occasion, Dr. Md. Sabur Khan, Chairman, Board of Trustees, Daffodil International University, Professor Dr. Yousuf M Islam, Vice Chancellor of DIU, Mr. Mohammad Nuruzzaman, CEO of Daffodil Family, Mr. Syed Mizanur Rahman, Director (Students Affaires) of DIU, Mr. Mahmudul Hasan, Principal of Daffodil International School distributed food packets among the underprivileged destitute children and their family at 71 Milonayoton of Daffodil International University.

Art of Giving (AOG) a philosophy of life to spread the peace and happiness among the people in the society was founded on 17th May 2013 by Prof. Achyuta Samanta — an educationist, social activist, social reformer and Founder of KIIT and KISS. This year Daffodil Institute of Social Science (DISS) celebrates its 5th anniversary in Bangladesh. Students and Professors of DIU those who are staying in different 8 countries also put their hands together and spared the message globally to share foods with happiness.

 

2
BCS Cadre / 'World Breastfeeding Week 2016’ observed at DIU
« on: August 08, 2016, 04:10:35 PM »
World Breastfeeding Week 2016’ observed with elaborate program at Daffodil International University with the theme “Breastfeeding: a key to Sustainable Development” to disseminate the scientific evidence based knowledge for the development of awareness for breastfeeding. Department of Nutrition and Food Engineering of Daffodil International University chalked out weeklong program including rally seminar workshop and discussion meeting.
To mark the week a rally participated by high officials, students teachers and civil society members lead by Mr. Hamidul Haque Khan, Treasurer of DIU was brought out from the main campus of the university and paraded the city streets. Based on the theme “Breastfeeding: a key to Sustainable Development” a discussion meeting was arranged at DIU auditorium. Professor Dr. Yousuf Mahbubul Islam, Honorable Vice Chancellor of Daffodil International University was present as the Chief Guest while Professor Dr. A. I. Mustafa, Dean, Faculty of Allied Health Sciences (FAHS) was present as special guest.

3
শরীরের হাড় মানেই খুব শক্ত তা কিন্তু নয়। বরং মানুষের শরীরের হাড় কিছু কিছু কারণে খুবই নরম বা ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। অস্টিওপোরোসিস হাড়ের রোগের মধ্যে অন্যতম। এই রোগে আক্রান্তদের হাড় ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যেতে থাকে। হাড় ক্ষয়ের জন্য কিছু খাবারও দায়ী থাকে। দেখুন কী কী খাবার আপনার শরীরের হাড় ক্ষয়ের জন্য দায়ী।অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার মানব শরীরের হাড়কে দুর্বল করে দেয়। লবণ অর্থাৎ সোডিয়াম ক্লোরাইড দেহ থেকে ক্যালসিয়াম বের করে দেয়। ফলে হাড় হয়ে ভঙ্গুর বা ক্ষয়িষ্ণু। খাবারে সাথে বাড়তি লবণ খাওয়া ছাড়াও ফাস্ট ফুড, কাচা খাবার, সালাদ কিংবা চিপসে মেশানো লবণ আপনার হাড়ের জন্য মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে।

একটু ভরপেট খাওয়া হলেই অনেকেই সফট ড্রিংকস বা কোমল পানীয়ের জন্য অস্থির হয়ে পড়েন। জেনে রাখুন, এই কোমল পানীয় প্রতিনিয়ত হাড় ক্ষয় করে চলেছে। এই সমস্ত কোমল পানীয়ে থাকা ফসফরিক এসিড মানুষের প্রাকৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেহের ক্যালসিয়াম দূর করে দেয়। আর ধীরে ধীরে হাড় হয়ে ওঠে ক্ষয়িষ্ণু।

অনেকেরই চা পানের নেশা থাকে। দিনে এক-দুই কাপ চা শরীরের জন্য তেমন ক্ষতিকর কিছু নয়, বরং উপকারী। এর বেশি হলেই শরীরে অধিক মাত্রায় ক্যাফেইন প্রবেশ করে। যা হাড়ের ক্ষয়ের জন্য দায়ী।

প্রতিদিনের খাবার তালিকায় যাদের মাংস থাকতেই হয় তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ হলো, মাংসে থাকা অতিরিক্ত প্রোটিন শরীরে থাকা ক্যালশিয়ামকে কাজ করতে বাধা দেয়।ফলে হাড়ে ক্যালশিয়ামের ঘাটতি তৈরি হয়। একসময় হাড় হয়ে পড়ে দুর্বল।

4
BCS Cadre / First Wall Magazine of DIU at Permanent Campus
« on: August 08, 2016, 10:49:29 AM »

Creative Writing’ is the innate power of an individual that makes him unique, ‘one’ among us. A creative writer can never be someone vindictive, since he exercises humanity through his writing. Therefore everyone should be a creative writer to be more humane than other humans. To uphold this message English Literary Club ELC DIU-Permanent Campus has published its first Wall Magazine on 06 August, 2016. Students, teachers and administrative officers of Permanent Campus submitted poems, short stories and other creative writings. Among 34 submissions 23 write ups have been selected for publication. Professor Dr. Mostafa Kamal along with IQAC external peer reviewer Professor Dr. Mozhar Ali inaugurated the Wall Magazine by cutting a ribbon. They appreciated the initiative taken by the Department of English at Permanent Campus for providing such an opportunity to bring out hidden talents from students.

5
১. আলু ভর্তা
আলু আধা কেজি সিদ্ধ করে চটকে নিন। এবার পাত্রে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে শুকনা মরিচ ভেজে পেঁয়াজ কুঁচি দিন। পেঁয়াজ বাদামী রং হলে পেঁয়াজ মরিচ লবণ দিয়ে চটকে আলু দিন এবার ধনেপাতা কুঁচি দিয়ে মেখে ভর্তা বানিয়ে নিন।

২. বেগুন ভর্তা
উপকরণ


 
✿ বড় গোলবেগুন ১টি,

✿ সরিষা বাটা ১ চা চামচ,

✿ নারকেল মিহি বাটা ২ চা চামচ,

✿ টমেটো কুঁচি১ কাপ,

✿ পেঁয়াজ কুঁচি আধা কাপ,

✿ মেথি আধা কাপ,

✿ সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ,

✿ কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ,

✿ লবণ স্বাদমতো।

প্রণালী

বেগুনের গায়ে তেল মাখিয়ে পুড়িয়ে নিন। এবার পানিতে রেখে খোসা ছাড়িয়ে মেখে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে মেথি ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি দিন। পেঁয়াজ একটু নরম হলে টমেটো সরিষা, নারকেল, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে বেগুন দিন। কড়াইয়ের তলা ছেড়ে এলে এবং একটু আঠালো হলে নামিয়ে নিতে হবে।

৩. মসুর ডালের ভর্তা
উপকরণ

✿ মসুর ডাল ১ কাপ,

✿ পানি ৩ থেকে সাড়ে ৩ কাপ,

✿ রসুন কুঁচি আধা চামচ,

✿ পেঁয়াজ কুচি ১ চা চামচ,

✿ লবণ আধা চা চামচ,

✿ কাঁচামরিচ ফালি ২টি,

✿ তেল ১ চা চামচ।

প্রণালী

সব উপকরণ দিয়ে ডাল সিদ্ধ করতে হবে। ঘন থকথকে হলে নামাতে হবে।

৪. টমেটো ভর্তা
উপকরণ

✿ ছোট টমেটো ২৫০ গ্রাম,

✿ পেঁয়াজ মিহি কুঁচি ১ টেবিল চামচ,

✿ শুকনা মরিচ ২টা,

✿ ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ,

✿ লবণ পরিমাণমতো,

✿ চিনি ১ চা চামচ,

✿ সরষের তেল ১ টেবিল চামচ,

✿ লেবুর রস ১ টেবিল চামচ।

প্রণালী

শুকনা মরিচ তাওয়ায় টেলে বিচিসহ গুঁড়ো করে নিতে হবে। টমেটোর গায়ে তেল লাগিয়ে তাওয়ার ওপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় তুলে সব দিক সমানভাবে পুড়িয়ে নিতে হবে। ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে চটকে পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, তেল, চিনি, লেবুর রস, ধনেপাতা দিয়ে মেখে ভর্তা করতে হবে।

৫. টাকি মাছের ভর্তা
উপকরণ

✿ টাকিমাছ ১ কাপ,

✿ পেঁয়াজ স্লাইস ৩ টে.চা ,

✿ আদা রসুন,বাটা ১ চা. চা,

✿ পেঁয়াজ পাতা ২ টে. চা ,

✿ জিরা বাটা ১ চা. চা,

✿ রসুন ছেঁচা ২ টে. চা,

✿ ধনে বাটা ১ চা. চা ,

✿ লবণ স্বাদ অনুযায়ী,

✿ হলুদ বাটা ১/২ চা. চা ,

✿ মরিচ বাটা ১ /২ চা. চা

প্রনালী

মাছ সিদ্ধ করে কাটা বেছে ১ কাপ মেপে নাও।,তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা বাদামী রং করে ভেজে বাটা মসলা ও সামান্য পানি এবং রসুন দিয়ে কষাও। কষানো হলে পেয়াজপাতাসহ কচি পেঁয়াজ দিয়ে নাড়। মাছ দিয়ে নেড়ে নেড়ে ভাজ। লবণ দাও। মাছ হালুয়ার মতো তাল বাঁধলে নামাও। মাছ যেন ঝুরি এবং শুকনা না হয়।এর পর আপনি চাইলে হাত দিয়ে গোল গোল বল বানিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার টাকি মাছের ভাজা ভর্তা।

৬. কালিজিরা ভর্তা
উপকরণ

✿ কালিজিরার আধা কাপ,

✿ রসুনের কোয়া ২ টেবিল-চামচ,

✿ কাঁচামরিচ ৮টি,

✿ পেঁয়াজ কুঁচি ৪ টেবিল-চামচ,

✿ লবণ পরিমাণমতো,

✿ সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ।

প্রণালী

রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। তেল বাদে সব উপকরণ পাটায় বেটে তেল দিয়ে মেখে ভর্তা করুন।

৭. আলু ডিম ভর্তার রেসিপি
উপকরণ

✿ ডিম ২টি,

✿ আলু ১টি (মাঝারি সাইজের),

✿ কাঁচামরিচ কুঁচি ১ চা চামচ,

✿ পেঁয়াজ কুঁচি১টেবিল চামচ,

✿ ধনেপাতা কুঁচি ১ চা চামচ,

✿ লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালী

আলু এবং ডিম সেদ্ধ করে নিন। খোসা ছাড়িয়ে আলু এবং ডিম আলাদাভাবে চটকে নিন। এবার পেঁয়াজ কুচি, লবণ এবং আধা চা চামচ সরিষার তেল দিয়ে ডিম ও আলু ভালোভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন।

৮. পালংশাক ভর্তা
উপকরণ

✿ পালংশাক ২০০ গ্রাম ,

✿ কাঁচা মরিচ/ শুকনা মরিচ ভাজা ৫ থেকে ৬ টি

✿ পেয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ।

✿ লবণ ও সরিষার তেল -নিজের পছন্দ মত।

প্রণালী

প্রথমে পালংশাক ভাল করে ধুয়ে বড় করে কেটে যে কোন পাত্রে সিদ্ধ করে নিন। শাক সিদ্ধ হয়ে গেলে পেয়াজ কুচি, মরিচ ও লবণ হাত দিয়ে চেটকিয়ে মিহি করুন। তারপর সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে পরিবেশন করুন। শীতের দিনে গরম গরম ভাতের সাথে শাক ভর্তা অনেক সুস্বাদু লাগে।

৯. লাউশাক ভর্তা
উপকরণ

✿ লাউয়ের পাতা ৬-৭টা,

✿ নারকেল কুড়ানো ৪ চা চামচ,

✿ সরিষা ২ চা চামচ,

✿ সেদ্ধ কাঁচামরিচ ২টা,

✿ প্রয়োজনমতো লবণ।

প্রণালী

লাউশাক ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ করুন। শাকের সাথে কাঁচামরিচও সেদ্ধ করুন। শাক সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার নারকেল কুড়ানো, সরিষা, লবণ, সেদ্ধ করা শাক ও কাঁচামরিচসহ পাটায় পানি ছাড়া বেটে ভর্তা তৈরি করুন।

১০. কাচকি মাছ ভর্তা
উপকরণ

✿ কাচকি মাছ এক কাপ,

✿ পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ,

✿ রসুন কুচি ২ চা চামচ,

✿ কাঁচামরিচ ৪টি,

✿ ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ,

✿ লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালী

কাচকি মাছ ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। কাচকি মাছ, পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, কাঁচামরিচ অল্প তেলে কড়াইতে হালকাভাবে ভাজুন। ভাজা হলে লবণ ও ধনেপাতা দিয়ে পাটায় বেটে ভর্তা তৈরি করুন।

১১. করল্লার ভর্তা
করল্লা ধুয়ে খুব মিহি করে কুঁচি করে নিন। এবার করল্লা কুচি চটকে নিয়ে পেঁয়াজ, কাচা মরিচ, লবন এবং তেল দিয়ে ভর্তা তৈরি করুন।

১২. ছুরি শুঁটকি ভর্তার রেসিপি
উপকরণ

✿ ছুরি শুঁটকি ছোট করে কাটা আধা কাপ,

✿ পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ,

✿ শুকনা মরিচের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ,

✿ লবণ পরিমাণমতো,

✿ চিনি আধা চা চামচ,

✿ লেবুর রস ১ চা চামচ,

✿ তেল আধা কাপ,

✿ আদা বাটা আধা চা চামচ,

✿ রসুন বাটা ১ চা চামচ,

✿ ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ,

✿ হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ,

✿ তেজপাতা ১টি,

✿ কাঁচামরিচ চার টুকরা করে কাটা ৬টি।

প্রণালী

শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ করে বেটে নিতে হবে। তেল গরম করে আদা-রসুন দিয়ে ভালো করে ভুনে শুঁটকি দিয়ে ভুনতে হবে। হলুদ, ধনে, মরিচের গুঁড়া, তেজপাতা, লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে ৮-১০ মিনিট ভুনে পেঁয়াজ দিয়ে ভুনতে হবে। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে চিনি, লেবুর রস, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।

১৩. ধনেপাতার চাটনি
উপকরণ

✿ টাটকা ধনেপাতা বড় ২ আঁটি,

✿ রসুন ২ কোয়া,

✿  তেঁতুল ১ টেবিল চামচ,

✿ কাঁচামরিচ ১টি,

✿  চিনি,

✿ লবণ স্বাদমতো।

প্রণালী

ধনেপাতার কচি ডগা ও পাতা বেছে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। ধনেপাতা, রসুন, কাঁচামরিচ, তেঁতুল, লবণ ও চিনি সব একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি করে কেটে নিন। সামান্য ঝাল, মিষ্টি ও টকটক স্বাদ হবে।

১৪. সরিষা ভর্তা
উপরকণ

✿ লাল সরিষা ৪ টেবিল চামচ,

✿ কাঁচামরিচ ১টি,

✿ লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালী

সরিষা ভালো করে বেছে ধুয়ে কাঁচামরিচ এবং লবণ দিয়ে শিলপাটায় বেটে নিন।

১৫. কাঁচকলা ও ইলিশ মাছের ভর্তা
উপকরণ

✿ কাঁচকলা ২টি (মাঝারি),

✿ ভাজা ইলিশ মাছ ২ টুকরা (কাঁটা ছাড়ানো),

✿ শুকনো মরিচ ভাজা ২টি,

✿ কাঁচামরিচ কুচি ২টি,

✿ পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,

✿ সরিষার তেল ২ চা চামচ,

✿ লবণ স্বাদ মতো।

প্রণালী

কাঁচকলা ডুবো পানিতে সেদ্ধ করুন। কলার খোসা ছাড়িয়ে চটকে রাখুন। এবার ইলিশ মাছ, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, লবণ ও তেল একসঙ্গে মাখুন। মাখা হলে কাঁচকলা দিয়ে ভালো করে মেখে গরম গরম পরিবেশন করুন।

১৬. কচু নারকেল ভর্তা
উপকরণ

✿ কচু কিমা ১ কাপ,

✿ নারকেল বাটা আধা কাপ,

✿ পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,

✿ শুকনো মরিচ ভাজা ৩-৪টি,

✿ সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ,

✿ পুদিনাপাতা কুচি অল্প পরিমাণ,

✿ লবণ স্বাদ মতো।

প্রণালী

প্রথমে এক টুকরো কচুকে পুড়িয়ে বা সেদ্ধ করে ভালো করে মাখিয়ে কিমা তৈরি করুন। একটি ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি, শুকনা মরিচ কুচি দিয়ে বাদামি করে ভেজে তাতে কচু কিমা ও নারকেল বাটা দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার পুদিনাপাতা কুচি ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে গরম ভাতে পরিবেশন করুন মুখরোচক কচু নারকেল ভর্তা।

১৭. থানকুনি পাতার ভর্তা
উপকরণ

✿ থানকুনি পাতা ১ কাপ,

✿ কাঁচামরিচ ২টি,

✿ রসুনের কোয়া ২টি,

✿ লবণ স্বাদ মতো,

✿ তিল ২ টেবিল চামচ,

✿ কালিজিরা ১ চা চামচ।

প্রণালী

সব একসঙ্গে বেটে (সব পাতা ধুয়ে পানি মুছে নিতে হবে) ভর্তা তৈরি করতে হবে। এরপর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

১৮. পেঁয়াজ পাতা ভর্তা
উপকরন

✿ ১ ইঞ্চি লম্বা করে কাটা পেঁয়াজ পাতা ২ কাপ,

✿ সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ,

✿ পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,

✿ শুকনামরিচ ২টি,

✿ কাশুন্দি ১ চা চামচ,

✿ লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালী

ফ্রাই প্যান অথবা কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ পাতা ছেড়ে দিয়ে অল্প আঁচে ২-৩ মিনিট নাড়ুন। পেঁয়াজপাতা নরম হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এবার শুকনামরিচ, পেঁয়াজ কুচি ও লবণ ভালোভাবে ডলে পেঁয়াজ পাতা ও কাশুন্দি দিয়ে হালকাভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন। গরম ভাতের সাথে এই ভর্তা খেতে মজা ।

১৯. লাউ এর সিলকা ভর্তা
উপকরণ

✿ লাউ এর সিলকা-৩ কাপ,

✿ শুকনা মরিচ পোড়ানো-৪/৫টি,

✿ লবণ-পরিমাণ মতো,

✿ ধনে পাতা-সিকি কাপ,

✿ পিঁয়াজ কুচি-সিকি কাপ,

✿ সরিষার তেল-২ টেঃ চামচ।

প্রণালী

লাউ-এর সিলকা ধুয়ে পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। এবার তেলের মধ্যে লাউ এর সিলকা ভেজে নিন। শুকনা মরিচ ভেজে নিন, পিঁয়াজ ভেজে নিন। ধনে পাতা কুচি করে নিন। এবার লাউ এর সিলকা, শুকনা মরিচ, পিঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা কুচি সব এক সাথে পাটায় মিহি করে বেটে নিন। হয়ে গেল লাউ এর সিলকা ভর্তা।

২০. চিনাবাদাম ভর্তা রেসিপি :
উপকরণ

✿ চিনাবাদাম ভাজা (খোসা ছাড়া) ১ কাপ,

✿ পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ ৪-৫টি,

✿ ধনেপাতা কুচি ১ আঁটি,

✿ সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ,

✿ লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি

কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। বাদামের লাল খোসা ঘষে তুলে ফেলে, পাটায় বেটে নিতে হবে। কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। এবার তেলের সঙ্গে পেঁয়াজ, লবণ, ধনেপাতা কুচি চটকে বাদাম ও কাঁচামরিচ বাটা দিয়ে মাখাতে হবে।গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

২১. মিষ্টি কুমড়া ভর্তা রেসিপি
উপকরণ

✿ মিষ্টি কুমড়া ২ কাপ,

✿ লবণ পরিমাণমতো,

✿ পানি ১ কাপ,

✿ ধনেপাতা কুঁচি,

✿ ২ টেবিল চামচ,

✿ কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ,

✿ পেঁয়াজ কুঁচি ৪/১ কাপ।

প্রণালী

মিষ্টি কুমড়া খোসা ছাড়িয়ে কেটে ধুয়ে পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এবার সিদ্ধ করা মিষ্টি কুমড়ার সঙ্গে সব উপকরণ খুব ভালো করে মেখে নিন। হয়ে গেল মজাদার মিষ্টি কুমড়ার ভর্তা।

২২. লাউ এর বিচি ভর্তা
উপকরন

✿ এক কাপ মত লাউ এর বিচি,

✿ ৫-৬টা কাঁচা মরিচ,

✿ ১টা মাঝারি সাইজের পিয়াজ কুচি,

✿ ১-২কোয়া রসুন কুচি,

✿ লবন ও তেল পরিমান মত।

প্রস্তুত প্রণালী

প্রথমে লাউ এর বিচি সামান্য তেলে বাদামি করে ভজে নিতে হবে ।এর পর তেলে পিয়াজ কুচি ,রসুন কুচি,কাচামরিচ দিয়ে ভালো ভাবে ভেজেনিতে হবে।এর পর সব কিছু এক সাথে পাটাতে ভালো ভাবে মিহি করে বেটে নিয়ে সরিসার তেল দিয়ে মেখে পরিবেসন করুন লাউ এর বিচি ভর্তা।

6
যা যা লাগবে
✿– দেড় কাপ আলুর রস

✿– ১ চা চামচ মধু


 
✿– সামান্য পানি

✿– ১ টি ডিমের কুসুম

ব্যবহারবিধি
►– পরিষ্কার চুলে এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে চেষ্টা করবেন। অর্থাৎ আগের দিন চুল পরিষ্কার করে নিয়ে পরের দিন ব্যবহার করতে পারেন এই হেয়ার প্যাকটি।

►– একটি বাটিতে সকল উপকরণ পরিমাণ মতো নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করে ফেলুন। লক্ষ্য রাখবেন যেনো সম্পূর্ণ ভালো করে মিশে যায় সবকিছু।

►– এরপর চুল একটু ভিজিয়ে নিয়ে এই প্যাকটি পুরো চুলে লাগান, বিশেষ করে মাথার ত্বকে, চুলের গোঁড়ায়। এরপর ৩০ মিনিট এভাবেই রাখুন।

►– ৩০ মিনিট পর চুল খুব ভালো করে ধুয়ে নিন এবং ফ্যানের বাতাসে চুল শুকান। সপ্তাহে মাত্র ১ দিন ব্যবহার করুন। কয়েক মাসের মধ্যেই চুল পড়া একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে।

কার্যকারণ
আলুতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি ও সি এবং ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন এবং ফসফরাস যা চুলের বৃদ্ধি এবং চুলের অতিরিক্ত রুক্ষতা যার কারণে চুল পড়ে এবং ভেঙে যায় তা প্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে। মধু এবং ডিমের কুসুম চুলের কোলাজেন টিস্যুর সুরক্ষায় কাজ করে যার ফলে চুলের অকালপক্বতা এবং ঝরে পড়া প্রতিরোধ করে।

7
ঢাকা : দোকানে মিনারেল ওয়াটার, কোকা-কোলা, সেভেনআপ, স্প্রাইট, আরসি কোলা ইত্যাদি পানীয় এবং বিভিন্ন ফলের জুস পাওয়া যায় প্লাস্টিকের বোতলে। এ বোতলগুলো পলিইথিলিন টেরেপথেলেট নামের প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। যা একবার ব্যবহার্য। কিন্তু এ বোতলগুলো হরহামেশাই একাধিকবার ব্যবহার হচ্ছে। আমরা প্রায় সবাই এগুলো সপ্তাহ বা মাস ধরে বারবার ব্যবহার করি। বস্তুত যতোদিন নষ্ট না হচ্ছে, ততোদিনই ব্যবহার করি।

বাইরে বের হলে সঙ্গে পানি বহন বা ফ্রিজে রাখার জন্য এই প্লাস্টিকের বোতলই ভরসা। কারণ আলাদা করে  পরিষ্কার করার প্রয়োজন পড়ে না। আমরা ভেবে থাকি, বোতলে পানিই তো ছিল, ময়লা হওয়ার সুযোগ কোথায়। কিন্তু আসলেই কি তাই? তাহলে সাবধান। প্লাস্টিক বোতলের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে মহাবিপদ। একই প্লাস্টিক বোতল বারবার ব্যবহারের ফলে শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে নানা রোগ। ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য।

পানিবাহিত রোগ থেকে বাঁচতে বাইরে থেকে পানি কিনে খান অনেকে। আবার সেই পানির বোতলেই পানি ভরে ব্যবহার করেন। বারবার এই প্লাস্টিক বোতল ব্যবহারের ফলে জন্ডিসসহ বিভিন্ন পেটের সমস্যাজনিত রোগ দানা বাঁধছে শরীরে।

যাদবপুরের কেমিক্যাল ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক সিদ্ধার্থ দত্ত বলেন, ‘বাজারে যেসব প্লাস্টিকের বোতল বিক্রি হয়, সেগুলো নষ্ট হয় না। বহুদিন থেকে যায়। আর এই প্লাস্টিকের বোতল বারবার ব্যবহার করলে তার মধ্যে প্যাথজেনিক ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর।’

সিদ্ধার্থ দত্ত বলেন, ‘আমরা পানি পান করি। তারপর সেই বোতলের মুখ ভালো করে বন্ধ করি না। বোতলে আবার পানি ভরলে, চিনি বা গ্লুকোজ জাতীয় তরল ভরলে তা থেকে ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়। এর থেকে জন্ডিস, লিভার ও কিডনির সমস্যা হতে পারে।’
 
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এই গবেষণার এক সদস্য উত্তরীয় রায় বলেন, ‘প্লাস্টিকের বোতল ভালো করে না ধুয়ে আবার পানি পান করলে ব্যাকটেরিয়া শরীরে যেতে পারে। তবে যে ব্যাকটেরিয়া সবচেয়ে বেশি শরীরে ঢোকে তা হল কে টেরিজেনা।’

তিনি আরো বলেন, ‘শিশুদের যেভাবে প্লাস্টিকের ফিডিং বোতলে দুধ খাওয়ানো হয়, তাতে শিশুদের শরীরেও ব্যাকটেরিয়া যায়। যার ফলে শিশুদের ফুসফুসের সমস্যা হতে পারে। এই বিপদ থেকে বাঁচতে প্লাস্টিকের বোতল ভালো করে ধুয়ে পানি পান করতে হবে।’ পারলে প্লাস্টিকের বোতল বারবার ব্যবহার না করার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা।

বাংলামেইল২৪ডটকম/ এস

8
এ বছর থেকেই পঞ্চম শ্রেণিতে উপজেলাভিত্তিক অভিন্ন প্রশ্নে মূল্যায়ণ পরীক্ষা হবে। এ পরীক্ষার মাধ্যমে দেয়া হবে মেধাবৃত্তি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, অন্যান্য বার্ষিক পরীক্ষার মতোই এই পরীক্ষা নেয়া হবে।

শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন করতে প্রাথমিক শিক্ষা এখন অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত। এ বছর আর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী বা পিএসসি পরীক্ষা হচ্ছে না। পিএসসি পরীক্ষার মেধা তালিকা থেকে সেরা শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি দেয়া হতো।

কিন্তু এ পরীক্ষা না থাকায় মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন থেকে পঞ্চম শ্রেণির মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নেবে শিক্ষার্থীরা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, এ জন্য বাড়তি কোনো ব্যবস্থা নেয়ার প্রয়োজন নেই। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। বিদ্যমান সুবিধাতেই পরীক্ষা নেয়া সম্ভব।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব বলেছেন, আগে সেরা মেধাবীদের বৃত্তি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দেয়া হতো। শিক্ষকদের নজরও থাকতো তাদের দিকে বেশি। তবে মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে সব শিক্ষার্থীকেই। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দূরত্ব কমে আসবে।

চ্যানেল আই অনলাইন : মোস্তফা মল্

9
আজকের দিনে আমরা প্রায় সবাই বাড়িতে গ্যাস-সিলিন্ডার ব্যাবহার করি। অনেক সময় শোনা যায় যে সিলিন্ডার ব্লাস্ট হয়ে মানুষ মারা গেছেন। কিন্তু এই ব্লাস্ট কেন হয় তা আমরা অনেকেই জানি না। সবজিনিসের মত সিলিন্ডারেরও মেয়াদ শেষ বা expire date থাকে যা আমরা অনেকে জানি না। মেয়াদ শেষ হওয়া কোনও সিলিন্ডারকে ঘরে রাখা মানে টাইম বম রাখার সমান। ব্যাপার হল আমরা চিনব কিভাবে যে সিলিন্ডার মেয়াদপুর্ন?

ফটোতে মার্ক করা কালো রঙের লেখাটাই হল এক্সপায়ারি ডেট। এখানে A,B,C,D সংকেত দিয়ে বোঝানো হয়েছে। A= বছরের প্রথম তিন মাস যেমন জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ। B= তার পরের তিন মাস যেমন, এপ্রিল, মে, জুন। একইভাবে C,D দ্বারা ক্রমানুসারে বাকি ছয় মাসকেই বোঝানো হয়। আর সবার শেষে বছরের শেষ দুই ডিজিট থাকে, অর্থাৎ C13 (2013 ইং) যদি C18 থাকে তারমানে হল 2018 সালের জুলাই, আগস্ট, অথবা সেপ্টেম্বর মাসেই আপনার সিলিন্ডারের মেয়াদ বা (expire date) হবে।

10
সাধারণত সালাদ তৈরিতে আমরা কী কী ব্যবহার করি? লবণ, গোলমরিচ এবং লেবু এই তো? এই লবণ, গোলমরিচ এবং লেবুর আলাদা আলাদা স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে। আপনি কি জানেন এই তিনটির মিশ্রণ সারা বিশ্বে অনেকগুলো রোগের প্রতিষোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়? শুধুমাত্র এই তিনটি উপাদান কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া সারিয়ে তুলবে আপনার অসুখ।

১। গলা ব্যথা
১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১/২ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো এবং ১ চা চামচ লবণ এক গ্লাস গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এবার এটি দিয়ে কুলকুচি করুন দিনে দুইবার। এটি গলার কফ তরল করে গলা ব্যথা কমিয়ে দিয়ে থাকবে।

২। বন্ধ নাক
সমপরিমাণে গোল মরিচ গুঁড়ো, দারুচিনি, এলাচ এবং জিরা গুঁড়ো এক সাথে গুঁড়ো করে নিন। এই মিশ্রণটি ঘ্রাণ নিন। আর দেখুন কত সহজেই আপনার বন্ধ নাক পরিষ্কার হয়ে গেছে।

৩। পাথর দূর করতে
পিত্তকোষ বা গলব্লাডারে পাথর খুব সাধারণ একটি সমস্যা। এটি পরিপাক নালী ব্লক, ব্যথা হজমের সমস্যা আরও অনেক সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে। এই পাথর দূর করতে সাহায্য করবে এই মিশ্রণটি। তিন অংশ অলিভ অয়েল, এক অংশ লেবুর রস এবং এক অংশ গোল মরিচের গুঁড়ো ভাল করে মিশিয়ে নিন। এটি পান করুন। এটি পাথর দূর করতে সাহায্য করবে।

৪। মুখের ঘা
এক টেবিল চামচ বিট লবণ এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। প্রতিবেলা খাবার খাওয়ার পর এটি দিয়ে কুলকুচি করুন। এটি মুখের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে মুখের ঘা ভাল করে দিয়ে থাকে।

৫। ওজন হ্রাস
১/৪ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস এবং ১ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি আপনার মেটাবলিজমকে উন্নত করে থাকে। লেবুতে পলিফেনল নামক উপাদান রয়েছে যা শরীরের ইনসুলিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং শরীরের চর্বি পুড়িয়ে দিয়ে থাকে।

৬। বমি বমি ভাব
অস্থির পাকস্থলিকে শান্ত করতে গোল মরিচ বেশ কার্যকর। এছাড়া লেবুর গন্ধ বমি বমি ভাব দূর করে থাকে। এক টেবিল চামচ লেবুর রস এবং এক চা চামচ গোল মরিচের গুঁড়ো এক গ্লাস গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি আস্তে আস্তে পান করুন। এটি বমি বমি ভাব দূর করে দিবে এক নিমিষে।

৭। দাঁত ব্যথা
১/২ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো এবং ১/২ চা চামচ লবঙ্গের তেল মিশিয়ে ব্যথার দাঁতে রাখুন। এটি দ্রুত দাঁতের ব্যথা কমিয়ে দিবে।

৮। ঠান্ডা এবং ফ্লু
অর্ধেকটা লেবুর রস এবং এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি ঠান্ডা দূর করে দিবে। এছাড়া লেবুর খোস ১০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর মধু মিশিয়ে এটি পান করুন।

৯। নাকের রক্ত বন্ধ
এক টুকরো তুলোর বল লেবুর রসে ভিজিয়ে নিন। এরপর এটি নাকে ধরে রাখুন। কিছুক্ষণে মধ্যে দেখবেন নাকের রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেছে।

১০। অ্যাজমা অ্যাটাক
১০ গ্রাম গোল মরিচ গুঁড়ো, ২টি লবঙ্গ এবং ১৫ টি তুলসি পাতা এক কাপ পানিতে ফুটিয়ে নিন। ১৫ মিনিট ফুটানো হয়ে গেলে এতে ২ টেবিল চমাচ মধু মিশিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন। এটি ফ্রিজে ২ সপ্তাহ পর্যন্ত রাখতে পারবেন। ভাল ফল পেতে দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। আপনি যদি হাঁপানির রোগী হয়ে থাকেন তবে এই মিশ্রণটি ঘরে তৈরি করে রাখুন।

11
নাস্তায় প্রায়ই খাওয়া হয় যে ফলটি তা হল কলা। সাধারণত বেশিরভাগ মানুষ সদ্যপাকা কলা খেতে পছন্দ করেন। কলা অতিরিক্ত পেকে গেলে এর চামড়ায় কালো ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। আর এই দাগের কারণে বেশির ভাগ সময় অতিরিক্ত পাকা কলা ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি, এই অতিরিক্ত পাকা কলার রয়েছে অনেকগুলো স্বাস্থ্যগুণ?

১। পুষ্টির পরিমাণ
প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, ভিটামিন বি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ ফল হল কলা। কলা যখন অতিরিক্ত পেকে যায় এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যায়। শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

২। বুক জ্বালাপোড়া রোধ
কলাতে প্রাকৃতিক অ্যান্টি অ্যাসিড রয়েছে যা বুক জ্বালাপোড়া রোধ করে। বুক জ্বালাপোড়া করলে একটি কলা খান দেখবেন অনেকখানি কমে গেছে।

৩। রক্তচাপ
কলা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে সোডিয়ামের পরিমাণ কম এবং পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি হওয়ায় এটি স্টোক, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা হ্রাস করে থাকে।

৪। হজমশক্তিতে বৃদ্ধিতে
অতিরিক্ত পাকা কলায় ফাইবারের পরিমাণ কমে যায়, যার কারণে এটি সহজে হজম হতে পারে।

৫। ক্যান্সার প্রতিরোধে
২০০৯ সালে জাপানিজ এক গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত পাকা কলাতে টিউমার নেক্রোসিস ফ্যাক্টর রয়েছে যা শরীরের ক্যান্সারের কোষ ভেঙ্গে দেয়। এটি ক্যান্সার নিরাময় করে না তবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে।

৬। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে
কলাতে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার রয়েছে যা প্রাকৃতিকভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে থাকে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে পাকা কলা খাওয়ার অভ্যাস করুন।

৭। রক্তস্বল্পতা দূর করতে
কলায় আয়রন রক্ত কোষকে উজ্জীবিত করে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে থাকে। যা রক্ত স্বল্পতা দূর করে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন একটি পাকা কলা।

12
অনলাইন ডেস্ক : অ্যাপেন্ডিসাইটিস রোগের প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হলো পেট ব্যথা। এই ব্যথা সাধারণ পেট ব্যথার তুলনায় বেশ আলাদা। এটা শুরু হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা নেওয়া জরুরী। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথায় শল্যচিকিৎসা নিতে হয়। অনেক সময় এ ব্যথাকে আমল না দিয়ে নানা রকম ব্যথানাশক বা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেয়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়। এতে পরবর্তী সময়ে রোগীর শরীরে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হয়।
মানুষের বৃহদন্ত্রের সঙ্গে লাগানো কনিষ্ঠ আঙুলের মতো একটি সরু থলের নাম অ্যাপেন্ডিক্স। লম্বায় এটি ২ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। থাকে তলপেটের ডান দিকে। এর সঠিক কাজ যে কী, তা এখনো অস্পষ্ট। কিন্তু এই ছোট্ট থলেতে আকস্মিক প্রদাহ হলে দেখা দেয় অসহনীয় ব্যথা। এর নাম অ্যাপেন্ডিসাইটিস।
কেমন এই ব্যথা : অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা সাধারণত নাভির চারপাশে বা নাভির একটু ওপর থেকে শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টা পর তলপেটের ডান দিকের অংশে ব্যথাটা স্থায়ী হয়। থেমে থেমে ব্যথা ওঠে সেটা তীব্র ও হালকা—দুই রকমেরই হতে পারে। এ ছাড়া বমি বমি ভাব বা দু-একবার বমি হতে পারে। সঙ্গে হালকা জ্বরও থাকতে পারে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। ব্যথা তীব্র হলে রোগী হাসপাতালে আসতে বাধ্য হয়। তবে হালকা ব্যথা হলেও সতর্ক হতে হবে। কেননা, পরবর্তী সময়ে রোগীর অ্যাপেন্ডিক্সের চারদিকে বিভিন্ন উপাদান জমা হয়ে পেটে একটি চাকা বা ফোঁড়া তৈরি হতে পারে। সময় মতো চিকিৎসা না হলে অ্যাপেন্ডিক্স ছিদ্র হয়ে খাদ্যনালির ভেতরের বিভিন্ন উপাদান, পরিপাক হয়ে যাওয়া খাবারের অংশ ও মল বেরিয়ে পুরো পেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে পেটের ভেতরে, এমনকি রক্তেও ছড়িয়ে পড়তে পারে গুরুতর সংক্রমণ। এ ধরনের ঘটনায় রোগীর জীবনের আশঙ্কাও দেখা দেয়ে।
চিকিৎসা কী : অ্যাপেন্ডিসাইটিসের চিকিৎসা হলো আক্রান্ত অংশ বা অ্যাপেন্ডিক্স যত দ্রুত সম্ভব অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে ফেলে দেওয়া। অস্ত্রোপচারের ভয়ে অনেকে হাসপাতালে যেতে চান না। অনেক সময় শিশু বা বেশি বয়স্করা ব্যথার সঠিক বর্ণনাও দিতে পারে না। কিন্তু জটিলতা এড়াতে পেটে ব্যথা তীব্র ও স্থায়ী অথবা থেকে থেকে হলে রোগীকে শক্ত খাবার দেওয়া থেকে বিরত থাকুন বা মুখে খাবার দেওয়া বন্ধ রাখুন এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

13
আমাদের দেহের বিপাকক্রিয়ায় তৈরি সব বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে কিডনির মাধ্যমেই বের হয়ে যায়। কিডনি অকার্যকর হয়ে গেলে শরীরের ক্ষতিকর বর্জ্য রক্তে জমা হয়। তখন বেঁচে থাকা দুষ্কর হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে কিডনি অকার্যকারিতার হার ক্রমাগত বাড়ছে। আর কিডনি রোগ চিকিৎসার জনবল ও অবকাঠামো প্রয়োজনের তুলনায় খুবই দুর্বল। তাই কিডনি সুস্থ রাখার দিকে নজর দিতে হবে এখনই।
কিডনি কেন নষ্ট হয়?
কিডনির অকার্যকারিতা দুই ধরনের। একটা হলো, স্বল্প সময়ে কিডনি অকার্যকর হয়ে পড়া। কোনো কারণে কিডনিতে রক্তপ্রবাহ হঠাৎ কমে গেলে, যেমন: মারাত্মক ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতায় এমন ঘটতে পারে। এর মূলে রয়েছে সুপেয় ও নিরাপদ পানির অভাব। পানিবাহিত রোগবালাই (যেমন: ডায়রিয়া, কলেরা ইত্যাদি) হলো এ ধরনের কিডনি অকার্যকারিতার প্রধানতম কারণ। টাইফয়েড বা ডেঙ্গুজ্বর, অকারণ অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথানাশকজাতীয় ওষুধ সেবনের কারণেও হঠাৎ কিডনির সমস্যা হতে পারে। গ্রামাঞ্চলে অনিরাপদ উপায়ে প্রসবের কারণে অতি রক্তক্ষরণ হয় বা বিলম্বিত প্রসবের কারণেও কিডনির সমস্যা হতে পারে। তাই দেখা যাচ্ছে এ সমস্যার কারণগুলো প্রায় সবই প্রতিরোধযোগ্য। এ জন্য প্রয়োজন একটু সচেতনতা আর সতর্কতা।আরেক ধরনের কিডনি অকার্যকারিতা হয় ধীরে ধীরে। একে বলে ক্রনিক কিডনি ডিজিজ। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চরক্তচাপ এবং কিডনির নিজস্ব কিছু রোগ এমন সমস্যার জন্য প্রধানত দায়ী। এই সমস্যার হার আমাদের দেশে বাড়ছে।
কিডনির চিকিৎসা ব্যয়বহুল.
কিডনি অকার্যকারিতার সবচেয়ে শেষ ধাপ হচ্ছে এন্ড স্টেজ রেনাল ডিজিজ। এই পর্যায়ে ডায়ালাইসিস করাতে হয় অথবা প্রতিস্থাপন। দেশে চাহিদার তুলনায় কিডনি রোগের চিকিৎসা খুবই অপ্রতুল। তাই প্রতিরোধের দিকে নজর দেওয়া বেশি জরুরি। কিডনির সুস্থতার জন্য সাধারণ মানুষ, চিকিৎসক সম্প্রদায় ও কর্তৃপক্ষ—সবারই সচেতনতা দরকার।
কীভাবে কিডনি ভালো থাকবে?
ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপের মতো রোগ যথাসময়ে নির্ণয় করা এবং চিকিৎসার মাধ্যমে সুনিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। বয়স ৪০ পেরোনোর পর প্রত্যেকেরই উচিত রক্তে শর্করা, রক্তচাপ ও প্রস্রাবে আমিষ ইত্যাদি পরীক্ষা করা। ধূমপান বর্জন করুন। ওজন যেন না বাড়ে। প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট হাঁটুন। খাবারে লবণের পরিমাণ কমান। আমরা প্রতিদিন প্রায় ১০ গ্রামের মতো লবণ খাই, কিন্তু ৬ গ্রামের বেশি খাওয়া উচিত নয়। অকারণ ওষুধ খাবেন না, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে বা দোকানদারের পরামর্শে তো নয়ই। নিরাপদ পানি পান করুন। সরকার যথাসময়ে কিডনি রোগ নির্ণয়ের লক্ষ্যে দেশের ১২ হাজার ৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিকের জনবলকে প্রশিক্ষণ দিতে পারে, যাঁরা রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও প্রস্রাব পরীক্ষা করে স্ক্রিনিং করতে পারবেন। ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নিকটস্থ পাবলিক ও প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠাতে হবে। কেবল এটুকু উদ্যোগেই ৬ কোটি মানুষ কিডনি অকার্যকারিতার ঝুঁকি থেকে বেঁচে যাবে।

অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ : কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ ও কিডনি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা

14
রান্নাঘরের ছোট কৌটা, চালের ড্রামের নিচে, ডিস সেলফের ফাঁক-ফোঁকড়ে, বেসিনের সিঙ্কে তেলাপোকার রাজত্ব। তাদের স্বেচ্ছাচারী চলন বলনে আপনার কাজ করা দায়। খাবার নষ্ট থেকে শুরু করে নোংরা আর গন্ধযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টিতে তারা খুবই পারদর্শী। শোবার ঘরে খাটের নিচে, কাপড়ের আলমারি সবখানে তেলাপোকার উপদ্রব। অন্ধকার আর খাবার যেখানে মিলবে, সেখানেই থাকবে এই তেলাপোকা। সর্দি বা হাঁপানি জনিত রোগ সৃষ্টিতেও তেলাপোকাকে দায়ি করা হয়। তাই আপনার নিরাপত্তা বজায় রাখতে দ্রুত ঘর থেকে তেলাপোকা বিতাড়িত করুন। আর এই কাজে আপনার সঙ্গী হবে বেকিং সোডা!

তেলাপোকা মারার মূলনীতি!
তেলাপোকাদের নির্মূল করাটা যে বেশ দুরূহ তা বিজ্ঞানীরাও স্বীকার করেন। এমনকি বলা হয়ে থাকে তারা পারমাণবিক বিস্ফোরণের মাঝেও টিকে যাবে বহাল তবিয়তে। চিন্তা করে দেখুন তো, এত যে স্প্রে করে করে তেলাপোকা মারছেন তার পরেও এত তেলাপোকা আসছে কোথা থেকে ? একটা মেয়ে তেলাপোকা একবারে ৪০টা করে ডিম দিতে পারে। একটা তেলাপোকা মরলে আরো ৪০ টা তার জায়গা পুরন করবে। এই দুষ্টচক্র শেষ করতে কি করতে হবে জানেন? এমন ব্যবস্থা করতে হবে যে বড় তেলাপোকার পাশাপাশি বাচ্চাগুলোও মারা পড়ে। এই মূলনীতি থেকেই তৈরি করতে পারেন বোরিক এসিড বা বেকিং সোডার বিষ।

কি কি লাগবেঃ
– তিন চা চামচ বেকিং সোডা
– তিন চা চামচ বোরিক এসিড
– পানি
– চিনি

যা করতে হবেঃ

বোরিক এসিড পেস্ট- বোরিক এসিডকে অনেক আগে থেকেই কীটনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। কিন্তু মানুষের জন্য এটা ক্ষতিকর কোনো পদার্থ নয়। এটা তৈরি করতে হলে যা যা করতে হবে
– তিন টেবিল চামচ বোরিক এসিডের সাথে সমপরিমাণ চিনি এবং পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।
– বাসার যেসব জায়গায় তেলাপোকার উপদ্রব বেশি (কিচেন, বাথরুম, স্টোরেজ) সেখানে এই পেস্ট প্রয়োগ করুন।
এই পেস্টে চিনি আছে ফলে তেলাপোকা আগ্রহ করে খাবে। খাবার পর এই বোরিক এসিডের প্রভাবে তেলাপোকার শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়বে এবং সে ধীরে ধীরে মারা যাবে। শুধু তাই নয়, এই পেস্ট তার শরীরে লেগে যাবে। সে এটাকে বয়ে নিয়ে যাবে নিজের বাসায়, খাওয়াবে নিজের বাচ্চাকাচ্চাকে ফলে সেগুলোও মারা যাবে। ভালো ফলাফল পেতে পর পর কিছুদিন ব্যবহার করুন। বাড়ির ত্রিসীমানায় তেলাপোকা থাকবে না।

বেকিং সোডা পেস্ট- বেকিং সোডা (বেকিং পাউডার নয় কিন্তু) ঘরোয়া অনেক কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এটা তেমনি আরেক ব্যবহার। যেভাবে বোরিক এসিডের পেস্ট তৈরি করেছিলেন ঠিক সেভাবেই সমপরিমাণ বেকিং সোডা, চিনি এবং পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং বাড়ির আনাচে কানাচে প্রয়োগ করুন। বোরিক এসিড পেস্টের মতই একই উপকার পাবেন। তবে সাধারণ রাসায়নিক স্প্রে এর মত দ্রুত কাজ করবে না। একটু ধীরেসুস্থে কাজ করলেও অনেক লাভ হবে।

বেকিং সোডা ও বেকিং পাউডারের মূল উপাদান একই, সোডিয়াম বাই কার্বনেট। তবে বেকিং পাউডারে আরও কিছু পদার্থ মেশানো হয়ে থাকে। খুব সহজ ভাবে বললে বেকিং পাউডারের চাইতে বেকিং সোডা বেশি সক্রিয় বা কার্যকরী। বেকিং পাউডার দিয়েও এই বিষ তৈরি করা যাবে। তবে প্রয়োগ করতে হবে বারবার, আর একটু দীর্ঘ সময় লাগবে কাজ হতে

এছাড়াও আরও কিছু কাজ করলে তেলাপোকার উপদ্রব মোটামুটি দূর করা যাবেঃ

তেজপাতা
তেজপাতার গন্ধ তেলাপোকা সহ্য করতে পারে না। ফলে যেখানে তেজপাতা থাকে সেখানে তেলাপোকা থাকে না। তাই তেলাপোকার আনাগোনা যেখানে বেশি সেখানে তেজপাতা ছিঁড়ে ফেলে রাখুন। বাড়ি থেকে তেলাপোকা এক শ’ শতাংশ বিদায় হবে।

অ্যামোনিয়া মিশ্রণ
পানি আর অ্যামোনিয়ার মিশ্রণ তেলাপোকা তাড়ানোয় অত্যন্ত উপযোগী। এক বালতি পানিতে ২ কাপ অ্যামোনিয়া গুলে নিন। এই পানি দিয়ে রান্নাঘর ধুইয়ে নিন। অ্যামোনিয়ার গন্ধে তেলাপোকা পালাবে।

সাবান পানি
গায়ে মাখার সাবান ও পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। ঘরের কোনায় কোনায় এই পানি স্প্রে করে দিন। ব্যস তেলাপোকা বধ।

বোরিক অ্যাসিড ও ময়দা
ময়দা ও বোরিক অ্যাসিড মেখে একটা ডো তৈরি করে নিন। এর ছোট ছোট লেচি কেটে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রাখুন। এই লেচিতে মুখ দিলেই অক্কা পাবে তেলাপোকা।

গোলমরিচ, পেঁয়াজ, রসুন
উপকরণ গুলি শুনে ভাববেন না কিছু রান্না করতে বলব। তবে অরাসায়নিক পদ্ধতিতে তেলাপোকা মারার এটি সেরা উপায়। এই তিন উপকরণ একসঙ্গে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এক লিটার পানিতে এই বাটাটা দিয়ে ভাল করে গুলে নিন। ঘরের আনাচে কানাচেতে এই পানি স্প্রে করলেও নিশ্চিহ্ন হবে আরশোলার বংশ।

শশা
একটি টিনের কৌটয় কাটা শশা ভরে মুখ খুলে রেখে দিন। তেলাপোকা চলে যাবে। তবে দিনের পর দিন রাখবেন না। তাতে মাছির উপদ্রব শুরু হবে।

লিস্টারিন, পানি ও প্লেট ধোয়ার তরল সাবান
এই তিনটি উপকরণ পানেত মিশিয়ে ঘরের চারিদিকে স্প্রে করে দিন। কাজ দেবে।

গুঁড়ো সাবান
ওয়াশিং মেশিনের জন্য গুঁড়ো সাবানে ব্লিচ থাকে যা আরশোলা তাড়াতে সাহায্য করে।

অর্ধেক পানি ভর্তি কাঁচের শিশি
ঘরের কোন দেখে কাঁচের জারে অর্ধেক পানি ভরে রেখে দিন। তেলাপোকা খালি ভেবে এর ভিতরে ঢুকলেই পানিতে আটকা পড়বে। আর উড়তে পারবে না।

- See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/395877#sthash.oirBMbwQ.dpuf

15
 বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতি মিল্কভিটার দুধে ভেজাল পাওয়ার অভিযোগ করেছেন সমবায় মন্ত্রী মশিউর রহমান। ভেজাল দুধ উৎপাদন, বাজারজাতকরণ বন্ধে অভিযান চালানোর একটি আইনি প্রক্রিয়া সোমববার শুরু করেছে সংস্থাটি। সমবায়ের মাধ্যমে নিজস্ব খামারিদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করে বাজারজাত করে মিল্কভিটা।

ভেজাল দুধের বিষয়ে সংস্থাটি কি ধরনরে ব্যবস্থা নিচ্ছেন সে বিষয়ে বিবিসি বাংলার সাথে কথা বলেন মিল্কভিটার চেয়ারম্যান শেখ নাদের হোসেন। তিনি বলেন, প্রথমত আমরা অফিসিয়ালি মন্ত্রণালয়কে নোটিশ করেছি যে বাজারে কিছু ভেজাল দুধ আসছে যারা সরকারের বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া বাজারে মিল্কভিটার প্যাকেটের ডিজাইন নকল করে দুধ বিক্রি করছে। এখন ভিতরে দুধের কি কোয়ালিটি আছে সেটা বিএসটিআই বলতে পারবে বা তাদের আদৌও কোন অনুমতি আছে কিনা। সে কারণে আমরা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি, তারা সমস্ত মিডিয়ার লোক ডেকে কথা বলেছে।

ভেজালের কি ধরনের অভিযোগ আসে বা কি ধরনের ভেজাল মেশানো হয় এর উত্তরে শেখ নাদের হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত মাঠে গিয়ে কোন কিছু ধরতে পারি নাই। কিন্ত লোকমুখে বা বিশেষজ্ঞদের কাছে যেটা শুনেছি বিশেষ করে যেসব অঞ্চলে ঘোষ সম্প্রদায়ের লোক বেশি থাকে তারা এই ভেজাল দুধ তৈরি করে থাকে। ভেজাল দুধ তৈরির জন্য দুধের ছানা তৈরি করার পর যে পানি থাকে সেই পানিতে শ্যাম্পু, সয়াবিন তেল, চিনি এবং ভেজিটেবিল ফ্যাট মিশিয়ে ভেজাল দুধ তৈরি করে। ভেজাল দুধ তৈরি করলে লাভ বেশি হয়। ভেজাল ১ লিটার দুধ তৈরি করতে হয়তো ১০ টাকার মত খরচ হয় আর বিক্রি করে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

নাদের হোসেন আরও বলেন, মিল্ক ভিটা নিজেরাই দুধ উৎপাদন করে। সারা বাংলাদেশে ৪৩ টা সেন্টার থেকে দুধ সংগ্রহ করে। এই সেন্টারগুলোতে অত্যাধুনিক মিল্ক এনালাইজার মেশিন আছে। এই মেশিনের মাধ্যমে দুধ পরীক্ষা করে তারপর সংগ্রহ করে।

কিভাবে ভেজাল বিরোধী অভিযান চলবে সে প্রসঙ্গে নাদের হোসেন বলেন, ভেজাল বিরোধী অভিযান যেভাবে চালাতে চাই সেটা হল র‌্যাব, পুলিশ দিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আমরা অভিযান চালাতে চাই। এই অভিযান মুলত যেখানে ভেজাল দুধ তৈরি হয় সেখানেই চালানো হবে। দোকানে অভিযান পরিচালনা করে লাভ নাই কারণ তারা নকল দুধ বা আসল দুধ কোনটা সেটা তারা ধরতে পারবে না। সুতরাং যেখানে ভেজাল দুধ উৎপাদন হয় সেটা বন্ধ করতে হবে।
See More on: http://www.prothom-news.com/national/2016/05/09/125214/

Pages: [1] 2