Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - rima.eee

Pages: [1] 2 3 ... 9
1
Body Fitness / Crash Diet !!!!!
« on: August 03, 2017, 10:47:38 AM »
CRASH DIET...অনেকের কাছে Healthy Diet এর চেয়েও অনেক পছন্দনীয় ও আকর্ষনীয়। কী এই Crash Diet? অনেকে জেনে বা না জেনে অনেক ধরনের Crash Diet করে থাকে। কেউ কেউ কোনো খাবার বাদ দিয়ে বা একেবারে না খেয়ে Crash Diet করে। আবার অন্যদিকে কেউ কেউ Heathy খাবার বেশী বেশী খেয়ে বাকি সব খাবার বাদ দিয়েও Crash Dieting করে। যেমন, দৈনিক মেন্যু থেকে কার্বোহাইড্রেট কে একেবারে বাদ দিয়ে Crash Diet করা, অতিরিক্ত প্রোটিন খেয়ে Crash Diet করা, শুধু শশা আর গ্রিন টি খেয়ে Crash Diet করা, খাবার থেকে তেল বাদ দিয়ে শুধু সিদ্ধ খাবার খাওয়া, মুঠি মুঠি বাদাম খেয়ে Crash Diet করা, এক দিন ফল, একদিন দুধ, একদিন সবজি বা মাংস খেয়ে Crash Diet করা ইত্যাদি। এই ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার আগে একবারও কি নিজের শরীরের কথা ভেবেছেন? যখন কার্বোহাইড্রেট বাদ দিচ্ছেন অর্থাৎ ভাত বা রুটি কিছুই খাচ্ছেন না তখন লিভারের কথা একবার ভেবেছেন? যাকে কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে মস্তিষ্কের প্রয়োজনীয় গ্লুকোজ সরবরাহ করতে করতে দুর্বল হয়ে পরতে হচ্ছে, আবার অপর দিকে অতিরিক্ত প্রোটিন খেয়ে Crash Dieting এ, কি পরিমাণ খাটাচ্ছেন আপনার কিডনি কে একবার ভাবুন! যা কিডনিকে দ্রুত নষ্ট বা দূর্বল করার জন্য যথেষ্ট। অন্যদিকে অতিরিক্ত বাদাম খেয়ে ওজন কমাতে গিয়েও কিন্তু কিডনিকে চাপে রাখছেন। ক্ষিদে পেলেই শশা খেয়ে, আবার কেউ কেউ শুধু শশা খেয়েই ডায়েট করে দীর্ঘ মেয়াদি সমস্যা ঘটাচ্ছেন। লেবু আর মধুকে অনেকে খাচ্ছেন পানির মত। দৈনিক ভিটামিন সি এর চাহিদার কোন তোয়াক্কা না করেই খেয়ে যাচ্ছেন প্রচুর লেবু। একবার ভেবেছেন এই অতিরিক্ত ভিটামিন শরীরে গিয়ে কি করতে পারে? ভুলের কোনো শেষ নেই। একটা কথা মনে রাখবেন, যত দ্রুত আপনি ওজন কমাবেন, আপনার শরীরের বিপাক তত ধীর হতে থাকবে, এতে diet ছেড়ে দিলে আগের চেয়ে আরো বেশী মোটা হবেন। কমবেন তো নাই বরং শরীরের কিছু ক্ষতি হবে মাঝখান থেকে। পুষ্টি ঘাটতি এর জন্য যে ক্ষতি হবে তার লক্ষণ সাথে সাথে বুঝা যায় না, লক্ষণ বেশ অনেকদিন পর বুঝতে পারবেন। তাই আজ থেকে আর CRASH DIET নয়। শরীরের সাথে যুদ্ধ নয়, বন্ধুত্ব তৈরী করুন।

2
আপনি হয়তো দিনের পর দিন ডায়েটিং করেই যাচ্ছেন, অথচ এক ইঞ্চি ওজনও কমেছেনা! তাহলে এখনই আপনার ডায়েটিংয়ের নিয়মগুলো নিয়ে পুণরায় ভাবা শুরু করুন। ওজন কমানোর চিন্তা মাথায় আসলেই আমরা যে বিষয়টি নিয়ে ভাবা শুরু করি তা হলো খাদ্য তালিকায় ক্যালোরি কমানো। ক্যালোরি কম খেলে ওজন কমে এই ধরাণাটি আংশিক সত্য। কারণ এই নিয়মটির প্রয়োগ করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই কী খেতে হবে না হবে তা নিয়ে গোলমাল পাকিয়ে ফেলি। আসুন তাহলে ডায়েটিং করার পরও কোন কোন ভুলের কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণে আসছে না…..

১. হালকা নাস্তা
সকালের নাস্তায় প্রয়োজনের তুলনায় কম করে খেলে আপনার পরিপাকতন্ত্রের কার্যক্রম ধীর হয়ে পড়ে। এবং এমন কিছু হরমোনগত পরিবর্তন ঘটে যা ওজন কমাতে বাধা তৈরি করে। রাতের খাবারের ১০-১২ ঘন্টার বিরতির পর খেতে বসেও যদি আপনি কার্পন্য করেন তাহলে দুপুরের খাবারে অতিরিক্ত খাবার খেয়ে ফেলতে পারেন। সকালের নাস্তায় ক্যালসিয়াম, আয়রন, প্রোটিন এবং আঁশযুক্ত খাবার খান বেশি করে। কারণ ক্যালোরি পোড়ানো এবং হজমের নানা কর্মকাণ্ড সম্পাদনের জন্য আমাদের দেহের এই পুষ্টি উপাদানগুলো দরকার হয়।
২. আপনি শুধু একই ধরনের খাবারের ওপর বেশি জোর দেন
আপনার দেহের জন্য দরকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস। সুতরাং ওজন কমাতে গেলেও বিশেষ কোনো খাবার বেশি কমিয়ে ফেলবেন না যেন।

কার্বোহাইড্রেটস, প্রোটিন, ফ্যাট এবং আঁশজাতীয় খাবার খেতে হবে প্রয়োজনীয় হারে। ওজন কমাতে গিয়ে কার্বোহাইড্রেটস গ্রহণ বেশি কমিয়ে ফেললে এবং কোনো কারণ ছাড়াই শুধু সবজি হয়ে পড়লে কিন্তু গিতে বিপরীত হতে পারে।
৩. পরিমাণ না কমানো
আপনি হয়তো অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া বাদ দিয়ে শুধু স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া শুরু করেছেন। কিন্তু পরিমাণে বেশি খাচ্ছেন। তাহলে কিন্তু চলবে না। এমনকি কার্বোহাইড্রেট কমানোর মানে কিন্তু এই নয় যে মৌলিক খাবারগুলো পুরোপুরি বাদ দিতে হবে। বরং পরিমাণ কমাতে হবে।

৪. রাতের খাবার আগেভাগেই খেলেন কিন্তু ঘুমাতে গেলেন দেরিতে
ওজন কমানোর জন্য সচরাচর যে পরামর্শটি দেওয়া হয় তা হলো সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই রাতের খাবার খেতে হবে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটি দেখা দেয় তা হলো, আপনি খেলেন আগেভাগে কিন্তু ঘুমাতে গেলেন দেরিতে। ফলে মধ্যরাতে আবার আপনার তীব্র ক্ষুধা লাগতে পারে যা আপনি উপেক্ষা করতে পারবেন না। তবে রাতে না খেলেও পরের দিন আপনি হয়তো বেশি খেয়ে ফেলবেন। ফলে রাতের খাবার খাওয়ার দুই ঘন্টার মধ্যেই ঘুমাতে যান। আর যদি দেরি করে খাবার খান তাহলে সারাদিনের যে কোনো বেলার চেয়ে কম ক্যালোরি খান।

৫. জলখাবার না খাওয়া
দ্রুত ওজন কমানোর জন্য দিনব্যাপী আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সচল রাখতে হবে। এজন্য আপনাকে প্রতি তিন থেকে চার ঘন্টা পর অল্প করে খাবার খেতে হবে। সাধারণত সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারের মাঝখানে হালাক জলখাবার খেতে বলা হয়। তা হতে পারে ফল বা সালাদ। আবার দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানেও আরেকবার খেতে বলা হয়। যা হতে বাদাম বা সবজি। দুবেলা খাবারের মাঝে বেশি সময় দেরি করলে তাতে রক্তে সুগারের পরিমাণ কমে যেতে পারে যা আপনার হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং আপনাকে আরো বেশি ক্ষুধার্ত করে তুলতে পারে।

৬. আপনি শুধু কম ক্যালোরিযুক্ত খাবার খান
ডায়েটিং করার মানে এই নয় যে, আপনি শুধু স্বল্প ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাবেন। তারচেয়ে বরং আপনাকে এমন সব খাবার খেতে হবে যেগুলো দীর্ঘ সময় ধরে আপনার পেটকে ভরা রাখবে। যেমন আঁশসমৃদ্ধ খাবার, ফল এবং পুর্ণশস্য।

৭. আপনি পর্যাপ্ত পানি পান করেন না
পানি পান না করে আপনি হয়তো শুধু সবজি এবং ফলের জুস খাওয়ায় বেশি গুরুত্ব দিয়ে ফেলেন। আঁশসমৃদ্ধ খাবার চর্বি কমানোর সেরা হাতিয়ার। কিন্তু সেসব জুস বানিয়ে খেলে আঁশের পরিমাণ কমে যেতে পারে। ফলে পানি পান না করে অন্য কোনো পানীয় পান করলে তাতে আপনার ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ আরো বেড়ে যেতে পারে। আর ঠিক মতো পানি না খেলে অনেক সময় পানির তৃষ্ণাকেই ক্ষুধা বলে মনে হতে পারে এবং আপনি অতিরিক্ত খাবার খেতে পারেন।

৮. খাবার কম খান কিন্তু ব্যায়াম করেন বেশি
ওজন কমানোর সবচেয়ে বড় মন্ত্র হলো ভারসাম্য এবং সঙ্গতি। আপনি যদি ক্যালোরি গ্রহণ উচ্চহারে কমান কিন্তু কঠোর শরীরচর্চা অব্যাহত রাখেন তাহলে আপনার পরিপাকতন্ত্র দূর্বল হয়ে পড়বে এবং আপনার ওজনও কমবেনা ঠিকভাবে। হঠাত করেই খাবার গ্রহণ উচ্চহারে কমালে আপনার ক্ষুধাও মিটবেনা আবার বেশি শরীর চর্চা করার কারণে দিনের অন্যান্য কর্মকাণ্ড ব্যাহত হবে। সুতরাং আপনার কত ক্যালোরি খাবার গ্রহণ দরকার আরো কত ক্যালোরি পোড়ানো দরকার তার মধ্যে একটি ভারসাম্য স্থাপন করুন।

3
মাইগ্রেন ব্যাথা সম্পর্কে অনেকেই জানেন। কিছু দিন ধরে প্রচন্ড মাথা ব্যথা। সকালে ঘুম থেকে উঠে মাথা ব্যথা ঘুমাতে গেলেও মাথা ব্যথা। সামনে পরীক্ষা কিন্তু পড়া হচ্ছে না। বইয়ের দিকে তাকালে নিজে নিজে চোখ থেকে পানি পড়ে। বেশী দিন আর সহ্য করতে না পেরে ডাক্তারের কাছে গেলাম। অনেক টেস্ট করার পর ডাক্তার বলল মাইগ্রেন ব্যাথা এর কারণে এটি হচ্ছে।

মাইগ্রেন কি?


মাইগ্রেন এক ধরনের মাথাব্যথা যা অত্যন্ত কষ্টদাইয়ক। যাদের মাইগ্রেন ব্যাথা নেই তারা ধারনাও করতে পারবেন না কতটা কষ্টদায়ক এই রোগ। মাইগ্রেন কথাটির অর্থ হল অরধেক মাথা ব্যথা। মাইগ্রেন ব্যথার উপসর্গঃ মাইগ্রেনব্যথার সাথে বহু ধরনের উপসর্গ থাকতে পারে। এর মধ্যে প্রাধান হচ্ছে, চোখ অস্বচ্ছ দেখা, চোখের সামনে ছোট ছোট আলোর বিন্দু দেখা, বমি বমি ভাব, মাথার ভিতরে ধপ ধপ করা ইত্যাদি।

মাইগ্রেন ব্যথার কারণঃ


বলা হয়ে থাকে যে, ব্রেনের ভিতরে রক্তবাহী নালীসমূহ কোন কারণে সংকুচিত হয়। এটা হলে মস্তিস্কে রক্ত চলাচলের তারতম্যের জন্যই এই প্রচণ্ড ধপ ধপ করে মাথাব্যথা শুরু হয়। মাইগ্রেন মাথাব্যথা একবার শুরু হলে কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত একাধারে চলতে পারে। এমন কি, স্বাভাবিক কাজ বা পড়ালেখার ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

মাইগ্রেন ব্যথা হওয়ার আগে পূর্বাভাসঃ

টেনশন, পরীক্ষা বা চাকুরির অত্যন্ত চাপ, মানসিক অশান্তি, বাস বা গাড়ীতে অনেকক্ষণ যাত্রা করা, মহিলাদের বেশীক্ষণ গরমে রান্না ঘরে থাকা, মাসিকের সময় ইত্যাদি নানাবিধ কারণে মাইগ্রেন শুরু হতে পারে। সাধারণ মাইগ্রেন হলে সাধারণত খুব বেশী মাথাব্যথা হয় না। বমি ভাব থাকতে পারে। ক্লাসিক মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে ব্যথা শুরু হওয়ার আগেই রোগী বুঝতে পারে যে, ব্যথা আসবে, কেউ কেউ চোখের সামনে আলোক বিন্দু দেখতে পান। আলো বিন্দুগুলো চোখের সামনে কাঁপতে থাকে এবং ধীরে ধীরে বড় হয়। কারো শরীরের একটা অংশ অবশ লাগতে পারে। এই ধরনের মাইগ্রেন যাদের থাকে, তাদেরপ্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে, বমি হয় এবং ব্যথা ২-৩ ঘন্টা বা তারও বেশী সময় থাকে। জটিল মাইগ্রেন যাদের হয়, তাদের মাথাব্যথার সাথে অন্যান্য নিউরোলজিক্যাল উপসর্গ দেখা যায়। প্রচণ্ড মাথা ব্যথার সাথে নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ দিয়ে পড়া, গাল লাল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গ থাকে। কয়েকদিন ধরে প্রতিদিন এই ব্যথা চলতে থাকে। কখনও এক বা দুই সপ্তাহ প্রচণ্ড মাথাব্যথা থাকে এবং রোগী ব্যথায় ছট ফট করেন বা ঘুম থেকে সকালে উঠেই ব্যথা শুরু হয়।

মাইগ্রেন রোগের চিকিৎসাঃ

প্রথমেই বুঝতে হবে যে,কারো মাইগ্রেন থাকলে কোন ওষুধে এই রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় করা সম্ভব নয়। সাধারণ মাইগ্রেন হলে সাধারণতঃ ব্যথার ওষুধ যেমন প্যারাসিটামল খেলেই কাজ হয়। যদি মাইগ্রেন বার বার হতে থাকে এবং কাজে বাধা সৃষ্টি করে, তবে কিছু শক্ত ব্যথানাশক ওষুধ এবং এর সাথে যাতে বার বার ব্যথা ফিরে না আসে সে জন্য কিছু প্রতিষেধক ওষুধ দেওযা হয়। কখনও কখনও সামান্য চশমার পাওয়ার দিতে হয়। মাইগ্রেনের মতো মাথাব্যথা অন্যান্য জটিল নিউরোলজিক্যাল রোগও হতে পারে। তাই যদি বার বার মাথাব্যথা হয় বা খুব বেশি মাথাব্যথা হয়, তবে কিছু পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। ডাক্তার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হলে এবং ওষুধ দিলে সেগুলো ব্যবহার করতে হবে। তাই মাইগ্রেন জাতীয় ব্যথা হলে অবিলম্বে ডাক্তার দেখানো উচিত এবং সঠিক পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়ার পর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া উচিত। মাইগ্রেন ব্যথা কখনও অবহেলা করা উচিত নয়। সকল নিউরোলজিক্যাল, চক্ষু, নাক, সাইনাস, দাঁত ইত্যাদি পরীক্ষা করেই শুধুমাত্র নিশ্চিত হওয়া সম্ভব রোগটি মাইগ্রেন কিনা।

মাইগ্রেন ব্যাথা দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়ঃ


মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করার রয়েছে দারুণ কিছু উপায়। সাধারণ ২ টি জুস পানের ফলে নিমেষে দূর হয়ে যাবে মাইগ্রেনের মারাত্মক মাথাব্যথা। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই দুটি পানীয় সম্পর্কে।

১) ব্রকলি, গাজর ও আপেলের পানীয়

উপকরণঃ
– ছোট আকারের ব্রকলির ৮ ভাগের ১ ভাগ
– ২ টি মাঝারি আকারের গাজর
– ১ টি আপেল

পদ্ধতিঃ
– ব্রকলি, আপেল ও গাজর ছোটো ছোটো খণ্ড করে ব্লেন্ডারে সামান্য পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন ভালো করে।
– মিহি ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিতে পারেন। প্রয়োজন না পড়লে ছেঁকে নেয়ার দরকার নেই।
– এতে মেশান ১ চিমচি লবণ ও ১ চিমটি বিট লবণ। এবার এই পানীয় পান করে নিন। অনেক দ্রুত ভালো ফল পাবেন।

২) লেবুর রস, মধু ও আপেল সিডার ভিনেগারের পানীয়

উপকরণঃ
– ২ চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার
– ১ গ্লাস পানি
– ১ চা চামচ মধু
– ১ চা চামচ লেবুর রস

পদ্ধতিঃ
– ১ গ্লাস পানিতে আপেল সিডার ভিনেগার ভালো করে মিশিয়ে নিন।
– ভিনেগার মিশে গেলে এতে, মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন ভালো করে।
– এই পানীয় মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হলে দিনে ২-৩ বার পান করুন। মাইগ্রেনের ব্যথা দূর হবে খুব দ্রুত।

4
তেলাপোকা একটি সর্বভুক প্রাণী। এটি বিভিন্ন রোগের ধারক ও বাহক। এটি ক্ষতিকর ৩৩ ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ছয় ধরনের প্যারাসাইট দিয়ে মানবদেহে বিভিন্ন রোগ তৈরি করে। তেলাপোকাকে কমবেশি সবাই ভয় পায়। গবেষণায় দেখা গেছে, ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের তেলাপোকার ফোবিয়া বেশি।
তেলাপোকা যেভাবে জীবাণু ছড়ায়
১. তেলাপোকা লালারসের মাধ্যমে আমাদের দেহে ব্যাকটেরিয়া ছড়ায়।
২. তেলাপোকা ডিমের মাধ্যমে জীবাণু ছড়ায়।
৩. তেলাপোকা বিষ্টা দিয়ে জীবাণু ছড়ায়।
৪. তেলাপোকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দিয়ে ছড়ায়।
৫. কামড়ানোর মাধ্যমে আমাদের মাথার চুল, নখ, চোখের ভ্রূ, ত্বক কেটে জীবাণু প্রবেশ করায়।

তেলাপোকা যে ধরনের রোগ ছড়ায়

১. ফুড পয়জনিং

২. অ্যালার্জি

৩. হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট

৪. কৃমি রোগ

৫. চর্মরোগ

৬. আমাশয়

৭. টায়ফয়েড

৮. হেপাটাইটিস এ

তেলাপোকার কামড়ে শরীরে কী ঘটে

১. কামড়ের স্থানে জ্বালাপোড়া করে।

২. ফুলে যাওয়া এবং ব্যথা হতে পারে।

৩. চুলকানি ও র‍্যাশ হতে পারে।

৪. তেলাপোকার লালারসের ক্ষতিকর অ্যান্টিজেন তাৎক্ষণিক আলার্জি ও শ্বাসকষ্ট ঘটাতে পারে।

কামড়ের চিকিৎসা যা করবেন

১. কামড়ের স্থানটি পরিষ্কার পানি ও সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২. অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম ও হাইড্রোকর্টিসন ক্রিম ব্যাবহার করুন।

৩. কামড়ের স্থানে চুলকাবেন না।

৪. যদি ফুলে যায়, আক্রান্ত স্থানে বরফ লাগান।

৫. যদি মারাত্মক আলার্জি শুরু হয়, ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৬. কোনো জটিলতা এড়াতে ডাক্তারের পরামর্শ মতে অ্যান্টিবায়োটিক খান।

তেলাপোকার কামড় প্রতিরোধে যা করবেন

১. সপ্তাহের একদিন বাসাবাড়ির লুকানো ও অন্ধকার জায়গাটি পরিষ্কার করুন, যাতে তেলাপোকা বাস করতে না পারে।

২. প্রতিদিন ঘুমানোর আগে রান্নাঘরসহ খাবারের সব জায়গা ভালো করে পরিষ্কার করুন।

৩. নিয়মিত রান্নাঘরের ডাস্টবিন পরিষ্কার করুন এবং ডাস্টবিনে ঢাকনা ব্যবহার করুন।

৪. রাতের খাবার শেষে বাড়তি খাবার অবশ্যই খোলা না রেখে ঢাকনা দিয়ে রাখুন।

৫. প্রয়োজনে তেলাপোকার বিষ ব্যবহার করুন এবং সুস্থ থাকুন।

5
Correct me, If I’m wrong but the phenomenon of losing weight is somehow always bond with our stomach.
Regarding to this people’s self-conscience, or rather obsession, many diets and fancy exercises claim that “they will burn the belly fat” for which they gain the most of its popularity. But we have some news for you that all this hype around “belly fat” and it’s conception  , may be in fact wrong.

There is a thin  line  between stomach fat vs. stomach bloating. In other words, you large stomach may be caused by bloating, which is build up of air, gases, or fluids in the stomach region.

This mix, causes the stomach to enlarge thus making space for this bloating, resulting in a large appearance. But just because it’s large doesn’t mean that it contains any extra fat. The best way to get rid of these bloating is to make certain lifestyle changes.

The next 5- step test will help you diagnose whether you have stomach bloating or not, and how to get rid of it.

Your daily lactose consuming may influence your stomach bloating. Humans are lactose intolerant to an extent. Some are more lactose sensitive than others. But if consumed heavily , lactose does provoke digestion issues because of the milk sugar that is the stomach bloating main provoker.

Make a change, by reducing the amount of your daily lactose intake (in milk, cheese, or yogurt)and see whether this will influence the size of your stomach.

Second and important is how much salt do you eat? Aside from the gas and air, the third substance that provokes bloating is the water. Especially for those people that consume a diet high in sodium  and salt. High amounts of sodium causes a water retention in the stomach, resulting in a bloating caused by fluids.

Try cutting the salt out of your diets and reduce the amount of high-sodium meals you eat.

Eating hastily , can also be one of the reasons for your stomach bloating. If you eat as quick as possible your body won’t be able to send information to your brain letting it know you are full fast enough.

The result known as over-eating . Another side effect the fast eating can have is that every time you eat fast you are inhaling a large amount of air with every bite you swallow. This air pumps your stomach and provokes a bloating. Prevent this by slowing down and chewing your food rather than just swallowing it.

Bloating can cause stress, but stress can also cause bloating. The digesting system is heavily affected by stress. When stress hormones flood the body , changes within your body occur. The body automatically starts prioritizing  the processes  that deal with stress rather than those such as food digestion.

In situations like these, try yoga exercises or meditation and see how they will affect your stomach size.

Although many people feel bloated after eating bread, or other wheat-based food , people hypersensitive to gluten may be faced with an enormous and hurtful stomach bloating.

If you are gluten intolerant try avoiding bread, pasta, cereal or other wheat-based products. Replace them with a gluten-free products and notice the changes in your stomach’s size.

6
সাধারণ চায়ের থেকে গ্রিন টি অনেক দিকে এগিয়ে। সকাল বেলা উঠে প্রথমেই হয়তো এক কাপ গ্রিন টি খান। মনে করেন এর মতো উপকারী পানীয় আর নেই। অতিরিক্ত টক্সিন বের করে, ওজন ঠিক থাকে, ত্বকও ভালো থাকে। হ্যাঁ গ্রিন টি অবশ্যই উপকারী। কিন্তু সবার জন্য কিন্তু গ্রিন টি উপকারী নয়। যেমন-

১) যারা অন্তঃসত্ত্বা বা মা হওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের অবশ্যই এড়ানো উচিত গ্রিন টি। ক্যাফারিন যুক্ত যেকোনো খাবার খাওয়ার আগেই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া উচিত।

২) রক্তস্বল্পতায় যারা ভুগছেন, তাদের জন্যও গ্রিন টি মারাত্মক হতে পারে।

৩) ইনসোমনিয়া বা বা যাদের ঘুম আসে না তারা বন্ধ করুণ গ্রিন টি খাওয়া। এইপানীয় খেতে থাকলে আরও কমতে থাকবে ঘুমের পরিমাণ।

৪) ডায়েবেটিস ও উচ্চরক্তচ্চাপের রোগীদের কখনই কোনও চিকিৎসক গ্রিন টি খেতে বলবেন না। তাই যত তাড়াতাড়ি বন্ধ করুণ গ্রিন টি খাওয়া।


7
আজকাল অনেকেই লিভারে চর্বি (ফ্যাটি লিভারে) রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। লিভারের এই রোগটি প্রাণ সংশয়ের কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে।

  শরীরে চর্বি বিপাকপ্রক্রিয়ার অসামঞ্জস্য এবং ইনসুলিন অকার্যকারিতার জন্য লিভারের কোষগুলোতে অস্বাভাবিক চর্বি, বিশেষ করে ট্রাইগ্লিসারাইড জমে। এতে লিভারের ওজন হিসেবে ৫ থেকে ১০ শতাংশ চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনাচরণ ও খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব রয়েছে এ সমস্যার মূলে। অ্যালকোহল সেবনকারী এবং স্থূল ব্যক্তিদের মধ্যে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৭৫ শতাংশ। নারী-পুরুষ উভয়ই এতে আক্রান্ত হতে পারেন। শিশু-কিশোররাও এ থেকে মুক্ত নয়।লিভারে চর্বি বা চর্বিজনিত রোগ মোটা দাগে দুই রকম অ্যালকোহলজনিত এবং অন্যান্য কারণজনিত। উভয় ক্ষেত্রেই, সাধারণ চর্বি জমা থেকে শুরু করে রোগটি নানা জটিল ধাপে অগ্রসর হতে পারে, যেমন- লিভারে প্রদাহ, প্রদাহজনিত ক্ষত বা সিরোসিস, লিভারে অকার্যকারিতা ইত্যাদি। অ্যালকোহলজনিত কারণে এ থেকে যে সিরোসিস হয়, তাতে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি, প্রায় ১০ শতাংশ।

যখন এই চর্বিযুক্ত সেলগুলো লিভার টিসুদের বাধা দেয়, তখনই লিভার ধীরে ধীরে কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এমন কী এই ধরনের পরিস্থিত তৈরি হলে কোনও কোনও ক্ষেত্রে লিভার ফুলতেও শুরু করে।
লিভারে মেদ জমা যদি ঠিক সময়ে আটকানো না যায় তাহলে তা থেকে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।
লিভারে চর্বি জমার ঝুঁকি ও কারণগুলোকে কেবল প্রতিরোধের মাধ্যমেই এ রোগের প্রতিকার সম্ভব। কেননা রোগটির কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।
তবে আশাহত হবেন না। ঠিক সময়ে যদি চিকিৎসা শুরু করা যায় তাহলে লিভারের রোগ থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠা যায়। তবে এমন কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা আছে যা অনুসরণ করলে লিভারের চর্বি গলে এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

লেবুপানি : প্রতিদিন লেবু পানি পানের অভ্যাস করুন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন- সি থাকে, যা লিভারকে দূষণমুক্ত করতে সাহায্য করে।

গ্রিন-টি : প্রতিদিন সকালে ও বিকালে এক কাপ করে গ্রিন-টি পান করুন। এটি লিভার ফাংশন ঠিক করতে সাহায়তা করে।

অ্যাপেল সিডার ভিনিগার : এক কাপ গরম পানিতে কেয়েক ফোঁটা অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে প্রতিদিন খাবার আগে পান করুন। কয়েক মাস এটা খেলেই দেখবেন লিভারে জমে থাকা চর্বি সব গায়েব হয়ে গেছে।

আদাপানি : এক চা চামচ আদা গুঁড়া গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে দুবার পান করুন। এই পানীয় টানা ১৫ দিন খেলেই দেখবেন অনেক সুস্থ বোধ করছেন। কারণ এটি লিভারে চর্বি জমার প্রক্রিয়াটি প্রায় বন্ধ করে দেয়। ফলে লিভার আস্তে আস্তে ঠিক হতে শুরু করে।

আমলার রস : আমলায় ভিটামিন-সি থাকায় এটি লিভারকে দূষণমুক্ত করে। তাই লিভারের অসুখে আক্রান্ত রোগী যদি টানা ২৫ দিন এই রস, এক চামচ করে প্রতিদিন সকালে খান, তাহলে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

8
গরুর মাংসের খেতে পছন্দ করে সবাই।  একটু করে চেখে দেখতে গেলেও অনেকটা মাংস খাওয়া হয়ে যায়। কোনো চিন্তা নেই, টনিক বলে দিচ্ছে এমন কিছু খাবারের কথা যেগুলো আপনারে হয়ে ফ্যাটের সঙ্গে লড়াই করবে।

পুষ্টিবিদরা এদের নাম দিয়েছেন ফ্যাট ফাইটার। এগুলো খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখা হয়ে যায় সহজ। আমাদের হাতের কাছে আছে এমন কিছু ফ্যাট ফাইটারকে চিনে নেই চলুন।

গ্রিন টি – খাওয়ার পরে চিনি ছাড়া গ্রিন টি খেতে ভুলবেন না যেন, এটা হজমশক্তিকে বাড়ায় আর শরীর সুস্থ রাখে।

লেবু পানি – খাওয়ার পর পর আর প্রতিদিন সকালে কুসুম গরম পানিতে একটি আস্ত লেবুর রস মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন। ভিটামিন সি খাবার হজম হতে সাহায্য করে।

টক দই – খাবার পরে অন্য সবাই যখন মিষ্টি খাচ্ছে তখন আপনি তার বদলে নিন টক দই। ঠাণ্ডা জমাট বাধা টকদই খেতে যেমন মজা তেমনি ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য কর

পেয়ারা – শুধু শুধু টক দই খেতে ইচ্ছা না করলে একটি পেয়ারা টুকরো করে মাখিয়ে নিন। খেতেও যেমন ভালো লাগবে তেমনি অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে আপনাকে অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত রাখবে।

আপেল আর নাশপাতি – পেয়ারার মতো টক দই এর সাথে দিয়ে ফ্রুট সালাদ বানিয়ে নিন। এই ফলগুলোতে পানি এবং আঁশের পরিমাণ অনেক বেশী, তাই এগুলো অনেকক্ষণ আপনার পেট ভরিয়ে রাখবে।

অ্যাপেল চাইডার ভিনেগার – পানির সাথে ১ বা দুই টেবিল চামচ অ্যাপেল চাইডার ভিনেগার আপনার খিদে কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে।

টমেটো – খাওয়ার পরিমাণ নিয়ে চিন্তায় পরেছেন? দিনের দুই প্রধান আহারের মধ্যে হালকা নাশতা হিসেবে টমেটোর সালাদ খেতে পারেন। কম ফ্যাট আর অনেক আঁশযুক্ত টমেটো শুধু পেটই ভরাবে না, আপনার ওজন কমাতেও সাহায্য করবে।

9
Numerous people started consuming soy milk instead of soy milk in an attempt to improve their health. This milk has no lactose, so vegans, individuals who avoid dairy, and those who suffer from lactose intolerance, prefer soy milk.

Fortified soy milk is high in calcium, protein, B vitamins and iron, but low in saturated fats and cholesterol.

However, apparently, scientists have found that the consumption of soy milk can seriously endanger health. Its effects have been a topic of controversy for many years, but there is a significant amount of evidence that indicates that soy milk severely endangers the body.

These are the ingredients of this milk:

Soymilk (Filtered water, whole soybeans)
Cane Sugar
Riboflavin
Vitamin B12
Vitamin A palmitate
Carrageenan
Calcium Carbonate
Vitamin D2
Sea Salt
Natural Flavor
The majority of the ingredients surely sound familiar, but you probably haven’t heard of carrageenan. It is a member of the family of linear sulfated polysaccharides which are extracted from red edible seaweeds.

They are commonly used in the food industry due to their stabilizing, gelling, and thickening properties.

The digestion of carrageenan is harmful to the body, and it has no nutritional value. In fact, it is destructive to the immune system, even though it is derived from a natural source.

It leads to a negative immune response which causes inflammation. Studies have found a link between carrageenan and the increased colon cancer rate, as well as gastrointestinal inflammation which can lead to chronic diarrhea, IBS, spastic colon, and inflammatory bowel disease.

What is most important is to always be well informed in order to make the best decision when it comes to your dietary choices.

Here are 10 reasons why you should avoid soy milk:

-- Soy involves plant estrogens known as phytoestrogens, which disrupt the function of the endocrine system and can cause infertility and breast cancer in women.

-Around 99% of soy is GMO, meaning that it has one of the highest pesticide contamination levels.

-- The process of production of soy protein isolate and textured vegetable protein exposes the fragile soy proteins to high temperatures, which makes them harmful for human digestion.

-Soy foods are rich in aluminum, which is toxic to the body, and negatively affects the kidney and the nervous system. Moreover, aluminum has been associated with Alzheimer’s.

-Soybeans also involve haemagglutinin, which is a clot-promoting substance which forced red blood cells to clump together.

-- Soy also has toxic isoflavones – genistein and daidzein, which trigger the growth of existing breast cancer.

-- The spray-drying process leads to the formation of nitrates, which are powerful carcinogens.

-- Soybeans are rich in natural toxins that affect estrogen levels. The consumption of just two glasses of soy milk daily dramatically changes the hormones in a woman’s body and leads to disruptions of the menstrual cycle.

-- Soybeans and soy products are rich in phytic acid, which inhibits the assimilation of iron, magnesium, calcium, zinc, and copper.

-- Soy foods are also rich in goitrogens which inhibit the thyroid hormone production.

10
What if there was a way to fully transform your body in a very short time?

This article does not offer you some kind of miraculous potion or wraps, but a simple and effective exercise that will make your dreams come true!

Remember- we are not saying it’s going to be easy- we are saying that it’s definitely going to take only 4 minutes of your time a day!

In only 28 days, you will reduce body fat, and dramatically boost your strength and endurance. The difference after this period will be huge!

The effects of this exercise are due to the fact that it is a full body workout, and the engaged muscles are located in various body parts. However, make sure you do it correctly!

This is the plan:

Hold the plank for 20 seconds during the first two days, and increase up to 30 seconds on the 3rd and 4th days. Then, aim for 40 seconds on the 5th day.

Rest on the 6th day, and then continue planking for 5 seconds on the 7th and 8th day.

Hold the position for a minute in the next two days.

On day 12, you should plank for full 90 seconds, and the next day, make a break.

Continue planking for a minute and a half on the 14th and 15th day. In the next two days, you should try to hold the plank position for 2 minutes.

Plank for 150seconds on the 18th day, and then make a day break. Resume with 150 seconds planking in the next couple of days, and hold for 180 seconds on the 22nd and 23rd day. The next day, plank for 210 seconds, again make a break for a day and hold the plank for 210 seconds on the 26th day as well.

Hold the plank for 240 seconds on day 27, and on day 28, try to endure it as long as you can!

As soon as you finish the challenge, the effects will be visible and you will be amazed! Yet, do not stop here, and enjoy the miraculous results of this short exercise!

We are presenting the Plank Challenge, which involves planking for 20-45 seconds daily during the first week, all the way up to 3-4 minutes by the end of the challenge.


 

11
Health Tips / Calorie Vs. Carb Counting: Pros And Cons
« on: May 06, 2017, 07:36:46 PM »
Counting calories and carbs are two approaches to consider when trying to lose weight.

Calorie counting is based on the principle of “calories in, calories out.” In other words, you have to burn more calories than you actually ingest. Experts at the Mayo Clinic say that by burning 3,500 calories more than you eat, you will actually lose one pound. Try cutting at least 500 calories a day, and you’ll manage to lose a pound within a week.
Carb cutting involves counting the carbs you ingest, including starchy, sugary, and refined foods. Sometimes these offer fat and empty calories. Losing weight is only possible if you eat well and opt for lower-carbohydrate choices.

It’s all about your daily carb goal. Eat about 45 percent of your calories from carbs. If you eat 1,800 calories every day, you will get 810 calories from carbs or 202.5 grams. Portion these calories between your meals and snacks. Try to take an average of 45 grams of carbs per three meals and 30 grams of carbs per two snacks.

Every regimen has good and bad sides, but you can always combine the aspects that work best for you.

Read the label

This is important in every diet regimen, especially if you’re counting calories. Look for the “per serving” part of the label.

Carbs are always listed on the labels, and there are three main listings:

Total carbs represent the total number of carbs in the product
Dietary fiber keeps you full for longer, and fruits, veggies and whole grains are abundant in fiber
Sugars are carbs that break down into sugar and fiber. Fruits contain sugar naturally, but other foods contain added sugar. Sugar additions cause spikes in blood sugar levels and offer “empty calories,” so try to avoid them
Portion control

You can’t just eye or memorize your food, but portion control works in a different way. Just read the serving sizes on the labels. However, it’s not always easy to know the exact number of calories.

Portion control is a huge bit of carb counting. You can memorize portions easily when counting carbs. The following foods offer about 15 grams of carbs:

1 slice of bread

1 small piece of fruit (apple or orange)

1/2 cup of canned / fresh fruit

1/2 cup of starchy vegetables (cooked corn, peas, lima beans, or mashed potatoes)

1/3 cup of pasta

1/3 cup of rice

3/4 cup of dry cereal

Non-starchy vegetables are low in calories, and you don’t have to count them.

Medical conditions

Low-calorie diet isn’t recommended to individuals with a particular medical condition, but it’s suggested to those dealing with hypertension and congestive heart failure.

Carbohydrate counting is common in individuals diagnosed with type 1 and type 2 diabetes in order to regulate blood sugar. Diabetics use insulin to help the body use carbs for energy. The carb counting can help them predict the needed dose of insulin.

Final words

If you opt for low-calorie regiment, don’t push your calorie intake too low, because you will feel weak. Your body will turn on its protective mechanism, and it will prevent any further loss if you don’t eat enough.

Carbohydrate counting requires establishing an average daily calorie count and number of calories from carbs

Fruits, veggies, whole grains, legumes, and lean proteins work well for every diet regimen.

Your nutritional needs depend on your height, weight, and physical activity. Consult your doctor on your calorie and carb intake.

12
Body Fitness / 10 Foods to Help Melt Away That Muffin Top Fast!
« on: April 27, 2017, 12:38:20 PM »
Muffin tops are so out. Well, it’s not like they were ever ‘in.’ Plus, you can’t wear your favorite skinny jeans or light dress with all the fat blobbing over the collar.

The good news is that some foods can help you shrink your waist, and look gorgeous.

Oats
Oats are rich in fiber, keep you full for longer, and regulate blood sugar. Your oatmeal will actually prevent excessive release of insulin – it’s the hormone that notifies your body on how to store fat. There’s no tastier way to fight mid-day and late-night cravings.

Coconut oil boosts metabolism. Simple as that.
It promotes weight loss, and strengthens heart.

Blueberries

Blueberries and every berries are rich in antioxidants, and these give you tons of energy. Your body will sure enjoy the powerful fiber and tannin bomb, as it reduces inflammation in the digestive tract, bloating, and weigh.

Apples
Apples are probably the tastiest fiber-rich fruit. You get a healthy portion of pectin with every apple you eat, and you won’t be bothered with unhealthy sugar cravings.

Greek yoghurt
Greek yoghurt is rich in protein and digestive cultures that strengthen the immune system and enhance digestion. You can use it with almost anything. Add it to your breakfast, lunch, dinner or snack and prevent/reduce bloating.

Wild salmon

The flaky goodness is packed with healthy fatty acids. Wild salmon decreases insulin resistance, regulates blood sugar, reduces food cravings, burns calories, and promotes weight loss.

Almonds
Eat a handful of nuts for your snack time. Combine your favorite nuts with fruits, veggies, or scatter a few on your salads. Nuts keep you full for longer and boost metabolism.

Spinach
The tasty green leaves are packed with vitamins, beta-carotene, calcium, folate, and magnesium. You can add it to your salads, omelets, sauces, sandwiches, and smoothies. Tasty, right?

Chili pepper

Capsaicin boost metabolism, and that’s what you need to lose weight.

Eggs
No, yolks aren’t bad for your wealth. There’s no better way to get enough protein, amino acids, and healthy fats. Eggs keep you full for longer, and boost energy.

13
Balloons aren’t attractive, and by “balloons” we mean bloated bellies. Some people just won’t even look at their bloated body parts, because it’s so unattractive and quite unpleasant to look at.

So, try our simple tips on how to reduce bloating, and become hot again.

Cut off salt
Remove everything that’s too salty. Salt leads to water retention, and harms the water-electrolyte balance in the body. Yes, that’s what makes you bloated all the time.

Stay away from processed food, salty snacks, frozen meals, fast food, and other foods that contain “hidden” salt.

Don’t overseason you food, and you will soon look and feel better.

Drink “tons” of water
Water helps the body release stored cellular fluid, and reduces bloating. Plus, if you feel thirsty all the time, it’s your body that’s in desperate need for water.

The purest liquid on planet Earth plays major role in every biological process, so try to drink more of it. Don’t know what’s the right amount of water? Drink just as half as you weigh in ounces. So, if you’re 140 lbs, drink 70 ounces of water every day, and respect that rule.

Chewing gums aren’t your friends
Gums make you swallow more air, and why would you do anything like that? Sugar-free gums are the worst scam out there, so stay away from these, too.

Avoid sodas
You may be dying for a big cup of Coke, but those bubbles won’t leave your intestines right away. Avoid sodas if you are bloated. No, diet soda isn’t a better option. It’s worse.

Artificial sugar is your enemy
Sugar alcohol, sugar substitutes, and “natural” sugar make you bloated, and harm your digestive system. You don’t need any of that diet soda, chewing gums, candies, protein bars, etc.

Xylitol is a sugar alcohol that’s somewhat healthier that other sugars. It has a minimal effect on blood sugar, and leaves insulin levels intact. Even its excessive consumption won’t cause any harm to your body, except for the low risk of digestive problems.

Follow these tips, and you will feel much better. Now you can zip up your favorite jeans without being ashamed of your “balloon.”

Source: www.healthyfoodhouse.com

14
All ladies dream of long, thick eyelashes, and perfectly formed eyebrows. They emphasize femininity and are a sign of beauty and care.
There are numerous hair growth supplements on the market, but most of them are full of chemicals ad fail to deliver positive effects.

However, you can stimulate the growth of hair follicles and make your eyebrows and eyelashes thicker in a safe, natural way. This method will ensure you get your bushy, thick, long, and fuller eyebrows and eyelashes soon!

The following hair growth serum contains natural ingredients only, so it will cause positive effects, and cannot lead to any side-effects.

Its regular use will give you the desired effects in several days! Watch out the video below and follow the instructions:

[youtube][/youtube]Video link:https://youtu.be/nr-2--6qYW8
 

15
Headache / My Head Hurts After Climbing Stairs
« on: April 26, 2017, 06:55:49 PM »
Whether you're doing it for exercise or for more practical reasons, climbing stairs is a good cardiovascular activity. It's great for toning leg muscles and getting your heart pumping. Some people may find that they experience a headache after climbing stairs. In most cases, this is of little concern.The headache typically passes soon after you stop the activity. In some cases, however, it might signal an underlying condition. The only way to determine the reason why you are experiencing headaches after climbing stairs is to see your physician.

Low Blood Pressure

Your blood pressure is considered low when the force of blood flow against your artery walls during and after your heartbeat is lower than normal. When you stand or climb stairs, your blood pressure rises to pump more blood throughout your body, according to Stewart Tepper, author of "The Cleveland Clinic Manual of Headache Therapy." If you have low blood pressure, your body is unable to pump enough blood to adjust when you climb stairs. This can leave you with a headache because your brain is not receiving enough blood.

Anemia

Anemia is characterized by a decreased red blood cell count. It can also occur if your red blood cells are larger or smaller than normal. Because red blood cells carry oxygen throughout your body, your brain and other organs don't receive enough of it if you have anemia. When you exert yourself during activities such as climbing stairs, your brain and other organs require more oxygen. When your body is unable to meet this requirement, it commonly results in what is called an "exertion headache."

Blood Sugar

Hypoglycemia, also known as low blood sugar, can result in having a headache after climbing stairs. Blood sugar is your body's primary fuel source. It is especially important to your brain. When your blood sugar drops too low and you climb stairs, you can experience a headache along with lightheadedness, according to Joseph Kandel, author of "The Headache Cure." This type of headache will subside when you eat something that brings your blood sugar back into a normal range, explains Kandel.

Considerations

Low blood pressure, anemia and hypoglycemia are the most common causes of experiencing a headache after climbing stairs. However, other causes can include poor circulation and dehydration. Your physician will generally take a detailed account of your experience to help determine the cause. Testing your blood sugar levels, red blood count and circulation can help rule out underlying conditions. Treatment depends on the cause, but in general, the prognosis is good with proper treatment.

Pages: [1] 2 3 ... 9