Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Fahmi Hasan

Pages: [1] 2 3 ... 5
1
ইউটিউবে একবার ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখেছিলাম। ভূমিষ্ঠ হয়েই শিশু নার্সের পকেট থেকে মুঠোফোন তুলে নেয়। গুগল ঘেঁটে, নির্দেশিকা দেখে, নিজেই নিজের আমবিলিক্যাল কর্ড কেটে ফেলে। এরপর সেলফি তোলে। কম্পিউটার চালায়। আবার জিপিএএস দেখে দেখে পথ চিনে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসে। আর তা দেখে মূর্ছা যান ডাক্তার।

প্রতীকী অর্থে চিন্তা করলে এই ভিডিওতে খুব অবাক হওয়ার কিছু নেই। এখন শিশুরা আশৈশব বাবা-মায়ের মুঠোফোনের ব্যবহার দেখে অভ্যস্ত। হয়তো সে থেকেই খুব অল্প বয়সে তারা প্রযুক্তির ব্যবহার শিখে নেয়। নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে তৈরি হয় নতুন একটা জগৎ। তবে সে জগতেরও যে কিছু শিষ্টাচার থাকে বা থাকতে পারে, তা অনেক অভিভাবকই ভুলে যান। অবশ্য বুড়ো-বড়রাও যে খুব সচেতন, তা-ও না।

ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট বিষয়টা মোটামুটি সবারই জানা আছে। যে জিনিস একবার হাতের মুঠো (পড়ুন টেক্সট বক্স) থেকে বেরিয়ে গেছে, তা আর ফিরিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। আর তাই সেন্ড বোতাম চাপার আগে বারবার দেখুন, বারবার ভাবুন আর মনে রাখুন নিচের বিষয়গুলো—

১. এসএমএস পাঠানোর আগে সময় দেখে নিন। কাজের এসএমএস কাজের সময়ের মধ্যে রাখলেই ভালো। আর ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে সময়ে বুঝে এসএমএস পাঠান। তবে ঘুমের সময় কাউকেই এসএমএস করা উচিত না।
২. প্রাপ্তিস্বীকার গুরুত্বপূর্ণ। এসএমএস কিংবা ই-মেইলের উত্তর দিতে ভুলবেন না। আর কিছু না হোক, শুধু ‘ধন্যবাদ’ হলেও লিখে পাঠান।
৩. এসএমএস সব সময় সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট হওয়া উচিত। ই-মেইলও তা-ই।
৪. প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের শুরুটা এসএমএসের মাধ্যমে হওয়া উচিত না। আগে থেকে চেনেন, ফোনে কথা কিংবা ই-মেইলে যোগাযোগ হয়েছে, এমন কাউকে এসএমএস করতে পারেন।
৫. কোথাও মুঠোফোন চার্জ হতে দেখলে এক টানে খুলে ফেলে নিজের মুঠোফোন চার্জে দেওয়া ঠিক না। খুব প্রয়োজন হলে যার মুঠোফোনে চার্জ হচ্ছিল তাঁকে ভদ্রভাবে জিজ্ঞেস করুন।
৬. কর্মক্ষেত্রে বসে শুধু ভালো লাগছে বলে ওয়েব ব্রাউজ করা মোটেই যুক্তিসংগত না। সেটা বাসায় করতে পারেন।
৭. ২০১৫ সালে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বর্ষসেরা শব্দ আদতে কোনো শব্দ ছিল না। সেটা ছিল চেহারায় আনন্দের অশ্রুর ইমোজি। তবে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগে ইমোজির ব্যবহার করার আগে ভেবে দেখুন।
৮. মিটিংয়ে ফোন বন্ধ (নিদেনপক্ষে সাইলেন্ট মোডে) রাখুন। আর জরুরি ফোন কলের আশা করলে তা জানিয়ে দিন এবং কথা বলার সময় অন্যরা বিরক্ত হবেন না, এমন কোথাও গিয়ে কথা বলুন।
৯. সহকর্মী তার কম্পিউটার বা মুঠোফোনে কী করছে, তা দেখার জন্য উঁকিঝুঁকি মোটেই কাম্য না। যদিও কর্মক্ষেত্রে কাজের বাইরে অন্য কাজ সাধারণত কেউ করে না, তবু নাক না গলানোই উচিত।

১০. যেকোনো যোগাযোগে কখনোই রুক্ষ মেজাজে কথোপকথন চালানো উচিত না। এতে আপনার ভাবমূর্তি এবং সম্পর্ক, দুটোই নষ্ট হতে পারে।
১১. ইংরেজিতে যেকোনো লিখিত যোগাযোগে সব বড় হাতের কিংবা সব ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার করা ঠিক না।
১২. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কিছু পোস্ট করার আগে অডিয়েন্স, প্রাইভেসি সেটিংস, লেখার ক্ষেত্রে বানান ও ভাষা ভালো করে খতিয়ে দেখুন।
১৩. কাজের ই-মেইল ঠিকানায় ব্যক্তিগত যোগাযোগ না করাই ভালো।

সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট, লাইফ হ্যাক
http://www.prothomalo.com/life-style/article/1544661/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%93-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%93-%E0%A6%A8%E0%A6%BE

9
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) যুগ শেষ হতে চলেছে। এবার আসছে ই-পাসপোর্ট। এ বছরের জুলাই মাসেই চালু হতে যাচ্ছে এই পাসপোর্ট। এরইমধ্যে জার্মানির একটি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এ পাসপোর্টের একটি ‘চিপ’ সহজ করে দেবে বিশ্ব ভ্রমণ।


জানা যায়, বিশ্বের ১১৮টি দেশে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট চালু রয়েছে। এবার যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। নিরাপত্তা চিহ্ন হিসেবে এতে থাকবে চোখের মণির ছবি ও আঙুলের ছাপ। এর পাতায় থাকা চিপে সংরক্ষিত থাকবে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য।

২০১৬ সালে এমআরপির পাশাপাশি ই-পাসপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। একই সময় পাসপোর্টের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে দিন থেকে ই-পাসপোর্ট চালু হবে ওই দিন থেকে এমআরপি পাসপোর্ট রিনিউ করতে গেলে ই-পাসপোর্ট করতে হবে।

ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ই–পাসপোর্টের নমুনা কপি অনুমোদন দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে চলছে। জার্মানির প্রযুক্তি নিয়ে জিটু-জি'র মাধ্যমে বাংলাদেশে ই–পাসপোর্ট করা হবে। এর জন্য উড়োজাহাজ, স্থল ও নৌ-বন্দরে ই-গেট স্থাপন করা হবে। ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পেরিয়ে যাওয়া ই-পাসপোর্টধারী ব্যক্তি লাইনে না দাঁড়িয়েই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইমিগ্রেশন শেষ করতে পারবেন।

http://www.tripsilo.com/

10
Health Tips / রোজায় শ্বাসকষ্ট
« on: May 16, 2018, 12:46:54 PM »
রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকলে শ্বাসকষ্টের রোগীদের রোজা রাখতে কোনো বাধা নেই। রোজা কোনোভাবেই হাঁপানি রোগ বাড়িয়ে দেয় না।
ইনহেলার শ্বাসকষ্টের রোগীর জন্য এমন এক চিকিৎসাপদ্ধতি যা রোগী শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে টেনে নেয় এবং ওষুধ শ্বাসনালিতে পৌঁছায়। অনেকেই মনে করেন, ইনহেলার হাঁপানির সর্বশেষ চিকিৎসা। ইনহেলার একবার ব্যবহার করলে পরে শ্বাসকষ্টের পরিমাণ কমানোর জন্য আর অন্য কোনো ওষুধ কাজে আসে না। তাঁদের জেনে রাখা ভালো, শ্বাসকষ্টের প্রথম চিকিৎসা হচ্ছে ইনহেলার।

এখন অবশ্য অনেক ডিভাইস পাওয়া যায়। তা ব্যবহারের মাধ্যমে হাঁপানিতে আক্রান্ত রোগী রোজা রাখতে পারেন। সালবিউটামল ইনহেলার ইফতারের সময় দুই পাফ নেওয়া যায়। সাহ্‌রির সময় দুই পাফ নেওয়া যায়। তাহলে লম্বা সময় ধরে ভালো থাকা যায়।

আর বলা হচ্ছে, রোজা রাখা অবস্থায় যদি কেউ ইনহেলার নেয়, তবে রোজা ভাঙবে না। কারণ ইনহেলার তো খাদ্যের পরিপূরক নয়।
ধূমপান করলে রোজা ভেঙে যাবে। ধূমপান তো নেশা। কিন্তু ইনহেলার তো নেশা নয়, এটা নিতে হয় রোগীকে সুস্থ রাখার জন্য। রোজা রেখে এটা সহজেই নেওয়া যাবে। তারপরও যদি কেউ না নিতে চান তবে সাহ্‌রি ও ইফতারের সময় দুই পাফ করে নিতে হবে।

আর এখন বিভিন্ন জেনথিন দলের আছে, ইউনিকনটেন আছে, কনটেন আছে—একটা ২০০ মিলিগ্রামের বড়ি, ইফতারের পর একটা খেয়ে নিলেন, সাহ্‌রির পর একটা খেয়ে নিলেন। তাহলে পুরো সময়টাই শ্বাসকষ্টমুক্ত থাকা সম্ভব। আর রাতে শোয়ার সময় একটি মন্টিলুকাস ১০ মিলিগ্রাম ওষুধ খেয়ে নিলে খুব সহজেই রোজা রাখা যায়।

আর কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো খুব অ্যালার্জিতে ভরা। যেমন, গরুর মাংসের অনেক পদ, অনেক হাঁপানি রোগীই আছে যাদের এই মাংসে অ্যালার্জি আছে। চিংড়ি মাছের বিভিন্ন পদ, বেগুনি—এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে, যদি তাদের এসব খাদ্যে সংবেদনশীলতা থাকে। ইফতারি ওইভাবে সাজিয়ে নেবেন। একজন শ্বাসকষ্টের রোগী যদি খুব পেট ভরে খায়, তবে দম নিতে সমস্যা হয়। আসলে সুস্থভাবে রোজা রাখার জন্য কিছু নিয়মকানুন অবশ্যই মেনে চলতে হবে। সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য করে চলতে হবে, পরিমিতিবোধ থাকতে হবে।

ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, লেখক: বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ

11
কেবল খাবারের স্বাদই বাড়ায় না বরং কিছু মসলা ওজন দ্রুত কমাতে ও নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

পুষ্টিবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে বিভিন্ন মসলা ও ভেষজ উপাদান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে এখানে এমন কিছু মসলার কথা জানানো হল যা ওজন কমানো আরও দ্রুত করবে।

দারুচিনি: দারুচিনি ক্ষুধা কমাতে সাহায্য। রক্তের শর্করার মাত্রা কমায় এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। চাইলে ওটমিলে দারুচিনি যোগ করতে পারেন। টক দইয়ে বা চায়ে মেশাতে পারেন দারুচিনি। মুরগির মাংসে এটা ভিন্ন স্বাদ যুক্ত করে।

লাল মরিচ: ঝাল শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়। ফলে বিপাকও বাড়ে। বিপাক যত বেশি ক্যালরি তত বেশি খরচ হবে। খাবারে মরিচ বা ঝাল যোগ করুন। এটা প্রতিবেলার খাবারে ১শ’ ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করবে। বাদাম, সুপ, ডিম ইত্যাদি খাবারের উপরে হালকা লাল-মরিচ ছিটিয়ে খেতে পারেন।

জিরা: খাবারে এক টেবিল-চামচ জিরা যোগ করুন। এটা তিনগুন বেশি চর্বি কমাতে সাহায্য করে। সম্প্রতি স্থূলকায় নারীদের উপর পরিচালিত গবেষণা থেকে এমনটাই জানা গেছে। তাছাড়া জিরা খাবারে স্বাদও বাড়ায়। চাইলে প্রতিদিনকার খাবার যেমন- সুপ, সবজি, ডাল, রুটি ও অন্যান্য যে কোনো খাবার পরিবেশনে জিরা ব্যবহার করতে পারেন।

আদা: রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে এই মসলা। অর্থাৎ মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার পর শরীরের গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে আদা। হলুদ, লাল-মরিচও তাই। এগুলোতেও আছে চর্বি পোড়ানোর উপাদান, ‘থার্মোজেনিক’। চা, সালাদ, মাছ, ফলসহ অন্যান্য যে কোনো খাবারে এটা যোগ করতে পারেন।

রোজমেরি: রোজমেরি বিপাক বৃদ্ধি করে। এটা হজম বাড়াতে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। হালকা গরম পানিতে রোজমেরি ভিজিয়ে পান করতে পারেন। তবে সেটা যেন খালি পেটে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

এলাচ: ভিন্ন ঘ্রাণযুক্ত এলাচ বেশ পরিচিত। এর তাপ উৎপাদন ক্ষমতা ওজন কমাতে সাহায্য করে। পেটে গ্যাস উৎপন্ন হওয়া কমিয়ে ফোলাভাব ও অস্বস্তি দূর করে। দ্রুত ওজন কমাতে খাবারে এক চিমটি বা দুইটা এলাচ যোগ করুন।

গোল মরিচ: কালো গোল মরিচ পিপারিন সমৃদ্ধ যা খাবারে ভিন্ন স্বাদ এনে দেয়। এই উপাদান চর্বির কোষ গঠনে বাধা দেয়। ফলে ওজন কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি পরবর্তি সময়েও ওজন বাড়তে দেয় না। ভালো ফলাফলের জন্য লাল মরিচ ও গোল মরিচ একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

12
Food / দই ঢেঁড়স
« on: May 16, 2018, 12:21:21 PM »
রেসিপি দিয়েছেন প্যারিস প্রবাসী রন্ধনশিল্পী ডা. ফারহানা ইফতেখার।



উপকরণ: কচি ঢেঁড়স ২৫০ গ্রাম। পেঁয়াজবাটা ১ টেবিল-চামচ। মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ। জিরার গুঁড়া আধা চা-চামচ। ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ। হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ। আদা ও রসুন বাটা ১ চা-চামচ। কাঁচামরিচ ৪,৫টি। দই ২ টেবিল-চামচ। তেল পরিমাণ মতো। কালি জিরা ১ চা-চামচ। টমেটো-কুচি ১টি। লবণ পরিমাণ মতো।
পদ্ধতি: ঢেঁড়স ধুয়ে দুই টুকরা করে কেটে নিন।

এবারে ফ্রাই প্যানে তেল দিয়ে ঢেঁড়সগুলো হালকা ভেজে উঠিয়ে নিন। ওই তেলেই কালি জিরা দুই মিনিট ভেজে তারপর সব মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর দই দিয়ে আরেকটু কষিয়ে ভাজা ঢেঁড়সগুলো দিয়ে কষান। প্রয়োজনে অল্প পানি দিতে পারেন।

খেয়াল রাখতে হবে, ঢেঁড়সের সবুজ রং যেন ঠিক থাকে। তাহলে দেখতে ও খেতে ভালো লাগবে।

কিছুক্ষন পর ঢেঁড়স সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে মাখা-মাখা হলে ঝাল, লবণ পরিক্ষা করে নামিয়ে নিন।

13
ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে মোবাইল ডেটা বা ওয়াই-ফাই অন করলেই গোটা জগৎটা আমাদের মাথার ভেতরে ঢুকে পড়ে। মাথাটাই এখন বিশ্ব। ফেসবুক নিয়ে ভালো-মন্দ যত কথাই হোক, আর সেটাকে ‘অলীক’ জগৎ বলে যতই এর অস্তিত্বকে তাচ্ছিল্য করা হোক না কেন, বাস্তবতা হলো এই যে পৃথিবীর মানুষদের একটা বড় সংখ্যা এখন ফেসবুকে প্রতিদিন দিনের একটা বড় অংশ কাটায়। সেখানে বন্ধুত্ব, ভাব, ভালোবাসা, সম্পর্ক, বিবাহ, বিচ্ছেদ, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ থেকে শুরু করে ভালো-মন্দ, বিপদ-আশীর্বাদ—সবই আছে। ফেসবুক নিয়ে তাই নিন্দা, দ্বিধা যা-ই থাকুক না কেন, মানতে হবে যে এটা আমাদের বাস্তবতার বাইরের কিছু এখন আর নয়। আমরা যদিও নিন্দায় ভাসি যে ফেসবুক একটা ‘লোক দ্যাখানোর’ কেবল ঝলমলে রঙিন ছবির মিথ্যা মেকি জগৎ, কিন্তু এই জগতের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধগুলো কিন্তু মেকি নয়। যে জগতেই মানুষের পা পড়ে, সেখানেই অপরাধ ঘটবে। এত দিন আমরা রক্তমাংসের জগতের একধরনের বিপদ দেখেছি। সেখানে আমাদের বন্ধুত্ব হয়েছে, সম্পর্ক হয়েছে, বিপদ-আপদ হয়েছে। সেসব বিপদের রূপ আমাদের অনেক দিনের পরিচিত।

কিন্তু ফেসবুকের এই নতুন জগতের বিপদগুলো সম্পর্কে আমরা ইদানীং জানতে পারছি। ধীরে ধীরে একের পর এক খুন, ধর্ষণ, প্রতারণার মতো ঘটনার খবর আমাদের কানে আসছে, যার অনেকগুলোরই শুরু এই ফেসবুকের পটভূমি থেকে। এই জগৎকে যদি আমরা আমাদের বাস্তবতার অংশ হয়েছে স্বীকৃতি দিয়ে থাকি, তবে প্রশ্ন হলো, এখানে টিকে থাকার জন্যও কি যথার্থ প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে? আমরা কি এই জগতের বিপদগুলো সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন? এখানেও টিকে থাকার সূত্র আসলেই সেই একটাই—সারভাইভাল অব দ্য ফিটেস্ট। সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমে নিরাপদে বসবাস করে এর আনন্দ নিতে হলে আমাদের এই জগতের শক্তি, দুর্বলতা ও ফাঁদগুলোর চরিত্র সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকা দরকার। তাহলেই ধীরে ধীরে ‘ফেসবুক ফিটনেস’ তৈরি হবে এবং এই মাধ্যমের নেতিবাচক দিকগুলো থেকে আমরা আমাদের বাঁচিয়ে চলতে পারব।

সর্বশেষ ঘটনাটির সূত্র ধরেই শুরু করি। মাত্র কদিন আগে ফেসবুকে পরিচয়ের পর বন্ধু বা প্রেমিকের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ঘরে ফেরেনি চট্টগ্রামের একটি কিশোরী মেয়ে। এক দিন বাদে তার লাশ পাওয়া যায়। দায়ী সেই প্রেমিক যুবক কি না, নাকি অন্য কেউ? সেই প্রমাণ মিললেও কি মেয়েটিকে আর পাওয়া যাবে? এই ক্ষতির দায় কি ফেসবুকের, নাকি আমাদের অসাবধানতার? মাথাব্যথার দায় কি মাথার?

সাবধানতার প্রথম পাঠ হিসেবে আমাদের একটা কথা মনে রাখা দরকার যে ফেসবুক কোনো রূপকথার জগৎ নয়। টেলিভিশন সিরিজ নয়। চরিত্রগুলো প্রকৃত মানুষ, যারা সত্যিকারের জগতে অপরাধ ঘটাতে সক্ষম। সিনেমার ভিলেন যত খারাপ মানুষই হোক, সে টেলিভিশন থেকে বের হয়ে এসে আমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। কিন্তু ফেসবুকের অনেক চরিত্র থাকতে পারে, যারা আপাতদৃষ্টিতে নায়কসুলভ হলেও সেই প্রক্ষেপিত নায়ক চরিত্রের অন্তরালে তাদের স্বরূপ আসলে হতে পারে কোনো হঠকারী মানুষের। আমি যদি তার নায়ক রূপে আকৃষ্ট হয়ে একটা মাত্রার বাইরে তার দিকে এগিয়ে যাই, তাহলে তার খলনায়ক রূপটি আমার বোকামি, দুর্বলতা, অসাবধানতা, অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে আমার ভয়াবহ কোনো ক্ষতি করে দিতে পারে, যা কিনা অপূরণীয়। খেয়াল রাখা দরকার যে ফেসবুকে আমরা তা-ই দেখি, যা আমরা দেখাতে চাই। আমরা এখানে যেমন আমাদের মুখচ্ছবির সবচেয়ে নিখুঁত রূপায়ণে মনোযোগী, তেমনি আমাদের চরিত্রের ছবি আঁকার ক্ষেত্রেও আমরা আমাদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রচারে অতি আগ্রহী ও পারদর্শী। এই মানসিকতা তবু সরল বলে ভাবা যায়, যদি সেখানে মিথ্যাচার প্রবেশ না করে।

কিন্তু স্মরণ রাখা দরকার, যার বা যাদের মন অপরাধপ্রবণ, মিথ্যাপ্রবণ, তেমন অনেক মানুষও ফেসবুকে আমাদের আশপাশেই আছে। তারা যদি নিজের চরিত্রের কোনো অসত্য চিত্রায়ণ করতে চায়, তো ফেসবুকে তার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে। এই জগতে তাই আমরা যখন মন দেওয়া-নেওয়ার খেলায় জড়িয়ে যাই, কারোর প্রতি আকৃষ্ট হই, তখন বারবার মনে রাখা প্রয়োজন যে যে চরিত্রে আমি আকৃষ্ট, সে যদি খাঁটিও হয়ে থাকে, তবু প্রথমত ফেসবুকে তার ‘আংশিক’ প্রকাশ ঘটেছে, যা সব সময়ই আমার আপন নিরাপত্তার খাতিরেই আগাপাছতলা যাচাই-বাছাইয়ের দাবি রাখে। অর্থাৎ ফেসবুকে যা দেখছি, সেটা একটা মানুষের পরীক্ষিত প্রকৃত পূর্ণাঙ্গ রূপ না-ও হতে পারে। নিজেকে নিরাপদ সীমানায় রেখে রক্তমাংসের বাস্তব জগতের পর্যবেক্ষণ ছাড়া শুধু ফেসবুকের পরিচয় আর বন্ধুত্বের ভিত্তিকে চিরন্তন ভরসার ধরে নিয়ে সম্পর্কের আরও গভীরে মানসিকভাবে প্রবেশ করাও তাই নিরেট নির্বুদ্ধিতা।

দ্বিতীয়ত, ফেসবুকের সূত্রপাত থেকে সংঘটিত অপরাধগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে হয়ে থাকে সম্পর্ককেন্দ্রিক, তাই এই জায়গাটাকে ঘিরেই সর্বাধিক এবং সর্বোচ্চ মাত্রার সাবধানতার প্রয়োজন থাকলেও সব ধরনের আদান-প্রদানের এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রেই ফেসবুককে শুধু একটা পরিচয়ের উৎসস্থল হয়েছে দেখাটাই উত্তম। লেনদেন, আলাপ-আলোচনা সবই যত বেশি ভার্চ্যুয়াল জগৎ থেকে আস্তে আস্তে বাস্তব জগতে নিয়ে আসা যায়, ততই আমাদের নিজস্ব বিচারক্ষমতার প্রয়োগের এবং পর্যবেক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি পায় আর বিপদের আশঙ্কা সংকুচিত হয়।

সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে ফেসবুকের পরিচয়ের সূত্র ধরে কোনো অপরিচিত মানুষের (তার সঙ্গে আমরা যত দিনই কথাবার্তা বলে থাকি না কেন) সঙ্গে কোনো অরক্ষিত জায়গায় একলা চলে যাওয়াটা একটা অত্যন্ত বিপজ্জনক কাজ, বিশেষ করে মেয়েদের জন্য। এই সব ক্ষেত্রে বড় কোনো বন্ধুদলের মধ্যে ধীরে ধীরে সেই মানুষটার সঙ্গে আরও সময় নিয়ে মেশা, তার পরিবারকে জানা, তার সমাজকে জানা, এভাবে ধাপে ধাপে এগোনোটাই সঠিক ও নিরাপদ পথ। মোদ্দাকথা, ফেসবুক থেকে সরাসরি বাস্তবের জগতে প্রবেশের আগে কিছুতেই মনের ভেতরেও সেই অচেনা বা অল্প চেনা মানুষটিকে নিয়ে বেশি দূর এগোনো ঠিক নয়। কেননা, তখনো জানার প্রক্রিয়াটি পর্যাপ্ত রূপ নেয়নি। দ্বিতীয়ত, এই সময়টাতেও একলা জড়িত না হয়ে ধাপে ধাপে বড় কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত থেকে ধীরে ধীরে মানুষটিকে আরও কাছে থেকে জানতে চাওয়াটাই বেশি নিরাপদ, যৌক্তিক এবং উভয়ের জন্যই সম্মানজনক। সম্পর্কের মতো জীবনের এত জটিল একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সময় নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

একটা যুগে ভাবা হতো ছেলেমেয়েরা বিপদগ্রস্ত হবে ঘরের বাইরে গিয়ে। এখন বাইরের গোটা জগৎটাই ঘরের ভেতরে ঢুকে গেছে ইন্টারনেটের ফাঁক গলে। এই নতুন যুগের নতুন সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রায় সাবধানতার প্রয়োজন আছে। প্রতিটি পরিবারের ছেলেমেয়েদের সেই বিষয়ে বাড়তি সচেতনতা এখন অত্যন্ত জরুরি। ছেলেবেলায় আমাদের বাবা-মায়েরা বলতেন, বাইরে গেলে অপরিচিত কারোর হাত থেকে প্রলোভিত হয়ে কিছু না খেতে, কোথাও না যেতে। কেননা, জগতে দুষ্ট লোকের, ‘ছেলেধরাদের’ অভাব নেই।

আজকের যুগের ফেসবুকের ‘ছেলেধরা’ দুষ্ট লোকেদের চোখে দেখা যায় না, আর সেই জগতেও প্রলোভনের প্রতারণার অভাব নেই। মানুষ যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ সেখানে অত্যন্ত সীমিত। তাই পরিমিত মেলামেশার এখানে কোনো বিকল্প নেই। অসাবধানী মানুষ এখানে বিপদে পড়বেই যদি সে কোনো অসাধু লোকের খপ্পরে পড়ে। তাই সাবধানতার মাত্রা বাড়ানো ছাড়া এর আর কোনো প্রতিকার নেই। আপাতদৃষ্টিতে অত্যন্ত নিরাপদ-আনন্দময় এই জগৎটিতে যে পদে পদে বিপদ ছড়ানো আছে, এই কথাটাই আমাদের ছেলেমেয়েদের বারবার করে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে। হয়তো তাতে বাবা-মায়েরা খানিকটা অপ্রিয় হবেন, তবু।
বাবা-মায়েরা সারাক্ষণই ছেলেমেয়েদের এটা-সেটা নিষেধ করে থাকেন। ‘এটা কোরো না, ওটা খেয়ো না, এখানে যেয়ো না, এর সঙ্গে মিশো না’! এই বিধিনিষেধের বাড়াবাড়ির জন্যই বাবা-মায়েদের অনেক বদনাম সন্তানকুলে। যেন বাধা দেওয়াটাই তাঁদের প্রধান কাজ। কিন্তু চট্টগ্রামের কিশোরী তাসফিয়ার ঘটনাটির পর সন্তানদের কাছে খোলামেলা অনুরোধই করতে চাই একেবারেই মিনতির সুরে। বাবারা দয়া করো একটু! সন্তানের কোনো রকম ক্ষতি পিতা-মাতার পক্ষে অসহনীয়। সেই আশঙ্কার জায়গা থেকে অন্তত ছেলেমেয়েদের নিরাপত্তার ব্যাপারে যে কথাগুলো বাবা-মায়েরা বারবার বলেন, সেগুলোকে আমলে নেওয়াটা অত্যন্ত দরকার। পরিবারের ভেতরের বলয়ে যদি আমরা সচেতনতার শক্ত ভিত তৈরি করতে পারি সমাজের সব স্তরে, তাহলেই শুধু অপরাধী চেতনা ধীরে ধীরে কোণঠাসা হবে, সেটা ফেসবুকে হোক আর যেখানেই হোক!

লেখক: ফারজানা ওয়াহিদ সায়ান, সংগীতশিল্পী ও মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী

14
"This Ability” is the winning team of the leadership program titled 'Agragami 2017', jointly organized by Metropolitan Chamber of Commerce and Industry, Dhaka (MCCI, Dhaka), and Common Purpose, UK. The Grand Finale of this program held on 13 May 2018 at International Convention City, Bashundhara (Gulnaksha), Dhaka. Two students of Daffodil International University,  Azmir Hasan (Department of Architecture) and Mohashinur Rahman (Department of  Business Administration) were the team members of the winning team.  Zaman Wahid (Software Engineering Department) was also the team member of the Runner up team named “Meena’s 3rd wish”.



Sir Fazle Hasan Abed, KCMG, the founder and Chairman of BRAC was present as the chief guest while Mrs. Laila Rahman Kabir, Managing Director, Kedarpur Tea Co. Ltd, Dr. Mohammed Farash Uddin, Chairperson of the Board of Trustees, East West University, Mr. M Anis Ud Dowla, the Chairman of ACI Limited were present as the special guests. Ms. Nihad Kabir, President of MCCI, Dhaka presided over the session. Professor Dr. Yousuf Mahbubul Islam, Vice Chancellor, Daffodil International University also attended the grand finale with 86 representative students and officials from Daffodil International University.



“Agragami”- Frontrunner was an intensive four-day leadership program to develop students’ leadership skills and confidence. The aim of the program was to give students access to leaders and organizations in their city, helping them to understand their context and unlock the key leadership skills needed for today’s workplace. 13 students from different departments of Daffodil International University joined the leadership program.


15
ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করলে মেজাজ থাকবে খিটখিটে। তাই কর্মক্ষেত্র যেন আনন্দদায়ক হয় সেই প্রচেষ্টা করতে হবে নিজেকেই।

সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে আর অফিস যেতে ইচ্ছে করে না। অথচ মাস শেষে বেতনটাও দরকার। এমন দোটানায় থাকা চাকরিজীবীদের জন্য মানসিক চা তৈরি করে।

এই পরিস্থিতি যদি আপনার সঙ্গে মিলে যায় তবে লাইফস্টাইলবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অবলম্বনে এখানে কয়েকটি উপায় দেওয়া হল। যেগুলো হয়ত কর্মক্ষেত্র আনন্দদায়ক করে তুলতে সহায়তা করবে।

আত্নতৃপ্তি: যখনই অফিসের উপর বিতৃষ্ণা আসবে, তখনই একটা লম্বা দম নিয়ে আপনার চারপাশের সেই মানুষগুলো কথা ভাবুন, যারা নামীদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা শেষ করে এখনও একটা চাকরির সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিংবা ভাবতে পারেন সেই মানুষগুলোর কথা, যারা ভাগ্য দোষে যোগ্যতা থাকার পরেও নিম্নমানের কাজে যোগ দিয়ে অমানবিক পরিবেশে কাজ করছে অল্প পারিশ্রমিকের বিনিময়ে। সংগ্রাম সবার জীবনেই আছে। তাই আপনার যা আছে তাকে মূল্যায়ন করতে হবে। কারণ কারও হয়ত ততটুকুও নেই।

নিজেকে গোছান: প্রতিদিনের কাজ শুরু করার আগে সেগুলোকে সুপরিকল্পনার মাধ্যমে ছকে সাজিয়ে নেওয়ার অভ্যাস করতে পারলে মানসিক চাপ কমে যাবে অনেকাংশে। কোন কাজগুলো করা বেশি জরুরি, কোনটা শেষ করার সময় নিকটবর্তী্ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে কাজগুলোকে সাজিয়ে নিতে পারেন। আবার খেয়াল রাখতে হবে সময়ের সদ্ব্যবহারের দিকেও।

কাজ শুধু কাজের সময়েই: অফিসের কাজ যদি ঘর পর্যন্ত টেনে আনেন তবে নিজের কর্মজীবন আর ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য নিজেই নষ্ট করছেন। কাজের সময় মনযোগ দিয়ে কাজ করতে হবে, আর ওই সময়ের পর কাজকে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলার অভ্যাস করতে হবে। ঘরে ফিরে অফিসের মেইল না পড়া, কাজবিষয়ক সবধরনের আলাপ এড়িয়ে চলা কিংবা কাজ সংক্রান্ত ফোনালাপ থেকে বিরত থাকার অভ্যাস গড়ে তোলা এক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। তবে জরুরি অবস্থার কথাও মাথায় রাখতে হবে।

বিশ্রাম বিরতি: ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটানা কাজ করতে থাকলে একসময় পারদর্শীতা কমে যাবে, কমবে কাজ করার আগ্রহ। তাই কাজের ফাঁকে চা-কফি পান কিংবা একটু হাঁটাহাঁটির বিরতি নেওয়া জরুরি। তবে খেয়াল রাখতে হবে বিরতিটা যেন অতিদীর্ঘ না হয়।

চোখের সামনে অনুপ্রেরণা: কর্মস্থলের আশপাশে অনুপ্রেরণামূলক বাণী রাখতে পারেন। কিংবা ভবিষ্যত লক্ষ্য এবং তা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা চোখের সামনে রাখতে পারেন। প্রিয় মানুষগুলোর ছবিও অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। কঠিন সময়গুলোতে এগুলোই আপনাকে নতুন উদ্যোমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস যোগাবে।

Pages: [1] 2 3 ... 5