Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Kazi Sobuj

Pages: [1] 2 3
1
খামার থেকে জ্বালানির জোগান


লোকালয়ে লেয়ার মুরগির খামার করে বিপাকে পড়েছিলেন খামারি নাছির উদ্দিন। মুরগির বিষ্ঠার গন্ধে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে থানায় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দপ্তরে অভিযোগ করেন। তখন তাঁর খামারটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। পরে এক প্রকৌশলীর পরামর্শে পাঁচ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৫ ঘনমিটারের একটি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট তৈরি করেন খামারে। সেখানে এখন মুরগির বিষ্ঠা থেকে বায়োগ্যাস তৈরি হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন বিষ্ঠার গন্ধ থেকে মুক্তি মিলেছে, অন্যদিকে নিজের গ্রামের মানুষজনের জ্বালানির জোগান দিতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।

সীতাকুণ্ড পৌর সদরের দক্ষিণ মহাদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা নাছির উদ্দিনের বর্তমানে তিনটি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট রয়েছে। একটিতে ১৫০ ঘনমিটার, অন্য দুটি যথাক্রমে ৩৫ ও ২০ ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে।


নাছির উদ্দিন জানিয়েছেন, সৈয়দপুর, বাড়বকুণ্ড ও সীতাকুণ্ড পৌর সদরের দক্ষিণ মহাদেবপুর ও ইদিলপুরে লেয়ার ও ব্রয়লার মুরগির আটটি খামার রয়েছে। এসব খামারের মুরগি বিষ্ঠাই হলো বায়োগ্যাসের কাঁচামাল। খামারগুলো রক্ষণাবেক্ষণে ১৫-২০ জন শ্রমিক কাজ করেন। বায়োগ্যাস বিক্রির টাকা থেকেই তাঁদের বেতন পরিশোধ করেন তিনি।

এ তিনটি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট নির্মাণে তাঁর ব্যয় হয়েছিল অর্ধকোটি টাকার মতো। বর্তমানে ছোট দুটি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট উৎপাদিত গ্যাস ব্যবহার করছে ৬০টি পরিবার—যা থেকে আয় হয় মাসে ৫০ হাজার টাকা। নতুন প্ল্যান্ট থেকে অন্তত ২০০ পরিবারে গ্যাস সরবরাহ করার ক্ষমতা থাকলেও বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস বিক্রি শুরু করেননি তিনি।

নাছির উদ্দিন বলেন, ১৯৯৩ সালে এসএসসি পরীক্ষা পাশের পর আর পড়াশোনা না করে মুদি দোকান দেন তিনি। ১৯৯৭ সালে মাত্র ৫০০টি ব্রয়লার মুরগি দিয়ে খামার শুরু করেন। ধীরে ধীরে তার আয় বাড়তে থাকে। বাড়াতে থাকেন খামার। ২০০৭ সালে দেশে বার্ড ফ্লু রোগ দেখা দেয়। বার্ড ফ্লুর কারণে লেয়ার মুরগির খামার বন্ধ করে দিচ্ছিলেন খামারিরা। সে সময় তিনি এক বিক্রেতাকে দুই হাজার লেয়ার মুরগির বাচ্চার ফরমাশ দিলে বিক্রেতা পাঠিয়ে দেন ছয় হাজার বাচ্চা। সুবিধামতো সময়ে দিতে টাকা পরিশোধের সময় দেন তাঁকে। এতে তাঁর ব্যবসার অনেক লাভ হয়। এভাবেই তিনি শুরু করেন লেয়ার মুরগির খামার।

বর্তমানে নাছির উদ্দিন বাড়বকুণ্ড বেড়িবাঁধ এলাকায় চারতলাবিশিষ্ট মুরগির খামার তৈরি করছেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি খামারটি নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। এর মধ্যে দুইতলার কাজ শেষ হয়েছে। পুরোপুরি কাজ শেষ করতে পারলে খামারে ৪০ হাজার লেয়ার মুরগির জায়গা হবে। বর্তমানে সেখানে তিনি ১০ হাজার মুরগির খামার চালু করেছেন।

খামারটির দক্ষিণ পাশেই ৩০ ফুট গভীর ও ৩০ ফুট ব্যাসের বায়োগ্যাস প্লান্টের অবস্থান। ৪০ হাজার মুরগির বিষ্ঠা ওই ট্যাংকে দিতে পারলে দৈনিক ১৫০ ঘনমিটার বায়োগ্যাস উৎপাদিত হবে। এখনো সেখানে বায়োগ্যাস উৎপন্ন হচ্ছে। এর পাশাপাশি প্ল্যান্ট থেকে বের হওয়া পানি স্থানীয় কৃষকেরা জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করছেন।

নাছিরের বায়োগ্যাস ব্যবহার করেন সীতাকুণ্ড পৌর সদরের বাসিন্দা রাজিয়া সুলতানা। তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে তাদের পাঁচটি ভাড়া ঘরে নাছিরের বায়োগ্যাস সংযোগ দেন। প্রতিটি চুলায় এক হাজার টাকা করে দিতে হয়। সব সময় গ্যাসের চাপ ঠিক থাকলেও অতিরিক্ত শীত ও ভারী বৃষ্টি হলে গ্যাসের চাপ কিছুটা কমে যায়।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শাহজালাল মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, যাঁরা খামারি রয়েছেন তাঁরা নাছিরের বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট অনুসরণ করলে পরিবেশদূষণ বন্ধ হবে।

সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা মো. তাশারফ হোসেন বলেন, প্লাস্টিকের পাইপের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করা অত্যন্ত
ঝুঁকিপূর্ণ। গ্যাসলাইন হতে হবে লোহার পাইপের। এ পাইপ নিতে হবে মাটির নিচ দিয়ে। এতে ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যাবে।


Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1630712/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8

2
কোন পথে হাঁটছে বৈশ্বিক অর্থনীতি


চলতি বছর বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নানামাত্রিক শঙ্কাই ছিল একমাত্র বাস্তবতা। বছরজুড়েই বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে এই শঙ্কার উৎপাদন হয়েছে, একসময় যার কেন্দ্র পুরোপুরি দখল করে নেয় চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলা বাণিজ্যযুদ্ধ। বছরের শেষ মাসে এসে দুই দেশের মধ্যে হওয়া প্রাথমিক বাণিজ্য সমঝোতার খবর এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একটি আভাস দিলেও তা এখনো যথেষ্ট নয়। কারণ, চীন-যুক্তরাষ্ট্র দ্বৈরথের মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এমন বিরাট সংকট তৈরি হয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে পুরো বিশ্বকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।

এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল যে পূর্বাভাস দিয়েছে, তাতে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে কমে ৩ শতাংশে নেমে আসবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উৎপাদন কমবে দশমিক ৮ শতাংশ। এই যখন প্রেক্ষাপট, তখন বিশ্বের অর্থনীতির শুশ্রূষায় নানা দাওয়াই হাজির করছেন অর্থনীতিবিদেরা।


বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বিদ্যমান সংকটকে অনেক তাত্ত্বিকই পুঁজিবাদের অন্তর্নিহিত সংকট হিসেবে দেখছেন। এ ক্ষেত্রে তাঁরা সমাজতান্ত্রিক কাঠামোর কাছ থেকে সহায়তা নেওয়ার কথাও বলছেন। তাঁদের দৃষ্টি মূলত ক্রমবর্ধমান আয় ও সম্পদবৈষম্যে নিবদ্ধ। বৈশ্বিক বৈষম্য সূচকের তথ্যমতে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশের কম মানুষের হাতে রয়েছে মোট সম্পদের ৮৪ শতাংশ। আর ৬৪ শতাংশ মানুষের হাতে রয়েছে মাত্র ২ শতাংশ সম্পদ।

এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে অর্থনীতিবিদদের একাংশ অর্থনৈতিক উৎপাদন ও বণ্টন—দুই ক্ষেত্রেই সমান মনোযোগ দেওয়ার কথা বলছে। আবার অন্য দল হাজির করছে অনুদান অর্থনীতির দাওয়াই। তাদের ভাষ্য, পুঁজির অসুখ সারাতে হলে কাঠামোর ভেতরে থেকেই তা করতে হবে। আর সে জন্য প্রয়োজন শতকোটিপতিদের (বিলিয়নিয়ার) আরও বেশি উদার হওয়া।

তর্কাতীতভাবেই বিশ্ব এখন পুঁজিতন্ত্রের অধীনে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বৈশ্বিক অর্থনীতির মূল সুরটি এখন শ্রম, বেসরকারি পুঁজি, বিকেন্দ্রীকৃত ও মুনাফাকেন্দ্রিক উৎপাদনব্যবস্থার তারে বাঁধা, যেখানে অধিকাংশ বড় অর্থনীতিতেই শ্রমিক ইউনিয়নের বিষয়টি ক্রমেই ইতিহাস হয়ে উঠছে। অতি মুনাফালোভী করপোরেট পুঁজি বোধগম্য কারণেই শ্রমিক ইউনিয়নগুলো ভেঙে দিয়েছে। ফলে মজুরি নিয়ে দর-কষাকষির সুযোগ সংকুচিত হয়েছে শ্রমিকদের। এরই অবধারিত ফল হিসেবে হাজির হয়েছে ক্রমবর্ধমান আয় ও সম্পদবৈষম্য।

এ অবস্থায় রে দালিওর মতো কয়েকজন শতকোটিপতি প্রকাশ্যেই পুঁজিকাঠামোটি ঘষেমেজে নতুন রূপে হাজির করার কথা বলছেন। তাঁদের ভয় সারা বিশ্বে ক্রমে বিস্তার পাওয়া গণ-আন্দোলনকে। গ্রিনউইচ ইকোনমিক ফোরামে সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রে দালিও সরাসরি নিজের শঙ্কার কথাটি বলেছেন। নিজ দেশের রাজনীতিকদের প্রতি তাঁর আহ্বান, ‘মার্কিন রাজনীতিবিদদের উচিত বিদ্যমান সম্পদবৈষম্যকে জাতীয় জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করে এটি মোকাবিলায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, নয়তো সহিংস বিক্ষোভের জন্য প্রস্তুত থাকা, যেখানে আমরা সবাই পরস্পরকে হত্যায় উদ্ধত হব।’

রে দালিওর মতো শতকোটিপতিদের শঙ্কাটি স্পষ্ট। বিদ্যমান অতি মুনাফালোভী করপোরেট পুঁজির ভাবগতিক সোনার ডিমপাড়া হাঁসের পেট চিরে দেওয়ার দিকেই যাচ্ছে। আর তেমনটি হলে নিজেদের সম্পদের পাহাড়টি উধাও হতে তো সময় লাগবে না। তাই তাঁরা একটি সংস্কারের প্রস্তাব দিচ্ছেন, যার মূল কথা হচ্ছে পুঁজিপতিরা যেন তাঁদের হাতটি আরেকটু আলগা করেন, যাতে দরিদ্রদের হাতে চুইয়ে পড়া অর্থের পরিমাণ ততটা বেশি হয়, যতটায় তারা শান্ত থাকে। এই শান্ত রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে পুঁজির সংকটকালে এমন অনেক প্রস্তাবই আসছে। মোটাদাগে এসব প্রস্তাবের অনেকগুলোকেই চরিত্রে সমাজতান্ত্রিক নীতির দিকে ঝুঁকে পড়া বলে ভ্রম হয়। কারণ, এসব প্রস্তাবের প্রায় সব কটিতেই মূলত আয় ও সম্পদবৈষম্যের কথা বলা হচ্ছে। প্রস্তাব উত্থাপনের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বণ্টনব্যবস্থার ‘ন্যায্যকরণ’-এর মতো নানা চটকদার শব্দ ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু এই শব্দগুলোর ভ্রম থেকে বাইরে এসে স্বচ্ছ চোখে তাকালেই ভ্রান্তিটি কেটে যেতে বাধ্য। কারণ, এটা মূলত পশ্চিমা পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় কিছু সংস্কার প্রস্তাব ছাড়া আর কিছুই নয়, যা একে রাজার আসনে টিকিয়ে রাখার জন্যই করা হচ্ছে। কথা হচ্ছে, এই কাঠামো কি তবে অন্য কোনো কিছু দ্বারা আক্রান্ত? উত্তর হচ্ছে, ‘হ্যাঁ’। কিন্তু সেই পাল্টা কাঠামোটি তবে কী? এর উত্তর হচ্ছে, ‘পুঁজি’।

হ্যাঁ, পুঁজির দুটি কাঠামোর মধ্যেই এখন মূল বিবাদ। একটি নিয়ন্ত্রিত পুঁজি, অন্যটি উদারনৈতিক পুঁজি। এর একটির ফেরিওয়ালা যুক্তরাষ্ট্র, অন্যটির চীন। বিশ্বের ইতিহাসে যেকোনো মতবাদের ক্ষেত্রেই সময়ের সঙ্গে একাধিক ধারা ও তাদের মধ্যকার লড়াই কোনো নতুন কিছু নয়। পুঁজিবাদও এর ব্যতিক্রম নয়। বৈশ্বিক পুঁজিবাদ—কথাটি মোটাদাগে বলা হলেও এর মধ্যে রয়েছে দুটি কাঠামোর লড়াই, যার একটি অন্যটি থেকে রাজনীতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ধারা—সব দিক থেকেই আলাদা।

উত্তর আমেরিকা, পশ্চিম ইউরোপ, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে যে পুঁজিবাদী কাঠামো অনুসৃত হয়, তা উদারবাদী হিসেবে পরিচিত। এই ধারায় উৎপাদনব্যবস্থার প্রায় পুরোটাই ছেড়ে দেওয়া হয় বেসরকারি মালিকানায়। মেধার বিকাশ, সম্পদ অর্জন, সুযোগের সাম্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে একটি ছদ্ম স্বাধীনতার কথা উচ্চারণ করা হয় এ ধরনের ব্যবস্থায়। আদতে এর প্রতিটি ক্ষেত্রেই রাষ্ট্র শীর্ষ সম্পদধারীদেরই আনুকূল্য দেয়। এই পুরো ব্যবস্থা পুঁজির উদারবাদী ধারা হিসেবে পরিচিত। এর বিপরীতে রয়েছে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত পুঁজিবাদের মডেল, যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে চীন। কাছাকাছি ধারার পুঁজিকাঠামো অনুসৃত হয় মিয়ানমার, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, আজারবাইজান, রাশিয়া, আলজেরিয়া, রুয়ান্ডার মতো দেশগুলোতে। এই ব্যবস্থা উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অনুকূল হলেও ব্যক্তির রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার সংকুচিত করে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, উল্লিখিত দুটি ধারার নেতৃত্ব দিচ্ছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।

পুঁজির এই দুটি ধারা বরাবরই প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। বর্তমানে এই প্রতিযোগিতা এতটাই বেড়েছে যে, তা বিশ্বের সামনে বাণিজ্যযুদ্ধ হিসেবে হাজির হয়েছে। এ দুই ধারা পরস্পরের ওপর আবার নির্ভরশীলও। এই প্রতিযোগিতা ও নির্ভরশীলতা একই সঙ্গে চলছে। বলা যায়, নির্ভরশীলতাকে অগ্রাহ্য করে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়ার বিকল্প দুই পক্ষের সামনে নেই।

কারণ, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশের বাস এশিয়া, পশ্চিম ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা অঞ্চলে, যার দখলে আবার বৈশ্বিক মোট অর্থনৈতিক উৎপাদনের ৮০ শতাংশ। ফলে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শ্রম, প্রযুক্তি ও ধারণার বিনিময় এই দুইয়ের পক্ষে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আবার পৃথক মডেল হওয়ায় প্রতিযোগিতারও কোনো বিকল্প নেই। এই প্রতিযোগিতাই এখন দেখছে বৈশ্বিক অর্থনীতি, যার ফলাফলটিই মূলত ভবিষ্যৎ অর্থনীতির কাঠামোটি গড়ে দেবে। তবে সেই ফলাফল নিশ্চিতভাবেই বৈষম্যে নাকাল অগণিত মানুষের উপশম হয়ে আসবে না। কারণ, দুই পক্ষের মধ্যেই আগ্রাসনের অদম্য স্পৃহাটি স্পষ্ট। এ ক্ষেত্রে সমাজতান্ত্রিক কাঠামোটিকে সামনে আনতে হলে এই ধারার নেতাদের একটি শক্ত উদাহরণ সৃষ্টি করতে হবে, যা বিশ্বের শ্রমজীবী ও দরিদ্র মানুষের একটি উন্নত বিকল্পের আশ্বাস দেবে। দৃষ্টিগ্রাহ্য উদাহরণ ছাড়া মানুষকে পাশে পাওয়ার তেমন কোনো আশা নেই। কারণ, নৈমিত্তিক প্রয়োজন মেটাতেই তারা নাকাল, কোনো তত্ত্বকথায় যার নজর ফিরবে না।

(আগামীকাল দ্বিতীয় পর্ব)


Source: https://www.prothomalo.com/economy/article/1630695/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%A5%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9F%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF

3
Article / Effortlessly adapting to an e-commerce ecosystem in Bangladesh
« on: December 21, 2019, 01:40:22 PM »
Effortlessly adapting to an e-commerce ecosystem in Bangladesh


The e-commerce landscape in Bangladesh is quickly evolving as more than three million people placed an e-commerce or f-commerce order in the last twelve months. With the rise of smartphone and internet penetration in the country, it is safe to assume that a healthy portion of the vibrant retail market in Bangladesh will be won by the e-commerce companies within the next five to seven years. As a result, it is incredibly important for all stakeholders to understand the ecosystem that makes e-commerce possible.   

When a customer places an order to be delivered to her home, a complex set of operations start. Essentially, there are two types of e-commerce business model. The first is the Market-place Model where  e-commerce platform doesn't take inventory risk and essentially works like a digital shopping mall. One small business can list its products on the e-commerce page and the e-commerce company gives logistics services (like deliveries and customer care). The second one is the E-tailer Model where the company sells its products via the internet. The company takes the inventory risk. It is important to note that few pure market-place models are operating in Bangladesh. Most of the biggest e-commerce players in Bangladesh have their warehouse where they keep their high-frequency SKUs and take the inventory risk.

Once an e-commerce figures out what type of operating model it is subscribing to, these are the essential parts that the e-commerce company needs to figure out:

Any e-commerce starts with what type of products it is selling. In choosing the products, the e-commerce can provide three types of values to the customer; in price (by giving the lowest price in the market as e-commerce typically has better margins than brick-and-mortar stores), in variety (a customer can inspect thousands of shirts with some easy search and filter options) and in convenience (the products are delivered at home).  In a country like Bangladesh where the e-commerce ecosystem is still developing, most of the sales come from branded products with a discount. Without anyone's surprise, phones and phone accessories are the highest selling SKU for most of the e-commerce operating in Bangladesh. When a customer decides to buy a Samsung phone, it hardly matters which retailer is selling the phone. Whether he buys it from the local Samsung store or an e-commerce, the customer is getting the same phone. If a customer can save BDT 1,000 on a BDT 20,000 phone from buying from a particular website, she will opt for that option. The second type of product is off-branded products. The main reason for buying off-branded products from an e-commerce website is the variety the consumer gets. Choosing a shirt from hundreds of options by visiting retail clothing stores can be exhausting. One can easily choose his favourite shirt from an e-commerce with different filters (business-casual, different colours, brands, stripe-plain, etc.). The third type of product is private label brands where e-commerce launches its products. While a few e-commerce companies are trying this option, market size is still very small.
 
 Once the product mix has been finalised, the next step is to acquire customers. An important metric is monthly visits (how many hits on one e-commerce website or app, its breakdown from various sources and the month-on-month growth) and conversion rate (how many people are ordering). The conversion rate ranges from 2.5 to 3.5 per cent in Bangladesh. Even in highly successful e-commerce companies, the conversion rate is rarely more than 10 per cent. Then, any e-commerce company needs to look at the customer acquisition cost. A portion of the customer acquisition cost is the discounts and cashback he gets on various products. In Bangladesh, cashback and discounts are still the main forms of customer acquisition cost. This is great news for the consumers as their phones and motorcycles are subsidized by Jack Ma. However, the price war is not great for e-commerce businesses. The best example is the price war between Lazada and Shopee in the ASEAN market, which resulted in a cash crunch for both of the companies. Understanding consumer behaviour is the key to minimizing the customer acquisition cost. The best example in Bangladesh is the mobile money platform bKash, which has reduced its customer acquisition cost to less than BDT 100 per customer. As a whole, the e-commerce industry in Bangladesh is adding incredible value to the rise of digital marketing companies.
 
Once an e-commerce has the product portfolio and the orders are coming in, the company needs to figure out how to deliver those products to the customer. Innovative ways of warehouse and inventory maintenance can help the company but the logistics cost is the biggest issue for the e-commerce businesses in Bangladesh. Particularly, unit economics is yet to make sense for small basket sizes. For example, let's imagine, the average basket size for grocery e-commerce is BDT 300.0. If the company uses third-party vendors, the delivery charge per order should be around BDT 50, erasing all of the gross margins. The company can maintain a delivery fleet of vans, motorcycles (most of the e-commerce company in Bangladesh uses TVS XL 100, that bike has some obvious advantages). In that case, however, the company needs to find out the perfect balance between the peak and off-peak order time. The delivery fleet will remain underutilized for five-days a week and then the company gets 3,000 orders on a Friday afternoon and the promise of "2-hour delivery" falls apart. The unit economics for larger basket size is a bit more forgiving but no e-commerce company is yet to figure out how to minimize the delivery cost with a scalable model.


 

Then comes the issue of payment. This part has been figured out in the Bangladesh e-commerce ecosystem, thanks to the popularity of bKash. However, dependence on bKash has its consequences.

The final equation of the e-commerce ecosystem is consumer financing. In the e-commerce ecosystem in Bangladesh, this is the blue-ocean territory. E-commerce companies and financial institutions in Bangladesh can work together and unlock incredible value for both the banked and unbanked population. Consumer financing is a key part of the buying experience. Given the low penetration of credit cards in Bangladesh, various companies have figured out different mechanisms to provide that financing for the consumers. Singer sells electronic products at instalments, and Nitol, Ifad, and other commercial vehicle manufacturers sell trucks at instalments but the to duplicate the same business model is almost impossible for any e-commerce. If an e-commerce company decides to take the loans on its books, the company's accounts receivable will balloon up and the cash conversion cycle will be a mess. With the high cash needs for an e-commerce business, it is difficult for the company to pursue such a strategy.

The tech is the underlying factor that optimises an e-commerce companies operations. With great tech, the company can find the correct product portfolio, reduce customer acquisition costs and increase customer lifetime value, reduce logistics cost and optimize payment systems. Tech is the thing that differentiates an e-commerce company from a traditional retail company.

The e-commerce companies in Bangladesh are facing some obvious problems that can be eradicated with correct initiatives. 

Remember that we mentioned the e-commerce ecosystem has figured out the payment component of the model, thanks to bKash. Well, that comes at a cost. The average merchant fee for mobile financial transaction is 1.5 per cent. E-commerce companies have contracts with online payment gateways like SSL Commerz and Portwallet, and the charges are usually 2.5 to 3.0 per cent. Given the extremely thin margins of any trading business, a large portion of the gross margin is eroded by the high payment processing fees. For example, let's say, the gross margin for a mobile phone is 6.0 per cent. If the customer uses an MFS/digital payment provider for payment, 25 per cent of the gross margin (1.5 per cent of 6.0 per cent) will go to that payment provider. The margin erosion is even more severe if the customer uses a credit card to pay for the phone because 40 per cent to 50 per cent of the gross margin will go to the online payment gateway. The situation gets even worse in case of cancelled orders. Let's say, one e-commerce company sold 100 phones prepaid by bKash and 20 of those orders got cancelled. Using a 6 per cent margin, the company's gross profit will be 4.8 per cent but the payment processing fee will be 1.5 per cent. Therefore, the company will generate 3.3 per cent in the gross margin after payment processing fees. In this example, the payment processing fee eroded more than 30 per cent of the gross profit.
 
The second problem is the issue of stock-out that creates a bad customer experience. Most of the vendors doing business with the e-commerce companies in Bangladesh are small and medium-sized vendors and most of them do not maintain a live inventory. As we can see from the previous example, cancelled orders and high payment processing fees erode the gross margin of e-commerce in Bangladesh. An e-commerce company operating as a market-place model has virtually no control over the inventory it shows on its website. Stock-out is the number one reason for order cancellation in Bangladesh. Vendors rarely mention any stock-outs before the order is placed. The e-commerce website/app then show the product as stock-out on its website or app. The e-commerce company can update the product status for a few high-frequency SKUs using person-to-person communication with the vendor but the process becomes increasingly difficult as the company adds more SKUs and vendors to its ecosystem.

Here's a controversial one that the economies of scale theory might not work in e-commerce. What is the primary financial goal of any e-commerce business? The answer is to break-even after customer acquisition cost and logistics expenses. Now, the next question is at what revenue do you achieve that (if you want to deep dive, what is the average number of orders per day and what is your basket size when you break-even)? This is the question that the e-commerce companies in Bangladesh are yet to figure out. Do you break-even at 3,000 orders per day, 10,000 orders per day or 50,000 orders per day? No one knows that. This can be best illustrated in the biggest company in the world (and what e-commerce companies in Bangladesh aspire to be) Amazon. This is Amazon's operating model from 2006 to 2017 (see Chart).

As a company, Amazon increased its revenue from USD 10.7 billion to USD 177.8 billion in only ten years. However, take a look at the net shipping cost (shipping revenue - shipping cost) as a percentage of total revenue. Net shipping cost as a percentage of total revenue increased from 2.96 per cent in 2006 to 5.6 per cent in 2017. More orders did not result in the lower shipping cost for Amazon. In case the e-commerce companies in Bangladesh think that more orders will reduce their logistics cost, just taking a look at Amazon's operating history will bring them back to reality. (A note of caution: this is an extremely naïve analysis of Amazon's numbers which requires much more nuance. Amazon's revenue includes subscription fees from Prime members and AWS. But I will argue that the same logic holds here. Amazon's revenue would not have grown so rapidly with lower net shipment costs. Imagine a Bangladeshi e-commerce company that charges BDT 20 as delivery revenue per order vs other e-commerce company that has free delivery. Given all the other factors are equal, the company with a free delivery charge will see its revenue grow faster than the other one).

Analyzing the venture capital movement in the world can be a fascinating journey. There is always a particular era that favours a particular industry in the VC investment. The type of capital needed for e-commerce is not aligned with the investors' needs now. E-commerce is cash heavy business and typically takes a number of years to break even. Few Bangladeshi investors can stomach that type of risk appetite and heavy cash burn. Therefore, most e-commerce companies in Bangladesh need to look for foreign capital.  E-commerce was the favoured sector for VCs in the 2011 to 2015 period. Flipkart, Lazada and Shopee got billions in funding during this period. Then the whimsical VCs moved to the ride-sharing sector. Ola, DiDi and Grab raised good investments in this period. Now, the general VC sentiment is in two sectors; startups that work for financial inclusion and the super-apps. Convincing a VC to invest in traditional e-commerce, without an interesting twist in the business model, in Bangladesh in 2019 can be extremely difficult.

Well, the last issue must be in the conspiracy theory territory but not one without any merit. The question we need to ask is who is the biggest competitor of the e-commerce companies in Bangladesh. The answer is no other e-commerce but traditional retail stores. As the Walmart story goes, when Walmart goes to a US town, all the traditional mom and pop stores had to shut down. The same goes for e-commerce companies in Bangladesh. When someone buys a shirt from an e-commerce site, a clothing retailer is losing its business. Now, the e-commerce business in Bangladesh is too small to make a dent in the retail business. But as e-commerce in Bangladesh grows, there will surely be some pushback from this community. While the collective power of these retail business owners in Bangladesh can't be measured, they will surely oppose the growth of e-commerce. This opposition can come as the e-commerce business grows. Another important stakeholder is the regulators. E-commerce is still a relatively small sector but regulators are already taking notice. The latest 5.0 per cent VAT on the e-commerce business commission is an example of this phenomenon. As the e-commerce business in Bangladesh grows, new regulations will surely be implemented and that is the challenge e-commerce needs to get ready for.

S M Samiuzzaman is the Head of Financial Analysis at Deligram Technology Limited.




Source:- The Financial Express.

4
Higher Education / The future of higher education in Bangladesh
« on: December 18, 2019, 01:52:30 PM »
The future of higher education in Bangladesh


Dr. Md Sabur Khan
Founder & Chairman, Daffodil International University

The main problem with the existing skills gap is our outdated education system. There is no analysis done by universities, government or research bodies in identifying the kind of skills needed in accordance to the market demand. Masters in Cyber Security, Social Security, Social Business, Digital Marketing, Agro-Business, Entrepreneurship, are all important for Bangladesh currently. An entrepreneurial mindset is required to seize the right opportunities. Change can be brought about if proper governance is in place when dealing with affiliated bodies. Most research analysis is done by private organisations, but it is the duty of the government to make the general public aware about issues concerning skills gap in the country. The government should also allocate the number of job recruitments for each sector.

One of our biggest battles that we fight as the representatives of universities is keeping the level of unemployment of our students as low as possible. We take full responsibility for this situation and work directly with the unemployed students to identify what needs to be done.

We award three credits to students who can launch an innovative product into the market. The students should focus on gaining knowledge and skills that will aid them in their future careers. The lack of endorsement by the government restricts students from having enough faith to try out something new. We are trying our best to endorse our subjects to the private, public and other sectors, in an attempt to reduce the number of unemployed students.

We are forming a student congress consisting of 2,500 students where the unemployed students will be given a chance to provide an explanation for their unemployment. I believe there is a lack of soft skills among the individuals. Current and past students interested in learning soft skills will be recommended by our university to other places with waivers to gain training. We have also introduced other development programmes such as EDF (Entrepreneurship Development Fund), which will facilitate a no interest loan of 10,000 to 200,000 taka for student entrepreneurs. We have also organised an innovation lab which contains a maker space for the entrepreneurs to make products and sell them at any price. The lab has 3D printers, CLC cutting machines, RMD, animation and design facilities, and test labs. We also host a monthly programme called startup market where we encourage students to sell their products.


Source: https://www.thedailystar.net/supplements/news/the-future-higher-education-bangladesh-1841881

5
Higher Education / The future of higher education in Bangladesh
« on: December 18, 2019, 01:32:06 PM »
The future of higher education in Bangladesh

Professor Atique Islam
Vice Chancellor, North South University

North South University is continuously working on developing employability skills for our students with a dedicated Career Placement Center (CPC). Here, our students are engaged in rigorous workshops and skill-building seminars to help equip them with the current demands of relevant industries and to meet the expected benchmark for fresh graduates. This improves the rate of placement, as we have gained the trust of our employers globally, and are consequently helping our graduates to secure a job right after graduation. CPC arranges internships and job placement opportunities, career counselling, job training, and works for professional development. An employer survey report is also generated every year, helping us further our mission to place our alumni around the world. The recently held National Career Fair, where over 130 companies from around the world participated, was a successful step toward enabling our graduates to connect with various industries, showcase their potential, and prepare themselves to embark on their professional career.

Setting the benchmark also has its fair share of challenges, such as recruitment of quality faculty members who have PhDs. To counter this obstacle, we only invite foreign degree holders from internationally accredited and reputed institutions, preferably in the related discipline.


The most recent update from UGC is that they will only approve one course per programme in a year. As a result, the current policy can limit institutions from evolving, which can work as an impediment to an institution’s adaptability to the demands of the industry. Under such bottlenecks, it is not easy to launch a new course. We would like to request UGC to take some initiatives to expedite the overall approval process. But we are also fully aware of the limitations UGC has in terms of personnel.

To foster entrepreneurship, we have launched a support platform named ‘Startup Incubator’ within the campus to enhance its co-operation to help entrepreneurs to the highest level possible. It aims to provide advisory support, high-quality mentoring, and access networks and strategic support to the portfolio companies, etc. Stories of several successful entrepreneurs among our alumni have become very well-known in the nation today.



Md Sabur Khan
Chairman, Daffodil International University

The main problem with the existing skills gap is our outdated education system. There is no analysis done by universities, government or research bodies in identifying the kind of skills needed in accordance to the market demand. Masters in Cyber Security, Social Security, Social Business, Digital Marketing, Agro-Business, Entrepreneurship, are all important for Bangladesh currently. An entrepreneurial mindset is required to seize the right opportunities. Change can be brought about if proper governance is in place when dealing with affiliated bodies. Most research analysis is done by private organisations, but it is the duty of the government to make the general public aware about issues concerning skills gap in the country. The government should also allocate the number of job recruitments for each sector.

One of our biggest battles that we fight as the representatives of universities is keeping the level of unemployment of our students as low as possible. We take full responsibility for this situation and work directly with the unemployed students to identify what needs to be done.

We award three credits to students who can launch an innovative product into the market. The students should focus on gaining knowledge and skills that will aid them in their future careers. The lack of endorsement by the government restricts students from having enough faith to try out something new. We are trying our best to endorse our subjects to the private, public and other sectors, in an attempt to reduce the number of unemployed students.

We are forming a student congress consisting of 2,500 students where the unemployed students will be given a chance to provide an explanation for their unemployment. I believe there is a lack of soft skills among the individuals. Current and past students interested in learning soft skills will be recommended by our university to other places with waivers to gain training. We have also introduced other development programmes such as EDF (Entrepreneurship Development Fund), which will facilitate a no interest loan of 10,000 to 200,000 taka for student entrepreneurs. We have also organised an innovation lab which contains a maker space for the entrepreneurs to make products and sell them at any price. The lab has 3D printers, CLC cutting machines, RMD, animation and design facilities, and test labs. We also host a monthly programme called startup market where we encourage students to sell their products.



Professor M Sekandar Khan
Vice-Chancellor, East Delta University

The gap between information need and availability to make business decisions is very high in the country. The unavailability of the right talent and skills in Bangladesh is making it challenging to bridge this gap. To fill this gap, EDU offers customised courses, professional and executive training programmes, workshops and seminars, with the help of faculty members and trainers/experts from both home and abroad to meet the needs of its students.

To build and create the best higher education environment that is required for the development of academic and institutional excellence and to increase competent individuals, to serve the needs of the nation and the world, the university is committed to serving the best learning opportunities for every student. International Graduate Leadership Program is one such platform that aims to provide an opportunity for students for doing business internationally. The programme focuses on the influence of diverse cultures, politics, institutions and local practices, and their impact on business decisions and managerial behaviour across international borders. The programme also comprises of on-campus pre-learning and off-campus seminars and company visits in a foreign country to meet business and government leaders and discuss business practices.

Under the current practices of UGC, private universities can only facilitate one new course per year. In the 21st century, universities are required to introduce new and innovative undergraduate and post-graduate courses to serve the human resource requirements in the diverse job market of the country. UGC should plan to transform private university operations by creating the tier system that can eventually provide more benefits to the private universities, which have already shifted to their permanent campuses and are serving the higher education industry with integrity and honesty. Such a tier system can distinguish good private universities from the ordinary ones. Universities can also operate more efficiently by introducing innovative courses more than once in a year.

We have established EDU Startup Foundry recently, which guides early-stage startups through a defined process. This helps teams to rapidly take their ideas and test them with customers to discard, change and build a business model. The programme welcomes the entire EDU community, to help build and enhance the entrepreneurial spirit of students, faculties, staff and alumni.

We focus on lifelong learning and leadership roles by helping students attain excellence through curriculum, research, facilities, entrepreneurship and job placements.


Professor Dr Shahid Akhtar Hossain
Vice Chancellor, Eastern University

Universities cannot take full responsibility for bridging the skills gap among students. There are many instances where students who have passed the secondary and higher secondary education are not qualified enough to attain higher education at universities. University and their faculty members work hard to shape students to help unleash their potential. Yet, despite extra endeavours, the necessary skills are lacking amongst students to use in the practical field. In light of such reality, we have designed a mandatory course titled Career Management Course to address the mismatch between academia and industry. It helps students make informed choices through aspects such as know-how of CV writing, job hunting, interview preparation, code of conduct, corporate cultures. Other necessary skills such as teamwork, leadership, and analytical skills based on the local and global labour market needs are also included in this course.

We have also made it compulsory for every student to learn Excel. We have signed an MOU with Creative IT, to train our students with the required industry courses, with emphasis on digital marketing. Besides, we have more than 18 clubs where students can acquire adequate life and employability skills. We are also changing the curriculum to meet the present workplace demands after discussing with industry experts and introducing new avenues of subjects.

The objective of introducing new courses is not only to create a good image of the university in the market but also to help students adapt to new knowledge and technology. However, obstacles such as the process of approval from UGC are tedious and time-consuming. UGC has some set rules and policies about offering certain courses as mandatory. After excluding those courses, the university has a few options to search for new courses. However, UGC is taking initiatives to enhance the quality of education by creating a Quality Assurance Cell at every university and recommending all to bring together some new courses.

The issue of approving new subjects after full operations of university’s activities at the permanent campus is not realistic. It requires substantial financial strength which a middle-class university can hardly meet. In addition, skilled and trained faculties for trendy subjects are challenging to find. For example, we have decided to start a major in data science and analytics. Unfortunately, few experts are available in the market for teaching this subject, as most qualified people in this arena live abroad. ICT ministry can take initiatives to fill this gap.

We offer courses and arrange fairs to encourage entrepreneurship among students and some of them even represent their startups in international conferences.


Professor Milan Pagon
Vice-Chancellor (Acting), Independent University, Bangladesh (IUB)

The Fourth Industrial Revolution will cause many of the traditional jobs that we know now to disappear. The preparation for the revolution should start from education. The major problem is that universities are preparing students for jobs in the existing job market, or even jobs from the past. There are two important components that universities are not focusing on enough. The first is the gig economy: a job market characterised by short-term/part-time jobs and freelancing. School and college students of today will get short gigs here and there in the future instead of joining traditional jobs. They will not have their own business but will work for other businesses, for short terms. The gig economy is based on “just in time” employment, which means, if I need somebody for three months, I will employ them only for that time period, and they will have no job security.

The second component is entrepreneurship. Students have to create jobs since they may not be offered jobs in a traditional company and they might not opt for the gig economy approach. Traditional universities do not equip students with the skillsets necessary for starting their own business.

How do you prepare for jobs that do not exist yet? You must identify some universal skills which will prepare you for any kind of challenge. For example, many students question why they have to study math since they will never have to use that in their lives. But research shows that when you study math, it gives you certain cognitive skills which are transferable later in life. Skills like problem solving, critical thinking, lateral thinking are all universally applicable. For example, there is one method called Kepner Tregoe, which teaches you how to analyse the situation, the problem, the decision and the potential problems. Once you master this thinking tool, you can apply it to any problem.

Traditional universities and degrees might lose importance within the revolution. People will still come to university, but it will be more likely for the specific knowledge, skills, certification and specific courses. They might not declare a major but will want to take courses from different programmes. The focus will shift from formal degrees to acquiring knowledge and skills on a need basis. Universities need to start offering relevant modules, courses, and certifications.

If we expect our universities to adapt to the revolution, then we need to remove the administrative barriers that currently exist in Bangladesh. If we are allowed to introduce only one new programme per year, it will take us 20 years to adapt. The government should look into the infrastructure, faculty members, and staff of universities when deciding how many programmes can be introduced by a particular university.


Professor Dr Abdur Rab
Vice Chancellor, IUBAT- International University of Business Agriculture and Technology

Traditionally, the purpose of general higher education was to acquire, create and disseminate knowledge. An exception to this was professional courses such as medicine, engineering, architecture, law, accounting, business administration, etc. Courses and curricula were designed by the institutions to meet these traditional needs. The fact that education is also meant for meeting skills requirements by the employers is a more recent realisation. Even now, employers hire graduates and train them up in the skills they require. With the advancement of technology and competitive business environment, employers are expecting the universities to prepare graduates with skills so that they can use them readily.

Basic and common skills are required in the positions where graduates are employed. These include communication skills (comprehension, speaking, writing and presentation, more often in English), good technical knowledge and skills, social and interpersonal skills, critical thinking and problem-solving abilities, ability to understand the work environment and cope with its challenges and ability to pick up ‘cues’ from local, national and international environment. In our university, we try our best to provide these skills. However, universities vary in their capacity to equip their students with these skills and so, there is a gap between the needs of the employers and skills provided by universities.

Universities should prepare and provide appropriate human resources for organisations. The universities need to regularly revise courses and curricula keeping in view the changes taking place in the organisational needs.

IUBAT offers a compulsory course on entrepreneurship. Many of our students have set up businesses and many others have plans to get into business once they gain job experience and acquire the capability to mobilse initial capital. Teachers of entrepreneurship offer free consultation to students or alumni starting new ventures. At present the university is working on a project for setting up an Innovation, Incubation and Business startup consultation centre.



Dr Mahfuzul Hoque Chowdhury
Vice Chancellor, Chittagong Independent University (CIU)

The most significant existing skills gap in Bangladesh is between the theoretical and conceptual knowledge of the university graduates and the practical skills required in jobs. To overcome this, we offer a course called Live-in-Field-Experience (LFE) to the students. Here, students engage in practical work under the supervision of faculty members, to acquire skills such as leadership, people management, teamwork, adaptability to new environment. They have the opportunity to interact with the renowned professionals. CIU students also need to complete internships as part of their curriculum which enables them to get familiar with the work environment. Moreover, students are taken for industrial visits to give them a clear perception of the work going on there. 

In general, one challenge that universities in our country face is that the government and UGC have absolute control over revising the existing courses as well as introducing new ones. Universities should be given enough freedom to design and conduct courses.

We try to promote entrepreneurship among students through motivational speeches, workshops, seminars, corporate talks and inviting guests who are successful entrepreneurs in the country. However, challenges such as generating adequate funds, unavailability of required infrastructure, bureaucratic hurdles, obsolete rules and regulations, political uncertainty, social, cultural risks and legal protection, etc., still act as a barrier for entrepreneurship amongst the young people.     

Currently, we are trying to move towards more research-based activities. There is no alternative to increasing the range of creativity skills and knowledge. It is necessary to create skilled manpower in terms of craftsmanship, trade, commerce, economy, industry and state structure.

Students should also form the habit of reading books and articles and possibly write reviews on them. In this way, their written competence will increase. Educational institutions can encourage students in this regard.


Professor Dr AFM Mafizul Islam
Vice Chancellor, Southeast University

The key challenge concerning the higher education scenario in Bangladesh is delivering quality education. The government is taking steps in this regard. The government had already introduced HEQEP (Higher Education Quality Enhancement Project) earlier. Another project called HEAT (Higher Education Acceleration and Transformation) is coming up.

I strongly feel that lack of leadership in higher educational institution is the problem.

Southeast University has established the Institutional Quality Assurance Cell (IQAC) headed by an experienced professor with the rank and status of a dean. This Cell is regularly providing diverse training to our faculty members and staff so that they can achieve the goal of delivering quality education. In the meantime, several departments have gotten professional accreditation, and others are in the process. If a university complies with all conditions of accreditation, I think quality education would be automatically achieved.

We are preparing our students for the corporate world by blending practical experience and operational challenges into standard economic and business lessons. Some steps are: teaching case studies, relating theoretical content to real business challenges, hosting entrepreneurship contests, creating an entrepreneurship-in-residence programme, inviting professionals, encouraging international exchange programmes and promoting student-in-residence programmes.

Southeast University is providing quality education at affordable cost, targeting middle, lower and marginal middle class. Tuition fees of some programmes, such as Bangla, English and Economics, are very low. We run these programmes with subsidies. Another exception of this university is that the Benevolent Trustees of Southeast University Trust do not take any remuneration.



Professor Dr Chowdhury Mofizur Rahman
Vice Chancellor, United International University

Background knowledge and foundation of most of the students are very poor. They are not prepared for university level education. It is due to the weak pre-university education, i.e. education at the SSC and HSC levels. If foundation remains poor, quality education is difficult to be imparted at university level.

We are trying to improve the communication skills by offering a number of intensive English courses in the first year. We offer a course in the first semester, known as life skill for success. This is a kind of guidance to learn about the necessary attributes and skills to become a good human being and responsible citizen of the country.

There is a wide gap between academia and industry. To reduce the gap, we have included industry professionals and our alumni in the curriculum committee. In addition, final year students get hands-on practice on real-life projects by industry professionals at institutes like CDIP (Center for Development of IT Professionals), CCNA (Cisco Network Academy), IBER (Institute of Business and Economic Research), IAR (Institute of Advanced Research), CCC (Career Counseling Center), VTA (VLSI Training Academy), PETA (Power Engineering Training Academy) and CER (Center for Energy Research).

UIU has a culture that promotes and cultivates entrepreneurship among students. We frequently hold competitions among students to come up with new ideas and ways of their commercialisation. We have also set up an entrepreneurship forum. We encourage our students to participate in inter-university and national-level competitions. We have allocated one floor of our university building to accommodate startup companies at a very low cost which we have named Incubation Center of UIU. We allow the young successful entrepreneurs to showcase their achievements.



Professor Dr Vincent Chang
Vice Chancellor, BRAC University

Developed countries such as Japan, Singapore and Taiwan were as poor as Bangladesh after the World War II. Thirty years after the World War II, China was even poorer than Bangladesh, then how did they develop so fast? It was because of the unique people and how active they were. Next comes the influences of education and the virtue and philosophies people hold related to work – whether they value hard work and try to put it into their endeavours. According to my experience in Bangladesh, I am still confused if people put in the hard work or not.

The attitude here does not reflect that. People here wait to be taught, by their superiors, and make no effort to learn things themselves. They simply do not take the initiative. People are happy with their recent university rankings, but internationally, people do not care. The issue is in the mindset. We have to thrive to do better or else we will be stuck at the same place. We have to change our mindsets in order to incentivise people to want to improve. We have to understand the changing standards.

I would like to refer to the gap in the mindset instead of referring to the gap in the skillset because to me, it isn’t about the knowledge or other skills; it is about the perspectives and mindsets. These are difficult to adjust, but these are what will allow us to compete and produce appreciable outputs. We need to have a champion mindset; you face problems, you fix it. You don’t depend on others to fix it for you.

BRAC University thus tries to engage internationally so that our students have the opportunity to expand their horizons and their vision. We try to involve our teachers and students in a process where they understand international standards.



Professor Md Abu Saleh
Vice-Chancellor, Bangladesh University of Business and Technology (BUBT)

Lack of need based knowledge and skills, lack of time based knowledge and skills, lack of outcome based knowledge and skills, are some of the major challenges concerning the existing skills gap in Bangladesh. Emphasis on theoretical knowledge through traditional classroom lectures is mostly prevalent in the current education system of the country, leading to a lack of focus on practical learning, which is required for the 21st century workplace.

To address these gaps, BUBT emphasises on practice-oriented knowledge and skills. We also focus on university-industry partnership, research activities, teachers’ training and development. We design the curriculum of the academic courses, highlighting both education and human resource development.

However, challenges persist such as non-availability of subject/course experts for structuring, designing and developing the curriculum of new courses. The processes for reviewing, revising and getting approval are also time-consuming. The imposition of unnecessary and irrelevant pre-conditions is also a concern. Approvals should be based on the quality and the standard of the curriculum, not on irrelevant pre-conditions. It should also be based on the need of the course(s). Cooperative attitude is direly required, instead of controlling attitude.

To encourage entrepreneurship, we offer entrepreneurship courses. In this way, students are motivated to become job providers rather than remain as job seekers only. We provide training, organise seminars and workshops on entrepreneurship. We also organise competitions, contests on business idea generation and business plans. We invite the successful entrepreneurs to share their success stories, some of whom are also the alumni of BUBT.



Source: https://www.thedailystar.net/supplements/news/the-future-higher-education-bangladesh-1841881

6
Inter-university collaboration can help scientific research in Bangladesh

Legend: Environmental Vibrio cholerae bacteria in various forms (Top) Rate of production of chemical signal molecules called autoinducers by various V. cholerae strains (Bottom)

When I returned to Bangladesh in the late 1980s after pursuing higher studies in England as a commonwealth scholar, there were no private universities and only six public universities in Bangladesh. The research infrastructure, investment and output in these local universities were minimal compared to that of most western universities. Unfortunately, the facilities and involvement in research have not significantly improved even now when there are more than 150 universities in the country with at least 100 of them being private. While the public universities are financially supported by the government, and research and capacity building grants are often provided to them through the University Grants Commission, most private universities are under increasing pressure to adjust to evolving competition and financial burden. Furthermore, the universities are beginning to realise that their visibility and rankings locally and internationally depend substantially on their research infrastructure, productivity and publication records, and these would require more investment. Fortunately, however, this realisation brings hope that at least the private universities, who control their own finance, will see the wisdom to revise or reallocate their budgets to invest more in research. The purpose of this discussion is to provide examples and show a way forward in which private universities might better utilise their already existing facilities in a collaborative spirit and promote research without any drastic increase in financial burden.

My experience in various research institutions and universities of over two decades has taught me that scientific research cannot be done in isolation, rather it is always facilitated by collaboration between diverse institutions and researchers. I have successfully led research teams and students who conducted contemporary biomedical research while staying in Bangladesh, and published numerous papers in high impact scientific journals, such as Nature, PNAS and the Lancet. This achievement was possible because I was able to obtain support from researchers in various other countries and institutions, and we successfully negotiated a win-win scenario. The key to this endeavour was sharing available research infrastructures, knowledge, and ideas in a spirit of equal partnership.

Recently, I tested a similar model of scientific collaboration, although informally with faculty members in several private universities in Bangladesh, and led a research team to improve detection methods for pathogenic bacteria in environmental water. Waterborne and food-borne diseases such as diarrhoea and typhoid are caused by these bacteria.

To explain it in a simplified form, contemporary advances in biomedical research have been enabling scientists to understand how bacteria (many of which are dreadful pathogens) communicate using chemicals that serve as molecular signals.  One of these communication strategies, known as “quorum sensing,” regulates biological processes in bacteria depending on their cell density or population size in the aquatic environment, since certain activities are only useful for the bacteria if they work in a large group, and not as individuals. The phenomenon of “quorum sensing” enables bacteria to transit between a dormant and an active state depending on the concentration of their cells in water. Pathogenic bacteria cause waterborne diseases to spread through water depending on their abundance in an active form, and routine detection techniques by culturing or growing them in the laboratory can detect bacteria in this active state only. On the other hand, in the dormant state, most bacteria cannot be detected in routine culture assays, which might result in a failure to warn people against potential disease outbreaks which spread through contaminated water. It is interesting to know what exactly causes the dormant cells of bacteria to periodically resuscitate to the active form. The quorum sensing system involves chemical signal molecules called “autoinducers,” which are produced by bacterial cells and detected by their neighboring cells, to get a sense of the density of bacteria in an aquatic niche. At a certain threshold concentration of these autoinducer-producing bacteria, their gene expression pattern and thus metabolic activities change, leading to enhancement of their conversion between dormant and active states.

Understandably, many people would be surprised to hear that such a cutting-edge topic in biology is an active area of research and discovery in Bangladesh, but this is exactly the case with our recent research. The findings from these studies, recently published in the journal PLOS One, are based on analysis of the quorum sensing system in the cholera pathogen Vibrio cholerae, which is a serious public health hazard in Bangladesh.


Our study shows that certain variant strains of the V. cholerae bacteria which exist in the environment vastly overproduce a chemical signal called autoinducer AI-2, which produces a wake-up call for the dormant bacteria in water. This causes rapid conversion of dormant bacteria into the active form. This phenomenon was further confirmed by testing various laboratory generated mutant bacteria as well as by determining the relevant gene sequence of naturally occurring strains which overproduce AI-2 in their culture. Environmental water samples which were found to be negative for pathogenic V. cholerae in routine cultures were selected to test whether pathogenic Vibrio cholerae could be recovered from such apparently negative water samples after treatment with the autoinducers produced by the mutant strains. These experiments confirmed that the chemical signals do indeed resuscitate dormant V. cholerae cells in water samples when cultured in the presence of these molecules produced by the mutant strains.

The implications of these findings are manifold. On the one hand, it provides a method for overproducing an autoinducer and use it to develop improved methods for water testing. Perhaps even greater implication is in understanding a natural process which might contribute to resuscitation of dormant pathogenic microorganisms in water and initiate epidemic outbreaks. Adequate monitoring strategies using improved detection methods can be a predictive indicator for cholera outbreaks. Besides, such a phenomenon might also be true for other waterborne diseases, beyond cholera as such.

As mentioned above, a remarkable aspect of this research endeavour is that it was done through informal collaboration among researchers from multiple private universities in Bangladesh under my leadership, thus creating an example of sharing available facilities to conduct cutting-edge research in Bangladesh. These universities included Independent University Bangladesh (IUB), BRAC University, and North South University (NSU). We also collaborated with Osaka Prefecture University, Japan and the icddr,b in Dhaka for access to more advanced molecular technology. Researchers who contributed substantially to this work and authored the paper are Iftekhar Bin Naser, M. Mozammel Hoque, Shah Nayeem Faruque, M. Kamruzzaman, Shinji Yamasaki, and Shah M. Faruque. Hopefully, this recent example will help to convince stakeholders that modern scientific research is possible in Bangladesh and it benefits all research infrastructure we may have available in various institutions, if we are ready to share knowledge.

 Although there have been efforts to develop some research laboratories in several private universities, the facilities available currently and research capacity fall way short of accepted international standards. Most private universities in Bangladesh are either unable or even unwilling to invest large sums as required to develop modern research facilities, since the prospect for a profitable outcome is not immediate, and potential benefits in the long run is not readily recognised. However, there is substantial scope to improve upon the current scenario, even if the existing infrastructure in a number of private universities are shared to conduct collaborative research. Besides facilities, the development of trained personnel is also a key requirement. Therefore, for research capacity building, it may be feasible for interested universities to jointly organise and conduct training and workshops on various aspects of research methodologies, adopting and practicing standard operating procedures, and compliance to ethical and bio-safety guidelines. A multi-disciplinary group of faculty members from different universities may participate and share resources and ideas, as well as apply for joint research funds to attract grants from donors who are willing to provide financial assistance in collaborative research. Regular involvement of students and their supervising faculty members in these research programs is likely to set the trend of improvement and eventually attain the desired capability in research.

It is crucial that the concerned universities recognise that increased research activity leads both to increased revenue and to higher rankings, in turn leading to more student applications.

 

Dr. Shah M. Faruque is a Professor of Microbiology at Independent University Bangladesh (IUB).


Source: https://www.thedailystar.net/supplements/higher-education-the-fourth-industrial-revolution/news/inter-university-collaboration-can-help-scientific-research-bangladesh-1841887

7
“The future of skills includes attributes such as leadership quality, critical thinking, innovation and lifelong learning”



In conversation with Kishore Kumar Singh, Chief Technical Advisor, Skills 21 Project, ILO Bangladesh

With the fourth industrial revolution in full swing, which areas of skills development need more focus?

Bangladesh needs to put more emphasis on IT. The future of skills includes attributes such as leadership quality, critical thinking, innovation and lifelong learning. Much of what we learnt five years ago is not relevant at present. Life Long Learning for re-skilling and skill upgradation is urgently required in the country’s skills system. Automation has led to many people in Bangladesh losing their jobs, such as in the RMG sector, and this trend will continue to grow if the country’s skills system does not catch up with this reality.

What have been the major challenges in developing skills in Bangladesh? What sort of solutions would be required to overcome these challenges?

One of the biggest challenges lies in co-ordination among different ministries which are imparting skills, in terms of adopting the National Technical and Vocational Qualifications Framework (NTVQF) or job-focused skills training systems. Another challenge is the Government’s low investments in technical education and improving the quality of education. In addition, skills institute-industry engagement is missing. Bangladeshi skilled workers’ remittances are less than those of workers from other countries. Bangladesh TVET qualification is hardly recognised outside the country. Thereby, skills recognition is one area that needs attention.

For the domestic market, apprenticeship could be one of the quickest solutions. We have about forty thousand such apprentices who are learning the crafts of various trades. We have developed a system where they will be awarded a competency-based certificate upon completion.


The private sector industries also need to focus on skills development and investment in upgrading and re-skilling their own workers in response to technological changes. They need to support technical institute-industry partnerships. The industry should develop capacity in skills anticipation and work closely with the National Skills Development Authority (NSDA) and skills institutes.

What is the present status of Technical and Vocational Education and Training (TVET) in the country?  How are these institutions contributing to the development of skills in Bangladesh?

Since TVET education has stigma surrounding it, people prefer to take the general education route. Only nine percent of people graduating from higher secondary education opted for technical education thereafter, but the numbers have now increased to 14 percent.

The NTVQF is a skills framework in Bangladesh of global standard. Many development partners including Asian Development Bank (ADB) and World Bank, have also contributed to its implementation. Rural areas in Bangladesh do not have many TVET institutes. However, rural people visit nearby towns and use the facilities of TVET institutes closest to them. To promote skills in rural areas and small towns, ILO initiated another pathway i.e. quality apprenticeship with proper certification. It was started by ILO in partnership with UNICEF and BRAC during the fiscal year of 2009-10.

ILO introduced the skills framework into Bangladesh. Our attention has been on job-focused skills. ILO has recently completed the Bangladesh Skills for Employment and Productivity (B-SEP) project in Bangladesh. ILO, along with other development partners, heavily invested in skills and employment. The Government revenue system, however, has not allocated enough money for a skills reform.

Technical schools and colleges and polytechnic institutes are streams of the TVET in Bangladesh. ILO has set up twelve industry skills councils (ISCs) in twelve sectors. The role of such councils is to identify the skills needs of each sector, prioritise those needs and engage with Bangladesh’s technical education board in developing the curriculum and competencies.

What is being done in the field of TVET teacher training?

There is a lack of teachers in the TVET system since there exists many job vacancies. These teachers come from the Bangladesh Public Service Commission. There is an insufficient number of teachers’ training centres. Technical Teachers Training College (TTTC) and Vocational Teachers Training Institute (VTTI) Bogura are examples of institutes which have been established for teachers of technical education in Bangladesh. The Bogura Polytechnic Institute is an attempt by the Government and ILO’s European Union funded Skills 21 project to have an institute in Bangladesh which may, in the future, rival the standards set by renowned foreign training institutes.

For students enrolling in TVET programmes, how is their job placement being handled?

Employment support services need to be established in the TVET sector at the institutional, divisional and city level. The talents of each individual vary and so career counselling could guide graduates onto the right paths. We established eight employment support services/career counselling centres through the B-SEP project. Unfortunately, employment support services are not readily available.

How can TVET institutes be established, on a large scale, in rural areas of Bangladesh?

It is difficult to set up TVET institutes in rural areas, but mobile skills training can be made available there. One solution could be introducing vocational training to rural schools. The Government is in the process of integrating foundational skills in the primary education system, and vocational skills in the secondary education system, in the near future. Transferrable skills will be introduced in the senior years. The integration of such skills systems in the education system needs to be a much quicker process.



Source: https://www.thedailystar.net/supplements/higher-education-the-fourth-industrial-revolution/news/the-future-skills-includes-attributes-such-leadership-quality-critical-thinking

8
Higher Education / Is it too late to learn soft skills?
« on: December 18, 2019, 12:46:36 PM »
Is it too late to learn soft skills?


Imagine this: you walk into an interview for the multinational company you have been dreaming of working at. Your confidence is through the roof since your resume boasts your advanced skillset. Your interviewers take one look at your CV, put it aside, and begin to grill you about your interpersonal skills. They throw around words like critical thinking, conflict management, and negotiation, and suddenly you realise your polished resume may not be as impressive as you once thought. Your only chance of landing your dream job is to quickly slip away.

Bangladesh is now increasingly investing in vocational and technical education, but a glaring gap in this is the lack of focus on soft skills. Soft skills are personal skills which usually directly complement “hard” or technical skills. One of the main reasons why Bangladeshi fresh graduates have difficulty in getting jobs is the lack of soft skills they possess. Workshops and training for young professionals are usually last-minute efforts in shaping individuals into becoming employable. What there needs to exist is a change in the way we view soft skills development.

Soft skills usually need years to develop, so the best thing to do would be to start young. Parents, caregivers, and teachers need to be aware of the importance of soft skill-building and integrate special exercises into the day-to-day lives of children in order for them to hone these skills.

A child’s behaviour and social attributes are largely shaped by the influence of family and friends. Learning even the most basic social cues is of utmost importance since, at a young age, the foundation for their social skills is already built. At home, children need to be taught how to listen intently, and be respectful, humble and enthusiastic. These might sound like basic human characteristics, but it is surprising how many adults joining the workforce lack a lot of these qualities.

Apart from academic teaching, children also learn some of the most valuable real-world lessons while at school. They find themselves in situations, where they must navigate through peers of various backgrounds, and learn how to coexist in harmony. Major soft skills such as adaptability, communication, teamwork, and persuasion are developed in schools. This is their first step into building their own interpersonal relationships and managing them. At this time of their lives, guidance is crucial. Teachers play a big role in equipping young, impressionable students with the right soft skills to persevere when they are older.


Bangladesh Youth Leadership Center (BYLC) is an organisation which aims to teach leadership and other relevant skills to the youth. Their Building Bridges through Leadership Training (BBLT) Junior programme is designed for students from class six to ten. Farah Chowdhury, Manager, Office of Professional Development, BYLC, shares, “The BBLT Junior programme tries to change the thought processes of children from a young age. If the concepts are instilled in them earlier on, it would be easier for them to grasp these skills in the long run. We follow the concept of experiential learning; it is more activity-based and focuses on peer learning. Case studies are created on the basis of situations within the classroom, which students analyse in group discussions. Our country’s schools focus so heavily on rote learning that students are unable to learn certain important skills. This is the gap that BYLC tries to bridge.”

Children today are at an advantage, since accessing information is now easier than ever before. This, however, can have a negative impact on their desire to learn from a school setting. They might think that everything that is taught inside a classroom can just be searched on the internet. However, emotional intelligence, team work, and other soft skills, cannot be learned online. This is why it is crucial for teachers to clarify the importance of learning these traits. Soft skills training must be introduced in every class. Before any subject is taught, students should be made aware of the real-world applications of the subject. For example, students may not understand the importance of learning English Literature, where they have to read stories and poems and try to interpret them. In that case, they must be told how these activities will help with their cognition and emotional intelligence, which will become vital for them in the future.

Young Founders School is a global organisation working in Bangladesh to teach 21st century skills to children of ages between 11 to 18, mainly through entrepreneurship training. When asked about how their two-day boot camp helps children learn soft skills, Sanjida Tanny, Bangladesh Lead, Young Founders School, shares, “Participants work with people they have never met before and garner skills such as teamwork, collaboration, communication, no discrimination, social skills, adaptability, and emotional intelligence. Mostly, they work on social issues and try to find solutions, which help them with empathy, critical thinking, and problem solving. They also deliver final presentations using proper pitch decks, which exposes them to technological tools and allows them to gain hands-on technology literacy.”

The ongoing Fourth Industrial Revolution has brought with it the introduction of automation, artificial intelligence (AI), internet of things (IoT), and virtual reality (VR) into workplaces. This has huge implications about the future of workers, but don’t worry, the robots aren’t completely taking over (yet). The best asset that human beings have in this regard is their ability to analyse situations using emotional intelligence, something which technology lacks.

As students in Bangladesh, many of us have been conditioned to aim to become the best student only in terms of grades. Even if some students possess a passion for learning, they rarely get the chance to sit back and try to gain knowledge in a university setting, since the pressure to maintain a high GPA is unimaginable. Many teachers do not award marks unless the students answer word by word according to what the teachers’ materials dictate. This leads to students having no choice but to memorise. Memorisation does not teach students any valuable skills that they will need in the future, especially with more advanced technology taking over.

Since soft skills are now exactly what employers are looking for, universities need to invest in more soft skills training. When asked about how universities could integrate soft skills learning into the curricula of universities, Professor Milan Pagon, Vice Chancellor (Acting), Independent University, Bangladesh (IUB), states, “There are many popular methods already in use. One in particular is the ‘flipped classroom’ approach which challenges traditional classroom settings. In this approach, the conventional way of teachers giving lectures to students, who then go home and do their homework, is abolished. In a flipped classroom, the lecture materials are handed to students ahead of class. Students learn the material by themselves and do the ‘homework’ in class. The instructors are there to provide guidance and answer questions. There is group work and group projects, communication with peers and teachers, and all of these aspects help develop soft skills.”

Writer: Mayabee Arannya


Source: https://www.thedailystar.net/supplements/higher-education-the-fourth-industrial-revolution/news/it-too-late-learn-soft-skills-1841905

9
Higher Education / Can entrepreneurship be taught at universities?
« on: December 18, 2019, 11:31:26 AM »
Can entrepreneurship be taught at Universities?


I often joke saying, “We Bangladeshis may have taught the world what BBA is! There really weren’t many before, (if any at all).” Business schools may hate me for this. Surely, one can learn the various aspects of running a business, however, I am a skeptic when it comes to the idea of “learning” entrepreneurship.

As the renowned idiom says, “You can take a horse to the water, but you can’t make him drink it,” it is important to understand that business and entrepreneurship are different. Most successful entrepreneurs in the past did not study entrepreneurship, go to a business school, or even go to university. Business as a major, evolved from the need to be able to run systems in an existing business, to improve the functions and gain profit margins. I strongly believe that when it comes to products and service delivery, the businessmen replicate and the entrepreneurs innovate.

My intention here isn’t to belittle businessmen, because they reinvent processes and systems every day. However, entrepreneurs innovate and find the product market fit. Not only that, in order to scale up their businesses, they have to face challenges in policy and business models, and manage investors and regulators, among other duties. Surely, businesses have to do the same, except for product innovation and market ready challenges. In a country like ours, the terms businessmen, businesswomen and entrepreneurs surely have a thin line of differentiation compared to those in developed countries, where they are largely different as the market forces and finances have kept the big corporations alive.

So what can we teach?

Students need to learn the aspects of business management; from accounting to marketing, etc. However, for me, entrepreneurship is a mindset and a mix of soft and hard skills. When it comes to entrepreneurship, it is necessary to nurture a different mindset.


It starts off with the ability to take calculative risks; just because it makes sense as a great idea and looks rational, there is no guarantee that it will be adapted by the users. I often come across lofty ideas which cannot take constructive criticism. Don’t get me wrong, students should be allowed to dream and create unrealistic ones but, they should also be able to accept people giving constructive criticism as it shall create the space for learning rather than enforcing their own thoughts. Give students the space, but also give them the reality check. Teachers should constantly balance it out.

Then, the students should be trained to be able to learn from different sources, to be able to adopt and adapt, to understand people, to be able to think critically, have strong decision-making skills and much more. In today’s world, no one lives in silos, interdisciplinary interactions are a must, where students from business, science and the arts must work together in real life projects. These not only give them the life skills of people management but also an understanding of various functions of an organisation.

Most universities have assigned counsellors who are often busy with assigning subjects. I think the objective of orientation is for it to be a space where teachers and students can interact and make it clear to the students as to why he or she is taking this subject. What their interests are and how these subjects may enrich future career prospects are crucial.

We surely need to retrain teachers to be facilitators of learning. This is challenging not only for institutions but parents too. Students’ performances have been judged solely based on their grades. Remember how, as a child, our class teacher interacted with other subject teachers and then wrote a progress report for our parents? Why did we forget that age-old practice? I know it is easier said than done but that surely had its upsides. There is a dire need to retrain teachers. Now, this may anger many in the teaching community. However, I strongly believe that in this era of information, teachers need to be facilitators of knowledge, rather than a repository. These days anyone and everyone can Google information if they want to know. Universities and teachers must channel teachings to transform how individuals think, learn and innovate.

Now, one may say that what I mentioned here, is generic for all and not just entrepreneurs. That is my argument: we trained a whole nation to be ready for the job market, and now we want everyone to be entrepreneurs. The honest truth is that we are a very entrepreneurial nation. However, the current education system seems to be curtailing that risky mindset. With the standardisation practices and lack of constant retraining of teachers, we are unable to nurture skills that are required for us to be better than machines in the incoming fourth industrial revolution.

Be it job holders or entrepreneurs, we need to nurture an entrepreneurial mindset that encapsulates the skills of the future. To summarise, if we want the mindset to thrive, educational institutions must continuously facilitate critical thinking abilities, cognitive flexibility, creativity, collaboration and empathy. Further skills, which the entrepreneurial mindset needs, include the risk-taking abilities, stress management, work-life balance, conflict resolution, time management, and communication. Many of these are already in practice, but teachers need to continuously facilitate and nurture these traits through the courses they teach.

 

Saif Kamal is the founder of Toru Institute of Inclusive Innovation.

Source: https://www.thedailystar.net/supplements/higher-education-the-fourth-industrial-revolution/news/can-entrepreneurship-be-taught-universities-1841917


10
Higher Education / Inclusion of women in the Fourth Industrial Revolution
« on: December 18, 2019, 11:26:38 AM »
Inclusion of women in the Fourth Industrial Revolution



The Fourth Industrial Revolution (4IR) gives us an incredible opportunity to unite as human beings against automation. The reality is it is not just about men losing roles to women or vice versa, but humans losing roles to automation. However, in order to unite as human beings we need to first address the challenge of women being left behind. Inclusion of women is a joint responsibility with men and exclusion has joint risks.

Worldwide, the proportion of women using the internet is 12 percent less than men, which increases to 32.9 percent in less developed countries. This gap is symbolic of a larger problem of the digital exclusion of women and girls. As the world embraces 4IR, challenges for women are amplified. We must tackle the toxic norms that hold women back. If women who account for half the world’s working age population do not achieve their full economic potential, the global economy will be affected.

The challenges of 4IR have the ability to increase the size of the pie for all and shift the pendulum towards inclusion. It is a choice we will make to become stronger as humans. The guidelines for inclusion of women given below may be considered as a starting point to adapt to the imminent wave of changes:

1. Early investment in girls in Science, Technology, Engineering and Math (STEM) skills will not only help break down gender stereotypes but also increase women workforce in scientific fields. Women are currently under-represented in fields experiencing job growth such as engineering and information and communication technology (ICT). We need to challenge the perception that technology is not for women or girls and expose girls to STEM; empower them as leaders of the future 4IR promises. We also need to ensure they can create the technologies that help us avoid the replication of old gender stereotypes and inequalities in the digital space.

2. Given that women are more involved in repetitive work, women are at high risk of displacement by technology. However, automation will also dictate efforts to create a level playing field between men and women so that no one is left behind. 4IR will put emphasis on human talent such as creativity and ingenuity as opposed to masculine skill sets. Women with digital skill sets may get equal opportunities to engage in the new tech-enabled world. But, women must first “show up” in the digital field to be in the game.


3. Accelerate gender parity - increase women’s economic participation worldwide. Political leaders, policy makers and business leaders globally are aware of the urgent need to empower women. Accenture predicts we could reach gender equality in the workplace by 2040 in developed countries and by 2060 in developing countries if we increase the pace at which women become ‘digitally fluent’.

4. The new digital landscape will provide female entrepreneurs with the flexibility to start businesses with a small investment and have access to markets globally. To encourage women entrepreneurs, an ecosystem needs to be built where women are inspired, encouraged and rewarded for embracing entrepreneurship.

Bangladesh is an impressive economic success story. It has made dramatic strides in reducing poverty, increasing GDP and lifting future prospects for millions of people.  Bangladesh hopes to benefit from the big opportunity of digital equality and 4IR for which we must shift gears quickly to give girls the tools, skills and opportunities they need to succeed in and fiercely drive a digital future. The need of the hour is maverick mindsets who dare to cross the chasm.

By opening up more opportunities and more flexible ways of working, and building safe infrastructure, we can give our girls the opportunity to learn the skills they need to become the next generation of leaders and entrepreneurs. However, none of this will be possible till we address the specific gendered discriminations, exploitations and dangers they face every day. We also need to make sure that our laws, policies and infrastructure are in place to ensure girls can access training, financial resources and jobs in safety, without fear of violence, harassment and discrimination.

In conclusion I feel we should deeply reflect on the impact 4IR will have on human beings. The assumption that technology is dividing us is not true. I believe it’s us human beings who divide us, the same way that human beings have divided ourselves throughout history before technology was even available to be blamed. It is important for men and women to consciously unite professionally and digitally. Technology is just a reflection of us. It cannot be a divider or an equaliser; it merely follows the instructions given by us. We should all try to remember this as we are entering an exciting period of history where the world expects balance. We know that a balanced world with no bias is a better one.

 

 Sonia Bashir Kabir is an impact Investor & Tech Entrepreneur. She has recently served as the Managing Director for Microsoft Bangladesh, Myanmar, Nepal, Bhutan and Laos.


Source : https://www.thedailystar.net/supplements/higher-education-the-fourth-industrial-revolution/news/inclusion-women-the-fourth-industrial-revolution-1841920

11
দেশের টাকায় শিক্ষা, বিদেশে সেবা


বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ থেকে ২০১৮ সালে বিএসসি শেষ করেন কামরুল হাসান। এখন উচ্চতর পড়াশোনা ও ‘নিরাপদ কর্মসংস্থানের’ খোঁজে বিদেশ পাড়ি দেওয়ার অপেক্ষায় তিনি। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র তানভীর আহমেদ ও মশিউর রহমান। এ দুজনেরও ইচ্ছা বিদেশে স্থায়ী হওয়ার। তাদের মতে, পড়াশোনা শেষে দেশে অনেক কাজের সুযোগ থাকলেও যোগ্যতা অনুযায়ী তা যথাযথ নয়। চাকরির নিম্ন বেতন, অনুন্নত কর্মপরিবেশ, দক্ষতা যথাযথভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ না থাকা ও রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে ইউরোপ-আমেরিকার উন্নত দেশগুলোকেই শেষ ভরসা হিসেবে দেখছেন তারা। আর শুধু কামরুল, তানভীর ও মশিউর নন, প্রতি বছর এমন হাজার হাজার তরুণ উচ্চশিক্ষা শেষে দেশে কর্মসংস্থান নেইÑ এ অজুহাতে কাক্সিক্ষত ক্যারিয়ার গড়তে বিদেশ পাড়ি জমাচ্ছেন।

তবে দেশে কর্মসংস্থান নেই, এমন অজুহাতে উচ্চশিক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা বিদেশে পাড়ি জমালেও নিয়োগদাতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের ভাষ্য, ফ্যাশন ও ডিজাইনিং, ভারী যন্ত্র পরিচালনা এবং বিপণন ও সরবরাহ চেইন ব্যবস্থাপনাসহ নানা খাতে দেশীয় দক্ষ কর্মীর যথেষ্ট অভাব

রয়েছে। এ ঘাটতি মেটাতেই বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিয়ে উন্নয়ন, উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে হচ্ছে তাদের। আবার অনেকের মত, সরকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গ্র্যাজুয়েটদের পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করলেও তারা বিদেশে চলে যাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে দেশপ্রেমের অভাব রয়েছে। অন্যদিকে উচ্চশিক্ষা শেষে তরুণদের দেশ ছাড়ার পেছনে স্থানীয় শ্রমবাজারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কারিকুলামের সমন্বয়হীনতাকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা। এছাড়া উচ্চ দক্ষতার শিক্ষার্থীদের জন্য হাইভ্যালু এডিশন ইন্ডাস্ট্রি গড়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।


 
৫ লাখ বিদেশি কর্মী ও বিদেশমুখী মেধা : চলতি বছরের আগস্ট মাসে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষ (বিডা) সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা ও শিল্প বণিক সমিতিতে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, দেশে বর্তমানে বিদেশি কর্মীর সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়েছে। আর এসব বিদেশি কর্মী দেশ থেকে বছরে ৪০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছেন। বিডার চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগদাতারা মনে করেন ফ্যাশন ও ডিজাইনিং, ভারী যন্ত্র পরিচালনা, বিপণন ও সরবরাহ চেইন ব্যবস্থাপনাসহ নানা খাতে দেশীয় দক্ষ কর্মীর যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এ ঘাটতি মেটাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিয়ে উন্নয়ন, উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে হচ্ছে।

উচ্চশিক্ষা শেষে বিদেশে স্থায়ী হওয়া শিক্ষার্থীর প্রকৃত সংখ্যার বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছেই সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে ২০১৬ সালে গ্লোবাল ফ্লো অব টারশিয়ারি লেভেল স্টুডেন্টস শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো)। সেখানে বলা হয়েছিল, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ৬০ হাজার শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাচ্ছেন। আর এ বছরের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওপেন ডোরস রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আট হাজারের বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এ সংখ্যা বছরে ১০ শতাংশ হারে বাড়ছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্রকল্যাণ পরিচালক (ডিএসডব্লিউ) কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক অরুনাংশু বড়–য়া দেশ রূপান্তরকে জানান, প্রতি বছর এ বিশ্ববিদ্যালয়টির ১৮টি বিভাগ থেকে এক হাজার শিক্ষার্থী স্নাতক সম্পন্ন করেন। এর মধ্যে ইইই, কম্পিউটার সায়েন্স, মেকানিক্যাল ও বায়ো মেডিকেল বিভাগের ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীই পিএইচডি ও ভালো কর্মসংস্থানের খোঁজে দেশের বাইরে চলে যান। পড়াশোনা শেষে অনেকে দেশে ফিরলেও ৩০ শতাংশের বেশি বাইরেই থেকে যান। বুয়েট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য বলছে, কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের ১৯৮৬-এর ব্যাচে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৩১ জন। তাদের ২৫ জনই এখন বিদেশে। ১৯৯৪-এর ব্যাচের ৪৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫ জন রয়েছেন দেশের বাইরে। ১৯৯৮-এর ব্যাচের ৬৫ জনের মধ্যে ৩০ জন বিদেশে। তারা বিশ্বের নানা স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।

বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ফয়সাল আহমেদ জানান, ২০০০ সালে পাস করে বের হওয়া তাদের ব্যাচে ১৩০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অর্ধেকই দেশের বাইরে স্থায়ী হয়েছেন। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমাদের স্টুডেন্ট এফিসিয়েন্সি (দক্ষতা) অনুযায়ী দেশে কাজ পাওয়া যায় না। এসব স্টুডেন্ট বিদেশে গিয়ে মাইক্রোসফট ও ইন্টেলসহ বড় বড় মোবাইল এবং মোটর কোম্পানিতে চাকরি পাচ্ছে। দেশে এখন পর্যন্ত বড় একটি মোবাইল কোম্পানি হলো না, যেখানে আমাদের ছেলেরা নিজেদের মেধা কাজে লাগিয়ে কাজ করবে। এসব হতাশায় দেশ ছাড়েন তারা।’

জানা গেছে, শুধু বুয়েট নয়, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের জন্য ভিড় করছেন। এছাড়া পিএইচডি করতে গিয়ে নানা সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষকও আর দেশে ফিরে আসেননি। ইউজিসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৩৭টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ হাজার ৯৪০ জন শিক্ষক শিক্ষা ছুটিতে বিদেশে আছেন। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা একজন শিক্ষার্থীর পেছনে সরকারের মোট ব্যয় ৫ লাখ টাকার বেশি। অন্যদিকে বুয়েটে এ ব্যয় কমপক্ষে ১০ লাখ এবং সরকারি মেডিকেল কলেজে ১৫ লাখ টাকার ওপর। আর জনগণের দেওয়া করের টাকায় ওই অর্থ জোগায় সরকার।

দেশ ছেড়ে বিদেশে স্থায়ী হওয়ার কারণ জানতে চাইলে বুয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ সবার মুখেই উঠে আসে দেশ সম্পর্কে নানা হতাশার কথা। বুয়েটপড়–য়া এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমার সন্তানকে আমি কী উদ্দেশ্যে দেশে রাখব? প্রথমত দেশে ওর যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ নেই, দ্বিতীয়ত সৎ হিসেবে বাঁচার উপায়ও নেই।’

বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এমএসসির ছাত্র জায়িদ ইবনে মাহমুদ বলেন, ‘দেশের টেকনিক্যাল খাতগুলো চালায় নন-টেকনিক্যাল লোক। তারা কাজ না বুঝলেও কাজে বাধা দেন ঠিকই।’

শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশ ছেড়ে বিদেশে স্থায়ী হওয়ার প্রবণতার কারণ জানতে চাইলে বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমাদের দুই ধরনের সমস্যা হয়েছে। প্রথমত লেবার মার্কেটের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামের সমন্বয় হচ্ছে না। এতে যেসব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হচ্ছে, তারা জব মার্কেটের জন্য প্রস্তুত নয়। আবার মার্কেটে মিড লেভেলের টেকনিক্যাল কর্মীর চাহিদা আছে, কিন্তু সেটা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করছে না। ফলে অধিক খরচে বিদেশি কর্মী আনছে উদ্যোক্তারা। আর উচ্চ দক্ষতার শিক্ষার্থীদের জন্য হাইভ্যালু এডিশন ইন্ডাস্ট্রি গড়তে হবে। এজন্য প্রচুর বিনিয়োগ দরকার।’

তবে পরিকল্পনা কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. শামসুল আলম বলেছেন ভিন্ন কথা। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘দেশে কাজ নেই বললেও বিদেশিরা এসে কাজ করছেন। হয়তো মনমতো কাজের অভাব আছে, তাই বলে কাজ নেই এ ধারণা অবান্তর। সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটদের পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করছে। অথচ তারা বিদেশে চলে যাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে দেশ প্রেমের অভাব রয়েছে।’

 

মেগা বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মসংস্থানের হাতছানি : রাশিয়ার অর্থায়ন ও কারিগরি সহযোগিতায় নির্মাণাধীন পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে এক্সিকিউটিভ (প্রশিক্ষণ) হিসেবে গত এপ্রিলে যোগ দিয়েছেন ঢাকা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) ছাত্র শ্যামল রায়। গেল সেপ্টেম্বরে পরমাণু প্রকৌশল ও প্রযুক্তির ওপর প্রশিক্ষণ নিতে তাকে রাশিয়ার রোসাটম টেকনিক্যাল একাডেমিতে পাঠায় রূপপুর কর্র্তৃপক্ষ। গত শুক্রবার রাশিয়া থেকে টেলিফোনে দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেন, ‘দেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট চালানোর জনশক্তি হিসেবে দেশীয় ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করা হচ্ছে। আমাদের গ্রুপে ১০ জন ফ্রেশ ও হালকা অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার এসেছে। আরও কয়েকটি গ্রুপে অন্যরা ট্রেনিং করছেন। এর আগেও অনেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে গেছেন। নিজের দেশেই এত বড় কাজের সুযোগ, সত্যি এ এক দারুণ অভিজ্ঞতা।’

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রটির দুটি চুল্লি উৎপাদনে এলে এটি ব্যবস্থাপনার জন্য ২ হাজার ৭০০ জনশক্তির প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে পরমাণু প্রকৌশল ও প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন প্রকৌশলী থাকবেন ১ হাজার ৭০০ জন। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ৩০০ জন (অভিজ্ঞ-অনভিজ্ঞ) প্রকৌশলী নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

অন্যদিকে ১৩২০ মেগাওয়াটের রামপাল কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজীম দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন, প্রকল্পটি শুরুর সময় ৫০ জন ভারতীয় কর্মকর্তা কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪০ জন। কেন্দ্রটির মূল প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) এখন তাদের নিজস্ব জনবল তৈরি করছে। বর্তমানে সেখানে অভিজ্ঞ-অনভিজ্ঞ মিলে ৩০ জন প্রকৌশলী কর্মরত। এছাড়া আরও ৩০ জন প্রকৌশলী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান আছে। আর আগামী এক বছরে এই সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যাবে। একইভাবে নির্মাণাধীন পায়রা ও মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বড় প্রকল্পগুলো পরিচালনায় দেশীয় জনশক্তি তৈরির কাজ চলছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বড় প্রকল্প তৈরির অভিজ্ঞতা আমাদের না থাকায় বিদেশি প্রযুক্তি ও জ্ঞানে এগুলো তৈরি করা হচ্ছে। নির্মাণ শেষে আমাদের প্রকৌশলীরাই এগুলো চালাবেন। দেশে এখন টেলিকম, বিদ্যুৎ ও জ¦লানি খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে কেউ যদি মনে করেন বিদেশের মতো শুরুতেই মাসে ২ লাখ টাকা বেতন পাবেন, তাহলে এই সুযোগ দেশে এখনো নেই, ভবিষ্যতেও হবে না।’

Source:  https://www.deshrupantor.com/last-page/2019/12/15/187024?fbclid=IwAR3lg-Fk27reR7CP8vARV7uAbi-v5t7kKnd-hRXloeuyPrmxzAdmSGyYVo4

লিখাঃ আশরাফুজ্জামান মণ্ডল | ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

12
চলুন কিছু ছবির মাধ্যমে ঘুরে আসি Daffodil International University Permanent Campus

ছবি তুলেছেন ঃ Robin Son Robin



গ্রিনগার্ডেন রেস্টুরেন্টের ছাদ থেকে এই ছবি টি তোলা হয়েছে এই ছবি তে দেখতে পারবেন এডমিশন অফিস, একাডেমিক বিল্ডিং ৪ (এবি ৪), বিশাল সবুজ খেলার মাঠ, ও একাডেমিক বিল্ডিং ১ (এবি ১) এর কিছু অংশ।



এই ছবি টি তোলা হয়েছে এবি ৪ এর ১৪ তলা থেকে, এই ছবির মধ্য ক্যাম্পাসের ৫০% দেখতে পাবেন। ছবিটির বা পাশে যে বিল্ডিং টি দেখা যাচ্ছে এটি হলো একাডেমিক বিল্ডিং ১,তার পাশেই ছোট নীল ছাদওয়ালা বিল্ডিং টি হলো একাডেমিক বিল্ডিং ২, তার সামনে হলো মসজিদ, আর যে লম্বা বিল্ডিং টি দেখা যাচ্ছে এটি হলো একাডেমিক বিল্ডিং ৩ (এবি৩)। এবি ৩ এর সামনেই অবস্থিত গ্রিনগার্ডেন রেস্টুরেন্ট
আর ছবির ডান পাশে সেটির সাথে আপনারা আগেই পরিচিত হয়েছেন।
ওকে আবার পরিচিত করিয়ে দিচ্ছি এটি হলো এডমিশন অফিস




এই ছবিটিও গ্রিনগার্ডেন রেস্টুরেন্টের ছাদ থেকে তোলা এডমিশন অফিস ও তার সামনে সুন্দর রাস্তা। রা.বি তে যেমন আছে প্যারিস রোড, আমাদের ক্যাম্পাসেও আছের প্যারিস রোড এর চেয়েও সুন্দর এই রোড




ফাউন্টেন আর তার চারদিকে রয়েছে পানির ফুয়ারা।
কাচে ঘেরা যে বিল্ডিং টি দেখতেছেন এটি হলো গ্রিনগার্ডেন রেস্টুরেন্টের পিছনের অংশ।



অই যে বিশাল বড় সাদা বিল্ডিং টা দেখা যাচ্ছে এটি হলো এবি ৪, মনে হচ্ছে এটি এডমিশন অফিস এর সাথেই কিন্তু না এবি ৪ এ যেতে হবে আপনাকে অনেক টায় ঘুরে যেতে হবে আর বেশ ভালো সময়ও লাগে



এডমিশন অফিস এর সামনে অংশ এবং প্রধান ফটক



কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
এডমিশন অফিস এর পাশেই এটি অবস্থিত



এই ছবি টি তোলা হয়েছে DIU Cafeteria এর সামনে থেকে, গ্রিনগার্ডেন রেস্টুরেন্ট ও এবি ৩ এর মাঝ খানে যে রাস্তা টা দেখতেছেন এর আশে পাশে দেখতে পাবেন বিভিন্ন গাছ দিয়ে সুন্দর ভাবে সাজানো হয়েছে।।। একটু সামনে গেলেই পাবেন পাইথন রোড



DIU



গল্ফ মাঠ ⛳



মেইন গেইট দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার সময় এই ফাকা জায়গা দিয়ে প্রথমেই আপনার চোখে পরবে মসজিদ ও এবি ১



গ্রিনগার্ডেন রেস্টুরেন্টের ছাদে এই দিকে আসলে আপনি দেখতে পারবেন এবি৩ সহ গল্ফ বল ফাউন্টেন, এবি ২ ও এবি ১, একটু উপরে থেকে কিছু দেখলে এমনি সব কিছু ভালো লাগে।



এই হলো গ্রিনগার্ডেন রেস্টুরেন্ট — at Green Garden,daffodil International University.



এবি ১ এর ৬ তলা থেকে



ক্যাম্পাসের সবুজের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে লাগানো হয়েছে বিভিন্ন রকমের গাছ।



এবি ১ এর সামনে অংশ




এবি ১ থেকে গেইট দিয়ে অই যে দেখা যাচ্ছে এবি ৪



চারদিকে সুধু সবুজ থাকলে কেমন জানি লাগে মনে হয় চিনি ছারা সরবত, তাই এই অভাব পূরন করতে লাগানো হয়ে বিভিন্ন বাহারি ফুলের গাছ



সবুজের মাঝে লাল





ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার পর এরকম ক্রিয়েটিভ জিনিস অনক কিছু দেখতে পারবেন



আপনারা যদি ভাবেন এই ছবিটি কোনো পার্ক থেকে তোলা, তাহলে সেটা আপনাদের ধারনা ভুল এটি কোনো পার্কের ছবি না।। আমাদের ক্যাম্পাসে বনমায়া নামের একটি সুন্দর জায়গা আছে, আর সেই বনমায়ে তে গেলেই সবার আগে আপনাদের চোখে পরবে পাশাপাশি দুটি দোলনা, আপনার যদি মন খারাপ থাকে তাহলে চলে আসুন আমাদের ক্যাম্পাসে আর দোল খান এই দোলনাতে তাহলে সিওর আপনার মন ভালো হয়ে যাবে।



এটি হচ্ছে সেই বনমায়া যা ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য কে অনেকটা বৃদ্ধি করেছে। ক্যাম্পাসের সব ছোটখাটো প্রোগ্রাম গুলা এখানেই হয়



এখানে যে সুন্দর জায়গা টা দেখতেছেন এটি হচ্ছে কাঠালতলা এটিকে নলেজ ভ্যালিও বলা হয়, এটি একাডেমিক বিল্ডিং ৪ এর পাশেই অবস্থিত



মাঝখানেরটা হলো সুবিশাল অডিটোরিয়াম এখানে একসাথে ১০ হাজার অডিয়েন্স বসতে পারে। ফাউন্ডেশন, কনভকেশন এর মত বড় বড প্রোগ্রাম গুলা এখানেই অনুষ্ঠিত হয়, আর সাথে ত বাকি প্রোগ্রাম হতেই থাকে একের পর এক



ঝর্ণা, সাথে আছে একুরিয়াম, একাডেমিক বিল্ডিং ৪ থেকে অডিটোরিয়াম এ যাওয়ার সময় হাতের বাম দিকে খেয়াল করলেই এটি দেখতে পারবেন।।। আর আপনার মনে হবে এখানে একটি ছবি তুলতেই হবে



এই যে দেখতেছেন আরেকটি দোলনা, এটিও সেই বনমায়ে তে অবস্থিত, এই দোলনা গুলো তে ছবি না তুললে মনে হবে আপনার জীবন টাই বৃথা🙄🙄




এটা আবার কি????🙄🙄🙄

এটা হলো বাস্কেটবল গ্রাউন্ড। আপনি যদি খেলা প্রিয় মানুষ হন তাহলে আপনার মনে হবে এখানে একটু বাস্কেটবল খেলে যাই🏀🏀🏀



Source: https://www.facebook.com/photo.php?fbid=1437643893066247&set=pcb.1437648993065737&type=3&theater

13
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিঃ বাংলাদেশে বিশ্বমানের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান



Source: https://epaper.jugantor.com/2019/09/09/index.php

14


কম খরচে গ্রাহককে একেবারে পিনপয়েন্ট করে বিজ্ঞাপন প্রচারের উপায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেভাবে মেলে, প্রচলিত গণমাধ্যমে সেভাবে মেলে না। এ কারণে নির্দিষ্ট গ্রাহকেদের কাছে পৌঁছানো বা বিজ্ঞাপন প্রচারে এই মাধ্যমটি সারা দুনিয়াতেই জনপ্রিয় হয়েছে-হচ্ছে। এটি ডিজিটালাইজেশানের বাই প্রডাক্ট।

বিজ্ঞাপনের এই তত্ত্ব মেনে নিয়েই আলোচনাটা তুলছি গেলো সপ্তাহের একটি সংবাদকে ধরে। গত সপ্তাহে ডিজিটাল সেগমেন্টের যে প্রতিবেদনটিতে চোখ আটকে গেলো সেটি হলো– মাত্র তিনটি বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন বাবদ ১০৪ কোটি ডলার বা ৮ হাজার ৭৪৪ কোটি ২০ লাখ টাকা খরচ করেছে!

প্রতিবেদনে অর্থের অংকটি যে সঠিক নয়, এবং প্রতিবেদন তৈরিতে যে ভুল হয়েছে (টাকা ডলার হয়েছে) ইতিমধ্যে সেই স্বীকারোক্তিও আমরা পেয়েছি। সুতরাং ওই অংক নিয়ে আর কথা বাড়াতে চাই না।

প্রশ্নটা হলো- এই খাতে আসলে কতো খরচ হচ্ছে? আসলেই বছরে কতো টাকা চলে যাচ্ছে ফেসবুক-গুগল-ইউটিউব-ইয়াহু বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মগুলোর অ্যাকাউন্টে? এর কতোটাই বা সঠিক পদ্ধতিতে ব্যাংকিং চ্যানেলে ওই সব প্ল্যাটফর্মের অ্যাকাউন্টে যাচ্ছে?

ফেসবুক-গুগলের বাংলাদেশের বাজার ও আয় নিয়ে গত দুই বছর ধরে আলোচনা চলছে বেশ জোরেসোরে। আদালতের রিট আবেদনের পর গোয়েন্দা সংস্থাও এর খোঁজ-খবরে মাঠে রয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও কিছু নির্দেশনা দিয়েছে ব্যাংকগুলোকে। সামাজিক ওইসব মাধ্যমকে বলা হয়েছে ঢাকায় অফিস খুলতে হবে। কিন্তু, প্রশ্ন হলো- এই সব আয়োজনই কি যথেষ্ট? সব টাকাই কি তাতে ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করা হবে বা হচ্ছে?

এই প্রশ্নের উত্তর নেওয়ার আগে জেনে নেই কারা-কারা যোগাযোগ বা বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্যে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কাছে যাচ্ছেন? শুধু বড় বড় কোম্পানিই ওখানে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে, সেটা ভাবলে কিন্তু একেবারেই ভুল হবে। ছোট ছোট কোম্পানির খরচের অংকই এখানে বড়। যেকোনো ডিজিটাল সেবা কোম্পানি তো রয়েছেই; সেই সঙ্গে ছোট-বড় প্রায় সব কোম্পানি; পাড়া-মহল্লার ব্যবসা-সেবা প্রতিষ্ঠানও এখন ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গ্রাহক ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে। কারা এখন বিজ্ঞাপন প্রচারের আধুনিক এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নেই?– সেটিই বরং অনুসন্ধানের বিষয় হতে পারে।

বাচ্চাদের জন্যে টিউটর খোঁজা থেকে শুরু করে চুল কাটানো, লন্ড্রি সেবা, বাসার বুয়া বা সিএনজি খোঁজ খবরও আছে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের কাতারে। ই-কমার্স বা ফেসবুকের ওপর নির্ভর করে যারা ব্যবসা করছেন সেই এফ-কমার্সও শতশত ডলার খরচ করছে তাদের পণ্যের খবর বুস্ট করতে।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন প্রচারের এই বিষয়টিতে সম্ভবত কারো কোনো আপত্তি নেই। আপত্তিটা হলো- ফেসবুক-গুগল কারোই তো বাংলাদেশে কোনো অফিস নেই। ফলে বাংলাদেশ থেকে শতশত কোটি টাকা আয় করলেও এখান থেকে সরকারের আয়ের অংক সামান্যই।

দেশের একটি গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করলে ১৫ শতাংশ ভ্যাট পায় সরকার। সঙ্গে ৪ শতাংশ পায় অগ্রিম আয়কর হিসেবে। কিন্তু, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন প্রচার করলে অনেক ক্ষেত্রেই ট্যাক্সের এই অংককে এড়িয়ে যাওয়া যায়।

ডিজিটাল সেবা বা বিজ্ঞাপনের ওপর ট্যাক্স আরোপের ক্ষেত্রে আমরা কিন্তু খুব একটা পিছিয়ে নেই। ভারত যেমন ২০১৮ সালে তাদের ডিজিটাল সেবার ওপর ১৮ শতাংশ ট্যাক্স আরোপ করেছে। যদিও ২০১৬ সালে তারা ৬ শতাংশ লেভি নিতো। তবে ওদের ক্ষেত্রে বড় শক্তির জায়গা হলো ভারতের বাজারের আকারের কারণে প্রায় সব সামাজিকমাধ্যম বা গেটওয়ের অফিস আছে। বাংলাদেশে কিন্তু তেমনটা নেই।

ইউরোপের অনেক দেশ বা ভারতের মতো বাংলাদেশেও এখন এমন অনেক ডিজিটাল সেবা কোম্পানি রয়েছে যারা বিজ্ঞাপনের পুরো টাকাই খরচ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। এর মধ্যে আবার এমন কোম্পানিও রয়েছে যাদের এই খাতের সবটাই খরচ হয় বিদেশে বসে। তারা কখনোই তাদের ডিজিটাল প্রচারণার খরচটাকে দেশের মধ্যে আনছেন না। বরং বাইরে থেকে ফেসবুক বা গুগল অথবা অন্য কাউকে পেমেন্টটা দিয়ে দিচ্ছেন কয়েকটি রাইড শেয়ারিং এবং ই-কমার্স কোম্পানি। অথচ ওই প্রচারণার পুরোটাই চলছে বাংলাদেশের মধ্যে, নির্দিষ্ট বয়স বা এলাকার গ্রাহককে টার্গেট করে।

এর মধ্যে দারাজ তো সিআইডিকে বলেই দিয়েছেন যে তারা দেশের বাইরে বসে এই খরচ করে। একই তালিকায় আছে উবারের মতো আরো বিদেশি ডিজিটাল সেবা কোম্পানি। তাছাড়া নামে দেশীয় মনে হলেও সিঙ্গাপুর বা অন্য কোথাও বসে চালাচ্ছেন এমন কোম্পানিও একই সুবিধা নিচ্ছে।

এক্ষেত্রে আমরা মনে হয় একটা কাজ করতে পারি, যা বহু দেশ করেছে। সেটি হলো– তোমার অবস্থান যেখানেই হোক না কেনো, যেহেতু তুমি বাংলাদেশে সেবা বিপণন করছো এবং বাংলাদেশের মানুষের মাঝেই প্রচারণা চালাচ্ছো সেহেতু তোমাকে এখানে অফিস খুলতেই হবে এবং সরকারকে তার প্রাপ্য দিতেই হবে।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশের একটি বড় শক্তির জায়গা হলো আমাদের বাজারের আকার। এখন দেশে সাড়ে তিন কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছেন। এই অংকও বছরে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ হারে বাড়ছে। গুগলের নানা প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এর চেয়েও বেশি মানুষ। এতো বড় বাজার ওই সব কোম্পানি খুব কম দেশেই পায়। সুতরাং আমাদের শক্তির জায়গাটি ধরে সমাধানের পথ খোঁজা যেতে পারে।

বিদেশি কোম্পানি বাদ দিয়ে দেশীয় কোম্পানির দিকে মনোযোগ দিলেও দেখা যাবে নানা ধরনের ডিজিটাল সেবা কোম্পানি, ই-কমার্স এবং এফ-কমার্স মিলিয়ে দেশে এখন হাজার পঞ্চাশেক অ্যাকাউন্ট আছে। এরা দিনে পাঁচ ডলার থেকে একশ ডলার পর্যন্ত খরচ করে প্রচারে। তাতে এক দিনেই খরচের অংক কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছায়। মাস শেষ না হতেই শত কোটি পেরিয়ে যায়- এমনটা সংশ্লিষ্টদের হিসাব।

অনেকদিন থেকে এই খাতের সঙ্গে যুক্ত আছেন, গবেষণা করছেন এমন অনেকের সঙ্গে কথা বলে যেটা বুঝেছি, বাংলাদেশ এখন বছরে অন্তত দুই হাজার কোটি টাকার ডিজিটাল প্রচারণার বাজার। একই সঙ্গে বাজারটি প্রতি বছরই ফেসবুকের প্রবৃদ্ধির মতো করেই বড় হচ্ছে। কিন্তু, খটকা লাগে যখন দেখি গত পাঁচ বছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে ফেসবুক আর গুগলের অ্যাকাউন্টে মাত্র ১৩৫ কোটি টাকা গেছে। অথচ ২০১৪ সাল থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

ব্যাংকের দিক থেকে পাওয়া হিসাবে বলছে, ফেসবুক-গুগলের বাইরে আর একটি মাত্র অ্যাকাউন্টে দেশে থেকে টাকা গেছে। ব্যাংকের হিসাবে নেই ইয়াহু বা ইমোর নাম। অথচ মোবাইল ফোন অপারেটররা তাদের ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের প্রচার খরচের যে হিসাবটা দিয়েছে সেখানে অন্তত এই দুটি প্ল্যাটফর্মের নাম উল্লেখ করেছে রবি এবং বাংলালিংক। তাহলে কী দাঁড়ালো? বুঝতে আর বাকি থাকে না যে এই দুটি প্ল্যাটফর্মে যাওয়া টাকা অন্তত সঠিক ব্যাংকিং চ্যানেলে যায়নি।

আরেকটি প্রশ্নও আসছে এখানে। ব্যাংক বলছে, তাদের মাধ্যমে গেছে ১৩৫ কোটি টাকা। অথচ গ্রামীণফোন-রবি-বাংলালিংক যে হিসাব দিয়েছে তাতে এই খাতে তাদের সম্মিলিতভাবে ব্যয় ৪৩৫ কোটি টাকা। তাহলে বাকি তিনশ কোটি টাকা কি অন্য কোনো উপায়ে গেছে? অন্যান্য কোম্পানির হিসাবে তো বাইরেই থাকলো।

কিছু দেশীয় সফটওয়ার কোম্পানি এখন সরকারের কাছ থেকে বিদেশে তাদের পণ্যের প্রসারে কার্ডের মাধ্যমে ১২ হাজার ডলার পর্যন্ত খরচের সুযোগ পান। এই কার্ড দিয়ে অনেকে পেমেন্ট করছেন। তাছাড়া দেশের বাইরে থেকে অনেকে যেমন পেমেন্ট করিয়ে নিচ্ছেন। আবার বিদেশি কার্ড দিয়েও দেশের ভেতরে বসে পেমেন্ট করানো হচ্ছে। ফলে যা হবার তাই-ই হচ্ছে। সরকার বঞ্চিত হচ্ছে। তাহলে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায়?

উপায় তো নিশ্চয় একটা করতেই হবে। এক্ষেত্রে ধরেই নিতে হবে, ১০ বা ২০ শতাংশকে সঠিক চ্যানেলে আনা যাবেই না। কিন্তু বাকি ৮০ বা ৯০ শতাংশের খরচটা অন্তত যেনো সঠিক চ্যানেলে আনা যায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে। সেটি নিশ্চিত করতে ডিজিটাল স্পেসে থাকা আমাদের সাড়ে তিন কোটি গ্রাহকই বড় শক্তি। ব্যববহারকারীর এই সংখ্যার ওপর জোর দিয়ে হলেও বাংলাদেশে ফেসবুক-গুগলের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

 

মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম: সিনিয়র রিপোর্টার, দ্য ডেইলি স্টার
Source: https://www.thedailystar.net/bangla/%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a4/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-119461

15
আমাদের ডি আই ইউ সেন্টাল মসজিদ 🕌

ছবি তুলেছেনঃ G. M. Sarkar, Student, DIU


Pages: [1] 2 3