Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - farjana aovi

Pages: [1] 2 3 ... 7
1
লিভার সিরোসিসে যকৃতে সূক্ষ্ম সুতার জালের মতো ফাইব্রোসিসের বিস্তার ঘটে। যকৃতে ছোট ছোট গুটি দানা বাঁধে। ক্রমে যকৃৎ স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারায়। বাংলাদেশে লিভার সিরোসিসের মূল কারণ হেপাটাইটিস বি এবং সি। এ ছাড়া দীর্ঘদিন অ্যালকোহল গ্রহণ, যকৃতে মাত্রাতিরিক্ত চর্বি, অতিরিক্ত আয়রন, কপার জমে যাওয়া এবং কিছু অটোইমিউন রোগের (দেহের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থায় কোনো অস্বাভাবিকতার কারণে সৃষ্ট) কারণেও লিভার সিরোসিস হতে পারে।
লিভার সিরোসিস হলেই যে রোগীর মৃত্যু হবে, তা কিন্তু হয়। এ রোগের আধুনিক চিকিৎসা রয়েছে এবং এর সব কটি বাংলাদেশেই সম্ভব। হেপাটাইটিস বি প্রতিরোধে রয়েছে কার্যকর ভ্যাকসিন। জন্মের পরপর কিংবা ইপিআই শিডিউলে বাচ্চাদের হেপাটাইটিস বির টিকা দেওয়া হয়। হেপাটাইটিস বির টিকা সারা জীবন ধরে সুরক্ষা দিয়ে থাকে। হেপাটাইটিস সি প্রতিরোধে কোনো টিকা নেই। তবে অরক্ষিত যৌন সম্পর্ক পরিহার, একই ক্ষুর বা রেজরে একাধিক ব্যক্তির শেভ না করা, যেকোনো প্রকার মাদকাসক্তি পরিহার, রক্ত পরিসঞ্চালনের আগে যথাযথ পরীক্ষা, চিকিৎসার যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে জীবাণুমুক্ত করে অস্ত্রোপচার, দাঁতের চিকিৎসায় জীবাণুমুক্ত সরঞ্জাম ব্যবহারের মাধ্যমে হেপাটাইটিস বি এবং সি থেকে নিরাপদ থাকা সম্ভব।

লিভার সিরোসিস হলে সঠিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এর জটিলতা রোধ করা যায় এবং একে নিয়েই দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা সম্ভব। রাস্তাঘাটে বিক্রি হওয়া দূষিত পানীয়, মাড়াই আখের রস, ব্যবহার হওয়া বরফ, শরবত, কেটে রাখা ফলফলারির মাধ্যমে হেপাটাইটিস এ এবং ই-এর সংক্রমণ হয়। এভাবে জন্ডিসে আক্রান্ত হলে লিভার সিরোসিস আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। এই সমস্যায় আক্রান্ত হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা যাবে না।
Source: Prothom alo

2
কৃমি অনেক পুরাতন একটি পেটের সমস্যা। বিভিন্ন বয়সী মানুষদের এই সমস্যা হতে পারে। তবে শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা সবচাইতে বেশি দেখা যায়। প্রায় সময় শিশুদের পেটে ব্যথা, বমিবমি ভাব, খাদ্যে অরুচি, পায়খানার রাস্তায় চুলকানি ইত্যাদি হয়ে থাকে। এইসব লক্ষণ দেখা দিলেই বুঝে নিতে হবে শিশুটি কৃমিতে আক্রান্ত হয়েছে।
কৃমি হলো একধরনের পরজীবী। এটি মানুষের অন্ত্রে বাস করে। বিভিন্ন প্রকারের কৃমি হয়ে থাকে, যেমন- গোল কৃমি, সুতা কৃমি, ফিতা কৃমি, বক্র কৃমি। এগুলো  বিভিন্ন আকারেরও হয়ে থাকে।

 
কৃমি সাধারণত কেন হয়?বিভিন্ন কারণে কৃমি হয়ে থাকে। অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবহার, অপরিষ্কার ঘরবাড়ি, টয়লেট-এর পর হাত ভালোভাবে না ধোয়া, দূষিত পানি ব্যবহার, খাবার ভালোভাবে না ধুয়ে রান্না করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করা, হাতের নখ বড় রাখলে এবং অর্ধসেদ্ধ গরুর মাংস খেলে কৃমি হতে পারে। অনেকে মনে করেন মিষ্টি খেলে কৃমি হয়ে থাকে এটি একটি ভুল ধারণা। মিষ্টি খাওয়ার সাথে কৃমি হওয়ার কোনো সম্পর্কই নেই।
শিশুদের কৃমি হলে কী হয়?
শিশুরা সাধারণত বেশি কৃমিতে আক্রান্ত হয়ে থাকে। কৃমিতে আক্রান্ত হলে শিশুর শরীরের বিস্তার ভালোভাবে ঘটে না, শিশু অপুষ্টিতে আক্রান্ত হয়। কৃমি অন্ত্রে রক্তপাত ঘটিয়ে শিশুকে রক্তশূন্য করে ফেলে। আবার অন্ত্রে পরিপাক ও শোষণে বাঁধার সৃষ্টি করে, যার ফলে শিশুর ডায়রিয়া হয়ে থাকে। এভাবে শিশু দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শিশুর বিকাশ ঠিকভাবে ঘটে না।
শিশুদের কৃমি কেন হয়?

১. শিশুকে অপরিষ্কার রাখলে।

২. ৬ মাস বয়স পর্যন্ত বুকের দুধের বাহিরে অন্য কিছু খাওয়ালে।

৩. শিশু খালি পায়ে থাকলে পায়ের নখের ভেতরে কৃমির ডিম প্রবেশ করে অন্ত্রে পৌঁছায়। এভাবে শিশু কৃমিতে আক্রান্ত হয়।

৪. খাওয়ানোর পূর্বে হাত ঠিক করে পরিষ্কার  না করলে।

৫. নিয়মিত গোসল না করালে।

৬. শিশুর নখ নিয়মিত না কাটলে।
শিশুর কৃমি প্রতিরোধে করনীয়

(১) ৬ মাস পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ানো
শিশু জন্মের পর থেকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ ছাড়া অন্য কিছু দেয়া যাবে না। ৬ মাস এর পর থেকে দুধের পাশাপাশি অন্য খাবারও দেয়া যাবে। কিন্তু এর আগে অন্য খাবার দিলে খাবারের সাথে শিশুর পেটে কৃমির ডিম ঢুকে পরতে পারে। তাই ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে মায়ের দুধই খেতে দিতে হবে।

(২) পরিষ্কার পানি ব্যবহার
পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি ব্যবহার করতে হবে। পানি পান করা থেকে শুরু করে ধোয়া-মোছা, রান্নাবান্না, সবক্ষেত্রে পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি ব্যবহার করা আবশ্যক।

(৩) খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস দূরীকরণ
খালি পায়ে হাটার অভ্যাস দূর করতে হবে। খালি পায়ে হাঁটলে পায়ের নখ দিয়ে কৃমির ডিম শিশুর অন্ত্রে পৌঁছায়। তাই শিশুকে খালি পায়ে হাঁটা থেকে বিরত রাখতে হবে।

(৪) নিয়মিত গোসল করানো
শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। শিশুকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে শিশুর শরীরের ময়লা আবর্জনার সাথে কৃমির ডিম শিশুর অন্ত্রে পৌঁছায়, যার ফলে শিশু কৃমিতে আক্রান্ত হয়।

(৫) প্রতি ৪ মাস পরপর কৃমির ঔষধ খাওয়া
প্রতি ৪ মাস পরপর পরিবারের সবাইকে কৃমির ঔষধ সেবন করতে হবে,কেনোনা পরিবারের একজনের কৃমি হলে বাকিদেরও কৃমি হয়ে থাকে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে প্রতি ৪ মাস পরপর কৃমির ঔষধ খেতে হবে।

কৃমির ঔষধ সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। শরীর ভালো থাকলে ঔষধ নিরাপদ হলেও অসুস্থ অবস্থায় বিপদজনক হতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কৃমির ঔষধ সেবন করা ঠিক না।

 
সংগৃহীত: কেপিটেলকেমিস্ট.কম

3
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ডেঙ্গু ভাইরাস বাহিত এডিস ইজিপ্টাই (aedes aegypti) নামক মশার কামড়ে হয়। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশা কাউকে কামড়ালে সেই ব্যাক্তি ৪ থেকে ৬ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে। আবার এই আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোন জীবানু বিহীন মশা কামড়ালে সেই মশা ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। এভাবে একজন থেকে অন্য জনে মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়িয়ে থাকে। এডিস মশা আবার ৪ ধরনের হয়। যাকে সেরোটাইপ (serotype) বলা হয়। তবে কোন সেরোটাইপেকে আক্রান্ত হলো আর কোন সেরোটাইপের জটিলতা কেমন তা নিয়ে গবেষণা না থাকায় চিকিৎসকদের কাছে এখনও আলাদা কোন নির্দেশনা নেই।
লক্ষণ বা উপসর্গ
১) তাপমাত্রা

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে জ্বরের তাপমাত্রা হয় অনেক বেশি। গড়াতে পারে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত।
২) র‍্যাশ

রোগীর সারা গায়ে ঘামাচিরমতো লাল লাল র‍্যাশ উঠতে পারে। সাধারণত বুকের দিকে বেশি দেখা যায়। এই র‍্যাশ এ চাপ দিলে ঐ জায়গাটা সাদা হয়ে যাবে আবার কিছুক্ষণ পর লাল র‍্যাশটা ফেরত চলে আসবে।
৩) মাড়িতে রক্তক্ষরণ
৪) মলের রঙ পরিবর্তন

ডেঙ্গু জ্বর হলে মলের রঙ পরিবর্তন হতে পারে অর্থাৎপায়খানা কালো হতে পারে।
৫) অনুচক্রিকার সংখ্যা

জ্বরের তীব্র পর্যায়ে ধমনী ছিদ্র হয়ে যেতে পারে এবং রক্তে অনুচক্রিকার সংখ্যা কমে যেতে পারে। ডেঙ্গুর এ তীব্র মাত্রাকে ডাক্তারি ভাষায় “ডেঙ্গু হেমোরেজিক (dengue hemorrhagic)” বা “ডেঙ্গু শক সিনড্রোম (dengue shock syndrome) ” বলা হয়। ডেঙ্গু শক সিনড্রোম-এর উপসর্গ হলো শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা হওয়া কিংবা শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বেড়ে যাওয়া, অবিরাম অস্বস্তি এবং অবসাদ। অনেক ক্ষেত্রে কিডনি (kidney) বিকল হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকে।

এছাড়াও বিরামহীন মাথা ব্যথা, বমি ভাব ও বমি হওয়া, হাড় ও হাড়ের জোড়ায় ব্যথা, পেশীতে ব্যথা, গ্রন্থি ফুলে যাওয়া, চোখের পেছনে ব্যথা হওয়া ইত্যাদি হতে পারে।
Source: shajgoj.com

4
Pharmacy / The Immune System
« on: July 03, 2019, 10:43:55 AM »
This video describes the Immune System and explains how it detects and attacks any foreign organism that enters the body.  Please go through: https://youtu.be/G4jobV6-bFA

5
কোমরের ব্যথায় ভুগতে হয় নি এমন মানুষ দেখাই যায় না। কষ্ট কেমন হয় তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই জানেন। কোমর ব্যথা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে রয়েছে নানা ধরনের ভ্রান্ত ধারণা। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সব অবৈজ্ঞানিক ভুল চিকিৎসা। ফলে ব্যথায় জর্জরিত হচ্ছেন মানুষ, কিন্তু আসল চিকিৎসা আর হচ্ছে না। গবেষণায় দেখা গেছে, সমগ্র বিশ্বে শারীরিক অক্ষমতার সব ভয়াবহ কারণের মধ্যে কোমর ব্যথা অন্যতম। সব জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বয়স্ক জনগোষ্ঠীর শতকরা ৭০ ভাগ মানুষ জীবনে কোন না কোন সময় কোমর ব্যথায় আক্রান্ত হচ্ছেন। আসুন তাহলে আজ জেনে নেই এর কিছু কারণ ও তা থেকে পরিত্রাণের উপায় সম্পর্কে।

 
যে সব কারণে কোমর ব্যথা হতে পারে

১) বসার চেয়ার টেবিল ঠিকমতো না হলে বা ঠিকমতো না বসলে বা সামনে-পেছনে ঝুঁকে বসলে কোমরে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

২) যাঁরা অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে একই ভঙ্গিতে কাজ করেন। এতে দেখা যায়, কোমরে ব্যথা প্রচণ্ড হয়ে থাকে।

৩) যাঁরা শুয়ে বা কাত হয়ে বই পড়েন বা অন্য কাজ করেন, তাঁদের মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ব্যথা অনুভূত হয় ।

৪) অনেকেই আছেন যাঁরা কোনো ভারী জিনিস সঠিক নিয়মে তোলেন না। ফলে মেরুদণ্ডে অস্বাভাবিক চাপ পড়ে এবং তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যথা হয়।

৫) একটি হাড়ের সঙ্গে আরেকটি হাড় লেগে থাকে, তাঁর মাঝের জায়গাটিকে ইন্টারভার্টিব্রাল ডিস্ক (Intervertebral disc) বলে।

shaj

এই তিনটি জায়গার যেকোনো একটি যদি এলোমেলো হয়ে যায়, যেকোনো একটি জায়গায় যদি সমস্যা হয়ে যায়, তাহলে কোমর ব্যথা হতে পারে।

৬) মহিলাদের হাড় ক্ষয় জনিত সমস্যার কারণে ৩০-৩৫ বয়সের পর থেকে কোমর ব্যথা হতে পারে।

৭) এছাড়াও স্পন্ডাইলাইটিস (Spondylitis) বা হাড়ের প্রদাহ, আরথ্রাইটিস, স্নায়ুর রোগ বা ইঞ্জুরি ইত্যাদি কারণেও কোমর ব্যথা হতে পারে।
কাদের বেশি হয়

১. কোমরে ব্যথা সাধারণত বয়সের সাথে সাথে বাড়ে। বেশি দেখা যায় ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সের পর থেকে।

২. কায়িক শ্রম এর অভাব বা নিয়মিত ব্যায়ামের অভাবে পেট ও পিঠের মাংসপেশি চাপ ধরে যায়। ফলে একটু পরিশ্রমেই ব্যথা হতে পারে।

৩. অতিরিক্ত ওজনের কারণে কোমরের মাংসপেশি এবং হাড়ের ওপর চাপ পড়ে। ফলে ব্যথা হতে পারে।

অতিরিক্ত মোটা হওয়াতে কোমর ব্যাথাতে আক্রান্ত - shajgoj.com

৪. অনেক সময় কিডনিতে পাথর হলে বা প্রস্রাবে ইনফেকশন হলেও কোমরে ব্যথা হতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে শুধু কোমরে ব্যথাই না, অন্য আরো অনেক উপসর্গও থাকবে। তাই কোমরে ব্যথা হলেই সেটা কিডনি স্টোন বা ইউরিন ইনফেকশন নয়।

৫. ডিপ্রেশন বা স্ট্রেস-এর কারণেও কোমরে ব্যথা হতে পারে।

৬. মদ্যপান এবং স্মোকিং-এর কারণেও কোমরে ব্যথা হয়। স্মোকিং-এর কারণে রক্তনালী চিকন হয়ে যায় এবং কোমর থেকে নিচের দিকে ঠিকমত রক্ত প্রবাহ হয় না। যার ফলে হাড় ঠিকমত পুষ্টি পায় না এবং দুর্বল হয়ে পড়ে।
চিকিৎসা

কোমর ব্যথার চিকিৎসার মূল লক্ষ্য হলো ব্যথা নিরাময় করা এবং কোমরের নড়াচড়া স্বাভাবিক করা। পরিপূর্ণ বিশ্রামে তীব্র ব্যথা কমে গেলেও ওজন তোলা, মোচড়ানো পজিশন, অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম ও সামনে ঝুঁকে কাজ করা বন্ধ করতে হবে। সঠিক উপায়ে বসার অভ্যাস করতে হবে এবং প্রয়োজনে ব্যাক সাপোর্ট ব্যবহার করতে হবে। গরম সেঁক (গরম প্যাড, গরম পানির বোতল বা উষ্ণ পানিতে গোসল) নিতে হবে। পেশি নমনীয় ও শক্তিশালী হওয়ার ব্যায়াম করতে হবে। এছাড়াও আরো কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারেন, যেমন-

১) একই সাথে ঠান্ডা ও গরম সেঁক থেরাপি নিতে পারেন। ১০ মিনিট গরম সেঁক নিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, কিছুক্ষণ পর আবার ঠান্ডা পানি বা বরফ চেপে ধরুন। এভাবে কয়েকদিন করলে ব্যথা একেবারে না সারলেও আরাম পাবেন।
লিখেছেন - ডাঃ মারুফা আক্তার

6
Pharmacy / ডেঙ্গুর মৌসুম
« on: June 27, 2019, 10:41:53 AM »
কীভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা যায়

• বাড়িতে বা বাড়ির আশপাশে কোথাও পানি জমতে দেবেন না। টব, ভাঙা বাটি, নারকেলের মালা, এসির পানি, পরিত্যক্ত টায়ার, ছোট–বড় গর্ত সব খেয়াল রাখবেন।

• বাথরুমের বালতিতে পানি ধরে রাখা লাগলে বালতিতে ঢাকনা ব্যবহার করবেন।

• মশারি ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে কিছুক্ষণ পরপর মশার ওষুধ স্প্রে করুন।

সহকারী অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

7
ছোট্ট শিশুরা পাখির মত। হাসবে খেলবে, আনন্দে ঘর ভরিয়ে রাখবে। কিন্তু সেই ছোট্ট শিশুর যদি হটাৎ খিঁচুনি হয় তাহলে মা-বাবার দুশ্চিন্তার অন্ত থাকে না। সাধারণভাবে শিশুদের জ্বরজনিত খিঁচুনি হয়; অর্থাৎ জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি সম্পর্কিত। এতে মস্তিষ্কের কোনো ক্ষতি হয় না। তবে পাঁচ-ছয় বছর বয়স পর্যন্ত এই খিঁচুনি বারবার হতে পারে। ইনফেকশন, শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যাওয়া, জন্মগত মস্তিষ্কের সমস্যা, সেরিব্রাল পালসি ছাড়াও বিভিন্ন রোগে শিশুর খিঁচুনি হতে পারে। জ্বর, আঘাত বা অন্য কারণে যেমন মৃগী বা এপিলেপসি রোগেও শিশুর খিঁচুনি হতে পারে।তবে সব খিঁচুনিতেই বেশি ভয়ের কিছু নেই। আর খিঁচুনি মানেই যে তা মৃগী রোগ এমনটাও নয়। আজকের লেখায় জেনে নিন তবে শিশুদের খিঁচুনি রোগ সম্পর্কে!

খিঁচুনি ও মৃগী রোগ দুটির পার্থক্য ও শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসা
১) শিশুর খিঁচুনি বা ফেব্রাইল কনভালশন

৬ মাস থেকে ৬ বছর বয়সের শিশুর জ্বর ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট হলেই অনেক সময় খিঁচুনি শুরু হয়, যা ফেব্রাইল কনভালশন নামে পরিচিত। সব ক্ষেত্রে খিঁচুনি বা কনভালশন-এর কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে কিছু কিছু রোগের কারণে জ্বরের মাত্রা বেশি হলে কনভালশন শুরু হয়। এসব রোগের মধ্যে তীব্র কাশি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, কান দিয়ে পুঁজ পড়া, প্রস্রাবের নালিতে ইনফেকশন অন্যতম। বাচ্চাদের এই খিঁচুনি দেখতে খুবি অস্বস্তিকর এবং কষ্টকর হলেও এতে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এতে আপনার বাচ্চার কোন ক্ষতি হবে না। ফেব্রাইল কনভালশন-এ ব্রেইন ড্যামেজ হয় না এবং এ থেকে মৃগী রোগ হওয়ার ও ঝুঁকি নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উচ্চ তাপমাত্রার জ্বরের জন্য বাচ্চারা খুব অল্পই ভুগে থাকে। প্রতি ৩০ জনে একজনের কনভালশন বা খিঁচুনি হতে পারে।
ফেব্রাইল কনভালশন এর চিহ্ন ও লক্ষণসমূহ

১. অতি উচ্চ তাপমাত্রার জ্বরের সাথে বাচ্চা জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারে।

২. চোখ পিটপিট করা, এক দৃষ্টিতে তাকানো অথবা চোখ উল্টে যাওয়া।

৩. শরীর, বিশেষ করে হাত ও পা কাঁপা।

শিশুর খিঁচুনি বা ফেব্রাইল কনভালশন এর সিম্পটমস - shajgoj.com

৪. প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারানো।

৫. মাংসপেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে বা কাপতে পারে।

৬. বাচ্চার মুখ লাল বা নীল হয়ে যেতে পারে।

৭. খিঁচুনি কয়েক মিনিট স্থায়ী হতে পারে।

৮. খিঁচুনি থেমে গেলে বাচ্চার জ্ঞান ফিরে আসবে, কিন্তু জ্ঞান ফিরলেও বাচ্চা ঘুম ঘুম ভাব বা খিটমিটে হয়ে থাকতে পারে।
কী করবেন বাচ্চাদের খিঁচুনি হলে?

সাধারণত এ ধরনের খিঁচুনি তখনই হয় যখন বাচ্চার শরীরের তাপমাত্রা হুট করে বেড়ে যায়। অনেক সময় অভিভাবক খিঁচুনি না ওঠা পর্যন্ত টেরই পান না যে, বাচ্চার জ্বর এসেছে। একবার খিঁচুনি শুরু হয়ে গেলে তা থামানোর জন্য আসলে তাৎক্ষণিকভাবে কিছুই করার থাকে না। তবে শিশুকে নিরাপদ রাখতে কিছু কিছু কাজ করতে পারেন। যেমন-

১) সবচেয়ে জরুরী নিজেরা শান্ত থাকা এবং শান্ত রাখা। বাচ্চাকে শান্ত রাখুন। বেশির ভাগ খিঁচুনি পাঁচ মিনিটের কম স্থায়ী হয়।

লিখেছেন - ডাঃ মারুফা আক্তার

8
Pharmacy / আদা খান, সুস্থ থাকুন
« on: June 23, 2019, 10:10:30 AM »
আদা একটি মসলাজাতীয় পণ্য। এটি চিবিয়ে খেলে ঠাণ্ডাজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায়। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা ঠাণ্ডার কারণে গলাব্যথা উপশমে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

* গলায় জমে থাকা কফ দূরেও আদা কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। দ্রুত এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে নিয়মিত আদার চিকিৎসা নিতে হবে আপনাকে। এক্ষেত্রে যা করবেন-মুখে এক টুকরা আদা নিন। এবার চিবিয়ে রসটুকু গিলে নিন। নিয়মিত এটি করলে দারুণ উপকার পাবেন।

* সর্দি-কাশির প্রকোপ তীব্রমাত্রায় হলে আদাকে অন্যভাবে খাওয়া যায়। দ্রুত উপশম পেতে আপনাকে যা করতে হবে- প্রথমে আদা কুচি কুচি করে নিতে হবে। তারপর এক কাপ গরম পানিতে রাখতে হবে। ৫ মিনিট রাখার পর খেয়ে ফেলতে হবে। সম্ভব হলে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। দেখবেন দারুণ উপকার পাচ্ছেন।

* আর চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তো কথাই নেই। নিয়মিত আদা চা খেলে মুক্ত থাকা যায় সর্দি-কাশি থেকে। আদা চায়ের রয়েছে আরও বহুবিধ উপকারিতা। এটি বমি বমি ভাব, প্রদাহ, শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা দূর করে এবং রক্ত চলাচলে উন্নতি ঘটায়।

* মুখের দুর্গন্ধ দূরেও আদার রয়েছে ঔষধি গুণ। কথা বলার সময় যাদের মুখ থেকে বিশ্রি গন্ধ বের হয়, তারা সবসময় এটি সঙ্গে রাখতে পারেন। নিয়মিত খেলে এ থেকেও মুক্ত থাকা যায়। সবার সঙ্গে আলোচনাটাও সেরে নেয়া যায় নিশ্চিন্তে।

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

9
যুক্তরাজ্যে এইচআইভি আক্রান্ত একজন রোগীকে এইডস ভাইরাসমুক্ত করার ক্ষেত্রে সাফল্য পেয়েছেন চিকিৎসকরা। এ নিয়ে দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা এ সাফল্য পেলেন। অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে ওই রোগীকে এইডস ভাইরাসমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

প্রাণঘাতী এইডস ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এইচআইভি–আক্রান্ত এক রোগীর দেহ এইডস ভাইরাসমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এই সাফল্য এইডস নির্মূলে আশাবাদী করে তুলেছে চিকিৎসকদের।

নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এ লাড়াইয়ে সাহায়ক ছিলেন এইচআইভি প্রতরোধী একজন সুস্থ ব্যক্তি। এইচআইভি সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে—এমন দুর্লভ জিনগত রূপান্তরের মাধ্যমে প্রায় তিন বছর ধরে চিকিৎসা চালানো হয়েছে।

চিকিৎসক দলের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী অধ্যাপক রবীন্দ্র গুপ্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জানান, রোগীর দেহ এখন ভাইরাসমুক্ত।
এ ঘটনার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, বিজ্ঞানীরা একদিন এইডস নির্মূল করতে পারবেন। তবে এই সাফল্যের মানে এই নয় যে এইচআইভি থেকে আরোগ্য লাভের চিকিৎসাপদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে। রবীন্দ্র গুপ্ত জানান, তার রোগীর ‘উপশম’ হয়েছে। তবে রোগী সুস্থ হয়ে গেছেন-এটা বলার সময় এখনো আসেনি।

এর আগে ২০০৭ সালে জার্মানির বার্লিনে টিমোথি ব্রাউন নামের এক মার্কিন নাগরিকের দেহ একই প্রক্রিয়ায় এইডস ভাইরাসমুক্ত করা হয়। মার্কিন ওই রোগীকে ‘বার্লিন রোগী’ বলে উল্লেখ করা হয়। তিনি এখনো ভাইরাসমুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

উল্লেখ্য, বর্তমান বিশে^ হিউম্যান ইমিউনো ডিফিসিয়েন্সি ভাইরাসে (এইচআইভি) আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৩ কোটি ৭০ লাখ।

10
বাংলাদেশসহ বিশ্ব জুড়েই ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ রোগের ভয়াবহতা দিনে দিনে বাড়ছে।

ডিমেনশিয়া মস্তিষ্কের এক ধরনের রোগ যার ফলে কিছু মনে রাখতে না পারেন না রোগী। এমনকি এ রোগটির কারণে একটু আগেই করা কাজ ভুলে যায় অনেকে।

রোগটি নিয়ে আজ ঢাকায় একটি সেমিনারের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ আলঝেইমার সোসাইটি। ডিমেনশিয়ার একটি বড় কারণ হলো আলঝেইমার্স ।

সোসাইটির একজন সদস্য এবং সাবেক এমপি সেলিনা জাহান লিটা বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, তারা অনেকদিন ধরেই বাংলাদেশে রোগটি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করছেন। কিন্তু রোগটি সরকারি বা বেসরকারি কোন দিক থেকেই যথাযথ গুরুত্ব এখনো পায়নি।

এক হিসেবে দেখা যায়, বাংলাদেশে ২০১৫ সালে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিলো পাঁচ লাখ যা আগামী ২০৩০ সালে বেড়ে নয় লাখ হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আলঝেইমার সোসাইটির হিসেবে, ২০৫০ সাল নাগাদ এ রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২২ লাখ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

"অর্থাৎ দিন দিন রোগের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। সে হিসেবে প্রতিকারের ব্যবস্থা খুব কমই," বলছিলেন সেলিনা জাহান।

"মানুষকে সচেতন করা দরকার। তাহলে আক্রান্ত হলেও মানুষ বৃদ্ধ বয়সে করুণ পরিণতির মুখোমুখি হবেনা।" কোন বয়সের মানুষ বেশি আক্রান্ত হয়?

সেলিনা জাহান লিটা বলছেন, বাংলাদেশে ষাট বছরের বেশি বয়সের বয়সের মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে ৪০-৫০ বছরে বয়সের মধ্যেও অনেককে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নিম্নবিত্তের পাশাপাশি উচ্চবিত্তের মানুষেরাও রোগটিতে আক্রান্ত হচ্ছেন।

"বাংলাদেশে বিশেষ করে যারা দারিদ্রসীমার নীচে আছেন তাদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি।"

"উচ্চবিত্ত অনেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন কিন্তু মূলত রোগটির ক্ষেত্রে বেশি দরকার সচেতনতা।"
চিকিৎসা আছে পর্যাপ্ত?

সেলিনা জাহান বলছেন, ডিমেনশিয়া নিয়ে সরকারিভাবে কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনা।

"রোগটির তেমন চিকিৎসা নেই। কিন্তু শুধু চিকিৎসার বিষয় নয়, রোগটি নিয়ে সচেতনতা তৈরি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।"

"এটি হলে রোগটিকে আমরা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবো।
বৃদ্ধ বয়সের করুণ পরিণতি থেকে রক্ষা করতে পারবো।"

তিনি বলেন, হাসপাতালগুলোতে ডিমেনশিয়া কর্নার তৈরি করার দরকার। পাশাপাশি ডাক্তার ও নার্সদের তাদের করণীয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা উচিত।

"মনে রাখতে হবে পারিবারিকভাবে সচেতনতা তৈরি হলে রোগীরা জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে করুণ পরিণতি থেকে কিছুটা হলেও রেহাই পাবেন।"

সূত্রঃ বিবিসি

11
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশের কাছাকাছি মানুষ বিভিন্ন ধরনের থাইরয়েড সমস্যায় আক্রান্ত। সে হিসাবে দেশের ৫ কোটি মানুষ এ সমস্যায় ভুগছেন। এদের মধ্যে ৩ কোটি মানুষই এ সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার কথা জানেন না। তাদের বেশিরভাগই গ্রামে বসবাস করেন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। একজন পুরুষের বিপরীতে ১০জন নারী থাইরয়েড রোগে আক্রান্ত।আজ বিশ্ব থাইরয়েড দিবস উপলক্ষে বারডেম হাসপাতাল মিলনায়তনে আয়োজিত সচেতনতামূলক এক সভায় এসব কথা বলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি এই সভার আয়োজন করে। চিকিৎসকরা বলেন, বিপুল সংখ্যক মানুষ এ সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার পরও নীতি-নির্ধারক, চিকিৎসা সেবাদানকারী ও চিকিৎসাগ্রহণকারী সবার মধ্যেই রোগগুলো সম্পর্কে সচেতনতা, উদ্যোগ ও পদক্ষেপের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে আক্রান্ত হওয়ার আগেই এটি প্রতিরোধ সম্ভব বলেও মনে করেন তারা।
Source: Internet

12
Pharmacy / Cortisol: Why the "Stress Hormone” Is Public Enemy No. 1
« on: June 19, 2019, 10:42:46 AM »
The stress hormone, cortisol, is public health enemy number one. Scientists have known for years that elevated cortisol levels: interfere with learning and memory, lower immune function and bone density, increase weight gain, blood pressure, cholesterol, heart disease... The list goes on and on.

Chronic stress and elevated cortisol levels also increase risk for depression, mental illness, and lower life expectancy. This week, two separate studies were published in Science linking elevated cortisol levels as a potential trigger for mental illness and decreased resilience — especially in adolescence. 

Cortisol is released in response to fear or stress by the adrenal glands as part of the fight-or-flight mechanism. The fight-or-flight mechanism is part of the general adaptation syndrome defined in 1936 by Canadian biochemist Hans Selye of McGill University in Montreal. He published his revolutionary findings in a simple seventy-four-line article in Nature, in which he defined two types of "stress": eustress (good stress) and distress (bad stress).

Both eustress and distress release cortisol as part of the general adaptation syndrome. Once the alarm to release cortisol has sounded, your body becomes mobilized and ready for action — but there has to be a physical release of fight or flight. Otherwise, cortisol levels build up in the blood, which wreaks havoc on your mind and body.

Eustress creates a "seize-the-day" heightened state of arousal, which is invigorating and often linked with a tangible goal. Cortisol levels return to normal upon completion of the task. Distress, or free-floating anxiety, doesn't provide an outlet for the cortisol and causes the fight-or-flight mechanism to backfire. Ironically, our own biology — which was designed to insure our survival as hunters and gatherers — is sabotaging our bodies and minds in a sedentary digital age. What can we do to defuse this time-bomb?

Luckily, you can make 5 simple lifestyle choices that will reduce stress and anxiety and lower your cortisol levels:

1. Regular Physical Activity: Kickboxing, sparring, or a punching bag are terrific ways to recreate the “fight” response by letting out aggression (without hurting anyone), thus reducing cortisol.

Aerobic activities, like walking, jogging, swimming, biking, or riding the elliptical, are great ways to recreate the "flight" outlet and burn up cortisol. A little bit of cardio goes a long way. Just 20 to 30 minutes of activity most days of the week pays huge dividends by lowering cortisol every day and in the long run.

Fear increases cortisol. Regular physical activity will decrease fear by increasing your self-confidence, resilience, and fortitude — which will reduce cortisol. Yoga will have a similar effect, with the added benefits of mindfulness training.
Source:
Christopher Bergland

The Athlete's Way

13
উচ্চ রক্তচাপ ভয়ংকর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের কোনো প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যায় না।

নীরবে উচ্চ রক্তচাপ শরীরের বিভিন্ন অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এ জন্যই উচ্চ রক্তচাপকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা যেতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত এবং চিকিৎসাবিহীন উচ্চ রক্তচাপ থেকে মারাত্মক শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।

সাধারণত বয়স যত কম, রক্তচাপও তত কম হয়। যদি কারো রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি হয় এবং অধিকাংশ সময় এমনকি বিশ্রামকালীনও বেশি থাকে, তবে ধরে নিতে হবে, তিনি উচ্চ রক্তচাপের রোগী।

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এই সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। অতিরিক্ত ওজন, স্ট্রেস, অনিয়মিত ডায়েট এবং কম ওয়ার্কআউট, সবকটিই উচ্চরক্তচাপ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

তবে আপনি জানেন কি? মৌসুমি রসালো ফল আপনার উচ্চ রক্তচাপ কমাতে পারবে।

লিচুতে শতকরা ৮১ শতাংশ পানি থাকে। এছাড়া এতে কার্বোহাইড্রেট, প্রাকৃতিক চিনিও পাওয়া যায়।

আসুন জেনে নেই লিচু খেলে যেসব রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

১. লিচুতে কপার ও পটাশিয়াম থাকায় হৃৎপিণ্ড বড় হয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করতে লিচু বেশ কার্যকর।

২. লিচুতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। তাই লিচু খেলে ডায়াবেটিস, ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়।

৩. লিচুতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৪. লিচুতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান গলা ব্যথা, সর্দি-কাশি সারাতে ভালো কাজ করে।

৫. লিচুতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকায় এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৫. লিচুতে থাকা কপার রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থা উন্নত করে। ফলে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ ভাল হয়।

সূত্র: এনডিটিভি

14
ডায়াবেটি নিয়ন্ত্রণে করলার জুস খুবই উপকারী। উপমহাদেশ ও চীনের গ্রামাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলার রস পান করে আসছেন।যেভাবে তৈরি করবেন করলার জুস

গাঢ় সবুজ রঙের কাঁচা করলা নিয়ে টুকরো করে কাটতে হবে। বিচিগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। তিতা কমাতে চাইলে করলা কেটে ঠাণ্ডা লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।

এরপর ব্লেন্ডারে জুস তৈরি করে নিতে হবে। প্রয়োজন মত লবণ দেয়া যেতে পারে।

উপকারিতা

তিতা করলার রস পানে অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের কোষ ধ্বংস হয় বলে সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার রস সহায়তা করে। করলার আয়রন হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে সাহায্য করে। দাঁত ও হাড় ভালো রাখে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ও চোখের সমস্যা সমাধানে করলার বিটা ক্যারোটিন খুবই উপকারী। ত্বক ও চুল ভালো রাখার জন্যও একান্ত জরুরি। চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে। এছাড়া করলার রস ক্রিমিনাশক।
Source: Imternet

15
ছোট–বড় প্রায় সবারই প্রিয় ফল লিচু। কিন্তু ইদানীং লিচু নিয়ে বেশ কিছু প্রচারণা আছে। মাঝেমধ্যে লিচু খেয়ে শিশুর মৃত্যু হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে।

সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় লিচু খাওয়ার কারণে মস্তিষ্কে প্রদাহ হওয়ার মতো ঘটনা উঠে এসেছে। একিউট এনকেফালাইটিস সিনড্রম নামে এই জটিল সমস্যার একটি কারণ হতে পারে লিচু টক্সিসিটি বা একিউট হাইপোগ্লাইসেমিক টক্সিক এনকেফালোপ্যাথি। কিন্তু তাই বলে লিচু খেলেই শিশুরা এই গুরুতর রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবে, তা–ও নয়। গুজব, বিভ্রান্তি আর ভুল ধারণার বদলে বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা ও সমাধান জানাটা জরুরি।

লিচুতে কিছু টক্সিন সত্যিই থাকে, যেমন হাইপোগ্লাইসন এ, এমসিপিজি ইত্যাদি। এরা আমাদের যকৃতে গ্লুকোজ উৎপাদন ও চর্বি ভাঙতে বাধা দেয়। শিশুরা যদি রাতে না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে বা অনেকক্ষণ না খেয়ে থেকে খালি পেটে হঠাৎ অনেকগুলো লিচু খেলে বিপত্তি হতে পারে। বিশেষ করে যেসব শিশু খুব হালকা–পাতলা ও অপুষ্টির শিকার এবং ২ থেকে ১০ বছর বয়সী—তাদেরই ঝুঁকি বেশি। এই রাসায়নিকগুলোর প্রভাবে শিশুর শরীরে হঠাৎ করে গ্লুকোজের অভাব দেখা দেয়। এই টক্সিনগুলো মস্তিষ্কে চলে যায়। মেটাবলিক এসিডোসিস দেখা দেয়। ফলে মাথাব্যথা, বমি, ঘাম, খিঁচুনি, অচেতন হয়ে পড়তে পারে। আধা পাকা ও কাঁচা লিচুতে এই সমসা হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
Source:ডা. শাওলী সরকার

সচেতন থাকুন

লিচু খাওয়া নিষেধ নয়। লিচু বেশ পুষ্টিকর ও মজাদার ফল। কিন্তু খালি পেটে অনেক লিচু খাওয়া ঠিক নয়। বিশেষ করে শিশুদের, কারণ তাদের দেহের বিপাকক্রিয়া পরিপক্ব নয়।

কাঁচা বা আধ পাকা লিচু গাছ থেকে পেড়ে খাওয়া উচিত নয়।

ঠিক কতটি লিচু খেলে এই বিষক্রিয়া হবে, তা এখনো জানা নেই। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, ভরা পেটে বা খাবার গ্রহণের পর একসঙ্গে ৫–৭টি লিচু খাওয়া নিরাপদ।

লিচুর খোসা শিশুরা যেন মুখে পুরে না চোষে, সেদিকে খেয়াল করবেন। কেননা, এতে অনেক সময় কীটনাশক বা বাদুড়ের লালা লেগে থাকতে পারে। শিশুদের খোসা ছাড়িয়ে বাটিতে পরিমিত লিচু পরিবেশন করুন।

আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করে দ্রুত গ্লুকোজ প্রতিস্থাপন, খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ, শরীরে লবণ–পানির ভারসাম্য রক্ষা এবং রক্তের পিএইচ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতে হবে। অন্য কোনো রোগ বা বিষক্রিয়া আছে কি না, তা–ও খতিয়ে দেখতে হবে।

সহকারী অধ্যাপক, শিশু নিউরোলজি বিভাগ, ঢাকা শিশু হাসপাতাল, ঢাকা

Pages: [1] 2 3 ... 7