Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - masudur

Pages: [1] 2
1
আপনি যদি মাছ ধরতে ভালবাসেন, সদ্য ধরা তাজা মাছ সমুদ্রে মাঝে রান্না করে খেতে চান তাহলে এই পোস্ট আপনার জন্য, আমাদের বঙ্গোপসাগর কিন্তু মাছ ধরার জন্য আদর্শ জায়গা।

মাছ ধরার পাশা পাশি মাথা নষ্ট করা অপূর্ব সূর্যাস্ত দেখতে পারবেন এখানে, পিন পতন নীরবতার মাঝে ঢেউ এর ছলাত ছলাত শব্দ, একই সাথে নৌকার এক পাশে গাড় নীল পানিতে সোনালি ঢেউ আর অপর পাশে চাঁদের আলোয় রুপালি ঢেউ দেখতে পাবেন। সূর্যের শেষ আলোটা মাঝ সমুদ্র থেকে দেখার অনুভূতি অন্য লেভেলের, যা ছবিতে বা কথায় প্রকাশ করার নয়।আর সাঁতার পারলে তো কথাই নেই, কাঁচের মত স্বচ্ছ পানিতে সাঁতার কেটে আসতে পারবেন। ফেরত আসার সময় দেখবেন ঘুট ঘুটে অন্ধকারে চাঁদের আলোটা ফ্লাড লাইট এর মত চোখে লাগছে।

শখের মাছ শিকারিরা যারা টিকেট কেটে পুকুরে বা লেকে মাছ ধরেন অথবা যারা কখনো মাছই ধরেনি তাড়াও মাছ ধরতে গভীর সাগরে যেতে পারেন। পুকুর নদীতে মাছ ধরা আর সমুদ্রে মাছ ধরা একটু আলাদা, আমার মনে হয়েছে সমুদ্রের মাছ গুলো গাধা টাইপ, এর কারণ হল, পুকুর বা লেকে মাছ টোপ খেয়ে টানতে থাকে অথবা ঠোকর দিলে সুতায় টান লাগে এর থেকে বোঝা যায় মাছে বড়শি গেঁথেছে/সুতা টানলে বড়শি গাঁথবে কিন্তু সমুদ্রের মাছ টোপ খেয়ে চুপ চাপ সেখানেই বসে থাকে! আর ঢেউ এর কারণে মাছ টোপ খাচ্ছে কিনা সহজে বোঝা যায়না, তাই সমুদ্রে মাছ ধরাটা একটু কঠিন, আয়ত্ত করতে একটু সময় লাগে। আমরা ঢাকা থেক ছিপ বড়শি নিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু ছিপ নিয়ে বসলে মাছ খাচ্ছে কিনা একেবারেই বোঝা যায়না। সেন্টমারটিনের মানুষ ছিপ ছাড়া শুধু সুতা দিয়ে পানিতে টোপ ফালায় তারপর সুতা ধরে বসে থাকে, এতে মাছ খেলো কিনা সহজে বোঝা যায়। পাড় থেকে অথবা জেটিতে বসেও আপনি মাছ ধরতে পারবেন। টোপ হিসাবে আপনার লাগবে চাপিলা মাছ।৫-৬ জনের মাছ ধরার জন্য বাজার থেকে ৫০-১০০ টাকার মাছ কিনে নিলেই চলবে। প্রতিদিন বিকাল ৪ টার পর থেকে অনেক নৌকা মাছ ধরার উদ্দেশে সমুদ্রের দিকে রওনা দেয়, তাদের যেকোনোটার সাথে কথা বলে তাদের সঙ্গে যেতে পারেন এতে খরচ অনেক কম লাগবে আর সেইফটির জন্য আগের পরিচিত বা নিজেদের হোটেল থেকে কথা বলে নৌকা ঠিক করে নিতে পারেন। নৌকা, মাছ ধরারই হতে হবে অন্য নৌকা ঢেউয়ে দুলবে বেশি।

সেন্টমারটিন অথবা কক্সবাজার, দুই জায়গা থেকেই মাছ ধরতে যেতে পারবেন। আমরা নৌকা ঠিক করেছিলাম খুব অল্প টাকায় ২০০ টাকার তেল + ১০০ টাকার মাছ(টোপ) + ৩০০ নগদ। বিকাল ৪ টায় রওনা দিয়ে ফেরত এসছিলাম রাত ১০ টার দিকে, এভাবে দুই দিন। বেশি দুরে যেতে না চাইলে দীপ থেকে একটু দুরে গিয়েয়ও মাছ ধরতে পারবেন। তবে মাছ বেশি পাবেন দুরে গেলে। আপনি যদি আরও কয়েক লেভেল উপড়ের ট্রাভেলের হয়ে থাকেন তাহলে যেতে পারেন সারা রাতের জন্য। রাতে মাঝিরা জাল দিয়ে মাছ ধরতে যায় । আপনারা যদি নৌকাতেই রান্না করে খেতে চান তাহলে আগে থেকে মাঝিদের সাথে আলাপ করে রাখবেন, সাধারণত ওদের নৌকাতেই চুলা থাকে আর ওড়াই আপনাকে রান্না করে খাবাবে । যাবার আগে অবশ্যই শুকনো খাবার ,পানি সাথে নিয়ে যেতে হবে। প্রয়োজন মনে করলে সাথে লাইফ জ্যাকেটও নিয়ে যেতে পারেন।


আপনি সমুদ্রে কোরাল, টুনা, চাঁদা, পোয়া, ভেটকি আর গ্রুপার মাছ খুব সহজেই ধরতে পারবেন। তবে কোরাল আর ভেটকি টাই বেশি ধরা পরে। টুরিস্টরা সাধারনত মাছ ধরতে যায়না সেন্টমারটিনে, আমরা গিয়ে পুরো দীপের আলোচনার কেন্দ্রবিনূ ছিলাম কয়দিনে জন্য। সবাই এসে জিজ্ঞেস করতো, কোথায় গেলাম, কি মাছ পেলাম। একজন এসে বলল আমাদের ২য় দিনের স্পটে গিয়ে উনি একটা ৩০ কেজি কোরাল পেয়েছেন। তবে বড় মাছ ধরার পদ্ধতি টা অন্য রকম, মাঝিদের কাছে প্লাস্টিকের মাছ আছে ৩ মাথা ওয়ালা বড়শি লাগানো, ওইটা পানিতে ফেলে নৌকা চালিয়ে যেতে থাকলে বড় মাছ ধরা পরে।


2
Innovation in Technology / How 3D printing works?
« on: May 30, 2018, 03:11:08 PM »

What is 3D printing?

3D printing or additive manufacturing is a process of making three dimensional solid objects from a digital file. The creation of a 3D printed object is achieved using additive processes. In an additive process an object is created by laying down successive layers of material until the object is created. Each of these layers can be seen as a thinly sliced horizontal cross-section of the eventual object. 3D printing is the opposite of subtractive manufacturing which is cutting out / hollowing out a piece of metal or plastic with for instance a milling machine. 3D printing enables you to produce complex (functional) shapes using less material than traditional manufacturing methods.

Working of 3D printing:
<a href="http://www.youtube.com/watch?v=Vx0Z6LplaMU" target="_blank">http://www.youtube.com/watch?v=Vx0Z6LplaMU</a>

3
Faculty Forum / How 3D printing works?
« on: May 30, 2018, 03:07:11 PM »

What is 3D printing?


3D printing or additive manufacturing is a process of making three dimensional solid objects from a digital file. The creation of a 3D printed object is achieved using additive processes. In an additive process an object is created by laying down successive layers of material until the object is created. Each of these layers can be seen as a thinly sliced horizontal cross-section of the eventual object. 3D printing is the opposite of subtractive manufacturing which is cutting out / hollowing out a piece of metal or plastic with for instance a milling machine. 3D printing enables you to produce complex (functional) shapes using less material than traditional manufacturing methods.


Working of 3D printing:


<a href="http://www.youtube.com/watch?v=Vx0Z6LplaMU" target="_blank">http://www.youtube.com/watch?v=Vx0Z6LplaMU</a>

4
আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকরা যেন টাকার বস্তা নিয়েই হাজির হয়েছে আইপিএলে। আবার টাকার অভাবেও কোনো কোনো দলকে নির্বাসিত হতে হয়েছে আইপিএল থেকে। ২০০৮ সালে ৮টি দল নিয়ে আইপিএল তার যাত্রা শুরু করে। মাঝখানের ১০ বছরে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু নতুন দল। তবে নানা প্রতিকূলতার ফলে দলগুলোর আর সামনে এগোনো হয়নি। আইপিএলের নির্বাসিত ৫ দল নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন।

১. ডেকান চার্জার্স হায়দ্রাবাদ

২০০৮ সালে যে ৮টি দল নিয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) তার যাত্রা শুরু করে তার মধ্যে ডেকান চার্জার্স ছিল অন্যতম। হায়দ্রাবাদভিত্তিক এই ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা কিনেছিল ডেকান ক্রনিকল হোল্ডিং লিমিটেড। ডেকান ক্রনিকলহায়দ্রাবাদের একটি জনপ্রিয় ইংরেজি সংবাদপত্র। মূলত ডেকান ক্রনিকল থেকে ডেকান চার্জার্স এর নামকরণ।

ডেকান ক্রনিকল গ্রুপের মালিক টি ভেংকাটরাম রেড্ডির কন্যা গায়ত্রী রেড্ডি ছিলেন দলটির মূল স্বত্ত্বাধিকারী। ২০০৮ সালে ভিভিএস লক্ষ্মণ, অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড় অ্যান্ড্রু সায়মন্ডস, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদি, দক্ষিণ আফ্রিকার হার্শেল গিবস, শ্রীলঙ্কার চামিন্দা ভাসের মতো তারকা খেলোয়াড়দের নিয়ে প্রথম আসর শুরু বসে।

দলের অধিনায়কের ভূমিকায় ছিলেন ঘরের ছেলে ভিভিএস লক্ষ্মণ। তবে একগাদা তারকা খেলোয়াড় নিয়ে গড়া দলটি পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে প্রথম আসর শেষ করে। প্রথম আসরের ব্যর্থতার দরুন অধিনায়কত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় লক্ষ্মণকে। পরের বছর অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব পড়ে অ্যাডাম গিলক্রিস্টের ওপর। সেমিফাইনালে গিলক্রিস্টের ৩৫ বলে ৮৫ রানের ঝড়ো ইনিংসে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে ডেকান। ফাইনালে ১৪৩ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে ১৩৭ রানে অল আউট হয় রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ফলে ৬ রানের জয় পায় ডেকান, সেই সাথে জিতে নেয় নিজেদের প্রথম আইপিএল শিরোপা।

২৩ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী হন ডেকান চার্জার্সের ভারতীয় খেলোয়াড় রুদ্র প্রতাপ সিং। পরের বছর সেমিফাইনাল খেললেও ২০১১ এবং ২০১২ এই দুই বছর তারা ব্যর্থ হয়েছে। স্পন্সররা তাদের স্পন্সরশিপ তুলে নিতে থাকে। ফলে আর্থিক সংকটের মুখে পড়ে ডেকান। বাধ্য হয়ে দলটিকে নিলামে তোলে কর্তৃপক্ষ। পিভিপি ভেঞ্চার নামক এক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নিলামে তোলে। কিন্তু নিলামের অর্থ দুই কিস্তিতে পরিশোধ করতে চাওয়ায় ডেকান চার্জার্স এই নিলাম প্রত্যাখ্যান করে, কারণ তাদের সেই মুহুর্তে নগদ টাকার প্রয়োজন ছিল।

পরদিন ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড আইপিএলের আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাদের কাছে টার্মিনেশন লেটার (ইস্তফা পত্র) পাঠায়। বিলুপ্তি ঘটে ডেকান চার্জার্সের। তার কিছুদিন পর হায়দ্রাবাদের প্রভাবশালী টিভি নেটওয়ার্ক সান টিভি ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মালিকানার জন্যে নিলাম করে। নিলামে সফল হয়ে নিজেদের টিভি নেটওয়ার্কের নামানুসারে দলটিকে নতুনভাবে সাজায় সান টিভি। হায়দ্রাবাদ ভিত্তিক এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি পায় নতুন নাম, নতুন মালিকানায় যার নাম হয় সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ।

২. কোচি টাস্কার্স কেরালা

দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যের একমাত্র দল হিসেবে আইপিএলে অংশ নিয়েছে কোচি টাস্কার্স কেরালা। ২০০৮-১০ পর্যন্ত আইপিএলে ৮টি দল অংশগ্রহণ করে। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড দল বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ লক্ষ্যে পুনে, আহমেদাবাদ, কোচি, নাগপুর, কানপুরসহ মোট ১২টি শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ী নিলামে অংশ নেয়। অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দলটি কেনে রদেভু স্পোর্টসসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। তবে সর্বোচ্চ ২৬% শেয়ার কেনে রদেভু স্পোর্টস।

পরের বছর কোচি টাস্কার্স কেরালা নামে আইপিএলে অংশ নেয় কেরালা রাজ্যের এই দলটি, যার ফলে দক্ষিণ ভারতের ৪টি রাজ্যের ৪টি দল প্রথমবারের মতো আইপিএলে অংশ নেয়। মাহেলা জয়াবর্ধনে, ব্র্যাড হজ, ভিভিএস লক্ষ্মণ, ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম, মুত্তিয়া মুরালিধরনের মতো খেলোয়াড় নিয়ে শুরু হয় দলটির পথচলা, যা সীমাবদ্ধ থাকে সে বছরই। ১০টি দলের মধ্যে ৮ম হয় কেরালা।

দলটির শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে দেখা দেয় অন্তর্দ্বন্দ্ব। মৌসুম শুরুর আগে পুরো অর্থের ১০% ব্যাংক গ্যারান্টি দিতে বলা হয় মালিকদের। তবে মৌসুম শেষে বার বার উকিল নোটিশ পাঠিয়েও কোনো কাজ হয়নি। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকরা সময় চেয়েছিলেন। ১৯ সেপ্টেম্বর বিসিসিআই এর তৎকালীন সভাপতি এন শ্রীনিবাসন পূ্র্বঘোষণা ছাড়াই দলটির বিলুপ্ত হওয়া নিয়ে নোটিশ পাঠান। সেই সাথে খেলোয়াড়দের বেতন-ভাতা পরিশোধের নির্দেশও দেয়া হয়। তাদের এই সিদ্ধান্ত বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করে দলটির অন্যতম স্বত্ত্বাধিকারী রদেভু স্পোর্টস ওয়ার্ল্ড।

উচ্চ আদালত কোচি দলকে ৫৫০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দিতে বিসিসিআইকে নির্দেশ দেয়। ইএসপিএন ক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফ্যাঞ্চাইজি মালিকরা ক্ষতিপূরণের পরিবর্তে আইপিএলে তাদের দলের পুনরায় অন্তর্ভুক্তি চায়। তবে তাদের ফিরে আসার ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড কোনো তথ্য পরবর্তীতে নিশ্চিত করেনি। ফলে ২০১১ সালে প্রথম এবং শেষবারের মতোই আইপিএল খেলে কোচি টাস্কার্স কেরালা।

৩. পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়া

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পর মহারাষ্ট্র রাজ্য থেকে অংশ নেওয়া ২য় দল পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়া। বিসিসিআই এর দল বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে ২০১০ সালে ১৯ বিলিয়ন রুপিতে পুনে দলের মালিকানা কিনে নেয় সাহারা অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস লিমিটেড। প্রথম বছর দলটির ঘরোয়া ভেন্যু ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়াম হলেও পরবর্তী দুই বছর পুনের সমস্ত ঘরোয়া ম্যাচ মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে স্থানান্তরিত করা হয়। আশিষ নেহরা, যুবরাজ সিং, জেসি রাইডারদের দলে ভেড়ায় পুনে। সেই আসর শেষে দলটির অবস্থান ছিল ৯ম। পরের বছর আশিষ নেহরার পরিবর্তে দলে আসেন সৌরভ গাঙ্গুলি।

অধিনায়কত্ব দেওয়া হয় প্রিন্স অব ক্যালকাটাকে। ২০১২-১৩ এই ২ বছর আইপিএলে পুনের জার্সি গায়ে জড়িয়েছেন বাংলাদেশি ওপেনার তামিম ইকবাল। টুর্নামেন্ট চলাকালীন খারাপ অধিনায়কত্বের কারণে সৌরভ গাঙ্গুলিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস হন দলটির নতুন অধিনায়ক। ২০১৩ সালে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম ছিল আইপিএলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২৬৩ রানের সাক্ষী হয়ে। গেইলের ব্যাটের কাছে পুনের বোলাররা অসহায় হয়ে পড়েন। সেই ম্যাচে মাত্র ৩০ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন গেইল, খেলেছিলেন আইপিলের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৭৫ রানের ইনিংস।

দলটির মালিক সাহারা গ্রুপ ছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তৎকালীন প্রধান পৃষ্ঠপোষক। আর্থিক সংকটে পড়ে জাতীয় দলের স্পন্সরশীপ হারায় দলটি। আইপিলের ২৫% ফ্রাঞ্চাইজি ফি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় পুনে। ফলে অর্থাভাবে আইপিএল থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিতে চায় সাহারা গ্রুপ। সাহারা গ্রুপের মালিক সুব্রত রায় জানান, তাদের প্রতি বিসিসিআই এর সভাপতির আচরণ ব্যবসায়ীসুলভ ছিলো না। তবে দলটির একটি বিশেষত্ব ছিলো। আইপিএলের অন্যান্য দল যেখানে চিয়ারলিডার হিসেবে বিদেশী চিয়ারলিডারদের সাথে চুক্তি করে, সেখানে একমাত্র পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়াই তাদের দলের চিয়ারলিডার হিসেবে দেশি শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পীদের সুযোগ দিয়েছিল।

৪. গুজরাট লায়ন্স

২০১৫ সালে ফিক্সিং এর দায়ে চেন্নাই সুপার কিংস এবং রাজস্থান রয়্যালস পরবর্তী ২ বছরের জন্যে নিষিদ্ধ হলে তাদের পরিবর্তে নতুন দুই দল খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয় বিসিসিআই। তবে শর্ত একটিই, নতুন দুই দলের চুক্তি হবে দুই বছরের জন্য, অর্থাৎ চেন্নাই এবং রাজস্থান যখন ২ বছর পর ফিরে আসবে, তখন নতুন দুই দল আর খেলার সুযোগ পাবে না। এদিকে মালিকানা কিনে নেয় ইন্টেক্স গ্রুপ। সুরেশ রায়নার অধীনে রবীন্দ্র জাদেজা, ডোয়াইন ব্রাভো, ব্র্যান্ডন ম্যাককালামকে নিয়ে দল গড়ে গুজরাট, প্রধান কোচ ছিলেন ব্র্যাড হজ। ২০১৬ সালে ৩য় হয় দলটি। ২০১৭-তে জিতে নেয় আইপিএলের ফেয়ার প্লে ট্রফি।

তবে পরের বছর আইপিলে অংশ না নিতে পারার ব্যাপারে অনেকটা নাখোশ দলটির মালিক কেশব বানসাল। পরের বছর তাদের অংশ গ্রহণের ব্যাপারে বিসিসিআই সভাপতি বিনোদ রায় জানান, তাদের সাথে চুক্তি বৃদ্ধি করা হবে না যেহেতু তারা জানতো তারা দুই বছরের জন্যে অংশ নিচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে দল বাড়ানো হলে তাদের আইপিএলে ফিরে আসার সুযোগ থাকছে। সেক্ষেত্রে তাদের অবশ্য সম্পূর্ণ নতুনভাবে নিলাম করে দল সাজাতে হবে।

৫. রাইজিং পুনে সুপার জায়ান্ট

ভারতীয় সংস্কৃতির রাজধানী পুনে শহরের ২য় দল রাইজিং পুনে সুপার জায়ান্ট। গুজরাট লায়ন্সের মতো ২ বছরের চুক্তিতে অংশ নেয় পুনে। দলটিকে নেতৃত্ব দেন ভারতের জাতীয় দল এবং আইপিলের সফল অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। ঘরোয়া ভেন্যু ছিলো মহারাষ্ট্র ক্রিকেট  অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম। মাঠে অতিরিক্ত পানি ব্যবহারের ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে দেখা যায় পানির খরা, যেখানে মানুষ পানির অভাবে কষ্ট পাচ্ছে, সেখানে আইপিএলের আয়োজন করাটা নিছক বিলাসিতা ছাড়া কিছুই না।

মুম্বাই হাইকোর্ট পুনের সবগুলো ম্যাচ সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। পুনে তাদের বাকি ম্যাচগুলো খেলে ওয়াই এস রাজশেখর রেড্ডি স্টেডিয়ামে। সেই বছর নিলামে সর্বোচ্চ ১৪.৫ কোটি রুপি দাম হাঁকিয়ে ইংলিশ অলরাউন্ডার বেন স্টোকসকে দলে ভেড়ায় পুনে। তবে ৮টি দলের মধ্যে ৭ম হয় পুনে। পরের বছর ধোনিকে অধিনায়কত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে নেতৃত্ব দেওয়া হয় স্টিভ স্মিথকে।

ফাইনালে মুম্বাইয়ের মুখোমুখি হয় পুনে। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে মাত্র ১ রানে হেরে যায় রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্ট। সেই সাথে ৩য়বারের মতো শিরোপা ঘরে তোলে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। ফাইনাল ম্যাচটি ছিলো আইপিএলে খেলা রাইজিং পুনে সুপার জায়ান্টের শেষ ম্যাচ।

5
Self Improvement / Do you know about Emotional intelligence?
« on: May 24, 2018, 04:06:06 PM »

Some people who are masters at managing their emotions. They don't get angry in stressful situations. Instead, they have the ability to look at a problem and calmly find a solution. They're excellent decision makers, and they know when to trust their intuition. Regardless of their strengths, however, they're usually willing to look at themselves honestly. They take criticism well, and they know when to use it to improve their performance. It's an effect of

We all have different personalities, different wants and needs, and different ways of showing our emotions. Navigating through this all takes tact and cleverness – especially if we hope to succeed in life. This is where emotional intelligence becomes important.

Emotional intelligence is the ability to recognize your emotions, understand what they're telling you, and realize how your emotions affect people around you. It also involves your perception of others: when you understand how they feel, this allows you to manage relationships more effectively.



Characteristics of Emotional Intelligence
An American psychologist Daniel Goleman, in his book titled "Emotional Intelligence - Why It Can Matter More Than IQ" in 1995, developed a framework of five elements that define emotional intelligence:

Self-Awareness – People with high emotional intelligence are usually very self-aware  . They understand their emotions, and because of this, they don't let their feelings rule them. They're confident – because they trust their intuition and don't let their emotions get out of control. They're also willing to take an honest look at themselves. They know their strengths and weaknesses, and they work on these areas so they can perform better. Many people believe that this self-awareness is the most important part of emotional intelligence.

Self-Regulation – This is the ability to control emotions   and impulses. People who self-regulate typically don't allow themselves to become too angry or jealous, and they don't make impulsive, careless decisions. They think before they act. Characteristics of self-regulation are thoughtfulness, comfort with change, integrity, and the ability to say no.

Motivation – People with a high degree of emotional intelligence are usually motivated  . They're willing to defer immediate results for long-term success. They're highly productive, love a challenge, and are very effective in whatever they do.

Empathy – This is perhaps the second-most important element of emotional intelligence. Empathy   is the ability to identify with and understand the wants, needs, and viewpoints of those around you. People with empathy are good at recognizing the feelings of others, even when those feelings may not be obvious. As a result, empathetic people are usually excellent at managing relationships, listening, and relating to others. They avoid stereotyping and judging too quickly, and they live their lives in a very open, honest way.

Social Skills – It's usually easy to talk to and like people with good social skills, another sign of high emotional intelligence. Those with strong social skills are typically team players. Rather than focus on their own success first, they help others develop and shine. They can manage disputes, are excellent communicators, and are masters at building and maintaining relationships.

How to Improve Your Emotional Intelligence
The good news is that emotional intelligence can be learned and developed. As well as working on your skills in the five areas above, use these strategies:

  • Observe how you react to people. Do you rush to judgment before you know all of the facts? Do you stereotype? Look honestly at how you think and interact with other people. Try to put yourself in their place  , and be more open and accepting of their perspectives and needs.
  • Look at your work environment. Do you seek attention for your accomplishments? Humility can be a wonderful quality, and it doesn't mean that you're shy or lack self-confidence. When you practice humility, you say that you know what you did, and you can be quietly confident about it. Give others a chance to shine – put the focus on them, and don't worry too much about getting praise for yourself.
  • Do a self-evaluation. Try out our emotional intelligence quiz  . What are your weaknesses? Are you willing to accept that you're not perfect and that you could work on some areas to make yourself a better person? Have the courage to look at yourself honestly – it can change your life.
  • Examine how you react to stressful situations. Do you become upset every time there's a delay or something doesn't happen the way you want? Do you blame others or become angry at them, even when it's not their fault? The ability to stay calm and in control in difficult situations is highly valued – in the business world and outside it. Keep your emotions under control when things go wrong.
  • Take responsibility   for your actions. If you hurt someone's feelings, apologize  directly – don't ignore what you did or avoid the person. People are usually more willing to forgive and forget if you make an honest attempt to make things right.
  • Examine how your actions will affect others – before you take those actions. If your decision will impact others, put yourself in their place. How will they feel if you do this? Would you want that experience? If you must take the action, how can you help others deal with the effects?

6

মার্কিন জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী, বিশ্বতাত্ত্বিক, অনেকগুলো বেস্ট সেলার বইয়ের লেখক এবং জনপ্রিয় বক্তা বিজ্ঞানী টাইসন বলেন, ‘আমরা এখন আকাশে যে নক্ষত্র ও তারাগুলো দেখি, সেগুলোর মধ্যে অসংখ্য তারকার নাম আরবিতে, কারণ মুসলিমরাই এগুলো আবিষ্কার করে এবং তারাই এগুলোর নাম দেন। গণিতশাস্ত্রে আমরা এখন যে আল-জেবরা (Algebra-বীজগণিত) শব্দটি ব্যবহার করি, এটি একটি আরবি শব্দ। কম্পিউটারের জন্যে আমরা যে অ্যালগরিদম (Algorithm) পরিভাষাটি ব্যবহার করি, এটিও একটি আরবি শব্দ এবং এগুলো মুসলিমদের-ই আবিষ্কার।

আমরা যে ১, ২, ৩, এসব নম্বর ব্যবহার করি, সেটিও আরবি নম্বর থেকে এসেছে। কেবল গণিত বা জ্যোতির্বিজ্ঞানে মুসলিমদের অবদান আছে, তা নয়, বরং রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, কৃষি, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল, এমনকি আধুনিক সময়ের নেভিগেশনসহ বিজ্ঞানের সকল শাস্ত্রে তখন এককভাবে মুসলিমদের-ই অবদান ছিলো।’

<a href="http://www.youtube.com/watch?v=08sBrXM0u4Q" target="_blank">http://www.youtube.com/watch?v=08sBrXM0u4Q</a>
বিজ্ঞানী টাইসনের একটি লেকচার।

একই লেকচারে বিজ্ঞানী টাইসন আরো বলেন, ‘মুসলিমদের বিজ্ঞানে উন্নতির সময়টা ছিলো ৮০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১১০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত, যা কেবল মুসলিমদের জন্যে নয়, বরং সমস্ত মানব জাতির জন্যে ছিলো একটি সোনালি যুগ। কিন্তু ১১০০ শতাব্দীর পরে মুসলিমরা তাদের সকল বৈজ্ঞানিক অর্জনকে হারিয়ে ফেলেছে।’ মুসলিমদের এই পতনের উদাহরণ দিতে গিয়ে বিজ্ঞানী টাইসন ১৯০০ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত মুসলিম ও ইহুদীদের একটি পরিসংখ্যান দেখান।

যেমন- পৃথিবীতে ইহুদীদের জনসংখ্যা মোট ১৫ মিলিয়ন। কিন্তু তাদের নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তির সংখ্যা হলো: বায়োমেডিক্যালে ১৯৬টির মধ্যে ৪৯টি। রসায়নে ১৫৮টির মধ্যে ২৮টি। পদার্থবিদ্যায় ১৮৯টির মধ্যে ৪৫টি। অর্থনীতিতে ৬৬টির মধ্যে ২৮টি। মোট ৬০৯টি নোবেল পুরস্কারের মাঝে ইহুদিরা পেয়েছে ১৫০টি পুরস্কার। অর্থাৎ, নোবেল পুরস্কারের ২৫% পুরস্কার পেয়েছে ইহুদিরা। অন্যদিকে পৃথিবীতে মুসলিমদের জনসংখ্যা মোট ১.৩ বিলিয়ন। কিন্তু তাঁদের নোবেল পুরস্কারের সংখ্যা হলো: বায়োমেডিক্যালে ১৯৬টির মধ্যে একটিও নেই। রসায়নে ১৫৮টির মধ্যে ১টি। পদার্থবিদ্যায় ১৮৯টির মধ্যে ১টি। অর্থনীতিতে ৬৬টির মধ্যে ২টি। মোট ৬০৯টি নোবেল পুরস্কারের মাঝে মুসলিমরা পেয়েছেন ৪টি পুরস্কার। অর্থাৎ, নোবেল পুরস্কারের ০.৫০% পুরস্কার পেয়েছেন মুসলিমরা।

বিজ্ঞানী টাইসন মুসলিমদের এই পতনের কারণ হিসাবে একজন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করেন। তিনি হলেন ইমাম আবু হামিদ আল গাজালী। ১১০০ সালের দিকে ইমাম গাজালী নাকি বলেছেন—‘The manipulation of numbers is the work of the devil.’ অর্থাৎ, ‘সংখ্যা নিয়ে কাজ করা হলো শয়তানের কাজ।’ ইমাম গাজালী এটা বলার পর নাকি মুসলিমরা বিজ্ঞান ছেড়ে দিয়েছিলেন, এবং এতে করে নাকি মুসলিমদের পতন শুরু হয়েছিলো।

আসলে, বিজ্ঞানে মুসলিমদের ঐতিহ্য সম্পর্কে বিজ্ঞানী টাইসনের প্রথম কথাগুলো সঠিক হলেও শেষে এসে তিনি মুসলিমদের পতনের যে কারণটি দেখিয়েছেন, তা একেবারেই সত্য নয়। ইমাম গাজালী কখনো কোথাও বলেননি যে, ‘গণিত নিয়ে গবেষণা করাটা হলো শয়তানের কাজ’। বরং, ইমাম গাজালী তার ‘এহইয়া উলুমিদ্দিন’ বইয়ের জ্ঞান অধ্যায়ে বলেছেন—‘গণিত ও মেডিক্যাল সাইন্সের মতো যেসব জ্ঞান পৃথিবীর জন্যে কল্যাণকর, তা অর্জন করা ফরজে কিফায়া। সমাজের কাউকে না কাউকে এসব জ্ঞান অর্জন করতে হবে, এটা আবশ্যিক।’

অনেকে বলেন, ইমাম গাজালী নাকি ‘দার্শনিকদের ভ্রান্তি’ বইয়ে গণিত ও বিজ্ঞানের বিরোধিতা করেছিলেন। আসলে এটাও একটি মিথ্যা অভিযোগ। বরং ইমাম গাজালী তার সে বইয়ে গণিত, জ্যামিতি ও বিজ্ঞানের পক্ষে কথা বলেছেন। ইমাম গাজালী বলেছেন যে, ‘গণিত ও জ্যামিতির সাথে সম্পর্ক থাকার কারণে দার্শনিকদেরকে অস্বীকার করা বা তাদের সাথে দ্বিমত করার কোনো মানে নেই।’ ইমাম গাজালী কখনোই গণিত কিংবা বিজ্ঞানের বিরোধিতা করেননি, বরং দার্শনিকদের কিছু ভ্রান্তির বিপরীতে তিনি দর্শনের এই বইটি লিখেছিলেন। সুতরাং, বিজ্ঞানী টাইসন মুসলিমদের পতনের কারণ হিসাবে যে ইমাম গাজালীকে দায়ী করেছেন, তা আসলে একেবারেই ভুল ও ভিত্তিহীন।

7

একটি পাহাড়ি লঞ্চ টার্মিনাল লংগদু, রাঙামাটি লংগদুর ব্যাপারে আমরা খুব কম লোক জানি। অথচ কাপ্তাই লেকের ভিতর দিয়ে এখানে যাতায়াতের লঞ্চ জার্নিটা সারাজীবন মনে রাখার মত।


কাপ্তাই লেকের মত সুন্দর জায়গা জীবনে খুব কম দেখছি। কি নেই এখানে? দিগন্তজোরা ফসলের মাঠ, পাহাড়, ভ্যা্লী, ভ্যালীর মধ্য দিয়ে আকাবাকা বয়ে যাওয়া খাল । সবকিছু মিলিয়ে এটা অন্য একটা জগত।


যারা সাজেক বেড়াতে যান তারা ফেরার পথে লংগদু বা মাঈনীমুখ দিয়ে কাপ্তাই লেকের মধ্যে দিয়ে রাঙামাটি হয়ে ফিরতে পারেন । সাজেকের চেয়ে অনেক অনেক বেশি আনন্দ পাবেন আশা করি।


যাতায়াতঃ দেশের যে কোনো জায়গা থেকে রাঙামাটি । শহরের রিজার্ভ বাজার ঘাট থেকে প্রতি ঘন্টায় ঘন্টায় লঞ্চ ছেড়ে যায় লংগদুর উদ্দেশ্যে। অথবা খাগড়াছড়ি থেকেও যাতায়াত ব্যাবস্থা আছে।
যারা সাজেক থেকে যাবেন তারা দিঘিনালা ত্যহেকে সিওএনজি বা অটোতে করে মেরুন। তারপর সেখান থেকে লংগদু বা মাঈনীমুখের জীপ ছাড়ে। সাজেক থেকে ডিরেক্ট জীপ নিয়েও লংগদু যেতে পারেন

8
রেল লাইন ছাড়াই রেলগাড়ি চালু করেছে চীনারা। পরীক্ষামূলকভাবে চালু এই রেলগাড়ির নাম দিয়েছে ‘স্মার্ট বাস’।
 
চীনের হুনান প্রদেশের বুঝাও শহরে পরিক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে লাইন ছাড়া এই রেলগাড়ি। এটি মূলত ট্রাম ও বাসের সংকর রূপ। যা চলে একটি ভারচুয়াল লাইনের উপর দিয়ে। অথাৎ প্রকৃত রেললাইন বসানোর দরকার নেই।

<a href="http://www.youtube.com/watch?v=Lqgvk6LWUDk" target="_blank">http://www.youtube.com/watch?v=Lqgvk6LWUDk</a>
 
পরিক্ষামূলক রেলটিতে তিন থেতে চারটি বগি রয়েছে এবং এটি ৩০০ থেকে ৫০০ যাত্রী বহন করতে পারে। এই পদ্ধতিতে ১০কি. মি. রেলরাইন বসানোর খরচ হিসেবে বাঁচবে ১০০কোটি ইয়ান। বুঝাও শহরে পরিক্ষামূলকভাবে চালু রেলটির ভারচুয়াল লাইন ৩দশমিক ১কিলোমিটার দীর্ঘ। এই পথে মোট চারটি স্টেশন আছে। ১০মিনিট চারজে রেলটি চলবে ২৫কি.মি.।


সুত্র- ডয়েচে ভেলে।

9

যদি আপনি একজন ভালো নেতা হতে চান, সফল নেতাদের এই বৈশিষ্ট্যগুলোর সম্পর্কে জানুন।

১) দূরদর্শিতা

দূরদর্শিতা হচ্ছে বেশ খানিকটা ভবিষ্যৎ দেখতে পারা এবং দলের অর্জনের জন্য লক্ষ্য ঠিক করার সামর্থ্য। একজন নেতা দলকে ঠিক সময়ে ঠিক কাজটি করে সঠিক দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার ব্যাপারে সাহায্য করেন। দূরদর্শিতা ছাড়া একজন নেতা দলের জন্য বিভ্রান্তিকর পরিকল্পনা করেন যা দলগত ফলাফলের জন্য ক্ষতিকর।

২) নিবেদিত

একজন নেতার নিজের কর্তব্যে দায়বদ্ধতা মানে উদাহরণের সাথে নেতৃত্ব দেওয়া। আপনি যদি দলের একজন সদস্য হন, আপনি কি এমন কাউকে অনুসরণ করবেন যিনি অন্যদের জন্য বেঁধে দেয়া নিয়ম নিজেই মানেন না? বোধহয় না। একজন নেতার নিজের জন্য উচু মানদন্ড ও তার জন্য নিরলসভাবে কাজ করতে হয়, যেন অন্য সদস্যরা তার নেতৃত্বকে সম্মান করে।

৩) কৌতুহলী

একজন নেতাকে উদ্ভূত যেকোন সমস্যা সমাধানে সাহায্য করার জন্য তিনি কি করছেন সেই সম্পর্কে সচেতন হতে হয়। তারা সাধারণত কৌতূহলী হয় ও কখনই শেখা থামায় না। তাদের অবশ্যই দলের অন্য সদস্যদের সম্পর্কে ভাল জ্ঞান রাখা উচিত। জ্ঞান ও কৌতূহল ছাড়া কেউ কোন দলকে সমস্যা সমাধানের দিকে এগিয়ে নিতে পারে না। এবং দলের অন্যান্য সদস্যরাও তার কর্তৃত্বতে আপত্তি জানাতে পারে।

৪) আত্মবিশ্বাসী

আত্মবিশ্বাস হচ্ছে আক্রমনাত্মক না হয়ে নিজের উপর আস্থা রাখা। একজন নেতাকে সময়ে সময়ে দৃঢ়তার পরিচয় দিতে হয়, যেন দলের অন্য সদস্যরা তার নির্দেশ ও পরিকল্পনা অনুসরণ করতে ভরসা পায়। একজন নেতা একটি দলের কল্যান ও উদ্বেগের প্রতিনিধিত্ব করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটা জটিল কাঠামোর কোম্পানিতে একজন নেতা অন্য সদস্যদের অধিকারের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং তখনই আত্মবিশ্বাস জরুরি হয়ে পড়ে।

৫) নৈতিকতা

সততা একজন সম্মানিত নেতার মধ্যকার সহজাত গুণ। একজন অসৎ নেতা, যার কাজ ও কথার মধ্যে কোন মিল নেই, কদাচিৎ দলের অন্য সদস্যদের সম্মান পেয়ে থাকেন। আর সম্মান ছাড়া একজন নেতা দলকে কোনকিছু অর্জন করার জন্য অনুপ্রাণিত করতে পারেন না, যা দলকে অদক্ষতার দিকে চালিত করে।

৬) বিশ্বাস

একজন নেতাকে দলের অন্য সদস্যদের দক্ষতার উপর আস্থা রাখতে হয়। প্রতি আধা ঘণ্টা পরপর দলের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য হেঁটে বেড়ালে বা অন্যদের সব কাজের বিরোধিতা করলে দলের মধ্যকার বিশ্বাস স্থাপিত হয় না। দলের অন্য সদস্যদের প্রতি আস্থা না রাখা ও তাদেরকে তাদের কাজটা করতে যথেষ্ট স্বাধীনতা না দেয়া, কেউই এমন বিরক্তিকর নেতাকে পছন্দ করে না।

৭) স্থিরবুদ্ধি

দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়াটা ব্যবসা ও কোম্পানির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দলগতভাবে বেশ চাপ ও অল্প সময়ের মধ্যে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তখনই একজন নেতা নিজের কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে এবং নিজের জ্ঞান ও অন্য সদস্যদের মতামত নিয়ে দেরি হওয়ার আগেই দ্রুত সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।

৮) ইতিবাচক

নেতৃত্তের একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে- আশাবাদীতা। এমন অনেক সময় আসবে যখন দলের মনোবল খুবই দুর্বল কিংবা কোন একটা প্রজেক্টের মাঝপথে নিজেদেরকে হারিয়ে ফেলেছে। একজন ইতিবাচক নেতা খারাপের মাঝেও ভালোটা খুঁজে বের করেন এবং দলের অন্য সদস্যদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা যোগান। অন্যদিকে একজন নিরাশাবাদী নেতা দিনশেষে ভালো কিছুতে খুব কমই বিশ্বাস করেন।

৯) নিরহংকারী

একজন মার্জিত নেতা তার নিজের কর্মদক্ষতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও অর্জনের ব্যাপারে সচেতন থাকেন এবং তারা আরও ভাল কিছু করতে পারে কিনা সে ব্যাপারে দৃষ্টি রাখেন। নিজের দিকে তাকিয়ে একজন নেতা প্রতিনিয়ত বুঝতে পারেন তারা কিসে ভালো, কিসে মন্দ এবং কিভাবে নিজেদের আরও উন্নত করা যায়।

উপরে উল্লেখিত বৈশিষ্ট্যগুলো কম সময়ের মধ্যে অর্জন করা সম্ভব না। কিন্তু একজন ভালো নেতা হওয়ার জন্য আপনি এগুলো শিখতে ও অনুসরণ করতে পারেন।

একজন ভালো নেতা হওয়ার জন্য বড় বড় নেতাদের অনুসরণ করুন।

সফল নেতাদের কাছ থেকে সবসময় কিছু না কিছু শেখার রয়েছে। আপনি যার মতো হতে চান, সেই নেতাকে অনুসরণ করার মাধ্যমে আপনি একজন ভালো নেতা হওয়ার পথে যাত্রা শুরু করতে পারেন। আপনার পছন্দের পাঁচজন নেতাকে বেছে নিন, নিজেকে জিজ্ঞেস করুন কেন আপনি তাদেরকে পছন্দ করেন। এটা কি তাদের বাচনভঙ্গির জন্য, তাদের আচরণ, আত্মবিশ্বাস নাকি তারা অন্যদের যেভাবে সম্মোহিত করে রাখে সেটার জন্য? আপনার মতে একজন সফল নেতার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ও দক্ষতাগুলো শিখতে শুরু করুন। এবং আপনার প্রতিদিনকার জীবনে অনুশীলন করুন।

মনে রাখবেন- আপনি শুধু তাদের সাফল্য থেকেই না, বরং তাদের ভুলগুলো থেকেও শিখবেন। হেনরি ফোর্ডের দিকে তাকান। ফোর্ড মোটর হয়তো আজকে একটি সফল কোম্পানি, কিন্তু ফোর্ড ব্যর্থতা দিয়েই এটা শুরু করেছিলেন। নিজের প্রতিটি সূক্ষ্ম ভুল ও তার ভেতরকার লুকানো সমস্যার প্রতি মনোযোগ দেয়াটাই তার সাফল্যের চাবিকাঠি।
   
অন্যদের কিছু শেখানোর জন্য প্রতিদিনই আপনার কাজের ক্ষেত্রে নতুন কিছু না কিছু শিখুন।

এটা অতিরঞ্জিত শোনাতে পারে, কিন্তু এটা সবসময় সঠিক- ‘বোকা থাকো, ক্ষুধার্ত থাকো।’

নিজের কাজ ও বাজারের ব্যাপারে প্রতিদিন নতুন কিছু না কিছু শিখুন যা আপনাকে একজন চমৎকার নেতায় পরিণত করবে। কখনো শেখা থামাবেন না। কি শিখলেন সেটা লিখে রাখার ব্যাপারে ভুল করবেন না, কারন একদিন আপনার দলের সদস্যরা এ ব্যাপারে আপনার উপদেশ চাইতে পারে, সেদিনের জন্য আপনার জ্ঞান সঞ্চয় করে রাখুন।

10

সকালের নাস্তায় কিংবা বিকালে কাজের ফাঁকে অনেকেই বেশ পছন্দ করে থাকে এক কাপ চা কিংবা কফি। এটা অনেকেরই প্রতিদিনের অভ্যাস। চা বা কফি পানের যেমন অনেক উপকারিতা রয়েছে তেমনি সঠিক সময়ে বা উপায়ে গ্রহণ না করলে সৃষ্টি হতে পারে নানা সমস্যা। দিনে ২-৩ বার চা বা কফি পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করা যেতে পারে। চা বা কফিতে রয়েছে ক্যাফেইন। ক্যাফেইন এমন এক ধরনের উদ্দীপক উপাদান যা শরীরের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি করে। দৈনিক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যাফেইন গ্রহণ করলে ক্লান্তি দূর হয়ে শরীরের একঘেয়েমি কাটিয়ে কর্ম ক্ষেত্রে থাকা যাবে উজ্জীবিত। চা পানে শরীর-মন সতেজ থাকবে এটি একটি সাধারণ বিষয়। তবে এগুলো ছাড়াও চায়ের অনেক স্বাস্থ্যগত উপকার রয়েছে। চা পানের কারণে মূত্রথলির ক্যান্সার, পাকস্থলীর ক্যান্সারসহ সব ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে আসে। এ ছাড়া গ্রীনটি পানে উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। ব্ল্যাকটি পানের কারণে শরীরের অবসাদ দূর হয়।
 
তবে অতিরিক্ত চা কিংবা কফি পানে শরীরের নানা ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। খাবার খাওয়ার আগে চা-কফি পান করলে হজম বাধাগ্রস্ত হয় এবং খাবার থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া যায় না। অতিরিক্ত চা-কফি সেবনে এক ধরনের অসক্তি সৃষ্টি হয়; যা ঠিক নয়। এ ছাড়া রক্তে অতিরিক্ত ক্যাফেইন রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। এতে প্রতিদিনের স্বাভাবিক ঘুমের অভ্যাস নষ্ট হয়। অতিরিক্ত চা বা কফি শরীরে ক্ষুধামন্দা তৈরি করে। ফলে দীর্ঘদিন না খেয়ে থাকলে শারীরিক ভাবে দুর্বলতা সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া আলসার ও গ্যাস্ট্রিক-এর ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে অতিরিক্ত মাত্রায় চা-কফি গ্রহণে। তাই চা-কফি পানের সুফল পেতে প্রতিদিন স্বল্প মাত্রায় গ্রহণ করাই শ্রেয়।

11

ডাবের পানি খুবই উপকারী। এটি কোনো কৃত্রিম পানীয় নয়। শরীর থেকে যেসব লবণ গরমের কারণে বের হয়ে যায় তা পূরণ করার জন্য আমাদের খাদ্য তালিকায় নানা ধরনের ফলের সরবত, কোমল পানীয়র পাশাপাশি ডাবের পানি রাখা যায়।

ডাবের পানি শুধু পানীয় হিসেবেই উপকারী তা নয়, ডাবের পানিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ লবণ ও নানা রকম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, যা অনেক জটিল রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে।

ডাবের পানি কলেরা প্রতিরোধ করে, বদহজম দূর করে, হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, গরমে ডি-হাইড্রেশনের সমস্যায় বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ব্যায়ামের পর যখন শরীর ঘেমে ক্লান্ত হয়ে যায় তখন ডাবের পানি পান করলে শরীরের ফ্লুইডের ভারসাম্য বজায় থাকে। গরমের কারণে ঘামাচি, ত্বক পুড়ে গেলে ডাবের পানি লাগালে আরাম পাওয়া যায়।

ডায়াবেটিস রোগীরা ডাবের পানি পান করতে পারে। ডাবের পানি বাচ্চাদের গ্রোথ বাড়াতে সাহায্য করে এবং শরীরে ব্লাড সার্কুলেশন ভালো রাখে। এ ছাড়া কোলাইটিস, আলসার, গ্যাসট্রিক, পাইলস, ডিসেন্ট্রি ও কিডনিতে পাথরসহ এসব সমস্যায় ডাবের পানি খুবই উপকারী। ঘন ঘন বমি হলে ডাবের পানি ওষুধ হিসেবে কাজ করে। তাই কৃত্রিম ক্ষতিকর পানীয়র পরিবর্তে ডাবের পানি পান করার অভ্যাস করতে হবে। এতে গরমে তৃষ্ণাও মিটবে, শরীরও সুস্থ ও তাজা থাকে।

12

বাদাম শরীরের জন্য একটি উপকারী খাবার। বাদামে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা আমাদের শরীরে শক্তির যোগান দেয়, শরীরে ক্ষতিকর টক্সিনের পরিমাণ কমায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বাদাম হৃদরোগের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। এছাড়া বাদামে বিদ্যমান প্রোটিন শরীরের সঠিক বিকাশে সাহায্য করে। বাদামে রয়েছে পলিফেনোলিক নামক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি  হৃদরোগ, কোলন ক্যান্সার, স্ট্রোক, ভাইরাস ও ফাঙ্গাস ঘটিত রোগ প্রতিরোধ করে। বাদামে রয়েছে ভিটামিন ই ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। বাদাম শরীরের ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

বাদামের প্রকারভেদ:
1. Pecan (পিক্যান বাদাম)
2. Peanut (চিনাবাদাম)
3. Hazelnut (হ্যাজেল নাট)
4. Walnut (আখরোট)
5. Almond (কাগজি বাদাম)
6. Brazil nut (ব্রাজিল বাদাম)
7. Chestnut (বাদাম)
8. Cashew (কাজু)
9. Pistachio (পেস্তা বাদাম)
10. Kola nut (কোলা বাদাম)
11. Pine nut (পাইন বাদাম)

এইসব বাদামের উপকারিতা-

চিনাবামাদের উপকারিতা -
১। চিনাবাদাম চিনা বাদামে অনেক প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ভিটামিন-এ, বি, সি ইত্যাদি রয়েছে। চিনাবাদাম এর উপকারিতা
ভোরবেলা খালি পেটে চিনাবাদাম খেলে শরীরে বাড়তি শক্তি পাওয়া যায়।
২। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে বাদাম খেলে হার্ট ভালো থাকে।
৩। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আখরোট বাদাম এ বাদামে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ফসফরাস ও সোডিয়াম রয়েছে।

আখরোট বাদামের উপকারিতা -
১. এই বাদাম শরীরের হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে।
২. এই বাদাম ব্রেনে পুষ্টি জোগাতে সহায়তা করে।

পেস্তা বাদাম এর উপকারিতা -
১. পেস্তা বাদাম পেস্তা বাদামে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার,ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন রয়েছে। পেস্তা বাদাম শরীরের রক্ত শুদ্ধ করে থাকে।
২. পেস্তা বাদাম লিভার ও কিডনি ভালো রাখতে সাহায্য করে। কাজু বাদাম এবাদামে রয়েছে-আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন-এ।

কাজু বাদাম এর উপকারিতা -
১. এ বাদাম অ্যানিমিয়া ভালো করে।
২. ইহা ত্বক উজ্জ্বল করে।
৩. এ বাদাম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

আমন্ড বাদামের উপকারিতা -
১. আমন্ড বাদাম এ বাদামে রয়েছে-ক্যালসিয়াম, ফাইবার, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফলিক এসিড ও ভিটামিন ই। শ্বাসকষ্ট, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ত্বকের নানা সমস্যায় খুব উপকারি। সব বাদামের মধ্যে আমন্ডে বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে।
২. নিয়মিত চার-পাঁচটি আমন্ড খেলে এলডিএল কোলেস্টেরল বা ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। ফলে হৃদরোগের আশঙ্কা থাকে না।
৩.কোলন ক্যান্সারের আশঙ্কা কমে।
৪. এই বাদাম ডায়বেটিসের জন্য বেশ উপকারী।

তবে বাদামের অনেক উপকারী পুষ্টিগুই থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে বাদাম বেশি খেলে এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বাদাম একটি আঁশ জাতীয় খাবার-তাই বাদাম বেশি খেলে পেটে গ্যাসের সমস্যা, পেট খারাপ হতে পারে। বাদাম একটি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার এবং বাঙালি হিসাবে আমরা মাছ, মাংস ও ডালের সাথে প্রোটিন গ্রহণ করে থাকি। তাই বেশি প্রোটিন গ্রহণ করলে কিডনি রোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বাদামে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যা অনেক ওষুধের কার্যক্রমে বাধা দেয়। বাদাম খেলে অনেকের আবার এলার্জির সমস্যা হতে পারে। পরিমিত বাদাম গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তাই বেশি করে একবারের না খেয়ে নিজের হাতের এক মুঠ পরিমাণ বিকালের নাস্তা হিসেবে বা মধ্য দুপুরে খাওয়া যেতে পারে।

ইন্টারনেটের নানান সোর্স থেকে ডেটা নেওয়া হয়েছে।

13
মূল লেখা বেদ্রস কিউলিয়ান এর। এখানে অনুবাদ করা হয়েছে।

প্রতি বছর সবচেয়ে বিক্রিত বইয়ের তালিকার প্রথমেই বাইবেল থাকার অন্যতম একটা কারণ হলো – এটা তার শিক্ষাগুলো গল্পের মাধ্যমে দেয়। এবং আপনি যদি বাইবেল ছাড়া অন্য কোন বইয়ের কথা বলেন, যেটা বাইবেলের মতোই জনপ্রিয় এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে টিকে আছে, আপনি খেয়াল করলে দেখবেন যে সেখানেও গল্পের ব্যবহার আছে।

মানুষ গল্প শুনতে ও সেটাকে নিজের জীবনের সাথে মিলিয়ে দেখতে অভ্যস্ত। ধর্ম এ ব্যাপারটা অনেক আগেই ধরতে পেরেছিল, যে কারণে তারা সবাই গল্প ব্যবহার করেছে। কারো কাছে কোন তথ্য পৌঁছে দেয়া ও সেটা তার মাথায় আটকে দেবার সেরা মাধ্যম হচ্ছে গল্প।

এ ব্যাপারে নিজের একটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি- যখন আমি প্রথম দিকে বিভিন্ন জায়গায় বক্তৃতা দেয়া শুরু করি, আমি আমার সেরা তথ্যগুলো কোন প্রকার গল্প বা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ছাড়াই বলতাম। আমি তাদেরকে সোজাসুজি প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলতাম, যা ব্যবহার করে আমি আমার কোটি টাকার ব্যবসা গড়ে তুলেছিলাম।

আমি ভাবতাম এটিই লোকজনের দৃষ্টি আকর্ষণ ও তাদের দ্বারা কাজ করানোর জন্য যথেষ্ট। কিন্তু তার বদলে ঘরভর্তি মানুষ আমার কথায় ভদ্রভাবে মাথা ঝাঁকিয়ে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকত।

এর কিছুদিন পর আমি যখন বক্তৃতাতে আমার ‘বিষয়, গল্প, উপমা’ ফর্মুলাটি ব্যবহার করা শুরু করলাম, তখন আমি মঞ্চ থেকে নামার সময় লোকজন অশ্রুসিক্ত চোখে এসে দাঁড়াতো। তারা আমাকে বলতো, অবশেষে তারা মূল বক্তব্যটি বুঝতে পেরেছে। এবং অন্ধকারে আলোর সন্ধান পেয়েছে। এখন তারা বাড়ি গিয়ে নিজেদের ব্যবসা রক্ষা করতে প্রস্তুত।

এখানে একটা শিক্ষণীয় ব্যাপার আছে- আপনি তাদেরকে কি রকম বোধ করাতে পেরেছেন, মানুষ সেটাই মনে রাখে। আপনি তাদের কি পরিমাণ তথ্য দিয়েছেন- সেটা নয়। একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আপনার দায়িত্ব হচ্ছে- পৃথিবীর প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো ও তাদেরকে আপনার প্রকল্পের প্রতি আগ্রহী করে তোলা। এজন্য আপনাকে তাদের মনে জায়গা করে নেয়া ও তাদের আবেগকে তুলে ধরতে জানতে হবে।

সঠিক বিষয়, গল্প, উপমা

আপনাকে আরো বেশি সফল করার ব্যাপারে আমার ‘সঠিক বিষয়, গল্প, উপমা’ ফর্মুলাটি সাহায্য করতে পারে। চলুন একটা উদাহরন দেখে নেয়া যাক যাতে পুরো ব্যাপারটা আপনি সহজেই বুঝতে পারেন।

‘বিষয়’ হচ্ছে খুব সাধারণ। আপনার মূল কথাটি সরাসরি বলুন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, আমি প্রায়ই মানুষকে একটা কথা বলি- ‘নেতৃত্ব সব সময় একটা সমস্যা, আবার নেতৃত্বই সব সময় সমাধান।’ আপনার বিষয়টি হতে হবে এরকম- সহজ ও সরাসরি।

এরপরেই আসে ‘গল্প’। এতে দেখাতে হয় ‘বিষয়’কে অনুসরণ না করার কুফল, এবং তারপর সেটাকে মেনে চলার সুফল। উদাহরণস্বরূপ উপরের বিষয়ের পর আমি সবসময় আমার নিজের নেতৃত্ব সংক্রান্ত সংকটের গল্প বলি। ২০১৩ সালে আমার কোম্পানি খুব বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলো। আমার অধিকাংশ কর্মীই কোম্পানির বিরুদ্ধে অসন্তুষ্ট হয়ে উঠেছিলো। আর যারা সরাসরি আমার বিপক্ষে ছিলো না, তারাও খুব অলস আর মন্থরগতিতে কাজ করছিলো।

সেইসময় আমি নিজেকে বলতাম- এসব কিছুই হচ্ছে কর্মীদের দোষে। কিন্তু আমি যখন আমার পরিবারের সাথে ক্যালিফের পাম স্প্রিং-এ ছুটি কাটাচ্ছিলাম, হঠাৎই  মনে হলো- এই পুরো বিশৃঙ্খল অবস্থার দায় আসলে আমার নিজের। নেতা হিসেবে আমি খুব ভীতু এবং আমিই অদক্ষ লোকদের কাজ করতে দিচ্ছি। আমি ছুটিকে অর্ধেকে নামিয়ে আনলাম ও বাড়ি ফেরার সময় আমার কেবলই মাথার মধ্যে ঘুরতে লাগলো- এখনই সময়, এখনই সময়। বাড়ি ফিরে আমি আমার পার্টনারসহ সবাইকে বরখাস্ত করলাম, যাদেরকে করা দরকার ছিল। নিজের ও কোম্পানির জন্য উচ্চ লক্ষ্য নির্ধারন করলাম। এক কথায় আমি একজন সত্যিকারের নেতার মতো কাজ শুরু করলাম।

এটাই আমাদের ‘উপমা’র দিকে নিয়ে যাবে। ‘উপমা’ বিষয়টাকে আবারো উপস্থাপন করবে, তবে কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- নেতৃত্ব ব্যাপারটার উপমা হিসেবে আমি সবসময়ই একজন ভালো ও একজন খারাপ সামরিক অফিসারের মধ্যকার পার্থক্য নিয়ে কথা বলি।

একজন ভালো অফিসার দৃঢ়তার সাথে সিদ্ধান্ত নেন ও তার বাহিনীর কাছে সেটা পৌঁছে দেন। এবং তিনি সবসময় আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলেন যেন তার বাহিনী মনে করে যে- তারা জয়ের পথেই আছে। অন্যদিকে একজন খারাপ সামরিক অফিসার নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে খুঁতখুঁত করেন ও তার বাহিনীর কাছে এর সমর্থন চান। এটা সবাইকে একটা আতঙ্কজনক পরিস্থিতিতে ফেলে দেয়। এবং তারা ভাবে কেউই আসলে নেতৃত্বে নেই।

আপনি যেকোন বার্তাকেই ‘বিষয়, গল্প, উপমা’ ফর্মুলাতে সাজাতে পারবেন। আর যদি এটা কখনো আপনার কাছে পুণরাবৃত্তির মতো শোনায়, তার মানে আপনি ব্যাপারটা ধরতে পেরেছেন। এটা শুধু তথ্য দেয়ার জন্য নয়, বরং শ্রোতাকে আরও আত্মবিশ্বাসী ও নিজের জীবনে সেসব তথ্য প্রয়োগে উৎসাহিত করাটাই মূল ব্যাপার।

কেন সব ক্ষেত্রে আপনার গল্প দরকার

একজন উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে হলে আপনাকে ‘বিষয়, গল্প, উপমা’র ব্যবহার জানতে হবে। কারণ প্রমাণিত প্রায় সকল বিক্রয় পদ্ধতিই এই সূত্র বা কাছাকাছি কিছু মেনে চলে।

এবং এটা এখানেই শেষ না। আপনার টিমে সবচেয়ে প্রতিভাবান মুখগুলো অন্তর্ভুক্ত করতে নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াতেও আপনি এই টেকনিক কাজে লাগাতে পারেন। যেটা নিয়ে আমি আগেই বলেছি- আপনার এমন কর্মীর দরকার নেই যারা শুধু মাস শেষে বেতন নেয়ার জন্য কাজ করে।

তার বদলে আপনার দরকার একদল কর্মীর যারা কাজের ইতিবাচক ফলাফল আনতে পারে, যাদের উদ্যোক্তাসুলভ মনোভাব রয়েছে ও আপনার গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার জন্য অবিরত কাজ করে যাবে। সত্যি কথা বলতে- এমন কর্মী পাওয়া সহজ নয়। কিন্তু আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনি তাদেরকে আপনার ব্যবসাটি কেন আলাদা সেই গল্প বলে আকর্ষণ করতে পারছেন। আর সেসব উদ্যমী মানুষেরা আপনার জন্য ততটাই নিবেদিত হয়ে কাজ করতে চাইবে, যেন তারা নিজেদের কাজই করছে।

সেই সাথে একটা চমৎকার গল্প আপনার ব্যবসাকে একই রকম পণ্য বা সেবা প্রদানকারী অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ে আলাদা করে তোলে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- আমি জো পোলিশের জিনিয়াস নেটওয়ার্কের সাথে বছরখানেক কাজ করেছি। কারণ আমি তার গল্পটা বিশ্বাস করেছিলাম। পোলিশ একজন মাদকাসক্ত ছিল। এবং নিজে ধীরে ধীরে সুস্থ হওয়ার সাথে সে চাচ্ছিল মাদকাসক্তদের জন্য কাজ করতে। সেই সাথে যেসব মাদকাসক্ত একটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায়, তাদের জন্য কাজের ব্যবস্থাও করছিল সে। এটা ছিল একটা অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ, যা আমাকে সেখানে কাজ করতে উৎসাহ দিয়েছিল।

কিন্তু আমার কোনো গল্প নেই, আমি কি করবো?

হ্যাঁ, আপনি করবেন। আপনাকে নিজের একটা গল্প খুঁজে বের করতে হবে। প্রথমে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন- কেন আপনি একজন উদ্যোক্তা হতে চান। আপনার কাছে নিজের ব্যবসার সাথে সাথে আরো অনেক বিকল্প ছিল। সেগুলো হয়তো আরো কম ঝুঁকিপূর্ণ ও নিরুদ্বেগ। তবু কেন আপনি এটাই পছন্দ করলেন?

যখন আপনি উত্তর পাবেন, নিজেকে আবার জিজ্ঞেস করুন- কেন? তারপর আবারও- কেন? এভাবে নিজেকে জিজ্ঞেস করতেই থাকুন ও উত্তরগুলো লিখে রাখুন। পাঁচ থেকে দশটি উত্তর লেখা হয়ে গেলেই আপনি আপনার গল্প পেয়ে যাবেন।

সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে- আপনার গল্পটি যতই আজগুবি কিংবা অন্যরকম হোক, আপনি যখন গল্পটি অন্যদের সাথে শেয়ার করবেন তখন আপনি নিজেই চারপাশের মানুষদের মুগ্ধতা ধরতে পারবেন। আপনি যদি তাদের ভেতর থেকে নিজের পার্টনার, কর্মী, গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে পারেন, তবে এটা হবে একটা শক্তিশালী ব্যবসায়ী সাম্রাজ্যের সূচনা।

14

বর্তমানে স্যাটেলাইট নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। তাই ভাবলাম এটা নিয়ে একটু লেখা যাক।

স্যাটেলাইট হলো একটি কৃত্রিম বস্তু যা তথ্য সংগ্রহের জন্য অথবা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে পৃথিবী বা চাঁদ বা অন্য কোনো গ্রহের চারপাশে কক্ষপথে স্থাপন করা হয়। মনুষ্যনির্মিত হাজার হাজার স্যাটেলাইট পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরছে। এদের মধ্যে কোনোটি বিভিন্ন গ্রহের ছবি সংগ্রহ করে, কোনোটা আবহাওয়াবিদদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া সহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের আভাস দিতেও সাহায্য করছে। কিছু স্যাটেলাইট অন্যান্য গ্রহ, সূর্য, কৃষ্ণবিবর বা দূরবর্তী ছায়াপথ এর ছবি নিতে কক্ষপথে ঘুরছে। এছাড়াও এমন কিছু উপগ্রহ রয়েছে যারা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে মূলত ব্যাবহার করা হয়; যেমন টিভি সিগন্যাল, বিশ্বজুড়ে ফোন কল এর সংযোগ স্থাপন, ইত্যাদি কাজে ব্যাবহার করা হয়।

স্যাটেলাইট এর বার্ড আই ভিউ (পাখির মত ভূ-পৃষ্ঠের অনেক ওপর থেকে দেখা) এর কারণে আমরা উপর থেকে পৃথিবীর একটি বৃহৎ অংশ দেখতে পাই। এই কারণে ভু-পৃষ্ঠে স্থাপিত কোনো যন্ত্রের চেয়ে অধিক দ্রুত এবং নিখুঁত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে স্যাটেলাইট। এমনকি কোনো বস্তু পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে স্যাটেলাইট টেলিস্কোপ এর চেয়ে অধিক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। স্যাটেলাইটকে এত উপরে স্থাপনের মুল কারণ হল যাতে মেঘ, ধুলাবালি কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করতে পারে। স্যাটেলাইট স্থাপনের পূর্বে টিভি সিগন্যাল বেশি দূর যেতে পারতো না। কারণ, টিভি সিগন্যাল সরলরেখা বরাবর কাজ করে। এখন টিভি সিগন্যাল, ফোন কল প্রথমে পৃথিবী থেকে স্যাটেলাইটে পাঠানো হয়। স্যাটেলাইট সিগন্যাল গ্রহণের পর তৎক্ষণাৎ সেটি আবার পৃথিবীতে আমাদের প্রত্যাশিত স্থানে ফেরত  পাঠায়।


 
স্যাটেলাইট এর গঠন
 
 
 স্যাটেলাইট বিভিন্ন আকৃতির হতে পারে। প্রত্যেক স্যাটেলাইট এর ২টি সাধারণ অংশ থাকে ঃ অ্যান্টেনা এবং শক্তির উৎস। অ্যান্টেনা তথ্য গ্রহণ ও সংগ্রহের কাজ করে থাকে। সোলার প্যানেল অথবা ব্যাটারি, উভয়েই শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে। নাসা’র স্যাটেলাইটে ক্যামেরা এবং কিছু সেন্সর লাগানো থাকে ।


 
স্যাটেলাইট কিভাবে পাঠানো হয়
 
 
 কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপন করার জন্য আলাদা মহাশূন্য যান রয়েছে। একে বলা হয়  “উৎক্ষেপণ যন্ত্র (Launch Vehicle)“। কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপনের ক্ষেত্রে যে বিষয়ে সবচেয়ে বেশি মাথা ঘামাতে  হয়, তা হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ এবং মহাশূন্য যানটির গতির সমতা রক্ষা করা। কারণ অভিকর্ষজ ত্বরণ আমাদের উৎক্ষেপণ যন্ত্রকে পৃথিবীর দিকে টানতে থাকে।
দুই ধরনের উৎক্ষেপণ যন্ত্র রয়েছে – অপচয়যোগ্য রকেট এবং মহাশূন্য শাটল। অপচয়যোগ্য রকেটগুলো স্যাটেলাইট স্থাপন শেষে ধ্বংস হয়ে যায়। অপরদিকে মহাশূন্য শাটলগুলো স্যাটেলাইট স্থাপনের কাজে বারবার ব্যবহার করা যায়। উৎক্ষেপণ যন্ত্রের গতিবেগ উচ্চতার উপর অনেকটা নির্ভর করে। কম উচ্চতার কক্ষপথে (Low Earth Orbit = LEO) এর বেগ ৭.৮ কি.মি./সেকেন্ড, বেশি উচ্চতার কক্ষপথে (Geostationary Earth Orbit =GEO) এর বেগ ৩.১  কিমি/সে।


 
স্যাটেলাইটের প্রকারভেদ
 
 
 কক্ষপথ এর ভিত্তি করে স্যাটেলাইট সিস্টেম কে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়।
  • LEO ( Low Earth Orbit ) – পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে ১৬০-২০০০ কি.মি. উপরে অবস্থিত। সাধারণত পৃথিবীকে পর্যবেক্ষণকারী স্যাটেলাইটগুলো এই কক্ষপথে থাকে। পৃথিবী পৃষ্ঠের খুব কাছে থাকায় এই কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটগুলো পৃথিবীকে খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারে। আন্তর্জাতিক স্পেস ষ্টেশন এই কক্ষপথে অবস্থিত।
  • MEO ( Medium Earth Orbit) – পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে ২০০০০ কি.মি. উপরে অবস্থিত। সাধারণত জিপিএস স্যাটেলাইট গুলো এই কক্ষপথে থাকে। এই কক্ষপথের স্যাটেলাইট গুলোর গতিবেগ মন্থর। এই স্যাটেলাইটগুলো পাঠাতে অনেক শক্তির প্রয়োজন হয়।
  • GEO  (Geostationary Earth Orbit) – GEO পৃথিবী  পৃষ্ঠ থেকে ৩৬০০০ কি.মি. উপরে অবস্থিত। এই কক্ষপথে অ্যান্টেনা এর অবস্থান নির্দিষ্ট থাকে। সাধারণত রেডিও এবং টিভি এর ট্রান্সমিশনের কাজে ব্যাবহার করা হয়।

 
স্যাটেলাইট এর অন্যান্য ব্যবহার
 
  • সড়ক দুর্ঘটনার কারণে প্রতি বছরই অনেক মানুষ মারা যায়। স্যাটেলাইট এর মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন সড়কের খুঁতগুলো বের করতে পারি।
  • এখন পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে নানাবিধ পণ্য আমদানি রপ্তানি হয়। ঘরে বসেই এদের অবস্থান ট্র্যাক করতে স্যাটেলাইট আমাদের সাহায্য করে ।
  • বাতাসের বেগ এবং বায়ু দূষণের পরিমাণ নির্ণয়ে স্যাটেলাইট আমাদের সাহায্য করে থাকে।
  • প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্য করার কাজে স্যাটেলাইট সবচেয়ে বেশি কাজে আসে।
  • দুর্যোগ পরবর্তী উদ্ধার কাজে স্যাটেলাইট
বিশ্বের ১০ টি দেশের স্যাটেলাইট লঞ্চ করার ক্ষমতা রয়েছে। দেশগুলো হলো-
  • রাশিয়া
  • আমেরিকা
  • ফ্রান্স
  • জাপান
  • চীন
  • যুক্তরাজ্য
  • ইন্ডিয়া
  • ইরান
  • উত্তর কোরিয়া
  • ইউক্রেন

15
শারীরিক শক্তি এবং মানসিক শক্তির মাঝে দূরত্ব তেমন বেশি নয়। নতুন এক গবেষণায় জানানো হয়েছে, দৃঢ় করমর্দনের মাধ্যমে বোঝা যায় ওই ব্যক্তির মস্তিষ্ক কতটা সুস্থ রয়েছে।
২২ এপ্রিল, রবিবার সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে ওই গবেষণার কথা জানানো হয়।
অস্ট্রেলিয়ার ওই গবেষণায় জানানো হয়, আমাদের শারীরিক শক্তির সঙ্গে মস্তিষ্কের গভীর যোগাযোগ রয়েছে। অর্থাৎ, শরীর ফিট থাকা মানে মস্তিষ্কও থাকবে ক্ষুরধার। অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা যায়, যাদের শারীরিক শক্তি বেশি তারা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতার পরীক্ষাগুলোতেও ভালো করেন। অন্যদিকে করমর্দনের শক্তি থেকেও পরিমাপ করা যায় মস্তিষ্ক কতটা সুস্থ রয়েছে। সিজোফ্রেনিয়া জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণার তথ্য।
গবেষণার সহ-লেখক জোসেফ ফার্থ বলেন, ‘আমাদের গবেষণা থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে শক্তিশালী মানুষদের মস্তিষ্কও বেশি কর্মক্ষম।’
গবেষণার জন্য ইংল্যান্ডের প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তাদের প্রতিক্রিয়ার গতি, সমস্যা সমাধান এবং স্মৃতিশক্তির পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে দেখা যায়, শারীরিকভাবে শক্তিশালী মানুষরা এসব পরীক্ষায় ভালো করেন।
গবেষণায় আরও দেখা যায়, মানসিকভাবে অসুস্থ মানুষদের করমর্দন যত শক্তিশালী, তাদের মস্তিষ্কের সুস্থতার মাত্রাও তত বেশি।
গবেষক ফার্থ জানান, শারীরিকভাবে শক্তিশালী হয়ে ওঠার ব্যায়ামগুলো মস্তিষ্ককেও সুস্থ করে তোলে কি না—এ ব্যাপারে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাদের অতীতের গবেষণা দেখিয়েছে, খোলা বাতাসে ব্যায়াম করাটা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে।

Pages: [1] 2