Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Mst. Eshita Khatun

Pages: [1] 2 3
1
দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেসরকারি সফটওয়্যার নির্মাতারা ওয়েবসাইট এবং অ্যাপের মাধ্যমে হালনাগাদ তথ্য সরবরাহ করছে। মূলত দেশটিতে দ্রুত এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছে। ওয়েবসাইট ও অ্যাপের এই হালনাগাদ তথ্য সাধারণ মানুষকে করোনাভাইরাস আক্রান্তের ঘটনা শনাক্ত করতে এবং সেই স্থানগুলো থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করছে।

অতীতে এ ধরনের ভাইরাস মোকাবিলায় দক্ষিণ কোরীয় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। সে অভিজ্ঞতা থেকেই দেশটির সরকার এবার প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া ঘটনাগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করছে। যার মধ্যে রয়েছে বয়স, লিঙ্গ এবং সংক্রমিত ব্যক্তিটির সংক্রমিত হওয়ার আগের প্রতিদিনের যাতায়াতের পথের যাবতীয় তথ্য।


যদিও এতে কারও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি, তবে এই তথ্যগুলো ওয়েবসাইট নির্মাতাদের রোগীদের গতিবিধি অনুসরণ করে বিশদ মানচিত্র তৈরি করতে সাহায্য করেছে।

পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্বাস্থ্যকর্মী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা পাঁচ বছর আগে এমইআরএস প্রাদুর্ভাবের সময় ব্যাপক সংক্রমণ হওয়ার পর জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া অনুভব করেছিলাম। কারণ, আমরা তখন সংক্রমিত ব্যক্তিদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে জনসাধারণকে অবহিত করিনি।’

করোনাম্যাপডটলাইভ নামের একটি ওয়েবসাইটে ‘আমি নিরাপদ কি না’ শীর্ষক একটি বোতাম রয়েছে। এক ক্লিকেই ব্যবহারকারীরা দেখতে পারে যে তাদের আশপাশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী রয়েছে কি না।
অনেকে দক্ষিণ কোরীয় এই ওয়েবসাইটগুলোতে লগ-ইন করছে। কেউ কেউ বলছে যে সংক্রমিত হতে পারে এ ধরনের ভয় নিয়ে একটি অনলাইন মানচিত্র দেখা খুবই মর্মান্তিক। এই তথ্যগুলোই তাদের বাইরে যেতে বাধা দেয়। সূত্র: রয়টার্স

Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1641852/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF

2
নতুন ফ্রিল্যান্সারদের কাজের খাতিরে বিভিন্ন রকম প্রিমিয়াম টুল ব্যবহারের প্রয়োজন। বাংলাদেশে এখনো পেপ্যাল নেই। তবে বাংলাদেশ থেকে কীভাবে সহজে টাকা দিয়ে কিনে এসব প্রিমিয়াম টুল ব্যবহার করা যাবে, তা অনেকেই জানতে চান।

আমাদের দেশে পেপ্যাল না থাকলেও প্রিমিয়াম টুল বা অনলাইনে লেনদেন করার জন্য বেশ কিছু মাধ্যম রয়েছে। এর মধ্যে প্রথমেই আসে পেওনিয়ারের মাস্টারকার্ড, যেটি আপনি তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে ফরমাশ জানাতে পারবেন। এই কার্ডের মাধ্যমে আপনি অধিকাংশ অনলাইন পেমেন্ট করতে পারবেন।

এরপর আপনি চেষ্টা করতে পারেন ডুয়েল কারেন্সি ক্রেডিট কার্ড, যেটি আমাদের দেশে বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংক ইস্যু করে থাকে। আপনি চাইলে ডলার এনডোর্স করতে পারেন এবং এর মাধ্যমে অনলাইনে লেনদেন করতে পারেন।

Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1641767/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0

3
চলতি বছরেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম মহাকাশযান ‘হোপ’ মঙ্গলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য এটিই প্রথম মহাকাশ মিশন।


তাদের মহাকাশের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করছে। মহাকাশযানটির নকশা ও নির্মাণ কাজ দুই দেশের প্রকৌশলীরা মিলিতভাবে সম্পন্ন করে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা চাইলে নিজস্ব প্রযুক্তিতে রকেট নির্মাণ করে মহাকাশে পাঠাতে পারতো। কিন্তু এতে অনেকসময় ব্যয় হতো। অল্প সময়ের মধ্যে তারা মহাকাশে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে চায়। এজন্য অন্য দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বে গিয়েছে তারা। তবে অংশীদারিত্ব হলেও উৎক্ষেপণের পর দুবাই থেকেই সব কাজ করা হবে।


 
মহাকাশ গবেষণায় দেশটির সংযুক্তি ভবিষ্যৎ মহাকাশ গবেষণার জন্য বেশ বড় সুখবর। দেশটি হোপ মিশনে খুব বেশি ব্যয় করছে না। এজন্য তাদের পক্ষ থেকে এটিকে ‘টাইট বাজেট’ প্রকল্প বলা হচ্ছে।

জানা গেছে, মঙ্গলের কক্ষপথ থেকে গ্রহটিকে পর্যবেক্ষণ করে তথ্য পাঠাবে হোপ।

Source: https://techzoom.tv/science/details/22410/%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87-2/

4
নিজস্ব প্রতিবেদন : একদিকে যেমন সবকিছু ডিজিটালাইজড হচ্ছে, ঠিক তেমনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার ক্রাইমও। আর এই সাইবার জালিয়াতির দুনিয়ায় সফ্ট টার্গেট হচ্ছে এটিএম কার্ড। সম্প্রতি, কলকাতা ও দিল্লির বেশকিছু ATM-এ কার্ড জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসে। একের পর এক অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয়ে যায় লাখ লাখ টাকা। ATM কার্ড জালিয়াতির হাত থেকে বাঁচতে তাই মেনে চলুন কিছু নিয়ম।

বিপদ এড়াতে সবসময় খেয়াল রাখুন এগুলো-

* নির্দিষ্ট সময়ের পর পর এটিএম কার্ডের পিন পরিবর্তন করুন।


* কার্ডে পিন নম্বর লিখে রাখবেন না, কাউকে কার্ড দেবেন না। এমনকি নিজেও পিন নম্বর কাউকে বলবেন না।

* আপনি যখন এটিএমের ভিতরে থাকবেন, তখন অন্য় কাউকে প্রবেশ করতে দেবেন না।

* এটিএম মেশিনে পিন দেওয়ার সময় হাত দিয়ে আড়াল করে পিন দিন। যাতে অন্য় কারোর নজরে না পড়ে।

* এটিএম থেকে টাকা তোলার পর যে স্লিপ আসে তা কাউন্টারে ফেলে আসবেন না।

* এটিএমের স্ক্রিন যতক্ষন না পুরনো অবস্থায় ফিরে আসছে, ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।

* নতুন কার্ড নেওয়ার পর পুরনো কার্ড পুরোপুরি নষ্ট করে ফেলুন।

Source: https://zeenews.india.com/bengali/technology/follow-these-rules-to-avoid-atm-card-fraud_302885.html

5
Uber and Lyft have weathered criticism about pollution and traffic congestion for years, but it’s been difficult to get an exact gauge about how much ride-hailing contributes to daily emissions. A new study released today claims to have a more precise answer to this question.

According to the Union of Concerned Scientists, ride-hailing trips today result in an estimated 69 percent more climate pollution on average than the trips they displace. In cities, ride-hailing trips typically displace low-carbon trips, such as public transportation, biking, or walking. Uber and Lyft could reduce these emissions with a more concerted effort to electrify its fleet of vehicles or by incentivizing customers to take pooled rides, the group recommends.

“TRIPS MUST BE POOLED AND ELECTRIC [AND] DISPLACE SINGLE-OCCUPANCY CAR TRIPS MORE OFTEN”
“However, those strategies alone will address neither the increases in vehicle miles traveled nor rising congestion concerns,” the report says. “For ride-hailing to contribute to better climate and congestion outcomes, trips must be pooled and electric, displace single-occupancy car trips more often, and encourage low-emissions modes such as mass transit, biking, and walking.”

It’s a tall order, but both Uber and Lyft have shown a willingness to reduce their carbon footprint. So far, their methods include introducing bike- and scooter-sharing services, integrated public transportation scheduling and ticketing into their respective apps, and incentive programs to get drivers to switch to electric cars.

Lyft rolled out a multimillion-dollar investment to become a completely carbon-neutral transportation service through the purchase of carbon offsets, while Uber explored providing cash incentives to some North America-based drivers who use electric vehicles.


But despite these efforts, the vast majority of trips that take place on both Uber and Lyft’s platforms are in gas-burning vehicles. The companies have tried promoting pooled rides, but customers have shown a reluctance to share their trips. Their efforts to better connect to mass transit have been slow and piecemeal at best. And their bike and scooter sharing services are subject to local regulations and market conditions, and as such can be unreliable.

A more systemic effort to address climate pollution has yet to emerge from either Uber or Lyft. And the solutions they’ve proposed so far are unlikely to address the core problem with ride-hailing: it is often more convenient and less expensive than other, less-polluting transportation options.

Update February 25, 11:39AM ET: “We want Uber to be a part of the solution to address climate change by working with cities to help create a low carbon transportation future,” a spokesperson said. “To unlock the opportunities we have to reduce emissions, we will continue to invest in products and advocate for policies that reduce car ownership, promote more pooled trips and support greater adoption of bikes, scooters, green vehicles and the use of public transit.”

Lyft, meanwhile, dismissed the report as “misleading.”

“This report, like many before it, makes misleading claims about rideshare,” a spokesperson said. “Lyft encourages the use of shared rides, was the first rideshare company to put public transit information into our app, and last year, made one of the largest single deployments of electric vehicles in the nation. We are eager to continue this work in partnership with cities, to advance shared, sustainable transportation.”

Source: https://www.theverge.com/2020/2/25/21152512/uber-lyft-climate-change-emissions-pollution-ucs-study

6
ICT / Star Wars: The High Republic is Disney's new Star Wars saga
« on: February 25, 2020, 11:31:07 PM »
In December The Rise of Skywalker ended the Star Wars sequel trilogy. But fear not, Jedis and Sith Lords, Disney and Lucasfilm have plenty of Star Wars in the pipeline for you. On Monday the two companies unveiled Star Wars: The High Republic, formerly known as Project Luminous, which combines novels, children's books and comics to tell one interconnected story.

The High Republic saga is set 200 years before The Phantom Menace, the first prequel film. That puts it at about 260 years before the original Star Wars flick. At this stage in the Star Wars universe, the Jedi Order still has the Galactic Empire very much under control. No Machiavellian, secretly Sith politicians around here, no sir.

According to Michael Siglain, director of Lucasfilm Publishing, this quote from Obi-Wan Kenobi is the inspiration for the new saga: "For over a thousand generations the Jedi knights were the guardians of peace and justice."

"[It's] a line that we've been hearing since 1977, and we thought, 'what does that look like?'" Siglain explains in a teaser trailer for The High Republic. The teaser also features creators on how they envisage the Jedi of this era as "the Jedi Knights of the Round Table" -- which is to say the Jedi Order is at the peak of its heroism and badassery.


But of course, calamity will strike and heroes will be tested. The threat emerges from the Nihil, imagined as "space vikings" who live on the fringe of the Galactic Empire, according to the creators. The Jedi won't be the only stars, though, as new smugglers, scoundrels and bounty hunters will also see time in the spotlight.

Phase one of The High Republic debuts in August at the Star Wars Celebration Anaheim convention, and will feature five releases: young adult novel Into the Dark, middle grade novel A Test of Courage, comic book series The High Republic Adventures, another comic book series (this one from Marvel) called simply The High Republic, and finally a novel called The Light of the Jedi.

Source: https://www.cnet.com/news/star-wars-the-high-republic-is-disneys-new-star-wars-saga/

7
Nasa has been able to confirm that Mars is seismically active after its Insight spacecraft was able to detect two quakes large enough to be tracked back to their source.

First landing in November 2018 in the Elysium Planitia region, Insight (pictured above) detected over 100 “Marsquakes” in its first year on the planet. However, there was some debate amongst scientists as to whether the vibrations detected were legitimate seismic activity or just Martian wind rattling its instruments.

Dr Bruce Barnerdt, InSight principal investigator and lead author on one of the studies, said: “We finally have, for the first time, established that Mars is a seismically active planet.”

The first so-called “Marsquake” was recorded by InSight’s onboard sensors in April 2019. Since then, it has detected more than 450 quivers, much smaller than anything that would be felt on Earth.

Two of the quakes were found to emanate from a geologically active area known as Cerberus Fossae, around 1,000 miles east of Elysium Planitia.

The finding is significant as the quakes are thought to be created by the cooling and subsequent shrinking of the planet, alongside general tectonic plate shifting like we have on Earth.

The Martian seismic activity recorded by the lander’s seismometer - a ground-motion detection sensor - was found to be greater than that of the Moon, but less than that of Earth.


“As the planet cools, it contracts and then the brittle outer layers have to fracture in order to sort of maintain themselves on the surface. That’s kind of the long-term source of stresses,” said planetary geophysicist and mission principal investigator Bruce Banerdt.

The team believes that understanding more about the seismic activity of planets other than Earth could reveal clues about how the Solar System formed.

Dr Domenico Giardini, of ETH Zurich in Switzerland and lead author on one of the studies, added: “Marsquakes have characteristics already observed on the Moon during the Apollo era, with a long signal duration (10 to 20 minutes) due to the scattering properties of the Martian crust.”

The researchers devised a magnitude scale tailored to Mars, but similar to the one used for earthquakes. The strongest of the quakes were a little less than magnitude 4, meaning they would be felt on the surface perhaps dozens of miles from the epicenter but probably would not do much damage.

Evidence of dust devils, which are whirls of Martian soil whipped up by the wind that spin like a tornado at nearly 60mph, were observed a month after InSight touched down on Mars.

The £633 million Nasa mission is expected to continue for another year.

In June, Nasa’s Curiosity rover discovered the largest amount of methane measured during its near seven-year mission, a potential sign of life after recent doubts about how much methane the planet really produces.

Source: https://eandt.theiet.org/content/articles/2020/02/seismic-activity-on-mars-confirmed-by-insight-lander/

8
The attorney general of the US state of New Mexico is suing Google, accusing the company of illegally collecting the personal data of school children.

The tech giant is alleged to have collected data on which websites pupils visited, passwords, videos watched, contact lists, and other information.

The data was allegedly gathered from Google's Chromebook laptops and G Suite for Education programme.

Google disputes the claim, with a spokesman calling it "factually wrong".

Google Chromebooks and the G Suite for Education - which includes Gmail, Calendar, Drive, Docs and others - are offered for free to more than 60% of students in New Mexico, according to the lawsuit.

Attorney General Hector Balderas said Google had failed to get parental consent from children under 13 and collected their data for commercial purposes, in violation of the Children's Online Privacy Protection Act.
Image copyright Getty Images

"Student safety should be the number one priority of any company providing services to our children, particularly in schools," Mr Balderas said in a statement. "Tracking student data without parental consent is not only illegal, it is dangerous."

"Google should be telling parents that they're going to stalk and track these children, and under the guise of education," he added, according to KRQU News in Albuquerque.

The lawsuit says that more than 80m teachers and students in the US use Google's education platform and tools.

Jose Castaneda, a spokesman for Google, said their programme "allows schools to control account access and requires that schools obtain parental consent when necessary".

"We do not use personal information from users in primary and secondary schools to target ads," his statement added.

    YouTube fined over using kids' data to target ads

The attorney general told US media that he had contacted school districts across the state to assure them that there was no imminent threat in continuing to use Google products.

Last year Google reached a $170m (£130m) settlement with the Federal Trade Commission over allegations that it illegally harvested personal data from children on YouTube.

Source: https://www.bbc.com/news/world-us-canada-51591420

9
ICT / Scientists discover powerful antibiotic using AI
« on: February 22, 2020, 10:06:41 PM »
 In a world-first, scientists have discovered a new type of antibiotic using artificial intelligence (AI).

It has been heralded by experts as a major breakthrough in the fight against the growing problem of drug resistance.

A powerful algorithm was used to analyze more than one hundred million chemical compounds in a matter of days.

The newly discovered compound was able to kill 35 types of potentially deadly bacteria, said researchers.

Antibiotic-resistant infections have risen in recent years - up 9% in England between 2017 and 2018, to nearly 61,000.

If antibiotics are taken inappropriately, harmful bacteria living inside the body can become resistant to them, which means the medicines may not work when really needed.

    Artificial intelligence apps, Parkinson's and me
    NHS to set up national artificial intelligence lab

The World Health Organization (WHO) has called the phenomenon "one of the biggest threats to global health security and development today".
'A new age'

"In terms of antibiotic discovery, this is absolutely a first," said Regina Barzilay, a senior researcher on the project at the Massachusetts Institute of Technology (MIT).

The discovery was made using an algorithm inspired by the architecture of the human brain.

Scientists trained it to analyze the structure of 2,500 drugs and other compounds to find those with the most anti-bacterial qualities that could kill E. coli.

They then selected around 100 candidates for physical testing before discovering salicin.

"I think this is one of the more powerful antibiotics that has been discovered to date," said James Collins, a bioengineer on the team at MIT.

"We wanted to develop a platform that would allow us to harness the power of artificial intelligence to usher in a new age of antibiotic drug discovery."

Dr Peter Bannister, chairman of the Institution of Engineering and Technology healthcare panel, said the method used was already "well established" within medical research.

"The same approach has gained popularity in the development of new therapeutics, such as pharmaceuticals and, in the case of this research, antibiotics where pattern recognition including deep learning can help sort through the vast numbers of molecules," he told the BBC.

"This paper goes beyond theoretical simulation and presents preclinical results, which are essential along with subsequent clinical trials to clearly demonstrate the efficacy and safety of these new 'AI discovered' drugs."

Since 2014, the UK has cut the number of antibiotics it uses by more than 7%, but the number of drug-resistant bloodstream infections increased by 35% from 2013 to 2017.

Researchers added that the use of the machine to accelerate drug discovery could help bring down the cost of generating more antibiotics in the future.
Major breakthroughs

It comes just weeks after a drug molecule discovered by AI was set to become the first of its kind to be used in human trials.

It will be used to treat patients who have obsessive-compulsive disorder (OCD).

The use of AI technology within healthcare remains in its infancy, but major breakthroughs continue to be made.

A study recently claimed that AI is more accurate than doctors in diagnosing breast cancer from mammograms.

An international team, including researchers from Google Health and Imperial College London, designed and trained a computer model on X-ray images from nearly 29,000 women.

The algorithm outperformed six radiologists in reading mammograms.

For detail go to the following link  https://www.bbc.com/news/health-51586010

10
Science and Information / 12 reason 2020 will be an awesome year
« on: February 20, 2020, 12:44:58 PM »
Get ready for the first complete synthetic human brain, moon mining, and much more. Maybe robotic moon bases, chips implanted in our brains, self-driving cars and high-speed rail linking London to Beijing. According to a dazzling number of technology predictions that single out the year 2020, it's going to be to be one heck of a year. Here, we take a look at some of the wonders it has in store.

2020, of course, is just a convenient target date for roughly-10-years-off predictions. "It's not any more particularly interesting, in my opinion, than 2019 or 2021," says Mike Liebhold, a Distinguished Fellow at the Institute for the Future, and an all-around technology expert with a resume that includes stints with Intel, Apple, and even Netscape.

Liebhold now helps clients take a long view of their businesses so they can make better decisions in the short term. He and his colleagues at the Institute for the Future don't help clients read tea leaves but they do help them read what he calls the signals — those things you can see in the world today that allow you to make reasonable forecasts about what the future holds.

In other words, the year 2020 (and 2019, and 2021) is Liebhold's business. And he forecasts a pretty interesting world a decade from now. So what will the world look like in 2020? With Liebhold riding shotgun, we took a quick spin through 2020 to see what the future might hold.

Japan will build a robotic moon base


JAXA
There’s no technological reason why Japan shouldn't be able to move forward with its ambitious plan to build a robotic lunar outpost by 2020 — built by robots, for robots. In fact, there’s really no nation better for the job in terms of technological prowess.

The Institute for the Future’s Mike Liebhold says, “There are private launch vehicles that are probably capable of doing that, and I think the robotics by that point are going to be quite robust.”

PopSci Predicts: Technologically possible, but economics will be the deciding factor.

Advertise

China will connect Beijing to London via high-speed rail


Courtesy of Popular Science
China’s plan:Link the East and West with a high-speed rail line. Not linking the Eastern with the Western parts of China — they're talking about linking the Eastern world with the Western world.

How to deal with the inevitable headaches of a 17-country train? Offer to pick up the tab. China would pay for and build the infrastructure in exchange for the rights to natural resources such as minerals, timber and oil from the nations that would benefit from being linked in to the trans-Asian/European corridor.

PopSci Predicts: Possible but unlikely.

Cars will drive themselves


Courtesy of Popular Science
It's long been a dream of, well, just about everyone, from Google and DARPA to automakers themselves: utter safety and ease of transport thanks to self-driving cars. There's movement being made, but the first hurdle to clear is a big one: Getting all these heterogenous cars to speak to one another. We don't yet have the wireless infrastructure, globally speaking, to link all our cars with all our traffic tech.

PopSci Predicts: Certainly doable, but not by 2020.

Biofuels will be cost-competitive with fossil fuels


U.S. Navy
The U.S. military has pledged to get half its energy from renewable resources by 2020, and the Navy whole-heartedly believes it can turn to 50 percent biofuels by then. It makes political sense not to rely on volatile regions for energy, and this push could mean both cleaner vehicle fleets and a major bump in the competitiveness of biofuels in the market.

PopSci Predicts: Feasible.

Advertise

The 'flying car' will be airborne


Courtesy of Popular Science
The rebirth of the flying car? Liebhold, of the Institute for the Future, shoots this one down. "No. The air traffic control for something like that is incredible." It's a problem in every way — logistically we can't do it, cost-wise we can't do it, and technologically it's extremely unlikely. Oh well.

PopSci Predicts: The military might have its prototype “flying humvee” by 2020 (DARPA wants it by 2015), but the tech won’t trickle down to the rest of us for quite a while.

We'll control devices via microchips implanted in our brains


Courtesy of Popular Science
The human brain remains biology’s great, unconquered wilderness, and while the idea of meshing the raw power of the human mind with electronic stimulus and responsiveness has long existed in both science fiction and — to some degree — in reality, we likely won’t be controlling our devices with a thought in 2020 as Intel has predicted. While it’s currently possible to implant a chip in the brain and even get one to respond to or stimulate gross neural activity, we simply don’t understand the brain’s nuance well enough to create the kind of interface that would let you channel surf by simply thinking about it.

“Neural communications are both chemical and electrical,” Liebhold says. “And we have no idea about how that works, particularly in the semantics of neural communication. So yeah, somebody might be able to put electronics inside somebody’s cranium, but I personally believe it’s only going to be nominally useful for very, very narrow therapeutic applications.”

PopSci Predicts: We might have chips in the brain by 2020, but they won’t be doing much.

All new screens will be ultra-thin OLEDs


Courtesy of Popular Science
Display tech moves incredibly fast. There will certainly still be some “antique” LCD monitor screens hanging around in 2020, but as far as new stock is concerned, it’s easy to see the entire industry shifting to paper-thin OLED surfaces, many with touch capability.

“So surfaces will become computational," Liebhold says. "walls, mirrors, windows. I think that's legitimate.”

PopSci Predicts: “Give that one a high probability,” Liebhold says. Done.

Advertise

Commercial space will take us to the moon and asteroids (and we'll be mining them)


SpaceX
A two-parter: commercial trips to the moon (which is becoming a bustling space industry as you read this) and mining extraterrestrial bodies. That last part seems less likely — we haven't yet figured out what long-term space travel would do to the human body, and even robotic missions are likely several decades off.

PopSci Predicts: Commercial space travel is the real deal, but beyond orbital flights things become exponentially more difficult. The moon, asteroids and mining missions are unlikely targets within the 2020 time frame.

A $1,000 computer will have the processing power of the human brain


Zephyris via Wikimedia
Cisco’s chief futurist made this prediction a couple of years ago, and it seems reasonable in some ways. Not intelligence, really, but purely the "ability, the number of cycles," as Liebhold puts it, is on track given Moore's Law.

PopSci Predicts: Likely.

Universal translation will be commonplace in mobile devices


Google
This one's under intense development, both in practical forms like Google Translate and crazier ones from DARPA.  Translation will probably happen in the cloud, consulting with massive bodies of language knowledge compiled by companies and governments.

PopSci Predicts: Probable, but with varying degrees of accuracy depending on the language.

Advertise

We'll finally see some decent AR glasses

Augmented reality is highly visible on smartphone apps, but we want more — we want rich, customizable, relevant and easy to access AR overlaid directly onto whatever we happen to be looking at. That depends on the glasses and GPS, which should be accurate enough to keep up with the real world by 2020, but also on the spatial web, with geolocation data.

PopSci Predicts: We’re already halfway there

We'll create a synthetic brain that functions like the real deal

Once we have a computer with the processing power of a brain, can we build a brain from scratch? Researchers at Switzerland's Blue Brain Project think so. But there's an argument that as we build a brain, we'll learn more and more about it, increasing the rate of difficulty as we proceed.

PopSci Predicts: We’ll get there. Someday.


For detail go to the following link  http://www.nbcnews.com/id/43015182/ns/technology_and_science-innovation/t/reasons-will-be-awesome-year/#.Xk4o1yj0lPY

11
Common Forum / মুখোশে রোগ প্রতিরোধ
« on: February 20, 2020, 12:41:22 PM »
আমাদের চারপাশের বাতাস একেবারে বিশুদ্ধ নয় কখনোই। এতে থাকতে পারে বিভিন্ন রোগের জীবাণু, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধূলিকণা, ফুলের রেণু, ক্ষতিকর কিছু গ্যাস, ধোঁয়া, সিসা ইত্যাদি। নিশ্বাসের সঙ্গে এগুলো শরীরে প্রবেশ করলে রোগজীবাণুর কারণে সর্দিকাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, সার্স, করোনাভাইরাসজনিত অসুখ হতে পারে। ধূলিকণা, ফুলের রেণু, ধোঁয়া—এগুলোর জন্য হতে পারে শ্বাসনালি ও ফুসফুসের প্রদাহ, ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, হাঁচি, কাশি। সিসার কারণে শিশুরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশি। শিশুর বুদ্ধিমত্তা কমে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে আচরণগত সমস্যা। বাতাসে ভাসমান ধুলা-ধোঁয়ার এসব ক্ষতিকর পদার্থ থেকে নিজেকে কিছুটা রক্ষা করতে ব্যবহার করা যেতে পারে মুখোশ বা মাস্ক। যা ব্যবহার করলে প্রাথমিকভাবে এসব থেকে রেহাই মিলতে পারে।

কাদের মাস্ক ব্যবহার করা উচিত


মাস্ক ব্যবহারেও সতর্ক থাকতে হবে। মডেল: নোমান, ছবি: কবির হোসেন
মাস্ক ব্যবহারেও সতর্ক থাকতে হবে। মডেল: নোমান, ছবি: কবির হোসেন
আমাদের চারপাশের বাতাস একেবারে বিশুদ্ধ নয় কখনোই। এতে থাকতে পারে বিভিন্ন রোগের জীবাণু, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধূলিকণা, ফুলের রেণু, ক্ষতিকর কিছু গ্যাস, ধোঁয়া, সিসা ইত্যাদি। নিশ্বাসের সঙ্গে এগুলো শরীরে প্রবেশ করলে রোগজীবাণুর কারণে সর্দিকাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, সার্স, করোনাভাইরাসজনিত অসুখ হতে পারে। ধূলিকণা, ফুলের রেণু, ধোঁয়া—এগুলোর জন্য হতে পারে শ্বাসনালি ও ফুসফুসের প্রদাহ, ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, হাঁচি, কাশি। সিসার কারণে শিশুরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশি। শিশুর বুদ্ধিমত্তা কমে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে আচরণগত সমস্যা। বাতাসে ভাসমান ধুলা-ধোঁয়ার এসব ক্ষতিকর পদার্থ থেকে নিজেকে কিছুটা রক্ষা করতে ব্যবহার করা যেতে পারে মুখোশ বা মাস্ক। যা ব্যবহার করলে প্রাথমিকভাবে এসব থেকে রেহাই মিলতে পারে।

কাদের মাস্ক ব্যবহার করা উচিত


যাঁদের ধুলাবালু, ফুলের রেণু ইত্যাদিতে অ্যালার্জি আছে, তাঁরা মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। অ্যালার্জি কমবে। যাঁরা সর্দি–কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, সার্স, করোনাভাইরাসজনিত অসুখ, যক্ষ্মা, ডিফথেরিয়া ইত্যাদির রোগী, তাঁরা মাস্ক ব্যবহার করবেন। এর ফলে তাঁদের হাঁচি–কাশির মাধ্যমে রোগজীবাণু বাতাসে ছড়ানোর সুযোগ পাবে না। তাতে আশপাশের লোকজন থাকবেন নিরাপদ। কোনো এলাকায় সর্দিকাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি হলে রোগীদের আশপাশে থাকা সুস্থ লোকজনও মাস্ক ব্যবহার করবেন, যেন নিশ্বাসের সঙ্গে বাতাসে ছড়িয়ে থাকা রোগজীবাণু শ্বাসনালিতে প্রবেশ করতে না পারে।

কোন মাস্ক ভালো

বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাস্ক পাওয়া যায়। দুই কানের সঙ্গে আটকে রাখার জন্য ফিতা বা ইলাস্টিক ব্যান্ডযুক্ত সার্জিক্যাল মাস্ক ও রেসপিরেটর মাস্ক। সার্জিক্যাল মাস্কগুলো সাধারণত চ্যাপ্টা, চারকোনাকার। আর রেসপিরেটর মাস্কগুলো তিন কোনার, সামনের দিকটি নাকে ফিট হওয়ার জন্য একটু উঁচু। সার্জিক্যাল মাস্কের চেয়ে রেসপিরেটর মাস্ক ভালো। এগুলো নাকে–মুখে ফিট হয় বেশ। মাস্ক আর মুখের ত্বকের মাঝখানে ফাঁক থাকে না। সার্জিক্যাল মাস্কগুলো দ্বারা প্রায় ৮০ শতাংশ রোগজীবাণু ফিল্টার হয়। কিন্তু রেসপিরেটর মাস্কগুলো রোগজীবাণু ফিল্টার করতে পারে প্রায় ৯৫ শতাংশ। তবে শিশুদের মুখ ছোট বিধায় রেসপিরেটর মাস্ক তাদের জন্য উপযোগী নয়। একবার ব্যবহার উপযোগী মাস্কই বেশি ভালো। এক পরতের মাস্কের চেয়ে কয়েক পরতের মাস্ক ব্যবহার করাই শ্রেয়। একাধিক পরত অতি ক্ষুদ্র কণার প্রবেশও রোধ করতে পারে। একবার ব্যবহার উপযোগী সার্জিক্যাল মাস্কে তিনটি পরত থাকে। বেশি মোটার কারণে শ্বাস টানায় বা ছাড়ায় বেশি সমস্যা যেন না হয়, মাস্ক বাছাইয়ের সময় সে খেয়াল রাখতে হবে। মাস্কটা মুখে ফিট হতে হবে ভালোভাবে। মাস্ক আর নাক-মুখের ফাঁক দিয়ে যেন ধুলাবালু ঢুকতে না পারে।

মাস্ক ব্যবহারে সতর্কতা

মাস্ক হওয়া চাই পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন। নাক–মুখ ঢেকেই মাস্ক পরতে হবে। মাস্কের বাইরের দিকটা প্রতিবার ব্যবহারের সময় যেন বাইরের দিকেই থাকে, সে খেয়াল রাখতে হবে অবশ্যই। নইলে শ্বাস টানার সময় মাস্কের বাইরের দিকে লেগে থাকা ক্ষুদ্র কণা ও রোগজীবাণু শ্বাসনালিতে ঢুকে যাবে। একজনের মাস্ক আরেকজন ব্যবহার করা যাবে না। ভেজা মাস্ক ব্যবহার করা যাবে না। মাস্ক খুলতে হবে ফিতা বা ইলাস্টিক ধরে। ব্যবহার করা মাস্ক ফেলতে হবে নিরাপদ স্থানে।

মাস্ক ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা

রোগের বিস্তার বা প্রতিরোধের জন্য মাস্ক অবশ্যই শতভাগ কার্যকর নয়। সম্প্রতি করোনা বা কোভিড–১৯–এর প্রাদুর্ভাবের কারণে বিশ্বজুড়ে মাস্ক ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। করোনাভাইরাস রেসপিরেটরি ড্রপলেট বা শ্বাসের মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি–কাশি বা থুতুর মাধ্যমে অন্যরা আক্রান্ত হতে পারেন। এই ভাইরাসের ইনকিউবেশন পিরিয়ড ১৪ দিন। মানে আক্রান্ত হওয়ার পর ১৪ দিন পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তির উচিত মুখে মাস্ক পরে থাকা ও লোকসমাগম থেকে দূরে থাকা। পরিচর্যাকারীও মাস্ক ব্যবহার করবেন ও প্রতিবার আক্রান্ত ব্যক্তির কাছে যাওয়ার পর পোশাক ও মাস্ক পাল্টাবেন, হাত ভালো করে ধুয়ে নেবেন। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহার্য বস্তু না ধরাই ভালো। তবে মাস্ক ব্যবহার করলেই যে শতভাগ নিরাপদ থাকা যাবে, তা নয়।

 তবে সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করলে রোগীর হাঁচি–কাশির মাধ্যমে রোগজীবাণু বাইরে বাতাসে ছড়াবে অনেক কম। কোনো এলাকায় সর্দি–কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি হলে সুস্থ মানুষও থাকতে পারবেন অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। মাস্ক ব্যবহারের পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, যেমন নিয়মিত হাত ধোয়া, অপরিষ্কার হাতে নাক–মুখ–চোখ স্পর্শ না করার মতো স্বাস্থ্যকর অভ্যাস চর্চা করে যেতে হবে সব সময়।

বিভাগীয় প্রধান, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ, কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ।

 

12
ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) অ্যানিমেশন বিষয়ে অনলাইনে প্রচুর কাজ আছে। জনপ্রিয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেমন আপওয়ার্ক, ফাইভারে প্রতিদিন হাজার হাজার কাজ আসে অ্যানিমেশন নিয়ে। এ ছাড়া অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে নিজে অ্যানিমেশনের বিভিন্ন কম্পোনেন্ট বা উপাদান তৈরি করে বিক্রি করার সুযোগও আছে।

থ্রিডি অ্যানিমেশন শেখার ক্ষেত্রে কতটুকু শিখতে হবে, সে মাপকাঠিটা বলে দেওয়া একটু কষ্টের। অ্যানিমেশনের অনেক বিভাগ আছে, একেকজন একেক বিভাগে পারদর্শী হয়ে থাকে। কেউ হয়তো ক্যারেক্টার অ্যানিমেশন ভালো পারে, কেউ প্রোডাক্ট অ্যানিমেশন, আবার কেউ ধরুন ঘরবাড়ি।



থ্রিডি অ্যানিমেশনের কাজের চাহিদা এখন প্রচুর। ছবি: রয়টার্স
থ্রিডি অ্যানিমেশনের কাজের চাহিদা এখন প্রচুর। ছবি: রয়টার্স
ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) অ্যানিমেশন বিষয়ে অনলাইনে প্রচুর কাজ আছে। জনপ্রিয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেমন আপওয়ার্ক, ফাইভারে প্রতিদিন হাজার হাজার কাজ আসে অ্যানিমেশন নিয়ে। এ ছাড়া অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে নিজে অ্যানিমেশনের বিভিন্ন কম্পোনেন্ট বা উপাদান তৈরি করে বিক্রি করার সুযোগও আছে।

থ্রিডি অ্যানিমেশন শেখার ক্ষেত্রে কতটুকু শিখতে হবে, সে মাপকাঠিটা বলে দেওয়া একটু কষ্টের। অ্যানিমেশনের অনেক বিভাগ আছে, একেকজন একেক বিভাগে পারদর্শী হয়ে থাকে। কেউ হয়তো ক্যারেক্টার অ্যানিমেশন ভালো পারে, কেউ প্রোডাক্ট অ্যানিমেশন, আবার কেউ ধরুন ঘরবাড়ি।


আগে আপনি ঠিক করুন, আপনি কোন বিভাগ নিয়ে কাজ করবেন। তারপর সেই বিভাগের কাজগুলো দেখুন। ভালো ভালো অ্যানিমেটরদের কাজ এবং নির্দিষ্ট মান অনুসরণ করুন। অ্যানিমেশন বিষয়ে অনলাইন গ্রুপ এবং কমিউনিটিতে যোগ দিন, তাঁদের কাজ দেখুন। অনুশীলন প্রকল্প নিয়ে কাজ করুন। জ্যেষ্ঠদের মতামত নিন। নির্দিষ্ট মান অর্থাৎ ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ডের কাছাকাছি যখন পৌঁছাতে পারবেন এবং নিজের অনুশীলনের কিছু কাজ দিয়ে পোর্টফোলিও হয়ে যাবে, তখন মার্কেটপ্লেসে ঘেঁটে দেখুন এবং ধীরে ধীরে অনলাইনে কাজ শুরু করার চেষ্টা করতে পারেন।
https://www.prothomalo.com/technology/article/1640533/%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8

13

অ্যান্ড্রয়েডের জন্য মাইক্রোসফটের অল-ইন-ওয়ান অফিস অ্যাপ
অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য মাইক্রোসফট তাদের ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট ও এক্সেল অ্যাপকে আরও সহজভাবে আনছে। এখন একক একটি অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে মাইক্রোসফটের সব কটি অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। এতে একাধিক নথিতে কাজ করার সময় ব্যবহারকারীর সময় বাঁচবে। ইউনিফায়েড অফিস অ্যাপ হিসেবে মাইক্রোসফট কয়েক মাস ধরে সেবাটি পরীক্ষামূলকভাবে চালাচ্ছিল।

অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোনের জন্য অল-ইন-ওয়ান অ্যাপটি উন্মুক্ত করা হলেও অ্যান্ড্রয়েড ট্যাব, ক্রোমবুকে পুরোপুরি সমর্থন করবে না এটি। আইওএস প্ল্যাটফর্মেও এখনো এটি ছাড়া হয়নি।
মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ বলছে, নতুন অ্যাপটি ব্যবহারের ফলে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীকে আলাদা করে ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট ও এক্সেল অ্যাপ ডাউনলোড করা লাগবে না। এতে বাড়তি ফিচার হিসেবে ওয়ানড্রাইভ ইন্টিগ্রেশন ও অফিস লেন্স ব্যবহার করে ডকুমেন্ট স্ক্যানিং সুবিধা থাকবে।

২০১৯ সালের শুরুর দিকে মাইক্রোসফট এ অ্যাপ পরীক্ষা শুরু করে। এরপর পাবলিক রিভিউ উন্মুক্ত করে। এবারে পরীক্ষামূলক পর্যায় শেষ করছে মাইক্রোসফট।

মোবাইল ফোনে মাইক্রোসফট অফিস সফটওয়্যারটি প্রোডাকটিভিটি সফটওয়্যার হিসেবে চলতি পথে দারুণ সমাধান। এর অধিকাংশ ফিচারই বিনা মূল্যে। গুগল ও মাইক্রোসফট পৃথক পৃথকভাবে বিভিন্ন প্রোডাকটিভিটি অ্যাপের সেবা দিচ্ছে। এর মধ্যে মাইক্রোসফটের একত্রে সেবা দেওয়ার বিষয়টি অনেক কাজ সহজে সমাধান করার সুবিধা হিসেবেই দেখবেন গ্রাহকেরা।
Source https://www.prothomalo.com/technology/article/1640607/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%B2-%E0%A6%87%E0%A6%A8-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%85%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B8

14
Google will show off the mobile software in more detail at its developer conference in May.

Google on Wednesday gave us our first glimpse at the next version of Android, the search giant's mobile operating system. The software, called Android 11, is a preview version meant for app developers to test before it is released more widely.


Google
One new feature lets people grant apps one-time access to location, microphone and camera data, instead of developers getting more broad access to the information. With the new option, app makers will only get data until the user moves away from the app. After that, developers will have to ask for permission again.

Other changes include upgrades for new form factors, including foldable phones and "pinhole" screens, which take up the entire front of the device except for the camera lens. Another upgrade helps developers better take advantage of 5G network speeds.

Android 11 also has improvements for messaging apps. Now users will be able to add images to notification replies. Chat bubbles can keep conversations in view while you're using other apps.

Google
Android is the most dominant mobile operating system in the world, powering almost nine out of every 10 smartphones shipped globally. But Google's biggest challenge with new versions of Android is actually getting them on people's phones since wireless carriers and handset makers can slow down the process.

Google hasn't released user figures for the previous version of the software, Android 10. But the last time Google updated its distribution numbers in May 2019, Android 9 had only been installed on 10.4% of Android phones. The three versions released before that make up 64.4 percent of Android phones. By contrast, 70% of Apple's iPhones are on the most recent version of its operating system, iOS 13.

Google will share more features for the software at its annual developer conference, Google I/O, in May.

Source: https://www.cnet.com/news/android-11-preview-adds-privacy-and-under-the-hood-upgrades/

15
যা এত দিন কেবল মুখের কথায় ছিল, তা এবার বাস্তবে রূপ পাচ্ছে। অবৈধ মুঠোফোন বন্ধ করতে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থার প্রযুক্তি সরবরাহ ও পরিচালনার জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আজ মঙ্গলবার এ দরপত্র আহ্বান করা হয়।

এটি কার্যকরভাবে চালু হলে অবৈধভাবে দেশে আনা মুঠোফোন মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে চালু করা যাবে না। বিটিআরসি সূত্র জানিয়েছে, এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিক, অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এনইআইআর চালুর লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সংস্থাটি।

এর আগে গত বছরের জানুয়ারিতে মুঠোফোন বৈধভাবে আমদানি করা বা দেশে উৎপাদিত কি না, তা যাচাইয়ে তথ্যভান্ডার চালু করা হয়েছিল। খুদে বার্তা পাঠিয়ে গ্রাহকদের বৈধ বা অবৈধ মোবাইল চিহ্নিত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ মোবাইল আমদানিকারক সমিতির (বিএমপিআইএ) সহায়তায় বিটিআরসি এই তথ্যভান্ডার তৈরি করে। তবে তা খুব একটা কাজে আসেনি।


সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, দেশে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ স্মার্টফোন অবৈধভাবে আমদানি করা হয়। যার কারণে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার রাজস্ব হারায় সরকার।

বিটিআরসির কর্মকর্তারা গত বছরের জানুয়ারিতে এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছিলেন, এনইআইআর ব্যবস্থা চালু হলে নেটওয়ার্কে সচল থাকা মোবাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে যাবে। পাশাপাশি বৈধ মোবাইল নিবন্ধন করা যাবে। অবৈধ মোবাইলগুলো দেশের নেটওয়ার্কে চালানো যাবে না।

জানতে চাইলে বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) জাকির হোসেন খান বলেন, ‘মুঠোফোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ। এর মধ্যে আমরা অবৈধ মুঠোফোন ঠেকানোর ব্যবস্থাপনাকে একপর্যায়ে নিতে পারব আশা করি।’

দরপত্রে বলা হয়েছে, আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো দরপত্র জমা দিতে পারবে। একই দিন বিকেলে দরপত্র খোলা হবে। অংশগ্রহণকারীর সাত বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
নতুন ব্যবস্থা চালু হলে বিদেশ থেকে আসার সময় কিনে আনা, প্রবাসী স্বজনদের পাঠানো সেট ইত্যাদি ক্ষেত্রে কী হবে, জানতে চাইল জাকির হোসেন বলেন, ‘এসব ক্ষেত্রে ব্যবস্থা থাকবে।’

Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1640484/%E2%80%98%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BF%E0%A6%87%E2%80%99-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A7-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A0%E0%A7%8B%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8

Pages: [1] 2 3