Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - tariq.alam

Pages: [1] 2
1

ইসলাম ধর্মের রীতি অনুযায়ী, সামর্থ্যবানদের জীবনে অন্তত একবার হজ পালন ফরজ। প্রতি বছর বিশ্বের কয়েক লাখ মানুষ ৬ দিনের জন্য হজ পালনে মক্কা সফর করেন। হিজরি ক্যালেন্ডারের ১২তম মাস জিলহজেরর অষ্টম থেকে তেরোতম দিনে হজ অনুষ্ঠিত হয়।
ইসলাম ধর্ম অনুসারে কাবা’কে সবচেয়ে পবিত্রতম স্থান মনে করা হয়। কাবা মুসলমানদের কিবলা। অর্থ্যাৎ, কাবার দিকে মুখ করে মুসলিমরা তাদের নামাজ আদায় করেন। হজ এবং উমরাহ পালনের সময় মুসলিমরা কাবাকে ঘিরে তাওয়াফ করেন।
বেশ কিছু ধাপ অনুসরণ করে হজ পালন করা হয়। বাংলানিউজের পাঠকদের জন্য এ ধাপগুলো আলোচনা করা হলো:

১. ইহরাম
হজের ধর্মীয় আচার শুরু হয় ইহরামের মাধ্যমে। ইহরাম শব্দটি হারাম থেকে এসেছে; যার অর্থ কোনো কিছু নিষিদ্ধ করে নেয়া। হজ ও উমরাহ পালনকারী ব্যক্তি ইহরামের মাধ্যমে নিজের ওপর স্ত্রী সহবাস, মাথার চুল, হাতের নখ, গোঁফ, বগল ও নাভির নিচের ক্ষৌর কর্যাদি, সুগন্ধি ব্যবহার, সেলাই করা পোশাক পরিধান এবং শিকার করাসহ কিছু বিষয়কে হারাম করে নেয়। 

২. মিনার উদ্দেশে যাত্রা
ইহরামের পর হজ পালনকারীরা মক্কা থেকে মিনার দিকে যাত্রা শুরু করেন। মক্কা থেকে মিনার দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। হজ পালনকারীদের জন্য মিনায় অবস্থান করা সুন্নত। পরবর্তী দিন না আসা পর্যন্ত মিনাতে অবস্থান করতে হয়। মিনাতে হজ পালনকারীরা অধিকাংশ সময় নামাজ আদায় ও মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে স্মরণ করেন।

৩. আরাফাতে অবস্থান
হজ পালনকারীদের জন্য আরাফাতে অবস্থান ফরজ কাজ। হজের আনুষ্ঠানিকতার জন্য মিনা থেকে ১৪.৪ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের উদ্দেশে যাত্রা করতে হয়। মূলত ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করাই হজ। এসময় আরাফাতের ময়দান হজ পালনকারীদের কণ্ঠে ‘লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা, ওয়াননিমাতা লাকা ওয়ালমুলক, লা শারিকা লাকা’ ধ্বনিতে মুখরিত থাকে।

৪. মুযদালিফাহতে পাথর সংগ্রহ
৯ জিলহজ সন্ধ্যায় আরাফাত থেকে মুযদালিফায় রওয়ানা করেন হজব্রত পালনকারীরা। সেখানে তারা রাত্রিযাপন করেন। মিনার শয়তানকে পাথর ছুড়ে মারার জন্য মুযদালিফাহ থেকে পাথর সংগ্রহ করতে হয়।

৫. পাথর ছুড়ে মারা
শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়ে মারা হজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ১০ জিলহজে শুধু বড় জামরায় (শয়তান) পাথর নিক্ষেপ এবং ১১ ও ১২ জিলহজে ছোট, মধ্যম ও বড় এই তিন জামরাতেই (শয়তানকে) পাথর মারা ওয়াজিব। ১০ জিলহজে সারাবিশ্বে ঈদুল-আজহা পালিত হয়। শয়তানকে পাথর ছুড়ে মারার এ কাজ মূলত প্রতীকি।

৬. মিনাতে শেষ দিন
মিনাতে শেষ দিনেও শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করেন হজব্রত পালনকারীরা। এদিন তারা শয়তানের প্রতি সাতটি করে পাথর নিক্ষেপ করতে হয়। মিনাতে অবস্থান করতে হয় ২ থেকে ৩ দিন । মিনাতে অবস্থানের সময় শেষ হলে আবার মক্কার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করতে হয়। মিনা থেকে মক্কায় গিয়ে হজ পালনকারীরা চূড়ান্ত তাওয়াফ করেন।   

অনেকে হজ পালনের সময় মদিনা সফর করেন। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী মদিনা দ্বিতীয় পবিত্রতম শহর। তবে মদিনা সফর হজের অংশ নয়।

অনলাইন অবলম্বনে

2

কফি

জনপ্রিয় এই পানীয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের জন্য সুপরিচিত। গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যাফেইন পেশির বেদনানাশে খুবই কার্যকর। কাজেই জগিং বা শরীরচর্চা কেন্দ্রে যাওয়ার পর যারা ব্যথায় কাতর, তারা এক কাপ কফিতে ভরসা রাখতে পারে।

সামুদ্রিক মাছ

সাগরের মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। আরথ্রাইটিসের ব্যথায় এ উপাদান জাদুর মতো কাজ করে। যেসব খাবারে ওমেগা-৩ পাবেন, সেগুলো খেতে পারেন শরীরের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে।

মধু

এমনিতেই অনেক রোগের মহৌষধ নামে পরিচিত। আঘাত বা ক্ষত থেকে উদ্ভূত ব্যথা নিরাময়ে মধু ভালো উপাদান। গবেষণায় দেখা গেছে, মুখের কোনো ব্যথায় মধু ব্যবহার করলে তা অন্যান্য যেকোনো উপায়ের চেয়ে দ্রুত সেরে যায়।

রসুন

এটি বেদনানাশক। এর জারমেনিয়াম, সেলেনিয়াম ও সালফারের মতো উপাদান ক্ষতে ব্যথা সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সক্ষম।

সূর্যমুখী ও মিষ্টি কুমড়ার বিচি

এই দুই ধরনের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম আছে। পেশিতে ব্যথা, মাইগ্রেন এবং ফাইব্রোমায়ালজিয়াতে উপকার মিলবে এসব বিচিতে। সালাদ বা যেকোনো খাবারে এগুলো ব্যবহার করা যায়।

আদা

এমনিতেই বহু গুণে গুণান্বিত। ঠাণ্ডা-সর্দি-কাশি উপশমে সহায়ক। যেকোনো ব্যথা ভালো করতে আদার তুলনা নেই। আবার নারীদের পিরিয়ডসংক্রান্ত ব্যথা কমাতেও এই খাবারে আস্থা রাখা যায়।

চকোলেট

যারা কোনো কারণে পেইনকিলার গ্রহণ করে, তারা আরো অন্যান্য রোগের ঝুঁকিতে থাকে। তাই বেদনানাশক ওষুধ খাওয়ার আগে কিছু পরিমাণ চকোলেট খেয়ে চেষ্টা চালান। চকোলেট দেহে অধিক পরিমাণে অ্যাম্ফেটামাইন ও ফেনাইলথাইলামাইন উপাদানের ক্ষরণ ঘটায়। এগুলো দেহকে আরাম দেয়।

কমলা

এই ফলটি ভিটামিন সি দিয়ে পরিপূর্ণ। এ কথা সবাই জানে। কিন্তু এটা হয়তো জানে না যে এতে আছে বেটা-ক্রিপ্টোজানথিন। এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস থেকে উদ্ভূত ব্যথা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

হলুদ

এটাও বেদনানাশের ওষুধ। এমনিতেই আমাদের রান্নাঘরের জনপ্রিয় মসলা হিসেবে সুপরিচিত। এটি আরথ্রাইটিস, হার্ট বার্ন, সংযোগস্থলের ব্যথা, পাকস্থলীর যন্ত্রণা, ক্রোন্স ডিজিস, মাথাব্যথা, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসে সংক্রমণ, ফ্রাইব্রমায়ালজিয়া, জ্বর ইত্যাদির বেদনা নিরাময়ে সক্ষম।

অনলাইন অবলম্বনে

3
ঘরের সাধারণ টিভিটাকে বদলে নিতে চান? করতে চান স্মার্ট? নতুন একটা স্মার্ট টিভি কেনা তো অনেক খরচের বিষয়! চাইলেই আপনার আনস্মার্ট টিভিকে স্মার্ট টিভিতে রূপান্তরিত করতে পারবেন ছোট একটি ডিভাইসের মাধ্যমে।

সব ডিভাইসেই অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের দাপট। মোবাইল থেকে শুরু করে হাতঘড়িতেও অ্যানড্রয়েডের দাপুটে পদচারণ। সেসব ধারাবাহিকতায় টিভিটাই বা বাদ যাবে কেন? যায়নিও। এখন টিভিতেও চলছে অ্যানড্রয়েডের জয়জয়কার। কিন্তু এই টিভিগুলো অপেক্ষাকৃত বেশ দামি। চাইলেই ঘরের সাধারণ টিভিটি বদলে ফেলে স্মার্ট টিভি কেনা যায় না। তবে চাইলে সেই সাধারণ টিভিটাকে ছোট একটি ডিভাইসের মাধ্যমে বদলে ফেলা সম্ভব। আর এই ডিভাইসটাকেই বলা হয় ‘অ্যানড্রয়েড টিভি বক্স’।

অ্যানড্রয়েড টিভি বক্স কী?

‘অ্যানড্রয়েড টিভি বক্স’ হচ্ছে অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমচালিত এমন একটি ডিভাইস, যা দিয়ে একটি সাধারণ টিভিকে স্মার্ট টিভিতে রূপান্তরিত করা যায়। আমাদের অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোনে যা যা করা যায় ঠিক সে সবই করা যাবে এই অ্যানড্রয়েড টিভি বক্সে। ইচ্ছামতো যেকোনো অ্যাপ এটাতে ইনস্টল করে ব্যবহার করা যাবে। সেই সূত্র ধরে এতে চাইলেই যেকোনো অনলাইন স্ট্রিমিং সেবা ইনস্টল করে দিব্যি টিভি দেখার কাজ চালিয়ে নেওয়া যাবে।

কাজ করে যেভাবে

অ্যানড্রয়েড টিভি বক্স ব্যবহার করা হয় মূলত টিভিতে, বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে ইউটিউব, নেটফ্লিক্সের মতো স্ট্রিমিং সেবা নিতে। চাইলে দেশি স্যাটেলাইট চ্যানেলও দেখতে পারবেন। তবে সেসব চ্যানেলের নিজস্ব অ্যাপ ইনস্টল করে নিতে হবে। তবে বেশি ঝামেলা করতে না চাইলে বিল্টইন ইউটিউব অ্যাপ ব্যবহার করে ইচ্ছামতো ভিডিও দেখতে পারেন। এখানেই অ্যানড্রয়েড টিভি বক্সের কেরামতি শেষ নয়। বড় পর্দায় ফেইসবুক ব্রাউজিংও করতে পারবেন এটা দিয়ে। খেলা যাবে অ্যানড্রয়েড গেইমসও। ইন্টারনেট ব্রাউজিংসহ পেনড্রাইভের সাহায্যে বিভিন্ন ফরম্যাটের ভিডিও চালাতে পারবেন এই টিভি বক্সে। বিল্টইন মিডিয়া প্লেয়ার যদি ভালো না লাগে, তাহলে পছন্দসই মিডিয়া প্লেয়ার ডাউনলোড করে নেওয়ার সুবিধা তো আছেই।

অ্যানড্রয়েড টিভি বক্স চালাতে হলে ইথারনেট বা ওয়াই-ফাইয়ের সংযোগ থাকতে হবে। চাইলে কেবলের মাধ্যমে সরাসরি টিভি বক্সে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া যায়। আর যদি তারের ঝামেলায় যেতে না চান ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে পারেন। এতে ওয়াই-ফাইয়েরও সুবিধা আছে। অ্যানড্রয়েড টিভি বক্স কেনার আগে দেখে নিতে হবে আপনার টিভিতে এইচডিএমআই পোর্ট আছে কি না। এটা না থাকলে ইউএসবি পোর্ট আছে কি না। সেটা থাকলে আপনার একটি এইচডিএমআই কনভার্টার লাগবে, যার মাধ্যমে টিভির সঙ্গে অ্যানড্রয়েড টিভি বক্সের সংযোগ দেওয়া যাবে। এই টিভি বক্সের সঙ্গে একটি রিমোট কন্ট্রোল দেওয়া থাকে। চাইলে অতিরিক্ত মাউস ও কি-বোর্ড ব্যবহার করা যাবে ইউএসবি পোর্টের সাহায্যে।

দরদাম

বাজারে হরেক ব্র্যান্ডের অ্যানড্রয়েড টিভি বক্সই পাওয়া যায়। নন-ব্র্যান্ড ছাড়াও রেজার, এনভিডিয়া, শাওমির মতো প্রতিষ্ঠানও টিভি বক্স তৈরি করে থাকে। তবে বাজারে চায়না টিভি বক্সের সংখ্যাই বেশি। এসবের দামও অপেক্ষাকৃতভাবে বেশ কম।

চায়নিজ ‘টিএক্স২-আর২’ মডেলের দুই গিগাবাইট র‌্যাম ১৬ গিগাবাইট রমের অ্যানড্রয়েড টিভি বক্স পাওয়া যাচ্ছে ২৮০০ থেকে ৩৩০০ টাকায়। এক গিগাবাইট র‌্যাম ও আট গিগাবাইট রমের দাম ২৭০০ টাকা থেকে শুরু।

‘টিএক্স থ্রি মিনি এ’ মডেলের দুই গিগাবাইট র‌্যাম ১৬ গিগাবাইট রমের অ্যানড্রয়েড টিভি বক্সের দাম চার হাজার টাকা। দুই গিগাবাইট র‌্যাম ১৬ গিগাবাইট রমের ‘এমএক্সকিউ’ অ্যানড্রয়েড টিভি বক্সের দাম ৩৫০০ টাকা, দুই গিগাবাইট রম, ১৬ গিগাবাইট রমের ‘টিএক্স থ্রি মিনি’, ’টিএক্স ৯৬ মিনি’ অ্যানড্রয়েড টিভি বক্স পাওয়া যাচ্ছে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকার মধ্যে।

শাওমির ‘এমআই এমডিজেড-১৬-এবি’ মডেলের টিভি পাওয়া যায় বাজারে। অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্র থেকে দুই গিগাবাইট র‌্যাম ১৬ গিগাবাইট রমের টিভি বক্সের দাম পড়বে আট হাজার টাকা। আর অননুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্র থেকে কিনলে এই টিভি বক্সের দাম পড়বে ৫ হাজার ৮০০ থেকে ৬ হাজার ৪০০ টাকার মধ্যে।

 

কোথায় পাবেন

রাজধানীর প্রায় সব এলাকাতেই ইলেকট্রনিকস পণ্য বিক্রির দোকানগুলোতে কমবেশি এই টিভি বক্স পাওয়া যায়। পাওয়া যাবে বিভিন্ন টেলিভিশনের শোরুমগুলোতেও। এ ছাড়া পান্থপথের বসুন্ধরা সিটি, হাতিরপুলের মোতালিব প্লাজা, বায়তুল মোকাররম সুপারমার্কেট, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম মার্কেট, গুলশানের পুলিশ প্লাজা, যমুনা ফিউচার পার্ক, আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটি, এলিফ্যান্ট রোডের মাল্টিপ্ল্যান সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যায় এই টিভি বক্স। এসবের পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন থেকে কিনতে পারেন অ্যানড্রয়েড টিভি বক্স। 

4

ছবি, অডিও এবং ভিডিও দিয়ে ফোনের মেমোরি ফুল। এখন উপায়? ডিলিট করতে হবে অকাজের ফাইলগুলো। আমাদের ফোনে এমন অনেক ফাইল বাসা বেঁধে থাকে যেগুলি কখনই কাজে লাগে না। আর কোন ফাইল আমাদের ফোনে সবথেকে বেশি স্টোরেজ গিলে বসে আছে তা জানা সম্ভব হয় না।

ফোনের স্টোরেজ ফুল হয়ে যাওয়া আমাদের জীবনের অন্যতম অস্বস্তিকর অনুভুতি। আসুন জেনে নেই কীভাবে অতিসহজে ফোনের স্টোরেজ খালি করবেন।

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আনইন্সটল করুন

স্মার্টফোন স্টোরেজে একটি বিরাট অংশ জুড়ে থাকে ফোনে অ্যাপ। আর তাই ফোনে যদি এমন অ্যাপ ইন্সটল থাকে যা আপনি কখনই ব্যবহার করেন না তা হলে এখনি সেই অ্যাপ আনইন্সটল করে ফেলুন। এতে আপনার ফোনের অনেক স্টোরেজ খালি হয়ে যাবে।

ফোনে সেটিংস থেকে স্টোরেজ ফাঁকা করুন

আপনি যদি অ্যানড্রয়েড গ্রাহক হন তাহলে ফোনে সেটিংস থেকে অনেক স্টোরেজ খালি করে ফেলা যাবে। অ্যানড্রয়েড অরিওতে এই ফিচার যোগ হয়েছে। এর জন্য 'সেটিংস’ এ গিয়ে 'স্টোরেজ’ সিলেক্ট করুন। এর পরে 'ফ্রি আপ স্পেস’ অপশন সিলেক্ট করে ফোনের প্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে ফোনের স্টোরেজ ফাঁকা করে ফেলতে পারবেন।

ফোন থেকে মাল্টিমিডিয়া ফাইল ডিলিট করুন

ফোনে মাল্টিমিডিয়া ফাইল স্টোর করার অভ্যাস ত্যাগ করুন। ফোনের ছবি ও ভিডিও ফাইল ফোনে সবথেকে বেশি স্টোরেজ গিলে বসে থাকে। আর তাই এই ফাইল স্টোর করার জন্য বিভিন্ন ক্লাউড সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন। গুগল ফটোস অ্যাপে বিনামূল্যে আনলিমিটেড ছবি ও ভিডিও ক্লাউডে স্টোর করে রাখা যায়। এছাড়াও আইফোন ব্যবহারকারীরা আইক্লাউড সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন। ক্লাউড সার্ভিসে ছবি ও ভিডিও আপলোড হয়ে গেলে ফোন থেকে তা ডিলিট করে দিন।

অনলাইন স্ট্রিমিং সার্ভিস ব্যবহার করুন

গান শোনা বা ভিডিও দেখার ফোনে ফাইল স্টোর না করে অনলাইন স্ট্রিমিং সার্ভিস ব্যবহার করুন। এর ফলে আপনার ফোনে অনেক স্টোরেজ ফাঁকা হয়ে যাবে।

ফোনে ক্যাশ মেমোরি নিয়মিত ক্লিন করুন

ক্যাশ ফাইল হল আপনার ফোনে টেম্পোরারি ফাইল। একবার ব্যবহারের পরে এই ফাইল আর কাজে লাগে না। কিন্তু আমাদের ফোনে এই ফাইলগুলি চিরতরে সেভ হয়ে থাকে। তাই নিয়মিত এই ফাইলগুলি ক্লিন করলে ফোনের স্টোরেজ খালি হবে।
Setting> Storage> Cache Data তে গিয়ে ফোনের ক্যাশ ফাইল ক্লিন করতে পারবেন।

স্মার্টফোন রিসেট করুন

উপরের কোন উপায়ে আপনার ফোনের স্টোরেজ খালি না হলে আপনার স্মার্টফোনটি ফ্যাক্ট্রি রিসেট করুন। এর মাধ্যমে আপনার ফোন আবার নতুন অবস্থায় পৌঁছে যাবে। আর ফোন থেকে সব ডাটা ডিলিট হয়ে যাবে। তবে খেয়াল রাখবেন একবার ফ্যাক্ট্রি রিসেট করলে আপনার ফোনের সব ফাইল পাকাপাকি ভাবে ডিলিট হয়ে যাবে। তাই ফ্যাক্ট্রি রিসেটের আগে ফোনের প্রয়োজনীয় ফাইল ব্যাক আপ নিতে ভুলবেন না।

5
           
একজন মুমূর্ষু রোগীর জন্য জরুরি রক্তের প্রয়োজন। রক্তের গ্রুপ ‘এ নেগেটিভ’। রোগীর স্বজনরা খুঁজছে রক্তদাতাকে। কিন্তু কোথাও মিলছে না 'এ নেগেটিভ' গ্রুপের রক্তদাতা। একটা সময় রক্তের অভাবে মুমূর্ষু রোগীটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

আমাদের দেশে অসংখ্য মুমূর্ষু রোগী প্রায় সময় জরুরি প্রয়োজনে রক্ত না পেয়ে মারা যায়। এর মূল কারণ জরুরি প্রয়োজনে রক্তদাতার সন্ধান সহজে না পাওয়া। তাই যেকোনো গ্রুপের রক্তের সন্ধান পেতে সাহায্য করবে ‘ব্লাড ম্যানেজার’।

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রক্তদান কার্যক্রমকে আরও সহজ করতে সম্প্রতি ‘ব্লাড ম্যানেজার’ নামে একটি ডিজিটাল অ্যাপস চালু করেছে বাংলাদেশ ব্লাড ডোনারস ফোরাম নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী রক্তাদাতা সংগঠন।

যেখানে খুব সহজেই সারাদেশের রক্তদাতার সন্ধান মিলবে। অ্যাপসটিতে সারা দেশের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেওয়া আছে। অর্থাৎ যার জেলায় রক্তের প্রয়োজন হবে অ্যাপসের মাধ্যমে রক্ত গ্রহিতারা সেই জেলায় স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে যোগাযোগ করে রক্তদাতার সন্ধান পেয়ে যাবেন।

এছাড়া সরাসরি অ্যাপস থেকে সার্চ করে যেকোনো গ্রুপের রক্তদাতা খুঁজে নেওয়া যাবে। অ্যাপসে রক্তদাতারা নিজের ছবিসহ নিবন্ধন করে সহজেই রক্তদান কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন। অ্যাপসের বিশেষ সুবিধা হচ্ছে নিবন্ধিত রক্তদাতাদের ৪ মাস পরপর রক্তদানের সময় অটো গ্রিন সিগন্যাল কালারের মাধ্যমে মনে করিয়ে দেবে তিনি রক্ত দিতে পারবেন। যাদের ৪ মাস সময় হয়নি তাদের লাল কালার সিগন্যাল দিয়ে মনে করাবে তার এখনো রক্তদানের ৪ মাস হয়নি।

অ্যাপসের মাধ্যমে মেডিকেল টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিনামূল্যে চিকিৎসা নেওয়া যাবে। রক্তদানের সচেতনতা ও উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তরিত তথ্যও জানা যাবে। রক্তদান কেন্দ্রিক এ ধরনের ব্যতিক্রমী অ্যাপস বাংলাদেশে প্রথম।

বাংলাদেশ ব্লাড ডোনারস ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. কামরুল হাসান বলেন, ‘আমার এক আত্মীয়ের সিজার অপারেশনের জন্য বিরল ‘এ নেগেটিভ’ গ্রুপের রক্তের প্রয়োজন হয়। সেই রক্তের জন্য হন্যে হয়ে রক্তদাতা খুঁজেছি আমরা। বিভিন্ন ব্লাড ব্যাংক আর মেডিকেলগুলোতে কোথাও খুঁজে পাচ্ছিলাম না।
এদিকে ডাক্তার জানালেন, দ্রুত সিজার করতে না পারলে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে। এরপর দিশেহারা হয়ে সবাইকে ফোন দেওয়া শুরু করলাম। রক্তের প্রয়োজন নিয়ে পোস্ট করলাম ফেসবুকেও। আমার এক বন্ধু মেহেদী এ ধরনের সেবামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকায় মাত্র আধাঘণ্টার মধ্যে এক ব্যাগ ‘এ নেগেটিভ’ রক্তদাতা খুঁজে দেন। এত দ্রুত রক্তদাতা খুঁজে পেয়ে কিছুটা অবাকই হয়েছিলাম। সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, আজ থেকে রক্তের প্রয়োজনে মানুষকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করবো। সেই অনুযায়ী কাজ করতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। আমি চিন্তা করি কিভাবে দেশের সব স্বেচ্ছাসেবক ও রক্তদাতাদের একটি প্লাটফর্মে নিয়ে আসা যায়। যাতে দেশের যেকোনো প্রান্তে খুব দ্রুত রক্তদাতা খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়। এ চিন্তা থেকে ফেসবুকে বিভিন্ন জেলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠকদের নিয়ে একটি ফেসবুক গ্রুপ খুলি। জেনে নিই, কে কিভাবে কাজ করছে। বুঝতে পারলাম বেশিরভাগ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো কাজ করছে নিজ জেলা বা উপজেলায়। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম সারাদেশে ছড়িয়ে দেব বাংলাদেশ ব্লাড ডোনারস ফোরামের কার্যক্রম।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে কামরুল বলেন, ‘সারাদেশের প্রতিটি উপজেলায় কার্যকরী টিম গঠন করে রক্তদানের এ সেবা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি জেলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও রক্তদাতাদের আরও উৎসাহিত করতে পর্যায়ক্রমে সংবর্ধনার আয়োজন করতে চাই। রক্তদাতার সন্ধান দিতে শিগগিরই কল সেন্টার চালু করারও পরিকল্পনা রয়েছে। সারাদেশের রক্তদাতাদের আমাদের ‘ব্লাড ম্যানেজার’ অ্যাপসের আওতায় আনতে ৫০ হাজার স্টিকার করার উদ্যোগ নিয়েছি। রক্তের অভাবে যাতে একটি রোগীর মৃত্যু না হয় সেই স্বপ্ন দেখছি। একদিন আমাদের এ প্রজন্মই রক্ত সংকটের সমাধান করবে।’

অ্যাপসটি গুগল প্লে-স্টোরে গিয়ে ‘blood manager’ লিখে সার্চ দিলে পাওয়া যাবে।


6

মানুষ হরহামেশাই কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ অনুভব করে। এই মানসিক চাপ অনেক সময় স্বল্প মেয়াদে মানুষকে কাজের প্রতি অনুরাগী হতে সহায়তা করে। যেমন- আপনি যদি চাকরি থেকে ছাঁটাই হয়ে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ অনুভব করেন, তবে নতুন চাকরি খুঁজতে তৎপর হয়ে উঠবেন।

ব্রিটিশ মনোবিজ্ঞানী অ্যাডাম বোরল্যান্ড বলেন, সীমিত মানসিক চাপ আমাদের প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে সহায়তা করে। মানসিক চাপযুক্ত পরিস্থিতিতে আপনি যতো বেশি পড়বেন, তা সামলানোর দক্ষতাও আপনার মধ্যে ততো বাড়বে।

কিন্তু মানসিক চাপ বা উদ্বেগ মানুষের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যারও জন্ম দেয়।
যেমন-

১। ঘুমের ব্যাঘাত
২। বিরক্তি বা খিটখিটে মেজাজ
৩। কর্মদক্ষতা কমে যাওয়া
৪। অ্যালকোহোল, তামাক বা মাদকাসক্তি
৫। খাদ্যের প্রতি অনিহা

এছাড়াও দীর্ঘদিন মানসিক চাপ অনুভবের কারণে মানুষের অগোচরে জন্ম নিতে পারে ভয়ানক এক সমস্যা। উদ্বেগের মুহূর্তে দেহের সহানুভূতিশীল নার্ভাস সিস্টেম স্বক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে মানুষের দেহ উদ্বেগ দমনে নিজের অজান্তেই শারীরিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

এ পর্যায়ে মানুষ শারীরিক দিক থেকে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। হয়তো আপনি কখনোই আপনার চাকরিদাতাকে শারীরিক আঘাত করতে চাইবেন না, কিন্তু মানুষ এ পরিস্থিতিতে এমনটাই করে বসে।

এরকম পরিস্থিতিতে দেহে যেসব পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়-
১। হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি
২। দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস
৩। মাথা ঘোরা
৪। মাথা ব্যথা
৫। বমি বমি ভাব
৬। পেশিতে টান অনুভব করা

এ পরিবর্তনগুলোর মূল কারণ কর্টিসোল (Cortisol)।

কর্টিসোল একপ্রকার হরমোন যা দেহের গ্লুকোজ নিঃসরণ ঘটায়। এই গ্লুকোজ পেশিতে শক্তি সরবরাহ করে এবং হুমকিকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে প্ররোচিত করে।

কর্টিসোল দেহের ইনসুলিন উৎপাদনও বাধাগ্রস্ত করে। দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপের ক্ষেত্রে দেহ কর্টিসোল উৎপাদন অব্যাহত রাখে এবং তা বিভিন্ন শারীরিক ব্যাধি, যেমন- ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও দীর্ঘমেয়াদী পরিপাক সংক্রান্ত রোগের জন্ম দেয়।

মানসিক চাপ এড়ানোর উপায়
মানসিক চাপ বিষয়ক প্রবন্ধটি যদি ইতোমধ্যেই আপনার মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে জেনে নিন কীভাবে মানসিক চাপ, উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা ইত্যাদিকে সহজেই জীবন থেকে দূরে ঠেলে দেওয়া যায়। এক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞানীরা নিম্নোক্ত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করার পরামর্শ দেন-

১। নিয়মিত ব্যায়াম
২। মেডিটেশন বা ধ্যান
৩। স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ
৪। পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানো
৫। সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ
৬। খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক কাজকর্ম করা
৭। আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলাফেরা
৮। সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ

মানসিক চাপ জীবনেরই একটি অংশ। তাই যেকোনো উদ্বেগপূর্ণ পরিস্থিতিতে নিজেকে উৎফুল্ল রাখার চেষ্টা করুন। সুস্থ থাকুন।

7
পৃথিবীর জনপ্রিয় ইমেইল সার্ভিস জিমেইল। এটি গুগলের পরিষেবা। সারা পৃথিবীতে ১০০ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী বিনামূল্যে সেবাটি উপভোগ করছে।

ভার্চুয়াল বার্তা আদান-প্রদানের জনপ্রিয় এই মাধ্যমটিতে হ্যাকাররা প্রায়ই হানা দেয়।  আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টে যদি সন্দেহজনক কিছু লক্ষ্য করেন তাহলে হয়তো হ্যাক হয়ে গিয়েছে আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট। অথবা ভবিষ্যতে যদি কখনো আপনার জিমেইল হ্যাক হয় তবে নিচে দেখে নিন কীভাবে তা ফেরত পাবেন।

স্টেপ ১। অ্যাকাউন্ট রিকভারি পেজে যান।

স্টেপ ২। আপনি পাসওয়ার্ড মনে করতে না পারলে 'Try different question’ এ ক্লিক করুন।

স্টেপ ৩। এবার আপনার রিকভারি ইমেইল অথবা ফোন নম্বর দিন।

স্টেপ ৪। এবার এই রিকভারি ইমেইল অথবা ফোন নম্বরে গুগল রিকভারি কোড পাঠাবে।

স্টেপ ৫। এছাড়াও আপনি সিকিউরিটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে পাসওয়ার্ড রিসেট করতে পারেন।

স্টেপ ৬। আম্পনার রিকভারি ইমেল বা ফোন নম্বরে কোডটি এলে সেটি জিমেইলে দিলে নতুন পাসওয়ার্ড সেট করার অপশন আসবে।

স্টেপ ৭। এরপরে সাইন ইন করার সময় সিকিউরিটি চেক করতে ভুলবেন না।

এছাড়াও নিচের স্টেপগুলি মনে রেখে নিজের জিমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া থেকে বাঁচাতে পারবেন।

১। সবসময় গুগলের সিকিউরিটি চেকআপ ফলো করুন। এর মাধ্যমে গুগল আপনার অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখবে ও অন্য কাউকে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যাবহারের হাত থেকে আটকাবে।

২। মাঝে মধ্যেই নিজের অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড বদল করুন।

৩। একই পাসওয়ার্ড একাধিক ওয়াবসাইটে ব্যাবহার করবেন না। আদালা ওয়াবসাইটে আলাদ পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করুন।

৪। চেষ্টা করুন ব্রাউজারে আপনার অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড না সেভ করতে।

৫। যে সব ওয়েবসাইটে আপনার জিমেইল দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা আছে সেখানকার পাসওয়ার্ড আপনার জিমেইলের পাসওয়ার্ড থেকে আলাদা করুন।

৬। রিকভারি ইমেল ও ফোন নম্বর ঠিক করে আপডেট করুন। এই দুটির একটিও কাজ না করলে পাসওয়ার্ড রিসেট করতে সমস্যায় পড়তে হবে।

8
প্রতিনিয়ত দেশে নতুন নতুন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে আর্থিক হিসাবনিকাশে নানা ধরনের কাজের জন্য প্রয়োজন হয় একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ হিসাবরক্ষক বা ব্যবস্থাপক। আবার ইদানীং শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি ঝুলিতে নিয়ে ভালো চাকরি পাওয়া মুশকিল হয়ে যায়। এর সঙ্গে দরকার পেশাগত কিছু ডিগ্রি। এমনই এক ডিগ্রি হচ্ছে সিএমএ বা কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টস। ব্যবস্থাপনা আর হিসাব শাখায় দক্ষ পেশাজীবী তৈরির লক্ষ্যে সিএমএ পড়াচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)।

বছরে দুটি সেশনে এখানে ছাত্রছাত্রীরা ভর্তি হতে পারেন, জানুয়ারি থেকে জুন এবং জুলাই থেকে ডিসেম্বর। ‘ইন্টারমিডিয়েট এন্ট্রি রুট’ পদ্ধতিতে কোর্সটিতে উচ্চমাধ্যমিক পেরোনো শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন। আবার স্নাতক করেও ভর্তি হওয়ার সুযোগ আছে ‘গ্র্যাজুয়েট এন্ট্রি রুট’ পদ্ধতিতে। আইসিএমএবির ঢাকাসহ সারা দেশে মোট ছয়টি শাখা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির উপপরিচালক (শিক্ষা) মো. আবদুল মালেক বলেন ‘সিএমএ কোর্সটি দুটি পদ্ধতিতে করানো হয়। একটি কোচিংপদ্ধতি এবং অন্যটি করেসপন্ডেন্স পদ্ধতি। যাঁরা কোচিংপদ্ধতিতে ভর্তি হবেন, তাঁদের নিয়মিত ক্লাস ও ক্লাস টেস্ট দিতে হবে। আর করেসপন্ডেন্স কোর্সের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস করতে হয় না। শুধু অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিলেই হয়। যাঁরা চাকরি করছেন, তাঁদের জন্য করেসপন্ডেন্স পদ্ধতিটি সুবিধাজনক।’

সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি সিএমএ ভর্তির বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এরই মধ্যে জুলাই থেকে ডিসেম্বর সেশনের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। অনলাইনের মাধ্যমে erp. icmab. org. bd-এই ঠিকানায় গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে। কোচিং প্রোগ্রামের প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন ২৮ জুন, ২০১৮ পর্যন্ত। আর করেসপন্ডেন্স প্রোগ্রামের প্রার্থীরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবেন।

ইন্টারমিডিয়েট এন্ট্রি রুট পদ্ধতিতে ভর্তি হতে হলে প্রার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসি মিলিয়ে কমপক্ষে জিপিএ ৮ পেতে হবে। আর গ্র্যাজুয়েট এন্ট্রি রুট পদ্ধতিতে ভর্তি হতে যেকোনো বিভাগ থেকে ন্যূনতম স্নাতক পাস হতে হবে। এসএসসি থেকে স্নাতক পর্যন্ত পরীক্ষার ফল লাগবে কমপক্ষে ৬ পয়েন্ট।

গত ২৭ মে প্রতিষ্ঠানটির ঢাকা অফিসে গিয়ে জানা গেল, বর্তমানে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী এখানে কোর্স করছেন। আর সদস্য আছেন প্রায় ১ হাজার ৪০০। এর মধ্যে ২৫০ জনেরও বেশি সদস্য বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত।

সিএমএ কোর্সটিতে ইন্টারমিডিয়েট এন্ট্রি রুট ছাত্রছাত্রীদের পাঁচটি লেভেল ও গ্র্যাজুয়েট এন্ট্রি রুট ছাত্রছাত্রীদের চারটি লেভেল সম্প­ন্ন করতে হয়। একটি লেভেল শেষ করতে সময় লাগে ছয় মাস। লেভেলগুলোর মধ্যে রয়েছে নলেজ লেভেল, বিজনেস লেভেল, অপারেশনাল লেভেল, ম্যানেজমেন্ট লেভেল এবং স্ট্র্যাটেজিক লেভেল।

ইন্টারমিডিয়েট এন্ট্রি রুট পদ্ধতির ছাত্রছাত্রীদের নলেজ লেভেলের জন্য ভর্তি ফি দিতে হয় ২৫ হাজার টাকা, আর গ্র্যাজুয়েট এন্ট্রি রুট ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে বিজনেস লেভেলের জন্য ২৯ হাজার ৫০০ টাকা ফি দিতে হয়। পরবর্তী সময়ে অপারেশনাল লেভেল, ম্যানেজমেন্ট লেভেল এবং স্ট্র্যাটেজিক লেভেলের জন্য ফি যথাক্রমে ১০ হাজার, ১৪ হাজার ও ১৮ হাজার টাকা।

সিএমএ ডিগ্রি নিতে হলে ইন্টারমিডিয়েট এন্ট্রি রুট ছাত্র-ছাত্রীদের মোট ২০টি বিষয় পড়তে হয়। অন্যদিকে গ্র্যাজুয়েট এন্ট্রি রুট পদ্ধতির শিক্ষার্থীদের পড়তে হয় ১৭টি বিষয়। আর এসব বিষয় পড়িয়ে থাকেন আইসিএমএবি থেকে পাস করা সদস্য ও দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। ক্লাস হয় দুই শিফটে। প্রথম শিফট শুরু হয় বেলা তিনটা থেকে, চলে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত। দ্বিতীয় শিফট সন্ধ্যা ছয়টা থেকে শুরু হয়ে চলে রাত নয়টা পর্যন্ত। রোববার ছাড়া সপ্তাহে প্রতিদিন ক্লাস হয়।

প্রতিষ্ঠানটির চতুর্থ তলায় রয়েছে ৩২৮ আসনের একটি লাইব্রেরি। দেখা গেল, অনেকেই পড়ায় বুঁদ হয়ে আছেন। তাঁদেরই একজন চূড়ান্ত লেভেলের শিক্ষার্থী আশরাফ আলী। তিনি হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর পাস করে এক বড় ভাইয়ের পরামর্শে এখানে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এখানকার পরিবেশ অনেক ভালো। শিক্ষকেরা অনেক সহযোগিতা করেন। এখানে এসে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। ভবিষ্যতে ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব দেব এটাই আমার প্রত্যাশা।’

চাকরির বাজারে সিএমএ ডিগ্রিধারীদের চাহিদা কেমন? এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুল মালেক জানালেন ‘বর্তমান চাকরির বাজারে একজন সিএমএ ডিগ্রিধারীর অনেক চাহিদা রয়েছে। এই ডিগ্রিটি সম্পন্ন করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বিমা, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন এনজিও, মোবাইল ফোন কোম্পানি, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, এমনকি বিদেশেও চাকরির ভালো সুযোগ রয়েছে।’

আইসিএমএবির সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম (এফসিএমএ) বলেন, ‘সিএমএ সদস্যরা গতানুগতিক অ্যাকাউন্ট্যান্ট নন বরং বিজনেস লিডার। একজন সিএমএ সদস্য তাঁর কর্মজীবন শুরু করতে পারেন ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট কিংবা ফাইন্যান্স বা অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার হিসেবে। সেখান থেকেই তাঁর মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলি প্রস্ফুটিত হতে থাকে। শুধু দেশেই নয় দেশের বাইরেও আমাদের সদস্যরা অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। কারণ, আমাদের এ কোর্সটি আন্তর্জাতিক কারিকুলাম স্ট্যান্ডার্ডে পড়ানো হয়। এখানে এমনভাবে পড়ানো হয় যেন তাঁরা বিদেশেও কাজ করতে পারেন।’

যাঁরা কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং পড়ে পেশা শুরু করতে চান তাঁরা ভর্তি ও অন্যান্য তথ্য জানতে যোগাযোগ করতে পারেন আইসিএমএবির ঢাকাসহ দেশের অন্য শাখাগুলোতে।

এ ছাড়া ভিজিট করতে পারেন www.icmab.org.bd-এই ঠিকানায়।

9
রাতে ভালো ঘুম না হওয়া। হঠাৎ ঘুম ভেঙে যাওয়া। ঘুম না আসা, ঘুমের ঘোরে নাক ডাকা, কখনো কখনো নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া। দিনে কাজের সময় ঝিমুনি ভাব—এসব সমস্যার কথা বন্ধু ও পরিচিতজনদের আড্ডায় এখন প্রায় নিয়মিতই শুনতে পাওয়া যায়। চিকিৎসকেরা বলছেন, উচ্চতার তুলনায় ওজন বেশি হলে নাক ডাকা ও ঘুম কম হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়।

গত বুধবার বিকেলে ঘুমের সমস্যা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নাক, কান ও গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কামরুল হাসান তরফদারের ব্যক্তিগত চেম্বারে যান গৃহবধূ আমেনা খাতুন। তাঁর বয়স ৫০ বছর। সমস্যা শুনে চিকিৎসক আমেনাকে বললেন, উচ্চতার
তুলনায় ওজন বেশি তাঁর। ব্যবস্থাপত্রে ওজন কমানোর পরামর্শ দিলেন।

এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রথম আলোকে বলেন, ওজন বেশি বা মোটা ব্যক্তিদের ঘুম কম হয়। যাঁরা মানসিক চাপে থাকেন, তাঁদেরও ঘুম কম হয়। দেশে দুই ধরনের মানুষই বাড়ছে। তিনি বলেন, ঘুম কম হলে মানুষ মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে পারে না। ফলে মানুষের কার্যক্ষমতা কমে যায়।

বাংলাদেশের কত মানুষ ঘুমের সমস্যায় ভুগছে, সে-সংক্রান্ত কোনো গবেষণা বা পরিসংখ্যান নেই। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে ৪ জুন প্রকাশিত ঘুমবিষয়ক বৈজ্ঞানিক সাময়িকী স্লিপ-এর এক গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়েছে, বিশ্বে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষদের প্রতি তিনজনের একজন ঘুমের সমস্যায় ভুগছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, যাদের ঘুম কম হয়, তাদের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব বেশি। তারা সহজে বিরক্ত হয়, স্মরণশক্তি হারায়। ঘুম কম হওয়া মানুষের যোগাযোগ ও বিচারক্ষমতা দুর্বল হয়। তাদের সহমর্মিতাবোধও কম হয়ে যায়। এ ছাড়া ঘুম কম হলে হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও বিষণ্নতার ঝুঁকি বাড়ে।

ঘুমের সমস্যা নিয়ে দেশের মানুষকে সচেতন করার কাজ করছে চিকিৎসকদের সংগঠন ‘সোসাইটি অব সার্জনস ফর স্লিপ অ্যাপনিয়া বাংলাদেশ। সংগঠনের মহাসচিব অধ্যাপক মণিলাল আইচ প্রথম আলোকে বলেন, চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারে ও হাসপাতালে অন্য রোগের চিকিৎসা নিতে আসা বিপুলসংখ্যক মানুষ ঘুমের সমস্যার কথা বলেন। ঘুমের সমস্যায় আক্রান্ত মানুষ বাড়ছে। এটি জনস্বাস্থ্য সমস্যায় রূপ নিচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে জাতীয়ভিত্তিক কোনো তথ্যভান্ডার এখনো করা হয়নি।

গবেষণার তথ্য
ঘুম নিয়ে বৈজ্ঞানিক সাময়িকী স্লিপ প্রকাশিত প্রবন্ধে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার ৩৩ থেকে ৪৫ শতাংশ মানুষ ঘুমের সমস্যায় ভুগছে। যুক্তরাষ্ট্রে দিনে সাত ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু দেশটির ৩৫ শতাংশ মানুষ ওই পরিমাণ সময় ঘুমাতে পারে না। কানাডার ৩০ শতাংশ মানুষ মনে করে, তারা পর্যাপ্ত ঘুমাচ্ছে না। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সে এই হার যথাক্রমে ৩৭ ও ২৬ শতাংশ। এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুরে ২৮ শতাংশ মানুষের ঘুমের সমস্যা দেখা গেছে।

গবেষকেরা বলছেন, ঘুম কম হলে তার আর্থিক মূল্য ব্যক্তিকে এবং সমষ্টিগতভাবে দেশকে দিতে হয়। ঘুম কম হলে চিকিৎসা ব্যয় বাড়ে, ব্যক্তির উৎপাদনশীলতা কমে যায়, কাজে অনুপস্থিতির হার বাড়ে, অপরিণত মৃত্যু বেড়ে যায় (যেমন সড়ক দুর্ঘটনা)।

পর্যাপ্ত ঘুম দরকার
চিকিৎসকেরা বলছেন, ঘুম মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে বিশ্রাম দেয়। ঘুমের সময় শরীর বেশি পরিমাণে অক্সিজেন নিতে পারে। এই অক্সিজেন মানুষকে সতেজ করে। তবে কতটা ঘুম পর্যাপ্ত তার কোনো সীমা নেই। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের জনস্বাস্থ্যবিদেরা দেশটির নাগরিকদের জন্য ঘুম বাবদ সাত ঘণ্টা সময় বরাদ্দ রাখার সুপারিশ করেছেন।

সোসাইটি অব সার্জনস ফর স্লিপ অ্যাপনিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যাপক মণিলাল আইচ বলেন, ‘আমরা ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানোর কথা বলি।’ তিনি আরও বলেন, যে সময়টুকুই মানুষ ঘুমাক না কেন, তা হতে হবে একটানা গভীর ঘুম। ঘুমে কোনো ব্যাঘাত যেন না ঘটে।

ঘুম হচ্ছে না
ঘুম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রবন্ধে (দ্য ইকোনমিক কস্ট অব ইনএডুকোয়েট স্লিপ) বলা হয়েছে, জাঙ্ক ফুড (চর্বি, শর্করা ও লবণ বেশি থাকে) খেলে স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসকেরা বলছেন, স্থূলকায় মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাস বাধাগ্রস্ত হয়। তাতে ঘুমের সময় মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে যায়। হঠাৎ মানুষের ঘুম ভেঙে যায়। বারবার ঘুম ভাঙা মানুষ উচ্চরক্তচাপ ও হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মেখলা সরকার বলেন, মানুষের জীবনাচারের (লাইফ স্টাইল) পরিবর্তনও গভীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। একটা সময় বলা হতো টেলিভিশন মানুষের ঘুমের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ না ঘুমিয়ে বসে বসে টেলিভিশন দেখত। এখন এসেছে ইন্টারনেট ও ফেসবুক। মানুষ শুয়ে থাকে ঠিকই। কিন্তু না ঘুমিয়ে অন্য কাজে সময় কাটায়।

চিকিৎসকেরা বলছেন, ঘুম অভ্যাসের ব্যাপার। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে। মানসিক বা শারীরিক কোন কারণে ঘুম কম হচ্ছে, তা পরিমাপ করার প্রযুক্তি এখন দেশেই রয়েছে। কারও ঘুমের সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার।


10
প্রজন্ম বদলায়, প্রযুক্তিও বদলায়। কিন্তু আপনি এই প্রযুক্তি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল তো? জেনে নিন বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পর্কে।

মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে বারে নেটওয়ার্ক হিসেবে নানান চিহ্নে থাকে আলাদা আলাদা নেটওয়ার্ক। কিন্তু সব নেটওয়ার্কের সবকিছু জানেন কী?

টুজি
১৯৯১ সালে বাজারে আসে টুজি। ১জি-কে ছাপিয়ে বাজারে আসে এটি। এক্ষেত্রে ফোন কলগুলি ডিজিটালি এনক্রিপটেড। স্পেকট্রাম অনেক ক্ষমতাশালী। টুজিতেই প্রথম মোবাইলে ডাটা সার্ভিস আসে।

২.৫ জি

এরপর হার্ডওয়্যার ডেভেলপ করেছে। পরিকাঠামো বদলেছে। ডাটা স্পিডও বেড়েছে। আড়াই জি অফিশিয়ালি কখনও ছিল না। কিন্তু ওই থ্রিজি-র আগের ধাপে এটি ছিল। এই ধরণের নেটওয়ার্কে কী কী ছিল দেখুন:

ক. GPRS: General Packet Radio Service (৩০-৪০ কেবিপিএস)

ফোন বারে G লেখা এলে এই ধরণের নেটওয়ার্ক থাকে

খ. EDGE: Enhanced Data for GSM Evolution (১০০-১২০ কেবিপিএস)

E লেখা থাকবে। জিপিআরএস থেকে আলাদা। ২.৭৫জি নেটওয়ার্ক

থ্রিজি
২০০৪ থেকে ০৭-এর মধ্যে এই নেটওয়ার্ক বাজারে চলে আসে। আরও অনেক ডাটা স্বাভাবিকভাবেই। ২ এমবিপিএস পর্যন্ত স্পিড দিতে পারে এই নেটওয়ার্ক।

H (হাই স্পিড প্যাকেট অ্যাকসেস)

থ্রিজি থেকে দ্রুত ৩.৫ জিতে স্পিড থাকবে এতে।

H+
হাই স্পিড অ্যাকসেস নেটওয়ার্কেরই আরও শক্তিশালী ভার্সান। ফোরজি বাজারে আসার আগে ছিল এটা। থ্রিজি নেটওয়ার্কে সবথেকে দ্রুত স্পিড ছিল এর। মোটামুটি ফোরজির ঘাড়েই কাছেই প্রায় নিঃশ্বাস ফেলেছিল এটি। কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন ফোরজি-র জাতে তোলেনি সেটিকে।

ফোরজি
ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন এই ফোরজি নেটওয়ার্কের জন্য কিছু নির্দিষ্ট মাপকাঠি ঠিক করে দিয়েছে। যাই হোক, এরও কিছু টাইপ আছে।

ক. LTE

১৫ এমবিপিএস স্পিড। থ্রিজিকে অনেকটাই পেছনে ফেলে এটি। ডেটা ট্রান্সমিশনের বিষয়টিও অনেকটাই উন্নত।

খ. WiMax

প্রথমে ওয়্যারলেস হোম ব্রডব্র্যান্ড সার্ভিসে ব্যবহার হত এটি। কিন্তু এখন মোবাইলেও চলে এসেছে। বর্তমানে ৪০ এমবিপিএস পর্যন্ত স্পিড দেয়। কিন্তু কাজ চলছে। ঠিকঠাক হলে ১জিবিপিএস পর্যন্ত স্পিড উঠে যাবে ওয়াইম্যাক্সের।

11
ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অ্যানড্রয়েড ফোনে শত শত ব্রাউজার আছে। এর মধ্য থেকে সঠিক ব্রাউজারটির বেছে নেয়া মুশকিল। সব ব্রাউজারের প্রাধান কাজ ওয়েব পেজ চালু করা। কিন্তু ডিজাইনের তফাতের জন্য কোন ব্রাউজার ফাস্ট বা কোন ব্রাউজার স্লো হয়। এছাড়াও বদলে যায় বিভিন্ন ফিচার। আসুন দেখে নি অ্যানড্রয়েড ফোনে সেরা ৮ টি ব্রাউজার।

Dolphin Browser
খুবই আকর্ষণীয় দেখতে এই Dolphin Browser। ভিডিও ও গেমিং এক্সপেরিয়েন্সের জন্য এটি অ্যানড্রয়েডের অন্যতম সেরা ব্রাউজার। এছাড়াও এই ব্রাউজারে রয়েছে ইন বিল্ট অ্যাড ব্লকার। ফলে ব্রাউজিং এর সময় আপনাকে অযথা বিজ্ঞাপন দেখে সময় নষ্ট করতে হবে না। এছাড়াও সোয়াইপ করে ট্যাপ বদল করতে পারবেন Dolphin Browser এ।

Chrome Beta
Chrome Beta তে গুগুল থেকে সরাসরি আপডেট পেয়ে যাবেন। এছাড়াও ব্রাউজারের ডেভেলপমেন্টের জন্য ফিডব্যাক পাঠাতে পারবেন গুগুলকে।

Puffin Web Browser
কাস্টমাইজ করা যায় এই ব্রাউজার। কম ডাটা খরচ করে বড় ওয়েবসাইট লোড করতে পারে Puffin Web Browser। এছাড়াও এই ব্রাউজারে সব ডাটা এনক্রিপ্টেড থাকে। তাই Puffin Web Browser ব্যবহার করলে হ্যাকাররা নাক গলাতে পারবে না আপনার ফোনে।

Javelin Incognito Browser
যদি গোপনে ওয়েব ব্রাউজিং এর প্রয়োজন হয় আপনার জন্য আদর্শ Javelin Incognito Browser। এই ব্রাউজারে অটোমেটিক ডিলিট হয়ে যায় কুকি, ক্যাশ ফাইল। এছাড়াও আছে ইন বিল্ট প্রক্সি সার্ভিস। এর মাধ্যমেই নিজের দেশে ব্লকড সব ওয়েবসাইট খোলা যায় এই ব্রাউজার দিয়ে

UC Browser
কম ডাটা স্পিডে জলদি ওয়েবপেজ খুলতে দারুন কাজে দেয় এই ব্রাউজার। এছাড়াও ডাউনলোডের মাঝে কানেকশন চলে গেলে আবার সেখান থেকেই ডাউনলোড শুরু হয় UC Browser এ। এছাড়াও ফেসবুক স্পিড আপ করার অপশন রয়েছে এখানে।

Opera Mini
অ্যানড্রয়েডে অন্যতম ফাস্ট ও লাইট ব্রাউজার এটি। Opera Mini র হাই কম্প্রেশান মোড কম ডাটা খরচ করে বড় ওয়েবসাইট একইভাবে খুলতে সক্ষম। এছাড়াও এই ব্রাউজারে ইন বিল্ট একটি QR স্ক্যানার রয়েছে।

Google Chrome
একাধিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে নিজের ব্রাউজিং ডাটা সিঙ্ক করতে পারবেন এই ব্রাউজারে। অ্যানড্রয়েডে অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার অবশ্যই Google Chrome।

CM Browser
Clean Master Browser আপনাকে নিজের অ্যানড্রয়েডে ম্যালওয়ারের থ্রেড থেকে বাঁচাবে। এছাড়াও ব্রাউজিং স্পিড অনেকটাই বাড়বে এই ব্রাউজার ব্যাবহারে। এছাড়াও আপনি যদি কোন খারাপ ওয়েবসাইটে লগ ইন করেন আগে থেকেই আপনাকে সতর্ক করে দেবে CM Browser। এছাড়াও ফোনে ডাউনলোড করা সব APK ফাইল স্ক্যান করে দেবে CM Browser। এছাড়াও হিসট্রি, কুকি ও পাসওয়ার্ড সেভ করে রাখার অপশন রয়েছে এই ব্রাউজারে।


12
আপনার স্মর্টফোনে কানেক্ট করা ওয়াইফাই ইন্টারনেট অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতে চান? এজন্য লাগবে না কোনো অ্যাপস। শুধু মাত্র ফোনের সেটিংসে রদবদল করলেই হবে। জেনে নিন ফোনে কানেকটেড ওয়াইফাই অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার উপায়।

হটস্পট অপশনে গিয়ে স্মার্টফোন ওয়াইফাই ব্যবহার করা যাবে মাল্টিপল ডিভাইসে। খুব একটা কঠিন কোনও ব্যবহার নয়। ব্লুটুথ থেকেই এই কাজ করা যায়। সেখান থেকে ফোন, ল্যাপটপ এমনকি ডেক্সটপেও নেওয়া যায় কানেকশন।

ফোনে

১. ফোন ওয়াইফাইয়ের সঙ্গে কানেক্ট করুন
২. এবার সেটিংসে গিয়ে কিছু জিনিস পাল্টাতে হবে
৩. ব্লুটুথ অন করুন। কানেক্টেড ডিভাইসগুলোতেও অন করুন
৪. নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেটে যান
৫. হটস্পট ও ট্যাথারিংয়ে যান
৬. ব্লুটুথ ট্যাথারিন অন করুন

কম্পিউটার আর ল্যাপটপের ব্লুটুথ অন করুন
কম্পিউটার আর ল্যাপটপে

কম্পিউটারে যদি চান, ব্লুটুথ ডঙ্গেল ব্যবহার করতে হবে। ল্যাপটপ ব্যবহার করলে অবশ্য সমস্যা নেই।

১. ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের সেটিংসে যান
২. ডিভাইসেস অ্যান্ড প্রিন্টার অ্যাকসেসে যান
৩. ফোন আইকনে রাইট ক্লিক করুন
৪. কানেক্ট সিলেক্ট করুন, ড্রপ ডাউন মেনু থেকে অ্যাকসেস পয়েন্ট পিক করুন।

13
Career management isn't just a nice-to-do, it's a must do, if you expect to gain maximum success and happiness from the hours you invest in work. Face it, you are likely going to work 40 hours a week for your entire adult life. Why not make them the best 40 hours that you can create?

Career management in which you plan and work to obtain new skills, capabilities, and experiences, is the answer. Share your goals with your boss and you have created a partner who can help you broaden your experience.


You are chock full of talents and skills. Continuing their development will stretch your world and enable more of your unique contribution. This, in turn, will make your career success and progress a cornerstone in your fully-developed life. Does your world get any better than this? Not really.

Career Growth and Development Opportunities
When most employees think about their careers, they have not thought past their current job or the next promotion that they'd like to receive. They need to broaden their short-term thinking. As employees are promoted up the organization chart, fewer jobs become available, yet continuing to grow skills and experience should still be a priority for people obtaining value from and adding value to their career.

You can continue to experience career growth by taking the lead on your career development and progress. Here are a few ways in which you can collaborate with your boss to manage your career.

(a) Job shadow other employees in your company to learn about different jobs.
(b) Explore lateral moves to broaden and deepen your experience.
(c) Attend classes and training sessions to increase your knowledge.
(d) Hold book clubs at work to develop knowledge, and share terminology, concepts, and team building with coworkers.
(e) Seek a mentor from a different department that you'd like to explore.

5 Tips for Career Growth and Development

Here are additional thoughts about career management. Dr. Tracey Wilen-Daugenti, Vice President and Managing Director of Apollo Research Institute and Visiting Scholar in Stanford University's Media X program, recommends five additional career management strategies.

1. Could your career development and management use help to gain momentum? People who are the most successful and satisfied in their careers have proactively determined what they want from work. Once they’ve decided on their goals, they make a plan to accomplish the goals.

2. Developing a timeline with career goals and expected milestones is also an effective way to manage your career. Bringing your boss and his or her sponsorship and mentoring into the picture will ensure that you have an internal mentor who will help you manage your career.

3. Some companies have formal programs to help employees develop their careers. In others, you will need to informally pursue your career development. Companies with programs generally focus energy on helping employees develop and follow a career path.

4. The career path is discussed at several meetings bi-annually with the employee’s boss. The company doesn’t own the career path; the employee does. But, the company demonstrates its deep commitment to its employees by assisting where possible with resources of time and dollars.

5. Career paths are recommended for the same reason that goals are recommended. They are the written plan that can help each employee focus on what is most important to his or her fulfillment and success. Without a plan, you can feel rudderless and you have no benchmark against which you can measure your progress.

5 Tips for Strategic Career Management

Dr. Tracey Wilen, Vice President and Managing Director of Apollo Research Institute and Visiting Scholar in Stanford University's Media X program, recommends these additional career management strategies.

"Succeeding in a demanding, changing workplace requires a strategic career management plan. Employers want to attract, hire and retain employees who provide the best value. So consider yourself a business with a product to sell, and create a strategy for marketing your workplace value.

"Data from the Apollo Research Institute on the future of education, work and careers suggest the following five career management strategies:

1. "Proactively engage your manager in a discussion about your career goals, and collaborate to create a career development plan. The most significant opportunity to exert influence is to involve your manager in the career planning process.
2. "Investigate short- and long-term skill requirements. If your goal is to become the Vice President of Human Resources, understand the education, skills, technology, and experience requirements, and develop interim career plans for achieving your long-term career goal.
3. "To increase your knowledge of career options, request one-on-one informational meetings with colleagues and managers. The purpose of these brief meetings is to gather information to help you make educated career decisions. People are generally willing to share their success stories and advice.
4. "Volunteer to complete challenging projects and assignments. One of the best ways to advance your career is to identify an organizational problem and propose a solution. By offering to implement the solution, you will not only increase your visibility as a problem-solver in the organization, but you might also expand your skills in the process.
5. "Consult the Human Resources department to learn about career development and job opportunities such as tuition reimbursement for a college degree or certification, in-house technical or professional training courses and available job openings. Take advantage of available opportunities. Maintain your momentum and commit to continuous skill building and improvement. By planning your career strategy, you are increasing your chances of staying employable and achieving your long-term career goals."

Each of us has a certain number of years to invest in working and making a living. Having a job is fine, but creating a career will maximize your opportunities for success. To have a successful career requires that you pursue career management strategies like these.

A successful career doesn’t happen unthinkingly. It needs planning, tending, and frequent review. Are you ready to pursue these career development strategies?

14
New software, created by scientists at Imperial College London and the University of Edinburgh, has been able to identify and measure the severity of small vessel disease, one of the commonest causes of stroke and dementia. The study, published in Radiology, took place at Charing Cross Hospital, part of Imperial College Healthcare NHS Trust.

Researchers say that this technology can help clinicians to administer the best treatment to patients more quickly in emergency settings -- and predict a person's likelihood of developing dementia. The development may also pave the way for more personalised medicine.

Dr Paul Bentley, lead author and Clinical Lecturer at Imperial College London, said:

"This is the first time that machine learning methods have been able to accurately measure a marker of small vessel disease in patients presenting with stroke or memory impairment who undergo CT scanning. Our technique is consistent and achieves high accuracy relative to an MRI scan -- the current gold standard technique for diagnosis. This could lead to better treatments and care for patients in everyday practice."

Professor Joanna Wardlaw, Head of Neuroimaging Sciences at the University of Edinburgh, added: "This is a first step in making a scan reading tool that could be useful in mining large routine scan datasets and, after more testing, might aid patient assessment at hospital admission with stroke."

Small vessel disease (SVD) is a very common neurological disease in older people that reduces blood flow to the deep white matter connections of the brain, damaging and eventually killing the brain cells. It causes stroke and dementia as well as mood disturbance. SVD increases with age but is accelerated by hypertension and diabetes.

At the moment, doctors diagnose SVD by looking for changes to white matter in the brain during MRI or CT scans. However, this relies on a doctor gauging from the scan how far the disease has spread. In CT scans it is often difficult to decide where the edges of the SVD are, making it difficult to estimate the severity of the disease, explains Dr Bentley.

Although MRI can detect and measure SVD more sensitively it is not the most common method used due to scanner availability, and suitability for emergency or older patients.

Dr Bentley added: "Current methods to diagnose the disease through CT or MRI scans can be effective, but it can be difficult for doctors to diagnose the severity of the disease by the human eye. The importance of our new method is that it allows for precise and automated measurement of the disease. This also has applications for widespread diagnosis and monitoring of dementia, as well as for emergency decision-making in stroke."

Dr Bentley explains that this software could help influence doctors decision-making in emergency neurological conditions and lead to more personalised medicine. For example, in stroke, treatments such as 'clot busting medications' can be quickly administered to unblock an artery. However, these treatments can be hazardous by causing bleeding, which becomes more likely as the amount of SVD increases. The software could be applied in future to estimate the likely risk of haemorrhage in patients and doctors can decide on a personal basis, along with other factors, whether to treat or not with clot busters.

He also suggests that the software can help quantify the likelihood of patients developing dementia or immobility, due to slowly progressive SVD. This would alert doctors to potentially reversible causes such as high blood pressure or diabetes.

The study used historical data of 1082 CT scans of stroke patients across 70 hospitals in the UK between 2000-2014, including cases from the Third International Stroke Trial. The software identified and measured a marker of SVD, and then gave a score indicating how severe the disease was ranging from mild to severe. The researchers then compared the results to a panel of expert doctors who estimated SVD severity from the same scans. The level of agreement of the software with the experts was as good as agreements between one expert with another.

Additionally, in 60 cases they obtained MRI and CT in the same subjects, and used the MRI to estimate the exact amount of SVD. This showed that the software is 85 per cent accurate at predicting how severe SVD is.

The team are now using similar methods to measure the amount of brain shrinkage and other types of conditions commonly diagnosed on brain CT.

The study was funded by a National Institute for Health Research i4i Invention for Innovation award, and a National Institute for Health Research Imperial Biomedical Research Centre grant (NIHR BRC).

15
কালিজিরা পেটের জন্য ভালো। আছে আরও নানা গুণ। মসলা বা উপকারী ঔষধির কথা উঠলেই কালো কালো এই মিহি দানার নামটা আসে। কালিজিরা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে ওজন কমাতে। যাঁরা সঠিক নিয়মে নিয়মিত কালিজিরা খান, তাঁরা দ্রুত ওজন কমিয়ে ফেলতে পারেন বলেই জানানো হয়েছে এনডিটিভি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে। জেনে নিন কালিজিরার ১২ গুণের কথা:
১. স্মৃতিশক্তি উন্নত করে ও মনোযোগ ধরে রাখে। যাঁরা অস্থিরতায় ভোগেন, তাঁদের জন্য কালিজিরা দারুণ উপকারী।
২. রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। যাঁরা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাঁদের জন্য কালিজিরা খুব কার্যকর।
৩. রক্তে বাজে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপ থেকে মুক্তি দেয়।
৪. হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখে।
৫. গেঁটে বাত বা অস্থিসন্ধির ব্যথা দূর করতে কার্যকর কালিজিরা।
৬. যাঁরা মাথাব্যথায় ভোগেন, তাঁদের জন্য কালিজিরা উপকারী।
৭. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৮. ব্রণ দূর করে।
৯. চুল পড়া রোধে দারুণ কার্যকর।
১০. দাঁত শক্ত করে।
১১. যাঁরা অ্যাজমা বা হাঁপানির সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্যও উপকারী।
১২. পাইলস, কোষ্ঠকাঠিন্য, যকৃতের সমস্যায় বা জন্ডিস থেকে দ্রুত সেরে উঠতে কালিজিরা কাজে লাগে।

খাবেন কীভাবে
ওজন কমাতে কীভাবে খাবেন, জেনে নিন। কয়েকটি কালিজিরার দানা নিয়মিত খেলে মেদ ঝরতে শুরু করবে। কালিজিরায় আছে বিশেষ ধরনের ফাইবার বা আঁশ, যা অতিরিক্ত খাওয়া নিয়ন্ত্রণে রাখে। খাবারের মধ্যে একটু কালিজিরা মিশিয়ে নিলে স্বাদ যেমন বাড়ে, তেমনি পুষ্টিগুণও বেড়ে যায়।

১. পানি, লেবু ও মধুর সঙ্গে: হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে তা আগে খেয়ে ফেলুন। এবার হালকা গরম পানির সঙ্গে কয়েকটি কালিজিরার বীজ খেয়ে ফেলুন। শেষে এক চামচ মধু খান। কালিজিরা খাওয়ার আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে তাতে কালিজিরার গুঁড়া যোগ করা। তিন-চারটি দানা গুঁড়ো করে লেবু-পানিতে যুক্ত করতে হবে। কারণ, বেশি কালিজিরা যুক্ত করলে হজমে গোলমাল হতে পারে। এরপর ওই পানির মধ্যে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে মেদ কমবে পেশি সুগঠিত হবে।

২: লেবু ও কালিজিরা: কিছু কালিজিরা একটি বাটিতে রেখে তার ওপর লেবুর রস চিপে দিন। কালিজিরা ভিজে গেলে তা রোদে শুকিয়ে নিন আবার। দিনে দুবার ৮-১০টি করে কালিজিরার দানা খান। পেটের চর্বি কমতে শুরু করবে।

৩. সবজিতে: যখনই কোনো সবজি গ্রিল করবেন, চাটনি বা সালাদ বানাবেন, তখন পুষ্টিগুণের কথা মাথায় রেখে কয়েক দানা কালিজিরা যুক্ত করুন। প্রাকৃতিক উপায়ে ওজন কমানোর নিরাপদ পদ্ধতি এটি।

সতর্কতা
কখনোই বেশি পরিমাণ কালিজিরা একবারে খাবেন না। এতে পিত্ত সমস্যা হতে পারে। সন্তানসম্ভবা নারীদের ক্ষেত্রেও কালিজিরা খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, কালিজিরা শরীর অতিরিক্ত গরম করে।

Pages: [1] 2